Tag: bjp

bjp

  • Raj Raj: কমল হাসান হিন্দু নন, চোল রাজা বিতর্কে বিস্ফোরক বিজেপি নেতা

    Raj Raj: কমল হাসান হিন্দু নন, চোল রাজা বিতর্কে বিস্ফোরক বিজেপি নেতা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চোল রাজা (Chola King) রাজরাজ (Raj Raj) হিন্দু ছিলেন কীনা, তা নিয়ে অব্যাহত বিতর্ক। এরই মধ্যে অভিনেতা-রাজনীতিক কমল হাসানকে নিশানা করলেন বিজেপি নেতা এইচ রাজা (H Raja)। তিনি বলেন, কমল হাসান হিন্দু নন, তাঁর গোটা পরিবার ধর্ম প্রচারক (Evangelized)। তিনি কমল হাসানের একটি সাক্ষাৎকারের ভিডিও শেয়ার করেছিলেন। যেখানে কমলকে কাজ করতে দেখা যাচ্ছে একটি খ্রিষ্টান আর্টস অ্যান্ড কমিউনিকেশন সেন্টারে। তখন তিনি বিশ্বে খিষ্ট্রের বাণী প্রচার করছিলেন।

    চোল রাজা রাজরাজ (Raj Raj) হিন্দু ছিলেন কীনা তা নিয়ে বিতর্ক শুরু হয় জাতীয় পুরস্কার জয়ী তামিল পরিচালক ভেত্রমারানের একটি মন্তব্যের জেরে। তিনি বলেছিলেন, চোল রাজ রাজরাজ (Raj Raj) হিন্দু ছিলেন না। ব্রিটিশ সাম্রাজ্যবাদী শক্তি ভারতে আসার পর হিন্দু শব্দের উৎপত্তি হয়েছে বলেও দাবি তাঁর। তামিল পরিচালকের এই বক্তব্য সমর্থন করেছিলেন কমল হাসান। ভেত্রমারানের দাবি, মণিরত্নমের ছবি পোন্নিয়িন সেল্ভান ১এ চোল রাজা রাজরাজকে হিন্দু হিসেবে দেখানো হয়েছে। আদতে তা নয়। তাঁর দাবি, ছবিটি তৈরি হয়েছে কল্কি কৃষ্ণমূর্তির ঐতিহাসিক উপন্যাসের গল্প থেকে। ছবির প্রধান চরিত্র অরুলমোঝিবর্মণ। ইনিই পরবর্তীকালে রাজরাজ চোল নামে খ্যাত হন।

    আরও পড়ুন : ক্ষমা চাইতে হবে, হিন্দু দেব-দেবীদের নিয়ে আপ মন্ত্রীর বিতর্কিত মন্তব্যে ক্ষুব্ধ বিজেপি

    এই ছবির প্রেক্ষিতেই কমল হাসান বলেন, রাজরাজ (Raj Raj) চোলের সময় হিন্দু ধর্মই ছিল না। তিনি বলেন, তখন ছিল বৈনভম, শিবম এবং সমানম। এই তিনটিকে একত্রিত করতে ব্রিট্রিশরাই হিন্দু শব্দটি চালু করেছিলেন। কমল হাসান বলেন, যেমন করে তারা তুতুকুদিকে তুতিকোরিন করেছে। কমল হাসানের বক্তব্য খারিজ করে বিজেপি নেতা বলেন, কমল হাসানের অভ্যাসই হল কোনও কিছু খুঁটিয়ে না পড়া। কিন্তু এটা অস্বীকার করা যায় না যে তিনি করণ থাপারকে জানিয়েছিলেন, পয়সার জন্য বাইবেল বিক্রি করেছিলেন তিনি। তাঁর ভাই চন্দ্রা হাসানকে কবর দেওয়া হয়েছিল খ্রিষ্টান রীতি মেনে। দক্ষিণ ভারতের কালচারাল ইতিহাসের এক গবেষক বলেন, যদিও চোল রাজরাজ (Raj Raj) ছিলেন কট্টর শৈব, শিব মন্দিরের পাশাপাশি তিনি নির্মাণ করেছিলেন বিষ্ণু মন্দিরও। তিনি বলেন, তাঁরা দুর্গা, শক্তি এবং কালীর পুজোও করতেন, যেমন করতেন মুরুগান এবং গণেশের আরাধনাও।

     

       দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • Gujarat Election: দোরগোড়ায় গুজরাট ভোট, রণকৌশল স্থির করতে বৈঠকে মোদি-শাহ

    Gujarat Election: দোরগোড়ায় গুজরাট ভোট, রণকৌশল স্থির করতে বৈঠকে মোদি-শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোরগোড়ায় গুজরাট বিধানসভার নির্বাচন (Gujarat Election)। রণকৌশল স্থির করতে শুক্রবার রাতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) সঙ্গে বৈঠক করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তাঁর সঙ্গে ছিলেন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী ভুপেন্দ্র প্যাটেল এবং দলের রাজ্য ইউনিটের প্রধান সিআর পাটিল। সূত্রের খবর, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির দিল্লির বাসভবনে ঘণ্টা পাঁচেক ধরে চলেছে ওই বৈঠক। গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনে কীভাবে বিরোধীদের মাত দেওয়া যায়, মূলত তা নিয়েই আলোচনা হয়েছে বিজেপির এই তিন নেতার।

    রাজনৈতিক মহলের মতে, এই বৈঠকের গুরুত্ব কম নয়। কারণ বৈঠকটি এমন একটি সময় অনুষ্ঠিত হয়েছে, যার ঠিক আগে আগেই হিমাচল প্রদেশ বিধানসভার নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। নভেম্বরের ১২ তারিখে হবে হিমাচল প্রদেশ বিধানসভার নির্বাচন। আশা করা যায়, এ মাসেরই পরের দিকে ঘোষণা হয়ে যাবে গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের (Gujarat Election) নির্ঘণ্ট। প্রসঙ্গত, এর আগে গুজরাট বিধানসভা নির্বাচন হয়েছিল ২০১৭ সালের ডিসেম্বরের প্রথম দিকে। এবারও তেমনই হওয়ার সম্ভাবনা। 

    আরও পড়ুন: ভোটের মুখে জোর ধাক্কা গুজরাট কংগ্রেসে, ৬ মাসের কারাদণ্ডের সাজা জিগনেশ মেবানির

    গুজরাটে শক্ত ভিতের ওপর দাঁড়িয়ে রয়েছে বিজেপি (BJP)। এই রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জিতেছে ছ বার। সব মিলিয়ে ক্ষমতায় ছিল ২৭ বছর। এ রাজ্যে পদ্ম শিবিরের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী এতদিন ছিল কংগ্রেস। এবার লড়াইয়ের ময়দানে হাজির অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল আম আদমি পার্টি। দিল্লি দখলের পর ইতিমধ্যেই এই দল কংগ্রেসের হাত থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে পাঞ্জাবের রশি। এবার তারা হানা দিতে চাইছে মোদির রাজ্যে। দ্রুত গতিতে চলছে সংগঠন গড়ার কাজ। বিজেপির হাত থেকে রাজ্যের রশি কেড়ে নিয়ে গুজরাটের তখতে বসতে চাইছে কেজরিওয়ালের দল। তবে সেটা যে সহজ নয়, তা বলছেন গুজরাটের রাজনীতির কারবারিরাই। এদিন হিমাচল প্রদেশের সঙ্গে সঙ্গে গুজরাট বিধানসভা নির্বাচনের (Gujarat Election)  নির্ঘণ্টও নির্বাচন কমিশন ঘোষণা করবে বলে আশাবাদী ছিলেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারা। শেষমেশ ঘোষণা হয় কেবল হিমাচল প্রদেশে বিধানসভার ভোটের দিনক্ষণ। এখন দেখার, মোদির রাজ্যে কবে বাজে বিধানসভা ভোটের ঘণ্টা!

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Mominpur: ৪ ঘণ্টা পর মুক্তি পেলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি, লালবাজার থেকে সরাসরি গেলেন সিএমআরআই-এ

    Mominpur: ৪ ঘণ্টা পর মুক্তি পেলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি, লালবাজার থেকে সরাসরি গেলেন সিএমআরআই-এ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোমিনপুরের উদ্দেশে বেরিয়েছিলেন, কিন্তু চিংড়িঘাটার কাছে আটক করা হয় বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে (Sukanta Majumdar)। তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল লালবাজারে। তারপর সন্ধ্যাবেলায় ছাড়া পেলেন তিনি। এরপরেই তিনি সরাসরি চলে যান সিএমআরআই-এ। সংঘর্ষে আহত হয়েছিলেন কয়েকজন। আর তাঁদের দেখতেই পৌঁছে যান সুকান্ত মজুমদার। চিকিৎসাধীন ব্যক্তিদের সঙ্গে কথা বলার জন্য লালবাজার থেকে সরাসরি যান হাসপাতালে। অন্যদিকে সুকান্ত মজুমদারের আগেই হাসপাতালে পৌঁছে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    আরও পড়ুন: মোমিনপুর যাওয়ার পথে চিংড়িঘাটায় গ্রেফতার সুকান্ত মজুমদার, নিয়ে আসা হল লালবাজার

    এদিন সুকান্ত মজুমদার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মোমিনপুরের ঘটনা নিয়ে তোপ দাগেন। এমনকি মমতার পদত্যাগের দাবি তুলে সরব হন তিনি। পাশাপাশি কলকাতা পুলিশকেও কটাক্ষ করতে ছাড়েননি তিনি। রাজ্য পুলিশকে ‘অপদার্থ’ বলে আখ্যা দেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “এরাজ্যের নাগরিকদের নিরাপত্তা কোথায়?” তিনি রাজ্যের পরিস্থিতি নিয়ে ক্ষোভ উগড়ে দিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন, গত ২ দিন ধরে মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি থেকে মাত্র ৩ কিমি দূরে খিদিরপুর সংলগ্ন এলাকায় দুষ্কৃতি দ্বারা তাণ্ডব চলেছে। ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন সাধারণ মানুষ। ফলে এরাজ্যের নাগরিকদের নিরাপত্তা কোথায়? মহিলাদের সুরক্ষা কোথায়? ফলে প্রথম থেকেই রাজ্যের বিরোধী দল মোমিনপুরের পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন ও এই পরিস্থিতির জন্য শাসক দলকেই কটাক্ষ করেছেন।

    অন্যদিকে আজ সুকান্ত মজুমদারকে গ্রেফতারির প্রতিবাদে শহরের পাশাপাশি জেলায় জেলায় বিক্ষোভে নামেন বিজেপির কর্মীরা। মুরলীধর সেন লেন, এমজি রোড, সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউতে বিক্ষোভে রাস্তায় নামেন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। গ্রেফতারির প্রতিবাদ ও রাজ্যে আইনশৃঙ্খলা অবনতির অভিযোগে মুরলীধর সেন লেন থেকে বিজেপির মিছিল বের হয়। সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ আটকে বিক্ষোভ দেখিয়েছিল বিজেপি নেতা-কর্মীরা। বিক্ষোভকারীদের মধ্যে ছিলেন কাউন্সিলর সজল ঘোষও। এদিকে মোমিনপুরের ঘটনার প্রতিবাদে এদিন রাজভবনে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী-সহ অন্যান্যরা। সেখান থেকে ঘটনার প্রতিবাদে সোচ্চার হন তাঁরা। এরপর লালবাজারে যান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

    প্রসঙ্গত, শনিবার থেকে উত্তপ্ত মোমিনপুর। আজ সেখানেই যাচ্ছিলেন সুকান্ত মজুমদার। যাওয়ার পথেই আটক করা হয়েছিল তাঁকে ও লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হয়। যদিও পরে তাঁকে সন্ধ্যাবেলায় ছেঁড়ে দেওয়া হয়। আবার মোমিনপুরের ঘটনার পর রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে, এর ফলে রাজ্যপাল এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে চিঠি দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী।

  • Ashok Gehlot: গেহলটের সঙ্গে আদানির ছবি, রাহুল গান্ধীর বক্তব্য দিয়ে খোঁচা বিজেপির

    Ashok Gehlot: গেহলটের সঙ্গে আদানির ছবি, রাহুল গান্ধীর বক্তব্য দিয়ে খোঁচা বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের বড় শিল্পপতিদের সঙ্গে সুসম্পর্ক বজায় রাখার কারণে বরাবরই কংগ্রেসের কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় বিজেপিকে। বিশেষ করে দুই শিল্পপতির নাম উল্লেখ করে বহুবার কেন্দ্রীয় সরকারকে খোঁচা দিয়েছে নাম নিয়ে বরাবরই কেন্দ্রীয় সরকারকে আক্রমণ করছে এই প্রধান বিরোধী দল। কংগ্রেস বছরের পর বছর দাবি করে এসেছে, গরিবের চোখের জলের বিনিময়ে আদানি-আম্বানিকে ধনকুবের করেছে বিজেপি। কংগ্রেসের সেই দাবিকে উদ্ধৃত করেই কংগ্রেসকে (Ashok Gehlot) নিশানা করল বিজেপি। 

    রাজস্থান বিনিয়োগ সম্মেলনে রাজ্য সরকার আম্বানি এবং আদানিকে (Gautam Adani) বিনিয়োগের জন্য আমন্ত্রণ জানিয়েছে। উভয় উদ্যোক্তার কোম্পানিই মোটা অঙ্কের টাকা বিনিয়োগ করছে সেই রাজ্যে। শুক্রবার গৌতম আদানি এবং অশোক গেহলটের (Ashok Gehlot) বৈঠক নিয়ে কংগ্রেসকে কটাক্ষ করেছে বিজেপি। সেই বৈঠকের ছবিও ভাগ করে নিয়েছেন অমিত মালব্য।

     

    বিজেপির রাজ্য সভাপতি ডক্টর সতীশ পুনিয়া বলেন “গতকাল পর্যন্ত যে প্রতিপক্ষ ছিল, আজ সে বন্ধু, টাকার লোভে বদলে গেল আদর্শ।” বিজেপির রাজ্য সভাপতি সতীশ পুনিয়াও ট্যুইটারে একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, সংসদে বক্তৃতা দেওয়ার সময়, রাহুল গান্ধী বলেছেন, “ভারতে যাই ঘটুক না কেন, আদানি জিকে সেখানে দেখা যায়।” জয়পুরে একটি  সমাবেশে রাহুল গান্ধীর দেওয়া বক্তৃতার একটি অংশও ভিডিওতে রয়েছে, সেখানে তিনি বলছেন, “যেখানেই দেখবেন, সেখানেই দুজন মানুষকে দেখতে পাবেন। আদানি জি  এবং আম্বানি জি।” সংসদে অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের দেওয়া উত্তরটিও ভিডিওতে যুক্ত করা হয়েছে। এতে তিনি বলেছেন যে “অশোক গেহলট (Ashok Gehlot), যিনি জনসভায় আম্বানি-আদানির বিরুদ্ধে কথা বলছিলেন, পরের দিনই তাঁদের সঙ্গে মৌ  স্বাক্ষর করলেন।”    

     



     
    রাজস্থানে বিনিয়োগ সম্মেলন ২০২২-এর প্রথম দিনে আদানি গ্রুপ ৬০,০০০ কোটি টাকার বিনিয়োগের জন্য একটি মৌ স্বাক্ষর করেছে। সংবাদমাধ্যমের সামনে আদানি গ্রুপের চেয়ারম্যান গৌতম আদানি এই ঘোষণা করেন। মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলটও (Ashok Gehlot) গৌতম আদানির পাশে দাঁড়িয়েছিলেন। শীর্ষ সম্মেলনে বিনিয়োগকারী শিল্পপতিদের থাকার জন্য রাজস্থান সরকারের পক্ষ থেকে পাঁচ তারা হোটেলও বুক করা হয়েছে।  

    আরও পড়ুন: কংগ্রেস সভাপতির নির্বাচন লড়বেন না অশোক গেহলট, সোনিয়ার কাছে চাইলেন ক্ষমা     
     
    বিরোধী দলের নেতা রাজেন্দ্র রাঠোড় বলেন, “মুখ্যমন্ত্রী ১০ লক্ষ কোটি টাকা বিনিয়োগের দাবি করছেন কিন্তু ৯০ শতাংশ বিনিয়োগ আসবে না। সরকার নিজেই অনিশ্চয়তায় রয়েছে। রাজস্থানে বিনিয়োগের পরিবেশ নেই।” রাঠোড় রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে বিনিয়োগ সামিটের নামে লক্ষ লক্ষ টাকা নষ্ট করার অভিযোগও করেছেন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

      

  • PFI: পিএফআইয়ের র‌্যাডারে স্বয়ং মোদি, বোমা মেরে ওড়ানোর হুমকি অযোধ্যা-মথুরার মন্দিরও!

    PFI: পিএফআইয়ের র‌্যাডারে স্বয়ং মোদি, বোমা মেরে ওড়ানোর হুমকি অযোধ্যা-মথুরার মন্দিরও!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার দাঁত, নখ বের করতে শুরু করেছে নিষিদ্ধ ইসলামিক সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (Popular Front of India)। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফে আগামী পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে ইসলামিক এই সংগঠনকে। তার পরেই মহারাষ্ট্রের বিজেপির (BJP) এক বিধায়ককে মুণ্ডচ্ছেদের হুমকি দিয়েছে পিএফআইয়ের (PFI) এক সদস্য। ইসলামিক এই সংগঠনের সঙ্গে আইসিস এবং বাংলাদেশের জামাত-উল-মুজাহিদিন জঙ্গি গোষ্ঠীর যোগ রয়েছে বলে অভিযোগ। এই সংগঠন ভারত বিরোধী কাজেও লিপ্ত। এই জোড়া অভিযোগের জেরে আপাতত নিষিদ্ধ করা হয়েছে পিএফআইকে। হুমকি চিঠি পেয়ে থানার দ্বারস্থ হয়েছেন ওই বিজেপি বিধায়ক।

    দায়ের করা এফআইআরে বিজেপি বিধায়ক বিজয়কুমার দেশমুখ অভিযুক্ত করেছেন পিএফআই (PFI) নেতা মহম্মদ সফি বিরাজদারকে। তাঁর দাবি, সফি তাঁর মুণ্ডচ্ছেদ করা হবে বলে হুমকি চিঠি দিয়েছেন। কেন্দ্রীয় সরকার পিএফআইকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করায় তাঁকে এই সাজা দেওয়া হবে। কেবল তাই নয়, আত্মঘাতী বম্বারদের দিয়ে অযোধ্যার রাম মন্দির এবং কৃষ্ণ জন্মভূমি মন্দির উড়িয়ে দেওয়ার হুমকিও দিয়েছেন পিএফআইয়ের (PFI) ওই নেতা। খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং আরও কয়েকজন দক্ষ রাজনীতিবিদও তাঁদের র‌্যাডারে রয়েছেন। পিএফআই নেতার বিরুদ্ধে অভিযোগ পেয়েই তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। চিঠির সত্যতা যাচাই করছে সোলাপুর পুলিশ।

    পুজোর আগে আগেই পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে পিএফআইকে (PFI)। ইউএপিএ আইনে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয় ইসলামিক ওই সংগঠনকে। কেবল পিএফআই নয়, নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে সিএফআই, অল ইন্ডিয়া ইমাম কাউন্সিল, রিহ্যাব ইন্ডিয়া ফাউন্ডেশন, ন্যাশনাল উইমেন্স ফ্রন্টকেও। অভিযোগ, এরা প্রত্যেকেই বেআইনি নানা কার্যকলাপের সঙ্গে যুক্ত। বেআইনি কার্যকলাপের পাশাপাশি সন্ত্রাসবাদে মদত দেওয়ার অভিযোগে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে এই সংগঠনগুলিকে।

    প্রসঙ্গত, পিএফআইয়ের (PFI) ডেরায় হানা দিয়ে দেশের ১০টি রাজ্য থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে একশোরও বেশি পিএফআই সদস্যকে। তার পরেই জানা গিয়েছিল, নাগপুরে আরএসএসের সদর দফতর ও বিজেপির শীর্ষস্তরের কয়েকজন নেতাও ছিলেন পিএফআইয়ের র‌্যাডারে। পিএফআইয়ের টার্গেট যে বিজেপিই, এদিন ফের একবার স্পষ্ট হয়ে গেল সেটি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

  • PFI: নিশানা ছিল আরএসএস হেডকোয়ার্টার! আত্মঘাতী জঙ্গি নিয়োগ করেছিল পিএফআই?

    PFI: নিশানা ছিল আরএসএস হেডকোয়ার্টার! আত্মঘাতী জঙ্গি নিয়োগ করেছিল পিএফআই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরএসএস (RSS) এবং বিজেপি (BJP) নেতাদের টার্গেট করেছিল সদ্য নিষিদ্ধ ইসলামিক সংগঠন পপুলার ফ্রন্ট অফ ইন্ডিয়া (Popular Front of India)। অন্তত মহারাষ্ট্রের অ্যান্টি টেররিস্ট স্কোয়াডের (ATS) তদন্তে উঠে এসেছে এই তথ্য। সম্প্রতি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে পিএফআইকে। দেশজুড়ে পিএফআই এবং তার সহযোগী সংস্থার ডেরায় হানা দিয়েছে এনআইএ। দেশের ১০টি রাজ্য থেকে গ্রেফতার করা হয়েছে একশোরও বেশি পিএফআই সদস্যকে। তার পরে ক্রমেই ফাঁস হচ্ছে  পিএফআইয়ের একের পর এক গোপন ছক!

    নাগপুরে রয়েছে আরএসএসের সদর দফতর। জানা গিয়েছে, এই দফতর এবং বিজেপির শীর্ষস্তরের নেতারা ছিলেন পিএফআইয়ের রাডারে। আসন্ন দশেরা উৎসবে যেসব আরএসএস নেতা যোগ দেবেন, তাঁদের গতিবিধি সম্পর্কে তথ্য জোগাড়ের পরিকল্পনাও করেছিল পিএফআই। গোয়েন্দা নোটে বলা হয়েছে, দেশের শান্তি শৃঙ্খলা বিঘ্নিত করে অস্থিরতা তৈরির পরিকল্পনা করেছিল পিএফআই। সংগঠনের প্রবীণ নেতারা দিল্লির তিহার জেলে বন্দি থাকায় তারা আপসেট হয়ে পড়েছিল। ওই নোটে এও বলা হয়েছে, পিএফআই বেশ কয়েকজন আত্মঘাতী জঙ্গি নিয়োগ করেছিল। এই আত্মঘাতী জঙ্গিদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল এনআইএ, ইডি এবং সরকারি আধিকারিকদের টার্গেট করতে। কারণ পিএফআই বিশ্বাস করে এই সংস্থাগুলি তাদের লক্ষ্য পূরণে প্রধান বাধা। বিভিন্ন হিন্দু সংগঠন ও নেতাদের আক্রমণ করার দায়িত্বও বর্তেছিল আত্মঘাতী ওই জঙ্গিদের ওপর।

    উত্তর প্রদেশেও সংগঠন বাড়াচ্ছিল পিএফআই। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, সম্প্রতি এই নিষিদ্ধ সংগঠন সদস্য সংগ্রহ অভিযানে নেমেছিল। এই সদস্যদের কাজ ছিল আরও বেশি করে হিন্দু মেয়েদের ইসলাম ধর্মে দীক্ষিত করা। যাঁরা ধর্মান্তরিত হবেন, তাঁদের বাড়ি, টাকাপয়সা এবং চাকরির প্রতিশ্রুতিও দেওয়া হচ্ছিল। পিএফআই লখনউ-বারাবাঁকি সীমান্তের কাকোরির কুর্সি গ্রামে একটি প্রশিক্ষণ শিবিরও চালাত। এই শিবিরেই কীভাবে হিন্দু মেয়েদের ইসলামে ধর্মান্তরিত করতে হবে, তা শেখানো হত।

    আরও পড়ুন : টার্গেট আরএসএস? সংঘের ওপর গুপ্তচরবৃত্তি চালাত পিএফআই! চক্রান্ত ফাঁস

    কেরলে আরএসএস এবং বিজেপির অফিস এবং তাদের সদস্যদের সম্পত্তিতে পেট্রো-বম্ব হামলা চালানো হয়েছিল। বিভিন্ন হিন্দু সংগঠনের গাড়িতে আগুনও লাগিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনাও ছিল পিএফআইয়ের। গোটা রাজ্যে এরকম প্রায় ২০টি হামলার ঘটনায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে। পুলিশ গ্রেফতার করেছে ১৫ জনকে। এর মধ্যে দুজন এসডিপিআই সদস্য।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • BJP Durga Puja: রাজ্য বিজেপির বিশেষ ‘চমক’! দলের দুর্গাপুজো করবেন এক মহিলা ‘অব্রাহ্মণ’ পুরোহিত

    BJP Durga Puja: রাজ্য বিজেপির বিশেষ ‘চমক’! দলের দুর্গাপুজো করবেন এক মহিলা ‘অব্রাহ্মণ’ পুরোহিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২০ সালে সল্টলেকের EZCC-তে দুর্গা পূজা শুরু করে বঙ্গ বিজেপি (BJP West Bengal))। প্রবল উৎসাহের সঙ্গে শুরু হয়েছে এই পূজা (Durga Puja 2022)। এবছরও রাজ্যের বিরোধী দল পিছিয়ে নেই। রাজ্য বিজেপির উদ্যোগে কলকাতায় দলীয় পুজো জাঁকজমকভাবেই করা হচ্ছে। তবে এবারে বিজেপির এই পুজোর এক চমক রয়েছে, কারণ এবারের তাঁদের পুজোর পুরোহিত হলেন, এক মহিলা। অর্থাৎ এবার এক নারীশক্তির আবাহন করবেন অন্য এক নারী। তাঁর নাম সুলতা মণ্ডল (Sulata Mondal)।

    তবে কে এই সুলতা মণ্ডল? জানা গিয়েছে, রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের ছাত্রী সুলতা মণ্ডল এবং তিনি সুকান্ত মজুমদারের জেলার মেয়ে। জানা গিয়েছে সুকান্ত যে গৌড়বঙ্গ বিশ্ব বিদ্যালয়ের অধ্যাপক ছিলেন, সুলতা সেই বিশ্ববিদ্যালয়েরই ছাত্রী। সুলতা পেশাদার মহিলা পুরোহিত। ‘অব্রাহ্মণ’ সুলতা দক্ষিণ দিনাজপুরের গঙ্গারামপুর থানার বাতাসকুড়ি গ্রামের বাসিন্দা। বয়স মাত্র ২৮। তবে এই বয়সে শাস্ত্রজ্ঞানে পারদর্শী মণ্ডল পরিবারের একমাত্র কন্যা। চণ্ডীপাঠেও একইভাবে দক্ষ সুলতা। আর এবার তাঁর হাতেই হবে বিজেপির ‘ দূ্র্গতিনাশিনী’র আবাহন। সুকান্ত বোটানির শিক্ষক হলেও বাংলার বিভাগের ছাত্রী সুলতা তাঁকে সুকান্তস্যার হিসাবেই চেনেন। সেই সুলতাই এবার পুজোর এক বিশেষ দায়িত্ব পেয়েছেন। ফলে এবারের পুজোর এক উল্লেখযোগ্য বিষয়ই হল, এই প্রথমবার এখানে পুজো করবেন মহিলা পুরোহিত। 

    আরও পড়ুন: বিজেপির দুর্গা পুজোর উদ্বোধন করলেন সুকান্ত মজুমদার, দেখুন ছবি.

    সূত্রের খবর অনুযায়ী, এবার রাজ্য সভাপতি আগেই ঠিক করেছিলেন, কোনও মহিলা পুরোহিতই দলের হয়ে উমার আরাধনায় যোগ দেবেন। আর দলের পক্ষেও ঠিক হয়েছে, সুকান্তের সেই ছাত্রী সুলতাই হবেন পুরোহিত।

    আজ মহাষষ্ঠী, আর এরই মধ্যে পুজোর উদ্বোধন করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। ঠিক ছিল উদ্বোধনে আসবেন অমিত শাহ কিংবা মিঠুন চক্রবর্তী। কিন্তু পরে রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারই আদ পুজোর উদ্বোধন করেন। এনাকে আজ ঢাক বাজাতে দেখা গিয়েছে। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন রাহুল সিনহা, অগ্নিমিত্রা পাল সহ বিজেপির নেতা-নেত্রীরা। এবারের বিজেপির দুর্গাপুজোর থিম ‘দুর্গতিনাশিনী দশভূজা’। এই থিমে রাজ্যের দুর্নীতির কথা তুলে ধরা হয়েছে।

  • Sukanta Majumdar: এফআইআর নিচ্ছে না পুলিশ! অভিষেকের ‘গুলি’ মন্তব্যের বিরুদ্ধে আদালতে সুকান্ত

    Sukanta Majumdar: এফআইআর নিচ্ছে না পুলিশ! অভিষেকের ‘গুলি’ মন্তব্যের বিরুদ্ধে আদালতে সুকান্ত

     মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির (BJP) নবান্ন অভিযানে পুলিশের ধৈর্যের প্রশংসা করে গুলি চালানো নিয়ে একটি মন্তব্য করেছিলেন তৃণমূলের (TMC) সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। তা নিয়ে অভিযোগ জানাতে পুলিশের দ্বারস্থ হয়েছিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। অভিযোগ, অভিষেকের বিরুদ্ধে মামলা নিতে চায়নি পুলিশ। অগত্যা ব্যাংকশাল কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছেন সুকান্ত।

    বিজেপির নবান্ন অভিযানের দিন ব্যাপক অশান্তি হয়। জখম হন এক পুলিশ কর্তাও। তাঁকে দেখতে গিয়ে অভিষেক বলেন, ওনাকে বলেছি, আপনাকে স্যালুট জানাই। আপনার জায়গায় যদি আমি থাকতাম, তাহলে মাথায় গুলি করতাম। তৃণমূল নেতার এই মন্তব্যের বিরুদ্ধে পুলিশে অভিযোগ দায়ের করতে গিয়েছিলেন সুকান্ত। পুলিশ অভিযোগ না নেওয়ায় আদালতের শরণ নেন তিনি। বিজেপির রাজ্য সভাপতি বলেন, এ ব্যাপারে থানায় অভিযোগ দায়ের করতে গেলে তা নেওয়া হয়নি। তাই আদালতের দ্বারস্থ হলাম।

    আরও পড়ুন : বিজেপির নবান্ন অভিযানে ‘অশান্তি’, সিবিআই তদন্তের দাবি অনুসন্ধান কমিটির রিপোর্টে

    আইনজীবী লোকনাথ চট্টোপাধ্যায় জানান, এদিন ব্যাংকশাল কোর্টে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের ওই ‘গুলি’ মন্তব্য নিয়ে মামলা দায়ের হয়েছে। বিজেপির রাজ্য সভাপতির দুই আইনজীবী কল্লোল মণ্ডল ও অজিত মিশ্র আদালতকে বলেন, রাজ্যের শাসক দলের দুর্নীতির বিরুদ্ধে বিজেপির কর্মসূচি ছিল। সেই কর্মসূচিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের নামে কর্মীদের ওপর অত্যাচার করে পুলিশ। লাঠি, কাঁদানে গ্যাস, বোম সহ নানা ধরনের পদক্ষেপ করা হয়। এর ফলে অনেকে অসুস্থ হয়ে পড়েন। পরে আবার বিজেপি কর্মীদেরই মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হয়। এর পর অভিষেক ওই মন্তব্য করেন। এই দুই আইনজীবী বলেন, এটি এক ধরনের অপরাধমূলক মন্তব্য। এ নিয়ে পুলিশের কাছে অভিযোগ জানাতে গেলে নেওয়া হয়নি। তাঁদের প্রশ্ন, তাহলে মানুষ কোথায় অভিযোগ জানাতে যাবেন? শুনানি পর্ব চলাকালীন সরকারি আইনজীবীরা আদালতে হইচই করেন বলে অভিযোগ সুকান্তর। তিনি বলেন, তবে বিচার ব্যবস্থার ওপর আমাদের পূর্ণ আস্থা রয়েছে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • BJP on congress poll: কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দিগ্বিজয় ডামি প্রার্থী, কটাক্ষ গেরুয়া শিবিরের

    BJP on congress poll: কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে দিগ্বিজয় ডামি প্রার্থী, কটাক্ষ গেরুয়া শিবিরের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস (Congress) প্রেসিডেন্ট পদে লড়ছেন বর্ষীয়ান নেতা দিগ্বিজয় সিং (Digvijaya Singh)। রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী গান্ধী (Gandhi) পরিবারের ঘনিষ্ঠ অশোক গেহলট ওই পদে লড়ছেন না বলে জানিয়ে দিয়েছেন। তার আগেই অবশ্য মনোনয়নপত্র তুলেছেন দিগ্বিজয়। জানিয়ে দিয়েছেন, কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট পদে যিনিই লড়ুন না কেন, তিনি কাজ করবেন গান্ধী পরিবারের ছত্রছায়ায়। দ্বিগ্বিজয় ছাড়াও লড়াইয়ের মাঠে রয়েছেন শশী থারুর এবং গান্ধী পরিবারের আস্থাভাজন রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে। এই নির্বাচনে মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দিগ্বিজয়ের লড়াইয়ের সিদ্ধান্তকে একহাত নিয়েছেন বিজেপি নেতৃত্ব। কংগ্রেসের এই নির্বাচন মানুষ আদৌ বিশ্বাস করবেন না বলেই মনে করে গেরুয়া শিবির।

    আরও পড়ুন : দ্বিগ্বিজয়, কমল নাথ না গেহলট! কংগ্রেস সভাপতি নির্বাচনে শশী থারুরের প্রতিদ্বন্দ্বী কে?

    অশোক গেহলটকে প্রক্সি নম্বর ওয়ান বলে সম্বোধন করে বিজেপির মুখপাত্র শেহজাদ পুন্নাওয়ালা বলেন, কংগ্রেস হাইকমান্ডের প্রতি বেওয়াফাই হওয়ায় অশোক গেহলটকে সরে যেতে বলা হয়েছে। লড়াইয়ের ময়দানে প্রার্থী করা হয়েছে ডামি দিগ্বিজয়কে। গেহলট মনোনয়ন দাখিল করতে না পারায় ওই পরিবার কি তাঁর সঙ্গে আপসেট হয়ে পড়েছেন?

    বিজেপির আর এক নেতা অমিত মালব্য বলেন, গেহলট সরল। দলের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার আগেই তিনি বিদ্রোহ ঘোষণা করেছেন। অন্যদিকে, দিগ্বিজয় সিংকে নির্বাচিত হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। তার পরেই পদক্ষেপ করতে পারবেন তিনি। ট্যুইট বার্তায় মালব্য বলেন, দিগ্বিজয় একজন কূটরাজনীতিজ্ঞ। কংগ্রেস প্রেসিডেন্ট হওয়ার আগেই অশোক গেহলট যা করেছেন গান্ধীদের প্রতি তিনি তাই করবেন ভোটে জেতার পর। 

    অন্য একটি ট্যুইটে মালব্য লেখেন, মনে রাখতে হবে তাঁরও একটি ছেলে রয়েছে। গান্ধীদের প্রান্তিক শক্তিতে পরিণত করার এটি প্রথম ধাপ।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Suvendu Adhikari: কেন্দ্রের টাকায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা দিচ্ছে রাজ্য, অভিযোগ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: কেন্দ্রের টাকায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা দিচ্ছে রাজ্য, অভিযোগ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের টাকায় লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের (Laxmir Bhandar) টাকা দিচ্ছে রাজ্য। শনিবার এই ভাষায়ই রাজ্য সরকারকে আক্রমণ শানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, ন মাস ধরে চুরি করছে। হিসাব দিতে না পারায় বন্ধ ১০০ দিনের টাকা। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা জানান, কেন্দ্রের জল প্রকল্পের টাকাও পাবে না। রাজ্য সরকারের পাশাপাশি এদিন নাম না করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ও রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়কেও নিশানা করেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক। বলেন, জাতীয় শিক্ষা মিশনের টাকা থেকে ভাইপো, পার্থরা কাটমানি খেয়েছেন। এঁদের টাকা খাওয়ার সব রাস্তা বন্ধ হয়ে আসছে।

    এদিন পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দকুমারে একটি রক্তদান শিবিরে যোগ দেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। সেখানেই রাজ্য সরকার এবং অভিষেক-পার্থকে লক্ষ্য করে তোপ দাগেন তিনি। পরে নিক্ষেপ করেন ট্যুইট-বাণও। শুভেন্দু লেখেন, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের মহিলা ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজকল্যাণ বিভাগ, বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য বরাদ্দ করা কেন্দ্রীয় সরকারের তহবিলের ব্যবহার অন্যত্র করছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পেও সেই টাকা ব্যবহার করা হচ্ছে।

    অন্য একটি ট্যুইটে শুভেন্দু লেখেন, আমি এটা প্রমাণ করার জন্য যথেষ্ট প্রমাণ সংগ্রহ করেছি। পশ্চিমবঙ্গ সরকার আইসিডিএসের মতো কেন্দ্রীয় তহবিলগুলিকে অস্থায়ীভাবে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারকে তহবিল দেওয়ার জন্য ব্যবহার করছে। কেন্দ্রীয় তহবিল যেমন মিড-ডে মিলের অর্থেরও ব্যবহার হচ্ছে। এটা একটার কাছ থেকে আর একটা দিতে ধার নেওয়ার মতো। এটা বন্ধ করতে হবে।

    আরও পড়ুন :বোলপুরে শিশুহত্যার ঘটনায় সিবিআই তদন্ত দাবি শুভেন্দুর, বিধানসভায় ওয়াকআউট বিজেপির

    এর আগে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় প্রকল্পের নাম বদলে দেওয়ার অভিযোগে সরব হয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। চিঠি লিখেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে। ১০০ দিনের কাজে দুর্নীতির অভিযোগ খতিয়ে দেখতে আসে কেন্দ্রীয় প্রতিনিধি দল। বেশ কয়েকটি প্রকল্পের টাকা আটকে যায় বলেও সূত্রের খবর। এবার শুভেন্দুর অভিযোগ লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের তহবিল নিয়ে। তার পরেই উঠছে প্রশ্ন, এবার কি তাহলে বন্ধ হয়ে যাবে তৃণমূল নেত্রীর সাধের লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পও?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

LinkedIn
Share