Tag: Bengali news

Bengali news

  • Amit Shah: শাহি ভাষণ বিকৃত করে ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়, মামলা ঠুকল বিজেপি

    Amit Shah: শাহি ভাষণ বিকৃত করে ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়, মামলা ঠুকল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন চলাকালীনই ভুয়ো ভিডিও ছড়িয়ে বিজেপিকে বিপাকে ফেলার চেষ্টা! ডক্টরেট ডিগ্রিতে সংরক্ষণ কোটা নিয়ে বিদায়ী মন্ত্রিসভার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) একটি ভিডিও বিকৃত করে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করার অভিযোগ ওঠে। ভিডিওটিতে এসসি, এসটি এবং ওবিসিদের সংরক্ষণের নিয়মকে অসাংবিধানিক ঘোষণা করে বিজেপি ক্ষমতায় এলে তা তুলে দেওয়ার কথা বলতে শোনা যায় শাহকে।

    বিজেপির পদক্ষেপ

    সম্পাদিত এই ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে। এর পরেই দিল্লি পুলিশে দায়ের হয়েছে অভিযোগ। একটি অভিযোগ দায়ের করেছে বিজেপি। অন্যটি দায়ের করা হয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে। অভিযোগের ভিত্তিতে দিল্লি পুলিশের স্পেশাল সেল সাইবার উইং আইএফএস ইউনিটও একটি এফআইআর দায়ের করেছে (Amit Shah)। বিজেপির অভিযোগ, শাহের ভিডিও বিকৃত করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়েছে কেউ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এমন কথা কখনওই বলেননি। ভিডিওটি ভুয়ো।

    গেরুয়া পার্টির দাবি

    গেরুয়া পার্টির দাবি, তেলঙ্গনার মুসলমানদের জন্য যে অসাংবিধানিক সংরক্ষণ রয়েছে, তা নিয়ে মন্তব্য করেছিলেন শাহ। কিন্তু আসল কথা সরিয়ে বিকৃত করা হয়েছে শাহি ভাষণ। অভিযোগ পেয়েই পদক্ষেপ করতে শুরু করেছে দিল্লি পুলিশ। এক্স এবং ফেসবুককে চিঠি দিয়ে ভুয়ো ভিডিওর বিষয়ে জানতে চেয়েছে পুলিশ। সম্পাদিত এই ভিডিওটি প্রথমে কোন অ্যাকাউন্ট থেকে পোস্ট করা হয়েছিল, তা জানতে চাওয়া হয়েছে। সেই তথ্য হাতে এলেই জানা যাবে, ভাইরাল হওয়া ভিডিওর উৎস সম্পর্কে।

    বিকৃত এই ভিডিওর বিষয়ে কংগ্রেসকে কাঠগড়ায় তুলেছে পদ্ম-পার্টি। বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য এক্স হ্যান্ডেলে তেলঙ্গনা কংগ্রেসের একটি পোস্ট ভাগ করে নেন। সেখানে বিকৃত ভিডিওটি দিয়ে মালব্য লিখেছেন, “কংগ্রেস একটি সম্পাদিত ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়াচ্ছে। যা সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং ভিডিওটির মাধ্যমে বড় ধরনের সহিংসতা ছড়ানোর সম্ভাবনা রয়েছে। অমিত শাহ কখনওই এসসি এবং এসটি সংরক্ষণ নিয়ে কথা বলেননি। ধর্মের ভিত্তিতে মুসলমানদের দেওয়া অসাংবিধানিক সংরক্ষণ অপসারণের কথা বলেছিলেন তিনি।” মালব্য লিখেছেন, “এই ভুয়ো ভিডিওটি কংগ্রেসের একাধিক মুখপাত্র পোস্ট করেছেন। তাঁদের অবশ্যই আইনি পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে (Amit Shah)।”

    আরও পড়ুুন: সন্দেশখালি মামলার শুনানি মুলতুবি, তবে চলবে তদন্ত, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

       

  • Suvendu Adhikari: “আভি তো পিএসসি, মিউনিসিপ্যালিটি, ফায়ার ব্রিগেড বাকি হ্যায়”, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “আভি তো পিএসসি, মিউনিসিপ্যালিটি, ফায়ার ব্রিগেড বাকি হ্যায়”, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় আদালতের রায়ে ২৬ হাজার শিক্ষকের চাকরি চলে গিয়েছে। এই ইস্যুতে ভোট আবহের মধ্যে তোলপাড় চলছে। এই অবস্থায় নতুন করে চাকরি দুর্নীতি নিয়ে ফের সরব হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তৃণমূলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তিনি।

    আরও চাকরি দুর্নীতি নিয়ে সরব শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)

    রবিবার নন্দকুমারের জনসভা থেকে চাকরি দুর্নীতি ইস্যুতে সরব হন  শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। এদিন তিনি বলেন, ‘এসএসসি তো পহেলা ঝাঁকি হ্যায়, আভি তো পিএসসি, মিউনিসিপ্যালিটি, ফায়ার ব্রিগেড বাকি হ্যায়। এসএসসি দুর্নীতির জেরে চাকরিহারা হয়েছেন অনেকে। এবার আরও বেশ কয়েকটি দুর্নীতি প্রমাণ হবে বলে দাবি শুভেন্দু অধিকারীর। ফলে স্বাভাবিকভাবেই চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে, তাহলে কি আরও অনেকে চাকরিহারা হবেন? ‘

    আরও পড়ুন: “ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি নেতা

    নাম না করে মমতাকে তোপ

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না করে শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)  বলেন, ‘অনেকগুলো মিটিং করেছেন পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুরে। আমাকে উনি নাকি তৈরি করেছেন। আমাকে কেউ তৈরি করলে তিনি সুশীল ধাড়া, কুমুদিনী ডাকুয়া। আমার অভিভাবিকা আভা মাইতি।’ শুভেন্দু আরও বলেন, ‘১৯৯৫ সালে কাউন্সিলর হই। তার আগে ১৯৮৮ সালে কলেজে ইউনিয়নের জিএস। কলকাতা থেকে লাফিয়ে নন্দীগ্রামে এসেছিলেন। তিন বছর আগের কথা। ৬৫ হাজার মুসলিম ভোট ছিল। ভেবেছিলেন তা পেলে শুভেন্দু অধিকারীকে হারিয়ে দেওয়া যাবে। হেরে বাড়ি গিয়েছেন। যতদিন বেঁচে থাকবেন, কানের কাছে বাজবে হেরেছি, হেরেছি, হেরেছি।’

    অযোগ্যদের জন্য ২০ হাজারকে বলি দিয়েছেন মমতা

    মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধে শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) আরও বলেন, ‘আদালত যোগ্য ও অযোগ্যদের তালিকা চেয়েছিল। ৫৪০০ অযোগ্যের জন্য ২০ হাজারকে বলি দিয়েছে। যোগ্যদের নিয়ে চিন্তা নেই। অযোগ্যদের বাঁচাতে ১৮ – ২০ লাখ টাকা করে তুলেছে। বিচারপতি দেবাংশু বসাক জানতে চেয়েছেন, অতিরিক্ত শূন্য পদ কারা তৈরি করেছিল? তাঁদের হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারবে সিবিআই। ওই সিদ্ধান্ত হয়েছিল ২০২২ সালের ক্যাবিনেটে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sri Ramakrishna Kathamrita: “শেষরাত্রে ঘুম ভেঙে যেত আর কাঁদতুম, বলতুম, মা, কেশবের অসুখ ভালো করে দাও”

    Sri Ramakrishna Kathamrita: “শেষরাত্রে ঘুম ভেঙে যেত আর কাঁদতুম, বলতুম, মা, কেশবের অসুখ ভালো করে দাও”

     

    অখণ্ডমণ্ডলাকারং ব্যাপ্তং যেন চরাচরম্

          তৎপদং দর্শিতং যেন তস্মৈ শ্রীগুরুবে নমঃ।।

    গুরু শিষ্য-সংবাদ

    দ্বিতীয় দর্শন সকাল বেলা, আটটার সময়। ঠাকুর তখন কামাতে যাচ্ছেন। এখনও একটু শীত আছে। তাই তাঁহার গায়ে মেলেস্কিনের র‍্যাপার। র‍্যাপারের কিনারা শালু দিয়ে মোড়া। মাস্টারকে দেখিয়ে বলিলেন, তুমি এসেছ? আচ্ছা, এখানে বস।

    এ-কথা দক্ষিণ-পূর্ব বারান্দায় হইতেছিল। নাপিত উপস্থিত। সেই বারান্দায় ঠাকুর কামাইতে বসিলেন ও মাঝে মাঝে মাস্টারের সহিত কথা কহিতে লাগিলেন। গায়ে ওইরূপ র‍্যাপার, পায়ে চটি জুতা, সহাস্যবদন। কথা কহিবার সময় কেবল একটু তোতলা।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (মাস্টারের প্রতি)–হ্যাঁগা, তোমার বাড়ি কোথায়?

    মাস্টার–আজ্ঞা, কলিকাতায়।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Sri Ramakrishna Kathamrita)–এখানে কোথায় এসেছে?

    মাস্টার-এখানে বরাহনগরে বড় দিদির বাড়ি আসিয়াছি। ঈশান কবিরাজের বাটী।

    শ্রীরামকৃষ্ণ–ওহ্‌ ঈশানের বাড়ি!

    শ্রীকেশবচন্দ্র সেন ও মার কাছে ঠাকুরের ক্রন্দন

    শ্রীরামকৃষ্ণ–হ্যাঁগা, কেশব আছে? বড় অসুখ হয়েছিল।

    মাস্টার–আমিও শুনেছিলাম বটে, এখন বোধ হয় ভাল আছেন।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Sri Ramakrishna Kathamrita)–আমি আবার কেশবের জন্য মার কাছে ডাব-চিনি মেনেছিলুম। শেষরাত্রে ঘুম ভেঙে যেত আর মার কাছে কাঁদতুম, বলতুম, মা, কেশবের অসুখ ভালো করে দাও; কেশব না থাকলে আমি কলকাতায় গেলে কার সঙ্গে কথা কব? তাই-চিনি মেনেছিলুম।

    হ্যাঁগা, কুক্‌ সাহেব নাকি একজন এসেছে? সে নাকি লেকচার দিচ্ছে? আমাকে কেশব জাহাজে তুলে নিয়ে গিছিল। কুক্‌ সাহেবও ছিল।”

    মাস্টার–আজ্ঞা, এই রকম শুনেছিলুম বটে, কিন্তু আমি তাঁর লেকচার শুনি নাই। আমি তাঁর বিষয় বিশেষ জানি না।

    আরও পড়ুনঃ “ঠাকুর মাঝে মাঝে যেন অন্যমনস্ক হইতেছেন! পরে শুনিলেন, এরই নাম ভাব”

    গৃহস্থ ও পিতার কর্তব্য

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Sri Ramakrishna Kathamrita)-প্রতাপের ভাই এসেছিল। এখানে কয়দিন ছিল। কাজকর্ম নাই। বলে, আমি এখানে থাকব। শুনলাম, মাগছেলে সব শ্বশুরবাড়িতে রেখেছে। অনেকগুলি ছেলেপিলে। আমি বকলুম, দেখ দেখি ছেলেপিলে হয়েছে; তাঁদের কি আবার ও-পাড়ার লোক এসে খাওয়াবে-দাওয়াবে, মানুষ করবে? লজ্জা করে না যে, মাগছেলেদের আর একজন খাওয়াচ্ছে, আর তাদের শ্বশুরবাড়ি ফেলে রেখেছে। অনেক বকলুম, আর কর্মকাজ খুঁজে নিতে বললুম। তবে এখান থেকে যেতে চায়।    

     

    তথ্যসূত্রঃ ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণের সংক্ষিপ্ত চরিতামৃত, ৩য় পরিচ্ছেদ, দ্বিতীয় দর্শন

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Siliguri: “ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি নেতা

    Siliguri: “ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা চালালো তৃণমূল”, বললেন আক্রান্ত বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দার্জিলিং লোকসভা কেন্দ্রে ভোটের ৭২  ঘণ্টার মধ্যে রক্ত ঝরল শিলিগুড়িতে। অভিযোগ, বিজেপির হয়ে ভোটে কাজ করা ও জয় শ্রীরাম ধ্বনি দেওয়ার কারণে তৃণমূলের হাতে  গুরুতরভাবে আক্রান্ত হলেন বিজেপি বুথ সভাপতি সহ ছ’ জন কর্মী। এর মধ্যে দু’জন মহিলা রয়েছেন। আক্রান্তদের শিলিগুড়ি (Siliguri) জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। রবিবার রাতে মাটিগাড়া ব্লকের কলাইবক্তিয়ারিতে এই ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার অভিযোগে এফআইআর করে আন্দোলনে নেমেছে বিজেপি। দুষ্কৃতীদের গ্রেফতারের দাবিতে রবিবার রাতেই মাটিগাড়া থানায় বিক্ষোভ দেখায় বিজেপি। এই ঘটনার প্রতিবাদে সোমবার মাটিগাড়া ব্লক বনধের ডাক দিয়েছে বিজেপি। শিলিগুড়ি মেট্রোপলিটন পুলিশের ডিসিপি, হেড কোয়ার্টার তন্ময় সরকার বলেন, হামলার ঘটনায় যুক্ত থাকার অভিযোগে দু’জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। গোটা ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত শুরু হয়েছে।

    ঠিক কী হয়েছিল? (Siliguri)

    মাটিগাড়া -নকশালবাড়ি বিধানসভা এলাকায় কলাইবক্তিয়ারিতে  বিজেপির স্থানীয় বুথ সভাপতি নন্দকিশোর ঠাকুরকে বিজেপির হয়ে কাজ করতে বারণ করেছিল তৃণমূল। সেই নিষেধ অমান্য করে এলাকায় তাঁরা প্রচার করেছিলেন। এমনকী ভোটের দিন বুথের কাছে জয় শ্রীরাম স্লোগান দিয়েছিলেন। ভোট শেষ হওয়ার ৭২ ঘণ্টার মধ্যেই বিজেপির বুথ সভাপতিসহ ছ’জন বিজেপি কর্মকর্তার বাড়িতে হামলা চালায় দুস্কুতিরা। দু’জন মহিলা সহ ছয়জন গুরুতর জখম হয়েছেন। এই ঘটনায় সরাসরি তৃণমূলকে দায়ী করেছে বিজেপি। বিজেপির শিলিগুড়ি (Siliguri) সাংগঠনিক জেলা সভাপতি অরুণ মন্ডল বলেন, তৃণমূল নেতা স্থানীয় তৃণমূল নেতা কৈলাশ মণ্ডল ও তাঁর দলবল ভোটের আগে থেকেই আমাদের বুথ সভাপতি  নন্দকিশোর ঠাকুরকে হুমকি দিচ্ছিল। রবিবার সকালে বাড়ি গিয়ে নন্দকিশোরকে  প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে মাটিগাড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পুলিশ কোনও পদক্ষেপ করেনি। রাতেই প্রাণঘাতি হামলা চালায় তৃণমূল নেতা কৈলাশ মণ্ডল ও তাঁর দলবল। আক্রান্ত বিজেপি নেতা নন্দকিশোরবাবু বলেন, ধারালো অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায় তৃণমূল। আমার পাশাপাশি দু’জন মহিলা সহ আমাদের ছ’জন কর্মী গুরুতর জখম হন। এর প্রতিবাদে সোমবার আমরা মাটিগাড়া বনধের ডাক দিয়েছি। মানুষ তাতে সাড়া দিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: তৃতীয় দফা ভোটের আগে প্রচারে ঝড় তুলতে রাজ্যে আসছেন মোদি-যোগী

    তৃণমূলের দালাল পুলিশের মদতেই এই ঘটনা, বললেন রাজু বিস্তা

    বিজেপির দার্জিলিং লোকসভা আসনের প্রার্থী ও বিদায়ী সাংসদ রাজু বিস্তা এই ঘটানার জন্য পুলিশের নিষ্ক্রিয়তাকে দায়ী করেছেন। তিনি বলেন, রবিবার সকালে পুলিশকে অভিযোগ জানানোর পর ব্যবস্থা নেওয়া হলে এই ঘটনা ঘটত না। পুলিশ তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে। সকালে অভিযোগ পেয়েও এই ঘটনা ঘটানোর জন্য পুলিশ নিশ্চুপ হয়ে বসেছিল। তৃণমূলের এই সন্ত্রাস এবং পুলিশের ভূমিকা নিয়ে নির্বাচন কমিশনকে নিরপেক্ষ তদন্ত করার দাবি জানিয়েছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP News: দুর্গাপুরে বিজেপিতে যোগ দিতেই বাড়িতে হামলা ও বোমাবাজি! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    BJP News: দুর্গাপুরে বিজেপিতে যোগ দিতেই বাড়িতে হামলা ও বোমাবাজি! কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় বাড়ি লক্ষ্য করে পর পর তিনটি বোমাবাজি ছোড়ার অভিযোগ। অভিষেক রায় ওরফে রকির বাড়িতে বোমাবাজিরে জেরে আতংকিত তাঁর পরিবার এবং স্থানীয়রা। উত্তপ্ত দুর্গাপুরের (Durgapur) ইস্পাত নগরীর কনিষ্ক এলাকা। অভিযোগের তির তৃণমূল (TMC) আশ্রিত দুষ্কৃতিদের দিকে। বোমাবাজির পরেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় দুর্গাপুর থানার বিশাল পুলিশ বাহিনী। যদিও অভিযুক্তরা অধরা। বিজেপি (BJP News) সূত্রে খবর থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

    ঘটনার সূত্রপাত (BJP News)

    জানা গিয়েছে পশ্চিম বর্ধমান (Paschim bardhaman) জেলার এসসি সেলের সভাপতি ছিলেন অভিষেক রায় (Abhshek Roy) ওরফে রকি। শনিবার তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে (BJP News) যোগদান করেন তিনি। এর পরেই তাঁকে হুমকি দেওয়া শুরু হয়। এখানেই থেমে থাকেনি তৃণমূল বাহিনী। দলবল নিয়ে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতিরা রকি সহ অন্যান্য বিজেপি কর্মীদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে। দুপক্ষের হাতাহাতি সংঘর্ষে পরিণত হয়। রণক্ষেত্রে মত পরিস্থিতির জেরে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। মুহুর্মুহু ইট বৃষ্টিতে আহত হয় বিজেপির বেশ কয়েকজন কর্মী। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়। এলাকায় পুলিশ আসে । দায়ের হয় অভিযোগ।এর পর রবিবার রাতে ফের বোমাবাজিতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ওই এলাকা। বিজেপি কর্মীদের কোণঠাসা করার লক্ষ্যে অভিষেক রায়ের বাড়িতে দফায় দফায় চলে বোমাবাজি।

    আক্রান্ত নেতার বক্তব্য

    বিজেপিতে (BJP News) যোগদান করার পর অভিষেক রায় অভিযোগের সুরে বলেন, ” রাতে দিকে কাজ থেকে ফিরে আমি যখন বাড়ির মধ্যে বাইক রাখতে যাচ্ছি দেখি আমাকে লক্ষ্য করে ৩টি বোম ছোড়া হয়। আমি বোমা ছোড়ার দৃশ্য দেখে ঘরে ভেতরে ঢুকে যাই। তখনই দুটি বোম ফাটে। বিকট শব্দ হওয়ায় পাড়ার লোক বেরিয়ে আসেন। কালো ধোঁয়ায় ঢেকে যায় গোটা এলাকা। আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। একটি বোম ফাটে নি।” তৃণমূল নেতা বান্টি সিংহের নেতৃত্বে এই কাজ হয়েছে বলেও অভিযোগ রকির।

    আরও পড়ুনঃ কসবায় বিজেপির মহিলা মণ্ডল সভাপতিকে আক্রমণের ঘটনায় গ্রেফতার ২ অভিযুক্ত

    পুলিশের পদক্ষেপ

    পুলিশ পৌঁছে একটি বোম উদ্ধার করে নিয়ে যায়। দোষীদের চিহ্নিত করে শাস্তি দেওয়ারও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে বলে জানান তিনি। যদিও জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের বক্তব্য,”বিজেপির (BJP News) গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব বেড়েছে। আদি আর নব্য বিজেপিদের মধ্যে এই ঝামেলা। আর নিজেদের দোষ ঢাকতে তৃণমূলকে দোষারোপ করা হচ্ছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sandeshkhali Violence: সন্দেশখালি মামলার শুনানি মুলতুবি, তবে চলবে তদন্ত, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    Sandeshkhali Violence: সন্দেশখালি মামলার শুনানি মুলতুবি, তবে চলবে তদন্ত, সাফ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টে মুলতুবি হয়ে গেল সন্দেশখালি (Sandeshkhali Violence) মামলার শুনানি। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে গ্রীষ্মাবকাশের পর, জুলাই মাসে। সন্দেশখালিকাণ্ডে সিবিআই তদন্তের বিরোধিতা করে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল রাজ্য সরকার। সেই মামলাই আপাতত মুলতুবি রইল। হাইকোর্টের রায়েও হস্তক্ষেপ করেনি শীর্ষ আদালত।

    কী বলছে আদালত? (Sandeshkhali Violence)

    বিচারপতি বিআর গাভাই ও বিচারপতি সন্দীপ মেহতার ডিভিশন বেঞ্চের মন্তব্য, এই মামলায় মহিলাদের ওপর নির্যাতন, জমি কেড়ে নেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ অভিযোগ রয়েছে। তার পরেই জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত এই মামলার শুনানি মুলতুবি রাখার কথা জানায় সুপ্রিম কোর্টের ডিভিশন বেঞ্চ। আদালত (Sandeshkhali Violence) এও জানিয়েছে, মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন রয়েছে বলে তদন্ত প্রক্রিয়া ব্যাহত করা যাবে না। তা যেমন চলছিল, চলবে। হাইকোর্টে চলা মামলায় কোনও বাধা দেওয়া যাবে না বলেও সাফ জানিয়ে দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতের ডিভিশন বেঞ্চের পর্যবেক্ষণ, সন্দেশখালি মামলায় নারী নির্যাতন থেকে শুরু করে জমি জবরদখল করার মতো গুরুতর অভিযোগ রয়েছে। তাই কোনওভাবেই এর বিচারপ্রক্রিয়া ব্যাহত করা যাবে না।

    শাহজাহানের বিরুদ্ধে অভিযোগ

    সন্দেশখালির তৎকালীন তৃণমূল নেতা শেখ শাহজাহান ও তার শাগরেদদের বিরুদ্ধে জমি দখল এবং নারী নির্যাতনের একরাশ অভিযোগ দায়ের হয়েছিল পুলিশের কাছে। সন্দেশখালিকাণ্ডের পর পঞ্চান্ন দিনের মাথায় মিনাখাঁ থেকে গ্রেফতার করা হয় শাহজাহানকে। সিবিআই এবং ইডি হেফাজতে দিন কতক কাটিয়ে শাহজাহান আপাতত গারদে। শিবু হাজরা-সহ শাহজাহানের কয়েকজন স্যাঙাৎও গ্রেফতার হয়েছে। সন্দেশখালি নিয়ে বেশ কয়েকটি মামলা চলছে কলকাতা হাইকোর্টে।

    আরও পড়ুুন: “করসেবকদের গুলি করেছিল কারা? রাম মন্দিরই বা গড়ল কে?”, প্রশ্ন শাহের

    সম্প্রতি তারই একটি মামলার শুনানিতে সিবিআইকে সিট গঠনের নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানমের ডিভিশন বেঞ্চ সন্দেশখালি নিয়ে একটি ইমেল আইডি চালু করার নির্দেশও দেয়। সেখানেই জমা হতে থাকে অভিযোগের পাহাড়। নারী নির্যাতনের পাশাপাশি নানা বিষয়ে অভিযোগ জানানো হয়েছে সিবিআইকে। সন্দেশখালিকাণ্ডের তদন্তভার নেওয়ার পর বেশ কয়েকবার সেখানে গিয়েছেন সিবিআইয়ের তদন্তকারী আধিকারিকরা। হাইকোর্টের এই সিবিআই তদন্তের বিরোধিতা করেই শুক্রবার শীর্ষ আদালতে গিয়েছিল রাজ্য সরকার। সেই মামলার শুনানিই মুলতুবি রাখল শীর্ষ আদালত (Sandeshkhali Violence)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Amit Shah: “করসেবকদের গুলি করেছিল কারা? রাম মন্দিরই বা গড়ল কে?”, প্রশ্ন শাহের

    Amit Shah: “করসেবকদের গুলি করেছিল কারা? রাম মন্দিরই বা গড়ল কে?”, প্রশ্ন শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাম মন্দির ইস্যু কারা ঝুলিয়ে রেখেছিল বছরের পর বছর? করসেবকদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছিল কারা? রাম মন্দিরই বা নির্মাণ করল কারা?” রবিবার উত্তরপ্রদেশে বিজেপির এক নির্বাচনী জনসভায় প্রশ্নগুলি ছুড়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন এটা-কাশগঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের পদ্ম-প্রার্থী রাজবীর সিংহের সমর্থনে সভা করেছিলেন শাহ। সেখানেই বিরোধীদের নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সেনাপতি।

    করসেবকদের কারা গুলি করেছিল? (Amit Shah)

    রাম মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন অনুষ্ঠানে বিরোধীরা যোগ না দেওয়ায়ও তাঁদের কটাক্ষ করেন শাহ। বলেন, “অযোধ্যার রাম মন্দিরে বিগ্রহের প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে যাঁরা যোগ দেননি, তাঁরা ভালো করেই জানেন যে তাঁরা করসেবকদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল।” তিনি (Amit Shah) বলেন, “দু’টি দলের মধ্যে থেকে একটি গ্রুপকে পছন্দ করতে হবে আপনাদের। একটি গ্রুপ রাম ভক্তদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল আর অন্য দলটি রাম মন্দির নির্মাণ করেছিল।” শাহ বলেন, “কংগ্রেস, রাহুল বাবা এবং অখিলেশ যাদবের পার্টি সত্তর বছরেরও বেশি সময় ধরে রাম মন্দির ইস্যু ঝুলিয়ে রেখেছিল। আপনারা যখন মোদিজিকে দ্বিতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে বসালেন, তখন তিনি ২২ জানুয়ারি জয় শ্রীরামের প্রাণপ্রতিষ্ঠা করলেন।”

    শাহের নিশানায় রাহুল

    বিরোধীদের নিশানা করে বিদায়ী মন্ত্রিসভার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর পিছড়েবর্গদের যে অধিকার দিয়েছিলেন, দীর্ঘদিনের শাসনকালে তা উপেক্ষা করেছিলেন বিরোধীরা।” এদিন শাহের নিশানায় চলে আসেন রাহুল গান্ধি স্বয়ং। তিনি বলেন, “রাহুল গান্ধি বলছেন যদি বিজেপি চারশো আসন পেয়ে ক্ষমতায় আসেন, তাহলে তারা সংরক্ষণ তুলে দেবে। আমি আপনাদের বলতে চাই যে, পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দুটো টার্মে প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি, তার পরেও সংরক্ষণ তুলে দেওয়া হয়নি। কারণ নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং সংরক্ষণের পক্ষে।” তিনি বলেন, “আমি আপনাদের বলতে চাই যে মোদির গ্যারেন্টিই হল বিজেপি তপশিলি জাতি-উপজাতি এবং ওবিসিদের সংরক্ষণ তুলে দেবে না, আর কাউকে তা করতেও দেবে না।” নিখরচায় রেশন সামগ্রী ২০২৯ সাল পর্যন্ত মিলবে বলেও জানান শাহ (Amit Shah)।

    আরও পড়ুুন: হিন্দুত্ব-বিরোধী রাজনীতিই কাল হয়েছে কংগ্রেসের! অস্তিত্বের সঙ্কটে গান্ধিদের দল

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Amit Shah: “করসেবকদের গুলি করেছিল কারা? রাম মন্দিরই বা গড়ল কে?”, প্রশ্ন শাহের

    Amit Shah: “করসেবকদের গুলি করেছিল কারা? রাম মন্দিরই বা গড়ল কে?”, প্রশ্ন শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাম মন্দির ইস্যু কারা ঝুলিয়ে রেখেছিল বছরের পর বছর? করসেবকদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়েছিল কারা? রাম মন্দিরই বা নির্মাণ করল কারা?” রবিবার উত্তরপ্রদেশে বিজেপির এক নির্বাচনী জনসভায় প্রশ্নগুলি ছুড়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। এদিন এটা-কাশগঞ্জ লোকসভা কেন্দ্রের পদ্ম-প্রার্থী রাজবীর সিংহের সমর্থনে সভা করেছিলেন শাহ। সেখানেই বিরোধীদের নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সেনাপতি।

    করসেবকদের কারা গুলি করেছিল? (Amit Shah)

    রাম মন্দিরের দ্বারোদ্ঘাটন অনুষ্ঠানে বিরোধীরা যোগ না দেওয়ায়ও তাঁদের কটাক্ষ করেন শাহ। বলেন, “অযোধ্যার রাম মন্দিরে বিগ্রহের প্রাণপ্রতিষ্ঠার অনুষ্ঠানে যাঁরা যোগ দেননি, তাঁরা ভালো করেই জানেন যে তাঁরা করসেবকদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল।” তিনি (Amit Shah) বলেন, “দু’টি দলের মধ্যে থেকে একটি গ্রুপকে পছন্দ করতে হবে আপনাদের। একটি গ্রুপ রাম ভক্তদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল আর অন্য দলটি রাম মন্দির নির্মাণ করেছিল।” শাহ বলেন, “কংগ্রেস, রাহুল বাবা এবং অখিলেশ যাদবের পার্টি সত্তর বছরেরও বেশি সময় ধরে রাম মন্দির ইস্যু ঝুলিয়ে রেখেছিল। আপনারা যখন মোদিজিকে দ্বিতীয়বারের জন্য প্রধানমন্ত্রী পদে বসালেন, তখন তিনি ২২ জানুয়ারি জয় শ্রীরামের প্রাণপ্রতিষ্ঠা করলেন।”

    শাহের নিশানায় রাহুল

    বিরোধীদের নিশানা করে বিদায়ী মন্ত্রিসভার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “নরেন্দ্র মোদি প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর পিছড়েবর্গদের যে অধিকার দিয়েছিলেন, দীর্ঘদিনের শাসনকালে তা উপেক্ষা করেছিলেন বিরোধীরা।” এদিন শাহের নিশানায় চলে আসেন রাহুল গান্ধি স্বয়ং। তিনি বলেন, “রাহুল গান্ধি বলছেন যদি বিজেপি চারশো আসন পেয়ে ক্ষমতায় আসেন, তাহলে তারা সংরক্ষণ তুলে দেবে। আমি আপনাদের বলতে চাই যে, পূর্ণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে দুটো টার্মে প্রধানমন্ত্রী রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি, তার পরেও সংরক্ষণ তুলে দেওয়া হয়নি। কারণ নরেন্দ্র মোদি স্বয়ং সংরক্ষণের পক্ষে।” তিনি বলেন, “আমি আপনাদের বলতে চাই যে মোদির গ্যারেন্টিই হল বিজেপি তপশিলি জাতি-উপজাতি এবং ওবিসিদের সংরক্ষণ তুলে দেবে না, আর কাউকে তা করতেও দেবে না।” নিখরচায় রেশন সামগ্রী ২০২৯ সাল পর্যন্ত মিলবে বলেও জানান শাহ (Amit Shah)।

    আরও পড়ুুন: হিন্দুত্ব-বিরোধী রাজনীতিই কাল হয়েছে কংগ্রেসের! অস্তিত্বের সঙ্কটে গান্ধিদের দল

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • Lok sabha Vote 2024: কসবায় বিজেপির মহিলা মণ্ডল সভাপতির উপর হামলা, গ্রেফতার আসরাফ সহ ২

    Lok sabha Vote 2024: কসবায় বিজেপির মহিলা মণ্ডল সভাপতির উপর হামলা, গ্রেফতার আসরাফ সহ ২

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার বিজেপির ওপর হামলার ঘটনায় পুলিশের জালে দুই অভিযুক্ত। কসবায় (Kasba Incident) বিজেপির মহিলা মণ্ডল সভাপতির উপর হামলার ঘটনায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করল কলকাতা পুলিশ। পুলিশ (kolkata police) সূত্রে খবর, দুজনকেই সোমবার আদালতে তোলা হবে। সম্প্রতি ভোট প্রচারে (Lok sabha Vote 2024) বেরিয়ে কসবা বিধানসভা এলাকার আনন্দপুরে আক্রান্ত হন বিজেপি নেত্রী (BJP leader) সরস্বতী সরকার। ঘটনার পরেই আনন্দপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন আক্রান্ত বিজেপি নেত্রী। এরপরেই এই ঘটনায় দুই অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে পুলিশ। ঘটনায় নিজের এক্স হ্যান্ডলে তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    ঠিক কী ঘটেছিল (Lok sabha Vote 2024)?

    শনিবার রাতে কয়েক জন বিজেপি কর্মীকে নিয়ে আরবান কমপ্লেক্সের কাছে পূর্বপাড়ায় দক্ষিণ কলকাতা লোকসভা (Lok sabha Vote 2024) কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী দেবশ্রী চৌধুরীর সমর্থনে পোস্টার লাগাচ্ছিলেন তিনি। অভিযোগ, তখনই আচমকা তৃণমূলের লোকজন তাঁদের উপর চড়াও হয়। ছিঁড়ে দেওয়া হয় তাঁদের পোস্টার, ব্যানার। তৃণমূলের (TMC) দুষ্কৃতীদের বাধা দেওয়া হলে ধারালো অস্ত্র দিয়ে সরস্বতী সরকারকে কোপানো (Kasba Incident) হয়।গ্রেফতার হওয়া দুই অভিযুক্তর নাম গৌর হরি গায়েন ও আসরাফ মোল্লা ওরফে ভুতো। দুজনের বিরুদ্ধেই এফআইআরে বিজেপির (BJP) নেত্রীর উপর হামলার অভিযোগ করা হয়েছিল।

    বিজেপির দক্ষিণ কলকাতা জেলা সভাপতির বক্তব্য

    এপ্রসঙ্গে বিজেপির দক্ষিণ কলকাতা (South Kolkata) জেলা সভাপতি অনুপম বলেছিলেন, ‘‘দক্ষিণ কলকাতা তৃণমূলের গড় হলেও এ বারের ভোটে সেই গড় নড়ে যাবে। আমাদের প্রার্থী এবং কর্মীরা ভোটপ্রচারে (Lok sabha Vote 2024) নেমে যে ভাবে সাড়া পাচ্ছেন, তাতে ভয় পেয়ে গিয়েছে তৃণমূল। সেই ভয় থেকেই আমাদের মণ্ডল সভাপতি ও কর্মীদের ওপর হামলা (Kasba Incident) চালিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।’’

    আরও পড়ুনঃ হিন্দুত্ব-বিরোধী রাজনীতিই কাল হয়েছে কংগ্রেসের! অস্তিত্বের সঙ্কটে গান্ধিদের দল

    ঘটনার প্রতিবাদে ধর্না

    এই ঘটনায় আনন্দপুর পুলিশ স্টেশনের সামনে ধর্নায় বসেন দক্ষিণ কলকাতার বিজেপি প্রার্থী (Lok sabha Vote 2024) দেবশ্রী চৌধুরী। তাঁর দাবি, জামিন যোগ্য ধারায় মামলা করে পুলিশ হামলাকারীদের বাঁচানোর চেষ্টা করছে। এই বিষয়ে পুলিশকে মদত দিচ্ছেন স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর সুশান্ত ঘোষ। অবিলম্বে হামলাকারীদের বিরুদ্ধে জামিন অযোগ্য ধারার মামলা করার দাবিও জানিয়েছেন দেবশ্রী। যতক্ষণ না তা করা হবে ততক্ষণ ধর্না (Kasba Incident) চলবে বলেও স্পষ্ট জানিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী।

    অন্যদিকে শনিবার রাতেই আক্রান্ত বিজেপি নেত্রীর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন কেন্দ্রীয় শিশু ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী স্মৃতি ইরানি। একই সঙ্গে, তাঁর যাবতীয় খোঁজ খবরও নিয়েছেন মন্ত্রী৷ বেশ কিছুক্ষণ তাঁদের মধ্যে কথা হয় বলেও জানা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Congress: হিন্দুত্ব-বিরোধী রাজনীতিই কাল হয়েছে কংগ্রেসের! অস্তিত্বের সঙ্কটে গান্ধীদের দল

    Congress: হিন্দুত্ব-বিরোধী রাজনীতিই কাল হয়েছে কংগ্রেসের! অস্তিত্বের সঙ্কটে গান্ধীদের দল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের নেতা বদলেছে। তবে ‘চরিত্র’ বদলায়নি। তাই অস্তিত্বের সঙ্কটে ভুগছে ‘ইন্ডি’ জোটের সব চেয়ে বড় দল কংগ্রেস (Congress)। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, হিন্দু বিরোধী রাজনীতি করতে গিয়েই সর্বস্ব খুইয়ে অস্তিত্বের সঙ্কটে ভুগছে সোনিয়া গান্ধী-মল্লিকার্জুন খাড়্গের দল। পরিস্থিতি এমনই দাঁড়িয়েছে যে, চলতি লোকসভা নির্বাচনে কেবল কংগ্রেস নয়, বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএর কাছে গোহারা হারতে চলেছে ‘ইন্ডিয়া’ ব্লক। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে পরাস্ত হওয়ার পর বিধানসভা নির্বাচনে হাতছাড়া হয়েছে মধ্যপ্রদেশ, রাজস্থান ও ছত্তিশগড়ের রাশ। তার পরেও দিব্যি তুষ্টিকরণের রাজনীতি করে চলেছে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি। রাজনৈতিক মহলের সিংহভাগের মতে, তার জেরেই সর্বনাশ হয়ে গিয়েছে ইন্দিরা গান্ধির দলের।

    চিন্তন শিবিরের দাবি (Congress)

    দলের হাল ফেরাতে ২০২২ সালের মে মাসে রাজস্থানে দু’দিনের চিন্তন শিবিরের আয়োজন করা হয়েছিল। সেখানে যোগ দিয়েছিলেন বিভিন্ন রাজ্যের কংগ্রেস (Congress) নেতারা। এই চিন্তন শিবিরের দ্বিতীয় দিনে উত্তরের নেতারা যা বলেছিলেন, তার নির্যাস হিন্দুত্বের লাইনে না ফিরলে দলের সমূহ বিপদ। উত্তরের এই প্রতিনিধিরা বলেছিলেন, কংগ্রেস নেতাদের উচিত ‘দহি হান্ডি’ প্রতিযোগিতার আয়োজন করা, বিভিন্ন রাজ্য এবং জেলা কংগ্রেস কমিটির দফতরে গণেশ মূর্তি স্থাপন করা এবং অবশ্যই নবদুর্গা উৎসবের আয়োজন করা। উত্তরের নেতাদের দমিয়ে দিয়েছিলেন জয়রাম রমেশের মতো কংগ্রেসের দক্ষিণী নেতারা। তাঁরা সাফ বলেছিলেন, ধর্মের সঙ্গে রাজনীতিকে গুলিয়ে ফেলা ঠিক হবে না। বিজেপি লাইন (হিন্দুত্বের লাইন) থেকে সরে আসাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে বলেও চিন্তন শিবিরে জানিয়েছিলেন এক প্রবীণ নেতা। কংগ্রেসের দক্ষিণী নেতারা নন, উত্তরের নেতারাই যে ঠিক বলেছিলেন, কংগ্রেসের ভোট ম্যানেজাররা তা টের পান রাজস্থান-সহ তিন রাজ্যে ক্ষমতা হারানোর পর। তবে সরাসরি হিন্দুত্বের লাইনে না গিয়ে কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী দেশের বিভিন্ন মন্দির দর্শনে গিয়েছিলেন, ভারসাম্য বজায় রাখতে যোগ দিয়েছেন মুসলমানদের ইফতার পার্টিতেও।

    পার্টি লাইন নিয়ে দ্বন্দ্ব হয়েছে অতীতেও

    এই পার্টি লাইন নিয়ে অতীতে মহাত্মা গান্ধীর সঙ্গে মতদ্বৈততা প্রকাশ্যে এসেছিল তাঁরই শিষ্য জওহরলাল নেহরুরও। গান্ধি প্রায়ই বলতেন, “ধর্ম হল ধর্মনিরপেক্ষতার অবিচ্ছদ্য অঙ্গ। ধর্মহীন রাজনীতি আদতে ধুলো।” ওয়াকিবহালের মতে, এই সত্যটাই বুঝতে চাননি নেহরু। তারই মাশুল গুণছে দল। এক সময় যে দল রাজ করত দেশের সিংহভাগ রাজ্যে, এখন সেই দলটি পরিণত হতে চলেছে আঞ্চলিক দলে।

    কংগ্রেসের (Congress) এই দুর্দিন ঘুচবে কি?

    আরও পড়ুুন: “ওয়েনাড়ে জিততে কংগ্রেস নিষিদ্ধ পিএফআইয়ের সাহায্য নিচ্ছে”, তোপ মোদির

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share