Tag: Employment

Employment

  • Teacher: শিক্ষকের চাকরি করলে লোন দেবে না ব্যাঙ্ক! কোথায় জানেন?

    Teacher: শিক্ষকের চাকরি করলে লোন দেবে না ব্যাঙ্ক! কোথায় জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ শিক্ষকরাই (Teacher) সমাজের সম্মানীয় ব্যক্তি। তাঁদের কথা এলাকার আর পাঁচজন মান্যতা দেন। কিছুদিন আগেও শিক্ষকরা ব্যাঙ্কে গেলে কর্মীরাও অনেক খাতির করতেন। পাড়ায় কেউ শিক্ষক পদে চাকরি করেন শুনলে সকলেই সেই পরিবারকে সমীহ করে চলতেন। এমনকী বিয়ের বাজারে শিক্ষক (Teacher)  পাত্র পেলে মেয়ের বাবার তো কথাই নেই। প্রতিবেশীরা সেই পরিবারকে কিছুটা আড় চোখে দেখতেন। এতদিন এটাই ছিল চেনা চিত্র। কিন্তু, আদালতের নির্দেশে রাজ্যে শয়ে শয়ে বাতিল হয়েছে শিক্ষক (Teacher)  এবং অশিক্ষক কর্মীদের চাকরি। এখনও চলছে বাতিলের প্রক্রিয়া। প্রতিনিয়ত দুর্নীতি খুঁজে চলেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি। রাজ্যের ভুয়ো শিক্ষকদের (Teacher) চাকরি বাতিলের ঘটনায় বৈধ শিক্ষকরাও সামাজিক প্রশ্ন চিহ্নের মুখে। সামাজিক অমর্যাদার পাশাপাশি, সামাজিক হয়রানির শিকার হতে হচ্ছে বিভিন্ন ক্ষেত্রে। সোশ্যাল মিডিয়াতে শিক্ষকদের নিয়ে ট্রোল হচ্ছে। এবার শিক্ষক-শিক্ষিকাদের ব্যাঙ্কে লোন না দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুরের সেন্ট্রাল কো অপারেটিভ ব্যাঙ্ক লোন না দেওয়ার  সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    শিক্ষকদের কেন লোন দিতে আপত্তি ? Teacher

    এমনিতেই চাকরিজীবীদের ব্যাংক থেকে লোন নিতে খুব একটা সমস্যা হয় না। কিন্তু, শিক্ষকদের (Teacher) ক্ষেত্রে ব্যাংক গুলি সাধারণত বুঝে নিতে চাইছে, সেই শিক্ষকের চাকরি আইনত বৈধ আছে কিনা। শিক্ষকের  নিয়োগ কতদিন আগে হয়েছে, সে বিষয়ে খুঁটিনাটি তথ্য জানতে চাইছে ব্যাংক। ঠিক এইভাবেই বিভিন্ন প্রশ্নের সম্মুখীন হতে হচ্ছে বৈধ নিয়োগের শিক্ষকদের‌ও। যা শিক্ষকদের (Teacher) কাছে অমর্যাদার প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। দক্ষিণ দিনাজপুর সেন্ট্রাল কো-অপারেটিভ ব্যাংকের সিইও তনুজ কুমার সরকার বলেন, ব্যাংক ব্যবসা করতে এসেছে। ফলে, লোন দেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্ত কিছু দেখে নিতে হয়। যাতে তা পরিশোধ হতে পারে। আমাদের শাখা ব্যাঙ্ক থেকে এর আগে অনেক শিক্ষকদের লোন দিয়েছে। তাদের অনেকের চাকরি চলে গিয়েছে। লোনের টাকা এখন আদায় করতে সমস্যা হচ্ছে। তাই, বর্তমানে শিক্ষকদের নিয়োগ দুর্নীতির ক্ষেত্রে যে ঘটনা ঘটেছে, তাতে কিছুটা সতর্ক থাকতে হচ্ছে। মূলত, যে সাল থেকে শিক্ষকদের নিয়ে এই সমস্যা তৈরি হয়েছে, সেই সময়ের শিক্ষকদের নিয়ে আমাদের মাথাব্যাথা।

    দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার বাম শিক্ষক সংগঠনের নেতা শঙ্কর ঘোষ বলেন, শিক্ষকদের (Teacher) হয়রানি না করে যাতে ব্যাঙ্ক লোন পায় তার ব্যবস্থা করতে হবে। অপরদিকে, শিক্ষা দফতরের দুর্নীতিতে যারা চাকরি পেয়েছেন, তার দায়‌ও সরকারের। ফলে, সরকারকেই এই দায় নিতে হবে। এর আগে কয়েকটি ব্যাঙ্ক করেছিল। সংগঠনের পক্ষ থেকে বলে সমস্যা মিটে গিয়েছে। তৃণমূল শিক্ষা সেলের সদস্য বিপুল কান্তি ঘোষ বলেন, ব্যাংক কর্তৃপক্ষ সাধারনত ঋণ দেওয়ার দেওয়ার ক্ষেত্রে সিকিউরিটি বা কাগজপত্র দেখে নেয়। ঋণের বিষয়টি ব্যাংকের ব্যাপার। ব্যাংক সবকিছু খতিয়ে দেখতেই পারে। অখিল ভারতীয় রাষ্ট্রীয় শিক্ষক মহা সঙ্ঘের সদস্য শুভেন্দু বক্সী বলেন, নিয়োগ দুর্নীতিতে যাদের নাম জড়িত, তাদের তো চাকরি যাচ্ছেই, কিন্তু যারা বৈধভাবে চাকরি পেয়েছেন, এই ঘটনায় তাদেরও প্রশ্ন চিহ্নের সামনে পড়তে হয়েছে। বৈধ শিক্ষকদের (Teacher)  বিভিন্নভাবে সামাজিক হয়রানি হতে হচ্ছে। এটা যাতে না হয় সেই বিষয়টি দেখা দরকার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Scam: এবার স্বাস্থ্য দপ্তরে দুর্নীতি! ভুয়ো নিয়োগপত্র নিয়ে কাজে যোগ দিতে এসে শ্রীঘরে যুবক, কোথায় দেখে নিন

    Scam: এবার স্বাস্থ্য দপ্তরে দুর্নীতি! ভুয়ো নিয়োগপত্র নিয়ে কাজে যোগ দিতে এসে শ্রীঘরে যুবক, কোথায় দেখে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ শিক্ষক দুর্নীতি (Scam) নিয়ে রাজ্য জুড়ে তোলপাড় চলছে। আদালতের নির্দেশ রাজ্যে শয়ে শয়ে শিক্ষক-শিক্ষিকার নিয়োগ বাতিল হয়েছে। শুক্রবারই গ্রুপ সি পদে আদালতের নির্দেশে নতুন করে বহু নিয়োগ বাতিল হয়েছে। চাকরি বাতিলের তালিকায় মুখ্যমন্ত্রীর ভাইঝিও রয়েছে। এরইমধ্যে ভুয়ো নথি নিয়ে গ্রুপ ডি পদে চাকরিতে যোগ দিতে গিয়ে ধরা পড়ল এক যুবক। ঘটনাটি ঘটেছে শিলিগুড়ির উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। স্বাস্থ্য দপ্তরে এই ধরনের দুর্নীতির (Scam) ঘটনা ঘটনা ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। হাসপাতালের আধিকারিকরা তার কাছে থাকা নিয়োগপত্র দেখে হতবাক হয়ে গিয়েছেন। মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের সুপার সঞ্জয় মল্লিক বলেন, নিয়োগপত্র নিয়ে তিনি আমার সঙ্গে দেখা করেন। তারপর নিয়োগপত্রটি জমা দিয়ে কাজে যোগ দেওয়ার ব্যবস্থা করার জন্য তিনি বলেন। নিয়োগপত্র দেখেই আমার সন্দেহ হয়। কারণ, স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে এভাবে একজনের নিয়োগপত্র দেওয়া হয় না। আমি চারিদিকে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি, এই ধরনের কাউকে স্বাস্থ্যদপ্তর থেকে পাঠানো হয়নি। ভুয়ো নিয়োগপত্র নিয়ে ওই যুবক হাসপাতালে এসেছিল। আমরা সঙ্গে সঙ্গে তাকে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছি।

    কে দিল ওই ভুয়ো নিয়োগপত্র? Scam

    উত্তরবঙ্গ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্বাস্থ্য দফতরের গ্রুপ ডি পদে চাকরিতে যোগ দিতে এসেছিল ওই যুবক। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, ধৃতের নাম মোক্তার আলি। তার বাড়ি মালদহের ইংলিশবাজার এলাকায়। মোক্তারকে হাসপাতালে বসিয়ে রেখে পুলিশের খবর দেওয়া হয়। পুলিশের কাছে সে স্বীকার করে স্পিড পোস্টে তার কাছে নিয়োগপত্রটি এসেছিল। তবে, এই নিয়োগপত্রের বিনিময়ে সে কত টাকা দিয়েছে তা পুলিশের কাছে স্বীকার করেনি।  মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের এক আধিকারিক বলেন, পরীক্ষা না দিয়ে সরকারি চাকরি পাওয়া যায় না। এই বিষয়টি সকলের জানা দরকার। একটি চক্র রয়েছে, যারা টাকার বিনিময়ে এভাবে ভুয়ো নিয়োগপত্র দেয়। অনেকে তাদের খপ্পরে পড়ে প্রতারিত হয়। তবে, এই হাসপাতালে এই ধরনের কোনও চক্র রয়েছে কি না তা জানা নেই। পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। ধৃত যুবককে শিলিগুড়ি মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক ১০ দিনের পুলিশ হেপাজতের নির্দেশ দেন। পুলিশ ধৃতকে হেপাজতে নিয়ে এই চক্রের সঙ্গে কারা রয়েছে তা জানার চেষ্টা করবে।

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Scam: আইসিডিএসে চাকরি দেওয়ার নাম করে এরকম দুর্নীতি! কোথায় দেখে নিন

    Scam: আইসিডিএসে চাকরি দেওয়ার নাম করে এরকম দুর্নীতি! কোথায় দেখে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ টেট, গ্রুপ ডি এবং এসএসসির পর এবার দুর্নীতির(Scam) ছায়া আইসিডিএসে। অঙ্গনওয়াড়ি কর্মী হিসাবে চাকরি দেওয়ার নামে বেশ বড় রকমের প্রতারণার অভিযোগ উঠল মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের মহেন্দ্রপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়। আইসিডিএসের হেল্পার মোসলেমা বেওয়া ও তাঁর মেয়ে পুতুল নশা পারভিন ব্লক প্রশাসনের এক আধিকারিক এবং তৃণমূল নেতাদের নাম ভাঙিয়ে মহেন্দ্রপুর গ্রামের জাহেদুল ইসলামের মেয়েকে আইসিডিএস-এ চাকরির টোপ দেন বলে অভিযোগ। কিন্তু, দুবছর হতে চলল এখনও চাকরি পাওয়া তো দূরের কথা, টাকা ফেরত দেওয়ার কোনও উদ্যোগ নেই। সামনেই জাহেদুল ইসলামের মেয়ের বিয়ে। তাই, পাওনা টাকা চাইতে গেলে দুপক্ষের মধ্যে ব্যাপক বচসা হয়। হাতাহাতিও হয় বলে অভিযোগ।

    চাকরি দেওয়ার টোপ দিয়ে কত টাকা লেনদেন হয়েছিল?

    শাসকদলের নেতাদের সঙ্গে ওঠাবসা আছে জেনে জাহেদুল চাকরি পাওয়ার আশা ছিল। ১৫ দিনের মধ্যে চাকরি পাইয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন অভিযুক্ত। বিনিময়ে চার লক্ষ টাকা দাবি করা হয়েছিল বলে অভিযোগ। সেই মতো জাহেদুল ইসলাম স্ত্রীর গয়না বন্ধক ও জমি বিক্রি করে নগদ চার লক্ষ টাকা তুলে দেন। জাহেদুল ইসলামের অভিযোগ, টাকা নেওয়ার সময় ব্লকের সিডিপিও ও জেলার ঊর্ধ্বতন তৃণমূল নেতৃত্বের সঙ্গে তাদের ভালো পরিচয় রয়েছে বলে ছিল। ১৫ দিনের মধ্যেই চাকরি করিয়ে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। এই রাজ্যে তৃণমূল নেতাদের টাকা দিলেই চাকরি হয়। তাই, চাকরি পাওয়ার আশায় টাকা দিয়েছিলাম কিন্তু, দুবছর হতে চলল চাকরি পাওয়ার কোনও আশা নেই। সামনেই আমার মেয়ের বিয়ে। তাই, ওই টাকা ফেরত দেওয়ার জন্য তাদের কাছে গিয়েছিলাম। আমাকে কার্যত ঘাড়ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়।

     

    যদিও সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন অভিযুক্ত আইসিডিএস-এর হেল্পার মোসলিমা বেওয়ার মেয়ে পুতুল নেশা পারভিন। তিনি বলেন, ওরা ভিত্তিহীন কথাবার্তা বলছে।চাকরি দেওয়ার নাম করে আমি কারও কাছ থেকে কোনও টাকা নিইনি। আমার কাছে ওরা মেয়ের বিয়ের জন্য টাকা ধার চাইতে এসেছিল।এর আগেও ওদের টাকা ধার দিয়েছি। এদিন টাকা দিতে অস্বীকার করায় আমার বিরুদ্ধে এই সব মিথ্যা অভিযোগ তুলছে। কোনও ঘাড় ধাক্কা দেওয়া হয়নি। ইতিমধ্যেই প্রতারিত জাহেদুলসাহেব থানায় লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে। পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগ হয়েছে। সমস্ত অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ

  • Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতির জের! ১৬৯৮ জন শিক্ষাকর্মীর চাকরি যাওয়ার পথে

    Recruitment Scam: নিয়োগ দুর্নীতির জের! ১৬৯৮ জন শিক্ষাকর্মীর চাকরি যাওয়ার পথে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে গ্রুপ ডি পদে নিয়োগ হওয়া ১৬৯৮ জনকে এবার নোটিস ধরানোর প্রক্রিয়া শুরু করে দিল শিক্ষা দফতর। ইতিমধ্যেই কলকাতা হাইকোর্টে ১৬৯৮ জন গ্রুপ-ডি কর্মীর নিয়োগ দুর্নীতির আভাস দিয়েছিল সিবিআই। এঁরা রাজ্যের বিভিন্ন হাই ও জুনিয়ার হাইস্কুলে কর্মরত। রাজ্য শিক্ষা দফতর এবার এই কর্মীদের বিষয়ে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের দফতরকে জানিয়ে দিল। ইতিমধ্যেই এই মামলায় বিচারপতি বিশ্বজিৎ বসু জানিয়েছিলেন, নিয়োগ প্রক্রিয়ায় দুর্নীতি করে যাঁরা চাকরি পেয়েছেন, তাঁদের একদিনও স্কুলে ঢুকতে দেব না৷ এই দুর্নীতির জেরে ছাত্রদের যে ক্ষতি হয়েছে, তা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন বিচারপতি৷ 

    শিক্ষা দফতরের নির্দেশিকা

    শিক্ষা দফতরের কমিশনার শুভ্র চক্রবর্তী ২৩ ডিসেম্বর একটি নির্দেশিকা জারি করেছেন। সেই নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, কলকাতা হাইকোর্টের নির্দেশে কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থা সিবিআই তদন্তে চিহ্নিত ১৬৯৮ জন গ্রুপ ডি পদে নিয়োগ হওয়া ব্যক্তিকে নোটিস ধরাতে হবে। সেই নোটিসের সঙ্গে আদালতের রায়টিও যুক্ত করে দিতে বলা হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন স্কুলে নিযুক্ত ১৬৯৮ জনের নিয়োগের ক্ষেত্রে বেনিয়ম ধরা পড়েছে বলেই অভিযোগ। নির্দেশিকাটির সঙ্গে ১৬৯৮ জনের নামের তালিকাও প্রকাশ করা হয়েছে। বর্তমানে তাঁরা কোন কোন স্কুলে কর্মরত রয়েছেন তা-ও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। নির্দেশিকাটি পাঠানো হয়েছে বিভিন্ন জেলার ডিস্ট্রিক্ট ইন্সপেক্টর (ডিআই)-দের কাছে। তাঁদের চলতি সপ্তাহের মধ্যেই কাজ শেষ করতে বলা হয়েছে। 

    আরও পড়ুন: একজনের নিয়োগপত্রে অন্যজনের চাকরি! মুর্শিদাবাদের স্কুলে ভুয়ো শিক্ষক

    এ প্রসঙ্গে রাজ্য বিজেপি মুখপাত্র শমিক মজুমদার বলেন, ‘কিছু প্রার্থী যেমন উৎকোচ দিয়ে চাকরি পেয়েছিলেন, তেমনই কিছু প্রার্থী পরীক্ষায় পাশ করে চাকরি পেয়েছেন৷ তাঁদের কাছে পরীক্ষা দেওয়ার প্রমাণও আছে৷ সকল প্রার্থীর চাকরি বাতিল করা হলে, তা চূড়ান্ত অমানবিক হবে৷ পর্ষদ কি প্রতিদিন নতুন করে তাঁদের অবস্থান জানাবে? প্রতিদিন নতুন নতুন অধ্যাদেশ জারি করা হবে? একজনের পাপের ভার যেন সকলের ঘাড়ে চাপিয়ে দেওয়া না হয়৷ এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রীকেও হস্তক্ষেপ করতে হবে৷’ 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Rozgar Mela: আরও ৭১ হাজার তরুণের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    Rozgar Mela: আরও ৭১ হাজার তরুণের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোজগার মেলা (Rozgar Mela) তরুণদের ক্ষমতা দিতে আমাদের একটা প্রচেষ্টা। তাঁরা যাতে দেশের উন্নতিতে অনুঘটক হয়ে উঠতে পারেন, তাই এই মেলা। মঙ্গলবার একথা বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। এদিন ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে তিনি নিয়োগপত্র (Appointment Letter) তুলে দেন ৭১ হাজার জনের হাতে।

    কর্মসংস্থানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার…

    প্রধানমন্ত্রীর অফিস জানিয়েছে, এই কর্মসংস্থান মেলা (Rozgar Mela) তাঁর (প্রধানমন্ত্রীর) প্রতিশ্রুতি পূরণের একটি পদক্ষেপ। কর্মসংস্থানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে এই কাজ করা হচ্ছে। এর ফলে প্রচুর কর্মসংস্থান তৈরি হবে। যা আদতে দেশের অর্থনীতিকে আরও মজবুত করতে প্রত্যক্ষভাবে সাহায্য করবে। যুবকদের কাছেও সুযোগের দোর খুলে দেবে।

    কর্মপ্রার্থীদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ, ৭১ হাজারেরও বেশি তরুণের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হল। দেশের ৪৫টি শহর থেকে এই নিয়োগপত্র দেওয়া হয়েছে। এটা হাজার হাজার পরিবারে খুশির খবর বয়ে আনবে। প্রধানমন্ত্রী বলেন, গত মাসে ধনতেরাসের সময় ৭৫ হাজার তরুণের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়েছিল। তিনি বলেন, এই যে বিরাট রোজগার মেলা (Rozgar Mela) হচ্ছে, এটা প্রমাণ করে তরুণদের চাকরি দেওয়ার লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার। প্রধানমন্ত্রী বলেন, সার্ভিস এক্সপোর্টের ক্ষেত্রে তামাম বিশ্বে ভারত একটি বড় শক্তি। তিনি জানান, বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত ক্রমেই বিশ্বের ম্যানুফ্যাকচারিং হাউস হওয়ার পথে এগোচ্ছে।

    এদিন দেশের ৪৫টি শহর থেকে তরুণদের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেওয়া হয়।এর মধ্যে বিভিন্ন রাজ্য থাকলেও, বাদ ছিল গুজরাট ও হিমাচল প্রদেশে। হিমাচল প্রদেশ বিধানসভার নির্বাচন হয়ে গেলেও, ফল বের হয়নি। আর গুজরাট বিধানসভার নির্বাচন রয়েছে ডিসেম্বরের ১ ও ৫ তারিখে। সেই কারণে এই দুই রাজ্যে বলবৎ রয়েছে নির্বাচনী আচরণ বিধি।

    আরও পড়ুন: সন্ত্রাসের প্রতিটি ঘটনার ক্ষেত্রেই সমতুল প্রত্যাঘাত প্রয়োজন, বললেন মোদি

    জানা গিয়েছে, চলতি বছর জুন মাসে বিভিন্ন সরকারি দফতরকে প্রধামন্ত্রী নির্দেশ দিয়েছিলেন ‘মিশন মোডে’ আগামী দেড় বছরের মধ্যে ১০ লক্ষ নিয়োগ করতে হবে। তারই অঙ্গ হিসেবে রোজগার মেলার (Rozgar Mela) মাধ্যমে সরকারি দফতরে শূন্যপদ পূরণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • SAI Recruitment 2022: চুক্তির ভিত্তিতে কর্মী নিয়োগ করছে স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া, শূন্যপদ ১৩৮ 

    SAI Recruitment 2022: চুক্তির ভিত্তিতে কর্মী নিয়োগ করছে স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া, শূন্যপদ ১৩৮ 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্মী নিয়োগ করবে স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (SAI Recruitment 2022)। জারি করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তি। চুক্তির ভিত্তিতে করা হবে কর্মী নিয়োগ। শুরুতে এক বছরের জন্যে চুক্তি করা হবে। হাই-পারফর্ম্যান্স পদে নিয়োগ করা হবে কর্মী। প্রতি বছর এক বছর করে বাড়ানো যেতে পারে চুক্তির মেয়াদ। সর্বোচ্চ ৮ বছরের চুক্তি করা যাবে। ১৩৮টি শূন্যপদে কর্মী নিয়োগ করা হবে। আবেদনের শেষ তারিখ ৫ সেপ্টেম্বর, ২০২২। আবেদনকারীর বয়স আবেদনের শেষ তারিখে ৪৫ বছরের মধ্যে হতে হবে।

    আরও পড়ুন: কানাডায় ১০ লক্ষ শূন্যপদ, যাবেন নাকি?  

    এই বিষয়ে কিছু তথ্য জেনে নিন

    পদের সংখ্যা 

    ফিজিও থেরাপিস্ট: ৪২টি

    স্ট্রেন্থ অ্যান্ড কন্ডিশনিং এক্সপার্ট: ৪২টি

    ফিজিওলজিস্ট: ১৩টি

    আরও পড়ুন: শুরু হয়েছে আইবিপিএস পিও- র রেজিস্ট্রেশন, শূন্যপদ কত জানেন?

    সাইকোলজিস্ট: ১৩টি

    বায়ো মেকানিক্স: ১৩টি

    নিউট্রিশনিস্ট: ১৩টি

    বায়ো কেমিস্ট: ২টি

    আরও পড়ুন: কর্মী নিয়োগ করবে ইন্ডিয়ান অয়েল, শূন্যপদ ১৮, সর্বাধিক বেতন ১,৮০,০০০ টাকা 

    পে স্কেল

    ১,০৫০০০ টাকা সাম্মানিক দেওয়া হবে। বছরে ১০% হারে বাড়বে এই টাকা।

    চুক্তির সময়কাল

    শুরুতে ১ বছরের চুক্তি করা হবে। পরবর্তীতে ১ বছর করে সর্বোচ্চ ৮ বছর অবধি বাড়ানো যেতে পারে এই চুক্তি। 

    বয়সসীমা

    আবেদনের শেষ দিনে আবেদনকারীর বয়স ৪৫ বছরের বেশি হওয়া যাবে না।

    কী করে আবেদন করবেন?

    • websitehttps://sportsauthorityofindia.gov.in/saijobs/ – এই ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে হবে।
    • অন্য কোনও উপায়ে আবেদন করলে তা গ্রাহ্য করা হবে না।
    • আবেদনকারীর একটি সচল ইমেল আইডি থাকা আবশ্যক। 
    • এই ইমেল আইডিতে এর মাঝে কোনও বদল আনা যাবে না।
    • আবেদনের যে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে, তার মধ্যেই আবেদন করতে হবে। 

    আরও পড়ুন: সময়সীমা ৩১ অগাস্ট, জেনে নিন কীভাবে করবেন আয়কর রিটার্নের ই-ভেরিফিকেশন

    আবেদনের সময়সীমা

    ৫ অগাস্ট সন্ধ্যে ৬ টায় শুরু হয়েছে আবেদন করা। শেষ হবে ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যে ৬ টায়।

     

  • Coal India Recruitment: বিপুল সংখ্যক ম্যানেজমেন্ট ট্রেনি নিয়োগ করতে চলেছে কোল ইন্ডিয়া, কীভাবে আবেদন করবেন? 

    Coal India Recruitment: বিপুল সংখ্যক ম্যানেজমেন্ট ট্রেনি নিয়োগ করতে চলেছে কোল ইন্ডিয়া, কীভাবে আবেদন করবেন? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যারা চাকরির অপেক্ষায় বসে আছেন, তাঁদের জন্যে বিরাট সুযোগ। বিপুল সংখ্যক ম্যানেজমেন্ট ট্রেনি (Management Trainee) নিয়োগ করতে চলেছে কোল ইন্ডিয়া (Coal India Ltd)। জারি করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তি। একাধিক বিভাগে ১০৫০টি শূন্যপদে (Job Vacancy) লোক নেওয়া হবে। ম্যানেজমেন্ট পোস্টের জন্য নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেছে কোল ইন্ডিয়া।

    আরও পড়ুন: বায়ুসেনায় অগ্নিপথ প্রকল্পে প্রথম তিনদিনেই জমা ৫৬,৯৬০টি আবেদন!  

    কোন কোন পোস্টের জন্য আবেদন করা যাবে এবং শূন্যপদ কত? 

    মাইনিং এর জন্য পদের সংখ্যা – ৬৯৯
    সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং এর ক্ষেত্রে – ১৬০
    ইলেকট্রনিক এবং টেলি যোগাযোগ – ১২৪
    সিস্টেম এবং ইপিডি – ৬৭

    কারা আবেদন করতে পারবেন?

    কোল ইন্ডিয়াতে বিভিন্ন পদের জন্যে বেঁধে দেওয়া হয়েছে শিক্ষাগত যোগ্যতার মাপকাঠি। বিশেষত বলা হয়েছে, গেট পরীক্ষায় (GET 2022) ভালো নম্বর থাকলে তবেই আবেদন করা যাবে। একমাত্র ভারতীয় নাগরিকরাই আবেদন করতে পারবেন।  

    শিক্ষাগত যোগ্যতা

    ৬০ শতাংশ নম্বর সহ বিটেক, বিই, বিএসসি মাইনিং বা ইন্টেক্টনিক্স এন্ড টেলি কমিউনিকেশন এর ডিগ্রি থাকতে হবে।   

    সিস্টেম এবং ইডিপি এর ক্ষেত্রে : ৬০% নম্বর থাকতে হবে, বিই/ বিটেক/ বিএসসি ও কম্পিউটার সায়েন্সের ক্ষেত্রে।

    আরও পড়ুন: অগ্নিবীর নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি নৌসেনার, জেনে নিন নিয়োগ প্রক্রিয়া  

    বয়স

    সর্বোচ্চ বয়স ৩০। সরকারি নিয়ম মেনে বয়সের ক্ষেত্রে ছাড় পাওয়া যাবে। 

    বেতন

    ভিন্ন পদে ভিন্ন বেতন দেওয়া হবে। বেতনক্রম ৫০,০০০/- টাকা – ১,৬০,০০০/- টাকা। 

    এক বছর পরে তা হবে ৬০,০০০/- টাকা – ১,৮০,০০০/- টাকা। 

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে যারা কয়লা খনিতে কাজ করতে এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে যেতে স্বচ্ছন্দ্য একমাত্র তাঁরাই যেন আবেদন করেন। 

    নিয়োগ প্রক্রিয়া 

    GATE – 2022 পরীক্ষায় প্রাপ্ত নম্বর অনুযায়ী প্রার্থীদের শর্ট লিস্টেড করা হবে। 

    সেই সকল প্রার্থীদের ডক্যুমেন্ট ভেরিফিকেশন ও  ইন্টারভিউ এর মাধ্যমে চূড়ান্ত পর্যায়ের প্রার্থী নির্বাচন করা হবে।  

    আবেদন ফি

    ১১৮০ টাকা। তবে এসসি/এসটি/প্রতিবন্ধী প্রভৃতি ক্যাটাগরির ক্ষেত্রে আবেদন ফি লাগবে না।

    কীভাবে আবেদন করবেন? 

    http://www.coalindia.in এই  ওয়েবসাইটে গিয়ে ‘career with CIL’ এই লিঙ্কে যেতে হবে।

    সেখানে যাবতীয় তথ্য দিয়ে, ডেবিট কার্ড, ক্রেডিট কার্ড বা নেট ব্যাঙ্কিং-এর মাধ্যমে ফি জমা দিতে হবে। 

    ট্রেনিং পিরিয়ড

    ১ বছর

    আবেদনের সময় কী কী তথ্য দিতে হবে? 

    পাসপোর্ট সাইজ সাম্প্রতিক ছবি 
    দ্বাদশ শ্রেণির মার্কশিট
    গ্র্যাজুয়েশন কিংবা পোস্ট গ্র্যাজুয়েশনের ফাইনাল মার্কশিট
    Cgpa marks কে শতাংশ নম্বর হিসেবে দিতে হবে। 
    কাস্ট সার্টিফিকেট (যদি থেকে থাকে) 

    সব ডক্যুমেন্টে কালো কালি দিয়ে নিজের সই করে, তবেই আপলোড করতে হবে। 

    আবেদনের শেষ তারিখ

    ২২ জুলাই, ২০২২

    https://www.coalindia.in/media/documents/Detailed_Advertisement_No._02-2022_for_recruitment.pdf-এই লিঙ্কে গিয়ে বিজ্ঞপ্তিটি একবার দেখে নিতে পারেন। 

     

  • Recruitment in Assam: একদিনে প্রায় ২৩ হাজার নিয়োগপত্র বিলি আসাম সরকারের 

    Recruitment in Assam: একদিনে প্রায় ২৩ হাজার নিয়োগপত্র বিলি আসাম সরকারের 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: একদিনে ২২,৯৫৮ যুবক-যুবতীকে চাকরির নিয়োগপত্র দিল বিজেপি (BJP) শাসিত আসাম (Assam) সরকার। গুয়াহাটির খানা পাড়ায় একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা (Himanta Biswa Sarma) যুবক-যুবতীদের হাতে নিয়োগোপত্র (Appointment Letter) তুলে দেন। 

    আসাম বিধানসভা ভোটের (Assam Assembly election) আগে বিজেপি ক্ষমতায় আসার এক বছরের মধ্যে ১ লক্ষ সরকারি চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেই লক্ষ্যেই ১১টি সরকারি দফতরে ২২,৯৫৮টি পদে নিয়োগ করা হল। খানাপাড়ার ভেটেরিনারি কলেজ প্রাঙ্গণে নিয়োগপত্র বিতরণ অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

    [tw]


    [/tw]

    ৮,৮৬৭ জন চাকরি পেলেন আসাম পুলিশে, ১১,০৬৩ জন শিক্ষা দফতরে, ২,৪১৯ স্বাস্থ্য দফতরে, ৩৩০ জন জনস্বাস্থ্য এবং ইঞ্জিনিয়ারিং দফতরে। ১০৫ জন চাকরি পেলেন জলসম্পদ বিভাগে, ৬৯ জন জনকল্যাণ বিভাগে, ৫৫ জন কৃষি দফতর, ২৩ জন বন দফতর, ১৭ জন শ্রমিক কল্যাণ দফতরে বিমা স্বাস্থ্য আধিকারিক পদে, ৮ জন জনস্বাস্থ্য এবং কারিগরি দফতরে এবং ২ জন চাকরি পেলেন খনি ও খনিজ সম্পদ বিভাগে।

    এর ফলে ভোটের সময় দেওয়া প্রতিশ্রুতির প্রায় ২৫%- পূরণেই সক্ষম হল আসাম সরকার। এই সপ্তাহেই ক্ষমতায় আসার এক বছর পূর্ণ করেছে হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সরকার।  এর আগেও ১২০০ চাকরি দিয়েছে সরকার। সম্প্রতি আরও প্রায় ২৩,০০০ চাকরি দেওয়া হল। 

    [tw]


    [/tw]

    মার্চ মাসেই আরও ২৬,৪৪১ শূন্য পদের বিজ্ঞাপন দেওয়া হয়েছে সরকারের তরফ থেকে। ১৩,১৪১ গ্রেড ৩ পদে এবং ১৩,৩০০ গ্রেড ৪ পদের জন্যে আবেদনপত্র জমা দিতে বলা হয়েছে চাকরি প্রার্থীদের। আবেদন করার প্রক্রিয়াও শুরু হয়ে গিয়েছে। 

    মার্চে অর্থমন্ত্রী অজন্তা নিয়োগ তাঁর বক্তৃতায় বলেন, সরকার ইতিমধ্যেই ১,১৫৭ জনকে নিয়োগ করেছে। আরও ৮৪,২৪৪ শূন্য পদে নিয়োগের প্রক্রিয়া চলছে। 

    নিয়োগে কেন দেরি হল? সেই প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা বলেন, “করোনা পরিস্থিতি সামলাতে গিয়ে সরকারের প্রায় ৫ মাস নষ্ট হয়েছে। ১৫ জুলাইয়ের মধ্যে আরও ৭০০০-৮০০০ পদে নিয়োগ করা হবে। জুলাইয়ের শেষে মোট ২৬,০০০ শূন্য পদে চাকরি দেওয়া হবে।”   

    চাকরি পেয়ে খুশি সবাই। তাঁরা মুখ্যমন্ত্রীকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেছেন, চাকরি পেতে তাঁদের এক টাকাও ঘুষ দিতে হয়নি। স্বচ্ছভাবে সম্পন্ন হয়েছে নিয়োগের প্রক্রিয়া। প্রসঙ্গত, প্রাক্তন কংগ্রেস সরকারের আমলে চাকরি পেতে বহু টাকা ঘুষ দিতে হত বলে অভিযোগ ছিল।

    গ্রেড ৩ এবং ৪ পদে নিয়োগে স্বচ্ছতা বজায় রাখতে দুটি পৃথক কমিশন গঠন করেছে আসাম সরকার। আগে বিভিন্ন দফতরের এই পদগুলিতে পৃথক পৃথকভাবে নিয়োগ করা হত। কিন্তু এখন সবটাই হবে কমিশনের নজরদারিতে।  

     

  • Indian employees: কাজের বাজারে ফিরছে সুদিন, ঘুরে দাঁড়াচ্ছে মোদির ভারত!

    Indian employees: কাজের বাজারে ফিরছে সুদিন, ঘুরে দাঁড়াচ্ছে মোদির ভারত!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছন্দে ফিরছে ভারত (India)। অতিমারী পর্ব কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে মোদির (modi) ভারত। উচ্চ বেতনের লক্ষ্যে আগামী এক বছরে প্রায় ৫০ শতাংশ কর্মী (employees) পরিবর্তন করবেন সংস্থা। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় (survey) উঠে এসেছে এই তথ্য। 

    ২০২০ সালের প্রথম দিকেই ভারতে অতিমারীর রূপ ধারণ করে করোনা (Coronavirus)। মারণ ভাইরাস কোভিডের (covid-19) মোকাবিলায় দেশজুড়ে হয় লকডাউন (Lockdown)। তার পরেও রোখা যায়নি করোনায় মৃত্যু মিছিল। যদিও কেন্দ্রের তৎপরতায় বিশ্বের অন্যান্য দেশের তুলনায় ভারতে করোনা বলি হয়েছে ঢের কম।

    লকডাউন-পর্ব কাটিয়ে চলতি বছরের গোড়ার দিকে ফের ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করে ভারত। তার ফলও মিলেছে বলে সমীক্ষার রিপোর্টেই স্পষ্ট। ওই সমীক্ষার রিপোর্টে জানা গিয়েছে, গোটা ভারতেই চাঙ্গা হয়ে উঠেছে কাজের বাজার। এই শ্রম বাজারের রশি রয়েছে কর্মীদের হাতে। বর্তমানে তাঁরাই নিয়ন্ত্রণ করছেন কাজের বাজার। আগামী এক বছরের মধ্যে প্রায় ৫০ শতাংশ কর্মী উচ্চ বেতনের লক্ষ্যে সংস্থা পরিবর্তন করবেন। কেবল উচ্চ বেতনই নয়, ভাল কেরিয়ারের লক্ষ্যেও সংস্থা পরিবর্তন করবেন তাঁরা। কাজের বাজার যে ক্রমেই ঘুরে দাঁড়াচ্ছে, তাও ধরা পড়েছে ওই সমীক্ষায়। 

    আরও পড়ুন :ভারতে এপ্রিলেই কাজে যোগ ৮৮ লক্ষ মানুষের!

    সমীক্ষক সংস্থার সঙ্গে জড়িত এক আধিকারিক বলেন, কোভিড পরিস্থিতিতে কাজের বাজারের নিয়ন্ত্রক ছিলেন নিয়োগকর্তারা (employer)। এখন বদলেছে পরিস্থিতি। কাজের বাজার নিয়ন্ত্রণ করছেন কর্মীরা। তিনি বলেন, এখন কাজের বাজারের পরিস্থিতি এতটাই অনুকূল যে, কর্মীরা মোটা মাইনের অফার পেয়ে সংস্থা পরির্বতন করছে। মাইনে ছাড়াও তাঁরা এখন ব্র্যান্ডও দেখছেন। কাজের পরিবেশও যাচাই করে দেখছেন অনেকে।

    লকডাউন পর্বে অফলাইনের পরিবর্তে দেশের সিংহভাগ সংস্থায় কাজ হয়েছে অনলাইনে। তার জেরে কাজ হারিয়েছেন বহু মানুষ। দীর্ঘদিন বিভিন্ন সেক্টরে বন্ধ ছিল নিয়োগ প্রক্রিয়া। কাজের বাজারের সেই দুর্দিন ঘুচে গিয়ে যে সুদিন ফিরে আসছে, সমীক্ষার রিপোর্টেই তা স্পষ্ট।

    দেশজুড়ে করা ওই সমীক্ষায় প্রকাশ, প্রতি ১০০ জনের মধ্যে ৬৪ জন কর্মী আগামী এক বছরের মধ্যেই মোটা বেতনের টোপ গিলে নয়া সংস্থায় যোগ দেবেন। টেকনোলজি, হার্ডওয়্যার, টেলিকমিউনিকেশনস এবং ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাক্টসের কাজের বাজারেই মূলত বিরাট সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে। 

LinkedIn
Share