Tag: bjp

bjp

  • Manohar Lal Khattar: আরএসএস প্রচারক থেকে ৭০ বছর বয়সে ক্যাবিনেট মন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর!

    Manohar Lal Khattar: আরএসএস প্রচারক থেকে ৭০ বছর বয়সে ক্যাবিনেট মন্ত্রী মনোহর লাল খট্টর!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা ভোটে কার্নাল কেন্দ্র থেকে জয়লাভ করেন মনোহরলাল খট্টর (Manohar Lal Khattar)। তাঁর নিকটবর্তী কংগ্রেস প্রার্থী দিব্যাংশু বুধিরাজাকে প্রায় দু লক্ষ ৩৫ হাজারেরও বেশি ভোটে হারান এই প্রবীণ বিজেপি নেতা। গেরুয়া শিবিরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘনিষ্ঠ নেতা বলেই পরিচিত খট্টর, ক্যাবিনেট মন্ত্রী হিসেবে নিজের কাজ শুরু করলেন। দেশের আবাসন ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রকের দায়িত্ব তাঁর কাঁধে।

    সঙ্ঘ-এর একনিষ্ঠ কর্মী (Manohar Lal Khattar)

    হরিয়ানার রোহতকের ভূমিপুত্র মনোহরলাল খট্টর (Manohar Lal Khattar)। মনোহর লাল খট্টর জন্ম ৫ মে, ১৯৫৪ সালে নিন্দানা গ্রামে। আরএসএস এর স্থায়ী সদস্য খট্টর ১৯৭৭ সালে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সঙ্ঘে (RSS Pracharak) যোগ দেন। ১৯৯৪ সালে বিজেপির সদস্য হওয়ার আগে ১৭ বছর সক্রিয়ভাবে সংগঠনের সেবা করেছিলেন তিনি। এরপর তিনি বিজেপিতে যোগ দেন। ২০০০-২০১৪  পর্যন্ত খট্টর হরিয়ানায় বিজেপির সাংগঠনিক সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। 

    হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী (Manohar Lal Khattar)

    ২০১৪ সালের বিধানসভা নির্বাচনে কার্নাল থেকে জয়লাভ করেন খট্টর। ২৬ শে অক্টোবর, ২০১৪-এ, ভারতীয় জনতা পার্টি থেকে হরিয়ানার প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হন তিনি। মনোহর লাল খট্টর কর্নাল বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রথমবারের মতো নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন এবং ৬৩ হাজার ৭৭৭ ভোটের ব্যবধানে জয়লাভ করেন। তাঁর রাজনৈতিক সফরের এক উল্লেখযোগ্য পর্ব ছিল রামরহিমকাণ্ড। ডেরা সচ্চা সৌদার প্রধান গুরমিত রাম রহিমের গ্রেফতারির সময় হরিয়ানা জুড়ে যে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি হয়েছিল তা কড়া হাতে সামলান বিজেপির এই নির্ভরযোগ্য নেতা। তাঁকে সেবার পদ থেকে সরানোর পক্ষে সায় দেয়নি পার্টি।  

    আরও পড়ুন: আজ বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস, জানেন এর ইতিহাস ও গুরুত্ব

    মোদি-ঘনিষ্ঠ (Manohar Lal Khattar)

    জাতীয় রাজনীতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ঘনিষ্ঠ নেতা বলে পরিচিত মনোহর লাল খট্টর (Manohar Lal Khattar)। তাঁরা একসঙ্গে দীর্ঘ সময় সংগঠনের কাজ করেছেন। প্রায় ৪০ বছর আরএসএস প্রচারক (RSS Pracharak)হিসেবে কাজ করেছেন খট্টর। ১৯৯৬ সালে যখন হরিয়ানা বিজেপির দায়িত্ব নেন মোদি, তখন থেকেই তাঁর সঙ্গে কাজ করছেন খট্টর। এবার তৃতীয় মোদদি সরকারের মন্ত্রী তিনি। নতুন পথ চলা শুরু। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Sitalkuchi: শীতলকুচিতে তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে ছোড়া হল বোমা! রক্তাক্ত বিজেপি কর্মীর দুই মেয়ে

    Sitalkuchi: শীতলকুচিতে তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে ছোড়া হল বোমা! রক্তাক্ত বিজেপি কর্মীর দুই মেয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপি কর্মীর দুই মেয়েকে লক্ষ্য করে বোমাবাজি করার অভিযোগ উঠল তৃণমূলের বিরুদ্ধে। বুধবার ঘটনাটি ঘটেছে কোচবিহারের শীতলকুচি (Sitalkuchi) ব্লকের মহিষমুড়ি এলাকায়। বোমার আঘাতে দুজনেই জখম হয়েছে। ইতিমধ্যেই থানায় অভিযোগ করা হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Sitalkuchi)

    জানা গিয়েছে, তৃণমূলের পক্ষ থেকে শীতলকুচি (Sitalkuchi) এলাকায় বিজয় মিছিল করে। সেই মিছিল দেখার জন্যই বিজেপি কর্মীর দুই মেয়ে বাড়ি থেকে বের হয়। এরপরই তৃণমূলের বিজয় মিছিল থেকে বিজেপি কর্মীর দুই মেয়েকে লক্ষ্য করে বোমা ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। বিজেপি কর্মী দীপালি প্রামাণিক বলেন, “লোকসভা নির্বাচনে জয়লাভের পর তৃণমূল লাগাতার হুমকি দিচ্ছিল। এদিন ওদের বিজয় মিছিল আছে জানার পর আমরাও ভয়ে বাড়িতে ছিলাম না। দুই মেয়েকে বাড়ি থেকে বের হতেও নিষেধ করেছিলাম। কিন্তু, মেয়েরা বাড়ির বাইরে যেতেই তৃণমূলের লোকজন ওদের লক্ষ্য করে বোমা মারে। দুই মেয়ের মধ্যে একজন মাথাভাঙা মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি। অন্যজনের বাড়ি থেকে চলছে চিকিৎসা। আমরা দোষীদের কঠোর শাস্তি দাবি জানাচ্ছি।

    শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা

    ঘটনার প্রতিবাদে বিজেপি (BJP) কর্মী-সমর্থকরা মিছিল করেন। দোষীদের শাস্তির দাবি জানানো হয়। বিজেপি (BJP) নেতা মনোজ ঘোষ বলেন, “এভাবেই আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি করা হচ্ছে। তৃণমূল কী আসলে কোনও রাজনৈতিক দল? এটা কী ধরনের কাজ? ভোটে কেউ জিতবে, কেউ হারবে এটাইে নিয়ম। কিন্তু, তাই বলে যাঁরা হারছে তাঁদের বাড়িতে বোমাবাজি করা হবে? ছোট্ট মেয়েরা মিছিল দেখতে এসেছে, তাদের ওপর হামলা করল তৃণমূল। এটা তো ক্ষমার অযোগ্য। অবিলম্বে এর ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।” তৃণমূল নেতা আলিয়ার রহমান বলেন, “দলীয় কর্মীরা কোনও বোমাবাজি করেনি। কয়েকজন কর্মী শুধু পটাকা ফাটিয়েছেন। তখনই হয়তো কারও গায়েটায়ে পড়েছে। এর বেশি কিছু নেই। ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ এই কাজ করেনি।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: “তৃণমূলের দালালি করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী”, বিস্ফোরক রানাঘাট দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী

    Ranaghat: “তৃণমূলের দালালি করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী”, বিস্ফোরক রানাঘাট দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার রানাঘাট (Ranaghat) দক্ষিণ বিধানসভা উপ-নির্বাচন ছিল। মঙ্গলবার রাত থেকেই তৃণমূলের তাণ্ডবে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এলাকা। বুধবার ভোটের দিনও তৃণমূলের বাইক বাহিনী সন্ত্রাস চালায়। বিজেপির বুথ অফিস ভেঙে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। এদিন ভোট পর্ব চলাকালীন একাধিক বুথে গিয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন রানাঘাট দক্ষিণের বিজেপি প্রার্থী মনোজ বিশ্বাস। বাহিনীকে তুলোধনা করেন তিনি।

    তৃণমূলের দালালি করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী (Ranaghat)

    এদিন সকাল থেকেই বিক্ষিপ্ত ভাবে বিভিন্ন বুথ থেকে অশান্তির খবর এসেছে। একটি বুথে (Ranaghat) ঢুকতে গিয়ে বাধা পান বিজেপি প্রার্থী। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় বাহিনীর যে জওয়ান ওই কেন্দ্রে (By-Election) নিরাপত্তার দায়িত্বে ছিলেন, তিনি বিজেপি প্রার্থীর কাছে পরিচয়পত্র দেখতে চেয়েছিলেন। তাকে কেন্দ্র করেই বচসা শুরু হয়। তিনি বলেন, বুথ থেকে বেরিয়ে বিজেপি বলেন, “প্রার্থী হিসেবে আমি সকাল থেকে বিভিন্ন জায়গায় যাচ্ছি। আমাকে বুথে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। প্রতিবাদ জানালে উনি উচ্চতর আধিকারিককে ফোন করি। তার পর আর বাধা দেননি। আসলে প্রশাসন, তৃণমূল, অপরাধীরা সকলে মিলে একজোট হয়েছে। কেন্দ্রীয় বাহিনী কোথাও সক্রিয় নয়, আবার কোথাও অতি সক্রিয়। এই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনীর স্বাধীনতা নেই। তারা বাংলার পুলিশ দ্বারা পরিচালিত এবং প্রভাবিত। সব কিছু দেখে মনে হচ্ছে, তৃণমূলের দালালি করছে কেন্দ্রীয় বাহিনী।”

    আরও পড়ুন: উপ-নির্বাচনেও চলল গুলি, বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    তৃণমূল প্রার্থী কী বললেন?

    বিজেপি প্রার্থীর মন্তব্যকে কটাক্ষ করে তৃণমূল প্রার্থী মুকুটমণি অধিকারী বলেন, “বেশিরভাগ জায়গাতে শান্তিপূর্ণভাবে ভোট হয়েছে। কোথাও কোথাও ভোটারদের প্রভাবিতও করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। যেখানে তারা নিরপেক্ষ ভাবে কাজ করেছে, সেখানেই বিজেপির আপত্তি। কেন্দ্রীয় বাহিনী যদি নিরপেক্ষ কাজ করে, তবে কি সেটা দালালি?” প্রসঙ্গত, বুধবার রাজ্যের চার কেন্দ্রে উপনির্বাচন (By-Election) ছিল। রানাঘাট ছাড়াও ভোট হয়েছে কলকাতার মানিকতলা, উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জ এবং উত্তর ২৪ পরগনা বাগদায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Sukanta Majumdar: “উপ-নির্বাচনেও ভোট লুট করেছে তৃণমূল”, তোপ সুকান্তর

    Sukanta Majumdar: “উপ-নির্বাচনেও ভোট লুট করেছে তৃণমূল”, তোপ সুকান্তর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের উপ-নির্বাচন নিয়ে মুখ খুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। ভোট নিয়ে তৃণমূলকে তুলোধনা করলেন তিনি। একইসঙ্গে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের পশ্চিমবঙ্গকে নিয়ে আলাদা করে ভাবা উচিত বলে জানান তিনি। বুধবার বালুরঘাট থেকে দিল্লি যাওয়ার পথে বাগডোগরা বিমানবন্দরে উপ-নির্বাচনসহ একাধিক ইস্যুতে তৃণমূলকে এক হাত নিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

    উপ-নির্বাচনেও ভোট লুট করেছে তৃণমূল (Sukanta Majumdar)

    এদিন রাজ্যের উপ-নির্বাচনের গতিবিধি নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, দলদাস পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূল (Trinamool Congress) রাস্তায় গুন্ডা দাঁড় করিয়ে ভোট লুট করছে। বিরোধীদের মারধর, ভাঙচুর চলছে।  এটা ভোট নয়। ভোটের নামে প্রহসন। যদি  মানুষকে অবাধে ভোট দিতে দেওয়া হয় তাহলে এই উপ-নির্বাচনেও তৃণমূলের ভরাডুবি হবে। ৭০ শতাংশের ওপর ভোট পড়লেই বিজেপির সাফল্য নিশ্চিত। কিন্তু, যেভাবে ভোট লুট ও  মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ চলছে তাতে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন বিশেষভাবে ভাবা দরকার। পশ্চিমবঙ্গকে নিয়ে আলাদা করে ভাবতে হবে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনকে। দেশের অন্যান্য জায়গার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গকে মেলালে চলবে না।

    আরও পড়ুন: উপ-নির্বাচনেও চলল গুলি, বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধি নিয়ে সরব সুকান্ত

    সব্জি সহ নিত্য প্রয়োজরীয়  জিনিসের দাম চড়চড়িয়ে বাড়ছে। সব জিনিসের  আকাশছোঁয়া দাম। বাজারে আগুন।  মধ্যবিত্তের নাভিশ্বাস উঠেছে।  এই মূল্য বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করতে রাজ্য সরকারের টাস্কফোর্স গঠন নিয়ে এদিন কটাক্ষ করেন সুকান্ত মজুমদার (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, যা কিছু হচ্ছে প্রকাশ্যে, সকলের সামনে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি জানতেন না। টাস্কফোর্স গঠন কেন করা হবে। তাহলে মুখ্যমন্ত্রী ও তাঁর সরকার সারাবছর কী করেন?

     বিশ্ববিদ্যালয়গুলির অচলাবস্থা নিয়ে মুখ খুললেন সুকান্ত

    উত্তরবঙ্গ বিশ্ববিদ্যালয়সহ রাজ্যের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়গুলির অচলাবস্থা নিয়ে এদিন রাজ্যের তৃণমূল সরকারের সমালোচনা করেন সুকান্ত (Sukanta Majumdar)। তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়গুলি দুর্নীতিতে বেহাল হয়ে পড়েছে। রাজ্যপাল ও রাজ্য শিক্ষামন্ত্রী, এই দুইয়ের লড়াইয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে অচলাবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তৃণমূল সরকার সবসময়ই রাজ্যপালের বিরুদ্ধে একটা জটিলতা তৈরি করার চেষ্টা করে চলেছে। রাজ্যপালের বিরুদ্ধে রাজ্য সরকারের এই যুদ্ধের মনোভাবের কারণেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে আজ শিক্ষার পরিবেশ নষ্ট হতে বসেছে। রাজ্যপাল সাংবিধানিক বলে প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য। তাই তাকে স্বাধীনভাবে কাজ করতে দিবে। তাতে রাজ্য সরকারের হস্তক্ষেপ করা উচিত নয়। কিন্তু, সেটাই করছে রাজ্যের তৃণমূল (Trinamool Congress) সরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Kalyan Chaubey: ইটের বদলে পাটকেল! কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে এবার একের পর এক তথ্য ‘ফাঁস’ করলেন কল্যাণ

    Kalyan Chaubey: ইটের বদলে পাটকেল! কুণাল ঘোষের বিরুদ্ধে এবার একের পর এক তথ্য ‘ফাঁস’ করলেন কল্যাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মানিকতলা উপনির্বাচনের মধ্যেই তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কুণাল ঘোষ ও বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ চৌবের (Kalyan Chaubey) মধ্যে দ্বৈরথ অব্যাহত রইল। মানিকতলা উপনির্বাচনের আগে কল্যাণ চৌবের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কুণাল ঘোষ। এবার কুণালের সেই মন্তব্যের পাল্টা জবাব দিলেন বিজেপি প্রার্থী। উপনির্বাচনের দিনই সাংবাদিক বৈঠক করে কুনালের বিরুদ্ধে একের পর এক তথ্য ‘ফাঁস’ করলেন কল্যাণ চৌবে।

    কুণাল ঘোষের অভিযোগ (Kunal Ghosh) 

    মঙ্গলবার সাংবাদিক সম্মেলন করে কুণাল ঘোষ বলেন, ”রবিবার আমাকে ভোটে অন্তর্ঘাতের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। বিনিময়ে খেলার জগতে রাজ্য বা জাতীয় স্তরে বড় পদের প্রস্তাবও দিয়েছেন বিজেপি প্রার্থী কল্যাণ।” তবে কুনাল এই অফার প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন, ”এই বিজেপি প্রার্থীকে (Kalyan Chaubey) একটা ভোটও দেওয়া উচিত নয়।” এরপর নিজের দাবির সপক্ষে একটি অডিয়ো ক্লিপ সংবাদমাধ্যমের সামনে আনেন তৃণমূল নেতা। 

    যদিও এ প্রসঙ্গে বিজেপি প্রার্থী বলেন, ”আমি কখনো কোথাও বলিনি ফুটবল ফেডারেশনের কোন পদে রাখব। সেটা অপপ্রচার করছেন। এটা ওনার ব্যক্তিগত ভাবমূর্তি নষ্ট করেছে। কথোপকথনকে রেকর্ড করে বাইরে ছাড়া শুধুমাত্র ওনার বিশ্বাসযোগ্যতা শেষ করল না, মানুষ এরপর থেকে কারোর সাথে কথা বলতে চাইলে দশবার ভাববে। আমি ওনাকে ফোন করেছি, কারণ উনি আমাকে বলেছিলেন রাত এগারোটায় ফোন করতে এবং সেই কথা রেকর্ড করে প্রকাশ্যে এনেছেন।” 

    বিজেপি প্রার্থীর পাল্টা জবাব (Kalyan Chaubey) 

    কুণাল ঘোষের এই মন্তব্যের পর নির্বাচনের দিনই সাংবাদিক বৈঠক করে একের পর এক তথ্য ‘ফাঁস’ করলেন কল্যাণ। তাঁর বক্তব্য, ”‌আমি সকলের কাছে ভোট প্রার্থনা করছি। সেই হিসাবে তাঁর সঙ্গেও কথা বলেছি। কিন্তু আমি কোনও প্রতিশ্রুতি দিয়েছি এটা সম্পূর্ণ মিথ্যে কথা। পুরো অডিয়ো ক্লিপিং শোনালে সেটা বোঝা যাবে।”‌ আর এরপরেই বিজেপি প্রার্থী একেবারে বেনজির আক্রমণ শানালেন কুণাল ঘোষের উদ্দেশ্যে। পরিষ্কার বলেই দিলেন, “এই মানুষটা কয়েকদিন আগে তাপস রায়কে জেতানোর জন্য নিজের দলের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছেন। আমার কাছে হোয়াটস অ্যাপ চ্যাটের স্ক্রিনশট রয়েছে। ২৮ নম্বর ওয়ার্ডের সব লোকেরা তাপস রায়ের হয়ে কাজ করছে। বিজেপির হয়ে কাজ করছে। তবে আমি ব্যক্তিগত কথোপকথন বাইরে আনব না।”   

    আরও পড়ুন: নারী থেকে পুরুষ হয়ে ইতিহাস গড়লেন আইআরএস আধিকারিক

    উল্লেখ্য, ভোটের আগের দিনই কল্যাণ চৌবে (Kalyan Chaubey) অভিযোগ করে বলেছিলেন কুণাল ঘোষ নাকি বিজেপিতে যোগ দিতে চেয়েছিলেন। এর জন্য একাধিকবার তাঁর বাড়িও গিয়েছেন তিনি। বিজেপি প্রার্থী বলেন, “উনি আমার বাড়িতে একটা মেরুন স্যান্ট্রো করে অংখ্যবার গিয়েছেন। আমায় বলেছিলেন বিজেপিতে যোগ দেবেন।” এ নিয়ে কুণাল (Kunal Ghosh) জানিয়েছিলেন, “বিজেপি-তে যাওয়ার ইচ্ছা হলে পচা কল্যাণকে আমার লাগবে না।” যদিও বুধবার ‘পচা কল্যাণ’ শব্দটি নিয়ে প্রতিবাদ করেন মানিকতলার বিজেপি প্রার্থী বলেন, “এই শব্দটাকে আমি নিন্দা করছি। উনি নিম্নরুচির পরিচয় দিয়েছেন।” 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Raigunj By Election: উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থীর দাদার ‘দাদাগিরি!’, শোরগোল

    Raigunj By Election: উপনির্বাচনের ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থীর দাদার ‘দাদাগিরি!’, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থীর দাদার দাদাগিরি! তাঁর মাতব্বরি কার্যত প্রশ্নের মুখে। প্রিসাইডিং অফিসারকে নিজেই অকপটে স্বীকার করেছেন, সকাল সাড়ে আটটার মধ্যেই তিন থেকে চারবার ভোটারদের নিয়ে সারাসরি ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে ঢুকে পড়েছিলেন তিনি। সাংবাদিকদের প্রশ্নের মুখে পড়ে কার্যত নীরব কৃষ্ণ কল্যাণীর দাদা পাপ্পু কল্যাণী। এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল ফেলেছে উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জে (Raigunj By Election)।

    ১৪১-১৪২ নম্বর বুথে তৃণমূলের জমায়েত (Raigunj By Election)!

    উপনির্বাচনকে ঘিরে রায়গঞ্জের করোনেশন হাই স্কুলের বাইরে তৃণমূলের বিরাট জমায়েত দেখা গিয়েছিল। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী এসে জামায়েত সরিয়ে দেয়। আবার ১৪১ এবং ১৪২ নম্বর বুথের বাইরে ফের জমায়েত করে তৃণমূলের কর্মীরা। তাঁরা রীতিমতো স্থানীয় ভোটারদের সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেন। ঠিক এই পরিস্থিতির মধ্যে একটি বুথে তৃণমূল প্রার্থীর দাদার দৌরাত্ম্য চোখে পড়েছে। ভোট গ্রহণ কেন্দ্রে ঢুকে রীতিমতো মাতব্বরি শুরু করে দেন কৃষ্ণ কল্যাণীর দাদা পাপ্পু কল্যাণী। পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতেই নিজের শক্তি প্রদর্শনের চেষ্টা করেন।  

    তৃণমূলের দায়িত্বে ছিলেন পাপ্পু

    ভোট গ্রহণের সময় পাপ্পু কল্যাণীর দাদাকে সাংবাদিকদের ক্যামেরার সামনেই দেখা যায়, ভোটারদের নিয়ে ভোটগ্রহণ কেন্দ্রের বুথে (Raigunj By Election) ঢুকেছেন। উল্লেখ্য মাত্র একববার দুবার নয় বেশ কয়েকবার ভোটারদের ভোট দেওয়ান পাপ্পু। ভোট কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা প্রিসাইডিং অফিসার স্বীকার করেছেন তিন-চারবার ভোটারদেরকে ভোট দেওয়ান। তৃণমূল প্রার্থীর অবশ্য বক্তব্য, “তৃণমূলের হয়ে বুথের দায়িত্বে ছিলেন পাপ্পু, তাই সক্রিয় ছিলেন।”

    আরও পড়ুনঃ ‘বাদামবীজ পাচার!’ বাঁকুড়ার পঞ্চায়েত অফিসে বিরাট দুর্নীতি, ভিডিও প্রকাশ শুভেন্দুর

    লোকসাভায় রায়গঞ্জে এগিয়ে ছিল বিজপি

    রায়গঞ্জ বিধানসভার আসনে উপনির্বাচনে ত্রিমুখী লড়াইতে রয়েছেন, বিজেপি প্রার্থী মানসকুমার ঘোষ, কংগ্রেস প্রার্থী মোহিত সেন গুপ্ত এবং তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ কল্যাণী। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী হয়ে ভোটে লড়ে জয়ী হয়েছিলেন কৃষ্ণ কল্যাণী। কিন্তু পরবর্তী কালে বিজেপি থেকে তৃণমূল যোগদান করেন তিনি। এরপর ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূলের প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে লড়াই করেন। কিন্তু বিজেপি প্রার্থী কার্তিক চন্দ্র পালের কাছে ৬৮ হাজার ভোটে পারাজিত হন তিনি। লোকসভা ভোটে রায়গঞ্জ বিধানসভাতেও (Raigunj By Election) বাজিমাত করেছে বিজেপি এবং ধরাশায়ী হয়েছিল তৃণমূল। এইবার উপনির্বাচনে কী হয় তাই এখন দেখার।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Ranaghat: রানাঘাটে বিজেপির বুথ অফিসে ভাঙচুর চালিয়ে কর্মীদের বেধড়ক মার, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    Ranaghat: রানাঘাটে বিজেপির বুথ অফিসে ভাঙচুর চালিয়ে কর্মীদের বেধড়ক মার, কাঠগড়ায় তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রানাঘাট (Ranaghat) দক্ষিণ বিধানসভা উপ-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ফের উত্তজনা ছড়াল। জানা গিয়েছে, তৃণমূলের বাইক বাহিনীর বিরুদ্ধে বিজেপির নির্বাচনী বুথ অফিস ভেঙে ভোটার স্লিপ ফেলে দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। বুধবার বুথ অফিসে বসে থাকা বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করা হয়। পরে, পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি সামাল দেয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Ranaghat)

    বুধবার রানাঘাট (Ranaghat) দক্ষিণ বিধানসভার জগপুরে নির্বিঘ্নে ভোট (By-Election) চলছিল। বুথ অফিস থেকে সাধারণ মানুষকে ভোটার স্লিপ দিচ্ছিলেন বিজেপি কর্মীরা। হঠাৎই বাইকে করে বেশ কয়েকজন তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা এসে বিজেপির বুথ অফিসে চড়াও হয়। বিজেপি কর্মীদের মারধর করা হয়। ভেঙে ফেলা হয় বুথ অফিস। প্রত্যক্ষদর্শী এক যুবক বলেন, এদিন সকাল থেকেই এলাকায় শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছিল। কোনও সমস্যা হয়নি। আচমকা বাইকে করে ২০ জন তৃণমূল কর্মী এসে বিজেপির বুথ অফিসে চড়াও হয়। পুলিশের সামনেই বিজেপি কর্মীদের বেধড়ক মারধর করে। ভোটার স্লিপ কেড়ে রাস্তায় ফেলে দেয়। বুথ অফিসে ভাঙচুর চালায়। পরে, বিজেপি কর্মীরা বুথ অফিস ছেড়ে পালিয়ে যান। গোটা এলাকা তৃণমূলের ছেলেরা দখল করে নেয়। পুলিশ নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করে।

    আরও পড়ুন: উপ-নির্বাচনেও চলল গুলি, বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    কী বললেন বিজেপি প্রার্থী?

    খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান রানাঘাট (Ranaghat) দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী মনোজ কুমার বিশ্বাস। তিনি বলেন, “পুলিশ থাকা সত্ত্বেও পুলিশের সামনেই এই ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ এবং রাজ্য সরকার একত্রিতভাবে তৃণমূল কংগ্রেসকে সহায়তা করছে। বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মারধর করার পাশাপাশি বাড়িতে ভাঙচুর চালিয়েছে। তৃণমূল বুঝে গিয়েছে, রানাঘাট দক্ষিণে (By-Election) বিজেপির জয় অনিবার্য, তাই এরকম অপরাধমূলক ঘটনা ঘটাচ্ছে।” যদিও ঘটনাস্থলে এসে পৌঁছায় রানাঘাট পুলিশ জেলার উচ্চ পদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা। তাঁরা বিষয়টি খতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bnakura: ‘বাদামবীজ পাচার!’ বাঁকুড়ার পঞ্চায়েত অফিসে বিরাট দুর্নীতি, ভিডিও প্রকাশ শুভেন্দুর

    Bnakura: ‘বাদামবীজ পাচার!’ বাঁকুড়ার পঞ্চায়েত অফিসে বিরাট দুর্নীতি, ভিডিও প্রকাশ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের অফিস থেকে রাতের অন্ধকারে পাচার হচ্ছে বাদামবীজ। যে বাদামবীজ এলাকার গরিব চাষিদের পাওয়ার কথা, সেই বীজ কার্যত অন্যত্র চুরি হচ্ছে। ঠিক এমন অভিযোগ এনে প্রমাণ সহ একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। নিজের এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করার পর থেকেই সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক শোরগোল পড়ে গিয়েছে। মূলত অভিযোগ বাঁকুড়া (Bnakura) মেলাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের বিরুদ্ধে। তৃণমূল অবশ্য অভিযোগের পাল্টা অস্বীকার করেছে।

    শুভেন্দুর দাবি (Bnakura)

    মঙ্গলবার শুভেন্দু (Suvendu Adhikari) একটি পোস্ট করে সামাজিক মাধ্যমে বলেছেন, “আত্মা প্রকল্পে এলাকার দরিদ্র কৃষকদের দেওয়ার জন্য বাঁকুড়া (Bnakura) রাইপুর ব্লকের মেলাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতকে বাদাম বীজ সরবরাহ করেছিল রাজ্য সরকার। কিন্তু তৃণমূলের চোরেরা সেই বাদামবীজ চুরি করেছে।” তাঁর প্রকাশ করা ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, পঞ্চায়েত অফিসের সামনে একটি ছোট ট্রাকে করে কিছু বস্তা ওঠানোর কাজ চলছে। এই ভিডিও পোস্টের পর রাজনৈতিক উত্তেজনার পারদ কয়েকগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। রাজ্যে একাধিক দুর্নীতি ইস্যুর সঙ্গে বাদামবীজ চুরির ঘটনা আরও এক চুরির সংযোজন বলে মনে করেছে বিজেপি। তাঁর এই পোস্টকে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী শিবরাজ সিংকে ট্যাগ করে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি তুলেছেন শুভেন্দু। বিজেপির স্থানীয় নেতারা জানিয়েছেন, সরকারি প্রকল্পে বরাদ্দ বীজ, টাকার বিনিময়ে বিক্রি করছে তৃণমূলের জনপ্রতিনিধিরা। কিন্তু ঘটনার কথা সামজিক মাধ্যমে জানাজানি হতেই চুরির কাজ আচমকা আটকে গিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ স্কুলে তৃণমূল উপপ্রধানের হামলা, চলল ভাঙচুর, মহিলাদের শ্লীলতাহানিও! শোরগোল

    তৃণমূলের বক্তব্য

    মেলাড়া (Bnakura) গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান বিজেপির অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, “যে বাদামবীজ চাষিদের কাছে বিতরণের জন্য এসেছে তা দ্রুত চাষিদের মধ্যে দেওয়া হবে। বিজেপি অপপ্রচার করছে। অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।” আবার তৃণমূল সাংসদ অরূপ চক্রবর্তী বলেছেন, “বাদামবীজগুলি চাষিদের মধ্যে বিতরণের জন্য পঞ্চায়েত অফিস থেকে পার্শ্ববর্তী একটি গ্রামে নিয়ে যাওয়া হচ্ছিল। সেই ছবি পোস্ট করেই এখন রাজনীতি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। বিজেপির কাছে কোনও উন্নয়নের ইস্যু নেই, তাই বদনাম করার অপচেষ্টা করছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bagda: বাগদায় বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ভাঙচুর, সরকারি গাড়িতে ঘুরে বিতর্কে তৃণমূল প্রার্থী

    Bagda: বাগদায় বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ভাঙচুর, সরকারি গাড়িতে ঘুরে বিতর্কে তৃণমূল প্রার্থী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাগদা বিধানসভা উপ-নির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে সরকারি গাড়িতে করে বুথে বুথে ঘুরে বেড়ানোর অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনা সামনে আসতেই বিতর্ক তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি, এই কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী বিনয় বিশ্বাসের গাড়ি ভাঙচুর এবং তাঁকে হেনস্থা করার অভিযোগ ওঠে তৃণমূল কর্মীদের বিরুদ্ধে। সবমিলিয়ে এদিন দিনভর সরগরম ছিল বাগদা (Bagda) বিধানসভা এলাকা।

    বিজেপি প্রার্থীর গাড়ি ভাঙচুর! (Bagda)

    জানা গিয়েছে, বাগদা (Bagda) গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার ১৮৮ নম্বর বুথে ছাপ্পা দেওয়ার অভিযোগ ওঠে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান বিজেপি প্রার্থী বিনয় বিশ্বাস। সঙ্গে সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরাও ছিলেন। বিজেপি প্রার্থী বুথের সামনে নামতেই তাঁকে ঘিরে ধরে তৃণমূল কর্মীরা “জয় বাংলা” স্লোগান দেন। একইসঙ্গে তাঁর গাড়ি ভাঙচুর করে বলে অভিযোগ। ভাঙচুর করা হয় সাংবাদ মাধ্যমের গাড়িও। পাশপাশি, দেয়ালদহ ৮২ নম্বর বুথে উপ-নির্বাচনে তৃণমূলের বিরুদ্ধে বুথ জ্যাম করার অভিযোগ ওঠে। বিষয়টি জানার পরই বিজেপি প্রার্থী বিনয় বিশ্বাস সেখানে যান। বিজেপি প্রার্থীকে দেখে তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মী-সমর্থকরা হেনস্থা করে বলে অভিযোগ। বিজেপি প্রার্থী বলেন, বুথ জ্যাম করে রেখেছিল তৃণমূলের লোকজন। আমি ঘটনাস্থলে যেতে ওরা আমাকে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করে। এসব করে কোনও লাভ নেই। মানুষ আমাদের সঙ্গেই রয়েছে।

    আরও পড়ুন: উপ-নির্বাচনেও চলল গুলি, বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    সরকারি গাড়িতে তৃণমূল প্রার্থী!

    জানা গিয়েছে, এদিন সকাল থেকে তৃণমূল প্রার্থী (Bagda) মধুপর্ণা ঠাকুর তাঁর মায়ের সঙ্গে ঘুরছেন। মমতা বালা ঠাকুর ঘুরছেন তাঁর সাংসদ গাড়ি নিয়ে। গাড়িতে লেখা রয়েছে গভর্নমেন্ট অফ ইন্ডিয়া। এমপি। এই ধরনের লেখা একটা গাড়িতে কীভাবে তৃণমূল প্রার্থী ঘুরতে পারেন, তা নিয়েই প্রশ্ন তুলেছেন বিরোধীরা। যদিও মমতা বালা ঠাকুর বলেন, এই গাড়ির নম্বর দিয়েই আমরা নির্বাচন কমিশন থেকে উপ-নির্বাচনে (By-Election) পাস তুলেছি। তখন তো কমিশনের কেউ আপত্তি করেনি। আমার মেয়ে কনিষ্ঠতম একজন প্রার্থী। সেই জায়গায় মেয়েকে ‘গাইড’ করতেই পারি। তাঁকে পাশে নিয়ে গাড়িতে বেরিয়েছি। আমার মেয়ে তো এই গাড়িতে থাকতেই পারে। গাড়ি তো বুথের ভিতর ঢুকছে না। কিংবা গাড়িতে বুথে গিয়েও ভোট দিচ্ছে না। এতে সাধারণ মানুষের সঙ্গে কী সম্পর্ক থাকে?

    তৃণমূল প্রার্থী কী বললেন?

    মধুপর্ণা ঠাকুর বলেন, “মায়ের গাড়িতে কি সন্তান ঘুরতে পারে না, এটা কি অপরাধ? বিজেপি জানে যে ওরা হেরে বসে রয়েছে। তাই এখন কাঠিবাজি করছে। নাটক করছে। প্রার্থীকে পিছনে করার ষড়যন্ত্র। মানুষ কি সরকারি দেখে ভোট (By-Election) দেবে, তৃণমূলের চিহ্ন দেখে ভোটে দেবে। যদিও বিজেপি প্রার্থী চিকিৎসক বিনয় বিশ্বাস বল, “নিশ্চয়ই এটা অন্যায়। জনতার মধ্যে প্রভাব ফেলছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • WB By-Election: উপ-নির্বাচনেও চলল গুলি, বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    WB By-Election: উপ-নির্বাচনেও চলল গুলি, বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর, অভিযুক্ত তৃণমূল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার রাজ্যের চার কেন্দ্রে উপ-নির্বাচন (WB By-Election)। মানিকতলা, রানাঘাট দক্ষিণ, বাগদা ও রায়গঞ্জ। এই চার কেন্দ্রে অশান্তি এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটসাঁট করেছে নির্বাচন কমিশন। পুলিশ তো থাকছেই পাশাপাশি এই ভোটেও থাকছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। চার কেন্দ্রের জন্য মোট ৭০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী বরাদ্দ করেছে কমিশন। সকাল সাতটা থেকে শুরু হয়ে গিয়েছে ভোট গ্রহণ। এরমধ্যে রানাঘাট (Ranaghat) দক্ষিণ বিধানসভা উপ-নির্বাচনকে কেন্দ্র করে চলল গুলি। সন্ত্রাস চালাতে মঙ্গলবার গভীর রাতে বিজেপি কর্মীদের বাড়িও ভাঙচুর করা হয়েছে। আর এই হামলার ঘটনায় নাম জড়িয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। এই ঘটনায় রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে।

    বিজেপি কর্মীদের বাড়ি ভাঙচুর (WB By-Election)

    জানা গিয়েছে, রানাঘাটের (WB By-Election) প্রীতিনগর এলাকায় রাতের অন্ধকারে একাধিক বিজেপি কর্মীর বাড়ি ভাঙচুর করা হয়েছে। কাচের বোতলের আঘাতে জখম হন একাধিক মহিলা। ভোট দিতে গেলে প্রাণে মারার হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। উল্লেখ্য, লোকসভা ভোটে এবারের তৃণমূল প্রার্থী হয়েছিলেন সদ্য বিজেপি থেকে তৃণমূলে আশা মুকুটমণি অধিকারী। তিনি রানাঘাট দক্ষিণ কেন্দ্রের বিজেপি বিধায়ক ছিলেন। লোকসভা ভোটে রানাঘাট কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী হওয়ার পর তিনি বিধায়ক পদ থেকে ইস্তফা দেন। সেই কারণে রানাঘাট দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে বুধবার উপ-নির্বাচন চলছে। আর এই উপ-নির্বাচনের আগের দিন গভীর রাতে হামলা চালানোর অভিযোগ ওঠে তৃণমূল আশিতে দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। প্রীতিনগর এলাকার বিজেপির গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য বলেন, “রাতে আমাদের বাড়িতে এসে ভাঙচুর চালানো হয়। বাড়ির মহিলারা যথেষ্ট আতঙ্কে রয়েছে। বাড়ির মহিলাদের কাছে  আমাদের প্রাণে মেরে ফেলারও হুমকি দেওয়া হয়।” খবর পেয়ে রাতেই ঘটনাস্থলে আসে রানাঘাট থানার পুলিশ। যদিও এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে আটক কিংবা গ্রেফতার করেনি পুলিশ। অন্যদিকে, বিজেপির দাবি, যেহেতু এই এলাকায় শাসক দলের সংগঠন অনেকটা দুর্বল হয়ে পড়েছে, সেই কারণে সন্ত্রাস চালাতে এই ঘটনা ঘটিয়েছে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা।

    বিজেপি এজেন্টের বাড়ি ভাঙচুর, চলল গুলি

    রানাঘাট থানার (WB By-Election) পূর্ণনগরে বিজেপি এজেন্টের বাড়ি ভাঙচুর এবং গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে। আক্রান্ত বিজেপি কর্মী বলেন, “মঙ্গলবার রাত দেড়টা নাগাদ কয়েকজন দুষ্কৃতী আমার বাড়িতে চড়াও হয়ে ভাঙচুর করে বাড়ির একাংশ। পাশাপাশি বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়।” বুধবার বেলা বাড়তেই বিজেপি কর্মীর বাড়িতে আসেন রানাঘাট (Ranaghat) পুলিশ জেলার উচ্চপদস্থ পুলিশ আধিকারিকরা। পরিবারের লোকজনের সঙ্গে তাঁরা কথাও বলেন।  

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share