Tag: bjp

bjp

  • North 24 Parganas: মধ্যরাতে বিজেপির বুথ সভাপতির বাড়িতে বোমাবাজি, অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    North 24 Parganas: মধ্যরাতে বিজেপির বুথ সভাপতির বাড়িতে বোমাবাজি, অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি বুথ সভাপতির বাড়ি লক্ষ্য করে বোমা মারার অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। ঘটনাস্থলে গেলেন বনগাঁ (North 24 Parganas) উত্তরের বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়া। এই রাজ্যে বিরোধীরা কতটা সুরক্ষিত? তাই নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন বিজেপি বিধায়ক।

    কোথায় ঘটেছে? (North 24 Parganas)

    উত্তর ২৪ পরগনার (North 24 Parganas) বনগাঁ ব্লকের ধর্মপুকুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের সভাইপুর গ্রামের ৬৮ নম্বর বুথের সভাপতি দিলীপ মজুমদারের বাড়ি লক্ষ্য করে গতকাল গভীর রাতে বোমা মারার অভিযোগ উঠেছে। বুথ সভাপতি দিলীপ মজুমদারের বাড়িতে গতকাল রাতে হঠাৎ করে বিকট আওয়াজে ঘুম ভাঙ্গে তাঁদের পরিবারের, এরপর বাইরে বেরিয়ে ধোঁয়া দেখতে পান। এরপরে লক্ষ করেন যে বাড়ির পিছনের দিকে বোমের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তাঁর অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই বোম মেরেছে। পরবর্তীতে ঘটনাস্থলে আসে বনগাঁ থানার পুলিশ।

    বিজেপি বিধায়কের বক্তব্য

    এই বিষয়ে বনগাঁ উত্তরের (North 24 Parganas) বিজেপি বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়া বলেন, তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এই ঘটনা ঘটিয়েছে। এই সব অন্যায়ের বিরুদ্ধে গণতান্ত্রিক ভাবে মোকাবেলা করা হবে বলে জানান তিনি। রাত্রি সাড়ে ১২ টার সময় এই বোমাবাজি হয়েছে বলে জানান তিনি। তারপর সঙ্গে সঙ্গে পুলিশকে খবর দিলে ঘটনার ২ ঘণ্টা পর ঘটনাস্থলে পৌঁছায় পুলিশ বলে জানান অশোকবাবু। বিধায়ক বলেন, এই রাজ্যে বিরোধীরা কতটা সুরক্ষিত? মুখ্যমন্ত্রী একজন রক্ত পিপাসু মহিলা, তিনি রাজ্যের নির্বাচন কমিশনার হিসাবে একজন মাতালকে বসিয়েছেন। রাজ্য জুড়ে বিরোধীদের রক্ত নিয়ে খেলায় মেতেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধায়ক আরও বলেন যে কোনও প্রাণহানি ঘটলে তার দায়িত্ব নিতে হবে কমিশন এবং রাজ্যের শাসক দলকেই। এই এলাকায় বিজেপির মনোনয়নের ফলে তৃণমূল ভয় পেয়েছে আর তাই আমাদের বুথ সভাপতিদের বাড়িতে গিয়ে বোমাবাজি করে হুমকি দেওয়া হচ্ছে। এই ধর্মপুকুরিয়া গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপি বিপুল ভোটে জয়ী হবে বলে মত প্রকাশ করেন বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়া।

    কতটা সুরক্ষিত নির্বাচন?

    রাজ্যজুড়ে নির্বাচনে শাসক দলের দুষ্কৃতীদের দ্বারা বারবার আক্রান্ত হচ্ছেন বলে বিরোধীরা বারবার অভিযোগ করছেন। ব্যারাকপুরে মনোনয়নের পর থেকে কোলের সন্তান নিয়ে ঘরছাড়া হয়েছেন বিজেপির মহিলা প্রার্থীরা। মেদিনীপুরের দাসপুরে বিরোধী প্রার্থীর বাড়িতে পাঠানো হয়েছে সাদা থান। হুমকি দেওয়া হয়েছে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়াতে। এবার অভিযোগ উঠেছে উত্তর ২৪ পরগণার (North 24 Parganas) বনগাঁয় বোমাবাজির। বিজেপি কোনও প্রার্থী, কর্মী, নেতা কেউ নির্বাচনকে ঘিরে সুরক্ষিত নয় বলে দাবি করেন বিজেপি জেলা নেতৃত্ব। ৮ই জুলাই, একদফা পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন, রাজ্যের নির্বাচন কমিশন কতটা শান্তিপূর্ণ এবং অবাধ নির্বাচন করাতে পারে, সেটাই এখন দেখার।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘না আছে লাজ, না আছে লজ্জা’’! কমিশন, রাজ্যকে তুলোধনা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘না আছে লাজ, না আছে লজ্জা’’! কমিশন, রাজ্যকে তুলোধনা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় বাহিনী ইস্যু হোক বা কমিশনের ভূমিকা, সবকিছু নিয়েই আদালত অসন্তুষ্ট, কলকাতা হাইকোর্টের এই রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। সেই প্রসঙ্গে শুভেন্দু অধিকারী বললেন, ‘রাজ্য নির্বাচন কমিশনার নির্লজ্জ। রাজ্য সরকারও তাই। কলকাতা হাইকোর্ট এবং দেশের সর্বোচ্চ আদালত যেভাবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও রক্তপাত বন্ধ করতে যেভাবে এগিয়ে এসেছে তা এক কথায় প্রশংসনীয়’।

    শুভেন্দুর দাবি

    নন্দীগ্রামে পঞ্চায়েত ভোটকে (Panchayat Election 2023) সামনে রেখে পদযাত্রায় অংশ নিয়ে রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তৃণমূলকে নিশানা করে শুভেন্দু বলছেন, পঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়ন পত্র দাখিলের সময় শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও মনোনয়ন পেশ করছে তৃণমূল। আর এতে রাজ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব সিনহা এবং অন্যান্য বিডিও-রা যুক্ত। এদের “না আছে লাজ আর না আছে লজ্জা”। কমিশন ও সরকারের এই ভূমিকায় তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে তাদেরকে শীঘ্রই সিবিআই তদন্তের আওতায় আনা উচিত বলেও দাবি জানাচ্ছেন তিনি। সামান্য লজ্জা থাকলেও তার চেয়ার থেকে সরে যাওয়া উচিত বলেও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ করেছেন শুভেন্দু।

    আরও পড়ুন: পঞ্চায়েত নির্বাচনে সিবিআই তদন্তের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে রাজ্য

    সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনীর আশা

    শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) কার্যত হুঁশিয়ারির সুরে বলেন, “বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রামের ৫৩ টা বুথে আমাকে প্রচার করতে দেওয়া হয়নি। এবার সব বুথে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকবে। খেলা এবার আমি দেখাব।” কলকাতা হাইকোর্টের তরফে পঞ্চায়েত ভোটে নথি বিকৃত করার অভিযোগে সিবিআই তদন্তের নির্দেশকেও স্বাগত জানান শুভেন্দু। তাঁর কথায়,”মনোনয়ন পর্বে পুলিশ প্রশাসনের একাংশকে সাথে নিয়ে ব্যাপক কারচুপি করেছে কমিশন।”  প্রসঙ্গত, ২০১৩ সালের থেকেও বেশি কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে এবারের পঞ্চায়েত নির্বাচন করাতে হবে৷ রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে বুধবার এমনই নির্দেশ দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট৷ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: জেলা পিছু এক কোম্পানি! ‘নামকাওয়াস্তে’ কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইল কমিশন

    Panchayat Election 2023: জেলা পিছু এক কোম্পানি! ‘নামকাওয়াস্তে’ কেন্দ্রীয় বাহিনী চাইল কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্য নির্বাচন কমিশন জেলা প্রতি মাত্র এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চাওয়ার পর কটাক্ষ বিরোধীদের। মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্টে ধাক্কা খাওয়ার পর রাজ্য নির্বাচন কমিশন প্রতি জেলায় মাত্র এক কোম্পানি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়েছে। এর ফলে ফের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হতে চলেছে বিরোধীরা। পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে হাইকোর্টের রায় বহাল রেখেছে সুপ্রিম কোর্ট। শীর্ষ আদালতও জানায়, সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করে রাজ্যে ভোট করতে হবে। তারপরেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে ২২ জেলার জন্য ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে পাঠিয়েছে নির্বাচন কমিশন। আর সেখানেই আপত্তি বিরোধীদের।

    ২২ জেলায় মাত্র ২২০০ জওয়ান

    এক কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীতে সাধারণত ১০০ থেকে ১০৫ জন সদস্য থাকেন। তবে পরিস্থিতি অনুযায়ী কাজে লাগানো হয় কম-বেশি ৮০ জনকে। ধরে নেওয়া যাক, ১০০ জন জওয়ান থাকবেন প্রত্যেক কোম্পানিতে। সেক্ষেত্রে রাজ্যের ২২ জেলায় মাত্র ২২০০ জওয়ান নিযুক্ত হবেন। এদিকে, রাজ্যে পঞ্চায়েত ভোট (Panchayat Election 2023) হতে চলেছে মোট ৬১ হাজার বুথে। এরকম হলে মাত্র একজন কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানের দায়িত্বে থাকতে পারে ২৮ টি বুথ! বিরোধীদের দাবি, এটা মোটেই যথেষ্ট নয়। তাই আবার আদালতে যাওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে তারা। 

    বিজেপির দাবি

    বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘প্রতি জেলায় ১ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত সঠিক নয়। আদালতের নির্দেশের ১৪ নম্বর অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা হয়েছে ভোটে বুথ, সেক্টর, থানা, স্ট্রং-রুম এবং গণনা কেন্দ্রের দায়িত্বে যৌথ ভাবে থাকবে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও রাজ্য পুলিশ। কোনও বাহিনীর বিরুদ্ধেই যাতে অভিযোগ না ওঠে, তাই এই সিদ্ধান্ত। তাই আদালতের নির্দেশ যাতে সঠিক ভাবে প্রয়োগ হয়, সেই দাবিই আমরা হাইকোর্টে জানাব।’’ রাজ্য বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘‘স্বেচ্ছাচারিতা, দখলদারি এবং নির্লজ্জতার বেনজির দৃষ্টান্ত রাজীব সিংহ। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার জনবিচ্ছিন্ন তৃণমূলকে বাঁচাতে চাইছেন। তবু আমরা বলছি যে, প্রতিরোধের মুখে পড়তে হবে তৃণমূলকে।’’ শমীকের সংযোজন, ‘‘নামকাওয়াস্তে কেন্দ্রীয় বাহিনী এনেও রাজ্য নির্বাচন কমিশনার তৃণমূলকে রক্ষা করতে পারবেন না। আর গোটা বিষয়টাই আদালতের নজরদারিতে হচ্ছে।’’

    আরও পড়ুন: বহাল হাইকোর্টের রায়, পঞ্চায়েতে কেন্দ্রীয় বাহিনীই, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    রাজ্যের পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের কাছে ২২ জেলার জন্য ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়েছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সেই মতো বাহিনী পাঠানোর নির্দেশিকা দিয়েছে কেন্দ্র। এই ২২ কোম্পানির মধ্যে রয়েছে বিএসএফের ৮, সিআরপিএফের ৬, এসএসবির ৪ এবং আইটিবিপির ৪ কোম্পানি। এই ২২ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনীর মোতায়েন যাতে সুষ্ঠু ভাবে হয় সেই জন্য এস সি বুদাকোটিকে নোডাল অফিসার হিসাবে রাজ্যে নিযুক্ত করেছে কেন্দ্র।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Panchayat Election 2023: হয় মা নয় বৌমা! বিজেপির শাশুড়ি লড়ছেন তৃণমূলের বৌমার সঙ্গে

    Panchayat Election 2023: হয় মা নয় বৌমা! বিজেপির শাশুড়ি লড়ছেন তৃণমূলের বৌমার সঙ্গে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোটের ময়দানে (Panchayat Election 2023) দেখা যাবে শাশুড়ি ও বৌমাকে। দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার হিলি ব্লকের পাঞ্জুল গ্রাম পঞ্চায়েতের আগ্রা গ্রামের বৌমা ও শাশুড়ি একে অপরের বিরুদ্ধে পঞ্চায়েত নির্বাচনের মাঠে লড়াই করছেন। বৌমা মামণি মুর্মু তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এবং শাশুড়ি মায়া হেমরম বিজেপির পক্ষ থেকে পঞ্চায়েত সদস্য পদে প্রার্থী হয়ে এবারের নির্বাচনে লড়াই করছেন। যাকে ঘিরে ব্যাপক উৎসাহ গ্রামবাসী তথা ভোটারদের মধ্যে। উল্লেখ্য, পঞ্চায়েত নির্বাচনে একই পরিবারের বৌমা এবং শাশুড়ির লড়াইয়ের ফলে পারিবারিক বিষয়ে কোনও রকম প্রভাব পড়বে না বলে জানিয়েছেন দুই প্রার্থী। তাঁদের দাবি, রাজনীতির লড়াই রাজনীতির লড়াইতেই সীমাবদ্ধ থাকবে। নিজের নিজের দলের উন্নয়ন মুখী প্রকল্পগুলি নিয়ে গ্রামবাসীর কাছে ভোট প্রচারে বেরিয়েছেন শাশুড়ি ও বৌমা দুজনেই।

    কী বলছেন গ্রামবাসীরা (Panchayat Election 2023)?

    এই বিষয়ে এক গ্রামবাসী বলেন, আমাদের পঞ্চায়েতে (Panchayat Election 2023) হেমরম বাড়ির কাকিমা-শাশুড়ি ও বৌমা প্রার্থী হয়ে দাঁড়িয়েছে। দুজনেই আলাদা আলাদা দলের প্রার্থী, শাশুড়ি বিজেপির ও বৌমা তৃণমূলের। এটা বড় মজার ব্যাপার। দুজন একই পরিবারের। যে ভোটে জিতে গ্রামের উন্নয়ন করবে, আমরা তাকেই ভোট দেব।

    কী বলছেন বিজেপির প্রার্থী (শাশুড়ি) (Panchayat Election 2023)?

    এই বিষয়ে বিজেপির প্রার্থী (শাশুড়ি) মায়া হেমরম বলেন, আমি আশাবাদী, আমি বিপুল ভোটে (Panchayat Election 2023) জিতবো। আমি ভোটে জিতে আগে গ্রামের উন্নয়ন করবো। আমরা শাশুড়ি বৌমা নির্বাচনে আলাদা আলাদা দলের প্রার্থী হলেও আমাদের পারিবারিক সম্পর্কটা কোনও দিন নষ্ট হবে না।

    কী বলছেন তৃণমূলের প্রার্থী (বৌমা) (Panchayat Election 2023)?

    এই বিষয়ে তৃণমূলের প্রার্থী (বৌমা) মামণি মুর্মু বলেন, আমি এবার পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) তৃণমূল থেকে প্রার্থী হয়েছি। সম্পর্কে আমার কাকিমা শাশুড়ি বিজেপির প্রার্থী হয়েছে। আমি আশাবাদী, আমি এই নির্বাচনে জয়ী হবো। আমরা একই বাড়ি থেকে শাশুড়ি-বৌমা নির্বাচনে দাঁড়িয়েছি। লড়াই তো হবে। কিন্তু আমাদের পরিবারের মধ্যে কোনও ভাঙ্গন ধরবে না। আমাদের বৌমা-শাশুড়ির সম্পর্ক ভালোই থাকবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Election 2023: সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল রাজ্যের! কমিশন, মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দু-সুকান্তর

    Panchayat Election 2023: সুপ্রিম কোর্টেও মুখ পুড়ল রাজ্যের! কমিশন, মমতাকে আক্রমণ শুভেন্দু-সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023) রাজ্যের সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। উচ্চ আদালতের সেই রায়ের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিল রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সেখানেও মুখ পুড়েছে রাজ্য সরকারের। ধাক্কা খেয়েছে কমিশনও। দেশের শীর্ষ আদালতও বহাল রেখেছে হাইকোর্টের রায়। সুপ্রিম কোর্টের সেই রায়কে স্বাগত জানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি

    মঙ্গলবার বিজেপির হাওড়া গ্রামীণ সাংগঠনিক জেলার দফতরে বসে তিনি বলেন, “কেন্দ্রীয় বাহিনীকে সঠিকভাবে ব্যবহারের ব্যবস্থা করতে হবে। আর যেহেতু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় বাহিনী নামছে, তাই বাহিনীর কমান্ডান্টদের ওপরেও যাতে রাজ্য সরকার তাদের বসিয়ে রাখতে না পারে। এটা কেন্দ্রীয় বা রাজ্য সরকারের সুপারিশে হচ্ছে না, হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে হচ্ছে। তাই কেন্দ্রীয় বাহিনীর দায়িত্ব অনেক বেড়ে গেল। আমরা সেটা করাব। কারণ ভারতবর্ষের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর নামটা হচ্ছে অমিত শাহ।”

    আক্রমণ কমিশনকে

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “আইনজীবী মারফত যা খবর পেয়েছি, তাতে এদিন রাজ্য নির্বাচন কমিশনের (Panchayat Election 2023) নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে আদালত। রাজ্য সরকারের কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে আপত্তি থাকতে পারে, কিন্তু রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরোধিতার কারণ কী? তারা তো যত বেশি বাহিনী পাবে, তত নির্বিঘ্নে নির্বাচন করাতে পারবে। রাজ্য সরকার কোথা থেকে বাহিনী এনে দিল, তা দেখা তো তাদের কাজ নয়। আমরা কেন্দ্রীয় বাহিনী ও নির্বাচন কমিশনের কাজকর্মের ওপর নজর রাখব। দরকারে প্রতিদিন আদালতে লড়াই হবে।”

    এদিন রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসকেও নিশানা করেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “রাজ্যপাল নিজে গোলমাল পাকিয়ে এখন সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করছেন। নির্বাচন (Panchayat Election 2023) কমিশনার হিসেবে যে তিনজনের নাম জমা পড়েছিল, তা নিয়ে রাজ্যপাল সমস্ত রাজনৈতিক দলের সঙ্গে কথা বলতে পারতেন। তা না করে তিনি নিজে থেকে রাজীব সিনহাকে নিয়োগ করেছেন। যার ফলে এতগুলো মানুষের প্রাণ গেল।”

    এদিন দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুরে সাংবাদিক বৈঠক করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা বালুরঘাটের সাংসদ সুকান্ত মজুমদার।

    তিনি বলেন, “সুপ্রিম কোর্টে রাজ্য সরকার যাওয়ার আগেই আমি জানিয়েছিলাম, রাজ্যের মুখ পুড়বে। যা এদিন চূড়ান্ত হয়েছে। নির্বাচন নিয়ে হাইকোর্টের রায়ের পরেই প্রথমে এক গালে চড় খেয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে এবার সুপ্রিম রায়ে দু গালেই চড় খেয়ে লাল হয়ে ফিরলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।”

    আরও পড়ুুন: “পশ্চিমবঙ্গকে আলাদা দেশ মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী”! পশ্চিমবঙ্গ দিবসে তোপ শুভেন্দুর

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Paschimbanga Diwas: “পশ্চিমবঙ্গকে আলাদা দেশ মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী”! পশ্চিমবঙ্গ দিবসে তোপ শুভেন্দুর

    Paschimbanga Diwas: “পশ্চিমবঙ্গকে আলাদা দেশ মনে করেন মুখ্যমন্ত্রী”! পশ্চিমবঙ্গ দিবসে তোপ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবার যথাযোগ্য মর্যাদায় রাজভবনে পালিত হল পশ্চিমবঙ্গ দিবস (Paschimbanga Diwas)। মুখ্যমন্ত্রীর আপত্তি উড়িয়েই রাজ্যপালের উপস্থিতিতে পালিত হয় দিনটি। পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে এদিন রেড রোডে মিছিল করেন বিজেপি বিধায়করা। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “রাজভবনে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালনকে আমরা স্বাগত জানাচ্ছি।”

    শুভেন্দুর নিশানায় মুখ্যমন্ত্রী

    রাজভবনে পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালনে আপত্তি জানানোয় এদিন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে আক্রমণ শানিয়েছেন শুভেন্দু। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “তিনি (মুখ্যমন্ত্রী) পশ্চিমবঙ্গকে আলাদা দেশ হিসেবে মনে করেন। তাঁর হাতে যদি ক্ষমতা থাকত তাহলে পশ্চিমবঙ্গের জন্য আলাদা সংবিধান বানাতেন। ইতিহাসকে বিকৃত করা যায় না। অপ্রাসঙ্গিক করা যায় না। তাই আজকের দিন পশ্চিমবঙ্গ দিবস (Paschimbanga Diwas) পালনের মধ্যে দিয়ে ভারতভুক্তি নিশ্চিত হয়েছিল।” নন্দীগ্রামের বিধায়ক বলেন, “সর্দার বল্লভভাই প্যাটেল, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, মহাত্মা গান্ধী, রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, স্বামী বিবেকানন্দ, মা সারদা কাউকে ক্রেডিট দিতে রাজি নন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানচন্দ্র রায়ের সৃষ্টিকেও অস্বীকার করেন। স্বাভাবিকভাবে আজকের ২০ জুন দিনটিতে পশ্চিমবঙ্গ ভারতে থাকবে, নাকি পূর্ব পাকিস্তানে থাকবে, তা যে ঠিক হয়েছিল, সেটিকেও অস্বীকার করছেন। এর মাধ্যমে রাজ্যের অস্তিত্বও অস্বীকার করছেন উনি।”

    বামপন্থীদের ভূমিকা 

    শুভেন্দু বলেন, “সেই সময় বামপন্থীরাও বাংলার ভারতভুক্তির পক্ষে সমর্থন দিয়েছিলেন। ভোট দিয়েছিলেন জ্যোতি বসু। ইতিহাস বিকৃত বা অপ্রাসঙ্গিক করা যায় না। আমরা অকৃতজ্ঞও নই। দিনটির গুরুত্ব আগামী প্রজন্মকে জানানোর দায়িত্ব আমাদের রয়েছে।” ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা লাভ করে ভারত। যদিও সলতে পাকানো হচ্ছিল ঢের আগে থেকেই। ওই বছর ২০ জুন বৈঠকের আয়োজন করে বঙ্গীয় আইন পরিষদ। বাংলা পাকিস্তানের সঙ্গে থাকবে নাকি ভারতের সঙ্গে থাকবে, তা নিয়েই আলোচনা হয়। দীর্ঘ আলোচনার পর বাংলাকে দ্বিখণ্ডিত করার ও পশ্চিমবঙ্গের ভিত্তি স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই থেকেই দিনটি পালিত হয় পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে (Paschimbanga Diwas)।

    আরও পড়ুুন: বহাল হাইকোর্টের রায়, পঞ্চায়েতে কেন্দ্রীয় বাহিনীই, নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের

    বিজেপির দাবি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই ২০ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের অংশ হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে সিলমোহর পড়ে। সে দিন শ্যামাপ্রসাদপন্থী ৫৪ জন বিধায়কের প্রবল দাবির জেরেই পশ্চিমবঙ্গ স্বীকৃতি পেয়েছিল। জন্ম হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও পশ্চিমবঙ্গ দিবস (Paschimbanga Diwas) পালনের দাবি জানিয়েছিলেন বিধানসভায়। তাঁর সেই দাবিকে অবশ্য মান্যতা দেননি স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

     
     
  • Paschimbanga Diwas: মুখ্যমন্ত্রীর আপত্তি উড়িয়ে রাজভবনে পালিত হল পশ্চিমবঙ্গ দিবস, জানেন দিনটির গুরুত্ব?

    Paschimbanga Diwas: মুখ্যমন্ত্রীর আপত্তি উড়িয়ে রাজভবনে পালিত হল পশ্চিমবঙ্গ দিবস, জানেন দিনটির গুরুত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপত্তি জানিয়েছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। রাজভবনে পশ্চিমবঙ্গ দিবস (Paschimbanga Diwas) পালনের সিদ্ধান্তে তিনি যে মর্মাহত, চিঠি লিখে জানিয়েছিলেন তাও। সেসব উপেক্ষা করেই ২০ জুন, মঙ্গলবার রাজভবনে পালিত হল পশ্চিমবঙ্গ দিবস। রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোসের উপস্থিতিতে এনসিসির প্রতিনিধিরা প্যারেড করে সূচনা করেন অনুষ্ঠানের। পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে এদিন বসে আঁকো সহ নানা অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিল স্কুল পড়ুয়ারা।

    পশ্চিমবঙ্গ দিবসে রাষ্ট্রপতির শুভেচ্ছা বার্তা

    পশ্চিমবঙ্গ দিবস উপলক্ষে রাজ্যবাসীকে শুভেচ্ছা জানান রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। তাঁর বার্তা, “পশ্চিমবঙ্গ শিল্প, সংস্কৃতি, আধ্যাত্মিকতা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, অর্থনীতি, খেলাধূলা এবং অন্যান্য বিভিন্ন ক্ষেত্রের সমন্বয়ে ভারতের অনন্য গল্পে একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। …পশ্চিমবঙ্গের প্রতিভাবান ব্যক্তিরা আমাদের জাতির অগ্রগতি ও সমৃদ্ধিতে অবদান রেখে উদ্ভাবন এবং অর্থনৈতিক প্রাণবন্ততার আর একটি তরঙ্গ আনতে পারে। আমি পশ্চিমবঙ্গের জনগণকে আমার শুভেচ্ছা জানাই এবং সাফল্য কামনা করি।” আনন্দ বোসের আগে পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী রাজ্যপাল ছিলেন জগদীপ ধনখড়। তাঁর আমলেও মর্যাদা সহকারে পালিত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ দিবস (Paschimbanga Diwas)। সেই রীতি মেনে এবারও পশ্চিমবঙ্গ দিবস পালন করলেন আনন্দ বোস।

    পশ্চিমবঙ্গের জন্ম

    ১৯৪৭ সালের ১৫ অগাস্ট স্বাধীনতা লাভ করে ভারত। যদিও সলতে পাকানো হচ্ছিল ঢের আগে থেকেই। ওই বছর ২০ জুন বৈঠকের আয়োজন করে বঙ্গীয় আইন পরিষদ। বাংলা পাকিস্তানের সঙ্গে থাকবে নাকি ভারতের সঙ্গে থাকবে, তা নিয়েই আলোচনা হয়। দীর্ঘ আলোচনার পর বাংলাকে দ্বিখণ্ডিত করার ও পশ্চিমবঙ্গের ভিত্তি স্থাপনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই থেকেই দিনটি পালিত হয় পশ্চিমবঙ্গ দিবস হিসেবে।বিজেপির দাবি, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই ২০ জুন আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতের অংশ হিসেবে পশ্চিমবঙ্গে সিলমোহর পড়ে। সে দিন শ্যামাপ্রসাদপন্থী ৫৪ জন বিধায়কের প্রবল দাবির জেরেই পশ্চিমবঙ্গ স্বীকৃতি পেয়েছিল। জন্ম হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গের।

    আরও পড়ুুন: “দুষ্কৃতীরা ওয়াররুম খুলেছে, তাই রাজভবনে পিস রুম”, কড়া বার্তা রাজ্যপালের

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও পশ্চিমবঙ্গ দিবস (Paschimbanga Diwas) পালনের দাবি জানিয়েছিলেন বিধানসভায়। তাঁর সেই দাবিকে অবশ্য মান্যতা দেননি স্পিকার বিমান বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্য বলেন, “পশ্চিমবঙ্গ সৃষ্টির পিছনে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়, মেঘনাদ সাহা, সুনীতিকুমার চট্টোপাধ্যায়ের মতো বহু বরেণ্য মানুষ ছিলেন। পশ্চিমবঙ্গে বসবাস করে আমরা যে নিজেদের ভারতবাসী বলে পরিচয় দিতে পারছি, তার ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপিত হয়েছিল ২০ জুন। এই দিনটি নিঃসন্দেহে গুরুত্বপূর্ণ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

     

  • BJP: পুলিশের সামনেই বিজেপি প্রার্থীর ‘বাড়ি ঘেরাও’ তৃণমূলের

    BJP: পুলিশের সামনেই বিজেপি প্রার্থীর ‘বাড়ি ঘেরাও’ তৃণমূলের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল আছে সন্ত্রাসেই! মনোনয়নপত্র না তুলে নিলে বিজেপি (BJP) প্রার্থী এবং তাঁর পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ শাসকদলের বিরুদ্ধে। ওই প্রার্থীর সঙ্গে বিজেপি সাংসদ ও বিধায়ক দেখা করতে এলে পুলিশের সামনেই পুরো বাড়িটি ঘেরাও করে রাখার অভিযোগ তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বর্তমানে ঘর ছাড়া ওই বিজেপি প্রার্থী। ঘটনাটি ঘটেছে নদীয়ার শান্তিপুর থানার ফুলিয়া এলাকায়। উল্লেখ্য পঞ্চায়েত নির্বাচনকে কেন্দ্র করে এর আগেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মীরা। বর্তমানে চাইলে মনোনয়নপত্র তুলে নিতে পারে বিভিন্ন প্রার্থীরা। মনোনয়ন তোলার শেষদিন মঙ্গলবার। 

    ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ…

    রাজ্যজুড়ে অভিযোগ উঠে আসছে রাজ্যের শাসক দল, বিরোধীদের বিভিন্নভাবে জোরপূর্বক মনোনয়নপত্র বাতিলের চেষ্টা চালাচ্ছে। ঠিক সেই রকম শান্তিপুর থানার কুলিয়া টাউনশিপ গ্রাম পঞ্চায়েতের ৭২ নম্বর বুথের এ বছর বিজেপি পার্টির হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন পরিমল রায়। অভিযোগ ওঠে রবিবার গভীর রাতে ওই এলাকার তৃণমূল নেতা শুভঙ্কর মুখার্জি ওরফে পিটার তার দলবল নিয়ে বিজেপি প্রার্থী পরিমল রায়ের বাড়িতে হানা দেয়। এবং ওই প্রার্থী সহ তাঁর পরিবারকে মনোনয়নপত্র না তুলে নিলে প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এরপরেই চরম আতঙ্কে ভুগছে ওই পরিবার। গতকাল রাতে ওই পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে আসেন রানাঘাট কেন্দ্রের বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার এবং নদীয়া দক্ষিণের বিজেপি সভাপতি তথা রানাঘাট উত্তর-পশ্চিম কেন্দ্রের বিধায়ক পার্থসারথি চ্যাটার্জী সহ একাধিক কর্মীরা। 

    পুলিশের সামনেই বাড়ি ঘেরাও এর অভিযোগ

    বিজেপির (BJP) নেতারা যখন ওই প্রার্থীর বাড়ির ভেতর কথা বলছেন ঠিক তখনই অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা পিটার এবং তার দলবল নিয়ে পুলিশের সামনেই পুরো বাড়িটি মিছিল করে ঘেরাও করে ফেলে। অবশেষে দীর্ঘক্ষণ পর বাধ্য হয়ে বাড়ির বাইরে বেরিয়ে আসেন সাংসদ ও বিধায়করা। কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা কর্মীদের তত্ত্বাবধানে কোনওরকমে ঘটনাস্থল ছেড়ে চলে আসেন তাঁরা। তবে প্রায় তিন কিলোমিটার তাদের পিছন পিছন আসতে থাকে তৃণমূলকর্মীরা এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ দিতে থাকে। এরপর বিজেপি নেতা ও কর্মীরা ফুলিয়া ফাঁড়িতে গিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন নিরাপত্তার দাবিতে। বর্তমানে প্রাণভয়ে ঘর ছাড়া ওই বিজেপি প্রার্থী।

    কী বলছেন বিজেপি (BJP) প্রার্থী?

    এ বিষয়ে বিজেপি প্রার্থী পরিমল রায় বলেন, ‘‘গত পরশুদিন রাত বারোটা নাগাদ পিটার এবং তার দলবল তার বাড়িতে যায় এবং মনোনয়নপত্র তুলে নিতে বলে। আমি রাজি না হওয়ায় তাঁরা বলেন, এরপর কিছু ঘটনা ঘটে গেলে সেটা সহ্য করতে পারবো কিনা!’’

    কী বলছেন বিজেপি (BJP) সাংসদ?

    বিজেপি সাংসদ জগন্নাথ সরকার বলেন, ‘‘গোটা রাজ্য জুড়ে আমাদের একাধিক বিধায়ক এবং সাংসদ রয়েছেন। শাসকদল কার্যত পায়ের তলার মাটি হারিয়েছে। গোটা রাজ্য জুড়ে চেষ্টা করছে জোরপূর্বক যাতে পঞ্চায়েত ছিনিয়ে নেওয়া যায়। আমাদের বিজেপি প্রার্থী পরিমল রায়ের ওপর যদি কোনও আক্রমণ হয় তাহলে প্রশাসন ব্যবস্থা না নিলে জনগণ পাল্টা ব্যবস্থা নেবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • TMC: তৃণমূল বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীর পা ধুইয়ে দিচ্ছেন এক মতুয়া! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে বিতর্ক

    TMC: তৃণমূল বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণীর পা ধুইয়ে দিচ্ছেন এক মতুয়া! ভাইরাল ভিডিও ঘিরে বিতর্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিতর্কে রায়গঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী। মতুয়া সমাজকে দিয়ে পা ধোয়ানোর অভিযোগ উঠল তাঁর বিরুদ্ধে। সোমবার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়। তাতে দেখা যাচ্ছে, জনৈক এক মতুয়া কৃষ্ণ কল্যাণীর পা ধুয়ে দিচ্ছেন। বিধায়ক বসে রয়েছেন চেয়ারে। এই ঘটনায় রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলা জুড়ে। তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি।

    ঘটনার পূর্ণাঙ্গ বিবরণ…

    জানা গিয়েছে, সোমবার পঞ্চায়েত ভোটের প্রচারে রায়গঞ্জের বাহীন পঞ্চায়েতের মহারাজপুর গ্রামে তৃণমুল (TMC) প্রার্থীদের সঙ্গে নিয়ে মতুয়াদের মন্দিরে যান রায়গঞ্জে বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী। সেখানে গুরুচাঁদ, হরিচাঁদ ঠাকুরের পুজো দেন তিনি। তবে তার আগে মন্দির চত্বরে ঢুকতেই বিধায়কের পা ধুইয়ে গামছা দিয়ে মুছে দেন এক মতুয়া। পরে মন্দিরে পুজো দিয়ে এলাকায় মিছিল করে, তৃণমুল প্রার্থীদের সমর্থনে গ্রামে প্রচারও করেন। আর এ নিয়েই বিতর্কের ঝড় উঠেছে জেলা জুড়ে।

    কী বলছে বিজেপি?

    জেলা বিজেপি নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় কৃষ্ণকে ‘খানদানি জালি’ বলে কটাক্ষ করেছে। এই ঘটনায় কৃষ্ণ কল্যাণীকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন বিজেপির জেলা সভাপতি বাসুদেব সরকার। তাঁর মতে, ‘‘মতুয়াদের বরাবরই বঞ্চনা করে এসেছে শাসক দল। দিন কয়েক আগেও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঠাকুর নগর সফরে এই ধরনের ঘটনা দেখা যায়। মতুয়াদের মধ্যে গুরুদের পা ধুইয়ে দেওয়ার রীতি আছে। কিন্তু বিধায়ক মতুয়াদের গুরু নন। তিনি মতুয়াদের দিয়ে পা ধুইয়ে মতুয়া সমাজকে অপমানিত করলেন। তাঁকে বিধায়ক বানিয়েছেন সাধারণ মানুষ। আর তিনি ভোটারকে দিয়ে পা ধোয়াচ্ছেন। এটা তৃণমুলের (TMC) সংস্কৃতিতেই হয়।’’

    কী বলছেন কৃষ্ণ কল্যাণী?

    এই ঘটনায় রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী পাল্টা বলেন, ‘‘ওনারা আমাকে হৃদয় দিয়ে ভালোবাসেন। সেটা ওখানে গেলেই বুঝতে পারবেন। আর বিজেপি মতুয়া ও আদিবাসী কোনও সংস্কৃতিই জানে না। ওরা শুধু ষড়যন্ত্রের সংস্কৃতি বোঝে। আর মতুয়ারা ওইভাবে আমাকে ওয়েলকাম করেছেন।’’ ওয়াকিবহাল মহল অবশ্য বলছে, সাম্প্রতিক বিভিন্ন ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধেই আদিবাসী ও মতুয়া বিরোধী তকমা জুটেছে। এদিন মতুয়া মন ফিরে পেতে কৃষ্ণর কাজ আরও বিতর্ক বাড়িয়ে দিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Panchayat Election 2023: মোতায়েন করা হয়নি কেন্দ্রীয় বাহিনী, ফের আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে বিজেপি

    Panchayat Election 2023: মোতায়েন করা হয়নি কেন্দ্রীয় বাহিনী, ফের আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালত নির্দেশ দিয়েছিল কেন্দ্রীয় বাহিনী (Panchayat Election 2023) মোতায়েনের। তার পরেও মোতায়েন করা হয়নি বাহিনী। তাই বাংলার পোল বডির বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার অভিযোগ তুলে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হচ্ছে বিজেপি। রবিবার পদ্ম শিবিরের পক্ষ থেকে এ কথা জানানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজ্যের সর্বত্র ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। রাজ্য নির্বাচন কমিশন সেই নির্দেশ না মানায় আদালতের দ্বারস্থ হচ্ছে গেরুয়া শিবির।

    শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য

    রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, এই মামলায় আমি একজন আবেদনকারী। আগামিকাল (সোমবার) আমি নতুন করে আদালত অবমাননার মামলা দায়ের করব কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতির এজলাসে। তিনিই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ দিয়েছিলেন। প্রসঙ্গত, উচ্চ আদালতের ওই রায়ের বিরুদ্ধে শনিবার সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছে রাজ্য সরকার ও রাজ্য নির্বাচন কমিশন। তাই এখনও মোতায়েন করা হয়নি কেন্দ্রীয় বাহিনী।

    প্রধান বিচারপতির নির্দেশ

    কেবল স্পর্শকাতর এলাকা নয়, রাজ্যের সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে নির্বাচন (Panchayat Election 2023) করতে হবে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এই নির্দেশ দিয়েছিলেন কলকাতা হাইকোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতি টিএস শিবজ্ঞানম। রায় পড়তে গিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেছিলেন, “স্পর্শকাতর এলাকা চিহ্নিত করার বিষয়ে যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সে ব্যাপারে কমিশন যা করার তা করেনি। সামগ্রিকভাবে অবাধ মনোনয়ন প্রক্রিয়া সুনিশ্চিত করতে নির্বাচন কমিশনের যে বলিষ্ঠ ভূমিকা নেওয়ার প্রয়োজন ছিল, সেক্ষেত্রেও বড়সড় ফাঁক থেকে গিয়েছে। সেই কারণেই গোটা রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর নিরাপত্তা বেষ্টনীতে পঞ্চায়েত নির্বাচন করার বিষয়ে নির্দেশ দিচ্ছে আদালত।”

    আরও পড়ুুন: “২৫ জুন ভারতের ইতিহাসে কালো অধ্যায়”, মন কি বাতের অনুষ্ঠানে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    ওই দিন সন্ধ্যায় রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে আদালতের নির্দেশ, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রাজ্যের সব জেলায় কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের নির্দেশ কার্যকর করতে হবে। এদিন আদালতকে (Panchayat Election 2023) রাজ্য জানিয়েছিল, পঞ্চায়েত নির্বাচনের নিরাপত্তায় যাতে পুলিশবাহিনীর ঘাটতি না থাকে, তাই পড়শি রাজ্য থেকে পুলিশ বাহিনী আনানোর ব্যবস্থা করছে তারা। কিন্তু আলাদত সাফ জানায়, কেন্দ্রীয় বাহিনীর নজরদারিতেই পঞ্চায়েত নির্বাচন হবে রাজ্যে। কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে কেন্দ্রীয় বাহিনী চেয়ে আবেদন করতে হবে কমিশনকে। আর রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের খরচ জোগাবে কেন্দ্র।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share