Tag: cbi

cbi

  • Debraj Chakraborty: ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় তলব সিবিআইয়ের, দু ঘণ্টা জেরা তৃণমূলের দেবরাজকে

    Debraj Chakraborty: ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় তলব সিবিআইয়ের, দু ঘণ্টা জেরা তৃণমূলের দেবরাজকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সিবিআইয়ের (CBI) তলব পেয়ে মঙ্গলবার সল্টলেকের সিবিআই দফতরে হাজিরা দিলেন তৃণমূল (TMC) কাউন্সিলর ও বিধাননগরের মেয়র পারিষদ দেবরাজ চক্রবর্তী (Debraj Chakraborty)। এদিন সকাল সোয়া ১১টা নাগাদ তিনি সিবিআই দফতরে হাজির হন। তার পরেই শুরু হয় জেরা। ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনায় টানা প্রায় দু ঘণ্টা ধরে জেরা করা হয় তাঁকে। সিবিআই দফতর থেকে বেরিয়ে দেবরাজ বলেন, আবার ডাকলে আসব।  

    দেবরাজের (Debraj Chakraborty) অন্য একটি পরিচয়ও রয়েছে। তিনি তৃণমূল বিধায়ক তথা কীর্তন শিল্পী অদিতি মুন্সির স্বামী। উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর সাংগঠনিক জেলার যুব তৃণমূল সভাপতি পদেও রয়েছেন দেবরাজ। ভোট পরবর্তী হিংসায় খুন হন দমদম পার্কের বিজেপি কর্মী প্রসেনজিৎ দাস। ওই ঘটনায় মঙ্গলবার তলব করা হয়েছিল দেবরাজকে। দেবরাজের আগে ভোট পরবর্তী হিংসার মামলায় জেরা করা হয়েছিল তৃণমূলের আর এক বিধায়ক পরেশ পালকেও।

    আরও পড়ুন:সিবিআই-এর তলব এড়িয়ে ই-মেল করলেন কেষ্ট কন্যা, কী লিখেছেন চিঠিতে?

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ২০২১ সালের ২ মে দমদম পার্কের হরিচাঁদ পল্লির বাসিন্দা প্রসেনজিৎ দাস খুন হন। তিনি বিজেপি কর্মী ছিলেন বলে দাবি পরিবারের। বাড়ির পাশ থেকে রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয় তাঁর। প্রসেনজিৎকে খুনে উসকানি দেওয়ার অভিযোগ ওঠে দেবরাজের বিরুদ্ধে। সেই কারণেই সিবিআই তলব করে দেবরাজকে। করা হয় জেরাও। সিবিআই দফতর থেকে বেরিয়ে দেবরাজ (Debraj Chakraborty) বলেন, যা যা প্রশ্ন করা হয়েছিল, সব প্রশ্নের উত্তর দিয়েছি। যা যা জানতে চেয়েছেন, সবটা জানিয়েছি। পরবর্তী সময়ে ডাকলে আবার আসব। দায়িত্বশীল নাগরিক হিসেবে তদন্তের মুখোমুখি হয়েছি। প্রসেনজিতের ঘটনা প্রসঙ্গে অভিযুক্ত তৃণমূল নেতা বলেন, এটা এক দেড় বছর আগের ঘটনা। কী ঘটেছিল ঠিক মনে নেই। তবে যে কোনও মৃত্যুই দুর্ভাগ্যজনক। সিবিআই তদন্ত করছে। কী ঘটেছিল, তা তদন্তে উঠে আসবে। যদি পরিবারকে কোনও সহযোগিতা করতে পারি, পাশে থাকব। প্রসঙ্গত, প্রসেনজিৎ খুনের ঘটনায় এফআইআরে নাম ছিল না দেবরাজের (Debraj Chakraborty)। পরে সিবিআই তদন্তে উঠে আসে তাঁর নাম। তার জেরেই করা হয় তলব।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Manish Sisodia: সোমবারই কি গ্রেফতার হচ্ছেন দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া?

    Manish Sisodia: সোমবারই কি গ্রেফতার হচ্ছেন দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়া?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এবার দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী মনীশ সিসোদিয়াকে (Manish Sisodia) তলব করল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই। সোমবার সকাল ১১টায় তাঁকে সিবিআই দফতরে হাজির হতে বলা হয়েছে। বিতর্কিত দিল্লি আবগারি নীতি মামলায় তলব করা হয়েছে তাঁকে। এই ঘটনায় কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন আম আদমি পার্টির প্রবীণ নেতা সৌরভ ভরদ্বাজ। তিনি বলেন, আগামিকালই গ্রেফতার হবেন সিসোদিয়া। সৌরভ বলেন, সিসোদিয়াকে সিবিআই (CBI) তলবের সঙ্গে গুজরাট নির্বাচনের সম্পর্ক রয়েছে। এই নির্বাচনে বিজেপির (BJP) সরাসরি লড়াই হবে আপের (AAP) সঙ্গে। তিনি বলেন, বিজেপির কোনও দোষ নেই, পবিত্র। সিসোদিয়া বলেন, এর আগে যে রেইড হয়েছিল, তাতে কিছুই পায়নি সিবিআই। তবে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাস দেন দিল্লির উপমুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, সিবিআই ১৪ ঘণ্টা ধরে আমার বাড়িতে তল্লাশি চালাল। কিছুই পায়নি। তারা আমার ব্যাঙ্কের লকার খুঁজেছে, সেখানেও কিছুই পায়নি। বস্তুত, আমার গ্রামেও কিছু খুঁজে পায়নি তারা। ট্যুইট-বার্তায় তিনি বলেন, আগামীকাল বেলা ১১টায় তারা আমাকে সিবিআইয়ের সদর দফতরে ডেকেছে। আমি যাব এবং পূর্ণ সহযোগিতা করব।

    আরও পড়ুন: ভোট বাক্সের রাজনীতি! মোমিনপুরের ঘটনায় চুপ কেন অভিষেক? প্রশ্ন অমিত মালব্যর

    মনীশ সিসোদিয়ার (Manish Sisodia) পাশে দাঁড়িয়েছেন দিল্লির (Delhi) মুখ্যমন্ত্রী তথা আপ পার্টি প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল। ট্যুইটবার্তায় তিনি সিসোদিয়াকে স্বাধীনতা যোদ্ধা ভগৎ সিংয়ের সঙ্গে তুলনা করেন। তিনি লেখেন, জেলের গারদ এবং ফাঁসির দড়ি কোনওটাই ভগৎ সিংকে তাঁর দৃঢ় প্রতিজ্ঞা থেকে সরাতে পারেনি। এটা দ্বিতীয় স্বাধীনতার যুদ্ধ। মনীশ আর সত্যেন্দ্র (জৈন) আজকের ভগৎ সিং।

    গত বছর নয়া আবগারি নীতি আনে দিল্লির আপ সরকার। নয়া ওই আবগারি নীতির মাধ্যমে আপ ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীদের সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে। দিল্লির লেফটেন্যান্ট গভর্নর তদন্তের নির্দেশ দিতেই প্রত্যাহার করা হয় নয়া আবগারি নীতি। ফের চালু হয় পুরানো আবগারি নীতি। পরে তদন্ত শুরু করে সিবিআই। গত মাসে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থা গ্রেফতার করে আপ কমিউনিকেশন চিফ তথা সিসোদিয়ার (Manish Sisodia) ঘনিষ্ঠ নেতা বিজয় নায়ারকে। এবার তলব করা হল স্বয়ং সিসোদিয়াকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Anubrata Mondal: অনুব্রত ঘনিষ্ঠ প্রমোটার রানা সরকারকে সিবিআইয়ের জেরা! কী জানতে চাইলেন অফিসারেরা

    Anubrata Mondal: অনুব্রত ঘনিষ্ঠ প্রমোটার রানা সরকারকে সিবিআইয়ের জেরা! কী জানতে চাইলেন অফিসারেরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় এবার সিবিআই-এর নজরে অনুব্রত মণ্ডলের ঘনিষ্ঠ বোলপুরের প্রোমোটার রানা সরকার। বৃহস্পতিবার তাঁকে তলব করে সিবিআই। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চায়। সেইমতো বৃহস্পতিবার সিবিআই (CBI)-এর অস্থায়ী ক্যাম্পে হাজিরা দেন রানা সরকার। সিবিআইয়ের নির্দেশে শান্তিনিকেতনের রতন কুঠি অস্থায়ী ক্যাম্পে সকালেই চলে আসেন  বোলপুরের  প্রমোটার সৌমেন সরকার ওরফে রানা সরকার। তিনি অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mandal) ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী হিসেবেই পরিচিত। অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর মধ্যে বেশ কয়েকবার টাকা লেনদেন হয়েছে অ্যাকাউন্ট মারফত। সেই প্রসঙ্গেই জিজ্ঞাসাবাদ করার জন্য ডেকে পাঠানো হয় তাঁকে। শুধু তাই নয়, এই প্রোমোটারের হাত ধরেই কেষ্ট-কন্যা সুকন্যা মণ্ডলের কোম্পানি,বেশ কিছু জমি কিনেছিল বোলপুরেরই বাইপাস সংলগ্ন এলাকায়। সিবিআই সূত্রে খবর, সেই নিয়েও প্রশ্ন করেন আধিকারিকেরা।

    আরও পড়ুন: আরও বিপাকে অনুব্রত! ভোট পরবর্তী হিংসা মামলায় সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ সিবিআই, কী রায় দেবে আদালত?

    বোলপুরের প্রফেসর কলোনির বাসিন্দা রানা। তাঁকে দীর্ঘক্ষণ জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। প্রসঙ্গত, গত দু’মাস আগে বোলপুরের ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের অনুব্রত ঘনিষ্ঠ কাউন্সিলর বিশ্বজ্যোতি বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে তল্লাশি চালায় সিবিআই। পাশাপাশি তাঁর অনুগামী ব্যবসায়ী সুদীপ রয়ের বাড়িতেও সিবিআই তল্লাশি চালায় তারা। গোয়েন্দা সূত্রে জানা যায়, বিশ্বজ্যোতি দিনের বেশিরভাগ সময় থাকতেন কেষ্টর বাড়িতে। অনুব্রতর কাজের দেখাশোনা করতেন তিনি। এরপর বিশ্বজ্যোতিকে আটক করেন গোয়েন্দারা। তারপর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করতেই উঠে আসে রানা সরকারের নাম।

    আরও পড়ুন: জেলের ভেতরেই অনুব্রতর দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে গ্রেফতার ইডির, চাপ বাড়ল কেষ্টর?

    অনুব্রত কন্যা সুকন্যাকেও  সোমবার সমস্ত নথি নিয়ে সিবিআইয়ের দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা বলা হয়। পুজো মিটতেই  ‘শিব শম্ভু’ রাইসমিলেও অভিযান চালিয়েছেন তদন্তকারীরা। রাইস মিলের বর্তমান মালিক সঞ্জীব মজুমদারকেও তলব করেছে সিবিআই। সিবিআই মনে করছে, গরু পাচারের টাকা একাধিক খাতে ব্যবহার করে সাদা করেছিলেন অনুব্রত। সূত্রের খবর, সিবিআই-এর কাছে এও তথ্য আছে, ২০১৫ সালের পর থেকে অনুব্রত কন্যার ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টেও নিয়মিত প্রচুর নগদ টাকা জমা হত। সেই সব ক’টি বিষয় খতিয়ে দেখতে চাইছেন তদন্তকারীরা।আগামী সোমবারের মধ্যে সেসব নথি দেখাতে হবে সুকন্যাকে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • SSC Scam: এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডের সঙ্গে গরুপাচারের যোগ? এবার প্রসন্নর স্ত্রী-ভাইকে তলব সিবিআইয়ের

    SSC Scam: এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডের সঙ্গে গরুপাচারের যোগ? এবার প্রসন্নর স্ত্রী-ভাইকে তলব সিবিআইয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দুই দুর্নীতি নিয়ে উত্তাল রাজ্য রাজনীতি। এর মাঝে সামনে এল আরও এক বিস্ফোরক তথ্য। এসএসসি দুর্নীতি (SSC Scam) মামলায় গ্রেফতার হওয়া প্রসন্ন রায়ের (Prasanna Roy) ভাই ও স্ত্রীকে গরুপাচার (Cattle Smuggling Case) মামলায় তলব করল সিবিআই। আগামী সপ্তাহে প্রসন্নর ভাই ও স্ত্রীকে ডেকে পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্ত এজেন্সি। আর এতেই দুয়ে দুয়ে চার করে ফেলেছেন অনেকেই। অনেকেই মনে করছেন, এসএসি দুর্নীতি ও গরু পাচারের নিবিড় যোগ রয়েছে। 

    সিবিআই জানিয়েছে, প্রসন্নকে গ্রেফতার করার পর বেশ কিছু শেল কোম্পানির হদিশ মিলেছে। যেগুলির অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে এসএসসির টাকা এদিক-ওদিক হয়েছে। আবার গরু পাচার মামলাতেও এমন বেশ কিছু শেল কোম্পানি সিবিআই- এর নজরে এসেছে। দেখা যাচ্ছে, একাধিক শেল কোম্পানির ডিরেক্টর পদে রয়েছেন প্রসন্নর স্ত্রী ও ভাই। সিবিআই গোয়েন্দাদের অনুমান, প্রসন্নর কাজটাই ছিল প্রভাবশালীদের টাকা শেল কোম্পানির মাধ্যমে ঘুরিয়ে এদিক ওদিক করা। গরুপাচার, এসএসসি দুর্নীতি সব টাকাই প্রসন্নগর পরিবারের ঘাতে কোনও না কোনও সময় এসেছে।   

    আরও পড়ুন : শিক্ষক বদলিতে রয়েছে মানিকের হাত, সম্পত্তি নিয়েও ভুল তথ্য পেশ, বিস্ফোরক দাবি ইডির 

    প্রসন্নকে ২ মাস আগে গ্রেফতার করেছে সিবিআই। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতিতে গ্রেফতার করা হয়েছে চাকরি বিক্রির দালাল প্রসন্ন রায় ও তার সহযোগী প্রদীপ সিং- কে। একদা রঙের ছোট ঠিকাদার প্রসন্ন যে ভাবে গত সাত-আট বছরে ধন কুবের হয়ে উঠেছে তাতে অবাক হয়েছেন অনেকেই। নিউটাউন সল্টলেকে একাধিক সম্পত্তি, লাটাগুড়িতে রিসর্ট। প্রসন্ন হঠাতই রাজা হয়ে উঠেছিলেন। এসএসসি দুর্নীতিতে গ্রেফতার হওয়া প্রসন্নর ভাই ও স্ত্রীকে এবার গরু পাচার মামলায় ডাকল সিবিআই।   

    গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, বিধাননগরে একটি ছোট্ট অফিস থেকে গাড়ি ভাড়া দেওয়ার ব্যবসা করতেন প্রসন্ন। সেই অফিসেই চাকরিও বিক্রি করা হত। উত্তর ২৪ পরগনার প্রার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ ও টাকা আদায়ের দায়িত্ব ছিল প্রসন্নর ওপর। নিজের অফিসে বসেই ভুয়ো প্রার্থীদের তালিকা বানাত সে। তার পর তা প্রদীপ সিংয়ের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিত শান্তিপ্রসাদ সিনহার কাছে। মূলত প্রদীপকে সামনে রেখেই নথিপত্র এবং টাকার লেনদেন করত প্রসন্ন। এসএসসি দুর্নীতিকাণ্ডের যাবতীয় মেল প্রসন্নর সল্টলেকের কার রেন্টাল অফিসের কম্পিউটার থেকে করা হত। এমনটাই জানিয়েছেন গোয়েন্দারা।  

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Lalu Yadav: জমির বদলে রেলে চাকরি কেলেঙ্কারিতে আরও বিপাকে লালু, চার্জশিট দাখিল সিবিআইয়ের  

    Lalu Yadav: জমির বদলে রেলে চাকরি কেলেঙ্কারিতে আরও বিপাকে লালু, চার্জশিট দাখিল সিবিআইয়ের  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জমির বদলে রেলে চাকরি (Land for Jobs) কেলেঙ্কারিতে আরও বিপাকে প্রাক্তন রেলমন্ত্রী লালুপ্রসাদ যাদব (Lalu Yadav)। শুক্রবার তাঁর বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সিবিআই (CBI)। কেবল লালু নন, ওই চার্জশিটে নাম রয়েছে লালুর স্ত্রী রাবড়ি দেবী, তাঁদের কন্যা মিসা ভারতী ও হেমা যাদবেরও। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী এই সংস্থার অভিযোগ, রেলমন্ত্রী থাকাকালীন লালু, তাঁর স্ত্রী ও দুই মেয়ে রেলে নিয়োগের বিনিময়ে কয়েকজন চাকরি প্রার্থীর কাছ থেকে নিয়েছিলেন জমি। ২০০৪ সাল থেকে ২০০৯ পর্যন্ত ইউপিএ ১ সরকারে রেলমন্ত্রী ছিলেন লালু। সেই সময়ই এই কেলেঙ্কারির ঘটনা ঘটেছিল বলে অভিযোগ সিবিআইয়ের। এদিন যে ১৬ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হয়েছে, তার মধ্যে রেলের এক প্রাক্তন জেনারেল ম্যানেজারেরও নাম রয়েছে। সিবিআইয়ের অভিযোগ, রেলে গ্রুপ ডি স্টাফ হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছিল চাকরি প্রার্থীদের। তাঁদের প্রথমে নিয়োগ করা হয়েছিল তিনদিনের জন্য। জমি হস্তান্তর হওয়ার পরেই পাকা হয় চাকরি। চার্জশিটে সিবিআই আরও জানিয়েছে, জমির দলিল তৈরি হয়েছে লালুপ্রসাদ যাদবের (Lalu Yadav) স্ত্রী রাবড়ি দেবী এবং তাঁর মেয়ে মিশা ভারতী ও হেমা যাদবের নামে। 

    লালুপ্রসাদ যাদবের (Lalu Yadav) এই কেলেঙ্কারির তদন্ত করতে চলতি বছরের জুলাই মাসে সিবিআই হানা দেয় চার জায়গায়। গ্রেফতার করা হয় ভোলা যাদবকে। এই ভোলা লালুর দল রাষ্ট্রীয় জনতা দলের প্রাক্তন প্রধান। লালু যখন রেলমন্ত্রী ছিলেন, তখন ভোলা ছিলেন অফিসার অন স্পেশাল ডিউটি।

    আরও পড়ুন : চাকরি পেতে জমি লিখে দেওয়ার মামলায় গ্রেফতার হতে পারেন লালু-পুত্র তেজস্বী!

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, রেলে চাকরি দিতে গিয়ে ঘুষ বাবদ লালুপ্রসাদ যাদবের (Lalu Yadav) পরিবার আর্থিক সুবিধা নিয়েছিল। পাটনার বেশ কয়েকজন বাসিন্দা লালু ও তাঁর পরিবারের নিয়ন্ত্রণাধীন এক সংস্থাকে তাঁদের জমি বিক্রি করেছিলেন অথবা উপহার হিসেবে দিয়েছিলেন। সব মিলিয়ে কেবল পাটনায়ই প্রায় ১ লক্ষ ৫ হাজার ২৯২ বর্গফুট জমি অধিগ্রহণ করেছিলেন লালু প্রসাদ যাদব ও তাঁর পরিবার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Anubrata Mondal: গরুপাচার কেলেঙ্কারির ‘মূল পৃষ্ঠপোষক’ অনুব্রত, উল্লেখ সিবিআই চার্জশিটে

    Anubrata Mondal: গরুপাচার কেলেঙ্কারির ‘মূল পৃষ্ঠপোষক’ অনুব্রত, উল্লেখ সিবিআই চার্জশিটে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রেফতার হওয়ার ৫৭ দিন পর অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mondal) বিরুদ্ধে ৩৫ পাতার চার্জশিট পেশ করল সিবিআই।  চার্জশিটে অনুব্রতকেই গরুপাচার (Cattle Smuggling) দুর্নীতির মূল কাণ্ডারি বলে উল্লেখ করা হয়েছে। তদন্তে বীরভূমে বিভিন্ন ব্যাঙ্কের নথি, জমি ও চালকলের কাগজপত্র খতিয়ে দেখে সেগুলি অনুব্রত মণ্ডলের সম্পত্তি বলে জানতে পেরেছে সিবিআই। তৃণমূল নেতার প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেনের বিরুদ্ধে যে যে ধারায় মামলা করা হয়েছিল, সেই ধারাগুলোই অনুব্রত মণ্ডলের নামে চার্জশিটে উল্লেখ রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

    আরও পড়ুন: ৫ নভেম্বর পর্যন্ত জেলেই সায়গল! এবার জেরা করবে ইডি-ও

    ১১ আগস্ট গরুপাচার মামলায় বোলপুরের (Bolpur) বাড়ি থেকে অনুব্রত মণ্ডলকে গ্রেপ্তার করে সিবিআই। এই নিয়ে গরুপাচার মামলায়  চতুর্থ চার্জশিট পেশ করা হল। সূত্রের খবর, এই চার্জশিটে অনুব্রত মণ্ডলকে ‘মূল পৃষ্ঠপোষক’ বলে দাবি করা হয়েছে। দুর্নীতি দমন আইনে পেশ করা এই চার্জশিটে অনুব্রতর ৫৩টি সম্পত্তির দলিল, ১৮ কোটির ফিক্সড ডিপোজিট-সহ একাধিক তথ্য উল্লেখ করা হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, দেহরক্ষী সায়গলের মাধ্যমেই চলত গরুপাচারের কোটি কোটি টাকার লেনদেন। পাচারকারীদের প্রোটেকশন দিতেন অনুব্রত! এদিন আদালতে অনুব্রতকে জেল হেফাজতে রেখেই বিচার প্রক্রিয়া চালানোর আবেদন জানিয়েছে সিবিআই। তাঁদের কথায়, অনুব্রত মণ্ডল প্রভাবশালী, ফলে তাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া তদন্তের জন্য সমস্যার হতে পারে।   

    এদিকে, অনুব্রত মণ্ডলের উপর চাপ বাড়াতে কয়লা ও গরু পাচার নিয়ে রাজ্য পুলিশে দায়ের হওয়া সমস্ত মামলার তথ্য হাতে নিল ইডি। ইডি সূত্রে খবর, কয়লা ও গরু পাচার মামলায় তাদের করা ইসিআইআর-এ যুক্ত করা হয়েছে সমস্ত নথি ও তথ্য। কয়লা পাচার এবং গরু পাচারের  অভিযোগনামা। শুক্রবার গরুপাচার মামলায় সায়গল হোসেনকে জেরা করতে ইডির ছয়জনের দল আসানসোল বিশেষ সংশোধনাগারে যায়। সকাল ১০ টা ১৫ নাগাদ তাঁরা সংশোধনাগারে পৌঁছন তাঁরা। ল্যাপটপ, ভিডিও ক্যামেরা-সহ তিনজন ভিতরে ঢোকেন। যেভাবে আদালতের কাছে অনুমতি নেওয়া হয়েছে ঠিক সেভাবেই ইডি আধিকারিকরা আসেন। ৩৫ টি প্রশ্নমালা সাজানো হয়েছে সায়গলের জন্য, এমনটাই খবর। 

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Mominpur clash: ভোট বাক্সের রাজনীতি! মোমিনপুরের ঘটনায় চুপ কেন অভিষেক? প্রশ্ন অমিত মালব্যর

    Mominpur clash: ভোট বাক্সের রাজনীতি! মোমিনপুরের ঘটনায় চুপ কেন অভিষেক? প্রশ্ন অমিত মালব্যর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মোমিনপুর হিংসায় (Mominpur clash) ভোট বাক্সের রাজনীতি করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনই অভিযোগ বিরোধীদের। বিজেপি (BJP) আইটি সেলের প্রধান অমিত মালব্য ট্যুইট করে এ নিয়ে খোঁচা দিয়েছন ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ তথা সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে। তিনি প্রশ্ন তুলেছেন এত বড় ঘটনা যেখানে তিন জন আইপিএস অফিসার আক্রান্ত, আহত একাধিক পুলিশ কর্মী সেখানে কেন চুপ রয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী এবং তাঁর ভাইপো?  ভোটব্যাঙ্ক সুরক্ষিত রাখতে তাঁরা কোনও গোষ্ঠীকে আড়াল করছেন? 

    প্রসঙ্গত, গত ১৩ই সেপ্টেম্বর বিজেপির নবান্ন অভিযানের দিন আক্রান্ত হয়েছিলেন এক পুলিশকর্তা। সেই সময় তাঁর সঙ্গে দেখা করতে এসএসকেএমে গিয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এমনকি, তাঁর সঙ্গে দেখা করার পর এসএসকেএম চত্বরে দাঁড়িয়ে তিনি বলেছিলেন যে পুলিশ অনেক সংযত থেকেছে। তিনি থাকলে বিজেপি কর্মীদের মাথায় গুলি করতেন। তাহলে এখন প্রকৃত দোষীদের মাথায় গুলি করার কথা বলছেন না কেন অভিষেক ? প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। এমনকি ওই ঘটনায় আক্রান্ত  সিএমআরআই-তে চিকিৎসাধীন অফিসারদের সঙ্গে দেখাও করতে যাননি কেউ। তবে কী নিজের গা বাঁচিয়ে চলছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়? 

    আরও পড়ুন: একবালপুর-মোমিনপুর কাণ্ডের জেরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের আর্জি, জনস্বার্থ মামলা কলকাতা হাইকোর্টে

    উল্লেখ্য, আদালতের নির্দেশে রাজ্যের পাঠানো রিপোর্ট বিশ্লেষণের পর মোমিনপুর হিংসায় NIA-তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।  শুক্রবার রাতে ট্যুইট করে একথা জানিয়েছেন রাজ্য বিজেপির সাধারণ সম্পাদক (সংগঠন) অমিতাভ চক্রবর্তী। মোমিনপুরে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের দাবিতে কলকাতা হাইকোর্টে দায়ের হওয়া মামলার শুনানিতে বুধবার কলকাতা হাইকোর্ট রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতার পুলিশ কমিশনারকে নেতৃত্বে রেখে সিট গঠন করে। কারা এই হামলায় যুক্ত তা খুঁজে বার করে শাস্তির ব্যবস্থা করতে বলে আদালত। রাজ্যের তরফে জানানো হয়, এই ঘটনার রিপোর্ট নিয়ম মেনে কেন্দ্রকে পাঠিয়েছে তারা। সেই রিপোর্ট খতিয়ে দেখে মোমিনপুরে NIA তদন্ত প্রয়োজন কি না তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেয় কলকাতা হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশের ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে কেন্দ্রের তরফে জানানো হল, NIA তদন্ত হচ্ছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

  • Tapan Dutta Murder: তপন দত্ত হত্যা মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ বহাল রাখল হাইকোর্ট

    Tapan Dutta Murder: তপন দত্ত হত্যা মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ বহাল রাখল হাইকোর্ট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আদালতে বড় ধাক্কা খেল তৃণমূল সরকার। পরিবেশ কর্মী তপন দত্ত হত্যা মামলায় (Tapan Dutta Murder Case) সিবিআই তদন্তের (CBI Probe) নির্দেশ বহাল। সিঙ্গল বেঞ্চের রায় বহাল রাখল কলকাতা হাই কোর্টের (Calcutta High Court) প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চ। এই মামলা নিম্ন আদালত, কলকাতা হাই কোর্ট এমনকি, সুপ্রিম কোর্টেও উঠেছে। কিন্তু এখনও সুবিচার পাননি নিহত তপনের স্ত্রী প্রতিমা দত্ত। গত ৯ জুন তপন দত্ত খুনের মামলায় সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি রাজাশেখর মান্থা। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে গিয়েছিল রাজ্য সরকার এবং অন্যতম অভিযুক্ত ষষ্ঠী গায়েন। কিন্তু সেই আবেদন শুক্রবার খারিজ করে দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ।  

    আরও পড়ুন: পিএফআইকে সাড়ে ৫ কোটি টাকা জরিমানার নির্দেশ কেরল হাইকোর্টের

    ২০১১ সালের ৬ মে গুলিতে প্রাণ হারান। এই ঘটনায় তৃণমূলের ১৩ জন স্থানীয় তৃণমূল নেতার নাম জড়ায়। তারপর থেকেই অস্বস্তিতে তৃণমূল সরকার। এক দশক কেটে গেলেও এই ঘটনায় কোনও সুবিচার হয়নি। অভিযুক্তরা আজও শাস্তি পায়নি। এতদিন এই তদন্তের ভার ছিল সিআইডির ওপর। রাজ্য সরকারের এই গোয়েন্দা সংস্থা তদন্তের পর জানায়, জলাজমি ভরাটের বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছিলেন বলেই তপনবাবুকে খুন হতে হয়েছে। ২০১১ সালের ৩০ অগাস্ট সিআইডি মামলার চার্জশিট পেশ করে। চার্জশিটে হাওড়ার একাধিক তৃণমূল নেতার নাম ছিল।

    আরও পড়ুন: কেন্দ্রের টাকা নয়ছয়, শুভেন্দুর চিঠি নির্মলাকে, আরটিআই পত্রবোমা রাজ্যকেও

    শুরুতে তপন দত্ত খুনের মামলায় রাজ্যের মন্ত্রী তথা তৎকালীন তৃণমূলের জেলা সভাপতি  অরূপ রায় সহ ১৩ জনের নামে অভিযোগ দায়ের হয়েছিল। কিন্তু পরে ওই মামলার চার্জশিট থেকে ৮ জনের নাম বাদ দিয়েছিল সিআইডি। এরপরই আদালতের দ্বারস্থ হন তপন দত্তের স্ত্রী প্রতিমা দত্ত।  

    সিঙ্গল বেঞ্চে এই মামলা চলাকালীন বিচারপতি প্রশ্ন তুলেছিলেন, সিআইডি তদন্তে কেন আটজনের নাম বাদ দেওয়া হল? মামলাকারীর সিআইডি তদন্তের প্রতি অনাস্থা অনেকাংশেই যুক্তিসঙ্গত মনে হয়েছিল আদালতের। তাই  সিঙ্গল বেঞ্চের তরফে সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়।  

    এরপর ওই মামলার অন্যতম অভিযুক্ত ষষ্ঠী গায়েন ও রাজ্য সরকার সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চের দ্বারস্থ হয়। তবে তাতেও বড় ধাক্কা খেল রাজ্য সরকার। সিবিআই  তদন্তের নির্দেশই বহাল রাখল ডিভিশন বেঞ্চ। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     

     

     

     

  • Operation Garuda: অপারেশন গরুড়, সিবিআইয়ের জালে ১৭৫ জন, বাজেয়াপ্ত বিপুল মাদক

    Operation Garuda: অপারেশন গরুড়, সিবিআইয়ের জালে ১৭৫ জন, বাজেয়াপ্ত বিপুল মাদক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের মাদক বিরোধী অভিযান শুরু করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা (Central Investigation agency) সিবিআই। ‘অপারেশন গরুড়’ (Operation Garuda) নামে বিশেষ অভিযানটিতে এখনও পর্যন্ত ১৭৫ জনকে গ্রেফতার (Arrest) করা হয়েছে। এই অভিযানটি আন্তর্জাতিক অপরাধদমন মূলক পুলিশ সংস্থা (International Criminal Police Organization) এবং এনসিবি (Narcotics Control Bureau)-র সঙ্গে যৌথভাবে চালানো হচ্ছে। মূলত ভারত মহাসাগরের (Indian Ocean) ওপর দিয়েই চলত মাদক পাচার, চোরাচালান। এর বিরুদ্ধেই চলছে অভিযান। 

    আরও পড়ুন: মহা পঞ্চমীর মাহাত্ম্য: জানুন তারকাসুর বধ ও স্কন্দমাতার আখ্যান

    অপারেশন গরুড় চালানো হয়েছে ভারতের বেশ কয়েকটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে। সেই রাজ্যের পুলিশবাহিনীর (State Police) সাহায্যে চালানো হয়েছে অভিযান। এখনও পর্যন্ত সিবিআই এবং এনসিবি ছাড়াও পাঞ্জাব, হিমাচলপ্রদেশ,গুজরাট, মহারাষ্ট্র, তামিলনাড়ু, দিল্লি এবং মণিপুর সহ একাধিক রাজ্যের পুলিশও অপারেশন (Operation) চালিয়েছে।

    আরও পড়ুন: নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য পদে ভারতকে ঠেকিয়ে রাখা যাবে না, সাফ জানালেন জয়শঙ্কর 

    পাঞ্জাব, দিল্লি, হিমাচলপ্রদেশ, মণিপুর সহ বেশ কয়েকটি রাজ্যে সন্দেহভাজন (Suspects person) প্রায় ৬ হাজার ৬০০ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে পুলিশ। ১২৭টি নতুন মামলা সহ ১৭৫ জনকে গ্রেফতারও করেছে পুলিশ।

    আরও পড়ুন: কংগ্রেস সভাপতির নির্বাচন লড়বেন না অশোক গেহলট, সোনিয়ার কাছে চাইলেন ক্ষমা 

    ধৃতদের কাছ থেকে ৫ কেজির মতো হেরোইন (Heroin), ৩৪ কেজির মতো গাঁজা, ৩ কেজি ২৯ গ্রামের মতো চরস (Charas), প্রায় ৮৭টি নেশা জাতীয় ট্যাবলেট, ১২২টি মাদক ইঞ্জেকশন, প্রায় ২ কেজি আফিম, ৩০ কেজির মতো পোস্তর খোসা (Poppy Husk), ১ কেজি ৪৩০ গ্রামের মতো নেশা জাতীয় পাউডার (Intoxicant powder) উদ্ধার হয়েছে। এছাড়াও এমন আরও নানা নেশাজাতীয় দ্রব্য বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। প্রসঙ্গত, মাঝে মধ্যেই মাদক বিরোধী অভিযান করে সিবিআই।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ। 

     
     
  • Cattle Smuggling Case: ৫ নভেম্বর পর্যন্ত জেলেই সায়গল! এবার জেরা করবে ইডি-ও

    Cattle Smuggling Case: ৫ নভেম্বর পর্যন্ত জেলেই সায়গল! এবার জেরা করবে ইডি-ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গরু পাচার মামলায় অনুব্রত মণ্ডলের (Anubrata Mandal) দেহরক্ষী সায়গল হোসেন জেলেই থাকছেন। ৫ নভেম্বর পর্যন্ত তাঁকে জেলেই থাকতে হবে, জানাল আদালত। বৃহস্পতিবার, ২৯ সেপ্টেম্বর তাঁকে আদালতে পেশ করা হয়। সায়গলের আইনজীবী আদালতে জামিনের আবেদন করেছিলেন। তিনি জানান, যে কোনও শর্তে রাজি তাঁর মক্কেল। কিন্তু এদিন সায়গলের জামিনের আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। আসানসোল জেলে গিয়ে তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করার অনুমতি  দেওয়া হয় ইডিকে (ED)। আসানসোল জেলে গিয়ে সায়গলকে জেরা করার অনুমতি চেয়ে  বিশেষ সিবিআই আদালতে আবেদন জানায় ইডি। সেই আবেদনে সাড়া দিল আদালত। সায়গলকে ব্যবহার করেই অনুব্রতর উপর আরও চাপ বাড়াতে চাইছেন এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের আধিকারিকরা। ইডির আবেদনের ভিত্তিতে এদিন আদালত জানায়, যে কোনও দিন জেলে গিয়ে সায়গল হোসেনকে জেরা করতে পারবে দিল্লির ইডি টিম। 

    আরও পড়ুন: এফআইআর নিচ্ছে না পুলিশ! অভিষেকের ‘গুলি’ মন্তব্যের বিরুদ্ধে আদালতে সুকান্ত

    ইডি সূত্রের খবর, গরু পাচারের টাকা কোন অ্যাকাউন্টে গিয়েছে, কোন খাতে খরচ করা হয়েছে, এই প্রশ্নেরই উত্তর খুঁজছেন তদন্তকারীরা। সায়গল হোসেনের স্ত্রী ও মাকে এ প্রসঙ্গে আগেই তলব করা হয়েছিল। তাঁদের নামেও বিপুল পরিমাণ সম্পত্তির হদিশ মিলেছে। কনস্টেবলের চাকরি করে কী করে এত টাকার সম্পত্তি করলেন সায়গল, তা জানতে চায় তদন্তকারীরা। সায়গল গ্রেফতার হওয়ার পর তার বিপুল সম্পত্তি হস্তান্তরের চেষ্টা হয়েছিল। এখন আসানলোল সংশোধনাগারে রয়েছেন সায়গল। সপ্তাহখানেক আগে আসানসোল বিশেষ সিবিআই আদালতে সায়গলকে দিল্লি নিয়ে যাওয়ার অনুমতি চেয়ে আবেদন করা হয়। তবে সেবার আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। এরপর মঙ্গলবার ইডি’র তরফে আবার আসানসোল বিশেষ সিবিআই আদালতে সায়গলকে জেরার অনুমতির আরজি জানানো হয়। সেই আবেদন মঞ্জুর করল আদালত।

    আরও পড়ুন : বিজেপির নবান্ন অভিযানে ‘অশান্তি’, সিবিআই তদন্তের দাবি অনুসন্ধান কমিটির রিপোর্টে

    সিবিআই সূত্রে দাবি, অনুব্রত মণ্ডল তাঁর প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে দিয়ে এই ব্যাংক আধিকারিকদের সঙ্গে কথা বলাতেন। সায়গল হোসেন নিজেই ওই ব্যাংক আধিকারিকদের সঙ্গে সরাসরি কথা বলতেন অনুব্রত মণ্ডল এবং তাঁর ঘনিষ্ঠদের হয়ে৷ অনুব্রত মণ্ডলের প্রাক্তন দেহরক্ষী সায়গল হোসেনকে জেরা করেই বোলপুর এবং সিউড়ির মোট চারটি রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের আধিকারিকের নাম ও ঠিকানা পেয়েছিল সিবিআই। ওই চারজন ব্যাংক আধিকারিকের মধ্যে দুজন ব্যাংক আধিকারিকের বয়ান ইতিমধ্যেই রেকর্ড করেছেন গোয়েন্দারা।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

LinkedIn
Share