Tag: Howrah

Howrah

  • Howrah: ছিটকে পড়ে শিশুর হাত আটকে গেল চলমান সিঁড়িতে, ভয়াবহ ঘটনা শপিং মলে!

    Howrah: ছিটকে পড়ে শিশুর হাত আটকে গেল চলমান সিঁড়িতে, ভয়াবহ ঘটনা শপিং মলে!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ দুর্ঘটনার সাক্ষী হল হাওড়ার (Howrah) একটি শপিং মল। বুধবার বাবা-মায়ের সঙ্গে হাওড়ার একটি শপিং মলে এসেছিল পাঁচ বছরের এক শিশু। শপিং মল থেকে চলমান সিঁড়ি বেয়ে নামার সময় ছিটকে পড়ে যায় শিশুটি। এমন অবস্থায় তার হাত আটকে যায় সিঁড়িতে। যদিও শপিং মলের অন্য ক্রেতারা জানিয়েছেন, ওই শিশুটির হাতে ছিল একটি বেলুন। শিশুটি বাবা-মায়ের সঙ্গে এসকালেটর বা চলমান সিঁড়ি দিয়ে একতলায় নামছিল। সেই সময় শিশুর হাত থেকে উড়ে যায় বেলুনটি। সেটি আটকে যায় এসকালেটরের গায়ে। সঙ্গে সঙ্গে শিশুটিও সেই বেলুনটি নেওয়ার জন্য দৌড় দিতে থাকে। এরপর এসকালেটরে হাত ঢোকাতেই তার হাতটিও আটকে যায়।

    ইঞ্জিনিয়াররা এসে বন্ধ করেন চলমান সিঁড়ির (Howrah) বিদ্যুৎ সংযোগ

    প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, ঘটনা ঘটে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ। খবর পেয়ে সঙ্গে সঙ্গে ছুটে আসেন শপিং মলের নিরাপত্তা কর্মীরা। এরপর ইঞ্জিনিয়াররা চলমান সিঁড়ির  বিদ্যুৎ সংযোগ  বিচ্ছিন্ন করে সেটিকে বন্ধ করে দেন। কিন্তু তারপর নানাভাবে তার হাতটিকে টেনে বার করার চেষ্টা করলেও তা করা যায়নি। প্রায় দু’ঘণ্টা ওইভাবে আটকে থাকার পর চলমান সিঁড়ি খুলে ওই শিশুটিকে উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়ায়। পরিস্থিতি যাতে নিয়ন্ত্রণের বাইরে না যায়, তার জন্য বিশাল পুলিশ বাহিনী যায় শপিং মলে (Howrah) । সমস্ত ক্রেতাদের মল থেকে বের করে দেওয়া হয়।

    শিশুটিকে নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালে

    ঘটনায় পরিবারের লোকেরা কান্নায় ভেঙে পড়েন এবং শপিং মলে (Howrah) বহু মানুষ দাঁড়িয়ে যান। চলমান সিঁড়ি খুলে শিশুটিকে উদ্ধার করে নিয়ে যাওয়া হয় কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। জানা গিয়েছে, তার হাতে চোট লেগেছে। পুলিশ অ্যাম্বুলেন্সকে এসকর্ট করে হাসপাতালে নিয়ে যায়। ঘটনার জেরে যাঁরা শপিং করতে এসেছিলেন, তাঁদের মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। শপিং করতে আসা এক ভদ্রমহিলা বলেন, ‘‘যেভাবে শিশুটির হাত আটকে যায়, সকলেই খুবই আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। কিন্তু দ্রুত পুলিশ এসে প্রথমে শপিং মল খালি করে দেয়। তারপর চলমান সিঁড়ি বন্ধ করে ছেলেটিকে উদ্ধার করে। ভগবানের কৃপায় বড় কোনও চোট লাগেনি। শুধুমাত্র দীর্ঘক্ষণ শিশুটিকে আটকে থাকতে হয়। সে নিজের হাত বার করতে না পেরে কান্নাকাটি শুরু করে দেয়। পরে পুলিশ কর্মী ও অন্যান্যরা তাকে বুঝিয়ে অপেক্ষা করতে বলেন। অবশেষে হাত বেরিয়ে এলে শিশুটি আনন্দে তার পরিবারের লোকেদের জড়িয়ে ধরে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Panchayat Vote: ভোটযুদ্ধে ওরা ব্যস্ত পতাকা তৈরিতে, নাওয়া-খাওয়ার সময় নেই!

    Panchayat Vote: ভোটযুদ্ধে ওরা ব্যস্ত পতাকা তৈরিতে, নাওয়া-খাওয়ার সময় নেই!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নির্বাচন, প্রজাতন্ত্র দিবস কিংবা প্রতি বছর স্বাধীনতা দিবস এলেই ওদের ব্যস্ততা বাড়ে। ওরা মানে হাওড়ার পতাকা তৈরির কারিগররা। এবছর পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিন (Panchayat Vote) ঘোষণার পর থেকেই ওদের ব্যস্ততা তুঙ্গে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রাজনৈতিক দলের অর্ডার মতো পতাকা সরবরাহ করতে হবে। তাই নাওয়া খাওয়ার সময় পাচ্ছেন না কারিগররা। নির্বাচনের মুখে অতিরিক্ত অর্ডার। তাই একটু বাড়তি লাভের মুখ দেখতে পেয়ে খুশি মালিক এবং কারিগররা।

    বিভিন্ন সাইজের পতাকা চলে যাচ্ছে উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গে

    হাওড়া জেলার ডোমজুড়ের উনসানি, জগাছা সহ বেশ কিছু এলাকায় এই পতাকা তৈরির কাজ করেন বহু কারিগর। সব রাজনৈতিক দলের পতাকা তৈরির পাশাপাশি স্বাধীনতা দিবস এবং প্রজাতন্ত্র দিবসের আগে কাজের চাপ বাড়ে। তবে এ বছর হঠাৎ পঞ্চায়েত নির্বাচন (Panchayat Vote) ঘোষণা হয়ে যাওয়ার ফলে কার্যত চাপে পড়ে গেছেন পতাকা তৈরির কারিগররা। তাঁরা দিনরাত এক করে তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেস, বিজেপি, সিপিএম এবং আইএসএফ-এর পতাকা তৈরি করে চলেছেন। এই সব দলের পতাকার অর্ডার বেশি এলেও কিছু কিছু নির্দল প্রার্থীও পতাকা তৈরির বরাত দিয়েছেন এবার। এই সব কারিগরদের হাতে তৈরি ছোট-বড় বিভিন্ন সাইজের পতাকা চলে যাচ্ছে উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। পতাকার পাশাপাশি কংগ্রেস এবং তৃণমূল কংগ্রেসের গেঞ্জি ছাপানোর কাজও চলছে।

    কী জানালেন মালিক এবং কর্মচারীরা?

    এক কর্মচারী শেখ সইফুদ্দিন জানান, কাজের এত চাপ তাঁরা খাওয়া দাওয়ার সময় পাচ্ছেন না। সকাল দশটার টিফিন দুপুর বারোটায় খাচ্ছেন। ভোট হঠাৎ ঘোষণা হয়ে যাওয়ার ফলে (Panchayat Vote) তাঁদের কাজের চাপ বেড়ে গেছে। সব রাজনৈতিক দলই চাইছে তাদের যেন তাড়াতাড়ি পতাকা দিয়ে দেওয়া হয়। শেখ মোরসেলিন নামে এক কারিগর জানান, কাজের চাপে তাঁদের বাড়ি যাওয়া বন্ধ। মালিক জানিয়েছে, ভোটের পর ছুটি দেওয়া হবে। তার আগে নয়।এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে রাজনৈতিক দলের পতাকা তৈরি করছেন রাজু হালদার। রাজু হালদার জানিয়েছেন, তাঁর কারখানায় ১০ জন কারিগর কাজ করলেও তাতেও কাজ শেষ হচ্ছে না। মাঝ রাত পর্যন্ত কাজ চলছে। বাধ্য হয়ে আশপাশের কিছু বাড়িতে সেলাইয়ের জন্য মাল পাঠানো হচ্ছে। যেহেতু এখান থেকে গোটা পশ্চিম বাংলাতেই পতাকা সরবরাহ করা হচ্ছে, তাই কাজের চাপ একটু বেশি। কাজের চাপ বেশি হলেও বাড়তি লাভ হওয়ায় খুশি কারখানার মালিক এবং কর্মীরা। গণতন্ত্রের উৎসবে সামিল হয়ে বাড়তি লাভ তাঁদের উৎসাহ বাড়িয়ে দিয়েছে।

    করোনার পর বড় বরাত

    এক পতাকা শিল্পী জানান, শেষবার করোনা পিরিয়ডে পিপিপি কিট তৈরির বরাত পেয়েছিলেন। যখন চারদিকে কারখানা বন্ধ, তখন তাঁরা রাত দিন এক করে পিপিই কিট তৈরি করেছিলেন। তারপর অনেকটা সময় বরাত ক্রমশ কমে যায়। করোনার পর থেকে রাজনৈতিক দলের সভা-সমিতির ছোটখাট কিছু বরাত আসছিল। বাকি সময়টা তাঁরা বসেই থাকছিলেন। তবে আবার পঞ্চায়েত ভোট এসে যাওয়ার ফলে (Panchayat Vote) একটা বিরাট পরিমাণ অর্ডার এসে গেছে। নির্বাচন এবং নির্বাচনের ফলাফল পর্যন্ত এই অর্ডার চলবে বলে তাঁরা মনে করেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: জাতীয় পতাকায় তৃণমূল প্রার্থীর ছবি! প্রার্থীপদ বাতিলের দাবি বিজেপির

    Howrah: জাতীয় পতাকায় তৃণমূল প্রার্থীর ছবি! প্রার্থীপদ বাতিলের দাবি বিজেপির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জাতীয় পতাকায় নিজের ছবি ছাপিয়ে পঞ্চায়েত ভোটে প্রচার করতে গিয়ে জাতীয় পতাকার অবমাননা করার অভিযোগ উঠল হাওড়ার (Howrah) উলুবেড়িয়ার এক তৃণমূল প্রার্থীর বিরুদ্ধে। জাতীয় পতাকার সাদা রঙের মধ্যে অশোক চক্রের পাশে তৃণমূলের দলীয় প্রতীক ও প্রার্থীর মুখ এঁকে ফেস্টুন তৈরি করা হয়েছে। আর এই নিয়েই তৈরি হয়েছে রাজনৈতিক বিতর্ক। বিজেপির পক্ষ থেকে ওই প্রার্থীর প্রার্থীপদ বাতিলের দাবি করা হয়েছে। জাতীয় পতাকাকে অবমাননা করারও অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূল প্রার্থীর পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, বিষয়টা তাদের জানা নেই। আর এই ধরনের কাজ তাদের নয়।

    হাওড়ার (Howrah) কে এই প্রার্থী?

    উলুবেড়িয়া (Howrah) উত্তর বিধানসভা কেন্দ্রের উলুবেড়িয়া ২ নম্বর ব্লকের বাণীবন গ্রাম পঞ্চায়েতের ৮ নম্বর সংসদের ২১৭ নম্বর বুথের ঘটনা এটা। এবার এই বুথে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী হয়েছেন দীপা পরামনিক। সোমবার রাতে স্থানীয় কিছু মানুষ দেখতে পান জাতীয় পতাকার এই ফেস্টুন। পতাকার সাদা রঙের উপরে অশোক চক্রের পাশে তৃণমূলের দলীয় প্রতীকের ছবি, প্রার্থীর মুখ ছেপে দেওয়া হয়েছে। তারপরে অবশ্য বিষয়টি নিয়ে গুঞ্জন শুরু হলে পতাকাগুলো খুলে নেওয়া হয়। কিন্তু ততক্ষণে বিকৃত জাতীয় পতাকা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতে থাকে।

    তৃণমূল বক্তব্য

    তৃণমূল প্রার্থী (Howrah) দীপা পরামানিকের স্বামী শ্রীকান্ত পরামানিক বলেন, আমরা একটু মানসিকভাবে সমস্যায় রয়েছি। কারণ বাড়িতে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে গেছে একজনের। এছাড়া আমাদের জানা নেই জাতীয় পতাকার মধ্যে দলীয় প্রতীকের চিহ্ন ও প্রার্থীর মুখ অঙ্কন করে দেওয়া হয়েছে। এই রকম কাজ আমরা করতে পারি না।

    বিজেপির বক্তব্য

    অবশ্য এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছে বিজেপি। স্থানীয় (Howrah) বিজেপি নেতা রমেশ সাধু খাঁ বলেন, জাতীয় পতাকার জন্য মানুষ আত্মত্যাগ করে, আর সেই জাতীয় পতাকার অবমাননা করেছে এই তৃণমূল প্রার্থী! এটা দেশদ্রোহিতামূলক কাজ। আমরা এই তৃণমূল প্রার্থীর প্রার্থীপদ বাতিলের দাবি জানাচ্ছি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: তৃণমূল প্রার্থীর নামের পাশে লেখা ‘চোর’, ছবিতে কালি, হাওড়ায় শোরগোল

    Howrah: তৃণমূল প্রার্থীর নামের পাশে লেখা ‘চোর’, ছবিতে কালি, হাওড়ায় শোরগোল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার (Howrah) বাঁকড়ায় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থীর নির্বাচনী পোস্টারের ছবিতে লেখা ‘চোর চোর’। কিন্তু কে বা কারা লিখে দিল ‘চোর চোর’? যা নিয়ে রবিবার সকালে হাওড়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিতে চোর লেখা ছাড়াও তৃণমূল প্রার্থীর ছবির মুখে লাগানো হয়েছে কালো কালি। নির্বাচনী প্রচারে এলাকা বেশ সরগরম।

    কী ঘটনা ঘটেছে?

    হাওড়ার (Howrah) বাঁকড়া দু নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েতের ১১৮ ও ১৯২ নম্বর বুথের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সামসুল আলম তরফদারের ছবিতে মুখে কালি লাগিয়ে দেওয়া হয়েছে। তলায় লেখা হয়েছে চোর চোর চোর শব্দ। আর তাই নিয়েই চাঞ্চল্য হাওড়া জেলার রাজনীতিতে। ঘটনার সঙ্গে যুক্ত কারা? তা এখনও স্পষ্ট নয়। যদিও পুলিশ তদন্ত করছে, উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানাচ্ছে জেলা তৃণমূল নেতৃত্বের কাছে। অন্যদিকে যার ছবিতে ‘চোর’ লেখা হয়েছে, তিনি অবশ্য বিষটিতে একেবারেই গুরুত্ব দিচ্ছেন না।

    ফেস্টুনে কী লেখা ছিল?

    তৃণমূল প্রার্থীদের (Howrah) প্রচারে লাগানো হয় ফেস্টুন। তাতে লেখা ছিল রুপালি বেগম, নাজিয়া খাতুন ও সামসুল আলম তরফদারের নাম। গ্রাম সভায় দাঁড়িয়েছেন রুপালি। নাজিয়া লড়ছেন পঞ্চায়েত সমিতিতে। আর জেলা পরিষদের প্রার্থী হয়েছেন সামসুল আলম তরফদার। ফেস্টুনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দু’জনের ছবিও ছিল। কিন্তু সামসুল আলম তরফদারের নাম এবং ছবির সামনে লেখা ‘চোর চোর চোর চোর’।

    তৃণমূল প্রার্থীর বক্তব্য

    এই প্রসঙ্গে সামসুল আলম তরফদার বলছেন, ‘প্রচার তুঙ্গে আছে। পরিস্থিতিই বলে দিচ্ছে প্রচার কী ভাবে চলছে! কোনও অসুবিধা নেই। কিছু নিন্দুক থাকে, যাদের ভালোটা সহ্য হয় না। আসলে আমরা চোরই! আমি ক্যামেরাতে স্বীকার করে নিচ্ছি যে আমরা চোর, আমরা মানুষের মন চুরি করতে বের হয়েছি। এখানে বিরোধী শূন্য এলাকা। তারপরেও কিছু লোক আছে, যাদের ২০২১-সালে দল বাদ দিয়েছে। এবারে তারা পঞ্চায়েতে দাঁড়াতে পারেনি। হয়তো এইরকম কোনও ব্যক্তি এই কাজ করেছ।’ অন্যদিকে হাওড়া (Howrah) জেলা সদর তৃণমূল সভাপতি কল্যাণ ঘোষ বলেন, ‘কোনও দুষ্কৃতী হয়তো রাত্রিবেলা এই রমক কাজ করেছে। বিরোধী দলের তরফ থেকে হয়ত এইরকম করে থাকলেও থাকতে পারে। পুলিশ তদন্ত করে দেখবে, যা উপযুক্ত ব্যবস্থা হয় তারা গ্রহণ করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Odisha train Accident: মর্গে স্তূপাকার মৃতদেহ, তার মধ্যেই অচৈতন্য ছেলেকে খুঁজে পেলেন বাবা!

    Odisha train Accident: মর্গে স্তূপাকার মৃতদেহ, তার মধ্যেই অচৈতন্য ছেলেকে খুঁজে পেলেন বাবা!

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার ট্রেন দুর্ঘটনায় (Odisha Train Accident) মৃতদেহের স্তূপের মধ্যে পড়ে ছিলেন তিনি। কোনওক্রমে শ্বাসপ্রশ্বাস চলছে বলে ফোনে জানিয়েছিলেন বাবাকে। তারপর বাবা বালেশ্বরে গিয়ে অস্থায়ী মর্গের ভিতর থেকে ছেলেকে উদ্ধার করে ফিরিয়ে আনলেন কলকাতায়। রক্তাক্ত মরদেহের স্তূপের মধ্যে থেকে অচৈতন্য ছেলেকে শনাক্ত করে খুঁজে বের করাটা খুব কঠিন কাজ ছিল, বললেন বাবা।

    দুর্ঘটনার (Odisha Train Accident) খবর পেয়েই ছুটে যান বাবা

    বালেশ্বর ট্রেন দুর্ঘটনায় (Odisha Train Accident) পশ্চিমবঙ্গের শতাধিক মানুষ মারা গেছেন বলে জানা গেছে। অস্থায়ী মর্গের মধ্যে শতাধিক মৃতদেহের মধ্যে থেকে হাওড়ার বাসিন্দা হেলারাম মালিক তাঁর ২৪ বছরের ছেলে বিশ্বজিৎ মালিককে জীবন্ত অবস্থায় খুঁজে বের করেন। বাবা গত শুক্রবার শালিমার স্টেশনে গিয়ে ছেলেকে করমণ্ডল এক্সপ্রেসে ছেড়ে দিয়ে আসেন। কিন্তু কিছু সময় পরই ট্রেন দুর্ঘটনার খবর পেয়ে চিন্তায় পড়েন তিনি। দুর্ঘটনার খবর পেয়ে বুঝতে পারছিলেন না, কী করবেন! কয়েকবার ফোন করেন ছেলেকে। কিন্তু ফোন লাগছিল না। কিন্তু পরে ছেলেই বাবাকে দুর্বল স্বরে জানান, তিনি আহত হয়েছেন। হাত-পায়ে চেতনা নেই বললেই চলে। এরপর হেলারাম এক আত্মীয়কে সঙ্গে নিয়ে একটি অ্যাম্বুল্যান্স ভাড়া করে বালেশ্বরের উদ্দেশে রওনা দেন।

    কীভাবে মর্গের ভিতরে খুঁজে পেলেন?

    ঘটনাস্থলে পৌঁছেই প্রথমে বালেশ্বরের (Odisha Train Accident) হাসপাতালে হন্যে হয়ে খোঁজ করেন ছেলের। কিন্তু কোনও সন্ধান পাননি। মনে মনে ভাবছিলেন, আর মনে হয় ছেলেকে পাবো না! এতক্ষণে আহত ছেলে বেঁচে আছে না মারাই গেছে, কে জানে? অবশেষে মনে সাহস নিয়ে বাহানাগা স্কুলের অস্থায়ী মর্গের ভিতরে ঢোকেন। সেখানে সাদা কাপড়ে ঢাকা সারি সারি মৃতদেহ। চারদিকে রক্তাক্ত আর ক্ষতবিক্ষত মৃতদেহ। হঠাৎ মৃতদেহের স্তূপের একটি জায়গা থেকে নড়ে উঠল হাত। সেখানে চোখ পড়ল হেলারামের। কাছে যেতেই দেখলেন বিশ্বজিৎ। বুঝলেন, ছেলের এখনও শুধু প্রাণটুকুই শরীরে রয়েছে। এরপর অ্যাম্বুল্যান্সে করে বালেশ্বর থেকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করান ছেলেকে। হেলারামবাবু বলেন, ভাবতে পারিনি ছেলেকে মর্গ থেকে এই অবস্থায় জীবন্ত ফিরে পাব। ভগবানের আশীর্বাদ ছিল বলে ওকে ফিরে পেলাম। এরকম দুর্ঘটনা যেন আর না ঘটে, সেই কামনাই করি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat: ১৫ মে থেকে ছুটবে হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত! উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    Vande Bharat: ১৫ মে থেকে ছুটবে হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত! উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপেক্ষার অবসান। ১৫ মে থেকে ছুটবে রাজ্যের দ্বিতীয় বন্দে ভারত। হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত (Vande Bharat) এক্সপ্রেস ইতিমধ্যে সফল ট্রায়াল রান সম্পন্ন করেছে। ভারতীয় রেল সূত্রে জানা গিয়েছে ১৫ মে থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করবে, হাওড়া পুরী বন্দে ভারত (Vande Bharat) এক্সপ্রেস। তবে হাওড়া থেকে এই যাত্রা শুরু হবে না, পুরী বা ভুবনেশ্বর থেকেই ট্রেনের উদ্বোধন হবে। উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তবে তিনি সশরীরে উদ্বোধন করবেন নাকি ভার্চুয়ালি তা এখনও স্থির হয়নি। পাশাপাশি ওই দিনই গড়িয়া থেকে রুবি অবধি মেট্রো পরিষেবারও উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী।

    হাওড়া থেকে পুরীর উদ্দেশে কখন ছাড়বে বন্দে ভারত (Vande Bharat)? 

    প্রসঙ্গত, গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি উদ্বোধন করেন রাজ্যের প্রথম বন্দে ভারত (Vande Bharat) এক্সপ্রেস। হাওড়া-নিউ জলপাইগুড়ি বন্দে ভারতের উদ্বোধন করতে প্রধানমন্ত্রীর কলকাতায় আসার কথা থাকলেও সে সময় অবশ্য ভার্চুয়ালি উদ্বোধন করতে হয় প্রধানমন্ত্রীকে। প্রধানমন্ত্রীর মাতৃ বিয়োগ হওয়াতেই কাটছাঁট হয় তাঁর কর্মসূচি। পরবর্তীকালে হাওড়া-রাঁচি রুটের বন্দে ভারতের কথা শোনা যায়। কিন্তু পরে তা পরিবর্তিত হয়ে হাওড়া-পুরী রুট করা হয়। তীর্থস্থান এবং পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে পুরীর বিপুল জনপ্রিয়তাকেই এক্ষেত্রে মাথায় রাখা হয়েছিল। ১৫ মে দুপুর দেড়টা নাগাদ বন্দে ভারত এক্সপ্রেস এই রুটে প্রথম যাত্রা শুরু করবে বলে জানা যাচ্ছে, তবে তা পুরী বা ভুবনেশ্বর থেকেই। রেল সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, হাওড়া-পুরী বন্দে ভারত এক্সপ্রেস প্রতিদিন সকালে হাওড়া স্টেশন থেকে ছাড়বে এবং দুপুরে পুরীতে পৌঁছাবে। আবার ওই ট্রেন পুরী থেকে ছাড়বে এবং হাওড়ার উদ্দেশে রওনা দেবে। বন্দে ভারত (Vande Bharat) এক্সপ্রেসের পুরী পৌঁছাতে সময় লাগবে প্রায় সাড়ে ৬ ঘন্টা। রেলওয়ে আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, প্রতিদিন সকাল ৬:১০ মিনিটে হাওড়া থেকে যাত্রা শুরু করবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস, পুরী থেকে দুপুর ১:৫০ মিনিটে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস আবার হাওড়া উদ্দেশে রওনা দেবে, পৌঁছাবে রাত সাড়ে আটটায়। জানা গিয়েছে হাওড়া পুরীর মাঝে পশ্চিমবঙ্গ থেকে শুধু একটিমাত্র স্টপেজ থাকবে তা হল খড়্গপুর, এছাড়াও ওড়িশার বালাসোর, ভদ্রক, কটক, ভুবনেশ্বর, খুরদায় স্টপেজ দেবে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। ট্রেনের গতিবেগ সম্পর্কে রেলওয়ে আধিকারিকরা জানিয়েছেন তা ঘন্টায় সাধারণভাবে ৭৭ কিলোমিটার এবং সর্বোচ্চ ১৩০ কিলোমিটার বেগে চলবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat: হাওড়া থেকে আরও একটি রুটে বন্দে ভারত, ৫ থেকে ৬ ঘণ্টাতেই পুরী?

    Vande Bharat: হাওড়া থেকে আরও একটি রুটে বন্দে ভারত, ৫ থেকে ৬ ঘণ্টাতেই পুরী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শৈলশহর দার্জিলিং, ডুয়ার্স বা গ্যাংটকের পর্যটকদের জন্য মুশকিল আসান হয়েছে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat)। বেড়াতে বেরিয়ে পর্যটকদের কাছে পাহাড়, কাঞ্চনজঙ্ঘা  বা বনজঙ্গলের মতোই সমান আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে এই বন্দে ভারত এক্সপ্রেস। হাওড়া থেকে নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশনের মধ্যে চলাচলকারী এই হাই স্পিড এক্সপ্রেস ট্রেনটি বাংলার নয়া আইকনও বলা চলে। উল্লেখ্য, এটিই হল রাজ্যের প্রথম এবং একমাত্র বন্দে ভারত। পর্যটকদের জন্য আরও একটি উপহার আসতে চলেছে কেন্দ্রের তরফে। শীঘ্রই অন্য একটি রুটে দেখা যাবে বন্দে ভারতকে। সম্ভবত দ্বিতীয় বন্দে ভারতটি চলবে বাঙালির চিরকালের পছন্দের পর্যটন কেন্দ্র পুরী রুটে। সেক্ষেত্রে হয়তো পাঁচ-ছয় ঘণ্টার মধ্যেই হাওড়া থেকে পৌঁছে যাওয়া যাবে জগন্নাথ ধামে। যদিও অন্য একটি সূত্রে জানা গিয়েছে, নতুন রেকটি হাওড়া থেকে রাঁচি রুটেও চলতে পারে। তবে সামগ্রিকভাবে পুরীর পাল্লাই ভারী।

    সাঁতরাগাছিতে হাজির বন্দে ভারতের নতুন রেক

    বুধবার রাতে সাঁতরাগাছিতে এসে পৌঁছেছে বন্দে ভারতের (Vande Bharat) নতুন একটি রেক। আর তারপরই একে ঘিরে সাধারণ মানুষের উৎসাহ ও উদ্দীপনা বহুগুণ বেড়ে গিয়েছে। রেল সূত্রে জানা গিয়েছে, খুব সম্ভবত এই সপ্তাহেই এর ট্রায়াল রান হবে। সকাল ৬ টা ১০ মিনিটে হাওড়া থেকে ছেড়ে বন্দে ভারত পুরী পৌঁছবে ১২ টা ৩৫ মিনিটে। পুরী থেকে ফের ১ টা ৫০ মিনিটে ছেড়ে ট্রেনটি হাওড়া পৌঁছাবে রাত ৮ টা ৩০ মিনিটে। আপাতত যে সমস্ত জায়গায় ট্রেনটি দাঁড়াবে, তার মধ্যে অবশ্যই থাকবে খড়্গপুর, কটক এবং ভুবনেশ্বর। এই ট্রেনটিতে ১৬ টি কামরা থাকবে এবং ক্যাটারিং-এর সুবিধা পাওয়া যাবে। তবে এই সূচি চূড়ান্ত নয়, যে কোনও সময় পরিবর্তন হতে পারে বলেই জানা গিয়েছে। 

    রুটের কথা খোলসা করল না রেল

    অন্যদিকে দক্ষিণ-পূর্ব রেলের মুখপাত্র জানিয়েছেন, বন্দে ভারতের একটি রেক (Vande Bharat) এসেছে, এ কথা ঠিক। তবে কোন রুটে চলবে, সে ব্যাপারে তিনি কিছু বলতে চাননি। তিনি জানান, এ ব্যাপারে যাবতীয় সিদ্ধান্ত নেবে রেলমন্ত্রক। তারা ওই সংক্রান্ত ঘোষণা করলে তবেই তাঁরা রুটের ব্যাপারে বিশদ জানাতে পারবেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat: ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি, মমতার ‘গোঁসা’য় তাল কাটল বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে

    Vande Bharat: ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি, মমতার ‘গোঁসা’য় তাল কাটল বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়া (Howrah) স্টেশনে ফিরল ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ালের স্মৃতি! ফের সরকারি অনুষ্ঠানে দেওয়া হল জয় শ্রীরাম ধ্বনি। তার জেরে মঞ্চেই উঠলেন না মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ‘বন্দে ভারত (Vande Bharat) এক্সপ্রেসে’র যাত্রার সূচনা করলেন মঞ্চের নীচে দাঁড়িয়ে সবুজ পতাকা নেড়ে। রাজ্যপালের অনুরোধে দিলেন বক্তৃতাও। তবে সেটাও করলেন মঞ্চের নীচে দাঁড়িয়েই। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর এই বিসদৃশ আচরণে তাল কাটল বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের।

    বন্দে ভারত এক্সপ্রেস…

    শুক্রবার হাওড়া স্টেশনের ২২ নম্বর প্লাটফর্মে আয়োজন করা হয়েছিল বন্দে ভারত এক্সপ্রেসের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের। আসার কথা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। তবে এদিন ভোরে মা হীরাবেন মোদি প্রয়াত হওয়ায় ভার্চুয়ালি ট্রেনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেন মোদি। এই অনুষ্ঠানেই উপস্থিত হয়েছিলেন রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব, রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস, রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী, মন্ত্রী নিশীথ অধিকারী প্রমুখ। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এদিন বেলা এগারোটা নাগাদ মুখ্যমন্ত্রী আসেন অনুষ্ঠানস্থলে। সেই সময় দর্শকদের একাংশ জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিতে শুরু করেন। দর্শকদের থামানোর চেষ্টা করেন রেলমন্ত্রী।

    আরও পড়ুন: কোনও কথা বললেন না, কর্তব্যে অবিচল! সবুজ পতাকা নেড়ে বন্দে ভারতের সূচনা মোদির

    রেলের পদস্থ আধিকারিকরাও চেষ্টা করেন অপ্রীতিকর পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার। পুরো সময়টাই গম্ভীর মুখে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় মুখ্যমন্ত্রীকে। মঞ্চে ওঠেননি। হাতজোড় করে তাঁকে মঞ্চে ওঠার অনুরোধ জানান রেলমন্ত্রী স্বয়ং। তার পরেও পুরো অনুষ্ঠান পর্ব মমতা বসে রইলেন মঞ্চের পাশের একটি চেয়ারে। রাজ্যপালের অনুরোধে অবশ্য বক্তব্য রাখতে রাজি হন মুখ্যমন্ত্রী। মঞ্চের নীচে দাঁড়িয়েই ভাষণ দেন তিনি। সেখান থেকেই সবুজ পতাকা নেড়ে সূচনা করেন বন্দে ভারত (Vande Bharat) এক্সপ্রেসের যাত্রার। এদিনের বক্তৃতায় প্রধানমন্ত্রীর প্রয়াত মা হীরাবেন মোদির উদ্দেশে শোকজ্ঞাপন করেন মমতা। আলাদা করে উল্লেখ করেন জোকা-তারাতলা মেট্রোর কথাও। এদিন ভার্চুয়ালি এই মেট্রোর সূচনাও করেন প্রধানমন্ত্রী। যদিও রেলমন্ত্রী থাকার সময় এই মেট্রো প্রকল্পের শিলান্যাস করেছিলেন মমতা স্বয়ং। প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ২৩ জানুয়ারি ভিক্টোরিয়া মেমরিয়ালে নেতাজির জন্মজয়ন্তী অনুষ্ঠানেও প্রায় একই রকম ঘটনা ঘটেছিল। সেদিন মুখ্যমন্ত্রী মঞ্চে বক্তৃতা দিতে উঠতেই দর্শক আসনে থাকা দর্শকদের একাংশ জয় শ্রীরাম ধ্বনি দিতে শুরু করেন। ক্ষোভে সেদিন বক্তৃতা মাঝ পথে থামিয়ে দিয়েছিলেন মমতা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।

  • Howrah: প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে দেড় বছরের ছেলেকে খুন  করেছিল মা, ফাঁসির সাজা দিল আদালত

    Howrah: প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে দেড় বছরের ছেলেকে খুন করেছিল মা, ফাঁসির সাজা দিল আদালত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নিজের পুত্র খুনের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত মাকে ফাঁসির সাজা শোনাল আদলাত। একই সঙ্গে ফাঁসির শাস্তি ঘোষণা হয়েছে মায়ের প্রেমিকের বিরুদ্ধেও। এই রায় দিয়েছেন হাওড়া (Howrah) ফাস্ট ট্র্যাক কোর্টের বিচারপতি। ঘটনায় তীব্র শোরগোল পড়েছে এলাকায়।

    ফলকনামা এক্সপ্রেসে ট্রলি ব্যাগে ছিল দেহ (Howrah)

    ঘটনার সূত্রপাত ঘটেছিল, ২০১৬ সালে। জানুয়ারি মাসের শুরুতেই হাওড়া (Howrah) রেল স্টেশনের ফলকনামা এক্সপ্রেসের ট্রলি ব্যাগের মধ্যে থেকে একটি শিশুর ক্ষতবিক্ষত দেহ উদ্ধার করে হাওড়া জিআরপি পুলিশ। ঘটনায় এলাকায় তীব্র চাঞ্চাল্য তৈরি হয়েছিল। এরপর জিআরপি পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। এরপর আজ দোষীদের শাস্তি ঘোষণা করে আদালত।

    স্বামীকে ছেড়ে শ্বশুর বাড়ি ত্যাগ করছিল মা

    স্থানীয় (Howrah) সূত্রে জানা গিয়েছিল, নিজের স্বামীকে ছেড়ে শ্বশুর বাড়ি ত্যাগ করেছিলেন হাসিনা সুলতানা। অন্ধ্রপ্রদেশের গুনটুর থেকে পালিয়ে প্রেমিক ভানু শাহর সঙ্গে চলে গিয়েছিলেন হায়দ্রাবাদের বানজারা হিলসে। এরপর দুই জনেই ঘর ভাড়া করে একসঙ্গে থাকছিলেন। কিন্তু এই প্রেমিক-প্রেমিকার কাছে পথের বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল হাসিনার ছেলে জিশান। এরপর জানা যায় প্রেমিককে সঙ্গে নিয়ে নিজের ছেলেকে খুন করে ফলকনামা ট্রেনে ব্যাগের মধ্যে রাখা হয় দেহ। অপর দিকে মেয়ের খোঁজ পেতে হাসিনার বাড়ির লোক ছবি দিয়ে থানায় নিখোঁজের রিপোর্ট লেখায়। এরপর সেই সূত্র ধরে শুরু হয় রেল পুলিশের তদন্ত। আবার ট্রেনের মধ্যেই জিশানের মৃত দেহের সঙ্গে মেলে ছবিও। এরপর অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে হাওড়া জিআরপি পুলিশ গ্রেফতার করে হাসিনা এবং তাঁর প্রেমিককে। এরপর মামলা চলে কোর্টে এবং অবশেষে আজ ফাঁসির শাস্তি দেয় আদালত।

    সরকারি আইনজীবীর বক্তব্য

    হাওড়া (Howrah) কোর্টের সরকারি আইনজীবী অরিন্দম মুখোপাধ্যায় বলেন, “সমস্ত সাক্ষ্য প্রমাণ এবং তথ্যের ভিত্তিত্বে আজ দুই জনকে দোষী সাব্যস্ত করেছে কোর্ট। বিচারপতি সন্দীপ চক্রবর্তী, মা এবং তাঁর প্রেমিককে ফাঁসির নির্দেশ দিয়েছেন।” অপর দিকে কোন্নগরে মাত্র ৮ বছরের শিশুকে নির্মম ভাবে হত্যার ঘটনায় মা এবং বান্ধবীকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সূত্রে জানা গিয়েছে, মা শান্তা এবং বান্ধবী ইফ্ফাত পারভিনের মধ্যে সমকামী সম্পর্ক ছিল। কিন্তু শিশু কি তাঁদের সম্পর্কের কাঁটা ছিল? কে খুন করল? এই সব বিষয়ে এখন তদন্ত চলছে। যদিও খুনের কথা এখনও কেউ স্বীকার করেনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Suvendu Adhikari: হাওড়ায় পরপর ৫টি মন্দিরে ভাঙচুর, অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: হাওড়ায় পরপর ৫টি মন্দিরে ভাঙচুর, অভিযুক্তদের গ্রেফতারের দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ায় পরপর ৫টি মন্দির ভাঙচুরের দাবি করে ছবি ও ভিডিও পোস্ট করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। ঘটনায় বিজেপি নেতা শুভেন্দুর অভিযোগ, হিন্দু সনাতনী মন্দিরে ভাঙচুরকারীদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পশ্চিমবঙ্গের পুলিশ গা ছাড়া ভাবের জন্যই সনাতনীদের উপর বারবার আক্রমণ করার সাহস দেখাচ্ছে দুস্কৃতীরা। খবর জানাজানি হতেই প্রতিবাদে এলাকার মানুষ তীব্র প্রতিবাদ জানায়।

    উল্লেখ্য হাওড়া শহর অঞ্চলে গত বছর রামনবমীর শোভাযাত্রায় দুষ্কৃতীরা হামলার ঘটনা ঘটেছিল। এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে এবং আইনের শাসন নিয়ে রাজ্যের শাসক দলের বিরুদ্ধে ব্যাপক ভাবে সরব হয়েছিল বিজেপি। এই মামলা পরবর্তীকালে হাইকোর্টে গড়ায় এবং তারপর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএ-কে তদন্তের নির্দেশ দেন বিচারপতি রাজশেখর মান্থা। একবার ফের হাওড়ায় হিন্দু সমাজ আক্রান্ত হল বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

    সোমবার প্রতিবাদে রাস্তা অবরোধ

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়ায় মোট ৫টি মন্দির ভাঙচুর করা হয়েছে। ঘটনার প্রতিবাদে সকাল থেকে হাওড়ায় রেল অবরোধ করেন স্থানীয়রা। ইতিমধ্যে ঘটনার ছবি এবং সিসিটিবি ফুটেজ প্রকাশ করে এই ঘটনার সত্যতার কথা জানিয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। পুলিশের শীর্ষ আধিকারিককের কাছে দ্রুত গ্রেফতারের দাবি তুলেছেন তিনি।

    সামজিক মধ্যমে কী বললেন শুভেন্দু?

    হাওড়ায় হিন্দু মন্দিরের ভাঙচুরের বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন শুভেন্দু। ছবিতে দেখা যাচ্ছে একটি মন্দির পুরোপুরি লন্ডভণ্ড হয়ে আছে। অপর দিকে একটি ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে যেখানে দেখা যাচ্ছে কম বয়সী কিশোর ও যুবক মাথায় সাদা টুপি পড়ে মন্দিরে ভাঙচুর চালাচ্ছে। ঘটনা জানাজানি হতেই এলাকায় ব্যাপক উত্তেজনা ছড়ায়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে এলাকায় প্রচুর পুলিশ এসে পৌঁছায়। ঘটনার কথা জানিয়ে শুভেন্দু বলেন, “গতকাল রাতে হাওড়ার বাঁকড়ায় ৫টি মন্দিরে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। প্রতিবাদে স্থানীয়রা রাস্তায় নামেন। হাওড়া সিটি পুলিশ কমিশনার প্রবীণ কুমার ত্রিপাঠি এবং রাজ্য পুলিশের ডিজির কাছে অনুরোধ করেছি। দোষীদের অবিলম্বে গ্রেফতার করুন।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share