Tag: bjp

bjp

  • Delhi Assembly Election: সামনেই দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন, কেন মসনদ দখল করতে পারে বিজেপি?

    Delhi Assembly Election: সামনেই দিল্লি বিধানসভা নির্বাচন, কেন মসনদ দখল করতে পারে বিজেপি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দরজায় কড়া নাড়ছে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল (Delhi Assembly Election) দিল্লির বিধানসভা নির্বাচন। এখানে মূল প্রতিপক্ষ বিজেপি ও আম আদমি পার্টি। দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতায় থাকলেও বর্তমানে দিল্লি প্রদেশে সম্পূর্ণ অপ্রাসঙ্গিক হয়েছে কংগ্রেস। বিগত ২০১৩ সালের নির্বাচনে কংগ্রেসকে পরাস্ত করে একক সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হিসেবে উঠে আসে বিজেপি (BJP), কিন্তু আম আদমি পার্টি এবং কংগ্রেসের পরিকল্পনায় ক্ষমতা থেকে দূরে থাকতে হয় গেরুয়া শিবিরকে। পরবর্তীকালে ২০১৫ সালে ৬৭ আসন নিয়ে ক্ষমতা দখল করে আম আদমি পার্টি। ২০২০ সালেও প্রায় একই সংখ্যা দেখা যায় এবং তারা ৬২টি আসনে জয়লাভ করে।

    দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বিজেপির শক্তি বৃদ্ধি হতে দেখা যাচ্ছে

    অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণভাবে দেখা যাচ্ছে, দিল্লির (Delhi Assembly Election) লোকসভা নির্বাচনে আম আদমি পার্টির প্রতিবার ভরাডুবি হওয়া সত্ত্বেও বিধানসভা নির্বাচনে ভালোমতো জিতছে। অন্যদিকে বিজেপি লোকসভাতে জিতলেও দিল্লি প্রদেশের বিধানসভায় জিততে পারছে না। কিন্তু বর্তমান সময়ের দিকে তাকিয়ে দেখা যাচ্ছে, বিজেপির বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে দিল্লি প্রদেশের ক্ষমতা দখল করার। তার কারণ দেশের বিভিন্ন রাজ্যে বিজেপির শক্তি বৃদ্ধি হতে দেখা যাচ্ছে।

    বিজেপির অসম ও হরিয়ানা জয়

    যদি আমরা অসমের দিকে তাকাই তাহলে দেখব, ২০১১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে সেখানে বিজেপি (Delhi Assembly Election) জিতেছিল পাঁচটি আসনে। কিন্তু ২০১৬ সালের বিজেপি যেতে ৬০ আসনে অন্যদিকে হরিয়ানার ক্ষেত্রে যদি তাকাই তখন আমরা দেখব বিজেপি ৪৭ টি আসনে যেতে ২০১৪ সালে এবং সেখানে সরকার তৈরি করে বিধানসভার আসন রয়েছে হরিয়ানাতে ৯০টি। ২০১৪ আগের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় হরিয়ানাতে ২০০৯ সালে। সেবার বিজেপির চারটি আসনে সমর্থ হয়েছিল। ২০১৪ সালের ক্ষমতা মসনদে বসার আগে মসনদে বছর আগে পর্যন্ত বিজেপির সব থেকে বড় জয় ছিল ১৬টি আসন।

    বিজেপির ত্রিপুরা জয়

    অন্যদিকে উত্তর-পূর্ব ভারতের অপর আরেক রাজ্য ত্রিপুরার দিকেও যদি আমরা তাকাই তাহলে দেখব সেখানে বিধানসভায় আসন রয়েছে মোট ৬০ আসন। যার মধ্যে বিজেপি (Delhi Assembly Election) ২০১৮ সালের নির্বাচনের আগে পর্যন্ত কোনও আসনেই জেতেনি। ২০১৩ সাল পর্যন্ত বিজেপির ইতিহাসে একমাত্র কদমতলা-কুর্তি নামক আসনে নিজেদের জামানতকে তারা ধরে রাখতে পেরেছিল। এটাই ছিল বড় সাফল্য। কিন্তু ২০১৮ সালে ৬০ আসনের বিধানসভার মধ্যে ৩৬টি আসনের জয়লাভ করে বিজেপি এবং সেখানে সরকার তৈরি করে। ২০২৩ সালে পুনরায় ক্ষমতায় ফেরে বিজেপি। তাই এই সমস্ত রাজ্যগুলির মতো ফলাফল দিল্লিতেও হতে পারে বলে মনে করছে ওয়াকিবহাল মহল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • PM Modi: ‘মোদি ম্যাজিকে ভর করেই মহারাষ্ট্র-হরিয়ানায় বাজিমাত বিজেপির’, বলছে সমীক্ষা

    PM Modi: ‘মোদি ম্যাজিকে ভর করেই মহারাষ্ট্র-হরিয়ানায় বাজিমাত বিজেপির’, বলছে সমীক্ষা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোদি ম্যাজিকেই বাজিমাত হয়েছে মহারাষ্ট্র-হরিয়ানায়। মেট্রিজের সাম্প্রতিক এক সমীক্ষাতে উঠে এসেছে এই তথ্য। ২০১৪ সালে যখন তিনি গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন, তখনও দেশজুড়ে (BJP) মোদি-হাওয়া (PM Modi)। সেই হাওয়াই পালে লেগে অনায়াস হয়েছে বিজেপির ভোট বৈতরণী পার।

    মোদি ঝড় (PM Modi)

    ২০১৪ সালে বস্তুত মোদি ঝড়েই বিরোধীরা উড়ে গিয়েছিল খড়কুটোর মতো। প্রধানমন্ত্রী হন মোদি। তার পর থেকে গত ১০ বছরে মোদির জনপ্রিয়তা বেড়েছে বই কমেনি। চলতি বছর লোকসভা নির্বাচনেও মোদি ক্যারিশ্মায়ই কুপোকাত হয়েছে বিরোধী শিবির। কেবল দেশবাসী নন, মোদির বাগ্মিতায় মুগ্ধ বিশ্বের বিভিন্ন রাষ্ট্রের প্রধানরা। অক্টোবরের ৫ তারিখে নির্বাচন হয় হরিয়ানার ৯০টি আসনে। আর ২০ নভেম্বর নির্বাচন হয় মহারাষ্ট্রের ২৮৮টি আসনে। দুই রাজ্যেই পদ্মের জয়জয়কার। হরিয়ানায় ৪৮টি আসন পেয়েছে বিজেপি। আর মহারাষ্ট্রে বিজেপি একাই পেয়েছে ১৩২টি আসন। বিজেপি, শিবসেনা এবং এনসিপির মহাজোট (মহাযুতি) পেয়েছে ২৩৫টি আসন। দুই রাজ্যেই সরকার গড়েছে পদ্ম শিবির।

    মোদি ম্যাজিক

    সমীক্ষা চালানো হয়েছিল ২৫ নভেম্বর থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। মহারাষ্ট্রে মতামত নেওয়া হয়েছিল ৭৬ হাজার ৮৩০ জনের। আর হরিয়ানায় মতামত নেওয়া হয়েছিল ৫৩ হাজার ৬৪৭ জনের। এই সমীক্ষাতেই ধরা পড়েছে মোদির (PM Modi) জনপ্রিয়তার ছবি। লোকসভা নির্বাচনে বিজেপির আসন কিছু কমেছে ঠিকই, তবে মোদির জনপ্রিয়তা অটুট। সমীক্ষায় প্রকাশ, মোদির ওপর আস্থা রেখেছেন ৫৫ শতাংশ ভোটার। হরিয়ানার ৫৩ শতাংশ ভোটারও আস্থা রেখেছেন মোদির ওপর।

    আরও পড়ুন: ডোভালের বৈঠকে গলল বরফ, ফের শুরু হতে চলেছে কৈলাস মানস সরোবর যাত্রা

    মোদির বিরুদ্ধে সংবিধান বদলানোর অভিযোগ তুলে হাওয়া গরম করার চেষ্টা করেছিল কংগ্রেস। মহারাষ্ট্র এবং হরিয়ানায় প্রচারে গিয়ে সে কথা ফলাও করে বলেছিলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীও। তার পরেও অটুট মোদি ম্যাজিক। সমীক্ষা থেকেই জানা গিয়েছে, রাহুলের ওপর তেমন আস্থা দেখাননি ভোটাররা। মোদির দৃঢ় মানসিকতা, সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতার কাছে স্রেফ উড়ে গিয়েছেন রাহুল। জানা গিয়েছে, মোদির জনপ্রিয়তা, তাঁর সরকারের প্রতি বিশ্বাস এবং ‘এক হ্যায় তো সেফ হ্যায়’ এবং ‘বাটেঙ্গে তো কাটেঙ্গে’র মতো (BJP) স্লোগানেই কুপোকাত হয়েছেন বিরোধীরা (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: সংসদে হাতাহাতিকাণ্ডে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে এফআইআর বিজেপির, কোন কোন ধারায়?

    Rahul Gandhi: সংসদে হাতাহাতিকাণ্ডে রাহুল গান্ধীর বিরুদ্ধে এফআইআর বিজেপির, কোন কোন ধারায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদে হাতাহাতির জেরে জখম হয়েছেন বিজেপির দুই সাংসদ। কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) ধাক্কায়ই আহত হয়েছেন তাঁরা। এই অভিযোগে রাহুলের বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) দায়ের করল পদ্ম-পার্টি। এদিকে, আহত সাংসদদের সঙ্গে ফোনে কথা বলেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। খোঁজ নিয়েছেন তাঁদের শারীরিক অবস্থার।

    ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ধারায় মামলা দায়ের

    কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতির (Rahul Gandhi) বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন অনুরাগ ঠাকুর-সহ গেরুয়া শিবিরের তিন সাংসদ। বিরোধী দলনেতার বিরুদ্ধে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১১১ (স্বেচ্ছায় গুরুতর আঘাত করা), ১১৫ (আঘাত করা), ১২৫ (এমন আচরণ যা একাধিক ব্যক্তির জন্য সুরক্ষা বিঘ্নিত হয়েছে) ১৩১ (অপরাধের উদ্দশে শক্তি প্রয়োগ), ৩৫১ (অপরাধমূলক উদ্দেশ্যে বাধাদান) এবং ৩(৫) (অপরাধের অভিন্ন উদ্দেশ্য) ইত্যাদি ধারায় পার্লামেন্ট স্ট্রিট থানায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ।

    সংসদ চত্বরে মারামারি (Rahul Gandhi)

    বৃহস্পতিবার সকালে সংসদ চত্বরে মারামারিতে জড়িয়ে পড়েন কংগ্রেস ও বিজেপি সাংসদরা। মারের চোটে মাথা ফেটেছে ওড়িশার বালাসোরের সাংসদ প্রতাপ সারঙ্গির। মাথা ফেটে যায় তাঁর। গুরুতর জখম হয়েছেন উত্তরপ্রদেশের ফারুখাবাদের সাংসদ মুকেশ রাজপুতও। গেরুয়া শিবিরের অভিযোগ, তাদের দুই সাংসদই জখম হয়েছেন রাহুল গান্ধীর ধাক্কায়। সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী কিরেন রিজিজু বলেন, “রাহুল গান্ধীর ধাক্কায় গুরুতর জখম হয়েছেন দুই বিজেপি সাংসদ। কোনও সাংসদ কীভাবে সংসদ চত্বরে বল প্রয়োগ করতে পারেন? কোন আইন এটার অনুমতি দিচ্ছে। আপনি কি কুংফু-ক্যারাটে শিখেছেন অন্য সাংসদদের মারধর করতে?’’

    কী বললেন জখম সাংসদ

    প্রতাপ বলেন, “রাহুল গান্ধী একজন সাংসদকে ধাক্কা মারেন। তিনি আমার ওপর পড়ে যান। আমি নীচে পড়ে যাই।” অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রাহুল (Rahul Gandhi)। বিজেপি নেতা হেমাঙ্গ জোশি বলেন, “সকাল প্রায় ১০টা নাগাদ আমি মুকেশ রাজপুতজি, প্রতাপ রাও সারঙ্গিজি এবং ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্সের অন্যান্য সংসদ সদস্যদের সঙ্গে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করছিলাম। সকাল প্রায় ১০টা ৪০ নাগাদ রাহুল গান্ধী সেখানে এসে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকারীদের দিকে জোরপূর্বক এগিয়ে যান। তিনি (রাহুল) সাংসদদের নিরাপত্তা বিপন্ন করেছেন।

    আরও পড়ুন: লক্ষ্য ছিল আরএসএস নেতারা, এক বাংলাদেশি সমেত কেরলে গ্রেফতার ৮ সন্ত্রাসী

    মকরদ্বারে নিষিদ্ধ বিক্ষোভ

    এদিকে, লোকসভার স্পিকার ওম বিড়লা সংসদের গেটের সামনে প্রতিবাদের ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারি করেছেন। লোকসভার সচিবালয় বৃহস্পতিবার রাতে ঘোষণা করেছে সংসদের মকর দ্বারে কোনও বিক্ষোভ সমাবেশ করা যাবে না। বৃহস্পতিবারের ঘটনার জেরে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, এদিনই রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড়ের কাছে রাহুলের (Rahul Gandhi) বিরুদ্ধে অশালীন আচরণের অভিযোগ করেছেন বিজেপির তফশিলি উপজাতি মহিলা সাংসদ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: লোকসভায় ধস্তাধস্তি! ‘‘রাহুল গান্ধী ধাক্কা মেরেছেন”, বললেন রক্তাক্ত বিজেপি সাংসদ

    BJP: লোকসভায় ধস্তাধস্তি! ‘‘রাহুল গান্ধী ধাক্কা মেরেছেন”, বললেন রক্তাক্ত বিজেপি সাংসদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অম্বেডকর-মন্তব্য ঘিরে সংসদের অন্দরে সরকার এবং বিরোধীপক্ষের সংঘাত এ বার পরিণত হল সংঘর্ষে। দু’পক্ষের ধাক্কাধাক্কিতে বিজেপি (BJP) সাংসদ প্রতাপচন্দ্র সারঙ্গি আহত হয়েছেন। আর এই ঘটনার জন্য রাহুল গান্ধীকে কাঠগড়ায় তুলেছেন বিজেপি সাংসদ। যা নিয়ে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    ঠিক কী অভিযোগ? (BJP)

    জানা গিয়েছে, সংসদে পড়ে গিয়ে চোট পেলেন বিজেপির (BJP) সাংসদ প্রতাপ চন্দ্র সারঙ্গি।  ওড়িশার বালেশ্বরের সাংসদ সারঙ্গি বলেন, ‘‘আমি সিঁড়িতে দাঁড়িয়েছিলাম। তখন রাহুল গান্ধী একজন সাংসদকে ধাক্কা মারেন। সেই সাংসদ আমার গায়ের ওপর পড়লে আমি পড়ে যাই এবং আমার মাথা ফেটে যায়।” শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। হুইলচেয়ারে বসা অবস্থায় তাঁর ছবিও দেখা গিয়েছে।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের সংসদে বিআর আম্বেদকরের নাম নিয়ে করা মন্তব্যের প্রতিবাদে সংসদ চত্বরের ভিতরে প্রতিবাদ মিছিল করছিল বিরোধী ‘ইন্ডি’ ব্লকের সাংসদরা৷ অভিযোগ, সেই সময় এনডিএ সাংসদরাও একটি প্রতিবাদ মিছিল করছিলেন৷ সেই দুই মিছিলকে কেন্দ্র করেই দু’পক্ষের সাংসদদের মধ্যে সংঘাত তৈরি হয় বলে অভিযোগ৷ একটা সময় দু’পক্ষের মিছিল মুখোমুখি হয়ে যায়। তা নিয়ে বিজেপি এবং কংগ্রেসের মধ্যে বচসা শুরু হয়।

    বিজেপি সূত্রের দাবি, রাহুল গান্ধী ফারুখাবাদের সাংসদ মুকেশ রাজপুতকে ধাক্কা মারেন। তিনি পড়ে যান প্রতাপ সারঙ্গির উপর। মুকেশও আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি। অর্থাৎ রাহুলের ধাক্কায় দুই বিজেপি সাংসদ আহত হয়েছেন। জানা যাচ্ছে, ঘটনার গুরুতর আহত হয়েছেন মুকেশ। পরিস্থিতি এতটাই সঙ্কটজনক যে বিজেপি সাংসদকে আইসিইউ’তে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। চিকিৎসায় একটি মেডিক্যাল বোর্ড গঠন করা হয়েছে। বর্ষীয়ান বিজেপি নেতার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নিতে হাসপাতালে পৌঁছে গিয়েছেন বিজেপির অন্যান্য নেতা এবং সাংসদরা।

    এই ঘটনা নিয়ে রাহুল গান্ধীর প্রতিক্রিয়া, ‘‘বিজেপির সাংসদরা আমাদের ভিতরে ঢুকতে দিচ্ছিলেন না। আমি ভিতরে প্রবেশের চেষ্টা করলেও তাঁরা আমাকে ধাক্কা দেন। আমাকে হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। ঢোকার মুখে এটা হয়েছে।” বিজেপি সাংসদ প্রতাপ সারঙ্গির অভিযোগ নিয়ে রাহুল আরও বলেন, ‘‘ধাক্কাধাক্কি করে কিছু হয় না। আমি সংসদের ভেতরে যেতে চেয়েছিলাম। সংসদে যাওয়া আমার অধিকার। আমাকে আটকানোর চেষ্টা করা হয়। তারা আমাকে প্রতিনিয়ত ধাক্কা দিচ্ছিল ও হুমকি দিচ্ছিলেন বিজেপির সাংসদরা। আমি তার প্রতিবাদ করেছি।”

    আরও পড়ুন: কাকভোরে গুলির লড়াই, জম্মু-কাশ্মীরে সেনার এনকাউন্টারে খতম ৫ জঙ্গি, জখম ২ জওয়ান

    শাহ ঠিক কী বলেছেন?

    মঙ্গলবার রাজ্যসভায় সংবিধানের ৭৫ বছর নিয়ে বিতর্কের শেষে জবাবি বক্তৃতায় শাহ বলেন, ‘‘এখন একটা ফ্যাশন হয়েছে, অম্বেডকর, অম্বেডকর, অম্বেডকর। এত বার ভগবানের নাম নিলে সাত জন্ম পর্যন্ত স্বর্গ লাভ হত।” বুধবার থেকেই শাহের বিরুদ্ধে অম্বেডকর-অবমাননার অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে কংগ্রেস-সহ বিরোধীরা। লোকসভায় সেই বিক্ষোভ ঘিরেই হয় তুলকালাম। তার মধ্যেই ঘটে গেল এই রক্তারক্তি কাণ্ড।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: অম্বেডকরকে অশ্রদ্ধা কংগ্রেসের, প্রতিবাদে সাংসদ প্রাঙ্গনে বিক্ষোভ বিজেপির

    BJP: অম্বেডকরকে অশ্রদ্ধা কংগ্রেসের, প্রতিবাদে সাংসদ প্রাঙ্গনে বিক্ষোভ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিআর অম্বেডকরকে নিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করে হইচই ফেলে দিয়েছে কংগ্রেস-সহ বিরোধী দলগুলি। তাঁর পদত্যাগও দাবি করেছ রাহুল গান্ধীর দল। এরই প্রতিবাদে বুধবার সংসদ প্রাঙ্গনে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন বিজেপি (BJP) সাংসদরা।

    বিজেপির প্রতিবাদ (BJP)

    তাঁরা আওয়াজ তোলেন, ‘বাবাসাহেব অম্বেডকরজির অপমান সহ্য করা হবে না’। সাংসদদের হাতে যে ব্যানার ছিল, তাতে লেখা, ‘অম্বেডকর আমাদের পথ দেখিয়েছেন, কংগ্রেস বিভ্রান্ত করেছে’। বিজেপির এই প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় বস্ত্রমন্ত্রী গিরিরাজ সিং। গান্ধী পরিবারকে নিশানা করে তিনি বলেন, “তাঁরা সবাই ভারতরত্ন পেয়েছেন, কিন্তু অম্বেডকরকে দেননি।” গিরিরাজ বলেন, “কংগ্রেস পার্টি বাবাসাহেবকে অসম্মান করার জন্য সবচেয়ে বড় পাপী। পুরো পরিবার ভারতরত্ন নিয়েছে, কিন্তু বাবাসাহেবকে দেয়নি। কংগ্রেস পার্টির উচিত ২৪ ঘণ্টা উপবাস করা এবং তাদের পাপের প্রায়শ্চিত্ত করার জন্য নীরব থাকার শপথ নেওয়া।”

    আরও পড়ুন: “কংগ্রেস অম্বেডকর-বিরোধী, সংরক্ষণ-বিরোধী, সংবিধান-বিরোধী”, সংসদে তোপ শাহের

    রাজীব রঞ্জন সিংয়ের প্রতিক্রিয়া

    জেডিইউ সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজীব রঞ্জন সিং বলেন, “শুধু (BJP) মল্লিকার্জুন খাড়্গে নন, পুরো কংগ্রেস পার্টি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্য বিকৃত করে নেতিবাচক প্রচার করছে।” তিনি বলেন, “অমিত শাহ উদাহরণ দিয়ে ব্যাখ্যা করেছেন কীভাবে কংগ্রেস বাবাসাহেব অম্বেডকরের প্রতি অসম্মান প্রদর্শন করেছে।” তিনি বলেন, “মল্লিকার্জুন খাড়্গে শুধু একটা অংশ। পুরো কংগ্রেস পার্টি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তৃতা বিকৃত করছে নেতিবাচক প্রচার করতে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লোকসভায় উদাহরণের মাধ্যমে ব্যাখ্যা করেছেন কীভাবে কংগ্রেস ভীমরাও অম্বেডকরকে অসম্মান করেছে। পন্ডিত নেহরু সংরক্ষণ ব্যবস্থার বিরুদ্ধে ছিলেন। ভীমরাও অম্বেডকর ভারতরত্ন পেয়েছিলেন বিজেপির শাসনে।”  

    কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়্গের তাঁর পদত্যাগের দাবির প্রতিক্রিয়ায় শাহ বলেন, “এটা কংগ্রেস পার্টির ভবিষ্যতের ওপর কোনও প্রভাব ফেলবে না। আমার পদত্যাগের পরেও কংগ্রেস পার্টি আগামী ১৫ বছর বিরোধী দলেই থাকবে (BJP)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

     

  • BJP: রবীন্দ্র ঘোষকে সংবর্ধনা বিজেপির, “এক পাও পিছু হঠব না”, বললেন চিন্ময়কৃষ্ণের আইনজীবী

    BJP: রবীন্দ্র ঘোষকে সংবর্ধনা বিজেপির, “এক পাও পিছু হঠব না”, বললেন চিন্ময়কৃষ্ণের আইনজীবী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে ধৃত হিন্দু সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাসের (Chinmoy Das) আইনজীবী রবীন্দ্র ঘোষকে সংবর্ধনা দিল বঙ্গ বিজেপি (BJP)। রবীন্দ্র ঘোষের নিরাপত্তার দাবিও জানিয়েছেন বিজেপি নেতারা। রবীন্দ্র জানান, তিনি বাংলাদেশে ফিরে গিয়ে ফের চিন্ময়কৃষ্ণের হয়ে সওয়াল করতে আদালতে যাবেন। চিকিৎসার প্রয়োজনে বারাকপুরে এসেছেন রবীন্দ্র। সেখান থেকেই অশীতিপর আইনজীবীর ঘোষণা, বাংলাদেশে তাঁর প্রাণ সংশয় থাকলেও শেষ পর্যন্ত লড়ে যাবেন। এক পাও পিছু হঠবেন না।

    রবীন্দ্রকে সংবর্ধনা বিজেপির (BJP)

    মঙ্গলবার সেখানে তাঁকে সংবর্ধনা জানান বিজেপি নেতারা। এঁদের মধ্যে ছিলেন অর্জুন সিং, কৌস্তুভ বাগচিরা। ছিলেন কার্তিক মহারাজও। বাংলাদেশের ওই আইনজীবীকে সংবর্ধনা জানিয়েছেন বারাকপুর আদালতের আইনজীবীরাও। রবীন্দ্র বলেন, “চিকিৎসার জন্য পশ্চিমবঙ্গে এসেছি। কিন্তু বাংলাদেশের সংবাদ মাধ্যম বলছে, ষড়যন্ত্র করতে এই দেশে এসেছি! এটা ঠিক নয়। আমি রাজনীতি করি না। আমি একজন মানবাধিকার কর্মীও।”

    কী বললেন রবীন্দ্র

    তিনি বলেন, “চিন্ময়কৃষ্ণকে ২ জানুয়ারি আদালতে তোলা হলে ওঁর হয়ে সওয়াল করতে অবশ্যই যাব। আমার মৃত্যু হলে, বাংলাদেশেই হবে। মানবাধিকার, দেশের সংখ্যালঘুদের রক্ষা করতে লড়ব।” বাংলাদেশের ওই আইনজীবী যতদিন বারাকপুরে থাকবেন, ততদিন রাজ্য সরকার যাতে তাঁকে নিরাপত্তা দেয়, সেই আর্জিও জানান বিজেপি নেতা অর্জুন সিং। রাজ্য সরকার তা না দিলে কেন্দ্র ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের দ্বারস্থ হবেন বলেও জানান তিনি (BJP)।

    বারাকপুরে ছেলের বাড়ি রবীন্দ্রর। সেখানে বসেই অশীতিপর আইনজীবী বলেন, “আমি জানি, আমাদের প্রাণ সংশয় রয়েছে। কিন্তু আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। শেষ পর্যন্ত লড়ে যাব। এক পাও পিছু হঠব না।” তিনি বলেন, “আমার প্রথম চিন্তা, চিন্ময়কৃষ্ণ দাসকে মুক্ত করতে হবে। চট্টগ্রাম আদালতে মুক্তি না পেলে হাইকোর্টে যাব। সেখানে না হলে বাংলাদেশের সুপ্রিম কোর্টে যাব।”

    আরও পড়ুন: “আমরা ইজরায়েলে ছেলে পাঠাচ্ছি আর কংগ্রেস ব্যাগ নিয়ে ঘুরছে”, তোপ যোগীর

    চিন্ময়কৃষ্ণের শারীরিক অবস্থা প্রসঙ্গে রবীন্দ্র বলেন, “আমি চট্টগ্রামের জেলে গিয়ে দেখা করেছিলাম। তিনি মানসিকভাবে কিছুটা বিধ্বস্ত হলেও, শারীরিকভাবে সুস্থ রয়েছেন। জেলে রান্না করে খেতে হয়। কষ্ট করে থাকতে হয়।” প্রবীণ এই আইনজীবী বলেন, “চিন্ময়কৃষ্ণের সঙ্গে জেলে আরও দুই সন্ন্যাসী রয়েছেন। তাঁদের দুটি মশারি দেওয়া হয়েছিল। সেগুলোও চুরি হয়ে গিয়েছে।” রবীন্দ্রকে সংবর্ধনা দেওয়ার পর অর্জুন বলেন, “বাংলাদেশে হিন্দু-সহ সংখ্যালঘুরা আক্রান্ত হচ্ছেন। তাঁদের বাঁচাতে হবে। তার জন্য যা করা দরকার, ভারতকে তা করতে হবে।” তিনি বলেন, “পাকিস্তানকে ঠান্ডা করে দিয়েছেন মোদিজি। তাই সবাই (Chinmoy Das) তাঁর দিকে তাকিয়ে রয়েছেন (BJP)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • ONGC: রাজ্যের অসহযোগিতা, থমকে রানাঘাটের ওএনজিসি-র খনন প্রকল্প, মমতাকে তোপ বিজেপির

    ONGC: রাজ্যের অসহযোগিতা, থমকে রানাঘাটের ওএনজিসি-র খনন প্রকল্প, মমতাকে তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নদিয়ার (Nadia) রানাঘাটে মাটির নীচে রয়েছে জ্বালানির ভান্ডার। কয়েক বছর আগে ওএনজিসির (ONGC) অনুসন্ধানে মিলেছিল খনিজ তেলের এই সন্ধান। কিন্তু এখনও কেন কাজ শুরু হল না প্রশ্ন বিজেপি সাংসদের? রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার কারণে পিছিয়ে যাচ্ছে কাজ, এমনই দাবি সাংসদের। পাল্টা দাবি তৃণমূল বিধায়কেরও। রানাঘাটে বিপুল পরিমাণ খনিজ তেলের সন্ধান নিয়ে এখন রাজনৈতিক তরজা তুঙ্গে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন? (ONGC)

    গোটা রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় অনুসন্ধান চালিয়ে রানাঘাটে খনিজ তেল ও গ্যাসের ভান্ডারের (ONGC) সন্ধান পায় ওএনজিসি। মূলত রানাঘাট এবং ধানতলা থানার অন্তর্গত চাপরা এলাকার একাধিক জমিতে ডেনামাইট ফাটিয়ে পরীক্ষা করতে থাকে প্রাকৃতিক গ্যাস কর্পোরেশন সংস্থার তরফে। যে যেসব জমিতে তারা এই পরীক্ষা চালায় সেই জমির এক মালিক সাধন বিশ্বাস বলেন, আমরা শুনেছি এই এলাকা থেকে অনুসন্ধান চালানোর পর এখানে খনিজ তেলের সন্ধান মিলেছে। আমরাও চাই যদি কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে খনিজ তেল সংগ্রহের কাজ দ্রুত শুরু করুক। এলাকার স্থানীয় বাসিন্দা পিন্টু রায় এবং নীরাঞ্জন মল্লিকরা বলেন, যদি ভারত সরকারের তরফে দ্রুত এই খনিজ তেল সংগ্রহের কাজ শুরু হয়, তাহলে আমরাও অর্থনৈতিকভাবে উপকৃত হব এবং কর্মসংস্থান বাড়বে।

    আরও পড়ুন: মাওবাদী নির্মূল কবে? সময়সীমা বেঁধে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ

    কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী কী বললেন?

    সংসদে রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারের প্রশ্নের জবাবে এমনটাই জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী। তিনি জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত অনুসন্ধানের (ONGC) কাজ যতটা এগিয়েছে, তার ওপর ভিত্তি করে উন্নয়ন পরিকল্পনা প্রস্তুত করে ফেলেছে কেন্দ্র। পরিবেশগত এবং অন্যান্য ছাড়পত্র সংগ্রহের কাজ চলছে। আর সেই ক্ষেত্রেই রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার কারণে অনেকটাই পিছিয়ে পড়ছে এই খনিজ তেল ও গ্যাস উৎপাদনের কাজ।

    বিজেপি সাংসদ কী বললেন?

    অন্যদিকে, রানাঘাটের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকারও পেট্রোলিয়াম মন্ত্রীর প্রতিক্রিয়া সমর্থন করে বলেন, ‘‘আমরা যত দ্রুত সম্ভব এই কাজ (ONGC) শুরু করার চেষ্টা করছি। ইতিমধ্যেই সংসদে গোটা বিষয়টি পেট্রোলিয়াম মন্ত্রীকে জানিয়েছি। তিনি বলছেন কাজ ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে। এ বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফ থেকে যথেষ্ট তৎপরতা মিলেছে। তবে রাজ্য সরকারের তরফে কোনও সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে না। আসলে রাজ্যের এই সরকার চায় না দেশের উন্নয়ন হোক। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় চান না গোটা ভারতবর্ষ অর্থনৈতিক দিক থেকে শক্তিশালী হয়ে উঠুক। মুখ্যমন্ত্রীর কাছে আমার অনুরোধ, রাজনীতিকে দূরে সরিয়ে রাজ্যের স্বার্থে এবং জেলার কর্মসংস্থানের স্বার্থে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিন।’’ তবে বিজেপির তোলা অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূল। এ বিষয়ে তৃণমূল বিধায়ক ব্রজ কিশোর গোস্বামীর দাবি, সাংসদ এবং বিজেপি যে অসহযোগিতার দাবি করছেন তা পুরোটাই ভিত্তিহীন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Priyanka Gandhi: ‘প্যালেস্টাইন’ লেখা ব্যাগ কাঁধে সংসদে প্রিয়ঙ্কা, তোষণের রাজনীতি বলল বিজেপি

    Priyanka Gandhi: ‘প্যালেস্টাইন’ লেখা ব্যাগ কাঁধে সংসদে প্রিয়ঙ্কা, তোষণের রাজনীতি বলল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বার বার সংখ্যালঘু মুসলিমদের তোষণ করার অভিযোগ করেছে বিজেপি। সোমবার তা আরও একবার উস্কে দিলেন প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা। ওয়েনাড়ের কংগ্রেস সাংসদ সোমবার সংসদে ঢুকলেন ‘প্যালেস্টাইন’ লেখা একটি ব্যাগ কাঁধে নিয়ে, যা দেখে বিজেপি সাংসদেরা অভিযোগ তুললেন প্রিয়ঙ্কা (Priyanka Gandhi) সংখ্যালঘু তোষণের রাজনীতি করছেন।

    কংগ্রেসের মুখপাত্র কী বললেন?(Priyanka Gandhi)

    গত ৭ অক্টোবর গাজা ভূখণ্ড থেকে ইজরায়েলে হামলা চালিয়েছিল স্বাধীনতাপন্থী সশস্ত্র প্যালেস্টাইনি গোষ্ঠী হামাস। তার পর থেকে গাজা এবং আর এক প্যালেস্টাইনি ভূখণ্ড ওয়েস্ট ব্যাঙ্কে ধারাবাহিক হামলা এবং ‘গ্রাউন্ড অপারেশন’ চালিয়ে প্রায় ৫০ হাজার মুসলিমকে হত্যা করেছে ইজরায়েলি সেনা। এদের অধিকাংশই নিরপরাধ সাধারণ মানুষ, মহিলা এবং শিশু বলে অভিযোগ। কংগ্রেস ইতিমধ্যেই ‘জঙ্গি দমনের’ অছিলায় ইজরায়েল সেনার প্যালেস্টাইনি ‘গণহত্যা’র বিরুদ্ধে সরব হয়েছে। কংগ্রেসের মুখপাত্র শামা মহম্মদ সোমবার জানিয়েছেন, প্যালেস্টাইনি নাগরিকদের প্রতি সহমর্মিতা জানাতেই প্রিয়ঙ্কার (Priyanka Gandhi) এই পদক্ষেপ। ওই ব্যাগে প্যালেস্টাইন ‘রাষ্ট্রের’ প্রতীক তরমুজের ছবিও আঁকা ছিল। সমাজমাধ্যমে তিনি লিখেছেন, “একটি বিশেষ ব্যাগ বহন করে প্যালেস্টাইনের প্রতি তাঁর সংহতি জানিয়েছেন প্রিয়ঙ্কা। এ হল সমবেদনা, ন্যায়বিচার এবং মানবতার প্রতি অঙ্গীকার!”

    সরব বিজেপি

    ওয়েনাড় লোকসভা উপনির্বাচনে জয়ের জন্য গত সপ্তাহে প্রিয়ঙ্কাকে (Priyanka Gandhi) অভিনন্দন জানাতে যান ‘স্বশাসিত প্যালেস্টাইন কর্তৃপক্ষে’র ভারতে নিযুক্ত দূত আবেদ এলরাজ়েগ। তার পর সমাজমাধ্যমে একটি পোস্টে গাজায় গণহত্যার নিন্দা করেছিলেন কংগ্রেস নেত্রী। এর পর তাঁর কাঁধে ‘প্যালেস্টাইন’ লেখা ব্যাগ দেখে চটেছেন বিজেপি নেতারা। ওড়িশার সাংসদ তথা বিজেপির (BJP) মুখপাত্র সম্বিত পাত্র সোমবার বিকেলে বলেন, “নেহরু-গান্ধী পরিবারের এমন আচরণ নতুন কিছু নয়। জওহরলাল থেকে প্রিয়ঙ্কা পর্যন্ত সকলেই তোষণের ঝুলি নিয়ে ঘুরে বেড়ান। ওঁদের কাঁধে কখনও জাতীয়তাবাদ বা দেশপ্রেমের ঝুলি দেখবেন না।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Firhad Hakim: “ওপরওয়ালার আশীর্বাদে একদিন আমরা সংখ্যাগুরু হব”, বললেন ফিরহাদ, তোপ দাগলেন সুকান্ত-মালব্য

    Firhad Hakim: “ওপরওয়ালার আশীর্বাদে একদিন আমরা সংখ্যাগুরু হব”, বললেন ফিরহাদ, তোপ দাগলেন সুকান্ত-মালব্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অশান্ত বাংলাদেশ। সেখানে সংখ্যালঘু হিন্দুদের ওপর লাগামছাড়া অত্যাচার চলছে। বহু হিন্দু দেশ ছেড়ে সীমান্তে পেরিয়ে ভারতে এসে আশ্রয় নিচ্ছেন। এই আবহের মাঝে ভারতে মুসলিমকে সংখ্যাগুরু করার ডাক দিলেন তৃণমূলের মন্ত্রী তথা কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim)। একটি অনুষ্ঠানে তিনি রাজ্য ও দেশে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের শতাংশের হিসেব তুলে ধরেন। একইসঙ্গে বলেন, ওপরওয়ালার আশীর্বাদে একদিন সংখ্যাগুরু হবেন সংখ্যালঘুরা। যদিও তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করেছে বিজেপি (BJP)।

    ঠিক কী বলেছেন ফিরহাদ?(Firhad Hakim)

    শনিবার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে ‘ফিরহাদ ৩০’ নামে একটি অনুষ্ঠানে ফিরহাদ হাকিম (Firhad Hakim) বলেন, “বাংলায় আমরা ৩৩ শতাংশ। কিন্তু, দেশে আমরা ১৭ শতাংশ। আমাদের সংখ্যালঘু বলা হয়। কিন্তু, আমরা নিজেদের সংখ্যালঘু বলে মনে করি না। আমরা মনে করি, ওপরওয়ালার আশীর্বাদে একদিন আমরা সংখ্যাগুরুর চেয়েও সংখ্যাগুরু হতে পারি। ওপরওয়ালার আশীর্বাদে এটা আমরা হাসিল করব।”

    সরব বিজেপি

    ফিরহাদের (Firhad Hakim) মন্তব্যের নিন্দা করেছেন বিজেপি নেতা জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “সাম্প্রদায়িক কারা, এটা আর বলতে হবে না। পশ্চিমবঙ্গ যাতে পশ্চিম বাংলাদেশ হয়ে উঠতে না পারে, তার জন্য পদক্ষেপ করতে হবে।”

    বাংলাদেশের মতো পরিস্থিতি তৈরির ব্লুপ্রিন্ট!

    বিজেপির রাজ্য সম্পাদক সুকান্ত মজুমদারও তীব্র নিন্দা করেছেন ফিরহাদের এই মন্তব্যের। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, “এটা শুধু ঘৃণা ভাষণ নয়, ভারতে বাংলাদেশের মতো পরিস্থিতি তৈরির ব্লুপ্রিন্ট। ইন্ডি জোটের শরিকরা কেন চুপ? ফিরহাদের (Firhad Hakim) এই মন্তব্য নিয়ে তাঁদের মতামত জানানোর চ্যালেঞ্জ জানাচ্ছি।”

    পরিস্থিতি উদ্বেগজনক!

    ফিরহাদ হাকিমের (Firhad Hakim) মন্তব্য দুর্ভাগ্যজনক বললেন বিজেপির আইটি সেলের প্রধান তথা বাংলায় বিজেপির কেন্দ্রীয় সহ-পর্যবেক্ষক অমিত মালব্য। এক্স হ্যান্ডলে তিনি লেখেন, “পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। কলকাতার বিস্তীর্ণ এলাকায় অনুপ্রবেশকারীর সংখ্যা বাড়ছে। ফিরহাদ হাকিমের মন্তব্য অনুপ্রবেশে উৎসাহ দেবে।”

    নিন্দা করেছে অখিল ভারতীয় সন্ত সমিতি

    ফিরহাদের (Firhad Hakim) মন্তব্য নিয়ে মেরুকরণের রাজনীতির অভিযোগ তুললেন সিপিএম নেতা সুজন চক্রবর্তী। কলকাতার মেয়র তথা পুরমন্ত্রীর মন্তব্যের নিন্দা করেছেন অখিল ভারতীয় সন্ত সমিতির প্রদেশ অধ্যক্ষ পরমাত্মানন্দজী। তিনি বলেন, “কাণ্ডজ্ঞানহীন মন্তব্য। এরকম একটা পদে থেকে এরকম মন্তব্য করা অনুচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Lal Krishna Advani: ফের অসুস্থ লালকৃষ্ণ আডবাণী, ভর্তি করা হল দিল্লির হাসপাতালে, কেমন আছেন?

    Lal Krishna Advani: ফের অসুস্থ লালকৃষ্ণ আডবাণী, ভর্তি করা হল দিল্লির হাসপাতালে, কেমন আছেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হঠাৎই অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হলেন নবতিপর বিজেপি (BJP) নেতা তথা প্রাক্তন উপপ্রধানমন্ত্রী লালকৃষ্ণ আডবাণী (Lal Krishna Advani)। শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে দিল্লির একটি হাসপাতালে। গত সাত মাসে এ নিয়ে তিনবার হাসপাতালে ভর্তি করতে হল আডবাণীকে। ২৬ জুন দিল্লি এইমসে ভর্তি করা হয়েছিল দেশের প্রাক্তন উপপ্রধানমন্ত্রীকে। কয়েকদিন পরেই ছেড়ে দেওয়া হয়েছিল তাঁকে। ৩ জুলাই ফের অসুস্থ হয়ে পড়ায় আবারও তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে। সেবারও তাঁকে ভর্তি করা হয়েছিল নিউরোলজি বিভাগে।

    হাসপাতালে ভর্তি আডবাণী (Lal Krishna Advani)

    দীর্ঘদিন ধরেই বার্ধক্যজনিত সমস্যায় ভুগছেন বছর ছিয়ানব্বইয়ের আডবাণী। শুক্রবার আচমকাই ফের অসুস্থ হয়ে পড়েন তিনি। সঙ্গে সঙ্গেই তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় দিল্লির একটি বেসরকারি হাসপাতালে। সেখানে স্নায়ুরোগ বিশেষজ্ঞ বিনীত সূরির নেতৃত্বে চিকিৎসকদের একটি দল তাঁকে পর্যবেক্ষণে রেখেছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, তাঁর শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল। তবে ঠিক কী কারণে প্রাক্তন উপ-প্রধানমন্ত্রীকে এদিন হাসপাতালে ভর্তি করা হল, তা জানানো হয়নি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তরফে।

    আডবাণীর রাজনৈতিক কেরিয়ার

    অবিভক্ত ভারতের করাচিতে জন্ম আডবাণীর, ১৯২৭ সালে। রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘের হাত ধরে শুরু হয় তাঁর রাজনৈতিক জীবন। ধীরে ধীরে ভারতীয় রাজনীতির গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠা করেন আডবাণী। ১৯৮০ সাল থেকে দীর্ঘদিন বিজেপির সভাপতি ছিলেন তিনি। ১৯৯৮ থেকে ২০০৪ সাল এই পর্বে তিনি ছিলেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। ২০০২-২০০৪ সাল পর্যন্ত তিনি ছিলেন বাজপেয়ী মন্ত্রিসভার উপপ্রধানমন্ত্রী। ২০১৫ সালে তাঁকে পদ্মবিভূষণ দেওয়া হয়। এর ঠিক ন’বছর পরে, ২০২৪ সালে ভারতরত্ন পান আডবাণী। তিনি অবশ্য রাষ্ট্রপতি ভবনে গিয়ে পুরস্কার নেননি। রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু তাঁর বাড়িতে গিয়ে হাতে তুলে দেন দেশের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান (Lal Krishna Advani)।

    আরও পড়ুন: “মাথায় তলোয়ার ঠেকিয়ে ধর্মান্তরিত করা হচ্ছে হিন্দুদের”, বাংলাদেশ নিয়ে বিস্ফোরক রাধারমণ

    আডবাণী রাম জন্মভূমি আন্দোলনের অন্যতম মুখ। তিনিই বলেছিলেন, ‘সওগন্ধ রাম কি খাতে হ্যায়, হম মন্দির ওয়হি বনায়েঙ্গে।’ যদিও শারীরিক অসুস্থতার কারণে মন্দির উদ্বোধনের দিন অযোধ্যায় উপস্থিত হতে পারেননি তিনি। শারীরিক অসুস্থতার কারণে দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে সেই অর্থে সক্রিয় ছিলেন না আডবাণী। যদিও তাঁকে রাখা হয়েছিল বিজেপির (BJP) ‘মার্গদর্শক মণ্ডলে’ (Lal Krishna Advani)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।   

     

LinkedIn
Share