Tag: bjp

bjp

  • Sukanta Attacks Mamata: “ফের বাংলার মানুষকে বোকা বানালেন মুখ্যমন্ত্রী!” কী প্রসঙ্গে বললেন সুকান্ত?

    Sukanta Attacks Mamata: “ফের বাংলার মানুষকে বোকা বানালেন মুখ্যমন্ত্রী!” কী প্রসঙ্গে বললেন সুকান্ত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের কাঁধে বন্দুক রেখে ফের বাংলার মানুষকে বোকা বানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পেট্রল-ডিজেলের দাম (petrol diesel price) হ্রাস সম্পর্কে এই ভাষাতেই মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করলেন বিজেপির (bjp) রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (sukanta majumdar)। তাঁর দাবি, পেট্রল-ডিজেলের দাম কমিয়েছেন বলে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করলেও, বাস্তবে তা হয়নি।

    রবিবার পেট্রলে লিটারপ্রতি ৮ টাকা এবং ডিজেলে ৬ টাকা করে শুল্ক কমানোর কথা ঘোষণা করে কেন্দ্র। পরের দিনই মুখ্যমন্ত্রী নবান্নে (Nabanna) সাংবাদিক বৈঠক করে পেট্রোলের ওপর ২ টাকা ৮০ পয়সা এবং ডিজেলের ওপর ২ টাকা ৩ পয়সা ছাড় দেওয়ার কথা ঘোষণা করুন।

    বিজেপির রাজ্য সভাপতির দাবি, মুখ্যমন্ত্রী ছাড় দেওয়ার কথা ঘোষণা করলেও, আদৌ কোনও ছাড় দেওয়া হয়নি। হিসেব কষে বিষয়টি বুঝিয়ে দিয়েছেন সুকান্ত। ফেসবুকে তিনি লিখেছেন, “কেন্দ্র ছাড় দেওয়ার পর ২২ তারিখ রাজ্যে পেট্রলের দাম ছিল ১০৬ টাকা ৩০ পয়সা। রাজ্য ২ টাকা ৮০ পয়সা ছাড়ের কথা ঘোষণা করে ২৩ তারিখ। তাহলে ২৪ তারিখ পেট্রোলের দাম হওয়ার কথা ১০৩ টাকা ২৩ পয়সা। সুকান্তের দাবি, যদিও বাস্তবে তা হয়নি। ২২ তারিখ এবং তার পরের দিন পেট্রোলের দাম একই ছিল।”

    আরও পড়ুন : “বাঁচার চেষ্টা করবেন…বেশিদিন বাঁচতে পারবেন না”, কার সম্পর্কে একথা বললেন সুকান্ত?

    সুকান্ত বলেন, “মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী গতকাল নিজের মুখে প্রেস কনফারেন্সে স্বীকার করেছেন, কেন্দ্র পেট্রলের ওপর লিটার প্রতি ৮ টাকা ছাড় দেওয়ায় রাজ্যের লোকসান হচ্ছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতি লিখেছেন, এটা সুস্পষ্ট করে মাননীয়া নিজেই বুঝিয়ে দিয়েছেন যে কেন্দ্র পেট্রল-ডিজেল থেকে যা টাকা প্রাপ্ত করে সেখান থেকে একটা অংশ রাজ্যকে ফেরত দেয়।”

    অঙ্কের হিসেব কষে সুকান্ত বলেন, “দিদির অঙ্কের ভাষায় কেন্দ্রের ছাড় দেওয়া ৮ টাকা থেকে রাজ্য ফেরত পেত ১ টাকা ৮০ পয়সা। ডিজেলের ক্ষেত্রে ৬ টাকা থেকে রাজ্য ফেরত পেত ১ টাকা ৩ পয়সা। সুকান্তের দাবি, ২০২১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি রাজ্য সরকার পেট্রল-ডিজেলের ওপর ১ টাকা ছাড়ের কথা ঘোষণা করেছিল। ওই ১ টাকা ছাড় এবং কেন্দ্রের বর্তমান ৮ টাকা ছাড়ের মধ্যে রাজ্যের ফেরত পাওয়া ১ টাকা ৮০ পয়সা যোগ করে ২ টাকা ৮০ পয়সা রাজ্যের ছাড় বলে চালিয়ে দিলেন!”

    সুকান্ত বলেন, “মমতা (mamata) যে আদৌ কোনও ছাড় দেননি, তা পেট্রল পাম্পে গিয়ে বুঝতে পারছেন সাধারণ মানুষ। কারণ মুখ্যমন্ত্রীর ২ টাকা ৮০ পয়সা ছাড়ের পরেও পেট্রল-ডিজেলের দাম কমেনি।” এর পরেই সুকান্ত বলেন, “কেন্দ্রের কাঁধে বন্দুকটা রেখে আবার বাংলার মানুষকে বোকা বানালেন মুখ্যমন্ত্রী।”

    আরও পড়ুন: পেট্রল-ডিজেলে ভর্তুকি দেবে কেন্দ্রই, দাবি অর্থমন্ত্রীর

    পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়লে যে আদতে রাজ্যেরই লাভ হয়, এদিন তাও স্পষ্ট করে দিয়েছেন সুকান্ত। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, “অবশ্য সব চালাকির মধ্যেও একটা ভাল জিনিস স্বীকার করেছেন যে, পেট্রল-ডিজেলের ওপর কেন্দ্রের প্রাপ্ত টাকা থেকে রাজ্য টাকা ফেরত পায়। অর্থাৎ পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়লে পক্ষান্তরে রাজ্যের কোষাগারেরই লাভ হয়। আর উনি দোষ দেন কেন্দ্রকে।” সুকান্তের প্রশ্ন, এভাবে আর কতদিন মানুষকে বোকা বানাবেন মাননীয়া?  

    এক সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি জানান, মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, বাংলাকে গুজরাত হতে দেবেন না। অথচ গুজরাতে পেট্রলের দাম ৯৬ টাকার আশেপাশে। অথচ বাংলায় ১১০ টাকারও বেশি।

     

  • Congress Chintan Shivir: লক্ষ্য ২০২৪ নির্বাচন, “এক পরিবার এক টিকিট” নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের

    Congress Chintan Shivir: লক্ষ্য ২০২৪ নির্বাচন, “এক পরিবার এক টিকিট” নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী লোকসভা নির্বাচনে (2024 Loksabha Election) বিজেপির (BJP) মোকাবিলা করার আগে হারানো জমি কীভাবে ফিরে পাওয়া সম্ভব, সেই রোডম্যাপ তৈরি করতে উদয়পুরে চিন্তন শিবিরের (Chintan Shivir) আয়োজন করেছিল কংগ্রেস (Congress)। লক্ষ্য, আগামী নির্বাচনের আগে দেশজুড়ে দলীয় সংগঠনকে মজবুত করে তোলা। এই মর্মে, তিনদিনের সম্মেলন শেষে একাধিক বড় সিদ্ধান্তের ঘোষণা করল শতাব্দী-প্রাচীন দলটি।

    সাম্প্রতিক বছরগুলিতে কংগ্রেস থেকে বেশ কয়েকজন তরুণ নেতা বেরিয়ে গিয়েছেন। এর অন্যতম প্রধান কারণ হল পার্টির পুরনো ও নব্য নেতাদের মধ্যে মত-পার্থক্য প্রকট হয়ে পড়া। ফলে তরুণ নেতাদের আকাঙ্ক্ষাগুলি পূরণ করতে ব্যর্থ হয়েছে দল৷ সেই কথা মাথায় রেখে কংগ্রেস সিদ্ধান্ত নিয়েছে, তরুণ প্রজন্মকে তুলে আনতে সংগঠনের সব স্তরে ৫০ শতাংশ পদে ৫০ বছরের কমবয়সিদের প্রার্থী করা হবে। পাশাপাশি ২০২৪-এর নির্বাচন থেকে শুরু করে তার পরে লোকসভা, বিধানসভা নির্বাচনেও ৫০ শতাংশ আসনে ৫০ বছরের কম বয়সীদের প্রার্থী করা হবে। সংগঠন ও প্রার্থী তালিকায় দলিত, সংখ্যালঘু, আদিবাসী এবং মহিলাদের যুক্তিসঙ্গত প্রতিনিধিত্ব থাকবে।

    চিন্তন শিবির, যাকে কংগ্রেস উল্লেখ করেছে ‘নব সংকল্প শিবির’ (Nav Sankalp Shivir) হিসেবে, তার শেষ দিন দলীয় সংগঠনে একাধিক সংস্কার আনতে তিনদিনের সম্মেলন শেষে “উদয়পুর নব-সংকল্প ঘোষণাপত্র” (Udaipur Nav Sankalp Declaration) গৃহীত হল কংগ্রেসে। সেখানে দলের অন্তর্বর্তী সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী (Sonia Gandhi) স্বীকার করে নেন, কংগ্রেস এখন খারাপ সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। তবে তাঁর দাবি,  এই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে আসবে দল। তিনি জানান, জনজাগরণ অভিযানের মাধ্যমে মানুষকে যুক্ত করা হবে। তারপর দেশজুড়ো অভিযান চালানো হবে। রাহুল গান্ধীও (Rahul Gandhi) একইসঙ্গে তিনি স্বীকার করে নিলেন, সাধারণ মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে কংগ্রেস নেতাদের। তাঁর মতে, সাধারণ মানুষের সঙ্গে নিবিড় যোগাযোগের বিষয়টি পুনরুদ্ধার করতে হবে এবং এর কোন সহজ রাস্তা নেই।

    বস্তুত, চিন্তন শিবিরে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির গৃহীত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ১৫ জুন থেকে দ্বিতীয় পর্বের ‘জনজাগরণ অভিযান’ (Janajagaran Abhiyan) চালাবে কংগ্রেস। এরপর আগামী ২ অক্টোবর মহাত্মা গান্ধীর জন্মদিনে কংগ্রেস শুরু করতে চলেছে ‘ভারত জোড়ো যাত্রা’ (Bharat Jodo Yatra)।  কংগ্রেস বলেছে, ঠিক ৮০ বছর আগে,  সালে, মহাত্মা গান্ধী “ভারত ছাড়ো” স্লোগান দিয়েছিলেন এবং ২০২২ সালে, “জোড়ো ভারত” (এক ভারত) স্লোগানটি গ্রহণ করা উচিত।

    বেশ কিছুদিন ধরেই কংগ্রেসে “এক পরিবার এক টিকিট” চালু করার দাবি উঠেছে। সেই কারণে দীর্ঘ দিনের দাবি মেনে ‘এক ব্যক্তি এক পদ ও এক পরিবার ও একটি টিকিট’ এই নীতি চালু করতে চলেছে। উদয়পুরের সাংবাদিক সম্মেলনে তা ইঙ্গিতে বুঝিয়ে দিয়েছেন সোনিয়া গান্ধী। তিনি বলেন, ‘এক ব্যক্তি এক পদ’ ও ‘এক পরিবার এক টিকিট’ তখনই বাদ দেওয়া হবে যখন কোনও একটি পরিবারের একাধিক সদস্য টানা পাঁচ বছরেও বেশি সময় কংগ্রেসের জন্য কাজ করেছেন। সেই অর্থে এক পরিবার একাধিক টিকিট পেতে পারে। যার অর্থ গান্ধী পরিবারের তিন জনই কংগ্রেসের টিকিটে লড়াই করতে পারবেন। 

    চিন্তন শিবিরে কংগ্রেসের নেওয়া অন্য বড় সিদ্ধান্তের মধ্যে রয়েছে জনমত গ্রহণের জন্য পৃথক বিভাগ গঠন। কর্পোরেট ধাঁচে জনতার মন বুঝতে জনসমীক্ষার জন্য ‘পাবলিক ইনসাইট’ শাখা, পদাধিকারীদের কাজের মূল্যায়নে ‘অ্যাসেসমেন্ট’ বিভাগ তৈরি হবে। তার ভিত্তিতেই নেতাদের পদোন্নতি, পদচ্যুত করা হবে। এআইসিসি ও প্রদেশ স্তরে রাজনৈতিক বিষয়ক কমিটি গঠন হবে।

    এছাড়া, কংগ্রেস সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ব্লক কংগ্রেস কমিটির নীচে মণ্ডল কমিটি গঠন করা হবে। দলের কর্মীদের প্রশিক্ষণের জন্য জাতীয় প্রশিক্ষণ কেন্দ্র তৈরি হবে। কেরালার ‘রাজীব গান্ধী ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ’ থেকে তার সূত্রপাত হবে। আরেকটি গৃহীত সিদ্ধান্ত হল, কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির (Congress Working Committee) বাছাই করা সদস্যদের নিয়ে একটি উপদেষ্টা গোষ্ঠী তৈরি হবে। কংগ্রেস সভানেত্রীর নেতৃত্বে সেই কমিটি নিয়মিত রাজনৈতিক বিষয় ও চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনায় বসবে।

     

     

  • Rahul Gandhi Remarks: চিন্তন শিবিরে ‘বেফাঁস’ মন্তব্য রাহুলের, ক্ষুব্ধ আঞ্চলিক দলের নেতারা, ড্যামেজ কন্ট্রোলে কংগ্রেস

    Rahul Gandhi Remarks: চিন্তন শিবিরে ‘বেফাঁস’ মন্তব্য রাহুলের, ক্ষুব্ধ আঞ্চলিক দলের নেতারা, ড্যামেজ কন্ট্রোলে কংগ্রেস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিরোধীদের কোনও আদর্শ নেই। উদয়পুরের চিন্তন শিবিরে(chintan shivir) এহেন মন্তব্য করে বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের(Opposition parties) বিরাগভাজন হলেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী(Rahul gandhi)। কংগ্রেসকে তাঁদের নয়, বরং আঞ্চলিক দলগুলিকে(regional parties) প্রয়োজন কংগ্রেসেরই, সাফ জানিয়ে দিলেন আঞ্চলিক দলগুলির নেতারা। রাহুলকে চালকের আসনে বসিয়ে বিজেপি-বিরোধী জোট গঠনের চেষ্টা হচ্ছিল। রাহুলের মন্তব্যে তা ধাক্কা খেল বলেই ধারণা রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের। এদিকে, আঞ্চলিক দলগুলির ‘ক্ষোভ’ সামাল দিতে তড়িঘড়ি ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামল কংগ্রেস।

    রাজস্থানের উদয়পুরে তিনদিন ব্যাপী চিন্তন শিবির হয়ে গেল কংগ্রেসের। ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনের রণকৌশল তৈরি করতেই বসেছিল শিবির। এই শিবিরে বক্তৃতা দিতে গিয়ে রাহুল বলেন, বিজেপি শুরু কংগ্রেসকে নিয়েই কথা বলবে, কোনও আঞ্চলিক দল নয়, কংগ্রেস নেতা, কংগ্রেস কর্মীদের কথাই ঘুরেফিরে উঠে আসবে তাদের মুখে। কারণ স্ব স্ব ক্ষেত্রে শক্তিশালী হলেও, আদর্শ না থাকায় আঞ্চলিক দলগুলির যে তাদের হারানোর ক্ষমতা নেই, সে কথা জানে বিজেপি। যদিও এই শিবিরেই সমমনস্ক আঞ্চলিক দলগুলির সঙ্গে জোট বেঁধে লড়ার পক্ষে মত প্রকাশ করেন খোদ সোনিয়া গান্ধি। 

    রাহুলের এহেন মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করেছে বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের নেতৃত্বের কাছ থেকে। ঝাড়খণ্ডে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার সঙ্গে জোট রয়েছে কংগ্রেসে। যৌথভাবে চলছে সরকারও। ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার নেতা সুপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, ঝাড়খণ্ড ও বিহারে যথাক্রমে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা ও রাষ্ট্রীয় জনতা দলের হাত ধরে টিকে রয়েছে কংগ্রেস। আমাদের নীতি না থাকলে বিজেপির মতো পার্টির বিরুদ্ধে মানুষ আঞ্চলিক দলকে বেছে নিচ্ছে কেন?

    বিহারে রাষ্ট্রীয় জনতা দলের সঙ্গে সমঝোতা রয়েছে কংগ্রেসের। ২০২০ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিহারে রাষ্ট্রীয় জনতা দলের সঙ্গে জোট বেঁধেই লড়াই করেছিল রাহুল গান্ধির দল। বিহারের ওই দলের তরফে রাহুলকে সেকথা স্মরণও করিয়ে দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি এও মনে করিয়ে দেওয়া হয়েছে, ১৯৯৯ সালে নেতৃত্বের প্রশ্নে নিজের দলের নেতাদের পাশে না পেলেও, লালুপ্রসাদ যাদবকে পাশে পেয়েছিলেন সোনিয়া। রাহুলের মন্তব্যের কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছে আম-আদমি পার্টি, টিআরএস এবং ওয়াইএসআর কংগ্রেস।

    আরও পড়ুন : “আপনি কি ‘ভোট সময়ের হিন্দু’?” রাহুলকে প্রশ্ন বিজেপির

    বিভিন্ন আঞ্চলিক দলের কড়া প্রতিক্রিয়া দৃশ্যতই জেরবার কংগ্রেস নেতৃত্ব। তড়িঘড়ি  ড্যামেজ কন্ট্রোলে নামানো হয় শশী তারুরকে(Shashi Tharoor)। তারুর বলেন, রাহুল বলতে চেয়েছেন যে, জাতীয় রাজনীতিতে আমাদের সুনির্দিষ্ট লক্ষ্য রয়েছে। আমাদের ভাবনা গোটা দেশকে নিয়ে। আঞ্চলিক দলগুলিকে নির্দিষ্ট অঞ্চলে নিজেদের স্বার্থ বুঝে চলতে হয়। তিনি বলেন, আমার তো মনে হয়, তৃণমূল, রাষ্ট্রীয় জনতা দল, সমাজবাদী পার্টি এমনকি ডিএমকের সঙ্গেও কংগ্রেসের আদর্শের মিল রয়েছে।

    তারুরের কথায় রাজনীতির চিঁড়ে ভেজে কিনা, তাই দেখার!

     

     

     

     

     

  • Sourav Ganguly: রাজনীতিতে আসছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়? ডোনার মন্তব্যে জল্পনা

    Sourav Ganguly: রাজনীতিতে আসছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়? ডোনার মন্তব্যে জল্পনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly)? ফের একবার এমনই গুঞ্জনে মজে বাংলা (bengal)। জল্পনার নেপথ্যে রয়েছে সৌরভের স্ত্রী ডোনার (Dona Ganguly) একটি মন্তব্য। শনিবার একটি বেসরকারি ক্লিনিকের উদ্বোধনে যোগ দিতে গিয়ে ডোনা জানান, রাজনীতিতে এলে সৌরভ ভাল কাজই করবেন।

    একুশের বিধানসভা (2021 bengal assembly election) নির্বাচনের প্রাক্কালে সৌরভ বিজেপিতে (BJP) যোগ দিচ্ছেন বলে খবর ছড়ায়। পরে অবশ্য মহারাজ নিজেই জানিয়ে দেন, খবরটির বাস্তব ভিত্তি নেই। তার পর আর বিসিসিআই (BCCI) প্রেসিডেন্টের রাজনীতিতে যোগদানের বিষয়ে উচ্চবাচ্য বিশেষ শোনা যায়নি।   

    তবে সম্প্রতি পর পর দু’ দিনের দুটি ঘটনা এবং তৎপরবর্তীকালে সৌরভের স্ত্রীর মন্তব্যে ফের একবার সৌরভের রাজনীতিতে যোগদানের বিষয় নিয়ে রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা। প্রথম ঘটনাটি ঘটে শুক্রবার। ওই সন্ধ্যায় মহারাজের বাড়িতে নৈশভোজ সারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (amit shah)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন শুভেন্দু (Suvendu) অধিকারী, অমিত মালব্যের (Amit Malviya) মতো বঙ্গ বিজেপির কয়েকজন নেতাও।

    শুক্র-সন্ধ্যার ওই রেশ মিলিয়ে যাওয়ার আগেই শনিবার সকালে ঘটে আরও একটি ঘটনা। এদিন রাজ্যের মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের (Firhad hakim) দু’ পাশে বসে থাকতে দেখা যায় সৌরভ ও ডোনাকে। এই দুই ঘটনার সঙ্গে জুড়েছে ডোনার মন্তব্য-অনুষঙ্গ। এদিন তিনি বলেন, জানি না সৌরভ রাজনীতিতে আসবে কিনা! এলে ও মানুষের জন্য খুব ভাল কাজ করবে।

    রাজনীতিতে এলে সৌরভ কোন দলে যোগ দেবেন, তা নিয়েও শুরু হয়েছে জোর চর্চা। সৌরভ নিজেই জানিয়েছেন, দিদির সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক খুবই ভাল। সিপিএম নেতা অশোক ভট্টাচার্যের সঙ্গে সৌরভের পারিবারিক সম্পর্ক রয়েছে। আর ২০০৮ সাল থেকে সৌরভের সঙ্গে পরিচয় রয়েছে বিজেপি নেতা অমিত শাহের। তাঁর ছেলে জয়ের সঙ্গে কাজও করেন সৌরভ। শাহ পরিবারের সঙ্গেও সৌরভের সম্পর্ক মধুর। তাই বিজেপি নাকি তৃণমূল নাকি সিপিএমে যোগ দেন মহারাজ, তা জানতেই মুখিয়ে বাংলা।

     

  • Amit shah: শুভেন্দুকে নিয়ে সৌরভের বাড়িতে ‘শাহি’ভোজ অমিতের, কী ছিল মেনুতে?

    Amit shah: শুভেন্দুকে নিয়ে সৌরভের বাড়িতে ‘শাহি’ভোজ অমিতের, কী ছিল মেনুতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাজের বাড়িতে ‘শাহি’ভোজ সারলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। শুক্রবার রাতে সৌরভ (Sourav) গঙ্গোপাধ্যায়ের বাড়িতে আয়োজিত ওই ভোজের অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু  (Suvendu) অধিকারী, বিজেপি নেতা অমিত মালব্য (Amit Malviya) প্রমুখ। সৌরভের বাড়ির এই ভোজ নিয়ে ফের একবার অক্সিজেন পেল মহারাজের বিজেপি যোগের জল্পনা।

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনের (2021 West Bengal Assembly election) আগে আগে মহারাজ বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন বলে গুঞ্জন ছড়ায়। তাঁকে নিরস্ত করতে শিলিগুড়ি থেকে সৌরভের বাড়িতে ছুটে আসেন সিপিএম নেতা তথা শিলিগুড়ি পুরসভার তৎকালীন মেয়র অশোক ভট্টাচার্য। তার পরেই সৌরভ জানিয়ে দেন, তাঁর বিজেপিতে যোগদানের খবর নিছকই রটনা।

    তবে সৌরভকে যে দলে পাওয়ার আশা একেবারেই ছাড়েননি বিজেপি নেতৃত্ব, তার প্রমাণ মিলল শুক্রবার। এদিন ভিক্টোরিয়া মেমরিয়ালে মুক্তি মাতৃকা নামে একটি সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ছিল। অনুষ্ঠানে নৃত্য পরিবেশন করেন মহারাজের স্ত্রী ডোনা গঙ্গোপাধ্যায়ের নাচের স্কুল দীক্ষা মঞ্জরী। ওই অনুষ্ঠান শেষে শাহ সোজা চলে যান সৌরভের বাড়িতে। তাঁর সঙ্গে ছিলেন শুভেন্দু, অমিত সহ কয়েকজন বিজেপি নেতা। এদিনের মেনুতে ছিল, ভাত, রুটি, লুচি, বেগুন ভাজা, শাহি পনির, ডাল মাখানি, আলুর দম, ভেজ কাটলেট, কাজু বরফি, মিষ্টি দই এবং রসগোল্লা। অতিথিদের সঙ্গে এদিন নৈশভোজ সারেন গৃহকর্তা সৌরভ ও তাঁর দাদা স্নেহাশিস। খাওয়াকালীন পর্বের পুরো সময়টাই ডোনা ছিলেন তদারকিতে।

    অমিত শাহ যে শুক্রবার মহারাজের বাড়িতে নৈশভোজ সারবেন, সে খবর ছড়িয়েছিল আগেই। ঘটনার দিকে শ্যেনদৃষ্টি ছিল তৃণমূল (TMC) নেতৃত্বের। যদিও এই ‘শাহি’ ভোজের’ আয়োজন নিছকই সৌজন্যমূলক, দাবি গঙ্গোপাধ্যায় পরিবারের। নৈশভোজ প্রসঙ্গে সৌরভ বলেন, ২০০৮ সাল থেকে আমি ওঁকে (অমিত শাহ) চিনি। আমি ওঁর ছেলের সঙ্গে কাজ করি। তিনি আমার বাড়িতে এসেছেন। নিরামিষ থালির ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন (2024 LS Election)। তৃতীয়বারের জন্য ক্ষমতায় ফেরার ব্যাপারে আশাবাদী বিজেপি (BJP)। লোকসভা নির্বাচনে হেভিওয়েটদের প্রার্থী করে চমক দিতে চাইছে বিজেপি। সেই তালিকায় সৌরভ থাকেন কিনা, সেটাই দেখার।

  • Cossipore BJP Leader Death: বিজেপি যুব নেতার রহস্যমৃত্যু, রণক্ষেত্র কাশীপুর, সিবিআই চাইলেন অমিত শাহ

    Cossipore BJP Leader Death: বিজেপি যুব নেতার রহস্যমৃত্যু, রণক্ষেত্র কাশীপুর, সিবিআই চাইলেন অমিত শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  দুদিনের সফরে রাজ্যে এসেছেন অমিত শাহ। আর তাঁর সফরের মধ্যেই খাস কলকাতায় বিজেপি যুব মোর্চা কর্মীর রহস্যমৃত্যু ঘিরে ধুন্ধুমার বেঁধে গেল কাশীপুরে। মৃত্যুর রহস্যভেদে সিবিআই তদন্তের দাবি তুলেছে পরিবার। একইভাবে দলের যুব নেতাকে হত্যা করা হয়েছে দাবি তুলে ঘটনাস্থলে দাঁড়িয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দিয়ে তদন্তের পক্ষে সওয়াল করলেন খোদ অমিত শাহ।

    শুক্রবার সকালে কাশীপুরে রেল কোয়ার্টারের একটি পরিত্যক্ত ঘর থেকে ২৬ বছরের অর্জুন চৌরাসিয়ার ঝুলন্ত মৃতদেহ উদ্ধার হয়। তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই খুনের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে খবর, বৃহস্পতিবার বেতন পেয়ে ঘরে ফেরেন অর্জুন চৌরাসিয়া। পরে বাইরে বের হন। কিন্তু মাঝরাত পর্যন্ত ফেরেননি। বারবার ফোন করেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। শুক্রবার তাঁর দেহ উদ্ধার হয়।

    মৃতের পরিবারের অভিযোগ, রাতে থানায় গিয়ে অর্জুনের নিখোঁজ হওয়ার কথা জানালেও গা করেনি পুলিশ। শুক্রবার সকালে মৃতদেহ উদ্ধার করতে গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়ে চিৎপুর থানার পুলিশ। ঘণ্টার পর ঘণ্টা পরিত্যক্ত ঘরেই পড়ে ছিল দেহ। মৃতদেহ উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়ার পথে আটকায় সাধারণ মানুষ। পুলিসের সঙ্গে কার্যত ধস্তাধস্তি বেঁধে যায় তাঁদের। ক্ষোভে ফেটে পড়েন এলাকার মানুষ। দফায় দফায় এলাকাবাসীর সঙ্গে পুলিসের বচসা হয়। 

    পরিবারের অভিযোগ, বিধানসভা ভোটের সময় থেকেই তৃণমূল হুমকি দিচ্ছিল অর্জুনকে। তৃণমূলের দুষ্কৃতীরাই অর্জুনকে খুন করে ঝুলিয়ে দিয়ে গিয়েছে। একই দাবি বিজেপিরও। কাউন্সিলার সজল ঘোষ ও উত্তর কলকাতার বিজেপি সভাপতি কল্যাণ চৌবে কথা বলছেন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে।

    বিজেপি সূত্রে খবর, অর্জুন কাশীপুর-বেলগাছিয়া বিজেপি যুব মোর্চার মণ্ডল সহ-সভাপতি ছিলেন। কলকাতা পুরসভার ৬ নম্বর ওয়ার্ডে বিজেপির বিভিন্ন কাজের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। এই ঘটনায় ট্যুইটে সরব হয়েছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষও। তাঁর স্পষ্ট অভিযোগ, “অর্জুন চৌরাসিয়াকে খুন করেছে তৃণমূল। খুন করে তাঁকে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়েছে। অভিজিৎ সরকারের পর আরও এক কর্মী খুন। পুলিশ নিরপেক্ষ তদন্ত করুক।”

    পরিবারের দাবি ছিল, অমিত শাহ না আসা পর্যন্ত দেহ ছুঁতে দেওয়া হবে না পুলিশকে।  ইতিমধ্যেই ওই এলাকা সিল করে দিয়েছে চিৎপুর থানার পুলিশ। ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে লালবাজারের গোয়েন্দা বিভাগ। ঘটনাস্থলে কলকাতার পুলিশের ডিসি সহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত হন। তাঁদের ঘিরেই বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন এলাকার মানুষ। অবশেষে সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা পর, অমিত শাহ পৌঁছনোর আগেই মৃতদেহ নিয়ে যায় পুলিশ।

    অমিত শাহকে সংবর্ধনা দেওয়ার আয়োজন করা হয়েছিল দলের তরফে। কাশীপুরের ঘটনার জেরে বাতিল করে দেওয়া হয় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানানোর বিজেপির কর্মসূচি। কলকাতা বিমানবন্দরে নেমেই সোজা কাশীপুর যান অমিত শাহ। সঙ্গে ছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী প্রমুখ। অর্জুনের পরিবারের সঙ্গে কথা বলার পরে শাহ বলেন, ‘‘এই হত্যাকাণ্ডের সিবিআই তদন্ত হওয়া উচিত। তাঁর দফতরও যে এই ঘটনায় পদক্ষেপ করছে তা বুঝিয়ে শাহ বলেন, ‘‘আজই রাজ্য সরকারের কাছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক রিপোর্ট তলব করছে। এই ঘটনায় দোষীদের সবাইকে কঠোর শাস্তি সুনিশ্চিত করব।’’

    সব মিলিয়ে কাশীপুরের যুবকের মৃত্যু ঘিরে সরগরম হয়ে উঠছে রাজ্য রাজনীতি।

  • Tripura bypoll: ত্রিপুরার ৪ বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন ২৩ জুন, প্রার্থী হচ্ছেন মানিক সাহা?

    Tripura bypoll: ত্রিপুরার ৪ বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচন ২৩ জুন, প্রার্থী হচ্ছেন মানিক সাহা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ঘোষিত হল ত্রিপুরার চার বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের (Tripura bypoll) নির্ঘণ্ট। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission of India) ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ২৩ জুন চার আগরতলা, বরদোয়ালি, যুবরাজনগর আর সুরমা কেন্দ্রে উপনির্বাচবন হবে। ২৬ জুন ভোটের ফল ঘোষণা। 

    কমিশন জানিয়েছে, আগামী ৩০ মে, উপনির্বাচন সংক্রান্ত নির্দেশিকা জারি হবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৬ জুন । মনোনয়ন স্ক্রুটিনী হবে ৭ জুন। মনোনয়ন প্রত্যাহার করার শেষ তারিখ ৯ জুন। ২৩ তারিখ হবে ভোটগ্রহণ এবং ২৬ জুন হবে ফল ঘোষণা। কমিশনের নির্দেশিকা অনুযায়ী, গোটা প্রক্রিয়াটি ২৮ জুনের মধ্যে সম্পন্ন হবে। নির্ঘণ্ট ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই ওই চার কেন্দ্রে আদর্শ আচরণবিধি লাগু হয়ে গিয়েছে। 

    বিজেপির দুই বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মন এবং আশিস সাহা দলত্যাগ করায় যথাক্রমে ফাঁকা হয়ে পড়ে রয়েছে আগরতলা ও বরদোয়ালি আসন দুটি। সুরমার বিজেপি বিধায়ক আশিস দাস তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় তাঁর বিধায়ক পদ খারিজ করে দেওয়া হয়। অন্য়দিকে, প্রবীণ সিপিএম বিধায়ক তথা ত্রিপুরা বিধানসভার প্রাক্তন স্পিকার রমেন্দ্র চন্দ্র দেবনাথ মারা যাওয়ায় যুবরাজনগর আসনে উপনির্বাচন জরুরি হয়ে পড়ে।

    আরও পড়ুন: ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রিত্ব ছাড়লেন বিপ্লব দেব, দায়িত্বে এলেন মানিক সাহা

    উপনির্বাচনের প্রস্তুতি জোরকদমে নিতে শুরু করে দিয়েছে বিজেপি৷  বিজেপির ত্রিপুরা ইনচার্জ তথা সাংসদ বিনোদ সোনকর ইতিমধ্যেই একাধিক বৈঠক সেরেছেন। আগামী বছর দেশের উত্তর-পূর্ব প্রান্তের এই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে, এই উপনির্বাচনকে সেমি-ফাইনাল হিসেবে দেখতে চাইছে গেরুয়া-শিবির। 

    এদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Modi) সঙ্গে দেখা করেছেন ত্রিপুরার নব-নিযুক্ত মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা (Tripura CM Manik Saha)। সম্প্রতি, বিপ্লব দেবের (Biplab Deb) পরিবর্তে তাঁকে ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর কুরসিতে বসিয়েছে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। এই উপনির্বাচনে তাঁর প্রার্থী হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। কারণ, সাংবিধানিক নিয়ম মেনে, ৬ মাসের মধ্যে যে কোনও বিধানসভা আসন তাঁকে জিতে আসতে হবে। 

    নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে তৃণমূলও। সম্প্রতি, ত্রিপুরা পুরভোটে পর্যুদস্ত হয়েছে দল। ত্রিপুরার মানুষ খালি হাতে ফিরিয়ে দিয়েছে তৃণমূলকে। তা সত্ত্বেও, উপনির্বাচনে যে তৃণমূল লড়াই করতে পারে, তার ইঙ্গিত মিলেছে। সাংসদ তথা উত্তর পূর্ব দায়িত্বপ্রাপ্ত নেত্রী সুস্মিতা দেব বলেছেন, ‘উপনির্বাচনের প্রস্তুতি আমরা নিচ্ছি৷ ত্রিপুরায় আমাদের রাজ্য দফতর খোলা হবে৷’ তৃণমূল সূত্রে খবর, উপনির্বাচনে লড়াই নিয়ে দলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সুস্মিতা দেব, রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়দের মতো ত্রিপুরার দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতাদের আলোচনাও চলছে৷

    ত্রিপুরার (Tripura) চার কেন্দ্রের পাশাপাশি পঞ্জাবের সাঙ্গরুর, উত্তরপ্রদেশের রামপুর ও আজমগড় লোকসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে ভোটগ্রহণ হবে ওইদিন। এছাড়া, অন্ধ্রপ্রদেশের আত্মাকুর, দিল্লির রাজিন্দর নগর এবং ঝাড়খণ্ডের মাদার বিধানসভা কেন্দ্রেও উপনির্বাচন হবে। এই তিন আসনের ভোটগ্রহণও হবে ২৩ তারিখেই।

  • Presidencial election: রাইসিনা হিলসের দৌড়ে বিজেপির বাজি কে?

    Presidencial election: রাইসিনা হিলসের দৌড়ে বিজেপির বাজি কে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাইসিনা হিলসে এবার আদিবাসী কোনও মহিলাকে বসিয়ে চমক দিতে পারে বিজেপি। সূত্রের খবর, সব কিছু ঠিকঠাক থাকলে এবার ফের কোনও মহিলা রাষ্ট্রপতি পেতে পারে দেশ।

    ২৫ জুলাই রাষ্ট্রপতি পদে মেয়াদ শেষ হবে রামনাথ কোবিন্দের। তাই শাসক তো বটেই বিরোধী শিবিরেও শুরু হয়ে গিয়েছে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তৎপরতা। রাষ্ট্রপতি পদে বিজেপিকে সূচ্যগ্র মেদিনী ছাড়তে রাজি নয় বিরোধীরা। ইতিমধ্যেই বিরোধী শিবিরে শুরু হয়ে গিয়েছে সলতে পাকানোর কাজ। সম্প্রতি দিল্লি গিয়েছিলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সঙ্গে উজিয়ে গিয়ে সাক্ষাৎ করেছেন আম আদমি পার্টির নেতা তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী আইআইটির প্রাক্তনী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। সূত্রের খবর, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিরোধীরা সম্মিলতিভাবে যাতে প্রার্থী দেয়, সেই জন্যই ওই তৎপরতা।

    বিরোধীরা যে ঘুঁটি সাজাচ্ছে, তা টের পেয়েছে দেশের শাসক দলও। হাত গুটিয়ে বসে নেই তারাও। একটি সূত্রের খবর, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ব্যাপারে বেশ কয়েকদফা আলোচনা শেষে সম্ভাব্য দুই প্রার্থীর নামের একটি তালিকাও তৈরি করে ফেলেছে গেরুয়া শিবির। এই তালিকার সবার ওপরে রয়েছে দ্রৌপদী মুর্মুর নাম। তিনি ওড়িষার বিজেপি নেত্রী। এক সময় ঝাড়খণ্ডের রাজ্যপাল হিসেবেও কাজ করেছেন তিনি। আদিবাসী সম্প্রদায় থেকে উঠে আসা দ্রৌপদীকে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী করে এক ঢিলে একাধিক পাখি মারার চেষ্টা করছেন পদ্ম নেতৃত্ব।

    দ্রৌপদীকে প্রার্থী করা হলে তাঁর বিরুদ্ধাচরণ করা বিরোধীদের পক্ষে সম্ভব হবে না। কারণ সেক্ষেত্রে বিরোধীদের আদিবাসী-বিরূপতা নিয়েই প্রশ্ন তুলে দেবে বিজেপি। তাছাড়া, চলতি বছরেই রয়েছে গুজরাত সহ আরও কয়েকটি রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। দ্রৌপদীকে রাইসিনা হিলসে পাঠানো গেলে ওই রাজ্যগুলির আদিবাসী ভোট এসে পড়বে গেরুয়া ঝুলিতে। ২০২৪ এর লোকসভা নির্বাচনে যার সুফলও ফলবে বলে দাবি শাসক শিবিরের।

    দ্রৌপদী ছাড়া আরও একজন রয়েছেন রাইসিনা হিলসের দৌড়ে। তিনি গুজরাতের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আনন্দী বেন প্যাটেল। বর্তমানে তিনি যোগীরাজ্যের রাজ্যপাল পদে রয়েছেন। তবে চব্বিশের মহারণের আগে দ্রৌপদীকেই রাইসিনা হিলসে পাঠিয়ে বিরোধীদের মাত দেওয়ার চেষ্টায় রয়েছে কেন্দ্রের শাসক দল।

     

  • Suvendu Adhikari: অফিসে পুলিশি হানা কেন? বিহিত চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: অফিসে পুলিশি হানা কেন? বিহিত চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগাম কোনও নোটিস ছাড়াই পুলিশ কেন হানা দিয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতার নন্দীগ্রামের (Nandigram) অফিসে? সোমবারই তা জানতে চেয়ে মুখ্যসচিবের রিপোর্ট তলব করেছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড় (Jagdeep Dhankhar)। মঙ্গলবার বেলা ১২টা পর্যন্তও সেই রিপোর্ট জমা পড়েনি। এবার সেই একই প্রশ্ন তুলে কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta high court) মামলা দায়ের করলেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (suvendu adhikari)। বিনা নোটিসে তাঁর অফিসে কেন পুলিশি হানা? প্রশ্ন তুলে আদালতের হস্তক্ষেপ চেয়ে মামলা করেছেন শুভেন্দু। মঙ্গলবার তাঁকে মামলা দায়ের করার অনুমতি দেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। বৃহস্পতিবার হবে এই মামলার শুনানি।

    শুভেন্দুর অফিসে পুলিশ কেন? রাজ্যের রিপোর্ট চাইলেন ধনকড়

    পদমর্যাদায় রাজ্যের বিরোধী দলনেতা ক্যাবিনেট মন্ত্রীর সমান। তাঁর অফিসে হানা দিতে গেলে আগাম নোটিশ জারি প্রয়োজন। অথচ রবিবার সন্ধে নাগাদ আচমকাই নন্দীগ্রামে শুভেন্দুর কার্যালয়ে তল্লাশি চালায় পুলিশ। সেই সময় কার্যালয়ে ছিলেন না বিরোধী দলনেতা। কার্যালয়ে থাকা লোকজন বাধা দিলেও, পুলিশ তল্লাশি চালায় বলে অভিযোগ। খবর পেয়েই ক্ষোভ উগরে দেন শুভেন্দু। ট্যুইটে তাঁর অভিযোগ, আগাম নোটিস, সার্চ ওয়ারেন্ট ছাড়াই তল্লাশি চালিয়েছে পুলিস। একে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে উল্লেখ করেছেন তিনি। 

    [tw]


    [/tw]

    সূত্রের খবর, শুভেন্দুর নির্বাচনী এজেন্ট মেঘনাদ পালের বাড়িতে প্রথমে হানা দেয় পুলিশ। তাঁর স্ত্রীর বিরুদ্ধে কয়েকটি অভিযোগ ওঠায় পুলিশ হানা দেয়। সেখানে তাঁকে না পেয়ে পুলিশ তল্লাশি চালায় শুভেন্দুর নন্দীগ্রামের কার্যালয়ে। ঘটনায় রাজ্যের মুখ্যসচিবের রিপোর্ট তলব করেন রাজ্যপাল। বিহিত চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হন শুভেন্দু।

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনে নন্দীগ্রামে প্রার্থী হন খোদ তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর বিরুদ্ধে বিজেপি বাজি ধরে শুভেন্দুকে। একদা বিশ্বস্ত সৈনিক শুভেন্দুর কাছে হাজার দুয়েক ভোটে ‘হেরে’ যান মমতা। শুভেন্দুর অভিযোগ, তার পর থেকেই নানাভাবে তাঁকে হেনস্থার চেষ্টা করছেন তৃণমূল নেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের বিরোধী দলনেতার(opposition leader) দাবি, নন্দীগ্রামে তাঁর কার্যালয়ে হানা দেওয়া তৃণমূল নেত্রীরই ষড়যন্ত্রের অঙ্গ। সেই কারণেই সার্চ ওয়ারেন্ট এবং আগাম কোনও নোটিস ছাড়াই হানা দেওয়া হয়েছে তাঁর কার্যালয়ে।

    আরও পড়ুন : ‘১০০ দিনের কাজের টাকা গিয়েছে তৃণমূল নেতাদের পকেটে’, তোপ সুকান্তর

     

     

  • JP Nadda: অমিত শাহের পর জুন মাসে রাজ্য সফরে আসতে পারেন জেপি নাড্ডা

    JP Nadda: অমিত শাহের পর জুন মাসে রাজ্য সফরে আসতে পারেন জেপি নাড্ডা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমিত শাহের (Amit Shah) সফরের পর রাজ্যে আসতে পারেন জেপি নাড্ডা (JP Nadda)। অন্তত তেমন একটা সম্ভাবনার আভাস মিলেছে রাজ্য বিজেপি (West Bengal BJP) সূত্রে। গতমাসে দলের সর্বভারতীয় সভাপতির সঙ্গে দিল্লিতে দেখা করেছিলেন সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। সেখানে বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নিজেই আগামী জুনে রাজ্যে আসার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন দিলীপ ঘোষের কাছে। 
     
    মে মাসে একগুচ্ছ কর্মসূচি নিয়ে রাজ্যে আসছেন দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তারপরেই জুনে বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতির বাংলায় আসা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ বলে ইঙ্গিত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। দিলীপ ঘোষ জানিয়েছেন, দলের সাংগঠনিক বিষয় নিয়ে আলোচনা করতেই রাজ্যে আসবেন সর্বভারতীয় সভাপতি।

    ৫ মে রাজ্যে আসছেন অমিত শাহ। প্রথমে উত্তর ২৪ পরগনার হিঙ্গলগঞ্জে বিএসএফের দফতর ঘুরে দেখবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। সেখান থেকে উত্তরবঙ্গে যাবেন। শিলিগুড়িতে সভা রয়েছে শাহের। ৬ তারিখ কলকাতায় বিজেপির সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দেবেন তিনি। সাংসদ-বিধায়করা ছাড়াও উপস্থিত থাকবেন, বিজেপির জেলা সভাপতিরা। সেদিন রাতেই দিল্লি ফিরে যাবেন অমিত শাহ।

    মে মাসের শুরুতে অমিত শাহ, জুনে জেপি নাড্ডা। রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের মতে, গত বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির প্রত্যাশা অনুযায়ী ফলাফল না হওয়ায় এবার সংগঠনকে ঢেলে সাজানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে রাজ্য বিজেপি। প্রাথমিক লক্ষ্য, ২০২৩ পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভাল ফল করা। পাশাপাশি মমতা (Mamata) সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনকে আরও জোরদার করতে চাইছে বিজেপির (BJP) কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। সে কারণেই পরপর দু’মাসে দুই কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের রাজ্য সফর।

     

LinkedIn
Share