Tag: Coal Smuggling scam

Coal Smuggling scam

  • Coal Smuggling scam: কয়লা পাচারকাণ্ডে মলয় ঘনিষ্ঠ আরও এক তৃণমূল নেতাকে তলব ইডির

    Coal Smuggling scam: কয়লা পাচারকাণ্ডে মলয় ঘনিষ্ঠ আরও এক তৃণমূল নেতাকে তলব ইডির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে কয়লা পাচারকাণ্ডে (Coal Smuggling scam) শাসক দলের মন্ত্রী ঘনিষ্ঠ আরেক তৃণমূল নেতাকে তলব করল ইডি। শাসক দলের রাঘব বোয়ালদের ধরতেই কি এবার রাজ্যের শ্রমমন্ত্রী মলয় ঘটক ঘনিষ্ঠ তৃণমূল নেতা শঙ্কর চক্রবর্তীকে তলব? এই নিয়ে জোর চর্চা শুরু হয়েছে। পরিচয়ের যাবতীয় নথি নিয়ে ইডির দফতরে হাজির হতে বলা হয়েছে তাঁকে। শঙ্কর চক্রবর্তীকে আগামী সপ্তাহে কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal Smuggling scam) তলব করেছে ইডি। শঙ্করবাবুকে ইডি দফতরে তাঁর আধার কার্ড, ভোটার কার্ড, আই টি রিটার্ন, পাসপোর্ট এবং ফটো নিয়ে আসতে হবে বলে জানা গেছে। সোমবার ইডি দফতর থেকে নোটিশ বাড়িতে পৌঁছালে তা গ্রহণ করেন স্ত্রী দীপা চক্রবর্ত্তী।

    শঙ্কর চক্রবর্তীর স্ত্রীর বক্তব্য

    স্ত্রী দীপা চক্রবর্তী বলেন, ইডির নোটিশ (Coal Smuggling scam) আমরা পেয়েছি। বর্তমানে আমার স্বামী খুব অসুস্থ। কিন্তু তবুও ইডি দফতরে দেখা করতে যাবেন উনি। আর যা যা ডকুমেন্ট নিয়ে দেখা করতে বলা হয়েছে, তা ইতিমধ্যেই পাঠানো হয়েছে।

    কয়লা পাচারে অভিযুক্ত তৃণমূলের নেতা-মন্ত্রী

    কয়লা পাচারকাণ্ডে (Coal Smuggling scam) তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর স্ত্রীকে ইতিমধ্যেই বেশ কয়েকবার ইডি দিল্লিতে তলব করেছিল। কয়লা-গরু পাচারকাণ্ডে বীরভূমের তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডলকে সিবিআই-ইডি গ্রেফতার করে হেফাজতে নিয়েছে। বর্তমানে তাঁর ঠিকানা তিহার জেল। এই কয়লা পাচারকাণ্ডেই তৃণমূলের প্রাক্তন যুব নেতা বিনয় মিশ্রকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা পলাতক ঘোষণা করেছে। বিরোধীদের বক্তব্য, অভিযুক্ত বিনয় মিশ্র অভিষেক ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিল। রাজ্যের এক পুলিশ অফিসারকেও ইডি গ্রেফতার করেছিল বলে জানা গিয়েছে। বর্তমানে আরও এক তৃণমূল নেতা বিকাশ মিশ্র আসানসোল স্পেশাল কোর্ট থেকে জামিনে বাইরে রয়েছেন। কয়লা পাচারে রাজ্যের শাসক দলের নেতা-মন্ত্রীদের কপালে ইডি চিন্তার ভাঁজ ফেলছে, মনে করছে রাজনীতির একাংশ মানুষ। বিরোধী দলের বক্তব্য, যারা কয়লা পাচার করে লক্ষ লক্ষ টাকা চুরি করেছে, তাদের শাস্তি অবশ্যই হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Moloy Ghatak: কয়লাকাণ্ডে ফের হাজিরা এড়ালেন মলয় ঘটক, এবার কি গ্রেফতার করবে ইডি?

    Moloy Ghatak: কয়লাকাণ্ডে ফের হাজিরা এড়ালেন মলয় ঘটক, এবার কি গ্রেফতার করবে ইডি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার মামলায় (Bengal Coal Scam) ফের একবার এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের হাজিরা এড়ালেন রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটক (Moloy Ghatak)। যা জানা যাচ্ছে, এই নিয়ে ১৩ বার নাকি হাজিরা এড়ালেন মন্ত্রীমশায়। গত ১২ জুলাই তাঁকে হাজিরার নোটিশ পাঠিয়েছিল ইডি। চলতি সপ্তাহেই তাঁর দিল্লিতে গিয়ে ইডি দফতরে হাজিরা দেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু ইডি সূত্রে খবর, মন্ত্রীমশাই চিঠি দিয়ে তদন্তকারী আধিকারিকদের জানিয়েছেন, পূর্ব নির্ধারিত কিছু কর্মসূচি থাকার কারণে তিনি দিল্লি যেতে পারছেন না।

    বার বার এড়াচ্ছেন হাজিরা

    ইডি সূত্রে দাবি, আদালতের নির্দেশ মেনে, প্রতিবার ১৫ দিন সময় দিয়ে মলয়কে (Moloy Ghatak) ডাকা হচ্ছে। কিন্তু বারেবারে নানা কারণ দেখিয়ে তিনি হাজিরা এড়াচ্ছেন। পঞ্চায়েত ভোটের আগে ২০ ও ২৬ জুন তাঁকে হাজিরা দিতে বলেছিল ইডি। সেইসময় রাজ্যের মন্ত্রী জানিয়েছিলেন, পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে ব্যস্ত রয়েছেন। তাই তিনি হাজিরা দিতে পারবেন না। ভোটপর্ব মিটলে তিনি হাজিরা দেবেন। সেই মতো, ভোট মিটে যাওয়ার পর, এবার গত ১২ তারিখ তাঁকে তলবের নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু, এবারও, তিনি হাজিরা এড়িয়ে গেলেন। 

    কেন তলব মন্ত্রী মলয়কে?

    মলয় ঘটক, একাধারে আইন ও শ্রম মন্ত্রী, অন্যদিকে, খনি এলাকা আসানসোলের দোর্দণ্ডপ্রতাপ তৃণমূল বিধায়ক। ইডি সূত্রে দাবি, কয়লা পাচার মামলায় (Bengal Coal Scam) আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য সামনে রেখে মলয় ঘটককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। তাঁর ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত তৃণমূল নেতা শঙ্কর চক্রবর্তীকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে ইডি। আসানসোল পুরসভার ৫৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর দীপা চক্রবর্তীর স্বামী শঙ্করের কাছ থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য মিলেছে বলে ইডি-র দাবি।

    আগে জেরা করেছে সিবিআই-ও

    এই মামলায় ইডির আগে, সিবিআইও জেরা করেছিল মন্ত্রীকে। মামলা তদন্তে সিবিআই বিরাট অভিযান চালিয়েছিল। তারা পৌঁছে গিয়েছিল মলয়ের আসানসোলের বর্তমান বাড়ি, পৈতৃক বাড়িতে। এমনকী রাজভবনের মন্ত্রী আবাসনের যে ফ্লোরে মলয় (Moloy Ghatak) থাকেন সেখানেও হানা দিয়েছিল সিবিআই। পরে, এই মামলায় ইডি-ও সামন্তরাল তদন্ত শুরু করলে, ডাক পড়ে মলয় ঘটকের। যে প্রেক্ষিতে, মন্ত্রীমশাই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। শীর্ষ আদালত নির্দেশ দেয়, অন্তত ১৫ দিন সময় নিয়ে মন্ত্রীকে ডাকতে হবে। সেই মতো, ১২ তারিখ নোটিশ পাঠানো হয়েছিল।

    কী পদক্ষেপ করতে পারে ইডি?

    এদিকে, বার বার ডাকা সত্ত্বেও মলয় ঘটক (Moloy Ghatak) যেভাবে হাজিরা এড়াচ্ছেন, তা আদালত অবমাননার সামিল বলে মনে করছে ইডি। এ নিয়ে আইনজীবীর পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে বলেও কেন্দ্রীয় সংস্থা সূত্রে খবর। নিয়ম অনুযায়ী, তদন্তকারী সংস্থা যাকে হাজিরার জন্য ডাকবে তাকে যেতে হবে। না গেলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থাও নেওয়ার ক্ষমতা রয়েছে ইডি-র। এক্ষেত্রে, তদন্তকারী সংস্থা আদালতের কাছে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে ওয়ারেন্ট ইস্যুর জন্য আবেদন করতে পারেন। যদি তারা মনে করেন যে তিনি শুধুমাত্র জিজ্ঞাসাবাদ এড়ানোর জন্যই এই কাজ করছেন তবে তাকে গ্রেফতারির জন্য আদালতের কাছে ওয়ারেন্ট ইস্যুর আবেদনও করতে পারেন। কারণ ইডির গ্রেফতার করার ক্ষমতা রয়েছে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Moloy Ghatak: কয়লা পাচারকাণ্ডে ফের মন্ত্রী মলয় ঘটককে দিল্লিতে তলব ইডি-র, এবার যাবেন কি?

    Moloy Ghatak: কয়লা পাচারকাণ্ডে ফের মন্ত্রী মলয় ঘটককে দিল্লিতে তলব ইডি-র, এবার যাবেন কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তিনি জানিয়েছিলেন, পঞ্চায়েত ভোট থাকায় তিনি হাজিরা দিতে পারছেন না। ভোট মিটলে যাবেন। এবার তাই পঞ্চায়েত ভোট মিটতেই ফের একবার রাজ্যের আইন ও শ্রমমন্ত্রী তথা তৃণমূল বিধায়ক মলয় ঘটককে (Moloy Ghatak) দিল্লিতে ডেকে পাঠাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। কয়লা পাচার মামলায় (Coal Smuggling Scam) জুলাইয়ের তৃতীয় সপ্তাহে তাঁকে দিল্লিতে হাজির হতে বলা হয়েছে। 

    ১২ বার ইডির হাজিরা এড়িয়েছেন মলয়?

    শেষবার ২০ ও ২৬ জুন তলব করা হয়েছিল মলয় ঘটককে (Moloy Ghatak)। সেই সময় তিনি চিঠি দিয়ে জানিয়ে দেন যে, পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে ব্যস্ত আছেন। ভোট মিটলে তিনি হাজিরা দেবেন। সেইমতো ফের তাঁকে তলব করা হয়েছে। আর্থিক লেনদেন সংক্রান্ত তথ্য সামনে রেখে মলয় ঘটককে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে ইডি সূত্রে খবর। উল্লেখ্য, কয়লা পাচার মামলায় এর আগে একাধিকবার আইনমন্ত্রীকে ডেকে পাঠিয়েছিল ইডি। কিন্তু, কোনওবারই তিনি হাজিরা দেননি। জানা যাচ্ছে, এখনও পর্যন্ত ১২ বার হাজিরা এড়িয়ে গেছেন তিনি। এবার তিনি কী করবেন, সেই দিকে নজর রয়েছে সকলের। 

    সিবিআইয়ের নজরেও মলয়

    এই মামলায় ইডির আগে, সিবিআইও জেরা করেছিল মন্ত্রীকে। মামলা তদন্তে সিবিআই বিরাট অভিযান চালিয়েছিল। তারা পৌঁছে গিয়েছিল মলয়ের আসানসোলের বর্তমান বাড়ি, পৈতৃক বাড়িতে। এমনকী রাজভবনের মন্ত্রী কোয়ার্টারের যে ফ্লোরে মলয় (Moloy Ghatak) থাকেন সেখানেও হানা দিয়েছিল সিবিআই। পরে, এই মামলায় ইডি-ও সামন্তরাল তদন্ত শুরু করলে, ডাক পড়ে মলয় ঘটকের। যে প্রেক্ষিতে, মন্ত্রীমশাই সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। 

    এবার হাজিরা না দিলে কী পদক্ষেপ?

    শীর্ষ আদালত নির্দেশ দেয়, অন্তত ১৫ দিন সময় নিয়ে মন্ত্রীকে ডাকতে হবে। সেই মতো, ৫ জুন কয়লা পাচার কাণ্ডে (Coal Smuggling Scam) মলয় ঘটককে হাজিরার নোটিশ পাঠিয়েছিল ইডি। তবে সেই ডাকে সাড়া দেননি রাজ্যের আইনমন্ত্রী। ১৯ জুন দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। কিন্তু তিনি যাননি। এরপর ২৬ জুনও হাজিরা দেননি তিনি। এই পরিস্থিতিতে মলয় ঘটক (Moloy Ghatak) এবারও যদি হাজিরা না দেন, তাহলে কী আইনি পদক্ষেপ করা যায়, সেই বিষয়ে চিন্তা-ভাবনা করা হচ্ছে বলে ইডি সূত্রে দাবি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Moloy Ghatak: কয়লাকাণ্ডে ফের মলয় ঘটককে দিল্লিতে তলব ইডি-র, এবার সঙ্গী লালা-ও

    Moloy Ghatak: কয়লাকাণ্ডে ফের মলয় ঘটককে দিল্লিতে তলব ইডি-র, এবার সঙ্গী লালা-ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার মামলায় (Coal Smuggling Case) ফের রাজ্যের আইনমন্ত্রী মলয় ঘটককে (Moloy Ghatak) দিল্লিতে ডেকে পাঠাল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। জানা গিয়েছে, ২৬ জুন কয়লাকাণ্ডে তাঁকে দিল্লিতে ডাকা হয়েছে। মন্ত্রীর পাশাপাশি দিল্লিতে তলব করা হয়েছে কয়লা পাচারকাণ্ডে অন্যতম প্রধান অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালাকেও। তাঁকে ২৯ জুন তলব করা হয়েছে।

     বারবার হাজিরা এড়িয়েছেন রাজ্যের আইন মন্ত্রী!

    এর আগে একাধিকবার দিল্লিতে তলব করা হয়েছিল মন্ত্রীমশাইকে (Moloy Ghatak)। কিন্তু, প্রতিবারই তিনি তা এড়িয়ে গিয়েছেন। চলতি মাসে মলয় ঘটককে দুবার তলব করেছিল ইডি। গত ৫ জুন কয়লা পাচার কাণ্ডে মলয় ঘটককে হাজিরার নোটিশ পাঠিয়েছিল ইডি। তবে সেই ডাকে সাড়া দেননি রাজ্যের আইনমন্ত্রী। ১৯ তারিখ তাঁকে ডাকা হয়েছিল। সেটা তিনি এড়িয়ে যান। সূত্রের খবর, আইনজীবীর চিঠি মারফৎ মলয় জানিয়ে দেন, আসন্ন পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিভিন্ন জেলায় প্রচারে ব্যস্ত থাকায় তিনি তদন্তকারীদের মুখোমুখি হতে পারছেন না। 

    এবার হাজিরা না দিলে কী পদক্ষেপ ইডি-র?

    এমনকি, ইডি যে তাঁকে দিল্লির বদলে কলকাতায় জিজ্ঞাসাবাদ করুক, এই আবেদন নিয়ে এর আগে দিল্লি হাইকোর্টেও আবেদন করেছিলেন মলয় ঘটক (Moloy Ghatak)। যদিও তাঁর আবেদন খারিজ করে দেয় আদালত। দিল্লি হাইকোর্ট জানিয়ে দেয় যে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের দিল্লি সদর দফতরেই হাজিরা দিতে হবে মলয়কে। তবে, কমপক্ষে ১৫ দিন আগে তাঁকে নোটিশ পাঠাতে হবে বলেও জানিয়ে দেয় আদালত। ইডি সূত্রের দাবি, এবারও মলয় ঘটক তদন্তকারী অফিসারের সামনে হাজির না হন এবং এই সমনও এড়িয়ে যান, তাহলে কেন্দ্রীয় তদন্ত সংস্থা রাজ্যের আইন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ নিতে পারে। এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বিষয়টি আদালতের নজরেও আনতে পারে।  সূত্রের দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে এবার কড়া অবস্থান নিতে চলেছে ইডি। 

    মলয়ের দোসর অনুপ মাজি ওরফে লালা

    কয়লা পাচারকাণ্ডে মলয়ের (Moloy Ghatak) পাশাপাশি এই মামলায় অন্যতম অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালাকেও এবার দিল্লিতে তলব করেছে ইডি। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কয়লা পাচার কাণ্ডে সরাসরি জড়িত লালা। এর আগে, অনুপের কলকাতা এবং পুরুলিয়ার বাড়িতে তল্লাশি চালিয়েছিল তদন্তকারী সংস্থা। পাশাপাশি, সিবিআই সূত্রের দাবি, অনুপের কিছু নথি থেকেই তাঁর সঙ্গে মলয়ের যোগাযোগের সূত্র মিলেছে। তার পরেই কয়লা পাচারকাণ্ডে নাম জড়ায় মলয়ের। এর পরই, গত বছরের সেপ্টেম্বরে মলয় ঘটকের আসানসোল ও কলকাতার বাড়িতে হানা দিয়েছিল সিবিআই। মন্ত্রীর কলকাতার ডালহৌসির সরকারি আবাসনেও তাঁকে টানা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তাঁর ফোনও বাজেয়াপ্ত করা হয়েছিল।

    আরও পড়ুন: কয়লা পাচারকাণ্ডে মলয় ঘনিষ্ঠ আরও এক তৃণমূল নেতাকে তলব ইডির

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Malay Ghatak: কয়লা পাচার মামলায় মলয় ঘটককে দিল্লিতে হাজিরার নির্দেশ ইডি-র

    Malay Ghatak: কয়লা পাচার মামলায় মলয় ঘটককে দিল্লিতে হাজিরার নির্দেশ ইডি-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পর মলয় ঘটক (Malay Ghatak)। কয়লা পাচার কাণ্ডে এবার রাজ্যের আইন মন্ত্রী মলয় ঘটককে দিল্লিতে তলব করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। এই মর্মে তাঁকে নোটিশ পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। সূত্রের খবর, চিঠি পাঠিয়ে আগামী ১৯ জুন দিল্লির সদর দফতরে মলয় ঘটককে সশরীরে হাজিরার নির্দেশ দিয়েছে ইডি। এই একই মামলায় বৃহস্পতিবারই ডেকে পাঠানো হয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা নারুলা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। 

    এই নিয়ে তৃতীয়বার তলব

    এর আগে, কয়লা পাচার মামলায় দু-বার মলয় ঘটককে (Malay Ghatak) তলব করেছিল ইডি। গত ২৯ মার্চ মলয়কে দিল্লির প্রত্যাবর্তন ভবনে ডাকা হয়। এর পর এপ্রিল মাসে কয়লা পাচার কাণ্ডে মলয় ঘটককে দিল্লিতে তলব করেছিল ইডি। কিন্তু কোনওবারই হাজিরা দেননি রাজ্যের আইনমন্ত্রী। উল্টে তিনি দিল্লি হাইকোর্টের দ্বারস্থ হন। প্রথম দফায় ১২ এপ্রিল পর্যন্ত মলয়কে মৌখিক রক্ষাকবচ দেয় আদালত। দ্বিতীয় দফায় সেই রক্ষাকবচের মেয়াদ বাড়ানো হয় ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত। তারপর আরও ১৪ দিনের জন্য স্বস্তি পান তিনি। আগামী ১০ মে পর্যন্ত তাঁর বিরুদ্ধে কোনও কড়া পদক্ষেপ করা যাবে না, এমনটাই জানিয়েছিল দিল্লি হাইকোর্ট। আদালতের নির্দেশ ছিল, মলয়কে ১৫ দিনের সময় দেওয়ার কথা জানায় দিল্লি হাইকোর্ট। সেই সময় শেষ হওয়ার পরই এবার ১৫ দিনের সময় দিয়ে আগামী ১৯ জুন মলয়কে ডেকে পাঠাল ইডি। এবার মন্ত্রীমশাই হাজিরা দেবেন, না ফের তিনি আদালতের দ্বারস্থ হবেন, সেটাই দেখার। 

    আরও পড়ুন: ‘দুবাই যাওয়ার পথে রুজিরাকে আটকানো হল বিমানবন্দরে! কেন জানেন?

    মন্ত্রীর বাড়ি-দফতরে হয়েছিল তল্লাশি

    প্রসঙ্গত, কয়লা পাচার মামলায় গত বছর ২২ সেপ্টেম্বর মলয়ের (Malay Ghatak) বাড়ি সহ তাঁর অফিসে তল্লাশি চালান ইডি আধিকারিকরা। আসানসোলে মলয়ের দু’টি বাড়িতে তল্লাশি অভিযান শুরু করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকরা। একটি বাড়িতে তালাবন্ধ দেখে অন্য আর একটি বাড়িতে যান তারা। মন্ত্রীর কলকাতার সরকারি আবাসনেও টানা জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় তাঁকে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Coal Smuggling Case: কয়লা পাচারকাণ্ডে অভিযুক্ত রত্নেশের ১৪ দিনের জেল হেফাজত

    Coal Smuggling Case: কয়লা পাচারকাণ্ডে অভিযুক্ত রত্নেশের ১৪ দিনের জেল হেফাজত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রত্নেশ বর্মাকে (Ratnesh Verma) ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল আসানসোলের বিশেষ সিবিআই (CBI) আদালত। এই রত্নেশ কয়লা পাচারকাণ্ডে (Coal Smuggling Case) মূল অভিযুক্ত লালার ঘনিষ্ঠ। সোমবার সিবিআই আদালতের বিচারক রাজেশ চক্রবর্তী এই নির্দেশ দেন। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২৭ ফেব্রুয়ারি। এর আগে গত ২ ফেব্রুয়ারি রত্নেশকে তোলা হয়েছিল আসানসোল সিবিআই আদালতে। ওই আদালতের বিচারক সেদিন রত্নেশকে সিবিআই হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিলেন। সিবিআই হেফাজত শেষ হওয়ার পর ফের সোমবার তাঁকে তোলা হল আসানসোল আদালতে।

    রত্নেশ…

    জানা গিয়েছে, এদিন রত্নেশের আইনজীবী সোমনাথ চট্টরাজ তাঁর হয়ে জামিনের কোনও আবেদন করেননি। তার পরেই বিচারক রত্নেশকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেন। যদিও জেল হেফাজতে থাকাকালীন সিবিআই আধিকারিকরা জেলে গিয়ে রত্নেশকে জিজ্ঞাসাবাদ করতে পারেন বলে আদালত জানিয়েছে। পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলের নরসমুদা খনি লাগোয়া এলাকায় বাড়ি রত্নেশের। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ, বেআইনি কয়লা পাচারের পরিবহণের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। চুরি হওয়া কয়লা রত্নেশের সাহায্যেই মাফিয়ারা বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছে দিত। রত্নেশের নিজের লরি ছিল। বেআইনি কয়লা পাচারের জন্য অন্যান্য লরিও নিজের কাজে ভাড়া খাটাতেন।

    আরও পড়ুুন: ধনখড়ের সঙ্গে সাক্ষাত রাজ্যপাল আনন্দ বোসের! কী কথা হল প্রাক্তন ও বর্তমানের মধ্যে?

    জানা গিয়েছে, ভুয়ো চালান দিয়ে এই কয়লা পাচার করা হত। রত্নেশের বিরুদ্ধে আরও অভিযোগ রয়েছে। জানা গিয়েছে, পাচারের পুরো কর্মকাণ্ডে লিংকম্যানের কাজ করতেন তিনি। এই মামলায় রত্নেশকে ফেরার ঘোষণা করেছিল বিশেষ সিবিআই (CBI) আদালত। ২০১৯ ও ২০২০ সালেও রত্নেশের বিরুদ্ধে পর পর দুবার লুকআউট নোটিশ জারি হয়েছিল। অনেক দিন ধরেই তাঁর খোঁজ চালাচ্ছিলেন তদন্তকারীরা। শেষ পর্যন্ত ৩১ জানুয়ারি আসানসোল সিবিআই আদালতে এসে আত্মসমর্পণ করেন রত্নেশ। সেই দিনই বিচারক তাঁকে জেলা পাঠান। পরবর্তীকালে ২ ফেব্রুয়ারি রত্নেশকে ফের আদালতে তোলা হলে সিবিআই (CBI) হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারক। হেফাজতে থাকাকালীন তাঁর কাছ থেকে নানা চাঞ্চল্যকর তথ্য এবং কয়েকজন প্রভাবশালীর নাম পাওয়া গিয়েছে বলে সিবিআই সূত্রে খবর। সোমবার রত্নেশকে ফের আদালতে তোলা হলে বিচারক তাঁকে জেল হেফাজতে পাঠান। বর্তমানে তিনি রয়েছেন আসানসোল জেলে। এই জেলেই রয়েছেন গরু পাচারে অন্যতম অভিযুক্ত তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডলও।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Coal Scam ED: কোভিডকালে নির্মাণ-শিল্পে উল্কাবেগে উত্থান শিকারিয়ার! কীভাবে সম্ভব? খোঁজ করছে ইডি

    Coal Scam ED: কোভিডকালে নির্মাণ-শিল্পে উল্কাবেগে উত্থান শিকারিয়ার! কীভাবে সম্ভব? খোঁজ করছে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচার মামলার তদন্তে গতকাল দক্ষিণ কলকাতার বেসরকারি নির্মাণ সংস্থার অফিস ও কর্ণধারের দফতরে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের হানা দেওয়ার পর থেকেই রাজ্য রাজনীতিতে তুমুল শোরগোল পড়ে গিয়েছে। ওই ব্যবসায়ী ও তাঁর এক ‘পলাতক’ সহযোগীর সঙ্গে এরাজ্যের এক ‘অতি-প্রভাবশালী’ রাজনৈতিক পরিবারের সঙ্গে সম্পর্কের কথা এখন লোকের মুখে মুখে ফিরছে। কয়লা পাচারের কালো টাকা যে ওই সংস্থার মাধ্যমে সাদা করা হত, সেই তত্ত্বও উঠে আসছে তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে।

    কে এই বিক্রম শিকারিয়া?

    তবে এ সবের মধ্য থেকে জনমানসের মনে অনেক প্রশ্নও উঠে আসছে। তা হল, কে এই বিক্রম শিকারিয়া, যার দফতরে হানা দিয়ে গতকাল প্রায় দেড় কোটি টাকা উদ্ধার করেছে ইডি। কীভাবে কয়লা পাচারের টাকা আসত ওই সংস্থায়? সবচেয়ে বড় কথা, এই শিকারিয়ার খোঁজ কীভাবে পেল ইডি?

    আরও পড়ুন: কয়লা পাচারের অর্থে ‘প্রপার্টি-ডিল’! ১.৪ কোটি টাকা ছিল ‘পার্ট-পেমেন্ট’! বাকি টাকার খোঁজে ইডি

    দক্ষিণ কলকাতার অভিজাত ম্যাডক্স স্কোয়ার সংলগ্ন ৫এ আর্ল স্ট্রিটে শিকারিয়ার বাড়ি ও লাগোয়া তাঁর সংস্থা গজরাজ গ্রুপের দফতর। গজরাজ গ্রুপের মালিক এই বিক্রম শিকারিয়া। মোট তিরিশটি কোম্পানি এই গ্রুপের অন্তর্গত। ধৃতের নির্মাণ ব্যবসার পাশাপাশি আরও একাধিক ব্যবসা রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রয়েছে ফুড চেন ও ধাবা। বিক্রম নিজে বেশ কয়েকটি সংস্থার ডিরেক্টর। বাকিগুলির ডিরেক্টর পদে রয়েছেন তাঁর পরিবারের সদস্যরা। 

    শিকারিয়ার উত্থান শুনলে চোখ কপালে উঠবে

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে, গজরাজ গ্রুপের উত্থান হয়েছিল কোভিড পরিস্থিতিতে। সেসময় বাকি সমস্ত জায়গায় যেখানে নির্মাণ ব্যবসার মন্দা চলছিল, সেই কোভিডকালের মধ্যে কীভাবে গজরাজ গ্রুপ এতটা ফুলে ফেঁপে উঠল, সেটাই ইডি-র স্ক্যানারে। ইডি জানতে পেরেছে, গজরাজ গ্রুপ মূলত নির্মাণ ক্ষেত্রেই বিনিয়োগ করত। বেশিরভাগ প্রজেক্টই দক্ষিণ কলকাতার। জানা গিয়েছে, গত চার বছরে ৪২টি নির্মাণ করেছে এই গ্রুপ। 

    আরও পড়ুন: কয়লাকাণ্ডে উঠে আসছে হরিশ মুখার্জি রোডের একটি রেস্তোরাঁর নাম! মালিক কে? তদন্তে ইডি

    এখানেই সাদা করা হত কয়লা পাচারের কালো টাকা?

    গোয়েন্দা আধিকারিকদের অনুমান, কয়লা পাচারের কালো টাকা এই বাড়ি নির্মাণের মাধ্যমেই সাদা করা হয়েছে। এর আগেই ইডি আধিকারিকরা এই সংক্রান্ত বেশ কিছু সূত্র পেয়েছিলেন। তদন্ত করে ইডি জানতে পারে যে, কয়লা পাচারের বিপুল পরিমাণ টাকা দফায় দফায় ওই প্রোমোটিং সংস্থাটির হাতে পৌঁছয়। ইডির সন্দেহ, এই কোম্পানিগুলিতে কয়লা পাচারের টাকা ঘুর পথে এসেছে। জানা যায়, আসানসোল এবং পুরুলিয়া থেকে কয়লা পাচারকারীদের টাকা হাত বদল হয়ে এই নির্মাণকারী সংস্থার মাধ্যমে বাজারে খাটানোর চেষ্টা হচ্ছে। তদন্তকারীদের দাবি, কয়লা কাণ্ডে যে কালো টাকা বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছেছিল সেই টাকাই গিয়েছিল এই ব্যবসায়ীর বাড়িতে। 

    কীভাবে শিকারিয়ার ‘শিকার’?

    তদন্তের সূত্রেই কয়লা পাচারকাণ্ডের এই বেসরকারি সংস্থার নাম সামনে আসে। কয়লা পাচারের টাকা কোথায় কোথায় গিয়েছে, ‘মানি ট্রেল লিঙ্ক’-এর সূত্রে ধরেই ইডি তদন্ত এগিয়ে নিয়ে যায়। ইডি জানতে পারে, এই বেসরকারি সংস্থাটির মাধ্যমে কয়লা পাচারকাণ্ডের টাকা বিনিয়োগ করা হত। কয়লাকাণ্ডের তদন্তে একাধিক ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খতিয়ে দেখা হয়। বয়ান নেওয়া হয় সাক্ষীদের। কয়লা পাচারের কিংপিন অনুপ মাঝি ওরফে লালা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ী রত্নেশ ভার্মাকে জেরা করে বেশ কিছু নির্দিষ্ট সূত্র পায় ইডি। 

    আরও পড়ুন: কে এই মনজিৎ জিট্টা ও তাঁর ‘অতি-প্রভাবশালী’ পার্টনার? কয়লাকাণ্ডে হন্যে হয়ে খুঁজছে ইডি

    এছাড়া, লালার লাল ডায়রিতেও ছিল এই শিকারিয়া ও গজরাজের নাম। সেখানে এই সংস্থায় টাকা দেওয়ার কথা উল্লেখ ছিল বলে তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে জানা গিয়েছে। ইসিএলের খনি থেকে পাচার হওয়া কয়লা কোথায় যাবে, কোন গাড়ি কোন গন্তব্যে যাবে, তা পুরোটাই দেখত রত্নেশ। তাকে জেরা করে এই পাচারকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত বাকিদের হদিশ পাওয়ার চেষ্টা চালান তদন্তকারীরা। তা থেকে এই ‘গজরাজ গ্রুপ’ সম্পর্কে নিশ্চিত হয় ইডি। এরপর থেকেই ইডির রেডারে চলে আসেন শিকারিয়া। চলে তার ওপর নজর রাখার কাজ। অবশেষে বুধবার সেখানে হানা দেয় ইডি।

  • Coal Scam ED: কয়লা পাচারের অর্থে ‘প্রপার্টি-ডিল’! ১.৪ কোটি ছিল ‘পার্ট-পেমেন্ট’! বাকি টাকার খোঁজে ইডি

    Coal Scam ED: কয়লা পাচারের অর্থে ‘প্রপার্টি-ডিল’! ১.৪ কোটি ছিল ‘পার্ট-পেমেন্ট’! বাকি টাকার খোঁজে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা-পাচারকাণ্ডের শিকড় যে অনেক দূর ও অনেক দিকে বিস্তৃত, তা বালিগঞ্জে টাকা উদ্ধারের পর থেকেই বুঝতে পারছে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। টাকা উদ্ধারের পর এক এক করে বেরিয়ে আসছে নতুন নতুন চমকপ্রদ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য। 

    ইডি কী বলছে…

    গতকালের হানা-তল্লাশি নিয়ে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে জানানো হয়েছে, গোয়েন্দাদের কাছে নির্দিষ্ট তথ্য ছিল যে এক প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তি কয়লা পাচারের টাকা তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী মনজিৎ সিং গ্রেওয়াল ওরফে জিট্টার মাধ্যমে সরাতে চাইছেন। সেই খবরের ভিত্তিতেই দক্ষিণ কলকাতায় গজরাজ গ্রুপের দফতর ও কর্ণধারের বাড়িতে হানা দেন আধিকারিকরা। যেখান থেকে ১.৪ কোটি টাকা উদ্ধার করা হয়। 

    প্রপার্টি ডিলের টাকা…

    তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, কয়লা পাচারের টাকায় একটি সম্পত্তি সংক্রান্ত ডিল করার উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়েছে ওই টাকা। যদিও ইডির দাবি, এটা গোটা অর্থ নয়। সূত্রের খবর, একটি গেস্ট হাউস কেনার জন্য এই খরচ করা হয়। ইডির দাবি, বর্তমানে ওই প্রপার্টির বাজার দর আনুমানিক ১২ কোটি টাকা। তবে ওই সম্পত্তির ডিড বা চুক্তিপত্রে দাম দেখানো হয়েছে ৩ কোটি টাকা। বেআইনিভাবে, বাকি অর্থ অর্থাৎ ৯ কোটি টাকা নগদে দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: কে এই মনজিৎ জিট্টা ও তাঁর ‘অতি-প্রভাবশালী’ পার্টনার? কয়লাকাণ্ডে হন্যে হয়ে খুঁজছে ইডি

    গেস্ট হাউসের মালিক জিট্টা!

    সূত্র মারফৎ জানা গিয়েছে, কালীঘাটের কাছে একটি ধাবা রয়েছে। তার ঠিক পিছনেই রয়েছে সালাসার নামে একটি গেস্ট হাউস। সম্প্রতি, ওই গেস্ট হাউসের আসল মালিক তাঁর এই অতিথিশালা বিক্রি করেন মনজিৎ সিং জিট্টার কাছে। এই জিট্টা হলেন গজরাজ গ্রুপের কর্ণধার বিক্রম শিকারিয়ার ঘনিষ্ঠ, যাঁর দফতরে গতকাল হানা দিয়েছিল ইডি। 

    ইডি সূত্রে এও জানা গিয়েছে, জিট্টার সঙ্গে কালীঘাট অঞ্চলের এক অতি-প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের এক সদস্যের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। ওই সদস্য নাকি জিট্টার ব্যবসায়িক পার্টনারও। শুধু তাই নয়, উঠে এসেছে যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভবানীপুর উপ-নির্বাচনের প্রচারের দায়িত্বেও ছিলেন এই মনজিৎ সিং ওরফে জিট্টা। 

    আরও পড়ুন: কয়লাকাণ্ডে উঠে আসছে হরিশ মুখার্জি রোডের একটি রেস্তোরাঁর নাম! মালিক কে? তদন্তে ইডি

    গোয়েন্দাদের কাছে ছিল ডিলের খবর…

    ইডি সূত্রে খবর, গোয়েন্দাদের কাছে খবর ছিল, যে ১২ কোটি টাকায় ওই গেস্ট হাউস কেনেন জিট্টা। অভিযোগ, সেখানেও ব্যবহার করা হয়েছিল কয়লা পাচারের টাকা। এভাবেই কালো টাকা সাদা করা হয়েছিল। এদিকে গেস্ট হাউস কিনে তা ভেঙে সেই জায়গায় নিজের ধাবা সম্প্রসারণ করার জন্য সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন জিট্টা। আর এই কাজের বরাত পায় তাঁরই ঘনিষ্ঠ নির্মাণ ব্যবসায়ী শিকারিয়ার গজরাজ গ্রুপ। 

    ইডি সূত্রে খবর, গোয়েন্দাদের কাছে খবর ছিল ওই প্রপার্টি ডিল হচ্ছে ম্যাডক্স স্কোয়ারে আর্ল স্ট্রেটে অবস্থিত গজরাজ গ্রুপের দফতরে। সেই মতো, সংস্থার দফতর ও বাড়ির ওপর সন্তর্পণে নজর রাখা শুরু হয়। তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, বিকেল পৌনে পাঁচটা নাগাদ একটি গাড়ি গজরাজের দফতরের সামনে এসে দাঁড়ায়। মিনিট পনেরোর পর তা চলে যায়। এর পাঁচ মিনিটের মধ্যেই সেখানে হানা দেয় ইডি। উদ্ধার হয় ডিলের ‘পার্ট-পেমেন্ট’ হিসেবে থাকা ১.৪ কোটি টাকা। বাকি টাকা কোথায়, তার খোঁজ চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা।

  • Coal Scam ED: কয়লাকাণ্ডে উঠে আসছে হরিশ মুখার্জি রোডের একটি রেস্তোরাঁর নাম! মালিক কে? তদন্তে ইডি

    Coal Scam ED: কয়লাকাণ্ডে উঠে আসছে হরিশ মুখার্জি রোডের একটি রেস্তোরাঁর নাম! মালিক কে? তদন্তে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লাকাণ্ডের তদন্তে দক্ষিণ কলকাতার এক ব্যবসায়ীর বাড়ি ও অফিসে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের হানা। রাতভর ইডির তল্লাশিতে প্রায় দেড় কোটি নগদ উদ্ধারকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই সরগরম রাজ্য রাজনীতি। তবে, তাৎপর্যপূর্ণভাবে এই হানা-তল্লাশির মধ্য দিয়ে আরও চমকপ্রদ ও চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে ইডি-র রেডারে। কী সেই তথ্য?

    ইডি সূত্রে ঠিক কী উঠে এসেছে?

    কয়লাপাচার তদন্তে গতকাল দক্ষিণ কলকাতার অভিজাত ম্যাডক্স স্কোয়ার সংলগ্ন ৫এ আর্ল স্ট্রিটের যে বেসরকারি নির্মাণকারী সংস্থার অফিস ও লাগোয়া ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিয়েছিল ইডি-র দল, সেখান থেকেই বান্ডিল বান্ডিল ৫০০ টাকার নোট উদ্ধার হয়। মোট ১.৪০ কোটি টাকা উদ্ধার হয়েছে বলে ইডি সূত্রে জানানো হয়েছে। 

    গজরাজ গ্রুপ নামের সংস্থার কর্ণধার শিকারিয়া। মোট তিরিশটি কোম্পানি এই গ্রুপের অন্তর্গত। ধৃতের নির্মাণ ব্যবসার পাশাপাশি আরও একাধিক ব্যবসা রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রয়েছে ফুড চেন ও একটি ধাবা। বিক্রম শিকারিয়াকে ইতিমধ্যেই গ্রেফতার করা হয়েছে। এই মামলায় তাঁকে দিল্লিতেও তলব করেছে ইডি। পাশাপাশি, খোঁজ চলছে আরেক ব্যবসায়ী মনজিৎ সিং জিট্টার, যিনি এই মুহূর্তে ‘পলাতক’ বলে উঠে এসেছে। তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে খবর, জিট্টার সঙ্গে কালীঘাট অঞ্চলের এক অতি-প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের এক সদস্যের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। 

    আরও পড়ুন: কে এই মনজিৎ জিট্টা ও তাঁর ‘অতি-প্রভাবশালী’ পার্টনার? কয়লাকাণ্ডে হন্যে হয়ে খুঁজছে ইডি

    তবে, তদন্তকারীরা জানতে পেরেছেন একটি ধাবার কথা। ইডি জানতে পারে, এই বেসরকারি সংস্থাটির মাধ্যমে কয়লা পাচারকাণ্ডের টাকা বিনিয়োগ করা হত। ইডি জানতে পেরেছে, এই জিট্টার একটি ধাবা রয়েছে। আবার সূত্রের দাবি, ধৃত বিক্রম শিকারিয়াকে গতকাল প্রায় ১০-ঘণ্টা জিজ্ঞাসাবাদ করে কোনও এক ‘মিস্টার গ্রেওয়াল’-এর নাম জানতে পেরেছেন তদন্তকারীরা। জানা গিয়েছে, তাঁর সঙ্গেও দক্ষিণ কলকাতার এক অতি-প্রভাবশালী রাজনৈতিক পরিবারের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে। ইডি সূত্রে খবর, এই ‘মিস্টার গ্রেওয়াল’-ও বর্তমানে ‘পলাতক’। উল্লেখযোগ্য ঘটনা হল, হরিশ মুখার্জি রোডে তাঁরও না কি একটি রেস্তোরাঁ-ধাবা রয়েছে।  ইডি সূত্রে দাবি, ধাবা মারফৎ কয়লা পাচারের টাকা আসে মিস্টার গ্রেওয়ালের কাছে। পরে, সেই টাকা এসে পৌঁছয় বালিগঞ্জের গজরাজ গ্রুপের ডিরেক্টর অর্থাৎ শিকারিয়ার হাতে। 

    কে এই মিস্টার গ্রেওয়াল?

    ইডির দাবি, শিকারিয়া ও তাঁর ওই সহযোগী মূলত এই কয়লা পাচারকাণ্ডে ‘ফ্রন্ট ম্যান’ হিসাবে কাজ করতেন। কয়লা পাচার মামলায় ওই দুই ব্যক্তির যোগাযোগ রয়েছে বলে ইডি সূত্রে খবর। এখন ইডি জানতে চাইছে, এই মনজিত জিট্টা ও মিস্টার গ্রেওয়াল— এঁরা কি একই ব্যক্তি না ভিন্ন? ওই ধাবার আসল মালিক কে? কয়লা পাচার মামলার তদন্তে টাকা হস্তান্তরের ঘটনায় এই দুটি নামের বিষয়ে হন্যে হয়ে খুঁজছে ইডি।

  • Coal Scam ED Raid: কে এই মনজিৎ জিট্টা ও তাঁর ‘অতি-প্রভাবশালী’ পার্টনার? কয়লাকাণ্ডে হন্যে হয়ে খুঁজছে ইডি

    Coal Scam ED Raid: কে এই মনজিৎ জিট্টা ও তাঁর ‘অতি-প্রভাবশালী’ পার্টনার? কয়লাকাণ্ডে হন্যে হয়ে খুঁজছে ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কয়লা পাচারকাণ্ডের তদন্তে বড় সাফল্য পেল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। নির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে বুধবার সন্ধ্যায় দক্ষিণ কলকাতার বালিগঞ্জে একটি সংস্থার দফতরে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। বৃহস্পতিবার ভোর পর্যন্ত তল্লাশি চালান তাঁরা। সেখান থেকে উদ্ধার হয়েছে প্রায় দেড় কোটি নগদ টাকা। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দাবি, কয়লা পাচারের টাকা এই সংস্থার মাধ্যমে সরিয়ে দেওয়া হতো। এই প্রেক্ষিতে শাসক দল ঘনিষ্ঠ এক ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। খোঁজ চালানো হচ্ছে আরেক ব্যবসায়ীর, যিনি এই মুহূর্তে পলাতক বলে জানা গিয়েছে। ইডি সূত্রের খবর, ওই ব্যবসায়ীর সঙ্গে কলকাতার অতি-প্রভাবশালী এক রাজনৈতিক পরিবারের ঘনিষ্ঠতা রয়েছে। তাঁর ব্যবসায়িক পার্টনারও অতি প্রভাবশালী।

    ঠিক কী ঘটেছে?

    কয়লা পাচারকাণ্ডে ঠিক কীভাবে টাকা হস্তান্তর হয়েছে, তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত চালাচ্ছে ইডি। সেই প্রেক্ষিতে, মঙ্গলবার দিল্লি থেকে ৩ সদস্যের একটি দল আসে কলকাতায়। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার দিল্লির আধিকারিকেরাও ছিলেন ওই দলটিতে। মোট ১০ থেকে ১২ জন আধিকারিক তল্লাশি অভিযান চালান। সূত্র মারফত পাওয়া খবরের ভিত্তিতে বুধবার সন্ধ্যায় বালিগঞ্জে এক ব্যবসায়ীর বাড়ি ও লাগোয়া অফিসে হানা দেয় ইডি। রাতভর তল্লাশি চালানো হয়। ব্যাগের মধ্যে বান্ডিল বান্ডিল নোট রাখা ছিল বলে খবর। ইডি-র আধিকারিক সূত্রে খবর, ১ কোটি ৪০ লক্ষ নগদ টাকা পাওয়া গিয়েছে ওই দফতর থেকে। সঙ্গে উদ্ধার করা হয়েছে কিছু ডিজিটাল তথ্যও। এত টাকার উৎস সম্পর্কে যথাযথ উত্তর দিতে না পারায় গ্রেফতার করা হয়েছে ওই সংস্থার কর্ণধার ব্যবসায়ী বিক্রম শিখারিয়াকে।

    ইডি কী জানাচ্ছে? 

    ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, বিভিন্ন সাক্ষীর বয়ান, ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টের নথি ঘেঁটে খোঁজ পাওয়ার পর বুধবারেই বালিগঞ্জের দফতরে হানা দেওয়া হয়। তদন্তকারীদের দাবি, এই ব্যবসায়ীর সঙ্গে তৃণমূলের দক্ষিণ কলকাতার এক নেতা এবং তাঁর ভাইয়ের ঘনিষ্ঠ যোগাযোগ রয়েছে। তাদের মতে, এক্ষেত্রে কয়লা পাচারের টাকা ধৃত ব্যবসায়ীর কোম্পানিতে ঢুকেছে। 

    জানা গিয়েছে, গজরাজ গ্রুপের মালিক এই বিক্রম শিখারিয়া। মোট তিরিশটি কোম্পানি এই গ্রুপের অন্তর্গত। ধৃতের নির্মাণ ব্যবসার পাশাপাশি আরও একাধিক ব্যবসা রয়েছে বলে জানা যাচ্ছে। রয়েছে ফুড চেন ও একটি ধাবা। ইডির সন্দেহ, এই কোম্পানিগুলিতে কয়লা পাচারের টাকা ঘুর পথে এসেছে। ইডির সন্দেহ, কয়লা পাচারের টাকা বিক্রম শিখারিয়ার মাধ্যমে সাদা করা হয়েছে। তদন্তকারীদের দাবি, কয়লা কাণ্ডে যে কালো টাকা বিভিন্ন জায়গায় পৌঁছেছিল সেই টাকাই গিয়েছিল এই ব্যবসায়ীর বাড়িতে। 

    নজরে আরেক ব্যবসায়ী…

    ধৃত শিখারিয়ার পাশাপাশি আরও এক ব্যবসায়ী মনজিত্‍ সিং জিট্টার খোঁজও চালাচ্ছে ইডি। বর্তমানে, তিনি পলাতক বলে উঠে এসেছে। ইডি সূত্রে খবর, এই জিট্টার এক অতি প্রভাবশালী ব্যবসায়িক পার্টনার রয়েছেন। সেই পার্টনার থাকেন কালীঘাটে। কে সেই পার্টনার? কালীঘাটের কোথায় থাকেন তিনি? এখন এই সব প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে ব্যস্ত ইডি। তবে, অবশ্যই জিট্টাকে হাতে পেতে চাইছে তদন্তকারী দল। সূত্রের খবর, জিট্টার খোঁজ চারদিকে চালানো হচ্ছে। ইডির দাবি, জিট্টাকে হাতে পেলেই অনেক প্রশ্নের উত্তর মিলবে। অনেক জট ছাড়বে। অনেক রহস্যের সমাধান হবে।

LinkedIn
Share