Tag: health tips

health tips

  • Health Tips: এই ৫ খাবার খেলে আপনার শরীরে পুষ্টির অভাব হবে না, জানেন কি?

    Health Tips: এই ৫ খাবার খেলে আপনার শরীরে পুষ্টির অভাব হবে না, জানেন কি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুষ্টিকর খাবার কতটা জরুরি তা সকলেই জানেন। স্বাস্থ্যের (Health) উন্নতির জন্য পুষ্টিকর খাবার গ্রহণ করা উচিত। আমাদের দৈনন্দিন জীবনে পালং শাক থেকে শুরু করে মাশরুম, ডিম থেকে শুরু করে দুধের মতো প্রোটিন যুক্ত খাবার খাদ্যতালিকায় রাখা হয়। একজন পুষ্টিবিদ (Nutritionist) জানিয়েছেন, কিছু কিছু খাবার একসঙ্গে সংমিশ্রণ করলে ভালো পুষ্টি পাওয়া যায়।

    আরও পড়ুন:ফের নয়া বিপদ, করোনা ভাইরাসের মতো লক্ষণ পাওয়া গেল রাশিয়ান বাদুড়ে!

    কলা ও দই: কলা ও দইয়ের (Curd) সংমিশ্রণ পটাশিয়াম সমৃদ্ধ। কলা এবং দই একসঙ্গে খেলে শরীরে পেশীর দ্রুত বৃদ্ধি ঘটাতে সাহায্য করে। কলাতে (Banana) উপস্থিত ইনুলিন ও দইয়ে উপস্থিত ক্যালসিয়াম শারীরিক সক্ষমতা বাড়ায়। এটি অন্ত্রের স্বাস্থ্য ও হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য ভীষণ উপযোগী।


    মাশরুম ও তিলের বীজ: ভিটামিন-ডি সমৃদ্ধ মাশরুম (Mushroom) ও ক্যালশিয়াম সমৃদ্ধ মাশরুম ও তিলের বীজ (Til seed) একসঙ্গে খেলে হাড় শক্ত হয়। ভিটামিন-ডি ও ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাদ্য শরীরের জারণ প্রক্রিয়ায় সহায়তা করে।

    আরও পড়ুন: অফিসে কাজের চাপে স্ট্রেস অনুভব করছেন? মানসিক ক্লান্তি কাটাতে যা করণীয়

    পালংশাক ও জলপাই তেল: অলিভ অয়েল (Olive Oil) দিয়ে পালং শাক (Spinach) রান্না করলে অলিভ অয়েলে উপস্থিত স্বাস্থ্যকর প্রোটিন ও পালং শাকের মতো ভিটামিন-এ (Vitamin A) সমৃদ্ধ রেসিপিটি স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

    শাকসবজি ও লেবুর রস: শাকসবজির সবজির (Leafy vegetables) সঙ্গে লেবুর রস (Lemon Juice) মিশিয়ে খেলে লেবুতে (Lemon) উপস্থিত ভিটামিন-সি ও শাকসবজিতে উপস্থিত আয়রন শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।


    কাঠবাদাম এবং কমলালেবু: কাঠবাদাম (Chestnut) ও কমলালেবু (Orange) এক সঙ্গে দৈনন্দিন খেলে ভিটামিন-সি (Vitamin C) এবং ভিটামিন-ই (Vitamin E) সমৃদ্ধ খাদ্য সংমিশ্রণটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে পরিপূর্ণ। এটি শরীরের লোহিত রক্তকণিকা গঠনে সহায়তা করে ও ক্ষত নিরাময় তাড়াতাড়ি করতে সাহায্য করে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Junk Foods: জাঙ্ক ফুড কীভাবে ডিপ্রেশন, উদ্বেগের কারণ হতে পারে, জানেন?

    Junk Foods: জাঙ্ক ফুড কীভাবে ডিপ্রেশন, উদ্বেগের কারণ হতে পারে, জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আজকাল জাঙ্ক ফুড খাওয়াার প্রবণতা অনেক বেড়েছে, জাঙ্ক ফুড খেতে সুস্বাদু হলেও এর উপকারিতা কম, ক্ষতিই বেশি। এর একটি কারণ হল আমাদের ব্যস্ত জীবনধারা, যার কারণে আমাদের সময় কম, আমরা এমন খাবারের দিকে চলে যাই যা পাওয়া সহজ, তৈরি করাও সহজ। তাই এই ধরনের খাবারকে ফাস্ট ফুডও বলা হয়। তবে জানেন কী জাঙ্ক ফুড খাওয়া আমাদের শরীরের ওপর গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলে।

    জাঙ্ক ফুড খুব তৈলাক্ত এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার যা স্বাস্থ্যকে নানাভাবে প্রভাবিত করে। এটি খেলে অনেক শারীরিক সমস্যা দেখা যায়, তাই এটি নির্দিষ্ট পরিমাণে খাওয়াই ঠিক। জাঙ্ক ফুড খাওয়ার ফলে যেমন স্থূলতা, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, কোলেস্টেরল বৃদ্ধি ইত্যাদির মত রোগ দেখা যায়, তেমনি জাঙ্ক ফুড খাওয়ার ফলে বাড়তে পারে স্ট্রেস, ডিপ্রেশন বা বিষণ্ণতা, উদ্বেগ ইত্যাদি।

    আরও পড়ুন: ১০০ বছর বা তারও বেশি বাঁচতে চান? আজ থেকেই শুরু করুন এই ৫ টি কাজ

    গবেষকরা জানিয়েছেন, মনের অবস্থা অবশ্যই আমাদের খাদ্যাভ্যাসে প্রভাব ফেলে। আমরা কী খাচ্ছি তা আমাদের ডিপ্রেশনের মাত্রাকে বাড়িতে বা কমিয়ে আনে। কারও ক্ষেত্রে নতুন করে স্ট্রেস দেয়। আমাদের খাবারের অভ্যাসের ফলে শরীর মোটা-রোগা হয়। শরীরে পুষ্টির কমতি দেখা যায়। এইসব কিছুই বিষণ্ণতার সঙ্গে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে জড়িত।

    কিছু আমেরিকান প্রাপ্তবয়স্কদের নিয়ে একটি গবেষণা করে দেখা গিয়েছে, যারাই অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবার বেশি পরিমাণে খায়, তাদেরই মানসিক অবস্থা ঠিক থাকে না। তাদের স্ট্রেস, বিষণ্ণতা, উদ্বেগ বেড়ে যায়।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, খাবারের অতি-প্রক্রিয়াজাতকরণ তার পুষ্টির মানকে কমিয়ে দেয় এবং ক্যালোরির সংখ্যাও বাড়ায়, কারণ অতি-প্রক্রিয়াজাত খাবারে অতিরিক্ত চিনি, স্যাচুরেটেড ফ্যাট এবং লবণ থাকে, যেখানে প্রোটিন, ফাইবার, ভিটামিন, খনিজ এবং ফাইটোকেমিক্যাল কম থাকে। ফলে সহজেই ওজন বৃদ্ধি পায় ও এর পাশাপাশি উদ্বেগ, ডিপ্রেশনের শিকার হয় মানুষ।

    আরও পড়ুন: কম ঘুমোলেই বাড়তে পারে ওজন! কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

  • Weight Loss Tips: ওজন কমাতে চান? ভুল করেও এই ৫টি কাজ কখনই করবেন না

    Weight Loss Tips: ওজন কমাতে চান? ভুল করেও এই ৫টি কাজ কখনই করবেন না

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুন্দর রোগা-পাতলা চর্বিহীন শরীর কে না চায়! কিন্তু বর্তমান যুগের ওজন বেড়ে যাওয়া এক সমস্যায় পরিণত হয়েছে। আবার এখন তো চিকিৎসকরাও সুস্থ থাকার জন্য রোগা হতে বলেন। কিন্তু রোগা হওয়ার চক্করে অনেকেই ভুল পদ্ধতিতে ডায়েট করে থাকেন। অনেকে রোগা হতে এতটাই মরিয়া হয়ে ওঠে যে তারা না খেয়ে, উপোস করে বা খাওয়ার স্কিপ করে স্লিম আর ফিট হতে চায়। আর এখানেই আপনারা করে বসেন সবচেয়ে বড় ভুল। এ ভাবে অবৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে খাদ্যাভ্যাসে পরিবর্তন আনতে গিয়ে অনেকেই নিজেদের শরীরের চূড়ান্ত ক্ষতি করে ফেলেন। ফলে অনেক সময় ওজন কমার বদলে বাড়তে শুরু করে। আপনার বয়স যদি ৩০ বছরের বেশি হয় সেক্ষেত্রে এই বিষয়ে আরও বেশি সতর্ক থাকা উচিত। তাই চলুন জেনে নেওয়া যাক,  ওজন কমাতে যে ৫টি কাজ কখনোই করবেন না।

    ওজন কমানো শুধুমাত্র লক্ষ্য করা উচিত নয়

    ওজন কমানো মানেই শুধু কিলো কমানো নয়। অনেকে চিকিৎসকদের পরামর্শ না মেনেই ডায়েট চার্ট তৈরি করেন যার ফলে হিতে বিপরীত হয়। এমনকি খাবার না খেয়ে অনেকেই জল খেয়ে থাকেন, সেক্ষেত্রে শরীরে জলের জন্যও বেড়ে যায় শরীরের ফোলা ভাব।

    প্রয়োজন মত ক্যালোরি না খাওয়া

    ওজন কমানো মানে না খেয়ে থাকা নয়। পর্যাপ্ত পরিমাণ ক্যালোরিযুক্ত খাবার খেয়ে এরপর শরীরচর্চা করে ক্যালোরি কমানো উচিত। কম ক্যালোরি যুক্ত খাবার খাওয়া উচিত।

    আরও পড়ুন: প্রাণঘাতী রোগ থেকে মুক্তি পেতে চান? প্রতিদিনের ডায়েটে রাখুন দানা শস্য বা হোল গ্রেন

    ব্যায়াম না করা

    ব্যায়াম সবসময় ওজন কমানোর ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখে। পেশীর পাশাপাশি চর্বি কমানোর জন্য প্রতিদিন ব্যায়াম করা ভাল। এটি আপনাকে আপনার বিপাক এবং হজমকে শক্তিশালী করতে সহায়তা করে।

    কম ফ্যাটযুক্ত খাবার খাওয়া

    ওজন কমানোর ক্ষেত্রে কম চর্বিযুক্ত খাবার খেলে কখনোই রোগা হওয়া সম্ভব নয়। তারা কখনই আপনাকে ওজন কমাতে সাহায্য করবে না, বিশেষ করে যখন আপনার বয়স যদি ৩০-এর ওপরে থাকে। সবধরণের খাবারই খাওয়া উচিত কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণে।

    প্রোটিন জাতীয় খাবার না খাওয়া

    আপনার প্রতিদিনের খাবারে পুষ্টি পাওয়ার জন্য সমস্ত রকম খাবারের ভারসাম্য থাকা উচিত। পর্যাপ্ত প্রোটিন না খাওয়া কখনই ওজন কমাতে সাহায্য করতে পারে না। প্রোটিন ক্ষিদে কমাতে সাহায্য করে, আপনাকে দীর্ঘ সময়ের জন্য পূর্ণ বোধ করে, পেশী ভর রক্ষা করে এবং এমনকি বিপাকীয় হার বাড়ায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Whole Grains: প্রাণঘাতী রোগ থেকে মুক্তি পেতে চান? প্রতিদিনের ডায়েটে রাখুন দানা শস্য বা হোল গ্রেন

    Whole Grains: প্রাণঘাতী রোগ থেকে মুক্তি পেতে চান? প্রতিদিনের ডায়েটে রাখুন দানা শস্য বা হোল গ্রেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বহু বছর ধরে আমাদের ডায়েটে দানা শস্য বা হোল গ্রেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে আসছে। গোটা শস্য বা দানা শস্য হচ্ছে অপরিশোধিত শস্য। গোটা শস্যের ৩টি স্তর থাকে ব্র্যান, এন্ডোস্পার্ম এবং জার্ম। ব্র্যান-এ আছে ফাইবার, বি ভিটামিন, খনিজ। এন্ডোস্পার্মে আছে শর্করা, প্রোটিন যা শক্তি দেয়। জার্ম-এ আছে প্রচুর উপাদান যেমন অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ই, বি এবং স্বাস্থ্যকর ফ্যাট।

    চিকিৎসকরা বলে থাকেন যে দানা শস্য খেলে শরীর স্বাস্থ্য ভালো থাকে। সাধারণত ওটমিল, পপকর্ন, মিলেট, কিনোয়া, ব্রাউন রাইস, বার্লি, গম, বাজরা এগুলোকে দানা শস্য বলা হয়। দানা শস্যের মাধ্যমে শরীরে পৌঁছায় নানা পুষ্টিগুণ, খনিজ, ফাইবার, ভিটামিন, প্রোটিন এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় উদ্ভিজ উপাদান। ফলে শরীরকে ভালো রাখতে পুষ্টিবিদরা ডায়েটে দানা শস্য রাখতে বলে। তবে জেনে নেওয়া যাক দানা শস্যের উপকারিতা।

    সুগারের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে

    দানা শস্যের গ্লাইসেমিক ইন্ডেক্স কম তাই রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা আরও ভালভাবে পরিচালনা করতে সাহায্য করে। এছাড়া এই খাবারে ম্যাগনেসিয়াম এবং ক্রোমিয়াম, ফাইটোকেমিক্যালস, জৈব অ্যাসিড এবং এনজাইম ইত্যাদি খনিজগুলির উপস্থিতি এবং এর উচ্চ ফাইবার রক্তে শর্করার  মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখে।

    আরও পড়ুন: চিনির বিকল্প চিনির থেকেও হতে পারে বেশি ক্ষতিকারক! কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    হার্টের স্বাস্থ্য ভালো রাখে

    দানা শস্য কার্ডিওভাসকুলার এবং করোনারি হৃদরোগের ঝুঁকি ১৬-৩০ শতাংশ কম করে। আবার এতে উপস্থিত  ফাইবার, ভিটামিন কে এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, আপনার স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে পারে। হার্টের নানা সমস্যা দূর করে।

    হরমোনের ভারসাম্য নিয়ন্ত্রণ করে

    দানা শস্যে লিগনান নামক উপাদান থাকে যা ভাল হরমোনের ভারসাম্য ঠিক রাখতে সহায়তা করতে পারে। এই শস্যগুলি ভিটামিন বি৬- এর উৎস যা হরমোনগুলি পরিচালনা করতে এবং মহিলাদের ঋতুস্রাবের সময়ের বিভিন্ন সমস্যা দূর করতে কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকে।

    দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ কমায়

    অনেক দীর্ঘস্থায়ী রোগের মূলে রয়েছে প্রদাহ। দানা শস্যের খাবারগুলি প্রদাহজনক সাইটোকাইনের সিরাম স্তরকে প্রভাবিত করে বলে জানা গেছে। সুতরাং, প্রতি দিনের খাদ্যতালিকায় দানা শস্য ব্যবহার করলে প্রদাহ কমে যায়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Health Benefits Of Soybean: মাছ-মাংস-ডিমের চেয়েও বেশি উপকারী সয়াবিন, জানেন কেন?

    Health Benefits Of Soybean: মাছ-মাংস-ডিমের চেয়েও বেশি উপকারী সয়াবিন, জানেন কেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমরা যখন উদ্ভিজ্জ প্রোটিন সম্পর্কে কথা বলি, তখন অবশ্যই আসে সয়াবিনের (Soybean) নাম। এর কারণ সয়াবিন প্রোটিনে সমৃদ্ধ খাবার। ডিম, দুধ এমনকি মাংসে যে প্রোটিন পাওয়া যায় তার চেয়ে বেশি প্রোটিন সয়াবিনে থাকে। তবে অনেকে জানেন যে, থাইরয়েড, স্তন ক্যান্সার, ডিমেনশিয়া ইত্যাদি রোগে থাইরয়েড খাওয়া যায় না। কিন্তু ডায়েটেসিয়ানদের মতে, এখনও এর প্রমাণ পাওয়া যায়নি। সয়াবিন আমাদের শরীরের জন্য খুবই উপকারি। কারণ, সয়াবিন আমাদের হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, ক্যান্সার রোধ করে, হাড় শক্ত করে, ঋতুস্রাবের সময় শরীর ভাল রাখে, সেই সঙ্গে আরও অনেক উপকারে লাগে। সয়াবিন এত ধরণের কাজ করতে পারে, তার কারণ, সয়াবিনের মধ্যে সয়া দুধ এবং উদ্ভিজ্জ প্রোটিন বজায় থাকে। সয়াবিনের উপকারিতা সম্পর্কে আরও জেনে নিন।

    ওজন কমাতে সাহায্য করে

    খাদ্যতালিকায় সয়াকে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত, কারণ নিয়মিতভাবে সয়া খেলে শরীরের ওজন, ফ্যাট এবং কোলেস্টেরলের মাত্রা কমে যায়। এছাড়াও সয়াবিন পেশী গঠনের জন্যও ভালো।

    আরও পড়ুন: ডায়াবেটিস আছে? সুস্থ থাকতে বেছে নিন প্রোটিন-জাত খাবার, বলছে গবেষণা

    হার্ট ভালো রাখে

    ডায়েটিসিয়ানদের মতে, সয়া কোলেস্টেরল কমাতে এবং আপনার কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করতে পারে। হৃদরোগ, হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোকের ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এছাড়াও রক্তচাপ বজায় রাখতে এই সয়াবিনের ফ্যাটি অ্যাসিডগুলির ভূমিকা অনস্বীকার্য।

    হাড় মজবুত রাখতে সাহায্য করে

    সয়াবিনের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং খনিজ উপাদান রয়েছে। যেমন- ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, কপার, সেলেনিয়াম এবং জিঙ্ক। এই উপাদানগুলি আমাদের শরীর গঠনে উল্লেখযোগ্য ভুমিকা গ্রহণ করে। এই উপাদানগুলি হাড়ের বৃদ্ধি এবং শক্তি বাড়াতে সাহায্য করে। তাই বেশ অনেকদিন ধরে যারা সয়াবিন খান, তাঁরা হাড়ের সমস্যা থেকে অনেক দূরে থাকেন।

    স্তন ক্যান্সার থেকে রক্ষা করতে পারে

    সয়াবিন বেশ কিছু ধরণের ক্যান্সার বিশেষ করে স্তন ক্যান্সার রোধ করতে সাহায্য করে। কারণ, সয়াবিনের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি অক্সিডেন্ট থাকে। এই অ্যান্টি অক্সিডেন্ট শরীরে উপস্থিত ক্ষতিকারক ফ্রি র‍্যাডিকালগুলিকে দুর্বল করতে সাহায্য করে। এরফলে, আমাদের শরীরে কোনও ক্ষতিকারক কোষ গঠন হতে পারে না। এছাড়াও, সয়াবিনের মধ্যে প্রচুর পরিমাণে স্বাস্থ্যকর ফাইবার থাকায়, কোলোরেক্টালের সম্ভাবনা এবং কোলোন ক্যান্সারের সম্ভাবনা থাকে না।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Diabetes: ডায়াবেটিস আছে? সুস্থ থাকতে বেছে নিন প্রোটিন-জাত খাবার, বলছে গবেষণা

    Diabetes: ডায়াবেটিস আছে? সুস্থ থাকতে বেছে নিন প্রোটিন-জাত খাবার, বলছে গবেষণা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ডায়াবেটিস (Diabetes) হলে ভাত-রুটি খাওয়া ছেড়ে দেন অনেকেই। কারণ তারা মনে করেন, কার্বোহাইড্রেট (Carbohydrate) খেলে রক্তে শর্করার (Blood Sugar) পরিমাণ বেড়ে যাবে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এমনটি ভাবা মোটেও ঠিক নয়। কারণ কর্বোহাইড্রেটজাতীয় খাবারের মধ্যেও ভালোমন্দ রয়েছে। যদি আপনি ভালো খাবারটি বেছে নেন, তবে আপনি উপকারী হবেন। এক্ষেত্রে অবশ্যই মনে রাখতে হবে, কম কার্বস-যুক্ত পুষ্টিকর খাবার খেতে হবে। এ ছাড়াও দিনে কতটুকু কার্বস গ্রহণ করবেন, তা নির্ভর করবে আপনার ডায়াবেটিস ওঠা-নামার উপর। ডায়াবিটিস রোগীদের রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে হলে ডায়েটে অনেক কিছুই করতে হয়। বিশেষজ্ঞদের মতে এমন অনেক জিনিস রয়েছে যা ডায়াবিটিস রোগীদের জন্য বিপজ্জনক। আপনি যদি এই জিনিসগুলি থেকে বিরত থাকেন তাহলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারবেন খুব সহজেই।

    আরও পড়ুন: চিনির বিকল্প চিনির থেকেও হতে পারে বেশি ক্ষতিকারক! কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    আইসিএমআর (ICMR) থেকে বলা হয়েছে যদি কার্বোহাইড্রেট কমিয়ে নির্দিষ্ট পরিমাণে প্রোটিন ও উপকারী ফ্যাট ডায়েটে রাখা হয় তবে ডায়াবেটিসকে নিয়ন্ত্রেণে সহজেই রাখা যায়। কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ ৪৯ শতাংশ থেকে ৫৪ শতাংশে নামিয়ে আনা যায় এবং প্রোটিন ১৯ শতাংশ থেকে ২০ শতাংশে বৃদ্ধি পায় এবং ফ্যাট ২১ শতাংশ থেকে ২৬ শতাংশের কাছাকাছি রাখা যায়, তবে সহজেই ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, একজন ব্যক্তির ক্ষেত্রে উপযুক্ত কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ ৫৪ শতাংশ থেকে ৫৭ শতাংশ, প্রোটিন ১৬ শতাংশ থেকে ২০শতাংশ এবং ফ্যাট ২০ শতাংশ থেকে ২৪ শতাংশ।  

    আরও পড়ুন: ব্লাড সুগার থাকবে নিয়ন্ত্রণে, খাদ্য তালিকায় অবশ্যই রাখুন এই চারটি খাবার 

    রক্তে শর্করার মাত্রা যদি নিয়ন্ত্রণে না থাকে তাহলে শরীরে নানা জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই ডায়েটে সব ধরণের খাবার খাওয়া উচিত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Health Tips: ব্রেকফাস্টে ভুল করেও খাবেন না এই খাবারগুলো, নয়তো হতে পারে বিপদ

    Health Tips: ব্রেকফাস্টে ভুল করেও খাবেন না এই খাবারগুলো, নয়তো হতে পারে বিপদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আপনি কি আপনার ব্রেকফাস্টে বিভিন্ন কার্বোহাইড্রেট জাতীয় খাবার যেমন- রুটি, বিস্কুট, ভাত জাতীয় খাবার খান? তবে কিন্তু আপনি অনেক বড় ভুল করছেন। কারণ দিনের শুরু করতে হয় কিছু প্রোটিন জাতীয় খাবার দিয়ে। শুধু ওজন কমাতেই নয়, বরং আপনার মেজাজ ভালো রাখতে, রক্তে শর্করার মাত্রা কমাতে এবং অসময়ে খিদে পাওয়া নিয়ন্ত্রণ করতে জলখাবারে কী খাচ্ছেন, সেটি খুবই গুরুত্বপূ্র্ণ।

    পুষ্টিবিদদের মতে, সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর পরই কার্বোহাইড্রেট গ্রহণ করলে ডোপামিন, ইনসুলিন এবং কর্টিসলের মতো হরমোনকে প্রভাবিত করে। যার কারণে আপনি মেজাজী এবং ক্লান্তি অনুভব করতে পারেন। দিন শুরু করার জন্য আপনার পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ জিনিস খাওয়া উচিত। তবেই দীর্ঘক্ষণ আপনার খিদে নিয়ন্ত্রণে থাকবে। তাই রুটি, বিস্কুট বা ভাতের পরিবর্তে বাদাম এবং বীজ জাতীয় খাবার বেছে নিন। ওটমিলের চেয়ে ডিম বেছে নিন।

    আরও পড়ুন: সারাক্ষণ খেতে ইচ্ছে করে? এই পাঁচটি খাবার খেলে কমবে খিদে

    কার্বোহাইড্রেট দিয়ে আপনার দিন শুরু করা উচিত নয় কেন?

    • কার্বোহাইড্রেট ইনসুলিনের মাত্রা কমিয়ে দেয় যার ফলে পেটের চর্বি বেড়ে যেতে পারে। কার্বোহাইড্রেটজ জাতীয় খাবারই ভুঁড়ি হওয়ার অন্যতম কারণ।
    • এগুলি লেপটিন প্রভাবকেও হ্রাস করে। যার ফলে আপনার খিদে পেতেই থাকে।
    • এর ফলে সারা দিন ধরেই খিদে পেতে থাকে। যার ফলে দিনের দ্বিতীয় ভাগে অস্বাস্থ্যকর স্ন্যাকস খাওয়ার প্রবণতা বাড়তে থাকে।
    • এটি গ্লাইসেমিক প্রতিক্রিয়া হ্রাস করে, যা শরীরকে ক্লান্ত করে তোলে।
    • এর ফলে অন্ত্রের ডিসবায়োসিস হতে পারে। যা থেকে পেট ফুলে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে।

    সকালে ওঠার পর কী কী খাবেন?

    • ঘুম থেকে ওঠার পর তামার পাত্র থেকে ৪০০ মিলিলিটার জল খান।
    • স্বাস্থ্যকর তেল জাতীয় খাবার বাদাম, আখরোট, আমন্ড দিয়ে আপনার দিন শুরু করুন।
    • আপনার সকালের ডায়েটে মোরিঙ্গা জল, মেথি বীজ ভেজানো জলের মতো পুষ্টিকর পানীয় যোগ করুন।
    • জলখাবারের আগে কলা বা পেঁপের মতো ফল খান।
    • একটি প্রোটিন সমৃদ্ধ ব্রেকফাস্ট করুন। যাতে দীর্ঘ সময়ের জন্য খিদে না পায়।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

     
     
  • Heart Disease: এখন যেকোনও বয়সেই রয়েছে হৃদরোগের ঝুঁকি, কোন লক্ষণগুলি দেখে বুঝবেন? 

    Heart Disease: এখন যেকোনও বয়সেই রয়েছে হৃদরোগের ঝুঁকি, কোন লক্ষণগুলি দেখে বুঝবেন? 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এখন হৃদরোগের (Heart Disease) জন্যে আর কোনও বয়স লাগে না। ৩৫-৪৫ বছর বয়সীরাও এই রোগে ব্যাপকহারে প্রাণ হারাচ্ছেন। চিকিৎসকদের মতে এর জন্য মূলত দায়ী আমাদের জীবনযাত্রা, খাওয়াদাওয়া! সময় মতো অনেকেই চিকিৎসকের দ্বারস্থ হন না। তাতেও ঝুঁকি বেড়ে যায়। কাজের চাপ বা ডাক্তার দেখানোয় অনীহাও এর অন্যতম কারণ বলেই মনে করা হচ্ছে। আবার অনেকে সমস্যা আছে সেটাও বুঝতে পারেন না। তখন দেরি হয়ে যায়। চিকিৎসকদের হাতেও তখন আর কিছু থাকে না। তাই সময় থাকতেই সাবধান হোন। কয়েকটি বিষয়ে (Early Signs) লক্ষ্য রাখলেই বুঝতে পারবেন, আপনার হার্টে সমস্যা আছে কী না। 

    আরও পড়ুন: বর্ষায় মশার জ্বালায় অতিষ্ঠ? উপদ্রব কমাতে জানুন কিছু ঘরোয়া উপায়

    শ্বাসকষ্ট ও দম ফুরিয়ে যাওয়া: যদি আপনার শ্বাসকষ্ট বা অন্য কোনও সমস্যা না থাকে এবং হঠাৎ করে শ্বাস নেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা দেখা দেয়, তবে সেটা খারাপ লক্ষণ। মূলত হৃদরোগ থেকে ফুসফুসে জল জমা-সহ বিভিন্ন জটিলতার কারণে ঠান্ডা ছাড়াও শ্বাস কষ্ট এর সমস্যা দেখা দিতে পারে। অল্পতেই দম ফুরিয়ে যাওয়া, মুখ দিয়ে নিঃশ্বাস নেওয়াও হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ। 

    অতিরিক্ত ঘাম হওয়া: অতিরিক্ত ঘাম হওয়া হার্ট অ্যাটাকের পূর্ব লক্ষণ। বিশেষ করে ডায়াবেটিক রোগীদের ক্ষেত্রে বুকে ব্যথা হওয়া ছাড়াও অতিরিক্ত ঘাম, হঠাৎ শরীর খারাপ লাগতে শুরু করলে অব্যশই চিকিৎসকের কাছে যেতে হবে।

    আরও পড়ুন: পুজোর আগে ওজন কমাতে চান? খাবারের সঙ্গে রাখুন এই ড্রিঙ্কসগুলো

    অজ্ঞান হয়ে যাওয়া: যদি কাজ করার মধ্যেই আপনি প্রায়ই হঠাৎ করে অজ্ঞান হয়ে যান, তা হলে বুঝবেন হার্টের সমস্যা রয়েছে।

    গোড়ালি ফুলে যাওয়া: হার্ট ঠিক মতো পাম্প না করলে গোড়ালিতে ফ্লুইড জমা হয়। এটা হার্টের সমস্যার বড় লক্ষণ। 

    তাড়াতাড়ি ক্লান্ত হয়ে পড়া: আপনি কি অল্পতেই ক্লান্ত হয়ে পড়েন? কিছু ক্ষণ কাজ করলে বুক ধড়ফড় করে? তবে আপনি এখনই কোনও চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। বিশেষ করে মহিলাদের হার্টের সমস্যার প্রধান লক্ষণ এটি।

    হজমে সমস্যা: পাক যন্ত্রে রক্ত কম পৌঁছলে হজমের সমস্যা হয়। সেই ক্ষেত্রে হার্টের সমস্যা হলে ঘন ঘন বদহজম হতে পারে। 

    হার্ট রেট বেড়ে যাওয়া: বুক ধড়ফড় করতে পারে। হার্টের রেট বেড়ে যেতে পারে। এরকম কইছু হলে অবশ্যই চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • Weight Loss Tips: পুজোর আগে ওজন কমাতে চান? খাবারের সঙ্গে রাখুন এই ড্রিঙ্কসগুলো

    Weight Loss Tips: পুজোর আগে ওজন কমাতে চান? খাবারের সঙ্গে রাখুন এই ড্রিঙ্কসগুলো

    মাধ্য়ম নিউজ ডেস্ক: ওজন কমানোর জন্য বর্তমানে সবাই ব্যস্ত। আর সামনেই পুজো আসছে যার জন্য ছোট থেকে বড় সবাই ওজন কমাতে মরিয়া। ফলে ওজন কমানোর জন্য অনেকেই না খেয়ে থাকেন, বা দিনের একবেলার খাবার স্কিপ করে দেন। আর সবথেকে বড় ভুল করে বসে সবাই। পুষ্টিবিদরা জানিয়েছেন, দিনের তিন বেলার খাবারের সঙ্গে কিছু ড্রিঙ্কস খাওয়া উচিত যেগুলো পুষ্টিকর তো বটেই, তবে খাবার হজমে এমনকি ওজন কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা করে থাকে।

    সকালের খাবার (ডিম ও ব্ল্যাক কফি)- ওজন কমাতে ব্ল্যাক কফির জুড়ি মেলা ভার। ডিম প্রোটিন যুক্ত খাবার ও স্বাস্থ্যের পক্ষে খুবই উপকারী, অন্যদিকে ব্ল্যাক কফি মেটাবলিজম ঠিক রাখতে সাহায্য করে। ওজন কমাতেও কফি বেশ সাহায্য করে। তবে দুধ, চিনি দেওয়া কফি নয় ওজন কমে ব্ল্যাক কফিতে। এছাড়াও আমাদের শরীরের শক্তির জোগান দেয় কফি।

    আরও পড়ুন: বর্ষায় বদহজম! জানেন এই মরসুমে সুস্থ থাকতে কী খাবেন

    দুপুরের খাবার (মাছ ও গ্রিন টি)- ওজন কমানোর ক্ষেত্রে মাছ ও গ্রিন টি-এর এই জুটি বিশেষ উপকারী। ডিমের মত মাছও প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার ও মেটাবলিজম ঠিক রাখতে সাহায্য করে। এর সঙ্গে ড্রিঙ্কস হিসেবে খান গ্রিন টি। গ্রিন টি র মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। তাই নিয়মিত গ্রিন টি খেলে হজম ভালো হয় সেই সঙ্গে ওজনও কমে।

    রাতের খাবার (বাদাম, বীজ, কালো মটরশুটি, এবং ছোলা দিয়ে স্যালাড ও আদা দিয়ে চা)- প্রোটিনে ভরপুর এই স্যালাডের সঙ্গে আদা চা, ওজন কমানোর ক্ষেত্রে খুবই উপকারী। এই স্যালাড খুব দ্রুত বিপাকের ক্রিয়াকলাপ বাড়ায় এবং আমাদের শরীরে শক্তির জোগান দেয়। ফলে খিদেও কমায়। পুষ্টিবিদদের মতে, এই স্যালাডের সঙ্গে আদা চা জুটি হিসেবে উপযুক্ত। আদাও মেটাবলিজম বাড়ায় ও খিদে কমায়।

    স্ন্যাকস (প্লেইন গ্রীক দইয়ের সঙ্গে বেরি ও জল)- গ্রীক দই প্রোটিনে ভরপুর ও অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্যও ভালো, আর ওজন কমাতেও সাহায্য করে।। অন্যদিকে বেরিও স্বাস্থ্যের পক্ষে ভালো। ফলে এই খাবারের সঙ্গে জল খেলে ওজন কমার ক্ষেত্রে অনেক সাহায্য হয়। জলে কিছু ফ্লেভার অ্যাড করতে শশা বা পুদিনা পাতা দিতে পারেন।

     

  • Heart Attack: অতিরিক্ত ওয়ার্ক আউট কী হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা বাড়াচ্ছে? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    Heart Attack: অতিরিক্ত ওয়ার্ক আউট কী হার্ট অ্যাটাকের প্রবণতা বাড়াচ্ছে? কী বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি ১০ অগাস্ট জিমে ওয়ার্ক আউট করার সময় হৃদরোগে (Heart Attack) আক্রান্ত হন কমেডিয়ান রাজু শ্রীবাস্তব (Raju Srivastava)। সংবাদমাধ্যম সূত্রের খবর তিনি ট্রেডমিলে দৌড়নোর সময় অসহ্য ব্যথা অনুভব করেন। তারপরেই পড়ে যান। এরপরেই তাঁকে এইমস হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জানা গিয়েছে ৫৮ বছর বয়সী কমেডিয়ানের অবস্থা এখন খানিকটা স্থিতিশীল।  

    শুধু এটাই নয়। কলকাতার ১৯ বছর বয়সী এক তরুণীও ওয়ার্ক আউট (Workout)করার সময় হঠাতই পড়ে যান। হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। তাঁর হৃদরোগ সংক্রান্ত কোনও সমস্যার ইতিহাস ছিল না।

    আরও পড়ুন: ভাইরাল হেপাটাইটিস থেকে দূরে থাকতে চান? বদল আনুন জীবনশৈলীতে

    একের পর এক এইরকম অনভিপ্রেত ঘটনায় বেশ চিন্তিত স্বাস্থ্য মহল। তাহলে কী গোড়াতেই গলদ? আমরা বুঝতেই পারছি না আমাদের শরীরের চাহিদা কী?

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, টেকনোলজির অত্যাধিক ব্যবহারে দৈনন্দিন জীবন ভয়ঙ্করভাবে প্রভাবিত হচ্ছে। সবার শরীর ভিন্ন। এক একজনের শরীরের এক একরকমের ব্যায়ামের প্রয়োজন। 

    আজকাল আমরা ফিট থাকার জন্যে স্মার্ট ওয়াচ এবং স্মার্ট ফোনের ওপর খুব নির্ভরশীল হয়ে পড়েছি। আমরা যদি আগে থেকে ঠিক করে দেওয়া মাপ ১০ কিলোমিটার হাঁটতে না পারি, তাহলে শরীরের ওপর চাপ দিতে শুরু করি। এমনকি সেটা আমাদের শরীর না চাইলেও। আমাদের সবার শরীরের গঠন আলাদা। তাই আমাদের ক্ষেত্রে ব্যায়ামও আলাদাই হবে। 

    আরও পড়ুন: ফের মাথা চাড়া দিচ্ছে এইচআইভি, কী করে এই রোগ থেকে দূরে থাকবেন?

    চিকিৎসকদের মতে, এখন ১৮-২০ বছর বয়সীরাও হৃদরোগের শিকার হচ্ছেন। কার্ডিওলজি সোসাইটি অফ ইন্ডিয়ার দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এদেশে ৩৫-৫০ বয়সীদের মধ্যে প্রতি মিনিটে ৪ জনের মৃত্যু হয়। হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে যাদের মৃত্যু হচ্ছে তাঁদের মধ্যে ২৫% – এর বয়সই ৩৫ বছরের নীচে। 

    আগে মনে করা হত এই রোগ শুধু বয়স্কদেরই হয়। যারা একদমই ওয়ার্ক আউট করেন না, তাদের হৃদরোগে আক্রান্ত হওয়ার সম্ভবনা বেশি থাকে। কিন্তু যারা অতিরিক্ত ওয়ার্ক আউট করেন, তাঁদেরও এই রোগে আক্রান্ত হওয়ার প্রবণতা প্রবল। স্টেরয়েডের ব্যবহারও অত্যন্ত ক্ষতিকারক। অ্যাসোসিয়েটেড এশিয়া রিসার্চ ফাউন্ডেশনের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ভারতে যারা জিমে যান, তাঁদের মধ্যে ৩০ লক্ষ মানুষই স্টেরয়েড নেন। এদের মধ্যে ৭৩% – এর বয়স ১৬-৩৫ – এর মধ্যে। এরা পরিশ্রম করে নয়, কম সময়ে ইনজেকশন নিয়ে সুঠাম শরীর তৈরি করতে চান। 

     

     

     

LinkedIn
Share