Tag: India news

India news

  • Indian Coast Guard: বিকল নৌকা, মাঝ-সমুদ্রে আটকে পড়া ২৭ বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে উদ্ধার ভারতের

    Indian Coast Guard: বিকল নৌকা, মাঝ-সমুদ্রে আটকে পড়া ২৭ বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে উদ্ধার ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় জলসীমার ভিতরে মাঝ-সমুদ্রে বিকল নৌকায় আটকে পড়া ২৭ বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে (Bangladeshi Fishermen) উদ্ধার করে ফেরত পাঠাল ভারত। 

    বিকল হয়ে ভারতীয় জলসীমায় প্রবেশ

    ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Indian Coast Guard) তরফে জানানো হয়েছে, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ ভারত-বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক জলসীমান্তের কাছে নিয়মমাফিক প্যাট্রলিং করার সময় উপকূলরক্ষী বাহিনীর জাহাজ ‘আইসিজিএস অমোঘ’ দেখতে পায় যে, ‘সাগর-২’ নামে বাংলাদেশের একটি ফিশিং বোট (মাছ ধরার নৌকা) এদেশের জলসীমায় ঢুকে পড়েছে। সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে ওই নৌকার কাছে পৌঁছে যায় বাহিনীর জাহাজ। নৌকায় উঠে তদন্ত শুরু করে উপকূলরক্ষী বাহিনীর একটি টিম। তারা জানতে পারে যে, গত ২ দিন আগে নৌকার স্টিয়ারিং গিয়ার ভেঙে যাওয়ায় নৌকাটি ঢেউয়ের তোড়ে ভারতীয় জলসীমায় ঢুকে পড়েছে। নৌকায় সেই সময় ২৭ জন বাংলাদেশি মৎস্যজীবী (Bangladeshi Fishermen) ছিল।

    মাঝ-সমুদ্রে আটকে ২৭ বাংলাদেশি

    ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Indian Coast Guard) টেকনিক্যাল টিম সমস্যা সমাধান করার চেষ্টা করে। প্রথমে বিকল হওয়া স্টিয়ারিং গিয়ার মেরামত করার চেষ্টা করা হয়। কিন্তু, পরে দেখা যায়, নৌকার রাডার (যা দিয়ে নৌকার দিশা ঠিক করা হয়) ভীষণ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এর ফলে, কোনও অবস্থাতেই ওই নৌকাকে মাঝ-সমুদ্রে সারানো যাবে না। এর পর, সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়, বাংলাদেশি নৌকাকে সমুদ্রেই আরেকটি মৎস্যজীবীদের নৌকা (Bangladeshi Fishermen) বা বাংলাদেশি উপকূলরক্ষী বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হবে। সেইমতো, দড়ি দিয়ে উপকূলরক্ষী বাহিনীর জাহাজের সঙ্গে বেঁধে বিকল হয়ে পড়া নৌকাটিকে টেনে বাংলাদেশি জলসীমার কাছে পৌঁছে যায় ‘আইসিজিএস অমোঘ’।

    ঢাকার হাতে তুলে দেওয়া হয় বাংলাদেশিদের

    এর মধ্যেই, কলকাতায় ভারতীয় উপকূলরক্ষী বাহিনীর (Indian Coast Guard) দফতর থেকে যোগাযোগ করা হয় বাংলাদেশ কোস্টগার্ডের সঙ্গে। গোটা বিষয়টি সম্পর্কে অবগত করা হয়। এর পর  সন্ধ্যেবেলা পৌনে সাতটা নাগাদ আন্তর্জাতিক জলসীমার কাছে পৌঁছে যায় বাংলাদেশি উপকূলরক্ষী বাহিনীর জাহাজ ‘বিসিজিএস কামারুজ্জামান’। প্রথামাফিক, বিকল হওয়া নৌকা সহ ২৭ বাংলাদেশি মৎস্যজীবীকে (Bangladeshi Fishermen) প্রতিবেশি দেশের বাহিনীর হাতে তুলে দেওয়া হয়।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Birbhum BJP Candidate: তারাপীঠে পুজো দিয়ে ভোটের ময়দানে নামলেন বিজেপি প্রার্থী প্রাক্তন আইপিএস

    Birbhum BJP Candidate: তারাপীঠে পুজো দিয়ে ভোটের ময়দানে নামলেন বিজেপি প্রার্থী প্রাক্তন আইপিএস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তারাপীঠে পুজো দিয়ে নির্বাচনী প্রচারে নামলেন বীরভূমের (Birbhum) বিজেপি প্রার্থী দেবাশিস ধর (Debasis Dhar)। তাঁর লড়াই তিন বারের তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়ের (Satabdi Ray) বিরুদ্ধে। শীতলকুচির (Sitalkuchi) ঘটনা বদলে দিয়েছে এই পুলিশ অফিসারের জীবন। জানা গিয়েছে, তাঁর অজান্তেই গুলি চলে ছিল। এরপর ঘটনায় অভিযুক্ত করে তাঁকে সাসপেন্ড এবং জেরা করা হয়। তারপরেই তিনি বিজেপিতে যোগদান করেন। তবে এই বিজেপি প্রার্থীর (BJP Candidate) তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করে বলেন, “বীরভূমে কোনও কাজ করেননি তিন বারের সাংসদ শতাব্দী রায়। রাজ্যের পুলিশ মন্ত্রী আগে ভাগে পদক্ষেপ নিলে বীরভূম নিয়ে এত অভিযোগ উঠত না।”

    কী বললেন দেবাশীষ ধর?

    লোকসভা নির্বাচনী প্রচারে বেরিয়ে এদিন দুর্নীতি নিয়েও রাজ্যকে কটাক্ষ করেন দেবাশিস ধর। তিনি তৃণমূলকে আক্রমণ করে বলেন, “রাজ্য চুরিতে এমন রেকর্ড করে বসে আছে যে আগামী ১০০ বছরে এই রেকর্ড ভাঙা সম্ভব হবে না। রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় না এলে উন্নয়ন সম্ভব নয়। শীতলকুচির ঘটনার জন্য অনেক মানসিক পরিবর্তন হয়েছে। ওই ঘটনার পর যা হয়েছে তা যদি না ঘটত তাহলে ডিআইজি হতাম, প্রার্থী হতাম না। ২০১১ সাল থেকেই ভুল সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন পুলিশমন্ত্রী। তিনি যদি সঠিক সিদ্ধান্ত নিতেন তাহলে রাজ্যে এত রাজনৈতিক হিংসা হত না। এত দুর্নীতিও হত না। রাজ্যে মানিক ভট্টাচার্য্য, পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অনুব্রত মণ্ডল অথবা বালুর মত ব্যক্তিদের ছড়াছড়ি হত না। তৃণমূলের তিনবারের সাংসদ কোনও কাজ করেননি। মানুষের কাছে গিয়ে তিনি ধাক্কা খাচ্ছেন। অন্য রাজ্যে গেলে বাঙালি হিসেবে লজ্জা হয়। এ রাজ্যে শিল্প বলতে মদ আর জমি বিক্রি ছাড়া আর কিছুই নেই।”

    তারা মায়ের কাছে মানব সেবার কামনা

    প্রসঙ্গত মঙ্গলবার তারাপীঠে (Tarapith) পুজো দিয়ে প্রচার শুরু করেন বীরভূমের বিজেপি প্রার্থী। মায়ের কাছে কী কামনা করলেন জিজ্ঞেস করায় তিনি বলেন, “প্রার্থনা করেছি এমন কিছু চমৎকার কর যেন জন্ম জন্মান্তর তোমার সেবা করতে পারি। মানুষের হয়ে কাজ করতে এসেছি। প্রশাসনিক পদে থাকা এবং মানুষের জন্য কাজ করা অনেকটাই আলাদা। আমরা ভোটে জয়ী হবো এতে কোনও সন্দেহ নেই। ব্যক্তিগত কোনও লড়াই নেই। সবটাই রাজনৈতিক লড়াই আমাদের। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইমেজে লড়াই হবে। আমাদের সরকার এলে রাজ্যের প্রশাসনিক সংস্কার হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, Facebook, Twitter, Telegram এবং Google News পেজ। 

  • PM Modi in North Bengal: উত্তরবঙ্গের তিন কেন্দ্রে ঝড় তুলবেন মোদি, সভা জলপাইগুড়িতেও

    PM Modi in North Bengal: উত্তরবঙ্গের তিন কেন্দ্রে ঝড় তুলবেন মোদি, সভা জলপাইগুড়িতেও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাকৃতিক বিপর্যয় এখন রাজনীতির ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। জলপাইগুড়ির (Jalpaiguri) কয়েক মিনিটের ঝড় (Tornado) প্রভাব ফেলেছে রাজনীতির আঙিনায়। এবার প্রধানমন্ত্রী (PM Modi) এই কেন্দ্রে বঙ্গ সফরে বেশি সময় দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বলে বিজেপি (BJP) সূত্রে জানা গিয়েছে। প্রথম দফাতেই জলপাইগুড়ি কেন্দ্রে নির্বাচন (Election) হবে। কিন্তু নির্বাচনের আগে টর্নেডোর তাণ্ডব এখন ইস্যু হয়ে দাঁড়িয়েছে। ভোটের প্রচার (Election Campaign) থমকে গিয়েছে ঝড়ের প্রভাবে। থমকে গিয়েছে স্থানীয় মানুষের স্বাভাবিক জনজীবন। তবে ভোটপ্রচার অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ রাখা সম্ভব নয় রাজনৈতিক দলগুলির পক্ষে। গণতন্ত্রের উৎসব বলে কথা।

    বৃহস্পতিবার কোচবিহারে মোদি

    প্রসঙ্গত রবিবার ঝড়ের খবর পেয়েই জলপাইগুড়ি যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee), তড়িঘড়ি টুইট করে প্রশাসনিক সাহায্যের আশ্বাস দেন প্রধানমন্ত্রী (Narendra Modi)। উল্লেখ্য ১৯ এপ্রিল কোচবিহার (Coochbehar), আলিপুরদুয়ার (Aliporeduar) ও জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) আসনে নির্বাচন হবে। ভোট প্রচারে ঝড় তুলতে বৃহস্পতিবার কোচবিহারে আসবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। কোচবিহারের রাসলীলা ময়দানে জনসভা করার কথা রয়েছে তাঁর। এরপর রবিবার জলপাইগুড়িতে সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। এদিনই বালুরঘাটেও সভা করার কথা রয়েছে তাঁর।

    রাজ্যে ৩০টির বেশি সভা মোদির

    উত্তরবঙ্গ পাখির চোখ বিজেপির। নিজেদের গড় ধরে রাখার লড়াই চালাচ্ছে বিজেপি। কোচবিহারের প্রার্থী কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক, বালুরঘাটের প্রার্থী বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। জলপাইগুড়ির বিজেপি প্রার্থী জয়ন্ত রায়। তিন হেভিওয়েট কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রীর আগমন ও ভাষণ সহযোগে প্রচারে ঝড় তুলতে চাইছে গেরুয়া শিবির। বিজেপির দাবি, শুধু উত্তরবঙ্গ নয় লোকসভা ভোটে গোটা পশ্চিমবঙ্গে বাড়তি গুরুত্ব দিচ্ছে বিজেপি। ভোট ঘোষণার আগেই রাজ্যে একাধিক সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। বারাসত, কৃষ্ণনগর ও আরামবাগে সভা করে প্রচারে ঝড় তুলে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। আসন্ন লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে রাজ্যে ৩০টির বেশি সভা করার কথা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। এছাড়াও অমিত শাহ, জেপি নাড্ডা সহ বিজেপির তারকা প্রচারকদের শতাধিক সভা ও মেগা র‍্যালি হবে রাজ্যজুড়ে।

    আরও পড়ুনঃ ভারতে চলবে না পেট্রল-ডিজেল গাড়ি! কী বললেন নিতিন গড়করি?

    উত্তরবঙ্গ বিজপির পাখির চোখ

    বিজেপি সূত্রের খবর, কোচবিহারের রাসলীলা ময়দানে মোদির প্রথম সভা অনুষ্ঠিত হবে বৃহস্পতিবার। এরপর রবিবার রাজ্য বিজেপির সভাপতি সুকান্ত মজুমদারের কেন্দ্র বালুরঘাটে দুপুর ২:৩০ নাগাদ সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখান থেকে তিনি বিকেল চারটে নাগাদ যাবেন জয়ন্ত রায়ের নির্বাচনী কেন্দ্র জলপাইগুড়িতে। সেখানে সভা করবেন তিনি। যেহেতু ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে উত্তরবঙ্গে বিজেপি ভালো ফল করেছিল এবং সার্বিকভাবে বিগত বিধানসভা নির্বাচনেও উত্তরবঙ্গ থেকে বেশ কয়েকটি আসন নিজেদের দখলে রাখতে সক্ষম হয় বিজেপি, তাই উত্তরবঙ্গকে এবারও পাখির চোখ করেছে গেরুয়া শিবির। সে কারণেই প্রচারে কোনও রকম খামতি রাখতে চাইছে না বিজেপি। তাই আগেভাগেই উত্তরবঙ্গের সমস্ত আসনে প্রচারে ঝড় তুলে ভোটারদের নিজেদের পক্ষে করার স্ট্র্যাটেজি নিয়েছে পদ্মফুল শিবির।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Whatsapp, Telegram, Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Congress: কংগ্রেসের বকেয়া আয়কর আদায়ে ভোটের মধ্যে কঠোর পদক্ষেপ নয়, সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র

    Congress: কংগ্রেসের বকেয়া আয়কর আদায়ে ভোটের মধ্যে কঠোর পদক্ষেপ নয়, সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লোকসভা নির্বাচনের আগে স্বস্তিতে কংগ্রেস (Congress)। ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকার বকেয়া আয়কর আদায়ে এখনই কোনও কড়া পদক্ষেপ করা হবে না বলে সুপ্রিম কোর্টে জানিয়ে দিল আয়কর দফতর। সোমবার সুপ্রিম কোর্টে আয়কর দফতরের পক্ষে সওয়াল করেন কেন্দ্রের সলিসিটর জেনারেল তুষার মেটা।

    কী বললেন সলিসিটর জেনারেল?

    তিনিই জানান, কংগ্রেসের বকেয়া ৩ হাজার ৫০০ কোটি টাকার আয়কর উদ্ধার করতে লোকসভা নির্বাচনের আগে গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টির বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করতে চায় না আয়কর দফতর। তিনি বলেন, “২০২৪ সালে তাদের (কংগ্রেস) ২০ শতাংশ আয়কর দেওয়ার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তার পর ১৩৫ কোটি টাকা উদ্ধার হয়। পরে ১ হাজার ৭০০ কোটি টাকা চাওয়া হয়। এখন গোটা বিষয়টি নির্বাচনের পরবর্তী সময়ের জন্য তোলা রইল। ততক্ষণ পর্যন্ত আমরা কোনও পদক্ষেপ করব না।”

    নোটিশ সোনিয়ার দলকে

    শুক্রবারই ১ হাজার ৮০০ কোটি টাকা চেয়ে আয়কর দফতর নোটিশ পাঠিয়েছিল সোনিয়া গান্ধীর দলকে। এর পর চব্বিশ ঘণ্টাও কাটেনি ফের দু’টি নোটিশ পায় গ্র্যান্ড ওল্ড পার্টি। তার পরেই কেন্দ্রের শাসক দল বিজেপির বিরুদ্ধে ‘কর সন্ত্রাসে’র অভিযোগে সরব হয় কংগ্রেস (Congress)। বকেয়া আয়কর বাবদ ৩ হাজার ৫৬৭ কোটি টাকা চাওয়া হয়েছে, জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থও হয় কংগ্রেস।

    সোমবার শুনানির জন্য মামলাটি ওঠে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি বিভি নাগরত্নের বেঞ্চে। কংগ্রেসের হয়ে সওয়াল করেন আইনজীবী অভিষেক মনু সিঙ্ঘভি। আদালতে তিনি বলেন, “আমরা কোনও লাভজনক সংস্থা নই। আমরা একটি রাজনৈতিক দল।” প্রসঙ্গত, লোকসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হবে ৪ জুন। এই মামলার পরবর্তী শুনানি ২৪ জুলাই। তাই ততদিন পর্যন্ত স্বস্তিতেই রইল কংগ্রেস।

    আরও পড়ুুন: আরও এক বছর সস্তায় মিলবে গ্যাস, ভর্তুকি কত জানেন?

    কংগ্রেসের বিরুদ্ধে প্রধান অভিযোগ, পর পর কয়েকটি অর্থবর্ষে নির্বাচনী বন্ড বা অন্য খাতে যা আয় করেছে, তাতে কর ফাঁকি দিয়েছে কংগ্রেস। সোনিয়ার দলকে নোটিশ পাঠিয়ে সেই টাকাই চেয়েছিল আয়কর দফতর। জরিমানা-সহ ওই টাকা দিতে গেলে নির্বাচনের আগে বিপাকে পড়তে হত গ্রান্ড ওল্ড পার্টিকে। কারণ, ক্ষয়িষ্ণু দল হওয়ায় কংগ্রেসের (Congress) রোজগার আঞ্চলিক দল তৃণমূলের চেয়েও কম।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Ladakh: সব মরশুমেই যাতায়াত সহজ! চিনকে ঠেকাতে লাদাখে নতুন রাস্তা নির্মাণ করছে কেন্দ্র

    Ladakh: সব মরশুমেই যাতায়াত সহজ! চিনকে ঠেকাতে লাদাখে নতুন রাস্তা নির্মাণ করছে কেন্দ্র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লাদাখে (Ladakh) চিনা আগ্রাসন রুখতে সদা সক্রিয় কেন্দ্র। তাই প্রতিদিনই এই অঞ্চলের উন্নতি ও সুরক্ষার জন্য নতুন পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে। এবার লাদাখের (Ladakh) নিম্মু-পদম-দারচা সড়ক (Nimmu- Padam -Darcha Road) নির্মাণ করতে চলেছে বর্ডার রোড অর্গানাইজেশন (BRO)। এই রাস্তা সহজে মানালি থেকে লেহকে যুক্ত করবে। এই রাস্তা যে কোনও মরশুমে খোলা রাখা যাবে। এই রাস্তা সেনা চলাচলে সহায়তা করবে। ওই অঞ্চলের পর্যটনকে উন্নতির শিখরে নিয়ে যাবে, বলে অনুমান বিশেষজ্ঞদের।

    কোথা থেকে কোথায় যাবে নয়া রাস্তা

    নতুন রাস্তাটি মানালি-লেহ এবং শ্রীনগর-লেহ ছাড়াও লাদাখের (Ladakh) অন্তর্বর্তী অঞ্চলের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। বর্ডার রোড অর্গানাইজেশন (বিআরও) সম্প্রতি এই নতুন রাস্তা নির্মাণের কথা জানিয়েছে। নিম্মু-পদম-দারচা সড়কটি ২৯৮ কিলোমিটার বিস্তৃত। রাস্তাটি কার্গিল-লেহ হাইওয়েতে দারচা এবং নিম্মুর মাধ্যমে মানালি থেকে লেহকে সংযুক্ত করবে। এই রাস্তাটি কেবল শিনকুন লা (১৬,৫৫৮ ফুট) পাস অতিক্রম করবে। এই রাস্তার উপর টানেল তৈরির কাজ শুরু করতে চলেছে বর্ডার রোড অর্গানাইজেশন। শীতেও এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা যাবে।

    এই সড়ক নির্মাণের সুবিধা

    এই রাস্তাটি লাদাখের (Ladakh) দুর্গম কয়েকটি অঞ্চলকে সংযুক্ত করবে। আগে এই দুর্গম অঞ্চলগুলিতে সেনার পক্ষে যাওয়া সম্ভব হতো না। সড়কটি তৈরি হলে সেই সমস্যা অনেকটাই মিটবে। ভারত-চিন সীমান্তের কাছাকাছি এই অঞ্চলে নতুন রাস্তাটি সেনাবাহিনীর কাছে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ২০২০ সালে লাদাখে চিনা আগ্রাসনের পর, নজরদারিতে জোর দেয় প্রতিরক্ষামন্ত্রক। নজরদারি ঠিক মতো না চলানোর দরুণ হামলার আগাম খবর পাওয়া যায়নি বলে মনে করেন সেনা আধিকারিকদের একাংশ। এরপর নজরদারি চালানোর জন্য অধিক সংখ্যক সেনা মোতায়েনের পাশাপাশি সড়ক নির্মাণে জোর দেওয়া হয়।

    আরও পড়ুন: ২৬/১১ জঙ্গিদমনের নায়ক মুম্বই এটিএস প্রধান সদানন্দ দাতে এবার এনআইএ-র মাথায়

    তবে শুধু সেনা যাতায়াতের জন্য নয়, পর্যটনের দিকে নজর রেখেই তৈরি করা হয়েছে এই রাস্তা। রাস্তাটি তৈরির ফলে পর্যটনে ঢল নামবে বলে মনে করছে কেন্দ্র। সেই সঙ্গে আর্থ সামাজিক উন্নয়নেও রাস্তাটি আগামী দিনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলেও মনে করা হচ্ছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Air Force: চলতি মাসেই বায়ুসেনার হাতে আসছে এলসিএ তেজসের প্রথম ‘মার্ক-১এ’ যুদ্ধবিমান?

    Indian Air Force: চলতি মাসেই বায়ুসেনার হাতে আসছে এলসিএ তেজসের প্রথম ‘মার্ক-১এ’ যুদ্ধবিমান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চলতি মাসেই কি ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force) হাতে পেতে চলেছে নতুন দেশীয় লাইট কমব্যাট এয়ারক্র্যাফট ‘তেজস মার্ক-১এ’ (LCA Tejas Mark-1A) সংস্করণের প্রথম যুদ্ধবিমান? এমন একটা সম্ভাবনা প্রবল রয়েছে বলে জানা গিয়েছে বায়ুসেনা সূত্রে। তেমনটা হলে নিঃসন্দেহে ভারতীয় বায়ুসেনার শক্তি কয়েকগুণ বেড়ে যাবে।

    প্রথম বিমানটি দুই-আসন বিশিষ্ট

    সম্পূর্ণ দেশীয় যুদ্ধবিমান তেজস-এর উন্নত মার্ক-১এ সংস্করণের যুদ্ধবিমানগুলি উৎপাদন হচ্ছে রাষ্ট্রায়ত্ত যুদ্ধবিমান প্রস্তুতকারী সংস্থা হিন্দুস্তান অ্যারোনটিক্স লিমিটেডের কারখানায়। সূত্রের খবর, চলতি মাসের শেষেই এই সংস্করণের প্রথম বিমানটি হস্তান্তর করা হবে ভারতীয় বায়ুসেনাকে (Indian Air Force)। এই বিমানটি মূলত দুই-আসন বিশিষ্ট প্রশিক্ষণ বিমান হবে। 

    ৩১ মার্চ সম্ভাব্য হস্তান্তর

    বায়ুসেনা সূত্রে খবর, ৩১ মার্চ সম্ভবত এই হস্তান্তরের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হবে। তেমনটা হলে, স্বদেশীয় যুদ্ধবিমান প্রকল্পের জন্য তা হতে চলেছে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। কারণ, এলসিএ তেজস মার্ক-১এ (LCA Tejas Mark-1A) মূলত হল চতুর্থ প্রজন্মের যুদ্ধবিমান। তবে, বিশ্বের বাকি চতুর্থ প্রজন্ম তথা এই শ্রেণির যুদ্ধবিমানের তুলনায় তেজস মার্ক-১এ হতে চলেছে বেশি ক্ষমতাশালী ও উন্নত।

    আকাশে ওড়ার অপেক্ষা

    এমন ৮৩টি যুদ্ধবিমানের জন্য হ্যাল-এর সঙ্গে ৪৮ হাজার কোটি টাকার চুক্তি করেছে ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force)। শুধু তাই নয়। ৮৩টির পর আরও অতিরিক্ত ৯৭টি যুদ্ধবিমান কেনার জন্য ৬৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দে অনুমোদন দিয়েছে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, হ্যালের কারখানায় ইতিমধ্যে নতুন যুদ্ধবিমানের গ্রাউন্ড ট্রায়াল ও ট্যাক্সি-রান সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। এবার আকাশে ওড়ার পালা। 

    ‘যুগান্তকারী ঘটনা’

    ২০১৬ সাল থেকেই ভারতীয় বায়ুসেনায় অন্তর্ভুক্ত হয়ে রয়েছে তেজসের মার্ক-১ সংস্করণ। বর্তমানে, বায়ুসেনায় তেজসের মার্ক-১ যুদ্ধবিমানের দুটি স্কোয়াড্রন রয়েছে— একটি ১৮ নম্বর এবং দ্বিতীয়টি ৪৫ নম্বর স্কোয়াড্রন। একবার  মার্ক-১এ সংস্করণ (LCA Tejas Mark-1A) অন্তর্ভুক্ত হলে বায়ুসেনার শক্তি ও সংখ্যা— দুটোই অনেকটা বেড়ে যাবে। বাহিনীতে মার্ক-১এ যুদ্ধবিমানের অন্তর্ভুক্তিকে ‘যুগান্তকারী ঘটনা’ হিসেবে উল্লেখ করেন বায়ুসেনা (Indian Air Force) প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল ভিআর চৌধুরি। তিনি বলেন, ‘‘এখন ৪০টি এলসিএ মার্ক-১ রয়েছে। মার্ক-১এ সংস্করণ অন্তর্ভুক্ত হলে সংখ্যাটা বেড়ে ২২০ হবে। ফলে, ১০টি স্কোয়াড্রন গঠন করা যাবে।’’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Lok Sabha Election 2024: নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ কমিশনের, বাংলায় ভোট ৭ দফায়, কবে কোন আসনে?

    Lok Sabha Election 2024: নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ কমিশনের, বাংলায় ভোট ৭ দফায়, কবে কোন আসনে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পূর্ব ঘোষণা মতোই শনিবার ১৮তম লোকসভা ভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। এদিন বিকাল ৩টে থেকে দিল্লিতে সাংবাদিক বৈঠক করেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। কমিশনের সাংবাদিক বৈঠকে জানা গিয়েছে, আগামী লোকসভা নির্বাচনে মোট ভোটার ৯৬.৮ কোটি (৪৯.৭ কোটি পুরুষ – ৪৭.১ কোটি মহিলা)। বুথের সংখ্যা ১০.৫ লাখ। দেশে মোট ৭ দফায় ভোট হবে, পশ্চিমবঙ্গেও তাই। একইসঙ্গে, রাজ্যের দুই বিধানসভা কেন্দ্রের উপ-নির্বাচনের দিনও ঘোষণা করা হয়েছে এদিন। লোকসভা ভোটের সঙ্গেই ওই দুই কেন্দ্রে হবে উপ-নির্বাচনের ভোটগ্রহণও। 

    কোন কোন তারিখে পশ্চিমবঙ্গে ভোট?

    প্রথম দফা – ১৯ এপ্রিল – কোচবিহার, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়িতে ভোট
    দ্বিতীয় দফা – ২৬ এপ্রিল – রায়গঞ্জ, বালুরঘাট, দার্জিলিঙে ভোট
    তৃতীয় দফা – ৭ মে – মালদা উত্তর, মালদা দক্ষিণ, মুর্শিদাবাদ, জঙ্গিপুরে ভোট
    চতুর্থ দফা – ১৩ মে – বহরমপুর, কৃষ্ণনগর, রানাঘাট, বোলপুর, বীরভূম, বর্ধমান পূর্ব, বর্ধমান-দুর্গাপুর, আসানসোলে ভোট 
    পঞ্চম দফা – ২০ মে – শ্রীরামপুর, ব্যারাকপুর, হুগলি, বনগাঁ, হাওড়া, উলুবেড়িয়া, আরামবাগে ভোট   
    ষষ্ঠ  দফা – ২৫ মে – পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, মেদিনীপুর, কাঁথি, তমলুক, ঘাটাল, ঝাড়গ্রাম, মেদিনীপুর, বিষ্ণুপুরে ভোট
    সপ্তম  দফা – ০১ জুন – উত্তর কলকাতা, দক্ষিণ কলকাতা, যাদবপুর, জয়নগর, বসিরহাট, বারাসত, মথুরাপুর, ডায়মন্ড হারবার, দমদমে ভোট

    দুই বিধানসভায় উপ-নির্বাচন

    লোকসভা নির্বাচনের সঙ্গেই রাজ্যের দুই বিধানসভা কেন্দ্রেও উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা করল নির্বাচন কমিশন৷ মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা ও উত্তর ২৪ পরগনার বরানগর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু। ৭মে ভগবানগোলা ও ১ জুন বরানগরে উপনির্বাচন হবে। ভগবানগোলার তৃণমূল বিধায়ক ইদ্রিশ আলি কিছু দিন আগেই প্রয়াত হয়েছেন৷ অন্যদিকে বরানগরের তৃণমূল বিধায়ক তাপস রায় ইস্তফা দিয়ে বিজেপিতে যোগ দেওয়ায় ওই আসনটিও খালি হয়েছে৷ সেই কারণেই এই দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন করাতে হচ্ছে৷ 

    ভোট গণনা ৪ জুন

    নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে ভোট গণনা ৪ জুন। অর্থাৎ মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে নির্বাচনের নির্ঘণ্ট প্রকাশ হল, পুরো ভোট প্রক্রিয়া চলবে জুন মাস পর্যন্ত। বাংলায় ভোটার সংখ্যা ৭.৫৮ কোটি। তাঁদের মধ্যে পুরুষ ভোটার রয়েছে ৩.৮৫ কোটি এবং মহিলা ভোটার রয়েছে ৩.৭৩ কোটি। প্রসঙ্গত, ২০১৯ সালে ১০ মার্চ ১৭তম লোকসভা নির্বাচনের ঘোষণা হয়েছিল। গতবারও সাত দফায় অনুষ্ঠিত হয়েছিল নির্বাচন। ১১ এপ্রিল শুরু হয়েছিল ভোট এবং ২৩ মে হয় ভোটগণনা। বিজেপি পেয়েছিল ৩০৩টি আসন এবং কংগ্রেস পেয়েছিল ৫২টি আসন।

     

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     
  • Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদের তহখানায় পুজো চলবে, আদালতের রায়কে স্বাগত হিন্দু মহিলাদের

    Gyanvapi Mosque: জ্ঞানবাপী মসজিদের তহখানায় পুজো চলবে, আদালতের রায়কে স্বাগত হিন্দু মহিলাদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বারাণসীর জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque) তহখানায় পুজো চালিয়ে যেতে পারবে হিন্দুপক্ষ। মুসলিম পক্ষের আর্জি খারিজ করে সোমবার জানিয়ে দিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। আদালতের রায়কে স্বাগত জানিয়েছেন হিন্দুপক্ষের আইনজীবী থেকে শুরু করে সনাতন ধর্মীরা। আনন্দিত জ্ঞানবাপী আন্দোলনের পাঁচ মহিলা। রায়কে স্বাগত জানিয়েছে সীতা সাহু ও মঞ্জু ব্যাস। তাঁদের দাবি, জ্ঞানবাপী মসজিদের এখানে হিন্দু মন্দির ছিল এটা ঐতিহাসিক সত্য। তাই আদালত সত্যের পথে রায় দিয়েছে।

    আদালতের রায়

    বারাণসী জেলা আদালত ইতিমধ্যেই জ্ঞানবাপীর (Gyanvapi Mosque) তহখানায় হিন্দুদের পুজো-আরতি করার অনুমতি দিয়েছে। সেই নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েই এলাহাবাদ হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় মুসলিম পক্ষ। নিম্ন আদালতের নির্দেশের বিরুদ্ধে হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় ‘অঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া (জ্ঞানবাপী) মসজিদ কমিটি’৷ সোমবার ছিল মামলার শুনানি৷ বিচারপতি রোহিতরঞ্জন আগরওয়ালের একক বেঞ্চ জানায়, জ্ঞানবাপী মসজিদ চত্বরের দক্ষিণ দিকে ‘ব্যাসজি কা তহখানা’য় হিন্দু পক্ষ পুজো, আরতি চালিয়ে যেতে পারবে৷ 

    কী এই ব্যসের তহখানা?

    জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque) এই ব্যসজির তহখানা অর্থাৎ বেসমেন্টে পুজোর দাবিতে দীর্ঘদিন ধরে আইনি লড়াই চলছিল। হিন্দু পক্ষের দাবি, ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বর মাসের পর পুরোহিত ব্যসকে এই চত্বরে প্রবেশ করতে বাধা দেওয়া হয়। ব্যারিকেড করে দেওয়া হয় এই বেসমেন্ট। সেখানে যা কিছু পুজার্চনা হত, সমস্ত রাতারাতি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। হিন্দু পক্ষের দাবি, বংশ পরম্পরায় তাঁর পরিবার ব্রিটিশ আমল থেকে এখানে পুজো করতেন। মসজিদটির বেসমেন্টে চারটি “তেহখানা” রয়েছে। তাদের মধ্যে একটি এখনও ব্যাস পরিবারের দখলে আছে যারা সেখানে থাকতেন। ব্যাসজি কা তেহখানা মসজিদের ব্যারিকেডেড কমপ্লেক্সের দক্ষিণে অবস্থিত। এটি গর্ভগৃহের কাছে কাশী বিশ্বনাথ কমপ্লেক্সের ভিতরে নন্দী মূর্তির মুখোমুখি। এটি প্রায় ৭ ফুট লম্বা এবং প্রায় ৯০০ বর্গফুটের কার্পেট এলাকা রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ‘জ্ঞানবাপীর তহখানায় চলবে পুজো’, মুসলিম পক্ষের আপত্তি নাকচ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    আবেদনকারী যা বলেছেন

    আবেদনকারী শৈলেন্দ্র পাঠক ব্যাসের মতে, ব্যাস পরিবার ২০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে তেহখানার অভ্যন্তরে প্রার্থনা এবং অন্যান্য আচার-অনুষ্ঠান পরিচালনা করে আসছিল, কিন্তু ১৯৯৩ সালের ডিসেম্বরে এই প্রথা বন্ধ হয়ে যায়। পরিবারটি থাকার সময় থেকেই জায়গাটি “ব্যাসজি কি গদ্দি” নামে পরিচিত ছিল। সেখানে পূজা করার জন্য তহখানার ভেতরে জায়গা দেওয়া হয়। হিন্দু পক্ষের আইনজীবী প্রভাস পাণ্ডে বলেন, ‘বারাণসী জেলা আদালতের বিচারকের রায়ে আপত্তি জানিয়ে মুসলিম পক্ষ যে আর্জি রেখেছিল তা এদিন বিচারপতি খারিজ করে দিয়েছেন। হিন্দুরা পুজো চালিয়ে যেতে পারবেন। জেলাশাসক যেমনভাবে জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque) তহখানাতে পুজার্চনার ব্যবস্থা করে দিয়েছেন, তা চলবে। এটা সনাতন ধর্মের বড় জয়।’ 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Gyanvapi Mosque: ‘জ্ঞানবাপীর তহখানায় চলবে পুজো’, মুসলিম পক্ষের আপত্তি নাকচ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    Gyanvapi Mosque: ‘জ্ঞানবাপীর তহখানায় চলবে পুজো’, মুসলিম পক্ষের আপত্তি নাকচ এলাহাবাদ হাইকোর্টের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque) তহখানায় হিন্দুদের পুজো ও আরতি চালিয়ে যাওয়ার অনুমতি দিল এলাহাবাদ হাইকোর্ট। জ্ঞানবাপীর বেসমেন্টে পুজার্চনা শুরু হওয়ায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় মুসলিম আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কমিটি। সোমবার এলাহাবাদ হাইকোর্ট মুসলিম পক্ষের আবেদন খারিজ করে দেয়। এলাহাবাদ হাইকোর্টে এদিন বারাণসী জেলা বিচারকের রায়ই বহাল রাখল।

    মসজিদের বেসমেন্টে পুজোর অনুমতি

    বারাণসী আদালত জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque) ‘ব্যস তহখানায়’ পুজোর অনুমতি দিয়েছিল ৷ গত ১৭ জানুয়ারি বারাণসী জেলা আদালতের বিচারক জ্ঞানবাপী মসজিদের ‘ব্যাস তেহখানার’ রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কেয়ারটেকার নিযুক্ত করে ৷ আর ৩১ জানুয়ারি মসজিদের ওই অংশে রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্বে থাকা কর্তৃপক্ষকে পুজো করার অনুমতি দেয় ৷ সেই রায়ের বিরুদ্ধে এলাহাবাদ হাইকোর্টে আবেদন করেছিল মসজিদ কর্তৃপক্ষ ৷ সোমবার সেই আবেদনই খারিজ করে দিয়েছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট ৷ 

    পুজোর পিছনে যুক্তি 

    কাশী বিশ্বনাথ মন্দির ট্রাস্ট কীভাবে জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque) বেসমেন্টে পুজো করার অনুমতি পায়, এই নিয়ে আপত্তি তুলেছিল মুসলিম পক্ষ। অঞ্জুমান ইন্তজামিয়া মসজিদ কমিটি বারাণসী আদালতের নির্দেশের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিল। কিন্তু, জেলা আদালতের রায়কে চ্যালেঞ্জ জানাতে প্রথমে হাইকোর্টে যেতে বলে শীর্ষ আদালত। মসজিদ কমিটির দাবি, ওই প্রকোষ্ঠে কোনও বিগ্রহ নেই, এবং সেখানে কখনও পুজোপাঠ হয়নি। আচার্য বেদব্যাস পীঠ মন্দিরের প্রধান পুরোহিত শৈলেন্দ্রকুমার পাঠকের আবেদন ছিল, ওখানে ব্যাস পরিবারের লোক পুজোপাঠ করতেন। ব্রিটিশ যুগেও ওখানে পুজো হতো।

    আরও পড়ুন: পরিচয় বদলে স্কুল শিক্ষক! কীভাবে জালে ২২ বছর ধরে ফেরার সিমি জঙ্গি নেতা?

    পুরাতত্ত্বের দাবি

    ভারতের পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ বা এএসআই তার বিস্তারিত রিপোর্টে জানিয়েছিল, জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque) আগে সেখানে একটি হিন্দু মন্দির ছিল। এরই পরিপ্রেক্ষিতে জেলা আদালত জ্ঞানবাপীর ভূগর্ভস্থ দক্ষিণ প্রকোষ্ঠে পুজোর অনুমতি দেয়। জেলাশাসককে দক্ষিণ প্রকোষ্ঠের নিরাপত্তার দায়িত্ব দিয়ে একজন পুরোহিতের সেখানে চারবেলা আরতি ও পুজোপাঠের অনুমতি দেওয়া হয়।

    উচ্ছ্বসিত হিন্দুপক্ষ

    হিন্দু পক্ষের এই জয়ের পর আইনজীবী বিষ্ণু শঙ্কর জৈন বলেন, ‘আঞ্জুমান ইন্তেজামিয়ার প্রথম আবেদনই খারিজ করে দিয়েছে এলাহাবাদ হাইকোর্ট। ১৭ এবং ৩১ জানুয়ারি বারাণসী জেলা আদালতের রায় বহাল রাখার কথা জানিয়েছে হাইকোর্ট। অর্থাৎ জ্ঞানবাপী মসজিদের (Gyanvapi Mosque) ব্যস জি কা তহখানাতে পুজো চলবে।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Air Force: ঘুম উড়েছে চিন-পাকিস্তানের! দুই সীমান্তে উচ্চক্ষমতার রেডার, বিশেষ বন্দুক বসাচ্ছে ভারত

    Indian Air Force: ঘুম উড়েছে চিন-পাকিস্তানের! দুই সীমান্তে উচ্চক্ষমতার রেডার, বিশেষ বন্দুক বসাচ্ছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান ও চিন সীমান্তে (Pak China Border) নজরদারি বাড়াতে বড় পদক্ষেপ ভারতের। ১৩ হাজার কোটি টাকা ব্যয়ে ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) হাতে আসতে চলেছে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন দেশীয় রেডার ও ক্লোজ-ইন উইপন সিস্টেম (সিআইডব্লুএস)। পূর্ব ও পশ্চিম—দুই প্রান্তের আকাশসীমায় নজরদারি বৃদ্ধি করতে উভয় সীমান্তে বসানো হচ্ছে এই অত্যন্ত শক্তিশালী রেডার। একইসঙ্গে খুব স্বল্প দূরত্বে শত্রুপক্ষের ড্রোন থেকে শুরু করে ক্ষেপণাস্ত্র ও বিমান হামলার মোকাবিলায় মোতায়েন করা হচ্ছে সিআইডব্লুএস। 

    মোদির নেতৃত্বে সিসিএস বৈঠকে সিদ্ধান্ত

    সম্প্রতি, নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে বসেছিল নিরাপত্তা সংক্রান্ত মন্ত্রিসভার বৈঠক। সেখানেই বায়ুসেনার  (Indian Air Force) শক্তিবৃদ্ধি করতে এই দুই অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম কেনার বিষয়ে সবুজ সঙ্কেত দেওয়া হয়েছে। এই দুটি ভারতেই উৎপাদন করবে দেশীয় সংস্থা লার্সেন অ্যান্ড টুব্রো। জানা গিয়েছে, এর মধ্যে রেডার কিনতে খরচ হবে ৬০০০ কোটি টাকা। অন্যদিকে, ৭০০০ কোটি টাকা দিয়ে কেনা হবে ক্লোজ-ইন উইপন সিস্টেম।

    উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন দেশীয় রেডার

    ভারতে তৈরি হওয়া এই সর্বাধুনিক উচ্চক্ষমতার রেডারগুলি পূর্বে চিন সীমান্তের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা এবং পশ্চিমে পাকিস্তান সীমান্ত নিয়ন্ত্রণরেখায় মোতায়েন করা হবে। এই রেডারগুলির মূল কাজ হবে উভয় দেশের (চিন-পাকিস্তান) বায়ুসেনার গতিপ্রকৃতির ওপর নজর রাখা। যেমন লাদাখ-অরুণাচলে মোতায়েন হওয়া এই রেডারগুলি চিনা বায়ুসেনার কার্যকলাপের ওপর সজাগ দৃষ্টি রাখবে। কাশ্মীর-পাঞ্জাবে মোতায়েন রেডারের মাধ্যমে পাক বায়ুসেনার গতিপ্রকৃতি সঠিকভাবে জানা যাবে।

    কেন প্রয়োজন ছিল এই রেডার?

    কেন এই নতুন অত্যাধুনিক রেডার বসানোর প্রয়োজন ছিল? বায়ুসেনা (Indian Air Force) সূত্রের দাবি, বর্তমানে মোতায়েন রেডারগুলিও শক্তিশালী। পশ্চিম সীমান্তের পাঞ্জাব, রাজস্থান ও গুজরাট সেক্টর থেকেই পাকিস্তানের ওপর নজরদারি রাখা হয়। কিন্তু, পাক-সীমান্তের জম্মু ও কাশ্মীর এবং উত্তর-পূর্বের অরুণাচল— এই জায়গাগুলির ভৌগলিক অবস্থান অত্যন্ত দুর্গম (Pak China Border)। ঘন পার্বত্য অঞ্চলে মোড়া তার ওপর আবহাওয়া প্রায়ই প্রতিকূল। ফলে, সেখান থেকে পাকিস্তান ও চিনের ওপর নজর রাখতে প্রয়োজন ছিল আরও শক্তিশালী রেডার, যা এই দুর্গম জায়গা থেকেও সমান কার্যকর হয়। যার ফলস্বরূপ, নতুন উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন রেডারগুলি বসানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

    হাতের তালুতে চিনা যুদ্ধবিমানের গতিপ্রকৃতি!

    সম্প্রতি, লাদাখ সেক্টরে ডেমচক অঞ্চলে ভারতীয় আকাশসীমা লঙ্ঘন করে চিনা বায়ুসেনা। সঙ্গে সঙ্গে প্রত্যুত্তরে, ভারতীয় বায়ুসেনার (Indian Air Force) দুটি যুদ্ধবিমানকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় সেখানে। প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারত কত দ্রুত প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছে, তা পরখ করার জন্যই এই আকাশসীমা-লঙ্ঘন প্রক্রিয়া চালায় চিন। একবার নতুন রেডার প্রতিস্থাপন হয়ে গেলে, চিনা বায়ুসেনা ঘাঁটি থেকে বিমান উড়লেই ভারত খবর পেয়ে যাবে। 

    ক্লোজ-ইন উইপন সিস্টেমের গুরুত্ব

    দুই সীমান্তের (Pak China Border) আকাশসীমার সুরক্ষা আরও নিশ্ছিদ্র করতে রেডারের পাশাপাশি অত্যাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন দেশীয় ক্লোজ-ইন উইপন সিস্টেম (সিআইডব্লুএস) বন্দুক বসাচ্ছে ভারত। এই নতুন প্রজন্মের এয়ার-ডিফেন্স গান সীমান্ত-লাগোয়া সামরিক ঘাঁটি ও গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানের ওপর আকাশপথে হওয়া হামলা প্রতিহত করতে দারুন কার্যকর হবে। ভারতীয় সেনা ও বায়ুসেনা  (Indian Air Force) যৌথ উদ্যোগে এই বিশেষ বন্দুকের নকশা করেছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share