Tag: bjp

bjp

  • PM Modi: “সারা দেশ দেখেছে রক্তের খেলা”! বাংলায় পঞ্চায়েত ভোটে হিংসা নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ মোদির

    PM Modi: “সারা দেশ দেখেছে রক্তের খেলা”! বাংলায় পঞ্চায়েত ভোটে হিংসা নিয়ে তৃণমূলকে আক্রমণ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত রাজ সম্মেলনের মঞ্চ থেকে তৃণমূল কংগ্রেসকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। শনিবার এই সম্মেলনে মোদির মুখে প্রথম থেকে শেষ পর্যন্ত শোনা গেল বাংলার শাসকদলের কড়া সমালোচনা। বাংলার পঞ্চায়েত ভোটে গত ৮ জুলাই শুধু খুনোখুনি, ভোটলুট এবং বিরোধীদের উপর অত্যাচার হয়েছে বলে অভিযোগ করলেন মোদি।

    বাংলার বিজেপি কর্মীদের কুর্নিশ

    শনিবার বিজেপির ‘পশ্চিমবঙ্গ ক্ষেত্রীয় পঞ্চায়েতিরাজ’ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী। ভিডিয়ো কনফারেন্সিংয়ের মাধ্যমে এই অনুষ্ঠানে অংশ নেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘যে ভাবে পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির কার্যকর্তারা ভারতমাতার জন্য, পশ্চিমবঙ্গের উজ্জ্বল ভবিষ্যতের জন্য, পশ্চিমবঙ্গের ভাইবোনের জন্য সংঘর্ষ করছেন, তা এক প্রকার সাধনার সমান। নিজেদের তিল তিল করে নিংড়ে যে ভাবে পশ্চিমবঙ্গের পুরনো বৈভব ফেরানোর চেষ্টা করছেন, তা কুর্নিশযোগ্য।’’ ভার্চুয়াল মাধ্যমে এই সম্মেলনে যোগ দিয়ে রাজ্যের পঞ্চায়েত নির্বাচনে হিংসা (Poll Violence) নিয়ে সরব হলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তিনি বলেন, “বাংলার পঞ্চায়েত নির্বাচনে খুনের খেলা খেলেছে তৃণমূল কংগ্রেস।” পঞ্চায়েত ও জেলা পরিষদের কর্মীদের ক্ষমতা ও কাজের এক্তিয়ার বোঝাতে গিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি  বলেন, “জেলা পরিষদের অধ্যক্ষ রাজ্যের ক্য়াবিনেটের থেকেও বেশি ক্ষমতা রাখেন, অনেক কাজ করতে পারেন।”

    আরও পড়ুন: মধ্যপ্রদেশে মোদির বড় চমক, আজ সন্ত রবিদাসের ১০০ কোটির মন্দিরের শিলান্যাস

    ভোট প্রহসন তূণমূলের

    প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, বাংলার পঞ্চায়েত ভোটে বিজেপিকে বাড়ি বাড়ি প্রচার করতেও দেওয়া হয়নি। হুমকি দেওয়া হয়েছে। ভয় দেখানো হয়েছে পঞ্চায়েত স্তরের বিজেপি নেতা-কর্মীদের। ভয়ে কেউ কেউ বাড়ি থেকে বেরোতে পারেননি। তিনি বলেন, ‘‘শুধু যে বিজেপি কার্যকর্তাদের ধমকেছে এমন নয়, ভোটারদেরও ভয় দেখিয়েছে। বিজেপি কর্মীদের যে সমর্থক এবং তাঁদের আত্মীয় আছেন, তাঁদেরও বাঁচা মুশকিল করে দেওয়া হয়েছে। আর তার পর ভোটের সময় ছাপ্পা দেওয়া হয়েছে। তখন তোলাবাজদের ফৌজ ছাপ্পাবাজের ফৌজ হয়ে যায়। সব গুন্ডাদের ভাড়া করা হয়, কী ভাবে এবং কোন কোন বুথ কে দখল করবেন তা ঠিক করে ফেলা হয়। তার পর ভোটের মেশিন নিয়ে পালানো… এবং এখানেই শেষ নয়। ভোটগণনার সময়েও বিজেপির কার্যকর্তাদের তুলে নিয়ে যাওয়া, তাঁদের গণনাকেন্দ্রের কাছে থাকতে না দেওয়া— এত জুলুমের পরেও পশ্চিমবঙ্গের জনগণ বিজেপিকে আশীর্বাদ করেছেন।’’ 

    শনিবারই জি২০-র দুর্নীতি বিরোধী মন্ত্রিসভার বৈঠকে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কড়া বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘‘দুর্নীতি সম্পদের ব্যবহারকে প্রভাবিত করে। বাজারকে বিকৃত করে। পরিষেবা সরবরাহকে প্রভাবিত করে এবং শেষ পর্যন্ত মানুষের জীবনযাত্রার মানকে হ্রাস করে।’’

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: ভার্চুয়ালি থাকবেন মোদি-শাহ! আজ পূর্বাঞ্চলীয় পঞ্চায়েত রাজ সম্মেলনের উদ্বোধনে নাড্ডা 

    BJP: ভার্চুয়ালি থাকবেন মোদি-শাহ! আজ পূর্বাঞ্চলীয় পঞ্চায়েত রাজ সম্মেলনের উদ্বোধনে নাড্ডা 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির পূর্বাঞ্চলীয় পঞ্চায়েত রাজ সম্মেলনের উদ্বোধন। আজ, শনিবার থেকে দুদিন ব্যাপী এই শিবিরের শুরু। বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘‘শনিবার এই সম্মেলনে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।’’ ভার্চুয়ালি থাকতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহও। শনিবার সকাল দশটা নাগাদ নিউ টাউনের হোটেল থেকে সড়কপথে কোলাঘাটের উদ্দেশ্যে রওনা দেবেন জে পি নাড্ডা। বিজেপি সূত্রের খবর, দু’দিনের সম্মেলনে শেষ দিন রবিবার ভার্চুয়ালি সমাপ্তি ভাষণও দেবেন মোদি। চব্বিশের লোকসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে দলের সাংগঠনিক পরিকাঠামো খতিয়ে দেখতে শুক্রবার রাজ্যে এসেছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা।

    বিজেপির লক্ষ্য

    বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতায় শুক্রবার রাতে নেমেছেন জে পি নাড্ডা। শহরের এক পাঁচতারা হোটেলে রাত্রিবাস করেন তিনি। উনিশের লোকসভা নির্বাচনে বঙ্গবাসী বিজেপির ঝুলিতে দিয়েছিল অনেকগুলি সাংসদ। একুশের বিধানসভায়ও ভাল ফল করেছিল বিজেপি। ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে ৩৫ আসনের লক্ষ্যমাত্রা বেঁধে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। সেই লক্ষ্যে পৌঁছনোর রুটম্যাপ ঠিক করতেই নাড্ডার বঙ্গসফর, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    গ্রামীণ ভোট ব্যাঙ্কে নজর

    বিজেপি পরিচালিত বিভিন্ন জেলা পরিষদ ও স্বশাসিত পরিষদের ১৭০ জন প্রধানরা উপস্থিত থাকবেন দুদিনের বিজেপির এই সম্মেলনে। ২০২৪-এর লক্ষ্যে গ্রামীণ ভোট ব্যাঙ্কে নজর দিতেই এই শিবির বিজেপির। মূলত গোটা দেশের গ্রামাঞ্চলের দলীয় নেতৃত্বরা আসবেন বাংলায়। ২৪-এর ভোটের আগে গ্রামের মানুষকে কাছে টানতেই কেন্দ্রীয় প্রকল্পের সুফল নিয়ে কর্মশালায় আলোচনা হবে বলে বিজেপি সূত্রের খবর।

    আরও পড়ুন: মধ্যপ্রদেশে মোদির বড় চমক, আজ সন্ত রবিদাসের ১০০ কোটির মন্দিরের শিলান্যাস

    ‘গ্রাম যার বাংলা তার’- এই ধারণা থেকেই লোকসভা ভোটের আগে বঙ্গ বিজেপির ব্যবস্থাপনায় হতে চলেছে এই কর্মশালা। গেরুয়া শিবিরের নজর গ্রামীণ ভোট ব্যাঙ্ক। বিহার ঝাড়খণ্ড উড়িষ্যা সহ বিভিন্ন রাজ্যের প্রতিনিধিরা যোগ দেবেন এই সম্মেলনে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BJP: প্রকাশ্যে গুলিতে ঝাঁঝরা বিজেপি নেতা, আততায়ীদের খোঁজে জোরদার তল্লাশি উত্তরপ্রদেশে

    BJP: প্রকাশ্যে গুলিতে ঝাঁঝরা বিজেপি নেতা, আততায়ীদের খোঁজে জোরদার তল্লাশি উত্তরপ্রদেশে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রকাশ্যে গুলি করে খুন করা হল এক বিজেপি (BJP) নেতাকে। উত্তরপ্রদেশের সম্বলের ওই ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মোরদাবাদে বাড়ির সামনে হাঁটছিলেন অনুজ চৌধুরী নামে বছর চৌত্রিশের ওই যুবক। পিছন থেকে তিন দুষ্কৃতী তাঁকে গুলি করে চম্পট দেয়। বাড়ির বাইরে থাকা সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে শিউরে ওঠা সেই খুনের ছবি। আততায়ীদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

    শিউরে ওঠা খুনের দৃশ্য

    পুলিশ জানিয়েছে, এদিন সন্ধ্যায় বাড়ির বাইরে পরিচিত একজনের সঙ্গে গল্প করতে করতে হাঁটছিলেন ওই বিজেপি (BJP) নেতা। আচমকা বাইকে চড়ে আসা তিন দুষ্কৃতী তাঁকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছোড়ে। অনুজ মাটিতে লুটিয়ে পড়লে আততায়ীরা পালায়। ওই বিজেপি নেতাকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় এলাকারই এক বেসরকারি হাসপাতালে। চিকিৎসা চলাকালীন সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর।

    সন্দেহের তালিকায় 

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অনুজ খুনের ঘটনায় সন্দেহের তালিকায় রয়েছে অমিত চৌধুরী ও অনিকেত নামের দুই যুবক। তাদের খোঁজে তল্লাশি চালাচ্ছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই পুলিশ চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। ব্যক্তিগত শত্রুতার জেরেই এই খুন বলে অনুমান পুলিশের। পুলিশের তরফে জারি করা এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দু পক্ষের মধ্যে ব্যক্তিগত শত্রুতা ছিল বলে মনে করা হচ্ছে। চারজনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। অভিযুক্তদের গ্রেফতারের জন্য পাঁচটি দল গঠন করা হয়েছে। শীঘ্রই তাদের গ্রেফতার করে কঠোর আইনি পদক্ষেপ করা হবে।

    অনুজ খুনের ঘটনাটিকে পুলিশ ব্যক্তিগত শত্রুতা বলে দাবি করলেও, তাঁর পরিবারের দাবি, ঘটনাটি রাজনৈতিক (BJP) প্রতিদ্বন্দ্বিতার জের। তাঁদের দাবি, অনুজ সক্রিয়ভাবে রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। সম্প্রতি সম্বলের আসমলি ব্লকের প্রধান নির্বাচনে পদ্ম চিহ্নে প্রার্থীও হয়েছিলেন তিনি। যদিও হেরে যান। সেই কারণেই খুন বলে দাবি পরিবারের। বছর ঘুরলেই লোকসভা নির্বাচন। তার আগে অনুজ এলাকায় দলীয় সংগঠন মজবুত করার কাজ করছিলেন বলে দাবি স্থানীয়দের। সেই কারণেও তাঁকে খুন করা হতে পারে বলে অনুমান তাঁদের।

    আরও পড়ুুন: আজ আসছেন মোহন ভাগবত! ‘পঞ্চায়েত রাজ’ সম্মেলন সহ একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে রাজ্যে নাড্ডাও

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

     
     

     

      

     

  • BJP: আজ আসছেন মোহন ভাগবত! ‘পঞ্চায়েত রাজ’ সম্মেলন সহ একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে রাজ্যে নাড্ডাও

    BJP: আজ আসছেন মোহন ভাগবত! ‘পঞ্চায়েত রাজ’ সম্মেলন সহ একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে রাজ্যে নাড্ডাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজ শুক্রবার রাজ্যে আসছেন বিজেপি-র (BJP) সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা (JP Nadda in Kolkata)। তাঁর ৩ দিনের রাজ্য সফরে থাকছে একাধিক কর্মসূচি। পঞ্চায়েত ভোট শেষ হতেই শুরু হয়েছে লোকসভা ভোটের প্রস্তুতি। রাজ্যে আঁটঘাট বেঁধে নেমেছে বঙ্গ বিজেপি। সেই সূত্রেই বাংলায় আসছেন নাড্ডা। একই দিনে শহরে আসবেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত। শুক্রবার মোহন ভাগবতের সঙ্গেই রাজ্যে আসছেন সংগঠনের সরকার্যবাহ দত্তাত্রেয় হোসবোলে। শুক্র ও শনিবার কলকাতায় আরএসএস-এর পূর্বাঞ্চলীয় ক্ষেত্রের কার্যকারিনীর বৈঠকে যোগ দেবেন তাঁরা। 

    জেপি নাড্ডার একাধিক কর্মসূচি

    শুক্রবার (১১ অগাস্ট, ২০২৩) রাজ্যে আসবেন জেপি নাড্ডা। ১৩ অগাস্ট বিকেলে ফিরে যাবেন তিনি। বঙ্গ বিজেপি সূত্রে খবর, আজ রাত ৯টা নাগাদ কলকাতা বিমানবন্দরে নামার পর একটি বেসরকারি হোটেলে রাত্রিবাস করবেন। কাল ১২ অগাস্ট পৌঁছবেন হাওড়ার বাগনানে। সেখানে সোনার বাংলা হোটেলে ‘পঞ্চায়েত রাজ সম্মেলনে’ যোগ দেওয়ার পাশাপাশি বিজেপি-র কোর কমিটির বৈঠকে যোগ দিতে পারেন তিনি। ওই দিনই দুপুর নাগাদ সাহিত্যিক শরৎচন্দ্র চন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের বাড়ি, দেউলটি পৌঁছতে পারেন। এরপর ‘আমার মাটি-আমার দেশ’ ও ‘বীর বন্ধন, বসুধা বন্ধন’ অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন তিনি। এই অনুষ্ঠান শেষের পর পুনরায় ফেরত আসবেন কলকাতায়। পৌঁছতে পারেন সায়েন্স সিটিতে। সেখানে একপ্রস্থ বৈঠক সারার পাশাপাশি জয়ী বিজেপি-র পঞ্চায়েত সদস্যদের নিয়ে বৈঠক করবেন বিজেপি সভাপতি। এরপরের দিন অর্থাৎ ১৩ অগাস্ট জে পি নাড্ডা যেতে পারেন দক্ষিণশ্বর মন্দিরে। সেখানে পুজো দেওয়ার পর বিজেপি-র সল্টলেকের পার্টি অফিসে যাবেন। 

    আরও পড়ুন: নতুন রূপে আসছে এয়ার ইন্ডিয়া! নতুন লোগো ও রং প্রকাশ সংস্থার

    মোহন ভাগবতের কর্মসূচি

    এদিনই শহরে আসছেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। আরএসএস সূত্রে জানা গিয়েছে, শুক্র ও শনিবার কলকাতায় আরএসএস-এর সদর দফতর কেশব ভবনে পূর্বাঞ্চলীয় ক্ষেত্র কার্যকারিনী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। বৈঠকে হাজির থাকবেন পশ্চিমবঙ্গ, অসম ও বিহারের নেতারা। সেই বৈঠকে যোগদান করতেই কলকাতায় আসছেন আরএসএস-এর ২ শীর্ষ নেতা। সূত্রের খবর, পূর্বাঞ্চলীয় রাজ্যগুলিতে আরএসএস-এর কল্যাণমূলক প্রকল্পগুলির পর্যালোচনা ও নতুন প্রকল্প চালুর ব্যাপারে আলোচনা হবে বৈঠকে। তবে, লোকসভা ভোটের আগে মোহন ভাগবত ও জেপি নাড্ডার সফর তাৎপর্যপূণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।  

  • PM Modi: “২০২৮ সালে ফের অনাস্থা আনার চেষ্টা করুন”, সংসদে বিরোধীদের বললেন প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “২০২৮ সালে ফের অনাস্থা আনার চেষ্টা করুন”, সংসদে বিরোধীদের বললেন প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে ২০২৪ সালে প্রত্যাবর্তন করবে বিজেপি (BJP)।” বৃহস্পতিবার অনাস্থা-বিতর্কের জবাবি ভাষণে অংশ নিয়ে একথা বলেন প্রত্যয়ী প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। বিরোধীদের আনা অনাস্থা প্রস্তাব বিজেপি এবং এনডিএর জন্য শুভ বলেও মনে করেন তিনি।

    “বিরোধীদের অনাস্থা আমাদের জন্য শুভ”

    প্রধানমন্ত্রী বলেন, “ঈশ্বরের ইচ্ছা এবং আশীর্বাদে অনাস্থা প্রস্তাব এনেছেন বিরোধীরা। ২০১৮ সালেও আমি তা-ই বলেছিলাম। আসলে অনাস্থা প্রস্তাব বিরোধীদেরই পরীক্ষা হয়ে দাঁড়ায়। ২০১৮ সালের শেষেও দেখা গেল ভোটাভুটিতে নিজেদের হাতে থাকা সব ভোট বিরোধীরা পাননি। জনতাও ২০১৯-এ বিরোধীদের ওপর অনাস্থা ঘোষণা করে দিয়েছিলেন। বিজেপি, এনডিএ আগের তুলনায় বেশি আসন পেয়েছিল। অর্থাৎ বিরোধীদের অনাস্থা আমাদের জন্য শুভ হয়। আমি (PM Modi) দেখছি এনডিএ এবং বিজেপি পুরনো সব রেকর্ড ভেঙে ২০২৪-এ জনতার আশীর্বাদ নিয়ে ফেরত আসবে।”

    “বিজেপিকে জিতিয়ে আনার সিদ্ধান্ত”

    তিনি বলেন, “আপনারা (বিরোধীরা) সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এনডিএ এবং বিজেপিকে রেকর্ড ভোটে জিতিয়ে আনবেন।” তিনি বলেন, “এর পর ২০২৮ সালে বিরোধীরা যখন অনাস্থা প্রস্তাব আনবেন, তখন বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির দেশের তালিকার তিন নম্বরে থাকবে ভারত।” প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “আমরা যখন বলি, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে ভারত বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকার তিন নম্বরে থাকবে, তখন দায়িত্বশীল বিরোধীদের উচিত ছিল কীভাবে তা সম্ভব, সে প্রশ্ন করা। এটাও কী আমাকে শিখিয়ে দিতে হবে?”

    বিজেপি বিরোধী ২৬টি দলের জোট ‘ইন্ডিয়া’কে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “বিরোধীদের সমস্যা হল তাঁদের বাঁচিয়ে রাখতে এনডিএর সমর্থন প্রয়োজন। কিন্তু ‘আমিত্বে’র ঔদ্ধত্য তাঁদের ছেড়ে যায় না। সেই কারণে ঔদ্ধত্যের প্রতীক হিসেবে তাঁরা এনডিএতে দু’-দুটো ‘আই’ যোগ করেছেন। প্রথম ‘আই’ ২৬ দলের ঔদ্ধত্য, আর দ্বিতীয় ‘আই’ একটি পরিবারের ঔদ্ধত্য। তাঁরা এনডিএকেও চুরি করেছেন। তাঁরা ‘এনডিএ’কে ভেঙে ‘আইএনডিআইএ’ করেছেন।”

    আরও পড়ুুন: “গুড় দিয়ে কীভাবে গোবর বানাতে হয়…”, অনাস্থা বিতর্কে অধীরকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “এই ঔদ্ধত্যের কারণেই তাঁরা বাস্তবটাকে দেখতে পাচ্ছেন না। ১৯৬২ সালে তাঁরা জিতেছিলেন তামিলনাড়ুতে। তারপর থেকে তামিলনাড়ুর বাসিন্দারা বলছেন, ‘নো কংগ্রেস’।” পশ্চিমবঙ্গে তাঁরা জিতেছিলেন ১৯৭২ সালে। তার থেকে পশ্চিমবঙ্গবাসী বলছেন, ‘নো কংগ্রেস’। ১৯৮৫ সালে তাঁরা জিতেছিলেন উত্তরপ্রদেশ, বিহার এবং গুজরাটে। তার পর থেকে এই তিন রাজ্যের বাসিন্দারাও বলছেন, ‘নো কংগ্রেস’।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।    

     

  • PM Modi: “গুড় দিয়ে কীভাবে গোবর বানাতে হয়…”, অনাস্থা বিতর্কে অধীরকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: “গুড় দিয়ে কীভাবে গোবর বানাতে হয়…”, অনাস্থা বিতর্কে অধীরকে নিশানা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “গুড় দিয়ে কীভাবে গোবর বানাতে হয়, তাতে ওঁর দাপট রয়েছে।” বৃহস্পতিবার সংসদে কথাগুলি বললেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। তাঁর এই খোঁচার অভিমুখ পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি অধীররঞ্জন চৌধুরীর দিকে। এদিন ছিল অনাস্থা বিতর্কের শেষ দিন। সংসদে এই বিতর্কে অংশ নেন অধীর। অগ্নিবাণ তাক করেন বিজেপির দিকে। অন্য দু’দিন সংসদে নিজের চেম্বারে বসে অনাস্থা বিতর্ক শুনলেও, এদিন অধীরের ভাষণ শুরু হতেই সংসদে চলে আসেন প্রধানমন্ত্রী। মন দিয়ে শোনেন অধীরের বক্তৃতা।

    ছক্কা হাঁকালেন প্রধানমন্ত্রী

    এদিন যে প্রধানমন্ত্রী জবাবি ভাষণ দেবেন, তা ঠিকই ছিল। সেই মতো বলতে ওঠেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরেই হাঁকান ছক্কা। শান্ত এবং রসিকতার সুরে অধীরকে লক্ষ্য করে একের পর এক গোলা ছুড়তে শুরু করেন প্রধানমন্ত্রী (PM Modi)। বলেন, “২০০৩ সালে অটলবিহারী বাজপেয়ীর সরকারের প্রতি অনাস্থা প্রস্তাব এনেছিল কংগ্রেস। সেবার বলেছিলেন বিরোধী দলনেত্রী সোনিয়া গান্ধী। আর এবার সব থেকে বড় বিরোধী দলের লোকসভার নেতা অধীররঞ্জন চৌধুরীর নাম বলার সূচিতেই ছিল না। কেন অধীরবাবুকে কোণঠাসা করা হল? মনে হয় কলকাতা থেকে কোনও ফোন এসেছিল। আমি অধীরবাবুর প্রতি পূর্ণ সমবেদনা জানাচ্ছি। এটা অমিত শাহের উদারতা যে তিনি অধীরবাবুকে সময় দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন।” প্রধানমন্ত্রী বলেন, “কংগ্রেস ওঁকে বারবার অপমান করে। অধীরবাবুকে কেন ঠিক মতো কথা বলতে দেওয়া হচ্ছে না?”

    ‘ঈশ্বরের আশীর্বাদ’

    প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) বলেন, “দেশের মানুষ বারবার আমাদের সরকারের প্রতি আস্থা প্রকাশ করছে। এজন্য দেশবাসীকে ধন্যবাদ। ঈশ্বর অত্যন্ত দয়ালু এবং তিনি কোনও না কোনও উপায়ে তাঁর ইচ্ছে পূরণ করেন। আমি এটাকে ঈশ্বরের আশীর্বাদ বলে মনে করি যে ঈশ্বর বিরোধীদের পরামর্শ দিয়েছেন এবং তাঁরা প্রস্তাব নিয়ে এসেছেন। ২০১৮ সালে অনাস্থা প্রস্তাবের সময় আমি বলেছিলাম যে এটি আমাদের জন্য ফ্লোর টেস্ট নয়, এটি তাদের জন্য একটি ফ্লোর টেস্ট এবং ফলস্বরূপ তারা নির্বাচনে হেরেছে। একভাবে বিরোধীদের অবিশ্বাস আমাদের জন্য ভাল। আজ আমি দেখছি যে আপনারা (বিরোধীরা) সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে জনগণের আশীর্বাদে ২০২৪ সালের নির্বাচনে এনডিএ এবং বিজেপি আগের সমস্ত রেকর্ড ভেঙে একটি দুর্দান্ত জয় নিয়ে ফিরে আসবে।”

    আরও পড়ুুন: বোর্ড হাতছাড়া হচ্ছে দেখে এবার বিজেপির জয়ী প্রার্থীর শংসাপত্র ছিঁড়ে টপাটপ মুখে!

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     
     
  • BJP: তৃণমূলকে হটাতে বিরোধীরা এককাট্টা, সিপিএমের সমর্থনে মহিষাদলে বোর্ড গঠন বিজেপির

    BJP: তৃণমূলকে হটাতে বিরোধীরা এককাট্টা, সিপিএমের সমর্থনে মহিষাদলে বোর্ড গঠন বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রে বিজেপিকে হারাতে তৃণমূল, বাম, কংগ্রেস সহ এককাট্টা হয়েছে বিরোধীরা। সেই মতো বিরোধীদের প্রস্তুতি চলছে জোরকদমে। আর গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূলকে হারাতে মরিয়া বামেরা। সিপিএমের সমর্থনে বোর্ড গঠন করল বিজেপি (BJP)। পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলের অমৃতবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ঘটনা।

    কীভাবে বিজেপি (BJP) বোর্ড গঠন করল?

    অমৃতবেড়িয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে মোট আসন ১৮টি। বিজেপি ও তৃণমূল ৮ টি করে আসন পেয়েছে। আর সিপিএমের দখলে রয়েছে দুটি আসন। বোর্ড গঠনের সময় সিপিএমের নির্বাচিত গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য বুলুপ্রসাদ জানা বিজেপিকে সমর্থন করেন। সিপিএমের সমর্থনে ভোটে এক আসনে জিতে বিজেপি এই পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করে। বিজেপি বোর্ডের প্রধান হন শুভ্রা পন্ডা এবং উপপ্রধান হন পরেশ পানিগ্রাহি। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    কী বললেন বিজেপিকে সমর্থনকারী সিপিএমের জয়ী সদস্য?

    সিপিএমের জয়ী সদস্য বুলুপ্রসাদ জানা বলেন, স্থানীয় নেতৃত্বের নির্দেশ মেনেই আমি বিজেপিকে সমর্থন করেছি। তৃণমূলকে হারাতেই এই সমর্থন। নতুন বোর্ডের হাত ধরেই এলাকায় অনেক উন্নয়ন হবে বলে আমার বিশ্বাস। আমরা একসঙ্গে থেকে উন্নয়নমূলক কাজ করব।

    কী বললেন বিজেপির প্রধান?

    বিজেপির (BJP) প্রধান শুভ্রা পন্ডার বক্তব্য, তৃণমূল কতটা দুর্নীতিগ্রস্ত দল তা রাজ্যবাসী জানেন। এই এলাকার মানুষ জানেন, তৃণমূল ফের ক্ষমতায় আসলে কাটমানি, তোলাবাজি শুরু হয়ে যাবে। এলাকায় আর উন্নয়ন হবে না। তাই, সিপিএম নেতৃত্ব মনে করেছেন এলাকার উন্নয়নের স্বার্থে বিজেপিকেই প্রয়োজন। আর পঞ্চায়েতে দুর্নীতি রুখতে সিপিএমের সমর্থনে বোর্ড গঠন করা হয়েছে। আগামীদিনে এই পঞ্চায়েতের হাত ধরে এলাকায় সার্বিক উন্নয়ন করা হবে।

    কী বললেন তৃণমূল নেতৃত্ব?

    তৃণমূল নেতা সৌমেন মহাপাত্র বলেন, উঁচুতলার নেতাদের কথা মানছে না নিচুতলার কর্মীরা। তার জন্য এই ঘটনা ঘটছে। আসলে তৃণমূলকে রুখতে বিজেপি মরিয়া হয়ে উঠেছে। তাই, বামেদের সমর্থন নিয়ে বিজেপি (BJP) বোর্ড গঠন করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Rahul Gandhi: মহিলা সাংসদদের উদ্দেশে ‘ফ্লাইং কিস’ ছুড়েছেন রাহুল! বিজেপির অভিযোগে সরগরম লোকসভা

    Rahul Gandhi: মহিলা সাংসদদের উদ্দেশে ‘ফ্লাইং কিস’ ছুড়েছেন রাহুল! বিজেপির অভিযোগে সরগরম লোকসভা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিতর্ক পিছু ছাড়ছে না কংগ্রেস (Congress) নেতা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi)! সাড়ে চার মাস পরে মঙ্গলবারই ফিরেছেন সংসদে। বুধবার দলের তরফে আনা অনাস্থা প্রস্তাবের পক্ষে বিতর্কে অংশও নিয়েছেন। এর মধ্যেই নয়া অভিযোগ উঠেছে রাহুলের বিরুদ্ধে। বিজেপির অভিযোগ, এদিন মহিলা সাংসদদের উদ্দেশে ফ্লাইং কিস ছুড়েছেন রাহুল। রাহুলের এহেন আচরণ ‘নারীবিদ্বেষী মনোভাবের পরিচয়’ বলে দাবি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানির।

    ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ 

    এদিন বিজেপির তরফে একটি ভিডিও ফুটেজ প্রকাশ করেন পদ্ম শিবিরের তথ্যপ্রযুক্তি সেলের প্রধান অমিত মালব্য। ছ সেকেন্ডের ওই ভিডিওয় রাহুলকে (Rahul Gandhi) ফ্লাইং কিস ছুড়তে দেখা গিয়েছে (ভিডিওর সত্যতা যাচাই করেনি মাধ্যম)। ভিডিওয় রাহুলকে লাল দাগ দিয়ে চিহ্নিত করে দেখানো হয়েছে।

    মালব্য লিখেছেন, সংসদে নোংরামি করছেন রাহুল গান্ধী। লজ্জাজনক। সংসদ সূত্রে খবর, এদিন অনাস্থা বিতর্কে বক্তৃতা শেষ করে বেরনোর সময় কিছু কাগজপত্র পড়ে যায় রাহুলের হাত থেকে। তা দেখে হাসাহাসি করেন সরকার পক্ষের সাংসদরা। অভিযোগ, এই সময়ই কাগজগুলো কুড়িয়ে নিয়ে সরকার পক্ষের সাংসদদের বেঞ্চের দিকে তাকিয়ে হেসে ফ্লাইং কিস ছুড়ে দেন রাহুল।

    স্পিকারের কাছে অভিযোগ

    এর পরেই বাঁধে গোল। সংসদের ২০ জন মহিলা সদস্যের স্বাক্ষর সম্বলিত একটি অভিযোগপত্র পেশ করা হয় স্পিকার ওম বিড়লার কাছে। তাঁর সঙ্গে দেখাও করেন স্মৃতি ইরানি সহ বিজেপির মহিলা সাংসদরা। রাহুলের (Rahul Gandhi) বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান স্মতি।

    বিজেপির অভিযোগ, সংসদে বক্তব্য রাখার সময় মহিলা সাংসদদের প্রতি অনুপযুক্ত অঙ্গভঙ্গি করেছেন রাহুল। যা সংসদের মর্যাদাহানির সমান।

    প্রসঙ্গত, এই প্রথম নয়, রাহুলের বিরুদ্ধে অশালীন আচরণের অভিযোগ উঠেছে আগেও। কখনও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আসনের সামনে গিয়ে তাঁকে জড়িয়ে ধরেছেন। কখনও আবার নিজের আসনে বসে চোখ টিপেছেন কাউকে। উনিশের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে গিয়ে এক জনসভায় মোদি পদবি নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে বসেন রাহুল (Rahul Gandhi)।

    তার জেরে দু বছরের কারাদণ্ড হয় কংগ্রেস নেতার। খোয়া গিয়েছিল সাংসদ পদ, বাংলো। পরে সাজায় সুপ্রিম কোর্ট স্থগিতাদেশ দেওয়ায় সাংসদ পদ ফিরে পেয়েছেন রাহুল। তারপর এদিন ফের জড়ালেন বিতর্কে।

    আরও পড়ুুন: “প্রাক্তন না করতে পারলে আমরা ক্ষুদিরামের দেশের লোক নই”, শুভেন্দুর তোপ মমতাকে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • South 24 Parganas: মগরাহাটে সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূলের বোর্ডে পঞ্চায়েত প্রধান হল বিজেপির, কী করে?

    South 24 Parganas: মগরাহাটে সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূলের বোর্ডে পঞ্চায়েত প্রধান হল বিজেপির, কী করে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একেই বলে বোধ হয় ভাগ্য। বিজেপির ঝুলিতে আসন সংখ্যা মাত্র পাঁচটি। সংখ্যাগরিষ্ঠ তৃণমূল। তাতে কী হয়েছে, নাম মাত্র আসন নিয়ে পঞ্চায়েতে প্রধান হল বিজেপি (BJP)। আর সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েও তৃণমূলকে কিছুটা বাধ্য হয়ে তা হজম করতে হল। এমনই ঘটনা ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিম বিধানসভার শেরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে। আর এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে শোরগোল পড়ে গিয়েছে।

    কী করে পঞ্চায়েত প্রধান হল বিজেপির? (South 24 Parganas)

    পঞ্চায়েতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়েও বোর্ড গঠনে বিজেপির (BJP) জয়ী প্রার্থীকে পঞ্চায়েত প্রধান করল তৃণমূল কংগ্রেস। জানা গিয়েছে, শেরপুর গ্রাম পঞ্চায়েত (South 24 Parganas) প্রধান পদের আসনটি এসসি সংরক্ষিত। পঞ্চায়েতে মোট ২১টি আসন রয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস ১৩টি আসনে জয়লাভ করেছে। বিজেপি পেয়েছে ৫টি, সিপিএম-১টি, কংগ্রেস-১টি এবং নির্দল-১টি আসনে জয়লাভ করেছে। তৃণমূল সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও প্রধান হলেন বিজেপির জয়ী সদস্য। কারণ, হিসেবে জানা গিয়েছে, প্রধান পদের আসনটি এসসি সংরক্ষিত। শেরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতে একটিমাত্র আসন এসসি সংরক্ষিত রয়েছে। সেই আসনে তৃণমূল কংগ্রেসের পদ্মা মিস্ত্রির সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন বিজেপির সুপ্রিয়া মণ্ডল। জয়লাভ করে বিজেপি প্রার্থী সুপ্রিয়া মণ্ডল। ফলে, তৃণমূল কংগ্রেস সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলেও প্রধান পদের আসনটি এসসি সংরক্ষিত থাকায় তা বিজেপি প্রার্থীকে প্রধান নির্বাচিত করতে হয়েছে বলা জানা যায়।

    প্রধান নির্বাচিত হয়ে কী বললেন বিজেপির (BJP) জয়ী সদস্য?

    এই বিষয় নিয়ে বিজেপির (BJP) জয়ী সদস্য তথা পঞ্চায়েত প্রধান সুপ্রিয়া মণ্ডল বলেন, নিয়ম মেনেই এই পঞ্চায়েতে আমি প্রধান নির্বাচিত হয়েছি। আগামী দিনে দুর্নীতিমুক্ত পঞ্চায়েত গড়তে আমি লড়াই চালিয়ে যাব। বিরোধীদের সঙ্গে নিয়েই একসাথে মানুষের পাশে থেকে আমরা কাজ করব। এলাকার উন্নয়ন করাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

    কী বললেন তৃণমূল নেতত্ব?

    মগরাহাট পশ্চিম যুব তৃণমূলের সভাপতি ইমরান হাসান বলেন, পঞ্চায়েতে বোর্ড গঠন করেছে তৃণমূল। কিন্তু, প্রধান পদটি সংরক্ষিত থাকায় বিজেপির (BJP) জয়ী সদস্যকে প্রধান করা হয়েছে। তিনি আমাদের উন্নয়নে সামিল হয়ে মানুষের জন্যই কাজ করবেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Amit Shah: “বাংলা, কাশ্মীর ভারতের মধ্যে আছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্য”, রাজ্যসভায় শাহ

    Amit Shah: “বাংলা, কাশ্মীর ভারতের মধ্যে আছে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্য”, রাজ্যসভায় শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “আজ যদি বাংলা ভারতের মধ্যে থাকে, তো শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্য আছে।” রাজ্যসভায় মঙ্গলবার কথাগুলি বললেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। দিন কয়েক আগেই লোকসভায় ধ্বনি ভোটে পাশ হয়েছে দিল্লি অর্ডিন্যান্স বিল। এদিন সেই বিলটিই রাজ্যসভায় পেশ করেন শাহ। এর পরেই তীব্র হট্টগোল শুরু করেন বিজেপি বিরোধী বিভিন্ন দলের সাংসদরা।

    বিরোধীদের শাহি তোপ

    এই সময় বিরোধীদের উদ্দেশে আক্রমণ শানান শাহ। বলেন, “আমাদের বিল নিয়ে এত প্রশ্ন হচ্ছে। আমাকে একবার বলুন তো যে, কোন সিদ্ধান্তের ওপর জোট করেছে তৃণমূল কংগ্রেস ও বামেরা। গোটা জীবন তৃণমূল কংগ্রেস কমিউনিস্ট পার্টির বিরোধিতা করেছে। তাদের জন্মই হয়েছে কমিউনিস্টদের বিরোধিতা করে। তৃণমূল কংগ্রেস থেকে আলাদা হয়ে গিয়েছিল কারণ, নরসিমা রাওয়ের সরকার কমিউনিস্টদের সঙ্গে হাত মিলিয়েছিল। আর আজ সেই তৃণমূল ওদের হাত ধরছে। ওদের লক্ষ্য সরকার দখল করা। সেটা হবে না। মোদি ক্ষমতায় আসবে। কংগ্রেস ও কমিউনিস্ট পার্টি একে অপরের বিরোধিতা করে, আর এখানে ইলু ইলু করছে।”

    ‘ফের প্রধানমন্ত্রী মোদিই’

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Amit Shah) বলেন, “কংগ্রেস ও বাকি দলগুলো জানে যে, ওদের একার দ্বারা কিছু হবে না। তবে ওরা তো জানে যে, এক হলে কিছু লোক দেখানো কাজ তো করা যাবে। কিন্তু আমি বলতে চাই, ২৪ মে ফের নরেন্দ্র মোদিই প্রধানমন্ত্রী হবেন।” শাহ বলেন, “কমিউনিস্ট দলের দুই সদস্য অভিযোগ করেছেন, আমাদের দলের কারও স্বাধীনতা সংগ্রামে কোনও ভূমিকা নেই। কিন্তু আমি তাঁদের প্রশ্ন করতে চাই, যে দলের জন্মই হয়েছিল ১৯৫০ সালে, তারা কীভাবে স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশ নেবে? কিন্তু আমাদের এমন অনেক প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন, যাঁদের অবদান অনেক। শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের কথা বলা যেতে পারে। আজ যদি বাংলা ভারতের মধ্যে থাকে, তো শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্য আছে। কাশ্মীর যদি ভারতের মধ্যে থাকে, তাহলে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের জন্য আছে।”

    আরও পড়ুুন: বিজেপির দু’দিনের পূর্বাঞ্চলীয় পঞ্চায়েত কর্মশালা হবে বাংলায়, কে কে থাকছেন জানেন?

    বিজেপি নাগপুরের নির্দেশে চলে বলে মাঝেমধ্যেই কটাক্ষ করে কংগ্রেস। এদিন সে প্রসঙ্গ টেনে শাহ (Amit Shah) বলেন, “বিজেপি নাগপুরের নির্দেশে চলছে এটা যদি মেনেও নেওয়া হয়, তাহলেও বলতে হয়, বিজেপি আর যাই হোক বিরোধীদের মতো রাশিয়া ও চিনের ইশারায় চলছে না। আর কমিউনিস্টদের মুখে তো দেশভক্তির কথা মানায়ই না।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share