Tag: Bengali news

Bengali news

  • PSC Scam: নতুন ছকে নিয়োগ দুর্নীতি! গ্রেফতার দুই সরকারি আধিকারিক

    PSC Scam: নতুন ছকে নিয়োগ দুর্নীতি! গ্রেফতার দুই সরকারি আধিকারিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাবলিক সার্ভিস কমিশনে পরীক্ষা হলে এসএমএসে উত্তর পাঠিয়ে সিআইডির জালে দুই আধিকারিক। ছাত্রদের টোকাটুকির (PSC Scam) বরাত নেওয়া ধৃত সরকারি কর্মকর্তারা হলেন শঙ্কর বিশ্বাস ও পাপাই দাস। ধৃতদের নদিয়া জেলার দুই আলাদা ঠিকানা থেকে সিআইডির গোয়েন্দারা গ্রেফতার করেছেন। ধৃতদের মধ্যে একজন গোটা দুর্নীতির মাস্টারমাইন্ড বলে দাবি তদন্তকারীদের। এদের কাছ থেকে ১১ টি মোবাইল ফোন ও একাধিক ব্যাংকের পাসবুক সহ বেশ কিছু নথিপত্র বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

    নতুন ছকে নিয়োগ দুর্নীতি

    জানা গিয়েছে যেহেতু সরকারি পরীক্ষায় সাদা খাতা জমা দিয়ে নম্বর পাওয়ার দিন অতীত হয়েছে তাই (PSC Scam) দুর্নীতির নতুন ছক কষা হয়। যে সকল পরীক্ষার্থীদের সঙ্গে ডিল হয়েছে তাঁদের মোবাইল ফোনে প্রশ্নপত্রের উত্তর পৌঁছে দেওয়ার ঠিকা নিয়েছিলেন এই সরকারী কর্মীরা। রাজ্যের ফুড সাব-ইন্সপেক্টর পরীক্ষায় দুর্নীতির অভিযোগ ওঠে। এরপরেই তদন্তে নামে রাজ্যের সিআইডির গোয়েন্দারা। সিআইডির কাছে নির্দিষ্ট অভিযোগ ছিল রাজ্যের খাদ্য দপ্তরের ফুড এস আই পদে নিয়োগের পরীক্ষায় টোকাটুকি হয়েছে। পরীক্ষার হলে এসএমএস-এর মাধ্যমে প্রশ্নের উত্তর পাঠানো হয়েছিল বলে অভিযোগ। কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে সিআইডি তদন্ত শুরু করে। এরপর থেকে এরপরেই নদিয়ার কল্যাণী থেকে শঙ্কর বিশ্বাস এবং ধুবুলিয়া থেকে পাপাই দাসকে গ্রেফতার করা হয়। কলকাতার সার্ভে পার্ক থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছিল। সেই মামলার সূত্র ধরে এই দুজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে।  

    খাদ্য দফতরের পরীক্ষাতেও দুর্নীতি! (PSC Scam)

    এছাড়াও পিএসসি পরীক্ষায় একাধিক (PSC Scam) দুর্নীতির অভিযোগ সামনে এসেছে। কিন্তু এক্ষেত্রে প্রশ্ন উঠছে প্রিন্সিপাল একাউন্টেন্ট জেনারেলের সিনিয়র অডিটর শঙ্কর বিশ্বাস কীভাবে এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত হলেন। রাজ্যে প্রভাবশালীদের দুর্নীতির সঙ্গে যোগ কিছুতেই থামাতে পারছে না প্রশাসন। একইসঙ্গে শঙ্করের সঙ্গে আর কাদের যোগ ছিল সেই বিষয়গুলিও সামনে আসা দরকার।

    আরও পড়ুন: ইউসুফ পাঠানের বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ, নোটিস পেলেন তৃণমূল সাংসদ

    জানা গিয়েছে ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করে এই মামলায় গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হাতে পেয়েছে সিআইডি। রাজ্যের শিক্ষাক্ষেত্র, পুরসভায় নিয়োগ দুর্নীতির পাশাপাশি এবার যে খাদ্য দফতরের প্রাক্তন মন্ত্রী জেলে রয়েছেন সেই দফতরেও পুনরায় দুর্নীতির ঘটনার সামনে এল। এর ফলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে তাহলে রাজ্য থেকে কি দুর্নীতি কোনদিনও দূর হবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: অভিষেকের মতো একই জায়গায় ধর্নায় বসতে চান শুভেন্দু! কী নির্দেশ বিচারপতি সিনহার?

    Suvendu Adhikari: অভিষেকের মতো একই জায়গায় ধর্নায় বসতে চান শুভেন্দু! কী নির্দেশ বিচারপতি সিনহার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ভোট পরবর্তী হিঃসায় আক্রান্তদের নিয়ে রাজভবনের সামনে ধর্নায় বসতে চান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। গত বছরের শেষ দিকে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় যেখানে ধর্নায় বসেছিলেন, ঠিক সেখানেই এবার ধর্নায় বসতে চান তিনি। ইতিমধ্যেই ধর্নার অনুমতি চেয়ে কলকাতার পুলিশ কমিশনার বিনীত গয়ালকে চিঠি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। উল্লেখ্য, ভোটের ফল প্রকাশের পর কর্মীদের ওপর আক্রমণের অভিযোগ তুলেছে বিজেপি। একইসঙ্গে পুলিশি নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগও উঠেছে রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের তরফে। এসব ইস্যু সামনে রেখেই আগামী ১৯ জুন থেকে ধর্নায় বসার পরিকল্পনা করেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

    হাইকোর্টের নির্দেশ (Calcutta High Court) 

    এ প্রসঙ্গে, শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের বিচারপতি অমৃতা সিনহার একক বেঞ্চ নির্দেশ দিয়েছে যে, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের সঙ্গে দেখা করতে রাজ্যপালের কাছে নতুন করে আবেদন জানাতে পারেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। বিচারপতি জানিয়েছেন, রাজ্যপালের অনুমতি সাপেক্ষে তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পারবেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ও নির্বাচন পরবর্তী অশান্তিতে ‘আক্রান্ত’ ব্যক্তিরা। তবে রাজ্যপালের সঙ্গে কতজন দেখা করতে যাবেন, সেটা পুলিশকে জানাতে হবে। পাশাপাশি বিচারপতির নির্দেশ, যদি গাড়ি নিয়ে রাজ ভবনের (Raj Bhavan) ভেতরে যাওয়া হয়, তাহলে কতগুলি গাড়ি রাজভবনের ভিতরে ঢুকবে, সেটাও জানাতে হবে পুলিশকে। 
    তবে শুভেন্দু অধিকারীর পক্ষের আইনজীবী এদিন আদালতে জানিয়ে দেন, তাঁদের কোনও গাড়ি রাজভবনের ভিতরে ঢুকবে না। সকলেই হেঁটে রাজভবনের ভিতরে প্রবেশ করবেন। অন্যদিকে রাজ্যের তরফে আবার সওয়াল করা হয়, যাঁরা রাজভবনের ভিতরে প্রবেশ করবেন, তাঁদের শনাক্তকরণের কাজ শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) পক্ষ থেকে কোনও ব্যক্তিকে করতে হবে। রাজ্যের এই দাবিতে বিচারপতি সম্মতি দিলেও, তিনি জানিয়ে দিয়েছেন, কারও পরিচয় নথিবদ্ধ করা যাবে না। কারণ, সেরকম হলে পরে আবার তাঁদের হেনস্থা করার আশঙ্কা থেকে যায় বলেই মনে করছেন বিচারপতি অমৃতা সিনহা।

    আরও পড়ুন: ছাত্রীকে ‘কপালে তিলক’ ও ‘গলায় মালা’ নিয়ে স্কুল প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা! শোরগোল রঘুনাথগঞ্জে

    কেন এই ধর্নার সিদ্ধান্ত? 

    বিজেপি জানিয়েছে, এ বছর লোকসভা ভোটের ফলাফলে কিছুটা আশাহত দলের নিচুতলার কর্মীরা। এই পরিস্থিতিতে দলের শীর্ষ নেতারা পাশে না থাকলে সংগঠন আরও দুর্বল হয়ে পড়বে। তাই শুভেন্দু অধিকারীর এই ধর্নার উদ্যোগকে দলের কর্মীদের চাঙ্গা রাখার একটি প্রচেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। বর্তমানে দলের নেতাকর্মীদের মনোবল বাড়ানোই রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। তাই শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)  নগরপালকে জানিয়েছেন, তিনি আক্রান্ত দলীয় কর্মীদের নিয়েই ধর্নায় বসতে চান। তবে এখনও পর্যন্ত কলকাতা পুলিশের (kolkata police) পক্ষ থেকে এ বিষয়ে কোনো উত্তর মেলেনি।

    প্রসঙ্গত, গত বছর ডিসেম্বর মাসে কেন্দ্রীয় বঞ্চনার অভিযোগ তুলে এবং রাজ্যের বকেয়া মেটানোর দাবিতে রাজভবনের সামনে টানা ধর্নায় বসেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এবার শাসক দলের বিরুদ্ধে ভোট পরবর্তী হিংসার অভিযোগ তুলে ওই একই স্থানে ধর্নায় বসতে চান শুভেন্দু অধিকারী। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Viral Video: কলকাতা বিমানবন্দরে নেচে ইনস্টা-রিল নেট প্রভাবীর, নিষিদ্ধ করার ডাক নেটপাড়ায়

    Viral Video: কলকাতা বিমানবন্দরে নেচে ইনস্টা-রিল নেট প্রভাবীর, নিষিদ্ধ করার ডাক নেটপাড়ায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নেট দুনিয়ায় এক-এক সময় এক-একটি বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়। এখন চর্চায় রয়েছে কলকাতা বিমানবন্দরে এক তরুণীর নাচের ভিডিও। শাহরুখ খান ও দীপিকা পাদুকোন অভিনীত ‘হ্যাপি নিউ ইয়ার’ সিনেমার ‘লাভলী’ গানের তালে তালে কলকাতা বিমানবন্দরে কোমর দুলিয়েছেন সহেলী রুদ্র নামে এক তরুণী। সেই মুহূর্তের ভিডিও ভাইরাল (Viral Video) হল ইন্সটাগ্রামে। একইসঙ্গে নেট দুনিয়ায় প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে পাবলিক প্লেসে নাচানাচি করার যৌক্তিকতা নিয়ে।

    ইন্সটাগ্রাম ইনফ্লুয়েন্সরের ভিডিও ভাইরাল (Viral Video)

    নিজের ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে যে রিল সহেলি শেয়ার করেছেন তাতে দেখা যাচ্ছে, তিনি সাদা শার্ট এবং নীল জিন্সে পড়ে আছেন। কলকাতা বিমানবন্দরের লাউঞ্জে তাঁর এই নাচ যথেষ্ট ভাল। কোনভাবেই অশ্লীল নয়। তবে হঠাৎ বিমানবন্দরের নেচে ওঠায় আশেপাশের সহযাত্রীরা অনেকেই তাঁর অঙ্গভঙ্গি দেখে হকচকিয়ে ওঠেন। সহেলির ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রবেশ করলে দেখা যাবে কলকাতা বিমানবন্দরে তিনি এই প্রথমবার নেচেছেন এমন নয়, এর আগেও যাত্রার আগে অনেকবার কলকাতা বিমানবন্দরে তার নৃত্যশৈলির ইন্সটাগ্রাম (Viral Video) রিল বানিয়েছেন। শুধু বিমানবন্দর নয় কলকাতা মেট্রোতেও তাঁর একাধিক রিলস রয়েছে।

     
     
     
     
     
    View this post on Instagram
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     
     

    A post shared by Saheli Rudra | Influencer (@_sahelirudra_)

     

    আরও পড়ূন: ২৭ বছর আগে দেওয়া কথা রাখলেন সানি দেওল! পর্দায় আসছে ‘বর্ডার-২’

    এছাড়াও কলকাতার জিপিও, ধর্মতলা ও পার্কস্ট্রিট চত্বরে পাবলিক প্লেসে নাচের রিলস বানিয়েছেন তিনি। সহেলির ইন্সটাগ্রাম  ফলোয়ার সংখ্যা নেহাত কম নয়। তাঁর ইন্সটাগ্রাম অ্যাকাউন্টে ৯ লক্ষের উপর ফলোয়ার সংখ্যা রয়েছে। ইউটিউব চ্যানেলেও ১০ লক্ষের উপর সাবস্ক্রাইবার রয়েছে। গোল্ডেন প্লে বাটন পেয়েছেন চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

    থামবেন না জানালেন সহেলি

    তবে পাবলিক প্লেসে এ ধরনের (Viral Video)  নাচানাচি নেট দুনিয়ায় এখন অনেকেই অপছন্দ করছেন। অনেকেই লিখেছেন ইনস্টাগ্রামের উচিত এই ধরনের রিল ব্যান করে দেওয়া। যেভাবে পাবলিক প্লেসে  সিগারেট খাওয়া বন্ধ করা হয়েছে একইভাবে রিলস বানানো বন্ধ করা হোক। আবার কেউ লিখেছেন, মেয়েটি নাচছে অথচ লজ্জা আমার লাগছে। এই ধরনের নেতিবাচক কমেন্টকে ফুৎকারে উড়িয়ে দিয়ে আগামী দিনে আরও এ ধরনের রিলস বানাবেন বলে জানিয়েছেন সহেলী রুদ্র।

  • Eastern Railway: বিনা টিকিটে ট্রেনে যাত্রা করেন? সাবধান! বিশেষ অভিযানে নামছে পূর্ব রেল

    Eastern Railway: বিনা টিকিটে ট্রেনে যাত্রা করেন? সাবধান! বিশেষ অভিযানে নামছে পূর্ব রেল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিনা টিকিটে ট্রেন যাত্রা রুখতে বেশ কড়া পদক্ষেপ নিতে চলেছে ভারতীয় রেল (Eastern Railway)। জানা গিয়েছে, এক শ্রেণির যাত্রীদের মধ্যে বিনা টিকিটে যাতায়াত করার প্রবণতা প্রতিনিয়ত বেড়েই চলেছে। এই মতো অবস্থায় তা আটকাতেই বেশ কড়া হল ভারতীয় রেল। পূর্ব রেলের তরফ এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, এবার সারপ্রাইজ টিকিট চেকিং শুরু হতে চলেছে। যে কোনও অচেনা স্টেশন থেকেই তারা অভিযানে নামতে পারে।

    বিনা টিকিটে ধরা পড়লে মান সম্মান চলে যাবে 

    এ বিষয়ে পূর্ব রেলের তরফে মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক কৌশিক মিত্র জানিয়েছেন, যাঁরা রোজ বিনা টিকিটে (Eastern Railway) যাতায়াত করাকে নিজেদের অভ্যাস করে ফেলেছেন, তাঁদের কিন্তু এবার সতর্ক হওয়ার সময় এসেছে। প্রসঙ্গত, বাসের থেকে ট্রেনের ভাড়া অনেক কম হলেও এক শ্রেণির যাত্রী টিকিটই কাটতে চাননা। কৌশিক মিত্র আরও জানিয়েছেন, টিকিট চেক করতে হঠাৎ ট্রেনের রুটের মাঝ পথে যে কোনও স্টেশন থেকে উঠে পড়তে পারেন তাঁরা। ওই স্টেশন বড় জংশন নাও হতে পারে। কৌশিক মিত্র সতর্ক করে বলেছেন, বিনা টিকিটে ধরা পড়লে মান সম্মান নিয়েও টানাপোড়েন শুরু হবে।

    সচেতন হয়ে টিকিট কেটে নেওয়াই ন্যায্য কাজ

    কৌশিক মিত্রর মতে, ‘‘এই স্কোয়াড সন্ধেয় হঠাৎ উঠে পড়তে পারে তালদি থেকে বা আরামবাগ থেকে বা আর যে কোনও স্টেশন থেকে। এমন একটা লোকেশন থেকে হয়ত স্কোয়াড (Eastern Railway) উঠে পড়বে, যেখান থেকে কেউ আশাই করেননি টিকিট চেকিং হবে। সেই সময় সকলের সামনে মাথা হেঁট হয়ে যেতে পারে বিনা টিকিটের যাত্রীদের।’’ কৌশিক মিত্রর কথায়, ‘‘এতে করে রেল যে বিশাল লাভ করবে এমন নয়, কিন্তু এটা একটু বুঝিয়ে দেওয়ার চেষ্টা যে, বাসের থেকে রেলের ভাড়া অনেক কম, তাছাড়াও রেল টিকিট কাটার অনেক ব্যবস্থা করেছে। তাই একটু সচেতন হয়ে টিকিট কেটে নেওয়াই ন্যায্য কাজ।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • US Student Visa: রেকর্ড সংখ্যক ভারতীয় পড়ুয়াকে এবছর স্টুডেন্ট ভিসা দেওয়ার পথে আমেরিকা!

    US Student Visa: রেকর্ড সংখ্যক ভারতীয় পড়ুয়াকে এবছর স্টুডেন্ট ভিসা দেওয়ার পথে আমেরিকা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত বছরে মার্কিন কনস্যুলেন্ট রেকর্ড ১ লাখ ৪০ হাজার স্টুডেন্ট ভিসা (US Student Visa) ইস্যু করেছিল ভারতীয় পড়ুয়াদের জন্য। চলতি বছরে এই সংখ্যা আরও ছাপিয়ে যেতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবারই ইউএস মিশন ভারতে অষ্টম বার্ষিকী স্টুডেন্ট ভিসা দিবস পালন করেছে। এই অনুষ্ঠানটি নয়াদিল্লি, চেন্নাই, হায়দরাবাদ, কলকাতা এবং মুম্বইয়ে অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে হাজির ছিলেন বিভিন্ন মার্কিন কনস্যুলার এবং স্টুডেন্ট ভিসা আবেদনকারীরা। সকাল থেকেই রাজধানী দিল্লিতে মার্কিন দূতাবাসে ব্যাপক লাইন দেখা যায়। আমেরিকার বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে প্রচুর সংখ্যক ভারতীয় পড়তে যান।

    ভারপ্রাপ্ত কনস্যুলার জেনারেল সৈয়দ মুজতবা আন্দ্রাবি কী জানালেন

    নয়াদিল্লিতে মার্কিন দূতাবাসের ভারপ্রাপ্ত কনস্যুলার জেনারেল সৈয়দ মুজতবা আন্দ্রাবি জানিয়েছেন, ভারতবর্ষ হল সেই সমস্ত দেশগুলির মধ্যে অন্যতম যেখান থেকে সব থেকে বেশি পড়ুয়া আমেরিকায় পড়তে যায়। গত বছরে এনিয়ে আমরা রেকর্ড (US Student Visa) স্পর্শ করতে পেরেছি, যখন ভারতের এক লাখ চল্লিশ হাজার পড়ুয়া আমেরিকাতে পড়তে যাওয়ার জন্য স্টুডেন্ট ভিসা নিয়েছেন। এই বছরে এই সংখ্যা আরও বাড়তে চলেছে। জানা গিয়েছে, ২০২৩ সালের স্টুডেন্ট ভিসা ২০১৮, ২০১৯ ও ২০২০ সালের মোট স্টুডেন্ট ভিসাকেও ছাপিয়ে গিয়েছে। সৈয়দ মুজতবা আন্দ্রাবি আরও জানিয়েছেন, আমেরিকাতে সাধারণত জুন মাসে পড়ুয়াদের গ্রীষ্মকালীন সেশন শুরু হয়। তবে চলতি বছরে তা মে মাস থেকেই শুরু করা হবে। এটি অগাস্টের শেষ পর্যন্ত চলবে। জানা গিয়েছে, এমন সিদ্ধান্তের কারণ শুধুমাত্র বেশি সুযোগ দেওয়ার জন্যই। যাতে আরও অধিক সংখ্যক ছাত্রছাত্রীর সুযোগটা নিতে পারে।

    প্রত্যেক পড়ুয়া ভারতের জন্য একজন রাষ্ট্রদূত 

    ভারতীয় ছাত্রদের প্রশংসা করে আন্দ্রাবি আরও জানিয়েছেন, প্রত্যেক পড়ুয়া ভারতের জন্য একজন রাষ্ট্রদূত। একসঙ্গে আমরা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং ভারতের সম্পর্ককে এভাবেই এগিয়ে নিয়ে চলেছে। জানা গিয়েছে, বর্তমানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের প্রায় ২ লাখ ৭০ হাজার ভারতীয় পড়ুয়া (US Student Visa) রয়েছেন, মোট আন্তর্জাতিক ছাত্রদের নিরিখে এই সংখ্যা এক চতুর্থাংশেরও বেশি। প্রসঙ্গত, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাড়ে চার হাজারেরও বেশি স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভারতীয় পড়ুয়ারা পাঠ নেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Climate Change: রাষ্ট্রসঙ্ঘের জলবায়ু সম্মেলন নভেম্বরে, মতানৈক্য অর্থায়ন নিয়ে

    Climate Change: রাষ্ট্রসঙ্ঘের জলবায়ু সম্মেলন নভেম্বরে, মতানৈক্য অর্থায়ন নিয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসঙ্ঘের জলবায়ু সম্মেলন (Climate Change) শুরু হবে আর ঠিক পাঁচ মাস পরে (COP29 Summit)। তবে এখনও পর্যন্ত বৈশ্বিক অর্থায়ন বিলের সাইজ কী হবে, তা নিয়ে সহমত পোষণ করতে পারেনি বিশ্বের বিভিন্ন দেশ। অথচ জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলায় এই অর্থের প্রয়োজন দরিদ্র দেশগুলির।

    সিওপি ২৯ জলবায়ু আলোচনা (Climate Change)

    জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত এই সম্মেলন এবার হবে আজারবাইজানে। সেখানেই হবে সিওপি ২৯ (COP29 Summit) জলবায়ু আলোচনা। সিওপি হল রাষ্ট্রসঙ্ঘের বার্ষিক জলবায়ু সভা। ১৯৯২ সালে রিও আর্থ সম্মেলনে একটি বহুপাক্ষিক চুক্তি স্বাক্ষর করে রাষ্ট্রসংঘের ১৫৪টি দেশ। প্রতিবছর এই সম্মেলন হয় বিশ্বের বিভিন্ন দেশে। এবার সম্মেলন হবে আজারবাইজানে, নভেম্বর মাসে। সম্মেলনে প্রায় ২০০টি দেশকে বার্ষিক অর্থায়নের লক্ষ্যে সহমত পোষণ করতে হবে। এই অর্থেই দরিদ্র দেশগুলিকে সাহায্য করা হয়। যাতে তারা নির্গমণ কমাতে পারে, সহযোদ্ধা হতে পারে তপ্ততর বিশ্বের হাত থেকে বিশ্ববাসীকে বাঁচাতে (Climate Change)।

    প্রাথমিক কথাবার্তা জার্মানির বনে

    এই তহবিলের (COP29 Summit) নয়া লক্ষ্যমাত্রা বছরে প্রায় ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলার। ২০২০ সালে ধনী দেশগুলি এই খাতে অর্থ দান করার অঙ্গীকার করেছিল। যদিও সেই লক্ষ্য পূরণ হয়েছে দু’বছর পরে। নভেম্বরের এই সম্মেলনের আগে প্রাথমিক কথাবার্তা হয়েছে চলতি সপ্তাহে, জার্মানির বনে। তবে অর্থায়নের বিষয়ে সেখানে উল্লেখযোগ্য কোনও আলোচনা হয়নি। এই আলোচনা শেষ হয়েছে বৃহস্পতিবার। সেখানেও অর্থায়নের বিষয়ে ঐক্যমতে পৌঁছতে পারেনি বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশগুলি।

    আরও পড়ুন: তৃতীয় মোদি সরকারের প্রথম পূর্ণাঙ্গ বাজেট পেশ বাদল অধিবেশনেই! কবে জানেন?

    ঝুঁকিপূর্ণ জলবায়ুর দেশগুলির (COP29 Summit) তরফে জানানো হয়েছে, জলবায়ু অর্থায়নে বিত্তশালী দেশগুলি অতীতের বকেয়া দিতে দেরি করছে। অথচ সামরিক কিংবা যুদ্ধের খাতে তারা অর্থায়ন করছে দ্রুত। কার্বন ডাই অক্সাইড নির্গমণ এনার্জি সোর্সে ভর্তুকিও দিচ্ছে কোটি কোটি। দক্ষিণ আফ্রিকার তরফে জলবায়ু নিয়ে বিভিন্ন আলোচনায় যোগ দেন পেমি গ্যাসেলা। অর্থায়ন নিয়ে মোক্ষম প্রশ্নটি ছুড়ে দিয়েছেন তিনি। বলেন, “যদি অর্থায়ন না হয়, তাহলে আপনি সামনের দিকে এগোবেন কীভাবে?” তিনি জানান, তাঁর দেশ অনেক উন্নয়নশীল দেশের মতো, যারা অর্থনৈতিক সাহায্য ছাড়া দ্রুত নির্গমণ কমাতে পারে না (Climate Change)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Murshidabad: ছাত্রীকে ‘কপালে তিলক’ ও ‘গলায় মালা’ নিয়ে স্কুল প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা! শোরগোল রঘুনাথগঞ্জে

    Murshidabad: ছাত্রীকে ‘কপালে তিলক’ ও ‘গলায় মালা’ নিয়ে স্কুল প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা! শোরগোল রঘুনাথগঞ্জে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কপালে তিলক’, ‘গলায় মালা’ নিয়ে স্কুলে প্রবেশ করতে বারণ করেছেন স্কুলের শিক্ষিকারা। ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) রঘুনাথগঞ্জ উচ্চতর বালিকা বিদ্যালয়ে। তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে খোল-করতাল বাজিয়ে নাম সংকীর্তনের মাধ্যমে স্কুল গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখালেন ইসকনের ভক্তবৃন্দরা। ঘটনার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় রঘুনাথগঞ্জ থানার পুলিশ। এই প্রেক্ষিতে স্কুলে এই নিষেধাজ্ঞার ঘটনায় শোরগোল পড়েছে।

    ছুটির আগেই নিষেধাজ্ঞা করা হয় (Murshidabad)!

    মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার রঘুনাথগঞ্জ উচ্চতর বালিকা বিদ্যালয়ে গরমের ছুটি পড়ার আগে, এই স্কুলের কয়েকজন শিক্ষিকা, অষ্টম শ্রেণীর ছাত্রী অনু মন্ডলকে তিলক পরে স্কুলে আসাতে বারণ করেছিলেন। তখন ছাত্রী এই ব্যাপার নিয়ে অতটা ভাবেনি, কারণ ঠিক পরের দিন থেকেই স্কুলে গরমের ছুটি শুরু হয়ে গিয়েছিল। এইবার ছুটি শেষ হওয়ার পর গতকাল বৃহস্পতিবার আবার যখন ওই ছাত্রী স্কুলে প্রবেশ করে, তখন পুনরায় কয়েকজন শিক্ষিকা তাকে বলে, “তোমাকে তিলক কেটে আসতে মানা করা সত্ত্বেও কেন তুমি তিলক কেটে এসেছো? এগুলি স্কুল ড্রেসের সঙ্গে মানায় না।” অবশেষে ছাত্রী, স্কুলের দিদিমণিকে উদ্দেশ্য করে জানতে চায়, “কী কারণে তিলক কেটে আসা যাবে না? কারণ খাতায় লিখে দিতে হবে আপনাদের।”

    ছাত্রীর বক্তব্য

    স্কুলের ছাত্রী অনু মণ্ডল বলে, “স্কুলের (Murshidabad) দিদিমণিকে আমি জানাই, আমার বাবা-মা তিলক কেটে স্কুলে আসতে বলেছেন, সেই কারণে আমি এসেছি। কিন্তু স্কুলে আমার উপর ফতোয়া জারি করায়, বিষয়টি বাড়িতে গিয়ে বাবা-মাকে জানাই। কিন্তু আমাকে একপ্রকার স্কুল থেকে ভয় দেখানো হয়েছে। স্কুলের ড্রেসের সঙ্গে তিলক কাটা যাবে না বলে হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। আমি ভীষণ ভয় পেয়েছি।” ফলে এতে এলাকায় চাঞ্চাল্য তৈরি হয়। তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে, খোল-করতাল বাজিয়ে, নাম সংকীর্তনের মাধ্যমে স্কুল গেটের সামনে বিক্ষোভ দেখান ইসকনের ভক্তবৃন্দরা।

    আরও পড়ুন: কোচবিহারে আক্রান্ত নেতা-কর্মীদের পাশে থেকে তৃণমূলকে কড়া হুঁশিয়ারি নিশীথের

    প্রধান শিক্ষিকার বক্তব্য

    স্কুলের (Murshidabad) প্রধান শিক্ষিকার কাছে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, “আমার জানা নেই ঠিক কোন শিক্ষিকা এইরকম নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। আমি এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করব, তিলক-মালা কেন পরতে বারণ করা হল।” পরবর্তীতে স্কুলের পক্ষ থেকে ওই ছাত্রীকে জানানো হয়, তিলক কেটে স্কুলে আসতে পারে, এক্ষেত্রে কেউ বারণ করবে না।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sunderbans Mangrove Forests: ৫ লাখেরও বেশি ম্যানগ্রোভ চারা রোপণ! সুন্দরবনের রক্ষক দৃষ্টিহীন আকুল

    Sunderbans Mangrove Forests: ৫ লাখেরও বেশি ম্যানগ্রোভ চারা রোপণ! সুন্দরবনের রক্ষক দৃষ্টিহীন আকুল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুন্দরবনের ম্যানগ্রোভ অরণ্যকে (Sunderbans Mangrove Forests) বাঁচাতে ১৯ বছর ধরে উদ্যোগী আকুল বিশ্বাস। তিনি একজন অন্ধ মানুষ। ২০০৫ সাল থেকে রোপণ করেছেন ৫ লাখেরও বেশি ম্যানগ্রোভের চারা। গড়ে তুলেছেন ‘ঝড়খালি সবুজ বাহিনী’। যেখানে ২০০-রও বেশি মহিলা নিয়োজিত রয়েছেন ম্যানগ্রোভ অরণ্যকে বাঁচাতে। সারা পৃথিবীতে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে বিশ্ব উষ্ণায়নের সমস্যা। এরপরে ব্যাপকভাবে বনাঞ্চল নিকেশের কাজও পরিবেশের ভারসাম্যকে নষ্ট করছে। ঠিক এই আবহে সুন্দরবনের মানুষদের এমন পরিবেশ আন্দোলন সত্যিই প্রশংসার দাবি রাখে। ‘ঝড়খালি সবুজ বাহিনী’র অন্যতম সদস্য কল্পনা সর্দারের মতে, ‘‘অক্টোবর থেকে জানুয়ারির মধ্যে চারা গাছ রোপন করা হয়। প্রতিটি সদস্য প্রায় দু’ঘণ্টা করে সময় দেন এবং ২০০ থেকে ২৫০টি চারা রোপন করা হয়।’’ কল্পনা সর্দার নিজেও ২০২১ সাল থেকে ‘ঝড়খালি সবুজ বাহিনী’র সদস্য। তিনি নিজের হাতে কয়েক হাজার ম্যানগ্রোভ চারা রোপন করেছেন বলে জানিয়েছেন।

    ২৩ গ্রামে শাখা রয়েছে ‘ঝড়খালি সবুজ বাহিনী’র  

    ‘ঝড়খালি সবুজ বাহিনী’ ২৩টি গ্রাম জুড়ে তাদের শাখা বিস্তার করেছে। সংস্থার প্রধান আকুল বিশ্বাসের মতে, ‘‘এমন বনাঞ্চল বৃদ্ধির কাজের ফলে বন্যা এবং ঘূর্ণিঝড় অনেকটাই প্রতিরোধ করতে পেরেছি আমরা।’’ প্রসঙ্গত, ম্যানগ্রোভ অরণ্য ঘূর্ণিঝড়ের সময় প্রাকৃতিক বাঁধ হিসেবে কাজ করে। নদীর বাঁধগুলিকে সুরক্ষিত রাখে (Sunderbans Mangrove Forests)। কারণ তাদের শিকড় একেবারে মাটির নিচে থাকে। ভূমিধসকে প্রতিরোধ করে।

    প্রথমে বাচ্চাদের নিয়ে কাজ শুরু করেন আকুল বিশ্বাস

    প্রসঙ্গত, সুন্দরবনের এই অঞ্চলে বেশিরভাগ মানুষই তফশিলি সম্প্রদায়ের এবং তাঁরা ১৯৫৭ সাল থেকে এখানে উদ্বাস্তু হয়ে বসতি গড়েছেন। আকুল বিশ্বাস বলেন, ‘‘আমাদের পূর্বপুরুষরা ১৯৫২ সালেই খুলনা থেকে ভিটেমাটি ছাড়া হয়েছিলেন এবং বিভিন্ন শরণার্থী শিবিরে ঘোরার পরে ১৯৫৭ সালে পশ্চিমবঙ্গের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর বিধান চন্দ্র রায় আমাদের এখানে বসতি গড়তে দিয়েছিলেন।’’ প্রসঙ্গত, ম্যানগ্রোভ অরণ্যের চারা রোপনের এমন কাজ আকুল বিশ্বাসরা ২০০৫ সাল থেকেই করছেন অর্থাৎ ১৯ বছর ধরে তাদের এই কাজ চলছে। সে সময়ে কয়েকজন বাচ্চাকে নিয়ে বিদ্যাধরী নদীর ধারে তিনি এই কাজ শুরু করেন এরপরে ধাপে ধাপে তাঁর সংস্থার সদস্য সংখ্যা বাড়তে থাকে।

    স্থানীয় এক গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রঞ্জন মন্ডল কী জানালেন 

    ‘ঝড়খালি সবুজ বাহিনী’র প্রচেষ্টাতে ২০২১ সালে ঘূর্ণিঝড় ইয়াস বিপর্যয় অনেকটাই হালকা হয়েছে। কারণ ম্যানগ্রোভ চারা রোপনের ফলে কোনও রকমের বাঁধ ভাঙেনি এবং উপকূলীয় গ্রাম প্লাবিত হয়নি স্থানীয় অঞ্চলটির। স্থানীয় এক গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রঞ্জন মন্ডল জানিয়েছেন, ‘ঝড়খালি সবুজ বাহিনী’র প্রচেষ্টায় ১০০ হেক্টর জায়গা জুড়ে ৫ লাখেরও বেশি ম্যানগ্রোভ চারা (Sunderbans Mangrove Forests) রোপন করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, সুন্দরবনের এই বনাঞ্চল পশ্চিমবঙ্গ এবং বাংলাদেশের বিস্তৃত রয়েছে ১০,০০০ বর্গ কিলোমিটার জুড়ে। এর মধ্যে ভারতে রয়েছে ২,১০৭ বর্গ কিলোমিটার। 

    আয়ারল্যান্ডের একটি এনজিও-এর সঙ্গে চুক্তি

    কলকাতা থেকে ১০৯ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত সুন্দরবনে প্রবেশ খুব সহজে করা যায় না। যোগাযোগ ব্যবস্থা যথেষ্ট অনুন্নত। জানা গিয়েছে, সম্প্রতি ‘ঝড়খালি সবুজ বাহিনী’র সঙ্গে আয়ারল্যান্ডের একটি এনজিও ‘টাইগার উইডোস অর্গানাইজেশনে’র চুক্তি হয়েছে। এ নিয়ে আকুল বিশ্বাস জানিয়েছেন, তাঁরা যদি স্থানীয় মহিলাদের কিছু জীবিকার সহায়তা দিতে পারেন, তাহলে আরও বেশি পরিবেশ রক্ষার কাজ করতে মহিলারা উৎসাহিত হবেন এবং এর ফলে সুন্দরবনও বাঁচবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • West Bengal Polls Result 2024: আসন বাড়লেও তৃণমূল স্তরে জমি হারাচ্ছে শাসক, বাড়ছে বিজেপি

    West Bengal Polls Result 2024: আসন বাড়লেও তৃণমূল স্তরে জমি হারাচ্ছে শাসক, বাড়ছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে (West Bengal Polls Result 2024) এক ধাক্কায় তৃণমূলের আসন বেড়েছে ৭টি। ২২ থেকে ২৯ হয়েও ভোটের নিরিখে বিচার করলে পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভার আসন বিন্যাসে অনেকটাই জমি হারিয়ে ফেলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে ৬টি লোকসভা আসন হারিয়েও বিধানসভার নিরিখে অগ্রগতি হয়েছে বিজেপির। লোকসভার লড়াইয়ে কোন বিধানসভা থেকে কে লিয়ে পেয়েছে, সেই তথ্য যদি বিশ্লেষণ করা যায় তাহলে নির্বাচন কমিশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ২৯৪ সদস্যের রাজ্য বিধানসভায় শাসকপক্ষ তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপির ব্যবধান অনেকটাই কমেছে। লোকসভার ফলাফল অনুযায়ী খাতা খুলেছে বামেদের। অন্যদিকে ২০২১ এর লড়াইয়ে একটি আসন জিতেছিল আইএসএফ তারা লোকসভা ভোটে লিডার নিরিখে এবার কিন্তু ফের শূন্য হয়ে গিয়েছ।

    ২০১৬-র পর বদলেছে বঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্র

    ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল ২১১ টি কেন্দ্রে জয়ী হয়েছিল। তখন কংগ্রেস ৪৪ টি, বামেরা ৩২ টি আসন জিতেছিল। বিজেপি ছিল ৩ বিধায়কের দল। অথচ পাঁচ বছর পর ২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে ভোটের চিত্রটা পুরোপুরি বদলে যায়। বাম, কংগ্রেস শূন্য হয়ে যায়। বিজেপির ৭৭ টি আসনে জয়ী হয়ে প্রধান বিরোধী দল হয়ে ওঠে। অন্যদিকে সরকার গড়ে তৃণমূল কংগ্রেস। অথচ ২০১৯ এর লোকসভা ভোটে রাজ্যের ৪২ টি আসনের মধ্যে তৃণমূল ২২টি, বিজেপি ১৮ টি ও কংগ্রেস দুটিতে জিতেছিল।

    আরও পড়ুন: তৃণমূলের আট মন্ত্রী হেরেছেন নিজের বিধানসভা কেন্দ্রে! কী বলছে দল?

    ওই নির্বাচনের প্রেক্ষিতে এ রাজ্যের তৃণমূল এগিয়েছিল ১৬৪ টি, বিধানসভা আসনে বিজেপি এগিয়েছিল ১২১ আসনে। কংগ্রেস ৯টি বিধানসভা আসন থেকে লিড পেলেও বামেরা নেমে গিয়েছিল শূন্যতে। তখনই বোঝা গিয়েছিল রাজ্যে বিজেপি এগোচ্ছে বাম কংগ্রেস ক্রমশই পিছচ্ছে। ২০২১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে সরিয়ে দিয়ে বিজেপি ক্ষমতায় আসবে এই আশা থকলেও মুখ্যমন্ত্রীর মুখের অভাব ভুগিয়েছিল বিজেপিকে।

    বাম কংগ্রেসের দুর্দশা কাটছে না  (West Bengal Polls Result 2024)

    এবারের লোকসভা নির্বাচনে ২৯ টি কেন্দ্রে জয়ী হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ২০১৯ এর নির্বাচনে বিজেপির ১৮টি আসন কমে এবার হয়ে গেছে ১২। অন্যদিকে ২১ এর বিধানসভা ভোটে শূন্য হয়ে যাওয়া কংগ্রেস জিতে নিয়েছে ফের একটি আসন। তবে তাৎপর্যপূর্ণভাবে বহরমপুর আসনটি হারিয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী। এই কেন্দ্রে হেরে যাবেন তিনি, অনেকেই কল্পনা করতে পারেননি। এবারের নিরিখে বিজেপি ৯০ টি আসনে এগিয়ে আছে। কংগ্রেস ১১ টিতে এবং সিপিএম একটি আসনে এগিয়ে আছে। এবং সবাইকে পেছনে ফেলে  (West Bengal Polls Result 2024) ১৯২ টি বিধানসভা আসনে এগিয়ে আছে তৃণমূল কংগ্রেস।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Parthenium: দিনে দিনে বিপজ্জনক হয়ে উঠছে বাড়িরই আশপাশে গজিয়ে ওঠা ‘পার্থেনিয়াম’

    Parthenium: দিনে দিনে বিপজ্জনক হয়ে উঠছে বাড়িরই আশপাশে গজিয়ে ওঠা ‘পার্থেনিয়াম’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘পার্থেনিয়াম’ (Parthenium) নামটির সঙ্গে অনেকেই পরিচিত। এটি আসলে একটি মারণ উদ্ভিদ। এই আগাছা কেড়ে নিতে পারে গবাদি পশু, এমনকী মানুষের জীবন। যে কোনও প্রতিকূল পরিবেশে বাঁচতে সক্ষম এই উদ্ভিদ। রাস্তার চারপাশে, বিশেষ করে গ্রাম্য এলাকায় এই উদ্ভিদ বেশি চোখে পড়ে।

    কিন্তু আগাছাটি অত্যন্ত ভয়ংকর। গবাদি পশু চরানোর সময় গায়ে লাগলে পশুর শরীর ফুলে যায়। এছাড়াও তীব্র জ্বর, বদহজম সহ নানা রোগে আক্রান্ত হয় সেই পশু। আর পশুর পেটে গেলে কেমন বিষক্রিয়া হতে পারে? এই গাছের বীজটিই সাধারণত বিষক্রিয়া ঘটায়। এই গাছ ৩ থেকে ৪ মাস বাঁচে। আর এই সময়ের মধ্যেই ২৫ হাজারের বেশি বীজের জন্ম দিতে সক্ষম। এই বীজ এতটাই ছোট যে মানুষের জুতোর নিচে চাপা পড়ে, গাড়ির চাকা, প্রভৃতির মাধ্যমে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় ছড়িয়ে পড়তে সক্ষম। জমির পাশে হয়ে থাকা এই আগাছাগুলি ফসলের সঙ্গে, সেচের জলের সঙ্গে, এমনকী বাতাসের সঙ্গেও ছড়িয়ে পড়ে।

    কেন পার্থেনিয়াম এত বিষাক্ত? (Parthenium)

    পার্থেনিয়ামে রয়েছে Sesquiterpene Lactones নামক এক টক্সিন বিষ, যা মানুষ সহ অন্যান্য পশুপাখি, বিশেষ করে গবাদি পশুদের জন্য ক্ষতিকর। যেসব জমির পাশে এই গাছ জন্মায়, সেই সব জমিতে ফসলের উৎপাদন প্রায় চল্লিশ শতাংশ কমিয়ে দিতে সক্ষম এই বিষাক্ত গাছ। যেসব মাঠে এই পার্থেনিয়াম গাছ দেখা যায়, সেই সব মাঠে গবাদি পশু চরানো হলে সেসব পশুর মধ্যে বিষক্রিয়া শুরু হয়। কয়েকদিনের মধ্যে এসব গবাদি পশুর শরীর ফুলে যায়, তীব্র জ্বলন সহ বিভিন্ন রোগের উপসর্গ দেখা যায়। শুধু গবাদি পশু নয়, মানুষের ক্ষেত্রেও এই বিষাক্ত আগাছা খুবই ক্ষতিকর। এর ফলে মানুষের ত্বকের ক্যান্সার সৃষ্টি হতে পারে। অসহ্য মাথাব্যথা, উচ্চ রক্তচাপ সহ উপসর্গ দেখা যায়। বাড়ির আশেপাশে, এমনকী ১০ মিটার দূরে থাকলেও সেই পার্থেনিয়াম গাছের ফুলের রেণু উড়ে এসে মানুষের অ্যালার্জি হাঁপানি, ব্রঙ্কাইটিস এবং চর্মরোগ সৃষ্টি করে। বিভিন্ন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এই আগাছা প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষের চর্মরোগ এবং মানুষের শ্বাসকষ্ট জনিত রোগ সৃষ্টি করে। এমনকী দেখা গিয়েছে, ভারতের পুনেতে পার্থেনিয়াম (Parthenium) জনিত বিষক্রিয়ার ফলে এখনও পর্যন্ত প্রায় ১২ জনের বেশি মানুষ মারা গিয়েছে।

    কীভাবে ধ্বংস করবেন এই পার্থেনিয়াম?

    মানুষকে সজাগ হয়ে এই পার্থেনিয়াম (Parthenium) গাছ ধ্বংস করে ফেলতে হবে। এর জন্য কিছু নিয়ম মেনে চলতে হবে। যেমন বাড়ির আশেপাশে হয়ে থাকা পার্থেনিয়াম গাছের গায়ে কেরোসিন স্প্রে করলে পার্থেনিয়াম খুব তাড়াতাড়ি মারা যায়। এর জন্য কিছু সাবধানতা অবলম্বন করতে হয়, যাতে কেরোসিন অন্য কোন গাছে এবং জলাশয় না মেশে। তাই এটি সম্ভব না হলে চার থেকে পাঁচ লিটার জলে এক কেজি নুন মিশিয়ে ভালো করে স্প্রে করলে প্রায় দুদিনের মধ্যে এ পার্থেনিয়াম গাছ মারা যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share