Tag: bjp

bjp

  • BJP Bengal: “বেসামাল আচরণ করলে, রেয়াত করা হবে না”, বিজেপি কর্মীদের বার্তা শমীকের

    BJP Bengal: “বেসামাল আচরণ করলে, রেয়াত করা হবে না”, বিজেপি কর্মীদের বার্তা শমীকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই প্রথম বাংলার মসনদে এসেছে বিজেপি (BJP Bengal)। রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলকে কার্যত পর্যুদস্ত করে পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়েছে পদ্ম-পার্টি (Indiscipline)। এমতাবস্থায় গেরুয়া দলের গায়ে যাতে কলঙ্কের কালি না লাগে, সেই ব্যবস্থাই করলেন বিজেপির শীর্ষ নেতারা। তাঁরা সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, বিজেপির কোনও নেতা-কর্মী বেসামাল আচরণ করলে, রেয়াত করা হবে না। প্রত্যেকের গতিবিধির ওপর নজর রাখবে শৃঙ্খলারক্ষা কমিটি। দল-বিরোধী আচরণ করলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নেমে আসতে পারে বহিষ্কারের মতো শাস্তির খাঁড়াও। শুক্রবার নিউ টাউনের একটি হোটেলে দলীয় বৈঠকে বসেছিল বিজেপি। সেখানে স্পষ্ট বার্তা দেওয়া হয়েছে, বেসামাল কোনও আচরণ করলে রেয়াত করা হবে না সদ্য বিজয়ী বিধায়কদেরও।

    শমীকের সাফ কথা (BJP Bengal)

    জানা গিয়েছে, এদিনের বৈঠকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য সাফ জানিয়ে দেন, কোনও সিন্ডিকেট, তোলাবাজি চলবে না (Indiscipline)। টোটো-অটোর দখলদারিও বরদাস্ত করা হবে না। বিরোধী দলের কার্যালয়ও দখল করা যাবে না (BJP Bengal)।  বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনশল, রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী, জেলা সভাপতি এবং জেলা ইনচার্জরাও। দলে যাতে ‘বেনো জল’ ঢুকে না পড়ে, সেজন্যও এদিন সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে বিজেপি নেতাদের। শমীক বলেন, “এই মুহূর্তে তৃণমূলের অনেকেই বিজেপিতে যোগদানের চেষ্টা করছেন। তবে আপাতত অন্য দল থেকে কাউকে নেওয়া যাবে না। এমন অভিযোগ পেলেই প্রয়োজনে বহিষ্কার পর্যন্ত করা হবে। শুধু নেতা-কর্মীরাই নন, বিধায়করাও এই নির্দেশিকার ঊর্ধ্বে নন। তাঁদেরও রেয়াত করা হবে না।”

    জনসংযোগ বৃদ্ধিতে জোর

    বিধায়কদের জনসংযোগ বৃদ্ধিতেও জোর দেন শমীক। বলেন, “বিধায়কদের গ্রামে গ্রামে যেতে হবে। স্থানীয়দের ধন্যবাদজ্ঞাপন করতে হবে।” এদিনের বৈঠকে জেলা সভাপতিদের কোর কমিটির নির্দেশমতো চলার কথাও বলেন বনশন। বাংলার দায়িত্বপ্রাপ্ত এই কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক বলেন, “একা কোনও সিদ্ধান্ত নেবেন না। উন্নয়নের সিদ্ধান্তও নয়। ১৫ জনের কোর কমিটি গঠন হবে (Indiscipline)। ওই কমিটির সঙ্গে একজোট হয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।” আগামী সপ্তাহের মধ্যে কোর কমিটি গড়ার নির্দেশও জেলাগুলিকে দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব (BJP Bengal)।

     

  • Suvendu Adhikari: জেল-তল্লাশিতে মিলল প্রচুর ফোন, সাসপেন্ড জেল-সুপার-সহ ২, কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    Suvendu Adhikari: জেল-তল্লাশিতে মিলল প্রচুর ফোন, সাসপেন্ড জেল-সুপার-সহ ২, কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল জমানায় প্রশাসনের রন্ধ্রে রন্ধ্রে বাসা বেঁধে ছিল ঘুঘু। সেই ঘুঘুর বাসা ভাঙতে কোমর কষে ময়াদানে নেমে পড়েছেন রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। জেলে বসেই ফোনের (Prison Phone) সাহায্যে দিব্যি সাম্রাজ্য চালিয়ে যাচ্ছিল সন্দেশখালির শাহজাহান-সহ অনেক দাগি। গারদের আড়ালে থাকা এই চক্র ভাঙতেই সাসপেন্ড করা হয়েছে প্রেসিডেন্সি জেলের সুপার-চিফ কন্ট্রোলার-সহ ২ জনকে। ওই জেল থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রচুর মোবাইল ফোন। ওই সব ফোনের সিমকার্ড কাদের নামে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে সিআইডি। মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, জেলবন্দিদের সঙ্গে যাঁরা ফোনে কথা বলেছেন, তাঁরাও অভিযুক্ত।

    কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী? (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু বলেন, “প্রেসিডেন্সি জেলে মোবাইল ফোন ব্যবহারের অভিযোগ পেয়েছি। পুলিশ তদন্ত করে প্রচুর মোবাইল ফোন বাজেয়াপ্ত করেছে। অপরাধীরা জেলের মধ্যেও অপরাধচক্র চালিয়ে যাচ্ছিল। বছরের পর বছর এই কাজ চালিয়ে যাচ্ছিল তারা। দমদম জেল-সহ বিভিন্ন জেলে এই অভিযোগ পাওয়া গিয়েছে। আগের সরকারের অপদার্থতায় এই ঘটনা ঘটেছে।”  তিনি বলেন, “সন্দেশখালির কুখ্যাত শাহজাহান-সহ অনেকে জেলে বসেই নেটওয়ার্ক চালাচ্ছে (Suvendu Adhikari)। জেলে বসে অপরাধচক্র চালানোর ঘটনায় সাসপেন্ড করা হয়েছে ২ জনকে। প্রেসিডেন্সি জেলের সুপার ও চিফ কন্ট্রোলারকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। বাজেয়াপ্ত মোবাইলের সিমকার্ড কাদের নামে, তা জানতে তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সিআইডিকে (Prison Phone)। জেলবন্দিদের সঙ্গে যাঁরা ফোনে কথা বলেছেন, তাঁরাও অভিযুক্ত। সবার বিরুদ্ধেই আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

    জেলে বসেই চালাচ্ছিল অপরাধের নেটওয়ার্ক!

    রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “যাঁরা আগের সরকারে ছিলেন, তাঁদের সাপোর্টও থাকতে পারে, আবার গাফিলতিও থাকতে পারে। শাসকদলের একাংশের সহযোগিতায় গোটা রাজ্যের অপরাধীরা জেলের মধ্যেও তাদের অপরাধের নেটওয়ার্ক চালিয়ে যাচ্ছে। আমি স্বরাষ্ট্রসচিবকে বলব কেসটা সিআইডিকে হস্তান্তর করতে। সিমগুলো কাদের নামে আছে, কী করে ঢুকল, এটার রুটটাকে বের করতে হবে, তাহলে এটা বন্ধ হবে।” তিনি বলেন, “এর মধ্যে তৎকালীন সরকারের রাজনৈতিক চাপ কাজ করতে পারে, থাকতে পারেন কোনও প্রভাবশালী ব্যক্তিও।” প্রসঙ্গত, গত বছর বরানগরের একটি সোনার দোকানে ডাকাতি ও খুনের ঘটনার তদন্তে নেমে তদন্তকারীরা জানতে পারেন, প্রেসিডেন্সি জেলে বসেই সোনার দোকানে হামলার ছক কষা হয়েছিল। বিষয়টি জানতে পেরে জেলে ঘুঘুর বাসা ভাঙতে উদ্যোগী হন মুখ্যমন্ত্রী।

    জেল থেকে উদ্ধার মোবাইল ফোন

    শুক্রবার বিকেলে প্রেসিডেন্সি জেলে তল্লাশি চালান আধিকারিকরা। লিড ধরে বন্দিদের সেলে ঢুকে চালানো হয় খানাতল্লাশি। তার পরেই এক এক করে প্রকাশ্যে আসে (Suvendu Adhikari) কী ভীষণ অপরাধ চক্রের কারবার চালানো হচ্ছিল স্রেফ জেলে বসেই। এসবই হচ্ছিল মোবাইলের মাধ্যমে। জেলের ডাস্টবিন, ইটের খাঁজে থাকা সামান্য ফাটল, বাথরুমের ঘুলঘুলি, ভেন্টিলেটরের কোণ মায় একজস্ট ফ্যানের ব্লেডের পেছনেও লুকিয়ে রাখা হয়েছিল ফোন। এদিনের তল্লাশিতে সব মিলিয়ে মোট ২৩টি ফোন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ২২টিই অত্যন্ত ছোট আকারের ‘মাইক্রো ফোন’ এবং একটি অত্যাধুনিক ‘অ্যান্ড্রয়েড’ ফোন। জানা গিয়েছে, ফোনগুলি কোনও বন্দির কাছে থাকত না, লুকোনো থাকত ‘কমন স্পেসে’। সহজে যাতে কারও নজরে না পড়ে (Prison Phone), তাই এই ব্যবস্থা। এই অপরাধচক্রের শেকড় কতদূর বিস্তৃত, তার নাগাল পেতে তদন্তে নেমেছে সিআইডি। ‘ভয়েস স্যাম্পলিং’ পরীক্ষার মাধ্যমে তদন্তকারীরা নিশ্চিত হবেন, ফোনগুলির সাহায্যে ঠিক কারা এবং কতবার বাইরে যোগাযোগ করেছে (Suvendu Adhikari)।

     

  • Suvendu Adhikari: অবৈধ নির্মাণের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্সের পথে রাজ্য সরকার, বড় নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

    Suvendu Adhikari: অবৈধ নির্মাণের ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্সের পথে রাজ্য সরকার, বড় নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেআইনি নির্মাণ নিয়ে বড় বার্তা মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। তিলজলার ঘটনাকে সামনে রেখে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়ে দেন, অবৈধ নির্মাণের (Illegal Construction) ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্সের পথে হাঁটবে রাজ্য সরকার। তিনি জানান, যাঁদের বিল্ডিং প্ল্যান নেই, সেই সমস্ত অবৈধ কারখানার বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হবে। শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘সিইএসসি-কে বিদ্যুৎ সচিবের মাধ্যমে জানানো হয়েছে, যত এই ধরনের বিল্ডিং আছে, যাদের বিল্ডিং প্ল্যান স্যাংশন নেই, সেই সব কারখানা, বিশেষ করে তিলজলা, কসবা, মোমিনপুর, একবালপুর-সহ এলাকাগুলিতে দ্রুত ইন্টারনাল অডিট করা হবে। প্ল্যানের অনুমোদন না থাকলে বিদ্যুৎ পরিষেবা ডিসকানেক্ট করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।’

    পুর ও নগরোন্নয়ন সচিবকে নির্দেশ

    মুখ্যমন্ত্রীর সংযোজন, পুর ও নগরোন্নয়ন সচিবকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, একদিনের মধ্যে অবৈধ নির্মাণ ভেঙে ফেলার জন্য। কলকাতা পুরসভার (KMC) উদ্যোগে কলকাতা পুলিশের সাহায্য নিয়ে তা করা হবে। কেএমসি-কেও বলা হয়েছে, এই ধরনের অবৈধ, বিপজ্জনক কারখানাগুলিতে জলের লাইন কেটে দেওয়ার জন্য। এ ক্ষেত্রে জিরো টলারেন্স নীতিতে হাঁটবে সরকার। শুভেন্দুর বার্তা, ‘যাঁরা সতর্ক হতে চান, সতর্ক হয়ে যান। যাঁরা বেআইনি কাজকর্ম করছেন, তাঁদের আমরা এই ধরনের কাজ থেকে বিরত থাকতে কড়া নির্দেশ দিচ্ছি।’ শহরের বিভিন্ন প্রান্তে এই ধরনের অবৈধ নির্মাণ চিহ্নিত করার নির্দেশও দিয়েছেন শুভেন্দু। আলাদা করে উল্লেখ করেছেন কসবা, তিলজলা, মোমিনপুর, একবালপুরের মতো এলাকার কথা।

    কঠোর প্রশাসনিক বার্তা

    উল্লখ্যে, মঙ্গলবার তিলজলায় একটি চামড়ার কারখানায় আগুন লাগে। দু’জনের মৃত্যু হয়। তিন জন হাসপাতালে ভর্তি। মঙ্গলবারের ঘটনার পরেই তড়িঘড়ি রিপোর্ট তলব করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এরপরই তিনি জানান, ওই কারখানার কোনও বিল্ডিং প্ল্যান নেই। পুরোপুরি অবৈধ ওই কারখানা। কারখানার মালিক শেখ নাসির ও শামিম মহম্মদকে গ্রেফতার করা হয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, দুর্নীতি ও বেআইনি নির্মাণ— এই দুই ইস্যুতেই নতুন সরকার শুরু থেকে কঠোর প্রশাসনিক বার্তা দিতে চাইছে। ক্ষমতায় আসার পরে প্রথম কয়েক দিনের সিদ্ধান্ত থেকেই বিজেপি সরকারের প্রশাসনিক অগ্রাধিকারের ইঙ্গিত স্পষ্ট হয়ে উঠছে।

    কী বললেন অগ্নিমিত্রা

    রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল জানান, যে অবৈধ ভবনগুলির ফায়ার লাইসেন্স বা এনওসি নেই, সেগুলিকে নোটিস পাঠানো শুরু হচ্ছে। ওই ভবনের মালিকদের প্রথমে শুধরে নেওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে। তার পরেও নিয়ম না মানলে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ মোতাবেক পদক্ষেপ করা হবে। তিনি আরও জানান, তপসিয়ার ওই ভবনটিতে সিঁড়ি এতটাই সরু ছিল যে, সেখান থেকে লোকজন নামতে পারেননি। পিছন দিকে লোহার ঘোরানো সিঁড়ি থাকা উচিত ছিল বলেও মনে করেন তিনি।

     

     

  • FIR Against Abhishek: উস্কানিমূলক মন্তব্যের জের, অভিষেকর বিরুদ্ধে দায়ের এফআইআর, কোন কোন ধারায় অভিযোগ?

    FIR Against Abhishek: উস্কানিমূলক মন্তব্যের জের, অভিষেকর বিরুদ্ধে দায়ের এফআইআর, কোন কোন ধারায় অভিযোগ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে উসকানিমূলক ও আপত্তিকর মন্তব্য করার অভিযোগে এবার অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ( Abhishek Banerjee) বিরুদ্ধে দায়ের হল এফআইআর। বিধানসভা ভোটের প্রচারপর্বে বিজেপির বিরুদ্ধে একাধিক সভা থেকে কড়া ভাষায় আক্রমণ শানিয়েছিলেন তিনি। ভোটের ফল ঘোষণার পর বিজেপি কর্মীদের ‘দেখে নেওয়া’, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নাম করে হুঁশিয়ারি এবং ডিজে বাজানোর রূপক ব্যবহার করে মন্তব্য—এসব নিয়েই শুরু হয়েছিল বিতর্ক। সেই সমস্ত বক্তব্যকে কেন্দ্র করেই এবার বিধাননগর থানায় অভিযোগ দায়ের (FIR Against Abhishek) করলেন বাগুইআটির বাসিন্দা রাজীব সরকার।

    কোন ধারায় মামলা?

    রাজীব সরকার নামে এক সমাজকর্মীর দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS) এবং জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের একাধিক ধারায় মামলা রুজু করে তদন্ত শুরু করেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, হিংসায় উস্কানি, হুমকি-সহ একাধিক ধারায় মামলা হয়েছে। এ মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে সাব-ইন্সপেক্টর সোমনাথ সিনহা রায়কে। অভিযোগকারী রাজীব সরকারের দাবি, গত ২৭ এপ্রিল থেকে ৩ মে-র মধ্যে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে নির্বাচনী জনসভা থেকে উসকানিমূলক বক্তব্য পেশ করেছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি, গত ৭ এপ্রিল কলকাতায় আয়োজিত একটি প্রাক-নির্বাচনী সভায় অভিষেকের একটি মন্তব্যকে ঘিরেও মূল বিতর্ক তৈরি হয়েছে। সেখানে তৃণমূল সাংসদকে বলতে শোনা গিয়েছিল, “আমি দেখে নেব ৪ মে কে তাঁদের বাঁচাতে আসে। দিল্লি থেকে কোন গডফাদার তাঁদের রক্ষা করতে আসেন, তাও আমি দেখে নেব।”

    সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত হওয়ার আশঙ্কা

    অভিযোগকারী দাবি করেছেন, ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে বিভিন্ন রাজনৈতিক সভায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় উস্কানিমূলক ও ভয় দেখানোর মতো ভাষণ দিয়েছেন। অভিযোগে আরামবাগ, হরিণঘাটা ও নানুরের সভার উল্লেখ রয়েছে। বলা হয়েছে, ওই ভাষণগুলিতে বিরোধী রাজনৈতিক কর্মীদের হুমকি দেওয়া হয়েছিল এবং এমন আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহার করা হয়েছিল যা জনশৃঙ্খলা নষ্ট করতে পারে। আরও দাবি করা হয়েছে, সেই বক্তৃতার ক্লিপ সোশ্যাল মিডিয়া ও ফেসবুক পেজে ছড়িয়ে পড়ে। এর আগেই বিজেপি নেতৃত্ব অভিযোগ তুলেছিল, নির্বাচনী প্রচারে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাষা ও শব্দচয়ন রাজনৈতিক সৌজন্যের সীমা ছাড়িয়েছে। বিজেপির দাবি, এই ধরনের মন্তব্য রাজনৈতিক হিংসাকে উসকে দিতে পারে। এর ফলে আইন-শৃঙ্খলা ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিঘ্নিত হওয়ার প্রবল আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তৃণমূল নেতার বিরুদ্ধে দাঙ্গা বাঁধানোর উসকানি, বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে শত্রুতা তৈরি করা, ভীতি প্রদর্শন এবং মিথ্যা প্রচারের মতো গুরুতর অভিযোগ আনা হয়েছে।

  • CM Suvendu Adhikari: ‘তৃণমূল বিধায়কেরা এখন ব্যক্তি স্বাধীনতা পেয়েছেন’, সৌজন্যের আবহে কীসের ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু?

    CM Suvendu Adhikari: ‘তৃণমূল বিধায়কেরা এখন ব্যক্তি স্বাধীনতা পেয়েছেন’, সৌজন্যের আবহে কীসের ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল বিধায়কেরা এখন ব্যক্তি স্বাধীনতা পেয়েছেন, এমনই অভিমত মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর। আত্মবিশ্বাসী মেজাজ রাজনৈতিক মহলে নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিলেন শুভেন্দু। সরকার বদালতেই বিধানসভার অন্দরে ফিরে এল ‘সৌজন্যের’ ছবি। নতুন মুখ্যমন্ত্ররী জন্য তৃণমূল বিধায়কদের তরফে শুভেচ্ছার বন্যা। একদিকে কাউকে যেমন অধিবেশনের সময় শুভেচ্ছা জানাতে দেখা গেল, তেমনই কেউ আবার মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে গিয়ে শুভেচ্ছা জানিয়ে এলেন। অন্যদিকে দিলীপ ঘোষকে দীর্ঘক্ষণ দেখা গেল তৃণমূল বিধায়কদের সঙ্গে গল্প করতে।

    সৌজন্যের ছবি বিধানসভায়

    সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, তৃণমূল বিধায়কেরা এখন ব্যক্তি স্বাধীনতা পেয়েছেন। সৌজন্য হয়েছে। কিন্তু কার সঙ্গে কী কথা হয়েছে তা এখনই বলতে চাননি তিনি। শুভেন্দুর এ কথাতেই শুরু হয়ে গিয়েছে জোর চাপানউতোর। শুভেন্দুর এই ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য থেকেই অনেকে বলতে শুরু করেছেন দলের সেনাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভয়েই উবে গিয়েছিল সৌজন্যের আবহ। তাঁর অদৃশ্য অঙ্গুলিহেলনেই কী তাহলে স্বাভাবিক ছন্দে কেটেছিল তাল? প্রশ্ন ঘুরছে। সঙ্গে আবার সেই সময় বিধানসভার অন্দরে খোদ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতি! কিন্তু সেই ছবিতে ইতি! বর্তমানে ছবিটা এক্কেবারে আলাদা।

    শুভেন্দুর জন্য মনোহরা আনলেন হুমায়ুন!

    সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, সিতাইয়ের তৃণমূল কংগ্রেস বিধায়ক সঙ্গীতা রায় বসুনিয়া শপথগ্রহণের আগে পর্যন্ত বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গেই বসেছিলেন। খোদ নতুন মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গেও বেশ কিছুক্ষণ কথাও বলেন। সুজাপুরের সাবিনা ইয়াসমিনও আবার শুভেন্দুকে শুভেচ্ছা জানান। আম জনতা উন্নয়ন পার্টির বিধায়ক হুমায়ুন কবীরের সৌজন্যে তো আবার অন্য মাত্রাই দেখা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর জন্য তিনি মনোহরা নিয়ে এসেছিলেন বলে খবর। সব মিলিয়ে বিধানসভার অন্দরের সৌজন্যপূর্ণ আবহ নিয়েই এখন জোর চর্চা রাজনৈতিক আঙিনায়।

    প্রধানমন্ত্রী মোদিই অনুপ্রেরণা, বার্তা শুভেন্দুর

    স্বচ্ছ প্রশাসন ও উন্নয়নের বার্তা দেওয়ার পাশাপাশি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর গলায় শোনা গেল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ভূয়সী প্রশংসা। শুভেন্দু স্পষ্ট জানান, তাঁর সরকার প্রধানমন্ত্রীর দেখানো পথেই পরিচালিত হবে। মোদিকে ‘বিশ্বনেতা’ সম্বোধন করে শুভেন্দু বলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী আমাদের পথপ্রদর্শক। স্বচ্ছ ভারত অভিযানের মাধ্যমে তিনি যে নাগরিক সচেতনতা তৈরি করেছেন, আমরা তা এগিয়ে নিয়ে যাব।’’ প্রশাসনে স্বচ্ছতা ফেরাতে এবং ভিআইপি সংস্কৃতি কালচার বন্ধ করতে কড়া পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘বিধানসভায় কোনও লুকোছাপা থাকবে না। সরকার পুরোপুরি বিধানসভার প্রতি দায়বদ্ধ থাকবে।’’ প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান মেনে বাড়তি নিরাপত্তার বহর ও গাড়ির সংখ্যা কমানোর নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। শুভেন্দুর কথায়, ‘‘অতিরিক্ত গাড়ির প্রয়োজন নেই। জ্বালানি সাশ্রয়ের বার্তায় আমরাও শামিল।’’তৃণমূলের একাধিক বিধায়ক তাঁর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন দাবি করে শুভেন্দু বলেন, ‘‘অনেকে বলছেন আমরা স্বাধীনতা পেলাম। এবার প্রকৃত অর্থেই জনগণের দ্বারা, জনগণের জন্য সরকার দেখতে পাবেন সবাই।’’

  • Speaker in Bengal Assembly: শুক্রবার নির্বাচন! দলের স্পিকার পদপ্রার্থী হিসেবে রথীন্দ্রনাথ বসুকে বেছে নিল বিজেপি

    Speaker in Bengal Assembly: শুক্রবার নির্বাচন! দলের স্পিকার পদপ্রার্থী হিসেবে রথীন্দ্রনাথ বসুকে বেছে নিল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিধানসভার স্পিকার হচ্ছেন কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক রথীন্দ্র বসু (Rathindra Bose)। রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকারের প্রথম স্পিকার (Speaker in Bengal Assembly) হচ্ছেন তিনি। বৃহস্পতিবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তাঁর নাম জানান। এ দিন বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘রাজ্য সভাপতি-সহ বিধায়ক দলের সকলের সঙ্গে পরামর্শ করে জাতীয় সভাপতির অনুমোদন নিয়ে আমরা দলের অত্যন্ত বলিষ্ঠ, নিষ্ঠাবান নেতা রথীন্দ্র বসুকে স্পিকার পদের জন্য মনোনীত করেছি। এই পদ চালানোর জন্য রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও উচ্চ শিক্ষার দরকার। তিনি একজন চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। আগামিকাল সকাল ১১টায় স্পিকার নির্বাচন হবে।’

    শুক্রবার বিধানসভায় স্পিকার নির্বাচন

    শুক্রবার বিধানসভায় স্পিকার (Speaker in Bengal Assembly) নির্বাচন হবে। বিরোধী দলগুলি এই নির্বাচনে অংশ নেবে কি না, তা স্পষ্ট নয়। তবে সংখ্যার নিরিখে স্পিকার নির্বাচনে বিজেপির জয় কার্যত নিশ্চিত। সমাজমাধ্যমে একটি পোস্ট করে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন, অষ্টাদশ বিধানসভার অধ্যক্ষ বা স্পিকার পদপ্রার্থী হিসাবে রথীন্দ্র বসুকে মনোনীত করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী লেখেন, “আমার স্থির বিশ্বাস, তিনি (রথীন্দ্র) সর্বসম্মতিক্রমে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভার মাননীয় অধ্যক্ষ হিসাবে নির্বাচিত হবেন।” বিজেপির স্পিকার পদপ্রার্থী হিসাবে মনোনীত হওয়ার পর রথীন্দ্র বলেন, “দল যা দায়িত্ব দিয়েছে, তা পালন করব। প্রয়োজনে বিধানসভার অভিজ্ঞ সদস্যদের পরামর্শ নেব।” বৃহস্পতিবার দুপুরে মুখ্যমন্ত্রী এবং অন্য বিজেপি বিধায়কদের উপস্থিতিতে মনোনয়নপত্র জমা দেন রথীন্দ্র। মনে করা হচ্ছে, দীর্ঘদিন রাজ্যে সংগঠনের ভরকেন্দ্র উত্তরবঙ্গের কথা মাথায় রেখেই স্পিকার বেছে নিল বিজেপি।

    প্রথা ভাঙছে বিজেপি

    প্রাথমিক ভাবে জানা গিয়েছে, রথীন্দ্র (Rathindra Bose) পেশায় চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। দীর্ঘ দিন তিনি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সঙ্ঘ (আরএসএস)-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে সক্রিয় রাজনীতিতে আসেন। ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কোচবিহার দক্ষিণ কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী অভিজিৎ দে ভৌমিককে ২৩ হাজারেরও বেশি ভোটে পরাজিত করেছেন তিনি। রথীন্দ্র প্রথম বারের বিধায়ক। তৃণমূল আমলে রাজ্য বিধানসভার স্পিকার ছিলেন বারুইপুর পশ্চিম কেন্দ্রের তৃণমূল বিধায়ক বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বারও ওই কেন্দ্র থেকে নির্বাচিত হয়েছেন তিনি। বাম আমলে বিধানসভার স্পিকার হয়েছিলেন যথাক্রমে সৈয়দ আব্দুল মনসুর হবিবুল্লাহ এবং হাসিম আব্দুল হালিম। সাধারণত স্পিকার হিসাবে আইনজ্ঞ বা পেশায় আইনজীবী কাউকেই মনোনীত করে রাজনৈতিক দলগুলি। সেই হিসাবে এ বার অলিখিত এই প্রথা ভাঙতে চলেছে। সব কিছু ঠিক থাকলে স্পিকার নির্বাচিত হতে চলেছেন চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট রথীন্দ্রই।

  • Post Poll Violence: নবান্নে বিজেপির সরকার, ভাবমূর্তি নষ্ট করতে বঙ্গে হিংসা চালিয়ে যাচ্ছে হেরো পার্টি তৃণমূল!

    Post Poll Violence: নবান্নে বিজেপির সরকার, ভাবমূর্তি নষ্ট করতে বঙ্গে হিংসা চালিয়ে যাচ্ছে হেরো পার্টি তৃণমূল!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বঙ্গবাসী ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূলকে (Post Poll Violence)! পরাজয়ের গ্লানি মেনে নিতে পারেনি দলের সর্বময় কর্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অ্যান্ড কোং (TMC)! অভিযোগ, এহেন আবহে দিব্যি বাংলায় নির্বাচনোত্তর হিংসা চালিয়ে যাচ্ছে মমতার সাধের তৃণমূল। মমতার হাতে গড়া তৃণমূল কংগ্রেস ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনে মুখ থুবড়ে পড়ে। নির্বাচনের ফল ঘোষণার পর অরাজকতা ও সংঘর্ষ সৃষ্টি করতে তৃণমূল গুন্ডা-বদমায়েশদের মাঠে নামিয়েছে বলে অভিযোগ। গোহারা হেরে গিয়েও পদত্যাগ করতে অস্বীকার করেছিলেন মমতা। তাঁর দেখাদেখি লাফাতে থাকে তৃণমূলের গুন্ডারা। অভিযোগ, তারা বিজেপি কর্মীদের হত্যা, সম্পত্তি ধ্বংস এবং সাধারণ মানুষকে হিংসার মাধ্যমে ভয় দেখাচ্ছে রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায়। এক ঝলকে দেখে নেওয়া যাক, ৪ মে থেকে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ওঠা এমন ঘটনার তালিকা।

    বিজেপির ওপর হামলা (Post Poll Violence)

    ৪ মে, সোমবার রাতে, হাওড়ার উদয়নারায়ণপুর এলাকায় বছর পঁয়তাল্লিশের বিজেপি কর্মী যাদব বরকে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা পিটিয়ে খুন করে বলে অভিযোগ। বিজেপির জয় উদযাপন শুরুর কিছুক্ষণ পরেই ঘটে এই ঘটনা। পরিবারের সদস্যদের দাবি, যাদব অন্যান্য বিজেপি কর্মীদের সঙ্গে রং খেলতে বাইরে বেরিয়েছিলেন। বাড়ি ফিরে কিছুক্ষণ পরে কাছাকাছি একটি পুকুরে স্নান করতে যান। সেই সময় একদল লোক তাঁর ওপর হামলা চালায়। অভিযোগ, তাঁর মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয়। স্থানীয় বাসিন্দারা ছুটে এলে হামলাকারীরা পালায়। উদয়নারায়ণপুর হাসপাতালে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন যাদবকে। এদিন রাতে উত্তর ২৪ পরগনার আমডাঙা বিধানসভা এলাকায় বিজেপি সমর্থক মদন মোড়লের বাড়িতে তৃণমূল মদতপুষ্ট দুষ্কৃতীরা হামলা চালায় বলে অভিযোগ। মদন বলেন, “আমরা বিজেপিকে ভোট দিয়েছি। তাই গভীর রাতে তৃণমূলের ৪০-৫০ জন দুষ্কৃতী এসে আমাদের বাড়ি ভাঙচুর করে, আমাদের মারধরও করে। পরে পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী আসে। আমি খুব ভয়ে ভয়ে আছি।”

    টালিগঞ্জের পেট্রোল পাম্পে হামলা

    এদিনই, কলকাতার টালিগঞ্জ এলাকার একটি পেট্রোল পাম্পের মালিক শালিনী সেন অভিযোগ করেন, তৃণমূল আশ্রিত ৩০-৪০ জন দুষ্কৃতী তাঁর পাম্পে গিয়ে থ্রেট করে। তিনি বলেন, “ওরা নেশাগ্রস্ত অবস্থায় এসে আমার ম্যানেজারকে হুমকি দেয়। বলে ১০ মিনিটের মধ্যে ট্যাঙ্কার সরাতে হবে, না হলে অশান্তি করবে।” প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে ধন্যবাদ জানিয়ে তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ শেষমেশ নির্ভয়ে বাঁচার সুযোগ পাচ্ছেন (Post Poll Violence)।

    বিজেপি নেতাকে পিটিয়ে খুন

    ৫ মে, মঙ্গলবার নিউ টাউনের বালিগুড়ি এলাকায় বিজয় মিছিলে যাওয়ায় বিজেপি নেতা মধু মণ্ডলকে তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা পিটিয়ে খুন করে বলে অভিযোগ। তাঁর দেহ কাদায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। ওই ঘটনায় পুলিশ তৃণমূল নেতা কমল মণ্ডল ও তার ৪ সহযোগীকে গ্রেফতার করে (TMC)। রাজারহাট-নিউ টাউন বিধানসভা কেন্দ্রের বিধায়ক বিজেপির পীযূষ কানৌডিয়া বলেন, “আমি বিধায়ক হিসেবে দায়িত্ব নিয়েছি, চার ঘণ্টাও হয়নি। আর আমাকেই মালা দিতে হচ্ছে আমার ভাইয়ের মৃতদেহে! আমি পুলিশকে বলেছি, যারা এই ঘটনার জন্য দায়ী, তাদের কাউকে যেন রেহাই না দেওয়া হয়।” এদিনই দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে বছর ছেষট্টির বিজেপি কর্মী জগদীশ বসাক ও তাঁর ছেলে জয়ন্ত আক্রান্ত হন। অভিযোগ, তাঁর নাতি বিজেপির জয় উদযাপন করে বাজি ফাটায়, স্লোগান দেয় ‘জয় শ্রীরাম’। এরপর তৃণমূলের লোকজন তাঁর বাড়িতে হামলা চালায়। জগদীশের মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করা হয়, গলায় ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করা হয় জয়ন্তকে। ৯ মে মৃত্যু হয় জগদীশের (Post Poll Violence)।

    তৃণমূলের হামলা অন্যত্রও

    ৬ মে, বুধবার বিজেপি নেতা (বর্তমানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী) শুভেন্দু অধিকারীর ব্যক্তিগত সহকারী চন্দ্রনাথ রথকে গুলি করে খুন করা হয় উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে। একটি কালো স্করপিও গাড়িতে চড়ে বাড়ি ফিরছিলেন তিনি (TMC)। দুই বাইক আরোহী তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলি লাগে চন্দ্রনাথের মাথা, বুক ও পেটে। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন কর্তব্যরত চিকিৎসক। গুলির ঘায়ে গুরুতর জখম হন চন্দ্রনাথের গাড়ির চালক বুদ্ধদেব বেরা। তদন্তের জন্য গঠন করা হয়েছে সিট(SIT)। এদিনই বসিরহাটে বিজেপি কর্মী রোহিত রায়কে লক্ষ্য করে তৃণমূল কর্মীরা গুলি চালায় বলে অভিযোগ। বিজেপির জয় উদযাপন করতে তিনি এলাকায় টাঙাচ্ছিলেন দলীয় ঝান্ডা। সেই সময় ৮-১০ জন তৃণমূল কর্মী তাঁকে ঘিরে ধরে। তাদের মধ্যে থেকে কয়েকজন গুলি চালায়। বসিরহাট স্টেট হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রোহিত। তাঁর অবস্থা সঙ্কটজনক হলেও, স্থিতিশীল। এই দিনই উত্তর ২৪ পরগনার বরানগরে বিজেপির বুথ সভাপতি সোমনাথ ধরের ওপর ছুরি নিয়ে হামলা চালানো হয়। জখম হন তাঁর পরিবারের সদস্যরাও। পরিবারের অভিযোগ, তৃণমূলের রঞ্জিত ধর ও শুভঙ্কর ধর দীর্ঘদিন ধরে তাঁর পৈতৃক বাড়ি দখল করার চেষ্টা করছিল (TMC)। সম্পত্তি ছাড়তে অস্বীকার করায় হামলা চালানো হয় (Post Poll Violence)।

    ছোড়া হল তাজা বোমা 

    এদিনই উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটিতে বিজেপি কর্মীদের লক্ষ্য করে তাজা বোমা ছোড়া হয়। ওই ঘটনায় ৫ জন গুরুতর জখম হন। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বাইকে চড়ে কয়েকজন এসে ৩টি বোমা ছুড়ে পালিয়ে যায়। আহতদের আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিনই সন্দেশখালির বামনঘেরিয়া এলাকায় টহলদারি পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের ওপরও হামলা হয়। দুষ্কৃতীরা গুলি চালালে জখম হন পুলিশ আধিকারিক ভারত পুরকায়েত, ভাস্বত গোস্বামী, এক মহিলা পুলিশ অফিসার এবং ২ সিআরপিএফ জওয়ান। তাঁদের কলকাতার বিভিন্ন হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে। ৭ মে, হাওড়ার শিবপুর এলাকায় তৃণমূল কাউন্সিলরের স্বামী শামিম আহমেদের নেতৃত্বে বিজেপি কর্মীদের ওপর হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। ভিডিও ফুটেজে দেখা (TMC) গিয়েছে, হামলাকারীরা ৭-১৫টি তাজা বোমা ছোড়ে, গুলি চালায় ৭-৮ রাউন্ড। তাদের টার্গেট ছিলেন বিজেপির সংখ্যালঘু মোর্চার সভাপতি মনোজ খান। ওই ঘটনায় জখম হন বিজেপি নেতা মুন্না খান এবং সিকন্দর খানও (Post Poll Violence)।

     

  • Old Age Allowance: ১০০০ থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা! রাজ্যে বাড়ছে বার্ধক্য ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতাও বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত

    Old Age Allowance: ১০০০ থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা! রাজ্যে বাড়ছে বার্ধক্য ভাতা, প্রতিবন্ধী ভাতাও বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বার্ধক্য ভাতার (Old Age Allowance) পরিমাণ বাড়িয়ে দিল রাজ্যের নতুন সরকার। নারী, শিশু ও সমাজ কল্যাণ দফতর সূত্রে খবর, বার্ধক্য ভাতা ১০০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। সেই সঙ্গে রাজ্যে প্রতিবন্ধী ভাতাও বৃদ্ধি পাবে। তবে কবে থেকে এই সিদ্ধান্ত কার্যকর করা হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। শীঘ্রই সরকারের তরফে তা ঘোষণা করা হতে পারে। রাজ্যের নারী, শিশুকল্যাণ দফতরের মন্ত্রী হিসাবে শপথ নিয়েছেন অগ্নিমিত্রা পাল। তাঁর দফতরই বার্ধক্য এবং প্রতিবন্ধী ভাতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। রাজ্যের সরকারি ও সরকার পোষিত সব স্কুলে গরমের ছুটি বৃদ্ধি করা হল। জানানো হয়েছে আগামী ৩১ মে পর্যন্ত সব স্কুল বন্ধ থাকবে। স্কুলশিক্ষা দফতর সূত্রের খবর, মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে স্কুলশিক্ষা দফতরের সচিবের বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত হয়েছে।

    বার্ধক্য ভাতা নিয়ে বিভ্রান্তি দূর

    রাজ্যে বার্ধক্য ভাতা (Old Age Allowance) আগে থেকেই চালু ছিল। পূর্বতন সরকারের আমলে মহিলারা ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’ প্রকল্পের অধীনে মাসে এক হাজার টাকা করে পেতেন। ভোটের আগে অর্থের পরিমাণ বাড়িয়ে করা হয় ১৫০০ টাকা। তফসিলি জাতি-জনজাতির মহিলাদের ক্ষেত্রে ভাতার পরিমাণ বেড়ে দাঁড়ায় ১৭০০ টাকা। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সি মহিলারা ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’-এর সুবিধা পাবেন। যাঁদের ৬০ বছর পেরিয়ে যাবে, তাঁরা বার্ধক্য ভাতার আওতায় চলে আসবেন। ওই একই পরিমাণ টাকা বার্ধক্য ভাতা হিসাবে পাবেন। কিন্তু এ ক্ষেত্রে বিতর্ক ছিল। ভোটের মুখে ‘লক্ষ্মীর ভান্ডার’-এর অর্থবৃদ্ধি করা হলেও বার্ধক্য ভাতার কথা উল্লেখ করা হয়নি আলাদা করে। ওই বর্ধিত অর্থ ষাটোর্ধ্ব মহিলারা পাবেন কি না, তা নিয়ে অনিশ্চয়তা দেখা দেয়।

    প্রতিবন্ধী ভাতাও বাড়ছে

    বিধানসভা নির্বাচনে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি। তারা ভোটের আগেই ঘোষণা করেছিল ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’-এর কথা। ওই প্রকল্পের অধীনে মহিলাদের মাসিক ৩০০০ টাকা করে দেওয়ার কথা বলা হয়। নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু জানান, চালু থাকা কোনও সরকারি প্রকল্প বন্ধ করে দেওয়া হবে না। তবে মৃত বা অভারতীয়েরা প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না। তা যাচাই করে দেখা হবে। ১ জুন থেকেই ‘অন্নপূর্ণা ভান্ডার’-এর টাকা রাজ্যবাসী পেয়ে যাবেন বলে জানায় বিজেপি সরকার। এ বার বার্ধক্য ভাতা সংক্রান্ত বিভ্রান্তিও দূর করা হচ্ছে। একই সঙ্গে বাড়ানো হচ্ছে প্রতিবন্ধী ভাতাও।

  • Himanta Biswa Sarma: অসমে ‘চাঁদের হাট’, টানা দ্বিতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে বসলেন হিমন্ত

    Himanta Biswa Sarma: অসমে ‘চাঁদের হাট’, টানা দ্বিতীয়বারের জন্য মুখ্যমন্ত্রী পদে বসলেন হিমন্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: টানা দ্বিতীয়বারের জন্য অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথ নিলেন বিজেপির হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma)। আজ, মঙ্গলবার গুয়াহাটির খানাপাড়ায় আয়োজিত এক বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠানে তাঁকে শপথবাক্য পাঠ করান রাজ্যপাল লক্ষ্মণ প্রসাদ আচার্য। উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামন-সহ বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএর একাধিক শীর্ষ নেতা। হিমন্ত ছাড়াও এদিন শপথ নেন নয়া মন্ত্রিসভার আরও পাঁচ সদস্য। এঁরা হলেন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামেশ্বর তেলি, অসম গণ পরিষদের সভাপতি অতুল বরা, ইউনাইটেড পিপলস পার্টি লিবারেল নেতা চরণ বোরো এবং বিজেপির প্রবীণ নেত্রী অজন্তা নেওগ।

    ঐতিহ্যবাহী অসমিয়া পোশাকে শপথ হিমন্তর (Himanta Biswa Sarma)

    অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন এনডিএ-শাসিত ২২টি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, বিজেপির জাতীয় নেতৃত্ব, শিল্পপতি এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রের বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বরা। অসমের বৈষ্ণব মঠের ১৫ জন সত্রাধিকারও উপস্থিত ছিলেন হিমন্তের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে। ঐতিহ্যবাহী অসমিয়া পোশাকে শপথ নেন হিমন্ত। আগেই বিজেপি বিধায়করা দল ও এনডিএ-র শরিক দলের বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে নেতা নির্বাচিত করেন হিমন্তকে। পরে তিনি যান লোকভবনে (পূর্বতন রাজ্যপাল ভবন), সরকার গঠনের দাবি জানাতে। এদিন নেন শপথ (Himanta Biswa Sarma)।

    কী বললেন শুভেন্দু অধিকারী?

    এদিকে, হিমন্তের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গুয়াহাটিতে গিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের নয়া মুখ্যমন্ত্রী বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। গুয়াহাটি পৌঁছে অসমবাসীকে (Assam) শুভেচ্ছা জানান তিনি। হিমন্তকে ‘বড় দাদা’ সম্বোধন করে শুভেন্দু বলেন, “হিমন্তজি অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন করেন। তাঁর কাছ থেকে অনেক কিছু শেখার আছে।” অনুপ্রবেশ সমস্যা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের নয়া মুখ্যমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, অসম এবং ত্রিপুরায় বিজেপি সরকার আসার পরে যেভাবে অনুপ্রবেশকারীদের রুখে দেওয়া হয়েছে, বাংলাও ঠিক সেই পথেই হাঁটবে। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে বিজেপির বিপুল জয়ের পেছনে অসমের বিজেপি নেতাদের বড় অবদান রয়েছে বলে মনে করেন শুভেন্দু। তাঁর আশা, উত্তর-পূর্ব ভারতের উন্নয়নে ওড়িশা, বিহার, অসম এবং সিকিম – সব রাজ্য একসঙ্গে কাজ করবে।

    অসম বিধানসভার আসন সংখ্যা ১২৬। এর মধ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ পেয়েছে ১০২টি আসন। এর (Assam) মধ্যে আবার বিজেপি একাই পেয়েছে ৮২টি আসন। জোট শরিক অগপ এবং বিপিএফ ১০টি করে আসন পেয়েছে। কংগ্রেসের জোট জিতেছে ১৯টি কেন্দ্রে। আর তৃণমূলের ঝুলিতে গিয়েছে একটি মাত্র একটি কেন্দ্র (Himanta Biswa Sarma)।

     

  • Suvendu Adhikari: ‘বিজেপি ক্ষমতায় এসে বাংলায় সিন্ডিকেটরাজ খতম করবে’, শাহি-প্রতিশ্রুতি পূরণের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘বিজেপি ক্ষমতায় এসে বাংলায় সিন্ডিকেটরাজ খতম করবে’, শাহি-প্রতিশ্রুতি পূরণের নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “সিন্ডিকেটরাজকে উল্টো করে ঝুলিয়ে দেব।” পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচনী প্রচারে এসে এমনই হুঙ্কার দিয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি কথা দিয়েছিলেন, বিজেপি ক্ষমতায় এসে বাংলায় সিন্ডিকেটরাজ (Syndicate Raj) খতম করবে। শাহের সেই প্রতিশ্রুতি পূরণ করলেন রাজ্যের নয়া মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বাংলা থেকে সিন্ডিকেটরাজ বন্ধ করতে কড়া পদক্ষেপ করলেন তিনি।

    দুর্নীতিমুক্ত বঙ্গ গড়ার নির্দেশ (Suvendu Adhikari)

    সোমবার বিধায়ক ও জেলাশাসকদের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রীর সাফ কথা, রাজ্যকে দুর্নীতিমুক্ত করে তুলতে হবে। কোনওরকম দুর্নীতিই বরদাস্ত করা হবে না। সেই লক্ষ্যেই প্রথম প্রশাসনিক বৈঠকে তিনি এমন নির্দেশ দিয়েছেন বলে দাবি ওয়াকিবহাল মহলের। এদিনের বৈঠকে বিশেষ নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বীরভূমের জেলাশাসককে। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, “আপনার জেলায় বেশি করে নজর দিন।” অতীতে এই বীরভূম থেকেই বেশি বালিপাচার, গরুপাচারের মতো অভিযোগ উঠেছে। তাই ওই জেলায় বিশেষ নজর দেওয়ার নির্দেশ। তিনি বলেন, “১০০ দিনের কাজের টাকা যাঁরা পাচ্ছেন, তাঁরা কি আদৌ যোগ্য বা বৈধ? তা খতিয়ে দেখুন। আসলে অনেকেই আছে যারা কাজ না করে জবকার্ড তৈরি করে নিয়ে টাকা তোলে।”

    গরুপাচার নিয়ে ‘তুর্কি’ মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ 

    গরুপাচার নিয়েও জেলাশাসকদের কড়া নির্দেশ দেন বিজেপির ‘তুর্কি’ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে কড়া নজরদারি চালানোর নির্দেশও দেন। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, “আজ (সোমবার) থেকেই অবৈধ গরু পাচার বন্ধ করতে হবে।” পাচার রুখতে, দুর্নীতিমুক্ত সরকার গড়তে এই পদক্ষেপ ছাড়াও জেলাশাসকদের প্রতিনিয়ত বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করার নির্দেশও দেন মুখ্যমন্ত্রী। জানিয়ে দেন, এদিন থেকেই তা শুরু করতে হবে (Suvendu Adhikari)। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া নির্দেশ, রাজ্যে গরুপাচার একেবারেই বন্ধ করতে হবে। বর্ডার বা রাজ্য সড়ক-কোথাও যেন এই সংক্রান্ত কোনও অভিযোগ আর না আসে, তা সুনিশ্চিত করতে হবে পুলিশ সুপারদের।

    কয়লা-বালি পাচার রোধে ফরমান

    কয়লা ও বালি পাচার রুখতে নয়া মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, এই সব বেআইনি কারবার এবং প্রোমোটারির ক্ষেত্রে ‘সিন্ডিকেট রাজ’ অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে। সাধারণ মানুষ যেন নির্ভয়ে ব্যবসা বা বাড়ি তৈরির কাজ করতে পারেন, তার ব্যবস্থা করতে হবে। সরকারি জমি দখল নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, সরকারি জমি রক্ষা করতে হবে। কোনও বেআইনি নির্মাণ মেনে নেওয়া হবে না। রাজ্যবাসীকে দুর্নীতিমুক্ত সরকার উপহার দিতে চায় রাজ্যের প্রথম বিজেপি সরকার। সচিবদের পর এবার ডিএমদেরও শুভেন্দু মনে করিয়ে দেন, ‘দুর্নীতিমুক্ত হবে এই সরকার।’ যেখানেই দুর্নীতির অভিযোগ রয়েছে, সেখানেই তৎক্ষণাৎ পদক্ষেপ নিয়ে বন্ধ করতে হবে কাজ (Suvendu Adhikari)।

    কাজ দ্রুত চালু করার নির্দেশ

    নির্বাচনের কারণে আদর্শ আচরণবিধি চালু ছিল দীর্ঘ দিন। তাই আটকে গিয়েছে অনেক উন্নয়নমূলক কাজ। মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশ, বিধায়করা শপথ নিলেই জেলাশাসকরা যেন তাঁদের সঙ্গে এবং জেলা পরিষদ ও পঞ্চায়েত প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। আটকে থাকা কাজ দ্রুত চালু করার নির্দেশও দেন নয়া মুখ্যমন্ত্রী। এদিনের (Syndicate Raj) বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বুঝিয়ে দেন, জেলাস্তরের প্রতিটি কাজের খবর সরাসরি নবান্নে পৌঁছবে। উন্নয়নের ক্ষেত্রে যাতে রাজনীতির রং না লাগে এবং প্রকল্পের টাকা সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছয়, সেটাই যে রাজ্যের নয়া সরকারের লক্ষ্য, তাও জানিয়ে দেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী (Suvendu Adhikari)।

     

LinkedIn
Share