Tag: Bengali news

Bengali news

  • PM Modi: “ইহুদি সম্প্রদায় ভারতীয় সমাজে পূর্ণাঙ্গভাবে অংশগ্রহণ করেছে”, ইজরায়েলের সংসদে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “ইহুদি সম্প্রদায় ভারতীয় সমাজে পূর্ণাঙ্গভাবে অংশগ্রহণ করেছে”, ইজরায়েলের সংসদে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতে নির্যাতন বা বৈষম্যের ভয় ছাড়াই বসবাস করেছে ইহুদি সম্প্রদায়।” বুধবার এমনই বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “ইহুদি সম্প্রদায়, নিজেদের ধর্মবিশ্বাস সংরক্ষণ করেছে এবং সমাজে পূর্ণাঙ্গভাবে অংশগ্রহণ করেছে, এবং এই ইতিহাস আমাদের গর্বের উৎস।”

    কী বললেন প্রধানমন্ত্রী? (PM Modi)

    ইজরায়েলি পার্লামেন্ট ‘নেসেট’-এ ভাষণ দিতে গিয়ে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ভারতে ইজরায়েলের দৃঢ়তা, সাহস এবং সাফল্যের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে।” তিনি বলেন, “আধুনিক রাষ্ট্র হিসেবে আমরা একে অপরের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের বহু আগেই, দু হাজার বছরেরও বেশি পুরোনো বন্ধনে আমরা যুক্ত ছিলাম। ‘বুক অফ এসথার’-এ (বাইবেলের ‘এস্থার পুস্তক’। হিব্রু বাইবেল এবং ওল্ড টেস্টামেন্টের একটি গুরুত্বপূর্ণ বই)  ভারতের উল্লেখ রয়েছে ‘হোদু’ নামে। তালমুদে প্রাচীনকালে ভারতের সঙ্গে বাণিজ্যের বিবরণ আছে। ইহুদি বণিকেরা ভূমধ্যসাগরকে ভারত মহাসাগরের সঙ্গে যুক্ত করা সমুদ্রপথে যাতায়াত করতেন। তাঁরা সুযোগ ও মর্যাদার সন্ধানে এসেছিলেন। আর ভারতে এসে তাঁরা আমাদেরই একজন হয়ে গিয়েছিলেন।” তিনি বলেন, “ইহুদি সম্প্রদায় ভারতে নির্যাতন বা বৈষম্যের ভয় ছাড়াই বসবাস করেছে। তারা নিজেদের ধর্মবিশ্বাস রক্ষা করেছে এবং সমাজ গঠনে পূর্ণভাবে অংশগ্রহণ করেছে। এই ইতিহাস আমাদের গর্বের বিষয় (PM Modi)।”

    ইহুদিদের অবদান

    প্রধানমন্ত্রী জানান, মহারাষ্ট্রের বেনে ইজরায়েল, কেরলের কোচিনি ইহুদি, কলকাতা ও মুম্বইয়ের বাগদাদি ইহুদি এবং উত্তর-পূর্ব ভারতের বনে মেনাশে—এঁরা সবাই ভারতের সমৃদ্ধিতে অবদান রেখেছেন (India Israel Link)। তিনি বলেন, “আমার নিজ রাজ্য গুজরাটে বেনে ইজরায়েলি এক পরিবার—মিস্টার ও মিসেস বেস্ট—একটি স্কুল প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এটি একটি চমৎকার বিদ্যালয়, এবং অবশ্যই এর নাম ‘বেস্ট স্কুল’!” প্রধানমন্ত্রী জানান, এডউইন মায়ার্স ভারতের ফিল্মস ডিভিশনকে রূপ দিয়েছিলেন এবং ভারতীয় চলচ্চিত্রের ইতিহাসে তিনি ছিলেন এক বিশাল ব্যক্তিত্ব। ডক্টর রিউবেন ডেভিড ছিলেন আহমেদাবাদের কঙ্কারিয়া চিড়িয়াখানার প্রতিষ্ঠাতা। অভিনেতা ডেভিড আব্রাহাম চেউলকর, যিনি ‘আঙ্কল ডেভিড’ নামে পরিচিত, সারা দেশে এক পরিচিত নাম হয়ে ওঠেন। ওয়াল্টার কাউফম্যান অল ইন্ডিয়া রেডিওর স্বাক্ষর সুর রচনা করেন। ডেভিড সাসুন বহু প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন, যা আজও ভারতীয় সমাজকে সেবা দিয়ে যাচ্ছে (PM Modi)।

    প্রাণবন্ত ইহুদি সম্প্রদায়

    তিনি বলেন, “১৯৭১ সালের পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধে লেফটেন্যান্ট জেনারেল জেএফআর জেকবের বীরত্বপূর্ণ অবদান সুপরিচিত। অবসর গ্রহণের পর তাঁর সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার সৌভাগ্য আমার হয়েছিল। বহু কাপ চায়ের আড্ডায় আমরা ভারত-ইজরায়েল সম্পর্ক-সহ নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছি। আরও অগণিত ব্যক্তি আছেন, যাঁদের অবদান ভারতের (PM Modi) সমৃদ্ধ জীবনবুননে গাঁথা রয়েছে (India Israel Link)।” প্রধানমন্ত্রী জানান, বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সময়ে বহু ভারতীয় ইহুদি ইজরায়েলে পাড়ি জমান। তিনি বলেন, “আজ এখানে ভারতীয় বংশোদ্ভূত এক প্রাণবন্ত ইহুদি সম্প্রদায় বাস করছে। তাঁরা আধুনিক ইজরায়েল গঠনে—গবেষণাগার ও হাসপাতাল, শ্রেণিকক্ষ এবং যুদ্ধক্ষেত্র—সব জায়গায় অবদান রেখেছেন। তাঁরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে, ইজরায়েল তাঁদের পিতৃভূমি, ভারত তাদের মাতৃভূমি। আমরা তাঁদের নিয়ে গর্বিত।”

    ইজরায়েল-ভারত সম্পর্ক

    তিনি (PM Modi) বলেন, “এই ভূমির সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক রক্ত ও আত্মত্যাগেও লেখা আছে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময় এই অঞ্চলে চার হাজারেরও বেশি ভারতীয় সৈনিক প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিলেন। ১৯১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাসে হাইফায় অশ্বারোহী বাহিনীর আক্রমণ সামরিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় (India Israel Link)।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “মেজর ঠাকুর দলপত সিং, যিনি ‘হাইফার নায়ক’ হিসেবে স্মরণীয়, এই যৌথ ইতিহাসের প্রতীক।” তিনি এও বলেন, “আমার শেষ সফরে ভারতীয় সৈনিকদের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানাতে পেরে আমি গভীরভাবে আবেগাপ্লুত হয়েছিলাম।”

    হলোকাস্ট

    প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, গত মাসে আন্তর্জাতিক হলোকাস্ট স্মরণ দিবস পালন করেছে বিশ্ব। তিনি বলেন, “হলোকাস্ট মানব ইতিহাসের সবচেয়ে অন্ধকার অধ্যায়গুলির একটি। তবু সেই অস্থির সময়েও মানবতার কিছু উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত দেখা গিয়েছিল। গুজরাটের নওয়ানগড়ের মহারাজা, যিনি জাম সাহেব নামেও পরিচিত, পোলিশ শিশুদের, যাদের মধ্যে ইহুদি শিশুরাও ছিল, আশ্রয় দিয়েছিলেন, যখন তাদের যাওয়ার আর কোথাও ছিল না। আমি জেনেছি, সম্প্রতি মোশাভ নেভাতিমে জাম সাহেবের একটি মূর্তি উন্মোচন করা হয়েছে (India Israel Link)। এই সম্মান ও স্মরণার্থে আপনাদের ধন্যবাদ (PM Modi)।”

  • Ramakrishna 591: “বিশ্বাস যত বাড়বে, জ্ঞানও তত বাড়বে, যে গরু বেছে বেছে খায় সে ছিড়িক ছিড়িক করে দুধ দেয়”

    Ramakrishna 591: “বিশ্বাস যত বাড়বে, জ্ঞানও তত বাড়বে, যে গরু বেছে বেছে খায় সে ছিড়িক ছিড়িক করে দুধ দেয়”

    ৫২ শ্যামপুকুর বাটীতে ভক্তসঙ্গে ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ

    অষ্টম পরিচ্ছেদ

    ১৮৮৫, ২২শে অক্টোবর

    অবতারকথাপ্রসঙ্গে—অবতার ও জীব

    সায়েন্স—না মহাপুরুষের বাক্য? 

    ঈশান (ডাক্তারের প্রতি)—আপনি অবতার মানছেন না কেন? এই বললেন, যিনি আকার করেছেন তিনি সাকার, যিনি মন করেছেন তিনি নিরাকার। এই আপনি বললেন (Kathamrita), ঈশ্বরের কাণ্ড হতে পারে।

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) হাসিতে হাসিতে—ঈশ্বর অবতার হতে পারেন, এ-কথা যে ওঁর সায়েন্স-এ (ইংরাজী বিজ্ঞানশাস্ত্রে) নাই! তবে কেমন করে বিশ্বাস হয়? (সকলের হাস্য)

    “একটা গল্প শোন—একজন এসে বললে, ওহে! ও-পাড়ায় দেখে এলুম অমুকের বাড়ি হুড়মুড় করে ভেঙে পড়ে গেছে। যাকে ও-কথা বললে, সে ইংরাজী লেখা-পড়া জানে। সে বললে দাঁড়াও, একবার খপরের কাগজখানা দেখি। খপরের কাগজ পড়ে দেখে যে, বাড়ি ভাঙার কথা কিছুই নাই। তখন সে ব্যক্তি বললে, ওহে তোমার কথায় আমি বিশ্বাস করি না। কই, বাড়ি ভাঙার কথা তো খপরের কাগজে লেখা নাই। ও-সব মিছে কথা।” (সকলের হাস্য)

    গিরিশ (ডাক্তারের প্রতি)—আপনার শ্রীকৃষ্ণকে ঈশ্বর মানতে হবে। আপনাকে মানুষ মানতে দেব না। বলতে হবে Demon or God (হয় শয়তান, নয় ঈশ্বর)।

    সরলতা ও ঈশ্বরে বিশ্বাস

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna) সরল না হলে ঈশ্বরে চট করে বিশ্বাস হয় না। বিষয়বুদ্ধি থেকে ঈশ্বর অনেক দূর। বিষয়বুদ্ধি থাকলে নানা সংশয় উপস্থিত হয়, আর নানারকম অহংকার এসে পড়ে — পাণ্ডিত্যের অহংকার, ধনের অহংকার — এই সব। ইনি (ডাক্তার) কিন্তু সরল।

    গিরিশ (ডাক্তারের প্রতি) — মহাশয়! কি বলেন (Kathamrita)? কুরুটের কি জ্ঞান হয়?

    ডাক্তার — রাম বলো! তাও কখন হয়!

    শ্রীরামকৃষ্ণ (Ramakrishna)—কেশব সেন কি সরল ছিল! একদিন ওখানে (রাসমণির কালীবাড়িতে) গিছিল। অতিথিশালা দেখে বেলা চারটের সময় বলে, হাঁগা অতিথি-কাঙালদের কখন খাওয়া হবে?

    “বিশ্বাস যত বাড়বে, জ্ঞানও তত বাড়বে। যে গরু বেছে বেছে (Kathamrita) খায় সে ছিড়িক ছিড়িক করে দুধ দেয়। যে গরু শাকপাতা, খোসা, ভুষি, যা দাও, গবগব করে খায়, সে গরু হুড়হুড় করে দুধ দেয়। (সকলের হাস্য)

    “বালকের মতো বিশ্বাস না হলে ঈশ্বরকে পাওয়া যায় না। মা বলেছেন, ‘ও তোর দাদা’ বালকের অমনি বিশ্বাস যে, ও আমার ষোল আনা দাদা। মা বলেছেন, ‘জুজু আছে।’ ষোল আনা বিশ্বাস যে, ও-ঘরে জুজু আছে। এইরূপ বালকের ন্যায় বিশ্বাস দেখলে ঈশ্বরের দয়া হয়। সংসার বুদ্ধিতে ঈশ্বরকে পাওয়া যায় না।”

  • Election Commission: মনোনয়ন পর্ব থেকেই বিধানসভা ভিত্তিক অবজারভার নজরদারি করবে, জানাল কমিশন

    Election Commission: মনোনয়ন পর্ব থেকেই বিধানসভা ভিত্তিক অবজারভার নজরদারি করবে, জানাল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যেক বিধানসভার জন্য অবজারভার নিয়োগ করা হবে। ভোটের বিজ্ঞপ্তির দিন থেকেই বেশ কিছু কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক (Central Observers) এই রাজ্যে আসবেন। প্রত্যকে বিধানসভায় চূড়ান্ত নজরদারিতে অন্ততপক্ষে একজন করে পর্যবেক্ষক থাকতে চলেছে। বিধানসভা ভোটে মনোনয়ন প্রক্রিয়াও চলবে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকদের নজরদারিতেই। বাংলা-সহ ৫ রাজ্যেই ফর্মুলা নির্বাচন কমিশনের। দেশে মোট ১ হাজার ৪৪৪ জন অফিসারকে ট্রেনিং দিচ্ছে কমিশন (Election Commission)।

    ২৯৪ টি কেন্দ্রেই বিধানসভা ভিত্তিক পর্যবেক্ষক

    পুরনো অভিজ্ঞার ভিত্তিতে নির্বাচন কমিশন (Election Commission) দেখেছে, মনোনয়ন পর্ব থেকে বাংলার একাধিক জায়গা থেকে অভিযোগ, অশান্তি, বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি হয়েছে। শাসকদলের বিরুদ্ধে জোর করে মনোনয়নপত্র প্রত্যহার করা শুরু থেকে রাজনৈতিক হিংসারও অভিযোগ ওঠে। গত বিধানসভা নির্বাচনে মনোনয়ন পর্ব থেকেই বিরোধীদের ব্যাপক ভাবে টার্গেট করেছিল দুষ্কৃতীরা। মনোনয়ন জমা, ভোট গ্রহণ এবং ফলাফল ঘোষণা পর্যন্ত  হিংসা-সন্ত্রাসের বাতাবরণ পর্যন্ত ব্যাপক হিংসার ঘটনা ঘটেছিল। এবার জাতীয় নির্বাচন কমিশন সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিজ্ঞপ্তি যেদিন জারি করা হবে, সেদিন থেকেই প্রায় ২৯৪ টি কেন্দ্রেই বিধানসভা ভিত্তিক আলাদা আলাদা করে কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষকরা (Central Observers)  থাকবেন। নির্বাচনকে হিংসা মুক্ত করাই নির্বাচন কমিশনের প্রধান কাজ বলে জানিয়েছে জাতীয় নির্বাচন কমিশন।

    তামিলনাড়ু, কেরল,  অসম, পুদুচেরিতেও পর্যবেক্ষক

    কামিশনের (Election Commission) সাফ কথা, সিদ্ধান্ত যে কেবল পশ্চিমবঙ্গের ক্ষেত্রে কার্যকর হচ্ছে, তেমনটা নয়। মোট ১৪৪৪ জন আইপিএস, আইএএস,  আইআরএস অফিসারদের গত কয়েকদিন ধরে ক্রমাগত প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। তাঁদের তামিলনাড়ু, কেরল,  অসম, পুদুচেরিতে নিয়োগ করা হবে। এই আধিকারিকদের মধ্যে আইপিএস অফিসারদের পুলিশ অবজারভার হিসাবে ব্যবহার করা হবে বলে জানা গিয়েছে। আইএএস পর্যমর্যাদার আধিকারিকদের (Central Observers) জেনারেল অফিসার হিসাবে ব্যবহার করা হবে। কমিশন আরও জানিয়েছে, রেভিনিউ অর্থাৎ আর্থিক ক্ষেত্রে নজরদারির জন্য আইআরএস অফিসারদের ব্যবহার করা হবে। মনোনয়ন পর্ব থেকে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়া পর্যন্ত গোটা প্রক্রিয়ায় নজরদারি রাখবেন বলে জানা গিয়েছে।

  • PM Modi: ইজরায়েলে পৌঁছলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী, বিমানবন্দরেই বৈঠক নেতানিয়াহুর সঙ্গে

    PM Modi: ইজরায়েলে পৌঁছলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী, বিমানবন্দরেই বৈঠক নেতানিয়াহুর সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ইজরায়েলের তেল আভিভে পৌঁছেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ইজরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর আমন্ত্রণে এই সফর মোদির। সফরের লক্ষ্য হল দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান দৃঢ় ও বহুমাত্রিক কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও শক্তিশালী করা (Israel)।

    গার্ড অব অনার (PM Modi)

    বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে পৌঁছনোর পর প্রধানমন্ত্রী মোদিকে গার্ড অব অনার দেওয়া হয়। প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু তাঁর স্ত্রী সারা নেতানিয়াহুকে সঙ্গে নিয়ে ব্যক্তিগতভাবে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে গিয়েছিলেন, যা দুই নেতার ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিগত সম্পর্কের ইঙ্গিত দেয়। বিমানবন্দরে পৌঁছেই দুই প্রধানমন্ত্রী উষ্ণ আলিঙ্গন বিনিময় করেন। ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত রিউভেন আজারও প্রধানমন্ত্রী মোদিকে স্বাগত জানাতে বিমানবন্দরে উপস্থিত ছিলেন। সফরের আগে দেওয়া এক বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি এই সফরকে দুই দেশের দৃঢ় ও বহুমাত্রিক কৌশলগত অংশীদারিত্বকে আরও গভীর করার একটি সুযোগ হিসেবে উল্লেখ করেন (PM Modi)।

    বিমানবন্দরেই বৈঠক

    বিবৃতিতে বলা হয়, “ভারত ও ইজরায়েলের মধ্যে দৃঢ় ও বহুমাত্রিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব রয়েছে, যা সাম্প্রতিক বছরগুলিতে উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধি ও গতিশীলতার সাক্ষী হয়েছে।” এতে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের ক্রমবর্ধমান অগ্রগতির কথাও তুলে ধরা হয়। প্রধানমন্ত্রী এও বলেন, “বিভিন্ন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণের লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুর সঙ্গে আলোচনার অপেক্ষায় আছি (PM Modi)।” এদিন, বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরে মোদিকে আনুষ্ঠানিক স্বাগত অনুষ্ঠান শেষে, ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং সফররত ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি জেরুজালেমে মোদির কেনেসেট ভাষণের আগে বিমানবন্দরেই একটি বৈঠকে বসেন (Israel)।

    প্রকৃত বন্ধুত্ব

    নেতানিয়াহু হাস্যোজ্জ্বল ভঙ্গিতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, “এটি একটি বন্ধন, একটি প্রকৃত বন্ধুত্ব।” দফতরের প্রকাশিত ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, তিনি মোদিকে “আমার মহান বন্ধু” বলে সম্বোধন করেন, যার জবাবে মোদি হেসে প্রতিক্রিয়া জানান (PM Modi)। এক্স হ্যান্ডেলে প্রধানমন্ত্রী লেখেন, “ইসরায়েলে পৌঁছেছি। বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু ও মিসেস নেতানিয়াহুর পক্ষ থেকে আমাকে অভ্যর্থনা জানানোয় আমি অত্যন্ত সম্মানিত বোধ করছি। দ্বিপাক্ষিক আলোচনা ও ফলপ্রসূ ফলাফলের মাধ্যমে ভারত-ইসরায়েল বন্ধুত্ব আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যে আমি আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করছি।”

     

  • Israels: ভারতকে সঙ্গে নিয়ে হেক্সাগন প্রস্তাব নেতানিয়াহুর, প্রমাদ গুণছে পাকিস্তান!

    Israels: ভারতকে সঙ্গে নিয়ে হেক্সাগন প্রস্তাব নেতানিয়াহুর, প্রমাদ গুণছে পাকিস্তান!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্যালেস্তাইন প্রশ্নে ইসলামাবাদের আপসহীন অবস্থান এবং ইজরায়েলের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা ‘হেক্সাগন অব অ্যালায়ান্সেস’ প্রস্তাবের (Israels) বিরোধিতাকে আরও উসকে দিল। ইজরায়েল প্রস্তাবিত নতুন কৌশলগত কাঠামো ‘হেক্সাগন অব অ্যালায়ান্সেসে’ ভারতকে প্রকাশ্যে একটি (Pakistan) গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে, যা পাকিস্তানে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে। এতে পশ্চিম এশিয়া এবং তার বাইরেও পরিবর্তিত শক্তির সমীকরণ নিয়ে ইসলামাবাদের গভীর অস্বস্তি স্পষ্ট হয়েছে।

    ইসলামাবাদের প্রতিক্রিয়া (Israels)

    ইসলামাবাদের প্রতিক্রিয়া ছিল অস্বাভাবিক দ্রুত এবং কঠোর ভাষায়। মঙ্গলবার পাকিস্তানের পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সেনেট ‘হেক্সাগন অব অ্যালায়ান্সেস’ প্রত্যাখ্যান করে একটি প্রস্তাব পাস করেছে বলে পাক সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর। সেনেট এই পরিকল্পনাকে অভিহিত করেছে “ইজরায়েলি দখলদার শক্তির নেতৃত্বের এক নিকৃষ্ট প্রবণতা, যা রাজনৈতিক ও আদর্শের ভিত্তিতে মুসলিম উম্মাহর ঐক্য ও অখণ্ডতাকে ক্ষুণ্ন করতে চায়।” প্রস্তাবটি উত্থাপন করেন পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) পালওয়াশা মোহাম্মদ জাই খান। প্রস্তাবটি সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়, যা এই উদ্যোগের নিন্দায় বিরল রাজনৈতিক ঐক্যের ইঙ্গিত দেয়। প্রস্তাব নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে পিপিপির এক নেতা বলেন, “ইসলামাবাদ ইজরায়েলি নেতৃত্বের অব্যাহত উসকানিমূলক পদক্ষেপ ও বিবৃতির তীব্র নিন্দা জানায়, যা আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক শান্তি ও স্থিতিশীলতাকে হুমকির মুখে ফেলছে, বিশেষ করে মুসলিম দেশগুলির বিরুদ্ধে জোট গঠনের সাম্প্রতিক বক্তব্য (Israels)।”

    পাকিস্তানের সেনেটে নিন্দা

    পাকিস্তানের সেনেট শুধু জোট কাঠামোর নিন্দাতেই থেমে থাকেনি। ডন পত্রিকার প্রতিবেদন অনুযায়ী, তারা “ভ্রাতৃপ্রতিম ইসলামি দেশগুলির সার্বভৌমত্ব, ঐক্য ও ভৌগোলিক অখণ্ডতা খর্ব করার যে কোনও ইজরায়েলি প্রচেষ্টা প্রত্যাখ্যান করেছে (Pakistan)।” প্রস্তাবে ইজরায়েলের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক পদক্ষেপ—সোমালিল্যান্ডকে সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার সিদ্ধান্ত—নিয়েও তীব্র সমালোচনা করা হয়। ২০২৫ সালের ডিসেম্বর মাসে ইজরায়েল বিচ্ছিন্নতাবাদী অঞ্চল সোমালিল্যান্ডকে স্বীকৃতি দেয়। এর পর পাকিস্তান অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশন (ওআইসি) এবং আরও ২০টিরও বেশি দেশের সঙ্গে একযোগে এই পদক্ষেপ প্রত্যাখ্যান করে, একে “আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি প্রকাশ্য ও স্পষ্ট অবজ্ঞা” বলে অভিহিত করে। সেনেট প্যালেস্তাইনের “অবিচ্ছেদ্য” আত্মনিয়ন্ত্রণ অধিকারের প্রতি ইসলামাবাদের “অটল” সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে এবং ১৯৬৭-পূর্ব সীমান্তের ভিত্তিতে পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানী করে একটি “স্বাধীন, কার্যকর ও ভৌগোলিকভাবে সংযুক্ত” প্যালেস্তাইন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানায়। পাশাপাশি “অধিকৃত অঞ্চল” থেকে পূর্ণ ইজরায়েলি প্রত্যাহারের দাবিও জানানো হয় (Israels)।

    ‘হেক্সাগন অব অ্যালায়ান্সেস’

    ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সফরের আগে নিরাপত্তা সহযোগিতা জোরদারের কৌশলগত ভিশনের অংশ হিসেবে ‘হেক্সাগন অব অ্যালায়ান্সেস’ ধারণা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, “এটি এমন দেশগুলিকে একত্রিত করবে যারা পশ্চিম এশিয়া ও তার আশপাশে উগ্রবাদী শক্তি ও অন্যান্য নিরাপত্তা হুমকি সম্পর্কে একই মনোভাব পোষণ করে (Pakistan)। প্রস্তাবিত জোটে ইজরায়েল, ভারত, গ্রিস ও সাইপ্রাসের পাশাপাশি কয়েকটি আরব, আফ্রিকান ও এশীয় দেশ অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে। দ্য টাইমস অব ইসরায়েলের উদ্ধৃতি অনুযায়ী, নেতানিয়াহু বলেন, “আমার দৃষ্টিভঙ্গিতে আমরা পশ্চিম এশিয়ার ভেতরে বা চারপাশে এক ধরনের ‘হেক্সাগন’ জোটব্যবস্থা গড়ে তুলব।” তিনি আরও বলেন, “উদ্দেশ্য হল এমন একটি দেশসমূহের অক্ষ তৈরি করা, যারা বাস্তবতা, চ্যালেঞ্জ ও লক্ষ্য নিয়ে একমত—উগ্র শিয়া অক্ষ, যাকে আমরা কঠোরভাবে আঘাত করেছি, এবং উদীয়মান উগ্র সুন্নি অক্ষের বিরুদ্ধে।”

    জোটের কাজ

    এই জোট তিনটি মূল ক্ষেত্রে কাজ করবে—অর্থনৈতিক সহযোগিতা, কূটনৈতিক সমন্বয় ও নিরাপত্তা সহযোগিতা। বিশ্লেষকদের মতে, এটি ভারত–মধ্যপ্রাচ্য–ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডরের মতো উদ্যোগের তুলনায় অনেক বেশি নিরাপত্তা-কেন্দ্রিক। ইজরায়েলি নেতৃত্ব এটিকে ইরান ও তার আঞ্চলিক নেটওয়ার্ক—যেমন হিজবুল্লাহ ও হুথি, যাদের সম্মিলিতভাবে “অ্যাক্সিস অব রেজিস্ট্যান্স” বলা হয়—এর প্রভাব মোকাবিলার দীর্ঘমেয়াদি কাঠামো হিসেবে দেখছে। ইসলামাবাদের উদ্বেগের মূল কারণ হল ‘হেক্সাগন অব অ্যালায়ান্সেসে’ ভারতকে একটি কৌশলগত স্তম্ভ হিসেবে প্রকাশ্যে উল্লেখ করা। পাকিস্তান মনে করে, ইসরায়েল-সহ অন্যান্য দেশের সঙ্গে ভারতের বাড়তে থাকা নিরাপত্তা (Israels) সহযোগিতা পশ্চিম এশিয়ায় তাদের নিজস্ব প্রভাবের জন্য সরাসরি চ্যালেঞ্জ এবং ইসলামাবাদের দৃষ্টিতে মুসলিম ঐক্যের ধারণা থেকে সরে যাওয়া (Pakistan)।

    কূটনৈতিক পরিসর সম্প্রসারণ

    পাকিস্তানের শাসক জোট এই জোট কাঠামোকে সৌদি আরব ও তুরস্ককে ঘিরে আঞ্চলিক সমীকরণের পরিবর্তনের সঙ্গেও যুক্ত করছে। নেতানিয়াহুর এই ঘোষণা আসে ইজরায়েল–ইরান উত্তেজনা বৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে এবং যখন পাকিস্তান ও সৌদি আরব নিজেদের যৌথ নিরাপত্তা ব্যবস্থার দিকে এগোচ্ছে। পাকিস্তানে জাতীয় প্রতিক্রিয়াগুলি প্যালেস্তাইনি সার্বভৌমত্বের প্রতি দীর্ঘদিনের দৃঢ় সমর্থন এবং অধিকৃত অঞ্চলে ইজরায়েলি পদক্ষেপকে বৈধতা দেওয়ার যে কোনও উদ্যোগের বিরোধিতার ধারাবাহিকতাই প্রতিফলিত করে। প্যালেস্তাইন ইস্যুতে ইসলামাবাদের আপসহীন অবস্থান এবং ইজরায়েলের সাম্প্রতিক কূটনৈতিক পদক্ষেপের সমালোচনা ‘হেক্সাগন’ প্রস্তাবের বিরোধিতাকে আরও জোরদার করেছে (Israels)। ইজরায়েলের কাছে ‘হেক্সাগন অব অ্যালায়ান্সেস’ হল বৈরী শক্তির বিরুদ্ধে একটি কৌশলগত ভারসাম্য রক্ষাকারী কাঠামো এবং অস্থির অঞ্চলে কূটনৈতিক পরিসর সম্প্রসারণের অংশ। ভারতের জন্য এই কাঠামোয় অন্তর্ভুক্তি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের বাইরে গিয়ে বহুপাক্ষিক কৌশলগত অংশীদারিত্বের ইঙ্গিত বহন করে।

    পাকিস্তানের উদ্বেগ

    পাকিস্তানের উদ্বিগ্ন প্রতিক্রিয়া ইঙ্গিত দেয় যে ইসলামাবাদ শুধু বিরক্তই নয়, বরং এটিকে আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্যে কাঠামোগত পরিবর্তন হিসেবেই দেখছে—যা মুসলিম দেশগুলির মধ্যে পাকিস্তানের কূটনৈতিক অবস্থানকে দুর্বল করতে পারে। এই কাঠামো ভবিষ্যতে আনুষ্ঠানিক নিরাপত্তা জোটে রূপ নিক বা কেবল সহযোগিতার ধারণাগত প্ল্যাটফর্ম হিসেবেই থাকুক—এর রাজনৈতিক প্রতিধ্বনি ইতিমধ্যেই তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি করেছে, বিশেষ করে (Pakistan) ইসলামাবাদের মতো রাজধানীগুলিতে, যেখানে একে মুসলিম ঐক্য ও আঞ্চলিক ভারসাম্যের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে (Israels)।

     

  • PM Modi: প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইজরায়েলি সংসদে ভাষণ মোদির, তেরঙায় সেজে উঠেছে ‘নেসেট’

    PM Modi: প্রথম ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইজরায়েলি সংসদে ভাষণ মোদির, তেরঙায় সেজে উঠেছে ‘নেসেট’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দু’দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে ইজরায়েলে পৌঁছলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ২০১৭ সালের ঐতিহাসিক সফরের পর এটি তাঁর দ্বিতীয় ইজরায়েল সফর। বুধবার বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Benjamin Netanyahu) ও তাঁর স্ত্রী সারা। প্রধানমন্ত্রী মোদিকে বরণ করতে গোটা ইজরায়েল জুড়ে প্রস্তুতি চলছে। এই সফরে মোদি ইজরায়েলের সংসদ ‘নেসেট’-এ ভাষণ দেবেন। ইজরায়েলের আইনসভায় ভাষণ দেওয়া তিনিই হবেন প্রথম ভারতীয় নেতা। ইজরায়েলের সংসদ ভবন ত্রিবর্ণ পতাকার রঙে সজ্জিত করা হয়েছে। ২৬ ফেব্রুয়ারি মোদি ইয়াদ ভাশেমে—ইজরায়েলের হলোকস্ট স্মৃতিসৌধে—গিয়ে অ্যাডলফ হিটলারের নাৎসি জমানায় নিহত ৬০ লক্ষ ইহুদির প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। এরপর তিনি ইজরায়েলের প্রেসিডেন্ট আইজ্যাক হারজগের সঙ্গে বৈঠক করে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা, পশ্চিম এশিয়ার উত্তেজনা এবং বৈশ্বিক নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করবেন।

    মোদি জমানায় ভারত-ইজরায়েল নৈকট্য (PM Modi)

    ১৯৫০ সালে ইজরায়েলকে স্বীকৃতি দেয় ভারত। যদিও তার পরেও কয়েক দশক ধরে সম্পর্ক ছিল সতর্ক ও সীমিত। মোদির আমলে সেই অবস্থার আমূল পরিবর্তন ঘটে (Benjamin Netanyahu)। ২০১৭ সালে তাঁর সফর ছিল প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর ইজরায়েল সফর, যা লো-প্রোফাইল সম্পর্ক থেকে প্রকাশ্য কৌশলগত অংশীদারিত্বে উত্তরণের সূচনা করে। এরপর থেকে প্রতিরক্ষা, গোয়েন্দা সহযোগিতা, উদ্ভাবন, কৃষি ও উচ্চপ্রযুক্তি ক্ষেত্রে সহযোগিতা উল্লেখযোগ্যভাবে বিস্তৃত হয়েছে। ২০১৭ সালের সফর ছিল একটি মোড় পরিবর্তনের মুহূর্ত (PM Modi)।

    “দুই বৈশ্বিক নেতার শক্তিশালী জোট”

    নেতানিয়াহু একাধিকবার মোদিকে “প্রিয় বন্ধু” এবং ভারত-ইজরায়েল সম্পর্ককে “দুই বৈশ্বিক নেতার শক্তিশালী জোট” বলে বর্ণনা করেছেন—যা ইজরায়েলে দলীয় বিভাজন পেরিয়ে সাড়া ফেলেছে। প্রতিরক্ষা আধুনিকীকরণ, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (FTA) নিয়ে আলোচনা এবং আঞ্চলিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে এই সফর আগামী দশকের জন্য ভারত-ইজরায়েল কৌশলগত সহযোগিতাকে নতুনভাবে সংজ্ঞায়িত করতে পারে। নেসেটে ভাষণ এবং উচ্চপর্যায়ের প্রতিরক্ষা ও বাণিজ্য আলোচনার ফল পশ্চিম এশিয়া এবং তার বাইরেও ভারতের কৌশলগত অবস্থানকে উল্লেখযোগ্যভাবে প্রভাবিত করতে পারে (Benjamin Netanyahu)।

    মোদির বক্তব্য শোনার অপেক্ষায় ইজরায়েলের বিরোধী দলও

    ইজরায়েলের বিরোধী শিবির আনুষ্ঠানিকভাবে প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুকে চলমান রাজনৈতিক সঙ্কট মেটানোর আহ্বান জানায় যাতে তারা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেসেট ভাষণে উপস্থিত থাকতে পারে। আজকের মেরুকৃত বিশ্বে এটি একটি বিরল ঘটনা। বিরোধী দলনেতা নেতানিয়াহুকে চিঠি লিখে অনুরোধ করেন, যেন মোদির সংসদীয় ভাষণে বিরোধীদের অংশগ্রহণ নিশ্চিত করা হয় এবং রাজনৈতিক অচলাবস্থা যেন জাতীয় গুরুত্বের মুহূর্তকে ক্ষুণ্ণ না করে। চিঠিতে বলা হয়, “এমন এক ঐতিহাসিক ভাষণে নেসেট যেন বিরোধী দলের উপস্থিতি থেকে বঞ্চিত না হয় (PM Modi)।”

    অস্থির অঞ্চলে ধারাবাহিকতার প্রতীক মোদি

    এই ঘটনাই প্রমাণ করে যে, ইজরায়েলে মোদিকে কেবল দলীয় রাজনীতির সংকীর্ণ দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখা হয় না, তাঁকে কৌশলগত ধারাবাহিকতার প্রতীক হিসেবে বিবেচনা করা হয়। ইজরায়েলের রাজনৈতিক পরিসর জুড়ে মোদি এমন এক নেতা হিসেবে সম্মান পান, যিনি ভারত-ইজরায়েল সম্পর্ককে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছেন, সংকটের সময় ইজরায়েলের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছেন, আবার একইসঙ্গে প্যালেস্তাইন ইস্যু ও গাজায় মানবিক উদ্বেগের ক্ষেত্রে ভারতের নীতিগত অবস্থানও বজায় রেখেছেন। এই ভারসাম্য তাঁকে একক কোনও ইজরায়েলি সরকারের গণ্ডির বাইরে গ্রহণযোগ্যতা দিয়েছে (Benjamin Netanyahu)। নেতানিয়াহুর কাছে মোদি একটি অস্থির অঞ্চলে ধারাবাহিকতার প্রতীক, বিরোধী শিবিরের কাছে তিনি সরকার-নিরপেক্ষ এক দীর্ঘমেয়াদি অংশীদারিত্বের প্রতীক। তাই মোদির নেসেট ভাষণের সময় বিরোধী নেতারাও উপস্থিত থাকতে চান। তাঁর ভাষণকে দলীয় রাজনৈতিক মুহূর্ত হিসেবে নয়, বরং ইজরায়েলের দীর্ঘমেয়াদি কৌশলগত স্বার্থের দিকনির্দেশক বক্তব্য হিসেবেই দেখা হচ্ছে (PM Modi)।

     

  • Indus Water Treaty: স্থগিত সিন্ধু জলচুক্তি, হিমালয় অঞ্চলের বিভিন্ন নদীতে ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু

    Indus Water Treaty: স্থগিত সিন্ধু জলচুক্তি, হিমালয় অঞ্চলের বিভিন্ন নদীতে ড্রেজিংয়ের কাজ শুরু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্থগিত হয়ে গিয়েছে সিন্ধু জলচুক্তি। তার পর এই প্রথমবার চুক্তির আওতাভুক্ত চেনাব-সহ হিমালয় অঞ্চলের নদীগুলিতে পলি সরানোর কাজ এগোচ্ছে দ্রুত গতিতে। সংবাদ মাধ্যম সূত্রে খবর, বহু দশকের পরিচালনাগত বিধিনিষেধের পর চেনাব নদীতে এখন ড্রেজিং শুরু হয়েছে, যা একটি গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি। চুক্তির বিধান অনুযায়ী স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া ছ’টি আন্ডার-স্লুইস গেট থেকে পলি সরিয়ে সেগুলি ফের চালু করতে টেন্ডার ডাকা হয়েছে। চুক্তি স্থগিতের প্রভাব সবচেয়ে স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে চেনাব নদীর ওপর জম্মু ও কাশ্মীরের রিয়াসি জেলায় অবস্থিত সালাল বিদ্যুৎকেন্দ্রে।

    এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টরের বক্তব্য (Indus Water Treaty)

    সংবাদমাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে সালাল পাওয়ার স্টেশনের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর অনীশ গৌরাহা বলেন, “সিন্ধু জল চুক্তি স্থগিত হওয়ার পর আমরা বিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যক্ষমতা বাড়াতে একটি কার্যকর পলি ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছি।” তিনি বলেন, “এতে বিদ্যুৎ উৎপাদন কতটা বাড়বে তা এখনই বলা কঠিন, তবে যন্ত্রাংশের ক্ষয়ক্ষতি অবশ্যই কমবে। পলি ব্যবস্থাপনা পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান কাজ হল ড্রেজিং। এর মাধ্যমে যতটা সম্ভব পলি সরিয়ে ক্ষয়ক্ষতি কমানোর লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে। ফ্লাশিং পদ্ধতির মাধ্যমে পলি কমানোর পরিকল্পনাও করা হচ্ছে।” আগের সীমাবদ্ধতার কথা উল্লেখ করে গৌরাহা বলেন, “সিন্ধু জল চুক্তি কার্যকর থাকাকালীন আমরা এই ধরনের পদক্ষেপ করতে পারতাম না। উদাহরণস্বরূপ, চুক্তির শর্তে পলি অপসারণের জন্য ড্র-ডাউন ফ্লাশিং বা ড্রেজিং করার অনুমতি ছিল না।”

    ছ’টি আন্ডার-স্লুইস স্থায়ীভাবে বন্ধ

    সালাল কংক্রিট বাঁধটি মূলত পলি নিয়ন্ত্রণের জন্য ছ’টি আন্ডার-স্লুইস গেট-সহ নির্মিত হয়েছিল। তবে ১৯৬০ সালে স্বাক্ষরিত চুক্তি এবং পরবর্তী ১৯৭৮ সালের এক চুক্তির অধীনে এই ছ’টি আন্ডার-স্লুইস স্থায়ীভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয় এবং সিল্ট এক্সক্লুডার গেট পরিচালনা নিষিদ্ধ করা হয়। ফলে কোনও কার্যকর পলি ব্যবস্থাপনা ব্যবস্থা না থাকায় কয়েক দশক ধরে জলাধারে পলি জমতে থাকে। এখন সেই ক্ষতি পুষিয়ে নিতে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গৌরাহা বলেন, “আন্ডার-স্লুইস গেটগুলি ফের সচল করতে আমরা দরপত্র আহ্বান করেছি এবং সে বিষয়ে কাজ শুরু হয়েছে।” ২০২৫ সালের মে মাসে পরিচালিত এক সমীক্ষা অনুযায়ী, জলাধারের মূল ধারণক্ষমতা ছিল ২৮৪ মিলিয়ন ঘনমিটার, যা কমে মাত্র ৯.৯১ এমসিএমে নেমে এসেছিল। চুক্তি স্থগিত এবং পলি অপসারণ কাজ শুরু হওয়ার পর ২০২৬ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত সেই ধারণক্ষমতা বেড়ে ১৪ এমসিএম হয়েছে।

    পলি অপসারণের জন্য এনওসি জারি

    কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, “সালাল বাঁধের জলাধার থেকে পলি অপসারণের জন্য এনওসি জারি হয়েছে এবং কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১.৭ লাখ মেট্রিক টন পলি ড্রেজিং করে তোলা হয়েছে এবং ৬৮,৪৯০ মেট্রিক টন নিষ্পত্তি করা হয়েছে।” দীর্ঘমেয়াদে বিদ্যুৎকেন্দ্রের কার্যক্ষমতা বাড়াতে জলাধারের ধারণক্ষমতা আরও বাড়ানো এবং পলি ব্যবস্থাপনা জোরদার করার কাজ চলছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।

     

  • Dattatreya Hosabale: “হিন্দু রাষ্ট্রের ধারণা ও ধর্মতাত্ত্বিক রাষ্ট্রের ধারণা এক নয়”, বার্তা দত্তাত্রেয় হোসাবলের

    Dattatreya Hosabale: “হিন্দু রাষ্ট্রের ধারণা ও ধর্মতাত্ত্বিক রাষ্ট্রের ধারণা এক নয়”, বার্তা দত্তাত্রেয় হোসাবলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “হিন্দু রাষ্ট্রের ধারণা এবং ধর্মতাত্ত্বিক রাষ্ট্রের ধারণা এক নয়। হিন্দু রাষ্ট্র হল ধর্মের নীতির উপর ভিত্তি করে তৈরি একটি ধারণা।” এমন কথাই বলেছেন আরএসএসের (RSS) সর কার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale)। মঙ্গলবার সংঘ পরিবারের শতবর্ষ উদযাপনের অংশ হিসেবে কেরলের তিরুবন্তপুরমের  রাজীব গান্ধী সেন্টার ফর বায়োটেকনোলজিতে আয়োজিত ‘ব্লুমিং ভারত: ইয়ং ইন্টেলেকচুয়াল মিট’-এর উদ্বোধনী অধিবেশনে তিনি এই কথা বলেন।

    প্রাচীন রাষ্ট্র ভারতবর্ষ (Dattatreya Hosabale)

    সংঘের (RSS) সর কার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসাবলে (Dattatreya Hosabale) বলেন, “ভারতবর্ষ আমাদের একটি প্রাচীন রাষ্ট্র। কেউ কেউ যুক্তি দেন যে ১৯৪৭ সালে স্বাধীনতা লাভের পরই এটি একটি জাতিতে পরিণত হয়েছিল। রাষ্ট্রের ধারণাটি পশ্চিমাদের জাতির ধারণার মতো ছিল না। কর্নাটকে জন্মগ্রহণকারীদের কাছে কেরল একটি প্রতিবেশী রাজ্য ছিল। তবুও, দুর্ভাগ্যজনক যে কেরলের দর্শকদের সামনে রাষ্ট্রের ধারণাটি একটি বিদেশি ভাষায় উপস্থাপন করতে হয়েছিল। কোনও বিদেশি ভাষাই একটি জাতির ধারণা, তার ঐতিহ্য, সংস্কৃতি এবং দর্শনের সম্পূর্ণ প্রতিনিধিত্ব করতে পারে না।”

    সংস্কৃত হল জাতির ভিত্তি

    সংঘের (RSS) সরকার্যবাহ (Dattatreya Hosabale) আরও বলেন, “সংস্কৃতি হল জাতির ভিত্তি। সরকারের খসড়া বিদ্যুৎ নীতি, সাবারি সোনার খসড়া, ভিঝিনজাম বন্দর চুক্তি এবং আরও অনেক কিছু হিন্দু নামটি সংস্কৃত ভাষা থেকে এসেছে। ব্রিটিশ রাজত্বের সময়ও এটি একটি হিন্দু জাতি ছিল। এর আত্মা আধ্যাত্মিক। যদিও প্রকাশভঙ্গিতে পার্থক্য থাকতে পারে, সংস্কৃতি এক। সঙ্গীত কন্নড় হোক বা হিন্দুস্তানি হোক বা অন্য কোনও রূপ, ভিত্তি হল সাতটি স্বর। রাধা, কৃষ্ণ, শিব এবং পার্বতী ছাড়া কোন নৃত্যধারা বিদ্যমান? ভারতের ঐক্যকে বোঝাতে, সমাজতান্ত্রিক নেতা রাম মনোহর লোহিয়াকে স্মরণ করতে পারি। যিনি উত্তর ও দক্ষিণকে সংযুক্ত করেছিলেন। কৃষ্ণ, যিনি পূর্ব ও পশ্চিমকে সংযুক্ত করেছিলেন। এবং শিব, যিনি সমগ্র জাতিকে প্রভাবিত করেছিলেন।”

    ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গ, ৫২টি শক্তিপীঠ দেশের সংস্কৃতির প্রতীক

    দত্তাত্রেয় (Dattatreya Hosabale) আরও বলেন, “চিনা আক্রমণের সময়, ডিএমকে নেতা আন্নাদুরাই রাজ্যসভায় চিনের বিরুদ্ধে তীব্র বক্তব্য রেখেছিলেন যে হিমালয় হল শিবের আবাসস্থল। মাদুরাইতে এক বক্তৃতায়, পণ্ডিত নেহরু বলেছিলেন যে, তিনি তীর্থযাত্রার মাধ্যমে ভারতকে ঐক্যবদ্ধকারী পূর্বপুরুষদের প্রণাম করেন। ১২টি জ্যোতির্লিঙ্গ, ৫২টি শক্তিপীঠ এবং শঙ্করাচার্য কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত চারটি মঠ ভারতের সংস্কৃতির প্রতিনিধিত্ব করে। বন্দে মাতরম রচনাকারী বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ভারতকে সরস্বতী, লক্ষ্মী এবং দুর্গা হিসাবে উল্লেখ করেছিলেন, যা জ্ঞান, সম্পদ এবং শক্তির প্রতীক। এর কোনওটিই ধর্মীয় নয়। অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি মহম্মদ করিম চাগলা এই কারণে নিজেকে একজন সাংস্কৃতিক হিন্দু বলে ঘোষণা করেছিলেন। ইন্দোনেশিয়া তার ধর্ম পরিবর্তন করেছে কিন্তু তার পূর্বপুরুষদের নয়। তারা রামায়ণকে লালন করে এবং হিন্দুধর্ম হল নীতি ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের একটি ব্যবস্থা।

    এদিনের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ন্যাকের (NAAC) ডিরেক্টর গণেশান কান্নানবীরেন, কেরালা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি মোহনন কুন্নুম্মল, এপিজে আবদুল কালাম টেকনোলজিক্যাল ইউনিভার্সিটির ভিসি সিজা থমাস এবং আরএসএস দক্ষিণ কেরালার আঞ্চলিক সংঘচালক এমএস রমেশান।

  • PM Modi: ‘নমস্তে’! প্রথম পাতা জুড়ে মোদি, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে বিশেষ প্রচ্ছদ ইজরায়েলি পত্রিকার

    PM Modi: ‘নমস্তে’! প্রথম পাতা জুড়ে মোদি, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়ে বিশেষ প্রচ্ছদ ইজরায়েলি পত্রিকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামাম বিশ্বে ক্রমেই গুরুত্ব বাড়ছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। দ্বিতীয়বারের জন্য ইজরায়েলে যাচ্ছেন তিনি। তার আগে ইজরায়েলের সংবাদপত্র ‘দ্য জেরুজালেম পোস্ট  ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে একটি বিশেষ প্রথম পৃষ্ঠা প্রকাশের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পত্রিকার সম্পাদক-ইন-চিফ জিভিকা ক্লাইন ২৪ ফেব্রুয়ারি এক্স হ্যান্ডেলে এই বিষয়টি জানান।

    পত্রিকার সম্পাদকের আবেদন (PM Modi)

    তিনি লিখেছেন, “আগামীকালের পত্রিকা আমরা জেরুজালেমে মুদ্রণের জন্য পাঠিয়েছি, প্রধানমন্ত্রী @নরেন্দ্রমোদির ঐতিহাসিক ইজরায়েল সফর উপলক্ষে—২০১৭ সালের পর এটি তাঁর প্রথম সফর। এই উপলক্ষে এটি আমাদের বিশেষ @জেরুজালেম পোস্ট কভার। আপনাদের কী মনে হয়?” প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাতে পাঠকদের আহ্বানও জানান তিনি। বুধবার ভারতীয় সময় বিকেল প্রায় ৪টায় প্রধানমন্ত্রী মোদি পৌঁছবেন ইজরায়েলে। ২০১৭ সালের পর এটি তাঁর প্রথম ইজরায়েল সফর। সফরকালে তিনি ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা এবং নিরাপত্তা সহযোগিতা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করবেন বলে আশা করা হচ্ছে। তিনি ইজরায়েলের সংসদ ‘কনেসেট’-এ ভাষণও দেবেন, যা হবে সেখানে কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর প্রথম ভাষণ।

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের বক্তব্য

    ভারতের বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, “দুই নেতা ভারত-ইজরায়েল কৌশলগত অংশীদারিত্বে অর্জিত উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, উদ্ভাবন, প্রতিরক্ষা ও নিরাপত্তা, কৃষি, জল ব্যবস্থাপনা, বাণিজ্য ও অর্থনীতি এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ভবিষ্যৎ সহযোগিতার সুযোগ নিয়ে আলোচনা করবেন। আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়েও মতামত বিনিময় হবে।” ইজরায়েল-ইরান সংঘাত শুরু পর গাজার পরিস্থিতি নিয়েও দুই নেতা গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করবেন বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। সফরের আগে উভয় দেশই সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতিতে তাদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে। সন্ত্রাস মোকাবিলায় গোয়েন্দা ও তথ্য আদান-প্রদান জোরদার-সহ দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও গভীর করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছে দুই দেশ।

    মঙ্গলবার উভয় দেশ জোর দিয়ে বলেছে, সন্ত্রাসবাদের মোকাবিলায় “টেকসই ও সর্বাঙ্গীণ পদ্ধতিতে” সমন্বিত পদক্ষেপের প্রয়োজন। ভারত-ইজরায়েল যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই প্রেক্ষাপটে সন্ত্রাসবিরোধী ক্ষেত্রে রাষ্ট্রসংঘ, ফিনান্সিয়াল অ্যাকশন টাস্ক ফোর্স (FATF) এবং অন্যান্য বহুপাক্ষিক প্ল্যাটফর্মে সহযোগিতা মজবুত করার অঙ্গীকার পুনর্নবীকরণ করেছে দুই পক্ষ।” তেল আভিভাবের উদ্দেশ্যে রওনা হওয়ার আগে প্রকাশিত বিদায়ী বিবৃতিতে প্রধানমন্ত্রী ভারত ও ইজরায়েলের সম্পর্ককে একটি দৃঢ় ও বহুমাত্রিক কৌশলগত অংশীদারিত্ব হিসেবে বর্ণনা করেন।

     

  • West Bengal Assembly Election: চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগেই রাজ্যে বিধানসভা ভোটের ঘোষণা! কী বলল কমিশন?

    West Bengal Assembly Election: চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের আগেই রাজ্যে বিধানসভা ভোটের ঘোষণা! কী বলল কমিশন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর প্রক্রিয়া শেষে আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি বের হবে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা। তবে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি ভোটার যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়নি। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের দিন কি পিছিয়ে যাবে? তা নিয়ে রাজনৈতিক তরজা এখন শিরোনামে। চূড়ান্ত তালিকার পর সাপ্লিমেন্টারি লিস্ট কীভাবে বের হবে, তাতে নাম না থাকলে কি করবে, তা নিয়েও কমিশন (West Bengal Assembly Election) মত প্রকাশ করেছে। তবে এসআইআর কাজ শেষ হওয়ার মধ্যেই কি বিধানসভার বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হবে তা নিয়েও কমিশন (Election Commission) কী জানাচ্ছে আসুন এক নজরে দেখে নিই।

    ২৮ ফেব্রুয়ারিই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ (West Bengal Assembly Election)

    এসআইআর নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত মিশ্রের বেঞ্চ মঙ্গলবার বলেছে, “২৮ ফেব্রুয়ারিই চূড়ান্ত ভোটার তালিকা (West Bengal Assembly Election) প্রকাশের শেষ দিন। যদি ‘লজিক্যাল ডিসক্রেপেন্সি’ কিংবা ‘আনম্যাপড ক্যাটেগরি’ যাচাই প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ না হয়, সেক্ষেত্রে এই ভোটার তালিকা ধাপে ধাপে ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ করা যেতে পারে।” শুক্রবার ভোটার তালিকা সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ না হলে ঠিক কত নাম বাদ হতে চলেছে তা-ও সম্পূর্ণরূপে ওইদিন বোঝা যাবে না। ২৮ তারিখের পরেও ধাপে ধাপে তালিকা প্রকাশ করতে পারবে কমিশন (Election Commission)। ধারাবাহিক ভাবে প্রকাশ হওয়া সেই তালিকাগুলিতে বাদ ভোটারের পরিসংখ্যান পাওয়া যাবে।

    মনোনয়ন পর্যন্ত লিস্ট বের হবে

    নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই সম্পূর্ণ তালিকা প্রকাশিত হওয়ার আগেই ভোট ঘোষণা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকার বলেছেন, পূর্ণাঙ্গ ভোটার তালিকা প্রকাশের আগেই পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election) নির্ঘণ্ট ঘোষণা করতে অসুবিধা নেই। শুক্রবার চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ হলেও এখনই ভোটারদের নাম বাদের হিসাবে মিলবে না। মনোনয়ন পর্যন্ত যে কটি লিস্ট বের হবে তা নিয়েই বিধানসভার নির্বাচন হবে। কমিশন (Election Commission) আরও জানিয়েছে, নতুন করে বুথের বিন্যাস হবে না। ৮০ হাজার ৬৮১ বুথে ভোট হবে। যদি আগে বলা হয়েছিল একটি বুথে ১ হাজার ২০০ জনের বেশি ভোটার থাকবে না। বুথ বিন্যাসের পর রাজ্যে ১৩ হাজার ৮১৬ বুথ বেড়ে ছিল। ফলে বুথের সংখ্যা ৯৪ হাজার ৪৯৭টি। তবে এসআইআর-এর কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত নতুন করে বুথের বিন্যাস সম্ভব নয়। তবে বহু তলের জন্য ৬০ থেকে ৭০টি অতিরিক্ত বুথ যুক্ত হতে পারবে।

    মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহেই ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা

    খসড়া তালিকা (West Bengal Assembly Election) প্রকাশের সময় ভোটার তালিকা থেকে ৫৮ লক্ষের বেশি নাম বাদ পড়েছিল। শুনানি পর্বে বাদ গিয়েছে প্রায় আরও প্রায় ৮ লক্ষ নাম। ১ মার্চ থেকে রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে। দুই দফায় ১০ তারিখের মধ্যে মোট ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন (Election Commission)। তবে সূত্রের খবর, মার্চ মাসের প্রথম সপ্তাহেই সম্ভবত বিধানসভা ভোটের দিনক্ষণ ঘোষণা করে দেবে কমিশন। দোল ও হোলি মিটলেই নির্ঘণ্ট প্রকাশ করা হওয়ার ব্যাপক সম্ভাবনা রয়েছে। ২০২১ সালে ৮ দফা বিধানসভা নির্বাচন হয়েছে পশ্চিমবঙ্গে।

LinkedIn
Share