Tag: Howrah

Howrah

  • Howrah: পুজো কমিটিকে ঢালাও টাকা, নজর নেই নিত্য যাতায়াতের রাস্তায়, হাওড়া যেন মরণফাঁদ

    Howrah: পুজো কমিটিকে ঢালাও টাকা, নজর নেই নিত্য যাতায়াতের রাস্তায়, হাওড়া যেন মরণফাঁদ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পুজো কমিটিগুলিকে ৭০ হাজার টাকা করে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ইতিমধ্যেই পুজো উদ্যোক্তারা সেই টাকা পেতে শুরু করেছেন। এই খাতে রাজ্য সরকার কোটি কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে। অথচ এবার হাওড়া (Howrah) শহরে একটি দুর্গাপুজোর মণ্ডপ থেকে অন্য পাড়ার পুজোমণ্ডপে ঠাকুর দর্শন করতে গেলে কার্যত পা ভাঙার অবস্থা হবে। কারণ বহু জায়গায় রাস্তা বলে কিছু নেই। পিচ উঠে পাথর বেরিয়ে গিয়েছে। কোথাও আবার রাস্তা ভেঙে এতটাই গর্ত হয়ে গিয়েছে যে সামান্য বৃষ্টি হলে তা ডোবায় পরিণত হচ্ছে।

    কোন কোন রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ?  (Howrah)

    হাওড়া (Howrah) পুর এলাকায় জল জমার সমস্যা দীর্ঘদিনের। বাম আমলেও নানা পরিকল্পনা নেওয়া হলেও সেই জল জমার সমস্যার সমাধান হয়নি। তৃণমূল কংগ্রেসের আমলেও হাওড়া শহরের জমা জলের সমস্যা মেটাতে বেশ কিছু পরিকল্পনা নেওয়া হয়। ,কিন্তু তাও খুব বেশি কাজ হয়নি। যার ফলে বেশিরভাগ রাস্তাতেই বৃষ্টির জল জমে যাচ্ছে। আর সেই জমা জলের উপর দিয়ে গাড়ি চলাচল করতে গিয়ে ভেঙে চৌচির হচ্ছে বিভিন্ন রাস্তা। এর ফলে বড় বড় রাস্তার মাঝখানে তৈরি হয়েছে বড় বড় গর্ত। আর তার ওপর দিয়ে গাড়ি চলাচল করতে গিয়ে নাজেহাল হতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। প্রায় প্রতিদিনই ছোটখাট দুর্ঘটনা ঘটছে বলে বাসিন্দাদের অভিযোগ। তাঁরা জানান, সামান্য কয়েকটি রাস্তায় প্যাচওয়ার্কের মতো করে গর্ত বোঝানো হয়েছে। কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় অনেকটাই কম। শালিমার রেলগেট, বামুনগাছি, লিলুয়া, বেনারস রোড, ইস্ট ওয়েস্ট বাইপাস সহ বিভিন্ন জায়গায় রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। অনেক জায়গায় দুর্ঘটনার আশঙ্কায় যাতায়াত বন্ধ করে দিতে হয়েছে সাধারণ মানুষকে। ঘুর পথে পৌঁছাতে হচ্ছে গন্তব্যে। অন্যদিকে, হাওড়া শহরের সংযোজিত এলাকা বলে পরিচিত কোণা, ভূতবাগান, পেয়ারাবাগান, বালির জয়পুর বিল এলাকার নিচু এলাকাগুলির অবস্থা আরও খারাপ। এখানে অনেক জায়গায় এখন কাঁচা রাস্তা রয়ে গিয়েছে। সেই সমস্ত রাস্তায় জল জমে যাচ্ছে।

    পুজো উদ্যোক্তারা কী বললেন?

    সালকিয়া বাজলপাড়া প্রতিরোধ বাহিনী দুর্গাপুজো কমিটির এক উদ্যোক্তা অভিজিৎ মণ্ডল বলেন, পুজোর জন্য ক্লাবগুলিকে টাকা দেওয়ার উদ্যোগ খুব ভাল। কিন্তু, পুজোর আগে রাস্তা এভাবে দাঁত, নখ বেরিয়ে থাকবে?  সালকিয়া এলাকায় রাস্তার যা হাল তাতে দর্শনার্থীরা কী করে প্রতিমা দর্শন করবে তা নিয়ে আমরা দুশ্চিন্তায় রয়েছি।

    বেহাল রাস্তা নিয়ে অবরোধে বিজেপি

    হাওড়া (Howrah) জুড়ে রাস্তার অবস্থা এতটাই বেহাল যে রাজনৈতিক দলকে আন্দোলনে নামতে বাধ্য করছে রাজ্য সরকার। মঙ্গলবার সালকিয়া সীতানাথ বোস লেনে বিজেপি কর্মীরা সকালে রাস্তা অবরোধ করেন। বিজেপির জেলা নেতা উমেশ রায় বলেন, মেলা, খেলায়, পুজো কমিটির জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোটি কোটি টাকা খরচ করছেন। আর রাস্তাগুলির দিকে তাঁর কোনও নজর নেই। শহরের সব রাস্তা মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে।

    হাওড়া পুরসভার প্রশাসক মণ্ডলীর চেয়ারম্যান কী বললেন?

    যদিও হাওড়া (Howrah) পুরসভার প্রশাসকমণ্ডলীর চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী জানিয়েছেন, বর্ষার মধ্যে পুরোপুরি নতুন করে রাস্তা করা যাবে না। তারপর পুরসভার পক্ষ থেকে সমস্ত ভাঙা রাস্তা মেরামতির কাজ শুরু করা হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: হাওড়ায় ডেঙ্গি সংক্রমণ হাজার ছুঁইছুঁই, রাশ টানতে পারছে না প্রশাসন

    Howrah: হাওড়ায় ডেঙ্গি সংক্রমণ হাজার ছুঁইছুঁই, রাশ টানতে পারছে না প্রশাসন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়া (Howrah) শহরে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে। হাওড়া পুরনিগম সূত্রে খবর, গত বছর সেপ্টেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহ পর্যন্ত যেখানে ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৮৫০ জন, এবারে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৮৯০ জন। এলাকার বেশ কিছু এলাকায় বৃষ্টির জমাজল এবং যত্রতত্র আবর্জনার কারণে ডেঙ্গির মশা বাড়ছে। যদিও হাওড়ার মুখ্য স্বাস্থ্য অধিকারিক নিতাইচন্দ্র মন্ডল জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত গোটা জেলায় কোনও মৃত্যুর ঘটনা ঘটেনি। অপর দিকে বিজেপি, ডেঙ্গির সংক্রমণ নিয়ে শাসক দলকে নিশানা করে বলে, জেলায় ডেঙ্গি সংক্রমণ হাজার ছুঁইছুঁই, তৃণমূল পরিচালিত হাওড়া পুরসভা রাশ টানতে ব্যর্থ। 

    বালি, জগাছা এবং সাঁকরাইলে ডেঙ্গি আক্রান্ত অধিক (Howrah)

    হাওড়া (Howrah) পুরসভা এলাকা, বালি পুরসভা এলাকা, বালি জগাছা ব্লক এবং সাঁকরাইলে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা সবথেকে বেশি। ডেঙ্গু রুখতে মানুষকে সচেতন করার কাজ চলছে বলে জানা গেছে। হাওড়া পুরসভা সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের তুলনায় এবারে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। হাওড়া পুরসভার ৪, ৩৯, ২৯, ৩১  এবং ৩৬ নম্বর ওয়ার্ডে অনেক জায়গায় বৃষ্টির জল জমে রয়েছে এবং এই এলাকাগুলিতে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যাও বেশি। মূলত বাড়িতে জল জমে থাকার কারণেই ওইসব এলাকায় ডেঙ্গি সংক্রমণ বাড়ছে। তবে হাওড়া পুরসভার স্বাস্থ্যকর্মীরা বাড়ি বাড়ি যাচ্ছেন এবং নাগরিকদের বোঝাচ্ছেন। একই সঙ্গে ভেক্টর কন্ট্রোল টিম মশা মারার তেল স্প্রে করছে।

    বিজেপির অভিযোগ

    এদিকে শহরের (Howrah) ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ার কারণে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা। উত্তর হাওড়ার বিজেপি নেতা উমেশ রাই, এই ডেঙ্গি সংক্রমণের অভিযোগ করে তৃণমূলকে নিশানা করেন। তিনি বলেন, “ডেঙ্গির পরিসংখ্যানের তথ্য গোপন করা হচ্ছে, প্রকৃত আক্রান্তের সংখ্যা জানানো হচ্ছে না। একই সঙ্গে ডেঙ্গিতে মারা গেলে ডেথ সার্টিফিকেটে ডেঙ্গির উল্লেখ করা হচ্ছে না। সরকার তথ্য গোপন করে মানুষকে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রেণে সচেতন করছে না। শাসক দল ডেঙ্গি প্রতিরোধে ব্যর্থ।”

    তৃণমূলের বক্তব্য

    ডেঙ্গি সংক্রমণ নিয়ে হাওড়া (Howrah) পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “পুরসভার পক্ষ থেকে নিয়মিত রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তরকে রিপোর্ট পাঠানো হচ্ছে। যা বাস্তবে ঘটছে তাই পাঠানো হচ্ছে।” তিনি আরও বলেন, “ডেঙ্গি মোকাবিলায় সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিয়েছে হাওড়া পুরসভা। কোথাও যাতে জল জমে না থাকে, সেই জন্য যেমন বাড়ি বাড়ি সচেতন করার কাজ চলছে, একইভাবে বর্ষায় জমা জল যাতে দ্রুত নেমে যায়, তার জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। কয়েকদিনের বৃষ্টিতে কিছু কিছু এলাকায় রাস্তা ভেঙে গিয়ে, ছোট ছোট গর্তে যাতে জল জমতে না পারে, সেই জন্য বর্ষার মধ্যেই রাস্তা মেরামতির কাজ শুরু হয়েছে।

     

     দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: হাওড়ায় ব্যাগ ভর্তি মানুষের কঙ্কাল মিলল পঞ্চায়েত অফিসের পাশে, আতঙ্ক

    Howrah: হাওড়ায় ব্যাগ ভর্তি মানুষের কঙ্কাল মিলল পঞ্চায়েত অফিসের পাশে, আতঙ্ক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের সামনে ব্যাগের মধ্যে এল মানুষের কঙ্কাল। এই ঘটনা ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে হাওড়া (Howrah) জেলার শ্যামপুরের ডিহিমণ্ডল ঘাট এলাকায়। নদীর ধারে রয়েছে গ্রাম পঞ্চায়েতের অফিস। সেখানেই ব্যাগের মধ্যে থেকে উদ্ধার হল মানুষের কঙ্কাল। এই ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েন এলাকাবাসী। পরে, খবর পেয়ে পুলিশ এসে কঙ্কাল উদ্ধার করে নিয়ে যায়।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Howrah)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, হাওড়়ার (Howrah) শ্যামপুর ডিহিমন্ডল ঘাট ২ নম্বর গ্রাম পঞ্চায়েত অফিস থেকে ঢিল ছোঁড়া দুরত্বে কঙ্কাল ভর্তি ব্যাগ দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। রাস্তার পাশে ব্যাগের মধ্যে মানুষের কঙ্কালগুলি দেখতে পান তাঁরা। এই খবর ছড়াতেই তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় ওই এলাকায়। এর পর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে শ্যামপুর থানার পুলিশ। গ্রাম পঞ্চায়েত অফিসের সামনে কীভাবে ব্যাগের মধ্যে এল মানুষের কঙ্কাল। সেই প্রশ্ন উঠছে। কঙ্কালগুলি উদ্ধার করে ফরেন্সিক তদন্তের জন্য পাঠানো হচ্ছে।

    স্থানীয় বাসিন্দারা কী বললেন?

    স্থানীয় বাসিন্দাদের বক্তব্য, এদিন পঞ্চায়েতের কাছে ব্যাগটি পড়েছিল। প্রথমে কেউ গুরুত্ব দেয়নি। দীর্ঘক্ষণ ব্যাগটি পড়ে থাকায় ভিতরে কী রয়েছে তা দেখতে গিয়ে সকলেই চমকে ওঠে। কঙ্কাল ভর্তি ব্যাগ দেখতে এলাকায় ভিড় জমে যায়। এই ধরনের ঘটনা যথেষ্ট উদ্বেগের। কে বা কারা এই কাজ করল তা তদন্তে করে দেখা দরকার। কারণ, এটি মানুষের কঙ্কাল উদ্ধার হয়েছে। তাই, পুলিশ এই ঘটনার সঠিক তদন্ত করে প্রকৃত সত্য উদঘাটন করুক।

    জেলা পুলিশের এক আধিকারিক?

    স্থানীয়দের থেকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে শ্যামপুর থানার পুলিশ। পুলিশ এসে উদ্ধার করে নিয়ে যায় কঙ্কাল। কিন্তু, কী ভাবে সেই কঙ্কাল এল তা নিয়ে যথেষ্ট উত্তেজনা রয়েছে এই এলাকায়। হাওড়া (Howrah) জেলা পুলিশের এক আধিকারিক বলেন, কঙ্কাল ভর্তি ব্যাগটি বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। কে বা কারা এই কাজ করেছে তা আমাদের কাছে স্পষ্ট নয়। সমস্ত বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। শ্যামপুর থানার পুলিশ ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: হাওড়ার যুবকের অজান্তেই তাঁর আধার-প্যান দিয়ে চলছিল কোটি কোটি টাকার ব্যবসা, তারপর কী হল?

    Howrah: হাওড়ার যুবকের অজান্তেই তাঁর আধার-প্যান দিয়ে চলছিল কোটি কোটি টাকার ব্যবসা, তারপর কী হল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাকপুরের পর এবার হাওড়া (Howrah)। হাওড়ার লিলুয়া থানার এক যুবকের আধার কার্ড, প্যান কার্ড ব্যবহার করে এক প্রতারক কোটি কোটি টাকার ব্যবসা করেছে। অথচ আধারের মালিকই সে কথা জানেন না। বিষয়টি জানতে পেরে প্রতারিত সৌভিক ঘোষ নামে ওই যুবক থানার দ্বারস্থ হন। তাঁর করা অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ গ্রেফতার করেছে সুরজিৎ দত্ত নামে এক চাটার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্টকে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর থেকে তাঁকে গ্রেফতার করে লিলুয়া থানার পুলিশ।

    ঠিক কী ঘটনা ঘটেছে? (Howrah)

    স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, প্রতারিত সৌভিকবাবুর বাড়ির হাওড়ার (Howrah) লিলুয়া থানার চামরাইল এলাকায়। সম্প্রতি তিনি অনলাইনে খাবার সরবরাহকারী সংস্থা খোলার জন্য ট্রেড লাইসেন্স করাতে গিয়েছিলেন। সেখানে গিয়ে জানতে পারেন তাঁর আধার কার্ড, প্যান কার্ড এবং অন্যান্য প্রমাণপত্র নকল করে আগে থেকেই শিবা ট্রেডিং কোম্পানি নামে একটি সংস্থা চলছে। এ কথা শুনে কার্যত হতবাক হয়ে যান সৌভিক। তিনি আরও জানতে পারেন ওই কোম্পানিতে তাঁর নামে দুটি অ্যাকাউন্ট খোলা হয়েছে, যেখানে গত দু’বছরে ৮ কোটি ৪৫ লক্ষ টাকার লেনদেন হয়েছে। শিবা ট্রেডিং নামে ওই কোম্পানির কলকাতায় যে ঠিকানা দেওয়া ছিল, সেটাও ভুয়ো বলে অভিযোগ ওঠে। পুলিশ তদন্তে জানতে পারে, ওই সংস্থার যাবতীয় কাগজপত্র দেখাশোনা করতেন পেশায় চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট। তাকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে বারাকপুরে ভাটপাড়ার এক ব্যক্তি কিস্তিতে বাইক কিনতে গিয়ে আধার কার্ড জমা দেন। কাগজপত্র খতিয়ে দেখে জানা যায় তার ওই আধার কার্ড ব্যবহার করে অসমের এক ব্যক্তি কোটি কোটি টাকার কারবার করেছে। যা জেনে থানায় দ্বারস্থ হয়েছিলেন। হাওড়ার সৌভিকবাবু বিষয়টি জানার পর থানার দ্বারস্থ হওয়ায় পুলিশ এই ঘটনায় জড়িত সন্দেহে একজনকে গ্রেফতার করেছে।

    কী বললেন প্রতারিত যুবক?

    প্রতারিত যুবক সৌভিকবাবু বলেন, আমার আধার কার্ড দিয়ে এসব হচ্ছে তা আমি ট্রেড লাইসেন্স না করালে জানতেই পারতাম না। এসব জালিয়াতির পিছনে বড়সড় চক্র কাজ করছে। আমি চাই, অবিলম্বে অভিযুক্তদের সকলকে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলত শাস্তি দেওয়া হোক।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: মোদি সরকারের উদ্যোগে ঘুরে দাঁড়াবে বাংলার প্রাচীন কক শিল্প, উচ্ছ্বসিত ব্যবসায়ীরা

    Howrah: মোদি সরকারের উদ্যোগে ঘুরে দাঁড়াবে বাংলার প্রাচীন কক শিল্প, উচ্ছ্বসিত ব্যবসায়ীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাণ ফিরতে চলছে বাংলার প্রাচীন শাটল কক শিল্প। হাওড়ার উলুবেড়িয়ার (Howrah) ব্যবসায়ীদের আবেদনে বিশেষ সাড়া দিয়েছেন দেশের নরেন্দ্র মোদির সরকার। উল্লেখ্য করোনা কালে, ভারত সরকারের আত্মনির্ভর ভারত প্রকল্পে স্পষ্ট হয়েছে, দেশীয় উৎপাদনের প্রয়োজনীয়তা কতটা প্রয়োজন। লোকাল ফর ভোকাল অর্থাৎ আঞ্চলিক স্থানীয় উৎপাদন সামগ্রীকে প্রথম পছন্দ করার কথা বলেন নরেন্দ্র মোদি। নাম না করে বিদেশী চিনা দ্রব্য ক্রয় না করার কথা সরকার পক্ষ থেকে বার বার বলা হয়েছিল। সামজিক ও গণ মাধ্যমে সরাসরি চিনা দ্রব্য বয়কটের দাবিতে তোলপাড় হয় ওঠে। বিশেষ করে খেলার সামগ্রী এবং কালীপুজো বা দীপাবলীতে আলোক সজ্জার বিষয়ে চিনের পণ্য বয়কটের কথাও ওঠে। গত কয়েক বছরে দেশ আত্মনির্ভর হওয়ার লক্ষ্যে, বর্তমানে অনেকটাই সফল বলে মনে করছেন রাজনীতির একাংশের মানুষ। এই অবস্থায় বাংলার কক শিল্প নিয়ে কেন্দ্রের উদ্যোগের বিষয়ে সংসদে বিশেষ আলোচনা হয় বলে জানা গেছে। মিলেছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রকের বিশেষ ছাড়পত্র। শিল্পের সঙ্গে যুক্ত মানুষেরা আবার আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন।

    কক শিল্পের প্রধান সমস্যা কী ছিল (Howrah)?

    জানা গেছে, বছর খানেক আগেই বাংলাদেশ থেকে হাঁসের পালক আসা বন্ধ হলে উলুবেড়িয়ার শাটল কক শিল্প অত্যন্ত সঙ্কটে পড়ে। উৎপাদনের জন্য কাঁচামালের অভাবের কথা অনেক দিন ধরেই এই শিল্পের সঙ্গে যুক্ত কারিগর, ব্যবসায়ীরা জানিয়ে আসছেন সরকারকে। অবশেষে ইঙ্গিত মিলেছে উদ্যোগের।

    মিলেছে সমস্যা সমাধানের ইঙ্গিত

    সূত্রের খবর, ১৯৭২ সালের বন্যপ্রাণ সুরক্ষা আইনে শাটল ককের পালকের জন্য বিশেষ ছাড়পত্র দিয়েছে কেন্দ্র সরকার। কেন্দ্রের বাণিজ্য এবং এবং শিল্প প্রতিমন্ত্রী অনুপ্রিয়া প্যাটেল উলুবেড়িয়া এলাকার সাংসদকে চিঠি দিয়ে সেই কথা জানিয়েছেন। কক শিল্পের জন্য এই খবর অত্যন্ত আনন্দের বলে জানিয়েছেন স্থানীয় শিল্পীরা। এলাকার (Howrah) সাংসদ সাজদা আহমেদ শিল্প নিয়ে ভীষণ উৎসাহ প্রকাশ করেছেন।

    ব্যবসায়ীদের বক্তব্য

    শাটল কক শিল্পের এক ব্যবসায়ী বলেন, “ পালকের জন্য বাংলাদেশ থেকে আসা আমদানিতে বেশ ছাড় দেওয়া হয়েছে। এই ছাড়ে আমাদের বেশ সুবিধা হবে। এর থেকে জিএসটি তুলে নিলে এই শিল্প আরও ঘুরে দাঁড়াবে। কেন্দ্র সরকারকে আমরা ধন্যবাদ জানাই”।

    সেই সঙ্গে উলুবেড়িয়া (Howrah) চেম্বার অফ কমার্সের সভাপতি তমাল ঘোষ বলেন, “এই শিল্প অত্যন্ত প্রাচীন শিল্প। পালাকের জোগান বেশি করে মিললে গোটা এলাকার অবস্থা বদলে যাবে। উলুবেড়িয়ার শিল্প আবারও একবার ঘুরে দাঁড়াবে”।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: “বাইরের লোক মঙ্গলাহাটে এসে ম্যালেরিয়াকে বাড়াচ্ছে” তৃণমূল পুর-চেয়ারম্যানের বক্তব্যে তোলপাড়

    Howrah: “বাইরের লোক মঙ্গলাহাটে এসে ম্যালেরিয়াকে বাড়াচ্ছে” তৃণমূল পুর-চেয়ারম্যানের বক্তব্যে তোলপাড়

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ষায় হাওড়া (Howrah) শহরের বুকে রীতিমতো ডেঙ্গির দোসর ম্যালেরিয়া। হাওড়া পুরসভা সূত্রে খবর, পুরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। পরিস্থিতি যখন এতটাই ভয়াবহ, তখন তৃণমূলের পুর-চেয়ারম্যান বললেন, “বাইরের লোক মঙ্গলাহাটে এসে ম্যালেরিয়াকে বাড়াচ্ছে”। আর এই মন্তব্যেরই বিরোধীরা তীব্র সমালোচনা করেছেন। এলাকায় পুরসভার জীর্ণ স্বাস্থ্য কাঠামোর বিষয় থেকে নজর ঘোরাতেই বহিরাগত মানুষের কথা তুলে ধরছেন তৃণমূলের এই নেতা। মশার কামড়ে ম্যালেরিয়া হয়। কিন্তু বহিরাগত মানুষের কারণে কীভাবে ম্যালেরিয়া ছড়াবে! তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন এলাকার সাধারণ মানুষ। স্বাস্থ্য বিশেজ্ঞদের একাংশ বলছেন, এই মন্তব্য অত্যন্ত দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় মাত্র। বর্তমানে মশাবাহিত রোগের প্রকোপে অতিষ্ঠ হাওড়াবাসী। আতঙ্ক তৈরি হয়েছে সাধারণ মানুষের মধ্যে। উঠছে প্রশাসনের বিরুদ্ধে প্রশ্নও।

    ম্যালেরিয়ায় উদ্বেগ (Howrah)

    হাওড়া পুরসভা এলাকায় ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা যেভাবে বাড়ছে, তা নিয়ে রীতিমতো উদ্বিগ্ন শহরের বাসিন্দারা। তার মধ্যে আবার ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তের ঘটনা উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে বাসিন্দাদের। যদিও হাওড়া পুরসভার দাবি, ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা অন্য বছরের তুলনায় অনেকটাই কম।

    স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ

    হাওড়া পুরসভার নাগরিকরা বলেছেন, ম্যালেরিয়াতে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। ছোট থেকে বড়, সকলে জ্বর এবং অন্যান্য উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হচ্ছেন। হাওড়া জেলা হাসপাতালের বিভিন্ন ওয়ার্ডে মশারি টাঙিয়ে রোগীদের চিকিৎসা চলছে। হাসপাতাল সুত্রে জানা গেছে, যাঁরা জ্বর নিয়ে আসছেন তাঁদের রক্ত পরীক্ষা করা হচ্ছে। কেউ কেউ ডেঙ্গি, কেউ বা আবার ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন। হাসপাতালে কিছু রোগীকে ভর্তি করতে হচ্ছে।

    কমলেশ রাম নামে রোগীর এক আত্মীয় বলেন, “আমার দিদির ম্যালেরিয়া হয়েছিল। জ্বর কমছিল না। হাওড়া জেলা হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়”। অপর দিকে মিঠু মুখার্জি নামে আরও এক রোগীর এক আত্মীয় জানান, নাতনির বারবার জ্বর আসছিল। ডেঙ্গি ও ম্যালেরিয়ার যেভাবে হচ্ছে, তাই ঝুঁকি না নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করে দিতে হয়েছে। এখন তার চিকিৎসা চলছে। হাওড়া হাসপাতালে গিয়ে দেখা গেল মশার কামড় রুখতে রোগীদের শয্যায় মশারি খাটানো হয়েছে।

    ডেঙ্গি-ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত কত?

    হাওড়া পুরসভা সূত্রে খবর, সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত পুরসভার ৫০টি ওয়ার্ডে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা ৫৪৮ জন। বর্তমানে ৪, ২৩ এবং ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডে ডেঙ্গি আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। হাওড়া পুরসভার ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে বলে স্বীকার করেছেন পুরসভার চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী। এই বছরের অগাস্ট মাস পর্যন্ত ম্যালেরিয়া আক্রান্তের সংখ্যা ১৩৮।

    পুরসভার বক্তব্য

    হাওড়া পুরসভার প্রশাসমন্ডলীর চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী স্বীকার করেছেন যে ডেঙ্গির পাশাপাশি ম্যালেরিয়ায় আক্রান্ত হচ্ছেন কিছু মানুষ। তবে এখনও পর্যন্ত কেউ মারা যায়নি বলে তিনি জানান। তিনি বলেন, “এই দুই রোগের প্রকোপ দেখা দিলেও নিয়ন্ত্রণের মধ্যে আছে। ২৯ নম্বর ওয়ার্ডে ম্যালেরিয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা বেশি। কারণ ওই ওয়ার্ডে মঙ্গলাহাট এবং লরি পার্কিং জোন থাকায় প্রচুর বাইরের মানুষ নিয়মিত আসেন। সেখান থেকেই এই ম্যালেরিয়া ছড়াচ্ছে”। ফুটপাতের বাসিন্দাদের জন্য মশারি বিতরণের পাশাপাশি সচেতনতা মূলক প্রচার করা করছেন বলে জানা গেছে। তিনি সকলকে ঘুমের সময় মশারি ব্যবহারের পরামর্শ দিয়েছেন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: হাওড়া শিল্পাঞ্চল আজ শ্মশানভূমি! বিশ্বকর্মা পুজোর আনন্দ ম্লান

    Howrah: হাওড়া শিল্পাঞ্চল আজ শ্মশানভূমি! বিশ্বকর্মা পুজোর আনন্দ ম্লান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিল্পের জন্য যে শহরের পরিচিতি ছড়িয়ে পড়েছিল দেশের গণ্ডি পেরিয়ে বিদেশেও সেই শহরে শিল্প আজ শ্মশান ভূমিতে পরিণত হয়েছে। প্রাচ্যের শেফিল্ডস নামে পরিচিত হাওড়া (Howrah) শিল্পাঞ্চলের বিশ্বকর্মা পুজোর জাঁকজমক জৌলুস একটা সময় হার মানাত দুর্গাপুজোকেও। আজ সেই ছবি ধূসর। এখন শুধুই ইতিহাস। বড় বড় বিশ্বকর্মার মূর্তি, তাসা, ব্যান্ড পার্টি, ঢাকের বাদ্যিতে যেখানে কানের পর্দা ফাটার উপক্রম হত আজ সেখানেই যেন নীরবে কোনওরকমে নিয়ম রক্ষার ঘট পুজোয় শিল্পের দেবতার নামমাত্র আরাধনায় মাততে হচ্ছে হাওড়া শিল্পাঞ্চলের মানুষদের।

    এক সময় হাওড়ায় কেমন হত বিশ্বকর্মা পুজো?

    আলামোহন দাসের তৈরি হাওড়ার দাসনগর শিল্পাঞ্চল এখন শ্মশানে পরিণত হয়েছে। গেস্টকিন উইলিয়ামস, রেমিংটন রেন্ড, বার্ন স্ট্যান্ডার্ড, ইন্ডিয়ান মেশিনারি, হুগলি ডক অ্যান্ড পোর্ট ইঞ্জিনিয়ারিং একের পর এক গঙ্গার ধার বরাবর গড়ে ওঠা জুট মিল, ফ্লাওয়ার মিল এখন এক একটা বিরাট ভূতুড়ে বাড়ির মত দাঁড়িয়ে আছে হাওড়া (Howrah) শহরজুড়ে। কোনও রকমে টিকে রয়েছে ঢালাই ও যৎসামান্য কয়েকটি লৌহ ইস্পাত, ক্ষুদ্র শিল্প। একটা সময় কারখানার ছুটি হলে বেজে উঠত সাইরেন। আর হাজারে হাজারে লোক কারখানা থেকে বেরিয়ে রওনা দিতেন গন্তব্যে। আজ সেই সাইরেনও শোনা যায় না। তখন দুর্গাপুজো মহালয়ার মতই বিশ্বকর্মা পুজো আসার ৩-৪ দিন আগে থেকেই একটা পুজো পুজো ভাব ফুটে উঠতো হাওড়া শিল্পাঞ্চলজুড়ে। কোনও কোনও কারখানায় তো বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে এক সপ্তাহ ছুটি দিয়ে দেওয়া হতো। দুর্গাপুজোর মতোই তখন বিশ্বকর্মা পুজোতে চালু ছিল থিম প্যান্ডেল। কোনও কারখানা কত বড় বিশ্বকর্মা প্রতিমা নিয়ে আসবে বা কে কাকে মণ্ডপে টেক্কা দেবে এটাই ছিল সব থেকে বড় প্রতিযোগিতা। বিশ্বকর্মা পুজো উপলক্ষে শ্রমিকদের সপরিবারেরও নিমন্ত্রণ থাকত। ভোর থেকেই শ্রমিক পরিবারের বউ ও মেয়েরা চলে আসতো কারখানায় পুজোর জোগাড় করতে। তারপর হত বিশ্বকর্মা পুজো এবং দিনভর খাওয়া-দাওয়া, হই হুল্লোর আনন্দ উৎসব। সারা বছরের কাজের ক্লান্তি চাপা পড়ে যেত এই দু-তিন দিনে।

    বিশ্বকর্মা পুজো নিয়ে কী বললেন লেদ কারখানার মালিক, শ্রমিকরা?

    লেদ কারখানার কর্মী সৌমিক মণ্ডল বলেন, তখনকার দিনে অনেক আগে থেকেই পুজো নিয়ে নানা পরিকল্পনা করা হত। কে ঠাকুর আনতে যাবে, এবারে কোনও শিল্পীকে আনা হবে সেসব নিয়ে আলোচনা চলত। সব কিছুর মধ্যেই একটা অন্যরকম অনুভূতি ছিল। এখন সবটাই ইতিহাস। কোনওরকমে সেই ট্রাডিশনকে ধরে রাখতে কোথাও ছোট ঠাকুর এনে আবার কোথাও শুধু ঘটপুজোয় বিশ্বকর্মার আরাধনা করতে হয়। জগদীশপুরের বাসিন্দা রবীন চট্টোপাধ্যায় বলেন, চাকরি করতেন বান স্ট্যান্ডার্ড কারখানায়। কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর সম্পূর্ণ অসহায় হয়ে পড়েছিলাম। কোনও চাকরি না পেয়ে সংসারে অভাব নেমে আসে। মেয়ের পড়াশুনা বন্ধ হয়ে গেল। সেই কষ্টের দিনগুলো এখনও মনে পড়লে খুবই খারাপ লাগে। বিশ্বকর্মা পুজো একটা উৎসবের আকার নিত। এখন সবটাই ইতিহাস। কারখানা মালিক সনৎ কুমার দাস বলেন, হাওড়া (Howrah) শিল্পাঞ্চলে একসময় ছিল শিল্পের স্বর্ণযুগ। আজ সেই গৌরব আর নেই।

    মৃৎশিল্পীদের কী বক্তব্য?

    এক মৃৎশিল্পী বাপ্পা পাত্র বলেন, একটা সময় বিরাট বিরাট ঠাকুর হত। শয়ে শয়ে ঠাকুর বিক্রি হতো পুজোর দুদিন আগে থেকেই। এখন বড় ঠাকুরের অর্ডার তো আসেই না। উল্টে ছোট ঠাকুরের দাম পাওয়া যায়না। প্রতিবছরই ঠাকুরের চাহিদা কমছে। তিনি গত বছর যেখানে ৪৫ টি ছোট ঠাকুর তৈরি করেছিলেন এবছর ২০টি ঠাকুর তৈরি করেছেন। তাও বিক্রি হচ্ছেনা। হাওড়ায় (Howrah) ফিরে আসুক শিল্পের সেই সোনালী অতীত। শিল্পের কারিগরের কাছে সেই প্রার্থনা করলেন হাওড়ার শ্রমিকরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: মাঝেরহাট, পোস্তার মতো অবস্থা হবে না তো হাওড়ার বঙ্কিম সেতুর! উদ্বেগে মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীরা

    Howrah: মাঝেরহাট, পোস্তার মতো অবস্থা হবে না তো হাওড়ার বঙ্কিম সেতুর! উদ্বেগে মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৮ সালের এক মঙ্গলবার বিকেলে হুড়মুড়িয়ে ভেঙে পড়েছিল প্রায় ৪০ বছরের পুরানো মাঝেরহাট ব্রিজ। মৃত্যু হয়েছিল বেশ কয়েকজনের। আর আগে ২০১৩ সালের ৪ মার্চ মধ্যরাতে ভেঙে পড়েছিল উল্টোডাঙার ওভারব্রিজ। এর পর ২০১৬-র ৩১ মার্চ ভেঙে পড়ে নির্মীয়মাণ পোস্তা সেতু। সেই  ঘটনায় মারা যান ২৭ জন। আরও ৮০ জন জখম হয়েছিলেন। শহরে একের পর এক সেতু বিপর্যয়ের পর এবার হাওড়া শহরের প্রধান যোগাযোগকারী বঙ্কিম ব্রিজের এতটাই বেহাল অবস্থা যে সেই ব্রিজটিও মাঝেরহাট ব্রিজের মত ভেঙে পড়বে না তো? এমনটাই আশঙ্কা প্রকাশ করেছে হাওড়া শহরের বাসিন্দারা, বিশেষ করে হাওড়ার মঙ্গলাহাটের ব্যবসায়ীরা।

    বঙ্কিম সেতু নিয়ে কেন উদ্বেগ?

    দীর্ঘদিন রক্ষণাবেক্ষণ হয়নি। ফলে, ক্রমশ বেহাল হয়ে পড়ছে হাওড়ার বঙ্কিম সেতু।  হাওড়া ব্রিজ থেকে নেমে দক্ষিণবঙ্গের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের প্রধান মাধ্যম এই বঙ্কিম সেতু। মঙ্গলবার দুপুরে এই সেতুর চাঙর ভেঙে পড়ে জখম হয়েছেন দুজন। তাদের মধ্যে একজন শিশু রয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে,  এই বঙ্কিম সেতুর নিচেই বসে মঙ্গলাহাট। সেতুর ঠিক নীচে পুজোর আগে ফুটপাতের দোকানগুলিতে উপচে পড়ছে ক্রেতাদের ভিড়। তখনই বঙ্কিম সেতুর চাঙর খসে পড়ে এক ক্রেতার গায়ে লাগে। সঙ্গে ছিল এক শিশু। ওই চাঙড়ের আঘাতে জখম হয় শিশুটি। তাকে দ্রুত নিয়ে যাওয়া হয় হাওড়া জেলা হাসপাতালে। এমনিতেই কয়েক বছর আগে সেতুর ওপরের ভার কমাতে হাওড়া সিটি পুলিশের উদ্যোগে সেতুর ওপর পার্কিং বন্ধ করার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু সে নির্দেশও বেশি দিন মানা হয়নি । মঙ্গলাহাটের দুদিন আগে থেকেই বড় বড় লরি লোডিং আনলোডিং এর কাজ হয় বঙ্কিম সেতুর ওপরেই। ফলে সেতুর নিচে দিয়ে যারা যাতায়াত করেন তারা খুবই আতঙ্কের মধ্যে তাদের পথ চলতে হয়। ফলে, যে কোনও মুহূর্তে সেতুটি ভেঙে পড়তে পারে।

    স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের কী বক্তব্য?

    স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীদের বক্তব্য,বঙ্কিম সেতুর অবস্থা দীর্ঘদিন ধরেই খারাপ। কোনও মেরামতি করা হয়নি। অনেক জায়গাতেই সেতু থেকে জল পড়ে। আবার কোথাও কোথাও সেতুতে ওঠার লোহার সিঁড়ি পুরোপুরি ভগ্ন দশা। সেসব জায়গা দিয়ে সেতুতে উঠতে মাঝেমধ্যেই দুর্ঘটনায় পড়েন অনেকে। একইভাবে হাওড়ার মাছ বাজারের সামনে থেকে বঙ্গবাসী সিনেমা হলের সামনে যেখানে গিয়ে সেতুটি নেমেছে পুরো অংশটাই রাস্তা যেমন ভাঙাচোরা,একইভাবে সেতুর নিচের ছাদ থেকে মাঝেমধ্যেই খসে পড়ে চাঙড়। কয়েকদিন আগেও এই ধরনের একটি দুর্ঘটনা ঘটেছে। তারপরেও সেতু মেরামতির উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।

    হাওড়া পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যান কী বললেন?

    হাওড়া পুরসভার প্রশাসক মন্ডলীর চেয়ারম্যান সুজয় চক্রবর্তী বলেন, এদিনে দুর্ঘটনার পরেই আমি কে এম ডি এর আধিকারিকদের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। কারণ সেতুটি মেরামতি এবং রক্ষণাবেক্ষণ এর কাজ করে কে এম ডি এ। কেএমডির আধিকারিকরা আশ্বাস দিয়েছেন দ্রুততার সঙ্গে সেতু মেরামতির কাজ শুরু হবে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Howrah: “পঞ্চায়েত বা উপনির্বাচন কোনও ভোটই নয়, সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হবে বিজেপিই” হুঙ্কার শুভেন্দুর

    Howrah: “পঞ্চায়েত বা উপনির্বাচন কোনও ভোটই নয়, সাধারণ নির্বাচনে জয়ী হবে বিজেপিই” হুঙ্কার শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের শাসকদলকে তীব্র আক্রমণ শানালেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হাওড়ার (Howrah) বাঁধাঘাট মোড়ে শনিবার সন্ধ্যায় বিজেপির এক জনসভায় শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘বিজেপি ধূপগুড়ি মহকুমা চায় না’ বলে মিথ্যা প্রচার করেছে তৃণমূল। ৪ হাজার ভোটে জিতে ভাবছেন বিজেপি হামাগুড়ি দিচ্ছে! পঞ্চায়েত ভোট বা উপনির্বাচন কোনও ভোট নয়। ভোট তো হবে ২০২৪ সালের লোকসভার ভোট। তৃণমূলকে খুঁজে পাওয়া যাবে না।

    কী বললেন শুভেন্দু (Howrah)?

    হাওড়ার (Howrah) সভা থেকে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, লোকসভা ও বিধানসভার একসঙ্গে ভোট হলে, তার আগেই এই তৃণমূলের সরকার পড়ে যাবে। তিনি দলের কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, ২০২৪ সালের ভোটের আগে জোট বাঁধুন। তিনি আরও বলেন, বাংলায় যাতে তৃণমূল চুরি করতে পারে, সেই কাজটাই মহম্মদ সেলিম এবং অধীর বাবুরা করে যাচ্ছেন। তাই নিচুতলার কমরেডরা আমাদের সঙ্গে চলে আসুন। বাংলাকে বাঁচাতে চাইলে ‘নো ভোট টু মমতা’ বলুন।

    উপনির্বাচন সম্পর্কে কী বললেন?

    ধূপগুড়ি উপনির্বাচন প্রসঙ্গে বলতে গিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী এই সভায় (Howrah) বলেন, পঞ্চায়েত বা উপনির্বাচন কোনও ভোটই নয়। সাধারণ নির্বাচনে বিজেপিই জিতবে। তিনি আরও বলেন, সব ভোট একসঙ্গে হলে, তৃণমূল হারিয়ে যাবে। একদেশ একভোট যদি হয়, তাহলে ছাব্বিশের আগেই সরকার পড়ে যাবে মমতার। ওখানে মহকুমার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটে জিতেছে তৃণমূল। তাই লোকসভার আগে সকল সাধারণ মানুষ একত্রিত হতে হবে। ওই সিটে ছয় মাস বাদে আবার বিজেপি লিড করবে। সাধারণ নির্বাচনে আমরাই জিতব। তিনি আরও বলেন, আমাদের ২৮-৩০ হাজার ভোটার ভোট দিতে আসেননি।

    রাম- বামের জোট গঠন করার আহ্বান

    হাওড়ার (Howrah) এই সভা থেকেই শুভেন্দু ফের রাম-বাম জোট গড়ার আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি বলেন, নীচুতলার বাম সমর্থকরা আমাদের সঙ্গে চলে আসুন। বাংলায় তো তৃণমূলকে চোর বলে কংগ্রেস এবং সিপিএম! কিন্তু করলেন কী তাঁরা? তৃণমূল যাতে জিততে পারে, সেই ব্যবস্থাই করলেন বলে স্পষ্ট আক্রমণ করেন শুভেন্দু। তাই নীচুতলার কর্মীদের বলব, আপনারা তো ধান্দাবাজ নন। যদি বাংলাকে বাঁচাতে চান, নিচুতলায় বিজেপির সঙ্গে মিটিং করুন। বিজেপির সঙ্গে একজোট হয়ে লড়াই করলে এই চোর তৃণমূলের উচ্ছেদ প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ganges: হাওড়ার গঙ্গায় ঝাঁকে ঝাঁকে ভেসে উঠছে মরা মাছ, কেন জানেন?

    Ganges: হাওড়ার গঙ্গায় ঝাঁকে ঝাঁকে ভেসে উঠছে মরা মাছ, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাওড়ার বাউড়িয়া থেকে সালকিয়া। গঙ্গার (Ganges) ঘাটে ঘাটে গত দু একদিন ধরেই ঝাঁকে ঝাঁকে ভেসে উঠছে মরা মাছ। প্রথমে দেখা যাচ্ছে পাড়ের কাছে মাছগুলি খাবি খেতে খেতে মারা যাচ্ছে। আর সেই মাছ ধরার ধুম পড়ে গিয়েছে হাওড়ার গঙ্গার ঘাটে। মাছের এই মড়কের প্রকৃত কারণ এখনও জানা না গেলেও প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে গঙ্গায় ব্যাপক দূষণের ফলেই এই মাছের মৃত্যু হচ্ছে।

    প্রত্যক্ষদর্শীরা কী বললেন? (Ganges)

    শুক্রবার দুপুর থেকেই হাওড়ায় গঙ্গার (Ganges) বিভিন্ন ঘাটে মাছ ভেসে উঠতে দেখেন স্থানীয়রা। বিকালের দিকে যা আরও বেড়ে যায়। বিভিন্ন প্রজাতির মাছ ভেসে উঠতে শুরু করে গঙ্গার জলে। ক্রমশ ভিড় জমে যায় হাওড়ার তেলকল ঘাট, শিবপুর ঘাট, রামকৃষ্ণপুর ঘাট-সহ বিভিন্ন জায়গায়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানাচ্ছেন, প্রথমে বেশ কয়েকটি মরা মাছ ভেসে উঠেছিল। পরে, ধীরে ধীরে সেই সংখ্যা বৃদ্ধি পায়। শুক্রবার থেকে এই মাছের মড়ক শুরু হলেও শনি ও রবিবারও কোথাও কোথাও মাছ মরে ভাসতে দেখা যায়। গ্রামীণ হাওড়ার বিভিন্ন ঘাটেও একই দৃশ্য দেখা যায়। ভেসে ওঠা মাছ ধরতে প্রচুর উৎসাহী মানুষ ভিড় জমান গঙ্গার ঘাটে ঘাটে।

    পরিবেশবিদরা কী বলছেন?

    পরিবেশবিদ তাপস দাস বলেন, গঙ্গার (Ganges) দুই পাড়ে কলকাতা ও হাওড়ায় রয়েছে অসংখ্য কারখানা। বিশেষ করে হাওড়ায় গঙ্গার ধার বরাবর বহু পুরানো গোডাউন, নানা রাসায়নিক কারখানা ও লেদ কারখানা রয়েছে। সেইসব কারখানা থেকে বিষাক্ত তেল মাঝেমধ্যেই গঙ্গার জলে মিশে যায়। হাওড়ার বালিতে কয়েক বছর আগে কারখানার তেল গঙ্গার জলে পড়ে তেলের আস্তরণ তৈরি হয়েছিল। পরে,তা আস্তে আস্তে ভেসে যায়। তাতেও বেশ কিছু মাছ ও গঙ্গার জলজ প্রাণীর মৃত্যু হয়। এবারেও এরকম কোনও কারখানার বর্জ্য বা তেলের কারণে মাছের মৃত্যু হতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে মনে করছেন সাধারণ মানুষ থেকে পরিবেশবিদরা। তবে, বর্ষাকাল হওয়ায় গঙ্গার জলস্তর অনেকটাই বেড়ে গেছে। ফলে সেই তেল বা বর্জ্য দ্রুত ভেসে যাওয়ায় মাছের মোড়ক অনেকটাই ঠেকানো গেছে বলে মনে করছেন পরিবেশবিদরা।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share