Tag: cbi

cbi

  • Abhijit Ganguly: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই- এর কিছু সদস্যের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট জাস্টিস গঙ্গোপাধ্যায়

    Abhijit Ganguly: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় সিবিআই- এর কিছু সদস্যের ভূমিকায় অসন্তুষ্ট জাস্টিস গঙ্গোপাধ্যায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (Recruitment Corruption Case) সিবিআই-এর (CBI) কিছু সদস্যের ভূমিকায় অসন্তোষ প্রকাশ করলেন বিচারপতি অভিজিত্‍ গঙ্গোপাধ্যায় (Abhijit Ganguly)। সিটের কয়েকজন আধিকারিক ঠিকমতো কাজ করছেন না, এমন মন্তব্য করেন তিনি। প্রয়োজনে তাঁদের বদলে নতুন দলও গঠন করা হতে পারে বলেও জানান বিচারপতি। আজ সোমবার আড়াইটায় নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় শুনানি হওয়ার কথা। সিবিআই এদিন তদন্তে অগ্রগতি সংক্রান্ত রিপোর্ট জমা দেবে বিচারপতির কাছে। মনে করা হচ্ছে এই রিপোর্টে উঠে আসতে পারে একাধিক হেভি ওয়েটের নাম। আর এই শুনানির আগেই এমন মন্তব্য করলেন জাস্টিস গঙ্গোপাধ্যায়।

    যদিও এই প্রথম নয়। এর আগেও সিবিআই- এর তদন্ত প্রক্রিয়া নিয়ে একাধিকবার প্রশ্ন তুলেছেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। ভরা এজলাসে সিবিআই তদন্তের গতিপ্রকৃতি নিয়ে অসন্তোষের কথা জানিয়েওছেন আধিকারিকদের। এর আগেই একদিন বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, “আসল অপরাধী কে তা সবাই জানেন, কিন্তু আমার জীবদ্দশায় তিনি গ্রেফতার হবেন কিনা, তা জানা নেই।” বিচারপতির এমন মন্তব্যের পরই উত্তাল হয় রাজ্যরাজনীতি।  এর মাঝেই গত শুক্রবার হাইকোর্টের একটি শুনানিতে বিচারপতি অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে প্রশ্ন করেন, “প্রাথমিকে যাঁরা জেলে গিয়েছেন, তাঁরা ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ আর কেউ কি এর পিছনে আছেন? তদন্তের অভিমুখ কি অন্য কারও দিকে যাচ্ছে?” 

    আরও পড়ুন: ঝালদা পুরসভার আস্থা ভোটে স্থগিতাদেশ হাইকোর্টের

    ওয়াকিবহাল মহল মনে করছে, আজও এই মামলা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিতে পারেন বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায়। যারা ঘুষ দিয়ে চাকরিতে ঢুকেছেন, তাঁদের একটা বড় সুযোগ ইতিমধ্যেই দিয়েছেন জাস্টিস গঙ্গোপাধ্যায়। গত ২৮ সেপ্টেম্বর  বিচারপতি গঙ্গোপাধ্যায় নির্দেশ দিয়ে বলেন, যাঁরা বেনিয়মে চাকরি পেয়েছিলেন, ৭ নভেম্বরের মধ্যে তাঁরা চিঠি লিখে পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করলে, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হবে না। যাঁরা বেআইনি ভাবে চাকরি পেয়েছেন, তাঁরা ৭ নভেম্বরের মধ্যে এসএসসিতে চিঠি পাঠাবেন। ৯ নভেম্বরের মধ্যে চাকরি ছাড়বেন। এমনই নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি। যদিও জানা গিয়েছে, রবিবার পর্যন্ত কেউ স্বেচ্ছায় চাকরি ছাড়েননি।       

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     

     
  • Anubrata Mondal: গরুপাচার মামলা যোগ,  অনুব্রতর জামাইবাবুকে শুক্রবার দিল্লিতে তলব ইডির

    Anubrata Mondal: গরুপাচার মামলা যোগ, অনুব্রতর জামাইবাবুকে শুক্রবার দিল্লিতে তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরুপাচার মামলায় গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের বীরভূম জেলার সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)। এবার এই মামলায় অনুব্রতর জামাইবাবু কমলকান্ত ঘোষকে তলব করল ইডি (ED)। শুক্রবার দিল্লিতে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছেন গোয়েন্দারা। ভোল ব্যোম রাইস মিল সংক্রান্ত বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে তাঁকে। এই রাইস মিলেরই অন্যতম মালিক অনুব্রতর মেয়ে সুকন্যা মণ্ডল। সেই রাইস মিলের অ্যাকাউন্ট সংক্রান্ত বিষয়ে খোঁজ খবর করতে ডাকা হয়েছে অনুব্রতর জামাইবাবুকে। অনুব্রত ঘনিষ্ঠ একাধিক ব্যক্তির ব্যাংক অ্যাকাউন্ট রয়েছে ইডি স্ক্যানারে।

    তলব মলয় পিটকে 

    প্রসঙ্গত বৃহস্পতিবার গরুপাচার মামলায় ফের মলয় পিটকে দিল্লি তলব করেছিল ইডি। অনুব্রত ঘনিষ্ঠ এই ব্যবসায়ী বহু প্রশ্নের উত্তর দেননি বলেই জানিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। ইডির দাবি, স্বাধীন ট্রাস্টের এই কর্ণধারকে প্রথমবার জিজ্ঞাসাবাদে সন্তুষ্ট নন গোয়েন্দারা। ফলে বুধবারের পর ফের বৃহস্পতিতে মলয় পিটকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চেয়েছিলেন তদন্তকারীরা।

    অনুব্রত-ঘনিষ্ঠ ওই ব্যবসায়ীর সংস্থা স্বাধীন ট্রাস্টের সঙ্গে অনুব্রতর আত্মীয়দের কোটি কোটি টাকার লেনদেন হয়েছে বলেই জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। কেন্দ্রীয় এজেন্সির অনুমান, ওই বিপুল অঙ্কের টাকা মলয়ের বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজে বিনিয়োগ হয়েছে। টাকার উৎস সম্পর্কে ওই ব্যবসায়ীর কাছে তথ্য চায় ইডি। 

    আরও পড়ুন: ডিউটি শেষে অস্ত্র জমা রাখার নির্দেশ কলকাতা পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চকে, কেন?

    সিবিআই- এর তলব দুই কাউন্সিলরকে 

    এছাড়াও, বৃহস্পতিবার বোলপুর এলাকার দু-জন কাউন্সিলরকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সিবিআই ক্যাম্পে ডাকা হয়েছিল। ওই সিবিআই ক্যাম্পে আজ উপস্থিত ছিলেন কাউন্সিলর বিশ্বজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং বোলপুর পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান ওমর শেখ। মূলত বেআইনি কোনও সম্পত্তি আছে কিনা সেই তথ্যই জোগাড় করার জন্যই এই পদক্ষেপ। বিশ্বজিৎ বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ওমর শেখের প্রচুর সম্পত্তির খোঁজ পেয়েছে সিবিআই। বিপুল সংখ্যক জমিজমা  এবং অপরিসীম আয়ের হদিশ মিলেছে। এই দুই তৃণমূল নেতার নামে এত সম্পত্তির উৎসের ব্যাপারটি সন্দেহের চোখে দেখছে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা। এই দুই ব্যক্তির দৈনিক কর্মসূচি এবং দলীয় কাজকর্মের সমস্ত রকম তথ্য যাচাই করা শুরু হবে বলে সিবিআই সূত্রের খবর। সিবিআই এর ধারণা, গরু পাচার কাণ্ডে এদের কোনও না কোনওভাবে হাত রয়েছে। কীভাবে এরা বেআইনি কারবারের সঙ্গে যুক্ত, সেটাই তদন্ত করে জানার চেষ্টা করছেন গোয়েন্দারা। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।   

     

      

  • MGNREGA: ১০০ দিনের কাজে ব্যাপক অনিয়ম, সিবিআই তদন্তের দাবিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে চিঠি শুভেন্দুর

    MGNREGA: ১০০ দিনের কাজে ব্যাপক অনিয়ম, সিবিআই তদন্তের দাবিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে চিঠি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে একশো দিনের কাজ (MGNREGA) প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগে একাধিকবার সরব হতে দেখা গিয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির (BJP) শুভেন্দু অধিকারিকে (Suvendu Adhikari)। এবার ওই একই অভিযোগে কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রী গিরিরাজ সিংকে (Giriraj Singh) চিঠি লিখলেন তিনি। দাবি করেছেন সিবিআই তদন্তেরও। চার পাতার ওই চিঠিতে একশো দিনের কাজ প্রকল্পে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ তোলা হয়েছে।

    গিরিরাজকে শুভেন্দু যে চিঠি পাঠিয়েছেন, তাতে তারিখ রয়েছে সোমবারেরই। এদিন এনিয়ে একটি ট্যুইটও করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। সেখানেই গিরিরাজকে পাঠানো চিঠিটি পোস্ট করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। কেন্দ্রীয় পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন দফতরের মন্ত্রীকে লেখা চিঠিতে শুভেন্দুর দাবি, পশ্চিমবঙ্গ সরকার মানুষকে, বিশেষত গ্রাম বাংলার বাসিন্দাদের বোকা বানানোর চেষ্টা করছে। যাঁদের জবকার্ড রয়েছে, তাঁদের তথ্যের অপব্যবহার করে রাজ্য সরকার ভুয়ো কর্মসংস্থানের তালিকা তৈরি করছে। নন্দীগ্রামের বিধায়কের বক্তব্য, সামনেই পঞ্চায়েত নির্বাচন। তাই এই ভুয়ো তথ্যভাণ্ডার তৈরি করা হচ্ছে। যাতে রাজ্য সরকার আগামিদিনে বলতে পারে, একশো দিনের কাজে (MGNREGA) কেন্দ্রের পাঠানো টাকার পরিমাণ কমে গেলেও, তারা গ্রাম বাংলায় প্রচুর পরিমাণে কর্মসংস্থান করতে পেরেছে। শুভেন্দুর অভিযোগ, এই অনৈতিক কাজে সরকারকে সাহায্য করছে রাজ্যের প্রশাসন।

    সম্প্রতি এই মর্মে রাজ্য প্রশাসনের তরফে একটি নির্দেশিকাও জারি করা হয়েছে বলে চিঠিতে উল্লেখ করেছেন শুভেন্দু। (মাধ্যমে সে খবর প্রকাশিতও হয়েছে) চিঠিতে স্বাক্ষর রয়েছে মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদীর। সেই চিঠিতে সংশ্লিষ্ট সব বিভাগকে বলা হয়েছে, তারা যেন তাদের অধীনস্থ প্রকল্পগুলি রূপায়ণের সময় কেবল জবকার্ড থাকা অসংগঠিত ক্ষেত্রের উপভোক্তাদেরই নিয়োগ করে। নন্দীগ্রামের বিধায়কের দাবি, জবকার্ড হোল্ডাররা যাতে কাজ পান, তা নিশ্চিত করতে সরকার এই নির্দেশিকা জারি করেনি। তাদের উদ্দেশ্য হল, কর্মসংস্থান সংক্রান্ত নথি প্রস্তুত করা। তাঁর অভিযোগ, সংশ্লিষ্ট সব বিভাগের আধিকারিকদের এক্ষেত্রে ভুয়ো তথ্য নথিভুক্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। বাংলার পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন স্তরে এই সীমাহীন দুর্নীতির তদন্ত সিবিআই (CBI) কিংবা অন্য কোনও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে দিয়ে করানোর আর্জিও জানিয়েছেন শুভেন্দু।

    আরও পড়ুন: এটি আর্থিক তছরুপের সহজ পন্থা, ফের ডিয়ার লটারি নিয়ে সরব শুভেন্দু

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Anubrata Mondal: লটারির মাধ্যমেও চলত কালো টাকা সাদা করার প্রয়াস! অনুব্রতকে জেরা সিবিআইয়ের

    Anubrata Mondal: লটারির মাধ্যমেও চলত কালো টাকা সাদা করার প্রয়াস! অনুব্রতকে জেরা সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে হাওয়ায় উড়ছে কালো টাকা। চলছে সাদা করার নানান প্রয়াস। তারই একটা নয় তো লটারি, অনুমান গোয়েন্দাদের। বীরভূমের দাপুটে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলের পর লটারিকাণ্ডে এবার ইডির নজরে রাজ্যের এক বিধায়কের স্ত্রী। ওই মামলায় বিধায়কের স্ত্রীকে দিল্লিতে তলব করেছে ইডি। লটারিতে অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) কোটি টাকা প্রাপ্তি আসলে কি সত্য ঘটনা, নাকি এর পিছনে রয়েছে কোন গভীর ষড়যন্ত্র? তা জানতে বোলপুরে  পৌঁছে যায় সিবিআই (CBI) অফিসাররা। কিছুদিন আগে অনুব্রত মণ্ডল ডিয়ার লটারিতে ১ কোটি টাকা জিতেছিলেন। তদন্তকারীরা মনে করছেন, ওটা কালো টাকা সাদা করার একটা ধাপ।

    আরও পড়ুন: আদৌ কি লটারি জিতেছিলেন অনুব্রত? লটারি বিক্রেতার বয়ানে ঘনীভূত রহস্য

    লটারিকাণ্ডের তদন্ত পৃথক একটি এফআইআর দায়ের করেছে ইডিও। ইডি সূত্রে খবর, বিভিন্ন জেলায় একাধিক লোকের সন্ধান পাওয়া গিয়েছে যারা বিভিন্ন ব্যক্তির কাছ থেকে টিকিট কিনে নিয়ে কালো টাকা সাদা করেছেন। পাশাপাশি, লটারি কোম্পানির মালিকরাও ইডির নজরে রয়েছেন। কীভাবে ওই গোটা প্রক্রিয়া চলত তা জানার চেষ্টা করছে ইডি। এর জন্যই ওই তৃণমূল বিধায়কের স্ত্রীকে আগামী ১১ নভেম্বর দিল্লিতে ইডির অফিসে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। তিনিও কিছুদিন আগে লটারি জেতেন। সূত্রের খবর,  কিছুদিন আগে ডিয়ার লটারিকাণ্ডে একটি তল্লাশি অভিযান চালিয়েছিল ইডি। তখনই একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি আসে ইডির হাতে। ওইসব নথি থেকে তাঁরা জানতে পারেন শুধুমাত্র অনুব্রত মণ্ডলই নয়, আরও কয়েকজন রয়েছেন যাদের কালো টাকা সাদা করা হতো লটারির মাধ্যমে। তদন্তকারীরা মনে করছেন, ওই বিধায়কের স্ত্রীকে জেরা করে আরও অনেক তথ্য উঠে আসবে। অনুব্রত ছাড়া আর কারা লটারির মাধ্যমে কালো টাকা সাদা করতেন তা জানা যাবে। 

    আরও পড়ুন: গরু পাচার মামলায় নতুন মোড়! বখরা পেতেন ২ বিধায়ক! ইডি-কে জানাল সায়গল

    লটারি জেতা প্রসঙ্গে আসানসোল সংশোধনাগারে গিয়ে অনুব্রতকে জিজ্ঞাসবাদ করে সিবিআই। দীর্ঘক্ষণ জেরা চলে। সিবিআই সূত্রে খবর, অনুব্রত এ বিষয়ে স্পষ্ট করে কিছু বলেননি। অনুমান, অনুব্রতকে জেরা করে পাওয়া তথ্য থেকেই তৃণমূল বিধায়কের স্ত্রীর সঙ্গে কথা বলবে তদন্তকারীরা। দুজনের থেকে প্রাপ্ত তথ্য মিলিয়ে দেখা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • CBI: ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় বীরভূম থেকে ৫ তৃণমূল কর্মী গ্রেফতার

    CBI: ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় বীরভূম থেকে ৫ তৃণমূল কর্মী গ্রেফতার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় গ্রেফতার পাঁচ তৃণমূল (TMC) কর্মী। শুক্রবার বীরভূমের (Birbhum) সদাইপুর থানা এলাকা থেকে তাঁদের গ্রেফতার করে সিবিআই (CBI)। এদিনই ধৃতদের তোলা হয় সিউড়ি জেলা আদালতে। বিচারক তাঁদের দু’দিনের সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিলেন।

    একুশের বিধানসভা নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ী হয় তৃণমূল কংগ্রেস। এই নির্বাচনের ফল ঘোষণার পরেই রাজ্যের আরও কয়েকটি জেলার পাশাপাশি বীরভূমেও ব্যাপক হিংসার অভিযোগ ওঠে। সদাইপুরের সাহাপুরে এক ব্যক্তির বাড়িতে ভাঙচুর চালানোর পাশাপাশি মহিলাদের শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগও ওঠে। এদিন সেই সাহাপুর গ্রাম থেকেই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা গ্রেফতার করেন পাঁচ তৃণমূল কর্মীকে। ধৃতরা হলো শেখ জামির হোসেন, শেখ কারিবুল ওরফে কারু, শেখ আসরফ ওরফে রাহুল, শেখ নুড়াই ও জয়ন্ত ডোম। 

    পঞ্চায়েত নির্বাচনের আগে তৃণমূল কর্মীদের গ্রেফতারকে ঘিরে জেলা জুড়ে রাজনৈতিক শোরগোল উঠেছে। বিজেপির জেলা সভাপতি ধ্রুব সাহা জানান, সনাতনীদের উপর অত্যাচার করে তৃণমূল কর্মীরা ভেবেছিল পার পেয়ে যাবে। সঠিক বিচার পাবেন অত্যাচারে ভেঙে পরা বিজেপি কর্মীরা। তৃণমূলের জেলা মুখপাত্র মলয় মুখোপাধ্যায় জানান, পরিকল্পিতভাবে গ্রামে গ্রামে এজেন্সি দিয়ে ভোটের আগে ভয় দেখানোর চেষ্টা চালানো হচ্ছে। এলাকার মানুষ সব জানেন।

    আরও পড়ুন: সিবিআই-এর তলব এড়িয়ে ই-মেল করলেন কেষ্ট কন্যা, কী লিখেছেন চিঠিতে?

    বিধানসভা ভোটে ফলাফল বেরনোর পরেই সদাইপুর এলাকায় একটি গ্রামে বিজেপি কর্মীদের বাড়িতে বেছে বেছে অত্যাচার চালানোর অভিযোগ ওঠে। বাড়ির গরু, ছাগল থেকে সব লুঠপাট এমনকী মেয়েদের উপর নির্বিচারে অত্যাচার চালানোর অভিযোগ ওঠে। ভাঙচুর চালানো হয় কর্মীদের বাড়িতে বাড়িতে। এলাকার এক বিজেপি বুথ কর্মী জানান, তিনি বিজেপি করার অপরাধে তাঁর বাড়ির মহিলাদের ধর্ষণ করে তৃণমূলের কর্মীরা। তিনি সদাইপুর থানায় ধর্ষণের ও লুঠপাটের অভিযোগ জানান। তাঁর অভিযোগের ভিত্তিতে মামলা রুজু করে সদাইপুর থানার পুলিশ। কিন্তু, তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগে আইনের কোনও বিচার হবে না বলে জেলা নেতৃত্বের তরফে আশ্বাস দেওয়া হয়।

    অবশেষে, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় ধর্ষণ ও খুনের ঘটনার তদন্তে নেমেছে সিবিআই (CBI)। সেই সূত্রে অভিযুক্তদের দুর্গাপুরে সিবিআইয়ের শিবিরে তাদের ডেকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়।এরপর বৃহস্পতিবার রাতে সাহাপুর গ্রাম থেকে তাদের গ্রেফতার করা হয় বলে সিবিআই সুত্রে জানা গিয়েছে। সিউড়ি আদালতের বিচারক ধৃতদের আগামী দু’দিন সিবিআই হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Anubrata Mondal: ডিয়ার লটারিতে কোটি টাকা জয় অনুব্রতর, বিক্রেতাকে তলব সিবিআইয়ের

    Anubrata Mondal: ডিয়ার লটারিতে কোটি টাকা জয় অনুব্রতর, বিক্রেতাকে তলব সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু এবং কয়লাকাণ্ডের পর এবার লটারিকাণ্ডেও জড়াতে চলেছেন তৃণমূলের (TMC) বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল (Anubrata Mondal)! বছরখানেক আগে ডিয়ার লটারিতে টিকিট কেটে এক কোটি টাকা জিতেছিলেন অনুব্রত। বীরভূমের যে দোকান থেকে ওই লটারির টিকিট বিক্রি করা হয়েছিল, সেই লটারির দোকানের মালিককে তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই (CBI)। বুধবার বাপি গঙ্গোপাধ্যায় নামে ওই লটারি টিকিট বিক্রেতাকে ডেকে পাঠানো হয় নিজাম প্যালেসে। তাঁকে দীর্ঘক্ষণ ধরে জেরা করা হয়।

    বোলপুরে রয়েছে বাপির লটারি টিকিট বিক্রির দোকান। নাম গাঙ্গুলি লটারি। জানা গিয়েছে, ওই দোকান থেকে ডিয়ার লটারির টিকিট কাটা হয়েছিল। প্রথম পুরস্কার বাবদ এক কোটি টাকা পেয়েছিলেন অনুব্রত (Anubrata Mondal)। এদিন বাপিকে দীর্ঘক্ষণ জেরা করেন তদন্তকারীরা। অনুব্রত স্বয়ং গিয়ে টিকিট কিনেছিলেন, নাকি কারও মাধ্যমে টিকিট কাটা হয়েছিল, তাও জানতে চান তদন্তকারীরা। কীভাবে তিনি ওই পুরস্কার জিতলেন, এদিন তাও জানার চেষ্টা করছেন সিবিআই আধিকারিকরা।

    আরও পড়ুন: ডিসেম্বরেই পতন হচ্ছে তৃণমূল সরকারের? কী বললেন শুভেন্দু?

    অনুব্রত (Anubrata Mondal) একা নন, ডিয়ার লটারির প্রথম পুরস্কার জিতেছেন জোড়াসাঁকোর বিধায়ক তৃণমূলের বিবেক গুপ্তর স্ত্রী রুচিরাও। তার পরেই ডিয়ার লটারি নিয়ে তোপ দেগেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। ট্যুইট-বাণে তিনি বিঁধেছিলেন তৃণমূল নেতৃত্বকে। তিনি লিখেছিলেন, আমি অনেক দিন ধরেই বলছি এই ডিয়ার লটারি আসলে হচ্ছে ভাইপো লটারি। টাকা তছরুপের একটা বন্দোবস্ত। তিনি লিখেছিলেন, টিকিট কাটছে সাধারণ মানুষ আর বাম্পার প্রাইজ জিতছে তৃণমূলের লোকজন। প্রথমে অনুব্রত মণ্ডল। এবার রুচিরা গুপ্ত। এই প্রথম নয়, এর আগেও একাধিকবার ডিয়ার লটারি নিয়ে সরব হয়েছেন শুভেন্দু। তাঁর অভিযোগ, রাজ্য লটারি তুলে দিয়ে এই ডিয়ার লটারির মাধ্যমে আসলে ব্যবস্থা করা হয়েছে শাসকদলের কোষাগার ভরার।

    অনুব্রতর (Anubrata Mondal) জেলার এক তৃণমূল নেতার ভাইয়ের বউও ডিয়ার লটারিতে কোটি টাকা পেয়েছেন। কেন্দ্রীয় সংস্থার তদন্তকারীদের অনুমান, গরু পাচার বা কালো টাকা সাদা করতেই লটারি ইস্যু করা হয়ে থাকতে পারে। তবে ঠিক কী হয়েছে, তা জানতেই বাপিকে জেরা করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Cattle Smuggling: টানা ২ দিন দিল্লিতে ইডি জেরার মুখে সুকন্যা, কলকাতায় সিবিআইয়ের সামনে কেরিম

    Cattle Smuggling: টানা ২ দিন দিল্লিতে ইডি জেরার মুখে সুকন্যা, কলকাতায় সিবিআইয়ের সামনে কেরিম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবারের পর বৃহস্পতিবার। ফের ইডির (ED) সদর দফতরে হাজির হলেন অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) কন্যা সুকন্যা। গরু পাচার মামলায় বুধবার টানা প্রায় সাড়ে আট ঘণ্টা জেরা করা হয় সুকন্যাকে। এদিন শুরু হয়েছে ফের জিজ্ঞাসাবাদ। এদিন ইডির দফতরে রয়েছেন রাজীব ভট্টাচার্য ও অনুব্রতর আপ্ত সহায়ক মণীশ কোঠারিও।

    এদিন সকাল দশটার কিছু পরে লাল রংয়ের স্কার্ট ও কালো টপ পরে গাড়ি থেকে নেমে ইডি দফতরে ঢোকেন সুকন্যা। শুরু হয় জিজ্ঞাসাবাদ। জানা গিয়েছে, দিল্লিতে ইডি হেফাজতে রয়েছেন অনুব্রতর (Anubrata Mondal) প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেনও। সূত্রের খবর, বুধবার প্রথমে আলাদা করে জিজ্ঞাসাবাদের পর সায়গলের মুখোমুখি বসিয়ে ফের একপ্রস্ত জেরা করা হয় সুকন্যাকে।
    এদিকে, গরু পাচার মামলায় এবার স্বাধীন ট্রাস্টকে নোটিশ ধরাল সিবিআই (CBI)। ওই ট্রাস্টের সভাপতি তথা প্রধান কর্তা মলয় পিঠকে বুধবার তলব করা হয়। যদিও মলয় জানান, তিনি আসবেন না। তাঁর সাফ কথা, নোটিশ যেহেতু স্বাধীন ট্রাস্টের নামে, তাই নিজাম প্যালেসে সিবিআইয়ের দফতরে যাবেন ট্রাস্টের তরফে অন্য কেউ। তিনি বলেন, আমাকেই যেতে হবে এর কোনও মানে নেই।

    আরও পড়ুন: দিল্লিতে ইডির দফতরে মুখোমুখি জেরা সায়গল-সুকন্যাকে! কী বললেন অনুব্রত-তনয়া?

    প্রসঙ্গত, মলয়ের ৫০-৬০টি কলেজ রয়েছে। বোলপুর, পাথর প্রতিমা, নয়াগ্রাম, তেহট্ট, কালীগঞ্জ, মানবাজার, ত্রিপুরা এবং আন্দামানেও কলেজ রয়েছে তাঁর। জানা গিয়েছে, ন কোটি টাকার লেনদেন নিয়ে মলয়কে জেরা করতে চায় সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার অভিযোগ, অনুব্রত (Anubrata Mondal) ও তাঁর ঘনিষ্ঠদের অ্যাকাউন্ট থেকে মোটা অঙ্কের টাকা মলয়ের ট্রাস্টের অ্যাকাউন্টে ঢুকেছিল। ভোলে বোম রাইস মিলের ভিতরে যে বিলাসবহুল কয়েকটি গাড়ি মিলেছিল, তার মধ্যে স্বাধীন ট্রাস্টের গাড়িও ছিল। ওই গাড়িগুলি ব্যবহার করতেন অনুব্রত। স্বাধীন ট্রাস্টের অ্যাকাউন্টে কেন ও কী উদ্দেশ্যে কোটি কোটি টাকা গিয়েছিল, সে ব্যাপারেই জানতে চাইছে সিবিআই।

    এদিকে, কলকাতায় নিজাম প্যালেসে অনুব্রত (Anubrata Mondal) ঘনিষ্ঠ কেরিম খানকে জেরা করছে সিবিআই। গরু পাচারকাণ্ডে ক্রমশ ফাঁস শক্ত করছেন তদন্তকারীরা। তদন্তে নেমে সায়গল হোসেন, আবদুল লতিফ ও কেরিম খানের যোগসূত্র খুঁজে পেয়েছে সিবিআই। ওই যোগসূত্রের ব্যাপারে নিশ্চিত হতেই কেরিমকে ফের তলব করেছে সিবিআই।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Saigal-Hossain: গরু পাচার কাণ্ডে বিপত্তি বাড়ল অনুব্রতর! আজই দিল্লিতে ইডির হাতে সায়গল

    Saigal-Hossain: গরু পাচার কাণ্ডে বিপত্তি বাড়ল অনুব্রতর! আজই দিল্লিতে ইডির হাতে সায়গল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় (Cattle Smuggling Scam) জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সায়গল হোসেনকে (Saigal Hossain) দিল্লি নিয়ে যাওয়া হল। আসানসোল-দুর্গাপুর পুলিশ কমিশনারেটের একটি দল সায়গলকে নিয়ে দিল্লি গিয়েছে। সায়গলকে দিল্লি নিয়ে গিয়ে জেরা করতে চায় ইডি। প্রথমে নিম্ন আদালত, তার পরে কলকাতা হাইকোর্ট এই মামলায় হস্তক্ষেপ করতে চায়নি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মতো সায়গল হোসেনকে দিল্লিতে নিয়ে যাওয়ার অনুমতি পায় ইডি। সেই মতো শুক্রবার বিকেলে অনুব্রত মণ্ডলের প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে দিল্লি নিয়ে যায় রাজ্য পুলিশের একটি বিশেষ দল।

    আরও পড়ুন: গরুপাচার মামলায় কেষ্টর বিরুদ্ধে ৩৫ পাতার চার্জশিট পেশ সিবিআই-এর

    হাওড়া অমৃতসর জলিয়াওয়ালাবাগ এক্সপ্রেসে করে সায়গলকে নিয়ে যাওয়া হয় দিল্লি। নির্ধারিত সময় বিকেল ৪টে বেজে ১৫ মিনিটের ২ মিনিট পরে ঠিক ৪টে ১৭ মিনিটে আসানসোল রেল স্টেশনে ৪ নম্বর প্ল্যাটফর্মে ট্রেন আসে। জানা গেছে, ট্রেনের এস ৩ কোচে সিট নম্বর ৫৮ এবং ৫৯ নং সংরক্ষণ করা হয়েছিল। তাতে ২ জন যান। বাকি এস ৪ কামরায় ৪ জন আধিকারিকও গিয়েছেন। এদিন বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ আসানসোল জেল থেকে পুলিশের প্রিজন ভ্যানে করে আসানসোল রেল স্টেশনের সায়গলকে আনা হয়। এদিন সায়গলের পরনে ছিল আকাশী নীল রংয়ের টি-শার্ট ও নীল জিন্সের প্যান্ট। সঙ্গে ছিল একটি পিঠ-ব্যাগও। মুখে লাগানো ছিল মাস্ক। গোটা স্টেশন চত্বরকে আসানসোল দুর্গাপুর পুলিশ, রেল পুলিশ ও আরপিএফের আধিকারিকদের নিয়ে বিশাল নিরাপত্তা ঘেরাটোপ করা হয়েছিল। রেল সূত্রে জানা গেছে, সবকিছু ঠিক থাকলে শনিবার দুপুরের পরে এই ট্রেন দিল্লি পৌঁছে যাবে। সেখানে ইডি-র হাতে তুলে দেওয়া হবে সায়গলকে।

    আরও পড়ুন: এফআইআর নিচ্ছে না পুলিশ! অভিষেকের ‘গুলি’ মন্তব্যের বিরুদ্ধে আদালতে সুকান্ত

    সায়গল হোসেনকে ইডি দিল্লিতে নিয়ে গিয়ে জেরা করার অনুমতি পাওয়ায় অনুব্রত মণ্ডলের উপরেও নিঃসন্দেহে চাপ বাড়ল। কারণ প্রথম থেকেই ইডি এবং সিবিআই-এর অভিযোগ, গরু পাচারের বেআইনি কারবারে অনুব্রতর ডান হাত ছিলেন সায়গল। বীরভূমের তৃণমূল জেলা সভাপতি অনুব্রতকে গ্রেফতারের আগেই সায়গলকে গ্রেফতার করে সিবিআই। তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করেই বহু গোপন তথ্য পাওয়া যায়। তার রেশ ধরেই গ্রেফতার করা হয় অনুব্রতকে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • SSC Scam: নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে চার্জশিট সিবিআইয়ের! জানেন তালিকায় রয়েছেন কারা?

    SSC Scam: নবম-দশম শ্রেণির শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে চার্জশিট সিবিআইয়ের! জানেন তালিকায় রয়েছেন কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষক নিয়োগে দুর্নীতিতে আদালতে চার্জশিট জমা দিল সিবিআইএসএসসি নবম-দশম শ্রেণির নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় এই প্রথম চার্জেশিট দিল কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা । হাই কোর্টের নির্দেশে সিবিআই চলতি বছরের এপ্রিলে এই দুর্নীতির তদন্ত শুরু করে। ওই চার্জশিটে স্কুল সার্ভিস কমিশন (এসএসসি)-এর প্রাক্তন উপদেষ্টা শান্তিপ্রসাদ সিংহ, প্রাক্তন চেয়ারম্যান সুবীরেশ ভট্টাচার্য, মধ্যশিক্ষা পর্ষদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান কল্যাণময় গঙ্গোপাধ্যায়-সহ মোট ১২ জনের নাম রয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৬ জন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার হাতে গ্রেফতার হয়ে বর্তমানে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন।

    আরও পড়ুন: দৈনিক ৫ ঘণ্টা বা তার কম ঘুমোচ্ছেন? নিজের বিপদ ডেকে আনছেন না তো! 

    সিবিআইয়ের জমা দেওয়া চার্জশিটে শান্তিপ্রসাদ, সুবীরেশ, কল্যাণময় ছাড়াও নাম রয়েছে এসএসসির সহকারী সচিব অশোককুমার সাহা, প্রাক্তন প্রোগ্রাম অফিসার পর্ণা বসু এবং সমরজিৎ আচার্যের নামও। অশোককুমার বর্তমানে বিচারবিভাগীয় হেফাজতে রয়েছেন। এছাড়া চার্জেশিটে উল্লেখ রয়েছে  ৬ জন ‘প্রাইভেট পার্সন’-এর নাম। এই তালিকায় রয়েছেন প্রসন্ন কুমার রায়,  প্রদীপ সিংহ, জুঁই দাস, আজাদ আলি মির্জা , ইমন মোমিন ও রোহিত কুমার ঝা। চার্জশিটে উল্লেখ রয়েছে, অযোগ্য প্রাথীদের মোটা টাকার বিনিময়ে নিয়োগ করেছিল ধৃত ও চার্জশিটে নাম-থাকা অভিযুক্তরা। পর্ষদের  পদাধিকারীদের সঙ্গে  প্রাইভেট পার্সনরা বৃহত্তর ষড়যন্ত্র করে নিয়োগ দুর্নীতি করেছে বলে চার্জেশিটে উল্লেখ  সিবিআইয়ের। 

    আরও পড়ুন:উপলক্ষ কালীপুজো, তারাপীঠ, দক্ষিণেশ্বর, লেক কালী বাড়িতে ভক্ত সমাগম

    প্রসঙ্গত, এর আগেই তদন্তে সিবিআই জানিয়েছিল, নিয়োগ দুর্নীতির আসল কাজটা হয়েছে সফটওয়্যার প্রোগ্রামিংয়েই। সেখানেই দিনকে রাত করা হয়েছে। তাই চার্জশিটে প্রোগ্রামিং অফিসার সমরজিৎ আচার্য, পর্ণা বসুর নাম রয়েছে। আদালতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা আগেই জানিয়েছিল, এই দুর্নীতির জাল বোনা হয়েছিল সংগঠিতভাবে। ধরা পড়লে কীভাবে নিজেদের বাঁচানো যাবে তারও ছক কষে রেখেছিলেন অভিযুক্তেরা, দাবি সিবিআইয়ের। অভিযোগ, কল্যাণময়, শান্তিপ্রসাদদের আগে যাঁদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে, তাঁদের কাছ থেকে এঁরা আগে থেকেই জেনে নিতেন, সিবিআই কী কী প্রশ্ন করছে, কী তথ্য চাইছে। সেই মতো আগে থেকে বাঁচার রাস্তা তৈরি করতে শুরু করেছিলেন তাঁরা। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ধরা পড়তেই হল, কারণ অপরাধ কাউকেউ ছাড়ে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Cattle Smuggling Case: গরু পাচার মামলায় কেরিম খানকে জেরা সিবিআইয়ের, হানা অনুব্রতর দিদির বাড়িতেও

    Cattle Smuggling Case: গরু পাচার মামলায় কেরিম খানকে জেরা সিবিআইয়ের, হানা অনুব্রতর দিদির বাড়িতেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মঙ্গলবারের পর ফের বুধবার। গরু পাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) অনুব্রত মণ্ডল ঘনিষ্ঠ জেলা পরিষদের পূর্ত কর্মাধ্যক্ষ আবদুল কেরিম খানকে (Abdul Kerim Khan) তলব করেছিল সিবিআই (CBI)। সেই মতো মঙ্গলবার শান্তিনিকেতনে সিবিআই ক্যাম্প অফিসে হাজিরা দিয়েছিলেন তিনি। সেখানে এক প্রস্ত জেরা করা হয় কেরিম খানকে। বুধবার ফের তাঁকে নথিপত্র নিয়ে নিজাম প্যালেসে হাজিরার নির্দেশ দেন তদন্তকারীরা। সেই মতোই এদিন হাজিরা দেন তিনি। বুধবার দুপুর পর্যন্ত তাঁকে জেরা করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর। প্রসঙ্গত, গরু পাচার মামলায় (Cattle Smuggling Case) তদন্তে নেমে অনুব্রতকে গ্রেফতারের আগে কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কেরিমের বাড়িতে ঘণ্টা পাঁচেক ধরে তল্লাশি চালিয়েছিল সিবিআই। গত কয়েক বছরে সম্পত্তির পরিমাণ কয়েকগুণ বাড়িয়েছেন কেরিম। বোলপুরে তাঁর ৪ কোটি টাকার বাড়ি নজরে রয়েছে গোয়েন্দাদের। ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায়ও অভিযুক্ত তিনি। সেই মামলারও তদন্ত করছে সিবিআই।

    এদিকে, বুধবারই বোলপুরে তিন ব্যাঙ্কের আধিকারিককে পূর্ব পল্লির গেস্ট হাউসে সিবিআইয়ের অস্থায়ী ক্যাম্পে তলব করা হয়েছে। এই ব্যাঙ্কগুলি হল স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক এবং অ্যাক্সিস ব্যাঙ্ক। এদিনই অনুব্রতর লেনদেন সংক্রান্ত বিষয়ে বিশদ জানতে তাঁদের জেরা করা হবে বলে সিবিআই সূত্রে খবর। আধিকারিকদের জিজ্ঞাসাবাদের অনেক আগেই বোলপুরের একাধিক বেসরকারি ব্যাঙ্কের বেশ কয়েকজন কর্মীকেও জিজ্ঞাসাবাদ করেছিলেন সিবিআই কর্তারা।

    আরও পড়ুন: ৮ বছরে আয় বেড়েছে প্রায় ১৭৫ গুণ! অনুব্রত কন্যা সুকন্যার আয়কর রিটার্ন চমকে দেবে আপনাকেও

    অন্যদিকে, গরু পাচার মামলায় ইতিমধ্যেই গ্রেফতার হয়েছেন তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল। সেই সূত্রেই মঙ্গলবার তাঁর দিদি শিবানী ঘোষের বাড়িতে হানা দেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। শিবানী অনুব্রত মণ্ডলের ভাগ্নে রাজা ঘোষের মা। তাঁর আর একটি পরিচয় হল তিনি শিব-শম্ভু রাইস মিলের মালিক। বাঁধগড়া এলাকায় ১০-১২ বিঘে জমির ওপর রয়েছে এই রাইস মিল। জায়গাটি লিজ নেওয়া হয়েছে শিবানীর নামে। এদিন তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালায় সিবিআই। রাজা হলেন প্রাথমিক শিক্ষা সংসদের প্রাক্তন চেয়ারম্যান। তাঁর দাবি, রাইস মিলের জায়গাটি যে তাঁর মায়ের নামে, তা তিনি নিজেই জানতেন না। যদিও কেরিমকে তলব করলেও, বুধবারও শিবানীকে তলব করেননি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share