Tag: Bengali news

Bengali news

  • Bangladesh To Kolkata Train: ফের বাড়ল বাংলাদেশ-কলকাতা ট্রেনের ভাড়া, জানুন তালিকা

    Bangladesh To Kolkata Train: ফের বাড়ল বাংলাদেশ-কলকাতা ট্রেনের ভাড়া, জানুন তালিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওপার বাংলা থেকে প্রচুর মানুষ এপার বাংলায় আসেন। বেশিরভাগ জনই চিকিৎসার স্বার্থে কলকাতায় আসেন এবং সুস্থ হয়ে ফের ফিরে যান। বাংলাদেশ থেকে কলকাতায় আসার বাস ও বিমান থাকলেও পকেট সাশ্রয়ী হিসেবে এবং আরও অন্যান্য সুবিধার জন্য মধ্যবিত্ত বাঙালির পছন্দের তালিকায় সর্বদাই শীর্ষে থাকে ট্রেন (Bangladesh To Kolkata Train)। তবে ফের একবার বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসা ট্রেনগুলির ভাড়া বাড়ল বলে জানা গিয়েছে। ডলারের মূল্য বৃদ্ধির জেরেই এমন ভাড়া বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। এমনটাই জানা গিয়েছে।

    ১৫ জুন থেকেই বাড়ল ভাড়া 

    গতকাল ১৫ জুন শনিবার থেকেই এই নতুন ভাড়া কার্যকর হয়ে গিয়েছে। ওপার বাংলার ট্রেনের এক উচ্চপদস্থ আধিকারিক মেহরাবুর রশিদ খান একটি বিবৃতি জারি করে ভাড়া বাড়ানোর কথা জানিয়েছেন। ওই বিবৃতি অনুযায়ী দেখা যাচ্ছে, বাংলাদেশ থেকে ভারতে আসা তিনটি ট্রেন (Bangladesh To Kolkata Train) যথা- মৈত্রী এক্সপ্রেস, বন্ধন এক্সপ্রেস ও মিতালী এক্সপ্রেস এদের ভাড়া সর্বনিম্ন ৭০ টাকা এবং সর্বোচ্চ ৩০৫ টাকা বেড়েছে। 

    কোন ট্রেনে কত ভাড়া বাড়ল

    প্রসঙ্গত, ২০০৮ সালের ১৪ এপ্রিল পথ চলা শুরু করে মৈত্রী এক্সপ্রেস। বন্ধন এক্সপ্রেস ওপার বাংলা থেকে এপার বাংলায় ছোটে ২০১৭ সালের ১৬ নভেম্বর। মিতালী এক্সপ্রেস চালু হয় খুব সম্প্রতি ২০২১ সালের ২৬ মার্চ। ঢাকা থেকে কলকাতা চলাচল করে মৈত্রী এক্সপ্রেস। খুলনা থেকে কলকাতায় আসে বন্ধন এক্সপ্রেস ঢাকা। অন্যদিকে ঢাকা থেকে নিউ জলপাইগুড়ি পর্যন্ত যাতায়াত করে মিতালী এক্সপ্রেস। জানা গিয়েছে, আগে মৈত্রী এক্সপ্রেসের এসি কামরার ভাড়া ছিল ৪,৯০০ টাকা। নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী তা হল ৫,১১০ টাকা। আবার বন্ধন এক্সপ্রেসের (Bangladesh To Kolkata Train) ট্রেনের এসি ভাড়া ছিল ২,৯৫০ টাকা। নতুন বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী তা হল ৩,০৫৫ টাকা। মিতালি এক্সপ্রেস ট্রেনের এসি আসনের ভাড়া ছিল ৬,৭২০ টাকা। সেটা বেড়ে হল ৭,০২৫ টাকা। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP Central Team: বাংলায় ভোট-পরবর্তী হিংসা, চার সাংসদের কেন্দ্রীয় দল পাঠাচ্ছে বিজেপি

    BJP Central Team: বাংলায় ভোট-পরবর্তী হিংসা, চার সাংসদের কেন্দ্রীয় দল পাঠাচ্ছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সারা দেশে লোকসভা নির্বাচন শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন হলেও ভোট-সন্ত্রাস হয়েছে শুধুমাত্র একটি রাজ্যে এবং তা হল পশ্চিমবঙ্গ। এমনই অভিযোগ কেন্দ্রীয় বিজেপির (BJP Central Team)। প্রসঙ্গত, উত্তরবঙ্গ থেকে দক্ষিণবঙ্গ প্রতিটি জেলাতেই বিজেপির পার্টি অফিসে ঢুকে হামলা বা বাড়ি ভাঙচুর, মহিলাদের ওপর অত্যাচারের নানা ঘটনা সামনে এসেছে। ২০২৪ সালের লোকসভার ভোট পরবর্তী সন্ত্রাসের (Post-Poll Violence) অভিযোগ রাজ্যপালের কাছে জানাতে গেলে রাজ্য পুলিশ বাধা দেয় বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে। ঠিক এই আবহে রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিংসার খোঁজখবর নিতে পা রাখতে চলেছে বিজেপির চার সাংসদের কেন্দ্রীয় দল। যার আহ্বায়ক ত্রিপুরার বিপ্লব দেব।

    কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দলে কারা রয়েছেন? 

    ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বর্তমান সাংসদ বিপ্লব দেব ছাড়াও দলে থাকছেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বর্তমান সাংসদ রবিশঙ্কর প্রসাদ, উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন ডিজিপি ও বর্তমানে রাজ্যসভার সাংসদ ব্রিজলাল এবং মধ্যপ্রদেশের রাজ্যসভা সাংসদ কবিতা পাতিদার। বিজেপির তরফে প্রেস বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই চার সদস্যের কেন্দ্রীয় দল (BJP Central Team) পশ্চিমবঙ্গে গিয়ে সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে রিপোর্ট দেবে বিজেপি শীর্ষ নেতৃত্বকে (Post-Poll Violence)।

    ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী হিংসার ছায়া দেখা যাচ্ছে 

    বিজেপির অভিযোগ, ‘‘লোকসভা ভোটের পরে রাজ্যে যে ভোট পরবর্তী হিংসা (Post-Poll Violence) চলছে, তাতে ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী হিংসার ছায়া দেখা যাচ্ছে। আর পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব দেখেও নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন। অথচ তাঁরই দলের দুষ্কৃতীরা বিরোধী দলের কর্মী এবং ভোটারদের উপর হামলা চালিয়ে যাচ্ছে।’’ বিজেপির ওই প্রেস বিবৃতিতে আরও লেখা রয়েছে, ‘‘গোটা দেশে এ বার লোকসভা ভোট হয়েছে শান্তিপূর্ণ ভাবে। ২৮টি রাজ্য এবং ৮টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে লোকসভা ভোট ছাড়াও চার রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে। তার মধ্যে কয়েকটিতে ক্ষমতার বদলও হয়েছে। কোথাও কোনও হিংসাত্মক ঘটনা ঘটেনি (BJP Central Team)। হয়েছে শুধুমাত্র বাংলায়।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: কথা রাখেননি মুখ্যমন্ত্রী! সমুদ্র সাথি প্রকল্পের এক টাকা পেলেন না রাজ্যের মৎস্যজীবীরা

    South 24 Parganas: কথা রাখেননি মুখ্যমন্ত্রী! সমুদ্র সাথি প্রকল্পের এক টাকা পেলেন না রাজ্যের মৎস্যজীবীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কথা রাখেননি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর ঘোষণার পরও সমুদ্র সাথি প্রকল্পের এক টাকাও পেলেন না দক্ষিণ ২৪ পরগনা (South 24 Parganas) সহ রাজ্যের লক্ষ লক্ষ মৎস্যজীবীরা। স্বাভাবিকভাবে মৎস্যজীবীরা এই ঘটনায় বেজায় ক্ষুব্ধ। রাজ্য সরকারের ভূমিকা নিয়ে তাঁরা প্রশ্ন তুলতে শুরু করেছেন।

    সমুদ্র সাথি প্রকল্পে মৎস্যজীবীদের জন্য কী ঘোষণা করা হয়েছিল (South 24 Parganas)

    দুমাস আগে রাজ্য সরকারের মৎস্য দফতর থেকে মৎস্যজীবীদের জন্য  একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়,১৫ ই এপ্রিল থেকে ১৪ই জুন পর্যন্ত যন্ত্র চালিত ট্রলার কিংবা ভুটভুটি নিয়ে নদীতে কিংবা সমুদ্রে মাছ ধরতে পারবেন না মৎস্যজীবীরা। একই সঙ্গে দুমাস বেকার হয়ে থাকা মৎস্যজীবীদের জন্য সমুদ্র সাথি প্রকল্পে দশ হাজার টাকা করে পরিবার পিছু অনুদান দেবে সরকার। মৎস্যজীবীদের (South 24 Parganas) বক্তব্য, মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণা দুমাস হয়ে গেল। আজও পর্যন্ত সেই সমুদ্র সাথি প্রকল্পের ১০ হাজার টাকা দেওয়া হল না। ১৪ জুনের পর পুনরায় গভীর সমুদ্রে মাছ ধরতে যাওয়ার তোড়জোড় শুরু করেছেন ওই মৎস্যজীবীরা। তবে, হাতে টাকা না থাকায় দেনা করছেন তাঁরা। আর এরজন্য তৃণমূল সরকারকে দায়ী করছেন মৎস্যজীবীরা।

    আরও পড়ুন: শনি সকালেও ঘামছে শহরবাসী, আজ বিকেল থেকে বৃষ্টি! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার আহ্বায়ক অরুনাভ দাস বলেন, ভোটের আগে এটা তৃণমূলের চমক ছিল। এই সব লোভ দেখিয়ে ভোট করিয়ে নিয়েছে। এখন ভোট শেষ। তাই, মৎস্যজীবীদের জন্য তৃণমূল সরকারের চিন্তা করার সময় নেই। অন্যদিকে, এই বিষয় নিয়ে কুলপির বিধায়ক যোগরঞ্জন হালদার বলেন, ভোট থাকার কারণে অনেক মৎস্যজীবী এখনও পর্যন্ত এই প্রকল্পে আবেদন করতে পারেননি। আবেদন করলে অবশ্যই সবার অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকবে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী যখন কথা দিয়েছেন, অবশ্যই মৎস্যজীবীরা টাকা পাবেন। কোনও চিন্তার কারণ নেই। আর বিরোধীদের অভিযোগ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বিরোধীরা সারাক্ষণই অভিযোগ করে। কোনও কাজ করে না, সেই কারণেই লোকসভা নির্বাচনে মানুষ তাদের গ্রহণ করেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Arvind Kejriwal: সমাজমাধ্যম থেকে কেজরির ভিডিয়ো সরাতে বলে স্ত্রী সুনীতাকে নোটিশ দিল্লি হাইকোর্টের

    Arvind Kejriwal: সমাজমাধ্যম থেকে কেজরির ভিডিয়ো সরাতে বলে স্ত্রী সুনীতাকে নোটিশ দিল্লি হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আবারও সংবাদ শিরোনামে আপ সুপ্রিমো। এবার দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের (Arvind Kejriwal) একটি ভিডিয়ো সরিয়ে নিতে বলে তাঁর স্ত্রী সুনীতা কেজরিওয়ালকে নোটিশ দিল দিল্লি হাইকোর্ট (Delhi HighCourt)। একই সঙ্গে ওই ভিডিয়োটি সমাজমাধ্যম থেকে সরিয়ে নেওয়ার জন্যও ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম, এক্স এবং ইউটিউবকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। এছাড়াও আদালত বিভিন্ন সমাজমাধ্যম কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছে, ভবিষ্যতে এই ধরনের কিছু চোখে পড়লে তা-ও সরিয়ে দিতে হবে।   

    ভিডিওটিতে ঠিক কী ছিল? (Arvind Kejriwal) 

    আবগারি দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার হওয়ার পর কেজরিওয়ালকে (Arvind Kejriwal) যখন আদালতে হাজির করানো হয়েছিল, সেই সময়কার কোর্টের ভিতরে তাঁর বক্তব্যের একটি ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেন আপ নেতা-কর্মীরা। সুনীতাও তেমনই একটি ভিডিয়ো শেয়ার করেছিলেন এক্সে। আর ভিডিও শেয়ার করতেই তা নিয়েই শুরু হয় বিতর্ক। এরপর ভিডিয়ো ভাইরাল হওয়া নিয়ে দিল্লি হাইকোর্টে (Delhi HighCourt) দায়ের হয় জনস্বার্থ মামলা। 

    আরও পড়ুন: কাঁচরাপাড়ার বুকে যেন রবিনসন স্ট্রিটকাণ্ডের ছায়া, মৃত মেয়েকে আগলে বাবা!

    মামলাকারীর অভিযোগ 

    জানা গিয়েছে বৈভব সিংহ নামে এক আইনজীবী কেজরির (Arvind Kejriwal) ভিডিয়োর বিরুদ্ধে জনস্বার্থ মামলাটি করেন। মামলাকারী জানান, আদালত কক্ষের মধ্যেকার এই ধরনের ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া যায় না। কারণ, তা দিল্লি হাইকোর্টের ভিডিয়ো কনফারেন্সিং নিয়মের বিরোধী। ২০২১ সাল থেকে ওই নিয়ম চালু আছে। নিয়ম অনুযায়ী, আদালতের মধ্যেকার কোনও প্রক্রিয়ার ভিডিয়ো রেকর্ড করা যাবে না। সমাজমাধ্যমে এই ধরনের ভিডিয়ো ছড়িয়ে দেওয়াও যাবে না। কেজরির ভিডিয়ো সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে আপ নেতারা বিচার ব্যবস্থার অপমান করেছেন বলেও দাবি করেন মামলাকারী।

    আগে ঠিক কী ঘটেছিল?   

    আসলে আবগারি দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতারির পর গত ২৮ মার্চ দিল্লির রাউস অ্যাভিনিউ আদালতের বিচারক কাবেরী বাওয়েজার বিশেষ বেঞ্চে দ্বিতীয় বারের জন্য হাজির করানো হয়েছিল কেজরিওয়ালকে। অভিযোগ, আদালতে যখন কেজরি নিজের বক্তব্য জানাচ্ছিলেন, সেই সময়ে তাঁর দলের নেতা-কর্মীরা ভিডিয়ো রেকর্ড করেন এবং পরে তা সমাজমাধ্যমে পোস্ট করা হয়। কেজরির স্ত্রী-ও তা শেয়ার করেন। এবার সেই ভিডিও সংক্রান্ত শুনানিতে শনিবার উচ্চ আদালত (Delhi HighCourt) সুনীতাকে নোটিশ দিল।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের ফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে যাচ্ছে বিজেপি

    Lok Sabha Election 2024: ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের ফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে যাচ্ছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘাটাল লোকসভার ভোটের ফলাফলকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে হাইকোর্টে মামলা (Lok Sabha Election 2024) দায়ের করতে চলেছে বিজেপি। দলের তরফ থেকে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, আগামী সপ্তাহে ‘ইলেকশেন-পিটিশন’ দায়ের করা হবে। প্রধান অভিযোগ করা হবে কেশপুর এবং সবং কেন্দ্র নিয়ে। এই দুই বিধানসভায় ব্যাপক ভাবে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা ভোট লুট করেছে। আদালতে এই নিয়ে তথ্য দিয়ে অভিযোগ করা হবে।

    বিজপির বক্তব্য (Lok Sabha Election 2024)

    রাজ্যের চারটি লোকসভা (Lok Sabha Election 2024) কেন্দ্রের ফলাফল নিয়ে দলের পক্ষ থেকে হাইকোর্টে যাওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে। তবে এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থীরাই কোর্টে ইলেকশন পিটিশন দায়ের করবেন। একই ভাবে ঘাটালের নির্বাচন নিয়ে আদালতে যাবে দল। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন, “আগামী সপ্তাহের মঙ্গলবার-বুধবারে আমরা কোর্টে যাবো। ছয় মাসের মধ্যে মামলা নিস্পত্তি করতে হবে।” আবার ঘাটাল সাংগঠনিক জেলার বিজেপি সাধারণ সম্পাদক তন্ময় ঘোষ বলেছেন, “কেশপুরে প্রায় পুরোটাই ছাপ্পা করেছে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা। এই বিধানসভার ভোট বাতিল করতে হবে। সবং এবং এই বিধানসভায় প্রচুর ভোট লুট হয়েছে। সব তথ্য আমরা সংগ্রহ করে রেখেছি। পিটিশন দিয়ে আমরা জানাবো।”

    হিরণের বক্তব্য

    বিজেপি নেতা হিরণ বলেন, “ভোটের (Lok Sabha Election 2024) দিন কেশপুরে পাগলু ড্যান্স করেছে তৃণমূল। লুঙ্গি তুলে হাতে বাঁশ নিয়ে সর্বত্র তাণ্ডব চলেছে। এখানে ২৮২টি বুথ, ভোটের দিনে শতাধিক এজেন্ট বুথে বসতে পারেননি। নোটায় ভোট পড়লেও অনেক বুথে বিজেপিতে ভোট পড়েনি। ৩০টির বেশি বুথে ১-৯টি করে ভোট পড়ছে। তাই বিজেপি কোর্টে যাবে।”

    আরও পড়ুনঃ কাঁচরাপাড়ার বুকে যেন রবিনসন স্ট্রিটকাণ্ডের ছায়া, মৃত মেয়েকে আগলে বাবা!

    তৃণমূলের বক্তব্য

    জেলার তৃণমূল নেতা অজিত মাইতি বলেছেন, “ঘটালে সুষ্ঠভাবে ভোট (Lok Sabha Election 2024) হয়েছে। দেব ১ লাখ ৮২ হাজার ভোটে জয়ী হয়েছেন। কেশপুরে তিনি ১ লাখ ৩ হাজার এবং সবং বিধানসভায় ৩২ হাজার ৭০০ ভোটে এগিয়ে গিয়েছেন। দুটি বিধানসভা বাদ দিলে তৃণমূল জয়ী হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bullet Train in India: ২০২৬ সালের মধ্যেই রকেট গতিতে ভারতে ছুটবে বুলেট ট্রেন, ঘোষণা রেলমন্ত্রীর

    Bullet Train in India: ২০২৬ সালের মধ্যেই রকেট গতিতে ভারতে ছুটবে বুলেট ট্রেন, ঘোষণা রেলমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬ সালের মধ্যেই চিন জাপানকে টেক্কা দিয়ে ভারতে প্রবল গতিতে ছুটবে বুলেট ট্রেন (Bullet Train in India)। এমনটাই জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব। জানা গিয়েছে, বুলেট ট্রেনের লাইনের জন্য ইতিমধ্যে জমি অধিগ্রহণের কাজও শেষ হয়ে গিয়েছে। জোর কদমে চলছে ট্রেনের লাইন পাতার কাজ। এর পাশাপাশি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও রকেট গতির এই ট্রেন নিয়ে আরও অনেক কিছু জানিয়েছেন রেলমন্ত্রী। অশ্বিনী বৈষ্ণবের মতে,  দ্রুতগতিতে ট্রেন যেমন ছুটবে তেমনই এর পাশাপাশি ট্রেনে যাত্রী সুরক্ষাতেও ব্যাপক নজর দেওয়া হবে।

    রেলমন্ত্রীর ট্যুইট

    যাত্রীদের সুবিধা ও সুরক্ষার জন্য তৈরি করা হয়েছে অটোমেটেড রেইনফল মনিটরিং সিস্টেম। গতকাল শুক্রবার এ নিয়ে রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবের একটি এক্স হ্যান্ডেলের (Bullet Train in India) পোস্ট সামনে এসেছে এবং সেখানেই তিনি বুলেট ট্রেন সম্পর্কে একাধিক আপডেট দিয়েছেন।

    রেইনফল মনিটারিং সিস্টেম আসলে কী? কীভাবে কাজ করবে এটি? 

    রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, এই সিস্টেমে রেইনগজ ব্যবহার করা হয়েছে। বৃষ্টিপাতের প্রতিমুহূর্তের তথ্য মিলবে এখানে। এর পাশাপাশি রয়েছে advance instrumentation system. অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত যদি শুরু হয় সে ক্ষেত্রে বুলেট ট্রেনের (Bullet Train in India) গতি কমানো হবে নিরাপত্তার জন্য। প্রসঙ্গত রেলমন্ত্রী আরও জানিয়েছেন যে যাত্রী সুরক্ষাতে সবথেকে বেশি জোর দেওয়া হচ্ছে এবং এর সঙ্গে কোনও রকমের আপোষ করা হবে না।

    কতটা গতিতে ছুটবে বুলেট ট্রেন?

    জানা গিয়েছে, জাপানের সঙ্গে চুক্তি করে বুলেট ট্রেনের (Bullet Train in India) কাজ চলছে। প্রথম বুলেট ট্রেনটি ছুটবে মুম্বই-আহমেদাবাদ রুটে। রেলওয়ে আধিকারিকরা জানাচ্ছেন ৫০৮ কিলোমিটার দূরত্বের ঐ রূটে বুলেট ট্রেনের সর্বোচ্চ গতিবেগ হবে ৩২০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা। যাত্রা পথে মোট ১২টি স্টেশন থাকবে। প্রসঙ্গত, শুক্রবারই ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে রেল বোর্ডের উচ্চ পদস্থ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন রেলমন্ত্রী এবং সেখানে সারা দেশব্যাপী রেলওয়ে সুরক্ষা নিয়ে আলোচনা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Nagastra-1 Suicide Drone: ভারতীয় সেনার হাতে এল মেড ইন ইন্ডিয়া আত্মঘাতী ড্রোন ‘নাগাস্ত্র-১’

    Nagastra-1 Suicide Drone: ভারতীয় সেনার হাতে এল মেড ইন ইন্ডিয়া আত্মঘাতী ড্রোন ‘নাগাস্ত্র-১’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘ঘর মে ঘুসকে মারেঙ্গে…’’। দেশে সন্ত্রাস হামলা হলে ভারতের প্রত্যুত্তর কেমন হবে তা বোঝাতে গিয়ে সম্প্রতি নাম না করে পাকিস্তানকে ঠিক এই ভাষাতেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এবার, মোদির সেই বার্তা সফল রূপ দিতে ভারতীয় সেনার হাতে এসে গেল ‘নাগাস্ত্র’ (Nagastra-1 Suicide Drone)। ভারত নিজস্ব ক্ষমতায় কামিকাজে লয়টারিং মিউনিশন (Kamikaze Loitering Munition) তৈরি করে ফেলায় এবার সীমান্তে চাপে চিন-পাকিস্তান।

    এবার থেকে সার্জিক্যাল স্ট্রাইকের দায়িত্বে ‘নাগাস্ত্র-১’

    উরি-পুলওয়ামা হামলার জবাবে সার্জিক্যাল স্ট্রাইক ও বালাকোটে এয়ার স্ট্রাইক করে পাক-অধিকৃত কাশ্মীরে গজিয়ে ওঠা জঙ্গি শিবির ধ্বংস করেছিল ভারতীয় ফৌজ। তবে, তা করতে ভারতীয় ফৌজকে সীমান্ত পেরিয়ে যেতে হয়েছিল। কিন্তু, এবার, আর তার প্রয়োজন নেই। সৌজন্য আত্মঘাতী ড্রোন ‘নাগাস্ত্র-১’ (Nagastra-1 Suicide Drone)। সীমান্তের এপার থেকেই কন্ট্রোল করে সীমান্তের ওপারে থাকা জঙ্গি ঘাঁটি থেকে শুরু করে শত্রুর গুরুত্বপূর্ণ টার্গেট ধ্বংস করতে পারবে ভারতীয় সেনা। ফলে, আর কোনও সৈনিককে নিজের প্রাণের ঝুঁকি নিতে হবে না।

    ওজন মাত্র ৯ কেজি, উড়তে পারে ৩০ কিমি!

    প্রায় সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি এই ‘লয়টারিং মিউনিশন’ বা আত্মঘাতী ড্রোন ভারতের পক্ষে গেমচেঞ্জার প্রমাণিত হতে পারে বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞ মহল। ‘নাগাস্ত্র-১’ দেখতে একটি খেলনা বিমানের মতো। মাটি থেকে ২০০ মিটার পর্যন্ত উপরে উঠে আত্মঘাতী হামলা চালাতে সক্ষম এই মানববিহীন অতিক্ষুদ্র বিমান। ৯ কেজির এই ড্রোন বহন করতে পারে ১ কিলো বিস্ফোরক। নাগাস্ত্র একটানা ৩০ মিনিট ধরে উড়তে পারে। কোনও মানুষ একে নিয়ন্ত্রণ করলে ১৫ কিলোমিটার দূর পর্যন্ত উড়তে পারে ড্রোনটি। আর স্বয়ংক্রিয়ভাবে উড়লে, ৩০ কিলোমিটার দূরেও গিয়ে হামলা চলাতে পারে নাগাস্ত্র। 

    লক্ষ্যবস্তুর আশপাশে ঘোরাঘুরি করতে থাকে, তারপর…

    সেনার তরফে জানানো হয়েছে, লক্ষ্যবস্তু স্থির না হওয়া পর্যন্ত লক্ষ্যবস্তুর আশপাশে ঘোরাঘুরি করতে থাকে এই ড্রোনগলি। লক্ষ্যবস্তুর আশপাশে উড়তে উড়তে, সঠিক সময়ে লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালায়। ‘নাগাস্ত্র-১’ (Nagastra-1 Suicide Drone) হামলা চালায় ‘কামিকাজে’ মোডে (জাপানি শব্দ, অর্থ আত্মঘাতী (Kamikaze Loitering Munition)। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় মার্কিন রণতরীগুলি ধ্বংস করার জন্য এই পন্থা নিয়েছিল জাপান। জাপানি বিমান বাহিনীর পাইলটরা যুদ্ধবিমান নিয়ে উড়ে যেত মার্কিন রণতরীর উপর। তারপর, বিমানটি নিয়ে ধাক্কা মারত জাহাজে। জাহাজটিও ধ্বংস হত, বিমানটিও)। ড্রোন শত্রুপক্ষের বাঙ্কার, ছাউনি, অস্ত্রাগারের উড়ে এসে পড়ে বিস্ফোরণ ঘটাতে সক্ষম নাগাস্ত্র। এমনকি, কোনও বাড়িতে লুকিয়ে থাকা জঙ্গি ঘাঁটিতেও তা আছড়ে পড়তে পারে। নাগাস্ত্রও লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানোর সময়, লক্ষ্যবস্তুকে ধ্বংস করার পাশাপাশি নিজেও ধ্বংস হয়। সেই কারণে, একে আত্মঘাতী-ড্রোন বলা হয়। 

    নাগাস্ত্র-১ ড্রোনে রয়েছে অনন্য বৈশিষ্ট্য

    দিনে ও রাতে নজরদারি চালানোর জন্য, নাগাস্ত্র-১ (Nagastra-1 Suicide Drone) ড্রোনে ২৪-ঘণ্টা ব্যবহারযোগ্য বিশেষ ক্যামেরাও আছে। এতে ডুয়াল সেন্সর আছে। ২৫ কিমি দূরের ছবি পাঠাতে সক্ষম নাগাস্ত্র। এছাড়াও এতে রয়েছে জিপিএস-ভিত্তিক প্রযুক্তি। জিপিএস টার্গেট রেঞ্জ ৬০ কিমি। জিপিএস নির্দেশিত নির্দিষ্ট স্থানে হামলা চালাতে পারে। ভুলচুক হওয়ার সম্ভাবনা মাত্র ২ মিটার। বিদেশে ব্যবহৃত কামিকাজে ড্রোন ফায়ার অ্যান্ড ফর্গেট পদ্ধতিতে চলে। অর্থাৎ, একবার বেরিয়ে গেলে, ফেরানো যায় না। কিন্তু, নাগাস্ত্র এখানে অন্যদের থেকে আলাদা। কোনও সময়ে মনে হলে অভিযান ‘অ্যাবর্ট’ বা বাতিল করতে হবে, তখন মাঝপথে তাকে ফিরিয়ে আনা যায়। পরে ব্যবহারও করা যায়। এক্ষেত্রে, প্যারাশুটের মাধ্যমে সফট ল্যান্ডিং করানো যায়। এই বিশেষ ব্যবস্থা, বিশ্বে আর কোনও আত্মঘাতী ড্রোনে নেই। 

    মোট ৪৮০টির মধ্যে এসেছে ১২০টি

    প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে দেশে সরঞ্জাম উৎপাদনের ওপর জোর দেওয়ার জোরালো সওয়াল করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেই প্রেক্ষিতেই দেশেই নকশা ও তৈরি করা হয়েছে এই সুইসাইড ড্রোন (Kamikaze Loitering Munition)। নাগপুরের সোলার ইন্ডাস্ট্রিজ ইন্ডিয়া লিমিটেডের সহযোগী সংস্থা ইকনমিক্স এক্সপ্লোসিভস লিমিটেড কোম্পানি ও জেড মোশন অটোনোমাস সিস্টেমস প্রাইভেট লিমিটেড নাগাস্ত্র (Nagastra-1 Suicide Drone) তৈরি করেছে। মোট ৪৮০টি ড্রোন বানানোর বরাত দিয়েছিল ভারতীয় সেনা। প্রথম ব্যাচে এখন চলে এল ১২০টি। ইতিমধ্যেই বিশ্বের নজরে চলে এসেছে ‘নাগাস্ত্র-১’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • North 24 Parganas: কাঁচরাপাড়ার বুকে যেন রবিনসন স্ট্রিটকাণ্ডের ছায়া, মৃত মেয়েকে আগলে বাবা!

    North 24 Parganas: কাঁচরাপাড়ার বুকে যেন রবিনসন স্ট্রিটকাণ্ডের ছায়া, মৃত মেয়েকে আগলে বাবা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিনসন স্ট্রিটকাণ্ডের ছায়া এবার কাঁচরাপাড়ার বুকে। দুদিন আগে মৃত হয়েছেন মেয়ে, এবার সেই মেয়েকে আগলে ধরে তাঁর বাবা পাশে শুয়ে থাকার ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বীজপুর থানার অন্তর্গত বিনোদনগরের ১০ নম্বর ওয়ার্ডে। খবর জানাজানি হতেই পুলিশ পৌঁছায় বাড়িতে, এরপর দেহ উদ্ধার করা হয়।

    কীভাবে ঘটল ঘটনা (North 24 Parganas)?

    বীজপুর North 24 Parganas) থানার এই ওয়ার্ডে স্থানীয় বাসিন্দা নিতাই কুন্ডুর মেয়ে ছত্রিশ বছরের টুম্পা কুন্ডু দুদিন আগেই বাড়িতে মারা গিয়েছিলেন বলে জানা গিয়েছে। ঠিক তারপরেও দাহ না করে মেয়েকে আগলে পড়েছিলেন বাবা। প্রতিবেশীরা, বাড়ির থেকে পচা দুর্গন্ধ পেয়ে পরিবারের সদস্যদের জিজ্ঞাসা করলেও তা এড়িয়ে যান সকলে। ইতিমধ্যে খবর পেয়ে স্থানীয় কাউন্সিলর শম্ভুনাথ ঘোষ এসে পৌঁছান। এরপর খবর দেওয়া হয় বিজপুর থানায়। তারপরে বীজপুর থানার পুলিশ এসে দুদিন আগেই মৃত টুম্পা কুন্ডুর মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যায়। সেই সঙ্গে বাবা নিতাই কুন্ডুকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয় চিকিৎসার জন্য। কিন্তু কী ভাবে টুম্পা কুন্ডুর মৃত্যু হয়েছে? এই ঘটনায় তদন্ত শুরু করেছে বীজপুর থানার পুলিশ।

    স্থানীয়দের বক্তব্য

    পাশের বাড়ির (North 24 Parganas) এক বাসিন্দা বাণী সরকার বলেছেন, “আমরা মেয়েটির শব্দ না পেয়ে ভেবেছিলাম কিছু একটা ঘটনা ঘটেছে! কিন্তু এতও দুর্গন্ধ কেন! নিশ্চই কুন্ডুর মেয়ে মারা গেছে। এরপর বাড়ির লোকজনকে বললেও কেউ সঠিক ভাবে উত্তর দেয়নি। শেষে আমরা পুলিশকে খবর দিলে মেয়ের মৃত্যু সম্পর্কে নিশ্চিত হই।”

    আরও পড়ুনঃশনি-রবি শিয়ালদা উত্তর-দক্ষিণ শাখায় চলবে মেরামতির কাজ, বাতিল একাধিক লোকাল ট্রেন

    স্থানীয় কাউন্সিলর বক্তব্য

    স্থানীয় (North 24 Parganas) জনপ্রতিনিধি কাউন্সিলর শম্ভুনাথ ঘোষ বলেন, “আমি খবর পেয়ে এই বাড়িতে এসেছি। গত দুদিন আগে মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। কিন্তু মৃত দেহকে সঙ্গে নিয়েই বসে ছিলেন বাবা নিতাইবাবু। প্রতিবেশীরা বাড়ি থেকে দুর্গন্ধ পান। দুর্গন্ধ সম্পর্কে মৃতার মামাকে জিজ্ঞাসা করলে কেউ মুখ খুলতে চাননি। কিন্তু দুর্গন্ধ আরও মারাত্মক হয়ে উঠলে পুলিশে খবর দেওয়া হয়। পরে বাড়ি থেকে দেহ উদ্ধার করা হয় এবং নিতাইবাবুকে মানসিক চিকিৎসার জন্য হাসপাতলে পাঠানো হয়।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Durgapur: পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে বিজেপি কর্মীকে মারধর, তৃণমূলের ঝান্ডা ধরার হুমকি

    Durgapur: পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে বিজেপি কর্মীকে মারধর, তৃণমূলের ঝান্ডা ধরার হুমকি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে বিজেপি কর্মীকে মারধর করার অভিযোগ উঠল তৃণমূল নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে। ভোট পরিবর্তী হিংসার ঘটনাটি ঘটেছে দুর্গাপুরের (Durgapur) নিউ টাউনশিপ থানায় ভ্যাম্বে কলোনি এলাকায়। আক্রান্ত বিজেপি কর্মীর নাম রঞ্জিত অধিকারী। তিনি বিজেপির পোলিং এজেন্ট ছিলেন। ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    তৃণমূলের ঝান্ডা ধর, নাহলে এলাকা ছাড় (Durgapur)

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিজেপির ওই পোলিং এজেন্টকে তৃণমূল কার্যালয়ে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ওঠে দলীয় দুই কর্মী অভিজিৎ ঘোষ, শতদল রায়ের বিরুদ্ধে। সেখানেই তৃণমূল করার জন্য চাপ সৃষ্টি করা হয়। পাশাপাশি বিজেপি কর্মীকে মারধর করে বলে অভিযোগ। তৃণমূলের দুই কর্মী অভিজিৎ ঘোষ, শতদল রায় সহ বেশ কয়েকজনের বিরুদ্ধে দুর্গাপুরের (Durgapur) নিউ টাউনশিপ থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন আক্রান্ত বিজেপি কর্মী। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী রঞ্জিত অধিকারী বলেন,” নির্বাচনের ফলাফলের পর থেকেই আমাদের বাড়িতে এসে হুমকি দিয়ে যেত তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। তৃণমূলের দলীয় কার্যালয়ে আমাকে যাওয়ার জন্যও বলা হত। আমি না যাওয়াই বাড়ি থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে তুলে নিয়ে যায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। দলীয় কার্যালয়ে বলা হয়, তৃণমূলের ঝান্ডা ধরতে হবে, নাহলে এলাকা ছাড়তে হবে। সেখানে মারধরও করা হয়।”

    আরও পড়ুন: শনি সকালেও ঘামছে শহরবাসী, আজ বিকেল থেকে বৃষ্টি! কী বলছে হাওয়া অফিস?

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বর্ধমান-দুর্গাপুর (Durgapur) বিজেপির সাংগঠনিক জেলার সাধারণ সম্পাদক অভিজিৎ দত্ত বলেন,”দিকে দিকে আমাদের কর্মীরা ঘরছাড়া এবং আক্রান্ত। রঞ্জিতকেও পার্টি অফিসে তুলে নিয়ে গিয়ে মারধর করা হয়। পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।” এদিকে পশ্চিম বর্ধমান জেলা তৃণমূলের সহ সভাপতি উত্তম মুখোপাধ্যায় বলেন,”এইসব বিজেপির নাটক। বাংলা থেকে বিদায় হয়ে গিয়েছে ওরা। তাই, তৃণমূলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ramakrishna 47: “সচ্চিদানন্দলাভ হলে সমাধি হয়, তখন কর্মত্যাগ হয়ে যায়”

    Ramakrishna 47: “সচ্চিদানন্দলাভ হলে সমাধি হয়, তখন কর্মত্যাগ হয়ে যায়”

    ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ দক্ষিণেশ্বরে নরেন্দ্রাদি অন্তরঙ্গ ও অন্যান্য ভক্তসঙ্গে

    প্রথম পরিচ্ছেদ

    দক্ষিণেশ্বরে কেদারের উৎসব

    দক্ষিণেশ্বর-মন্দিরে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) কেদারাদি ভক্তসঙ্গে কথা কহিতেছেন। আজ রবিবার, অমাবস্যা, (২৯ শে শ্রাবণ ১২৮৯) ১৩ই অগস্ট ১৮৮২ খ্রিষ্টাব্দ। বেলা ৫টা হইবে।

    শ্রীযুক্ত কেদার, চাটুজ্য, হালিসহরে বাটী। সরকারী অ্যাকাউন্ট্যান্টের কাজ করিতেন। অনেকদিন ঢাকায় ছিলেন; সে-সময়ে শ্রীযুক্ত বিজয় গোস্বামী তাঁহার সহিত সর্বদা শ্রীরামকৃষ্ণের (Ramakrishna) বিষয় আলাপ করিতেন। ঈশ্বরের কথা শুনিলেই তাঁহার চক্ষু অশ্রুপূর্ণ হইত। তিনি পূর্বে ব্রাহ্মসমাজভুক্ত ছিলেন।

    ঠাকুর (Ramakrishna) নিজের ঘরের দক্ষিণের বারান্দায় ভক্তসঙ্গে বসিয়া আছেন। রাম, মনোমহন, সুরেন্দ্র, রাখাল, ভবনাথ, মাস্টার প্রভৃতি অনেক ভক্তেরা উপস্থিত আছেন। কেদার আজ উৎসব করিয়েছেন। সমস্ত দিন আনন্দে অতিবাহিত হইতেছে। রাম একটি ওস্তাদ আনিয়াছিলেন, তিনি গান গাহিয়াছেন। গানের সময় ঠাকুর সমাধিস্থ হইয়া ঘরের ছোট খাটটিতে বসিয়াছিলেন। মাস্টার ও অন্যান্য ভক্তেরা তাঁহার পাদমূলে বসিয়াছিলেন।

    সমাধিতত্ত্ব ও সর্বধর্ম-সমন্বয়—হিন্দু, মুসলমান ও খ্রিষ্টান

    ঠাকুর (Ramakrishna) কথা কহিতে কহিতে সমাধিতত্ত্ব বুঝাইতেছেন। বলিতেছেন, সচ্চিদানন্দলাভ হলে সমাধি হয়। তখন কর্মত্যাগ হয়ে যায়। আমি ওস্তাদের নাম কচ্ছি এমন সময় ওস্তাদ এসে উপস্থিত, তখন আর তার নাম করাবার কি প্রয়োজন। মৌমাছি ভনভন করে কতক্ষণ? যতক্ষণ না ফুলে বসে। কিন্তু সাধকের পক্ষে কর্মত্যাগ করলে হবে না। পূজা, জপ, ধ্যান, সন্ধ্যা, কেবচাদি, তীর্থ—সবই করতে হয়।

    লাভের পর যদি কেউ বিচার করে, সে যেমন মৌমাছি মধুপান করতে করতে আধ আধ গুনগুন করে।

    আরও পড়ুনঃ “তিনি দাঁড়াইলে ঠাকুর বলিলেন, বলরাম! তুমি? এত রাত্রে?”

    আরও পড়ুনঃ “পাপ করলে তার ফল পেতে হবে! লঙ্কা খেলে তার ঝাল লাগবে না?”

    আরও পড়ুনঃ “ব্যাকুলতা না এলে কিছুই হয় না, সাধুসঙ্গ করতে করতে ঈশ্বরের জন্য প্রাণ ব্যাকুল হয়”

    আরও পড়ুনঃ“গীতা গীতা দশবার বলতে গেলে, ত্যাগী ত্যাগী হয়ে যায়”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share