Tag: health tips

health tips

  • Health Tips: সুন্দর ত্বকের জন্য ডায়েটে রাখুন এই ১০টি প্রয়োজনীয় খাবার

    Health Tips: সুন্দর ত্বকের জন্য ডায়েটে রাখুন এই ১০টি প্রয়োজনীয় খাবার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উজ্জ্বল আর কোমল ত্বক কে না চায়! সুন্দর ত্বক পেতে আমরা কত রকমের জিনিসই ব্যবহার করে থাকি। যেমন- স্কিন ট্রিটমেন্ট, স্কিন কেয়ার রুটিনে কত রকমের স্টেপ, ঘরোয়া টোটকা, ফেসিয়াল, দামি দামি ক্রিম আরও কত কী! পারফেক্ট স্কিনের জন্য প্রয়োজন সঠিকভাবে স্কিন কেয়ার রুটিন ফলো করা। তবে ত্বককে ভেতর থেকে সুন্দর করে তুলতে শুধু বাইরের রূপচর্চাই যথেষ্ট নয়। ভেতর থেকেও পুষ্টির যাতে ঘাটতি না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখা উচিত। প্রয়োজনীয় পুষ্টি পেলেই ত্বক হয়ে উঠবে দাগহীন। ত্বকের উজ্জ্বলতা ধরে রাখতে ডায়েটে রাখুন কিছু স্বাস্থ্যকর খাবার। কোন খাবারগুলো ত্বকের জন্য কার্যকরী, চলুন জেনে জেনে নেওয়া যাক-

    ক্যাপসিকাম

    এটি আপনার ত্বকের জন্য বিশেষ কার্যকরী কারণ এটি ত্বকের টিস্যু তৈরির জন্য অপরিহার্য এবং এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে পূর্ণ। এছাড়াও ক্যাপসিকামে উচ্চ ফাইবার, কম শক্তি এবং ভিটামিন এ, আয়রন, ভিটামিন বি৬, ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, পটাসিয়াম এবং ম্যাঙ্গানিজের মতো পুষ্টি উপাদান রয়েছে যা ত্বকের জন্য উপকারী।

    চর্বিযুক্ত মাছ

    স্যামনের মতো মাছ যাতে ওমেগা -3 ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ উচ্চ মানের প্রোটিন, ভিটামিন ই এবং জিঙ্ক রয়েছে যা প্রদাহ কমাতে পারে এবং আপনার ত্বককে কোমল রাখতে পারে।

    আখরোট

    আখরোট হল প্রয়োজনীয় চর্বি, ভিটামিন ই, জিঙ্ক, সেলেনিয়াম এবং প্রোটিনের একটি বড় উৎস- এগুলি সবই আপনার ত্বককে ঠিক রাখার জন্য প্রয়োজনীয়।

    ব্রকলি

    ব্রকলি ক্যারোটিনয়েড, ভিটামিন এবং খনিজগুলির একটি দুর্দান্ত উৎস যা ত্বকের ক্যান্সার প্রতিরোধ করতে এবং ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সহায়তা করতে পারে।

    আরও পড়ুন: এই ছটি ফল খান, আর পেয়ে যান উজ্জ্বল ও কোমল ত্বক

    ডার্ক চকোলেট

    কোকোতে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা ত্বকের গঠন, বলিরেখা এবং রক্ত ​​প্রবাহ উন্নত করতে সাহায্য করে।

    বেরি

    স্ট্রবেরি, রাস্পবেরি বা ব্লুবেরি ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ যা ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে।

    অ্যাভোকাডো

    অ্যাভোকাডোতে প্রচুর পরিমাণে ভালো চর্বি, ভিটামিন ই এবং সি থাকে যা স্বাস্থ্যকর ত্বকের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

    সূর্যমুখী বীজ

    সূর্যমুখী বীজে ভিটামিন ই এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট আছে যা ত্বকের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ খাবার।

    গ্রিন টি

    গ্রিন টি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ যা আপনার ত্বককে সূর্যের ক্ষতি থেকে রক্ষা করতে পারে। এছাড়াও ত্বককে হাইড্রেট রাখতে সাহায্য করে।

    টোম্যাটো

    ত্বক ভালো রাখতে উজ্জ্বল রঙের সবজি, টকজাতীয় খাবার (ভিটামিন সি), প্রোটিন ও ওমেগা-থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড বেশ কার্যকর। তবে ত্বকের জন্য হিসেবে আলাদা করে লাল টোম্যাটোর কথা বলতেই হয়। টমেটোতে রয়েছে প্রচুর পটাসিয়াম ও ভিটামিন সি, যা উজ্জ্বল ত্বকের মূল রহস্য। এতে লাইকোপিন নামের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে, যা ত্বকের বিভিন্ন দাগ, বলিরেখা এবং শুষ্কভাব দূর করে ত্বক মসৃণ করে।

     

  • Healthy Diet Tips: সারাক্ষণ খেতে ইচ্ছে করে? এই পাঁচটি খাবার খেলে কমবে খিদে

    Healthy Diet Tips: সারাক্ষণ খেতে ইচ্ছে করে? এই পাঁচটি খাবার খেলে কমবে খিদে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সবসময়ই কিছু না কিছু খেতে ইচ্ছে করে? আরও বিশেষ করে ডায়েটের সময় তো খিদে খিদে ভাব লেগেই থাকে। তাই তো! এর ফলে অনেকের মেজাজ খিটখিটে স্বভাবের হয়ে থাকে, আর এমন সময়ে যা সামনে পড়ে তা-ই খেতে শুরু করা, সারাক্ষণ তেলে ভাজা বা শর্করা-জাতীয় খাবার খাওয়া শুরু করলেই তখনই নানা রকমের সমস্যা দেখা দেয়। এতে একদিকে যেমন ওজন বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা রয়েছে, অন্যদিকে রয়েছে নানা রোগের আক্রান্ত হওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে।

    তবে কি খিদে লাগলে না খেয়ে থাকবেন? অবশ্যই না। খেতে ইচ্ছে করলে এমন কিছু খান, যা শরীরের জন্য ভালো হবে। আবার তা আপনার জন্য ক্ষতিকরও হবে না। পুষ্টিবিদদের পরামর্শ অনুযায়ী, এমন সময়ে কী কী খাবার খাবেন তা জেনে নিন।

    আমন্ড বাদাম

    আমন্ডকে ‘সুপারফুড’ বলা হয়। এই বাদাম অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট, ভিটামিন ই, ম্যাগনেশিয়াম, উপকারী ফ্যাট, প্রোটিন ও ফ্যাটে সমৃদ্ধ। ফলে আমন্ড যেমন স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী তেমনই খিদে পেলে এটি খেলে খিদেও কমে যায়।

    আরও পড়ুন: পুজোর আগে ওজন কমাতে চান? খাবারের সঙ্গে রাখুন এই ড্রিঙ্কসগুলো

    নারকেল

    পুষ্টিবিদদরা জানিয়েছেন, নারকেল দেহের ফ্যাট দ্রুত কমাতে সাহায্য করে। এছাড়াও নারকেল খেলে খিদেও কমে ও এটি স্বাস্থ্যের পক্ষে উপকারী।

    স্প্রাউট

    ছোলার স্প্রাউট বা অঙ্কুর প্রোটিন ও ফাইবারে সমৃদ্ধ। এই প্রোটিন জাতীয় খাবার খেলে হজম হতে সময় লাগে। ফলে খুব সহজে খিদে পায় না।

    বাটারমিল্ক

    প্রোবায়োটিক উপাদানে সমৃদ্ধ খাবার হল বাটারমিল্ক। এছাড়াও এটি প্রোটিন, ক্যালশিয়ামে সমৃদ্ধ তাই এটি খিদে কমানোর পাশাপাশি সারাদিন শরীরকে হাইড্রেটেড ও এনার্জেটিক রাখতে সাহায্য করে।

    তিসি বীজের সঙ্গে ভেজিটেবিল জুস

    ভেজিটেবিল জুস ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ। আর তিসি বীজ স্বাস্থ্যকর ফ্যাটে সমৃদ্ধ। এই জুসের সঙ্গে তিসি বীজ মিশিয়ে খেলে শরীর থেকে টক্সিন বের হয়ে যায় ও খিদেও কম পায়। 

     

  • HIV Prevention: ফের মাথা চাড়া দিচ্ছে এইচআইভি, কী করে এই রোগ থেকে দূরে থাকবেন?

    HIV Prevention: ফের মাথা চাড়া দিচ্ছে এইচআইভি, কী করে এই রোগ থেকে দূরে থাকবেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে ফের মাথা চাড়া দিচ্ছে এইচআইভি (HIV) সংক্রমণ। সম্প্রতি স্থানীয় পার্লার থেকে ট্যাটু করার পরে ১৪ জনের শরীরে এইচআইভির হদিশ মিলেছে। উত্তরপ্রদেশের বারানসীতে ঘটেছে এই ভয়ঙ্কর ঘটনা। স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী খরচ বাঁচানোর জন্যে একই সূচ ব্যবহার করা হয়েছিল। তাই ট্যাটু করার আগে সবাইকে খেয়াল করতে হবে যে নতুন সূচ ব্যবহার করা হচ্ছে কি না।

    আরও পড়ুন: ভাইরাল হেপাটাইটিস থেকে দূরে থাকতে চান? বদল আনুন জীবনশৈলীতে

    এইচআইভি এক অন্যতম মারণ ভাইরাস। এর পুরো নাম হিউম্যান ইমিউনো ডেফিসিয়েন্সি ভাইরাস। এই ভাইরাস থেকেই জন্ম দেয় এইডস (AIDS) রোগ। এইচআইভি মূলত শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার ওপর আঘাত করে। সময়মত চিকিৎসা না হলে এই ভাইরাসের আক্রমণে শরীরের টি সেল কমে যায়। এই টি সেলই রোগের সঙ্গে শরীরকে লড়াই করতে সাহায্য করে। ফলে বিভিন্ন ধরনের রোগ নিশ্চিন্তে বাসা বাঁধে শরীরের আনাচে কানাচে। 

    পৃথিবীর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর রোগগুলির মধ্যে এটি একটি। এবং এই রোগের এখনও অবধি কোনও চিকিৎসা নেই। তাই এই রোগ থেকে কী করে নিজেকে দূরে রাখা যায়, সেদিকে নজর রাখাই সব থেকে জরুরী। 

    আরও পড়ুন: কী করলে নিয়ন্ত্রণে থাকবে কোলেস্টেরল? জেনে নিন

    কী ভাবে দূরে থাকবেন এইচআইভি থেকে?  

    ১। শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমেই সবচেয়ে বেশি ছড়ায় এই রোগ। তাই শারীরিক সম্পর্কের সময় সতর্কতা অবলম্বন করুন। শারীরিক সম্পর্কের আগে নিজের এবং সঙ্গীর ডাক্তারি পরীক্ষা করিয়ে নিন। কন্ডোমের ব্যবহার সেক্ষেত্রে অত্যন্ত জরুরী। একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক এড়িয়ে চলুন। 

    ২। রক্তের মাধ্যমেও দ্রুত ছড়ায় এই রোগ। যদি রক্ত দেওয়া বা নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে তাহলে সেক্ষেত্রে দাতা এবং গ্রহীতা দুজনকেই অত্যন্ত সতর্ক থাকতে হবে। পরীক্ষা না করে রক্ত নেওয়া যাবে না। এছাড়া একই সূচের ব্যবহারেও এই রোগ ছড়ায়। সে বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। একই সূচ, ব্লেড একাধিক ব্যক্তির শরীরে ঠেকানো যাবে না। নতুন সূচ বা ব্লেড ব্যবহার করতে হবে। 

    ৩। মায়ের থেকে সন্তানের শরীরেও ছড়ায় এইচআইভি। তাই যে মায়েরা এই রোগে আক্রান্ত তাঁরা শিশুকে স্তন্যপান করাবেন না। গর্ভবতীদের ক্ষেত্রে ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। 

    ৪। বডিলি ফ্লুইডের মাধ্যমেও ছড়ায় এই রোগ। তাই সতর্ক থাকুন। মাঝে মাঝেই এই রোগের পরীক্ষা করান। তাহলেই রোগ থেকে দূরে থাকতে পারবেন। 

  • Viral Hepatitis: ভাইরাল হেপাটাইটিস কী? উপসর্গ কী? জানুন বিস্তারিত

    Viral Hepatitis: ভাইরাল হেপাটাইটিস কী? উপসর্গ কী? জানুন বিস্তারিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লিভার শরীরের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। সেই লিভারের অসুখ হল “হেপাটাইটিস”। মূলত লিভারের প্রদাহ। লিভারের প্রদাহ দেখা দিলে, একটা সময় ক্ষতর সৃষ্টি হয় এবং লিভার তার কার্যক্ষমতা হারায়। অতিরিক্ত মাত্রায় মদ্যপান, টক্সিন, ওষুধ এইসব হেপাটাটাইটিসের কারণ হতে পারে। এছাড়াও জিনগত কারণেও হেপাটাইটিস হতে পারে। তবে, হেপাটাইটিসের প্রধান কারণ হল ভাইরাল সংক্রমণ। ভারতে সবথেকে বেশী যে ভাইরাল হেপাটাইটিস (Viral Hepatitis) দেখা যায়, সেগুলি হল, হেপাটাইটিস এ, হেপাটাইটিস বি, হেপাটাইটিস সি, হেপাটাইটিস ডি ও হেপাটাইটিস ই।  

    আরও পড়ুন: জানেন কি, কয়েকটি সহজ পদ্ধতি মেনেই আপনি হারাতে পারেন ফুসফুসের ক্যান্সারকে?

    ভাইরাল হেপাটাইটিস কী? 

    ভাইরাল হেপাটাইটিস মূলত এক রকমের ভাইরাল সংক্রমণ, যা সরাসরি লিভারে আক্রমণ করে। এর ফলে লিভারের টিস্যুর আকার বৃদ্ধি পায়। শরীরের ভয়ঙ্কর ক্ষতি করতে পারে এই হেপাটাইটিস। পরবর্তীতে এই সংক্রমণ শরীরের অন্যান্য অঙ্গেও ছড়াতে পারে। বিশেষজ্ঞরা দেখেছেন, এ, বি, সি, ডি এবং ই – এই পাঁচ রকমের হেপাটাইটিসেই সাধারণত সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হন ভারতীয়রা। খাবার, পানীয় জল থেকেও এই সংক্রমণ ছড়াতে পারে। কম সিদ্ধ মাংস থেকেও হতে পারে এই রোগ। আক্রান্তের রক্ত এবং বডি ফ্লুইড থেকে ছড়াতে পারে হেপাটাইটিস বি,সি এবং ডি।  

    এই রোগের প্রাথমিক লক্ষণগুলি কী কী?

    • ভাইরাল হেপাটাইটিসের উপসর্গগুলি (Symptoms) অনেকটাই ফ্লুয়ের মতো। 
    • এছাড়াও রয়েছে ক্লান্তি, গাঢ় প্রস্রাব, হালকা রঙের প্রস্রাব, জ্বর, বমি ও জণ্ডিসের (ত্বক ও চোখের সাদা অংশ হলুদ হয়ে যায় ) মতো উপসর্গ। 
    • তবে, এই ভাইরাসগুলির সংক্রমণের ক্ষেত্রে সমস্ত উপসর্গ দেখা যায় না এবং অনেক সময় বুঝতেও পারা যায় না। 
    • বিরল ক্ষেত্রে, তীব্র ভাইরাস হেপাটাইটিসের ফলে লিভারের কাজ সম্পূর্ণ বন্ধ হয়ে যায়। আক্রান্ত হওয়ার কয়েক ঘণ্টা থেকে কয়েক দিনের মধ্যে লিভারের কার্যকারিতার চরম অবনতি ঘটে। 

    আরও পড়ুন: কী করলে নিয়ন্ত্রণে থাকবে কোলেস্টেরল? জেনে নিন

    শারীরিক সম্পর্কে কী হেপাটাইটিস ছড়ায়?

    সবচেয়ে বেশি যে সংক্রমণ ছড়ায় তা হল হেপাটাইটিস এ। এই হেপাটাইটিস এ শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে ছড়াতে পারে। স্পর্শে সবসময় হেপাটাইটিস না ছড়ালেও বডি ফ্লুইডের আদানপ্রদানে ছড়াতে পারে এই রোগ। যারা ড্রাগ নেন, একই সূচের ব্যবহারে তাঁদের শরীরে ছড়াতে পারে এই রোগ। 

     

  • Viral Hepatitis: ভাইরাল হেপাটাইটিস থেকে দূরে থাকতে চান? বদল আনুন জীবনশৈলীতে

    Viral Hepatitis: ভাইরাল হেপাটাইটিস থেকে দূরে থাকতে চান? বদল আনুন জীবনশৈলীতে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাইরাল হেপাটাইটিস মূলত এক রকমের ভাইরাল সংক্রমণ, যা সরাসরি লিভারে আক্রমণ করে। এর ফলে লিভারের টিস্যুর আকার বৃদ্ধি পায়। শরীরের ভয়ঙ্কর ক্ষতি করতে পারে এই হেপাটাইটিস। পরবর্তীতে এই সংক্রমণ শরীরের অন্যান্য অঙ্গেও ছড়াতে পারে। বিশেষজ্ঞরা দেখেছেন, এ, বি, সি, ডি এবং ই – এই পাঁচ রকমের হেপাটাইটিসেই সাধারণত সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত হন ভারতীয়রা। খাবার, পানীয় জল থেকেও এই সংক্রমণ ছড়াতে পারে। কম সিদ্ধ মাংস থেকেও হতে পারে এই রোগ। আক্রান্তের রক্ত এবং বডি ফ্লুইড থেকে ছড়াতে পারে হেপাটাইটিস বি,সি এবং ডি।

    আরও পড়ুন: ভাইরাল হেপাটাইটিস মূলত এক রকমের ভাইরাল সংক্রমণ, যা সরাসরি লিভারে আক্রমণ করে।  

    ভাইরাল হেপাটাইটিস থেকে বাঁচতে কী কী করবেন (Prevention)?

    পরিষ্কার জল পান করুন 

    পানীয় জল যেন পরিষ্কার হয়। ভালো ব্র্যান্ডের ইউভি, ক্যান্ডেল যুক্ত ফিল্টার ব্যবহার করুন। বাড়ির বাইরে গেলে ভালো ব্র্যান্ডের ও বিশ্বাসযোগ্য রিটেলারের জল পান করুন।   

    রাস্তার ধারের খাবার এড়িয়ে চলুন 

    রাস্তার ধারের খাবার খাওয়া এড়িয়ে যেতে হবে। বিশেষ করে ফলের রস, মিল্কশেক। 

    স্যালনে গেলে সাবধান থাকুন 

    নাপিতের দোকান, বিউটি স্যালনে যেন ভালোভাবে স্টেরিলাইজ না করে একই ক্ষুর, মেটাল স্ক্র্যাপার একাধিক ব্যক্তির ত্বকে ব্যবহার করা যাবে না। সেদিকে খেয়াল রাখুন। এর ফলে সংক্রমণের উচ্চ সম্ভাবনা থাকে।  

    সুরক্ষিতভাবে যৌন অভ্যাস

    এইচসিভির তুলনায় হেপাটাইটিস বি-এর ক্ষেত্রে যৌন সংক্রমণ বেশী হয়। সুরক্ষিতভাবে যৌন অভ্যাস বজায় রাখতে হবে। 

    ইনট্রাভেনাস ড্রাগ থেকে সচেতনতা  

    ইনট্রাভেনাস ড্রাগ ব্যবহার ভারতীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে ব্যাপকভাবে বেড়েছে। একই সূচ দিয়ে ড্রাগ নেন একাধিক ব্যক্তি। এর ঝুঁকি সম্পর্কে নিজের সন্তানদের সচেতন করুন। 

    আরও পড়ুন: কী করলে নিয়ন্ত্রণে থাকবে কোলেস্টেরল? জেনে নিন

    টিকা  

    হেপাটাইটিস এ ও বি টিকার দ্বারা প্রতিরোধ করা সম্ভব। টিকার দ্বারা প্রতিরোধক্ষম একমাত্র ক্যান্সার হল হেপাটাইটিস বি-র ফলে হওয়া লিভার ক্যান্সার। 
     
    শনাক্তকরণ

    এইচবিভি ও এইচসিভিকে প্রাথমিক পর্যায়েই শনাক্ত করতে হবে। উভয় ভাইরাসের জন্যই কার্যকরী চিকিৎসা উপলব্ধ আছে। ঠিক সময় শনাক্ত করা না গেলে, এর থেকে লিভার ক্যানসার ও লিভার সিরোসিস ঘটতে পারে। 
     

  • Fitness Tips: জন আব্রাহামের মত বডি পেতে চান? তবে মেনে চলুন এই ৪টি ফিটনেস টিপস

    Fitness Tips: জন আব্রাহামের মত বডি পেতে চান? তবে মেনে চলুন এই ৪টি ফিটনেস টিপস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুন্দর, ফিট ও সুস্থ চেহারা সকলেই চায়। কিন্তু জিমে যাওয়া আর হয়ে ওঠে না, তাই তো? তবে আর চিন্তা নেই। একমাত্র জিম করলেই যে ফিট থাকা যায়, এটি একদমই ভুল ধারণা। দৈনিক জীবনধারায় কিছু পরিবর্তন আনলে আপনিও হয়ে উঠবেন ফিট। এমনই কিছু ভালো অভ্যাসের কথা বলেছেন বলিউড অভিনেতা জন আব্রাহাম (John Abraham)। বলিউড সেনসেশন হওয়ার আগেও, জন আব্রাহাম তাঁর ফিট বডির জন্য জনপ্রিয় ছিলেন। তাঁর মত বডি, সিক্স প্যাক সবাই পেতে চান। তাই যদি আপনিও জনের মতই ফিট হতে চান, মেনে চলুন কিছু নিয়ম। এক সংবাদমাধ্যমে অভিনেতা তাঁর ওয়ার্কআউটের ৪টি টিপস সবার সঙ্গে শেয়ার করেছেন।

    রাতে তাড়াতাড়ি শুয়ে পড়ুন- জন সাধারণত রাতে বেশিক্ষণ জেগে থাকেতে পছন্দ করেবন না। তিনি রাত ৯টা ৩০ মিনিটে ঘুমোতে যান এবং ভোর সাড়ে চার টায় ওঠেন। মনে করা হয় যারা আর্লি রাইজার তাঁরা বেশি প্রোডাক্টিভ হন। ফলে সকাল সকাল উঠলে মনও ভালো থাকে, আর মন ভালো থাকলেই শরীরও সুস্থ থাকে।

    আরও পড়ুন: ব্যায়াম শুরুর আগে ব্যাস এক চিমটে নুন, তাতেই কেল্লা ফতে!

    চিনি না খাওয়া- জন মনে করেন সিগারেট খাওয়ার চেয়ে চিনি বেশি বিপজ্জনক। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, ওজন বৃদ্ধির পাশাপাশি মিষ্টিজাতীয় খাবার এবং কোল্ড ড্রিঙ্কসের অতিরিক্ত গ্রহণ হৃদরোগ এবং রক্তে শর্করার সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়। ফলে চিনি থেকে দূরে থাকাই ভালো।

    সকালের ব্রেকফাস্ট স্কিপ না করা- কখনওই ব্রেকফাস্ট বাদ দেওয়া উচিত নয়। আর সকালের খাবার সবসময় প্রোটিন সমৃদ্ধ হওয়া উচিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, সকালে যদি প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া হয় তা হলে ব্লাড সুগার লেভেল নিয়ন্ত্রণে থাকে, প্রচুর এনার্জিও পাওয়া যায়।

    আরও পড়ুন: ভাত খেয়েও ওজন কমাতে চান? জেনে নিন এই পাঁচটি টিপস

    খেলাধুলা করা- সবসময় কোনও না কোনও খেলাধুলার মধ্যে থাকতে হয়, যাতে শরীর অ্যাক্টিভ থাকে। এর ফলস্বরূপ আপনার পুরো শরীর আরও ফিট হয়ে ওঠে ও আপনি আরও বেশি শক্তিশালী হয়ে উঠবেন। জনও ফুটবল খেলার সঙ্গে জড়িত।

  • Cholesterol: কী করলে নিয়ন্ত্রণে থাকবে কোলেস্টেরল? জেনে নিন

    Cholesterol: কী করলে নিয়ন্ত্রণে থাকবে কোলেস্টেরল? জেনে নিন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রক্তের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ উপাদান কোলেস্টেরল (Cholesterol)। শরীরে উপস্থিত চার ভাগের তিন ভাগ কোলেস্টেরল স্বাভাবিকভাবে দেহেই তৈরি হয়। বাকি এক ভাগ আসে বিভিন্ন প্রাণীজ খাবার থেকে। রক্তে দুধরনের কোলেস্টেরল থাকে। LDL (লো ডেনসিটি লিপিড প্রোফাইল) ও HDL (হাই ডেনসিটি লিপিড প্রোফাইল)। এরমধ্যে HDL-কে বলা হয় ‘গুড কোলেস্টেরল’ আর LDL-কে বলা হয় ‘ব্যাড কোলেস্টেরল’।
     
    এই গুড এবং ব্যাড কোলেস্টেরলের মধ্যে ভারসাম্যের অভাব ঘটলেই শরীরে বিভিন্ন রকম উপসর্গ দেখা দেয়। হৃদরোগ, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে। তাই দেহে কোলেস্টেরলের মাত্রা ঠিক রাখতে আমাদের প্রত্যেকেরই উচিত কিছু খাদ্যাভ্যাস মেনে চলা এবং জীবনশৈলীতেও কিছু পরিবর্তন আনা।

    আরও পড়ুন: এই ছটি ফল খান, আর পেয়ে যান উজ্জ্বল ও কোমল ত্বক

    নিয়মিত এই অভ্যেসগুলো মেনে চললেই আপনার শরীরের কোলেস্টেরল থাকবে নিয়ন্ত্রণে।

    খাবারে ফাইবারের মাত্রা বাড়ান

    ফাইবার কোলেস্টেরলকে নিয়ন্ত্রণে রাখে। ফাইবারযুক্ত খাবার খান। হোল গ্রেইন, বার্লি, ব্র্যান, ফ্ল্যাকস সিড এই খাবারগুলিতে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার থাকে।

    ট্রান্স ফ্যাট

    ট্রান্স ফ্যাটকে খাবারের তালিকা থেকে একেবারে সরিয়ে ফেলুন। এতে ব্যাড কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। মূলত ভাজা খাবারে থাকে এই ট্রান্স ফ্যাট। এছাড়াও প্যাকেট করা বেকারির খাবারেও থাকে ট্রান্স ফ্যাট। যেমন, কুকিজ, কেক, ক্র্যাকার।

    খাবারে স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণে রাখুন

    স্যাচুরেটেড ফ্যাটের পরিমাণ খাবারে বেশি থাকলে শরীরে ব্যাড কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। চিজ, রেড মিটে স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। 

    আরও পড়ুন: অ্যানিমিয়ায় ভুগছেন? শরীরে হিমোগ্লোবিন বাড়াতে ডায়েটে রাখুন এই সুপারফুড

    স্বাস্থ্যকর ফ্যাট খান 

    আনস্যাচুরেটেড ফ্যাট আপনার শরীরে ব্যাড কোলেস্টেরলের মাত্রা কমিয়ে গুড কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়ায়। তাই বাটার, ক্রিম, মেয়নিজের বদলে খান অলিভ তেল, পিনাট বাটার, অ্যাভোকাডো, ক্যানোলা তেল, সরষের তেল। 

    রোজ ব্যায়াম করুন

    নিয়মিত ব্যায়াম করলে আপনার শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। রোজ ৩০ মিনিট ব্যায়াম করুন।  

    শরীরের ওজনের দিকে খেয়াল রাখুন

    অতিরিক্ত ওজন থাকলে, তা কমানোর চেষ্টা করুন। ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকলে কোলেস্টেরলও নিয়ন্ত্রণে থাকবে। 

    ধুমপান ত্যাগ করুন

    হাই কোলেস্টেরলের অন্যতম বড় কারণ ধুমপান। তাই কোলেস্টেরলকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে সবার আগে ধুমপান পরিত্যাগ করুন।

    পরিমিত মদ্যপান করুন 

    বেশি পরিমাণে মদ্যপান স্বাস্থ্যের ক্ষতি করে। এতে শরীরে খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রাও বৃদ্ধি পায়। তাই মদ্যপান নিয়ন্ত্রণে রাখুন। 

     

  • Health Tips: হার্ট সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে ‘নর্ডিক ওয়াকিং’-এর গুরুত্ব জেনে নিন…

    Health Tips: হার্ট সুস্থ রাখার ক্ষেত্রে ‘নর্ডিক ওয়াকিং’-এর গুরুত্ব জেনে নিন…

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাঁটার জন্য আলাদা কোনও কিছুর প্রয়োজন পড়ে না। আপনি যেখানে যেভাবে আছেন সেখান থেকেই হাঁটা শুরু করতে পারেন। আসলে হাঁটা হল খুবই সহজ একটি এক্সারসাইজ। তাই সুস্থ থাকার জন্য ও হার্ট ভালো রাখার ক্ষেত্রেও হাঁটার জন্য পরামর্শ দিয়ে থাকেন ডাক্তাররা। তবে জানেন কী ঠিক কতটা হাঁটা দরকার? কারণ অতিরিক্ত হাঁটালেও অনেক সময় সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই দিনে কতক্ষণ হাঁটা আপনার হার্টের জন্য উপযুক্ত, সেটি জানা দরকার।

    চিকিৎসকদের মতে, নিয়মিত হাঁটার অভ্যাসে শরীরের সব অঙ্গে রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক হয়। শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং অনেক রোগ দূরে থাকে। এর পাশাপাশি বিশেষজ্ঞদের মতে, নিয়মিত হাঁটার অভ্যাস হার্টও সুস্থ রাখে। হৃদরোগের কারণে অকালে বহু মানুষ প্রাণ হারান। হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক- এসবের মাত্রাও বর্তমানে ক্রমাগত বেড়ে চলেছে। এই পরিস্থিতিতে হৃদরোগ দূরে রাখতে নিয়মিত হাঁটার পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসক থেকে বিশেষজ্ঞরাও।

    আরও পড়ুন: সাবধান! ভুলেও অবহেলা করবেন না, হার্ট অ্যাটাকের এই ৮টি লক্ষণ

    বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি প্রতি সপ্তাহে অন্তত আড়াই ঘণ্টা হাঁটা যায়, তবে হৃদরোগের ঝুঁকি অনেকাংশে কমে যায়, অর্থাৎ হার্ট সুস্থ রাখতে প্রতিদিন মাত্র ২১ মিনিট হাঁটলেই যথেষ্ট। তাদের মতে, সুস্থ থাকার জন্য যেমন খাদ্যাভ্যাসের দিকে নজর দিতে হয়। তেমনই শরীরচর্চা করাও খুবই জরুরি। কিন্তু অনেক মানুষই কাজের চাপে শরীরচর্চায় বিশেষ নজর দিয়ে উঠতে পারেন না। সে ক্ষেত্রে নিয়ম করে প্রতিদিন কিছুক্ষণ হাঁটার পরামর্শ দিচ্ছেন তাঁরা।

    এছাড়াও এক নতুন গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ওয়ার্কআউটের চেয়েও নর্ডিক হাঁটা (Nordic Walking) আপনার হার্টের ক্ষেত্রে বেশি কার্যকর। নর্ডিক ওয়াকিং-এ লাঠি নিয়ে একটি বিশেষ পদ্ধতিতে হাঁটতে হয়। আর এইভাবে হাঁটলে কার্ডিওভাসকুলার রোগের ঝুঁকি কমে, উচ্চ রক্তচাপকেও  নিয়ন্ত্রণে আনা যায়।

    আরও পড়ুন: হার্ট ভালো রাখতে সাহায্য করে ডার্ক চকোলেট! কি বলছেন বিশেষজ্ঞরা?

  • Vitamins: দৃষ্টিশক্তি কমে যাচ্ছে? সাবধান! এই ভিটামিনের অভাব আপনাকে করে তুলতে পারে অন্ধ

    Vitamins: দৃষ্টিশক্তি কমে যাচ্ছে? সাবধান! এই ভিটামিনের অভাব আপনাকে করে তুলতে পারে অন্ধ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শরীরকে সুস্থ রাখতে নানা ধরনের ভিটামিন (Vitamin) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ফলে সুস্থ থাকতে সব ধরনের ভিটামিন-মিনারেল গ্রহণ করা জরুরি। তবে সব খাবারের মধ্যে তো আর ভিটামিন থাকে না। তাই ভিটামিন মিনারেলযুক্ত খাবারের অভাব হলেই শরীরে ভিটামিনের ঘাটতি দেখা যায়। আর এই কারণেই শরীরে নানা ধরনের সমস্যা দেখা দেয়। তবে এই সমস্যা সাময়িক। শরীরে যে কোনও ভিটামিনের ঘাটতি দেখা দিলে খাবার এবং নির্দিষ্ট ওষুধের মাধ্যমে তা পূরণ করা সম্ভব হয়।

    তবে শরীরে যে ভিটামিনের অভাব দেখা গিয়েছে তা অনেকেই বুঝতে পারেন না। ফলে তার ঠিকমত চিকিৎসাও করাও হয়ে ওঠে না যার ফলে শরীরে আরও বিভিন্ন রোগ বাসা বাঁধতে শুরু করে। তাই আপনার অবশ্যই জেনে রাখা দরকার, শরীরে কোন কোন লক্ষণ ফুটে উঠলে বুঝতে পারবেন আপনার  শরীরে ভিটামিনের অভাব রয়েছে। মানব শরীরে সাধারণত ১৩ রকমের ভিটামিন প্রয়োজন আছে। সারা বিশ্বে প্রায় প্রতি বছর ২৫ লক্ষ শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ ভিটামিন এ-র অভাবে ভুগে থাকে। একই ভাবে ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতিও দৃষ্টিশক্তি হ্রাসের কারণ হয়ে ওঠে।

    কীভাবে বুঝবেন শরীরে ভিটামিনের অভাব রয়েছে?

    বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যদি দৃষ্টিশক্তিতে কোনরকমের পরিবর্তন দেখা যায়, তবে বুঝে নিতে হবে আপনার শরীরে ভিটামিন এ ও বি১২-এর কমতি রয়েছে। এমনকি বি-১২-এর ঘাটতি বেশি মাত্রায় হলে দৃষ্টিশক্তি হারাতে পারেন আপনি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, এই দুটি ভিটামিনের অভাবে চোখের কর্নিয়া শুষ্ক হতে থাকে ও ধীরে ধীরে কর্নিয়া ও রেটিনা নষ্ট হতে থাকে। ভিটামিন এ -এর অভাব বেশি হলে রাতে দেখার ক্ষেত্রে বা রাতকানার মত সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়াও চোখের শুষ্কতা বৃদ্ধি পায়, ত্বকে জ্বালা অনুভূত হয়। আবার চোখের সমস্যা ছাড়াও ভিটামিন বি ১২-এর অভাবে ত্বক ফ্যাকাসে, হলদেটে ও শুষ্ক হয়, মাউথ আলসার, ডিমেনসিয়া, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়ার মতো লক্ষণও দেখা যায়।

    কোন কোন খাবার খেলে ভিটামিন এ ও বি১২-এর ঘাটতি কমবে?

    ভিটামিন এ সমৃদ্ধ খাবারগুলো হল চিজ, ডিম, দুধ, দই, তৈলাক্ত মাছ ইত্যাদি। এছাড়াও শাক সবজির মধ্যে হলুদ, লাল, সবুজ সবজি যেমন- গাজর, পালং শাক, মিষ্টি আলু, ফলের মধ্যে আম, পেঁপে ইত্যাদি। আবার ভিটামিন বি১২ সমৃদ্ধ খাবার হল দই, দুধ, ডিম, মাছ, সমুদ্রের মাছ ইত্যাদি।

     

     

  • Weight Loss: ভাত খেয়েও ওজন কমাতে চান? জেনে নিন এই পাঁচটি টিপস

    Weight Loss: ভাত খেয়েও ওজন কমাতে চান? জেনে নিন এই পাঁচটি টিপস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভাত (Rice) খেয়েও আবার ওজন (Weight) কমানো যায় না-কি! তাই অনেকেই ওজন কমাতে ভাত খাদ্যকতালিকায়(Diet) রাখেন না। তবে পুষ্টিবিদদের মতে, ভাতে অনেক পুষ্টিগুণ আছে। ভাত খেলে ওজন বেড়ে যায় একথা অনেকে বললেও বিষয়টি একেবারেই সত্যি নয়। কারণ ভাত খেয়েও ওজন কমানো যায়। সেক্ষেত্রে পরিমিত ভাত ও এর সঙ্গে কী খাচ্ছেন, সে বিষয়ে বিশেষ নজর রাখতে হবে।

    আরও পড়ুন: এই ৫ ভারতীয় সুপারফুড, যা আপনাকে করতে পারে রোগমুক্ত

    সবারই জানা দরকার, ভাত ভিটামিন বি সমৃদ্ধ খাবার ও এতে খুব কম পরিমাণে ফ্যাট থাকে। এটি একটি সহজপাচ্য কার্বোহাইড্রেটও(Carbohydrate), যা সহজেই হজম হয়ে যায়। তাছাড়াও  মানুষের ক্যালোরির বেশী শতাংশই শর্করাজাতীয় খাবার থেকেই আসে। যা পূরণ করে ভাত। এছাড়া ভাত খেলে পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে। পুষ্টিবিদরা ওজন কমানোর জন্য সাধারণত ভাত মেপে খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন। ভাত খাওয়ার পরিমাণ কমিয়ে দিলেই ওজন বাড়ার সমস্যাও অনেকটা কমে যায়। কীভাবে ভাত খেয়েও ওজন কমাবেন, তার জন্য এই পাঁচটি টিপস মেনে চলুন..

    আরও পড়ুন: জেনে নিন অ্যাপেল সাইডার ভিনিগার খাওয়ার নিয়ম ও উপকারিতা

    ১)আপনাকে আপনার খাদ্যতালিকায় ভাতের পরিমাণ কমিয়ে সবজির পরিমাণ বাড়ানো উচিত। ভাতের পরিমাণ কমিয়ে তার জায়গায় স্যালাড ও বেশ কিছু তরকারি পাতে রাখুন। তাতে আপনার পেটও ভরা থাকবে সঙ্গে আপনার শরীরে ফাইবারের পরিমাণও ঠিক থাকবে।

    ২)আপনি সরাসরি ভাত না খেয়ে খিচুড়ি করেও খেতে পারেন। ফলে আপনার শরীরে প্রোটিনের পরিমাণও ঠিক থাকবে এবং এতে নয় প্রকারের অ্যামিনো অ্যাসিড (Amino Acid) থাকে যা আপনার শরীরকে ফিট রাখতে সাহায্য করে।

    ৩)আপনি আপনার ডায়েটে বাসমতি চালের ভাত রাখতে পারেন। তবে সেটির পরিমাণ অল্প হতে হবে।

    ৪)ভাত খেতে চাইলে সেটি অবশ্যই একটি ছোট বাটির পরিমাপ মত খাওয়া উচিত।

    ৫)ভাতের সঙ্গে যদি বেশি পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ খাবার খেতে পারেন, তা হলে ওজন কমানো আরও সহজ হবে।

    আরও পড়ুন: হঠাতই ওজন কমছে বা বাড়ছে! হতে পারে আপনি অজানা রোগে আক্রান্ত

LinkedIn
Share