Tag: Bengali news

Bengali news

  • Ambedkar jayanti: ১৪ এপ্রিল আম্বেদকর জয়ন্তী, বিশ্বজনীন মর্যাদার জন্য ভ্রাতৃত্বমূলক সাম্য

    Ambedkar jayanti: ১৪ এপ্রিল আম্বেদকর জয়ন্তী, বিশ্বজনীন মর্যাদার জন্য ভ্রাতৃত্বমূলক সাম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১৪ই এপ্রিল ভারতজুড়ে পালিত হচ্ছে বাবাসাহেব ডঃ বিআর আম্বেদকরের জন্মজয়ন্তী (Ambedkar jayanti)। ভারতের সংবিধানের প্রধান স্থপতি হিসেবেই শুধু নয়, আধুনিক গণতন্ত্রের অন্যতম গভীর নৈতিক চিন্তাবিদ হিসেবে বাবাসাহেবকে আজ শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করছে সারা দেশ। তার জীবন ছিল সমাজের প্রান্তিক মানুষের মর্যাদা রক্ষার এক নিরলস সংগ্রাম। সামাজিক সমরসতা এবং ন্যায় বিচারের (Equality For Universal) জন্য আজীবন কাজ করে গিয়েছেন বাবা সাহেব।

    আম্বেদকরের দৃষ্টিভঙ্গি ও সামাজিক গণতন্ত্র (Ambedkar jayanti)

    আম্বেদকরের (Ambedkar jayanti) চিন্তাধারা কেবল সংবিধানের মধ্যে সীমাবদ্ধ ছিল না। তিনি বিশ্বাস করতেন যে, রাজনৈতিক গণতন্ত্র কখনওই সামাজিক গণতন্ত্র ছাড়া স্থায়ী হতে পারে না। স্বাধীনতা, সাম্য এবং ভ্রাতৃত্ব (Fraternity) — এই তিনটি আদর্শ একে অপরের পরিপূরক। এর মধ্যে ‘ভ্রাতৃত্ব’ বা বন্ধুত্থ-কেই তিনি সবথেকে বেশি গুরুত্ব দিয়েছিলেন। তাঁর মতে, ভ্রাতৃত্বই পারে অধিকারকে (Equality For Universal) সম্পর্কের রূপ দিতে এবং সহাবস্থানকে একটি প্রকৃত সমাজে পরিণত করতে।

    আম্বেদকর এবং উপাধ্যায়ের ভাবনার মেলবন্ধন

    প্রতিবেদনটিতে পন্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের ‘অন্ত্যোদয়’ (Antyodaya) ভাবনার সঙ্গে আম্বেদকরের দর্শনের এক গভীর সংযোগের কথা বলা হয়েছে। অন্ত্যোদয়ের মূল কথা হলো — সমাজের শেষ ব্যক্তিটিকে অগ্রাধিকার দেওয়া।

    আম্বেদকর: গুরুত্ব দিয়েছেন ‘ন্যায়’-এর (Equality For Universal) ওপর, যাতে আইন ও সংস্কারের মাধ্যমে প্রান্তিক মানুষ মর্যাদা পায়।

    উপাধ্যায়: জোর দিয়েছেন ‘সংবেদন’-এর ওপর, যাতে সমাজের শেষ ব্যক্তিটি কেবল সরকারি সুরক্ষা নয়, বরং সামাজিক স্নেহ ও মমতায় সিক্ত হয়।

    এই দুই মহান চিন্তাবিদের দর্শনই এক জায়গায় মিলেছে — তা হলো সমাজের সবথেকে নিচু স্তরের মানুষের উন্নয়ন। তাদের মতে, কোনো সমাজ যদি তার একটি অংশকে পেছনে ফেলে রাখে, তবে সেই উন্নয়ন কখনোই নৈতিকভাবে বৈধ হতে পারে না।

    বর্তমান ভারতের প্রেক্ষাপটে প্রাসঙ্গিকতা

    সমকালীন ভারতে এই দুই দর্শনের সমন্বয় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। বর্তমানে চ্যালেঞ্জটি কেবল অর্থনৈতিক বৃদ্ধির নয়, বরং সেই উন্নয়নকে অন্তর্ভুক্তিমূলক (Inclusive) এবং মানবিক করে তোলা। সমাজের প্রান্তিক স্তরে থাকা ব্যক্তির মর্যাদা নিশ্চিত করাই হলো আমাদের গণতন্ত্রের আসল পরীক্ষা।

    আম্বেদকর জয়ন্তীতে বাবাসাহেবের (Ambedkar jayanti) উত্তরাধিকার আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, সাম্য যেন কেবল খাতা-কলমে না থাকে, বরং তা যেন মানুষের দৈনন্দিন জীবনে বাস্তবায়িত হয়। ন্যায়বিচার (Equality For Universal) যখন মর্যাদাকে পুনরুদ্ধার করে এবং অন্ত্যোদয় যখন সেই মর্যাদাকে শেষ ব্যক্তিটির কাছে পৌঁছে দেয়, তখনই একটি প্রকৃত ভ্রাতৃত্ববোধ সম্পন্ন মানবিক সমাজ গড়ে ওঠে।

    আজকের এই দিনে বাবাসাহেবের দেখানো পথে সাম্য ও ভ্রাতৃত্বের সমাজ গড়ার অঙ্গীকারই হোক আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

  • Noida Protests: হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পরিকল্পনা করেই কষা হয়েছিল নয়ডার বিক্ষোভের ছক!

    Noida Protests: হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পরিকল্পনা করেই কষা হয়েছিল নয়ডার বিক্ষোভের ছক!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার মজুরি সংক্রান্ত বিষয়ে নয়ডায় যে হিংসাত্মক বিক্ষোভ (Noida Protests) দেখানো শুরু হয়েছিল, রাতারাতি (Planned Overnight) তা হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পরিকল্পনা করেই করা হয়েছিল বলে জেনেছেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, রবিবার গভীর রাতে কিউআর কোডের মাধ্যমে প্রতিবাদকারীদের বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে যুক্ত করা হয় এবং বিভিন্ন শ্রমিক ইউনিয়নের মধ্যে বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হয়। কর্তৃপক্ষ মেসেজিং প্ল্যাটফর্মে বিভিন্ন নামে একাধিক গ্রুপ খুঁজে পেয়েছেন, যার মধ্যে একটি ছিল ‘ওয়ার্কার্স মুভমেন্ট’ নামে। আধিকারিকদের মতে, বিক্ষোভ তীব্র করতে এসব গ্রুপে উত্তেজনাপূর্ণ ও উসকানিমূলক বার্তা ছড়ানো হয়েছিল।

    নয়ডায় বিক্ষোভ (Noida Protests)

    হরিয়ানা সরকারের ন্যূনতম মজুরি বাড়ানোর সিদ্ধান্তকে কেন্দ্র করে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ দ্রুতই বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির রূপ নেয়। ৪০,০০০-এরও বেশি বিভিন্ন কারখানার শ্রমিক নিরাপত্তা বাহিনীর মুখোমুখি হয়। বিক্ষোভকারীদের আন্দোলনের জেরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে গুরুত্বপূর্ণ সব সড়ক। এই সময় জোরদার করা হয় নিরাপত্তা। নয়ডার ফেজ-২ এবং সেক্টর ৬৩-তে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় বিক্ষোভকারীরা গাড়ি ও সম্পত্তিতে আগুন লাগায়, ছোড়ে পাথর। তার জেরেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। ওই দিন সন্ধে পর্যন্ত অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুরের অভিযোগে আটক করা হয় ৩০০-রও বেশি বিক্ষোভকারীকে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেওয়া হয়েছে আরও ১০০ জনকে। আজ, মঙ্গলবারও চলছে বিক্ষোভ। সেখানে সেক্টর ৮০-তে শ্রমিকরা পুলিশের দিকে পাথর ছোড়ে।

    পুলিশের বক্তব্য

    পুলিশ জানিয়েছে, শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে ছত্রভঙ্গ হওয়ার পর কিছু বাইরের লোক নয়ডায় অশান্তি উসকে দেওয়ার চেষ্টা করে (Noida Protests)। গৌতম বুদ্ধ নগর পুলিশের কমিশনার লক্ষ্মী সিং বলেন, “শ্রমিকরা শান্তিপূর্ণভাবে চলে যাওয়ার পর জেলার বাইরের একটি দল পাশের জেলাগুলির সীমান্তবর্তী এলাকায় আসে। তারা ঘুরে বেড়িয়ে উত্তেজনা ছড়ানো ও হিংসা উসকে দেওয়ার চেষ্টা করে। আমরা এই দলের কিছু সদস্যকে আটক করেছি। বাকিদেরও চিহ্নিত করে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে (Planned Overnight)।” উত্তরপ্রদেশের শ্রমমন্ত্রী অনিল রাজভড় জানান, সাম্প্রতিক সন্ত্রাসবাদ-সংক্রান্ত গ্রেফতারের প্রেক্ষিতে নয়ডার অশান্তিতে সম্ভাব্য পাকিস্তানি যোগের তদন্ত চলছে (Noida Protests)।

    পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র

    এই বিক্ষোভকে পরিকল্পিত ষড়যন্ত্র আখ্যা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, “রাজ্যের উন্নয়ন ও আইনশৃঙ্খলা ব্যাহত করার উদ্দেশ্যে এই ঘটনা ঘটানো হয়েছে বলে মনে হচ্ছে। দিন কয়েক আগেই মীরাট ও নয়ডা থেকে চারজন সন্দেহভাজন জঙ্গিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদের যোগাযোগ ছিল পাকিস্তানে থাকা পরিচালকদের সঙ্গে। এহেন পরিস্থিতিতে রাজ্যে অস্থিরতা তৈরির ষড়যন্ত্রের সম্ভাবনা আরও জোরদার হয়। গোটা বিষয়টি নিয়ে সংস্থাগুলি তদন্ত করছে (Planned Overnight)।” তাঁর দাবি, এই অশান্তির উদ্দেশ্য হতে পারে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের মুজফফরনগরের কর্মসূচি ব্যাহত করা। তিনি বলেন, “দেশবিরোধী শক্তি রাজ্যে অস্থিরতা সৃষ্টির চেষ্টা করছে। মানুষ যেন কোনও ভ্রান্ত তথ্য বা উসকানিতে প্রভাবিত না হয় এবং শান্তি বজায় রাখে। বিশৃঙ্খলা বা আক্রমণাত্মক বিক্ষোভ কোনও সমস্যার সমাধান নয়। সরকার শ্রমিকদের সব সমস্যার কথা শুনতে প্রস্তুত (Noida Protests)।”

    উত্তরপ্রদেশে বাড়ল ন্যূনতম মজুরি  

    এদিকে, হিংসাত্মক বিক্ষোভের একদিন পর, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বাধীন উত্তরপ্রদেশ সরকার অদক্ষ, অর্ধদক্ষ ও দক্ষ শ্রমিকদের জন্য অন্তর্বর্তীকালীন ন্যূনতম মজুরি বৃদ্ধির কথা ঘোষণা করে। তবে মাসিক ন্যূনতম মজুরি ২০,০০০ টাকা করা হয়েছে—এই দাবি খারিজ করে দিয়েছে সরকার। অন্তর্বর্তীকালীন ব্যবস্থা অনুযায়ী, গৌতম বুদ্ধ নগর ও গাজিয়াবাদে মজুরি নির্ধারণ করা হয়েছে— অদক্ষ শ্রমিক মাসে পাবেন ১৩,৬৯০ টাকা, অর্ধদক্ষ শ্রমিক পাবেন ১৫,০৫৯ টাকা, দক্ষ শ্রমিক পাবেন ১৬,৮৬৮ টাকা।
    রাজ্য সরকারের মতে, শ্রম কোডের অধীনে জাতীয় স্তরে ন্যূনতম (Planned Overnight) মজুরি সংশোধনের প্রক্রিয়া চলছে (Noida Protests)।

     

  • Bangladesh: বাংলাদেশে মাদক সংক্রান্ত বিবাদে মুসলিমের হাতে মুসলিম খুন! রংপুরে নির্দোষ হিন্দুদের বাড়ি ও দোকানে হামলা

    Bangladesh: বাংলাদেশে মাদক সংক্রান্ত বিবাদে মুসলিমের হাতে মুসলিম খুন! রংপুরে নির্দোষ হিন্দুদের বাড়ি ও দোকানে হামলা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) নতুন করে সাম্প্রদায়িক হিংসার খবর পাওয়া গিয়েছে। রংপুরে দুই মুসলিম ব্যক্তির মধ্যে মাদক সংক্রান্ত ব্যক্তিগত বিবাদকে কেন্দ্র করে খুনের ঘটনা ঘটলেও, তার জেরে স্থানীয় হিন্দু সম্প্রদায়ের (Hindu) ঘরবাড়ি ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানে পরিকল্পিতভাবে হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে। ফের আরেকবার বিপর্যস্ত হিন্দু জনজীবন।

    ৪০ থেকে ৬০ জনের একটি দল আক্রমণ করে (Bangladesh)

    রংপুরের (Bangladesh) দাসপাড়া বাজার এলাকায় এই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদক ব্যবসা নিয়ে পুরনো শত্রুতার জেরে রাকিব হাসান নামে এক মুসলিম যুবককে কুপিয়ে হত্যা করে মোহাম্মদ মোমিন নামের এক সন্দেহভাজন মাদক ব্যবসায়ী।

    আশ্চর্যের বিষয় হলো, নিহত এবং অভিযুক্ত উভয়ই মুসলিম হওয়া সত্ত্বেও একদল সশস্ত্র উগ্র জনতা দাসপাড়া এলাকার হিন্দু বসতিতে হামলা চালায়। উল্লেখ্য, এই এলাকায় প্রায় ১০০টি হিন্দু পরিবারের বসবাস। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, ৪০ থেকে ৬০ জনের একটি দল অন্তত ২০টি হিন্দু মালিকানাধীন দোকান ভাঙচুর করে এবং বেশ কিছু বাড়ির দরজা-জানলা গুঁড়িয়ে দেয়। হামলাকারীরা গালিগালাজ করার পাশাপাশি একটি মন্দিরের দানবাক্স লক্ষ্য করেও হামলা চালায়।

    রংপুর (Hindu) পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ মজিদ আলী জানিয়েছেন, তদন্ত ভিন্নখাতে প্রবাহিত করতে একটি ‘তৃতীয় পক্ষ’ এই হামলা চালিয়েছে। নিহতের মা নূর জাহান বেগমও সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, হিন্দুদের সঙ্গে তাদের কোনো বিরোধ ছিল না এবং এটি সম্পূর্ণ ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরে ঘটেছে।

    অতিরিক্ত পুলিশ ও র‍্যাব মোতায়েন

    একই সাথে কুষ্টিয়াতেও (Bangladesh) এক আধ্যাত্মিক নেতা শামীম রেজাকে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে পিটিয়ে হত্যার ঘটনা ঘটে। সেখানেও হামলার পর স্থানীয় বেশ কিছু হিন্দু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

    হামলার সময় এলাকায় বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তারা জানিয়েছেন, দীর্ঘক্ষণ ধরে সশস্ত্র হামলা (Hindu) চললেও পুলিশ সময়মতো ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ ও র‍্যাব (RAB) মোতায়েন করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ দেখে অপরাধীদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে

  • PM Modi: ১২,০০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে ২১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ছয় লেনের দিল্লি-দেরাদুন ইকোনমিক করিডোর উদ্বোধন মোদির

    PM Modi: ১২,০০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয়ে ২১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ ছয় লেনের দিল্লি-দেরাদুন ইকোনমিক করিডোর উদ্বোধন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি আজ মঙ্গলবার উত্তরাখণ্ড ও উত্তরপ্রদেশ সফর করবেন। এই সফরে তিনি দেরাদুন-দিল্লি ইকোনমিক করিডোর (Delhi-Dehradun Economic Corridor) জাতির উদ্দেশ্যে উৎসর্গ করবেন। দুপুর নাগাদ দেরাদুনে একটি জনসভায় প্রধানমন্ত্রী দিল্লি-দেরাদুন ইকোনমিক করিডোরের উদ্বোধন করবেন এবং উপস্থিত জনগণের উদ্দেশ্যে ভাষণ দেবেন।

    সাহারানপুরে পৌঁছাবেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় (PMO) সূত্রে জানা গেছে, আজ বেলা ১১টা ১৫ মিনিট নাগাদ প্রধানমন্ত্রী উত্তরপ্রদেশের সাহারানপুরে পৌঁছাবেন। সেখানে তিনি দিল্লি-দেরাদুন ইকোনমিক করিডোরের এলিভেটেড সেকশনে নির্মিত ‘ওয়াইল্ডলাইফ করিডোর’ বা বন্যপ্রাণী করিডোরটি পরিদর্শন করবেন। এরপর তিনি দেরাদুনের নিকটবর্তী মা ডাট কালী মন্দিরে পূজা ও দর্শন সারবেন।

    প্রকল্পের সুবিধা

    খরচ ও দৈর্ঘ্য: ২১৩ কিলোমিটার দীর্ঘ এই ছয় লেনের ইকোনমিক করিডোরটি তৈরি করতে ১২,০০০ কোটি টাকারও বেশি ব্যয় হয়েছে।

    সময় সাশ্রয়: এই করিডোরটি দিল্লি, উত্তরপ্রদেশ এবং উত্তরাখণ্ডের মধ্য দিয়ে বিস্তৃত। এর ফলে দিল্লি থেকে দেরাদুন যাওয়ার সময় বর্তমানের ৬ ঘণ্টা থেকে কমে মাত্র আড়াই ঘণ্টায় নেমে আসবে।

    উন্নত পরিকাঠামো: এই প্রকল্পে ১০টি ইন্টারচেঞ্জ, ৩টি রেলওয়ে ওভার ব্রিজ (ROB), ৪টি বড় সেতু এবং যাত্রীদের সুবিধার জন্য ১২টি ‘ওয়েসাইড অ্যামেনিটি’ তৈরি করা হয়েছে। যাতায়াত আরও নিরাপদ করতে এখানে অ্যাডভান্সড ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম (ATMS) ব্যবহার করা হয়েছে।

    ওয়াইল্ডলাইফ করিডোর

    পরিবেশের ভারসাম্য ও বন্যপ্রাণীদের নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে এই করিডোরে বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। এখানে ১২ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি এলিভেটেড ওয়াইল্ডলাইফ করিডোর তৈরি করা হয়েছে, যা এশিয়ার অন্যতম দীর্ঘ। এ ছাড়াও প্রাণীদের চলাচলের জন্য ৮টি অ্যানিম্যাল পাস, হাতির চলাচলের জন্য ২টি আন্ডারপাস এবং ডাট কালী মন্দিরের কাছে ৩৭০ মিটার দীর্ঘ একটি টানেল তৈরি করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এই ইকোনমিক করিডোরটি আঞ্চলিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত করবে এবং পর্যটন ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে।

  • Daily Horoscope 14 April 2026: ভ্রমণের যোগ আছে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 14 April 2026: ভ্রমণের যোগ আছে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ
    ১) কাজের ক্ষেত্রে নতুন সুযোগ আসতে পারে
    ২) আত্মবিশ্বাস বাড়বে
    ৩) আর্থিক উন্নতির সম্ভাবনা

    বৃষ
    ১) অর্থনৈতিক দিক মজবুত থাকবে
    ২) পরিবারে শান্তি বজায় থাকবে
    ৩) খরচ একটু নিয়ন্ত্রণে রাখা দরকার

    মিথুন
    ১) নতুন যোগাযোগ তৈরি হবে
    ২) কাজের জায়গায় সাফল্য
    ৩) ভ্রমণের সম্ভাবনা

    কর্কট
    ১) মানসিক চাপ বাড়তে পারে
    ২) পরিবারের দিকে নজর দিন
    ৩) বিশ্রাম প্রয়োজন

    সিংহ
    ১) কর্মক্ষেত্রে প্রশংসা পাবেন
    ২) নেতৃত্বের সুযোগ আসবে
    ৩) আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি

    কন্যা
    ১) পরিকল্পনা সফল হবে
    ২) ছোট সমস্যার সমাধান
    ৩) কাজের গতি বাড়বে

    তুলা
    ১) সম্পর্কের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকুন
    ২) ভুল বোঝাবুঝি হতে পারে
    ৩) ধৈর্য ধরলে সমস্যা মিটবে

    বৃশ্চিক
    ১) নতুন কাজের সুযোগ
    ২) আত্মবিশ্বাস বাড়বে
    ৩) আর্থিক লাভ হতে পারে

    ধনু
    ১) ভ্রমণের যোগ আছে
    ২) কাজের চাপ বাড়বে
    ৩) নতুন অভিজ্ঞতা হবে

    মকর
    ১) আর্থিক উন্নতি
    ২) পুরনো সমস্যার সমাধান
    ৩) পরিবারের সমর্থন পাবেন

    কুম্ভ
    ১) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন
    ২) নতুন পরিকল্পনা সফল
    ৩) মানসিক শান্তি থাকবে

    মীন
    ১) সৃজনশীল কাজে সাফল্য
    ২) নতুন সুযোগ আসবে
    ৩) প্রশংসা পাওয়ার সম্ভাবনা

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Ramakrishna 622: “অবস্থায় ‘মা, মা’ বলে কাঁদতুম, কেঁদে কেঁদে বলতুম, ‘মা! রক্ষা কর, মা! আমায় নিখাদ কর, যেন সৎ থেকে অসতে মন না যায়”

    Ramakrishna 622: “অবস্থায় ‘মা, মা’ বলে কাঁদতুম, কেঁদে কেঁদে বলতুম, ‘মা! রক্ষা কর, মা! আমায় নিখাদ কর, যেন সৎ থেকে অসতে মন না যায়”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    চতুর্বিংশ পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২৬শে অক্টোবর

    অহৈতুকী ভক্তি—পূর্বকথা—শ্রীরামকৃষ্ণের দাসভাব

    “এঁর তাই। যেমন ঈশ্বরকে (Ramakrishna) শুধু দেখতে চায়, আর কিছু ধন মান দেহসুখ — কিছুই চায় না। এরই নাম শুদ্ধাভক্তি।

    “আনন্দ একটু হয় বটে, কিন্তু বিষয়ের আনন্দ নয়। ভক্তির, প্রেমের আনন্দ। শম্ভু (মল্লিক) বলেছিল — যখন আমি তার বাড়িতে প্রায় যেতুম – ‘তুমি এখানে এস; অবশ্য আমার সঙ্গে আলাপ করে আনন্দ পাও তাই এস’ — ওইটুকু আনন্দ আছে।

    “তবে ওর উপর আর-একটি অবস্থা আছে (Kathamrita)! বালকের মতো যাচ্ছে — কোনও ঠিক নাই; হয়তো একটা ফড়িং ধরছে।

    (ভক্তদের প্রতি) — “এঁর (ডাক্তারের) মনের ভাব কি বুঝেছ? ঈশ্বরকে প্রার্থনা করা হয়, হে ঈশ্বর, আমায় সৎ ইচ্ছা দাও যেন অসৎ কাজে মতি না হয়।

    “আমারও ওই অবস্থা ছিল (Kathamrita)। একে দাস্য বলে। আমি ‘মা, মা’ বলে এমন কাঁদতুম যে, লোক দাঁড়িয়ে যেত। আমার এই অবস্থার পর আমাকে বীড়বার জন্য আর আমার পাগলামি সারাবার জন্য, তারা একজন রাঁড় এনে ঘরে বসিয়ে দিয়ে গেল — সুন্দর, চোখ ভাল। আমি মা! মা! বলে ঘর থেকে বেরিয়ে এলুম, আর হলধারীকে ডেকে দিয়ে বললুম, ‘দাদা দেখবে এসো ঘরে কে এসেছে।’ হলধারীকে, আর সব লোককে বলে দিলুম। এই অবস্থায় ‘মা, মা’ বলে কাঁদতুম, কেঁদে কেঁদে বলতুম, ‘মা! রক্ষা কর। মা! আমায় নিখাদ কর, যেন সৎ থেকে অসতে মন না যায়।’ (ডাক্তারের প্রতি) তোমার এ-ভাব বেশ — ঠিক ভক্তিভাব, দাসভাব।”

    জগতের উপকার ও সামান্য জীব—নিষ্কামকর্ম ও শুদ্ধসত্ত্ব

    “যদি কারো শুদ্ধসত্ত্ব (গুণ) আসে, সে কেবল ঈশ্বরচিন্তা (Ramakrishna) করে, আর আর কিছুই ভাল লাগে না। কেউ কেউ প্ররব্ধের গুণে জন্ম থেকে শুদ্ধসত্ত্বগুণ পায়। কামনাশূন্য হয়ে কর্ম করতে চেষ্টা করলে, শেষে শুদ্ধসত্ত্বলাভ হয়। রজমিশানো সত্ত্বগুণ থাকলে ক্রমে নানাদিকে মন হয়, তখন জগতের উপকার করব এই সব অভিমান এসে জোটে। জগতের উপকার এই সামান্য জীবের পক্ষে করতে যাওয়া বড় কঠিন। তবে যদি কেউ জীবের সেবার জন্য কামনাশূণ্য হয়ে কর্ম করে, তাতে দোষ নাই; একে নিষ্কাম কর্ম বলে। এরূপ কর্ম করতে চেষ্টা করা খুব ভাল। কিন্তু সকলে পারে না। বড় কঠিন। সকলেরই কর্ম করতে হবে; দু-একটি লোক কর্ম ত্যাগ করতে পারে। দু-একজন লোকের শুদ্ধসত্ত্ব দেখতে পাওয়া যায়। এই নিষ্কাম কর্ম করতে করতে রজমিশানো সত্ত্বগুণ ক্রমে শুদ্ধসত্ত্ব হয়ে দাঁড়ায়।

    “শুদ্ধসত্ত্ব হলেই ঈশ্বরলাভ তাঁর কৃপায় হয়।

    “সাধারণ লোকে এই শুদ্ধসত্ত্বের অবস্থা বুঝতে পারে না; হেম আমায় বলেছিল, কেমন ভট্টাচার্য মহাশয় (Ramakrishna)! জগতে মানলাভ করা মানুষ জীবনের উদ্দেশ্য, কেমন?

  • SIR: ১২ রাজ্যে শেষ এসআইআর, কোন রাজ্যে বাদ গেল কত ভোটার?

    SIR: ১২ রাজ্যে শেষ এসআইআর, কোন রাজ্যে বাদ গেল কত ভোটার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১২টি রাজ্য এবং ৩টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে এসআইআরের কাজ শেষ করল ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI)। গত বছর বিহার থেকে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়া, যা বিধানসভা নির্বাচনের আগে শুরু হয়েছিল, এখন একটি বৃহৎ পরিসরের ভোটার তালিকা পরিশোধন অভিযানে পরিণত হয়েছে।

    ইলেকশন কমিশনের তথ্য (SIR)

    ইলেকশন কমিশন এবং বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, এই প্রক্রিয়ায় মৃত, স্থানান্তরিত, ডুপ্লিকেট বা যাচাইযোগ্য নয় এমন ভোটারদের শনাক্ত করা হয়েছে। এই রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে মোট ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৫১ কোটি থেকে কমে হয়েছে ৪৫.৮ কোটির কাছাকাছি। যাচাইকরণের সময় ৭.২ কোটি নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দাবি, আপত্তি এবং নতুন নিবন্ধনের মাধ্যমে প্রায় ২ কোটি ভোটার যুক্ত হন, ফলে মোট ৫.২ কোটি বা প্রায় ১০ শতাংশ ভোটার কমে যায়।

    উত্তরপ্রদেশ
    জনসংখ্যার দিক থেকে দেশের বৃহত্তম রাজ্য উত্তরপ্রদেশে সবচেয়ে বেশি সংখ্যায় পরিবর্তন দেখা গিয়েছে। এসআইআরের আগে ভোটার সংখ্যা ছিল ১৫.৪৪ কোটি, পরে কমে এটাই গিয়ে দাঁড়ায় ১৩.৩৯ কোটিতে। অর্থাৎ প্রায় ২.০৫ কোটি নাম বাদ পড়েছে। দাবি ও আপত্তির পর প্রায় ১৩.২ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে, বেড়েছে পড়ুয়ার সংখ্যাও।

    তামিলনাড়ু
    তামিলনাড়ুতে ভোটার সংখ্যা ৬.৪১ কোটি থেকে কমে ৫.৬৭ কোটিতে গিয়ে দাঁড়িয়েছে। বাদ গিয়েছে প্রায় ৯৭.৩৭ লাখ নাম।

    পশ্চিমবঙ্গ
    পশ্চিমবঙ্গে বাদ পড়েছেন প্রায় ৯০.৯৩ লাখ ভোটার। এ রাজ্যে মোট ভোটার সংখ্যা ৭.৬৬ কোটি থেকে কমে ৬.৭৫ কোটিতে গিয়ে দাঁড়ায়। বিচার প্রক্রিয়ায় ৬০ লাখের বেশি মামলা খতিয়ে দেখা হয় এবং শেষ পর্যন্ত ২৭ লাখের বেশি নাম বাদ দেওয়া হয়। মুর্শিদাবাদ জেলায় সবচেয়ে বেশি নাম বাদ পড়েছে। এর পরেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমালোচনা করেন নির্বাচন কমিশনের। পরে চ্যালেঞ্জ করেন সুপ্রিম কোর্টে।

    গুজরাট
    গুজরাটে ভোটার সংখ্যা ৫.০৮ কোটি থেকে কমে হয়েছে ৪.৪০ কোটি।

    মধ্যপ্রদেশ

    মধ্যপ্রদেশে বেড়া দিতে গিয়ে এসআইআরে বাদ পড়েছে প্রায় ৩৪.২৫ লাখ ভোটারের নাম। মোট ভোটার সংখ্যা ৫.৭৪ কোটি থেকে কমে হয় ৫.৩৯ কোটি।

    মরু রাজ্যে বাদ পড়লেন কত

    রাজস্থান

    মরুরাজ্যে প্রায় ৩১.৩৬ লাখ ভোটার বাদ পড়েছেন। ছত্তিশগড়
    ২৪.৯৯ লাখ নাম বাদ পড়ায় ভোটার সংখ্যা ২.১২ কোটি থেকে কমে হয়েছে ১.৮৭ কোটি। কেরল
    ৮.৯৭ লাখ নাম বাদ পড়ায় মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়ায় ২.৭১ কোটি।

    ভুয়ো ভোটারের নাম বাদ

    গোয়া
    ১.২৭ লাখ ভোটার কমে গিয়েছে। আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে
    ৫২,৩৬৪ ভোটার কমেছে। পুদুচেরিতে
    ভোটার সংখ্যা ১০.২১ লাখ থেকে কমে হয়েছে ৯.৪৪ লাখ।

    লাক্ষাদ্বীপ
    মাত্র ২০৬ ভোটার কমে মোট সংখ্যা দাঁড়াল ৫৭,৬০৭। প্রসঙ্গত, এই আপডেট করা ভোটার তালিকার উদ্দেশ্যই হল ভুয়ো ভোটার কমানো এবং সঠিক তথ্য নিশ্চিত করা।

     

  • Amit Shah: দুর্গাপুরে রোড-শো শাহের, গেরুয়াময় গোটা শহর

    Amit Shah: দুর্গাপুরে রোড-শো শাহের, গেরুয়াময় গোটা শহর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুরে বিরাট রোডশো করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। এই শোয়ে সমর্থকদের ঢল নেমেছিল, চারিদিকে কেবল গেরুয়া রঙের ছটা। বস্তুত (Amit Shah), এদিন দুর্গাপুর হয়ে গিয়েছিল “গেরুয়া বাংলা…”। এর আগে ময়ূরেশ্বরের পল্লীমঙ্গল ক্লাব মাঠে আয়োজিত এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কড়া সমালোচনা করেন। আরজিকর ধর্ষণ মামলার পরে মহিলাদের সন্ধ্যা ৭টার পরে বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দেওয়ার জন্য তিনি তৃণমূল সরকারকে মহিলাদের নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ বলে অভিযুক্ত করেন (Paschim Bardhaman)।

    ‘বিকল্প বিজেপিই’ (Amit Shah)

    তিনি বলেন, “মমতা দিদি বলছেন মহিলারা যেন সন্ধ্যা ৭টার পর বাইরে না বেরোন। আপনি নিজে একজন মহিলা মুখ্যমন্ত্রী হয়েও বাংলার বোনদের রক্ষা করতে পারলেন না—এটা লজ্জার বিষয়।” বিজেপিকে বিকল্প হিসেবে তুলে ধরে শাহ বলেন, “একবার বিজেপি সরকার গঠন করুন, আমরা এমন বাংলা গড়ব যেখানে একটি ছোট মেয়েও রাত ১টায় স্কুটার নিয়ে বেরোতে পারবে। সন্দেশখালি, আরজি কর, দুর্গাপুর ল’ কলেজ বা দক্ষিণ কলকাতা ল’ কলেজের মতো ঘটনা আর ঘটবে না (Amit Shah)।”

    সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়কে ভয় দেখাচ্ছেন

    তিনি আরও বলেন, “এইমাত্র আমি মমতা দিদির একটি বক্তৃতা দেখছিলাম। তিনি সংখ্যাগরিষ্ঠ সম্প্রদায়কে ভয় দেখাচ্ছেন—বলছেন, তৃণমূল না থাকলে তারা টিকবে না। তাদের শাসনে মুর্শিদাবাদে দাঙ্গা হয়েছে, রামনবমীতে আক্রমণ হয়েছে, সরস্বতী পূজায় বাধা দেওয়া হয়েছে—তখন তিনি কোথায় ছিলেন?” শাহ দাবি করেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন রাজ্যের জন্য একটি বড় মোড় ঘোরানোর সময় হবে। তিনি বলেন, “তৃণমূলের গুন্ডারা আর বোমা ফাটিয়ে মানুষকে ভয় দেখাতে পারবে না। বাংলার মানুষ বোমার জবাব ব্যালটে দেবে, ভয়ের জবাব বিশ্বাস দিয়ে দেবে। ব্যালট মেশিনে পদ্মফুল চিহ্ন খুঁজে নিন—বিজেপি সরকার সব গুন্ডাদের খুঁজে বের করবে।” তিনি সতর্ক করে বলেন, “তৃণমূলের গুন্ডাদের বলছি—২৩ এপ্রিল ঘরে থাকুন, না হলে ৪ মে আপনাদের ধরে জেলে পাঠানো হবে।” প্রসঙ্গত, (Paschim Bardhaman) ২৯৪ আসনের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন হবে দুদফায়- ২৩ ও ২৯ এপ্রিল। ভোট গণনা হবে ৪ মে (Amit Shah)।

     

  • West Bengal SIR: ‘ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না’ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    West Bengal SIR: ‘ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না’ জানাল সুপ্রিম কোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমবার এসআইআর মামলার শুনানিতে দুটি বিষয় উঠে এল সুপ্রিম কোর্টে। ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদের প্রসঙ্গ (West Bengal SIR) এবং মালদাকাণ্ড। সুপ্রিম কোর্ট স্পষ্ট করে দিয়েছে, ট্রাইবুনালে আবেদনকারীদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না। রাজ্যে ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিচারকদের যথাযথ নিরাপত্তা দেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছে শীর্ষ আদালত।

    প্রধান বিচারপতির বক্তব্য (West Bengal SIR)

    প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমরা এমন কোনও পরিস্থিতি তৈরি করতে পারি না, যাতে আপিল ট্রাইবুনালের বিচারপতিদের ওপর আরও বাড়তি চাপ পড়ে। আমাদের সামনে আর একটি আবেদনও রয়েছে, যেখানে আপিল প্রক্রিয়া স্থগিত করার দাবি তোলা হয়েছে।” এদিনের শুনানিতে রাজ্যের হয়ে সওয়াল করেন সাংসদ তথা তৃণমূল নেতা কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। আদালতে তিনি জানান, ইতিমধ্যেই ১৬ লাখ আবেদন করা হয়েছে। তাঁদের ভোটদানের সুযোগ দেওয়ার জন্য আবেদন জানান তিনি। কল্যাণের সওয়াল প্রসঙ্গে শীর্ষ আদালত বলে, “সেই প্রশ্নই ওঠে না। যদি আমরা এটা অনুমতি দিই, তা হলে যাঁদের নাম ইতিমধ্যেই ভোটার তালিকায় রয়েছে, তাঁদের ভোটাধিকারও স্থগিত করতে হবে।”

    শীর্ষ আদালতের নির্দেশ

    শীর্ষ আদালতের নির্দেশ, পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিচারকদের যথাযথ নিরাপত্তা ও সুরক্ষা দিতে হবে। প্রধান বিচারপতি জানান, সুপ্রিম কোর্টের অনুমতি ছাড়া বিচারকদের নিরাপত্তা কোনওভাবেই প্রত্যাহার করা যাবে না। প্রধান বিচারপতি বলেন, “কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, মোট ৬০ লাখ ৪ হাজার মামলার নিষ্পত্তি হয়েছে। প্রযুক্তিগত সমস্যার কারণে এখনও প্রায় ২,০০০ মুলতবি রয়েছে।” মালদার ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “এখন আমরা জানতে চাই, গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিদের মধ্যে কারও কোনও রাজনৈতিক যোগসূত্র ছিল কি না। আমরা চাই না, বিষয়টি শুধু কাগজে-কলমেই সীমাবদ্ধ থাকুক।”

    ট্রাইবুনালে আবেদন করার পরামর্শ

    এদিকে, মালদাকাণ্ডে তদন্তের অন্তর্বতী রিপোর্ট সুপ্রিম কোর্টে জমা দিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। তদন্তের কত দূর অগ্রগতি হয়েছে, সে বিষয়েও রিপোর্ট জমা দিয়েছে তারা। এজলাসে এনআইএ জানায়, মালদহকাণ্ডে মূল চক্রান্তকারীকে রবিবারই গ্রেফতার করা হয়েছে (West Bengal SIR)। প্রসঙ্গত, পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর সংক্রান্ত মূল মামলা শুরুর আগে এক আবেদনকারী সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতির বেঞ্চের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। মামলাকারীর আইনজীবীর বক্তব্য, ট্রাইবুনালে আবেদন শোনা হচ্ছে না। সঙ্গে সঙ্গে প্রধান বিচারপতি বলেন, “হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি আমায় জানিয়েছেন আজ সকাল থেকে ট্রাইবুনালে শুনানি শুরু হয়েছে। ট্রাইবুনালকে এ ভাবে ব্ল্যাকমেল করা যাবে না। আমরা কোনও সিদ্ধান্ত নেব না, যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার ট্রাইবুনালই নেবে।” মামলাকারীকে ট্রাইবুনালে আবেদন করার পরামর্শও দেয় শীর্ষ আদালত।

    বিচারপতি জয়মাল্য বাগচী

    এই আবেদনের প্রেক্ষিতে বিচারপতি জয়মাল্য বাগচীও বলেন, “এক্ষেত্রে কোনও দায় ঠেলাঠেলি চলবে না। দুই সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মাঝে পড়ে ভুগতে হচ্ছে ভোটারদের।” কমিশনের উদ্দেশে বিচারপতি বাগচী বলেন, “কেউ যে দেশে জন্মগ্রহণ করেছেন, সেই দেশে ভোট দেওয়ার অধিকার শুধু সাংবিধানিকই নয়, এটি আবেগের বিষয়ও বটে (West Bengal SIR)।” তথ্যগত অসঙ্গতির মতো একটি বিষয় যে শুধু পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রেই রয়েছে, অন্য কোনও রাজ্যে নেই, সে বিষয়ের উপরেও আলোকপাত করেন বিচারপতি বাগচী। তিনি বলেন, “যত ক্ষণ না বিপুল সংখ্যক ভোটার বাদ পড়ছেন বা ভোটের ফলের ওপর তার বাস্তবিক কোনও প্রভাব পড়ছে, ততক্ষণ নির্বাচন বাতিল করা সম্ভব নয়।” বিচারপতি বাগচী বলেন, “এসআইআরের বিচারকাজে নিয়োজিত আধিকারিকদের ওপর অত্যধিক চাপ রয়েছে। তাই তাঁদের কাছ থেকে ১০০ শতাংশ নির্ভুলতা আশা করা যায় না। প্রতিদিন ১০০০টিরও বেশি নথি যাচাই করতে হলে ৭০ শতাংশ নির্ভুলতাকেও ‘চমৎকার’ বলা যেতে পারে।”

     

  • Afghanistan-Pakistan: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে পরপর দুই দিনে ১৬ জন হাজারা শিয়া মুসলিমকে হত্যা করল উগ্রবাদী সুন্নি জঙ্গিরা

    Afghanistan-Pakistan: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে পরপর দুই দিনে ১৬ জন হাজারা শিয়া মুসলিমকে হত্যা করল উগ্রবাদী সুন্নি জঙ্গিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান ও আফগানিস্তানে (Afghanistan-Pakistan) সংখ্যালঘু হাজারা শিয়া সম্প্রদায়ের ওপর ফের রক্তক্ষয়ী হামলা চালাল উগ্রপন্থী সুন্নি ইসলামপন্থী জঙ্গিরা (Sunni Islamist Radical)। গত কয়েক দিনের ব্যবধানে দুই দেশে পৃথক দুটি হামলায় মোট ১৬ জন হাজারা শিয়া নাগরিক প্রাণ হারিয়েছেন। এর মধ্যে পাকিস্তানের কোয়েটায় ৪ জন এবং আফগানিস্তানের হেরাত প্রদেশে ১২ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনা প্রমাণ করে কট্টর ইসলামী মৌলবাদের শিকার দুই দেশের মুসলিম সমাজ।

    হেরাত প্রদেশে গণহত্যা (Afghanistan-Pakistan)

    আফগানিস্তানের (Afghanistan-Pakistan) হেরাত প্রদেশে শিয়া অধ্যুষিত এলাকায় একটি ভয়াবহ হামলায় ১২ জন হাজারা শিয়া নাগরিক নিহত হয়েছেন। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, বন্দুকধারীরা অতর্কিতে সাধারণ নাগরিকদের ওপর গুলি চালিয়ে পালিয়ে যায়। তালিবান শাসিত আফগানিস্তানে হাজারা সম্প্রদায় দীর্ঘদিন ধরেই আইএস (ISIS-K) সহ বিভিন্ন উগ্রবাদী গোষ্ঠীর (Sunni Islamist Radical) লক্ষ্যবস্তু হয়ে আসছে। এই ঘটনায় মৃতদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

    কোয়েটায় হামলা জঙ্গিদের

    অন্যদিকে, পাকিস্তানের বালুচিস্তান (Afghanistan-Pakistan) প্রদেশের রাজধানী কোয়েটায় অজ্ঞাতপরিচয় বন্দুকধারীদের গুলিতে ৪ জন হাজারা শিয়া নাগরিক নিহত হয়েছেন। কোয়েটার হাজারা টাউন এলাকায় এই হামলাটি চালানো হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, মোটরসাইকেলে করে আসা বন্দুকধারীরা লক্ষ্য স্থির করে গুলি চালায়, যার ফলে ঘটনাস্থলেই ৪ জনের মৃত্যু হয়। লস্কর-ই-জাংভি বা আইএস-এর মতো গোষ্ঠীগুলো (Sunni Islamist Radical) এই এলাকায় নিয়মিত শিয়া সম্প্রদায়ের ওপর আক্রমণ চালিয়ে থাকে।

    বিপজ্জনক পরিস্থিতি ও আন্তর্জাতিক উদ্বেগ

    পরপর দুই দিনে এই জোড়া হত্যাকাণ্ডের ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় সংখ্যালঘু হাজারা সম্প্রদায়ের নিরাপত্তা নিয়ে ফের গভীর উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। মানবাধিকার সংগঠনগুলি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বলেছে যে, পাকিস্তান ও আফগানিস্তান—উভয় দেশেই হাজারা শিয়ারা পদ্ধতিগতভাবে জাতিগত নির্মূলকরণ ও ধর্মীয় বিদ্বেষের শিকার হচ্ছেন।

    নৃশংসতা থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই হামলাগুলো মূলত সুন্নি উগ্রবাদী মতাদর্শ দ্বারা অনুপ্রাণিত। আফগানিস্তানে তালিবান ক্ষমতা দখলের পর শিয়াদের ওপর হামলার মাত্রা কয়েকগুণ বেড়েছে। একইভাবে পাকিস্তানেও উগ্রবাদী গোষ্ঠীগুলো (Sunni Islamist Radical) সক্রিয় হয়ে উঠেছে। সরকারগুলো নিরাপত্তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিলেও বাস্তবে হাজারা সম্প্রদায়ের ওপর এই নৃশংসতা থামার কোনো লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না। এই ঘটনার প্রতিবাদে কোয়েটা ও হেরাতের স্থানীয় বাসিন্দারা বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছেন এবং দোষীদের দ্রুত গ্রেফতার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

LinkedIn
Share