Tag: bjp

bjp

  • Assembly Election 2026: পুলিশের সামনেই বিজেপি প্রার্থীকে মারধর! কুমারগঞ্জের ঘটনায় কড়া পদক্ষেপের পথে কমিশন

    Assembly Election 2026: পুলিশের সামনেই বিজেপি প্রার্থীকে মারধর! কুমারগঞ্জের ঘটনায় কড়া পদক্ষেপের পথে কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রথম দফার ভোটগ্রহণের (Assembly Election 2026) দিনে জেলায় জেলায় অব্যাহত রাজনৈতিক হিংসা। পুলিশের সামনেই দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারকে কিল-চড়-ঘুষি মারা হয়েছে বলে অভিযোগ। পোলিং এজেন্টকে বাধা দেওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছালে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা তাঁকে বেধড়ক মারধর করে। ভাংচুর করা হয়েছে বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি। সকাল থেকে একটু-আধটু গণ্ডগোল ছাড়া, সে অর্থে হিংসার ঘটনা সামনে আসেনি। তবে বেলা বাড়তেই একের পর এক হিংসার ঘটনা সামনে আসতে শুরু করেছে।

    পুলিশের সামনেই মারধর

    কুমারগঞ্জের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারের অভিযোগ, বুথে তাঁর পোলিং এজেন্টকে বসতে বাধা দিচ্ছিল শাসকদলের কর্মীরা। খবর পেয়ে তিনি সেখানে পৌঁছালে তৃণমূল আশ্রিত জেহাদি বাহিনী তাঁকে তাড়া করে। অভিযোগ, পুলিশের উপস্থিতিতেই তাঁকে গাড়ি থেকে টেনে নামিয়ে কিল, চড়, ঘুষি ও লাথি মারা হয়। এই হামলায় তিনি গুরুতর আহত হয়েছেন এবং তাঁর গাড়িটিও ভাঙচুর করা হয়েছে। বর্তমানে তিনি চিকিৎসাধীন। এই ঘটনায় স্থানীয় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপি নেতৃত্ব। ঘটনার সূত্রপাত কুমারগঞ্জের ২৪ নম্বর বুথকে কেন্দ্র করে। অভিযোগ উঠেছে, তৃণমূল কংগ্রেসের একদল কর্মী বিজেপি প্রার্থীর নির্বাচনী এজেন্টকে বুথে ঢুকতে বাধা দিচ্ছিল। খবর পেয়ে প্রার্থী শুভেন্দু সরকার ঘটনাস্থলে পৌঁছালে পরিস্থিতি অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। স্থানীয় তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তাঁরা বিজেপি প্রার্থীকে ঘিরে ধরে শারীরিক নিগ্রহ করে এবং তাঁকে মারধর করে।

    কড়া পদক্ষেপ কমিশনের

    এদিকে দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু সরকারের ওপর হামলার ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ করল ভারতের নির্বাচন কমিশন। ওই এলাকায় হামলার সময়কার যে ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ্যে এসেছে, সেখানে উপস্থিত দোষীদের চিহ্নিত করে অবিলম্বে গ্রেফতারের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভোটের দিনে প্রার্থীর ওপর এহেন আক্রমণে জেলা প্রশাসনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়েও উষ্মা প্রকাশ করেছে কমিশন। নির্বাচন কমিশন পুরো বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করেছে। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণের পাশাপাশি অ্যাকশন টেকেন রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে। এই ঘটনার পর এলাকায় বাড়তি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। এই হিংসার ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

  • Keralam Vishu Ad Row: আমিষ খাবারে কৃষ্ণের ছবি! বিষু পোস্ট ঘিরে উত্তেজনা কেরালায়, এনআইএ তদন্ত দাবি বিজেপির

    Keralam Vishu Ad Row: আমিষ খাবারে কৃষ্ণের ছবি! বিষু পোস্ট ঘিরে উত্তেজনা কেরালায়, এনআইএ তদন্ত দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলাপাতায় রাখা বিরিয়ানির সামনে বসে রয়েছেন বালগোপাল (Lord Krishna)। বিরিয়ানি (Biriyani) খাবার জন্য উন্মুখ হয়ে আছেন তিনি। কেরালার (Kerala) রেস্তোরাঁ মেহের মান্ডি অ্যান্ড গ্রিলসের (Keralam Vishu Ad Row) এমন বিজ্ঞাপন ঘিরে শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা দেশে। কেরালার চেরথালার এই ঘটনায় হিন্দুদের ভাবাবেগে আঘাতের অভিযোগে শুরু হয়েছে তীব্র বিতর্ক। বিজেপি কেরালার একাধিক আরবি ও পশ্চিম এশীয় থিমের রেস্তোরাঁর বিরুদ্ধে তদন্তের দাবি জানিয়েছে। এ বিষয়ে গেরুয়া শিবির এনআইএ তদন্ত চায়। সমালোচকদের একাংশের মতে, বিষ্ণুর মতো একটা পবিত্র উৎসবের সময়ে এমন ছবি ব্যবহার আসলে ইচ্ছা করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের চেষ্টা।

    বিষু বিতর্ক ঘিরে তদন্তের দাবি

    নতুন দিল্লিতে এনআইএ-র ডিরেক্টরের কাছে জমা দেওয়া আবেদনে বিজেপির ত্রিশূর সিটি জেলার ইন্টেলেকচুয়াল সেলের আহ্বায়ক প্রসীদ দাস অভিযোগ করেছেন, ২০১৬ সালের নোটবন্দির পর থেকে কেরালায় (Kerala) আরবি ও পশ্চিম এশীয় থিমের রেস্তোরাঁর সংখ্যা “উল্লেখযোগ্যভাবে” বেড়েছে। তিনি এই রেস্তোরাঁগুলির অর্থের উৎস, বিদেশি লেনদেন এবং আর্থিক স্বচ্ছতা খতিয়ে দেখার দাবি জানিয়েছেন। আবেদনে বলা হয়েছে, এই সব প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বিদেশি অর্থ আগমন (inward remittances) এবং ফরেন এক্সচেঞ্জ ম্যানেজমেন্ট অ্যাক্ট (FEMA), আর্থিক দুর্নীতি (PMLA)-এর মতো আইনের যথাযথ পালন হচ্ছে কি না তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। পাশাপাশি বেনামি লেনদেন ও অঘোষিত অর্থের প্রবাহের বিষয়েও তদন্ত চাওয়া হয়েছে। এছাড়াও, আবেদনপত্রে নিষিদ্ধ সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়ার (PFI) সঙ্গে সম্ভাব্য যোগসূত্রের অভিযোগও তোলা হয়েছে।

    বিশু বিজ্ঞাপন নিয়ে ক্ষোভ

    এই তদন্ত দাবির পেছনে রয়েছে সাম্প্রতিক বিষু উৎসবকে (Keralam Vishu Ad Row) ঘিরে বিতর্ক। অভিযোগ, কিছু রেস্তোরাঁর প্রচারমূলক বিজ্ঞাপনে ভগবান শ্রীকৃষ্ণের ছবির সঙ্গে আমিষ খাবার দেখানো হয়েছে, যা হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের অনুভূতিতে আঘাত করেছে। কেরালার মালাপ্পুরম জেলায় একটি ঘটনায় পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৯২ ধারায় মামলা দায়ের করেছে। কোট্টাক্কালের একটি রেস্তোরাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে কৃষ্ণের সামনে চিকেন ফ্রাই দেখানো হয়েছিল বলে অভিযোগ ওঠে। একই জেলায় পেরিন্থালমান্নার কাছে আরও একটি ঘটনায় তিনজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অভিযোগ, বিষু উপলক্ষে তৈরি একটি ছবিতে শিশু কৃষ্ণের সামনে মাংসের পদ দেখানো হয়েছিল। আলাপ্পুঝা জেলাতেও একই ধরনের ঘটনায় একটি রেস্তোরাঁর সহ-মালিককে গ্রেফতার করা হয়েছে। কোঝিকোড ও কন্নুরেও এমন পোস্ট সামনে আসে, যা পরে সরিয়ে ফেলা হয়। এই সমস্ত পৃথক ঘটনার তদন্ত চললেও, এনআইএ-র কাছে দায়ের করা আবেদন গোটা বিষয়টিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে। এখন শুধু ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত নয়, বরং আতিথেয়তা শিল্পে অর্থের উৎস, লেনদেন এবং সম্ভাব্য বৃহত্তর নেটওয়ার্কের দিকেও নজর দেওয়ার দাবি উঠেছে।

     

  • West Bengal Elections 2026: রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ২৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    West Bengal Elections 2026: রাজ্যে দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে ২৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) দ্বিতীয় দফায় নিরাপত্তার ঘেরাটোপ আরও মজবুত করতে নজিরবিহীন পদক্ষেপ নিল ভারতের নির্বাচন কমিশন। অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটগ্রহণের লক্ষ্যে এই দফায় মোট ২,৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। দ্বিতীয় দফার ভোটগ্রহণের জন্য কমিশন যে পরিমাণ বাহিনী বরাদ্দ করেছে, তা সাম্প্রতিক সময়ের নির্বাচনগুলোর মধ্যে অন্যতম সর্বোচ্চ। কমিশনের সাফ কথা নির্বাচন অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ হওয়া চাই। তাই কমিশন গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। ২৯ এপ্রিল পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফা বিধানসভা নির্বাচনে (Election Commission India) মোট ২,৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করার কথা জানালো কমিশন। আসুন দেখে এক নজরে নিই কোন জেলায় কত বাহিনী?

    উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়—৫০৭ কোম্পানি (West Bengal Elections 2026)

    কমিশনের দেওয়া নোটিস (West Bengal Elections 2026) অনুযায়ী, নির্বাচনে (Election Commission India) সবচেয়ে বেশি বাহিনী মোতায়েন করা হবে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়—৫০৭ কোম্পানি। দ্বিতীয় দফায় ১৪২ কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ হবে। ওই দিন উত্তর ২৪ পরগনার বারাসত পুলিশ জেলায় মোতায়েন করা হচ্ছে ১১২ কোম্পানি বাহিনী। বনগাঁ পুলিশ জেলায় মোতায়েন করা হচ্ছে ৬২ কোম্পানি বাহিনী। বসিরহাটে ১২৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে ভোটের দিন। বিধাননগরে ৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। ব্যারাকপুরে থাকবে ১৬০ কোম্পানি।

    দক্ষিণ ২৪ পরগনা

    দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় সুন্দরবনে ১১৩ কোম্পানি, বারুইপুরে ১৬১, ডায়মন্ড হারবারে ১৩৫ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে দ্বিতীয় দফার ভোটে।

    হাওড়া

    হাওড়া জেলার গ্রামীণ এলাকায় ১৪৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করছে কমিশন। হাওড়া পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় থাকবে ১১০ কোম্পানি।

    নদিয়া

    নদিয়ার কৃষ্ণনগর পুলিশ জেলায় ১৫৮ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানিয়েছে কমিশন। ওই জেলার রানাঘাট পুলিশ জেলায় থাকবে ১২৭ কোম্পানি।

    হুগলি

    হুগলি জেলার চন্দননগর পুলিশ কমিশনারেট এলাকায় ভোটের সময় দায়িত্বে থাকছে ৮৩ কোম্পানি বাহিনী। হুগলি গ্রামীণ পুলিশ জেলায় ভোটের-দায়িত্ব সামলাবে ২৩৪ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    পূর্ব বর্ধমান

    পূর্ব বর্ধমানে মোট বুথ সংখ্যা ৪৪৬৫। মোট ২৬০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে।

    পশ্চিম বর্ধমান

    পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটে মোট বুথের সংখ্যা ১৯৫টি। বাহিনী থাকবে ১৩ কোম্পানি।

    কলকাতা

    নির্বাচন কমিশন (Election Commission India) জানিয়েছে কলকাতায় বুথের সংখ্যা ৫,১৭২ । ২৭৩ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে রাজ্য রাজধানীতে। কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রতিটি কোম্পানিতে অন্তত ৭২ জন করে জওয়ান থাকেন। আগেই এই সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি করেছিল কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক। প্রত্যেক বাহিনীকে পাঠানো বার্তায় বলা হয়েছিল, কোনও কোম্পানিতেই যেন কর্মীসংখ্যা ৭২-এর কম না-হয়। যেকোনও মূল্যে নির্বাচন অবাদ এবং শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন করাই কমিশনের প্রধান উদ্দেশে।

    নিরাপত্তার উদ্দেশ্য

    স্পর্শকাতর বুথগুলিতে শান্তি বজায় রাখা এবং সাধারণ ভোটাররা (West Bengal Elections 2026) যাতে নির্ভয়ে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই কমিশনের এই ব্যাপক প্রস্তুতি। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনে নিরাপত্তার স্বার্থে কমিশন ২৩২১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে, যার একটি বড় অংশ মোতায়েন থাকবে উত্তর ২৪ পরগনা জেলায়। এটি সুষ্ঠু নির্বাচন পরিচালনার ক্ষেত্রে কমিশনের (Election Commission India) একটি বড় পদক্ষেপ।

  • West Bengal Elections 2026: প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে চলছে ভোটগ্রহণ, কোন জেলায় কোন আসনে আজ ভোট?

    West Bengal Elections 2026: প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে চলছে ভোটগ্রহণ, কোন জেলায় কোন আসনে আজ ভোট?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার সকাল থেকেই শুরু হয়েছে রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রথম পর্বের ভোটগ্রহণ। এই পর্বে ভোট হচ্ছে রাজ্যের ১৬ জেলার ১৫২টি আসনে। প্রথম দফায় ভোটে লড়ছেন মোট ১,৪৭৮ জন প্রার্থী। এদিনের ভোটে তাঁদের ভাগ্য নির্ধারিত হবে (Election Commission India) । এই পর্বে রয়েছেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী, দিলীপ ঘোষের মতো প্রার্থীরা। বিজেপি অবশ্য এই পর্বে ব্যাপক আশাবাদী। সরকার গড়া নিয়ে বিজেপি প্রথম থেকেই দৃঢ় প্রত্যয়ী।

    কোন কোন জেলায় ভোট (West Bengal Elections 2026)?

    প্রথম দফায় আজ ভোটগ্রহণ (West Bengal Elections 2026) হচ্ছে ১৫২ আসনে। উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং রাঢ় অঞ্চলের ১৬ জেলার মোট ১৫২ কেন্দ্রে আজ ভোটগ্রহণ। ভোটগ্রহণ হবে দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম মেদিনীপুর এবং পূর্ব মেদিনীপুর জেলায়। প্রথম দফায় গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রগুলির মধ্যে রয়েছে- কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, দার্জিলিং, উত্তর দিনাজপুর, দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা এবং নন্দীগ্রাম। প্রথম দফার মোট প্রার্থী (Election Commission India) ১,৫৮৬ জন।

    কোন জেলায় কোন কোন আসন?

    এই পর্বে কোন কোন জেলার কোন কোন আসনে নির্বাচন হবে আসুন একনজরে দেখে নিই।

    কোচবিহার জেলা

    এই জেলায় মোট বিধানসভায় আসন ৯টি। এখানকার বিধানসভা কেন্দ্রগুলি হল মেখলিগঞ্জ, মাথাভাঙ্গা, কোচবিহার উত্তর, কোচবিহার দক্ষিণ, সিতালকুচি, সিতাই, দিনহাটা, নাটাবাড়ি, তুফানগঞ্জ।

    আলিপুরদুয়ার জেলা

    এই জেলায় মোট বিধান সভার ৫ কেন্দ্র। এই কেন্দ্রগুলি হল কুমারগ্রাম, কালচিনি, আলিপুরদুয়ার্স, ফালাকাটা, মাদারিহাট।

    জলপাইগুড়ি জেলা

    এই জেলায় মোট (West Bengal Elections 2026) আসন ৭ কেন্দ্র। এগুলি হল ধূপগুড়ি, ময়নাগুড়ি, জলপাইগুড়ি, রাজগঞ্জ, দাবগ্রাম-ফুলবাড়ি, মাল, নাগরাকাটা।

    দার্জিলিং জেলা

    এই জেলায় মোট কেন্দ্র ৬ টি। এখানকার কেন্দ্রগুলি হল কালিম্পং, দার্জিলিং, কার্শিয়াং, মাটিগাড়া-নকশালবাড়ি, শিলিগুড়ি, ফাঁসিদেওয়া।

    উত্তর দিনাজপুর জেলা

    এই জেলায় বিধানসভার কেন্দ্র হল ৯ টি। এগুলি হল চোপড়া, ইসলামপুর, গোলপোখর, চাকুলিয়া, করণদিঘি, হেমতাবাদ, কালিয়াগঞ্জ, রায়গঞ্জ, ইটাহার।

    দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা

    মোট ৬ টি আসন হল এই জেলায়। এগুলি হল কুশমণ্ডি, কুমারগঞ্জ, বালুরঘাট, তপন, গঙ্গারামপুর, হরিরামপুর।

    পূর্ব মেদিনীপুর জেলা

    পূর্ব মেদিনীপুর কেন্দ্রে মোট (West Bengal Elections 2026) আসন ১৬। এগুলি হল নন্দকুমার, মহিষাদল, হলদিয়া, নন্দীগ্রাম, চণ্ডীপুর, পটাশপুর, কাঁথি উত্তর, ভগবানপুর, খেজুরি, কাঁথি দক্ষিণ, রামনগর, এগরা, তমলুক, পাঁশকুড়া পূর্ব, পাঁশকুড়া পশ্চিম, ময়না।

    পশ্চিম মেদিনীপুর জেলা

    এখানে মোট বিধানসভা ১৯। এখানে ভোট গ্রহণ হবেদাঁতন, নয়াগ্রাম, গোপীবল্লভপুর, ঝাড়গ্রাম, কেশিয়াড়ি, খড়গপুর সদর, নারায়ণগড়, সবং, পিংলা, খড়গপুর, ডেবরা, দাসপুর, ঘাটাল, চন্দ্রকোনা, গড়বেতা, শালবনি, কেশপুর, মেদিনীপুর, বিনপুরে।

    পুরুলিয়া জেলা

    পুরুলিয়াতে মোট আসন ৯। যে যে কেন্দ্রে ভোট গ্রহণ হবে তা হক বান্দোয়ান, বলরামপুর, বাঘমুন্ডি, জয়পুর, পুরুলিয়া, মানবাজার, কাশীপুর, পাড়া, রঘুনাথপুর।

    বাঁকুড়া জেলা

    বাঁকুড়া জেলায় মোট আসন হল ১২। এখানে ভোট গ্রহণ হবে যে কেন্দ্র গুলিতে তা হল-শালতোড়া, ছাতনা, রানিবাঁধ, রাইপুর, তালডাংরা, বাঁকুড়া, বড়জোড়া, ওন্দা, বিষ্ণুপুর, কাটুলপুর, ইন্দাস, সোনামুখী।

    পশ্চিম বর্ধমান জেলা

    এই জেলায় মোট বিধানসভা (West Bengal Elections 2026) কেন্দ্র হল ৯।  পাণ্ডবেশ্বর, দুর্গাপুর পূর্ব, দুর্গাপুর পশ্চিম, রানিগঞ্জ, জামুড়িয়া, আসানসোল দক্ষিণ, আসানসোল উত্তর, কুলটি, বারাবনি।

    বীরভূম জেলা

    বীরভূমে মোট কেন্দ্র ১১ কেন্দ্র। এগুলি হলদুবরাজপুর, সিউড়ি, বোলপুর, নানুর, লাভপুর, সাঁইথিয়া, ময়ূরেশ্বর, রামপুরহাট, হানসান, নলহাটি, মুরারই।

    মালদা জেলা

    মালদা জেলায় মোট ভোট কেন্দ্র হল ১২। যে কেন্দ্রগুলিতে ভোট হবে তা হল- হবিবপুর, গাজোল, চাঁচল, হরিশ্চন্দ্রপুর, মালতীপুর, রতুয়া, মানিকচক, মালদা, ইংলিশ বাজার, মোথাবাড়ি, সুজাপুর, বৈষ্ণবনগর।

    মুর্শিদাবাদ জেলা

    এই জেলায় মোট বিধানসভা হল ২২। এখানে এই দফায় সবথেকে বেশি বাহিনী নিয়োগ করা হয়েছে। কেন্দ্রগুলি হল ফারাক্কা, সামশেরগঞ্জ, সুতি, জঙ্গিপুর, রঘুনাথগঞ্জ, সাগরদিঘি, লালগোলা, ভগবানগোলা, রানিনগর, মুর্শিদাবাদ, নবগ্রাম, খড়গ্রাম, বুরওয়ান, কান্দি, ভরতপুর, রেজিনগর, বেলডাঙা, বহরমপুর, হরিহরপাড়া, নওদা, ডোমকল, জলঙ্গি।

    কোনওরকম হিংসাত্মক কাজে জড়ানো যাবে না

    নির্বাচনকে (West Bengal Elections 2026) ঘিরে সকল প্রার্থীদের জন্য কড়া নির্দেশিকা জারি করেছে কমিশন। কমিশনের নির্দেশ (Election Commission India), সকাল ৬টা থেকে ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত নিজের বিধানসভা এলাকা থেকে অন্যত্রে যেতে পারবেন না কোনও প্রার্থীই। ভোট চলাকালীন নিজের বিধানসভা এলাকাতেই থাকতে হবে সব প্রার্থীকে। কোনওরকম হিংসাত্মক কাজে জড়ানো যাবে না। নির্বাচন যাতে সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ হয় এবং গণতান্ত্রিকভাবে নিজেদের অধিকার প্রয়োগ করতে পারে তাকে নিশ্চিত করতে হবে।

  • Assembly Election 2026: ‘গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হোন, বিপুল সংখ্যায় ভোট দিন’, বাংলার মহিলা ও যুবসমাজকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    Assembly Election 2026: ‘গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হোন, বিপুল সংখ্যায় ভোট দিন’, বাংলার মহিলা ও যুবসমাজকে আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের প্রথম দফার ভোটের (Assembly Election 2026) দিন বাংলার মহিলা ভোটারদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার আহ্বান জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। সেটাও আবার বাংলা ভাষায়। একই সঙ্গে ভোট দিতে এগিয়ে আসতে অনুরোধ জানালেন যুবসমাজকেও। আজ, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে নির্বাচন। মোদি লিখলেন,‘সমস্ত নাগরিককে পূর্ণ উদ্যমে গণতন্ত্রের এই উৎসবে অংশগ্রহণ করার আহ্বান জানাই। বিশেষ ভাবে তরুণ বন্ধুদের এবং পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের বিপুল সংখ্যায় ভোট দেওয়ার অনুরোধ করছি।’

    ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করুন

    আজ প্রথম দফার ভোটের (Assembly Election 2026) দিনই রাজ্যে আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের প্রচারে কৃষ্ণনগর এবং মথুরাপুরে দু’টি জনসভা করার কথা নরেন্দ্র মোদির। তার পরে হাওড়ায় একটি রোড শো-ও করার কথাও রয়েছে প্রধানমন্ত্রীর। তার আগে ভোর হতেই বাংলার মানুষকে গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হতে আহ্বান জানিয়েছেন। ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করার জন্য প্রধানমন্ত্রী সকলকে উৎসাহিত করেছেন। এ দিন প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে সকাল ৭টায়। অতিরিক্ত গরমে বেলা বাড়ার আগেই ভোটের লাইনে দাঁড়িয়েছেন মানুষ। কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ৪৪ হাজার ৩৭৬টি বুথ খোলা হয়েছে। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মোট ১,৪৭৮ জন প্রার্থী। এর মধ্যে মহিলা প্রার্থীর সংখ্যা ১৬৭ জন। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, আয়তনের নিরিখে সবচেয়ে ছোট বিধানসভা কেন্দ্র হলো শিলিগুড়ি (৪১.৯ বর্গ কিলোমিটার)। সবচেয়ে বড় কালিম্পং। ভোটার সংখ্যার নিরিখে সবচেয়ে ছোট কেন্দ্র মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ (১ লক্ষ ৬১ হাজার ভোটার) এবং সবচেয়ে বড় পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুর (২ লক্ষ ৯৬ হাজারের বেশি ভোটার)। আজ পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি বিধানসভা ভোট রয়েছে তামিলনাড়ুতেও। দক্ষিণের এই রাজ্যটিতে এক দফাতেই ভোট হচ্ছে। সে রাজ্যের ২৩৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ৪,০২৩ জন প্রার্থী।

    সুরক্ষিত বাংলা গড়তে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আহ্বান

    পশ্চিমবঙ্গে ভোট (Assembly Election 2026) শুরু হতেই এক্স হ্যান্ডলে পোস্ট করেছেন অমিত শাহও (Amit Shah)। আজ বাংলায় প্রথম দফার ভোটগ্রহণ চলছে। এবারের নির্বাচন রাজ্যের বর্তমানের পাশাপাশি ভবিষ্যতের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি শক্তিশালী নেতৃত্বের সরকারই বাংলার ডেমোগ্রাফি পরিবর্তনকারী অনুপ্রবেশকারী, সিন্ডিকেট ও কাটমানি রাজ থেকে রাজ্যকে মুক্তি দিতে পারে। বাংলার মা ও বোনেদের জন্য একটি সুরক্ষিত বাংলা গড়তে উৎসাহের সঙ্গে ভোট দিতে আহ্বান অমিত শাহের। সকল ভোটার, বিশেষ করে যুবসমাজ, একটি সমৃদ্ধ ও উন্নত বাংলা গড়ার লক্ষ্যে ভোট দিয়ে, জলপান করতে অনুরোধ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জনসভা থেকে ঘোষণা করেছিলেন আগেই। সত্যি সত্যিই ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গেই থাকছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রথম দফার ভোটে দলের ওয়ার রুমে থাকবেন তিনি। সল্টলেকে বিজেপির দফতরে বসেই নজর রাখবেন ভোটে।

  • West Bengal Elections 2026: ৩.৬ কোটি ভোটারের রায় আজ! শুরু প্রথম দফার ভোটগ্রহণ, ১৫২ আসনে ভাগ্য পরীক্ষা ১,৪৭৮ প্রার্থীর

    West Bengal Elections 2026: ৩.৬ কোটি ভোটারের রায় আজ! শুরু প্রথম দফার ভোটগ্রহণ, ১৫২ আসনে ভাগ্য পরীক্ষা ১,৪৭৮ প্রার্থীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, ২৩ এপ্রিল বৃহস্পতিবার, পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শুরু হয়েছে। সকাল ৭টা থেকে রাজ্যের বিভিন্ন বুথে ভোট নেওয়া হচ্ছে, যা চলবে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত। এই দফায় ১৬টি জেলার মোট ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ চলছে। কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, দার্জিলিং, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর, মালদা, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, ঝাড়গ্রাম, পশ্চিম ও পূর্ব মেদিনীপুর—এই জেলাগুলির ভোটাররা আজ তাঁদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করছেন।

    ৩ কোটি ৬০ লক্ষ ৭৭ হাজার ৩১০ ভোটার…

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) প্রক্রিয়া শেষে এই দফায় মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ৬০ লক্ষ ৭৭ হাজার ১৭১। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ কোটি ৮৪ লক্ষের বেশি, মহিলা ভোটার প্রায় ১ কোটি ৭৫ লক্ষ, এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৪৬৫ জন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী ট্রাইবুনালে অনুমোদিত আরও ১৩৯ জন ভোটার যুক্ত হওয়ায় মোট ভোটারের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৩ কোটি ৬০ লক্ষ ৭৭ হাজার ৩১০।

    ১,৪৭৮ প্রার্থীর ভাগ্যপরীক্ষা…

    এই দফায় ৫৫টি রাজনৈতিক দলের মোট ১,৪৭৮ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। তাঁদের মধ্যে ১,৩১১ জন পুরুষ এবং ১৬৭ জন মহিলা। কোচবিহার দক্ষিণ, ইটাহার ও করণদিঘি কেন্দ্রে সর্বাধিক ১৫ জন করে প্রার্থী লড়ছেন, অন্যদিকে পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা কেন্দ্রে প্রার্থী সংখ্যা সবচেয়ে কম—মাত্র ৫ জন। সংরক্ষণের দিক থেকে ৩৪টি আসন তফসিলি জাতি এবং ১৫টি আসন তফসিলি উপজাতির জন্য নির্দিষ্ট। আয়তনে সবচেয়ে ছোট কেন্দ্র শিলিগুড়ি এবং সবচেয়ে বড় কালিম্পং। ভোটারের সংখ্যার বিচারে পশ্চিম মেদিনীপুরের দাসপুরে প্রায় ২.৯৬ লক্ষ ভোটার থাকায় এটি সবচেয়ে বড়, আর মুর্শিদাবাদের শমসেরগঞ্জে প্রায় ১.৬১ লক্ষ ভোটার থাকায় সেটি সবচেয়ে ছোট।

    ৪৪,৩৭৬টি বুথ, ৫ লক্ষাধিক ভোটকর্মী…

    ভোটগ্রহণ পরিচালনার জন্য প্রায় ৫ লক্ষ কর্মী নিয়োজিত রয়েছেন। মোট ৪৪,৩৭৬টি বুথে ভোট হচ্ছে, যার মধ্যে ৪১,৪১৮টি মূল বুথ এবং ২,৯৫৮টি সহায়ক বুথ। মহিলা পরিচালিত বুথের সংখ্যা ৫,৬৪৪টি, পাশাপাশি প্রতিবন্ধীদের দ্বারা পরিচালিত ২টি বুথও রয়েছে। ২০৭টি মডেল পোলিং স্টেশন তৈরি করা হয়েছে। প্রতিটি বুথে ওয়েবকাস্টিংয়ের ব্যবস্থা রয়েছে এবং প্রায় ৬৪ হাজার ভিভিপ্যাট ও ৬০ হাজার ব্যালট ও কন্ট্রোল ইউনিট ব্যবহার করা হচ্ছে। গড়ে প্রতিটি বুথে প্রায় ৮১৩ জন ভোটার রয়েছে। ভোর সাড়ে ৫টা থেকে মক পোল শুরু হয়ে সকাল ৭টা থেকে মূল ভোটগ্রহণ চলছে।

    ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী

    নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও কড়া নজরদারি রাখা হয়েছে। মোট ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে, যার মধ্যে সবচেয়ে বেশি বাহিনী রয়েছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মিলিয়ে প্রায় ৫ লক্ষ কর্মী দায়িত্বে রয়েছেন। প্রায় ৯ থেকে ১০ হাজার বুথকে স্পর্শকাতর হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, শান্তিপূর্ণ ও অবাধ ভোট নিশ্চিত করতেই এই কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

    উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে এই ১৫২টি আসনের মধ্যে ৯২টি জিতেছিল তৃণমূল কংগ্রেস এবং ৫৯টি বিজেপি। ফলে এবারের প্রথম দফার ফলাফল রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে।

  • Amit Shah: ‘‘কলকাতাকে বস্তি বানিয়েছেন মমতা! অনুপ্রবেশকারীদের মুক্তাঞ্চল গড়েছে তৃণমূল’’, তোপ অমিত শাহের

    Amit Shah: ‘‘কলকাতাকে বস্তি বানিয়েছেন মমতা! অনুপ্রবেশকারীদের মুক্তাঞ্চল গড়েছে তৃণমূল’’, তোপ অমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) প্রচার চলাকালীন কলকাতার বর্তমান অবস্থা নিয়ে রাজ্য সরকারকে তীব্র ভাষায় আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। মহানগররের পরিকাঠামোগত অবনতি এবং বস্তি এলাকার সমস্যা তুলে ধরে তিনি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রশাসনের কড়া সমালোচনা করেন। সেই সঙ্গে দিলেন বিজেপি সরকার হলেই ১ লক্ষ বেকারের চাকরি নিশ্চিত প্রতিশ্রুতি।

    গত ১৫ বছরে তৃণমূলের মা মাটি সরকার নারী সুরক্ষা থেকে শিক্ষক দুর্নীতির একাধিক ইস্যুতে জনগণের চরম বিক্ষোভের মধ্যে পড়েছে। নির্বাচন আবহে বিজেপির মমতা সরকারের একাধিক অনুন্নয়ন, দুর্নীতি, আর্থিক অনিয়ম, বালি-কয়লা-মাটি-পাথর পাচার, রেশন দুর্নীতি, মিডডে মিল দুর্নীতি, আম্ফানে দুর্নীতি, আবাস-একাশদিনের কাজে দুর্নীতি-সহ একাধিক ঘটনা ব্যাপক ভাবে শাসকদলকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। একই ভাবে ২৬ হাজার শিক্ষকদের চাকরি বাতিল, কাটমানি, সিন্ডিকেট, আরজিকর ধর্ষণকাণ্ড, সন্দেশখালিতে শাহজাহানের নারী নির্যাতনের বিষয় জনমানুষের মনে ক্ষোভ চরম সীমায় পৌঁছে গিয়েছে। তাই রাজনৈতিক ভাবে এই সব বিষয়কে হাতিয়ার করে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট যুদ্ধে নেমেছে বিজেপি। রাজ্যে একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ করেছেন প্রবীণ বিজেপি নেতা অমিত শাহ।

    পরিকল্পনার অভাবে শহরটি ক্রমশ শ্রীহীন কলকাতা (Amit Shah)

    জনসভায় ভাষণ (West Bengal Elections 2026) দেওয়ার সময় অমিত শাহ (Amit Shah) মন্তব্য করেন যে, এক সময়ের ‘প্রাসাদ নগরী’ বা ‘সিটি অফ প্যালেসেস’ হিসেবে পরিচিত কলকাতা বর্তমান শাসনামলে অবহেলার শিকার। তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে তোপ দেগে বলেন, “সঠিক পরিকল্পনার অভাবে শহরটি ক্রমশ শ্রীহীন হয়ে পড়ছে, দীর্ঘ বাম শাসন এবং বর্তমানে তৃণমূলের রাজত্বে কলকাতা ‘বস্তির শহর’-এ পরিণত হয়েছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজের ভোটব্যাঙ্ক সুরক্ষিত রাখতে এই বস্তিগুলিতেই অনুপ্রবেশকারীদের আশ্রয় দিচ্ছেন।”

    হারানো গৌরবকে পুনরুদ্ধারের লড়াই

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, গত দেড় দশকে কলকাতায় নতুন কোনও উল্লেখযোগ্য পরিকাঠামোগত উন্নয়ন হয়নি। বরং ক্রমবর্ধমান বস্তি এলাকা এবং নাগরিক পরিষেবার অভাব শহরবাসীকে চরম দুর্ভোগে ফেলেছে। নাগরিক জীবন যাপনের বেহাল দশা নিয়ে অমিত শাহ (Amit Shah) বলেন, “এই ভোট শুধু বিধায়ক বানানোর ভোট নয়, এটি কলকাতার হারানো গৌরবকে পুনরুদ্ধারের লড়াই। বিজেপি প্রার্থীদের জেতাতে বা বিজেপি সরকার গড়তে আপনাদের ভোট দেওয়ার প্রয়োজন নেই। আপনারা ভোট দিন (West Bengal Elections 2026) পশ্চিমবঙ্গকে অনুপ্রবেশকারীদের হাত থেকে মুক্ত করার জন্য। ভোট দিন কলকাতাকে আবার শ্রেষ্ঠ শহর হিসেবে গড়ে তোলার জন্য।”

    তৃণমূল সরকারের ব্যর্থতার স্মারক

    নির্বাচনের (West Bengal Elections 2026) আবহে কলকাতার এই পরিস্থিতিকে তৃণমূল সরকারের ব্যর্থতার স্মারক হিসেবে তুলে ধরেন  কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বস্তিগুলিতে অনুপ্রবেশকারীদের জায়গা দিয়ে নিজের ভোটব্যাঙ্ক তৈরি করতে চান। তিনি চান না সাধারণ মানুষ উন্নত জীবনযাপন করুক। কেন্দ্রীয় প্রকল্পগুলো সঠিক ভাবে রূপায়ণ না হওয়ায় সাধারণ মানুষ প্রাপ্য সুবিধা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজত্বে আর তাঁর আগে কমিউনিস্টদের আমলে গোটা শহরটা বস্তির শহর হয়ে রয়ে গিয়েছে। দেশের অন্যান্য রাজ্যে এমন অনেক শহর আছে যেগুলি আজ বস্তিমুক্ত হয়ে উঠেছে। কিন্তু দিদি তার প্রয়োজন মনে করেন না।”

    চারটে বড় শিল্পশহর বানাব

    এদিনের সভায় অমিত শাহ (Amit Shah) রাজ্যে বিজেপি সরকার গঠনের ডাক দিয়ে একাধিক প্রতিশ্রুতির কথাও বলেছেন। ভোটাররা যাতে সম্পূর্ণ ভাবে নিজেদের ভোট গ্রহণ করতে পারেন তাই মানুষের আত্ম বিশ্বাস অর্জনে জোর দিয়েছেন। তিনি বলেন, “বিজেপির সরকার গঠিত হওয়ার পরে চারটে বড় শিল্পশহর বানাবো। যে সব প্রতিষ্ঠান মমতার সিন্ডিকেটের জন্য বাইরে চলে গিয়েছে, সেই সব প্রতিষ্ঠানকে আবার পশ্চিমবঙ্গে চালু করবে বিজেপি সরকার।”

    ১ লক্ষ চাকরি দেওয়া হবে

    তিনি নির্বাচনী প্রচারে (West Bengal Elections 2026) আরও বলেন, “তরুণদের প্রতি বছর ১ লক্ষ চাকরি দেওয়া হবে। বাড়ি বসে নিয়োগপত্র পাবেন, এমন ভাবে কাজ করবে বিজেপি।বিজেপি যেখানে যেখানে ক্ষমতায় এসেছে মহিলাদের সুরক্ষার কথা ভেবেছে। আপনারা বিজেপির সরকার গড়ে দিন, প্রত্যেক দিদির অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা পাঠাবো আমরা। ৪ মে সকালেই সব স্পষ্ট হয়ে যাবে। ৮টায় ব্যালট বক্স খোলা হবে, ৯টায় প্রথম রাউন্ডের ফল আসবে, ১০টায় দ্বিতীয় রাউন্ড এবং ১টার মধ্যেই সব পরিষ্কার হয়ে যাবে। তারপরই হবে-দিদি টাটা, গুড বাই!”

    বিজেপির প্রতিশ্রুতি

    অমিত শাহ (Amit Shah) প্রতিশ্রুতি দেন যে, রাজ্যে ক্ষমতার (West Bengal Elections 2026) পরিবর্তন হলে কলকাতাকে পুনরায় আধুনিক ও বিশ্বমানের মেগাসিটিতে রূপান্তর করা হবে। নির্বাচনের তপ্ত আবহে কলকাতার নগরায়ন এবং নাগরিক সুযোগ-সুবিধাকে হাতিয়ার করে রাজ্য সরকারকে কাঠগড়ায় দাঁড় করালেন অমিত শাহ। তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। তবে শহরের মান অবনমন এবং বেকারত্ব প্রসঙ্গে সাধারণ জনতার মন জয় করেছেন বলে মনে করছেন রাজনীতির এক শ্রেণির বিশেষজ্ঞরা। এখন ভোটের বাক্সে কতটা প্রতিফলিত হয় তাই দেখার।

  • WB Assembly Election 2026: আজ রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ, কার কার ভাগ্য পরীক্ষা হচ্ছে এদিন?

    WB Assembly Election 2026: আজ রাজ্যে প্রথম দফার ভোটগ্রহণ, কার কার ভাগ্য পরীক্ষা হচ্ছে এদিন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ, বৃহস্পতিবার রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন। দ্বিতীয় তথা শেষ দফার ভোট হবে চলতি মাসেরই ২৯ তারিখে (WB Assembly Election 2026)। ২৩ তারিখে প্রথম দফায় ভোট হবে রাজ্যের ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে। এই দফায় ভোট হচ্ছে উত্তরবঙ্গ, জঙ্গলমহল এবং রাঢ় অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায়। ভোটগ্রহণ হচ্ছে উত্তরবঙ্গের কোচবিহারের ৯টি আসন, আলিপুরদুয়ারের ৫টি, জলপাইগুড়ির ৭টি, কালিম্পঙের ১টি এবং দার্জিলিঙের (Candidate List) ৫টি আসনে। দুই দিনাজপুরের যথাক্রমে ৯টি (উত্তর) ও ৬টি (দক্ষিণ) আসন, মালদার ১২টি আসনেও ভোট হচ্ছে। দক্ষিণবঙ্গের মুর্শিদাবাদ, পূর্ব ও পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম বর্ধমান এবং বীরভূম জেলার সব আসনেও ভোট হচ্ছে।

    কোথায় কোন হেভিওয়েট (WB Assembly Election 2026)

    এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক প্রথম দফার নির্বাচনে কোন কোন হেভিওয়েট প্রার্থীর ভাগ্য পরীক্ষা হচ্ছে। এই তালিকায় রয়েছেন নন্দীগ্রামে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী, বহরমপুরে কংগ্রেস প্রার্থী অধীর চৌধুরী, খড়্গপুর সদরের বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ, মাথাভাঙায় বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রমাণিক, রেজিনগর ও সুতিতে (WB Assembly Election 2026) জনতা উন্নয়ন পার্টির প্রার্থী হুমায়ুন কবীর, দিনহাটায় তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহ, শিলিগুড়িতে তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দেব এবং বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর ঘোষ। মালতিপুরে কংগ্রেস প্রার্থী মৌসম বেনজির নূর, আসানসোল দক্ষিণে বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পাল, হাসনে তৃণমূল প্রার্থী কাজল শেখ, সবংয়ে তৃণমূল প্রার্থী মানস ভুঁইঞা, এগরায় বিজেপি প্রার্থী দিব্যেন্দু অধিকারী, করণদিঘিতে সিপিএম প্রার্থী মহম্মদ শাহাবউদ্দিন, রায়গঞ্জে তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণী, বালুরঘাটে তৃণমূল প্রার্থী অর্পিতা ঘোষ, রাজগঞ্জে তৃণমূল প্রার্থী স্বপ্ন বর্মণ, রানিবাঁধে সিপিএম প্রার্থী দেবলীনা হেমব্রম, সাগরদিঘিতে তৃণমূল প্রার্থী বায়রন বিশ্বাস, দার্জিলিংয়ে নির্দল প্রার্থী অজয় এডওয়ার্ডস, ডোমকলে তৃণমূল প্রার্থী হুমায়ুন কবীর, ডেবরায় তৃণমূল প্রার্থী রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, কেশপুরে তৃণমূল প্রার্থী শিউলি সাহা, জাঙ্গিপাড়ায় তৃণমূল প্রার্থী স্নেহাশিস চক্রবর্তী এবং বোলপুরে তৃণমূল প্রার্থী চন্দ্রনাথ সিনহা। সিপিএমের তরফে এবার প্রার্থী করা হয়েছে এক ঝাঁক তরুণ-তরুণীকে। এঁদের মধ্যে রয়েছেন (Candidate List) উত্তরপাড়া কেন্দ্রের মীনাক্ষী মুখোপাধ্যায়, দমদম উত্তরে দীপ্সিতা ধর এবং মহেশতলায় সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতো প্রার্থীরা (WB Assembly Election 2026)।

    সবচেয়ে চর্চিত কেন্দ্র নন্দীগ্রাম

    এদিকে, রাজ্যের সবচেয়ে চর্চিত কেন্দ্র নন্দীগ্রাম। এই কেন্দ্রে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলের প্রার্থী পবিত্র কর। রাজ্যের বিদায়ী বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর গড় হিসেবেই পরিচিত এই কেন্দ্র। উল্লেখ্য, নন্দীগ্রামের পাশাপাশি এবার ভবানীপুর কেন্দ্র থেকেও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন শুভেন্দু। মুখ্যমন্ত্রীকে গোহারা হারাতেই ভবানীপুরে প্রার্থী হয়েছেন শুভেন্দু। এদিকে, উত্তরবঙ্গের একটি কেন্দ্রেও দ্বৈরথ দেখতে মুখিয়ে রয়েছে তামাম বাংলা। একুশের নির্বাচনে শিলিগুড়ি বিধানসভা কেন্দ্রে সিপিএমের হেভিওয়েট প্রার্থী অশোক ভট্টাচার্যকে পরাজিত করেছিলেন বিজেপির শঙ্কর ঘোষ। অথচ, একসময় অশোকের সঙ্গেই সিপিএম করতেন শঙ্কর। পরে দল বদলে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। সেবার লড়াইয়ের ময়দানে ছিলেন তৃণমূল প্রার্থী ওমপ্রকাশ মিশ্র। শঙ্কর পেয়েছিলেন ৫০ শতাংশ ভোট। ঘাসফুল প্রার্থীর ঝুলিতে পড়েছিল ৩০.১১ শতাংশ ভোট। গতবারের এই ফারাক মিটিয়ে জয় পাওয়াই এখন প্রধান লক্ষ্য গৌতম দেবের। রাজনৈতিক মহলের মতে, এবার বেশ কঠিন লড়াইয়ের মুখে পড়েছেন শিলিগুড়ির মেয়র (WB Assembly Election 2026)।

    শক্তিশালী বিজেপি

    প্রসঙ্গত, উত্তরবঙ্গে সাংগঠনিকভাবে রাজ্যের অন্য জায়গার থেকে বেশ শক্তিশালী বিজেপি। প্রথম দফার নির্বাচনে যত বেশি সম্ভব আসনে জয় পাওয়াই লক্ষ্য পদ্ম শিবিরের। এদিকে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং দলের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বার বার ছুটে গিয়েছেন উত্তরবঙ্গে। তবে তাতে যে আদতে কিছু লাভ হবে, তা মনেই করছেন না নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা। তাঁদের মতে, এবারও উত্তরবঙ্গে একচেটিয়া খেলবে বিজেপি। তৃণমূলের অবস্থা হবে মা লক্ষ্মীর পায়ের কাছে থাকা পেঁচার মতো (WB Assembly Election 2026)।

    বাহিনী মোতায়েন কত

    ২০০১ সালে শেষবার রাজ্যে এক দফায় হয়েছিল বিধানসভা নির্বাচন। এত কম দফায় আর কখনও বিধানসভা নির্বাচন হয়নি পশ্চিমবঙ্গে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে ৮ দফায় ভোটগ্রহণ হয়েছিল। সেই তুলনায় এবারের ২ দফার নির্বাচন অনেক বেশি (Candidate List) সংক্ষিপ্ত এবং দ্রুত সম্পন্ন হতে চলেছে। প্রথম দফার ভোটে মোট ২,৪০৭ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করছে নির্বাচন কমিশন। সবচেয়ে বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হচ্ছে মুর্শিদাবাদ জেলায়। তবে মুর্শিদাবাদ জেলাকে দুই ভাগে ভাগ করেছে কমিশন। এক, মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলা। দুই, জঙ্গিপুর পুলিশ জেলা। দুই মিলিয়ে মুর্শিদাবাদে মোট কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন হচ্ছে ৩১৬ কোম্পানি। তার মধ্যে মুর্শিদাবাদ পুলিশ জেলায়ই থাকবে ২৪০ কোম্পানি বাহিনী। বাকি ৭৬ কোম্পানি মোতায়েন করা হবে জঙ্গিপুর পুলিশ জেলায় (WB Assembly Election 2026)।

    তার পরেও বাংলার প্রথম দফার নির্বাচন বিনা রক্তপাতে হয় কিনা, এখন তা-ই দেখার।

     

  • Dantan Violence: প্রচারে বেরিয়ে দাঁতনে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী, কাঠগড়ায় তৃণমূল, ভোটের আগেই ঝরল রক্ত

    Dantan Violence: প্রচারে বেরিয়ে দাঁতনে আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী, কাঠগড়ায় তৃণমূল, ভোটের আগেই ঝরল রক্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটমুখী পশ্চিমবঙ্গে আক্রমণের শিকার বিজেপি প্রার্থী স্বয়ং। প্রচারের শেষ দিনে পশ্চিম মেদিনীপুরের দাঁতনে (Dantan Violence) আক্রান্ত বিজেপি প্রার্থী অজিত কুমার জানা। গণতন্ত্রের উৎসবকে আক্ষরিক অর্থেই রক্তাক্ত করে ছাড়ল রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল (TMC)! বিজেপি প্রার্থীর হাত ভেঙে দেওয়ার পাশাপাশি তাঁর গাড়ি ও মিছিলে থাকা প্রচুর বাইক ভাঙচুর করা হয়। লাগিয়ে দেওয়া হয় আগুন। ঘটনায় গুরুতর জখম হয়েছেন বেশ কয়েকজন বিজেপি কর্মী। হামলার প্রতিবাদে রাজ্য সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখান গেরুয়া শিবিরের কর্মী-সমর্থকরা।

    বিজেপির মিছিলে হামলা (Dantan Violence)

    মঙ্গলবার সকালে দাঁতনের বিজেপি প্রার্থী অজিত কুমার জানার সমর্থনে হরিপুর থেকে একটি বিশাল বাইক র‍্যালির আয়োজন করা হয়। র‍্যালিটি সাবড়া থেকে মোহনপুর যাওয়ার পথে আঁতলা এলাকায় পৌঁছলে পরিস্থিতি বদলে যায়। অভিযোগ, আগে থেকে ওত পেতে থাকা একদল দুষ্কৃতী লাঠিসোঁটা ও ধারালো অস্ত্র নিয়ে বিজেপির মিছিলে ঝাঁপিয়ে পড়ে।

    রণক্ষেত্রের চেহারা

    প্রার্থীর ওপর হামলার খবর ছড়িয়ে পড়তেই রণক্ষেত্রের চেহারা নেয় এলাকা। ক্ষুব্ধ বিজেপি কর্মীরা মোহনপুর থানার সামনে এগরা-সোলপাট্টা রাজ্য সড়ক অবরোধ করেন। টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ দেখানো হয়। তার জেরে দীর্ঘক্ষণ ওই রুটে যান চলাচল বন্ধ থাকে। অভিযুক্তদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবিতে সরব হন বিক্ষোভকারীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী ও র‍্যাফ নামানো হয়। পদ্মশিবিরের দাবি, হামলাকারীরা তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতী। লাঠির ঘায়ে প্রার্থীর একটি হাত ভেঙে গিয়েছে, গুরুতর চোট লেগেছে মাথায়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় উদ্ধার করে তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে মেদিনীপুর মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে। জখম হওয়া অন্যান্য বিজেপি কর্মীদের চিকিৎসা চলছে মোহনপুর গ্রামীণ হাসপাতালে। প্রথম দফার নির্বাচনের ঠিক আগে দাঁতনের এই ঘটনার জেরে বাড়ানো হয়েছে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারি। পুলিশ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত শুরু হয়েছে। এলাকায় শান্তি বজায় রাখতে কড়া পদক্ষেপও করা হচ্ছে (Dantan Violence)।

    বিজেপির প্রতিক্রিয়া

    ভোটের মুখে প্রার্থীকে জখম করে দেওয়ায় সোচ্চার হয়েছে বিজেপি। দলের জেলা নেতৃত্বের দাবি, “নি আমাদের প্রার্থীর ওপর (TMC) প্রাণঘাতী হামলা চালানো হয়েছে।” প্রার্থী বলেন, ‘মিছিলে রড, বাঁশ, লাঠি দিয়ে আমাদের ৫০-৬০ জন কর্মীকে মারধর করা হয়। কারও কারও হাতে আগ্নেয়াস্ত্রও ছিল। আমি জিপ থেকে নেমে কর্মীদের বাঁচাতে গেলে, আমাকেও বাঁশ দিয়ে মারে।’ তাঁর অভিযোগ, ‘মূল অভিযুক্তদের পুলিশ গ্রেফতার করছে না। ভোটের দিনেও ভোটারদের আটকে রাখার জন্য আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে ভয় দেখানোর পরিকল্পনা রয়েছে ওদের। পুলিশ ও নির্বাচন কমিশনের কাছে আবেদন, সন্দেহজনক প্রতিটি বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করুন (Dantan Violence)।’

    পুলিশ সুপারের বক্তব্য

    জেলার পুলিশ সুপার পাপিয়া সুলতানা বলেন, ‘দুপুর ১২টা নাগাদ বেলদায় একটি রাজনৈতিক দলের কর্মসূচির অনুমতি ছিল। শুধু দু’টি গাড়ির অনুমতি ছিল। সেই র‍্যালি ৬টা গাড়ি ও ৮০-৮৫টি মোটরবাইক নিয়ে বেলদা থানা থেকে মোহনপুর থানা এলাকায় ঢোকে। সেখানে তাদের অনুমতি ছিল না। সে দিক দিয়ে যাওয়ার সময়ে আঁতলা গ্রামে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ২৫-৩০টি গাড়ি ভাঙচুর হয়, দু’টি মোটরবাইক জ্বালিয়ে দেওয়া হয়। ৫৪ জন হাসপাতালে ভর্তি হন। পুলিশ দ্রুত পৌঁছে (TMC) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। ১৬ জনকে আটক করা হয়েছে। কাউকে রেয়াত করা হবে না। এলাকায় আরও বেশি নজরদারি করা হবে।’ এদিকে, সূত্রের খবর, বুধবার পর্যন্ত সব মিলিয়ে মোট ১৩ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের বেশির ভাগই তৃণমূলের কর্মী-সমর্থক (Dantan Violence)।

     

  • Amit Shah in Bengal: টানা সাত দিন বাংলায় থাকবেন শাহ! দ্বিতীয় দফার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের নিয়ে রাত জেগে বৈঠক

    Amit Shah in Bengal: টানা সাত দিন বাংলায় থাকবেন শাহ! দ্বিতীয় দফার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের নিয়ে রাত জেগে বৈঠক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ২৭ এপ্রিল, সোমবার পর্যন্ত কলকাতাতেই থাকবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah in Bengal)। মঙ্গলবার রাজ্য বিজেপির একটি সূত্রে এ কথা জানা গিয়েছে। ২০১৪ সাল থেকে যে যে রাজ্যেই বিজেপি সরকার গঠিত হয়েছে, সেখানে বিকাশ হয়েছে। এবার বাংলার পালা। বাংলায় পরিবর্তন (Assembly Election 2026) আনতে, ডবল ইঞ্জিন সরকার গড়তে বদ্ধপরিকর বিজেপি। বঙ্গ জয়ের লক্ষ্যে এবার আর কোনও ফাঁক রাখতে নারাজ গেরুয়া শিবির। তাই ভোটের ময়দান ছেড়ে এখনই দিল্লি ফেরার কোনও পরিকল্পনা নেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah)। বিজেপি সূত্রের খবর, দ্বিতীয় দফার প্রচারের শেষ দিন অর্থাৎ আগামী ২৭ এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাতেই থাকছেন শাহ। আগামী বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) যখন প্রথম দফার ভোট হবে, তখনও শাহ রাজ্যেই থাকবেন।

    দ্বিতীয় দফার ভোটের রণকৌশল নিয়ে বৈঠক

    দ্বিতীয় দফার ভোটের রণকৌশল নিয়ে মঙ্গলবার গভীর রাতে বিজেপির নিউ টাউনের দফতরে বৈঠক করেন শাহ (Amit Shah in Bengal)। দ্বিতীয় দফার নির্বাচন যে সব এলাকায়, সেখানকার জেলা সভাপতি, জেলা ইনচার্জ এবং প্রবাসী জেলা ইনচার্জদের নিয়ে বৈঠকে বসেন তিনি। চারটি সাংগঠনিক জোনের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিজেপি নেতারা বৈঠকে ডাক পেয়েছিলেন, যার অধীনে রয়েছে ১৩টি সাংগঠনিক জেলা। এ ছাড়া শাহের সঙ্গে ছিলেন বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতা ভূপেন্দ্র যাদব, বিপ্লব দেব, সুনীল বনসল এবং অমিত মালব্য। মঙ্গলবার রাত পৌনে ১০টা নাগাদ বৈঠক শুরু করেন শাহ। বৈঠক শেষ হয় ১২টা ৫ নাগাদ।

    শাহের নজরে কোন বিধানসভা কেন্দ্রে কী পরিস্থিতি

    পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফার ভোট আগামী ২৯ এপ্রিল। সোমবার সেখানে প্রচারের সময়সীমা শেষ হচ্ছে। বিজেপি সূত্রে খবর, ওই ১৩টি জেলায় যত বিধানসভা আসন রয়েছে, সেগুলির প্রতিটির বিষয়ে আলাদা আলাদা করে হিসেব নিয়েছেন শাহ (Amit Shah in Bengal)। কোন বিধানসভা কেন্দ্রে কী পরিস্থিতি, কতটা সংখ্যালঘু ভোট, এসআইআর-পরবর্তী পরিস্থিতি কেমন, কোনটায় জেতার পরিস্থিতি রয়েছে, কোনটায় সে পরিস্থিতি নেই— সে সব তথ্য পুঙ্খানুপুঙ্খ ভাবে নেন শাহ। তাঁর নিজের কাছেও সে সংক্রান্ত রিপোর্ট রয়েছে। কিন্তু যাঁরা সরেজমিনে এলাকাগুলি সামলাচ্ছেন, তাঁদের উপলব্ধি জানেন বিজেপির চাণক্য।

    উত্তরবঙ্গ শেষ, এবার টার্গেট দক্ষিণ

    ইতিমধ্যেই উত্তরবঙ্গের প্রচার পর্ব সাঙ্গ করেছেন অমিত শাহ। এবার তাঁর পুরো নজর বাকি থাকা ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রের ওপর। বিশেষ করে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে (BJP South Bengal Strategy) পদ্ম শিবিরের জমি শক্ত করাই এখন প্রধান লক্ষ্য। দিল্লি থেকে মাঝপথে রাজ্যে ফিরে আসার পর থেকেই শাহ চষে বেড়াচ্ছেন উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলা। কিন্তু সূত্রের খবর, আগামী কয়েকটা দিন তিনি মূলত দক্ষিণবঙ্গেই ফোকাস করতে চলেছেন তিনি। কেবল জনসভা বা রোড শো নয়, পর্দার আড়ালে সাংগঠনিক বৈঠকেও জোর দিচ্ছেন শাহ।

    বুধ সকালেও প্রার্থীর সঙ্গে সাক্ষাৎ

    বুধবার সকালেও স্বস্তিতে নেই গেরুয়া শিবির। সকাল হতেই একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রের প্রার্থীদের সঙ্গে আলাদা করে কথা বলেছেন অমিত শাহ। নির্বাচনের আগের এই শেষ মুহূর্তের টিপস প্রার্থীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। কোন কেন্দ্রে কী সমস্যা, বা তৃণমূলের পাল্টা কী চাল দেওয়া যেতে পারে, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হয়েছে। নিচুতলার কর্মীদের সক্রিয়তা এবং বুথ স্তরের সংগঠন নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছেন শাহ। বেশ কিছু কেন্দ্রে প্রবাসীদের দায়িত্ব ভাগ করে দেওয়া হয়েছে যাতে সমন্বয় সাধনে কোনও ত্রুটি না থাকে।

    বাংলার লড়াই-এর গুরুত্ব

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, একজন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর এভাবে টানা ১৫ দিন একটি রাজ্যে পড়ে থাকা যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। এর থেকে স্পষ্ট যে, ২০২৬-এর বাংলার লড়াইকে (Assembly Election 2026) বিজেপি কতটা গুরুত্ব দিচ্ছে। প্রতিটি জনসভায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানিয়েছেন, দেশের নিরাপত্তার খাতিরেই বাংলায় পরিবর্তন দরকার। যেভাবে বাংলায় দুর্নীতি হয়েছে, সিন্ডিকেট রাজ সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ট করে তুলেছে, অনুপ্রবেশ এত বেড়েছে যে পশ্চিমবঙ্গের অস্তিত্বই সঙ্কটে পড়েছে। পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত সিল করে বাংলা ও দেশ থেকে অনুপ্রবেশকারীদের বেছে বেছে বের করা দরকার। এর মুক্তি একটাই, নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বিজেপি সরকার গঠন।

     বাংলায় পরিবর্তন আসবেই

    বুধবারও, পশ্চিমবঙ্গে ভোটপ্রচার (Assembly Election 2026) করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah in Bengal)। আজ তাঁর জোড়া জনসভা রয়েছে। প্রথম সভা হুগলির সপ্তগ্রামে। তারপর উত্তর ২৪ পরগনার, হাবড়ায়। প্রসঙ্গত, ভবানীপুরে শুভেন্দু অধিকারীর মনোনয়নকে ঘিরে আয়োজিত কর্মসূচিতে যোগ দিয়ে শাহ ঘোষণা করেছিলেন, ভোটের প্রচারে নিজে সক্রিয়ভাবে অংশ নিতে তিনি টানা ১৫ দিন বাংলায় থাকবেন। দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন, “এই নির্বাচনে বাংলায় পরিবর্তন আসবেই।” বাংলার মানুষের সামনে এক সুবর্ণ সুযোগ। এবার বিজেপি ক্ষমতায় এলে মেধার ভিত্তিতে প্রতি বছর এক লক্ষ যুবককে চাকরি দেওয়া হবে। বাংলায় শিল্প-হাব গড়ে তুলে স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থান নিশ্চিত করা হবে, বলে জানান শাহ। বিবেকানন্দ, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় ও শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়তে গেলে বিজেপি-ই একমাত্র পথ। সেই পথ প্রশস্ত করতেই আগামী সাতদিন বাংলায় থাকতে চলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির চাণক্য অমিত শাহ।

     

LinkedIn
Share