Tag: Ganga

Ganga

  • Road Tunnel Beneath Hooghly: হুগলির তলদেশে দেশের প্রথম পণ্যবাহী সড়ক টানেল, খরচ প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা

    Road Tunnel Beneath Hooghly: হুগলির তলদেশে দেশের প্রথম পণ্যবাহী সড়ক টানেল, খরচ প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গার তলদেশ দিয়ে মেট্রোর সফল চলাচলের পর এবার দেশের পরিবহণ পরিকাঠামোয় আরও এক নতুন মাইলফলক গড়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। হুগলি নদীর তলদেশ দিয়ে ভারতের প্রথম পণ্যবাহী সড়ক টানেল নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে। প্রায় ১১ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে এই প্রকল্প বাস্তবায়নের লক্ষ্য কলকাতা বন্দরকে জাতীয় সড়ক নেটওয়ার্কের সঙ্গে আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে যুক্ত করা। সম্প্রতি নবান্নে কেন্দ্রীয় জাহাজমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনওয়ালের সঙ্গে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে প্রকল্পটি নিয়ে আলোচনা হয়। প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে, বৈঠকে নীতিগত অনুমোদনের পর প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রাথমিক প্রস্তুতি শুরু হয়েছে। কলকাতা বন্দর কর্তৃপক্ষ ও জাতীয় সড়ক কর্তৃপক্ষ (এনএইচএআই)-এর যৌথ উদ্যোগে এই টানেল নির্মিত হবে।

    কেন এই টানেল?

    বর্তমানে কলকাতা বন্দরে প্রবেশ ও বের হওয়ার ক্ষেত্রে পণ্যবাহী ট্রাকগুলিকে প্রায়শই দীর্ঘ সময় অপেক্ষা করতে হয়। নতুন টানেল চালু হলে ২৪ ঘণ্টাই নির্বিঘ্নে যান চলাচল সম্ভব হবে। ফলে বন্দরের সঙ্গে জাতীয় সড়কের সংযোগ আরও দ্রুত হবে এবং পণ্য পরিবহণে সময় ও খরচ—দুই-ই কমবে।

    প্রকল্পের মূল বৈশিষ্ট্য

    প্রস্তাবিত সড়কপথের মোট দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ১৫.৭ কিলোমিটার। এর মধ্যে হুগলি নদীর তলদেশ দিয়ে নির্মিত জোড়া টিউব টানেলের দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৮.৫ কিলোমিটার। নদীর তলদেশ থেকে প্রায় ৩৮ মিটার গভীরে এই টানেল নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয়েছে।

    কলকাতা প্রান্তে সংযোগ

    কলকাতা অংশে টানেলে প্রবেশ ও বের হওয়ার জন্য দু’টি পৃথক র‌্যাম্প তৈরি হবে। একটি র‌্যাম্প থাকবে এনএসডি-র ৮ নম্বর গেট ও গার্ডেনরিচ শিপবিল্ডার্স সংলগ্ন এলাকায়।
    অন্য র‌্যাম্পটি শুরু হবে তারাতলা রোডের জিঞ্জিরা বাজার সংলগ্ন অঞ্চল থেকে। এই সংযোগস্থলে তারাতলা রোড, বজবজ রোড, হাইড রোড এবং উপেন ব্যানার্জি রোড মিলিত হওয়ায় এটি পণ্য পরিবহণের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠবে।

    হাওড়া প্রান্তে সংযোগ

    নদী পার হওয়ার পর টানেলটি হাওড়ার সাঁকরাইল স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় মাটির উপরে উঠে আসবে। সাঁকরাইল গুডস ইয়ার্ডের কাছেও দু’টি র‌্যাম্প নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে একটি র‌্যাম্প সরাসরি ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের সঙ্গে যুক্ত হবে। অন্যটি কলকাতামুখী যান চলাচলের জন্য ব্যবহৃত হবে। এর ফলে কলকাতা বন্দর থেকে জাতীয় সড়কে দ্রুত ও নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা তৈরি হবে।

    ১০ হাজার ট্রাকের জন্য পার্কিং ব্যবস্থা

    প্রকল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হল বৃহৎ ট্রাক পার্কিং অবকাঠামো। হাওড়া প্রান্তে টোল প্লাজার কাছে দু’টি বিশাল পার্কিং লট নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে, যেখানে একসঙ্গে প্রায় ১০ হাজার ট্রাক ও অন্যান্য পণ্যবাহী যান রাখা যাবে। টোল প্লাজা অতিক্রম করার পর সংযোগকারী রাস্তা সরাসরি আলমপুরে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কের সঙ্গে যুক্ত হবে।

    কমবে যানজট, বাড়বে বন্দরের ক্ষমতা

    বর্তমানে কলকাতা ও হাওড়ার মধ্যে যোগাযোগের প্রধান ভরসা হাওড়া ব্রিজ, বিদ্যাসাগর সেতু এবং বালি এলাকার সেতুগুলি। কিন্তু ক্রমবর্ধমান যানবাহনের চাপে এই রুটগুলিতে প্রায়শই তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন টানেল চালু হলে একদিকে যেমন সড়ক পরিবহণের গতি বাড়বে, অন্যদিকে কলকাতা বন্দরের পণ্য পরিবহণ ক্ষমতাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

    পূর্ব ভারতের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত

    শিল্প ও বাণিজ্য মহলের মতে, প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে পূর্ব ভারতের লজিস্টিকস ও বাণিজ্যিক পরিকাঠামোয় বড় পরিবর্তন আসবে। যানজট হ্রাস, পরিবহণ ব্যয় কমানো এবং নতুন শিল্প বিনিয়োগ আকর্ষণের ক্ষেত্রে এই টানেল গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। সব কিছু পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোলে, হুগলি নদীর তলদেশের এই পণ্যবাহী সড়ক টানেল শুধু দেশের প্রথম প্রকল্প হিসেবেই নয়, পূর্ব ভারতের অর্থনৈতিক উন্নয়নের নতুন চালিকাশক্তি হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করতে পারে।

  • PM Modi at Ganga: ‘বাংলার আত্মা দিয়ে বয়ে যায় গঙ্গা’, ভোরে নৌকাবিহারে প্রধানমন্ত্রী মোদি নিলেন উন্নত বাংলা গড়ার শপথ

    PM Modi at Ganga: ‘বাংলার আত্মা দিয়ে বয়ে যায় গঙ্গা’, ভোরে নৌকাবিহারে প্রধানমন্ত্রী মোদি নিলেন উন্নত বাংলা গড়ার শপথ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার আত্মা দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে গঙ্গা (PM Modi at Ganga)। প্রতিটি বাঙালির হৃদয়ে গঙ্গা একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে রয়েছে। শুক্রবার সকালে গঙ্গাবক্ষে নৌকাবিহারের পর এমনই অনুভব ব্যক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এদিন গঙ্গায় নৌকাবিহারের একাধিক ছবি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করেছেন তিনি। ছবিগুলিতে দেখা যাচ্ছে, নৌকায় বসে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। পিছনে দেখা যাচ্ছে হাওড়া এবং বিদ্যাসাগর সেতু। এ-ও দেখা যাচ্ছে যে, চোখে রোদচশমা পরে ক্যামেরা নিয়ে ছবি তুলছেন প্রধানমন্ত্রী। নৌকাবিহারের একটি ভিডিয়োও পোস্ট করেন মোদি।

    মা গঙ্গাকে কৃতজ্ঞতা জানালাম

    দ্বিতীয় দফা ভোটের প্রচারে বৃহস্পতিবার বঙ্গে আগমন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। শুক্রবারও দু’টি কর্মসূচি রয়েছে তাঁর। তার আগে এ দিন সকালেই চমক মিলল তাঁর সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে। সকাল বেলা গঙ্গায় নৌকায় ভ্রমণের উদ্দেশ্যে গোয়ালিয়র ঘাটে যান তিনি। সেখান থেকে একটি নৌকায় গঙ্গার বুকে বেশ কিছুক্ষণ ঘোরাঘুরি করেন তিনি । হাতে থাকা ক্যামেরায় নিজের জন্য ফ্রেমবন্দিও করেন কলকাতা ও হাওড়ার স্কাইলাইন। এর পরে তাঁর এক্স হ্যান্ডলে সকালের গঙ্গায় ঘোরার বেশ কিছু ছবি পোস্ট করে বাংলার উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একটি পোস্টে তিনি পশ্চিমবঙ্গ এবং বাঙালির কাছে গঙ্গার মাহাত্ম্যের কথা তুলে ধরেন। লেখেন, “প্রতিটি বাঙালির কাছে গঙ্গা একটি বিশেষ স্থান অধিকার করে রয়েছে। এটা বলাই যায় যে, গঙ্গা বাংলার আত্মা দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।” সমাজমাধ্যমের ওই পোস্টে মোদি এ-ও লিখেছেন যে, “আজ সকালে কলকাতায় আমি হুগলি নদীর বুকে কিছু ক্ষণ সময় কাটালাম। মা গঙ্গাকে কৃতজ্ঞতা জানানোর একটা সুযোগও পেলাম। পবিত্র গঙ্গা জল সমগ্র সভ্যতার চিরন্তন চেতনা বহন করে চলেছে।”

    বাঙালির উন্নতির জন্য প্রতিজ্ঞাবদ্ধ

    এখানেই শেষ নয়, প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi at Ganga) গঙ্গা ও বাংলার উন্নয়নের শপথের কথাও লিখেছেন। তাঁর কথায়, ‘হুগলির তীরে দাঁড়িয়ে, পশ্চিমবঙ্গের উন্নয়ন এবং মহান বাঙালি সমাজের সমৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করার আমাদের অঙ্গীকার আবারও নিচ্ছি।’ এদিন প্রধানমন্ত্রীকে দেখতে নদীর দু’ধারে ভিড় জমে যায়। গোয়ালিয়র ঘাটে আসা প্রাতর্ভ্রমনকারী ও নৌকাচালকদের সঙ্গেও কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। সোশ্যাল পোস্টে সে কথা জানিয়ে নৌকাচালকদের প্রশংসাও করেছেন তিনি। বৃহস্পতিবার হাওড়া থেকে ফেরার পথেই ব্রিজ ধরে গঙ্গা পার হওয়ার সময়েই সেই দৃশ্য দেখে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন তিনি। সেই মনভরানো দৃশ্য ফ্রেমবন্দি করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ারও করেছিলেন তিনি।

    বেলুড় মঠে স্বামীজির ধ্যানকক্ষে প্রধানমন্ত্রী

    বৃহস্পতিবার রাজ্যে এসে মথুরাপুর এবং কৃষ্ণনগরে জনসভা করেন প্রধানমন্ত্রী। তার পর রোড শো করেন হাওড়ায়। প্রধানমন্ত্রী রাত্রিবাস করেন রাজভবন (অধুনা লোকভবন)-এ। শুক্রবার উত্তর ২৪ পরগনার পানিহাটি এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে সভা করবেন তিনি। বৃহস্পতিবার নির্বাচনী সভা থেকে কিছু ক্ষণ বিরতি নিয়ে বেলুড় মঠে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে মহারাজদের প্রণাম সেরে স্বামী বিবেকানন্দের ধ্যানস্থানের সামনে কিছুক্ষণ একান্তে সময় কাটান। পরে এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “যে স্থানে স্বামী বিবেকানন্দ (Swami Vivekananda) ধ্যান করতেন, আজ সেখানে যেতে হতে পেরে আমি অভিভূত। নিঃস্বার্থ সেবার প্রতীক স্বামী বিবেকানন্দ।”

    রাজনীতি নয়, আত্মার যোগ! বেলুড় মঠে একাকী মোদি

    শৈশব থেকেই রামকৃষ্ণ মঠ তথা সঙ্ঘের প্রতি আকৃষ্ট ছিলেন মোদি। সন্ন্যাস নেওয়ার বাসনায় একাধিক বার মঠের একাধিক শাখায় গিয়েছিলেন। কিন্তু রামকৃষ্ণ মঠের সন্ন্যাসীদের পরামর্শেই সন্ন্যাস না-নিয়ে সামাজিক কাজে মন দেন। আরএসএস হয়ে বিজেপিতে যান। গুজরাটে ১৩ বছর মুখ্যমন্ত্রিত্ব সামলে দেশের প্রধানমন্ত্রী হন। কিন্তু সে দীর্ঘ যাত্রাপথেও রামকৃষ্ণ সঙ্ঘের সঙ্গে সম্পর্ক বহাল রাখেন। ফলে মোদি প্রধানমন্ত্রী হিসেবে প্রথম বার শপথ নেওয়ার আগে বেলুড় মঠ থেকে প্রসাদী ফুল গিয়েছিল মোদির কাছে। পশ্চিমবঙ্গ সফরে এসে এর আগেও একাধিকবার বেলুড় মঠে গিয়েছেন মোদি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মঠে বেশ কিছুক্ষণ সময় কাটান তিনি। ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ, মা সারদা এবং স্বামী বিবেকানন্দের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করেন। সঙ্ঘাধ্যক্ষ স্বামী গৌতমানন্দের সঙ্গে দেখা করেন। ঘুরে দেখেন মঠের নানা অংশ। গঙ্গার ধারের বারান্দাতেও কিছুটা সময় কাটান। তবে এই মঠ সফরকে প্রত্যক্ষ রাজনীতির স্পর্শ থেকে দূরে রাখার বিষয়েও মোদি যত্নশীল ছিলেন। নিজের দলের কাউকে তিনি সঙ্গে নেননি। একাই গিয়েছিলেন বেলুড় মঠে।

    শোরগোল রাজনৈতিক ময়দানে

    ঝালমুড়ি পর্বের পরে শুক্রের সকালে প্রধানমন্ত্রী মোদির গঙ্গা বিহারে জোর শোরগোল রাজনৈতিক ময়দানে। গঙ্গার বুকে দাঁড়িয়ে বাংলার উন্নয়নের অঙ্গীকারের বার্তা রাজ্যের শাসকদলকে চিন্তায় ফেলেছে। আগেই রাজ্যের ভোট-পরিস্থিতি নিয়ে প্রধানমন্ত্রী দাবি করেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গে এই মুহূর্তে পরিবর্তনের ঝড় বইছে। প্রথম দফার ভোটে মহিলা ও যুব ভোটারদের ব্যাপক উপস্থিতিকেই তিনি সেই পরিবর্তনের বড় দৃষ্টান্ত বলে তুলে ধরেন। মোদির কথায়, “আজ পশ্চিমবঙ্গের রেকর্ড ভোটিংই বলে দিচ্ছে, ভয় হারছে, ভরসা জিতছে। ১০ দিন পরে যখন গণনা হবে, নিশ্চিত ভাবে সবদিকে পদ্মফুল ফুটবে।” তিনি নতুন ভোটারদের উদ্দেশে বলেন, এখনই সময় পশ্চিমবঙ্গের নির্মম সরকারকে উপড়ে ফেলার। তাঁর দাবি, রাজ্যের মা-বোনেদের উপস্থিতিই তৃণমূলের ঘুম কাড়ছে। মহিলা নিরাপত্তা ইস্যুতে সরাসরি তৃণমূলের বিরুদ্ধে আক্রমণ শানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের মহিলারা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত। আর জি কর হাসপাতাল ও সন্দেশখালির ঘটনার উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, তৃণমূল গুন্ডাদের আশ্রয় দিয়েছে। তাদের মহিলা বিরোধী চেহারা সামনে এসে গিয়েছে। মহিলাদের অধিকার কেড়ে নিয়েছে রাজ্যের শাসকদল। কেন্দ্রের বিজেপি সরকার ২০২৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে মহিলাদের জন্য ৩৩ শতাংশ সংরক্ষণ বিল সংসদে পেশ করেছিল, কিন্তু তৃণমূল তার বিরুদ্ধে ভোট দিয়েছে। এ থেকেই প্রমাণ হয়, মহিলাদের উন্নয়ন ও নিরাপত্তা নিয়ে তৃণমূলের কোনও চিন্তা নেই। ১৫ বছর ধরে মানুষ অত্যাচার সহ্য করেছে, এখন বদল চাই।”

  • Ganga: পৃথিবীর একমাত্র স্বচ্ছ নদী গঙ্গা, ৫০ গুণ দ্রুত দূষণ মুক্ত করে ১,১০০ ধরনের ব্যাকটেরিওফেজ

    Ganga: পৃথিবীর একমাত্র স্বচ্ছ নদী গঙ্গা, ৫০ গুণ দ্রুত দূষণ মুক্ত করে ১,১০০ ধরনের ব্যাকটেরিওফেজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি একটি গবেষণায় উঠে এসেছে যে গঙ্গা (Ganga) হল পৃথিবীর মধ্যে একমাত্র নদী। যেখানে ১,১০০ ধরনের ব্যাকটেরিওফেজ স্বাভাবিকভাবেই সেখানকার দূষণকে দূর করে। ওই রিপোর্টে আরও উঠে এসেছে, যে ওই ব্যাকটেরিওফেজগুলি তাদের যা সংখ্যা তার চেয়ে ৫০ গুণ বেশি জীবাণু দূর করতে সক্ষম। শুধু তাই নয়, ওই জীবাণুগুলির আরএনএকে পরিবর্তন করেও জলকে বিশুদ্ধ করে ওই ব্যাকটেরিওফেজগুলি। এনিয়েই গবেষণা চালিয়েছেন পদ্মশ্রী প্রাপক ডক্টর অজয় সোনকারয তিনি মহা কুম্ভের গঙ্গাজল সম্পর্কে একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছেন। শীর্ষস্থানীয় এই বিজ্ঞানী সেখানেই দেখিয়েছেন যে এই ব্যাকটেরিওফেজগুলি কীভাবে সদা গঙ্গা নদীর প্রহরায় নিযুক্ত রয়েছে। প্রসঙ্গত ক্যান্সার, জেনেটিক কোড, কোষ- এই সমস্ত কিছু নিয়ে গবেষণা করেন ডঃ সোনকার।

    বিজ্ঞানীর আরও দাবি (Ganga)

    দেশের শীর্ষস্থানীয় বিজ্ঞানী পদ্মশ্রী ড. অজয়কুমার সোনকার (Ajay Sonkar)। দেশের প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি এপিজে আবদুল কালামের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বন্ধু বলেই তাঁর পরিচয়। এই বিজ্ঞানী জানিয়েছেন, ল্যাবরেটরিতে তিনি পরীক্ষা করে দেখেছেন কেবল স্নানের (Ganga) উপযুক্তই নয়, এই জল একেবারেই খাঁটি। ওই বিজ্ঞানীর দাবি, কুম্ভের জল আলকালাইন ওয়াটারের মতোই শুদ্ধ। জলের ph লেভেল ৮.৪-৮.৬. যা বিশুদ্ধতার সূচক। তাঁর দাবি, জলে জীবাণুর পরিমাণ বেশি হলে জলের এসিডিটি বেড়ে যায়। Ph লেভেল কমে যায়। কিন্তু কুম্ভের জলের ক্ষেত্রে কোনওটাই হয়নি।

    বিরোধীদের চ্যালেঞ্জ

    আর নিজের এই দাবির সপক্ষে একেবারে ‘ওপেন চ্যালেঞ্জ’ ছুড়েছেন ড. সোনকার। তাঁর দাবি, কারও মনে যদি এই নিয়ে সামান্যতম সন্দেহও থাকে তাহলে তিনি যেন তাঁর কাছে গঙ্গাজল নিয়ে হাজির হন। তিনি পরীক্ষা করে দেখিয়ে দেবেন জল (Ganga) কতটা বিশুদ্ধ। তিনি জানিয়েছেন, পাঁচটি পৃথক ঘাট থেকে তিনি গঙ্গাজল সংগ্রহ করেছেন। যার মধ্যে সঙ্গম, আরেইলের জলও রয়েছে। আর সেই জল নিয়ে তিনমাস ধরে পরীক্ষা নিরীক্ষা চালিয়ে দেখা গিয়েছে, গঙ্গা জল (Ganga) সবচেয়ে বিশুদ্ধ। এতে স্নান করলে স্বাস্থ্যের কোনও ঝুঁকি নেই। এমনটাই দাবি খ্যাতনামা বিজ্ঞানীর।

  • Arjun Singh: সেচ দফতরের কড়া সমালোচনায় অর্জুন! তৃণমূলের দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে

    Arjun Singh: সেচ দফতরের কড়া সমালোচনায় অর্জুন! তৃণমূলের দ্বন্দ্ব ফের প্রকাশ্যে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গা ভাঙনে সেচ দফতরের কাজ নিয়ে প্রকাশ্যে কড়া সমালোচনা করলেন বারাকপুরের সাংসদ অর্জুন সিং (Arjun Singh)। গারুলিয়া পুরসভার কাঙ্গালী ঘাট এলাকায় বেশ কয়েক বছর ধরে গঙ্গা ভাঙন শুরু হয়েছে। ভাঙ্গন প্রতিরোধে রাজ্য সরকারের সেচ দফতরের  পক্ষ থেকে উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। প্রায় দেড় কোটি টাকা খরচ করে গঙ্গা বাঁধানোর কাজ চলছে। সেই কাজের অবস্থা খতিয়ে দেখতে সোমবার গারুলিয়াতে যান অর্জুন সিং। পাথরের বোল্ডার না দিয়ে শাল-বল্লা দিয়ে গঙ্গা ভাঙনের উদ্যোগ নেওয়ায় সেচ দফতরের কড়া সমালোচনা করেন অর্জুন সিং।

    ফের ভাঙনের আশঙ্কা করলেন অর্জুন (Arjun Singh)

    অর্জুন সিং (Arjun Singh) বলেন, গঙ্গা ভাঙন প্রতিরোধে বড় বড় বোল্ডার দিয়ে পার বাঁধানো উচিত। না হলে ভাঙন প্রতিরোধ করা সম্ভব নয়। শাল-বল্লা দিয়ে ভাঙ্গন মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। কারণ, এর আগে এভাবে  কাজ করা হলেও ফের ভাঙন হয়েছে সেই এলাকায়। দেড় কোটি টাকা খরচ করে অবৈজ্ঞানিকভাবে কাজ করছে সেচ দফতর। এতে ভাঙন মোকাবিলা করা সম্ভব নয়। হুগলির চন্দননগরের উদাহরণ টেনে অর্জুন বলেন, ওই এলাকায় বোল্ডার দিয়ে কাজ করা হয়েছে বলে ভাঙন হয়নি। আর এই এলাকায় গঙ্গার পার কাঁচা বলে বার বার ভাঙন হচ্ছে। ঘটনা ক্রমে, রাজ্যের সেচ মন্ত্রী হচ্ছেন পার্থ ভৌমিক। বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে ২০১৯ সালের পর থেকে পার্থ ভৌমিকের সঙ্গে অর্জুনের রাজনৈতিক কিছুটা দূরত্ব রয়েছে। অর্জুনের বিরুদ্ধে গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত জগদ্দলের বিধায়ক সোমনাথ শ্যাম, বীজপুরের বিধায়ক সুবোধ অধিকারী। তাঁরা দুজনেই সেচমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত। এমনিতেই সোমনাথ-সুবোধের সঙ্গে অর্জুনের দ্বন্দ্ব বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই আবহে সেচ দফতরের কাজের গুণগত মান নিয়ে প্রকাশ্যে সমালোচনা করায় পার্থ এবং অর্জুনের দূরত্ব আরও বাড়ল বলে রাজনৈতিক মহল মনে করছে। বারাকপুর শিল্পাঞ্চলে তৃণমূলের গোষ্ঠী কোন্দল ফের নতুন করে মাথাচাড়া দেবে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Katwa: গঙ্গায় নেমে মোবাইলে করছিলেন রিলস! তলিয়ে গেলেন দুই ছাত্র

    Katwa: গঙ্গায় নেমে মোবাইলে করছিলেন রিলস! তলিয়ে গেলেন দুই ছাত্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গঙ্গায় স্নানের দৃশ্য মোবাইলে রেকর্ড করতে নেমেছিলেন তিন যুবক। এঁদের দুজনের হাতে ছিল মোবাইল। বাকি দুই বন্ধু ছিলেন পাড়ে দাঁড়িয়ে। ভালোই ভিডিও তোলা হচ্ছিল। কিন্তু, তার মধ্যেই ঘটে গেল অঘটন। মুহূর্তের অসতর্কতায় দুই যুবক গঙ্গার জলে তলিয়ে গেলেন। চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের কাটোয়ার (Katwa) দেবরাজ ঘাটে। নিখোঁজ দুই যুবকের নাম দীপঙ্কর মুখোপাধ্যায় ও অভিষেক সিং। বর্ধমান শহরে তাঁদের বাড়ি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Katwa)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, এদিন বর্ধমানের পাঁচজন ছাত্র মিলে কাটোয়ার (Katwa) বিআইটি কলেজের রেজিস্ট্রেশন তুলতে এসেছিলেন। পরে দুপুর নাগাদ তাঁরা কাটোয়ার দেবরাজ ঘাটে গঙ্গাস্নান করতে যান। তাঁদের ইচ্ছা ছিল, গঙ্গাস্নানের দৃশ্যের রিলস তৈরি করবেন। সেইমতো মোবাইল নিয়ে গঙ্গার জলে স্নান করতে নেমেছিলেন দীপঙ্কর, অভিষেক-সহ আরও এক যুবক। দুই যুবক পাড়ে বসেছিলেন। এরই মধ্যে হঠাৎ করে দু’জন গঙ্গার জলে তলিয়ে যেতে থাকেন। অপরজন কোনওরকমে পাড়ে এসে ওঠেন। নদীর পাড়ে থাকা বন্ধুরা দু’জনকে তলিয়ে যেতে দেখে বাঁচানোর চেষ্টা করেন। গামছা ছুড়ে দেন জলে ডুবতে থাকা বন্ধুদের দিকে। কিন্তু, চেষ্টা করে কোনও লাভ হয়নি। দুই বন্ধু গঙ্গায় তলিয়ে যেতেই কাটোয়া থানায় খবর দেওয়া হয়। সঙ্গে সঙ্গে কাটোয়া থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। পাশাপাশি কাটোয়া থানার পুলিশ বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মীদের খবর দিয়ে নিয়ে আসে। গঙ্গায় তলিয়ে যাওয়া দুই ছাত্রের খোঁজে তল্লাশি শুরু হয়েছে।

    কী বললেন কাটোয়ার পুরপ্রধান?

    এ-প্রসঙ্গে কাটোয়ার (Katwa) পুরপ্রধান সমীর সাহা বলেন, ‘গঙ্গাবক্ষের ওই অংশে বেশ কিছু গর্ত রয়েছে। পুরসভার তরফে ওই এলাকায় গঙ্গায় স্নান করতে না নামার সতর্কবার্তা দিয়ে বোর্ডও লাগানো আছে। কিন্তু তারপরেও সেই সতর্কবার্তা উপেক্ষা করে তাঁরা গঙ্গায় নেমেছিলেন। শুনেছি ওরা ছবি তোলায় মত্ত হওয়ার কারণেই এই বিপত্তি হয়েছে।’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Murshidabad: মুর্শিদাবাদে গঙ্গাভাঙনে তলিয়ে যাচ্ছে জমি, ভিটে! আতঙ্কিত বাসিন্দারা, প্রশাসন কী করছে?

    Murshidabad: মুর্শিদাবাদে গঙ্গাভাঙনে তলিয়ে যাচ্ছে জমি, ভিটে! আতঙ্কিত বাসিন্দারা, প্রশাসন কী করছে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত এক সপ্তাহ ধরে মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সামশেরগঞ্জে ভয়াবহ ভাঙন দেখা দিয়েছে। প্রায় প্রতিদিনই গঙ্গায় তলিয়ে যাচ্ছে জমি। ভেঙে যাচ্ছে একের পর এক বাড়ি। ভিটেছাড়া হতে হচ্ছে বাসিন্দাদের। প্রাণ হাতে করে গ্রাম ছাড়ছেন লোকজন। এরকম একটা অবস্থায় কী করছে প্রশাসন? তাদের ভূমিকায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের কী বক্তব্য? (Murshidabad)

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, গত সপ্তাহ থেকে ভাঙন শুরু হয়েছে। প্রশাসনের তথ্য অনুযায়ী, মুর্শিদাবাদের (Murshidabad) সামশেরগঞ্জে ২২টি বাড়ি তলিয়ে গিয়েছে। কিন্তু, বাস্তবে সংখ্যাটি অনেক বেশি। ভাঙন রুখতে স্থায়ী কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। সরকারের পক্ষ থেকে বালির বস্তা ফেলা হয়েছে। ২০-২৫ নৌকা ভর্তি বালির বস্তা দিলে কিছুটা কাজ হত। সেখানে দুনৌকা বালির বস্তা নিয়ে এসে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা হচ্ছে। ফলে, এলাকাবাসী নৌকা ঘিরে বিক্ষোভও দেখিয়েছিলেন। পরে, প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভাঙন প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে বিক্ষোভ ওঠে। স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, আমাদের রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে। সরকার কোনও ব্যবস্থা নেয়নি। এখানে বালির বস্তা দিচ্ছে। আমাদের তো মনে হচ্ছে এতে আরও সমস্যা বাড়ছে। আমাদের মা-বোনরা সবাই বারান্দায় ঘুমচ্ছে। খেয়াল রাখছে এই বুঝি হয়ত বাড়ি ভেঙে পড়ে গেল নদীর জলে। বালির বস্তার জায়গায় যদি পাথর ফেলা হতো তাহলে হয়ত ভাঙন প্রতিরোধ করা সম্ভব হত। বারংবার এই দাবিতে প্রশাসনের দ্বারস্থ হলেও সুরাহা হয়নি।

    পঞ্চায়েত সমিতি কর্মাধ্যক্ষ কী বললেন?

    পঞ্চায়েত সমিতির কর্মাধ্যক্ষ মইমুর শেখ বলেন, পাথর ফেলে ভাঙন প্রতিরোধ করার মতো অর্থ আমাদের নেই। ফলে, তা আমরা করতে পারব না। বালির বস্তা দিয়ে আমরা যতটা পারছি ভাঙন রোধ করার চেষ্টা করছি। গত সপ্তাহে দুনৌকা বালি দেখে এলাকার মানুষ ক্ষোভ জানিয়েছিলেন। এখন পর্যাপ্ত বালির বস্তা দিয়ে ভাঙন মোকাবিলা করা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Ganges: হাওড়ার গঙ্গায় ঝাঁকে ঝাঁকে ভেসে উঠছে মরা মাছ, কেন জানেন?

    Ganges: হাওড়ার গঙ্গায় ঝাঁকে ঝাঁকে ভেসে উঠছে মরা মাছ, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার বাউড়িয়া থেকে সালকিয়া। গঙ্গার (Ganges) ঘাটে ঘাটে গত দু একদিন ধরেই ঝাঁকে ঝাঁকে ভেসে উঠছে মরা মাছ। প্রথমে দেখা যাচ্ছে পাড়ের কাছে মাছগুলি খাবি খেতে খেতে মারা যাচ্ছে। আর সেই মাছ ধরার ধুম পড়ে গিয়েছে হাওড়ার গঙ্গার ঘাটে। মাছের এই মড়কের প্রকৃত কারণ এখনও জানা না গেলেও প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে গঙ্গায় ব্যাপক দূষণের ফলেই এই মাছের মৃত্যু হচ্ছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা কী বললেন? (Ganges)

    শুক্রবার দুপুর থেকেই হাওড়ায় গঙ্গার (Ganges) বিভিন্ন ঘাটে মাছ ভেসে উঠতে দেখেন স্থানীয়রা। বিকালের দিকে যা আরও বেড়ে যায়। বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ভেসে উঠতে শুরু করে গঙ্গার জলে। ক্রমশ ভিড় জমে যায় হাওড়ার তেলকল ঘাট, শিবপুর ঘাট, রামকৃষ্ণপুর ঘাট-সহ বিভিন্ন জায়গায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, প্রথমে বেশ কয়েকটি মরা মাছ ভেসে উঠেছিল। পরে, ধীরে ধীরে সেই সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। শুক্রবার থেকে এই মাছের মড়ক শুরু হলেও শনি ও রবিবারও কোথাও কোথাও মাছ মরে ভাসতে দেখা যায়। গ্রামীণ হাওড়ার বিভিন্ন ঘাটেও একই দৃশ্য দেখা যায়। ভেসে ওঠা মাছ ধরতে প্রচুর উৎসাহী মানুষ ভিড় জমান গঙ্গার ঘাটে ঘাটে।

    পরিবেশবিদরা কী বলছেন?

    পরিবেশবিদ তাপস দাস বলেন, গঙ্গার (Ganges) দুই পাড়ে কলকাতা ও হাওড়ায় রয়েছে অসংখ্য কারখানা। বিশেষ করে হাওড়ায় গঙ্গার ধার বরাবর বহু পুরানো গোডাউন, নানা রাসায়নিক কারখানা ও লেদ কারখানা রয়েছে। সেইসব কারখানা থেকে বিষাক্ত তেল মাঝেমধ্যেই গঙ্গার জলে মিশে যায়। হাওড়ার বালিতে কয়েক বছর আগে কারখানার তেল গঙ্গার জলে পড়ে তেলের আস্তরণ তৈরি হয়েছিল। পরে,তা আস্তে আস্তে ভেসে যায়। তাতেও বেশ কিছু মাছ ও গঙ্গার জলজ প্রাণীর মৃত্যু হয়। এবারেও এরকম কোনও কারখানার বর্জ্য বা তেলের কারণে মাছের মৃত্যু হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছেন সাধারণ মানুষ থেকে পরিবেশবিদরা। তবে, বর্ষাকাল হওয়ায় গঙ্গার জলস্তর অনেকটাই বেড়ে গেছে। ফলে সেই তেল বা বর্জ্য দ্রুত ভেসে যাওয়ায় মাছের মোড়ক অনেকটাই ঠেকানো গেছে বলে মনে করছেন পরিবেশবিদরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Student: ধুলিয়ানে গঙ্গায় স্নান করতে গিয়ে তলিয়ে গেল দুই স্কুল ছাত্র, এলাকায় শোকের ছায়া

    Student: ধুলিয়ানে গঙ্গায় স্নান করতে গিয়ে তলিয়ে গেল দুই স্কুল ছাত্র, এলাকায় শোকের ছায়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভরা গঙ্গায় স্নান করতে নেমে তলিয়ে গেল তিন স্কুলছাত্র। মঙ্গলবার এই ঘটনায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে মুর্শিদাবাদের সামশেরগঞ্জ থানার ধুলিয়ান কাঞ্চনতলা গঙ্গার ঘাটে। যদিও স্থানীয় লোকজনের তৎপরতায় একজন ছাত্রকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হলেও এখনও পর্যন্ত ভরা গঙ্গায় তলিয়ে গিয়েছে দুই ছাত্র। তলিয়ে যাওয়া ছাত্রদের (Student) নাম রোহন শেখ (১২) এবং মোজাহিদ শেখ (১৩)। তাদের বাড়ি সামশেরগঞ্জের হিজলতলা গ্রামে। রোহন কাঞ্চনতলা জে ডি জে ইনস্টিটিউশনের সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। আর মোজাহিদ ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। খবর পেয়ে সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে আসে। খবর দেওয়া হয়েছে ডুবুরি টিমকে। ডুবুরি টিম গঙ্গায় নেমে তল্লাশি চালালেও তাদের দুজনের খোঁজ মেলেনি।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছিল?

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্যান্য সব স্কুল খুললেও কাঞ্চনতলার এই স্কুলে পঞ্চায়েত ভোটে আসা কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকায় এখনও পর্যন্ত বন্ধ রয়েছে। কিন্তু, স্কুল বন্ধ থাকার বিষয়টি বুঝতে না পেরে এদিন তিন স্কুল ছাত্র (Student) সামশেরগঞ্জের কাঞ্চনতলা জে ডি জে ইনস্টিটিউশনে যায়। স্কুল বন্ধ দেখে তারা পাশেই গঙ্গার ধারে খেলতে যায়। গঙ্গার ধারে কিছুক্ষণ খেলা করার পর ব্যাগ রেখে তারা তিনজনই গঙ্গায় স্নান করতে নামে। তখনই তলিয়ে যায় তারা। ডুবে যাওয়ার খবর জানাজানি হতেই হইচই সৃষ্টি হয়। যদিও তৎক্ষণাৎ একজন মাঝির তৎপরতায় নাজিম শেখ নামে এক ছাত্রকে জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় সামশেরগঞ্জ থানার পুলিশ। অন্যদিকে, গঙ্গা থেকে জল তুলতে গিয়ে সোমবারই খাগড়ায় দুজন যুবক তলিয়ে যান।

    কী বললেন নিখোঁজ ছাত্রের (Student) পরিবারের লোকজন?

    নিখোঁজ ছাত্রদের (Student) পরিবারের লোকজনের বক্তব্য, স্কুল বন্ধ রয়েছে তা স্কুল কর্তৃপক্ষ কোনও কিছু জানায়নি। আর অন্য স্কুল চালু থাকায় আমরা ভেবেছি স্কুল খুলে গিয়েছে। ওরা স্কুল বন্ধ দেখে গঙ্গার ধারে খেলা করতে গিয়ে এই বিপত্তি হয়েছে।

    কী বললেন পুরসভার চেয়ারম্যান?

    ছাত্র তলিয়ে যাওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান ধুলিয়ান পুরসভার চেয়ারম্যান ইনজামামুল ইসলাম সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা। তিনি বলেন, একজনকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে। বাকি দুজনের খোঁজে তল্লাশি চলছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Naihati: সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়েও লাভ হল না, দুই বন্ধুই তলিয়ে গেল গঙ্গায়

    Naihati: সাহায্যের জন্য হাত বাড়িয়েও লাভ হল না, দুই বন্ধুই তলিয়ে গেল গঙ্গায়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক সঙ্গে দুই বন্ধু মিলে গঙ্গার ঘাটে স্নানে নেমেছিল। চোখের সামনে বন্ধুকে তলিয়ে যেতে দেখে অন্য বন্ধু তাকে সাহায্যের জন্য হাত বাড়ায়। কিন্তু, শেষরক্ষা হয়নি। দুজনেই গঙ্গায় তলিয়ে যায়। মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে নৈহাটির (Naihati) লিচুবাগান এলাকায়। এই ঘটনায় এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।

    ঠিক কী হয়েছে?

    পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিখোঁজ দুই যুবকের নাম শুভম দে ( ১৮) এবং সুজল সাউ ( ১৭)। শুভমের বাড়ি নৈহাটির (Naihati) মক্রেশ্বর ঘাট রোডে। সে এবছর নরেন্দ্র বিদ্যানিকেতন থেকে উচ্চ মাধ্যমিক দিয়েছে। নৈহাটির সঞ্জীব চ্যাটার্জি রোডের বাসিন্দা সুজল। সে মহেন্দ্র হাইস্কুলের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র। জানা গিয়েছে, এদিন সকালে তারা দুজনে খেলা করতে যাচ্ছি বলে বাড়ি থেকে বের হয়। ওরা মাঠে খেলাও করে। পরে, তারা বঙ্কিমঘাটে আসে। সেখানে দুজনেই একসঙ্গে স্নান করতে নামে। সুজল একটু বেশি জলে গিয়ে স্নান করছিল। আর শুভম ঘাটের সামনের দিকে ছিল। আচমকা সুজল তলিয়ে যেতে থাকে। সে বাঁচাও বাঁচাও বলে চিত্কার করতে থাকে। চোখের সামনে বন্ধুকে তলিয়ে যেতে দেখে শুভম তাকে সাহায্য করতে এগিয়ে যায়। দুজনেই গঙ্গায় তলিয়ে যায়। ঘাটের আশপাশে থাকা লোকজন ছুটে আসেন। অনেকেই সঙ্গে সঙ্গে গঙ্গায় ঝাঁপ দেন। কিন্তু, অনেক খোঁজাখুঁজির পরও তাদের দুজনের হদিশ মেলেনি। প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন, একজন গঙ্গার অনেকটাই ভিতরে চলে গিয়েছিল। আর সে ফিরতে পারেনি। অন্যজন তাকে বাঁচাতে গিয়ে এই বিপত্তি হয়েছে।

    কী বললেন পুরসভার চেয়ারম্যান?

    ঘটনার পর পর খবর পেয়ে পরিবারের লোকজন, পুলিশ, বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের কর্মীরা এবং নৈহাটি (Naihati) পুরসভার চেয়ারম্যান যান। গঙ্গায় ডুবুরি নামিয়ে তল্লাশি শুরু হয়। কিন্তু. তাদের আর হদিশ মেলেনি। পুরসভার চেয়ারম্যান অশোক চট্টোপাধ্যায় বলেন, গঙ্গার ঘাট সংস্কার না হওয়ার কারণে এই ঘটনা ঘটেছে। গঙ্গায় ড্রেজিং করার প্রয়োজন রয়েছে। পাশাপাশি এই ঘাটের সংস্কার করার প্রয়োজন।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Fish: গঙ্গায় মাছ ধরতেও তৃণমূলকে দিতে হচ্ছে তোলা! কোথায় জানেন?

    Fish: গঙ্গায় মাছ ধরতেও তৃণমূলকে দিতে হচ্ছে তোলা! কোথায় জানেন?

     মাধ্যম নিউজ ডেস্কঃ নদীর তীরে বড় করে হোর্ডিং লাগানো রয়েছে। তাতে ফরমান দেওয়া হয়েছে গঙ্গা থেকে মাছ (Fish) ধরতে গেলেই দিতে হবে টাকা। বলা ভাল তোলা। ডিসপ্লে বোর্ডে কত পরিমাণ তোলা দিতে হবে তার উল্লেখ রয়েছে। জাল হিসেবে মাছের দাম প্রতি ২০ শতাংশ হারে টাকা দিলেই মাছ (Fish)  ধরা যাবে। মালদহের মানিকচক ঘাটে এই ঘটনা জানাজানি হতেই ক্ষোভে ফেটে পড়়েছেন মত্স্যজীবারা। কারণ, জলকরের নামে তোলা নেওয়ার অভিযোগ। তোলা না দিলে জুটছে হুমকি! শতকরা ২০ থেকে ৩০ টাকা করে তোলা নেওয়া হচ্ছে। তৃণমূলের একাংশের মদতেই এই কারবার চলছে বলে অভিযোগ। জেলা ও ব্লক প্রশাসনকে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছেন মানিকচকের মৎস্যজীবীরা।

    তোলা নেওয়া নিয়ে মত্স্যজীবীদের কী বক্তব্য? Fish

    ২০১৫ সালে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন গঙ্গায় মাছ (Fish)  ধরতে মত্স্যজীবীদের কোনও কর দিতে হবে না। একই নির্দেশ দেয়  হাইকোর্ট। কিন্তু, কলকাতা হাইকোর্ট এবং রাজ্য সরকারের নির্দেশিকা  বুড়ো আঙুল দেখিয়ে তৃণমূলের ছত্রছায়াতে থাকা দালালরা অবাধে তোলাবাজি চালাচ্ছে। এই বিষয়ে মৎস্যজীবীরা ইতিমধ্যেই ব্লক প্রশাসন থেকে জেলাশাসকের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন।    এক মত্স্যজীবী বলেন, গঙ্গায় জাল ফেলে প্রায় ৭ হাজার টাকার মাছ (Fish)  ধরেছিলাম। মাছ নিয়ে ঘাটে আসতেই তোলাবাজরা আমাদের থেকে টাকা দাবি করে। আমরা তা দিতে অস্বীকার করলে মাছ ও জাল সব কেড়ে নেয়। পরে, তাদের দাবি মতো টাকা দিয়ে ছাড়া পাই। মোথাবাড়ি ধীবর সমবায় সমিতির কর্মকর্তা পঞ্চানন মাহাত বলেন,  সরকারি নিলামে ১১ লক্ষ ৫১ হাজার ৯৯৯ টাকায় আমি লিজ নিয়েছি। আমার কাছে জলকর আদায়ের বৈধ কাগজ আছে। সেই অনুযায়ী আমরা মৎস্যজীবীদের কাছ থেকে জলকর নিচ্ছি। তবে, ২০ শতাংশ হারে নয়, ৫ শতাংশ হারে আমরা জলকর নিচ্ছি। ফলে, কোনও তোলাবাজি করছি না।

     বিজেপি নেতা গৌড় চন্দ্র মণ্ডল বলেন,  তোলা নেওয়া বন্ধ না হলে মৎস্যজীবীদের নিয়ে আন্দোলনে নামব। কারণ, যারা তোলা নিচ্ছে তাদের মাথার উপর তৃণমূল নেতাদের হাত রয়েছে। তাই, সরকারি নির্দেশকে অমান্য করার সাহস দেখাচ্ছে। অন্যদিকে, তৃণমূল বিধায়ক সাবিত্রী মিত্র বলেন, গঙ্গার উপরে মাছ (Fish)  ধরার ক্ষেত্রে কোন জলকর নেওয়া হয় না। গঙ্গা সবার। যারা ২০ টাকা, ৩০ টাকা করে জল কর আদায় করছেন তারা আইনবিরোধী কাজ করছেন। আমি ব্লক প্রশাসনকে এ বিষয়ে জানাব।    এ বিষয়ে মালদহের জেলাশাসক নীতিন সিংহানিয়া বলেন, গঙ্গায় মাছ (Fish)  ধরার ক্ষেত্রে মৎস্যজীবীদের কাউকে কোনও কর দিতে হবে না। যদি কেউ নেয় তাহলে তাদের বিরুদ্ধে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share