Tag: Bengali news

Bengali news

  • PM Modi: সম্পদের পুনর্বণ্টন, সম্পত্তি কর, কংগ্রেসকে একেবারে ধুয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: সম্পদের পুনর্বণ্টন, সম্পত্তি কর, কংগ্রেসকে একেবারে ধুয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদির (PM Modi) নিশানায় ফের কংগ্রেস। সম্পদের পুনর্বণ্টণের যে প্রতিশ্রুতি কংগ্রেস দিয়েছে নির্বাচনী ইস্তাহারে (পোশাকি নাম ‘ন্যায়পত্র’), তাকে আরও একবার প্রধানমন্ত্রী বিদ্ধ করলেন সমালোচনার তিরে। প্রধানমন্ত্রীর ভাষায়, “(এগুলি) সমাধানের ছদ্মবেশে ভয়ঙ্কর সব সমস্যা।”

    সম্পদের পুনর্বণ্টন (PM Modi)

    সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আপনি যদি জানেন যে সম্পদের পুনর্বণ্টনের নামে সরকার আপনার কষ্টার্জিত অর্থ কেড়ে নেবে, তাহলে কি আপনি দিনরাত পরিশ্রম করবেন?” কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীকে ‘যুবরাজ’ সম্বোধন করে তিনি বলেন, “বিরোধীদের এই জাতীয় কার্যকলাপ পৃথিবী জ্বালাও নীতির উদাহরণ।” তাঁর মতে, সম্পদ করের এই আইডিয়া স্টার্টআপকে হত্যা করবে। এটি প্রকৃতপক্ষে বিরোধীদের ভোটব্যাঙ্ককে খুশি করার একটি পদ্ধতি। এই জাতীয় আইডিয়া সমাজে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করবে বলেও জানান তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমি মনে করি না এগুলি কোনও সমাধান। কল্পনাপ্রসূতও কোনও সমাধান এগুলি নয়।” তার পরেই তিনি বলেন, “এগুলি হল সমাধানের ছদ্মবেশে ভয়ঙ্কর সব সমস্যা।”

    ‘বিকাশের সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে’

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমরা যদি প্রকৃতই মানুষের শ্রীবৃদ্ধি কামনা করি, তাহলে আমাদের প্রথমেই সরাতে হবে বাধাগুলি, তাঁদের ক্ষমতায়ন করতে হবে। এটি তাঁদের উদ্যোগ-শক্তিকে প্রকাশ করে। যেমনটা আমরা দেখেছি দেশের টু কিংবা থ্রি-টায়ার শহরগুলিতে। একঝাঁক স্টার্টআপ ও স্পোর্টস স্টার বিকশিত হওয়ার সুযোগ পেয়েছে।” সম্পদ কর এবং সম্পদের পুনর্বণ্টন যে কখনওই সাফল্যের মুখ দেখেনি, সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তাও মনে করিয়ে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। কারণ হিসেবে তিনি বলেন, “এগুলি দারিদ্র দূর করতে পারে না। এগুলি বিলি করা হয়েছিল যাতে প্রত্যেকেই সমানভাবে গরিব থাকে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গরিবরা দারিদ্রের জ্বালায় জর্জরিত, সম্পদ তৈরি থেমে গিয়েছিল, দারিদ্র হয়ে উঠেছিল সর্বজনীন। এই নীতি অনৈক্যের বীজ বপন করেছিল, রুদ্ধ করে দিয়েছিল সাম্যের লক্ষ্যে পৌঁছানোর সমস্ত রাস্তা। দেশের মধ্যে তারা প্রোথিত করেছিল বিদ্বেষের বীজ, নড়বড়ে করে তুলেছিল অর্থনীতির ভিত।”

    “মাওবাদী চিন্তাভাবনা”

    গত সপ্তাহেই আমেরিকার ধাঁচে এদেশেও উত্তরাধিকার ট্যাক্স চালুর বিষয়ে ভাবনাচিন্তা করার কথা বলেছিলেন কংগ্রেসের ওভারসিজ নেতা শ্যাম পিত্রোদা। তিনি বলেছিলেন, “আমেরিকায় উত্তরাধিকার ট্যাক্স রয়েছে। কারও যদি ১০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের সম্পদ থাকে, তাহলে তাঁর মৃত্যুর পর ৫৫ শতাংশ সম্পদ নিয়ে নেবে সরকার, বাকি ৪৫ শতাংশ পাবেন মৃতের উত্তরাধিকারীরা।” এদিন তাঁকেও আক্রমণ শানান প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “কংগ্রেসের প্রস্তাব এক্স-রে-র মতো অথবা সম্পদ পুনর্বণ্টনের জন্য আর্থ-সমাজিক সার্ভে।” প্রধানমন্ত্রীর কথায়, “মাওবাদী চিন্তাভাবনা এবং দর্শনের পরিষ্কার উদাহরণ। এটা দেখে দুঃখ হচ্ছে যে কংগ্রেস এবং তার যুবরাজ এমন মাওবাদী দৃষ্টিভঙ্গি বহন করে চলেছেন, যা আদতে বিপর্যয় ডেকে আনবে। আপনারা হয়ত শুনেছেন, যুবরাজ বলছেন আমরা এক্স-রে করব। এই এক্স-রে কিছুই নয়, প্রত্যেকের বাড়িতে রেইড করবে। কৃষকের বাড়িতে রেইড করে তারা জানতে চাইবে, তাঁদের কত জমিজমা রয়েছে। সাধারণ মানুষের বাড়িতে রেইড করতে গিয়ে তারা দেখবে হাড়ভাঙা পরিশ্রম করে তাঁরা কত সম্পদ করেছেন। তারা আমাদের বাড়ির মা-বোনেদের গয়নাও রেইড করবে।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “আমাদের সংবিধান প্রতিটি সংখ্যালঘুর সম্পত্তি রক্ষা করে। এর অর্থ হল, কংগ্রেস যখন সম্পদের পুনর্বণ্টনের কথা বলে, তখন তা সংখ্যালঘুদের ক্ষেত্রে বর্তায় না, ওয়াকফ সম্পত্তি পুনর্বণ্টনের কথা তারা বলে না, তাদের শ্যেন দৃষ্টি কেবল অন্য সম্প্রদায়ের (পড়ুন সংখ্যাগুরুদের) সম্পত্তির ওপর। এভাবে তারা দেশে অনৈক্যে বীজ বপন করবে।”

    আরও পড়ুুন: ‘‘রাজনীতির জন্য নষ্ট হয়ে গিয়েছে কলকাতা’’, বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ মোদির

    ভারতের মর্যাদাহানি

    বিজেপি গণতন্ত্রের পক্ষে বিপজ্জনক বলে লাগাতার প্রচার করে চলেছেন বিরোধীরা। এ প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিরোধীরা ক্ষমতায় আসতে পারছেন না। তাই বিশ্বমঞ্চে তারা ভারতের মর্যাদাহানি করতে শুরু করেছে।” তিনি বলেন, “তাঁরা (বিরোধীরা) আমাদের নাগরিকদের সম্পর্কে মিথ্যা কথা বলছেন, আমাদের গণতন্ত্র, আমাদের প্রতিষ্ঠান সম্পর্কে মিথ্যা রটাচ্ছেন। ভারতে নির্বাচনী স্বৈরাচার কখনওই আসবে না, যদি না যুবরাজ স্বয়ংক্রিয়ভাবে ক্ষমতায় চলে আসেন। এর কারণ তাঁকে নির্বাচনে লড়াই করতে হবে। আর তাঁর কথায় ভরসা করে ভারতবাসী নষ্ট হতে দেবেন না তাঁদের গণতন্ত্রকে।” পাবলিক সেক্টর, প্রাইভেট সেক্টর এবং এন্টারপ্রেনিয়রশিপ এই তিন ক্ষেত্রে ব্যাপক সুযোগ সৃষ্টি হওয়ায় দেশবাসী তাঁর দশ বছরের রাজত্বকালকে মনে রাখবেন বলেও আশাবাদী প্রধানমন্ত্রী। তাঁর জমানায় যে ভারতের প্রতি বিশ্ব নেতাদের সম্ভ্রম বাড়ছে, তাও মনে করিয়ে দেন তিনি (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: নবাবিয়ানার সাক্ষী মুর্শিদাবাদে অজস্র দ্রষ্টব্য, ইতিহাস যেন এখানে কথা বলে!

    Murshidabad: নবাবিয়ানার সাক্ষী মুর্শিদাবাদে অজস্র দ্রষ্টব্য, ইতিহাস যেন এখানে কথা বলে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর মুর্শিদাবাদ (Murshidabad)। প্রায় ৫৪ বছরের নবাবিয়ানার সাক্ষী বাংলা, বিহার, ওড়িশার শেষ স্বাধীন রাজধানী এই মুর্শিদাবাদ। এখানকার সর্বাপেক্ষা জনপ্রিয় দ্রষ্টব্য হল হাজারদুয়ারি। ১৮২৪ থেকে ১৮৩৮ সালে নগদ ১৮ লক্ষ টাকা ব্যয়ে এই প্রাসাদটি নির্মাণ করেন নবাব নাজিম হুমায়ূন জা। আসল নকল মিলিয়ে প্রাসাদটির ১০০০টি দরজা থাকার জন্য এর নাম হয়েছে হাজারদুয়ারি। প্রাসাদের অভ্যন্তরে রয়েছে সংগ্রহশালা। সেখানে প্রদর্শিত হয়েছে তৎকালীন সময়ের নবাবদের ব্যবহৃত তৈজসপত্র, পোশাক, বিভিন্ন দলিল-দস্তাবেজ। এর আর্ট গ্যালারিতে রয়েছে মার্শাল, টিটো প্রমুখ বিশিষ্ট শিল্পীদের আঁকা অপূর্ব সব ছবি। অস্ত্রাগারে রয়েছে প্রায় ২৯০০০-রও বেশি অস্ত্র।

    বৃহত্তম ইমামবাড়া, কাটরা মসজিদ, জগৎ শেঠের বাড়ি (Murshidabad) 

    হাজারদুয়ারির বিপরীতেই রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বৃহত্তম ইমামবাড়া। ১৮৪৬-এ সিরাজের তৈরি কাঠের ইমামবাড়াটি ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে বিনষ্ট হলে পরবর্তী কালে এটি নির্মাণ করেন নবাব নাজিম ফেরাদুন জা। হাজারদুয়ারির প্রাঙ্গণেই রয়েছে ঘড়ি মিনার, সিরাজের তৈরি মদিনা, বাচ্চেওয়ালি তোপ নামের বিশাল এক কামান। মুর্শিদাবাদের পরবর্তী আকর্ষণ কাটরা মসজিদ। নবাব মুর্শিদকুলি খাঁ ১৭২৩-২৪ খ্রিষ্টাব্দে এটি নির্মাণ করেন। এখানেই রয়েছে তাঁর সমাধি। পাশেই তোপখানায় জাহানকোষা কামান। এছাড়াও এখানকার অন্যতম দ্রষ্টব্য কাঠগোলা বাগান, মোতিঝিল, জগৎ শেঠের বাড়ি, নসীপুরে দেবী সিং-এর প্রাসাদ (এই তিনটি স্থানেই বর্তমানে সংগ্রহশালা হয়েছে), ভাগীরথী নদীর ওপারে কীরিটকণা গ্রামে গ্রামে রয়েছে হিন্দু সম্প্রদায়ের পবিত্র তীর্থস্থান একান্ন সতীপীঠের অন্যতম কিরীটেশ্বরী মন্দির, খোশবাগে নবাব সিরাজউদ্দৌলা, নবাব আলিবর্দী খানের সমাধি, বড়নগরে রানি ভবানীর তৈরি মন্দির প্রভৃতি (Murshidabad)। 

    কীভাবে যাবেন, কোথায় থাকবেন? (Murshidabad)

    যাতায়াত-কলকাতা থেকে হাজারদুয়ারি এক্সপ্রেস, ভাগীরথী এক্সপ্রেস ছাড়াও শিয়ালদা থেকে যাচ্ছে লালগোলা প্যাসেঞ্জার। মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) দূরত্ব প্রায় ২১৫ কিমি।
    থাকা খাওয়া-হাজারদুয়ারির আশেপাশে থাকাটাই সুবিধার। তাতে বেড়ানোর ঝামেলা এবং খরচ অনেকটাই কমে। এখানে আছে হোটেল হিস্টোরিক্যাল, হোটেল অন্বেষা (দুটিরই ফোন ৯৪৩৪১১৫৪৭০), হোটেল ফ্রেন্ডস এবং হোটেল পাপিয়া (এই দুটির ফোন ৯৭৩২৬০৯০৮৪), হোটেল যাত্রিক (৯৭৩৩৯৭৫০২৪), হোটেল মঞ্জুষা (৯৫৯৩৯৫০৯৭৩) প্রভৃতি। আর ঐতিহাসিক স্থানে ঠিকঠাক ঘোরার প্রয়োজনে দরকার হয় অভিজ্ঞ গাইডের। গাইডের প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারেন ৯৭৭৫৮৫৬৭০৫, ৯৪৭৫০৬৪৮৮৯ নম্বরে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Panihati: “টানা ৬দিন পানীয় জল নেই,” সৌগত রায়কে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ মহিলাদের

    Panihati: “টানা ৬দিন পানীয় জল নেই,” সৌগত রায়কে ঘিরে তুমুল বিক্ষোভ মহিলাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রচারে বেরিয়ে তুমুল বিক্ষোভের মুখে পড়লেন তৃণমূল প্রার্থী সৌগত রায়। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পানিহাটি (Panihati) পুরসভার ৩৪ নম্বর ওয়ার্ডে কদমতলা এলাকায়। ভোটের মুখে পানীয় জলের দাবিতে এভাবে দলীয় প্রার্থী বিক্ষোভের মধ্যে পড়ায় চরম বিড়ম্বনায় পড়েছে শাসক দল।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Panihati)

    কার্যত বেহাল পানিহাটির (Panihati) নাগরিক পরিষেবা। পানীয় জল থেকে বিদ্যুৎ, জঞ্জাল থেকে নিকাশি, রাস্তাঘাট কোনওকিছুই বাদ নেই। গরমের মধ্যে পানীয় জলের সমস্যা দীর্ঘ হচ্ছে। জলের জন্য পানিহাটিতে ক্ষোভ বিক্ষোভ লেগেই আছে। এই আবহের মধ্যে সোমবার সকালেই ফের পানীয় জলের দাবিতে বাড়ির মহিলারা রাস্তায় বেরিয়ে পড়েন। এমনিতেই গরমে নাজেহাল অবস্থা, তারমধ্যে পুরসভার দেওয়া পাইপ লাইন দিয়ে একটুও জল পড়ছে না। গরম উপেক্ষা করে মহিলারা রাস্তা অবরোধে সামিল হন। সেই সময় প্রচার সেরে ফিরছিলেন দমদম লোকসভার প্রার্থী সৌগত রায়। তাঁকে মহিলারা চিৎকার করে বলে ওঠেন, ৬ দিন ধরে জল নেই। এই গরমে কী করে বাঁচব? পুরসভার কাছে বার বার গিয়ে আবেদন করেছি। কোনও লাভ হয়নি। আপনি কিছু একটা করুণ। এরপর সৌগত অবরোধকারীদের সামনে পুরসভার চেয়ারম্যান ইন কাউন্সিল তীর্থঙ্কর ঘোষের সঙ্গে কথা বলেন। পরে, কেএমডিএ-র সঙ্গে কথা বলেন। এরপরই স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলরা সেখানে হাজির হন। পানীয় জলের সমস্যার সমাধানের আশ্বাস দেওয়ার পর অবরোধ ওঠে।

    আরও পড়ুন: “আভি তো পিএসসি, মিউনিসিপ্যালিটি, ফায়ার ব্রিগেড বাকি হ্যায়”, তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    তৃণমূল প্রার্থী সৌগত রায় বলেন, আমাকে দেখে বিক্ষোভ কেউ দেখাইনি। আসলে তাঁরা নিজেদের দাবি কথা জানিয়েছেন। ৬দিন ধরে এলাকায় জল নেই। তাই, মহিলারা রাস্তা অবরোধ করেছিলেন। আমি পুরসভাকে জানিয়েছি। আশা করি, জলের সমস্যা মিটে যাবে। বিজেপি নেতা কৌশিক চট্টোপাধ্যায় বলেন, এর থেকে লজ্জার আর কিছু হয় না। সাংসদ হিসেবে তিনি যে কিছু করেননি তা আবারও প্রমাণ হয়ে গেল। ভোট বাক্সে মানুষ এর জবাব দেবে।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi News: ‘‘রাজনীতির জন্য নষ্ট হয়ে গিয়েছে কলকাতা’’, বাংলা নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ মোদির

    PM Modi News: ‘‘রাজনীতির জন্য নষ্ট হয়ে গিয়েছে কলকাতা’’, বাংলা নিয়ে উদ্বেগপ্রকাশ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘‘বাংলা ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। কলকাতা একটা সময় দেশের অর্থনৈতিক উন্নতির নিরিখে সর্বাগ্রে থাকত। রাজনীতির জন্য তা নষ্ট হয়ে গিয়েছে। মহারাষ্ট্রকে অন্তত সেই পথে যেতে দেওয়া যাবে না।’’ এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ঠিক এই ভাষাতেই বাংলার পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi News)। রাজ্যে বেড়ে চলা দুর্নীতি, বেকারত্ব, দারিদ্রতা, হিংসা এই সমস্ত কিছুর কারণেই বাংলা যে ক্রমশ পিছিয়ে পড়ছে তাই এদিন প্রতিফলিত হল প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যে, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ।

    মহারাষ্ট্র নিয়ে কী বললেন? 

    মহারাষ্ট্রকে নিয়ে নরেন্দ্র মোদির (PM Modi News) সংযোজন, ‘‘মুম্বই দেশের বাণিজ্যিক রাজধানী। মহারাষ্ট্রে আমাদের আরও শক্তিশালী হতে হবে যাতে দেশের উন্নতিতে সে রাজ্যের যথেষ্ট অবদান থাকে। মহারাষ্ট্রের মানুষের আবেগ বোঝার চেষ্টা করছি আমরা। আমাদের বার্তা পৌঁছে দিচ্ছি তাদের। অত্যন্ত ইতিবাচক ফলও পাচ্ছি সেখান থেকে।’’

    বিষয় পরিবারতান্ত্রিকতা

    অন্যদিকে এদিনই পরিবারতান্ত্রিকতা ইস্যুতে আঞ্চলিক দলগুলিকে তোপ দাগেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi News) এবং তিনি সাফ বলেন, ‘‘শিবসেনা এবং এনসিপির মধ্যে যে ঝড় উঠেছে তা থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়, অন্য নেতাদের চেয়ে শুধু পরিবারের সদস্যদের বেশি গুরুত্ব দিলে শুধু সমস্যাই তৈরি হয়, আর কিছু নয়। শরদ পওয়ারের সমস্যা একেবারে পারিবারিক বিবাদ। দলের লাগাম মেয়ের হাতে থাকবে না কি ভাইপোর হাতে? শিবসেনার কোন্দলও কংগ্রেসের মতো, যোগ্য নেতাকে পদোন্নতি দেওয়া উচিত না কি ছেলেকে?’’

    পারিবারিক বিবাদে মহারাষ্ট্র কেন ভুগবে?

    প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi News) কথায়, ‘‘এসব ওদের ঝগড়া বিবাদ। আমি বিশ্বাস করি, দেশ এই ধরনের পারিবারিক রাজনীতিকে ঘৃণা করে। যদি কেউ ‘সহানুভূতি’ শব্দ ব্যবহার করে মানুষের মধ্যে সহানুভূতি জাগানোর চেষ্টা করে, আমি বলব, সেই চেষ্টাও ব্যর্থ হবে। মানুষ এই ধরনের রাজনীতিকে ঘৃণা করে। এই ধরনের আচরণ মেনে নিতে পারে না। এসব আপনাদের পারিবারিক বিবাদ, আপনারা ঘরেই এর সমাধান করুন। এর জন্য মহারাষ্ট্র ভুগবে কেন?’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Raw Mango: গরমে খান কাঁচা আমের শরবত, জেনে নিন উপকারিতা

    Raw Mango: গরমে খান কাঁচা আমের শরবত, জেনে নিন উপকারিতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রীষ্মকালে কাঁচা আম অনেকেরই পছন্দ। গরমের দিনে (summer days) বাইরে থেকে ফিরে এক গ্লাস আমপোড়া শরবত (Raw Mango) খেলে যেন প্রাণ জুড়িয়ে যায়। তীব্র গরমে এক গ্লাস কাঁচা আমের শরবতই যেন শরীরে আনতে পারে প্রশান্তি। কিন্তু জানেন কি শুধু স্বাদেই নয় গুনের দিক থেকেও খুব উপকারী এই আমপোড়া শরবত।

    কাঁচা আমপোড়া (Raw Mango) শরবতের উপকারিতা

    ১) প্রখর তাপের ক্ষতিকর প্রভাব থেকে শরীরকে রক্ষা করতে বেশ উপকারী কাঁচা আম (Raw Mango) । কাঁচা আম সান স্ট্রোকের (Sun stroke) ঝুঁকি কমায়। দেহে সোডিয়াম ক্লোরাইড ও আয়রনের ঘাটতি পূরণ করতেও সাহায্য করে।

    ২) ত্বক ও চুলের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধিতেও সহায়তা করে থাকে কাঁচা আম। পাশাপাশি কাঁচা আমের শরবতে উপস্থিত ভিটামিন সি নখের ভঙ্গুরতাও কমায়। 

    ৩) কাঁচা আম (Raw Mango) হজমের সমস্যা প্রতিরোধ করে। মর্নিং সিকনেস, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডায়রিয়া, ক্রনিক ডিসপেপসিয়া এবং বদহজমের জন্য কাঁচা আম খাওয়া খুব উপকারী।

    ৪)কাঁচা আম লিভারের জন্য ভাল। যকৃতের রোগের চিকিৎসার জন্য পরিচিত এটি। এক টুকরো কাঁচা আম খেলে ক্ষুদ্রান্ত্রে পিত্ত নিঃসরণ উদ্দীপিত হয়। এটি ফ্যাট শোষণ বাড়ায়। এবং খাদ্যে পাওয়া ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে।

    ৫) পাশাপাশি, কাঁচা আমে থাকে ভিটামিন এ। চোখের স্বাস্থ্য ভাল রাখতেও গরমকালে নিয়ম করে কাঁচা আম (Raw Mango)  খাওয়া জরুরি।

    আরও পড়ুনঃ চাঁদিফাটা রোদে হিট স্ট্রোক এড়াতে কী কী করবেন? দেখে নিন এক নজরে

    রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

    ভিটামিন সি, ভিটামিন ই সহ বহু গুণে ঠাসা কাঁচা আম (Raw Mango)। এতে রয়েছে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট। কাঁচা আম শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তুলতে সাহায্য করে। ফলে গরমের দিনে সর্দি-গরমি থেকেও নিষ্কৃতি দেবে কাঁচা আমই। আর কাঁচা আমে যেহেতু প্রচুর পরিমাণ ভিটামিন সি থাকে, তাই এটি মুখের নানা রকম ক্ষত নিরময়ে সহায়তা করতে পারে। স্কার্ভি ও মাড়ি থেকে রক্তপাতের মতো সমস্যাতেও কাজে আসতে পারে কাঁচা আম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Navy: ফের হুথিদের খপ্পর থেকে ২২ ভারতীয় সহ ৩০ জনকে উদ্ধার করল নৌসেনা

    Indian Navy: ফের হুথিদের খপ্পর থেকে ২২ ভারতীয় সহ ৩০ জনকে উদ্ধার করল নৌসেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাগরে ফের ভারতীয় নৌবাহিনীর (INS Kochi) সাফল্য। পানামার (Panama) পতাকা সম্বলিত সেচেলেসের (Scychelles) জাহাজ থেকে ৩০ জনকে উদ্ধার করল নৌসেনা (Indian Navy)। এর মধ্যে ২২ জন ভারতীয় ছিলেন। হুতি সংগঠনের জঙ্গিরা এই জাহাজে হামলা চালিয়েছিল। ভারতীয় নৌসেনার এই রক্ষা অভিযানের কথা স্বীকার করেছে মার্কিন নৌসেনা।

    ঠিক কী হয়েছিল (Indian Navy)

    জানা গিয়েছে, লাল সাগরে ওই মার্চেন্ট ভেসেল অ্যান্ড্রোমেডা স্টার (Andromeda Star) কাঁচা তেল নিয়ে ফিরছিল। হুতি জঙ্গিরা আক্রমণ শানালে সাহায্যের জন্য ছাড়ে ডিস্ট্রেস ম্যাসেজ ছাড়ে জাহাজের ক্যাপ্টেন। সাহায্যের আবেদন পেয়ে তড়িঘড়ি এগিয়ে যায় ভারতীয় নৌবাহিনী (Indian Navy) আইএনএস কোচি (INS Kochi)। কোচির আগমনেই পালায় হুতি জঙ্গি। নৌবাহিনী জানিয়েছে জাহাজের সকল সদস্য সুরক্ষিত আছে। জাহাজের সামান্য ক্ষতি হয়েছে।

    আইএনএস কোচিকে মিশনে বাছা হয়

    নৌবাহিনী (Indian Navy) জানিয়েছে হুতি জঙ্গিতে কাছে মিসাইল ড্রোন জাতীয় অত্যাধুনিক সরঞ্জাম থাকায় আইএনএস কোচিকে (INS Kochi) এই মিশনের জন্য বেছে নেওয়া হয়। এটি বিধংসী জাহাজ। শুক্রবার এই অভিযান চালানো হয়। আইএনএস কোচিকে সাহায্য করে একটি হেলিকপ্টার, কমান্ডো বাহিনী এবং এক্সক্লুসিভ অর্ডিন্যান্স ডিসপোজাল টিম। এই বিধ্বংসক জাহাজে রয়েছে গাইডেড মিসাইল সিস্টেম, অ্যান্টি মিসাইল সিস্টেম, টরপিডো, র‍্যাডার ও আরো অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র। ইজরায়েল হামাস যুদ্ধের পর লাল সাগর,  গালফ অফ এডেন, মধ্য ও উত্তর আরব সাগরে দুষ্কৃতি দৌতাত্ম্য বেড়েছে। জলদস্যু ছাড়াও বেশ কয়েকটি ইসলামিক উগ্রপন্থী সংগঠন জাহাজ ছিনতাই ও জাহাজের কর্মীকে বন্ধক বানিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা শুরু করেছে। যার জন্য ভারতীয় এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করতে হয়েছে ভারতীয় নৌসেনাকে। এছাড়াও মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিক লাগোয়া সাগরে বাহিনীকে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি অপারেশন করতে হয়েছে।

    নৌসেনার তৎপরতা

    এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনে (Excluisive Economic Zone) কোস্ট গার্ডকে সঙ্গী করে নজরদারি বৃদ্ধি করেছে ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। সাম্প্রতিক সময়ে এমভি রুয়েনের উপর জঙ্গি হামলা এবং এমভি কেম প্লুটোর উপর ড্রোন আক্রমণের পর চিন্তা বেড়েছে বভিন্ন দেশের বাহিনীর। ইন্ডিয়ান এক্সক্লুসিভ ইকনমিক জোন ছাড়া অন্য অঞ্চলেও তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে ভারতীয় নৌসেনার (INS Kochi)।

    আরও পড়ুনঃ কসবায় বিজেপির মহিলা মণ্ডল সভাপতির উপর হামলা, গ্রেফতার আসরাফ সহ ২

    নৌসেনার বক্তব্য

    নৌসেনা (Indian Navy) জানিয়েছে তারা আরব সাগর, গালফ অফ এডেন, লালসাগর এবং ভারত মহাসাগর অঞ্চলের নিরাপত্তা দিতে তৎপর এবং যে কোনও ধরনের ছোট বড় সমস্যার মোকাবিলায় সক্ষম। সাম্প্রতিক অতীতে ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের নাবিকদের উদ্ধার করেছে নৌসেনা। যে কোন দেশের তরফে এই অঞ্চলে নিরাপত্তা চাওয়া হলে ভারতীয় নৌসেনা (INS Kochi) যথাসম্ভব প্রচেষ্টা করছে এবং আগামীদিনেও করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Uttarakhand Forest Fire: দাবানলের গ্রাসে উত্তরাখণ্ড, কীভাবে ছড়ায় আগুন? প্রতিরোধের ব্যবস্থাই বা কী?

    Uttarakhand Forest Fire: দাবানলের গ্রাসে উত্তরাখণ্ড, কীভাবে ছড়ায় আগুন? প্রতিরোধের ব্যবস্থাই বা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধ্বংসী দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে উত্তরাখণ্ডের বনগুলিতে (Uttarakhand Forest Fire)। রাজ্যের বন বিভাগ যে তথ্য দিয়েছে তাতে দেখা যাচ্ছে, গত ২ দিনে কুমায়ুন অঞ্চলের ২৬টি বন দাবানলের গ্রাসে। ২৬টি বন রাজ্যের প্রায় ১০৮ হেক্টর জমি জুড়ে অবস্থান করছে। সব থেকে বেশি দাবানল ছড়িয়ে পড়েছে গাড়োয়াল অঞ্চলের বনগুলিতে। সেখানকার ৩৪.১৭৫ হেক্টর বন ধ্বংস হয়েছে দাবানলের কারণে।

    কী বলছেন বন দফতরের আধিকারিকরা? 

    বন দফতরের শীর্ষ আধিকারিক (Uttarakhand Forest Fire) চন্দ্রশেখর জোশী জানিয়েছেন, চলতি সপ্তাহের শুরুতেই নন্দা রেঞ্জে দাবানলের খবর মিলেছে। নৈনিতাল, হলদোয়ানি, রামনগর প্রভৃতি বনবিভাগ সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই সমস্ত অঞ্চলগুলিতে দাবানলকে রোধ করার জন্য তড়িঘড়ি বিশেষ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে সরকারও। বন দফতরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, দাবানলকে রোধ করার জন্য একযোগে প্রয়াস চালিয়েছে ইন্ডিয়ান এয়ার ফোর্স, আর্মি, প্রান্তীয় রক্ষক দলের স্বেচ্ছাসেবকরা এবং হোম গার্ডরা। কুমায়ুন রেঞ্জের বনদফতরের শীর্ষ আধিকারিক প্রসন্ন কুমার পাত্র জানিয়েছেন, কুমায়ুন অঞ্চলে নৈনিতাল জেলার দুই থেকে তিনটি জায়গায় এবং আলমোরা, পিথোরাগড় প্রভৃতি স্থানের একটি করে অঞ্চল দাবানলের গ্রাসে গিয়েছে।

    দাবানলের প্রধান কারণ কী?

    উত্তরাখণ্ডের বিধ্বংসী দাবানলের (Uttarakhand Forest Fire) কারণ হিসেবে বিশেষজ্ঞরা চিহ্নিত করছেন, নেপাল সীমান্তবর্তী চম্পাওয়াত ও নৈনিতাল জেলার তীব্র তাপপ্রবাহকে। কারণ এর জেরেই বেড়ে গিয়েছে শুষ্কতা। বনের পর বন দাবানলের গ্রাসে চলে গিয়েছে। অন্যদিকে অপর একটি কারণ হল, গত বছরের সেপ্টেম্বর থেকে শীতকালীন বৃষ্টিপাত ও তুষারপাতের পরিমাণ খুবই কম হয়েছে।

    সাধারণভাবে উত্তরাখণ্ডের দাবানলের (Forest Fires in Uttarakhand) ঘটনাগুলি লক্ষ্য করা যায় ফেব্রুয়ারি থেকে জুন মাসের মধ্যে। এই সময়ে আবহাওয়া শুষ্ক থাকে এবং গরম থাকে। বেশিরভাগ দাবানলের ঘটনা ঘটেছে শুকনো পাতা এবং বনে থাকা অন্যান্য দাহ্য পদার্থের কারণে। যা আগুনের জ্বালানি হিসেবে কাজ করে। তবে পরিবেশ মন্ত্রকের অধীনে থাকা ফরেস্ট রিসার্চ ইনস্টিটিউট একটি রিপোর্ট জমা করে ২০১৯ সালে। তাতে তারা জানিয়েছে, ৯৫ শতাংশই দাবানলের কারণ মনুষ্যসৃষ্ট।

    দাবানলের প্রাকৃতিক কারণগুলির মধ্যে রয়েছে বজ্রপাত, জলবায়ুর পরিবর্তন এবং গরম ও শুষ্ক আবহাওয়া। কারণ যাই হোক না কেন দাবানল ছড়িয়ে পড়ার তিনটি মূল উপাদান হল- জ্বালানি, তাপ এবং অক্সিজেন। জ্বালানি হল দাহ্য পদার্থ। এর মধ্যে রয়েছে গাছ, ঘাস, গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদ ইত্যাদি। অন্যদিকে অক্সিজেন আগুনকে জ্বলতে সাহায্য করে।

    কীভাবে দাবানল ছড়ায়?

    জ্বালানি যেমন, ঘাস গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদগুলি সাধারণভাবে দ্রুত পুড়ে যায়। গাছ এবং গুল্ম জাতীয় উদ্ভিদগুলিতে তেল এবং রজন জাতীয় পদার্থ থাকার কারণে আগুন দ্রুত এবং তীব্রভাবে ছড়াতে থাকে। আবার শুষ্ক আবহাওয়া হওয়ার কারণে কিছু ধরনের (Forest Fires in Uttarakhand) গাছপালাতে আদ্রতাও কম থাকে। আবার সেই সময় যদি বায়ু চলাচলটা প্রবল ভাবে হয় তবে সেই বায়ু থেকে অক্সিজেন আগুনকে আরও ভয়ঙ্কর করে তোলে।

    কীভাবে  বনের আগুন প্রতিরোধ করা যায়?

    পরিবেশ মন্ত্রকের মতে, প্রাথমিকভাবে দাবানলপ্রবণ বনাঞ্চলগুলিতে ওয়াচ টাওয়ার নির্মাণ, অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থা রাখা, স্থানীয় মানুষজনের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা, ফায়ার লাইন তৈরি এই সমস্ত কিছুর দ্বারা আগুন নিয়ন্ত্রণ করা যায়। বনবিভাগ বনের দাবানলকে (Uttarakhand Forest Fire) প্রতিরোধ করার জন্য বেশ কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য গুলি হল-

    – ফায়ার অ্যালার্ট সিস্টেম:  ফায়ার অ্যালার্ট সিস্টেম geospatial প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরি করা হয়ে। স্যাটেলাইটের মাধ্যমে শনাক্ত করা হয় দাবানলের স্থানগুলিকে। স্থানগুলি চিহ্নিত করা হয়ে গেলে তা বন বিভাগের আধিকারিকদের জানিয়ে দেওয়া হয়।

    – মোবাইল স্কোয়াড: দাবানলকে প্রতিরোধ করতে মোবাইল স্কোয়াড গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয়। রাজ্যের বনদফতর তার কর্মীদের নিয়োগ করে এবং দাবানলের সম্ভাবনা রয়েছে এমন স্থানগুলিতে ওই কর্মীরা টহলদারি চালাতে থাকে।

    – লিফ ব্লোয়ার: লিপ ব্লোয়ার সিস্টেমের মাধ্যমে একটি নির্দিষ্ট দূরত্বে থেকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনার কাজ করেন বনদফতরের কর্মীরা।

    – স্থানীয় মানুষজনের সাহায্য নেওয়া: বনাঞ্চলের কাছাকাছি বসবাসরত মানুষজনদের নিয়ে যৌথ বনব্যবস্থা কমিটি গড়ে তোলা হয়েছে। এই কমিটির কাজ হল দাবানল সম্পর্কে সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করা এবং দাবানলের পরিস্থিতি তৈরি হলে তা রোধ করা।

    কীভাবে ভারতীয় বিমান বাহিনী উত্তরাখণ্ডের বনের দাবানল প্রতিরোধ করল?

    ভারতীয় বিমান বাহিনী দাবানল প্রতিরোধ করার জন্য Mi-17v5 হেলিকপ্টার মোতায়ন করেছে। এই হেলিকপ্টারটি পাঁচ হাজার লিটার জল বহন করতে সক্ষম। হেলিকপ্টারটি সেজে উঠেছে বড় বাম্প বালতি দ্বারা। এই প্রযুক্তির মাধ্যমে হেলিকপ্টারটি (Uttarakhand Forest Fire) নদী বা পুকুরে নামিয়ে প্রথমে সেখান থেকে ভরাট করা হয়। সঙ্গে সঙ্গে তা দাবানলের অঞ্চলে উড়ে যায় এবং সেখানে গিয়ে জল ঢেলে দেয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Summer Special train: চালু হল হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি সামার স্পেশাল ট্রেন, জেনে নিন সময়সূচি

    Summer Special train: চালু হল হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি সামার স্পেশাল ট্রেন, জেনে নিন সময়সূচি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুলে গরমের ছুটি তো পড়ে গিয়েছে। আর গরমের ছুটি মানেই পাহাড়ে ঘুরতে যাওয়া। কারন এই ৪০-৪২ ডিগ্রী গরমে শান্তি একমাত্র পাহাড়েই। আর তাই সেদিকে নজর রেখেই এবার পূর্ব রেল তরফে গরমের ছুটিতে ভ্রমণের জন্য বিশেষ ট্রেনের ঘোষণা করা হল। এসি ফার্স্ট ক্লাস থেকে ইকোনমি ক্লাস, স্লিপার ক্লাস, জেনারেল সেকেন্ড ক্লাস সবই থাকছে এই সামার স্পেশাল ট্রেনে (Summer Special train)। এই বিশেষ ট্রেন চালুর মূল উদ্দেশ্য অতিরিক্ত যাত্রীদের ভিড় সামাল দেওয়া।

    চলবে ২২টি ‘সামার স্পেশাল ট্রেন’ (Summer Special train)

    হাওড়া (Howrah) থেকে নিউ জলপাইগুড়ি রুটে ছুটছে ২২টি ‘সামার স্পেশাল ট্রেন’। ২৬ জুন পর্যন্ত হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি (Howrah NJP Routes) রুটে চলবে এই বিশেষ ট্রেনগুলি। আবার ২৭ জুন পর্যন্ত নিউ জলপাইগুড়ি-হাওড়া রুটে চলবে সামার স্পেশাল এই ট্রেনগুলি।

    কোথায় কোথায় স্টপেজ?

    উল্লেখ্য সামার স্পেশাল ট্রেন (Summer Special train) চালিয়ে গতবার দারুণ সাড়া পেয়েছিল ভারতীয় রেল। বিভিন্ন স্টেশন যেখান থেকে প্রচুর মানুষ যাতায়াত করেন সেই সব স্টেশন ইতিমধ্যে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেই সব স্টেশনে সামার স্পেশাল ট্রেনের (Summer Special train) স্টপেজ দেওয়া হচ্ছে। এই স্পেশাল ট্রেনটি যাতায়াতের সময় ব্যান্ডেল, নবদ্বীপ ধাম, কাটোয়া, আজিমগঞ্জ, জঙ্গিপুর রোড, মালদহ টাউন, বারসোই, কিষাণগঞ্জ, আলুয়াবাড়ি রোড হয়ে চলাচল করবে। প্রতি বুধবার রাত ১১.৫৫ মিনিটে হাওড়া থেকে ছেড়ে পরদিন সকাল ১০টা ৪৫ মিনিটে এনজেপি পৌঁছাবে এই ট্রেন। অন্যদিকে প্রতি বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিটে এনজেপি থেকে ছেড়ে হাওড়ায় (Howrah) ঢুকবে রাত ১২টা ১০ মিনিটে।

    আরও পড়ুনঃ ৪৪ ডিগ্রিতেও খামতি নেই! আসানসোলে বিজেপি প্রার্থীর প্রচারে মহাগুরু

    এখনই বুক করুন স্পেশাল টিকিট

    রেলের তরফে জানানো হয়েছে, সমস্ত ট্রেনে বার্থ ক্রমাগত বুকিং হয়ে চলেছে , যে কোনো ক্লাসের বার্থ শেষ হয়ে যেতে পারে। তাই দেরি না করে যাত্রীদের সামার স্পেশাল ট্রেনের (Summer Special train) টিকিট (Train ticket) কেটে ফেলা উচিত বলেই মনে করছেন রেলওয়ে আধিকারিকরা। পিআরএস এবং অনলাইনের মাধ্যমে খুব সহজেই এই সামার স্পেশাল ট্রেনের সুবিধা পাবেন গ্রাহকরা। উত্তর পূর্ব সীমান্ত রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক সব্যসাচী দে জানিয়েছেন, এই স্পেশাল ট্রেনের সময়সূচির বিশদ বিবরণ আইআরসিটিসি ওয়েবসাইটে (IRCTC website)পাওয়া যাবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: তৃতীয় দফা ভোটের আগে প্রচারে ঝড় তুলতে রাজ্যে আসছেন মোদি-যোগী

    BJP: তৃতীয় দফা ভোটের আগে প্রচারে ঝড় তুলতে রাজ্যে আসছেন মোদি-যোগী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃতীয় দফা ভোটের আগে বাংলায় প্রচারের তীব্রতা আরও বাড়াচ্ছে বিজেপি (BJP)। ফের বঙ্গ সফরে আসছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথও প্রচারে ঝড় তুলতে আসছেন বাংলায়। এর আগে মোদি উত্তরবঙ্গে একাধিক লোকসভায় জনসভা করে গিয়েছেন। এবার তিনদিনের ব্যবধানে রাজ্যে মোদি-যোগী আসায় বিজেপি কর্মীরা চাঙা।

    কবে, কোথায় আসছেন মোদি-যোগী? (BJP)

    আগামী ৩ মে কৃষ্ণনগরে সভা করার কথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। দলীয় প্রার্থী অমৃতা রায়ের সমর্থনে সভা করবেন তিনি। নদিয়া উত্তর বিজেপির (BJP) সাংগঠনিক জেলার আয়োজিত ওই সভা হওয়ার কথা তেহট্ট শ্যামনগর ফুটবল প্লে-গ্রাউন্ডে। ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটে রাজ্যের ৪২ আসনের মধ্যে অন্যতম ‘হেভিওয়েট’ কেন্দ্র কৃষ্ণনগর। শুধু রাজ্যের নিরিখেই নয়, গোটা দেশের নিরিখেও এবার কৃষ্ণনগর কেন্দ্রটি তাৎপর্যপূর্ণ। এ কেন্দ্রের প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্র। অন্যদিকে, ৩০ এপ্রিল কৃষ্ণনগরে সভা করার কথা রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের। আগামী ৩ মে কৃষ্ণনগর, বর্ধমান পূর্ব, বোলপুরে জনসভা করার কথা নরেন্দ্র মোদির। এর আগে গত ২৬ এপ্রিল মালদায় সভা করেছিলেন নরেন্দ্র মোদি। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, ৩০ এপ্রিল বাংলায় তিনটি সভা করার কথা রয়েছে যোগীর। বহরমপুর, আসানসোল এবং বীরভূম, তিনটি জেলায় সভা করবেন যোগী। ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট জেলাগুলিতে সাংগঠনিক প্রস্তুতিও শুরু হয়ে গিয়েছে। মঙ্গলবার বহরমপুরের শক্তিপুরে, বীরভূমের বেণীমাধব স্কুল মাঠে এবং আসানসোলের নিনঘহ মাঠে সভা করবেন যোগী। জানা গিয়েছে, রাম নবমীর দিন শক্তিপুরে রামভক্তদের মিছিলে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছিল দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধ। একাধিক রামভক্তদের বাড়ি ভাঙচুর করা হয়। বোমাবাজির ঘটনা ঘটে। সেই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে এনআইএ। এবার সেই শক্তিপুরে যোগী আসায় এলাকায় বিজেপি কর্মীরা চাঙা হয়ে উঠেছেন। এলাকায় প্রশাসনিক তৎপরতা শুরু হয়েছে। রাজ্যে লোকসভা নির্বাচনী প্রচারে এই প্রথম আসছেন যোগী।

    আরও পড়ুন: “আভি তো পিএসসি, মিউনিসিপ্যালিটি, ফায়ার ব্রিগেড বাকি হ্যায়”, তৃণমূলকে তোপ শুভেন্দুর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Heatwave: তীব্র গরমেও যেতে হচ্ছে বাইরে? কোন কোন ঘরোয়া জিনিসে শরীর ভালো থাকবে? 

    Heatwave: তীব্র গরমেও যেতে হচ্ছে বাইরে? কোন কোন ঘরোয়া জিনিসে শরীর ভালো থাকবে? 

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    চলছে তাপপ্রবাহ! দিনভর গরমে (Heatwave) নাজেহাল অনেকেই। কিন্তু তার মধ্যেও অনেকেই বাইরে যাচ্ছেন। কাজের জন্য ভরদুপুরেও অনেককে বাইরে যেতে হচ্ছে‌‌। কিন্তু বেলা বাড়তেই তাপমাত্রার পারদ চড়ছে। এর ফলে সমস্যা আরও বাড়ছে‌। অনেকেই এর জেরে অসুস্থ হয়ে পড়ছেন। তবে চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন,‌ কয়েকটি জিনিসে বাড়তি সতর্কতা রাখলেই বড় শারীরিক সমস্যা এড়ানো যাবে। এবার দেখা যাক, কোন কোন জিনিস সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা?

    পর্যাপ্ত পরিমাণে জল এবং ওআরএস (Heatwave)

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, বাইরে গেলে অবশ্যই সঙ্গে জল এবং ওআরএস রাখতে হবে। কারণ, বাইরের গরমের জেরে শরীরে জলের পরিমাণ কমে যাচ্ছে। আর তার জেরেই ডিহাইড্রেশনের মতো সমস্যা দেখা যাচ্ছে। এমনকী হিট স্ট্রোকের ঝুঁকিও দেখা দিচ্ছে। তাই সঙ্গে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল রাখা জরুরি। কিছু সময় অন্তর জল খাওয়া দরকার। এর পাশপাশি ওআরএস রাখতে হবে। যাতে শরীরে শর্করার পরিমাণ ঠিক থাকে। ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমে।

    নিয়মিত কাঁচা আম খাওয়া দরকার

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই গরমে নিয়মিত কাঁচা আম খাওয়া শরীরের জন্য খুবই উপকারী। তাঁরা জানাচ্ছেন, কাঁচা আমে থাকে পটাশিয়াম। তাই শরীরে পর্যাপ্ত পটাশিয়াম থাকলে, শরীর ঠান্ডা থাকবে‌। পাশপাশি ম্যাগনেশিয়ামের মতো খনিজ পদার্থের চাহিদা পূরণ করে কাঁচা আম। তাই এই গরমে (Heatwave) নিয়মিত কাঁচা আম খেলে শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়বে। গরম প্রতিহত করতে নিয়মিত টক ডাল, আম পোড়া সরবত খাওয়ারও পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাই বাইরে যাঁদের নিয়মিত যেতে হচ্ছে, তাঁরা অবশ্যই কাঁচা আম দিয়ে তৈরি অন্তত একরকম কোনও রান্না খেয়ে অবশ্যই বাইরে যাবেন।

    তরমুজ ও ডাবের জল খাওয়ার‌ দরকার (Heatwave)

    বিশেষজ্ঞদের একাংশের পরামর্শ, তরমুজের কয়েক টুকরো অবশ্যই সঙ্গে রাখা দরকার। এই পরিস্থিতিতে বাইরের অতিরিক্ত তেলমশলা দেওয়া খাবার একেবারেই এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ এতে অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে‌। কিন্তু শরীরের চাহিদা অনুযায়ী খাবার খাওয়া জরুরি। তাই তরমুজের মতো রসালো ফল সঙ্গে থাকা জরুরি। বাড়ি থেকে তরমুজের কয়েক টুকরো কেটে টিফিন কৌটোয় সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। কারণ এই ফলে শরীরে শর্করা এবং জলের চাহিদা পূরণ হয়। তরমুজের পাশাপাশি এই গরমে যাঁরা বাইরে যাচ্ছেন তাঁদের নিয়মিত ডাবের জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা। কারণ ডাবের জলে থাকে একাধিক খনিজ পদার্থ। এর জেরে এই গরমেও লিভার ও অন্ত্র ভালো থাকে‌। তাই ডিহাইড্রেশনের ঝুঁকি কমানোর পাশপাশি পেটের গোলমাল দূরে রাখতে নিয়মিত ডাবের জল খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    ভিজে তোয়ালে সঙ্গে রাখা জরুরি

    অনেককে এই গরমেও দীর্ঘ সময় রোদে থাকতে হচ্ছে। তাঁদের সান স্ট্রোকের (Heatwave) ঝুঁকি বাড়ছে। তাই ঝুঁকি কমাতে তাঁদের ভিজে তোয়ালে সঙ্গে রাখার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, বারবার জল দিয়ে চোখ-মুখ ধোয়া দরকার। এতে শরীর ঠান্ডা থাকে। আবার ভিজে তোয়ালে ঘাড় ও মাথায় রাখলে শরীর দ্রুত ঠান্ডা হয়। এতে সান স্ট্রোকের মতো রোগের ঝুঁকি কমবে‌।

    রঙিন ও প্যাকেটজাত ঠান্ডা পানীয় এড়িয়ে চলতে হবে (Heatwave) 

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, যাঁরা নিয়মিত বাইরে যাচ্ছেন, তাঁদের রঙিন সরবত এবং প্যাকেটজাত ঠান্ডা পানীয় এড়িয়ে চলতে হবে। কারণ, এই ধরনের পানীয়তে শরীরে একাধিক খারাপ প্রভাব পড়ে‌। শরীরে পটাশিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম এবং শর্করার মাত্রা ওঠানামা করে। এর জেরে অসুস্থ হয়ে পড়ার ঝুঁকি বাড়ে। পাশপাশি রঙিন সরবত থেকে অনেক সময়েই পেটের গোলমাল হয়। যা এই গরমে বাড়তি ভোগান্তি তৈরি করবে। তাই এই ধরনের সরবত ও পানীয় এড়িয়ে চলার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকেরা।

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share