Tag: Bengali news

Bengali news

  • Oldest Voter: লোকসভা ভোটে বিরল, জয়নগর কেন্দ্রে ১১৪ বছরের প্রবীণতম ভোটার

    Oldest Voter: লোকসভা ভোটে বিরল, জয়নগর কেন্দ্রে ১১৪ বছরের প্রবীণতম ভোটার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরল ইতিহাস গড়ল সুন্দরবন (sundarban)। এখানে এক প্রবীণতম ভোটারের বয়স ১১৪ বছর। আগামী ১ জুন অষ্টাদশ লোকসভা নির্বাচনে (Loksabha Election 2024) নিজের ভোটাধিকার নিজেই প্রয়োগ করবেন এই প্রবীণ বৃদ্ধা হাজারী সরদার। বর্তমানে জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রের বয়স্কতম ভোটার (Oldest Voter ) তিনি। তাঁকে ঘিরে গণতান্ত্রিক উৎসবে ব্যাপক উচ্ছ্বাস।

    মোট ১৭ বার লোকসভা ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন (Oldest Voter)

    ১১৪ বছর বয়স্কা বৃদ্ধা হাজারীদেবীর (Oldest Voter ) কথা জানতে পেরেই তাঁর বিধানপল্লির বাড়িতে হাজির হয়েছিলেন বাসন্তীর বিডিও (BDO) সঞ্জীব সরকার। তিনি বৃদ্ধাকে পুষ্পস্তবক দিয়ে শুভেচ্ছা জানান। দীর্ঘায়ুও কামনা করেন। বয়স শুনে বোঝাই যাচ্ছে হাজারীদেবী পুরাতন আমলের মানুষ। দেশকে স্বাধীন হতে দেখেছেন তিনি। তার আগে দেখেছেন দেশে ইংরেজদের রাজত্বও। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাজারীদেবীর জীবন দশায় মোট ১০ বার পঞ্চায়েত নির্বাচন, ১৭ বার বিধানসভা নির্বাচন এবং ১৭ বার লোকসভা নির্বাচনে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। এবার ১ জুন, ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনেও ১৮ বারের জন্য নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন তিনি।

    হাজারীদেবীর জন্ম ১৯১০ সালে

    বাসন্তী ব্লকের ঝড়খালি কোস্টাল থানার বিধানপল্লীর বাসিন্দা শতায়ু এই বৃদ্ধার (Oldest Voter ) জন্ম ১৯১০ সালে পরাধীন ভারতে। স্বামী বল্লভ সরদার অনেক আগেই প্রয়াত হয়েছেন। বৃদ্ধার এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছে। বাসন্তী পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি প্রিয়াঙ্কা মণ্ডল বলেছেন, “হাজারীদেবী ইংরেজ শাসন দেখেছেন। দেশকে স্বাধীন হতে দেখেছেন। তিনি সমস্ত নির্বাচনে তাঁর ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন। যা এক বিরল ঘটনা।”

    আরও পড়ুনঃ নিশীথের সভামঞ্চ ভাঙচুর করে পুড়িয়ে দিল তৃণমূল, সরব বিজেপি

    জয়নগর কেন্দ্রে মোট ভোটার ১৫ লক্ষ

    আবার বাসন্তীর বিধায়ক শ্যামল মণ্ডল বলেন, “আমার বিধানসভা এলাকায় ১১৪ বছর বয়স্কা এক বৃদ্ধা ভোটার (Oldest Voter ) রয়েছেন। এটা আমার গর্ব। এবার লোকসভা নির্বাচনেও তিনি তাঁর ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে চলেছেন।” উল্লেখ্য গোসাবা, বাসন্তী, কুলতলি, ক্যানিং পূর্ব, ক্যানিং পশ্চিম, জয়নগর ও মগরাহাট পূর্ব বিধানসভা নিয়ে জয়নগর লোকসভা কেন্দ্র। এই কেন্দ্রে মোট ভোটার সংখ্যা প্রায় ১৫ লক্ষ। এর মধ্যে বাসন্তী বিধানসভা এলাকায় মোট ভোটার সংখ্যা তিন লক্ষের বেশি। তার মধ্যেই জয়নগর লোকসভা কেন্দ্রের বয়স্কতম ভোটার হলেন (voter) হাজারী সর্দার। তিনি একই ভাবে পশ্চিমবঙ্গের সব থেকে প্রবীণতম ভোটার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Cooch Behar: নিশীথের সভামঞ্চ ভাঙচুর করে পুড়িয়ে দিল তৃণমূল, সরব বিজেপি

    Cooch Behar: নিশীথের সভামঞ্চ ভাঙচুর করে পুড়িয়ে দিল তৃণমূল, সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই কোচবিহারে (Cooch Behar) এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ঝড় তুলে দিয়েছেন। এই জেলায় তৃণমূল ছে়ড়ে বিজেপিতে যোগদান পর্ব লেগেই রয়েছে। প্রচারেও অনেকটাই এগিয়ে দলীয় প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক। এমনই দাবি গেরুয়া শিবিরের। এই আবহের মধ্যে এবার কোচবিহারের বিজেপি প্রার্থী তথা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের সভার আগে মঞ্চ ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। ভোটের আগে এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক চাঞ্চল্য তৈরি হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Cooch Behar)

    সোমবার কোচবিহারের (Cooch Behar) দিনহাটা-২ ব্লকের কিসামঠ গ্রাম পঞ্চায়েতের খেরবাড়ি হাট এলাকায় বিজেপি প্রার্থী নিশীথের সভার প্রস্তুতি চলছিল। এলাকার উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠে ওই সভামঞ্চ তৈরি করা হয়। সোমবার বিকালে সেখানে সভা করার কথা ছিল। মিটিং শুরু হওয়ার আগেই মঞ্চে ভাঙচুর চালিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। পরে, সেখানে আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। পরে, বিজেপি নেতৃত্ব সভাস্থলে এসে বিষয়টি জানতে পারেন। পরে, থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। পরে, নতুন করে মঞ্চ করে বিজেপি নেতৃত্ব সেখানে সভাও করে।

    আরও পড়ুন: ভোটে মূল প্রতিপক্ষ পুলিশ! নিয়ন্ত্রণের আর্জি শুভেন্দুর, পুলিশ পর্যবেক্ষকের দ্বারস্থ বিজেপি

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    বিজেপির জেলা সাধারণ সম্পাদক অজয় রায় বলেন,  “আমাদের এলাকায় বহু তৃণমূল কর্মী বিজেপিতে যোগদান করেছে। তাতেই ভয় পেয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের লোকেরা রাতের অন্ধকারে মঞ্চ ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। এসব করে কোনও লাভ হবে না। মানুষ বিজেপি-র পক্ষে রয়েছে।” তৃণমূলের দিনহাটা-২ ব্লকের ব্লক সভাপতি দীপককুমার ভট্টাচার্য বলেন, “বিজেপির সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন। এই ঘটনার সঙ্গে তৃণমূলের কোনও যোগ নেই। আসলে বিজেপি প্রার্থী বুঝে গিয়েছেন যে, এই নির্বাচনে তিনি হেরে যাচ্ছেন। তাই নিজেদের অনুষ্ঠানের মঞ্চে নিজেরাই আগুন ধরিয়ে দিয়ে তৃণমূলের ঘাড়ে দোষ চাপানোর চেষ্টা করছেন ওঁরা। এ ভাবে মানুষের সহানুভূতি পাওয়ার চেষ্টা করছেন। তবে, মানুষ সবই জানে। এ সব মিথ্যা অভিযোগ করে কোনও লাভ হবে না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: ভোটের মুখে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ, প্রকাশ্যে চলল গুলি, গুলিবিদ্ধ ৪

    Murshidabad: ভোটের মুখে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ, প্রকাশ্যে চলল গুলি, গুলিবিদ্ধ ৪

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের মুখে জমি নিয়ে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ। আর তার জেরেই গ্রামের মধ্যে প্রকাশ্যেই চলল গুলি। ধারালো অস্ত্র নিয়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ঘটে। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) খড়গ্রামে সাদল গ্রামে। সংঘর্ষে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন সমিরুল শেখ এবং মন্তাজ শেখ সহ নামে মোট চারজন। মারামারি করে আহত হলেন আরও সাত জন। জেলা পুলিশ সুপার সূর্যপ্রতাপ যাদব বলেন, জমি সংক্রান্ত বিবাদের জেরেই ওই ঘটনা। ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Murshidabad)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, একটি জমির দখলদারিকে কেন্দ্র করে দীর্ঘ দিন ধরে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) খড়গ্রাম থানার সাদল গ্রামে তৃণমূলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ চলছিল। সোমবার বিকেলে নদীর চরে মাটি কাটাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। সেখানে লাটু শেখ, আবুল শেখ, সারুল শেখ এবং কবীর শেখ আগ্নেয়াস্ত্র বার করে শূন্যে গুলি চালাতে শুরু করেন বলে অভিযোগ। এরপরই পাল্টা হামলার চেষ্টা করে তৃণমূলের অন্য পক্ষ। তখন ওই পক্ষের দিকে গুলি ছোড়া হয়। তাতে চার জন জখম হন। পাশাপাশি অস্ত্র নিয়ে একে অপরকে আক্রমণ করা হলে দুই পক্ষের আরও কয়েক জন জখম হন। তাঁদের আরও দাবি, গোলাগুলি থেকে নিজেদের বাঁচাতে দু’জন স্থানীয় মসজিদে আশ্রয় নেন। সেখানেও তাঁদের উপরের আক্রমণ চালানো হয়। পুলিশ পৌঁছে মসজিদের ভিতর থেকে তাঁদের উদ্ধার করেছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতাদের বক্তব্য, জমি সংক্রান্ত বিবাদে এই অশান্তি হয়েছে।। সঙ্গে রাজনীতির কোনও যোগ নেই। ইতিমধ্যে এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: ভোটে মূল প্রতিপক্ষ পুলিশ! নিয়ন্ত্রণের আর্জি শুভেন্দুর, পুলিশ পর্যবেক্ষকের দ্বারস্থ বিজেপি

     ১৮ রাউন্ড গুলি চলে!

    গুলিবিদ্ধ তৃণমূল কর্মী সামিরুল শেখ বলেন, “স্থানীয় নদী বাঁধে অবৈধ ভাবে মাটি কাটা শুরু করে এলাকার দুষ্কৃতীরা। গ্রামের সবাই মিলে প্রতিরোধ করতে গেলে আমাদের ঘিরে ধরে গুলি চালায়। বাঁশ, লোহার রড ও হাঁসুয়া দিয়ে আক্রমণ করা হয় আমাদের। প্রায় ১৮ রাউন্ড গুলি চালায়। মোট চারজন গুলিবিদ্ধ হয়েছি। বেশ কয়েক জন জখম হয়েছে। আমরা তৃণমূল দল করি, ওরাও তৃণমূলের কর্মী এবং সমর্থক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: “কংগ্রেস গরিবদের উপোসে রেখে জঙ্গিদের খাওয়াত বিরিয়ানি”, তোপ যোগীর

    Lok Sabha Elections 2024: “কংগ্রেস গরিবদের উপোসে রেখে জঙ্গিদের খাওয়াত বিরিয়ানি”, তোপ যোগীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কংগ্রেস গরিবদের উপোস করিয়ে রাখত, আর জঙ্গিদের খাওয়াত বিরিয়ানি।” লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Elections 2024) প্রচারে বেরিয়ে কংগ্রেসকে এই ভাষায়ই আক্রমণ শানালেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা যোগী আদিত্যনাথ।

    ‘জঙ্গিদের বিরিয়ানি খাওয়াত’ (Lok Sabha Elections 2024)

    দ্য গার্ডিয়ানের একটি রিপোর্টের কথা তুলে ধরে উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “একদিকে গার্ডিয়ানের রিপোর্ট দেখুন, যেখানে বলা হচ্ছে, পাকিস্তানে ঢুকে জঙ্গিদের বেছে বেছে নিকেশ করা হচ্ছে। অন্যদিকে কংগ্রেস তাদের সরকারের আমলে জঙ্গিদের বিরিয়ানি খাওয়াত।” তার পরেই তিনি বলেন, “কংগ্রেস গরিবদের উপোস করিয়ে রাখত, আর জঙ্গিদের খাওয়াত বিরিয়ানি।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমলে (Lok Sabha Elections 2024) যে ভারত আবার জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসন নিতে যাচ্ছে, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী।

    ‘ভারতের সম্মান বেড়েছে’

    তিনি বলেন, “মোদিজির নেতৃত্বে গোটা বিশ্বের কাছে ভারতের সম্মান বেড়েছে। এখন ভারতে কেউ সন্ত্রাসবাদ, নকশালবাদকে প্রশ্রয় দিতে পারবে না। অন্যদিকে কংগ্রেসের লোকজন চুপচাপ বসে থাকতেন, কিছুই করতে পারতেন না।” আদিত্যনাথ বলেন, “এটাই হল নয়া ভারত। আজকের দিনে যে কোনও ভারতীয় বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে গেলে যোগ্য সম্মান পান। দেশের সীমানা এখন সুরক্ষিত। নকশালবাদ, উগ্রবাদের দিন শেষ হয়েছে।” মোদি জমানায় গত চার বছর ধরে দেশের আশি কোটি মানুষকে যে নিখরচায় রেশন সামগ্রী দেওয়া হচ্ছে, এদিন তারও উল্লেখ করেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। এই পরিষেবা আরও পাঁচ বছর মিলবে বলেও আশ্বাস দেন আদিত্যনাথ।

    আরও পড়ুুন: পদ্মকাননে মাধবীলতা! কে এই মহীয়সী, যাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ খোদ মোদি?

    কংগ্রেসকে নিশানা করতে গিয়ে বিজেপির এই তারকা প্রচারক বলেন, “কংগ্রেস সরকারের আমলে কোনও নীতি ছিল না, নেতা ছিলেন না, সিদ্ধান্তও ছিল না। কিন্তু মোদি সরকারের আমলে দেশে গরিবদের জন্য প্রকল্পের কোনও অভাব নেই।” কংগ্রেসই যে দেশের ‘বড় সমস্যা’ সেকথা মনে করিয়ে দেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী। বলেন, “কংগ্রেসের ডিএনএতে রয়েছে কারফিউ জারি করা।” রাম মন্দিরের প্রসঙ্গ টেনে আদিত্যনাথ বলেন, “কংগ্রেস কোনও কালে অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ করতে পারত না। তারা বলত রামের কোনও অস্তিত্বই নেই। ভরতপুরের পর রয়েছে মথুরা, বৃন্দাবল, গোকুল, বর্ষণা, নন্দগাঁও এবং গোবর্ধন। তার পরেও কংগ্রেস বলছে ভগবান কৃষ্ণ বলে কেউ ছিলেন না। কংগ্রেস আমাদের ইতিহাস এবং ঐতিহ্যকে নিয়েই প্রশ্ন তুলেছে (Lok Sabha Elections 2024)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi News: ‘‘রাম মন্দিরের নির্মাণে কংগ্রেস ক্রুদ্ধ’’, ছত্তিশগড়ের জনসভায় তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi News: ‘‘রাম মন্দিরের নির্মাণে কংগ্রেস ক্রুদ্ধ’’, ছত্তিশগড়ের জনসভায় তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাম মন্দির ইস্যুতে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রীর নরেন্দ্র মোদি (PM Modi News)। ছত্তিশগড়ের জনসভা থেকে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘রাম মন্দিরের নির্মাণে কংগ্রেস ক্রুদ্ধ।’’ প্রধানমন্ত্রী সোমবারই তাঁর ভাষণে বলেন, ‘‘রামনবমী খুব বেশি দূরে নয়। চলতি বছরের রামনবমী এমন সময় অনুষ্ঠিত হচ্ছে যখন রামলালা তাঁবুর বদলে মন্দিরে অধিষ্ঠিত হয়েছেন। ৫০০ বছর পরে আমাদের এই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। তাই খুব স্বাভাবিকভাবেই ছত্তিশগড়ের ননীহালের (ননীহালকে রামচন্দ্রের মামা বাড়ি মানা হয়) সবথেকে বেশি খুশি হওয়ার কথা।’’ গান্ধী পরিবারকে আক্রমণ শানিয়ে প্রধানমন্ত্রীর আরও কটাক্ষ, ‘‘কংগ্রেসের র‌য়াল ফ্যামিলি রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আমন্ত্রণপত্র পর্যন্ত প্রত্যাখ্যান করেছে।’’

    বস্তারের জনসভা

    সোমবারে ছত্তিশগড়ের বস্তারে (PM Modi News) সভা করেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং সেখানে এই কথাগুলি তাঁকে বলতে শোনা যায়। প্রসঙ্গত, বস্তারে ভোট রয়েছে প্রথম দফাতেই। তা হল ১৯ এপ্রিল। প্রধানমন্ত্রী এদিন আরও দাবি করেন, রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বয়কট করাতে এটা প্রমাণিত হচ্ছে যে কংগ্রেস কোন পর্যায়ে তোষণ নীতিতে পৌঁছেছে। কংগ্রেস যে নির্বাচনী ইস্তাহার প্রকাশ করেছে তা বাস্তবিক পক্ষের মুসলিম লিগের ইস্তাহার।’’ প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi News) এদিন আরও দাবি করেন, ‘‘যাঁরা যাঁরা সেদিনকার রাম মন্দিরের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অংশগ্রহণ করেছেন, তাঁদের প্রত্যেককে কংগ্রেস পার্টি থেকে বহিষ্কার করেছে।’’

    দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে হবে

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi News) এদিন কংগ্রেসকে আক্রমণের ঝাঁঝ বাড়িয়ে আরও বলেন, ‘‘কংগ্রেস মনে করত যে তাদের কাছে দেশবাসীকে লুট করা লাইসেন্স রয়েছে। কিন্তু ২০১৪ সালের পর থেকে মোদি সেই লাইসেন্সকে ক্যানসেল করে দিয়েছে। মোদি সেই ক্ষমতা পেয়েছে, তার কারণ মোদিকে সেই লাইসেন্স দিয়েছে দেশের জনগণ।’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘মোদির জন্য ভারতই হল পরিবার। আমি সর্বদাই ব্যস্ত থাকি, আমার দেশকে রক্ষা করার জন্য। আমি যদি বলি যে দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে হবে, তারা তখন বলে যে দুর্নীতিকে বাঁচাতে হবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Elections 2024: পদ্মকাননে মাধবীলতা! কে এই মহীয়সী, যাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ খোদ মোদি?

    Lok Sabha Elections 2024: পদ্মকাননে মাধবীলতা! কে এই মহীয়সী, যাঁর প্রশংসায় পঞ্চমুখ খোদ মোদি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হায়দরাবাদে বিজেপির প্রার্থী কম্পেল্লা মাধবীলতা। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি তাঁর (Lok Sabha Elections 2024) প্রশংসায় পঞ্চমুখ। এই কেন্দ্রে মাধবীলতা যাঁর বিরুদ্ধে লড়ছেন, তিনি আসাদউদ্দিন ওয়াইসি, অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন সুপ্রিমো। একটি টিভি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার দিয়েছিলেন মাধবীলতা। সেটি ভালো লাগে প্রধানমন্ত্রীর। তার পরেই এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “মাধবীলতাজি, আপনার আপ কি আদালত এপিসোড ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠান। আপনি ঠিকঠাক পয়েন্ট ধরেছেন, আবেগ এবং যুক্তি দিয়ে মোকাবিলা করেছেন। আপনার প্রতি আমার শুভেচ্ছা রইল।” বিজেপির এই (Lok Sabha Elections 2024) প্রার্থীকে কেন্দ্রের তরফে দেওয়া হয়েছে ওয়াই প্লাস ক্যাটেগরির নিরাপত্তা।

    ওয়াইসি পরিবারের খাসতালুকে প্রার্থী হতেই চর্চায় (Lok Sabha Elections 2024)

    বছর ঊনপঞ্চাশের মাধবীলতাকে ২ মার্চের আগে কেউ চিনতেন না। কিন্তু ওয়াইসি পরিবারের চার দশকের খাসতালুকে প্রার্থী হতেই চর্চায় উঠে আসেন মাধবীলতা। পাবলিক অ্যাডমিনিস্ট্রেশনে বিএ পাশ করার পর মাস্টার্স করেন পলিটিক্যাল সায়েন্সে। তিন তালাকের পক্ষে ব্যাপক প্রচার করেন তিনি। তিনি উদ্যোগপতিও। এনসিসি ক্যাডেট। প্রোফেশনাল ভারতনাট্যম নৃত্যশিল্পী। গত দু’দশক ধরে সমাজসেবামূলক কাজের সঙ্গেও জড়িত মাধবীলতা। তার জেরেই এবার পদ্ম পার্টির টিকিট-প্রাপ্তি।

    আসাদউদ্দিনকে নিশানা মাধবীলতার

    গত রবিবার এই মাধবীলতাই নিশানা করেন আসাদউদ্দিনকে, দেগে দেন ‘আইএসআইএসের বন্ধু’ বলে। তিনি বলেন, “কে তাঁকে (আসাদউদ্দিনকে) মৃত্যু হুমকি দিচ্ছে? তাঁর বন্ধুত্বের লেভেলটা দেখুন। আইএসআইএসের লোকজনের সঙ্গে তাঁর বন্ধুত্ব রয়েছে। তিনি বলছেন যে, এখানে তাঁর সংগঠন মজবুত, তার পরেও বলছেন তাঁকে খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে!” প্রসঙ্গত, হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয় গ্যাংস্টার মুখতার আনসারির। গ্যাংস্টার থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া আনসারির শেষযাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন আসাদউদ্দিন। আনসারির পরিবারের সঙ্গে দেখাও করেছিলেন। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, আসাদউদ্দিনকে এই খোঁচাই দেন পদ্মবনের মাধবীলতা।

    আরও পড়ুুন: “এই ধরনের রিপোর্ট লেখার সাহস ওসি পেলেন কী করে?”, ভূপতিনগরকাণ্ডে প্রশ্ন আদালতের

    তিন সন্তানের মা মাধবীলতা যখন জানতে পারলেন, তাঁকে বিজেপি প্রার্থী করেছে, তখন খানিকটা বিস্মিতই হয়েছিলেন। মাধবীলতা সুবক্তা। তিনি বলেন, “গত কুড়ি বছর ধরে যে সমাজসেবামূলক কাজ করছি, তার ফল স্বরূপ এই টিকিট। বিজেপি প্রকৃত মানুষ চিনতে ভুল করে না।” বিজেপির এক নেতাও বলছেন, “উনি জনপ্রিয় কার্যকর্তা নন। তাই ওঁকে কেন টিকিট দেওয়া হল, তা স্পষ্ট নয়। তবে হতে পারে উনি মহিলা, হতে পারে উনি সুবক্তা, মুসলিম মহিলাদের নিয়ে কাজ করছেন, সেটাও হতে পারে। অবশ্য দল ওঁর পাশে রয়েছে। আমরা এবার শক্তপোক্ত লড়াই দেব (Lok Sabha Elections 2024)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: “জয় শ্রীরাম বলায় পিটিয়ে খুন”, তৃণমূলকে তোপ দাগলেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার

    Ranaghat: “জয় শ্রীরাম বলায় পিটিয়ে খুন”, তৃণমূলকে তোপ দাগলেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জোরপূর্বক সম্পত্তি হাতিয়ে নিতে এক দম্পতিকে বাড়িতে ঢুকে মারধরের অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। গৃহবধূকে মারধর করে পুড়িয়ে খুন করা হয়। এমনকী তাঁর স্বামীকেও মারধর করা হয়। তাঁকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রানাঘাট হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটেছে রানাঘাট (Ranaghat) থানার পায়রাডাঙা এলাকায়। ঘটনাস্থলে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং প্রশাসনকে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Ranaghat)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, রানাঘাট (Ranaghat) থানার পায়রাডাঙা এলাকায় বেশ কিছুদিন ধরে এই দম্পতির সঙ্গে প্রতিবেশী বেশ কয়েকজন যুবক ও মহিলার মনোমালিন্য চলছিল। পরে পাড়ার ছেলেদের খেলাকে কেন্দ্র করে আবার গন্ডগোল শুরু হয়। অভিযোগ, রবিবার সন্ধ্যায় অঞ্জলি কর্মকারের বাড়িতে চড়াও হয় অভিযুক্তরা। ওই দলে মহিলারাও ছিল। এরপরই বাড়িতে আগুন ধরিয়ে বাড়ি ভাঙচুর চলে। শুরু হ দম্পতিকে বেধড়ক মার। ঘটনার এক প্রত্যক্ষদর্শী বলেন, প্রতিবেশী বলছেন, “প্রথমে ধরে নিয়ে এসে মারে, পালিয়ে গিয়েছিল মহিলাটা। তারপর কাঁথা কম্বল চাপিয়ে গায়ে আগুন ধরিয়ে দেয়। আমরা তো দেখিনি দূরে ছিলাম, আমরা কাছে আসতে আসতেই পালিয়ে যায়।” মৃতার স্বামী সুবল কর্মকারকেও পিছ মোড়া করে বেঁধে রাখার অভিযোগ ওঠে। পুলিশ যতক্ষণে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যায়, মৃত্যু হয় ওই মহিলার। ঘটনায় গুরুতর জখম ওই মহিলার স্বামী সুবল কর্মকার। বর্তমানে রানাঘাট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তিনি। এই ঘটনার তদন্ত শুরু করে ইতিমধ্যেই ওই ঘটনায় যুক্ত তিন জনকে গ্রেফতার করেছে রানাঘাট পুলিশ।

    “জয় শ্রীরাম” বলায় হামলা

    এই ঘটনায় এদিন হাসপাতালে দেখা করতে যান রানাঘাট লোকসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী জগন্নাথ সরকার। তিনি বলেন, আক্রান্ত বিজেপি কর্মী সুবল সরকার ভিক্ষাবৃত্তি করে সংসার চালান। তিনি কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন। “জয় শ্রীরাম” বলাতে তার ওপর এই ধরনের দুষ্কৃতী হামলা। পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাঁর স্ত্রীকে মেরে ফেলা হয়েছে। যারা এই নির্মম অত্যাচার চালালো প্রত্যেকেই তৃণমূলের আশ্রিত দুষ্কৃতী। অভিযুক্তদের  বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে, পুলিশ প্রশাসন যদি অভিযুক্তদের কঠোরতম শাস্তি না দেয় তাহলে বৃহত্তম আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: রানিমাকে দেখতে উপচে পড়ল ভিড়, চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়

    তৃণমূল নেতৃত্ব কী সাফাই দিলেন?

    বিজেপি-র অভিযোগ উড়িয়ে দিয়ে জেলা পরিষদের সদস্য তথা ওই অঞ্চলের তৃণমূল নেতা দীপক বসু বলেন, ওই পরিবার বিজেপির সঙ্গে যুক্ত নয়, ভোটের আগে জগন্নাথ সরকার সস্তার রাজনীতি করছে। মস্তিষ্ক বিকৃত না হলে এই ধরনের মন্তব্য একজন প্রার্থী করতে পারে না। ওই পরিবারের স্বামী স্ত্রী দুজনেই মানসিক ভারসাম্যহীন, আর যে “জয় শ্রীরাম” স্লোগান নিয়ে অভিযোগ তোলা হচ্ছে তা সম্পূর্ণ মিথ্যা অভিযোগ। পুলিশ গতকাল রাতেই কয়েকজনকে গ্রেফতার করেছে। ঘটনার মূল কারণ জানতে তদন্ত করছে পুলিশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bhupatinagar: ভূপতিনগরকাণ্ডে এনআইএ-র ওপর আক্রমণে গ্রেফতারি নেই, চাপে পড়েই কি পুলিশ অফিসার বদল?

    Bhupatinagar: ভূপতিনগরকাণ্ডে এনআইএ-র ওপর আক্রমণে গ্রেফতারি নেই, চাপে পড়েই কি পুলিশ অফিসার বদল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের সংবাদ শিরোনামে ভূপতিনগর বিস্ফোরণকাণ্ড (Bhupatinagar)। সম্প্রতি এই এলাকায় বিস্ফোরণকাণ্ডকে কেন্দ্র করে তুঙ্গে কেন্দ্র-রাজ্য তরজা। আর এরই মধ্যেই ঘটনায় তদন্তকারী অফিসারকে (investigating officer ) বদল করা হল। ভূপতিনগরের সার্কেল ইন্সপেক্টর শ্যামল চক্রবর্তীকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে এই মামলার তদন্তভার। প্রথমে এই মামলায় থানার এক সাব ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার আধিকারিক দায়িত্বে ছিলেন। কিন্তু তাঁকে বদল করে এবার ইন্সপেক্টর পদমর্যাদার আধিকারিকের হাতে দায়িত্ব দেওয়া হল। কিন্তু কেন এই বদল? এনআইএ -র ওপর আক্রমণে গ্রেফতারি নেই, চাপে পড়েই কি পুলিশ অফিসার বদল? এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল পড়েছে।

    গ্রেফতার তৃণমূল নেতা

    প্রসঙ্গত, দেড় বছরের পুরনো এই বিস্ফোরণের মামলায় (Bhupatinagar blast incident) এনআইএ (NIA) অভিযান চালায় এবং দুই তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করলে তা নিয়ে তুলকালাম বাধে রাজ্য রাজনীতিতে। রাজ্যের সীমা ছাড়িয়ে সেই প্রভাব পড়ে দিল্লিতে। ইতিমধ্যে দায়ের হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে মামলা, নির্বাচন কমিশনেও জমা পড়েছে অভিযোগ। গত শনিবার বলাইচরণ মাইতি এবং মনোব্রত জানা নামে দু’জন অভিযুক্ত তৃণমূল নেতাকে গ্রেফতার করেছিল এনআইএ (NIA)। তবে এই অভিযুক্তদের গাড়িতে তুলে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিয়ে যাওয়ার সময় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার গাড়ি ঘিরে ধরে দুষ্কৃতীরা। এরপর তারা অভিযুক্তদের গাড়ি থেকে নামিয়ে দেওয়ার দাবি করতে থাকে। এর পরেই এনআইএ-র ওপর হামলা চালিয়ে গাড়ির কাচ ভেঙে দেওয়া হয়। এতে এক এনআইএ আধিকারিক আহত হন। কিন্তু ঘটনার দুদিন পরেও হামলার ঘটনায় পুলিশ কাউকেই গ্রেফতার করেনি। তাই প্রশাসন চাপে পড়ে এনআইএ-র তল্লাশি অভিযান সংক্রান্ত দুটি মামলায় তদন্তকারী অফিসার (investigating officer) বদল করেছে। নতুন তদন্তকারী অফিসার শ্যামল চক্রবর্তী এই হামলা সংক্রান্ত মামলা দুটির তদন্ত করবেন বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ সন্দেশখালির ছায়া বীরভূমে, বউ সুন্দরী না হলে মিলবে না প্রকল্পের সুবিধা!

    এনআইএকে চিঠি পুলিশের

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, যে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী আধিকারিক আহত হয়েছিলেন, তাঁর মেডিক্যাল রিপোর্ট (medical report) চেয়ে পাঠিয়েছে ভূপতিনগর থানার পুলিশ। হামলার ফলে এনআইএ এবং গ্রেফতার হওয়া তৃণমূল নেতার বাড়ির লোকেরা একে অন্যের বিরুদ্ধে অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ দায়ের করেছেন। আবার আক্রান্ত এনআইএ আধিকারিকদের বিরুদ্ধেই শ্লীলতাহানির অভিযোগ দায়ের করেছে রাজ্য পুলিশ (state police)। যদিও এই অভিযোগ নস্যাৎ করে দিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তবে জেলা পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এনআইএ-এর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উঠেছে, তা নোটিশ (notice) আকারে পাঠানোর প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bomb Threat: বোমা মেরে স্কুল উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি মেইল, নেপথ্যে কারা জানেন?

    Bomb Threat: বোমা মেরে স্কুল উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি মেইল, নেপথ্যে কারা জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতা-সহ রাজ্যের বিভিন্ন স্কুল বোমা মেরে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে এবার এল মেইল (Bomb Threat)। স্কুল কর্তৃপক্ষকে এই হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে। মেইলগুলির সত্যতা খতিয়ে দেখছে পুলিশ। মেইলে লেখা হয়েছে, ‘এই বার্তা সবার জন্য। শ্রেণিকক্ষের বাইরে বোমা রাখা আছে। আগামিকাল সকালে যখন স্কুলে বাচ্চারা থাকবে, তখন বোমাগুলি ফাটবে। আমাদের লক্ষ্য বেশি সংখ্যক মানুষকে রক্তস্রোতে ভাসিয়ে দেওয়া।’ বার্তার শেষে লেখা হয়েছে, ‘ঘটনার নেপথ্যে রয়েছে দুই সন্ত্রাসবাদী চিং ও ডল।’

    হুমকি মেইল (Bomb Threat)

    পুলিশের তরফে অবশ্য এ (Bomb Threat) ব্যাপারে কিছু জানানো হয়নি। তবে ভাইরাল হওয়া এক স্ক্রিনশটে দেখা গিয়েছে, ‘হ্যাপিহটডগ১০১’ নামের মেইল আইডি থেকে ওই হুমকি মেইল পাঠানো হয়েছে। মাধ্যম অবশ্য স্ক্রিনশটটির সত্যতা যাচাই করেনি। তবে কোন কোন স্কুল এই হুমকি মেইল পেয়েছে, তা এখনও পুরোপুরি স্পষ্ট নয়। কলকাতার পাশাপাশি শিলিগুড়ির কয়েকটি স্কুলও, এই হুমকি মেইল পেয়েছে বলে খবর। কলকাতার একটি স্কুলের প্রিন্সিপ্যাল মেইল প্রাপ্তির বিষয়টি স্বীকার করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, বোমা মেরে স্কুলটি উড়িয়ে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

    কড়া নিরাপত্তার মধ্যেই হুমকি মেইল!

    লোকসভার নির্বাচন দোরগোড়ায়। প্রথম দফার নির্বাচন হবে ১৯ এপ্রিল। গোটা দেশের কয়েকটি কেন্দ্রের সঙ্গে সঙ্গে এ রাজ্যেরও তিনটি আসনে ভোটগ্রহণ হবে এদিন। তার জেরে আঁটসাঁট নিরাপত্তার বলয়ে মুড়ে ফেলা হয়েছে গোটা রাজ্য। নিরাপত্তা ব্যবস্থা সুনিশ্চিত করতে বিভিন্ন জায়গায় চলছে নাকা চেকিং। তার মধ্যেই বিভিন্ন স্কুলে পাঠানো হয়েছে হুমকি মেইল।

    আরও পড়ুুন: “এই ধরনের রিপোর্ট লেখার সাহস ওসি পেলেন কী করে?”, ভূপতিনগরকাণ্ডে প্রশ্ন আদালতের

    প্রসঙ্গত, বাংলায় এনআরসি হলে মতুয়াদের ঠাকুরবাড়ি উড়িয়ে দেওয়া হবে বলে এদিনই হুমকি চিঠি পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ, চিঠিটি পাঠিয়েছে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গি সংগঠন লক্সর-ই-তৈবা। সোমবার দুপুর দুটো নাগাদ পোস্টঅফিসের মাধ্যমে তাঁদের কাছে চিঠিটি এসেছে বলে দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের। এ নিয়ে শাসক দল তৃণমূলকে আক্রমণ (Bomb Threat) শানিয়েছেন ঠাকুরবাড়ির এই বিজেপি নেতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Nadia: রানিমাকে দেখতে উপচে পড়ল ভিড়, চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়

    Nadia: রানিমাকে দেখতে উপচে পড়ল ভিড়, চুটিয়ে জনসংযোগ সারলেন বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) তেহট্টে রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের প্রতিষ্ঠিত মন্দিরে পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করলেন কৃষ্ণনগর কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায়। উপস্থিত ছিলেন বিজেপির কৃষ্ণনগর উত্তর সাংগঠনিক জেলার সভাপতি অর্জুন বিশ্বাস। এলাকায় চুটিয়ে প্রচার করেন তিনি। রানিমাকে দেখতে এলাকায় ভিড়ও হয় প্রচুর।

    রানিমা-র সামনে এসে হাতজোড় করে প্রণাম করলেন অনেকেই (Nadia)

    এদিন নদিয়ার (Nadia) তেহট্টের হাউলিয়া মোড়ের সবজি আড়ৎ থেকে শুরু করে একাধিক বাজারে জনসংযোগ যাত্রা করেন অমৃতা রায়। মূলত বাজারের ক্রেতা বিক্রেতারদের সঙ্গে তিনি জনসংযোগ সারেন। রাজা কৃষ্ণচন্দ্রের নদিয়া জেলার ওপর যে অবদান রয়েছে সেই অবদান তিনি তুলে ধরেন। পাশাপাশি রাজ্য সরকারের বিভিন্ন প্রকল্প চুরি করার যে প্রবণতা সেই সম্পর্কে তিনি বলেন, কেন্দ্র সরকারের প্রকল্প চুরি করে নিজেদের নামে চালাচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে তিনি বলেন, রাজা কৃষ্ণচন্দ্র রায়ের এই তেহট্টের অনেক অবদান রয়েছে। এখানে একটি পুরানো মন্দিরও প্রতিষ্ঠা করেছিলেন তিনি। তেহট্টে সেই মন্দির এখন অনেকটাই জাগ্রত। এলাকায় জনসংযোগ করার সময় রানিমাকে সামনে পেয়ে অনেকে হাতজোড় করে প্রণাম জানিয়েছেন। তেহট্টবাসীর ভালোবাসা পেয়ে আপ্লুত হয়েছেন রানিমা।

    আরও পড়ুন: “এই ধরনের রিপোর্ট লেখার সাহস ওসি পেলেন কী করে?”, ভূপতিনগরকাণ্ডে প্রশ্ন আদালতের

    বিজেপির জয় নিশ্চিত

    বিজেপি প্রার্থী অমৃতা রায় বলেন, অন্যান্য এলাকার পাশাপাশি তেহট্টের (Nadia) মানুষের সঙ্গে কথা বলে সাহস অনেকটাই বাড়ল। তার কারণ আমাকে প্রচার করতে দেখে সকলেই উৎসাহের সঙ্গে এসে আমাকে আশীর্বাদ করছেন। তেহটের মানুষের উৎসাহ দেখে বোঝা যাচ্ছে এবার বিজেপির জয় নিশ্চিত। তিনি আরও বলেন, গত পাঁচ বছরে তেহট্ট এলাকায় কোনও কাজ করেনি প্রাক্তন সাংসদ মহুয়া মৈত্র। এখানে গ্রামের রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে অনেক কাজ বাকি রয়েছে। এখানকার ক্রেতা এবং বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানতে পারি, বিভিন্ন বাজারেও বেশ কিছু উন্নয়ন করার প্রয়োজন রয়েছে। আমি সকলকে কথা দিয়েছি, আগামী পাঁচ বছর তাঁদের দাবি মতো প্রতিটি কাজ আমি করার চেষ্টা করব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share