Tag: BSF

BSF

  • Gold Smuggling: বাংলাদেশ থেকে পাচারের সময় বিএসএফের হাতে পাকড়াও, উদ্ধার ৩৬ লাখ টাকার সোনা

    Gold Smuggling: বাংলাদেশ থেকে পাচারের সময় বিএসএফের হাতে পাকড়াও, উদ্ধার ৩৬ লাখ টাকার সোনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ থেকে ভারতে সোনা পাচারের (Gold Smuggling) সময় বিএসএফের হাতে ধরা পড়ে গেল এক চোরাকারবারি। সংবাদ সংস্থা সূত্রে খবর, ধৃতের নাম দেবাশিষ দেবনাথ। সে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বাসিন্দা। তার কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে ৫৮১ গ্রাম সোনা, যার মূল্য ৩৬ লক্ষ ৩১ হাজার টাকা। বিএসএফ জানিয়েছে, ধৃত ব্যক্তিকে পরবর্তী পদক্ষেপ করার জন্য তুলে দেওয়া হয়েছে তেঁতুলিয়া শুল্ক দফতরের হাতে। এই ব্যক্তির সঙ্গে বড় কোনও চক্র জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখাই তদন্তকারী সংস্থার মূল লক্ষ্য।

    কীভাবে ধরা পড়ল ওই যুবক?

    সংবাদ সংস্থার খবর অনুযায়ী, বিএসএফের জওয়ানরা গোপন সূত্রে নির্দিষ্ট খবর পেয়ে নেমেছিলেন স্পেশাল অপারেশনে। আমুদিয়ার দিক থেকে মোটর সাইকেলে আসছিল এক ব্যক্তি। সন্দেহ হওয়ায় তার পথ আটকান জওয়ানরা। বিপদ বুঝে ওই ব্যক্তি তখন পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। কিন্তু তাকে পাকড়াও করে নিয়ে আসা হয় বর্ডার পোস্ট-এ। সেখানেই তার শরীরে তল্লাশি চালিয়ে উদ্ধার করা হয় পাঁচটি সোনার বিস্কুট, যেগুলি থাইয়ে টেপ দিয়ে বাঁধা ছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে, এগুলি বাংলাদেশ থেকে ভারতে পাচার (Gold Smuggling) করা হচ্ছিল।

    জিজ্ঞাসাবাদে আরও কী জানা গেল?

    ধৃত ওই ব্যক্তি বিএসএফের জেরায় জানিয়েছে, সে বাংলাদেশের নাগরিক গোগান মন্ডলের কাছ থেকে হোয়াটস অ্যাপে একটি কল পেয়েছিল ১৫ দিন আগে। তাতে বলা হয়েছিল, তাকে পাঁচটি সোনার বিস্কুট দেওয়া হবে, যেগুলি শায়েস্তানগরের নয়ন নামে একজনের কাছে পৌঁছে দিতে হবে। এই কাজের (Gold Smuggling) জন্য তার পারিশ্রমিক বরাদ্দ হয়েছিল ২০০০ টাকা। টাকার লোভেই সে এই কাজে সম্মতি জানিয়েছিল। এই ঘটনা ফের পরিস্কার করে দিল, সীমান্তে চোরাকারবারিরা এখনও কতটা সক্রিয়। তাই বিএসএফ নজরদারি আরও বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BSF: গত ৯ মাসে পাকিস্তানের ১৯১টি ড্রোন দেখা গিয়েছে ভারতীয় সীমান্তে! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে চাঞ্চল্যকর তথ্য বিএসএফের

    BSF: গত ৯ মাসে পাকিস্তানের ১৯১টি ড্রোন দেখা গিয়েছে ভারতীয় সীমান্তে! স্বরাষ্ট্রমন্ত্রককে চাঞ্চল্যকর তথ্য বিএসএফের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে (LOC) শুধু জঙ্গি অনুপ্রবেশ নয়, পাকিস্তানের পক্ষ থেকে ভারতীয় ভূখণ্ডে নিয়মিত নজরদারি চালানো হচ্ছে ড্রোনের (pakistan drone )মাধ্যমে। গত ৯ মাসে পাকিস্তানের প্রায় ১৯১টি ড্রোন নজরে এসেছে ভারতীয় সেনাবাহিনীর। তার মধ্যে সাতটিকে গুলি করে নামানো হয়েছে।

    ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারকে (Central Govt) এই বিষয়ে অবগত করেছে সেনাবাহিনী (Indian Army)। কারণ, বিষয়টি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এতে দেশের আভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা বিঘ্নিত হচ্ছে। ১৯১টি পাক ড্রোনের মধ্যে ১৭১টি ভারতীয় সীমানা অতিক্রম করেছিল বলে কেন্দ্রীয় সরকারকে রিপোর্ট দিয়েছে সেনাবাহিনী। যার মধ্যে অধিকাংশ পাঞ্জাবের সীমান্ত এলাকার ঘটনা। আর জম্মু ও কাশ্মীর অঞ্চলে দেখা গিয়েছে ২০টি পাকিস্তানি ড্রোন।

    সীমান্তে নজরদাবি চালানোর জন্য ইউএভি (Unnamed Aerial Vehicle) বসানো হয়েছে। তার মাধ্যেমেই চলতি বছরের ১লা জানুয়ারি থেকে ৩০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে পাকিস্তানের একাধিক ড্রোনের ভারতীয় সীমান্ত অতিক্রমের তথ্য ধরা পড়েছে। বিশেষ করে পাঞ্জাবের অমৃতসর, ফিরোজপুর এবং অবোহার অঞ্চলে এই ঘটনা বেশি করে লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    সূত্রের খবর, গত ১৮ জানুয়ারি অমৃতসরের হাভেলিয়ান সীমান্তের আউট পোস্টের সামনে একটি পাক ড্রোন নজরে পড়ে বিএসএফের (BSF)। সঙ্গে সঙ্গে তা গুলি করে নামানো হয়। একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটে ১৩ ফেব্রুয়ারি। ৭ ও ৯ মার্চ ফিরোজপুরের টিজে সিং ও অমৃতসরের হাভেলিয়ান আউট পোস্টেও দু’টি ড্রোন নামাতে সক্ষম হয় বিএসএফ।

    আরও পড়ুন: ভারতে বন্ধ পাকিস্তান সরকারের ট্যুইটার অ্যাকাউন্ট

    পুরো বিষয়টি ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর (Amit Shah) নজের আনা হয়েছে। কয়েকদিন আগে তিনি শ্রীনগর সফরে গিয়েছিলেন। সেখানে তাঁকে বিএসএফের পক্ষ থেকে যাবতীয় নথি ও প্রমাণ তুলে দেওয়া হয়। নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই ধরনের ড্রোন অস্ত্র বহনে যেমন সক্ষম, তেমনি বিস্ফোরণ ঘটানোর কাজেও ব্যবহার করা যেতে পারে।

    জম্মু ও কাশ্মীরের পুলিশ কর্তাদের আশঙ্কা, ড্রোনের মাধ্যমে ভারতীয় সীমান্তে আফগানিস্তানের হেরোইনের সাপ্লাই করা হচ্ছে। একই আশঙ্কা করছে বিএসএফও। কারণ, পাঞ্জাবের সীমান্ত অঞ্চলগুলিতেই বেশি করে পাকিস্তানের ড্রোন চোখে পড়েছে। এর পিছনে হাত রয়েছে আইএসআইয়ের। পাকিস্তানের এই কার্যকলাপ বন্ধের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। তাই জম্মু ও কাশ্মীরের পাশাপাশি পাঞ্জাব সীমান্তে আরও বেশি নজরদারি চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএসএফ।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Lok Sabha Election 2024: শুধু উত্তর ২৪ পরগনাতেই ২১ কোম্পানি, রাজ্যের কোন জেলায় রয়েছে কত বাহিনী?

    Lok Sabha Election 2024: শুধু উত্তর ২৪ পরগনাতেই ২১ কোম্পানি, রাজ্যের কোন জেলায় রয়েছে কত বাহিনী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক দলগুলির পক্ষ থেকে প্রার্থী ঘোষণার পর্ব শুরু হলেও ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের (Lok Sabha Election 2024) দিনক্ষণ আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও ঘোষণা করেনি নির্বাচন কমিশন। বাংলায় নির্বাচনের সময় যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়, সেই অভিজ্ঞতাকে মাথায় রেখে এবং ভোটারদের আস্থা ফেরাতে মার্চ মাসের প্রথম থেকেই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে আসা হয়েছে এ রাজ্যে। 

    এই মর্মে, পশ্চিমবঙ্গে এখনও পর্যন্ত মোট ১৫০ কোম্পানি বাহিনী পৌঁছে গিয়েছে এবং বিভিন্ন জেলায় তাদের মোতায়েন করা হয়েছে (Lok Sabha Election 2024)। জেলায় জেলায় টহল শুরু করেছে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এলাকার রাস্তা ধরে রুট মার্চ করছেন জওয়ানরা। এই বাহিনীর মধ্যে কোন কোন জেলায় কত কোম্পানি মোতায়েন করা হয়েছে তার তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে কমিশনের পক্ষ থেকে। দেখা যাচ্ছে, সবচেয়ে বেশি বাহিনী মোতায়েন রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনাতে।

    উত্তর ২৪ পরগনায় কত (Lok Sabha Election 2024)?

    উত্তর ২৪ পরগনায় এখনও পর্যন্ত ২১ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। শুধুমাত্র বসিরহাটেই মোতায়েন রয়েছে ৫ কোম্পানি। এছাড়া, বারাসতে ৩, বনগাঁয় ৩, বারাকপুরে ৬, বিধাননগরে ৪ কোম্পানি বাহিনী রাখা হয়েছে। এই জেলার সব জায়গায় বিএসএফ বাহিনী থাকবে। কেবলমাত্র বিধাননগরে সিআরপিএফ রাখা হবে।

    দক্ষিণবঙ্গে আর কোথায় কত?

    অন্যদিকে, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর, ডায়মন্ডহারবাড়, সুন্দরবনে মোট ৯ কোম্পানি বাহিনী রাখা হবে। একই সঙ্গে বাঁকুড়ায় ৪, বীরভূমে ৪, পূর্ব মেদিনীপুরে ৭, পশ্চিম মেদিনীপুরের ৫ কোম্পানি মোতায়েন রয়েছে। আবার নদিয়া জেলায় ৮ কোম্পানি, মুর্শিদাবাদ জেলায় ৮, পশ্চিম বর্ধমানে ৬, পূর্ব বর্ধমানে ৪, পুরুলিয়ায় ৪  এবং ঝাড়গ্রামে ৩ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

    কলকাতায় কত বাহিনী (Lok Sabha Election 2024)

    কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, কলকাতায় মোট ১০ কোম্পানি বাহিনী রাখা হয়েছে। তার মধ্যে ৮ কোম্পানি বিএসএফ এবং দুই কোম্পানি সিআরপিএফ। হাওড়া, হুগলি ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলায় মোতায়েন করা হয়েছে ৯ কোম্পানি করে কেন্দ্রীয় বাহিনী। এর মধ্যে হুগলির চন্দননগরেই রয়েছে ৫ কোম্পানি বাহিনী।

    উত্তরবঙ্গে কত (Lok Sabha Election 2024)?

    দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে উত্তরবঙ্গেও বাহিনী মোতায়েন হয়েছে। এর মধ্যে দার্জিলিঙে ৭ কোম্পানি, কোচবিহারে ৫ কোম্পানি, আলিপুরদুয়ারে ৩ কোম্পানি, জলপাইগুড়িতে চার কোম্পানি, কালিম্পঙে ২ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করা হবে। উত্তর-দক্ষিণ দুই দিনাজপুরে থাকবে মোট ৭ এবং ৪ কোম্পানি। মালদায় মোতায়েন করা হবে ৭ কোম্পানি বাহিনী।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BSF: মানবিক বিএসএফ! সীমান্তের জিরো পয়েন্টে বাবাকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন মেয়ে

    BSF: মানবিক বিএসএফ! সীমান্তের জিরো পয়েন্টে বাবাকে শেষ শ্রদ্ধা জানালেন মেয়ে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নাম লিয়াকত মণ্ডল। তাঁর বাড়ি উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার হরিহরপুরে। বেশ কয়েকবছর আগে বাংলাদেশের এক যুবকের সঙ্গে মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলেন। মেয়ে এখন বাংলাদেশের নাগরিক। অসুস্থতার কারণে লিয়কত সাহেবের মৃত্যু হয়। বিএসএফের (BSF) সহযোগিতায় মৃত বাবাকে শেষ দেখা দেখতে পেলেন সীমান্তের ওপারে থাকা মেয়ে। সাদা কাপড়ে মোড়া বাবার দেহ দেখে কান্নায় ভেঙে পড়লেন তিনি। বিএসএফের মানবিক মুখ দেখলেন সকলে।

    ঠিক কী ঘটেছিল? (BSF)

    বাবার মৃত্যুর খবর বাংলাদেশে থাকা মেয়ের কাছে পৌঁছেছিল। কিন্তু, পাসপোর্ট জটে আটকে কাঁটাতার পেরিয়ে ভারতে আসতে পারেননি বাংলাদেশের বাসিন্দা মেয়ে। আর দ্রুত পাসপোর্ট ভিসা তৈরি করে তাঁর পক্ষে আসা সম্ভব ছিল না। বিজিবি- বিএসএফের (BSF) কাছে তাঁর কাতর আবেদন ছিল, যেন একবার বাবাকে শেষ দেখা দেখতে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। কারণ, বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে মেয়ে আসতে চেয়েছিলেন পৈতৃক ভিটেতে। তাঁর ইচ্ছা ছিল, বাবার মৃতদেহ শেষবার দেখার। লিয়াকত সাহেবের পরিবারের লোকজন হরিহরপুর গ্রামের পঞ্চায়েত সদস্যকে বিষয়টি জানান। পঞ্চায়েত সদস্য মধুপুর ক্যাম্পের বিএসএফ কর্তাদের অনুরোধ করেন, লিয়াকত সাহেবের মেয়েকে যাতে শেষবারের মতো বাবাকে দেখতে দেওয়া হয়। এরপরই বিএসএফের পক্ষ থেকে বিজিবির সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। বিজিবি-র মাধ্যমে মেয়েকে দু’দেশের জিরো পয়েন্টে আনার কথা বলা হয়। এরপরই সীমান্তের জিরো পয়েন্টে লিয়াকতের মৃতদেহ আনা হয়। ওপার থেকে মেয়েও আসেন। শেষমেশ বিএসএফের (BSF) সহযোগিতায় জিরো পয়েন্টে লিয়াকত সাহেবের দেহ আনা হয়। বাবাকে শেষ দেখার পাশাপাশি শেষ শ্রদ্ধাও জানান মেয়ে।

    বিএসএফ নিয়ে কী বললেন বাংলাদেশের বধূ?

    লিয়াকত সাহেবের মেয়ে বলেন, ‘বাবার মৃত্যুর খবর পেয়ে মন ছটফট করছিল। কিন্তু, দুদেশের আইনি জটে সীমান্ত পেড়িয়ে আসা সম্ভব হচ্ছিল না। কিন্তু, বিএসএফ (BSF) উদ্যোগী হওয়ায় বাবার সঙ্গে শেষ দেখা করতে পারলাম। বিএসএফের কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Cow Smuggling: অনুব্রত তিহার জেলে, তারপরেও বঙ্গে ফের শুরু গরু পাচার, শোরগোল

    Cow Smuggling: অনুব্রত তিহার জেলে, তারপরেও বঙ্গে ফের শুরু গরু পাচার, শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুব্রত তিহার জেলে, তারপরেও বঙ্গে ফের শুরু গরু পাচার, শোরগোল। বেশ কয়েক বছর উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্তে গরু পাচার (Cow Smuggling) বন্ধ থাকলেও এবার ফের গরু পাচার হচ্ছে বলে এলাকায় অভিযোগ উঠেছে। সূত্রে জানা গিয়েছে, বাগদার কুলিয়া ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে এই গরু পাচার ফের শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে গ্রামবাসীদের মধ্যে আতঙ্কের সূত্রপাত হয়েছে। অবশ্য বিএসএফের দাবি, গরু পাচার ঠেকাতে সবরকম ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে।

    বিএসএফ সূত্রে খবর (Cow Smuggling)

    উত্তর ২৪ পরগনার বাগদার সীমান্ত এলাকায় গরু পাচার (Cow Smuggling) নিয়ে বিএসএফ জানিয়েছেন, পাচার আটকাতে নিরাপত্তা আরও শক্ত করা হয়েছে। তবে গরু রোজ পাচার হচ্ছে না। সীমান্তে যাঁরা গরু পোষেন তাঁদের বাড়িতে টাকা দিয়ে সাময়িক ভাবে রেখে দেওয়া হয়। তারপর সেগুলি পাচার হয়। আবার গ্রামবাসীদের বিক্রি করা গরু পাচারকারীদের কাছে চলে যাচ্ছে। সপ্তাহে এক বা দুই দিন সুযোগ বুঝে পাচারের চেষ্টা করা হয়। এলাকাগুলিকে চিহ্নিত করে সিসিটিভি বসানোর কথাও চলছে বলে জানা গিয়েছে।

    আগেও হয়েছে গরু পাচারের রমরমা

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, এই জেলার বনগাঁ, বসিরহাট মহকুমার সীমান্ত দিয়ে রমরমিয়ে গরু পাচার (Cow Smuggling) হত। বেশ কিছু এলাকাকে সেফ করিডর করে পাচারের জন্য ব্যবহার করা হয়। উল্লেখ্য এখনো বেশ কিছু এলাকার সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া নেই। রাতের অন্ধকারে অন্য রাজ্য থেকে ট্রাকে করে গরু এনে ফসলের জমিতে হাঁটিয়ে হাঁটিয়ে নিয়ে গিয়ে পাচার করা হয়। ফলে বিঘা বিঘা জমির ফসল নষ্ট হয়ে যায় এই গরু পাচারের কারণে। অনেক সময় এমন অভিযোগ শোনা গিয়েছে রীতিমতো আগ্নেয় অস্ত্র হাতে নিয়ে বাংলাদেশ থেকে পাচারকারীরা ভারতে ঢুকে গরু নিয়ে যায়। পরিস্থিতির অবনতি হলে স্বয়ং মুখ্যমন্ত্রী গরু পাচার বন্ধের নির্দেশ দিয়েছিলেন। একই ভাবে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাজনাথ সিং এই এলাকায় এসে একই কথা বলে গিয়েছিলেন।

    এলাকার মানুষের বক্তব্য

    ভারত-বাংলাদেশের কুলিয়া সীমান্ত এলাকায় চাষি সুভাষ সরকার বলেন, “পাচারকারীরা রাতের অন্ধকারে চাষের জমির মধ্যে দিয়ে গরু নিয়ে যায়। ফলে চাষের ব্যাপক ক্ষতি হচ্ছে। পাচারকারীদের (Cow Smuggling) হাতে দা, কুড়ুল, ভোজালি থাকছে।” আরেক চাষি কালীপদ বিশ্বাস বলেন, “রাত তিনটে থেকে গরু পাচার হচ্ছে। আমরা চাই বিএসএফ এবং পুলিশ কড়া ব্যবস্থা নেক।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • BSF Plans For Sundarbans: সুন্দরবন বাঁচাতে জলে নামছে সেনা! বিএসএফের তরফে নজরদারি অন্তরীক্ষেও?

    BSF Plans For Sundarbans: সুন্দরবন বাঁচাতে জলে নামছে সেনা! বিএসএফের তরফে নজরদারি অন্তরীক্ষেও?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুন্দরবন বাঁচাতে গুচ্ছ পদক্ষেপ করতে চলেছে বিএসএফ (BSF Plans For Sundarbans)। জঙ্গলের নিরাপত্তায় এবার জলে নামানো হচ্ছে নৌবাহিনীর ১ হাজার ১০০ জনের একটি দলকে। জল এবং স্থলের পর অন্তরীক্ষ-পথেও চালানো হবে নজরদারি। সেজন্য নামানো হচ্ছে ৪০টি ড্রোনও। প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও যাতে কাজ করতে পারে সেজন্য প্রস্তুত রাখা হচ্ছে বেশ কিছু গাড়িও। সম্প্রতি কলকাতায় সেনাবাহিনীর ইস্টার্ন কমান্ডের সদর দফতরে চূড়ান্ত হয় পরিকল্পনাটি। তবে বিএসএফের এই পরিকল্পনাটি বাস্তবায়িত হবে কিনা, তা নির্ভর করছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ছাড়পত্রের ওপর।

    সুন্দরবনে চোরাচালান

    বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্য সুন্দরবন। ছোটবড় মিলিয়ে ১০০টি দ্বীপের সমষ্টি। এর একটা বড় অংশ রয়েছে ভারতে। বাকিটা বাংলাদেশের। ভারত-বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক সীমান্তের একটা অংশও সুন্দরবনের মধ্যে পড়ে। এই সুন্দরবনেই রয়েছে সুন্দরী, গরান সহ বহু নামী-দামি গাছ। বিখ্যাত রয়েল বেঙ্গল টাইগারেরও আবাসস্থল এই সুন্দরবন। এই গহীন জঙ্গলে ঢুকে চোরাচালানকারীরা কেটে নিয়ে যায় দামী গাছ। বাঘ সহ বিভিন্ন বিপন্ন প্রাণীও পড়ে হাপিশ হয়ে যায় রাতের অন্ধকারে। এসব রুখতেই এবার কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করতে চাইছে বিএসএফ (BSF Plans For Sundarbans)। বিএসএফের এক কর্তা জানান, সুন্দরবনের নদীপথ ও ঘন জঙ্গলকে হাতিয়ার করে রমরমিয়ে চোরাচালান করে যাচ্ছে পাচারকারী ও অনুপ্রবেশকারীরা। এসব রুখতেই ব্যবস্থা হচ্ছে কড়া নজরদারির।

    গুচ্ছ পরিকল্পনা

    বর্তনামে ৫০টি স্পিড বোট দিয়ে সুন্দরবনে নজরদারি চালায় বিএসএফ। যা সুন্দরবনের আয়তনের তুলনায় সামান্যই। সেই কারণেই নামানো হচ্ছে নৌবাহিনীর ১১০০ জনের দলকে। আকাশপথে নজরদারি চালাতে নামানো হচ্ছে ৪০টি ড্রোন। এহ বাহ্য। তিনটির বেশি ভাসমান আউটপোস্টও তৈরি করা হয়েছে। সুন্দরবনের বিভিন্ন নদীতে তৈরি করা হয়েছে ১৪টি জেটিও।

    আরও পড়ুুন: নাবালিকার মুখে হিন্দুস্তান-প্রশস্তি, ‘কবি-বন্ধু’র প্রশংসায় পঞ্চমুখ প্রধানমন্ত্রী

    গত ২৬ জানুয়ারি প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন সুন্দরবনের কোস্টাল এরিয়ায় সুরক্ষা ব্যবস্থা খতিয়ে দেখতে বিএসএফের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তার পর থেকেই সুন্দরবনের সুরক্ষায় আঁটসাঁট পদক্ষেপ করতে শুরু করে বিএসএফ। এবার আরও কড়া নজরদারির ব্যবস্থা করতে চলেছেন সীমান্ত প্রহরীরা (BSF Plans For Sundarbans)। তবে পুরো বিষয়টিই নির্ভর করছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের ছাড়পত্রের ওপর। কারণ অর্থমন্ত্রকের সঙ্গে কথা বলে এই মন্ত্রকই ঠিক করবে, এই খাতে প্রয়োজনীয় অর্থ বরাদ্দ করা যাবে কিনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Pakistan Violates Ceasefire: শীত পড়তেই সীমান্তে গোলাগুলি শুরু পাক সেনার, পাল্টা জবাব ভারতের

    Pakistan Violates Ceasefire: শীত পড়তেই সীমান্তে গোলাগুলি শুরু পাক সেনার, পাল্টা জবাব ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ কিছুদিন চুপ করে থাকার পর ফের সীমান্তে সংঘর্ষবিরতি চুক্তিভঙ্গ (Pakistan Violates Ceasefire) করল পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার রাতে আচমকা বিনা প্ররোচনায় জম্মুর (Jammu Kashmir) আরএস পুরা সেক্টরে আন্তর্জাতিক সীমান্তের ওপার থেকে গুলিগোলা বর্ষণ শুরু করে পাক রেঞ্জার্স। তাতে আহত হন বিএসএফ-এর ২ জওয়ান এবং এক গ্রামবাসীও। ভারতের পাল্টা জবাবে নিহত ২ পাক রেঞ্জার্স।

    আহত ২ বিএসএফ জওয়ান সহ ৩

    বিএসএফ জম্মুর জনসংযোগ আধিকারিক জানান, বৃহস্পতিবার রাত থেকে টানা গুলি চালাতে শুরু (Pakistan Violates Ceasefire) করেছে পাকিস্তান। এমনকী, বিএসএফ পোস্টগুলোকে নিশানা করে মর্টার ছুড়েছে পাক রেঞ্জার্স। জম্মুর (Jammu Kashmir) অর্নিয়া-সুচেতগড় সেক্টরে পাঁচটি সীমান্ত চৌকিতে বৃহস্পতিবার রাতে বিনা প্ররোচনায় পাক বাহিনী গোলাবর্ষণ করে। তাতে, ২ বিএসএফ জওয়ান আহত হন বলে খবর। এর পরই, প্রায় ১৯৮ কিমি দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্ত জুড়ে হাই অ্যালার্টে রয়েছে বিএসএফ।

    ভারতের প্রত্যাঘাতে নিহত ২

    পাল্টা জবাব দিতে দেরি করেনি ভারত। বিএসএফের জওয়ানরা যোগ্য জবাব দিতে শুরু করে। গুলি বিনিময় এখনও চলছে। জানা যাচ্ছে, ভারতের প্রত্যাঘাতে ২ পাক রেঞ্জার্সের মৃত্যু হয়েছে। ভারতের গোলায় গুঁড়িয়ে গিয়েছে পাক রেঞ্জার্সের ২টি ওয়াচ টাওয়ার। এদিকে, আচমকা গোলাগুলি চলায় নতুন করে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) বাসিন্দাদের মধ্যে। উপত্যকায় শান্তি ফিরছিল। ঘরছাড়া মানুষদের অনেকেই গ্রামে ফিরে এসেছিলেন। কিন্তু, বৃহস্পতিবার রাত থেকে ফের গোলাগুলি ছোড়া (Pakistan Violates Ceasefire) শুরু হওয়ায়, সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। গতকাল গোলাগুলি শুরু হতেই পরিযায়ী শ্রমিক, মহিলা-শিশুরা ছোটাছুটি শুরু করে দেয়। 

    ভারতে জঙ্গি ঢোকানোর চেষ্টা

    গত ১০ দিনের মধ্যে, এই নিয়ে আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় দ্বিতীয়বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করল পাকিস্তান। এর আগে ১৭ অক্টোবর, বিনা উস্কানিতে বিএসএফ-এর সেনাদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল পাক রেঞ্জার্সরা। দুই বিএসএফ সদস্য আহত হয়েছিলেন। বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা, পাকিস্তানের এই পরিকল্পিত হামলার নেপথ্যে সুনির্দিষ্ট অভিসন্ধি রয়েছে। মূলত, শীতের শুরুতে সীমান্তে পাক গোলাগুলি বেড়ে যায়। কারণ, এই সময়টাই সীমান্তাঞ্চল দিয়ে (Jammu Kashmir) ভারতে জঙ্গি অনুপ্রবেশ করানোর চেষ্টা চালায় পাকিস্তান। বছরের পর বছর ধরে এই পন্থা (Pakistan Violates Ceasefire) অবলম্বন করে আসছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র। যেমনটা করেছিল বুধবার। কিন্তুু, সতর্ক ছিল ভারতও। নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে খতম হয়েছে ৫ জঙ্গি। এর আগেও, লাগাতার কয়েক সপ্তাহ ধরে উপত্যকায় পর পর জঙ্গি নিকেশ অভিযান ঘটেছে।

    নওয়াজ-শেহবাজ কানেকশন!

    এর পাশাপাশি, এবার আরও একটি ফ্যাক্টর যোগ হয়েছে। দীর্ঘ নির্বাসন-পর্ব কাটিয়ে গত সপ্তাহে পাকিস্তানে ফিরেছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। ফিরেই, তিনি প্রথম সভায় কাশ্মীর প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। তাঁর ভাই তথা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ আবার চিন সফর সেরে ফিরেছেন দেশে। তারপরই সীমান্তে পাক গোলাগুলি (Pakistan Violates Ceasefire) শুরু হল। ভারতের বিশেষজ্ঞদের মতে, সবটাই কাকতালীয় নয়। একদিকে, যখন রাশিয়া-ইউক্রেন ও ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ নিয়ে শঙ্কিত বিশ্ব, সেই আবহে কি ভারতকে যুদ্ধের উস্কানি দিচ্ছে পাকিস্তান? 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Panchayat Election 2023: প্রতি বুথে ‘হাফ সেকশন’! বাহিনী মোতায়েন নিয়ে কমিশনকে প্রস্তাব বিএসএফ আইজি-র

    Panchayat Election 2023: প্রতি বুথে ‘হাফ সেকশন’! বাহিনী মোতায়েন নিয়ে কমিশনকে প্রস্তাব বিএসএফ আইজি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইকোর্টের নির্দেশ মতো পঞ্চায়েত ভোটে (Panchayat Election 2023) কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন নিয়ে প্ল্যান করে দিল বিএসএফ। কিন্তু সেখানে দেখা যাচ্ছে, সব বুথে থাকছে না কেন্দ্রীয় বাহিনী। মূলত স্পর্শকাতর বুথ গুলিতেই রাখা হচ্ছে। এ নিয়ে রাজ্য নির্বাচন কমিশনকে নতুন প্রস্তাব দিল কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোঅর্ডিনেটর এবং আইজি (বিএসএফ)। তাঁর প্রস্তাব, কোনও বুথে হাফ সেকশনের কমে বাহিনী থাকতে পারে না। ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে একটি এবং দু’টি বুথ থাকলে কমপক্ষে হাফ সেকশন বাহিনী (অর্থাৎ ৫ জন জওয়ান। যার মধ্যে সক্রিয় থাকবেন চার জন), তিনটি এবং চারটি বুথ থাকলে কমপক্ষে এক সেকশন বাহিনী, পাঁচ এবং ছ’টি বুথ থাকলে কমপক্ষে দেড় সেকশন বাহিনী এবং সাতটি বা তার থেকে বেশি বুথ থাকলে কমপক্ষে দু’সেকশন বাহিনী মোতায়েন করার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

    সংবেদনশীল বুথগুলিতে আগে বাহিনী

    বৃহস্পতিবার রাতে রাজ্য নির্বাচন (Panchayat Election 2023) কমিশনার রাজীব সিংহের সঙ্গে দেড় ঘণ্টার বেশি বৈঠক করার পর আইজি (বিএসএফ) জানিয়েছেন, সংবেদনশীল বুথগুলিতে আগে বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। বুথগুলিতে মোতায়েন করতে হবে পর্যাপ্ত পরিমাণে রাজ্য পুলিশও। রাজ্য নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে আলোচনার পরই এই প্রস্তাব রাখা হচ্ছে বলে কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোঅর্ডিনেটর এবং আইজি (বিএসএফ)-র তরফে জানানো হয়েছে। পাশাপাশি প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে, ‘স্ট্রংরুম’ (যেখানে ব্যালটবাক্স এবং ইভিএম রাখা হয়)-এ ১ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েন করতে হবে। যার মধ্যে ৮০ জন জওয়ান সক্রিয় ভাবে মোতায়েন থাকবেন। 

    আরও পড়ুন: ৪ ডিগ্রি কমল কলকাতার তাপমাত্রা, ভোটের দিন গ্রাম বাংলার আবহাওয়া কেমন?

    জওয়ানদেরও ‘প্রাণহানির আশঙ্কা’

    পঞ্চায়েত নির্বাচনে (Panchayat Election 2023)  বুথে রাজ্য পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী (central force) সমান অনুপাতে দিতে হবে, এমনই নির্দেশ দিয়েছিল হাইকোর্ট। অর্থাৎ একটি বুথে এক জন রাজ্য পুলিশ থাকলে একজন কেন্দ্রীয় বাহিনীকেও রাখতে হবে। পুরো বিষয়টি কীভাবে করা হবে হাইকোর্ট তা দেখার দায়িত্ব দিয়েছে বিএসএফ আইজি-কে। সেই নির্দেশ মেনে কাজ করা হলেও, সমস্যা থেকে যাচ্ছে। অন্য দিকে, কেন্দ্রীয় বাহিনীর সদস্যেরা রাজ্যের কোনও বুথে একক ভাবে কাজ করতে চাইছেন না। বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের যা অবস্থা তাতে জওয়ানদেরও ‘প্রাণহানির আশঙ্কা’ রয়েছে বলে মনে করছেন তাঁরা। এই মর্মে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে চিঠি দিয়েছেন কেন্দ্রীয় বাহিনীর কোঅর্ডিনেটর। বিএসএফ, আইটিবিপি-সহ সব বাহিনীর কর্তারা জানিয়েছেন, কোনও জায়গায় এক সেকশনের কমে বাহিনী থাকতে পারে না। এক সেকশনের সদস্য সংখ্যা ১১ জন। শুধুমাত্র ভোটের ক্ষেত্রে কোনও বুথে হাফ সেকশন বাহিনী থাকতে পারে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • BSF: নদিয়া সীমান্তে গরু পাচারে বাধা, বিএসএফকে লক্ষ্য করে বোমা, গুলিবিদ্ধ পাচারকারীরা

    BSF: নদিয়া সীমান্তে গরু পাচারে বাধা, বিএসএফকে লক্ষ্য করে বোমা, গুলিবিদ্ধ পাচারকারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সীমান্তে গরু পাচারের সময় বিএসএফের বাধা। পাচারকারীদের পক্ষ থেকে বিএসএফকে লক্ষ্য করে বোমাবাজি করা হয় বলে অভিযোগ। প্রতিহত করতে পাল্টা গুলি চালায় বিএসএফ। গুলিবিদ্ধ হন একাধিক গরু পাচারকারী। শুক্রবার ভোর রাতে ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার ধানতলা থানার ইচ্ছামতী বর্ডার পোস্ট সীমান্ত এলাকায়। ঘটনার পর ঘটনাস্থল ঘুরে দেখলেন বিএসএফের (BSF) এর কৃষ্ণনগর রেঞ্জের ডিআইজি সঞ্জয় কুমার।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে?

    এদিন ভোর রাতে ধানতলা থানার দত্তপুলিয়ায় কাঁটাতার না থাকার সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ইছামতী নদীর ব্রিজের নীচে দিয়ে ভারত থেকে বাংলাদেশে প্রায় ১০টি গরু পাচার করার চেষ্টা করছিল পাচারকারীরা। অভিযোগ, বিএসএফের ( BSF) জওয়ানরা গরু পাচারকারীদের আটকাতে গেলে পাচারকারীরা বিএসএফকে লক্ষ্য করে পাথর ও বোমা ছোঁড়ে বলে অভিযোগ। পরে বিএসএফের (BSF) পক্ষ থেকে পাল্টা গুলি চালিয়ে প্রতিহত করে। তাতে বেশ কয়েকজন গরু পাচারকারী জখম হন। এরমধ্যে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশ পালিয়ে গেলেও ধরা পড়ে যায় এক গরু পাচারকারী। তাকে ধানতলা পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে বিএসএফ। আর এর পরই শুক্রবার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন ডিআইজি কৃষ্ণনগর রেঞ্জ সঞ্জয় কুমার।

    ধৃত গরু পাচারকারীর কী বক্তব্য?

    ধৃত গরু পাচারকারী হাসান মণ্ডলের বক্তব্য, আজ ভোররাতে ৬টি গরু নিয়ে বাংলাদেশের ছজন এবং ভারতের চারজন বাংলাদেশ যাওয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলাম। ঠিক তখনই বিএসএফ (BSF) বাধা দেওয়াই আমাদের দলের বেশ কয়েকজন সেনা কর্মীদের লক্ষ্য করে বোমা ছুঁড়তে শুরু করে।। এরপর সেনাবাহিনী তরফে গুলি করলে একটি গুলি আমার গায়ে লাগে। ইছামদী নদী পার করে গরুগুলি বাংলাদেশে পৌঁছে দেওয়ার আমার কাজ ছিল।

    কী বললেন বিএসএফের (BSF) ডিআইজি?

    ঘটনার বিবরণ দিয়ে বিএসএফের (BSF) কৃষ্ণনগর রেঞ্জের ডিআইজি সঞ্জয় কুমার বলেন, সীমানগর এর ৬৮ নম্বর ব্যাটেলিয়ান এখানে কর্মরত ছিল। ইছামতী লাগোয়া এই সীমান্ত এলাকা। ভোর তিনটে নাগাদ পাচারকারীরা গরু নিয়ে যাচ্ছিল, ঠিক তখনই বিষয়টি নজরে আসতেই তাদেরকে বাধা দেয় বিএসএফ। তারা বিএসএফের লক্ষ্য করে বোমা মারতে থাকে। পাল্টা গুলিতে বেশ কয়েকজন পাচারকারী পালিয়ে গেলেও একজনকে ধরা সম্ভব হয়েছে। বাকিদের খোঁজে তল্লাশি শুরু করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Pak Drone: পাকিস্তানের ৪ ড্রোনকে গুলি করে নামাল বিএসএফ, মিলল মাদকও

    Pak Drone: পাকিস্তানের ৪ ড্রোনকে গুলি করে নামাল বিএসএফ, মিলল মাদকও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের ভারতের আকাশ সীমায় উড়ল পাকিস্তানি ড্রোন (Pak Drone)। ঘটনাটি নজরে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই ৩টি ড্রোনকে গুলি করে নামায় বিএসএফ। গত ২৪ ঘণ্টায় পঞ্জাব সীমান্তের কাছে গুলি করে নামানো হয় ড্রোনগুলিকে। শুক্রবার রাতে গুলি করে নামানো হয় ৩টি ড্রোনকে। চতুর্থটিকে গুলি করে নামানো হয় শনিবার রাতে।

    প্রথম দিনেই এল ৩ পাকিস্তানি ড্রোন (Pak Drone)

    সীমান্তরক্ষী বাহিনী সূত্রে খবর, প্রথম দিন যে তিনটি পাকিস্তানি ড্রোন নামানো হয়েছিল, সেগুলি ডিজিআই ম্যাস্ট্রিস ৩০০ আরটিকে ব্ল্যাক কোয়াডকপ্টার। এর মধ্যে একটি ড্রোন (Pak Drone) শুক্রবার রাত ৯টা নাগাদ সীমান্ত পেরিয়ে ধারিয়াল গ্রামে ঢোকে। নজরে পড়ার সঙ্গে সঙ্গেই সেটিকে গুলি করে নামানো হয়। তারই কিছু পরে অন্য একটি ড্রোন অমৃতসর জেলার রত্তন খুর্দ গ্রাম দিয়ে ঢোকার চেষ্টা করে। পরে সেটিকেও গুলি করে নামানো হয়। বিএসএফ জানিয়েছে, ওই ড্রোনের মধ্যে থেকে উদ্ধার হয় একটি প্যাকেট। প্যাকেটটি খুলতেই দেখা যায় নিষিদ্ধ মাদক। বিএসএফ সূত্রে খবর, ওই প্যাকেট থেকে উদ্ধার হয়েছে ৬ কেজি ৬০০ গ্রাম হেরোইন। এই পরিমাণ হেরোইনের বাজারমূল্য লক্ষাধিক টাকা। হেরোইন ভর্তি ওই প্যাকেটের গায়ে উজ্জ্বল স্টিকার লাগানো হয়েছিল বলেও দাবি বিএসএফের।

    একটি ড্রোন আছড়ে পড়ল পাকিস্তানে

    শুক্রবার রাতেই আরও একটি ড্রোনকে (Pak Drone) লক্ষ্য করে গুলি ছোড়েন সীমান্তে কর্তব্যরত জওয়ানরা। তবে সেই ড্রোনটি উদ্ধার করা যায়নি। কারণ ড্রোনটি পড়েছিল পাকিস্তানের সীমানায়। বিএসএফের মুখপাত্রের দাবি, সিসিটিভির ফুটেজ থেকে দেখা গিয়েছে ড্রোনটি মাটিতে আছড়ে পড়ার সঙ্গ সঙ্গেই স্থানীয় বাসিন্দারা ড্রোনটি থেকে কিছু সংগ্রহ করছেন। বিএসএফের এক আধিকারিক জানান, চতুর্থ ড্রোনটি শনিবার রাতে নিয়ম ভেঙে ঢুকে পড়ে ভারতীয় আকাশ সীমায়। অমৃতসর সেক্টরে কর্তব্যরত জওয়ানরা সেটিকেও গুলি করে নামায়। একটি ড্রোন ও মাদক ভর্তি একটি ব্যাগ উদ্ধার হয়েছে।

    সাম্প্রতিক অতীতে পঞ্জাব, জম্মু সহ দেশের একাধিক পাক সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় ভূখণ্ডে হয়েছে ড্রোন হামলা। অনেক ক্ষেত্রেই ড্রোনগুলির (Pak Drone) মাধ্যমে কখনও টাকা, কখনও আবার অস্ত্র ছড়িয়ে জঙ্গিদের রসদ জোগাচ্ছে পাকিস্তান। ভারতের সীমান্তবর্তী গ্রামগুলিতে ড্রোনের মাধ্যমে মাদক পাচারের চেষ্টাও চলছে। সেই কারণেই সীমান্তে রয়েছে কড়া প্রহরা। তার জেরেই গত ২৪ ঘণ্টায় চারটি ড্রোন গুলি করে নামাল সীমান্তরক্ষী বাহিনী।

    আরও পড়ুুন: ‘‘দেশের জন্য নিরাপত্তার সুদর্শন চক্র তৈরি করেছেন প্রধানমন্ত্রী’’, মত অমিত শাহের

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share