Tag: bjp

bjp

  • Udayan Guha: ‘মধ্যরাত দখলের’ কর্মসূচিকে কটাক্ষ! উদয়নের ‘অশ্লীল রসিকতা’য় শোরগোল

    Udayan Guha: ‘মধ্যরাত দখলের’ কর্মসূচিকে কটাক্ষ! উদয়নের ‘অশ্লীল রসিকতা’য় শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উদয়ন আছেন উদয়নেই! কখনও তিনি সদলে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিককে মারতে তেড়ে যান। কখনও আবার ‘যেমন ভোট, তেমন কাজ’ বলে বিরোধীদের প্রচ্ছন্ন হুমকি দেন। সেই তিনিই এবার কুৎসিত মন্তব্য করলেন মহিলাদের সম্পর্কে। আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের চিকিৎসককে ধর্ষণ করে খুনের ঘটনার প্রতিবাদে পথে নামছেন মহিলারা। বুধবার রাতে রাজ্যজুড়ে ‘মধ্যরাত দখলের’ কর্মসূচি নেওয়া হয়েছে। রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গেও এই অরাজনৈতিক কর্মসূচি ঘিরে ব্যাপক সাড়া পড়েছে। আর মেয়েদের এই অরাজনৈতিক আন্দোলনে সিঁদুরে মেঘ দেখছেন উত্তরবঙ্গ উন্নয়ন মন্ত্রী তথা দিনহাটার বিধায়ক তৃণমূলের (দলবদলু, ফরওয়ার্ড ব্লক থেকে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন) উদয়ন গুহ। রাজনৈতিক মহলের মতে, তাই ফেসবুক পোস্টে ‘কুৎসিত রসিকতা’। তাঁর (Udayan Guha) ফেসবুক পোস্ট ঘিরে তোলপাড় রাজ্য। 

    সোশ্যাল মিডিয়ায় কী লিখেছেন মন্ত্রী? (Udayan Guha)

    মহিলাদের এই আন্দোলনের প্রস্তুতি-পর্বের ঢেউ ছড়িয়েছে রাজ্যের সর্বত্র। আন্দোলন সফল করতে কোমর কষে নেমে পড়েছেন মহিলারা। জোটবদ্ধ হয়ে প্রতিবাদ সভায় যাবেন বলে ঠিক করেছেন তাঁরা। অরাজনৈতিক একটি আন্দোলনের আঁচ যে এত ব্যাপক হতে পারে, তা কল্পনাও করতে পারেননি তৃণমূলের নেতারা। উত্তরবঙ্গ জুড়েও এই আন্দোলন নিয়ে চলছে জোর চর্চা। স্বাভাবিকভাবে এই আন্দোলনকে হেয় প্রতিপন্ন করে তৃণমূল কোম্পানির নয়নের মণি হতে চাইছেন তৃণমূলের এই মন্ত্রী। এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। ফেসবুক পোস্টে উদয়ন (Udayan Guha) লেখেন, “দিনহাটার কেউ কেউ কাল (বুধবার) রাতের দখল নিতে চাইছেন। আমার সমর্থন থাকল। তবে, স্বামীর অত্যাচার থেকে বাঁচতে রাতে ফোন করবেন না।” মহিলাদের আন্দোলনকে কটাক্ষ করতেই মন্ত্রীর এই ধরনের পোস্ট বলে ধারণা রাজনৈতিক মহলের। 

    আরও পড়ুন: ‘ধর্ষণের বাংলা চাইনা চাইনা’, কলকাতায় আজ ধিক্কার মিছিলের ডাক বিজেপির

    সরব বিজেপি

    উদয়নের (Udayan Guha) এই বেফাঁস মন্তব্যকে হাতিয়ার করেছে বিজেপি। রাজ্য বিজেপির (BJP) এক্স হ্যান্ডল (সাবেক টুইটার) থেকে রাজ্যের মন্ত্রীর পোস্টের স্ক্রিনশট দিয়ে লেখা হয়েছে, “নারীবিদ্বেষী পোস্ট তৃণমূলের মন্ত্রীর। আরজি করে ধর্ষণ এবং হত্যার ভয়াবহতার মধ্যে শক্তিকে জোরদার করতে রাজ্যের মানুষ যখন আজ (বুধবার) রাস্তায় নেমে শঙ্খ বাজানোর পরিকল্পনা করছে, তখন উদয়ন গুহ অশ্লীল রসিকতা করেছেন!” বিজেপির এ-ও অভিযোগ,” মন্ত্রী গার্হস্থ্য হিংসার মতো ঘটনাকে তুচ্ছ বলে মনে করেন। তাই রাত দুপুরে নির্যাতনের শিকার হয়ে কোনও মহিলা যদি জনপ্রতিনিধি বলে উদয়নের সাহায্য চান, তাঁদের সরাসরি ‘না’ বলে দেবেন মন্ত্রী।” বিজেপির  (BJP) কটাক্ষ নিয়ে উদয়নের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁর সংক্ষিপ্ত জবাব, “আমি কোনও নারীবিদ্বেষী মন্তব্য করিনি।” বিজেপি এক্স হ্যান্ডলে কী প্রতিবাদ জানিয়েছে দেখে নিন।

    Sexist remarks by TMC Minister Udayan Guha.

    When the people of West Bengal are planning to hit the streets tonight and blow conch shells to raise the Shakti within amidst the RG Kar rape and murder horror, Udayan Guha resorts to vulgar jokes!

    He trivializes domestic violence… pic.twitter.com/ivku5jBDur

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RG Kar Rape-Murder: আরজি কর ইস্যুতে মমতার পদত্যাগের দাবি, নবান্ন অভিযানের ডাক শুভেন্দুর

    RG Kar Rape-Murder: আরজি কর ইস্যুতে মমতার পদত্যাগের দাবি, নবান্ন অভিযানের ডাক শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর (RG Kar Rape-Murder) হত্যাকাণ্ডে ন্যায়বিচার চেয়ে আরও তীব্র আন্দোলনের পথে নামলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। বুধবার বিধানসভায় বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে বিক্ষোভ-ধর্না কর্মসূচি পালন করেন তিনি। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একজন মহিলা হয়েও এই রাজ্যের কোনও মা-বোন সুরক্ষিত নন। তাই মমতার অবিলম্বে পদত্যাগ দাবি করে নবান্ন অভিযানের ডাক দিয়ে সোচ্চার হয়েছেন তিনি।

    কী বললেন শুভেন্দু (RG Kar Rape-Murder)?

    বিধানসভার সামনে বিজেপির বিধায়কদের নিয়ে শুভেন্দু বলেন, “আগামী সপ্তাহে নবান্ন, রাজভবন এবং স্বাস্থ্য ভবন অভিযানে যাবো। এই কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ থাকবে। স্বাস্থ্য এবং পুলিশমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে পদত্যাগের দাবিতে আমাদের কর্মকাণ্ড থাকবে।” বিজেপির দলীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, বিরোধী দলনেতার সঙ্গে বিজেপির মহিলা কর্মীরা থাকবেন। আবার শিলিগুড়ির বিধায়ক শঙ্কর ঘোষ বলেন, “মহিলা চিকিৎসকের ধর্ষণ করে খুনের (RG Kar Rape-Murder) ঘটনাকে পুলিশ ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। আমরা পুলিশমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্যমন্ত্রীর অবিলম্বে পদত্যাগ চাই।”

    কন্যাশ্রী দিবস পালনকে তোপ

    শুভেন্দু, মমতার কন্যাশ্রী দিবস পালনকে তোপ দেগে বলেন, “গোটা রাজ্যের মানুষ তথা সমগ্র দেশ আরজি কর-এর নৃশংস (RG Kar Rape-Murder) অত্যাচার ও হত্যার ঘটনার তদন্তকে বাধাদানের নিন্দায় সরব হয়েছে। ঠিক এই মুহূর্তে যখন রাজ্যের মহিলাদের নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন গোটা দেশের মানুষ, আর তখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নির্লজ্জতার সীমা ছাড়িয়ে ‘কন্যাশ্রী দিবস’ উৎসব করছেন। বাংলার কন্যার উপর পাশবিক অত্যাচার ও নৃশংস হত্যা নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মাতৃশক্তি ক্রোধে ও যন্ত্রণায়  ক্ষুব্ধ, তখন চিকেন বিরিয়ানি সহযোগে ‘কন্যাশ্রী দিবস’ উৎসব পালন একমাত্র মমতা ব্যানার্জির পক্ষেই সম্ভব। মুখ্যমন্ত্রী এতোটাই নির্লজ্জ যে নন্দীগ্রামে আমার কাছে পরাজিত হয়েও মুখ্যমন্ত্রীর চেয়ারে বসে রয়েছেন। ওনার এই নির্লজ্জতা সর্বজনবিদিত। লজ্জা, লজ্জা, লজ্জা।”

    আরও পড়ুনঃ “রাতের দখল নাও মেয়েরা”, আজকের অভিনব কর্মসূচিতে সিঁদুরে মেঘ দেখছে তৃণমূল

    মামলার তদন্তে সিবিআই

    গত শুক্রবার আরজি কর মেডিক্যাল কলেজের (RG Kar Rape-Murder) চারতলার সেমিনার হলে মেলে এক মহিলা চিকিৎসকের দেহ। অভিযোগ করা হয়, তাঁকে ধর্ষণ করে নির্মম ভাবে খুন করা হয়েছে। গত পাঁচ দিন ধরে মমতা সরকার এবং পুলিশ-প্রশাসনের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশে উত্তাল হয়ে উঠেছে ডাক্তারি পড়ুয়াদের আন্দোলন। সকলের একটাই দাবি, নির্যাতিতার জন্য ন্যায় বিচার চাই। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি পুলিশকে ভর্ৎসনা করে মামলার তদন্তভার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআইকে দিয়েছেন। সিবিআই তদন্তভার নিতে টালা থানা থেকে নথি সংগ্রহ করে কাজ শুরু করে দিয়েছে। ধৃত সঞ্জয়কে সিজিও কমপ্লেক্সে নিয়ে গিয়ে জেরাও শুরু করা হয়েছে।   

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Waqf Bill: ওয়াকফ বিল পরীক্ষায় সংসদের যৌথ কমিটি, চেয়ারপার্সন বিজেপি সাংসদ জগদম্বিকা পাল

    Waqf Bill: ওয়াকফ বিল পরীক্ষায় সংসদের যৌথ কমিটি, চেয়ারপার্সন বিজেপি সাংসদ জগদম্বিকা পাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভার প্রবীণ বিজেপি (BJP) সদস্য জগদম্বিকা পালকে মঙ্গলবার সংসদের যৌথ কমিটির চেয়ারপার্সন মনোনীত করা হয়েছে। যৌথ কমিটির চেয়ারপার্সন হিসেবে নামকরণের আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি শীঘ্রই জারি করা হবে। এই কমিটিই বিতর্কিত ওয়াকফ (সংশোধনী) বিল (Waqf Bill) পরীক্ষা করবে বলে জানা গিয়েছে।

    ৩১ সদস্যের কমিটির প্রধান (Waqf Bill)

    লোকসভার একটি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্পিকার ওম বিড়লা বিজেপি (BJP) সাংসদ জগদম্বিকা পালকে ৩১ সদস্যের কমিটির (Waqf Bill) প্রধান হিসেবে নিযুক্ত করেছেন। লোকসভায় বিরোধীদের প্রতিবাদের মধ্যে সরকার বিলটিকে দুই কক্ষের যৌথ কমিটিতে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছিল। যৌথ প্যানেলে ৩১ জন সদস্য রয়েছেন। এর মধ্যে  ২১ জন লোকসভা থেকে এবং ১০ জন রাজ্যসভা থেকে। পরবর্তী অধিবেশনের মধ্যে তাদের রিপোর্ট জমা দিতে বলা হয়েছে। বিলটি গত বৃহস্পতিবার লোকসভায় উত্থাপন করা হয়েছিল। এই বিলকে সামনে রেখে উত্তপ্ত বিতর্কের পর সংসদের একটি যৌথ কমিটির কথা উল্লেখ করা হয়। সরকার দাবি করে যে প্রস্তাবিত আইনটি মসজিদের কার্যক্রমে হস্তক্ষেপ করতে চায় না। বিরোধীরা এটিকে মুসলমানদের ওপর আক্রমণ বলে অভিহিত করেছে। সংবিধানের ওপর আক্রমণ করা হয়েছে বলে তারা অভিযোগ করে। শুক্রবার কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু কমিটিকে আগামী অধিবেশনের প্রথম সপ্তাহের শেষ দিনের মধ্যে লোকসভায় রিপোর্ট জমা দিতে বলেছেন।

    আরও পড়ুন: ‘ধর্ষণের বাংলা চাইনা চাইনা’, কলকাতায় আজ ধিক্কার মিছিলের ডাক বিজেপির

    চারবারের সাংসদ জগদম্বিকা পাল

    ৭৩ বছর বয়সি জগদম্বিকা পাল উত্তরপ্রদেশের চতুর্থ বার লোকসভার সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁকে একজন আইন প্রণেতা হিসেবে দেখা হয়। লোকসভা এবং রাজ্যসভায় গত শুক্রবার কেন্দ্রীয় সংখ্যালঘু বিষয়ক মন্ত্রী কিরেণ রিজিজু দ্বারা চালিত একটি প্রস্তাব গৃহীত হয়।  নিম্নকক্ষে, প্যানেলের (Waqf Bill) ১২ জন সদস্য ক্ষমতাসীন জাতীয় গণতান্ত্রিক জোটের (এনডিএ) সদস্য। যার মধ্যে আটজন বিজেপি এবং ৯ জন বিরোধী। উচ্চকক্ষে, চারজন বিজেপির, চারজন বিরোধী দল, একজন ওয়াই এসআরসিপি (YSRCP)  এবং একজন মনোনীত সদস্য রয়েছে, যারা বিলের বিরোধিতা করেছে।

    List of 31 members of the Joint Parliamentary Committee (JPC), established to review the Waqf (Amendment) Bill, 2024. BJP MP Jagdambika Pal has been appointed as the Chairperson of the JPC. pic.twitter.com/iJmEIoLrxG

    — Press Trust of India (@PTI_News) August 13, 2024

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Tripura: ত্রিপুরায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধীরা খড়কুটোর মতো উড়ে গেল! বিজেপির জয়জয়কার

    Tripura: ত্রিপুরায় পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিরোধীরা খড়কুটোর মতো উড়ে গেল! বিজেপির জয়জয়কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় তিন দশকের বাম শাসনে ইতি টেনে ২০১৮-র মার্চে ত্রিপুরা (Tripura) বিধানসভা ভোটে আগরতলার কুর্সি দখল করেছিল বিজেপি। সেই জয়ের ধারা ২০২৪ সালেও অব্যাহত। এবার গ্রাম পঞ্চায়েত নির্বাচনে পদ্ম ঝড়ের কাছে কার্যত খড়কুটোর মতো উড়ে গেল বাকি সব দল। রাজ্যের ত্রিস্তর পঞ্চায়েত নির্বাচন হয়েছিল গত ৮ অগাস্ট। সোমবার থেকে শুরু হয় গণনা। মঙ্গলবার গণনার শেষ পর্যায়ের ফল জানাচ্ছে, গ্রাম পঞ্চায়েতে বিজেপি একাই জিতেছে ৫৯৪০টি আসনে! তাদের সহযোগী তিপ্রা মোথা ১০২টিতে। বিরোধী জোট ‘ইন্ডিয়া’র দুই সহযোগী কংগ্রেস এবং সিপিএম যথাক্রমে ১৪১ এবং ১৪৭টি আসনে জয়ী হয়েছে। পশ্চিম ত্রিপুরায় তো প্রায় সব আসনই এসেছে বিজেপির খাতায়। শুধু দুকলি রুরাল ডেভলপমেন্ট ব্লকে কয়েকটা আসন জিতেছে ত্রিপা মোথা পার্টি। পঞ্চায়েত ভোটে দলের জয়জয়কারে চাঙ্গা বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা।

    ভোটদানের হার ছিল ৭৯.০৬ শতাংশ (Tripura)

    নির্বাচন কমিশনের তথ্য বলছে, রাজ্যে ১০,৮৭,৪৯৫ জন ভোটার। এর মধ্যে ৫,৩০,৯৪৯ জন পুরুষ, ৫,২০,১০১ জন মহিলা এবং ১০ জন তৃতীয় লিঙ্গ রয়েছে। ৮ অগাস্ট বিকাল ৪টে পর্যন্ত ভোটদানের হার ছিল ৭৯.০৬ শতাংশ। প্রসঙ্গত, পঞ্চায়েত ভোটে যে তাঁর দল মারাত্মক ভাল ফল করতে চলেছে সেই পূর্বাভাস আগেই দিয়েছিলেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী মানিক সাহা। এবার ভোটের ফল প্রকাশের পর তাই একেবারে অক্ষরে অক্ষরে মিলে যাওয়ায় খুশির হাওয়া পদ্ম সমর্থকদের মধ্যে। এদিকে ভোটের আগেই আবার বড়সড় প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সে রাজ্যের সরকার। পঞ্চায়েত নির্বাচন (Gram Panchayat Election) মিটলেই ১০ হাজার চাকরির কথা বলা হয়েছিল। ত্রিপুরা পুলিশ, জুনিয়র রিক্রুটমেন্ট বোর্ড থেকে স্পেশাল এক্সিকিউটিভ সহ নানা ক্ষেত্রে চাকরির কথা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘ধর্ষণের বাংলা চাইনা চাইনা’, কলকাতায় আজ ধিক্কার মিছিলের ডাক বিজেপির

    এক নজরে ফলাফল

    ২০১৯ সালের সাফল্যের পুনরাবৃত্তি এবারও! বিজেপি ত্রিপুরার (Tripura) গ্রাম পঞ্চায়েত আসনের ৭১ শতাংশ এবং পঞ্চায়েত সমিতির ৬৮ শতাংশ আসন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছে। ক্ষমতাসীন বিজেপি গ্রাম পঞ্চায়েতে ৬,৩৭০টি আসনের মধ্যে (৭১ শতাংশ) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ৪,৫৫০টি জিতেছে। ৪২৩টি পঞ্চায়েত সমিতি আসনের মধ্যে ২৪৪টি বিজেপি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছে (৬৮ শতাংশ)। ১৮৯ টি প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ আসনে, বিজেপি ১৮৮টিতে, সিপিএম ১৪৮টিতে, কংগ্রেস ৯৮টিতে এবং ত্রিপা মোথা ১১টিতে প্রার্থী দিয়েছে। এছাড়াও, বিজেপি ১১৬টি জেলা পরিষদ আসনের মধ্যে ২০টি (১৭শতাংশ) বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জিতেছে। আর ৯৬টি আসনে ভোট হয়েছে। সেখানে বেশিরভাগ আসন বিজেপির দখলে রয়েছে। রেজাল্ট বলছে, ত্রিপুরায় গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্যে বিজেপি জিতেছে ৪৮২৫টি আসন। তিপ্রা জিতেছে ৯৪টি আসন। কংগ্রেসের খাতায় ২৪টি আসন। সিপিএম দখল করেছে ২০টি আসন। অন্যদিকে, পঞ্চায়েত সমিতির ক্ষেত্রে বিজেপি জিতেছে ২৯৫টি আসনে। সিপিএম পেয়েছে ২টি। নির্দল ১ টি। ১১৬টি জেলা পরিষদের আসনের ১১৩টি গিয়েছে বিজেপির ঝুলিতে। কংগ্রেস ২ এবং সিপিএম ১টিতে জয়ী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • RSS: মধ্যপ্রদেশের কলেজ পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে আরএসএস নেতাদের ৮৮টি বই

    RSS: মধ্যপ্রদেশের কলেজ পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে আরএসএস নেতাদের ৮৮টি বই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মধ্যপ্রদেশের কলেজগুলির পাঠ্যসূচিতে আরএসএস (RSS) নেতাদের ৮৮টি বই অন্তর্ভুক্ত হতে চলেছে। এই বইগুলির লেখক হলেন সুরেশ সোনি, দীননাথ বাত্রা, ডি অতুল কোঠারি, দেবেন্দ্র রাও দেশমুখ প্রমুখ। এঁরা আরএসএস-এর শিক্ষা শাখা বিদ্যাভারতীর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সরকার রাজ্য জুড়ে কলেজগুলিতে বইয়ের একটি তালিকা পাঠিয়েছে। ভারতীয় ঐতিহ্যগত জ্ঞান পরম্পরাকে পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সেখানে। রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা বিভাগ বিভিন্ন স্নাতক কোর্সে এই বইগুলির প্রবর্তনের সুবিধার্থে প্রতিটি কলেজে একটি করে ‘ভারতীয় ঐতিহ্যের জ্ঞান পরম্পরা প্রকোষ্ঠ’ গঠনের সুপারিশও করেছে।

    ভারতীয় মতাদর্শ ও ঐতিহ্যকে ছড়িয়ে দেবে বই (RSS)

    মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) উচ্চ শিক্ষা বিভাগের আধিকারিক ডঃ ধীরেন্দ্র শুক্লা সমস্ত সরকারি এবং বেসরকারি কলেজের অধ্যক্ষদের উদ্দেশে লেখা একটি চিঠিতে বলেন, “দেরি না করে দ্রুত এই ৮৮টি বইয়ের সেট কেনার জন্য সচেষ্ট হন। পিএম এক্সেলেন্স কলেজ সহ রাজ্যের সমস্ত কলেজে পড়ানো হবে এই বই। এখন পর্যন্ত আমরা স্নাতকস্তরে প্রায় ৪০০ বইয়ের জন্য সুপারিশ করেছি। বইগুলি শুধুমাত্র আরএসএস নেতাদের বলা অনুচিত, জাতীয় শিক্ষা নীতিতে (NEP) ২০২০ অ্যাকাডেমিক পাঠ্যক্রমে ভারতীয় জ্ঞান এবং ঐতিহ্যের অন্তর্ভুক্তির পক্ষে জোর দিতে বলা হয়েছে। সবগুলি পুস্তক ভারতীয় মতাদর্শ ও ঐতিহ্যকে ছড়িয়ে দিতে সাহায্য করবে। এই বইগুলি জাতীয় শিক্ষা নীতিকে অনুসরণ করে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।”

    ভগবান শ্রীরাম ও শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষা অন্তর্ভুক্ত হবে

    ৮৮টি বইয়ের মধ্যে ১৪টি বিদ্যাভারতীর প্রাক্তন সাধারণ সম্পাদক দীননাথ বাত্রার লেখা। তিনি আরএসএস (RSS)-এর শিক্ষা সমূহের মুখ্য ভূমিকা পালন করেছেন। তিনি ২০১৭ সালেই এনসিইআরটিকে পাঞ্জাবি কবি অবতার পাশের কবিতা ‘সবসে খতরনক’, একাদশ শ্রেণির হিন্দি পাঠ্যপুস্তক থেকে বাদ দেওয়ার দাবি তুলেছিলেন। গত জুন মাসে, মধ্যপ্রদেশের (Madhya Pradesh) মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব রাজ্যের শিক্ষাবর্ষের পাঠ্যক্রমে ভগবান শ্রীরাম এবং ভগবান শ্রীকৃষ্ণের শিক্ষা বিষয়কে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করেছিলেন। তিনি পূর্ববর্তী বিজেপি সরকারের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।  তিনি ভারতীয় সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় ঐতিহ্যকে শিক্ষা ব্যবস্থায় একীভূত করার একজন প্রধান সমর্থক ছিলেন।

    কংগ্রেসের বক্তব্য

    মধ্যপ্রদেশ (Madhya Pradesh) রাজ্য সরকারের এই পুস্তকের (RSS) সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে কংগ্রেস তীব্র আপত্তি তুলেছে। কংগ্রেসের মুখপাত্র মুকেশ নায়ক বলেন, “শুধুমাত্র প্রাসঙ্গিক বিষয় পাঠ্যক্রমে রাখা উচিত। কলেজগুলিতে রাজনৈতিক মতাদর্শ নিয়ে দ্বন্দ্ব পোষণ করা উচিত নয়। রাজ্যে বেকারত্বের সমস্যা রয়েছে, যার সমাধান করা দরকার।”

    আরও পড়ুনঃ ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অভিযান! আহমেদাবাদের রাস্তায় হাঁটলেন অমিত শাহ

    বিজেপির বক্তব্য

    তবে রাজ্যের (Madhya Pradesh) বিজেপির পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বইগুলিতে (RSS) আপত্তিকর কিছু নেই এবং দেশের পুনর্নির্মাণ এবং দেশপ্রেমের আদর্শের কথা এই বইগুলিতে রয়েছে। বিজেপির মুখপাত্র নরেন্দ্র সালুজা বলেন, “কংগ্রেস আরএসএসকে নিষিদ্ধ করেছিল। দেশগঠন ও দেশপ্রেমের আদর্শ দিতে এখন এসব বই দিয়ে পড়ানো হবে। কংগ্রেস শুধু তোষণের রাজনীতি করেছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • WB BJP: ‘ধর্ষণের বাংলা চাইনা চাইনা’, কলকাতায় আজ ধিক্কার মিছিলের ডাক বিজেপির

    WB BJP: ‘ধর্ষণের বাংলা চাইনা চাইনা’, কলকাতায় আজ ধিক্কার মিছিলের ডাক বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে আজ, বুধবার কলকাতায় ধিক্কার মিছিলের ডাক দিয়েছে রাজ্য বিজেপি (WB BJP)। গেরুয়া শিবিরের এই মহা মিছিল কলেজ স্কোয়ার থেকে শুরু হয়ে পৌঁছাবে আরজি কর হাসপাতালে। বেলা দুটো থেকে শুরু হওয়া এই মিছিলে ব্যাপক ভিড় হবে বলেই মনে করছে বিজেপি নেতৃত্ব। প্রসঙ্গত, আরজি কর-কাণ্ডের পর থেকেই একাধিক কর্মসূচি নিতে দেখা গিয়েছে রাজ্য বিজেপিকে (WB BJP)। ঘটনার পর পরই দলের যুব ও মহিলা সংগঠন বিক্ষোভে নামে। এর পাশাপাশি বিজেপি সাংসদ অভিজিত গঙ্গোপাধ্যায়, অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষদের দেখা যায় কলকাতাতে মোমবাতি মিছিল করতে। মঙ্গলবারই রাজ্যের জেলায় জেলায় এই ইস্যুতে বিক্ষোভ প্রদর্শন করে মহিলা মোর্চা। এরপরে বুধবারে হতে চলেছে এই ধিক্কার মিছিল। ইতিমধ্যে ধিক্কার মিছিলের বিষয়ে সমাজ মাধ্যমের পাতায় প্রচারও দেখা যাচ্ছে। দলের রাজ্য নেতারা ধিক্কার মিছিলের একাধিক পোস্টার নিজেদের ফেসবুক অথবা এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছেন। যাতে লেখা, ‘নারী বিরোধী সরকার, আর নেই দরকার’, ‘ধর্ষণের বাংলা চাইনা চাইনা’।

    বুধবার সমস্ত হাসপাতালে বহির্বিভাগ বন্ধের ডাক (RG Kar Issue)

    অন্যদিকে আরজি কর-কাণ্ডের প্রতিবাদে বুধবার রাজ্যের সমস্ত হাসপাতালে বহির্বিভাগে পরিষেবা বন্ধের ডাক দিয়েছে, জয়েন্ট প্যাল্টফর্ম অফ ডক্টরস। জানা গিয়েছে, বাংলার সমস্ত সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে ওপিডি পরিষেবা বন্ধের ডাক দিয়েছে জয়েন্ট প্লাটফর্ম অফ ডক্টরস। জরুরি পরিষেবা ছাড়াও সমস্ত কিছু বন্ধ রাখা হবে বলে জানানো হয়েছে। প্রসঙ্গত আরজি করের ওই নারকীয় ঘটনা যে স্থানে ঘটেছে, তার উল্টোদিকের ঘরে ভাঙার কাজ চলছে। বলা হয়েছে, তা নাকি বক্ষ রোগ বিভাগের সংস্কারের কাজ। এমন পরিস্থিতিতে ওই চিকিৎসক সংগঠনের সন্দেহ, প্রমাণ লোপাটের চেষ্টা হতে পারে। আর সে কারণেই বুধবার ৮ ঘণ্টার কর্ম বিরতি ঘোষণা করেছে তারা। ডাক্তারদের ব্যক্তিগত চেম্বারও বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে।

    মঙ্গলবার নাড্ডার সঙ্গে বৈঠক, আজ বুধবার মুখমন্ত্রীর কাছে যাবে আইএমএ প্রতিনিধি দল

    অন্যদিকে, আরজি কর (RG Kar Issue) মেডিক্যাল কলেজের ঘটনা নিয়ে বুধবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করবে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন বা আইএমএ-র প্রতিনিধি দল। ওই প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে রয়েছেন আইএমএ-র সর্বভারতীয় সভাপতি। প্রসঙ্গত, গতকাল মঙ্গলবারই দিল্লিতে কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গেও দেখা করেছে প্রতিনিধি দল। তারা দাবি জানিয়েছে যে প্রতিটা হাসপাতালকে যেন সেফ জোন হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এর পাশাপাশি চিকিৎসক ও চিকিৎসা ব্যবস্থার সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন যাঁরা তাঁদের জন্য কেন্দ্রীয় আইন প্রণয়নের দাবি জানিয়েছে আইএমএ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Dhupguri: মামলায় অহেতুক নাম জড়িয়ে টাকা চেয়ে পুলিশের লাগামছাড়া চাপ! মৃত্যু বিজেপি নেতার

    Dhupguri: মামলায় অহেতুক নাম জড়িয়ে টাকা চেয়ে পুলিশের লাগামছাড়া চাপ! মৃত্যু বিজেপি নেতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুলিশের লাগামছাড়া চাপ সহ্য করতে না পেরে অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হল এক বিজেপি (BJP) নেতার। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে জলপাইগুড়ির ধূপগুড়ি (Dhupguri) এলাকায়। মৃত বিজেপি নেতার নাম দীপু রায়। তিনি ধূপগুড়ি ব্লকের গাদং-২ গ্ৰাম পঞ্চায়েতের প্রাক্তন সদস্য ও গত পঞ্চায়েত নির্বাচনে জেলা পরিষদের প্রার্থী ছিলেন। বাড়ি জুড়াপানি এলাকায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Dhupguri)

    কিছুদিন আগে হিন্দু মন্দির ভাঙা নিয়ে ধূপগুড়িতে (Dhupguri) একটি গন্ডগোল হয়েছিল। অভিযোগ, সেই গন্ডগোলে না থাকলেও পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে সুয়োমোটো মামলা দায়ের করে। তাঁর নাম চার্জশিটে অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এরপর ওই মামলার আইও চার্জশিট থেকে তাঁর নাম বাদ দেওয়া হবে বলে দফায় দফায় তাঁর কাছে টাকা দাবি করতে থাকেন বলে অভিযোগ। লাগাতার চাপ সৃষ্টি করায় সহ্য করতে না পেরে তিনি অসুস্থ হয়ে পড়েন। এরপর তড়িঘড়ি তাঁকে ধূপগুড়ি মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে জলপাইগুড়িতে স্থানান্তরিত করা হয়। কিন্তু, শেষ পর্যন্ত সোমবার রাতে জলপাইগুড়ির একটি বেসরকারি নার্সিংহোমে তাঁর মৃত্যু হয়। শববাহী গাড়িতে মৃতদেহ নিয়ে পুলিশকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখান মৃতের পরিবারের সদস্য সহ বিজেপি নেতা-কর্মীরা।

    আরও পড়ুন: আরজি কর-কাণ্ডে আজ পথে বুদ্ধিজীবীরা, বিচারের দাবিতে নাগরিক মিছিল রুখল পুলিশ

    বিজেপি কর্মীরা কী বললেন?

    বিজেপি (BJP) নেতা-কর্মীরা বলেন, “প্রায় তিন মাস আগের ধূপগুড়ির একটি ঘটনায় দীপু রায় যুক্ত না থাকলেও জোর করে তাঁর নাম চার্জশিটে ঢোকানো হয়। আর চার্জশিট থেকে নাম কাটানোর জন্য ধূপগুড়ি থানার এক পুলিশ অফিসার টাকার দাবি করেন। অনবরত দীপু রায়কে ফোন করে থানায় দেখা করার জন্য চাপ দেওয়া হয়েছিল। মৃতের দাদা অপু রায় থানায় এসে পুলিশের সঙ্গে দেখাও করেন। আর গোটা বিষয়য়টি সোমবার দীপু রায়কে জানান তাঁর দাদা। ঘটনা নিয়ে যথেষ্ট চিন্তিত ছিলেন দীপু। এর পরেই অসুস্থ হয়ে তাঁর মৃত্যু হয়। এরজন্য পুলিশই দায়ী।”

    পুলিশের সঙ্গে বচসা বিজেপি কর্মীদের

    ধূপগুড়ির থানা রোডে বিরাট পুলিশ বাহিনী মৃতদেহ সহ বিজেপি নেতা-কর্মীদের আটকে দেয়। পুলিশের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়েন বিজেপি নেতা-কর্মীরা। দাবি তোলা হয় অভিযুক্ত পুলিশ অফিসারকে দ্রুত এই থানা থেকে বদলি করতে হবে। যদি তাঁকে সরানো না হয় তবে বৃহত্তর আন্দোলনে নামা হবে। ধূপগুড়ি (Dhupguri) থানার আইসি-র আশ্বাস পেয়ে বিক্ষোভ ওঠে। পরে, রাতেই বিজেপি নেতার দেহ সৎকার করা হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Jammu and Kashmir: স্বাধীনতা দিবসের আগে জম্মু ও কাশ্মীর জুড়ে পালিত বিজেপির তেরঙ্গা যাত্রা

    Jammu and Kashmir: স্বাধীনতা দিবসের আগে জম্মু ও কাশ্মীর জুড়ে পালিত বিজেপির তেরঙ্গা যাত্রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিজেপির পক্ষ থেকে দেশব্যাপী ১১ থেকে ১৫ অগাস্ট পর্যন্ত, হর ঘর তিরঙ্গার কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। তারই অঙ্গ হিসেবে সোমবার কাশ্মীরেও দেখা গেল এই চিত্র। দেশপ্রেমের চেতনা এবং স্বাধীনতা দিবসর উদ্দীপনা উদযাপন করতে এদিন জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu and Kashmir) বিজেপির যুব মোর্চার নেতৃত্বে বিরাট তেরঙ্গা যাত্রার আয়োজন করে। এই কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিজেপির (BJP) সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অশোক কৌল তেরঙ্গা র‌্যালিতে অংশগ্রহণ করেন। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখার সময় দেশের স্বাধীনতা দিবসের গুরুত্ব এবং ঐক্য-অখণ্ডতা রক্ষার জন্য প্রত্যেক নাগরিকের কর্তব্যের ওপর জোর দেন তিনি। একইসঙ্গে উপত্যকার উন্নয়ন ও শান্তি-শৃঙ্খলা নিয়ে বিজেপির প্রতিশ্রুতির কথাও তুলে ধরেন কৌল।

    ঠিক কী বললেন কাশ্মীরের বিজেপি সংগঠন সম্পাদক (Jammu and Kashmir)?

    বিজেপি নেতা অশোক কৌল বলেন, “একজন ব্যক্তির প্রথম দায়িত্ব তাঁর দেশের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা। সেইসঙ্গে, রাষ্ট্রকে সর্বোপরি সম্মান প্রদান করে মাতৃভূমির জন্য সেবা করা আমাদের প্রধান দায়িত্ব। তাই এই রাজ্যের (Jammu and Kashmir) প্রত্যেক মানুষকে তেরঙ্গা যাত্রার সমাবেশে অংশগ্রহণ করার জন্য অনুরোধ করব।” এই সমাবেশে জম্মু পূর্ব বিধানসভা কেন্দ্রের সাংসদ যুগল কিশোর শর্মা, বিজেপি সহ-সভাপতি যুধবীর শেঠি, যুবমোর্চার সভাপতি অরুণ প্রভাত এবং অন্যান্যরা সমাবেশে যোগদান করেন।

    আরও পড়ুনঃ ভারতের জন্য গ্রেট নিকোবর দ্বীপে আন্তর্জাতিক ট্রান্সশিপমেন্ট পোর্ট কতটা গুরুত্বপূর্ণ জানেন?

    রাজৌরি, কাঠুয়াতে পালিত হল তেরঙ্গা র‍্যালি

    এদিনই রাজৌরিতে (Jammu and Kashmir) রাজ্য বিজেপি (BJP) সাধারণ সম্পাদক বিবোধ গুপ্তা একটি তেরাঙ্গা সমাবেশে অংশ নেন। কাশ্মীরের বাস্তুচ্যুত জেলাগুলিতে এদিন বিজেপি জেলা সভাপতি রোহিত গাঞ্জু, যুব মোর্চার সহ-সভাপতি ডা. হিমজা মেঙ্গি সহ আরও অনেক নেতা এদিন তেরঙ্গা র‍্যালিতে অংশগ্রহণ করেন। আবার সানাসারে রামবান বিধানসভা কেন্দ্রে জাতীয় মিডিয়া ইনচার্জ এস আমনদীপ সিং তেরঙ্গা সমাবেশে যোগদান করেন। অপর দিকে, কাঠুয়া বিধানসভা কেন্দ্রে প্রবীণ বিজেপি নেতা মুনীশ শর্মা একটি জাতীয় পতাকা নিয়ে পদ যাত্রা করেন। একইভাবে, যুব মোর্চার পক্ষ থেকে নাগরোটা বিধানসভা কেন্দ্রে একটি সমাবেশের আয়োজন করা হয়। রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রে যুব শাখার রাজ্য সম্পাদক ডাঃ সুনীল ভরদ্বাজের নেতৃত্বে ‘হর ঘর তিরঙ্গা’ অনুষ্ঠান পালন হয়। ভাদেরওয়াহ বিধানসভা কেন্দ্রে প্রাক্তন বিধায়ক দিলীপ সিং উপস্থিত থেকে জাতীয় পতাকা নিয়ে মিছিল করেন। জম্মু উত্তর বিধানসভা কেন্দ্র ও খাজুরিয়াতেও তেরঙ্গা সমাবেশে লক্ষ্য করা গিয়েছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • R G Kar Medical: নিহত তরুণী চিকিৎসকের শরীরে ১১টির বেশি ক্ষতচিহ্ন, বারংবার ধর্ষণের প্রমাণ!

    R G Kar Medical: নিহত তরুণী চিকিৎসকের শরীরে ১১টির বেশি ক্ষতচিহ্ন, বারংবার ধর্ষণের প্রমাণ!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরজিকর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে (R G Kar Medical) মৃত তরুণী চিকিৎসকের শরীরে রয়েছে ১১টির বেশি আঘাতের চিহ্ন। সেই সঙ্গে হয়েছে একাধিকবার ধর্ষণও (Rape), মিলেছে এমনই প্রমাণ। ফলে কোনও একজনের পক্ষে কি এই কাজ করা সম্ভব? নাকি ঘটনায় আরও অনেকে যুক্ত? এরকমই প্রশ্ন তুলছেন মেডিক্যাল পড়ুয়া এবং চিকিৎসকদের একটা বড় অংশ। আন্দোলনরত পড়ুয়াদের দাবি, ময়নাতদন্তের রিপোর্ট দ্রুত সামনে আনতে হবে। একই ভাবে তৃণমূল মূল অভিযুক্তদের আড়াল করার চেষ্টা করছে বলে দাবি করেছে বিজেপি।

    একাধিক অপরাধী এখানে উপস্থিত ছিল?

    প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, মৃতার (R G Kar Medical) শরীরের একাধিক জায়গায় আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। চোখ এবং মুখ থেকে রক্তপাতের প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। শরীরের বাঁ পা, পেট, হাত, ঘাড়-সহ একাধিক জায়গায় মিলেছে আঘাতের চিহ্ন। চলেছে লাগাতার ধর্ষণ (Rape)। একজন ফরেন্সিক মেডিসিনের চিকিৎসক বলেছেন, অপরাধ এবং আঘাতের চিহ্ন দেখে স্পষ্ট বলা যায়, এই ডাক্তারি পড়ুয়ার তরুণীর উপর অনেক সময় ধরে নির্মম অত্যাচার করা হয়েছে। তবে একজন এই হত্যাকাণ্ডে যুক্ত থাকলে হয়তো ওই পড়ুয়া স্বাভাবিক চিৎকার বা বাধা দেওয়ার কাজে সক্ষম হতে পারতেন। কিন্তু নির্যাতনের মাত্রা দেখে অনুমেয় যে একাধিক অপরাধী এখানে উপস্থিত ছিল। আরও এক মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেন্সিক মেডিসিনের চিকিৎসক জানিয়েছেন, মৃতার শরীরে পাওয়া ক্ষতগুলিকে ভালো করে পরীক্ষা করলে বিষয়টি স্পষ্ট হবে। গলা এবং বুক, দুই জায়গায় গায়ের জোরে চেপে ধরার প্রমাণ পাওয়া গিয়েছে। তবে অপরাধের ধরন দেখে মনে হচ্ছে একাধিক ব্যক্তি এখানে জড়িত। কারণ শ্বাসরোধ করে মারতে গেলে দুই হাত গলায় থাকবে। আবার এক ব্যক্তির পক্ষে শ্বাসরোধ করলে, বুকে চাপ দেওয়া সম্ভব নয়। ফলে সবটা একজনের পক্ষে করা কঠিন। তবে অনেকক্ষুণ ধরে অত্যাচার না করলে এমনটা সম্ভব নয়। এতগুলি আঘাতের চিহ্ন কীভাবে সম্ভব। তাই নিয়ে উঠছে বিস্তর প্রশ্ন। অবশ্য পুলিশ গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তিই একমাত্র অভিযুক্ত বলে জানিয়েছে।

    আরও পড়ুনঃ মমতার সরকারকে ৪৮ ঘণ্টা সময়সীমা, দেশব্যাপী আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারি আইএমএ’র

    দোষীদের শাস্তির দাবিতে উত্তাল

    শনিবার আরজিকরের (R G Kar Medical) সমানে দোষীদের শাস্তির দাবিতে বিরাট সংখ্যায় পড়ুয়ারা আন্দোলনে নামে। উত্তাল হয়ে ওঠে এলাকা। এই আন্দোলনে ডাক্তার এবং সাধারণ ছাত্র-ছাত্রীদের অংশগ্রহণ ছিল। বিক্ষোভরত পড়ুয়ারা জানিয়েছেন, স্বাস্থ্য সচিব ডিএমই-র সঙ্গে মিটিং হয়েছে। ফাস্ট ট্রায়াল কন্ডাক্ট হবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা। দোষীদের কঠিন শাস্তির আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। রাতের বেলায় পুলিশ নিরাপত্তা দেবে বলে জানিয়েছে। আরও বেশি পরিমাণে সিসিটিভি লাগানো হবে। হস্টেলের সমস্যা দ্রুত মেটানো হবে। বাইরে থেকে আসা ব্যক্তিদের জন্য রেজিস্টার খাতা চালু করা হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • BJP: “রাহুল গান্ধী আর প্রতারণার রাজনীতি, মিথ্যাচারের রাজনীতি সমার্থক”, তোপ বিজেপির

    BJP: “রাহুল গান্ধী আর প্রতারণার রাজনীতি, মিথ্যাচারের রাজনীতি সমার্থক”, তোপ বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কর্নাটক ও হিমাচল প্রদেশে কংগ্রেসের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ করেননি রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi)।” অন্তত এমনই অভিযোগ করল বিজেপি (BJP)। শনিবার কংগ্রেসের ‘যুবরাজ’কে আক্রমণ শানিয়ে গেরুয়া শিবিরের তরফে বলা হয়, রাহুল গান্ধী প্রতারণার রাজনীতিরই সমার্থক।

    ‘কংগ্রেস এবং রাহুল গান্ধীর ডিএনএ’ (BJP)

    দিল্লিতে বিজেপির সদর দফতরে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে পদ্ম শিবিরের জাতীয় মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়া বলেন, “বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস কর্নাটকে ৫৯টি নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। যদিও পূরণ করেছে মাত্র দুটো। শিক্ষা নিয়ে তারা যে সাতটা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে, তার ছ’টাই পূরণ হয়নি। কর্মসংস্থান নিয়ে ১৫টা প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। পূরণ হয়নি তার ১৪টাই।” প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করাটাই ‘কংগ্রেস এবং রাহুল গান্ধীর ডিএনএ’ বলেও আক্রমণ শানান এই বিজেপি নেতা। তিনি বলেন, “কর্নাটকে নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মাত্র তিন শতাংশ পূরণ হয়েছে, ৯৭ শতাংশই পূরণ করতে কংগ্রেস ব্যর্থ।” গৌরবের তোপ, “কর্নাটকবাসী প্রতারিত হয়েছেন। যেখানেই কংগ্রেস ক্ষমতায় এসেছে, সেই রাজ্যের বাসিন্দারাই প্রতারিত হয়েছেন। হিমাচল প্রদেশের মানুষও প্রতারিত হয়েছেন।” তিনি বলেন, “রাহুল গান্ধী আর প্রতারণার রাজনীতি, মিথ্যাচারের রাজনীতি, প্রোপাগান্ডার রাজনীতি সমার্থক।”

    ‘ভনিতার রাজনীতি’

    কর্নাটকে কৃষকের আত্মহত্যা ইস্যুতে মুখ খুলেছিলেন কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল । এদিন সে প্রসঙ্গেও গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির নেতা রাহুলকে নিশানা করেছেন গৈরিক সৈনিক গৌরব (BJP)। তাঁর মতে, ভোট কুড়োতে ‘ভনিতার রাজনীতি’ করছেন রাহুল। বলেন, “উনি তো দিল্লিতে কৃষক প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করতে পারতেন।” তিনি বলেন, “মিডিয়া রিপোর্ট বলছে কর্নাটকে ১ হাজার ২০০ কৃষক আত্মহত্যা করেছেন। তার পরেও কেন রাহুল গান্ধী তাঁদের জন্য একটা মিনিটও খরচ করতে পারলেন না? কেন তিনি কর্নাটকের মুখ্যমন্ত্রীকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ করতে বললেন না?”

    আরও পড়ুন: “মায়ের প্রাণ বাঁচানোয় মোদির কাছে কৃতজ্ঞ”, বললেন হাসিনা পুত্র

    গৌরব বলেন, “এর কারণ গান্ধীর অগ্রাধিকারের ক্ষেত্র আলাদা। সেই কারণেই তিনি কর্নাটককে এমন একজন মুখ্যমন্ত্রী উপহার দিয়েছেন যিনি নিজেই দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন।” বিজেপির জাতীয় মুখপাত্র বলেন, “কংগ্রেস কৃষক বিরোধী, এসসি-এসটি মায় ওবিসি বিরোধীও। তারা মিথ্যে প্রতিশ্রুতি দেয় (Rahul Gandhi)। ভোটের পর সেগুলো আর কার্যকর করে না (BJP)।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share