Tag: bjp

bjp

  • Sukanta Majumdar: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় ব্লকে ব্লকে মনোনয়ন করালেন সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: দক্ষিণ দিনাজপুর জেলায় ব্লকে ব্লকে মনোনয়ন করালেন সুকান্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘোষণা হতেই সোমবার দক্ষিণ দিনাজপুর  জেলার বিভিন্ন বিডিও অফিসে মনোনয়ন জমা দেওয়ার তদারকি করতে দেখা গেল বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar)। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বিভিন্ন ব্লকের বিডিও অফিসে বিজেপির প্রার্থীদের সঙ্গে করে মনোনয়ন জমা করাতে যান বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। 

    এনিয়ে কী বললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি?

    সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar) এনিয়ে বলেন, ‘‘দক্ষিণ দিনাজপুরে আমরা যথেষ্ট শক্তিশালী অন্য দল যদি মনে করে আমাদের মনোনয়নে বাধা দেবে তাহলে তার ব্যবস্থা আমরা করবো। নমিনেশনের সময় আমি নিজেও হাজির থাকছি। আমি এখন তপন বিডিও অফিসে নমিনেশন জমা করলাম এরপর গঙ্গারামপুর বিডিও অফিসে যাবো। আমরা গিয়ে দেখবো সেখানে কত বড়ো বড়ো গুন্ডা আছে।’’  গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা জুড়ে সন্ত্রাসের কথাও এদিন শোনা যায় বালুরঘাটের সাংসদের মুখে। রবিবার সন্ধ্যায় বালুরঘাট শহরে সান্ধ্য ভ্রমণে দেখা যায় বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে। 

    রবিবার সন্ধ্যায় বালুরঘাটে জনসংযোগ সারেন সাংসদ

    শেষ কবে সন্ধ্যাবেলায় পায়ে হেঁটে নিজের শহরে ঘুরেছেন তা মনে নেই বিজেপির রাজ্য সভাপতির। তাই নিজ বাড়ি থেকে বেরিয়ে তিনি চলে আসেন বালুরঘাট থানা মোড়ে। সেখানে একটি চায়ের দোকানে জমিয়ে আড্ডা দেন ও পরিচিতদের খোঁজ খবর নেন তিনি। সাংগঠনিক কাজে মাসের বেশির ভাগ সময়ই তাঁকে বাড়ির বাইরে থাকতে হয়। পাড়ার দোকানে চা খান। তার পর পায়ে হেঁটে এলাকা ঘোরেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার । এ বিষয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, ‘‘আমি কলকাতা থেকে বালুরঘাটে আমার বাড়িতে এসেছি। আজ রবিবার সন্ধ্যায় কোনও দলীয় কর্মসূচি নেই তাই আমি হেঁটে বেরিয়েছি। বহু দিন পর সময় পেয়েছি। তাই হাঁটতে শুরু করলাম। আমার এলাকার স্থানীয় মানুষ অনেকের সঙ্গে দেখা হল। তাঁদেরও খোঁজ খবর নিলাম।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
  • TMC: ” চোর চোর বলে ডাকে”, ডাকযোগে বার্তা পাঠিয়ে তৃণমূল ছাড়লেন ৪ জন পঞ্চায়েত সদস্য

    TMC: ” চোর চোর বলে ডাকে”, ডাকযোগে বার্তা পাঠিয়ে তৃণমূল ছাড়লেন ৪ জন পঞ্চায়েত সদস্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “রাস্তায় বের হলে চোর চোর বলে ডাকে। চায়ের দোকানে, বাজারেও গেলেও কথা শুনতে হয়। নেতৃত্ব দুর্নীতিগ্রস্তদের প্রশ্রয় দিচ্ছে।” শাসকদল সম্পর্কে এমনই মন্তব্য করলেন উত্তর দিনাজপুর রায়গঞ্জ ব্লকের ৪ নম্বর বিন্দোল গ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের (TMC) চারজন গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য। অভিমানে তাঁরা তৃণমূল ছাড়লেন। সোমবার  অভিনব কায়দায় তাঁরা তৃণমূল দল ছাড়ার কথা ঘোষণা করলেন। এদিন তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে সমস্তরকম সম্পর্ক ত্যাগ করার পাশাপাশি তাঁদের কাছে থাকা দলের সমস্ত ফ্ল্যাগ,ফেস্টুন তাঁরা ডাকযোগে দলের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়ালের কাছে পাঠিয়ে দেন। তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করলেও তারা অন্য রাজনৈতিক দলে যোগদান করছেন না বলে জানিয়েছেন। তবে ওই পঞ্চায়েতে নির্দল হিসেবে নির্বাচনে লড়াই করার ইঙ্গিত পাওয়া গিয়েছে। জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল অবশ্য তাদের দলে থেকে যাবার ব্যাপারে বোঝানো হবে বলে জানিয়েছেন।

    কী বললেন দলত্যাগী পঞ্চায়েত সদস্যরা?

    জানা গিয়েছে, বিগত পঞ্চায়েত নির্বাচনে রায়গঞ্জ ব্লকের বিন্দোল গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৭ টি আসনের মধ্যে তৃণমূল (TMC) কংগ্রেস ৭ টিতে জয়ী হয়েছিল। পরবর্তীতে স্থানীয় তৃণমূল নেতা মনসুর আলির উদ্যোগে কংগ্রেসের সমর্থন নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস পঞ্চায়েত বোর্ড গঠন করে। মনসুর আলির স্ত্রী লায়লা খাতুন ওই পঞ্চায়েতের প্রধান হিসেবে নির্বাচিত হন। তার বছরখানেক পর তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ তছরুপ করার অভিযোগ ওঠার পর দলীয় সিদ্ধান্তে তাঁকে ওই প্রধান পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। এরপর থেকেই দলীয় নেতৃত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট প্রধান ও তাঁর কয়েকজন অনুগামী পঞ্চায়েত সদস্যের দূরত্ব বাড়তে থাকে বলে দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে। এদিন ওই গ্রাম পঞ্চায়েতের বর্তমান চারজন সদস্য লায়লা খাতুন, মলয় সরকার, রুপো জালি ও উৎপলা বর্মন  প্রচুর সংখ্যক দলীয় কর্মী সমর্থক নিয়ে রায়গঞ্জের মুখ্য ডাকঘরে এসে তাদের কাছে থাকা দলীয় পতাকা, ফেস্টুন  খামে ভরে উত্তর দিনাজপুর জেলা সভাপতি কানাইলাল আগরওয়ালার ঠিকানায় পাঠিয়ে দেন। দলত্যাগী পঞ্চায়েত সদস্যরা বলেন, আমরা একনিষ্ঠ দলীয় কর্মী হওয়া সত্ত্বেও বেশ কিছুদিন ধরে দলীয় নেতৃত্ব আমাদের প্রাপ্য  সম্মান দিচ্ছে না। এলাকার কোনও উন্নয়নমূলক কাজে আমাদের সিদ্ধান্তের মর্যাদা দেওয়া হচ্ছে না। পঞ্চায়েতে একাধিক দুর্নীতি নিয়ে আমরা দলীয় নেতৃত্বের কাছে অভিযোগ জানালেও তা আমল দেওয়া হয়নি।এর প্রতিবাদেই আমরা এদিন দলের সঙ্গে সমস্ত সম্পর্ক ছিন্ন করলাম। দলত্যাগী এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা মনসুর আলি জানিয়েছেন,” পাড়ায়, গ্রামে, চা এর দোকানে তাদের প্রতিনিয়ত “চোর ” বলে সম্বোধন করা হয়। নেতৃত্বকে বারবার জানিয়েও কোনও লাভ হয় নি। এলাকার দুর্নীতিগ্রস্ত নেতাদের প্রশ্রয় দেওয়ার জন্য দলীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে ক্ষোভেই আমরা এদিন দলত্যাগ করেছি।তবে দলের প্রতীক ও পতাকার প্রতি আমাদের সন্মান রয়েছে।এগুলো যত্রতত্র পড়ে থাকার থেকে ফ্ল্যাগ,ফেস্টুনগুলির যাতে অবমাননা না হয়, সেই কারনেই আমরা সেগুলো ডাকযোগে এদিন জেলা সভাপতির কাছে পাঠিয়ে দিচ্ছি।

    কী বললেন তৃণমূলের (TMC) জেলা সভাপতি?

    তৃণমূল (TMC) কংগ্রেসের জেলা সভাপতি কানাইয়ালাল আগরওয়াল বলেন, ” ছোটখাটো মানঅভিমান থাকলে তা আলোচনার মাধ্যমে মিটিয়ে নেওয়া যায়। আমি তাদের দলত্যাগ না করারই কথা বলবো। তবে দলীয় পতাকার অবমাননা না হওয়ার জন্য তাঁরা যে ফেরত পাঠিয়েছে, এটা প্রশংসার। “

    তৃণমূলে (TMC) ভাঙন ধরাল বিজেপি

    পঞ্চায়েত ভোটের আগে রায়গঞ্জ ব্লকের ৬ নম্বর রামপুর অঞ্চলে তৃণমূলে ভাঙন ধরাল বিজেপি। সোমবার এই পঞ্চায়েতের তৃণমূল সদস্য মলয় সরকার সহ একাধিক তৃণমূল কর্মী সমর্থক যোগ দিলেন বিজেপিতে। এদিন জেলা বিজেপির কার্যালয়ে মলয় বাবু প্রায় ৩০০ জন অনুগামী নিয়ে দলবদল করলেন। সদ্য বিজেপিতে যোগদানকারি মলয় সরকার বলেন, তৃণমূল দলে ক্রমশ দুর্নীতি বেড়ে চলেছে। এই পঞ্চায়েতের অধীনেও প্রচুর দুর্নীতি হয়েছে। সেই দুর্নীতি মুক্ত করে স্বচ্ছ পঞ্চায়েত গড়তেই বিজেপিতে যোগ দিয়েছি। এই যোগদান কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন শিলিগুড়ির বিধায়ক শংকর ঘোষ, উত্তর দিনাজপুর জেলার জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার সহ অন্যান্য নেতৃত্ব।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: মনোনয়ন শুরু হতেই ভাঙন তৃণমূলে! বিজেপিতে যোগ দিলেন সংখ্যালঘু নেতা

    BJP: মনোনয়ন শুরু হতেই ভাঙন তৃণমূলে! বিজেপিতে যোগ দিলেন সংখ্যালঘু নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন পর্ব শুরু হতেই ভাঙন শাসক দলে। রবিবার মেদিনীপুর জেলার ভগবানপুরে তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগদান করল বেশ কিছু পরিবার। এরা প্রত্যেকেই সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের বলেই জানা গেছে। বিজেপি (BJP) এতদিন বলে এসেছে, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়কে শুধু ভোটার হিসেবেই ব্যবহার করেছে তৃণমূল। এদিন এই কথারই প্রতিধ্বনি শোনা গেল যোগদানকারীদের কণ্ঠেও।

    জুখিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে থেকে হয় এই যোগদান কর্মসূচি

    জেলার ভগবানপুর-২ ব্লকের জুখিয়া গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় তৃণমূল কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে (BJP) যোগদান করলেন জুখিয়া অঞ্চল তৃণমূল কংগ্রেসের যুব সভাপতি শেখ রমজান আলি। তাঁর সঙ্গে আরও বেশ কিছু পরিবার এদিন হাজির ছিল যোগদান কর্মসূচিতে। তাঁদের হাতে বিজেপির দলীয় পতাকা তুলে দেন ভগবানপুর বিধানসভার বিজেপি বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি। তৃণমূল ছেড়ে সংখ্যালঘু মানুষজনের বিজেপিতে যোগদানের মাধ্যমে পঞ্চায়েত ভোটের মুখে কিছুটা হলেও চমক দিল বিজেপি। যদিও এই নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসের এখনও কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    আরও পড়ুন: “তৃণমূল প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র হোম ডেলিভারি দেওয়া হচ্ছে”, আক্রমণ শুভেন্দুর

    কী বললেন যোগদানকারী তৃণমূল নেতা?

    এদিন শেখ রমজান বলেন, ‘‘১৯৯৮ সাল থেকে তৃণমূল দল করতাম। কিন্তু দলটাতে আজ আর দুর্নীতি ছাড়া কিছু অবশিষ্ট নেই।’’ রাজনৈতিক সন্ত্রাস নিয়েও এদিন রমজান সরব হন তাঁর পুরনো দলের বিরুদ্ধে। তাঁর মতে, ‘‘গরিব মানুষদের ওপর তৃণমূল যে সন্ত্রাস করেছে তা এর আগে কখনও দেখা যায়নি। এই জেলায় একাধিক গরিব মানুষের বাড়ি লুঠ, ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ করেছে তৃণমূল। বিজেপিই একমাত্র মানুষের কথা ভাবে। বিজেপিতে থেকে সাধারণ মানুষের কাজ করব।’’

    কী বললেন এলাকার বিজেপি (BJP) বিধায়ক রবীন্দ্রনাথ মাইতি?

    রবীন্দ্রনাথ মাইতি এদিন বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সংখ্যালঘুদের শুধু ভোটার হিসেবেই দেখেন। রাজ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের কোনও উন্নয়ন হয়নি।’’

    আরও পড়ুুন: পাহাড়়ে চাপে তৃণমূল! পঞ্চায়েতে মহাজোটের পথে বিজেপি

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Abhishek Banerjee: ঠাকুরনগরে তুমুল বিক্ষোভ মতুয়াদের, অভিষেককে গো-ব্যাক স্লোগান

    Abhishek Banerjee: ঠাকুরনগরে তুমুল বিক্ষোভ মতুয়াদের, অভিষেককে গো-ব্যাক স্লোগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সময় মতুয়ারা ছিলেন তৃণমূলের ভোট ব্যাঙ্ক। গত লোকসভা নির্বাচনের পর থেকেই তৃণমূলের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন মতুয়ারা। গত বিধানসভাতেও মতুয়াদের আস্থা ফিরে পায়নি তৃণমূল। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে হারানো মাটি ফিরে পেতে মরিয়া চেষ্টা চালান তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। কিন্তু মতুয়াদের পীঠস্থান ঠাকুরনগরে এসে অভিষেককে কার্যত মুখ ঝামটা খেতে হল। মন্দিরে ঢোকার আগেই তুমুল বিক্ষোভের মুখে পড়েন তিনি। অভিষেককে ঠাকুরবাড়িতে ঢুকতেই দেওয়া হবে না বলে স্লোগান তোলেন মতুয়ারা। শুধু তাই নয়, অভিষেক আসতেই তাঁর সামনে ব্যাপক বিক্ষোভ দেখান মতুয়ারা। কালো পতাকা দেখানো হয়। কার্যত বিক্ষোভের জেরে অভিষেক মতুয়াদের মন্দিরে ঢুকতে পারেননি। মূল মন্দিরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়। ফলে, মূল মন্দিরে পুজো না দিয়েই অভিষেককে ফিরতে হয়।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    তৃণমূলে ‘নবজোয়ার’ কর্মসূচি নিয়ে রবিবার ঠাকুরনগরে আসার কথা ছিল অভিষেকের (Abhishek Banerjee)। তার আগে পাল্টা প্রস্তুতি নিয়েছিল অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসংঘ। মতুয়াদের আরাধ্য হরিচাঁদ ও গুরুচাঁদ ঠাকুরের নাম বিকৃতভাবে উচ্চারণ করার জন্য আজও মুখ্যমন্ত্রী ক্ষমা না চাওয়ায় ঠাকুরবাড়িতে অভিষেক পুজো দিতে এলে তাঁকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখানো হবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মতুয়ারা। অভিষেক আসার আগে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশে ‘ধিক্কার’ পোস্টারেও ছেয়ে গিয়েছিল ঠাকুরবাড়ি এলাকা। এদিন বিকেল ৪টে নাগাদ ঠাকুরনগরে পৌঁছয় অভিষেকের কনভয়। ঠাকুরবাড়ির সামনেই অনুগামীদের নিয়ে হাজির ছিলেন বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। সঙ্গে ছিলেন বনগাঁ দক্ষিণের বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়া। অভিষেক ঠাকুরবাড়িতে পৌঁছতেই শান্তনু মূল মন্দিরের দরজা ভিতর থেকে বন্ধ করে দেন বলে অভিযোগ। বাইরে তৃণমূল কর্মী এবং মতুয়া ভক্তদের মধ্যে বচসা বেধে যায়। পুলিশের সামনেই ভেঙে ফেলা হয় তোরণ। অভিষেককে দেখে চোর, চোর স্লোগান ওঠে। কালো পতাকা দেখানো হয়। আর মতুয়াদের তুমুল বিক্ষোভের জেরে হরিচাঁদ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত মন্দিরে আর প্রবেশ করা হয়নি অভিষেকের। সেই সময় আগাগোড়াই তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের পাশে ছিলেন প্রয়াত কপিলকৃষ্ণ ঠাকুরের পত্নী তথা প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ মমতাবালা ঠাকুর। বেশ কিছুক্ষণ অপেক্ষার পরে পাশেই অন্য একটি মন্দিরে পুজো দেন অভিষেক।

    কী বললেন অভিষেক (Abhishek Banerjee)?

    মন্দিরে ঢুকতে না পেরে মমতাবালাকে পাশে নিয়েই ক্ষোভ উগরে দেন অভিষেক। তিনি (Abhishek Banerjee) বলেন, ‘‘আমার কোনও কর্মসূচি ঠাকুরনগরে ছিল না। ছিল ২০ কিলোমিটার দূরে হাবড়ায়। আমি এখানে এসেছিলাম পুজো দিতে। কিন্তু দরজা বন্ধ করে আমাকে পুজো দিতে দেওয়া হল না। বিজেপি ও শান্তনু ঠাকুর মিলে এই কাজ করেছে। আমি তার জবাব দেওয়ার দায়িত্ব এখানকার জনগণকে দিয়ে রাখলাম।’’ একই সঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘ঠাকুরবাড়ি কারও একার সম্পত্তি নয়।’’

    কী বললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী?

    শান্তনুর মন্তব্য, ‘‘মতুয়াদের ভাবাবেগে আঘাত হলে প্রতিবাদ তো হবেই। তবে, বিজেপি নয়, যা করেছে মতুয়ারা করেছে। মতুয়ার নাটমন্দিরে কেন পুলিশ? গোবরজলে শোধন হবে মন্দির।” তবে, তিনি নিজে উদ্যোগী হয়ে নাটমন্দির থেকে সমস্ত পুলিশকে সরিয়ে দেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Anubrata Mondal: অনুব্রতর গড়ে ভাঙন ধরাল বিজেপি! দলত্যাগ তৃণমূল প্রধান সহ কয়েকশো কর্মীর

    Anubrata Mondal: অনুব্রতর গড়ে ভাঙন ধরাল বিজেপি! দলত্যাগ তৃণমূল প্রধান সহ কয়েকশো কর্মীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচারকাণ্ডে ধৃত অনুব্রত মণ্ডল এখন তিহার জেলে রয়েছেন। অনুব্রতহীন (Anubrata Mondal) পঞ্চায়েত নির্বাচন হতে চলেছে বীরভূমে। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই জেলার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন। জেলায় কোর কমিটি গঠন করে সংগঠন মজবুত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। কিন্তু, এসব করার পরও অনুব্রতের গড়ে তৃণমূলের বড়সড়় ভাঙন ধরাল বিজেপি। রবিবার ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের ময়ুরেশ্বর- ১ নম্বর ব্লকের দক্ষিণগ্রাম পঞ্চায়েতে। এর আগেও এই জেলায় তৃণমূল ছেড়ে বহু কর্মী গেরুয়া শিবিরে নাম লিখিয়েছেন। পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে একের পর এক দলত্যাগের ঘটনায় এই জেলায় ফের অস্বস্তিতে শাসক দল।

    বিজেপিতে কারা যোগ দিলেন?

    ময়ুরেশ্বর- ১ নম্বর ব্লকের দক্ষিণগ্রাম পঞ্চায়েতে বেশ কিছুদিন ধরেই তৃণমূলে ভাঙন ধরবে বলে জল্পনা তৈরি হয়েছিল। মূলত, এই এলাকায় পঞ্চায়েতে প্রার্থী হওয়া নিয়ে তৃণমূলের অন্দরে কোন্দল শুরু হয়েছে। দলের পক্ষ থেকে যাদের প্রার্থী করা হয়েছে, দলের অন্য পক্ষ তাঁদের মেনে নিতে পারছে না। প্রকাশ্যে বিদ্রোহ ঘোষণা করছে। এদিন দক্ষিণগ্রাম পঞ্চায়েতের তৃণমূলের প্রধান শিউলি দে-এর নেতৃত্বে প্রায় ৩০০ জন কর্মী ও সমর্থক বিজেপিতে যোগ দেন। বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলার আহ্বায়ক অর্জুন সাহা তাঁদের হাতে দলীয় পতাকা তুলে দেন। বিজেপিতে যোগ দেওয়া প্রসঙ্গে শিউলি দে বলেন, তৃণমূল চোরের দল। এই দল আর করা যায় না। তাই কয়েকশো কর্মী, সমর্থক নিয়ে বিজেপিতে যোগদান করলাম।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির বোলপুর সাংগঠনিক জেলার আহ্বায়ক অর্জুন সাহা বলেন, অনুব্রত (Anubrata Mondal) এখন জেলে। জেলায় তৃণমূলের এখন ছন্নছাড়া অবস্থা। এই এলাকায় আমাদের সংগঠন মজবুত। মানুষ আমাদের সঙ্গে রয়েছে। পঞ্চায়েতের আগে তৃণমূলের প্রধান সহ বহু কর্মী, সমর্থক আমাদের দলে যোগ দেওয়ায় সংগঠন অনেকটাই মজবুত হল।

    মাইক হাতে রাস্তায় নেমে কী বার্তা দিলেন তৃণমূল বিধায়ক?

    এতদিন পর বিরোধীদের কথা মনে পড়ল শাসক দলের বিধায়কের! ২০১৩, ২০১৮ সালে লাভপুর বিধানসভা এলাকায় পঞ্চায়েত বিরোধী শূন্য ছিল। শাসক দলের বিরুদ্ধে বিজেপি সহ বিরোধীরা কেউ প্রার্থী দিতে পারেনি। বলা ভালো, প্রার্থী দিতে দেওয়া হয়নি। সেই লাভপুরে কি না তৃণমূল বিধায়ক অভিজিত্ সিংহ রবিবার মাইক হাতে নিয়ে বিরোধীদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছেন। শাসক দলের নেতার এই ভিজে বিড়ালের মতো পাল্টি খাওয়া দেখে এলাকার লোকজনও হাসাহাসি শুরু করেছেন। অনেকে আড়ালে আবডালে বলতে শুরু করেছেন, কেষ্ট (Anubrata Mondal) এখন জেলে। বিপাকে পড়ে বিধায়ক এখন এই ভেক ধারণ করেছেন। তৃণমূল বিধায়ক বলেন, বিরোধীরা যেন মনোনয়ন জমা দেয়। মনোনয়ন প্রক্রিয়ায় যদি তৃণমূল কংগ্রেসের কোনও কর্মী বাধা দেয় বা আটকানোর চেষ্টা করে, সেক্ষেত্রে সেই কর্মী বা সমর্থকদের বিরুদ্ধে দলীয়ভাবে যেমন ব্যবস্থা নেওয়া হবে, তেমনি প্রশাসনও কড়া ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: “তৃণমূল প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র হোম ডেলিভারি দেওয়া হচ্ছে”, আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “তৃণমূল প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র হোম ডেলিভারি দেওয়া হচ্ছে”, আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত ভোটের মনোনয়ন পেশের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে। কিন্তু মনোনয়ন নিয়ে বিস্তর অভিযোগ রয়েছে বিরোধীদের। কোথাও শাসকদলের গুন্ডারা ব্লক অফিস ঘিরে রাখছে, তো কোথাও ব্লক অফিসে ফর্ম মিলছে না। বিরোধী প্রার্থীদের হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বলে ইতিমধ্যে অভিযোগ করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তাঁর মতে, তৃণমূলের প্রার্থীদের জন্য মনোনয়নপত্র ‘হোম ডেলিভারি’ দেওয়া হচ্ছে। রবিবার সকালে এ নিয়ে একটি ট্যুইট করেছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। সেই ট্যুইটে সরকারি কর্মীদের ‘তৃণমূলের কর্মচারী’ বলেও কটাক্ষ করেছেন বিজেপি নেতা।

    শুভেন্দু ট্যুইটে কী লিখেছেন?

    মনোনয়নপত্র তুলতে গিয়ে বিরোধীরা কীভাবে ব্লক অফিসের কর্মীদের অসহযোগিতার শিকার হচ্ছেন, তা প্রমাণ সহ জানিয়েছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। বাঁকুড়া জেলার একটি ব্লক অফিসে মনোনয়নপত্র তোলার সময়কার ভিডিও পোস্ট করেছেন নন্দীগ্রামের তৃণমূল বিধায়ক। ট্যুইটে শুভেন্দু অধিকারী লিখেছেন, “তৃণমূল গুন্ডাদের বাধা পেরিয়ে বিরোধী প্রার্থীরা মনোনয়ন তুলতে বিডিও অফিসে পৌঁছলে তাঁদের দীর্ঘক্ষণ দাঁড় করিয়ে রাখা হচ্ছে। তাঁরা ভাগ্যবান হলে দীর্ঘ সময় পর মনোনয়নপত্র এবং ডিসিআর (ডুপ্লিকেট কার্বন রিসিপ্ট) পাচ্ছেন। না হলে বলা হচ্ছে, এখন কাজের সময় পেরিয়ে গিয়েছে, পরের দিন আসুন বা মনোনয়নের ফর্ম পর্যাপ্ত নেই।”

    তবে শাসক দলের ক্ষেত্রে ব্লক অফিসের এমন নিয়ম খাটছে না বলেও অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। তাঁর আরও সংযোজন, “ভিডিওতে বাঁকুড়া জেলার শালতোড়া ব্লকের তিলুরির তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি সালতোড়া বিডিও অফিস থেকে অগুণতি মনোনয়নপত্র ও ডিসিআর তুলছেন।”

    কী বলছেন শালতোড়ার বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি?

    এ প্রসঙ্গে শালতোড়ার বিজেপি বিধায়ক চন্দনা বাউরি বলেছেন, “শালতোড়া ব্লকে তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতিকে গোছা গোছা ডিসিআর ফর্ম দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু বিজেপির প্রার্থীরা লাইনে দাঁড়িয়েও ডিসিআর ফর্ম পাননি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: মনোনয়নে বাধা! তৃণমূলের হামলায় আক্রান্ত বিজেপি, প্রতিবাদে অবরোধ

    BJP: মনোনয়নে বাধা! তৃণমূলের হামলায় আক্রান্ত বিজেপি, প্রতিবাদে অবরোধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার দ্বিতীয় দিন শনিবার আবার উত্তপ্ত হয়ে উঠল আসানসোলের বারাবনি ব্লকের বিডিও অফিস চত্বর। শনিবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত দফায় দফায় অশান্তির ঘটনা ঘটে। বিডিও অফিসের কাছে দোমহানি বাজার এলাকায় ডিসিআর তোলায় বিজেপির (BJP) নেতা ও কর্মীদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠেছে শাসক দলের বিরুদ্ধে। হামলার ঘটনা দেখে এলাকার বাসিন্দারা রুখে দাঁড়ালে হামলাকারীরা পালিয়ে যায়। এই ঘটনায় বিজেপি (BJP) কর্মী স্বপন রায় এবং বিজেপির মণ্ডল সভাপতি প্রতীক গড়াই জখম হন। তাঁদের হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তৃণমূলীদের হামলায় সিপিএম কর্মীরাও আক্রান্ত হন।

    কী বললেন আক্রান্ত বিজেপি (BJP) নেতা?

    আক্রান্ত বিজেপির মণ্ডল সভাপতি প্রতীক গড়াই বলেন, হামলাকারীদের মধ্যে একজন বারাবনি থানার সিভিক ভলান্টিয়ার ছিলেন। বাকিদের বেশিভাগের মুখ কাপড় দিয়ে ঢাকা ছিল। প্রত্যেকের হাতে লাঠি ও বাঁশ ছিল। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা প্রথমে আমাদের বিডিও অফিসে ঢুকতে বাধা দিয়েছিল। কিছুটা জোর করে আমরা বিডিও অফিসের ভিতরে যাই। সেখানে একটা করে ডিসিআর কাটতে বলা হয়। ডিসিআর কাটার পর বাইরে আসতে পারছিলাম না। বারবার বলার পরে পুলিশের সাহায্য বাইরে বের হয়। তারপর চোমহানি বাজারে আমাদের উপর হামলা চালানো হয়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা তৈরি হয়। পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। মনোনয়নে বাধা এবং বিজেপি (BJP) কর্মীদের উপর হামলার প্রতিবাদে জেলা বিজেপি নেতৃত্ব বারাবনির মাজিয়ারা মোড়ে রাস্তা অবরোধে সামিল হন।

    কী বললেন সিপিএম নেতৃত্ব?

    সিপিএমের বারাবনি এরিয়ার সম্পাদক তপন দাস বলেন,  দলের কর্মীরা ডিসিআর কাটতে গেলে আটকানো হয়। দলীয় কর্মীদের উপর হামলা চালানো হয়। হামলায় তিনজন কর্মী জখম হয়েছে।

    কী বললেন বিজেপি (BJP) নেতৃত্ব?

    বিজেপি (BJP) বিধায়ক লক্ষ্মণ ঘড়ুই বলেন, তৃণমূল আমাদের দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছে। তাই ওরা আমাদের মনোনয়নে বাধা দিয়েছে। আমাদের দাবি, দলের নেতা ও কর্মীদের মারধরের সঙ্গে যারা যুক্ত রয়েছে তাদের গ্রেফতার করতে হবে। আমরা পুলিশকে সময় দিলাম। সোমবার আমরা আবারও মনোনয়ন জমা দিতে যাব। পুলিশকে বলছি, সেদিন কিছু হলে আমরা আরও বড় আন্দোলন করব।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূলের বারাবনি ব্লকের সভাপতি অসতি সিং বলেন, বিরোধীরা ৩৫টি ডিসিআর কেটেছে। আমরা বাধা দিলে বা হামলা করলে এটা কি সম্ভব ছিল? আসলে বিজেপির (BJP) কোনও সংগঠন নেই। নিজেদের দুর্বলতা ঢাকতে ওরা এসব মিথ্যা অভিযোগ করছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: পাহাড়ে চাপে তৃণমূল! পঞ্চায়েতে মহাজোটের পথে বিজেপি

    Panchayat Election: পাহাড়ে চাপে তৃণমূল! পঞ্চায়েতে মহাজোটের পথে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২৩ বছর পর পাহাড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election) হচ্ছে। ভোটের দিন ঘোষণা হতেই প্রবল চাপের মুখে তৃণমূল কংগ্রেস ও তার সহযোগী অনিত থাপার দল ভারতীয় গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা। পাহাড়ের দ্বিস্তরীয় পঞ্চায়েত ভোটে এবার এই দুই দলের বিরুদ্ধে পাহাড়ের বাকি সব দলগুলি বিজেপির নেতৃত্বে মহাজোট গড়তে চলেছে। শনিবার শিলিগুড়িতে জোট সঙ্গীদের নিয়ে দিনভর দফায় দফায় রুদ্ধদ্বার বৈঠক করেন বিজেপির দার্জিলিংয়ের সাংসদ রাজু বিস্তা। রাতে হামরো পার্টির সভাপতি অজয় এডওয়ার্ড এবং গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সভাপতি বিমল গুরুং-এর সঙ্গে আলাদা করে বৈঠক করেন রাজু বিস্তা। পঞ্চায়েত নির্বাচনের এই মহাজোটে পাহাড়ের রাজনীতিতে নয়া সমীকরণ তৈরি করবে বলে মনে করছে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।

    কেন এই জোট?

    শনিবার রাতে রাজু বিস্তা বলেন, “পাহাড় দুর্নীতিতে ভরে গিয়েছে। দুর্নীতিমুক্ত সুষ্ঠু প্রশাসন দেওয়ার লক্ষ্যে আমরা এই মহাজোট করার উদ্যোগ নিয়েছি। এদিন জোট সঙ্গীদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। অন্য রাজনৈতিক দলগুলিকেও এই জোটে আনার ব্যাপারে উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। জোট সঙ্গীরা যে যেখানে শক্তিশালী, তারা নিজেদের প্রতীকে সেখানে লড়বে। এটা গ্রামের নির্বাচন। তাই আমরা চাই পাহাড়ে গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) প্রতিদ্বন্দ্বিতা করুক আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলোই। তার জন্য যা করার তা করা হবে। এই জোটের চূড়ান্ত রূপরেখা তৈরি করতে আমরা আবার রবিবার আলোচনায় বসবো।”

    কী বলছে জোট শরিকরা?

    অজয় এডওয়ার্ড বলেন, “পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্যই এই মহাজোট করা হচ্ছে। সবাই এক হয়ে না লড়লে তৃণমূলের সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে লড়াই করা যাবে না। সেটা আমরা জিটিএ নির্বাচনে বুঝেছি।” জিএনএলএফ বিধায়ক নিরজ জিম্বা বলেন, “এদিনের বৈঠক সন্তোষজনক হয়েছে। তবে, কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। কেননা বিমল গুরুঙ্গের গোর্খা জনমুক্তি মোর্চা এই জোটে আসার সম্মতি জানিয়েছে।” গোরানিমোর তরফে দাওয়া পাখরিন বলেন, “জোট নিয়ে এদিন দার্জিলিংয়ের সাংসদের সঙ্গে ভালো আলোচনা হয়েছে। এই জোট আরও শক্তিশালী হবে।” গোর্খা জনমুক্তি মোর্চার সাধারণ সম্পাদক রোশন গিরি বলেন, “পাহাড়ে পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) প্রধান ইস্যু হবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে লড়াই। তৃণমূলের সমর্থনে একটি দল পাহাড়ে অপশাসন করছে। দুর্নীতিতে ভরে গিয়েছে। এর থেকে পাহাড়কে মুক্ত করতে সবাইকে এক হয়ে লড়তে হবে।”

    চাপে পড়ে কী বলছে তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এদিকে তৃণমূল এখনও পর্যন্ত ঠিক করতে পারেনি, কত আসন লড়বে এবং প্রার্থী কারা হবে। নির্বাচন (Panchayat Election) ঘোষণার পরপরই এই মহাজোটের উদ্যোগে তৃণমূলের সব হিসেব ওলোটপালট হয়ে গিয়েছে। যদিও চিন্তিত তৃণমূল নেতৃত্ব মুখে একথা স্বীকার করছে না। তৃণমূলের রাজ্য নেতা ও শিলিগুড়ির মেয়র গৌতম দেব বলেন, “বিজেপি পাহাড়ে অশান্তি পাকানোর জন্য এসব করছে। পাহাড়ের মানুষ তাদের আর পছন্দ করছে না বুঝতে পেরেই মুখ রক্ষার জন্য কিছু নেতা জোট করতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। কিন্তু পাহাড়ের মানুষ জানেন, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই পাহাড়ের উন্নতি হয়েছে। তাই তাঁরা এই জোটকে প্রত্যাখ্যান করবেন।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election: বিজেপির মনোনয়নে হামলা, বোমাবাজি করে বাধা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Panchayat Election: বিজেপির মনোনয়নে হামলা, বোমাবাজি করে বাধা, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election) মনোনয়নপত্র জমা দিতে যাওয়ার সময় বিজেপি প্রার্থীদের উপর হামলা চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। শনিবার ঘটনাটি ঘটেছে বাঁকুড়া জেলার বিষ্ণুপুর ব্লকে। হামলার জেরে বিজেপি প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি বলে অভিযোগ। এই ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি কর্মীরা মিছিল করে মহকুমা শাসকের অফিসের সামনে ধর্নায় বসেন। অন্যদিকে, পাত্রসায়র ব্লকে বিজেপির মনোনয়নে বাধা দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বোমাবাজিও করা হয়েছে। এই ঘটনার প্রতিবাদে পাত্রসায়রের কাকরডাঙা মোড়ে বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁর নেতৃত্বে রাস্তা অবরোধ করা হয়।

    কী বললেন আক্রান্ত বিজেপি নেতা

    শনিবার পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election) মনোনয়ন জমা দেওয়ার দ্বিতীয় দিন ছিল। আক্রান্ত বিজেপি নেতা তপন মজুরি বলেন,  দলীয় প্রার্থীরা পার্টি অফিস থেকে গ্রাম পঞ্চায়েতের মনোনয়ন জমা দিতে বিডিও অফিসে যাওয়ার পথে প্রথমে প্রশাসনের পক্ষ থেকে আটকায়। বিডিও অফিসে দুজন করে মনোনয়ন জমা দিতে যাওয়ার কথা বলা হয়। বিজেপি প্রার্থীরা প্রশাসনের নির্দেশ মেনে মনোনয়ন জমা দিতে যাওয়ার সময় তৃণমূলের লোকজন এসে তাদের কাগজপত্র ছিঁড়ে দেয়। এরপরই তাঁদের বেধড়ক পেটায় বলে অভিযোগ। আমরা বাধা দিতে গেলে আমাদের উপর চড়াও হয়। মোবাইল কেড়ে নেওয়া হয়।  গাড়ি ভাঙচুর করা হয়। হামলার জেরে কয়েকজন প্রার্থী জখম হন। তৃণমূলীদের বাধায় দলীয় প্রার্থীরা মনোনয়ন জমা করতে পারেননি।

    কী বললেন বিজেপি নেতৃত্ব?

    বিজেপির বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক যুব মোর্চার সহ সভাপতি জয় দাঁ বলেন, বিডিও অফিসে যাওয়ার পথে তৃণমূল তাণ্ডব চালিয়েছে। আমাদের বেশ কয়েকজন কর্মী সমর্থক জখম হয়েছে। তৃণমূলের বাধায় আমরা মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারিনি। বিজেপি সাংসদ সৌমিত্র খাঁ বলেন, তৃণমূল আমাদের মনোনয় দিতে বাধা দিতে দিচ্ছে। পাত্রসায়রে পুলিশ প্রশাসন ঠুঁটো জগন্নাথ হয়ে বসে রয়েছে। এলাকায় সন্ত্রাস তৈরি করতে বোমাবাজিও করেছে তৃণমূল। সুষ্ঠুভাবে পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election) হলে মানুষ আমাদের পক্ষে রায় দেবে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    এই বিষয়ে জেলা তৃণমূলের যুব সভাপতি সুব্রত দত্ত বলেন,  ওদের কাছে কোনও কর্মী নেই। প্রার্থী খুঁজে পাচ্ছে না। তাই এসব নাটক করছে। পঞ্চায়েত ভোটের (Panchayat Election) আগে এসব মিথ্যা অভিযোগ করে ওরা খবরে থাকতে চাইছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে মনোনয়নে বাধা তৃণমূলের, রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে বিজেপি

    BJP: আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে মনোনয়নে বাধা তৃণমূলের, রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শুক্রবারই দক্ষিণ ২৪ পরগনার ডায়মন্ডহারবার-১ ব্লক অফিসে কোনও ব্যবস্থা না থাকার কারণে বিজেপি (BJP) সহ বিরোধী দলের বহু প্রার্থী মনোনয়ন জমা না দিয়ে ফিরে আসতে বাধ্য হন। বীরভূমের রামপুরহাট-২ ব্লকেও একই ঘটনা ঘটে। সেখানেও ব্লক অফিসের কর্মীদের প্রশিক্ষণ না থাকার কারণে মনোনয়ন জমা দিতে পারেনি বিজেপির শতাধিক প্রার্থী। শনিবারও মনোনয়ন জমা দেওয়ার দ্বিতীয় দিনে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ায় তৃণমূলীদের বাধায় মনোনয়ন জমা দিতে পারল না বিজেপি। প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ করে ক্ষোভে ফেটে পড়েন বিজেপি কর্মীরা।

    বিজেপি (BJP) প্রার্থীদের কী বক্তব্য?

    শনিবার কাটোয়া-১ ব্লকে এদিন বিজেপি (BJP) কর্মীরা মনোনয়ন জমা দিতে যান। বিডিও অফিসের মুখে তৃণমূল কর্মীরা জমায়েত করে দাঁড়িয়ে থাকে। বিজেপি প্রার্থীদের বক্তব্য, এদিন ২৩ জন মনোনয়ন জমা দেওয়ার জন্য যাচ্ছিলাম। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরা আগ্নেয়াস্ত্র নিয়ে আমাদের ঘিরে ধরে। মনোনয়ন করা যাবে না বলে হুমকি দেওয়া হয়। পুলিশ প্রশাসন বিডিও অফিসের ভিতরে থাকলেও কেউ আমাদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার ব্যবস্থা করেনি। ফলে, আমরা এদিন মনোনয়ন জমা দিতে যাওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করলেও তৃণমূলীদের বাধায় ফিরে আসতে বাধ্য হই। পরে, রাস্তা অবরোধ করে আমরা প্রতিবাদ জানাই।

     কী বললেন বিজেপি (BJP) নেত্রী?

    বিজেপি (BJP) নেত্রী সীমা ভট্টাচার্য বলেন, ২০১৮ সালে যে কায়দায় তৃণমূল ভোট করেছিল, এবারও সেই একই কায়দায় ওরা ভোট করতে চাইছে। আমাদের প্রার্থীদের আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে মনোনয়ন জমা করতে দেয়নি তৃণমূল। কোনও হিন্দু থাকবে না। এটার অর্থ কী? সংখ্যালঘুরা শুধু প্রার্থী দেবে। আমরা রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখিয়েছি। পুলিশ আমাদের নিরাপত্তা দিয়ে মনোনয়ন জমা দেওয়ার ব্যবস্থা না করা পর্যন্ত রাস্তা অবরোধ চলবে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল নেতা প্রসেনজিৎ দাস বলেন, বিজেপি (BJP) কর্মীদের বাধা দেওয়ার  ঘটনা কোথাও ঘটেনি। কাউকে বাধা দেওয়া হলে সেটা জেলাশাসক, মহকুমা শাসকের কাছে তাঁরা অভিযোগ জানাতে পারে। কিন্তু, সেটা করা হয়নি। আসলে সংবাদ মাধ্যমের কাছে অভযোগ করে তারা প্রচারের আলোয় আসতে চাইছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share