Tag: bjp

bjp

  • Rajya sabha election: আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনে অ্যাডভান্টেজ বিজেপি, শক্তি খোয়াবে কংগ্রেস?

    Rajya sabha election: আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনে অ্যাডভান্টেজ বিজেপি, শক্তি খোয়াবে কংগ্রেস?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জারি হয়েছে রাজ্যসভা নির্বাচনের (Rajya sabha election) বিজ্ঞপ্তি। ১৫টি রাজ্যের ৫৭টি আসনে হবে নির্বাচন। ভোট ১০ জুন। রাজ্যসভার এই নির্বাচনে শক্তিবৃদ্ধি হবে কেন্দ্রের ক্ষমতাশীন দল বিজেপির (bjp)। আর শক্তিহীন হয়ে পড়বে কংগ্রেস (congress)। আগামী লোকসভা নির্বাচনের (Loksabha elections 2024) আগে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির পক্ষে যা অশনি সংকেত। রাজ্যসভায় শক্তি বৃদ্ধি হলে জুন-জুলাই মাসে রাষ্ট্রপতি ও উপরাষ্ট্রপতি নির্বাচনেও অ্যাডভান্টেজ পাবে গেরুয়া শিবির।

    পশ্চিমবঙ্গ, তেলঙ্গানা, অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা, দিল্লি, পাঞ্জাব এবং তামিলনাড়ুর মতো রাজ্যগুলি শাসন করে বিভিন্ন আঞ্চলিক দল। এই পাঁচটি রাজ্যের মধ্যে শেষ তিনটি রাজ্যে রয়েছে জোট সরকার। রাজ্যসভার নির্বাচনে সব চেয়ে বেশি লাভবান হবে আম আদমি পার্টি (Aam Aadmi Party)। দিল্লি ও পাঞ্জাবের ক্ষমতায় রয়েছে তারা। তারা জয়ী হবে পাঁচটি আসনে। স্বভাবতই শক্তিবৃদ্ধি হবে আঞ্চলিক দলগুলির।

    আরও পড়ুন : লক্ষ্য চব্বিশের নির্বাচন, বুথ-স্তরে নীল-নকশা তৈরির পথে বিজেপি, গঠিত বিশেষ কমিটি

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) প্রথম মেয়াদে রাজ্যসভায় শক্তিশালী ছিল কংগ্রেস। শক্তিক্ষয় হওয়ায় এবার এক ধাক্কায় তাদের আসন সংখ্যা কমবে বেশ খানিকটা। আর ২০১২ সালে রাজ্যসভায় বিজেপির সদস্য সংখ্যা ছিল ৪৭। বর্তমানে তিন অঙ্ক ছুঁয়েছে তারা। সংখ্যাতত্ত্বের জেরে জম্মু-কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা রদ সহ বিভিন্ন হার্ডল বিজেপি পেরিয়েছে অনায়াসে।

    আরও পড়ুন : লক্ষ্য ২০২৪ নির্বাচন, “এক পরিবার এক টিকিট” নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের

    যাঁরা রাজ্যসভা থেকে অবসর নিচ্ছেন, তাঁদের সংখ্যা ৫৯। এর মধ্যে ২৫ জন গেরুয়া শিবিরের। এই ৫৯ জনের মধ্যে এনডিএ-র (NDA) আসন ৩১টি। আসন্ন নির্বাচনে তারা হারাতে পারে ৭ থেকে ৯টি আসন।

    অন্ধ্রপ্রদেশে চারটি আসনের মধ্যে বিজেপি হারাবে তিনটি আসন। চারটি আসনেই জয়লাভ করবে ওয়াইএসআরসিপি (YSR Congress)। দুটি আসনে জিতবে তেলঙ্গানা রাষ্ট্র সমিতি (TRS)। বিজেডি ধরে রাখবে তিনটি আসনই। আসন বাড়বে আরজেডির। এক থেকে রাজ্যসভায় তারা বেড়ে হবে দুই।

    অন্যদিকে, প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস আরও সংকুচিত হতে পারে। চোদ্দ ও উনিশের লোকসভা নির্বাচনে পর্যুদস্ত হওয়ার পর তারা হেরেছে একের পর এক রাজ্যে। যার জেরে রাজ্যসভায় তাদের ব্যাপক শক্তিক্ষয় হবে। কংগ্রেস অন্ধ্রপ্রদেশে একটিও আসন পাবে না। রাজস্থানে পাবে দুটি, আগে ছিল চারটি। ঝাড়খণ্ড এবং ছত্তিশগড়েও একটি করে আসন হারাবে তারা। এখন থেকে ২০২৪ সালের মধ্যে রাজ্যসভার ৬৫টি আসনে নির্বাচন হবে। স্বাভাবিকভাবেই ক্ষীণতর হবে কংগ্রেস।

    উদয়পুরের চিন্তন শিবিরে (Chintan Shivir) কংগ্রেস পাশ করা প্রস্তাব অনুযায়ী, তরুণদের ৫০ শতাংশ আসনে মনোনয়ন দেবে কংগ্রেস। সেই কারণেও বেশ কিছু বর্ষীয়ান নেতাকে মনোনয়ন দেওয়া হবে না বলেই কংগ্রেস সূত্রে খবর। পি চিদাম্বরম, কপিল সিবাল, জয়রাম রমেশ এবং অম্বিকা সোনির মতো বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতাদের মেয়াদ শেষ হতে চলেছে। মেয়াদ শেষ হতে চলেছে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ, বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েল এবং সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী মুখতার আব্বাস নকভি সহ কয়েকজন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীরও। এঁরা প্রত্যেকেই রাজ্যসভা থেকে অবসর নেবেন। রাজ্যসভায় ফিরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে এঁদের প্রায় প্রত্যেকেরই।

    কংগ্রেসকে হারিয়ে একের পর এক রাজ্যের রশি হাতে নিয়েছে বিজেপি। কংগ্রেসের অস্তিত্ব রয়েছে কেবল রাজস্থান ও ছত্তিশগড়ে। মহারাষ্ট্র ও ঝাড়খণ্ডে জোট সরকারে শামিল হয়েছে তারা। ১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল থেকে রাজ্যসভায় কংগ্রেসের হয়ে গলা ফাটানোর এবার আর কেউ থাকবে না।

     

  • Madhya Pradesh: ১১টির মধ্যে সাতটি পুরনিগম বিজেপির! মধ্যপ্রদেশে প্রথম জয় আপের

    Madhya Pradesh: ১১টির মধ্যে সাতটি পুরনিগম বিজেপির! মধ্যপ্রদেশে প্রথম জয় আপের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশে (Madhya Pradesh) পুর নির্বাচনে (mayoral seats) সাড়া ফেলল রাজ্যের শাসক দল বিজেপি (BJP)। ১১টির মধ্যে সাতটি পুরনিগম দখল করেছে তারা। কংগ্রেস (Congress) জিতেছে তিনটিতে। চমকে দিয়েছে আম আদমি পার্টি (AAP)। প্রথমবার মধ্যপ্রদেশের পুর নির্বাচনে অংশ নিয়ে সিংগ্রাউলির (sungrauli) মেয়র পদে জয়ী হয়েছেন আপ নেত্রী  রানি আগরওয়াল। বিজেপি জিতেছে উজ্জ্বয়িনী, বুরহানপুর, সাতনা, খাণ্ডওয়া, সাগর, ইন্দোর এবং ভোপালে। ফলপ্রকাশের পরে ভোটারদের ধন্যবাদ জানিয়েছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান।

    আরও পড়ুন: শুরু সংসদের বাদল অধিবেশন, শান্তিপূর্ণ আলোচনার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

    উল্লেখ্য, ৬ জুলাই মধ্যপ্রদেশের ১১ টি পুরনিগমে নির্বাচন হয়। রবিবার ভোটগণনা হয়। কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়া কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়ার গড় হিসেবে পরিচিত গোয়ালিয়রে অবশ্য মেয়র নির্বাচিত হয়েছেন কংগ্রেসের শোভা শিকারওয়ার। জবলপুর এবং ছিন্দওয়াড়াতেও মেয়র পদ দখল করেছে কংগ্রেস। এই তিন পুরনিগমে জয়ের পরে প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরা বলেন, ‘‘মধ্যপ্রদেশ কংগ্রেসের সব নেতা-কর্মীকে অভিনন্দন। নানা দিক থেকে আক্রমণ উপেক্ষা করে ৫৭ বছর পরে গোয়ালিয়র পুরসভা এবং ২৩ বছর পরে জবলপুর পুরসভায় কংগ্রেসকে জয় এনে দিয়েছেন তাঁরা।’’ এই প্রথম মধ্যপ্রদেশের কোনও পুরনিগমের ক্ষমতা দখল করল অরবিন্দ কেজরীওয়ালের দল। মধ্যপ্রদেশে দলের সাফল্যে দিল্লিতে উৎসবে মাতেন আপ সমর্থকেরা।

    আরও পড়ুন: উৎসবের মেজাজে চলছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন, দেখুন ভোট দিলেন কারা

    মধ্যপ্রদেশে পুরনির্বাচনে এই জয়কে জনগনের জয় বলে উল্লেখ করেছে বিজেপি। দলের প্রতি ভরসা রাখার জন্য রাজ্যের মানুষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ট্যুইটবার্তায় মোদি জানান, “মানুষ রাজ্যে শিবরাজ সিং চৌহানের সরকারের প্রতি যে ভরসা রাখে এই জয় তার প্রমাণ।” বিজয়ী প্রার্থী ও দলের কর্মীদের অভিনন্দন জানান তিনি। আগামী বছর মধ্যপ্রদেশে বিধানসভা নির্বাচন। গত পুর নির্বাচনে রাজ্যের সবকটি পুরনিগমই বিজেপির দখলে ছিল। এবার চারটি হাতছাড়া হওয়াতে একটু চিন্তায় পদ্ম শিবির। তাই আরও সচেতন হয়ে বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এখন কাজ করতে চায় রাজ্য বিজেপি।

  • Satyendar Jain: আইনের ফাঁসে আরেক আপ নেতা! হাওয়ালাকাণ্ডে গ্রেফতার দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    Satyendar Jain: আইনের ফাঁসে আরেক আপ নেতা! হাওয়ালাকাণ্ডে গ্রেফতার দিল্লির স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতার এক কোম্পানির সঙ্গে বেআইনি আর্থিক লেনদেনের অভিযোগে দিল্লির (Delhi) স্বাস্থ্যমন্ত্রী তথা আম আদমি পার্টি (Aam Aadmi Party) নেতা সত্যেন্দ্র জৈনকে (Satyendar Jain) গ্রেফতার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate) বা ইডি।

    সোমবার সন্ধ্যায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। চলতি বছরের জানুয়ারিতে হাওয়ালা চক্রের মাধ্যমে আর্থিক তছরুপের (Money laundering) অভিযোগে সত্যেন্দ্রর বাড়ি এবং দফতরে তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল ইডি (ED)। তাঁর স্ত্রী ইন্দু এবং কয়েক জন আত্মীয়ের নামে থাকা ৪ কোটি ৮১ লক্ষ টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল।

    দিল্লিতে আম আদামি পার্টির (AAP) সরকারের ক্যাবিনেটে গুরুত্বপূর্ণ পোর্টফোলিও রয়েছে সত্যেন্দ্র জৈনের নামে। একাধারে স্বাস্থ্য ছাড়াও বিদ্যুৎ, গৃহ, পিডব্লিউডি, শিল্প, নগরোন্নয়ন, বন্যা, সেচ ও জল মন্ত্রীর দায়িত্বে রয়েছেন জৈন। ইডি সূত্রের খবর, ৫৭ বছর বয়সী জৈন সোমবার ইডির জিজ্ঞাসাবাদের সময় প্রশ্ন এড়িয়ে যাচ্ছিলেন। এরপরেই তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। মঙ্গলবার সকালে তাঁকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। সত্যেন্দ্রর অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নিতে কেন্দ্রের বিজেপি সরকার তাঁকে মিথ্যা মামলায় জড়িয়েছে।

    ১৪ দিনের জেল হেফাজতে ঘুষকাণ্ডে ধৃত পাঞ্জাবের বরখাস্ত হওয়া স্বাস্থ্যমন্ত্রী

    ইতিমধ্যেই জৈনের গ্রেফতারে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন আপ বিধায়ক সোমনাথ ভারতী। তাঁর অভিযোগ, এজেন্সির “অপব্যবহার” করছে বিজেপি (BJP)। ভারতী বলেন, “ইডি কোনও দেবতা নয়। আমাদের জনপ্রিয়তা দিন দিন বাড়ার ফলেই এই কাজ করানো হচ্ছে। আমি নিশ্চিত যে উনি এর থেকে বেরিয়ে আসবেন।” এই নিয়ে বিজেপিকে একহাত নিয়েছেন দিল্লির উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া (Manish Sidodia)। ট্যুইটারে তিনি বলেন, ”হিমাচল প্রদেশে দলের নির্বাচনের দায়িত্ব রয়েছে জৈনের হাতে। এখনও নির্বাচন বাকি। তাই এই ধরনের কাজ করানো হচ্ছে।”

    দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal) সাফ জানিয়ে দেন, তিনি সতৈন্দ্র জৈনের বিরুদ্ধে আনা মামলা ভাল করে খতিয়ে দেখেছেন। পুরো মামলাটই ভুয়ো বলে অভিযোগ কেজরির। এরপর কেজরি বলেন, “আমরা দুর্নীতি সহ্য করব না, দুর্নীতি করবও না। আমাদের সরকার সততার ওপর দাঁড়িয়ে। শুধুমাত্র রাজনৈতিক কারণে আমাদের টার্গেট করা হচ্ছে। বিচারব্যবস্থার ওপর আমার পূর্ণ আস্থা আছে।”

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকরে বদ্ধপরিকর ধামি! রূপরেখা তৈরিতে গঠিত বিশেষ কমিটি

    দিল্লি বিজেপি’র প্রধান আদেশ গুপ্তা (Adesh Gupta) ইডির এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “কেজরিওয়াল সরকার মুখে দুর্নীতি দূর করার কথা বললেও আদতে চুপ থাকে। নিজেদের দলের নেতা-মন্ত্রীদের দোষ চাপা দেওয়ার চেষ্টা করে আম আদমি পার্টি।” সত্যেন্দ্র জৈনকে আরও আগেই গ্রেফতার করা উচিত ছিল বলে দাবি করেন আদেশ।

  • Rajyasabha Election: রাজ্যসভা নির্বাচনে প্রথম ১৬ জনের তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কারা পেলেন জায়গা?

    Rajyasabha Election: রাজ্যসভা নির্বাচনে প্রথম ১৬ জনের তালিকা প্রকাশ বিজেপির, কারা পেলেন জায়গা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভা নির্বাচনের প্রথম দফার প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করল বিজেপি। প্রথম কিস্তিতে ১৬ জনের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে কেন্দ্রের শাসক দল। রবিবার ওই তালিকা প্রকাশিত হয়। এদিন ১০টি কেন্দ্রে প্রার্থীদের নাম ঘোষণা করেছে বিরোধী দল কংগ্রেসও।

    ১০ জুন রাজ্যসভার নির্বাচন। দেশের ১৫টি রাজ্যের ৫৭টি আসনে নির্বাচন হবে ওই দিন। এদিন ১৬ জনের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে বিজেপি। এতে নাম রয়েছে কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমণ ও কেন্দ্রীয় বাণিজ্যমন্ত্রী পীযূষ গোয়েলের। নির্মলা প্রার্থী হয়েছেন কর্নাটক থেকে। আর পীযূষ মনোনীত হয়েছেন মহারাষ্ট্র থেকে। অর্থ মন্ত্রকের পাশাপাশি কর্পোরেট বিভাগ সামলান নির্মলা। পীযূষ রাজ্যসভায় বিজেপি দলনেতা। গ্রাহক পরিষেবা এবং বস্ত্র মন্ত্রকের দায়িত্বও তাঁর ওপর।

    আরও পড়ুন : আসন্ন রাজ্যসভা নির্বাচনে অ্যাডভান্টেজ বিজেপি, শক্তি খোয়াবে কংগ্রেস?

    এবার রাজ্যসভায় সব চেয়ে বেশি আসন উত্তর প্রদেশে। সেখানে ভোট হবে ১১টি আসনে। গেরুয়া শিবিরের মনোনীত প্রার্থী হলেন লক্ষ্মীকান্ত বাজপেয়ী, রাধামোহন আগরওয়াল, সুরেন্দ্র নিষাদ, দর্শনা সিংহ, সঙ্গীতা যাদব। মহারাষ্ট্রে পীযূষের পাশাপাশি অনিল দেশমুখ বোন্দের নামও মনোনীত হয়েছে। গোরক্ষপুর বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন রাধামোহন। পরে মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে আসনটি ছেড়ে দেন তিনি। সেই কারণেই তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে পদ্ম-শিবির। রাজস্থান থেকে মনোনীত হয়েছেন ঘনশ্যাম তিওয়ারি। তবে তামিলনাড়ুর ৬টি আসনে সোমবার বিকেল পর্যন্তও কাউকে মনোনীত করেনি পদ্মশিবির।

    এই রাজ্যগুলি ছাড়াও বিহারের পাঁচটি, কর্নাটক, রাজস্থান এবং অন্ধ্রপ্রদেশের তিনটি করে আসনেও নির্বাচন হবে ওই তারিখে। মধ্যপ্রদেশ, ওড়িশা এবং পঞ্জাবের দুটি করে আসনেও নির্বাচন হবে। একটি করে আসনে নির্বাচন হবে ঝাড়খণ্ড, হরিয়ানা, ছত্তিশগড়, তেলঙ্গানা এবং উত্তরাখণ্ডে। হরিয়ানা থেকে মনোনীত হয়েছেন প্রাক্তন বিধায়ক কৃষ্ণলাল পানওয়ার, মধ্যপ্রদেশ থেকে কবিতা পতিদার। তারকা-রাজনীতিবিদ যজ্ঞেশ মনোনীত হয়েছেন কর্নাটক থেকে।  

    আরও পড়ুন : জিটিএ নির্বাচন অবৈধ, রুখবই! সাফ জানালেন রাজু বিস্ত

    শাসক দলের পাশাপাশি এদিন প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেছে বিরোধী দল কংগ্রেসও। ১০টি আসনে প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে তারা। এই তালিকায় নাম রয়েছে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী পি চিদম্বরম, জয়রাম রমেশ, অজয় মাকেন এবং দলের প্রধান মুখপাত্র রণদীপ সুরজেওয়ালা।

    চিদম্বরমকে মনোনীত করা হয়েছে তামিলনাড়ু থেকে। কর্নাটক থেকে মনোনীত হয়েছেন জয়রাম রমেশ। মাকেন মনোনীত হয়েছেন হরিয়ানা থেকে। আর সুরজেওয়ালাকে মনোনীত করা হয়েছে রাজস্থান থেকে। রাজস্থান থেকে মুকুল ওয়াসনিক এবং প্রমোদ তিওয়ারির নামও রয়েছে। মধ্যপ্রদেশে মনোনীত হয়েছেন বিবেক তানখা। রাজীব শুক্লা এবং রঞ্জিত রঞ্জন মনোনীত হয়েছেন ছত্তিশগড় থেকে। মহারাষ্ট্রে প্রার্থী হয়েছেন ইমরান প্রতাপগড়ি।

    প্রসঙ্গত, আগামী দু’মাসে রাজ্যসভায় যে ৫৫টি শূন্যপদ সৃষ্টি হবে, তার মধ্যে কংগ্রেসের রয়েছেন সাতজন। এঁরা হলেন চিদম্বরম, রমেশ, অম্বিকা সোনি, বিবেক তানখা, প্রদীপ টামটা, কপিল সিবাল এবং ছায়া ভার্মা। এর মধ্যে সিবাল অখিলেশ যাদবের সমাজবাদী পার্টির সমর্থনে প্রার্থী হচ্ছেন রাজ্যসভায়।  

     

     

  • Amit Shah on Article 356: ‘৩৫৬ ধারা নয়, রাজনৈতিকভাবে লড়াই করুন তৃণমূলের’, বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বকে ‘শাহি’-বার্তা

    Amit Shah on Article 356: ‘৩৫৬ ধারা নয়, রাজনৈতিকভাবে লড়াই করুন তৃণমূলের’, বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বকে ‘শাহি’-বার্তা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ৩৫৬ ধারা (Article 356) প্রয়োগ করে নির্বাচিত রাজ্য সরকারকে (Mamata Government) ফেলে দেওয়া হবে না। বিজেপির (BJP) রুদ্ধদ্বার বৈঠকে দলীয় কর্মীদের সাফ জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Union Home Minister) তথা বিজেপি নেতা অমিত শাহ (Amit Shah)। তিনি বলেন, রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করতে হবে রাজ্যের শাসক দলের (TMC)। একুশের বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে এপর্যন্ত রাজ্যে ভোট-পরবর্তী হিংসার (Post-poll violence) বলি হয়েছেন বেশ কয়েকজন। তাঁদের সিংহভাগই বিজেপির (BJP) বলে দাবি গেরুয়া শিবিরের। পরিস্থিতির মোকাবিলায় ৩৫৬ ধারা প্রয়োগের দাবি জানায় বঙ্গ বিজেপির একাংশ। তবে বিজেপি যে ৩৫৬ ধারার বিরোধী, এদিন তা স্পষ্ট করে দেন কেন্দ্রীয় সরকারের দু’ নম্বর ব্যক্তিত্ব।

    শুক্রবার বিজেপি নেতাদের সঙ্গে রুদ্ধদ্বার বৈঠকে বসেন অমিত। ওই বৈঠকে ২০২৪-র লোকসভা ভোট-বৈতরণী কীভাবে পার হতে হবে, তাও জানিয়ে দেন শাহ। তিনি বলেন, বিপুল জনসমর্থন নিয়েই রাজ্যের তখ্তে তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় এসেছে তৃণমূল। নির্বাচিত সরকারকে ৩৫৬ ধারা প্রয়োগ করে ফেলে দেওয়া হবে না। তৃণমূলের মোকাবিলা যে রাজনৈতিকভাবেই করতে হবে, এদিন তা স্পষ্ট করে দেন অমিত শাহ। বলেন, তৃণমূল গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। কিন্তু, বিজেপি করে। তাই তৃণমূলের মোকাবিলা রাজনৈতিকভাবেই করতে হবে। একমাত্র রাজনৈতিক পদ্ধতিতেই বিজেপিকে ক্ষমতায় আসতে হবে। এপ্রসঙ্গে গুজরাতে তাঁর অভিজ্ঞতার কথাও শোনান শাহ। তিনি বলেন, গুজরাতে আমরা যখন বিরোধী দলে ছিলাম, তখন আমাদের নামেও মিথ্যা মমলা সাজানো হয়েছে। রাজনৈতিকভাবেই আমরা তার মোকাবিলা করেছি। পরে ক্ষমতায় এসেছিল দল।

    আরও পড়ুন :বিজেপি যুব নেতার রহস্যমৃত্যু, রণক্ষেত্র কাশীপুর, সিবিআই চাইলেন অমিত শাহ

    বঙ্গ বিজেপির (West Bengal BJP) নিচুতলায় সংগঠন আরও মজবুত করার ওপর জোর দেন শাহ। তিনি বলেন, তৃণমূল স্তরে গিয়ে সংগঠনকে মজবুত করুন। বিধানসভা ভোটে যে ৭৭টি আসন বিজেপি পেয়েছিল, তা হেলাফেলার নয় বলেও মনে করেন তিনি। তৃণমূল স্তরে সংগঠন গড়ে লড়াই করলে যে রাজ্যের কুর্সিও অদূর ভবিষ্যতে বিজেপির অধরা থাকবে না, এদিন তাও মনে করিয়ে দেন অমিত শাহ।

     

  • Amit Shah: ঠাসা কর্মসূচি নিয়ে বঙ্গ সফরে আসছেন অমিত শাহ, রাজ্য নেতৃত্বকে কী বার্তা দেবেন? জল্পনা

    Amit Shah: ঠাসা কর্মসূচি নিয়ে বঙ্গ সফরে আসছেন অমিত শাহ, রাজ্য নেতৃত্বকে কী বার্তা দেবেন? জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষ মুহূর্তে অমিত শাহের (Amit Shah) বঙ্গ সফরসূচিতে রদবদল। বিজেপি (BJP) সূত্রের খবর, বুধবার অর্থাৎ ৪ মে রাতে এরাজ্যে আসার কথা থাকলেও, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী (Union Home Minister) আসছেন পরের দিন, অর্থাৎ বৃহস্পতিবার, ৫ তারিখ সকালে। দুদিনের এই সফরে সরকারি অনুষ্ঠান থেকে শুরু করে দলীয় বৈঠক– ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে অমিত শাহের। 

    দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ৫ তারিখ উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জে একটি সরকারি অনুষ্ঠানে অংশ গ্রহণ করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখান থেকে যাবেন কল্যাণীতে। হরিদাসপুরে বিএসএফের একটি শিবিরে যাবেন। মৈত্রী সংগ্রহশালা উদ্বোধনের পর সীমান্তরক্ষী বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে মধ্যাহ্নভোজ সারবেন। 

    সেখান থেকে আকাশপথে যাবেন উত্তরবঙ্গে। উত্তরবঙ্গ বিজেপি’র অন্যতম শক্ত ঘাঁটি। বিধানসভায় সেখানে ভালো ফলও করেছে। সামনে লোকসভা নির্বাচন। আর তাই সেই উত্তরবঙ্গকেই শাহের জনসভার জন্যে বেছে নিয়েছেন বঙ্গ বিজেপি নেতারা। 

    জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার বিকেলে শিলিগুড়িতে একটি জনসভা করার কথা রয়েছে অমিত শাহের। এছাড়া দার্জিলিঙে তিনি একটি ঘরোয়া বৈঠক করতে পারেন। সেখানে রাত কাটিয়ে শুক্রবার কোচবিহারে যাবেন শাহ। সেখানে তিনবিঘায় বিএসএফের আর একটি সভায় অনুষ্ঠানে যোগ দিতে পারেন তিনি।  সেখান থেকে সোজা কলকাতায় ফিরবেন।

    আগামী ২০২৩ সালে রাজ্য পঞ্চায়েত ভোটের আগে বিজেপিকে চাঙ্গা করতে কলকাতায় এক জোড়া সাংগঠনিক বৈঠক করার কথা রয়েছে শাহের। বিজেপি সূত্রের খবর, কলকাতার হোটেলে দুটি সাংগঠনিক বৈঠক করবেন শাহ। সেখানে সাংসদ, বিধায়ক-সহ পুরসভা, জেলা পরিষদের জয়ী প্রার্থীরা থাকতে পারেন। যা যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। 

    সূত্রের খবর, রাজ্য নেতৃত্ব তো বটেই, এমনকী জেলা সভাপতি, সমস্ত বিধায়ক, সাংসদের সঙ্গে আলাদা আলাদা করে বৈঠক করবেন অমিত শাহ। শুধু তাই নয়, বিজেপির শাখা সংগঠনগুলির দায়িত্বে থাকা নেতাদের সঙ্গেও অমিত শাহের বৈঠক হবে বলেও জানানো হয়েছে।

    সূত্রের খবর, সেই বৈঠকের পর ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালে (Victoria Memorial) একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন শাহ। সেখানে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (BCCI) সভাপতি সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের (Sourav Ganguly) স্ত্রী ডোনা (Dona Ganguly) নৃত্য পরিবেশন করবেন।

    এদিকে, বিজেপি সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, অমিত শাহ সফর সেরে দিল্লি ফেরার পরই বাংলায় আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও দলের সভাপতি জেপি নাড্ডা। দলীয় সূত্রের খবর, কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে নিয়ে একাধকি জনসংযোগমূলক কর্মসূচি নেবে বঙ্গ বিজেপি।

     

  • Recruitment in Assam: একদিনে প্রায় ২৩ হাজার নিয়োগপত্র বিলি আসাম সরকারের 

    Recruitment in Assam: একদিনে প্রায় ২৩ হাজার নিয়োগপত্র বিলি আসাম সরকারের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিনে ২২,৯৫৮ যুবক-যুবতীকে চাকরির নিয়োগপত্র দিল বিজেপি (BJP) শাসিত আসাম (Assam) সরকার। গুয়াহাটির খানা পাড়ায় একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma) যুবক-যুবতীদের হাতে নিয়োগোপত্র (Appointment Letter) তুলে দেন। 

    আসাম বিধানসভা ভোটের (Assam Assembly election) আগে বিজেপি ক্ষমতায় আসার এক বছরের মধ্যে ১ লক্ষ সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেই লক্ষ্যেই ১১টি সরকারি দফতরে ২২,৯৫৮টি পদে নিয়োগ করা হল। খানাপাড়ার ভেটেরিনারি কলেজ প্রাঙ্গণে নিয়োগপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

    [tw]


    [/tw]

    ৮,৮৬৭ জন চাকরি পেলেন আসাম পুলিশে, ১১,০৬৩ জন শিক্ষা দফতরে, ২,৪১৯ স্বাস্থ্য দফতরে, ৩৩০ জন জনস্বাস্থ্য এবং ইঞ্জিনিয়ারিং দফতরে। ১০৫ জন চাকরি পেলেন জলসম্পদ বিভাগে, ৬৯ জন জনকল্যাণ বিভাগে, ৫৫ জন কৃষি দফতর, ২৩ জন বন দফতর, ১৭ জন শ্রমিক কল্যাণ দফতরে বিমা স্বাস্থ্য আধিকারিক পদে, ৮ জন জনস্বাস্থ্য এবং কারিগরি দফতরে এবং ২ জন চাকরি পেলেন খনি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে।

    এর ফলে ভোটের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতির প্রায় ২৫%- পূরণেই সক্ষম হল আসাম সরকার। এই সপ্তাহেই ক্ষমতায় আসার এক বছর পূর্ণ করেছে হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সরকার।  এর আগেও ১২০০ চাকরি দিয়েছে সরকার। সম্প্রতি আরও প্রায় ২৩,০০০ চাকরি দেওয়া হল। 

    [tw]


    [/tw]

    মার্চ মাসেই আরও ২৬,৪৪১ শূন্য পদের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফ থেকে। ১৩,১৪১ গ্রেড ৩ পদে এবং ১৩,৩০০ গ্রেড ৪ পদের জন্যে আবেদনপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে চাকরি প্রার্থীদের। আবেদন করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে। 

    মার্চে অর্থমন্ত্রী অজন্তা নিয়োগ তাঁর বক্তৃতায় বলেন, সরকার ইতিমধ্যেই ১,১৫৭ জনকে নিয়োগ করেছে। আরও ৮৪,২৪৪ শূন্য পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। 

    নিয়োগে কেন দেরি হল? সেই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, “করোনা পরিস্থিতি সামলাতে গিয়ে সরকারের প্রায় ৫ মাস নষ্ট হয়েছে। ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে আরও ৭০০০-৮০০০ পদে নিয়োগ করা হবে। জুলাইয়ের শেষে মোট ২৬,০০০ শূন্য পদে চাকরি দেওয়া হবে।”   

    চাকরি পেয়ে খুশি সবাই। তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, চাকরি পেতে তাঁদের এক টাকাও ঘুষ দিতে হয়নি। স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়েছে নিয়োগের প্রক্রিয়া। প্রসঙ্গত, প্রাক্তন কংগ্রেস সরকারের আমলে চাকরি পেতে বহু টাকা ঘুষ দিতে হত বলে অভিযোগ ছিল।

    গ্রেড ৩ এবং ৪ পদে নিয়োগে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দুটি পৃথক কমিশন গঠন করেছে আসাম সরকার। আগে বিভিন্ন দফতরের এই পদগুলিতে পৃথক পৃথকভাবে নিয়োগ করা হত। কিন্তু এখন সবটাই হবে কমিশনের নজরদারিতে।  

     

  • CBI summons Paresh Paul: বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার হত্যা-মামলায় পরেশ পালকে তলব সিবিআইয়ের

    CBI summons Paresh Paul: বিজেপি কর্মী অভিজিৎ সরকার হত্যা-মামলায় পরেশ পালকে তলব সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে (West Bengal) ভোট-পরবর্তী হিংসার (Post poll violence) মামলায় পরেশ পালকে (TMC MLA Paresh Paul) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ডেকে পাঠাল সিবিআই (CBI)। অভিজিৎ সরকার খুনের (Abhijit Sarkar Murder) মামলার তদন্তে হাজিরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বেলেঘাটার তৃণমূল বিধায়ককে। বুধবার তাঁকে যেতে হবে সিজিও কমপ্লেক্সে সিবিআই স্পেশাল ক্রাইম ব্রাঞ্চের দফতরে। 

    একুশের বিধানসভা ভোটের (2021 West Bengal Assembly Elections) ফলপ্রকাশের দিন অর্থাৎ ২ মে, কাঁকুরগাছিতে খুন হতে হন বিজেপির (BJP) শ্রমিক সংগঠনের সদস্য অভিজিৎ সরকার। ওই ঘটনায় তোলপাড় হয় রাজ্য রাজনীতি। ঘটনায় জড়িয়ে যায় পরেশ পালের (Paresh Paul) নাম।

    নিহতের পরিবারের তরফে অভিযোগ করা হয় যে, পরেশ পালের অঙ্গুলিহেলনেই ওই খুনের ঘটনা ঘটেছে। এমনই অভিযোগ করেন অভিজিতের দাদা বিশ্বজিৎ। তাঁর অভিযোগ, খুনের নেপোথ্যে বড় মাথা আছে। বিধায়কের নির্দেশে এই ঘটনা ঘটেছিল বলে অভিযোগ করেন বিশ্বজিৎ।

    ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় তদন্তে এসে এই ঘটনায় ২০ জনের নামে চার্জশিট পেশ করে সিবিআই। ইতিমধ্যেই, খুনের মামলায় এর আগে একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করে সিবিআই। পাশাপাশি ঘটনার সাক্ষী হিসেবে বেশ কয়েকজনকে নোটিসও পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা। 

    কিন্তু, পরেশ পালের গ্রেফতারের দাবিতে সম্প্রতি অবস্থান বিক্ষোভে বসেন নিহতের দাদা। বিশ্বজিৎ সরকার বারবার দাবি করছিলেন, তাঁর ভাইয়ের খুনের তদন্তে কেন পরেশ পালকে ডাকা হচ্ছে না? তাঁর আরও দাবি ছিল, সিবিআইকে দ্রুত তদন্ত শেষ করে অভিজিৎ সরকারের খুনিদের গ্রেফতার করতে হবে। 

    অবশেষে তলব করা হল পরেশ পালকে। খুনের ঘটনায় পরেশ পালের কী ভূমিকা ছিল তা খতিয়ে দেখতে চলেছে সিবিআই।

  • Congress Chintan Shivir: “এক পরিবার, এক টিকিট” নীতির ভাবনা কংগ্রেসে, ছাড় পাবে গান্ধী-পরিবার?

    Congress Chintan Shivir: “এক পরিবার, এক টিকিট” নীতির ভাবনা কংগ্রেসে, ছাড় পাবে গান্ধী-পরিবার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে (2024 Loksabha election) বিজেপির (BJP) বিজয়রথ কীভাবে থামানো যাবে, সেই নিয়ে আলোচনা-বিশ্লেষণ করতে ১৩ মে থেকে রাজস্থানের উদয়পুরে বসছে কংগ্রেসের (congress) চিন্তন শিবির (chintan shivir)।

    কংগ্রেসের বিরুদ্ধে পরিবারতন্ত্রের অভিযোগ দীর্ঘদিনের। অতীতে, পরিবার-তন্ত্রকে ইস্যু করে কংগ্রেসকে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছে বিজেপি। বিরোধীদের এই অস্ত্রেই বিভিন্ন নির্বাচনে ঘায়েল হয়েছে কংগ্রেস। শুধু বিরোধী নয়, দলের অভ্যন্তরেও এই নিয়ে অনেক অপ্রিয় প্রশ্ন উঠেছে। দলের অন্দরে ও বাইরে উভয়ক্ষেত্রেই একাধিকবার, এই পরিবারতন্ত্রের জন্য বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে হাত-শিবিরকে। 

    আগামী লোকসভা নির্বাচনে গেরুয়া শিবিরকে টেক্কা দিতে এবার আগে থেকে কোমর বেঁধে নামতে চলেছে শতাব্দী-প্রাচীন দলটি। এবার তাই পরিবারতন্ত্রে ইতি টানতে চাইছে কংগ্রেস। সূত্রের খবর, বিরোধীদের জবাব দিতে এবার এক পরিবার এক টিকিট নীতি (one family, one ticket) চালু করতে পারেন কংগ্রেস হাইকমান্ড। 

    সম্প্রতি, ভোটকূশলী প্রশান্ত কিশোর কংগ্রেসকে চাঙা করার একগুচ্ছ খসড়া পেশ করেন হাইকমান্ডের কাছে। ওই খসড়ায়ই ছিল এক পরিবার, এক টিকিট নীতি লাগু করার কথা। পিকে কংগ্রেসে যোগ দেননি। তবে তাঁর প্রস্তাব নিয়ে ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে আলোচনা। 

    সূত্রের খবর, দলের মধ্যেই প্রস্তাব উঠেছে, দলকে জেতাতে অবিলম্বে চালু হোক এক পরিবার এক টিকিট নীতি।  ইতিমধ্যেই দলের শীর্ষস্তরে এই নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা ও পর্যালোচনা হয়েছে। আসন্ন চিন্তন শিবিরেই প্রস্তাবে পড়তে পারে হাইকমান্ডের শিলমোহর। 

    আরও পড়ুন : কাঠমান্ডুর নাইটক্লাবে রাহুল গান্ধীর ভিডিও ভাইরাল, নিন্দায় সরব বিজেপি

    তবে সূত্রের খবর, এই নীতি-রূপায়ণের ক্ষেত্রে একটি ব্যতিক্রম রাখা হয়েছে! আর সেই ব্যতিক্রমের নাম গান্ধী পরিবার। অর্থাৎ, এক পরিবার এক টিকিট নীতি বাকি সকলের জন্য কার্যকর হলেও, গান্ধী পরিবারের ক্ষেত্রে নয়। অর্থাৎ, গান্ধী পরিবারকে এই নিয়মের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে বলেই খবর।

    সূত্রের খবর, আলোচনার সময়, গান্ধী পরিবারের ক্ষেত্রে এই নিয়ম মানা সম্ভব নয় বলে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে হাইকমান্ডের পক্ষ থেকে। স্বাস্থ্যের কারণে হয়তো এবার আর রায়বেরিলি থেকে ভোটে লড়বেন না সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi)। তবে আমেঠি থেকে রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)  লড়বেন বলেই খবর। এক পরিবার এক নীতি লাগু হলে প্রিয়ঙ্কা গান্ধী বঢরার টিকিট পাওয়ার কথা নয়। যদিও প্রিয়ঙ্কাও লড়বেন বলে এখনও পর্যন্ত খবর।

    পরপর দু’দফায় দিল্লির তখতে বসেছে বিজেপি সরকার। দীর্ঘদিন ক্ষমতা থেকে দূরে শতাব্দী প্রাচীন দল কংগ্রেস। স্বাভাবিকভাবেই ক্ষয় শুরু হয়েছে দলে। যার ফলশ্রুতিতে একের পর এক রাজ্যে ধরাশায়ী হচ্ছে দল। এমতাবস্থায় দলকে চাঙা করার একগুচ্ছ সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে ওই চিন্তন শিবিরে। তার মধ্যেই একটি হতে চলেছে, এক পরিবার এক টিকিট নীতি।

    কংগ্রেসের একটি সূত্রের খবর, বিজেপি যাতে ফের পরিবারতন্ত্রের অভিযোগ করতে না পারে, সেই জন্যই এই নীতি চালু করার ভাবনা। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, যদি গান্ধী পরিবারকে এই নীতি থেকে “ফ্রি পাস” দেওয়া হয়, তাহলে কংগ্রেসের দ্বিচারিতা আরও প্রকট হবে। সেক্ষেত্রে, নির্বাচনের আগে, বিজেপির হাতে নতুন অস্ত্র উঠে আসবে। 

    শুধু তাই নয়। দলের কংগ্রেসেরই অন্দরে এই নিয়ে আরও অসন্তোষ তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। কারণ, ইতিমধ্য়েই, দলের একাংশ রাহুলের নেতৃত্ব নিয়ে খুশি নয়। অনেকেই মনে করেন, পুনরুজ্জীবনের জন্য গান্ধী পরিবারের ছায়া থেকে বেরিয়ে আসতে হবে কংগ্রেসকে। কিন্তু, তা আখেরে কতটা হয়, তা আসন্ন চিন্তন শিবিরেই বোঝা যাবে। 

  • Rahul Gandhi: কাঠমান্ডুর নাইটক্লাবে রাহুল গান্ধীর ভিডিও ভাইরাল, নিন্দায় সরব বিজেপি

    Rahul Gandhi: কাঠমান্ডুর নাইটক্লাবে রাহুল গান্ধীর ভিডিও ভাইরাল, নিন্দায় সরব বিজেপি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের চর্চায় রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)। রাতারাতি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হল রাহুল গান্ধীর প্রতিবেশী দেশের নাইট ক্লাবে (Night Club) পার্টি করার ভিডিও। ভিডিওয় ক্লাবের আলো আধারিতে হঠাৎই মুখ ভেসে ওঠে কংগ্রেস সাংসদের। নেপালের (Nepal) রাজধানী কাঠমান্ডুর (Kathmandu) একটি নাইট ক্লাবে বন্ধুর সঙ্গে দেখা গিয়েছে কংগ্রেসের (Congress) প্রাক্তন সভাপতিকে। মঙ্গলবার ভিডিওটি নেটমাধ্যমে ভাইরাল (viral video) হতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে রাজনৈতিক মহলে।     

    বিজেপির আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য (Amit Malviya) প্রথম টুইটারে ভিডিওটি শেয়ার করেন। টুইটে তিনি লেখেন, “গোটা মুম্বই যখন অবরুদ্ধ তখন  রাহুল গান্ধী ছিলেন নাইট ক্লাবে। তাঁর দলে যখন একের পর এক বিস্ফোরণ ঘটছে, তখন তাঁকে উল্লাসে মাততে দেখা গেল।” 

    [tw]


    [/tw]

    যদিও এখনও পর্যন্ত ভিডিওটির সত্যতা যাচাই করা যায় নি। তবে সর্বভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমের খবর অনুসারে, ভিডিওটি কাঠমান্ডুর একটি নাইট ক্লাবের। সোমবার এক সাংবাদিক বন্ধু সুমনিমা দাসের বিয়েতে গিয়েছিলেন গান্ধী পরিবারের এই সদস্য। বিয়ের অনুষ্ঠান হচ্ছিল ম্যারিয়ট (Mariott) হোটেলে।  

    এদিন রাহুল (Rahul) গান্ধীর ভিডিও সামনে আসতেই আক্রমণ শানায় ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) জার্মানি, ডেনমার্ক, ফ্রান্স সফরকেও রেয়াত করেনি হাত শিবির। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়, “দেশে যখন একটা সঙ্কটময় পরিস্থিতি চলছে, তখন সাহেব বিদেশ ভ্রমণে ব্যস্ত।” এরপরই রাহুল গান্ধীর নাইট ক্লাবের ভিডিও প্রকাশ্যে এলে কংগ্রেসকে (Congress) খোঁচা মারতে এক মূহূর্তও দেরি করেনি বিজেপি।

     

     

LinkedIn
Share