Tag: bjp

bjp

  • TMC: ভাঙড়ে জলাশয় ভরাট করছে তৃণমূল আশ্রিত জমি মাফিয়ারা, অভিযোগ শুভেন্দুর

    TMC: ভাঙড়ে জলাশয় ভরাট করছে তৃণমূল আশ্রিত জমি মাফিয়ারা, অভিযোগ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ে জলাশয় ভরাট করছে তৃণমূল (TMC) আশ্রিত জমি মাফিয়ারা (Land Mafia)। প্রকাশ্যে এই জলাশয় বোঝানোর কাজ চললেও, প্রশাসন কোনও পদক্ষেপই করেনি বলে অভিযোগ। সোমবার বিজেপি নেতা তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এক্স হ্যান্ডেলে জলাশয় ভরাট করার একটি ভিডিও পোস্ট করেন। ভিডিওটি শেয়ার করে তিনি লেখেন, “এই মুহূর্তে ভাঙড়ে যা ঘটছে, তা মানুষের জীবন ও পরিবেশের বিরুদ্ধে এক সুস্পষ্ট অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ছাড়া আর কিছুই নয়। আর তৃণমূল সরকারই এর সবচেয়ে বড় সহায়ক।”

    চোখে আঙুল দিয়ে দেখালেন শুভেন্দু (TMC)

    শুভেন্দু জানান, ওই পুকুরটি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের সম্পত্তি। তিনি বলেন, “ঘন অন্ধকার রাতের আড়ালে তৃণমূল-মদতপুষ্ট জমি মাফিয়ারা ভাঙড়ের বিজয়গঞ্জ বাজারের প্রবেশপথে অবস্থিত একটি বিশাল জনসাধারণের পুকুর নির্লজ্জভাবে ভরাট করছে। এটি কোনও সাধারণ জলাশয় নয়, এই জমিটি হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য দফতরের অধীন বলে সরকারিভাবে নথিভুক্ত।” রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “তবুও মাটি বোঝাই ডাম্পার এবং জেসিবি মেশিন সম্পূর্ণ দায়মুক্তির সঙ্গে সেখানে কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। একটি গুরুত্বপূর্ণ জলসম্পদ ধ্বংস করা হচ্ছে, আর প্রশাসনের অনুপস্থিতি চোখে পড়ার মতো—তারা সব কিছু দেখেও না দেখার ভান করছে (TMC)।”

    শুভেন্দুর সতর্ক বার্তা

    বিজেপি নেতা সতর্ক করে বলেন, “এই ধরনের কার্যকলাপ মনুষ্যসৃষ্ট বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিতে পারে—যেমনটি কয়েক দিন আগে আনন্দপুরে দেখা গিয়েছিল।” শুভেন্দু বলেন, “এখানেও কার্যত বেআইনি নির্মাণ, নিয়ন্ত্রণহীন কার্যকলাপ এবং সরকারি দফতরগুলির কোনও নজরদারি ছাড়াই সব কিছু চলার জন্য ভিত গড়ে তোলা হচ্ছে। এটি কোনও শাসনব্যবস্থা নয়, এটি মাফিয়ারাজ (Land Mafia)। ব্যক্তিগত মুনাফা ও রাজনৈতিক আশ্রয়ের জন্য পরিকল্পিত ভাবে জলাশয়, পরিবেশ এবং জন-নিরাপত্তা ধ্বংস করা হচ্ছে (TMC)।”

     

  • BJP: “সিপিআইএম নীতিকথা শোনায়, অথচ আমায় পঙ্গু করে দিয়েছে”, বললেন সদানন্দ মাস্টার

    BJP: “সিপিআইএম নীতিকথা শোনায়, অথচ আমায় পঙ্গু করে দিয়েছে”, বললেন সদানন্দ মাস্টার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বামপন্থী রাজনৈতিক দলগুলি (CPIM) গণতন্ত্র, বাক্‌স্বাধীনতা ও সহনশীলতা নিয়ে তাদের আদর্শগত প্রতিপক্ষদের প্রায়ই নীতিকথা শোনায়। কিন্তু বাস্তবে তারা নিজেরা যে কথা বলে, তা খুব কম ক্ষেত্রেই পালন করে। ২০২৬ সালের ২ ফেব্রুয়ারি রাজ্যসভায় দেওয়া এক ভাষণে বিজেপি (BJP) সাংসদ সদানন্দন মাস্টার বর্ণনা করেন, কীভাবে গণতন্ত্র ও সহনশীলতার বুলি আওড়ানো সেই কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্ক্সবাদী)—সিপিআই(এম)—তাঁর রাজনৈতিক আদর্শের কারণেই তিন দশক আগে তাঁর দুই পা কেটে নিয়েছিল।

    সংসদের ভেতরে নিজের কৃত্রিম পা (BJP)

    সংসদের ভেতরে নিজের কৃত্রিম পা দেখিয়ে সাংসদ সদানন্দন মাস্টার বলেন, “এই দুটোই আমার পা। একসময় আমার শক্ত দুটি স্বাভাবিক পা ছিল। কিন্তু এখন হাঁটুর নীচে আমি কৃত্রিম পা ব্যবহার করি। কেন? কারণ আমি বারবার এই সংসদে গণতন্ত্রের কথা শুনি—গণতন্ত্র, গণতন্ত্র, গণতন্ত্র। কিন্তু যারা সবচেয়ে বেশি গণতন্ত্রের কথা বলে, তারাই ৩১ বছর আগে আমার ওপর হামলা চালিয়েছিল।” তিনি আরও বলেন, “কেরালায় সিপিআই(এম)-এর নেতাদের নির্দেশ অনুযায়ী তাঁদের কর্মীরা আমার বোনের বিয়ে ঠিক হওয়ার পর আমি যখন বাড়ি ফিরছিলাম, তখনই আক্রমণ করে। বোনের বিয়ে নিয়ে আলোচনা করে ফেরার পথে, একটি বাজারে বাস থেকে নামার সঙ্গে সঙ্গেই দুষ্কৃতীরা আমায় ধরে ফেলে। তারা পেছন থেকে ধরে আমায় রাস্তায় ফেলে দেয় এবং আমার দু’পা কেটে নেয়। তারা তখন ‘ইনকিলাব জিন্দাবাদ’ স্লোগান দিচ্ছিল। তারা গণতন্ত্রের কথাই চিৎকার করছিল।”

    সিপিআই(এম)-এর ভন্ডামি

    সিপিআই(এম)-এর ভন্ডামি তুলে ধরে রাজ্যসভার ওই সাংসদ বলেন, “আমি এখানে এগুলো (কৃত্রিম পা) দেখাচ্ছি কারণ আপনাদের অসহিষ্ণুতাকে জাতির সামনে তুলে ধরতে চাই। আমি দেশবাসীকে দেখাতে চাই, সংসদ সদস্যদের দেখাতে চাই, গণতন্ত্র আসলে কী। আপনারা (সিপিআইএম) সব সময় গণতন্ত্রের কথা বলেন, সহনশীলতার কথা বলেন, মানবতার কথা বলেন, অথচ আপনাদের রাজনীতি দাঁড়িয়ে আছে রাজনৈতিক হিংসার ওপর। রাজনৈতিক হিংসা গণতন্ত্রের পক্ষে কখনওই ভালো নয়।” সদানন্দন মাস্টারের এই কৃত্রিম পা প্রদর্শনে ক্ষুব্ধ হয়ে সিপিআই(এম) সাংসদ জন ব্রিটাস সংসদের বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে ‘পয়েন্ট অব অর্ডার’ তোলেন। তবে চেয়ারম্যান সিপি রাধাকৃষ্ণন তাঁকে জানান, তাঁর দলের সাংসদরা যখন সংসদে প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন, তখনও একই ধরনের কড়াকড়ি প্রয়োগ করা উচিত (BJP)।

    জীবনে মোড় ঘোরানো ঘটনা

    ১৯৯৪ সালে সি সদানন্দন মাস্টারের বয়স ছিল ৩০ বছর। তিনি তখন কেরালার মাট্টানুর পুরসভার পেরিঞ্চেরিতে অবস্থিত সরকার-অনুদানপ্রাপ্ত কুঝিক্কাল লোয়ার প্রাইমারি স্কুলে শিক্ষকতা করতেন। ‘মাশ’ নামে পরিচিত সদানন্দন কমিউনিস্ট পরিবার থেকেই উঠে এসেছিলেন। তাঁর বাবা সিপিএমের  সক্রিয় সদস্য ছিলেন এবং তাঁর দাদা জেলা স্তরে ছাত্র সংগঠনের দায়িত্বে ছিলেন। সদানন্দন নিজেও ১৯৮৪ সাল পর্যন্ত এসএফআইয়ের সক্রিয় সদস্য ছিলেন, যদিও স্কুলজীবন (CPIM) থেকেই তিনি সংঘ-সংক্রান্ত কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। স্নাতক পর্যায়ে তিনি কমিউনিস্ট মতাদর্শের প্রতি ঝুঁকলেও, আরএসএসের সাংস্কৃতিক জাতীয়তাবাদের ধারণা তাঁর মধ্যে রয়ে গিয়েছে। মালয়ালম কবি আক্কিথামের লেখা ‘ভারত দর্শনঙ্গল’ প্রবন্ধই তাঁর জীবনে মোড় ঘোরানো ঘটনা হয়ে ওঠে। ১৯৮৪ সালেই সদানন্দন মাস্টার আরএসএসে যোগ দেন। কমিউনিস্ট আদর্শ ছেড়ে সংঘের দিকে ঝোঁক নেওয়াটা বামপন্থীদের কাছে গ্রহণযোগ্য ছিল না। প্রথমে সিপিআই(এম) কর্মীরা তাঁকে সংঘ ছেড়ে কমিউনিস্ট দলে ফেরার জন্য চাপ দিতে থাকে। তিনি অস্বীকার করলে তারা বেছে নেয় হিংসার পথ (BJP)।

    বোনের বিয়ের প্রস্তুতি

    ১৯৯৪ সালের ২৫ জানুয়ারি সন্ধ্যায়, তাঁর বোনের বিয়ের প্রস্তুতি নিয়ে কাকার বাড়ি থেকে ফেরার সময় বাস থেকে নামতেই কয়েকজন তাঁকে পেছন থেকে ধরে মাটিতে ফেলে দেয় এবং নির্মমভাবে মারধর করে। তারা ছিল সিপিআই(এম)-এর দুষ্কৃতী। তারা শুধু মারধর করেই থামেনি, নৃশংসভাবে তাঁর দুই পা কেটে নেয়। এই বর্বরতা চালানো হয়েছিল তাঁকে ‘শাস্তি’ দেওয়ার পাশাপাশি অন্যদের ভয় দেখাতে, যাতে কেউ কমিউনিস্ট শিবির ছাড়ার সাহস না পায়। কিন্তু সদানন্দন মাস্টার ভেঙে পড়েননি। বরং আরএসএস ছাড়ার বা কমিউনিস্ট দলে ফেরার বদলে তিনি জাতীয় সেবায় নিজেকে সম্পূর্ণভাবে উৎসর্গ করেছিলেন। ২০১৬ সালে তিনি বিজেপির টিকিটে কুথুপারাম্বা বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর সাহস ও আদর্শিক দৃঢ়তার জন্য তাঁকে অভিনন্দন জানান (CPIM)।

    ভারতীয় বিচার কেন্দ্রম

    তিনি কেরালায় ন্যাশনাল টিচার্স ইউনিয়নের রাজ্য সহ-সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন। পাশাপাশি তিনি ‘দেশীয় অধ্যাপক বার্তা’ পত্রিকার সম্পাদক এবং আরএসএস-ঘনিষ্ঠ চিন্তাচর্চা প্রতিষ্ঠান ভারতীয় বিচার কেন্দ্রমের সঙ্গে যুক্ত। ২০২৫ সালের জুলাই মাসে রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁকে রাজ্যসভায় মনোনীত করেন। কেরালার ত্রিশূর থেকে রাজ্যসভা পর্যন্ত তাঁর যাত্রাপথ সাহসের প্রতীক। তিনি আজও জীবন্ত উদাহরণ, কীভাবে বাম-কমিউনিস্ট অসহিষ্ণুতা কেবল রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকেই নয়, গণতন্ত্রকেও পঙ্গু করে দেয়। কমিউনিস্টরা শুধু রাজনৈতিক হিংসায়ই লিপ্ত নয়, বরং সেই অপরাধীদের ‘নায়ক’ হিসেবেও তুলে ধরে। ২০২৫ সালের অগাস্টে সদানন্দন মাস্টারের ওপর হামলার দায়ে দোষী সাব্যস্ত আটজন সিপিআই(এম) কর্মীর জন্য দলটি আনুষ্ঠানিক সংবর্ধনার আয়োজন করে। থালাসেরি সেশন আদালতের বাইরে এবং পরে মাট্টানুরে দোষীদের মালা পরানো, স্লোগান তোলা ও উল্লাসের দৃশ্য ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করে। এই নৈতিক অধঃপতনের দৃশ্য ঘটেছিল মাট্টানুরের বিধায়ক ও প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী কে কে শৈলজার উপস্থিতিতে (BJP)। যদিও সদানন্দন মাস্টার কমিউনিস্ট হিংসার শিকার হয়ে বেঁচে আছেন, সিপিআই(এম)-এর ইতিহাস রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ ও দলত্যাগীদের নৃশংসভাবে দমন করার। গত কয়েক দশকে কেরালায় কমিউনিস্ট ক্যাডারদের হাতে বহু বিজেপি-আরএসএস নেতা-কর্মী খুন হয়েছেন (CPIM)।

     

  • Family Over Individual: ব্যক্তি নয়, পরিবারই কেন্দ্রে! মোদি-সরকারের কল্যাণমূলক কাঠামোর আদর্শিক ভিত্তি সমাজ

    Family Over Individual: ব্যক্তি নয়, পরিবারই কেন্দ্রে! মোদি-সরকারের কল্যাণমূলক কাঠামোর আদর্শিক ভিত্তি সমাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি সরকারের কল্যাণমূলক কাঠামোর আদর্শিক ভিত্তি হল পরিবার, ব্যক্তি নয় (Family Over Individual)। একাকী বাঁচা যায় না, সবাইকে নিয়েই চলতে হয়। নরেন্দ্র মোদি সরকারের কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির নকশা ও বাস্তবায়ন এই নীতির উপরই গঠিত। প্রকল্পগুলির দিকে নজর রাখলে স্পষ্ট হয় যে বিজেপি সরকারের সামাজিক কল্যাণ দর্শন পশ্চিমি উদারবাদী ও সমাজতান্ত্রিক মডেলের ব্যক্তি-কেন্দ্রিক চিন্তাধারা থেকে একটি সচেতন আদর্শিক বিচ্যুতি ঘটিয়েছে। এই কাঠামোর কেন্দ্রে রয়েছে পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের দর্শন—যেখানে ব্যক্তি নয়, পরিবারকেই সমাজ, সংস্কৃতি ও রাষ্ট্রের মৌলিক একক হিসেবে দেখা হয়।

    সরকারি প্রকল্পগুলির পরিকল্পনায় পরিবার

    বিজেপি সরকারের কল্যাণমূলক পরিকল্পনাগুলিতে এই আদর্শের প্রতিফলন স্পষ্ট। উদাহরণস্বরূপ, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা (PMAY 2.0)-এর আওতায় যোগ্য পরিবারগুলিকে আর্থিক সহায়তা বা গৃহঋণের উপর সুদের ছাড় দেওয়া হয়। এখানে অগ্রাধিকার দেওয়া হয় মহিলা, প্রবীণ নাগরিক এবং অর্থনৈতিকভাবে দুর্বল শ্রেণির পরিবারগুলিকে। প্রকল্পটি ব্যক্তিকে নয়, সম্পূর্ণ পরিবারকে কেন্দ্র করেই পরিকল্পিত। একইভাবে জল জীবন মিশন, উজ্জ্বলা যোজনা এবং স্বচ্ছ ভারত মিশনের মতো অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পগুলিতেও পরিবারকেই মূল ফোকাস হিসেবে ধরা হয়েছে। পানীয় জল সরবরাহ করা হয় বাড়িতে, কোনও নির্দিষ্ট ব্যক্তিকে নয়। পরিষ্কার রান্নার গ্যাস পুরো পরিবারের স্বাস্থ্য ও মর্যাদার সঙ্গে যুক্ত। স্যানিটেশনকেও ব্যক্তিগত অধিকার নয়, বরং পারিবারিক ও সামাজিক দায়িত্ব হিসেবে উপস্থাপন করা হয়েছে। স্বচ্ছ ভারত মিশনে গৃহস্থালির স্তরে শৌচালয়, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা ও পরিচ্ছন্নতার উপর জোর দেওয়া হয়েছে, যা দৈনন্দিন অভ্যাস, সামাজিক আচরণ এবং সামগ্রিক জনস্বাস্থ্যের উপর প্রভাব ফেলে। এই সমস্ত উদ্যোগ মিলিয়ে একটি স্পষ্ট নীতিগত দৃষ্টিভঙ্গি ফুটে ওঠে—যেখানে পরিবারকে সামাজিক পরিবর্তনের প্রধান একক হিসেবে দেখা হয়।

    আদর্শিক স্পষ্টতা, কাকতালীয় নকশা নয়

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই পরিবার-কেন্দ্রিক কল্যাণনীতি কোনও আকস্মিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং আদর্শিক স্পষ্টতার ফল। পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায়ের ‘ইন্টিগ্রাল হিউম্যানিজম’ দর্শনে পরিবারকে সেই স্থান হিসেবে দেখা হয়েছে, যেখানে ব্যক্তি প্রথম সামাজিক মূল্যবোধ—দায়িত্ব, সহযোগিতা এবং প্রজন্মগত সম্মান—শেখে। এই দর্শন অনুযায়ী, কল্যাণমূলক নীতি মানুষের আত্মমর্যাদা ও স্বনির্ভরতাকে সমর্থন করবে, কিন্তু পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্কের বিকল্প হয়ে উঠবে না। সমালোচকদের উদ্দেশ্যে বিজেপি ঘনিষ্ঠ মহলের বক্তব্য, এই দর্শন ব্যক্তি স্বাধীনতার বিরোধী নয়; বরং স্বাধীনতাকে দায়িত্ব ও ধর্মের সঙ্গে যুক্ত করে।

    কেন পরিবারকেই গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি সরকার?

    পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় পশ্চিমি সমাজে চরম ব্যক্তি-স্বাধীনতার ধারণার সমালোচনা করেছিলেন। তাঁর মতে, অতিরিক্ত ব্যক্তি-কেন্দ্রিকতা পারিবারিক বন্ধন দুর্বল করে এবং পারস্পরিক দায়িত্ববোধ ক্ষয় করে। এর ফলে পরিবার তার কার্যকর ভূমিকা হারায় এবং যত্ন ও দায়িত্বের ভার রাষ্ট্রের উপর পড়ে। এর বিপরীতে, ‘ধর্ম’-ভিত্তিক জীবনদর্শনের মাধ্যমে পরিবারকে সামাজিক ও জাতীয় দায়িত্ববোধের প্রশিক্ষণক্ষেত্র হিসেবে দেখা হয়েছে। এই দৃষ্টিভঙ্গিতে কল্যাণ কোনও বিচ্ছিন্ন ব্যক্তিকে দেওয়া দান নয়, বরং সেই পরিবারগুলিকে সহায়তা করা, যারা সামাজিক সামঞ্জস্য ও সহযোগিতার ভিত্তি গড়ে তোলে। বিজেপির মতে, পরিবার-কেন্দ্রিক কল্যাণনীতির মাধ্যমে সরকার একটি গভীর সভ্যতাগত বার্তা দিচ্ছে—উন্নয়ন কেবল অর্থনৈতিক উন্নতি নয়, বরং শক্তিশালী পরিবারের মাধ্যমে সামাজিক সামঞ্জস্য পুনর্গঠন।

    বসুধৈব কুটুম্বকম ও একীভূত ভারত ভাবনা

    বিজেপি সরকারের পরিবার-কেন্দ্রিক (Family Over Individual) দৃষ্টিভঙ্গির পেছনে রয়েছে ‘বসুধৈব কুটুম্বকম’—বিশ্ব এক পরিবার—এই ধারণা। এই ভাবনায় পরিবারই সামাজিক জীবনের কেন্দ্র, যেখানে মূল্যবোধ, দায়িত্ব ও অন্যের প্রতি যত্নের শিক্ষা শুরু হয়। পণ্ডিত দীনদয়াল উপাধ্যায় ভারতকে একটি সমন্বিত পরিবার হিসেবে দেখার কথা বলেছিলেন, যেখানে বৈচিত্র্যের মধ্যেও ঐক্য বজায় থাকে। ১৯৫১ থেকে ১৯৬৮ সাল পর্যন্ত ভারতীয় জনসংঘের নেতৃত্বে থাকা এই চিন্তাবিদ তাঁর দার্শনিক ও রাজনৈতিক উত্তরাধিকারের মাধ্যমে বিজেপির আদর্শিক দিশা নির্ধারণ করে গিয়েছেন। বর্তমানে বিজেপি সরকারের কল্যাণমূলক কাঠামো সেই দর্শনেরই আধুনিক রূপ—যেখানে নীতি শুধু প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নয়, বরং একটি স্বতন্ত্র ভারতীয় সামাজিক দর্শনের প্রতিফলন।

  • Amit Shah: “পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত সুরক্ষায় ব্যর্থ তৃণমূল সরকার”, তোপ শাহের

    Amit Shah: “পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত সুরক্ষায় ব্যর্থ তৃণমূল সরকার”, তোপ শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত সুরক্ষায় ব্যর্থ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস সরকার।” শনিবার এমনই আক্রমণ শানালেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাঁর দাবি, পশ্চিমবঙ্গ অনুপ্রবেশের প্রবেশদ্বারে পরিণত হয়েছে, যা শুধু রাজ্যের জন্য নয়, গোটা দেশের নিরাপত্তার পক্ষেই বড় ধরনের হুমকি (Amit Shah)। ব্যারাকপুরে এক জনসভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে শাহ (BJP) বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে বিজেপিকে ক্ষমতায় আনা শুধু রাজনৈতিক পরিবর্তনের প্রশ্ন নয়, এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্যও অপরিহার্য।”

    অনুপ্রবেশ বিপজ্জনক মাত্রায় পৌঁছে গিয়েছে (Amit Shah)

    শাহের অভিযোগ, পশ্চিমবঙ্গের আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ বিপজ্জনক মাত্রায় পৌঁছে গিয়েছে। তাঁর দাবি, কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণ সম্পূর্ণ করতে রাজ্য সরকার ধারাবাহিকভাবে বাধা দিয়ে এসেছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বক্তব্যও তিনি খারিজ করে দেন যে, সীমান্তের দুর্বলতার জন্য কেন্দ্র দায়ী। শাহের মতে, প্রকৃত সমস্যা হল বেড়া নির্মাণের জন্য প্রয়োজনীয় জমি দিতে রাজ্য সরকারের অনিচ্ছা। তিনি বলেন, “হাইকোর্ট বিএসএফের পক্ষে রায় দেওয়ার পরেও জমি হস্তান্তর করা হয়নি। এই অবস্থায় বেড়া কীভাবে সম্পূর্ণ হবে?” শাহের অভিযোগ, ইচ্ছাকৃতভাবে প্রশাসনিক অসহযোগিতার কারণেই এই বিলম্ব হয়েছে। তাঁর দাবি, এর সুযোগ নিয়ে অনুপ্রবেশকারীরা অবাধে রাজ্যে ঢুকছে এবং রাজনৈতিক চাপে রাজ্য প্রশাসনের একাংশ ভুয়ো পরিচয়পত্র তৈরিতে সাহায্য করছে।

    কী বললেন শাহ?

    আক্রমণের সুর আরও চড়িয়ে শাহ বলেন, “শাসক দল অনুপ্রবেশকারীদের ‘ভোটব্যাঙ্কে’ পরিণত করেছে। এপ্রিলের শেষের মধ্যে বিজেপি সরকার গঠিত হলে সঙ্গে সঙ্গে জমি অধিগ্রহণ সম্পন্ন হবে এবং ৪৫ দিনের মধ্যেই সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নির্মাণের কাজ শেষ করা হবে।” সীমান্ত সুরক্ষায় কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আশ্বাসও দেন তিনি (Amit Shah)। মতুয়া সম্প্রদায়ের উদ্বেগ নিয়েও কথা বলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি টিএমসি সরকারের বিরুদ্ধে ভয় দেখানোর অভিযোগ তুলে বলেন, “বিজেপি নেতা শান্তনু ঠাকুর এবং কেন্দ্রীয় সরকার মতুয়াদের পাশে রয়েছে। তাই ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই।” মতুয়া সম্প্রদায়ের আইনি সুরক্ষা ও রাজনৈতিক সমর্থনের আশ্বাসও দেন তিনি। এসআইআর প্রসঙ্গে শাহ বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর আপত্তি সত্ত্বেও সংবিধান ও নির্ধারিত নিয়ম মেনেই এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে।” তাঁর অভিযোগ, রাজনৈতিক সুবিধার জন্য টিএমসি বৈধ প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করছে।

    শেকড়-সহ উৎখাত করার ডাক

    নির্বাচনের আগে রাজ্যের শাসক দলকে শানিত আক্রমণ শানিয়ে শাহ বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে শুধু সরকার পরিবর্তন নয়, বর্তমান শাসনব্যবস্থাকে গোড়া থেকে উপড়ে ফেলতে হবে (BJP)। এই সরকারকে শেকড়-সহ উৎখাত করতে হবে।” রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ও বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের কল্পিত ‘সোনার বাংলা’ গড়ার প্রতিশ্রুতিও দেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিজেপির নির্বাচনী সম্ভাবনা নিয়ে আত্মবিশ্বাসী শাহ বলেন, “দলটি ৫০ শতাংশের বেশি ভোট পেয়ে শক্তিশালী সংখ্যাগরিষ্ঠ সরকার গঠন করবে।” তাঁর বক্তব্য, যে সরকার অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দেয়, জনগণের রায়ে তারা টিকতে পারে না। শাসক দলের বিরুদ্ধে আক্রমণ অব্যাহত রেখে শাহ বলেন, “ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির স্বার্থে টিএমসি সংসদে ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে আলোচনার বিরোধিতা করেছে।” তাঁর মতে, এটি বাংলার সাংস্কৃতিক ও জাতীয় পরিচয়ের ওপর একটি বড় আঘাত (Amit Shah)।

    এর আগে, কলকাতার আনন্দপুরে একটি গুদামে অগ্নিকাণ্ডে নিহত শ্রমিকদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি দাবি করেন, ঘটনাটি দুর্ঘটনা নয়, বরং টিএমসি শাসনের দুর্নীতির ফল। বক্তব্যের শেষে সমর্থকদের হাত তুলে বিজেপি সরকারের সমর্থনে স্লোগান দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। জনতার উদ্দেশে তাঁর প্রশ্ন, “তাঁরা কি (BJP) বর্তমান সরকারকে সরিয়ে একটি নিরাপদ ও পুনর্গঠিত পশ্চিমবঙ্গ গড়তে প্রস্তুত?”

     

  • BJP Condemns Ansari’s Remark: ‘ঘজনি ভারতীয়’! হামিদ আনসারির মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা বিজেপির

    BJP Condemns Ansari’s Remark: ‘ঘজনি ভারতীয়’! হামিদ আনসারির মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন উপরাষ্ট্রপতি হামিদ আনসারির (BJP Condemns Ansari’s Remark) মাহমুদ ঘজনিকে নিয়ে করা মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেছে ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র সিআর কেশবন শুক্রবার বলেন, ঘজনিকে “বিদেশি আক্রমণকারী নন, ভারতীয়” বলে উল্লেখ করা ইতিহাসের নির্মম সত্যকে আড়াল করার শামিল। তিনি প্রশ্ন তোলেন, কংগ্রেস নেতৃত্ব ও বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) কি এই বক্তব্যের সঙ্গে একমত?

    কংগ্রেসের সমালোচনায় কেশবন

    এক্স (পূর্বতন টুইটার)-এ একটি ভিডিও শেয়ার করে কেশবন অভিযোগ করেন, কংগ্রেস ইসলামিক আক্রমণকারীদের নৃশংসতা “সাদা রং” করে দেখাতে চাইছে। তাঁর দাবি, অষ্টম শতক থেকে শুরু হওয়া ইসলামিক আক্রমণগুলিতে পরিকল্পিতভাবে হিন্দু ধর্মীয় স্থাপনাগুলিকে লক্ষ্য করা হয়েছিল। তিনি বলেন, একাদশ শতকে মাহমুদ ঘজনি ১৭ বার ভারত আক্রমণ করেন, মথুরার মন্দির ধ্বংস করেন এবং সোমনাথ মন্দিরের জ্যোতির্লিঙ্গ ভেঙে দেন। কেশবনের প্রশ্ন, সোমনাথ মন্দির পুনর্নির্মাণের বিরোধিতা করা নেহরুর কংগ্রেস কি এই ধরনের মন্তব্যে সম্মতি জানায়, যা সনাতন সংস্কৃতির ভিত্তি ধ্বংসের প্রচেষ্টাকে স্বাভাবিক করতে চায়?

    কংগ্রেস সবসময় হিন্দুবিদ্বেষীদের প্রশংসা করে

    এ প্রসঙ্গে বিজেপির আরেক মুখপাত্র শেহজাদ পুনাওয়ালা কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ করেন। সংবাদসংস্থা এএনআই-কে তিনি বলেন, “কংগ্রেস ইকোসিস্টেম সবসময় হিন্দুবিদ্বেষীদের প্রশংসা করে এবং তাদের অত্যাচারকে ধামাচাপা দেয়। হামিদ আনসারি (BJP Condemns Ansari’s Remark) বলছেন, ঘজনি নিষ্ঠুর ছিলেন না, তিনি নাকি ভারতীয়। যারা ভারত ভাঙার কথা বলে—শারজিল, ইয়াকুব, আফজল বা উমর—কংগ্রেস তাদের পাশেই দাঁড়ায়। এতে তাদের মানসিকতার হিন্দুবিদ্বেষ স্পষ্ট।” পুনাওয়ালা আরও অভিযোগ করেন, রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থেকে পরিবারতন্ত্রকে সংবিধানের ঊর্ধ্বে রাখছেন। তিনি বলেন, “বিটিং রিট্রিট, উপরাষ্ট্রপতির শপথগ্রহণ, প্রধান বিচারপতির শপথগ্রহণ বা ১৫ আগস্টের অনুষ্ঠানে অনুপস্থিত থাকা দেখায় যে রাহুল গান্ধীর কাছে ‘সংবিধান তন্ত্র’-এর চেয়ে ‘পরিবার তন্ত্র’ বেশি গুরুত্বপূর্ণ।”

  • Suvendu Adhikari: “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে শ্মশানে পরিণত হয়েছে সিঙ্গুর”, তোপ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে শ্মশানে পরিণত হয়েছে সিঙ্গুর”, তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “প্রধানমন্ত্রীর সভা সফল হয়েছে দেখে চিন্তিত হয়ে তড়িঘড়ি সভা করতে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যেখানে টাটাকে তাড়ানো হয়েছিল এই রাজ্য সরকারের নেতৃত্বে। ব্যাড এম বলেছিলেন রতন টাটা, সেটা এই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। গুড এম বলেছিলেন নরেন্দ্র মোদিকে। সিঙ্গুর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাতে শ্মশানে পরিণত হয়েছে। কোনও বড় বিনিয়োগ আসেনি এই বাংলায়।” এক নাগাড়ে কথাগুলি বলে খানিক থামলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। পরে বলেন, “আজ মুখ্যমন্ত্রী সিঙ্গুরে সভা করছেন। প্রধানমন্ত্রী সিঙ্গুরের মাটি থেকে বলেছেন আইন শৃঙ্খলা ঠিক করলে শিল্প আসবে।”

    ভিড় দেখেই চক্ষু চড়কগাছ! (Suvendu Adhikari)

    দিন দুয়েক আগেই সিঙ্গুরে জনসভা করে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, সেই সভায় ভিড় দেখেই চক্ষু চড়কগাছ হয়ে গিয়েছে তৃণমূলের ভোট ম্যানেজারদের। তার পরেই সাত তাড়াতাড়ি করে মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দিয়ে সভা করানো হয় সেই তাপসী মালিকের সিঙ্গুরে। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী ওখানে গিয়েছেন বাংলার বাড়ি দেবেন বলে। প্রধানমন্ত্রী এর আগেই আবাস যোজনা চালু করেন। ৪০ লাখ ইউনিট আবাস যোজনার বাড়ি দিয়েছে। যেটা সাধারণ মানুষ পায়নি, কারণ তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা সেই টাকা তুলে নিয়ে খেয়ে নিয়েছে, নিজেদের বাড়ি বানিয়েছে।”

    শুভেন্দুর চাঁদমারি

    এদিন শুভেন্দু প্রথম থেকেই চাঁদমারি করেন তৃণমূলকে। তৃণমূল জমানায় দুর্নীতির প্রসঙ্গ তুলে তিনি বলেন, “যেভাবে বাংলার বালি চুরি হচ্ছে সেখানে এই টাকায় কোনও বাড়ি তৈরি হয় না। বিজেপিকে আনুন, বাড়ি করে দেবে বিজেপি। সোলার প্যানেল, জল, শৌচালয় দেবে বিজেপি। ২০০০ টাকার বালি হয়েছে ১৫,০০০ টাকা। অবৈধ বালি তোলা আর তৃণমূল কংগ্রেসের তোলা তোলার কারণে দাম বেড়েছে সব জিনিসের। মিথ্যাচারের পর্দা ফাঁস করা দরকার, ৪০ লাখ বাড়ি লুঠ করেছে।” তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখানে সর্ষের বীজ ছড়িয়েছিলেন, এখন সিঙ্গুরের মানুষ চোখে সর্ষেফুল দেখছেন।” শুভেন্দু বলেন, “এ রাজ্যে কোনও শিল্প হবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্বে গত ১৫ বছরে রাজ্য থেকে ৬ হাজার ৪৮৮টি শিল্প চলে গিয়েছে। এটাই পশ্চিমবঙ্গের আসল ছবি (Suvendu Adhikari)।”

    এদিন সিঙ্গুর থেকেই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের উদ্বোধন করেন মমতা। বলেন, “বারবার ডিভিসির জলে ভাসে ঘাটাল। ১০ বছর ধরে কেন্দ্রকে চিঠি দিয়েছি। তার বদলে পেয়েছি শুধুই ধোঁকা।” তিনি বলেন, “অনেকেই বড় বড় কথা বলেন। কিন্তু কথা রাখেন না। কিন্তু আমি ১০০ শতাংশ কথা রাখার চেষ্টা করি, জুমলা করি না।” এ প্রসঙ্গে শুভেন্দু বলেন, “ভোটের জন্যই তড়িঘড়ি ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের শিলান্যাস করা হয়েছে (Mamata Banerjee)। পুরোটাই মিথ্যাচার। ঘাটালবাসী পরপর ভোট দিয়ে গিয়েছেন, অথচ মাস্টার প্ল্যান আজও হয়নি (Suvendu Adhikari)।”

     

  • BJP: “আমি দলের কর্মী, নিতিন আমার বস”, বিজেপির নয়া সর্বভারতীয় সভাপতিকে অভিনন্দন মোদির

    BJP: “আমি দলের কর্মী, নিতিন আমার বস”, বিজেপির নয়া সর্বভারতীয় সভাপতিকে অভিনন্দন মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জল্পনা চলছিলই। সোমবার রাতেই তাতে পড়ল সিলমোহর। বিজেপির (BJP) সর্বভারতীয় সভাপতি হলেন নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। মাত্র পঁয়তাল্লিশ বছর বয়সে বিজেপির কনিষ্ঠতম সভাপতি হিসেবে শপথ নিলেন তিনি। তাঁর শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জেপি নাড্ডার পর বিজেপির এই পদের দায়িত্ব সামলাবেন নিতিন।

    বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি (BJP)

    সোমবারই বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন নিতিন। মঙ্গলবার আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন তিনি। গত ডিসেম্বর মাস থেকে কার্যনির্বাহী সভাপতির দায়িত্ব সামলাচ্ছিলেন তিনি। নির্বাচনে রিটার্নিং অফিসার কে লক্ষ্মণ জানান, মনোনয়ন প্রত্যাহার করার সময়সীমা পেরনোর পর দেখা যায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হয়েছেন নিতিন।  এদিন নির্বাচিত হওয়ার আগেই বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেন নিতিন। সোমবার রাতেই তিনি বৈঠক করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, সাংসদ সুকান্ত মজুমদার, বিজেপি নেতা অমিতাভ চক্রবর্তী, সুনীল বনসল, মঙ্গল পান্ডে এবং অমিত মালব্যর সঙ্গে।

    বাংলায় আসতে পারেন নিতিন

    সূত্রের খবর, সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর চলতি মাসেই বাংলায় আসতে পারেন নিতিন। তখনই তিনি বৈঠক করবেন রাজ্য সংগঠনের সব স্তরের নেতাদের সঙ্গে। সোমবার রাতের বৈঠকে পশ্চিমবঙ্গের এসআইআর নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতি এবং সাংগঠনিক পরিস্থিতি নিয়ে খুঁটিনাটি জানতে চান নিতিন। তাঁর বাবা প্রয়াত বিজেপি নেতা নবীন কিশোর সিনহা। এবিভিপির হাত ধরে ছাত্র রাজনীতিতে হাতেখড়ি হয় তাঁর। ২০১০ সালে প্রথমবার বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী হন তিনি। জয়ীও হন বিহারের বাঁকিপুর আসনে। তারপর থেকে এই কেন্দ্রেই ধারাবাহিকভাবে জয়ী হয়ে আসছেন নিতিন (Nitin Nabin)।  দেশের রাজনীতিতে নবীন মুখ হলেও, বিহারে নিতিন খুবই পরিচিত। তাঁর জন্ম পাটনায়। বাবা বিজেপি (BJP) নেতা হওয়ায়, শৈশব থেকেই রাজনৈতিক পরিমণ্ডলেই বেড়ে উঠেছেন নিতিন। গত বিহার বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হন নিতিন। প্রত্যাশিতভাবেই তাঁর ঠাঁই হয় নীতীশ কুমারের মন্ত্রিসভায়।

    জেপি নাড্ডার স্থলাভিষিক্ত

    জেপি নাড্ডার স্থলাভিষিক্ত হলেন নিতিন। নাড্ডার জায়গায় নিতিনকে বসানোর মূল কারণ হল বিজেপির পাশাপাশি আরএসএসেরও ভরসা রয়েছে নিতিনের ওপর। নিতিন নির্বাচনটাও বোঝেন ভালো। এই সব কারণেই অনায়াস হয় নিতিনের পদ প্রাপ্তি। শোনা যায়, নিতিন আরএসএস ঘনিষ্ঠ। সরসঙ্ঘচালক মোহন ভাগবতের সঙ্গেও তাঁর সম্পর্ক ভালো। বিহার বিধানসভা নির্বাচনে তিনি সমন্বয় রক্ষা করেছিলেন বিজেপি এবং জেডিইউয়ের। বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএকেও বিপুল ভোটে জিতিয়েছেন নিতিন। ছত্তিশগড় বিধানসভায় তিনি কাজ করেছেন বিজেপির ইনচার্জ হিসেবে। ঝুলিতে এতসব অভিজ্ঞতা থাকায় নিতিনকে বেছে নেওয়া হয় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি পদে।

    নিতিন নবীন আমার বস

    বিশ্বের সব চেয়ে বড় রাজনৈতিক দলের দায়িত্ব গ্রহণ করায় নিতিনকে অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। তাঁর মুখে শোনা যায় নিতিনের ভূয়সী প্রশংসা। তিনি বলেন, “নিতিন নবীনকে এতদিনে যা যা দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, তাতেই নিজেকে প্রমাণ করেছেন। নিতিন সেই প্রজন্মের মানুষ, যিনি ছেলেবেলায় রেডিও দেখেছেন, আর বর্তমানে এআই ব্যবহার করছেন।” এর পরেই প্রধানমন্ত্রী বলেন, “নরেন্দ্র মোদি দেশের প্রধানমন্ত্রী। তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। পঞ্চাশ বছরের কম বয়সে মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন (BJP)। এসব একটা জায়গায় রয়েছে। কিন্তু এর থেকেও বড় পরিচয় হল আমি বিজেপির একজন কর্মী। দলের ক্ষেত্রে আমি কর্মকর্তা, আর নিতিন নবীন আমার বস।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “বিজেপি (BJP) এক সংস্কার, এক পরিবার। এই দলে মেম্বারশিপের চেয়েও বেশি রিলেশনশিপ রয়েছে। নেতৃত্ব বদলায়, কিন্তু দিশা বদলায় না (Nitin Nabin)।”

     

  • BJP: বিজেপির জাতীয় সভাপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি তুঙ্গে, কার হাতে যাচ্ছে রশি?

    BJP: বিজেপির জাতীয় সভাপতি নির্বাচনের প্রস্তুতি তুঙ্গে, কার হাতে যাচ্ছে রশি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দিল্লিতে বিজেপির (BJP) সদর দফতরে তৎপরতা তুঙ্গে। দলটি তাদের পরবর্তী জাতীয় সভাপতিকে নির্বাচনের (Election Process) প্রস্তুতি নিচ্ছে। এই পদে মনোনয়ন জমা পড়বে ১৯ জানুয়ারি, আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হবে ২০ জানুয়ারি। দলীয় সূত্রে খবর, বর্তমান কার্যনির্বাহী সভাপতি নীতীন নাবিন কোনও প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছাড়াই এই দায়িত্ব গ্রহণ করতে চলেছেন। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং বিদায়ী সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডা-সহ বিজেপির শীর্ষ নেতারা তাঁর নাম প্রস্তাব করবেন বলে জানা যাচ্ছে। অন্য কোনও প্রতিদ্বন্দ্বী না থাকায় ফল কার্যত নিশ্চিত বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে বিজেপির জাতীয় সভাপতি নির্বাচনের প্রক্রিয়া ঘিরে বরাবরই প্রশ্ন ওঠে, দলের অভ্যন্তরীণ কার্যপ্রণালী কতটা গণতান্ত্রিক।

    বিশ্বের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল (BJP)

    নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে পরিচালিত ভোটের মতো নয় বিজেপির জাতীয় সভাপতি নির্বাচন। এটি পুরোপুরি দলের অভ্যন্তরীণ সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সম্পন্ন হয় এবং এতে ভারতের নির্বাচন কমিশনের কোনও ভূমিকা থাকে না। দল একে একটি বেসরকারি সংগঠনের অভ্যন্তরীণ বিষয় হিসেবেই দেখে, যেমন কোনও সমিতি বা সংগঠন তাদের পদাধিকারী নির্বাচন করে। নিজেদের বিশ্বের বৃহত্তম রাজনৈতিক দল হিসেবে দাবি করা বিজেপির সদস্যসংখ্যা ১৮ কোটির বেশি হলেও সাধারণ কর্মী বা সমর্থকরা সরাসরি জাতীয় সভাপতির জন্য ভোট দেন না। নির্বাচন সম্পূর্ণভাবে দলের সাংগঠনিক কাঠামোর মাধ্যমে হয়, যাকে বিজেপি তাদের সবচেয়ে বড় শক্তি বলেই মনে করে। বিজেপির সংবিধানে নীচ থেকে ওপরের দিকে নির্বাচনের একটি সুস্পষ্ট কাঠামো নির্ধারিত রয়েছে। বুথ বা স্থানীয় স্তর থেকে শুরু করে গ্রাম বা শহর, মণ্ডল, জেলা, রাজ্য এবং শেষে জাতীয় স্তর পর্যন্ত এই সাংগঠনিক নির্বাচন (BJP) সম্পন্ন হয়। এই পুরো প্রক্রিয়াটি দলের অন্দরে “সংগঠন পর্ব” নামে পরিচিত এবং এটি ছ’বছরে একবার অনুষ্ঠিত হয়। বর্তমান সংগঠন পর্ব শুরু হয়েছে ২০২৪–২৫ সালে এবং এখন তা চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।

    প্রক্রিয়া শুরু

    এই প্রক্রিয়া শুরু হয় সদস্য সংগ্রহ অভিযান দিয়ে। ১৮ বছরের ঊর্ধ্বে যে কোনও ভারতীয় নাগরিক, যিনি দলের মানবতাবাদ এবং আদর্শ মেনে (Election Process) নেন, তিনি প্রাথমিক সদস্য হতে পারেন। সদস্যপদের মেয়াদ ছ’বছর এবং তা নবীকরণযোগ্য।এর মধ্য থেকে ‘সক্রিয় সদস্য’ বাছাই করা হয়। সক্রিয় সদস্য হতে গেলে অন্তত তিন বছর দলীয় কাজ করতে হয়, পার্টি ফান্ডে ১০০ টাকা অনুদান দিতে হয়, আন্দোলন বা কর্মসূচিতে অংশ নিতে হয় এবং দলীয় প্রকাশনার গ্রাহক হতে হয়। শুধুমাত্র সক্রিয় সদস্যরাই সাংগঠনিক নির্বাচনে ভোট দিতে বা উচ্চপদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। বিজেপির সংবিধানের ১৯ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জাতীয় সভাপতি নির্বাচিত হন একটি বিশেষ ইলেক্টোরাল কলেজের মাধ্যমে। এই কলেজে জাতীয় পরিষদ ও রাজ্য পরিষদের সদস্যরা থাকেন। লোকসভা আসনের সংখ্যার অনুপাতে রাজ্য থেকে জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন, পাশাপাশি সাংসদদের মনোনীত প্রতিনিধিরাও থাকেন (BJP)।

    রাজ্য পরিষদের সদস্য

    রাজ্য পরিষদের সদস্যরা জেলা ইউনিট থেকে নির্বাচিত হন এবং বিধায়ক ও সাংসদদের মনোনীত প্রতিনিধিরাও এতে অন্তর্ভুক্ত থাকেন। এবার ইলেক্টোরাল কলেজে প্রায় ৫,৭০০ জন সদস্য রয়েছেন। দলীয় নিয়ম অনুযায়ী, অন্তত অর্ধেক রাজ্যে (প্রায় ১৯টি রাজ্য) সাংগঠনিক নির্বাচন শেষ না হলে জাতীয় সভাপতি নির্বাচন করা যায় না। সেই শর্ত এবার পূরণ হয়েছে। বিজেপির সংবিধান অনুযায়ী, জাতীয় সভাপতি হতে গেলে কঠোর শর্ত পূরণ করতে হয়। প্রার্থীকে অন্তত ১৫ বছর প্রাথমিক সদস্য এবং অন্তত চার মেয়াদ ধরে সক্রিয় সদস্য থাকতে হয়, যা সাধারণত প্রায় ১২ বছরের সাংগঠনিক কাজের সমান। মনোনয়ন জমা দিতে হলে ইলেক্টোরাল কলেজের অন্তত ২০ জন সদস্যের সমর্থন প্রয়োজন, যাঁরা কমপক্ষে পাঁচটি ভিন্ন রাজ্য থেকে হতে হবে, যেসব রাজ্যে জাতীয় পরিষদের নির্বাচন সম্পন্ন হয়েছে। প্রার্থীকে লিখিত সম্মতিও দিতে হয় (Election Process)।

    ইলেক্টোরাল কলেজের তালিকা

    এই নির্বাচনের জন্য ১৬ জানুয়ারি ইলেক্টোরাল কলেজের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। ১৯ জানুয়ারি দুপুর ২টা থেকে ৪টার মধ্যে মনোনয়ন জমা নেওয়া হবে এবং সেদিনই যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। সন্ধ্যায় মনোনয়ন প্রত্যাহারের সুযোগ থাকবে। যদি একাধিক বৈধ মনোনয়ন থাকে, তবে ২০ জানুয়ারি গোপন ব্যালটে ভোট হবে এবং সেদিনই ফল ঘোষণা করা হবে। তবে যদি একজন প্রার্থীই থাকেন, তবে তাঁকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হবে, এবার যা হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি (BJP)।বিজেপির ৪৫ বছরের ইতিহাসে কখনও জাতীয় সভাপতি পদে গোপন ব্যালটের মাধ্যমে নির্বাচন হয়নি। প্রতিবারই সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সর্বসম্মতি ক্রমে। দলীয় সূত্রের মতে, এটি বিজেপির অভ্যন্তরীণ ঐকমত্য ও সমন্বয়ের সংস্কৃতির ফল।

    আরএসএস

    বিজেপি সংবিধানে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) নাম উল্লেখ না থাকলেও, বাস্তবে এই প্রক্রিয়ায় তাদের গুরুত্বপূর্ণ অনানুষ্ঠানিক ভূমিকা থাকে। আরএসএসের শীর্ষ নেতারা এবং বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব, বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, নাম চূড়ান্ত করার আগে আলোচনা করে নেন। সংগঠনের মহাসচিব, যিনি সাধারণত আরএসএস থেকে আসেন, তিনিও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। এই পদ্ধতিকে প্রয়োজনীয় বলে মনে করা হয়, কারণ জাতীয় সভাপতি শুধুই প্রতীকী পদ নয়। তিনি দলের সাংগঠনিক দিশা নির্ধারণ করেন, নির্বাচনী কৌশল দেখাশোনা করেন এবং দল ও সরকারের মধ্যে সেতুবন্ধনের কাজ করেন। প্রকাশ্য লড়াই দলকে দুর্বল করতে পারে, যা বিজেপি এড়িয়ে চলতে চায় (BJP)।

    জাতীয় সভাপতির মেয়াদ

    বিজেপির সংবিধানের ২১ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, জাতীয় সভাপতি টানা দুই মেয়াদ, অর্থাৎ মোট ছ’বছর দায়িত্বে থাকতে পারেন। এরপর বিরতি নেওয়া বাধ্যতামূলক। যদিও বাস্তবে মেয়াদ বাড়ানোর ঘটনা একাধিকবার ঘটেছে (Election Process)। জেপি নাড্ডা ২০২০ সালের জানুয়ারিতে সভাপতি হন। তাঁর প্রথম মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল ২০২৩ সালে, কিন্তু মেয়াদ বাড়িয়ে তাঁকে ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন পর্যন্ত দায়িত্বে রাখা হয়। বর্তমান প্রক্রিয়ার মাধ্যমে অবশেষে ২০২৬ সালে নতুন সভাপতির দিকে এগোচ্ছে বিজেপি। আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হবে ২০ জানুয়ারি। ১৯৮০ সালে প্রতিষ্ঠার পর থেকে বিজেপির সভাপতির দায়িত্বে ছিলেন বহু গুরুত্বপূর্ণ নেতা। এঁরা হলেন, অটল বিহারী বাজপেয়ী (১৯৮০–১৯৮৬), লালকৃষ্ণ আডবানি (১৯৮৬–১৯৯১), মুরলী মনোহর যোশী (১৯৯১–১৯৯৩), লালকৃষ্ণ আডবানি (১৯৯৩–১৯৯৮), কুশাভাউ ঠাকরে (১৯৯৮–২০০০),

    বাঙ্গারু লক্ষ্মণ (২০০০–২০০১), কে জনা কৃষ্ণমূর্তি (২০০১–২০০২), এম বেঙ্কাইয়া নাইডু (২০০২–২০০৪), লালকৃষ্ণ আডবানি (২০০৪–২০০৫), রাজনাথ সিং (২০০৬–২০০৯), নীতীন গডকরি (২০০৯–২০১৩), রাজনাথ সিং (২০১৩–২০১৪), অমিত শাহ (২০১৪–২০২০), জগৎ প্রকাশ নাড্ডা (২০২০–২০২৬)।

    অমিত শাহের মেয়াদ

    এর মধ্যে ২০১৪ থেকে ২০২০ পর্যন্ত অমিত শাহের মেয়াদ ছিল দীর্ঘতম ও সবচেয়ে নির্বাচনী সাফল্যপূর্ণ, যখন বিজেপি লোকসভায় ৩০০-এরও বেশি আসন পায়। জেপি নাড্ডার মেয়াদে ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় এবং সাংগঠনিক সংহতি বজায় রাখা হয়। বিজেপির জাতীয় সভাপতি নির্বাচনের পদ্ধতি দলটির কেন্দ্রীভূত ও শৃঙ্খলাবদ্ধ চরিত্র স্পষ্ট করে। সিদ্ধান্ত শীর্ষস্তরে নেওয়া হয় এবং তা নির্বিঘ্নে সংগঠনের সর্বস্তরে বাস্তবায়িত হয়। এতে অভ্যন্তরীণ সংঘাত এড়ানো সম্ভব হয় এবং ঐক্যের বার্তা দেওয়া যায় (Election Process)। তবে একই সঙ্গে একটি বড় প্রশ্নও থেকে যায়, দল যত বড় হচ্ছে, ভবিষ্যতে কি কখনও শীর্ষ সাংগঠনিক পদে প্রকাশ্য প্রতিদ্বন্দ্বিতা দেখা যাবে? আপাতত বিজেপি তাদের ঐতিহ্যগত সর্বসম্মতির পথেই অবিচল, এবং আসন্ন জাতীয় সভাপতি (BJP) নির্বাচনও সেই পরিচিত পথেই এগোচ্ছে।

     

  • PM Modi: “তৃণমূল শিশু ও তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলা করছে”, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “তৃণমূল শিশু ও তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলা করছে”, তোপ প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূলের ব্যাপক আন্দোলনের জেরে ১৮ বছর আগে সিঙ্গুর ছেড়ে অন্যত্র চলে যেতে বাধ্য হয়েছিল টাটারা। রবিবার ১৮ বছর পরে সেই সিঙ্গুরের মাটিতে দাঁড়িয়েই তৃণমূলকে নিশানা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তিনি বলেন, “তৃণমূল শিশু ও তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে খেলা করছে। গরিবদের উন্নয়নে বাধা দিচ্ছে তৃণমূল সরকার। মৎস্যজীবীদের নথিভুক্তকরণে সাহায্য করছে না। এতে কেন্দ্রীয় সরকারের সুবিধা পান না তাঁরা। যুবকদের ভবিষ্যৎ নিয়েও খেলছে তৃণমূল।”

    বিদ্যাসাগর-রামমোহন-বিবেকানন্দ (PM Modi)

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর, রাজা রামমোহন রায়, স্বামী বিবেকানন্দের জন্মজয়ন্তীকে জাতীয়স্তরে পালন করার উদ্যোগও নিয়েছে আমাদের সরকার।” তিনি বলেন, “বিজেপি বিকাশ এবং ঐতিহ্য উভয়কেই গুরুত্ব দেয়। এই দুয়ের মডেলেই বিজেপি পশ্চিমবঙ্গের বিকাশে গতি দেবে। পশ্চিমবঙ্গের অনেক সামর্থ্য রয়েছে। অনেক বড় বড় নদী রয়েছে। বিশাল উপকূল রেখা রয়েছে। উর্বর জমি রয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিটি জেলায় কিছু না কিছু বিশেষত্ব রয়েছে। এখানকার সাধারণ মানুষের বুদ্ধি, প্রতিভা, সামর্থ্য রয়েছে। বিজেপি প্রত্যেক জেলার হিসেবে পরিকল্পনা তৈরি করবে। এর ফলে সংশ্লিষ্ট জেলার মানুষই সব চেয়ে বেশি উপকৃত হবেন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই জেলায় ধনিয়াখালি শাড়ি রয়েছে, এখানে পাট আছে, হস্তশিল্পের সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সামগ্রীও রয়েছে। বিজেপির এক জেলা, এক পণ্য প্রকল্পের আওতায় প্রত্যেক জেলার এমন পণ্যে উৎসাহ দেবে। রাজ্যে বিজেপি সরকার এলেই প্লাস্টিকের বিরুদ্ধে কড়া নীতি গৃহীত হবে। পাট শিল্পকে আরও উৎসাহিত করা হবে।” সিঙ্গুরের আলু-পেঁয়াজ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “গোটা পৃথিবীতে টাটকা সবজির চাহিদা রয়েছে। প্রক্রিয়াজাত সবজিরও বিশাল বাজার রয়েছে।”

    অনুপ্রবেশকারী ইস্যু

    এদিন প্রধানমন্ত্রীর ভাষণেও শোনা গিয়েছে অনুপ্রবেশকারী ইস্যু। তিনি বলেন, “তৃণমূলের শাসনে পশ্চিমবঙ্গে দাঙ্গাকারী, মাফিয়া, লুটতরাজে ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এখানে সব কিছুতেই সিন্ডিকেট ট্যাক্স বসানো হয়। এই সিন্ডিকেট ট্যাক্স, মাফিয়া ট্যাক্সকে বন্ধ করবে রাজ্যে বিজেপির সরকার এলে। এটা মোদির গ্যারান্টি।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের সেবা করাই আমার লক্ষ্য। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন্দ্রের প্রকল্পের সুফল মানুষের কাছে পৌঁছতে দেয় না। রাজ্যবাসীর সঙ্গে শত্রুতা করছে তৃণমূল সরকার।”

    মহা-জঙ্গলরাজের পতন

    তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে মহা-জঙ্গলরাজের পতন ও বিজেপির ক্ষমতায় আসা অত্যন্ত জরুরি। তৃণমূল সরকারের আমলে মহিলারা সুরক্ষিত নন। মাফিয়া ও দুর্নীতিবাজদের কবজায় রাজ্যের শিক্ষা ব্যবস্থা (PM Modi)। যতদিন তৃণমূল ক্ষমতায় থাকবে, কেউ চাকরি পাবেন না। এখানে কলেজে ধর্ষণ, হিংসার ঘটনা বন্ধ হোক।” তৃণমূল সরকারকে ‘নির্মম’ আখ্যাও দেন প্রধানমন্ত্রী। পশ্চিমবঙ্গে শিল্প না আসার কারণও এদিন জানিয়ে দেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “আইনশৃঙ্খলার উন্নতি হলেই পশ্চিমবঙ্গে শিল্প আসবে, পশ্চিমবঙ্গে দুষ্কৃতি-পুলিশ সবাই এক। বিজেপি পশ্চিমবঙ্গে সিন্ডিকেট-রাজ খতম করবে, এটা মোদির গ্যারান্টি।” এদিন প্রধানমন্ত্রী সভা শুরু করেন বাংলায় সম্ভাষণ করে। তিনি বলেন, “সিঙ্গুরের এই পবিত্রভূমিকে আমার প্রণাম। পশ্চিমবঙ্গে আসল পরিবর্তন চাইছেন মানুষ। সবাই ১৫ বছরের মহাজঙ্গলরাজের পতন চায়। সিঙ্গুরের এই পবিত্রভূমিকে আমার প্রণাম, সিঙ্গুরের এই উৎসাহ দেখে আমি অভিভূত (PM Modi)।”

     

  • PM Modi: সিঙ্গুরে কল্পতরু প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন-শিলান্যাস করলেন ৮৩০ কোটি টাকারও বেশি প্রকল্পের

    PM Modi: সিঙ্গুরে কল্পতরু প্রধানমন্ত্রী, উদ্বোধন-শিলান্যাস করলেন ৮৩০ কোটি টাকারও বেশি প্রকল্পের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজ সকালে আমি মা কামাখ্যার মাটিতে ছিলাম। এখন বাবা তারকনাথের মাটিতে আপনাদের সঙ্গে দেখা করতে এসেছি।” রবিবার সিঙ্গুরের (Singur Meeting) জনসভায় কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন অবশ্য তিনি বক্তৃতা শুরু করেন শ্রীরামকৃষ্ণ এবং মা সারদাকে দিয়ে। তার পরেই চলে আসেন মা কামাখ্যা এবং বাবা তারকনাথের অনুষঙ্গে। সিঙ্গুরের মাটিতে দাঁড়িয়ে প্রধানমন্ত্রী উদ্বোধন ও শিলান্যাস করেন ৮৩০ কোটি টাকারও বেশি প্রকল্পের। সিঙ্গুরের সরকারি মঞ্চ থেকে হুগলির বলাগড়ে এক্সটেন্ডেড পোর্ট গেট সিস্টেমের শিলান্যাসও করেন প্রধানমন্ত্রী।

    গত ২৪ ঘণ্টা তাৎপর্যপূর্ণ (PM Modi)

    এদিন সরকারি কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে তিনি বলেন, “রাজ্যের ট্রেন যোগাযোগের ক্ষেত্রে গত ২৪ ঘণ্টা তাৎপর্যপূর্ণ। গত ১০০ বছরে এত কাজ হয়নি।” এদিন প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরকারি মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, কেন্দ্রের দুই মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এবং শান্তনু ঠাকুর, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এবং বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। এই মঞ্চে বক্তৃতা দিতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ আগেই ৬টি অমৃত ভারত ট্রেন পেয়েছে। আজ আরও ৩টি অমৃত ভারত ট্রেন পেল পশ্চিমবঙ্গ।” জয়রামবাটি-বড়গোবিন্দনাথপুর-ময়নাপুর নয়া রেললাইনের উদ্বোধনও করেন প্রধানমন্ত্রী। যাত্রার সূচনা করেন তিনটি অমৃত ভারত এক্সপ্রেসের এবং একটি নয়া প্যাসেঞ্জার ট্রেনের (PM Modi)।

    রাজ্য সরকার পরিবর্তনের আহ্বান

    প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে প্রত্যাশিতভাবেই এসেছে রাজ্য সরকার পরিবর্তনের আহ্বান। তিনি বলেন, “আমাদের আসল পরিবর্তন চাই। সকলে এই মনোভাব নিয়েই আজ সভায় এসেছেন। সকলেই ১৫ বছরের মহাজঙ্গলরাজকে বদলাতে চাইছেন। বন্দে মাতরম হুগলিতেই লেখা হয়েছিল। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই মাটিতেই লিখেছিলেন।” তিনি বলেন, “বিহারে এনডিএ জঙ্গলরাজ আরও একবার আটকে দিয়েছে। এবার পশ্চিমবঙ্গও টিএমসির মহাজঙ্গলরাজকে বিদায় করতে প্রস্তুত।” রাজ্যে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের সুরও এদিন বেঁধে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী (Singur Meeting)। তিনি বলেন, “পাল্টানোর দরকার, চাই বিজেপি সরকার।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “পুরো সংসদ, পুরো দেশ ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়কে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেছে। হুগলি এবং বন্দেমাতরমের সম্পর্ক তো আরও গুরুত্বপূর্ণ। বলা হয়, এখানেই ঋষি বঙ্কিমজি বন্দেমাতরমকে পূর্ণতা দিয়েছেন।”

    কর্তব্যপথে নেতাজি

    তিনি বলেন, “বিজেপি সরকারই দিল্লিতে কর্তব্যপথে ইন্ডিয়া গেটের সামনে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুর মূর্তি বসিয়েছে। প্রথমবার লালকেল্লা থেকে আজাদ হিন্দ ফৌজের অবদানকে স্মরণ করা হয়েছে (PM Modi)। আন্দামান নিকোবরে নেতাজির নামে দ্বীপের নামকরণ করা হয়েছে। আগে ২৬ জানুয়ারির কর্মসূচি ২৪-২৫ তারিখ থেকে শুরু হত। শেষ হত ৩০ তারিখে। আমরা তা বদলে দিয়েছি। এখন ২৩ জানুয়ারি নেতাজি সুভাষবাবুর জন্মজয়ন্তী থেকে শুরু করেছি। মহাত্মা গান্ধীর পূণ্যতিথিতে তা পূরণ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।” তিনি মনে করিয়ে দেন, পশ্চিমবঙ্গ দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামে নেতৃত্ব দিয়েছে। এর পরেই তৃণমূলকে নিশানা করেন প্রধানমন্ত্রী। বলেন, “কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুবিধা নিতে পাচ্ছেন না রাজ্যের মানুষ। এজন্য তৃণমূল সরকার দায়ী। মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি দিলেও লাভ হয় না। জেলেদের জন্য কেন্দ্রীয় যোজনায় বাংলার জেলেদের রেজিস্ট্রেশন করতে দেওয়া হচ্ছে না।” তিনি বলেন, “জেলেরা বঞ্চিত (Singur Meeting) হচ্ছেন। যুব সমাজের সঙ্গে ছেলেখেলা করছে রাজ্যের তৃণমূল সরকার (PM Modi)।”

     

LinkedIn
Share