Tag: bjp

bjp

  • Barasat: পঞ্চায়েত ভোটের মুখে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন জেলা পরিষদ সদস্যা বিজেপিতে

    Barasat: পঞ্চায়েত ভোটের মুখে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন জেলা পরিষদ সদস্যা বিজেপিতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাসতে (Barasat) বিজেপির কার্যালয়ে জেলা সভাপতি তাপস মিত্রর হাত থেকে দলীয় পতাকা গ্রহণ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন জেলা পরিষদ সদস্যা পুষ্পারানি বৈদ্য (মজুমদার)। সেই সঙ্গে একই দিনে এলাকার ২০০ জন তৃণমূল কংগ্রেসের সক্রিয় কর্মী বিজেপিতে যোগদান করলেন। পুষ্পারানি ২০০৩ সালে হাবড়া ২ নম্বর ব্লকে তৃণমূল কংগ্রেসের পঞ্চায়েত সদস্যা ছিলেন। এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে তিনি হাবড়া ২ নম্বর ব্লকেরই ১৯ নম্বর জেলা পরিষদ আসনে বিজেপির প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন বলে জানা গেছে।

    কী বললেন বিজেপির প্রতীকে লড়াই করা প্রার্থী

    বিজেপির জেলা কার্যালয়ে (Barasat) শ্রীমতি পুষ্পারানি বৈদ্য (মজুমদার) বলেন, রাজ্য জুড়ে কোনও গণতন্ত্র নেই। সন্ত্রাসের আবহ চলছে, চারদিকে গণতন্ত্রকে রোজ হত্যা করা হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গে অপশাসন চলছে। তিনি আরও বলেন, তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকেই আমরা রাজ্যে হাজার হাজার মানুষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পিছনে হেঁটেছি। ৩৪ বছরের সিপিএমের অত্যাচারের বিরুদ্ধে এক সঙ্গে লড়াই করেছি। কিন্তু ক্ষমতায় আসার পর যে স্বপ্ন নিয়ে সমাজ পরিবর্তনের কথা মানুষ ভেবেছিল, তা বাস্তবায়িত হয়নি। পশ্চিমবঙ্গের মানুষের বিশ্বাসের সঙ্গে বঞ্চনা করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

    একজন জন প্রতিনিধি হিসাবে কী বললেন?

    ২০১৩ থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত তিনি একজন জন প্রতিনিধি (Barasat) ছিলেন। কিন্তু ২০১৮ সাল থেকে দল তাঁর সঙ্গে বঞ্চনা করেছে বলে তাঁর অভিযোগ। তিনি বলেন, আমি গত পাঁচ বছর ধরে মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিলাম। রাজনীতি আমার রক্তে বইছে, রাজনীতি থেকে আমার পক্ষে দূরে থাকা সম্ভব নয়। আমি বুঝেছি, মানুষের কাছে এবং মানুষের পাশে থেকে কাজ করাটাই আমার জীবনের একমাত্র লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, কেউ বলতে পারবেন না, আমি জনগণের একটা টাকাও কাটমানি বা চুরি করেছি। কোনও ঠিকাদার বলতে পারবেন না, কাজের বিনিময়ে টাকা নিয়েছি। বরং আমি বলেছি রাস্তাটা ঠিক নেই, ঠিক করে দাও। কাজের বিনিময়ে প্রাপ্য অধিকার সকলকে দিয়েছি। কিন্তু আজ তৃণমূলের কাছে যোগ্য মানুষের কোনও গুরুত্ব নেই। আজ যে মমতা দিদিকে দেখছি, তিনি এখন অনেক বদলে গেছেন। পাশাপাশি কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের আত্মনির্ভর ভারত গঠনের ভাবনা এবং নরেন্দ্র মোদির সুশাসনকে দেখছি আমি। মনে মনে দলের প্রার্থী হিসাবে নয়, সাধারণ সৈনিক হিসাবে কাজ করতে চাই। বাংলার জন্য কিছু করার দায়িত্ব আমাদের সকলের। দল যেভাবে আমাকে ব্যবহার করবে, আমিও ঠিক সেই ভাবেই কাজ করব।     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: গুলিবিদ্ধ হয়ে ৩ জনের মৃত্যুর পর থমথমে চোপড়া, গ্রেফতার ১৭

    Panchayat Election: গুলিবিদ্ধ হয়ে ৩ জনের মৃত্যুর পর থমথমে চোপড়া, গ্রেফতার ১৭

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিনে ফের উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া এলাকা। বাম-কংগ্রেসের ওপর হামলার ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় ১৭ জনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের শুক্রবার ইসলামপুর মহকুমা আদালতে তোলা হয়। তার মধ্যে ৮ জনকে নিজেদের হেফাজতে নেওয়ার জন্য আদালতের কাছে আবেদন জানিয়েছে পুলিশ। তবে ধৃত ব্যক্তিদের মধ্যে অনেকেই দাবি করেছেন, তাঁরা নির্দোষ। কেউ আবার জানিয়েছেন, তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। তখন পুলিশ তাঁকে গ্রেফতার করেছে।

    শুক্রবার কেমন রয়েছে চোপড়া?

    বৃহস্পতিবার দুপুরে পায়ে হেঁটেই মনোনয়ন জমা দিতে উত্তর দিনাজপুরের চোপড়া বিডিও অফিসে যাচ্ছিলেন কাঁঠালবাড়ি এলাকার সিপিএম এবং কংগ্রেসের প্রার্থী ও দলীয় নেতাকর্মীরা। সেই সময় তাঁদের ওপর তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা সশস্ত্র হামলা চালায় বলে অভিযোগ। চলে এলোপাথাড়ি গুলি। ঘটনায় বেশ কয়েকজন গুলিবিদ্ধ হন। তড়িঘড়ি তাঁদের উদ্ধার করে ইসলামপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। তার মধ্যে একজনের অবস্থা সংকটজনক থাকায় তাঁকে স্থানান্তরিত করা হয় শিলিগুড়ির উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। এই ঘটনায় তিনজনের মৃত্যু হয়। পঞ্চায়েত নির্বাচনকে (Panchayat Election) কেন্দ্র করে মনোনয়ন পর্বে এমন ভয়াবহ সন্ত্রাসে কার্যত কেঁপে ওঠে গোটা রাজ্য। শাসক দলের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসের অভিযোগে সরব হয় বিরোধীরা। গতকালের এই সন্ত্রাস ও গোলাগুলির ঘটনায় শুক্রবার সকাল থেকেই থমথমে চোপড়ার বিভিন্ন এলাকা। রাস্তাঘাটে লোকজন কম রয়েছে। বিভিন্ন পয়েন্টে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। অন্যদিকে, শুক্রবার চোপড়া গাইসাল-২ পঞ্চায়েতের মালকাডাঙা এলাকায় নতুন করে গন্ডগোলের ঘটনা ঘটে। সাইকেলে ধাক্কাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস এবং তৃণমূল কর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। তাতে পাঁচজন জখম হয়েছেন।

    কী বললেন বিরোধী দলের নেতারা?

    বিরোধী দলের নেতাদের বক্তব্য, নির্বাচন কমিশনকে গ্রেফতারি দেখাতে পুলিশ আসল অপরাধীদের না ধরে নিরীহ মানুষকে ধরে নিয়ে গিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে অনেকেই পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election) মনোনয়ন পেশ করতে পারেনি। সিপিএম নেতা বিদ্যুৎ তরফদার বলেন, আমাদের কেউই বৃহস্পতিবার মনোনয়ন জমা করতে পারেনি। শাসক দলের সন্ত্রাসের ভয়ে প্রাণ বাঁচাতে দলের প্রার্থী, নেতা ও কর্মীরা চা বাগানে আত্মগোপন করেছিলেন। অনেকের এখনও খোঁজ নেই। একই অভিযোগ কংগ্রেস নেতা অশোক রায়ের। বিজেপি নেতা সুবোধ সরকার বলেন, পুলিশ ঠুঁটো জগন্নাথ। পঞ্চায়েত বিরোধীশূন্য করতেই শাসক দলের দুষ্কৃতীরা বোমা-গুলি নিয়ে হামলা চালিয়েছে। এই এলাকায় বিরোধীদের ফের মনোনয়ন জমা দেওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করুক প্রশাসন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Purba Medinipur: এবার শুরু মনোনয়ন তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি! কাঠগড়ায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা

    Purba Medinipur: এবার শুরু মনোনয়ন তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি! কাঠগড়ায় তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পটাশপুর (Purba Medinipur) ২ নম্বর ব্লকের আডগোয়াল অঞ্চলের পানিলালা বুথে বিজেপি মনোনীত প্রার্থী সমীরণ ঋষির বাড়িতে রাতের অন্ধকারে হামলা চালাল তৃণমূলীরা। তাঁকে নমিনেশন তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। বিজেপির হয়ে কেন প্রার্থী? আমাদের নেতৃত্বের সঙ্গে কেন কোনও কথা বলেনি? অবিলম্বে নমিনেশন তুলে ফেলতে হবে। এইভাবেই চলে হুমকি। পরিবারের আরও দাবি, নমিনেশন না তুলে নিলে যে কোনও ঘটনার জন্য প্রস্তুত থাকারও হুঁশিয়ারি দিয়ে গেছে শাসক দলের দুষ্কৃতীরা।

    বিজেপির কাঁথি (Purba Medinipur) সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতির বক্তব্য

    বিজেপির কাঁথি সাংগঠনিক জেলার সহ সভাপতি অসীম মিশ্র বলেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনকে প্রহসনে পরিণত করছে তৃণমূল কংগ্রেস। পটাশপুরে (Purba Medinipur) রাতের অন্ধকারে বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়ে নমিনেশন তুলে নেওয়ার হুমাকি দেওয়া হচ্ছে। সমীরণবাবুকে বাড়িতে ঢুকে হুমকি দেওয়া হয়, নমিনেশন তুলে না নিলে বাড়ির কাউকেই খুঁজে পাওয়া যাবে না। এটাই তৃণমূলের আসল রূপ বলে উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি তিনি বলেন, যদি বাংলায় মানুষ ঠিকঠাক নিজের ভোট নিজে দিতে পারেন, তাহলে এই পঞ্চায়েত নির্বাচনে তৃণমূল ধুয়ে মুছে সাফ হয়ে যাবে।

    কেন হুমকির রাজনীতি

    মনোনয়নের আগে থেকেই পূর্ব মেদিনীপুর (Purba Medinipur) জেলায় শাসক দলের অন্দরে তৃণমূলের গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। আর এই পরিস্থিতিতে বিরোধী দল হিসাবে বিজেপি যত মনোনয়ন করেছে, তা সুস্থ, অবাধ এবং শান্তিপূর্ণ ভোট হলে তৃণমূল পায়ের নিচের মাটি একেবারেই হারিয়ে ফেলবে, বলছে বিজিপি। আর তাই এক প্রকার হারের ভয়ে পূর্ব মেদিনীপুরের গ্রামে-গ্রামে, বাড়ি-বাড়ি গিয়ে বিজেপি পদপ্রার্থীদের হুমকি দেওয়ার কাজ শুরু করেছে তৃণমূল। বিরোধী শিবিরের আরও দাবি, শাসক দলের মধ্যে গোষ্ঠী কোন্দলের জন্য অনেক তৃণমূল প্রার্থী বিজেপিকে ভোট দেবে। আর এই কারণে তৃণমূলের জেলা নেতৃত্ব হারের ভয়ের মধ্যে রয়েছেন। এলাকায় বিজেপির দাবি, সিপিএমের হার্মাদরা আগে বাড়িতে বাড়িতে সাদা থান পাঠিয়ে হত্যার ভয় দেখাত। আর বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেস রাতের অন্ধকারে বাড়িতে গিয়ে বিরোধী দল করার জন্য বিজেপিকে খুনের হুমকি দিচ্ছে। সিপিএম এবং তৃণমূলের মধ্যে কোনও পার্থক্য নেই বলে জানান বিজেপির স্থানীয় নেতারা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Asansol: সাত মাসের কন্যা সন্তানকে নিয়ে মনোনয়ন দাখিল বিজেপি দম্পতির

    Asansol: সাত মাসের কন্যা সন্তানকে নিয়ে মনোনয়ন দাখিল বিজেপি দম্পতির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য জুড়ে যখন মনোনয়নপর্ব ঘিরে বিরোধীদের উপর আক্রমণের ঘটনা ঘটে চলেছে, ঠিক তখনই অন্য চিত্র দেখা গেল আসানসোলের (Asansol) রানীগঞ্জে। সমস্ত ভয় কাটিয়ে এবার বিজেপির হয়ে প্রার্থী হয়েছেন রানীগঞ্জের এক দম্পতি।

    আসানসোলের (Asansol) কোথায় মনোনয়ন হল?

    সাত মাসের কন্যা সন্তানকে নিয়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন দাখিল করলেন দম্পতি। জানা গিয়েছে, রানীগঞ্জ (Asansol) ব্লকের বল্লভপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন বিকাশ ঢাং ও তাঁর স্ত্রী চন্দ্রমুখী ঢাং। জানা যায়, মা চন্দ্রমুখী তাঁর সাত মাসের কন্যা সন্তানকে সঙ্গে নিয়েই রানীগঞ্জ বিডিও অফিসে মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। এই দম্পতি জানিয়েছেন, বিজেপির হয়ে তাঁরা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রতিদ্বন্দ্বী হবেন। আগামী দিনে বল্লভপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় বাড়ি বাড়ি গিয়ে তৃণমূল সরকারের দুর্নীতি এবং বঞ্চনার বিরুদ্ধে প্রচার করবেন বলে জানিয়েছেন দম্পতি।

    দম্পতি আর কী বললেন?

    মনোনয়ন জমা করে বিকাশ ঢাং বলেন, আমরা ভারতীয় জনতা পার্টির হয়ে প্রার্থী হয়েছি। আমি ২৭৯ নম্বর বুথের (Asansol) এবং আমার স্ত্রী ২৭৮ নম্বর বুথের প্রার্থী হয়েছে। তিনি আরও বলেন, সারা পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে বিরোধীরা মনোনয়ন করতে গিয়ে আক্রান্ত হচ্ছে। রাজ্যের সর্বত্র আতঙ্কের পরিস্থিতি চলছে। শাসক দলের হাতে লাঠি, বাঁশ, রড, বন্দুক, বোমা। কিন্তু তারপরেও আমরা মাঠে নেমে বিরোধী রাজনীতি করব বলে মনোনয়ন করেছি। হিংস্র শাসকের অন্যায়, অবিচার, দুর্নীতি এবং বঞ্চনার বিরুদ্ধে কাউকে না কাউকে তো লড়াই করতেই হবে। আর তাই এই লড়াইতে আমি এবং আমর স্ত্রী ভোটের ময়দানে নেমেছি। এই প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, এই রাজ্যে বিরোধী রাজনীতি করা এবং গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করা অত্যন্ত কঠিন। কিন্তু তার পরেও আমরা ঘরে (Asansol) ঘরে গিয়ে তৃণমূল শাসকের অত্যাচারের বিরুদ্ধে আমাদের বক্তব্য প্রচার করব।

    স্ত্রী চন্দ্রমুখী ঢাং বলেন, সাত মাসের বাচ্চা কোলে নিয়ে অন্য কাজ করাটা খুব কঠিন। কিন্তু প্রচার না করলে সাধারণ মানুষ কেনই বা ভোট দেবেন! আর তাই আমরা আমাদের শত বাধা অতিক্রম করে, তৃণমূল শাসক কীভাবে পঞ্চায়েত স্তরে সাধারণ মানুষের অধিকারের সঙ্গে বঞ্চনা করছে, সেই কথাই সর্বত্র প্রচার করব। তিনি আরও বলেন, নির্বাচনে জয়-পরাজয়টা বড় কথা নয়, নির্বাচনী ময়দানে লড়াই করাটাই একটা বড় প্রচেষ্টা।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Suvendu Adhikari: ‘‘এমন দিন আসবে তৃণমূলকে নৌকা, সাইকেল প্রতীক বাছতে হবে’’, খোঁচা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘এমন দিন আসবে তৃণমূলকে নৌকা, সাইকেল প্রতীক বাছতে হবে’’, খোঁচা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী মাসের ৮ তারিখ পঞ্চায়েত নির্বাচন। বৃহস্পতিবারই ছিল মনোনয়নে শেষ দিন। ঘটনাক্রমে কয়েক মাস আগেই জাতীয় দলের তকমা খুইয়েছে ঘাসফুল শিবির। এনিয়ে পঞ্চায়েত ভোটের তৃণমূলকে কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর মতে, এমন দিন আসবে যেদিন তৃণমূলকে কলাগাছ নারকেল গাছ প্রতীক হিসেব বেছে নিতে হবে।

    কী বললেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    নন্দীগ্রামের বিধায়ক এদিন ট্যুইটারে লেখেন, ‘‘আঞ্চলিক তোলামূল দল বিজেপির সঙ্গে গোয়া, ত্রিপুরা ও মেঘালয়ে টক্কর দিতে গিয়েছিল। এরপর তারা জাতীয় দলের মর্যাদা হারিয়েছে। এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচনে তোলামূল পার্টির দলীয় প্রতীক চিহ্ন আঞ্চলিক দলের তালিকায় ঠাঁই পেয়েছে।’’

    শুভেন্দু আরও লিখেছেন, ‘‘এমন দিন আসবে যখন আঞ্চলিক তোলামূল পার্টি থেকে কেউ ভোটে লড়তে চাইলে তাঁদের নৌকা, সাইকেল রিকশ, নারকেল বা কলাগাছের মতো প্রতীক চিহ্ন, যা ফ্রি সিম্বল, সেটাই বেছে নিতে হবে।’’

    পঞ্চায়েত ভোটে আঞ্চলিক দল ও জাতীয় দল

    এবারের পঞ্চায়েত ভোটে লড়াইয়ের জন্য ৬টি জাতীয় দল রয়েছে। আম আদমি পার্টির ঝাড়ু, বহুজন সমাজ পার্টির হাতি, ভারতীয় জনতা পার্টির পদ্মফুল, সিপিআই(এম)-এর কাস্তে-হাতুড়ি-তারা, কংগ্রেসের হাত ও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির বইয়ের চিহ্ন রয়েছে। আঞ্চলিক দলের তালিকায় তৃণমূলের ঘাসফুলের পাশাপাশি রয়েছে সর্বভারতীয় ফরওয়ার্ড ব্লকের সিংহ।

     

    আরও পড়ুুন: অগ্নিগর্ভ ভাঙড়, পুলিশি এসকর্টে চলল গুলি, আইএসএফ কর্মী সহ মৃত ২

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Paschim Medinipur: কোন্দলে ভাঙন শাসক দলে, বিজেপিতে যোগদান ৩০০ তৃণমূল কর্মীর

    Paschim Medinipur: কোন্দলে ভাঙন শাসক দলে, বিজেপিতে যোগদান ৩০০ তৃণমূল কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েতে মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিনে পশ্চিম মেদিনীপুরের (Paschim Medinipur) নারায়ণগড়ে গোষ্ঠী কোন্দলের জেরে ভাঙন শাসক দল তৃণমূলে। তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিলেন প্রাক্তন অঞ্চল সভাপতি, বিদায়ী কর্মাধ্যক্ষ সহ ৩০০ জন তৃণমূল কর্মী। দলের তরফে রাজ্য নেতৃত্বের উপস্থিতিতে প্রাক্তন তৃণমূল কর্মীদের হাতে পতাকা তুলে দিলেন জেলা বিজেপি নেতৃত্ব। সূত্রের খবর, যে সমস্ত নেতাকর্মীরা আজ বিজেপিতে যোগ দিলেন, তাঁদের মধ্যে ২০ জন আজই মনোনয়ন জমা দিলেন বিজেপির পক্ষ থেকে।

    নারায়ণগড়ে (Paschim Medinipur) কী ঘটেছে?

    উল্লেখ্য, নারায়ণগড়ে (Paschim Medinipur) শাসকদলের গোষ্ঠী কোন্দল বার বার প্রকাশ্যে এসেছে সাম্প্রতিককালে। নারায়ণগড়ের গোষ্ঠী কোন্দল নিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও প্রকাশ্যে মুখ খুলতে দেখা যায়। তবে পঞ্চায়েত নির্বাচনে সেই কোন্দল যে কোনও ভাবেই মেটানো গেল না, বৃহস্পতিবারের ঘটনা ফের তা প্রমাণ করল।

    বিজেপির বক্তব্য

    জেলার (Paschim Medinipur) বিজেপি নেতা লক্ষ্মীকান্ত সাউ বলেন, এলাকায় তৃণমূলের কাজের প্রতিবাদ জানিয়ে ভালো মানুষগুলো বিজেপিতে যুক্ত হয়েছেন। তার কারণ, তাঁরা ভালো করে জানেন, তৃণমূলের শাসনে রাজ্যে গণতন্ত্র নেই। মাত্র ৮ দিন সময়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়ন চলছে। আমরাও বিরোধী হিসাবে ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে লড়াই করছি। তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দলে পশ্চিম মেদিনীপুরে বিজেপি শক্তিশালী হল বলে দাবি করলেন এই বিজেপির নেতা।

    তৃণমূল বিধায়কের প্রতিক্রিয়া

    যদিও এ প্রসঙ্গে নারায়ণগড়ের (Paschim Medinipur) তৃণমূল বিধায়ক সূর্য অট্টর দাবি, আজ যারা বিজেপিতে যোগদান করেছে, তারা এর আগেও বিজেপিতে যোগ দিয়েছিল। পরে অবস্থা অনুকূল নয় বুঝতে পেরে তারা আবার তৃণমূলে ফিরে এসেছিল। দীর্ঘদিন ধরেই তারা দলের সাথে দূরত্ব তৈরি করেছিল। তিনি আরও বলেন, প্রায় চার বছর আগে ২০১৯ সালে ওরা সবাই বিজেপিতে যুক্ত হয়েছিল! এখন আবার এই সময় যুক্ত হল। একই মানুষকে কতবার যুক্ত করবে বিজেপি? এই প্রশ্নের উত্তর বিজেপিই জানে। বিধায়ক আরও বলেন, ওরা বিজেপিতে চলে যাওয়াতে এলাকায় শান্তি ফিরে আসবে। সব মিলিয়ে মনোনয়নের শেষ দিনে যোগদান প্রসঙ্গে রীতিমতো রাজনৈতিক তরজা জারি জেলা জুড়ে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মনোনয়ন কেন্দ্রে তৃণমূলের বিধায়ক-পত্নীকে দেখেই ‘চোর চোর’ স্লোগান

    Murshidabad: মনোনয়ন কেন্দ্রে তৃণমূলের বিধায়ক-পত্নীকে দেখেই ‘চোর চোর’ স্লোগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দলের প্রার্থী তালিকায় নাম নেই। অথচ বৃহস্পতিবার দেখা গেল, দলেরই সিম্বলে মনোনয়নপত্র জমা করলেন মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) বড়ঞার তৃণমূল বিধায়ক জীবনকৃষ্ণ সাহার স্ত্রী টগরী সাহা। আর এর পরই বিরোধীরা ‘চোর চোর’ স্লোগানে তীব্র ভর্ৎসনা করেন বিধায়ক-পত্নীকে।

    মুর্শিদাবাদে (Murshidabad) মনোনয়নপত্র জমা করতে গিয়ে কী ঘটল?

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়ন জমা করার আজ বৃহস্পতিবার ছিল শেষ দিন। ইতিমধ্যেই সর্বত্র মনোনয়ন জমা দেওয়াকে ঘিরে শাসক দলের বিরুদ্ধে বিরোধীরা অভিযোগ তুলে সরব হয়েছে। মনোনয়নকে ঘিরে কোথাও চলেছে বোমা, আবার কোথাও চলেছে গুলি। মুর্শিদাবাদ (Murshidabad) জেলার বড়ঞা পঞ্চায়েত সমিতির টিকিটে বিধায়ক জীবনকৃষ্ণের স্ত্রীকে দেখা গেল মনোনয়নপত্র জমা করতে। উল্লেখ্য, এই জীবনকৃষ্ণ সাহাকে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামালায় সিবিআই-ইডি গ্রেফতার করেছে। বর্তমানে তিনি জেলে রয়েছেন। তাঁর স্ত্রী পঞ্চায়েত নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা করে বেরিয়ে আসছিলেন। ঠিক সেই সময় ব্লক অফিসের ভিতরেই মনোনয়ন দাখিলের জন্য দাঁড়িয়ে থাকা বিরোধী দলের বিজপি প্রার্থীরা বিধায়কের স্ত্রী টগরী সাহাকে দেখেই চোর চোর স্লোগান তোলেন। দীর্ঘক্ষণ ধরে বিরোধী প্রার্থীরা লাইনে দাঁড়িয়ে মনোনয়নপত্র জমা করতে পারছিলেন না। অথচ বিধায়ক-পত্নী কোনও লাইন না দিয়েই নিজের মনোনয়ন জমা করেন বলে অভিযোগ বিরোধীদের। বিধায়ক-পত্নী মনোনয়ন জমা করতে এসে থেমে থাকেননি। তিনি সুযোগ পেয়ে মনোনয়ন কেন্দ্রের ভিতরেই বিরোধীদের কুকুর-ছাগলের মতো আচরণ করেন বলে অভিযোগও শোনা গেছে। আর এই নিয়ে প্রশাসনের কাছে বিরোধীদের পক্ষ থেকে অভিযোগও করা হয়।

    বিজেপির অভিযোগ

    ভারতীয় জনতা পার্টির স্থানীয় বুথ সহ সভাপতি ইলিয়াস শেখ বলেন, এতকাল এই তৃণমূল বিধায়ক (Murshidabad) কেবল চুরিই করে গেলেন, প্রাপ্য সুযোগসুবিধা থেকে মানুষকে বঞ্চিত করলেন! আজ সেই বিধায়কের পত্নী পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন করলেন। আমরা সকাল থেকে লম্বা লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছি, আমাদের সময়ের কোনও দাম নেই। অথচ একজন বিধায়কের পত্নীর জন্য সব সুবিধা প্রশাসন দিয়ে যাচ্ছে। তিনি আরও বললেন, একজন দুর্নীতিগ্রস্ত বিধায়কের পত্নীকে মনোনয়ন জমা করতে এসে লাইনে দাঁড়াতে হল না। ব্লক অফিসের আধিকারিকরা বিরোধী দলের প্রতি অসহযোগিতা করছেন। তৃণমূলের হয়ে কাজ করছে প্রশাসন, এমনটাই অভিযোগ করেন ইলিয়াস শেখ।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: সংরক্ষিত আসনে প্রার্থী নেই! জাল শংসাপত্র বিলি করছে শাসক দল, অভিযোগ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: সংরক্ষিত আসনে প্রার্থী নেই! জাল শংসাপত্র বিলি করছে শাসক দল, অভিযোগ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংরক্ষিত আসনে প্রার্থী খুঁজে পাচ্ছে না তৃণমূল, সেখানে জেনারেল ক্যাটিগরির মানুষজনদের প্রার্থী করার জন্য জাল কাস্ট সার্টিফিকেট বিলি করছে শাসক দল। তৃণমূলকে এভাবেই নজিরবিহীন আক্রমণ শানালেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এদিন নিজের ট্যুইটার হ্যান্ডেলে একথা লেখেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। এই উদ্দেশ্যে মহকুমা শাসকদের একাংশকে চাপ দিয়ে জাল জাতিগত শংসাপত্র বিলিরও অভিযোগ তুলেছেন তিনি।

    আরও পড়ুন: জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ গ্রেফতার হতেই গণ-ইস্তফা! প্রকাশ্যে তৃণমূলের কোন্দল     

    কী লিখলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) বুধবার ট্যুইটারে লেখেন, ‘‘সূত্র মারফত জানতে পেরেছি, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আদিবাসী কল্যাণ এবং অনগ্রসর জাতি উন্নয়ন দফতরের ইনসপেক্টরেরা মহকুমা শাসকদের চাপের মুখে তৃণমূলের প্রার্থীদের ভুয়ো জাতিগত শংসাপত্র দিতে বাধ্য হচ্ছেন। তাঁরা যাতে তফসিলি জাতি ও জনজাতির প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষিত আসনে লড়তে পারেন, সেই উদ্দেশ্যেই এই পদক্ষেপ।’’

    আদিবাসী কল্যাণ এবং অনগ্রসর জাতি উন্নয়ন দফতরে অনিয়ম  

    বিরোধী দলনেতার মতে, সরকারের আদিবাসী কল্যাণ এবং অনগ্রসর জাতি উন্নয়ন দফতর তফসিলি জাতি ও জনজাতি এবং ওবিসি সমাজের সামাজিক, অর্থনৈতিক সাংস্কৃতিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করবে। এটাই হওয়া উচিত। জাতিগত শংসাপত্র বিলি করা এবং পরিষেবা দেওয়াই তাদের কাজ কিন্তু তার বদলে অনিয়মে অংশ নিতে বাধ্য করা হচ্ছে দফতরকে।

    আরও পড়ুুন: গভীর রাত পর্যন্ত তৃণমূলের জেলা সভানেত্রীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভ, প্রকাশ্যে কোন্দল

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘সন্ত্রাসী শাসকের আমলে কোনও নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে না’’, ফেসবুকে খোঁচা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘সন্ত্রাসী শাসকের আমলে কোনও নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হবে না’’, ফেসবুকে খোঁচা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মনোনয়নের পঞ্চম দিনেও অশান্তি অব্যাহত রাজ্য জুড়ে। ভাঙড় থেকে ক্যানিং সর্বত্র। বাদ যায়নি তৃণমূল কর্মীরাও। ক্যানিং-এ মনোনয়নে তৃণমূলের গোষ্ঠীকোন্দলে গুলিবিদ্ধ দলেরই এক কর্মী। এনিয়ে এবার ফেসবুকে সরব হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    কী লিখলেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)?

    নিজের ফেসবুক পোস্টে বুধবার শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) লেখেন, ‘‘পশ্চিমবঙ্গে যতদিন এই দুর্নীতিগ্রস্ত, সন্ত্রাসী শাসক দল ক্ষমতায় আছে, কোনওদিনই কোনও নির্বাচন অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভাবে সম্পন্ন হবে না। ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনও তার ব্যতিক্রম হবে না। বর্তমান সরকারের আমলে শাসক দলের সন্ত্রাসের হাত থেকে নিস্তার নেই বিরোধী দলের প্রার্থীদের।”

    শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari) সংযোজন, ‘‘ভয়মুক্ত পরিবেশে সুষ্ঠু ভাবে মনোনয়ন দাখিল করতে পারছেন না বিরোধী প্রার্থীরা’। শুভেন্দু অধিকারীর কথায়,’ বিশেষ করে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার ভাঙড় – ১ এবং ২ নম্বর ব্লক ও ক্যানিং–১ এবং ২ নম্বর ব্লক; বাঁকুড়া জেলার কোতুলপুর, পাত্রসায়র, ইন্দাস; বীরভূম জেলার লাভপুর ও নানুর; উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সন্দেশখালি–১ এবং ২ নম্বর ব্লক ও মিনাখাঁ; হাওড়া জেলার উদয়নারায়ণপুর ও বাগনান–২ নম্বর ব্লক সহ রাজ্যের অন্যান্য ব্লকে। বিডিও অফিস তথা মনোনয়ন কেন্দ্রগুলি সন্ত্রাসের আখড়ায় পরিণত হয়েছে।’’

    তৃণমূল আছে সন্ত্রাসেই!

    প্রথম কোনও পঞ্চায়েত ভোটে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট! মনোনয়ন কেন্দ্রগুলিতে জারি থাকছে ১৪৪ ধারা। কিন্তু তাতে কী! এদিনই সুকান্ত মজুমদার বিজেপির পঞ্চায়েতের প্রার্থীদের বাসে করে বসিরহাট থেকে কলকাতায় নিয়ে এসে রাজ্য নির্বাচন দফতরের সামনে উপস্থিত হন। কমিশনের বিরুদ্ধে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তোলেন সুকান্ত। পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যের নানা প্রান্ত থেকে অশান্তির খবর এসেছে প্রত্যেক দিন। দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠছে ভাঙড়, ক্যানিং, ইন্দাস, ডোমকল। রাজ্য জুড়ে প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে অশান্তি লেগেই রয়েছে। আর পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে লাঠিচার্জ পর্যন্ত করতে হচ্ছে। সব মিলিয়ে অভিযোগ নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: পুলিশের গুলিতে নিহত মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের বউদিকে প্রার্থী করল বিজেপি

    BJP: পুলিশের গুলিতে নিহত মৃত্যুঞ্জয় বর্মনের বউদিকে প্রার্থী করল বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরের কালিয়াগঞ্জে পুলিশের গুলিতে রাধিকাপুরের চাঁদগাও গ্রামের রাজবংশী যুবক মৃত্যুঞ্জয় বর্মন খুন হয়েছিলেন। এবার তাঁর বউদি কণিকা রায় বর্মনকে পঞ্চায়েত নির্বাচনে প্রার্থী করল বিজেপি (BJP)। বুধবারই দলীয় কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে নিয়ে তিনি বিডিও অফিসে গিয়ে মনোনয়নপত্র জমা দেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে রাজবংশী পরিবারের বধূকে প্রার্থী করে বিজেপি মাস্টার স্ট্রোক দিল বলে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। এই আসনে বিজেপির জয় শুধু সময়ের অপেক্ষা বলে এলাকাবাসীর দাবি।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) প্রার্থী?

    গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী কণিকাদেবীর স্বামী বিষ্ণু বর্মন এতদিন বিজেপির (BJP) পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য ছিলেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনে মির্জাগর এলাকার পঞ্চায়েত সমিতির আসনটি মহিলা প্রার্থীদের জন্য সংরক্ষণ করা হয়েছে। তাই বিজেপির পক্ষ থেকে তাঁর স্ত্রীকে প্রার্থী করা হয়। এদিন মনোনয়ন জমা দেওয়ার পর বিজেপি প্রার্থী কণিকাদেবী বলেন, আমার দেওরকে পুলিশ নৃশংসভাবে গুলি করে খুন করেছে। রাজ্যবাসী তা জানেন। বিজেপি আমার স্বামীর পর আমার উপর আস্থা রেখেছে। এই এলাকার সাধারণ মানুষও আমার উপর ভরসা রাখবে। এলাকাবাসীর সঙ্গে আমি সবসময় থাকব।

    কী বললেন মৃত্যুঞ্জয়ের দাদা?

    কালিয়াগঞ্জে নাবালিকার রহস্যমৃত্যু ও পরে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে থানায় তাণ্ডবের ঘটনায় বিজেপির (BJP) পঞ্চায়েত সমিতির সদস্য বিষ্ণু বর্মণকে ধরতে যায় পুলিশ। সে সময় তল্লাশি অভিযানে তাঁর খুড়তুতো ভাই মৃত্যুঞ্জয় বর্মনকে পুলিশ গুলি করে খুন করে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় তোলপাড় হয়ে ওঠে রাজ্য। এদিন বিষ্ণু বর্মন বলেন, গত পাঁচ বছর ধরে আমি মানুষের সঙ্গে ছিলাম। আমি বিজেপি করি বলে পুলিশ আমাকে ধরতে এসেছিল। আমাকে না পেয়ে আমার ভাইকে পুলিশ গুলি করে খুন করেছে। এই অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের লড়াই। আমরা সিবিআই তদন্তের দাবি জানাচ্ছি। আর আমাদের এই লড়াইয়ে এলাকার মানুষ সঙ্গে রয়েছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share