Tag: bjp

bjp

  • BJP:  ডেঙ্গি ইস্যুতে বিজেপির পুরসভা অভিযানে ধুন্ধুমার,  আটক অগ্নিমিত্রা, সজল সহ একাধিক নেতা

    BJP: ডেঙ্গি ইস্যুতে বিজেপির পুরসভা অভিযানে ধুন্ধুমার, আটক অগ্নিমিত্রা, সজল সহ একাধিক নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডেঙ্গি (Dengue) ইস্যুতে বিজেপির (BJP) যুব মোর্চার পুরসভা অভিযানে ধুন্ধুমার। ডেঙ্গি-তথ্য গোপনের অভিযোগ উঠেছে পুরসভার বিরুদ্ধে। বৃহস্পতিবার ওই অভিযানে শামিল হন প্রচুর বিজেপি কর্মী-সমর্থক। ব্যারিকেড ভেঙে পুরসভায় যাওয়ার চেষ্টা করেন বিজেপি কর্মীরা। বাধা দেয় পুলিশ। এর পরেই সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউয়ে বসে পড়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন বিজেপি কর্মীরা। বিক্ষোভকারীদের হঠাতে গেলে পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় বিজেপি কর্মীদের। এদিন সকালে দলীয় সদর দফতর মুরলিধর সেন লেনের কার্যালয় থেকে কলকাতা পুরসভা অভিমুখে রওনা দেন বিজেপি কর্মীরা। মাঝপথেই পুলিশের সঙ্গে একপ্রস্ত ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। এদিন অভিযানে গিয়ে পুলিশের হাতে আটক হন আসানসোলের বিধায়ক অগ্নিমিত্রা পল, সজল ঘোষ সহ বেশ কয়েকজন।  

    ডেঙ্গি নির্মূল করতে যথাযথ কাজ করছে না কলকাতা পুরসভা। এই অভিযোগ তুলে এদিন বিক্ষোভ মিছিলে শামিল হন বিজেপি যুব মোর্চার কর্মী সমর্থকরা। কিন্তু মিছিল সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ ধরে পুরসভার দিকে এগোতেই পুলিশি বাধার মুখে পড়ে। সেখানেই প্রথমে বচসা ও পরে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়েন বিজেপি কর্মী ও পুলিশের আধিকারিকরা। এর পরেই রাস্তায় অবস্থানে বসেন অগ্নিমিত্রা পাল, সজল ঘোষ, মীনাদেবী পুরোহিতরা। সঙ্গে সঙ্গে পুলিশ কয়েকজনকে আটক করে প্রিজন ভ্যানে তোলে। ঘটনার জেরে এলাকায় ছড়ায় উত্তেজনা। ঘটনার জেরে প্রথমে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে সেন্ট্রাল অ্যাভেনিউয়ের একাংশ। পরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে ধর্মতলামুখী রাস্তাও।

    আরও পড়ুন: ভোট লুঠ চলবে না, লাঠির জবাব লাঠিতে দিন! তৃণমূলকে হুঁশিয়ারি সুকান্তর

    অগ্নিমিত্রা (Agnimitra Paul) বলেন, কয়েক মাসের মধ্যে ডেঙ্গি যেভাবে বেড়েছে, তাতে রাজ্য সরকার উদাসীন। বহু মানুষ আক্রান্ত হয়েছেন। কলকাতায়ই মারা গিয়েছেন ৫০ জন। কোভিডের সময় যেভাবে রাজ্য সরকার তথ্য কারচুপি করেছিল, এ বারেও তাই হচ্ছে। কতজন আক্রান্ত হয়েছেন, কতজন মারা গিয়েছেন, কেউ জানে না। তাঁর দাবি, সব তথ্য সরকারের ওয়েবসাইটে জানানো হোক।

    বিজেপির অভিযোগ, যেভাবে রাজ্যজুড়ে ডেঙ্গি ভয়াল রূপ নিয়েছে, তার পরেও নীরব ভূমিকা পালন করছে রাজ্য সরকার তথা কলকাতা পুরসভা। ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুর সংখ্যাও অন্যান্য বছরের রেকর্ডকে ছাপিয়ে গিয়েছে। তবুও পরিস্থিতি মোকাবিলা করার ক্ষেত্রে কোনও হেলদোল নেই সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের। এদিন অগ্নিমিত্রা ছাড়াও বিজেপি নেতা সজল ঘোষ, ইন্দ্রনীল খাঁদের আটক করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে লালবাজারে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Karnataka Elections: কর্নাটকের ভোটে বিপুল জয় বিজেপির, কংগ্রেসের অবস্থান জানেন?   

    Karnataka Elections: কর্নাটকের ভোটে বিপুল জয় বিজেপির, কংগ্রেসের অবস্থান জানেন?  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিসেম্বর মাসেই বিধানসভা নির্বাচন হওয়ার কথা গুজরাটে (Gujarat)। সেখানে বিজেপির (BJP) জয় এক প্রকার নিশ্চিত বলেই ধারণা রাজনৈতিক মহলের একাংশের। তার আগেই বাড়তি অক্সিজেন পেয়ে গেল গেরুয়া শিবির। কর্নাটকের ভোটে (Karnataka Elections) ৩৫টির মধ্যে ১৭টি আসনে জয় পেল পদ্ম শিবির। তবে কর্নাটকে বিধানসভা নির্বাচন হয়নি, বিজয়পুরা মিউনিসিপ্যাল নির্বাচনে ওই জয় পেয়েছে বিজেপি। এই মিউনিসিপ্যালিটিতে একক বৃহত্তম দল হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেছে মোদি-অমিত শাহের দল।

    ২০১৪ সালে কেন্দ্রের ক্ষমতায় আসে নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) নেতৃত্বে বিজেপি সরকার। তার পর থেকে দেশজুড়ে শুধুই উন্নয়নের জোয়ার। তার সুফলও ঘরে তুলছে বিজেপি। একের পর এক রাজ্য জয় করে চলেছে পদ্ম শিবির। বিভিন্ন আঞ্চলিক নির্বাচনেও বিপুল ভোটে বিরোধীদের পরাস্ত করে ক্ষমতা দখল করছে গেরুয়া পার্টি। কেবল কর্নাটকের বিজয়পুর মিউনিসিপ্যাল নির্বাচন নয়, ওই রাজ্যেরই কোল্লেগাল সিটি মিউনিসিপ্যাল কাউন্সিলের উপনির্বাচনেও সাতটি আসনের মধ্যে ছটিতে বিজয়ী হয়েছেন পদ্ম প্রার্থীরা। রাজ্যে দলের এই ফলে যারপরনাই খুশি বিজেপি নেতৃত্ব। দলের এই অপ্রত্যাশিত ফলের কারণে মুখ্যমন্ত্রী বাসবরাজ বোম্মাই বিজয়পুরার বিধায়ক বিজেপির বাসনাগৌড়া পাটিল ইয়াটনাল এবং দলীয় কর্মীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    আরও পড়ুন: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করতে কমিটি, সিদ্ধান্ত নিল গুজরাট সরকার

    আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, বিজয়পুরা উত্তরে কংগ্রেস (Congress) জয়ী হয়েছে মাত্র ১০টি আসনে। এআইএমআইএম জিতেছে দুটি আসন। আর জনতা দল সেকুলার জিতেছে মাত্রই একটি আসনে। পাঁচটি আসনে জয়ী হয়েছেন নির্দল প্রার্থীরা। বিজয়পুরা ও কোল্লেগালের ভোট হয়েছিল ২৮ অক্টোবর। ফল প্রকাশ হয় ৩১ তারিখ, সোমবার।

    প্রসঙ্গত, বিজয়পুরায় ভোট হল ছ বছর পরে। সিটি মিউনিসিপ্যালিটি থেকে কর্পোরেশনে উন্নীত হওয়ার পর এই প্রথম হল নির্বাচন। বোর্ড গঠনে নির্দল প্রার্থীদেরও সমর্থন মিলবে বলে আত্মবিশ্বাসী বিজেপির স্থানীয় নেতৃত্ব। এদিকে, কোল্লেগালে যে সাতটি আসনে উপনির্বাচন হয়েছে, সেগুলিতে বহুজন সমাজবাদী পার্টির কাউন্সিলররা বিজেপিতে যোগ দেন কিছু দিন আগেই। তার জেরেই হয়েছে উপনির্বাচন। এই উপনির্বাচনের পর ৩১ আসনের কোল্লেগালের রাজনৈতিক ছবিটা দাঁড়াল এইরকম। বিজেপির সদস্য সংখ্যা ১৩, কংগ্রেসের ১১ এবং বহুজন সমাজবাদী পার্টির ২। চারটি আসনে জয়ী হয়েছেন নির্দল প্রার্থীরা।  

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Suvendu Adhikari: তৃণমূলকে পঞ্চায়েত ভোটে জিতিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন! অভিযোগ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: তৃণমূলকে পঞ্চায়েত ভোটে জিতিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন! অভিযোগ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী বছরের মার্চ-এপ্রিল মাসের মধ্যেই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Election) অনুষ্ঠিত হতে চলেছে। আর এরই মাঝে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) রাজ্য নির্বাচন কমিশনের (State Election Commission) বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন। তৃণমূলকে পঞ্চায়েত ভোটে জিতিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার রাজ্য নির্বাচন কমিশনের অফিসের সামনে দাঁড়িয়ে এমনটাই অভিযোগ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। কমিশন প্রকাশিত খসড়া ‘রিজার্ভেশন রোস্টার’ নিয়ে আপত্তি জানাতে সেখানে গিয়েছিলেন তিনি। আর তারপরেই তাঁকে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ করতে দেখা গেল। শুধু তাই নয়, এদিন রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে রাজ্যের শাসকদলের তাঁবেদার বলেও কটাক্ষ করেন তিনি।

    তিনি এদিন অভিযোগ করেছেন, “আগামী পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূলকে জিতিয়ে দেওয়ার লাইসেন্স করে দিচ্ছে রাজ্য নির্বাচন কমিশন।” পঞ্চায়েত নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ১৮ অক্টোবর ‘রিজার্ভেশন রোস্টার’ বের করেছে কমিশন। আর একে নিয়েই আপত্তি জানিয়েছেন শুভেন্দু। কমিশন প্রকাশিত খসড়ায় বলা হয়েছে, কোন আসন মহিলা এবং কোন আসন তপশিল জাতি এবং উপজাতিদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। কিন্তু শুভেন্দু অধিকারী অভিযোগ করেছেন, এই খসড়া নিয়ম মাফিক তৈরি করা হয়নি। স্থানীয় ভাবে কোনও সমীক্ষা না করেই তৃণমূল নেতা এবং সরকার-ঘনিষ্ঠ আমলাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে খসড়াটি তৈরি হয়েছে। তাই তিনি দাবি করেছেন, এই খসড়া সমীক্ষা বাতিল করে ওবিসি জনসংখ্যা ৭.৫ শতাংশ ধরে নতুন সংরক্ষণের তালিকা রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে বার করতে হবে।  

    আরও পড়ুন: পশ্চিমবঙ্গেও সিএএ প্রয়োগ হবে, সুবিধা পাবেন মতুয়ারাও, ঘোষণা শুভেন্দুর

    তিনি এদিন আরও অভিযোগ করেছেন, এই খসড়া নিয়ে যাতে বিরোধীরা কোনও আপত্তি না করতে পারে তার জন্য এই খসড়া ছুটির সময়ে প্রকাশ করা হয়েছে আর পরামর্শ দানের শেষ দিনও রাখা হয়েছে ২ নভেম্বর। আর ২ নভেম্বরও ছুটির দিন। ফলে এমন সময়ে কীভাবে খসড়া বের করতে পারে তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধী দলনেতা। ফলে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে জানান, এই ‘ড্রাফট সার্ভে’ বাদ দিয়ে নতুন করে সমীক্ষা করতে হবে। আর তা না হলে তিনি আদালতের দ্বারস্থ হবেন। বিজেপি নেতা আরও দাবি করেছেন “তৃণমূল ব্লকের নেতা, যারা একশো দিনের কাজের টাকা চুরি করেছেন, তাঁদের সঙ্গে মিলে বিডিওরা ‘ড্রাফট পাবলিকেশন’ করেছেন। একে চূড়ান্ত করলে আমি আদালতের দ্বারস্থ হব।”

    এর আগেও ২০১৮ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচন নিয়ে রাজ্য জুড়ে ব্যাপক সন্ত্রাসের অভিযোগ উঠেছিল শাসকদলের বিরুদ্ধে৷ এমনকি পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছিল ৷ আর এবার ভোটের আগে খোদ রাজ্য নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করলেন শুভেন্দু অধিকারী।

  • Rashtra Sevika Samiti: ‘রাজনীতির ঊর্ধ্বে সমাজসেবা, সবার ওপরে মাতৃত্ব…’, জানুন আরএসএসের মহিলা সংগঠনের আদর্শ

    Rashtra Sevika Samiti: ‘রাজনীতির ঊর্ধ্বে সমাজসেবা, সবার ওপরে মাতৃত্ব…’, জানুন আরএসএসের মহিলা সংগঠনের আদর্শ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনীতির ঊর্ধ্বে সমাজসেবা। তবে সবার ওপরে মাতৃত্ব। এই নীতিতেই বিশ্বাসী আরএসএসের (RSS) মহিলা সংগঠন রাষ্ট্র সেবিকা সমিতি (Rashtra Sevika Samiti)। ১৯৩৬ সালে গড়ে ওঠে আরএসএসের এই মহিলা সংগঠন। আরএসএসের তুলনায় মহিলাদের (Women) এই সংগঠন খুবই ছোট। সংগঠনের প্রধান ভি শান্তা কুমারী, সংগঠনে যিনি শান্তাক্কা নামেই পরিচিত। তিনি জানান, বিভিন্ন রাজ্যে সংঘের যেখানে ৩০০০ প্রচারক রয়েছে, সেখানে সমিতির প্রচারিকা মাত্র ৫২। বিস্তারক রয়েছেন দেড়শো জন। সংগঠনের শাখা রয়েছে ২ হাজার ৭০০টি। সেবিকা রয়েছেন ৫৫ হাজার।

    তিনি জানান, সমিতিতে (Rashtra Sevika Samiti) স্বেচ্ছাসেবিকার কাজ করেন সেবিকারা। বিস্তারিকারা শর্ট টার্ম সদস্য। প্রচারিকারা হলেন সেই সব সদস্য যাঁরা সমিতির জন্য জীবন উৎসর্গ করার শপথ নিয়েছেন। প্রচারিকা হতে গেলে বয়স হতে হবে ২৫ থেকে ৭০ এর মধ্যে।

    সেবিকা (Rashtra Sevika Samiti) সমিতির প্রধান জানান, সমিতি তিনটি মূল নীতির ওপর ভর করে কাজ করে। এগুলি হল, মাতৃত্ব, কর্তব্য এবং নেতৃত্ব। তিনি বলেন, সেবিকা সমিতি জিজা মাতা (জিজাবাঈ ভোঁসলে)-র আদর্শ অনুসরণ করে। যিনি শিবাজিকে শিক্ষা দিয়েছিলেন, গড়ে তুলেছিলেন। শান্তা কুমারী বলেন, আমাদের সংগঠনে হাজার হাজার গৃহিণী রয়েছেন, যাঁরা সন্তান-সংসার সামলেও, সোশ্যাল ওয়ার্ক করেন। আমরা তাঁদের কখনও বলিনা শাখায় এস, অথবা পরিবারের অমতে সমতিতে যোগ দাও। তিনি বলেন, মাতৃত্ব এবং কর্তব্য আমাদের কাছে সব চেয়ে আগে। এবং এগুলিই মহিলাদের নেতৃত্বদানের ক্ষমতাকে বিকশিত করে।

    আরও পড়ুন: সংখ্যালঘু-সংখ্যাগুরু বিভাজনে বিশ্বাস করে না আরএসএস, সাফ জানালেন প্রচার প্রমুখ

    সেবিকা সমিতির (Rashtra Sevika Samiti) প্রধান বলেন, আমরা মহিলাদের বলিনা যে পরিবার ছেড়ে আমাদের সংগঠনে যোগ দিন। আমরাও সংগঠন বিস্তারের কর্মসূচি নিয়েছি। ২০২৫ সালের মধ্যে অন্তত ১ হাজার বিস্তারিকার একটি শক্তপোক্ত গোষ্ঠী তৈরি করব। তিনি বলেন, মহিলাদের পক্ষে সংসার ছেড়ে সংগঠনের জন্য জীবন উৎসর্গ করা সহজ নয়। কিন্তু আমরা তরুণীদের বলি, বাবা-মাকে বোঝাতে। জাতি গঠনের প্রয়োজনে যে এই সংগঠনে যোগ দেওয়া প্রয়োজন, সেকথাই বোঝাতে বলি। আরএসএসের (RSS) অখিল ভারতীয় প্রচার প্রমুখ সুনীল আম্বেকর বলেন, মহিলারা সংসার করেন। তাই পাবলিক লাইফে তাঁদের অংশগ্রহণ সাধারণত কম। তিনি বলেন, তবে সংগঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে সেবিকা সমিতি। সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে তাঁদের অবদানও বিরাট।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • BJP: জম্মু-কাশ্মীরে ভুল করেছিলেন নেহরু, সংশোধন করেছেন মোদি, দাবি বিজেপির

    BJP: জম্মু-কাশ্মীরে ভুল করেছিলেন নেহরু, সংশোধন করেছেন মোদি, দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu & Kashmir) ভুল করেছিলেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু। দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীর সেই ভুল সংশোধন করেছেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। ভূস্বর্গ থেকে ৩৭০ ধারা (Article 370) রদও করেছেন মোদি। এই ভুলের জন্য কংগ্রেসের (Congress) ক্ষমা চাওয়া উচিত, দাবি বিজেপির (BJP)।

    জম্মু-কাশ্মীরের ভারতে অন্তর্ভুক্তিকরণের ৭৫তম বর্ষ পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে বিজেপির (BJP) মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া বলেন, দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পাঁচটি ভুল করেছিলেন। এর মধ্যে ছিল এই অঞ্চলের রাজা হরি সিংয়ের ভারত অন্তর্ভুক্তিকরণ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করাও। তিনি বলেন, এর মূল্য চোকাতে হয়েছে ভারতকে। জম্মু-কাশ্মীরের একটি অংশ দখল করে নিয়েছে পাকিস্তান।  

    বিজেপির (BJP) এই মুখপাত্র বলেন, ১৯৪৭ সালের জুলাই মাসে এনিয়ে সওয়াল করেছিলেন রাজা হরি সিং। যদিও তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ আবদুল্লা দেশের স্বার্থ উপেক্ষা করে স্বার্থ খুঁজে বেড়াচ্ছিলেন তাঁর ও তাঁর বন্ধুদের। এর পরেই কংগ্রেসকে আক্রমণ করে ভাটিয়া বলেন, যদি সময় মতো উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া যেত, তাহলে ভারতের কোনও অংশই পাকিস্তান দখল করতে পারত না। এই ইস্যুতে তখন থেকেই কংগ্রেস মিথ্যে বলে আসছে। গোপন করতে চাইছে সত্য। তিনি বলেন, ঘরোয়া বিষয়টিকে নেহরু তখন নিয়ে গেলেন রাষ্ট্রসংঘে। পার্টি করলেন পাকিস্তানকে।

    আরও পড়ুন: সন্ত্রাসবাদে অর্থ জোগানোর অভিযোগের তদন্তে জম্মু-কাশ্মীরে তল্লাশি এনআইএ-র, গ্রেফতার ১

    বিজেপির (BJP) এই মুখপাত্র বলেন, কংগ্রেস কৌশলে গণভোটের ধারণাটি ভাসিয়ে দিয়েছিল। যদিও স্বাধীনতা আইনে এর কোনও সংস্থান ছিল না। ওই সময় একশোরও বেশি রাজ্য ভারতের অন্তর্ভুক্ত হয়েছিল। তিনি জানান, জম্মু-কাশ্মীর যা এখন একটি কেন্দ্র শাসিত অঞ্চল, সেখানে জারি করা হয়েছিল ৩৭০ ধারা। যার জন্য দেশকে চড়া মূল্য চোকাতে হয়েছে। ভাটিয়া বলেন, তৎকালীন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বল্লভভাই প্যাটেল নেহরুকে বলেছিলেন, অন্যান্য দেশীয় রাজ্যের মতো জম্মু-কাশ্মীরও যদি ভারতের অন্তর্ভুক্ত হত, তাহলে সম্ভবত এখানে কোনও জেহাদি সন্ত্রাসবাদী থাকত না। তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর এই ভুলগুলিই সংশোধন করেছেন মোদি। এবং তাঁর সুযোগ্য নেতৃত্ব বিশ্বকে পথ দেখাচ্ছে। এই পদ্ম নেতা বলেন, এই সব ভুলের জন্য ক্ষমা চাওয়া উচিত কংগ্রেসের।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Malaria Outbreak: ডেঙ্গির পাশাপাশি রাজ্যে বাড়ছে ম্যালেরিয়ার প্রকোপও, আক্রান্ত কত জানেন?

    Malaria Outbreak: ডেঙ্গির পাশাপাশি রাজ্যে বাড়ছে ম্যালেরিয়ার প্রকোপও, আক্রান্ত কত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক ডেঙ্গিতে রক্ষে নেই, ম্যালেরিয়া দোসর! রাজ্যে ডেঙ্গিতে আক্রান্তের হার বাড়ছে দিনের পর দিন। এরই মধ্যে আলোড়ন পড়েছে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের পাঠানো একটি রিপোর্টে। ওই রিপোর্ট অনুযায়ী, চলতি বছর এখনও পর্যন্ত রাজ্যে ম্যালেরিয়ায় (Malaria Outbreak) আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৮৪৮ জন। মাস দুয়েক আগেও এই সংখ্যাটা ছিল ২ হাজার ৭০০। জানা গিয়েছে, যাঁরা ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন, তাঁদের সিংহভাগই হচ্ছেন ফ্যালসিপেরাম ম্যালেরিয়ায়।

    রাজ্যে মশাবাহিত রোগের হাল হকিকৎ কী এবং প্রতিরোধে কী কী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে, তার রিপোর্ট কেন্দ্রকে পাঠানো বাধ্যতামূলক। সেই মতো তথ্য পাঠিয়েছে রাজ্য সরকারও। সেই তথ্যের ভিত্তিতে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের পাঠানো রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে ম্যালেরিয়ার (Malaria Outbreak) কথা। জানা গিয়েছে, রাজ্যে এখনও পর্যন্ত ডেঙ্গির বলি হয়েছেন ৬৩ জন। আক্রান্তের সংখ্যা ৪৫ হাজার। কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা, মুর্শিদাবাদ ও দার্জিলিং এই ছটি জেলা ডেঙ্গিপ্রবণ।

    ডেঙ্গির এই বাড়বাড়ন্তের মধ্যেই থাবা বসিয়েছে ম্যালেরিয়া (Malaria Outbreak)। রাজ্য সরকারের তথ্য অনুযায়ী, জুলাই ও আগস্ট মাসে রাজ্যে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ৯ হাজার ৭৪৪ জন। আর কেন্দ্রের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে অগাস্ট মাসের শেষ দিন পর্যন্ত এ রাজ্যে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা ১৩ হাজার ৮১২। এর মধ্যে ফ্যালসিফেরাম ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ৯০২। মৃত্যু হয়েছে একজনের। কেন্দ্রের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ম্যালেরিয়া আক্রান্তের নিরিখে দেশের মধ্যে তৃতীয় স্থানে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ।

    আরও পড়ুন: দুয়ারে সরকার নিয়ে কী খবর প্রকাশ পাচ্ছে, নজর রাখার নির্দেশ নবান্নর, কিন্তু কেন?

    কেন্দ্রের রিপোর্ট প্রকাশ্যে আসতেই রাজ্য সরকারকে নিশানা করেছে বিজেপি (BJP)। পদ্ম শিবিরের অভিযোগ, কেন্দ্রের কাছে ডেঙ্গি নিয়ে সঠিক তথ্য পাঠাচ্ছে না রাজ্য। শনিবারও ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন এক তরুণী। মৃত্যু হয়েছে উত্তর ২৪ পরগনার দেগঙ্গার বছর পঁচিশের ওই বধূর। রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে সরকারকে কটাক্ষ করেছেন বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীও। তিনি বলেন, ভয়ঙ্কর অবস্থা। সরকার নেই। সরকার ছুটি কাটাচ্ছে। দুর্গাপুজোয় ১১ দিন, কালীপুজোয় ৮দিন, ছুটি আর ছুটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Uniform Civil Code: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করতে কমিটি, সিদ্ধান্ত নিল গুজরাট সরকার

    Uniform Civil Code: অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করতে কমিটি, সিদ্ধান্ত নিল গুজরাট সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিসেম্বরেই বিধানসভা নির্বাচন হতে চলেছে গুজরাটে (Gujrat)। প্রত্যাশিতভাবেই মাঠে নেমে পড়ছে সব দল। ক্ষমতায় ফিরতে কোমর বেঁধে নেমে পড়েছে বিজেপি (BJP)। কংগ্রেস (Congress) এখনও সেভাবে ঘর গুছিয়ে উঠতে পারেনি। তবে কোমর কষে ইতিমধ্যেই মাঠে নেমে পড়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের আম আদমি পার্টি (AAP)। এমতাবস্থায় বিরোধীদের মাত দিতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগু করার সিদ্ধান্ত নিল গুজরাট সরকার। গুজরাটে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল। শনিবার অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করতে একটি কমিটি গঠনের কথা ঘোষণার কথা বলেছেন তিনিই। কমিটির নেতৃত্বে থাকবেন হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত এক বিচারপতি।

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) লাগু প্রসঙ্গে গুজরাটের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী হর্ষ সাংগাভি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বে মুখ্যমন্ত্রী ভূপেন্দ্র প্যাটেল আজ মন্ত্রিসভার বৈঠকে একটি ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। রাজ্যে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি কার্যকর করতে একটি কমিটি গঠন করা হবে বলে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) হল দেশের সব নাগরিকের জন্য এক আইন। দেশের সব ধর্মীয় সম্প্রদায়ের ব্যক্তিগত ক্ষেত্রেও একই আইন কার্যকর হবে। উত্তরাধিকার, বিবাহ, বিবাহ বিচ্ছেদ এবং সন্তান দত্তক নেওয়ার ক্ষেত্রেও দেশের সব নাগরিককেই একই আইন মেনে চলতে হবে। ভারতীয় সংবিধানের ৪৪ নম্বর অনুচ্ছেদে এর উল্লেখ রয়েছে। সেখানে বলা হয়েছে, ভারতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি লাগু করতে উদ্যোগ নিতে হবে রাষ্ট্রকে।

    আরও পড়ুন: দোরগোড়ায় গুজরাট ভোট, রণকৌশল স্থির করতে বৈঠকে মোদি-শাহ

    প্রসঙ্গত, ১৮ অক্টোবর দেশের শীর্ষ আদালতকে কেন্দ্র জানিয়েছিল দেশে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (Uniform Civil Code) প্রয়োজন। এজন্য প্রয়োজন একটি আইন প্রণয়ন করা। সরকারের যুক্তি ছিল, ধর্মভিত্তিক ব্যক্তিগত বিভিন্ন আইন জাতীয় ঐক্যের অবমাননা। অভিন্ন দেওয়ানি বিধিই বিভিন্ন সম্প্রদায়কে একটি ছাতার তলায় নিয়ে আসবে এবং নিশ্চিত করবে ভারতের একীকরণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Shivraj Patil: শিবরাজের ‘গীতা-জিহাদ’ সম্পর্কের কথা কংগ্রেসের হিন্দু বিরোধী মানসিকতারই প্রকাশ, সাফ কথা বিজেপির

    Shivraj Patil: শিবরাজের ‘গীতা-জিহাদ’ সম্পর্কের কথা কংগ্রেসের হিন্দু বিরোধী মানসিকতারই প্রকাশ, সাফ কথা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গীতা (Gita) নিয়ে কংগ্রেসের (Congress) প্রবীণ নেতা শিবরাজ পাটিলের (Shivraj Patil) মন্তব্যের জেরে কড়া প্রতিক্রিয়া দিল বিজেপি। তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদও (VHP)। কংগ্রেসকে নিশানা করেছেন বিজেপির মুখপাত্র তথা রাজ্যসভার সাংসদ সুধাংশু ত্রিবেদীও। তিনি বলেন, এই মন্তব্যের দায় নেওয়া উচিত কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট মল্লিকার্জুন খাড়গে অথবা কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধীর।  

    বৃহস্পতিবার বই প্রকাশের এক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে শিবরাজ (Shivraj Patil) বলেন, কেবল কোরানে নয়, জিহাদের (Jihad) উল্লেখ রয়েছে শ্রীমদ্ভগবদগীতায়ও! এর পরেই দেশজুড়ে শুরু হয় তীব্র বিতর্ক। শিবরাজের মন্তব্যের প্রেক্ষিতে সমালোচনার ঝড় বইতে থাকে গোটা দেশে। কড়া মন্তব্য করেন গেরুয়া নেতৃত্বও। বিজেপির মুখপাত্র সঈদ শাহনাওয়াজ হুসেন শিবরাজকে আক্রমণ করেন বলেন, একজন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর এই মন্তব্য অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক। তিনি বলেন, শিবরাজ পাটিল (Shivraj Patil) জিহাদের সঙ্গে গীতার সংযোগ খুঁজে পেয়েছেন! আমরা জানি কংগ্রেস হিন্দু সমাজের ওপর রেগে রয়েছে। হুসেন বলেন, কিন্তু জিহাদের সঙ্গে হিন্দু ধর্মের সংযোগের কথা বলে কংগ্রেস না হিন্দু, না মুসলমান কাউকেই খুশি করতে পারবে না।

    বিজেপির (BJP) জাতীয় মুখপাত্র সেহজাদ পুন্নাওয়ালা বলেন, ক্ষমা চাওয়ার পরিবর্তে শিবরাজ পাটিল (Shivraj Patil) শ্রীকৃষ্ণ অর্জুনকে জিহাদের বার্তা দিয়েছিলেন বলে দাবি করছেন। এর পরে পরেই আমরা দেখছি কংগ্রেসের অন্য এক মুখপাত্র উদিত রাজ হিন্দুদের বিরুদ্ধে বিষোদ্গার করছেন। এই দুই ঘটনা সমাপতন নয়, ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখার খেলা। বিজেপির দাবি, এটা কংগ্রেসের হিন্দু বিরোধী মানসিকতারই প্রকাশ।

    আরও পড়ুন: অর্জুনকে জিহাদের শিক্ষা দিয়েছিলেন শ্রীকৃষ্ণ! কংগ্রেস নেতা বলেন কী?

    বিজেপির আর এক নেতা সুধাংশু ত্রিবেদী বলেন, কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরে হিন্দু, হিন্দুত্ব এবং হিন্দুস্তানের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে। পাটিলের (Shivraj Patil) মন্তব্য এরই অন্য একটি অধ্যায়। কংগ্রেস নেতারা আগেও বোকা হারাম এবং তালিবানের সঙ্গে হিন্দুত্বের তুলনা টেনেছিল। শিবরাজের (Shivraj Patil) এই বিতর্কিত মন্তব্যের তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছে বিশ্ব হিন্দু পরিষদও। পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মিলিন্দ পারান্ডে কংগ্রেসকে একহাত নিয়ে বলেন, তারা দায়িত্বজ্ঞানহীন। সস্তা জনপ্রিয়তা পেতে এবং সমাজে অস্থিরতা সৃষ্টি করতে এসব করছে। এর পরেই শিবরাজকে নিশানা করে তিনি বলেন, আমি জানি না উনি (পাটিল) কোন গীতা পড়েছেন। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের এই নেতার দাবি, গীতার কোথাও জিহাদের কোনও উল্লেখ নেই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Suvendu Adhikari: ডিসেম্বরেই পতন হচ্ছে তৃণমূল সরকারের? কী বললেন শুভেন্দু?

    Suvendu Adhikari: ডিসেম্বরেই পতন হচ্ছে তৃণমূল সরকারের? কী বললেন শুভেন্দু?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডিসেম্বর মাসেই এই সরকার ল্যাম্পপোস্ট হয়ে যাবে। রবিবার যাদবপুরের বিজয়গড়ে কালীপুজোর উদ্বোধন করতে এসে এমনটাই বললেন বিরোধে দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বর্তমান রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তুলে তিনি বলেন, ” কালীপুজোয় মায়ের কাছে অনুরোধ করব ২০২৩ সালে যেন আমরা চোরমুক্ত বাংলা দেখতে পাই। দেখুন না কী হয়! ডিসেম্বর মাসেই এই সরকার ল্যাম্পপোস্ট হয়ে যাবে।” শুভেন্দুর এই দাবিকে ইঙ্গিতপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। সূত্রের খবর, ডিসেম্বর মাসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে আর্থিক দেউলিয়া সরকার ঘোষণা করতে পারে কেন্দ্রীয় সরকার। ফলে আর ঋণ নিতে পারবে না রাজ্য সরকার। যা আর্থিক সংকট ডেকে আনতে পারে। তখন এই সরকারকে ফেলা অনেকটাই সহজ হবে।

    আরও পড়ুন: দেশের সুরক্ষা যাদের কাঁধে, প্রথা মেনে তাঁদের সঙ্গে দীপাবলি পালন করতে কার্গিলে মোদি 

    শুভেন্দু আরও বলেন, “ডিসেম্বর মাসের পরে এই সরকারটা সরকার হিসেবে থাকবে না। মর্নিং শোজ দ্যা ডে। দেখতে পাচ্ছেন ২০১৪ সালের টেট উত্তীর্ণ বঞ্চিত প্রার্থীরা করুণাময়ীর সামনে লাগাতার অবস্থান করছেন। সরকার চলে গিয়েছে কোর্টে। ১৪৪ ধারা জারি করতে কোর্টে যেতে হয়েছে। এই সরকার দুর্বল সরকার। যে সরকারে কোনও ক্ষমতা থাকে না সে কোর্টে চলে যায়। ডিসেম্বরের আগেই এই সরকার দুর্বল সরকারে পরিণত হয়ে গিয়েছে।”

    আরও এক বিস্ফোরক দাবি করে বিরোধী দলনেতা বলেন, “পুলিশের পাশাপাশি আন্দোলন ভাঙতে সরকারকে ভাঙড়- ক্যানিং থেকে ক্যাডারও আনতে হয়েছিল মেধাবী যুবক যুবতীদের আন্দোলন ভাঙতে। নিরস্ত্র অবস্থায় শান্তিপূর্ণ গণতান্ত্রিক আন্দোলন করছিল ওরা। তাদের বল পূর্বক আন্দোলন ভাঙা হয়েছে।”

    এদিকে গরু পাচার মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন বীরভূমের (Birbhum Politics) দাপুটে নেতা অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। আর সেই ফাঁকেই ভাঙছে বীরভূম তৃণমূল। কেষ্টর জেলে যাওয়ার পরই দুর্বল হচ্ছে তৃণমূলের বীরভূমের দুর্গ? পরপর দু’দিন জেলার তৃণমুল নেতাদের কার্যকলাপে এমনই ইঙ্গিত পাওয়া গেল।

    শুভেন্দু অধিকারীর সম্প্রতি পোস্ট করা একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, তিনি সিউড়ির বামণী কালীমন্দিরে পুজো দিচ্ছেন। কিন্তু সেই ভিডিও নজর কেড়েছেন দুই তৃণমূল কাউন্সিলর। ভিডিওতে যে দুই তৃণমূল নেতাকে শুভেন্দুর সঙ্গে দেখা গিয়েছে, তাঁদের একজন সিউড়ির ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর উজ্জ্বল চট্টোপাধ্যায় এবং অন্যজন হলেন ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর কুন্দন দে। ভিডিওটি প্রকাশ্যে আসতেই জল্পনা শুরু হয়ে গিয়েছে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Himachal Assembly Polls: এবার বিজেপির প্রার্থী আরও এক ‘চায়েওয়ালা’, শিমলা সদরে সঞ্জয় সুদ

    Himachal Assembly Polls: এবার বিজেপির প্রার্থী আরও এক ‘চায়েওয়ালা’, শিমলা সদরে সঞ্জয় সুদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এও এক চায়েওলার গল্প! এক চায়েওয়ালা নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) হয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী। এবার হিমাচল প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে (Himachal Assembly Polls) আরও এক চায়েওয়ালাকে প্রার্থী করল বিজেপি (BJP)। এই কেন্দ্রে চার বার জয়ী হয়ে মন্ত্রী হয়েছিলেন বিজেপির সুরেশ ভরদ্বাজ। তাঁকে সরিয়ে শিমলা সদর (Shimla Urban) কেন্দ্রে বিজেপি টিকিট দিয়েছে সঞ্জয় সুদ নামে এক ব্যক্তিকে। শিমলা শহরেই একটি চায়ের দোকান চালান দীর্ঘদিনের পদ্ম-কর্মী সঞ্জয়। শিমলা সদর থেকে সরিয়ে সুরেশকে প্রার্থী করা হয়েছে কাসুমটি কেন্দ্রে। শিমলা সদরে প্রার্থী হতে পেরে আপ্লুত সঞ্জয়। দলের প্রতি কৃতজ্ঞতাও ব্যক্ত করেছেন তিনি। সঞ্জয় বলেন, বিজেপি আমার মতো একজনকে প্রার্থী করায় আমি দলের প্রতি কৃতজ্ঞ। মনে হচ্ছে সপ্তম স্বর্গে আছি। শিমলা সদর কেন্দ্র দল আমাকে প্রার্থী করেছে। আজ মনে হচ্ছে, বিজেপির জন্য কাজ করার এই সিদ্ধান্তটা ঠিকই ছিল।

    সঞ্জয় জানান, অত্যন্ত গরিব পরিবারে জন্ম তাঁর। আরএসএসের সহযোগিতায়ই স্কুলে পড়াশোনার সুযোগ পেয়েছিলেন। জানতে পেরেছিলেন ভারতীয় সংস্কৃতি সম্পর্কে। স্কুলের পাঠ চুকিয়ে যান কলেজে। শিমলা বাসস্ট্যান্ডে খবরের কাগজ বিক্রি করে পড়াশোনার খরচ চালাতেন। কলেজে পড়াকালীন আরএসএসের ছাত্র সংগঠন বিদ্যার্থী পরিষদের সঙ্গে যুক্ত হন তিনি। স্টুডেন্টস কাউন্সিলের হয়ে কাজ করেছিলেন পাঁচ বছর। অর্থনৈতিক কারণে আর কাজ করতে পারেননি। এরপর সংসারের হাল ধরতে দু বছর মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভের কাজ করেন। ১৯৯১ সালে শিমলায় খোলেন চায়ের দোকান।

    আরও পড়ুন: দীপাবলির উপহার! ২২ অক্টোবর ৭৫ হাজার চাকরিপ্রার্থীকে নিয়োগপত্র তুলে দেবেন মোদি

    শিমলা বিধানসভা নির্বাচনে (Himachal Assembly Polls) বিজেপির এই প্রার্থী জানান, ১৯৮০ সালে বিজেপি গঠনের সময় থেকেই তিনি দলের একনিষ্ঠ সৈনিক। প্রথমে শিমলা সদর মণ্ডল কমিটির সাধারণ সম্পাদক হয়েছিলেন। পরে ওই কমিটির সহ সভাপতি হন। আরও পরে হন বিজেপির শিমলা জেলার মিডিয়া ইনচার্জ। বিজেপির মিডিয়া ইনচার্জ থাকাকালীনই সঞ্জয়কে শিমলা মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের টিকিট দিয়েছিল দল। দুবার কাউন্সিলরও হয়েছিলেন। পরে করা হয় সিমলা শাখার সভাপতি। আর এবার তাঁকে করা হল বিধানসভার প্রার্থী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share