Tag: India news

India news

  • Amit Shah: কাশ্মীরকে জঙ্গি-মুক্ত করা হবে কীভাবে? জোড়া পদ্ধতিতে জোর কেন্দ্রের

    Amit Shah: কাশ্মীরকে জঙ্গি-মুক্ত করা হবে কীভাবে? জোড়া পদ্ধতিতে জোর কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে সাম্প্রতিককালে ঘটে যাওয়া পরপর জঙ্গি-হামলার প্রেক্ষিতে উপত্যকা অঞ্চলের সার্বিক পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে উচ্চপর্যায়ের পর্যালোচনা বৈঠক (J&K Security Meet) করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। জম্মু-কাশ্মীরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার এবং একইসঙ্গে নাশকতা নির্মূল করার কী কী কৌশল হতে পারে, তা স্থির করতে বৈঠকে দীর্ঘ আলোচনা হয়। 

    দিল্লিতে শাহের দফতরে হওয়া ওই বৈঠকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত ডোভাল, জম্মু-কাশ্মীরের লেফটেন্যান্ট গভর্নর মনোজ সিনহা, স্বরাষ্ট্রসচিব অজয় ভাল্লা (J&K Security Meet)। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সেনাপ্রধান জেনারেল মনোজ পাণ্ডে, আইবি প্রধান তপন ডেকা, জম্মু-কাশ্মীরের মুখ্যসচিব ও ডিজিপি, এবং কেন্দ্রীয় আধাসামরিক বাহিনীর প্রধানরা।

    স্পর্শকাতর অঞ্চলে বেশি বাহিনী মোতায়েন

    সূত্রের দাবি, জঙ্গিদমন অভিযানে আরও জোর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন শাহ (Amit Shah)। একইসঙ্গে, জম্মু-কাশ্মীর থেকে সন্ত্রাসকে সমূলে উৎখাত করার ডাক দিয়েছেন তিনি। কেন্দ্রের মুখপাত্র জানান, স্পর্শকাতর অঞ্চলে অতিরিক্ত বাহিনী মোতায়েন করতে নিরাপত্তা বাহিনীগুলিকে নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি মনে করিয়ে দেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন সরকার সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে আপসহীন নীতি বজায় রাখবে (J&K Security Meet)।

    বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধিতে জোর

    সূত্রের দাবি, সন্ত্রাসবাদকে নির্মূল করতে বিভিন্ন নিরাপত্তা বাহিনীর মধ্যে আরও সমন্বয় বাড়ানোর ডাকও দিয়েছেন অমিত শাহ (Amit Shah)। এই প্রেক্ষিতে বৈঠকে এরিয়া ডমিনেশন-এর উপর আরও জোর দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। উপত্যকায় পুলিশ, সেনা ও আধা সামরিক বাহিনীর মধ্যে সমন্বয় আরও ভালো করার জন্যও বলেছেন তিনি। তিনি মনে করিয়ে দেন, সাফল্য পেতে হতে নিজেদের মধ্যে সমন্বয় বাড়াতে হবে (J&K Security Meet)।

    স্থানীয় গোয়েন্দা নেটওয়ার্ককে আরও শক্তিশালী করার ডাক

    একইসঙ্গে, জম্মু-কাশ্মীর থেকে সন্ত্রাসকে সমূলে উৎখাত করতে হলে স্থানীয় গোয়েন্দা তথ্যের নেটওয়ার্ককে যে আরও শক্তিশালী ও বিস্তৃত করতে হবে, তাও বৈঠকে মনে করিয়ে দেন অমিত শাহ (Amit Shah)। এর জন্য স্থানীয়দের মধ্যে বিশ্বাসযোগ্যতাকে বাড়ানোর পরামর্শ দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী। তিনি মনে করিয়ে দেন, কাশ্মীরকে জঙ্গি-মুক্ত করতে হলে স্থানীয়দের পাশে পেতেই হবে। 

    ২০২৩ সালে একাধিক সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষ

    প্রসঙ্গত, ২০২৩ সালে কাশ্মীরের বিভিন্ন জায়গায় জঙ্গি ও বাহিনীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। সাম্প্রতিকতম ঘটনাটি ঘটেছে গত ২১ ডিসেম্বর। পুঞ্চ জেলার ডেরা কি গলি সেক্টরের অন্তর্গত থানামন্ডিতে এলাকায় ভারতীয় সেনার দুটি গাড়িকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল জঙ্গিরা। এরপর শুরু হয় গুলির লড়াই। জঙ্গিদমন অভিযান চলাকালীন চার সেনা জওয়ান শহিদ হন। আহত হন আরও ২ জন। এর আগে, নভেম্বরে রাজৌরির কালকোটে জঙ্গিদমন অপারেশন চলাকালীন দু’জন ক্যাপ্টেন-সহ পাঁচ সেনাকর্মী শহিদ হয়েছিলেন। তারও আগে, মে মাসে এক মেজর পদমর্যাদার অফিসার সহ পাঁচ সেনা জওয়ান শহিদ হয়েছিলেন চারমের জঙ্গলে। এক জঙ্গিও খতম হয়েছিল।

    সরকারি তথ্য বলছে, গত বছর রাজৌরি, পুঞ্চ ও রেয়াসি সেক্টরে চলা জঙ্গিদমন অভিযানে ৫৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এই তালিকায়, ২৮ জন জঙ্গি ও ১৯ জন নিরাপত্তাকর্মী রয়েছে। এই ৫৪ জনের মধ্যে, ১০ জঙ্গি ও ১৪ নিরাপত্তা কর্মী সহ ৩১ জনের মৃত্যু হয়েছে রাজৌরিতে। পুঞ্চে ১৫ জঙ্গি ও ৫ নিরাপত্তাকর্মীর মৃত্যু হয়েছে এবং রেয়াসিতে ৩ জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই সীমান্ত পার করে অনুপ্রবেশ করার সময় সেনা-জঙ্গির এনকাউন্টার হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • CAA: লোকসভা নির্বাচনের আগেই লাগু হচ্ছে সিএএ! নাগরিকত্ব পাচ্ছেন কারা?

    CAA: লোকসভা নির্বাচনের আগেই লাগু হচ্ছে সিএএ! নাগরিকত্ব পাচ্ছেন কারা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেজে গিয়েছে লোকসভা নির্বাচনের দামামা। তার আগেই লাগু হয়ে যেতে পারে সিএএ (CAA)। কিছু দিন আগেই বঙ্গ সফরে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তখনই তিনি বলেছিলেন, “আজ আমি আপনাদের সামনে বলে যাচ্ছি, সিএএ হচ্ছে এই দেশের আইন। একে কেউ আটকাতে পারবে না।”

    কী বলছেন অমিত শাহ?

    শাহ এও বলেছিলেন, “পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার তৈরি হওয়া মানে শরাণার্থীদের সিএএর মাধ্যমে নাগরিকত্ব দেওয়া। আর দিদি, শরাণার্থী ভাইদের বিভ্রান্ত করেন যে সিএএ হবে, হবে না। আইন বানিয়ে কেন্দ্র আটকে গিয়েছে।” এর পরেই তিনি বলেন, “আমি আপনাদের সামনে বলে যাচ্ছি, সিএএ হবেই।” তার পর থেকেই চলছিল জল্পনা। শেষমেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এক আধিকারিকের দাবি, শীঘ্রই আইনটি কার্যকর করা হতে পারে। তার পরেই যোগ্যদের দেওয়া হতে পারে ভারতীয় নাগরিকত্ব (CAA)।

    কী বলছেন কেন্দ্রীয় আধিকারিক?

    তিনি বলেন, “আমরা শীঘ্রই সিএএ নিয়ম জারি করতে যাচ্ছি। আইনটি চার বছরেরও বেশি সময় বিলম্বিত হয়েছে এবং আইনটি বাস্তবায়নের জন্য বিধি প্রয়োজন।” ওই আধিকারিক বলেন, “বিধি প্রস্তুত। অনলাইন পোর্টালও প্রস্তুত। পুরো প্রক্রিয়াটি হবে অনলাইনে।” তিনি জানান, আবেদনকারীদের অবশ্যই ঘোষণা করতে হবে যে তারা ভ্রমণ সংক্রান্ত কোনও নথি ছাড়াই ভারতে প্রবেশ করেছে। আবেদনকারীদের কাছ থেকে কোনও নথি চাওয়া হবে না।

    উনিশের ডিসেম্বর মাসে লোকসভা ও রাজ্যসভায় পাশ হয় সিএএ বিল। রাষ্ট্রপতির অনুমোদনও মেলে। তার পরেও ওই আইন লাগু করা হয়নি। নিয়ম অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির সম্মতি পাওয়ার ছ’মাসের মধ্যে কোনও আইনের রুল জারি করতে হবে। অথবা লোকসভা ও রাজ্যসভার কাছ থেকে তা বাড়ানোর অনুরোধ করতে হবে। রাষ্ট্রপতির সম্মতির পর প্রতি ছ’ মাস অন্তর ওই আইনের ধারা তৈরির জন্য অতিরিক্ত সময় চেয়েছে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক।  

    আরও পড়ুুন: ইজরায়েলের নিঁখুত ড্রোন নিশানা, খতম হামাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ নেতা আল-অরৌরি

    প্রসঙ্গত, সিএএ আন্দোলনের জেরে এ পর্যন্ত ১০০ জনের মৃত্যু হয়েছে। সিএএর (CAA) সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে দায়ের হয়েছে একাধিক পিটিশন। এই আইন অনুযায়ী, ২০১৫ সালের আগে প্রতিবেশী দেশ থেকে আসা অ-মুসলিম শরণার্থীদের নাগরিকত্ব দেওয়া হবে। নাগরিকত্ব পাবেন হিন্দু, শিখ, জৈন, বৌদ্ধ, পার্সি ও খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মানুষ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Lt General RC Tiwari: সেনার পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের দায়িত্ব নিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আরসি তিওয়ারি

    Lt General RC Tiwari: সেনার পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের দায়িত্ব নিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আরসি তিওয়ারি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নতুন বছরে সেনার পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডের (Army Eastern Command) দায়িত্বে নতুন মুখ। ইস্টার্ন কমান্ডের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং-ইন-চিফ (জিওসি-ইন-সি) হিসেবে দায়িত্ব তুলে নিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল রামচন্দ্র তিওয়ারি (Lt General RC Tiwari)। সদ্য অবসর গ্রহণ করা লেফটেন্যান্ট জেনারেল  আরপি কলিতার স্থলাভিষিক্ত হলেন তিওয়ারি। কলকাতা স্থিত সেনার পূর্বাঞ্চলীয় সদর ফোর্ট উইলিয়ামের দফতরে এই দায়িত্বভার গ্রহণ করেন তিনি। বিজয় স্মারকে বীর শহিদ সেনানীদের উদ্দেশে পুষ্পার্ঘ্য দিয়ে পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার পদে আসীন হন তিওয়ারি। তাঁকে গার্ড অফ অনার দিয়ে স্বাগত জানানো হয় ফোর্ট উইলিয়ামে। 

    কাউন্টার ইনসারজেন্সি যুদ্ধ-কৌশলে পারদর্শী

    কাউন্টার ইনসারজেন্সি যুদ্ধ-কৌশলে পারদর্শী হিসেবে সেনায় বিশেষভাবে পরিচিতি পাওয়া আরসি তিওয়ারি (Lt General RC Tiwari) এর আগে উত্তরপ্রদেশের বরেলি অঞ্চলের জেনারেল অফিসার কমান্ডিং ছিলেন। অত্যন্ত পোড়খাওয়া সামরিক অফিসার তিওয়ারি ভারতীয় সেনায় প্রায় চার দশক কাটিয়ে ফেলেছেন। ১৯৮৭ সালে কুমাওন রেজিমেন্টের চতুর্থ ব্যাটালিয়নে কমিশন্ড হন তিওয়ারি। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে শুরু করে উত্তর-পূর্বেও দীর্ঘদিন পোস্টিংয়ে ছিলেন। এর পাশাপাশি, ভারতীয় সেনার শান্তি বাহিনীর অঙ্গ হিসেবে কঙ্গোতেও বেশ কিছুটা সময় অতিবাহিত করেছিলেন তিওয়ারি। 

    আরও পড়ুন: ‘‘চিন সীমান্ত এখন শান্ত হলেও অনিশ্চয়তায় ভরা’’, সতর্ক করলেন সেনার পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার

    উত্তর-পূর্ব সীমান্তে প্রভূত নেতৃত্বদানের অভিজ্ঞতা

    উত্তর-পূর্ব সীমান্তে তিওয়ারির (Lt General RC Tiwari) প্রভূত নেতৃত্ব দেওয়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে। অসমে কাউন্টার ইনসারজেন্সি অভিযানের সময় তিনি কুমাওন রেজিমেন্টের চতুর্থ ব্যাটালিয়নের নেতৃত্বে ছিলেন। এছাড়া, সিকিমে মাউন্টেন ব্রিগেড ও মাউন্টেন ডিভিশনের পাশাপাশি, উত্তর-পূর্বে একটি গুরুত্বপূর্ণ কোরের দায়িত্বও সামলেছেন কমান্ডার হিসেবে। দীর্ঘ কেরিয়ারে তিনি একাধিক উচ্চ সামরিক সম্মানে ভূষিত হয়েছেন। এহেন অভিজ্ঞ অফিসারের ওপরই পূর্ব দিকে চিন সীমান্তের নিরাপত্তার দায়িত্ব দিয়েছে ভারতীয় সেনা (Army Eastern Command)। গত বছরের শেষদিন পর্যন্ত এই দায়িত্বে ছিলেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আরপি কলিতা। ৩১ ডিসেম্বর অবসর গ্রহণ করেন তিনি।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • India China LAC: ‘‘চিন সীমান্ত এখন শান্ত হলেও অনিশ্চয়তায় ভরা’’, সতর্ক করলেন সেনার পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার

    India China LAC: ‘‘চিন সীমান্ত এখন শান্ত হলেও অনিশ্চয়তায় ভরা’’, সতর্ক করলেন সেনার পূর্বাঞ্চলীয় কমান্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিন সীমান্তে (India China LAC) বর্তমানে স্থিবাতবস্থা বজায় রয়েছে। তবে, তা পুরোটাই অনিশ্চয়তায় ভরা। এমনটাই মনে করেন ভারতের পূর্বাঞ্চলীয় সেনা কমান্ডার লেফটেন্যান্ট জেনারেল আরপি কলিতা (Lt General RP Kalita)। তাঁর মতে, প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় শান্তি ফেরাতে এবং চিনকে চুপ রাখতে হলে পরিকাঠামো উন্নয়ন ও আধুনিক অস্ত্র মোতায়েন হচ্ছে সমাধান।

    ‘‘স্টেবল বাট আনপ্রেডিক্টেবল’’

    চলতি বছরের শেষে অবসর নিচ্ছেন বর্তমান আরপি কলিতা। তাঁর স্থলাভিষিক্ত হচ্ছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল আরসি তিওয়ারি। অবসরের প্রাক্কালে এদিন কলিতা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন। সেখানেই চিন সীমান্ত থেকে শুরু করে মণিপুর ও মায়ানমার পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন তিনি। প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা (India China LAC) নিয়ে কলিতা বলেন, চিন সীমান্তে বর্তমানে স্থিবাতবস্থা বজায় রয়েছে। তবে, তা পুরোটাই অনিশ্চয়তায় ভরা। তাঁর কথায় ‘‘স্টেবল বাট আনপ্রেডিক্টেবল’’। অর্থাৎ, কখন কী হবে, অনুমান করা যায় না। তিনি জানিয়ে দেন, যে কোনও সময়ে যে কোনও সংঘাতের সম্ভাবনা রয়েছে। একইসঙ্গে তাঁর দাবি, যে কোনও (প্রতিকূল) পরিস্থিতির মোকাবিলায় প্রস্তুত ভারত। 

    চিনকে দমিয়ে রাখার দাওয়াই…

    বিদায়ী কমান্ডারের মতে, চিনকে দমিয়ে রাখতে সীমান্তে (India China LAC) প্রতিনিয়ত পরিকাঠামোগত ও যোগাযোগ মাধ্যমের উন্নয়ন করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি বলেন, সড়ক হোক বা বিমানবন্দর, হেলিপ্যাড কিংবা হোক ডেটা-নেটওয়ার্ক— পরিকাঠামো উন্নয়ন হলেই সীমান্তাঞ্চলের কায়েম বজায় রাখা সম্ভব হবে, যা ভারত এখন করে চলেছে। তিনি বলেন, যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলে একদিকে যেমন বাহিনীর সুবিধা হবে, তেমনই সাধারণ নাগরিকদেরও ভালো হবে। পাশাপাশি, সীমান্তে আধুনিকতম অস্ত্র মোতায়েন করাও সমান জরুরি বলে মনে করেন সেনা কমান্ডার। তিনি জানান, পরবর্তী প্রজন্মের অস্ত্র মোতায়েন করতে হবে সীমান্তে। তবেই কেউ সাহস করবে না। 

    মণিপুরের অশান্তির নেপথ্যে এই দুই!

    চলতি বছর সেনার পূর্ব কমান্ডের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখা দিয়েছে মণিপুরের অশান্তি। এ প্রসঙ্গে সেনা কমান্ডার জানান, মণিপুরের পরিস্থিতি জটিল হওয়ার নেপথ্যে রয়েছে দুটি কারণ— প্রথমত, উপজাতিদের হাতে অস্ত্র চলে আসা। দ্বিতীয়ত, সীমান্তপার অনুপ্রবেশ। কলিতা (Lt General RP Kalita) জানান, ওখানে জঙ্গিরা দুটি গোষ্ঠীর মধ্যে মিশে একে অপরের বিরুদ্ধে লড়িয়ে দিচ্ছে। এটা দেশের সার্বিক অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তার ক্ষেত্রে বিপজ্জনক। তার ওপর মায়ানমার থেকে অনুপ্রবেশকারী এসে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তুলেছে। কমান্ডারের মতে, এই প্রেক্ষিতে স্থানীয়দের হাতে চলে আসা বাহিনীর থেকে লুট হওয়া বা মায়ানমার থেরে চোরাচালান করা অস্ত্র উদ্ধার করতে হবে। 

    ভৌগলিক বিন্যাস সমস্যা…

    একইসঙ্গে, সীমান্তপার অনুপ্রবেশও একটা বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে বলেও মনে করেন কলিতা। কমান্ডারের (Lt General RP Kalita) মতে, ওই এলাকার ভৌগলিক বিন্যাস অন্যরকম। তা ঘন জঙ্গলে ঘেরা। ফলে, কাঁটাতার লাগাতে সমস্যা হচ্ছে। যার সুযোগ নিয়ে মায়ানমার সীমান্ত দিয়ে জঙ্গি ও আগ্নেয়াস্ত্রই শুধু নয়, প্রভূত পরিমাণে মাদক চোরাচালানও হচ্ছে। এটা বন্ধ করতে পারলেই, শুধু মণিপুর নয়, গোটা উত্তর-পূর্ব ভারতের পরিস্থিতি অন্যরকম হয়ে যাবে বলে মনে করেন কলিতা। যদিও, এখন পরিস্থিতি অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে বলে মনে করেন কলিতা। তিনি জানান, কাঁটাতার লাগানোর ব্যবস্থা হচ্ছে। নজরদারি ও তল্লাশি-অভিযান বাড়ানো হয়েছে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • INS Imphal: নৌসেনার হাতে এল ঘাতক ‘আইএনএস ইম্ফল’, কতটা শক্তিশালী এই রণতরী?

    INS Imphal: নৌসেনার হাতে এল ঘাতক ‘আইএনএস ইম্ফল’, কতটা শক্তিশালী এই রণতরী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরও শক্তিশালী হচ্ছে ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। মঙ্গলবার নৌবাহিনীতে ‘কমিশন’ বা অন্তর্ভুক্ত হলো দেশীয় স্টেলথ গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার ‘আইএনএস ইম্ফল’। প্রতিক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের উপস্থিতিতে আনুষ্ঠানিকভাবে এই রণতরীকে যুক্ত করা হলো। উপস্থিত ছিলেন নৌসেনা প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে সহ বিশিষ্টজনেরা।

    কতটা শক্তিশালী ‘ডি-৬৮’?

    ‘আইএনএস ইম্ফল’ (INS Imphal) হলো প্রজেক্ট-১৫বি অন্তর্গত নির্মিত চারটি স্টেলথ গাইডেড মিসাইল ডেস্ট্রয়ার যুদ্ধজাহাজের মধ্যে তৃতীয়। এই প্রকল্পের প্রথম যুদ্ধজাহাজটি ছিল ‘আইএনএস বিশাখাপত্তনম’, নৌসেনায় কল-সাইন ‘ডি-৬৬’। ফলে, বাকি তিনটিও বিশাখাপত্তনম শ্রেণির রণতরী। নৌসেনায় ইম্ফলের কল-সাইন হচ্ছে ‘ডি-৬৮’। দ্বিতীয় জাহাজটি ছিল ‘আইএনএস মরমুগাও’, কল-সাইন ‘ডি-৬৭’। শেষ তথা চতুর্থ জাহাজটির নাম রাখা হবে ‘আইএনএস সুরাট’, কল-সাইন ‘ডি-৬৯’। গত বছরের মে মাসে তাকে প্রথমবার জলে ভাসানো হয়েছে।

    ‘আইএনএস ইম্ফল’-এর ওজন প্রায় ৭৪০০ টন। ১৬৪ মিটার দৈর্ঘ্যের এই যুদ্ধজাহাজ সর্বাধুনিক মারণাস্ত্র ও সেন্সরে সজ্জিত। এটিই হতে চলেছে এখনও পর্যন্ত নৌসেনার সবচেয়ে বড় এবং সবচেয়ে আধুনিক ডেস্ট্রয়ার। এতে একদিকে যেমন রয়েছে ব্রহ্মোসের ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সর্বাধুনিক সংস্করণ, তেমনই রয়েছে মাঝারি পাল্লার অত্যাধুনিক ‘বারাক-৮’ ভূমি থেকে আকাশ মিসাইল থেকে শুরু করে জাহাজ-বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্র ও সাবমেরিন-বিধ্বংসী টর্পিডোর বিপুল বৈচিত্র্যপূর্ণ সম্ভার। এতে রয়েছে একটি ৭৬ মিমি সুপার র‌্যাপিড মাউন্টেড মেইন নেভাল গান এবং চারটি একে-৬৩০ ৩০ মিমি গান— যা কম দূরত্বে আকাশপথে হামলা করা শত্রুর যে কোনও বিমান, ড্রোন, ক্ষেপণাস্ত্রকে নিষ্ক্রিয় করতে সক্ষম। এই জাহাজের সর্বোচ্চ গতি হবে ৩০ নট বা ঘণ্টায় ৫৬ কিমি। 

    স্বয়ংক্রিয়শীলতা এবং স্টেলথ বৈশিষ্ট্য

    এমনিতে, ডেস্ট্রয়ার শ্রেণির জাহাজের মারণক্ষমতা মারাত্মক। তবে নৌসেনার (Indian Navy) তরফে জানানো হয়েছে, ‘আইএনএস ইম্ফল’ (INS Imphal) সাবমেরিন-ধ্বংসে বিশেষভাবে পারদর্শী। দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ‘আরবিইউ-৬০০০’ সাবমেরিন-বিধ্বংসী রকেট লঞ্চার, ৫৩৩ মিমি টর্পিডো লঞ্চার এবং অ্যান্টি-সাবমেরিন হেলিকপ্টারের দৌলতে এটি ভয়ঙ্কর ঘাতক হিসেবে পরিণত। এছাড়া, যে কোনও ধরনের পরমাণু, জৈব ও রাসায়নিক হামলা থেকে বাঁচার ক্ষমতা রয়েছে এই জাহাজের। ‘আইএনএস ইম্ফল’-এর স্বয়ংক্রিয়শীলতা এবং স্টেলথ (শত্রু রেডারে অদৃশ্য থাকার ক্ষমতা) বৈশিষ্ট্য একে আরও ভয়ঙ্কর করে তুলেছে। 

    সর্বাধুনিক রেডার সিস্টেম মোতায়েন

    বন্দর ও সমুদ্রে দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও ট্রায়ালের পর গত ২০ অক্টোবর, ভারতীয় নৌসেনার হাতে পাকাপাকিভাবে তুলে দেওয়া হয়েছিল এই অত্যাধুনিক রণতরীকে (INS Imphal)। গতমাসেই এই জাহাজ থেকে দূরপাল্লার ব্রহ্মোস ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষামূলক উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। কমিশন না হওয়া কোনও জাহাজ থেকে সেই প্রথম কোনও ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা হয়েছিল। এই জাহাজে অন্যতম শক্তি হলো এর রেডার সিস্টেম। এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে আধুনিক ও সবচেয়ে শক্তিশালী রেডার বসানো হয়েছে এই যুদ্ধজাহাজে। 

    উত্তর-পূর্বাঞ্চলের শহরের নামে প্রথম রণতরী

    প্রসঙ্গত, এই প্রথম দেশের উত্তর-পূর্বাংশের কোনও শহরের নামে যুদ্ধজাহাজের নামকরণ (INS Imphal) করা হলো। মণিপুরের মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে জাহাজের নাম-ফলকের উন্মোচন করেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং। এর থেকেই প্রমাণিত যে, জাতীয় সুরক্ষার ক্ষেত্র এবং দেশের সমৃদ্ধির জন্য উত্তর-পূর্বাঞ্চলকে কতটা গুরুত্ব দিয়েছে মোদি সরকার। ২০১৯ সালের এপ্রিল মাসে এই নামকরণে সবুজ সঙ্কেত দিয়েছিলেন রাষ্ট্রপতি। কমিশনিং হওয়ার পর, নৌসেনার (Indian Navy) পশ্চিম কমান্ডের অন্তর্গত মোতায়েন থাকবে ‘আইএনএস ইম্ফল’।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • J-K Terror Attack: পুঞ্চে সেনা-ট্রাকে পুলওয়ামার ধাঁচে হামলা জঙ্গিদের, শহিদ ৫ জওয়ান

    J-K Terror Attack: পুঞ্চে সেনা-ট্রাকে পুলওয়ামার ধাঁচে হামলা জঙ্গিদের, শহিদ ৫ জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ফের রক্তাক্ত উপত্যকা। আবারও পুলওয়ামা ধাঁচে সেনা কনভয়ে হামলা চালালো জঙ্গিরা (J-K Terror Attack)। পুঞ্চে ডেরা কি গলি (Poonch Terror Attack) এলাকায় হওয়া এই হামলায় শহিদ হলেন সেনার ৫ জওয়ান। আহত হয়েছে চিকিৎসাধীন আরও কয়েকজন।

    ঠিক কী ঘটেছে? 

    জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের তরফে জানানো হয়েছে, বুধবার রাত থেকে সেনা ও পুলিশের যৌথ অভিযান শুরু হয়েছিল ডেরা কি গলি এলাকায়। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় সেখানে বাড়তি বাহিনী পাঠানো হচ্ছিল। পথেই, পৌনে ৫টা নাগাদ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের (Rashtriya Rifles) একটি জিপ এবং ট্রাকের উপরে অতর্কিত হামলা চালায় জঙ্গিরা (J-K Terror Attack)। জানা গিয়েছে, হামলায় স্বয়ংক্রিয় রাইফেল এবং গ্রেনেড লঞ্চার ব্যবহার করে জঙ্গিরা। সেনা সূত্রে খবর, সুরনকোট থানার অধীন বাফলিয়াজ থেকে রাজৌরির দিকে যাচ্ছিল সেনার গাড়ি দু’টি। বাফলিয়াজ এবং ডেরা কি গলির মাঝে ধতয়ার মোড়ে একটি পাহাড়ের উপরে লুকিয়ে ছিল জঙ্গিরা। এই অঞ্চলটি গভীর জঙ্গলে ঘেরা। কাছে টোপা পীর অঞ্চলের কাছে একটি সঙ্কীর্ণ পাহাড়ি বাঁকের মুখে সেনার জিপ এবং ট্রাকের উপরে হামলা চালায় জঙ্গিরা (Poonch Terror Attack)। 

    হামলার নেপথ্যে লস্কর?

    বিস্ফোরণের পাশাপাশি, সেনা লক্ষ্য করে এলোপাথারি গুলি বর্ষণ শুরু করে জঙ্গিরা। পাল্টা জবাব দেয় বাহিনীও। রাতভর দুপক্ষের মধ্যে লড়াই হয়। গ্রেনেড হামলায় ঘটনাস্থলে প্রাণ হারান তিন জওয়ান (J-K Terror Attack)। হামলার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছন পুঞ্চের জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের আধিকারিক এবং সেনা আধিকারিকরা। আহতদের দ্রুত হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়। বৃহস্পতিবার রাতে এক জওয়ান সেখানে মারা যান। শুক্রবার সকালে আরও এক আহত জওয়ানের মৃত্যু হয়। হামলার দায় নিয়েছে লস্কর-ই-তৈবার শাখা সংগঠন দ্য পিপলস অ্যান্টি-ফ্যাসিস্ট ফ্রন্ট (পিএএফএফ)। জম্মু ও কাশ্মীর পুলিশের অনুমান, পুলিশ বুধবার ভোররাতে পুঞ্চেরই সুরানকোটে (Poonch Terror Attack) রাজ্য সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর শিবিরে বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল জঙ্গিরা। সেই দলটিই বৃহস্পতিবারের হামলায় জড়িত থাকতে পারে। 

    পুলওয়ামা-ধাঁচে হামলা

    ২০০৩ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে এই অঞ্চলটি মূলত সন্ত্রাসবাদ মুক্ত ছিল। এরপর ঘনঘন সংঘর্ষ শুরু হয়। গত মাসে রাজৌরি জেলারই কালাকোটে সেনাবাহিনী এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের এক বিশেষ বাহিনী সন্ত্রাস বিরোধী অভিযান চালিয়েছিল (J-K Terror Attack)। সেই ঘটনায় সেনার দুই ক্যাপ্টেন সহ পাঁচ সেনাকর্মী শহিদ হয়েছিলেন। তার আগে, চলতি বছরের এপ্রিল ও মে মাসে রাজৌরি-পুঞ্চ অঞ্চলে জোড়া হামলায় শহিদ হন ১০ জওয়ান। ২০১৯ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি পুলওয়ামায় ভয়াবহ জঙ্গি হানার ঘটনা ঘটেছিল। সিআরপিএফের কনভয়ে গাড়ি বোমা বিস্ফোরণ ঘটিয়েছিল পাক জঙ্গি সংগঠন জইশ-ই-মহম্মদ। ওই নাশকতায় মৃত্যু হয় ৪০ জন জওয়ানের। ভয়ঙ্কর সেই বিস্ফোরণের ধাঁচেই এবারও নিশানা করা হয় সেনার ট্রাককে (Poonch Terror Attack)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • EC issues Guidelines: কল্যাণকাণ্ডের পর রাজনৈতিক দলগুলিকে নির্দেশিকা কমিশনের, কী লেখা তাতে?

    EC issues Guidelines: কল্যাণকাণ্ডের পর রাজনৈতিক দলগুলিকে নির্দেশিকা কমিশনের, কী লেখা তাতে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শারীরিক প্রতিবন্ধকতা থাকা ব্যক্তিদের প্রতি সদয় ও সম্মান প্রদান করতে প্রকাশিত নির্দেশিকার মাধ্যমে রাজনৈতিক দলগুলিকে পরামর্শ দিল নির্বাচন কমিশন (EC issues Guidelines)। কল্যাণকাণ্ডের পর কমিশনের এই নির্দেশিকা নিয়ে জোর চর্চা রাজধানীর রাজনৈতিক মহলে।

    কল্যাণকাণ্ডে জোর চর্চা

    সম্প্রতি, সংসদের বাইরে প্রতিবাদ চলাকালীন দেশের উপ-রাষ্ট্রপতি তথা রাজ্যসভার চেয়ারম্যান জগদীপ ধনখড়কে মিমিক করেন তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। কল্যাণের সেই মিমিক্রির ভিডিও নিজের ফোনে বন্দি করতে দেখা যায় কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধীকে। এই ঘটনায় তুমুল শোরগোল পড়ে যায়। কল্যাণের এই আচরণের তীব্র নিন্দা করে বিজেপি। এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ ধনখড়কে ফোন করে সমবেদনা জানান খোদ রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোশ্যাল মিডিয়াতেও কল্যাণের উদ্দেশে ধেয়ে আসে কটাক্ষের বন্যা। 

    এই প্রেক্ষিতে, বৃহস্পতিবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক দলগুলির উদ্দেশে বিশেষ নির্দেশিকা জারি করে নির্বাচন কমিশন (EC issues Guidelines)। ওই নির্দেশিকায় সরাসরি কল্যাণকাণ্ডের উল্লেখ না করা হলেও, নির্দেশিকার সময় ও বিষয়বস্তু নিয়ে বর্তমানে রাজনৈতিক মহলে জোর চর্চা। ঠিক কী বলা হয়েছে ওই নির্দেশিকায়?

    কী আছে নির্দেশিকায়?

    কমিশনের পাঠানো নির্দেশিকায় বলা হয়েছে— প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে ভোটগ্রহণে সকলের কাছে গ্রহণযোগ্য করতে ও সকলকে অন্তর্ভুক্ত করে তুলতে কোনও প্রকার আপস করে না নির্বাচন কমিশন। সফল গণতন্ত্রের ভিতে রয়েছে নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সকল গোষ্ঠী ও সম্প্রদায়ের অংশগ্রহণ। কমিশন আরও জানিয়েছে (EC issues Guidelines), সকলের সমান অংশগ্রহণের অন্যতম লক্ষ্য হল প্রতিবন্ধী ও বিশেষভাবে সক্ষম ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করা ও তাঁদের যোগ্য সম্মান প্রদান করা। যে কোনও জনসমাবেশ, লেখা, রাজনৈতির প্রচারের সময় রাজনৈতিক দল এবং তাদের প্রতিনিধিদের উচিত শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের দুর্বলতা সংক্রান্ত ইঙ্গিতবাহী মন্তব্য বা কটাক্ষ করা থেকে বিরত থাকা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Parliament Security Breach: লোকসভায় রংবোমা-কাণ্ডের জের! সংসদ নিরাপত্তার দায়িত্বে এবার সিআইএসএফ?

    Parliament Security Breach: লোকসভায় রংবোমা-কাণ্ডের জের! সংসদ নিরাপত্তার দায়িত্বে এবার সিআইএসএফ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সংসদ ভবনের নিরাপত্তার (Parliament Security Breach) দায়িত্ব কি দিল্লি পুলিশের হাত থেকে সরিয়ে নিচ্ছে মোদি সরকার? এমন একটা সম্ভাবনার কথা রাজধানীতে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে।

    সংসদের নিরাপত্তায় একাধিক পদক্ষেপ

    হানাকাণ্ডের জেরে (Parliament Security Breach) সংসদে প্রবেশ করার ওপর একাধিক নিষেধাজ্ঞা ও শর্তাবলি চাপানো হয়েছে। সংসদের ভেতর নিরাপত্তাকে আরও কঠোর করা হয়েছে। পাশাপাশি, নেওয়া হয়েছে একাধিক প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থাও। এবার সংসদ ভবনের নিরাপত্তা নিয়েও বড়সড় সিদ্ধান্তের পথে কেন্দ্র। সূত্রের খবর, দিল্লি পুলিশের বদলে শীঘ্রই এই দায়িত্বে দেখা যেতে পারে হাই-সিকিউরিটি ইনস্টলেশনের নিরাপত্তা প্রদানে সিদ্ধহস্ত কেন্দ্রীয় সংস্থা সিআইএসএফ (CISF to secure Parliament)।

    আরও পড়ুন: সংসদ হানার ঘটনায় বেঙ্গালুরু থেকে ধৃত প্রাক্তন পুলিশ কর্তার ছেলে

    সরছে দিল্লি পুলিশ?

    সূত্রের খবর, সম্প্রতি কেন্দ্রের পাঠানো একটি চিঠি পেয়েছে সিআইএসএফ। তাতে বলা হয়েছে, সংসদের নিরাপত্তা ব্যবস্থার জরিপ, পর্যালোচনা করে একটি পূর্ণাঙ্গ রিপোর্ট কেন্দ্রকে পাঠাতে। সূত্রের খবর, অদূর ভবিষ্যতে সংসদের নিরাপত্তার ভার এই কেন্দ্রীয় নিরাপত্তা সংস্থার হাতেই তুলে দেওয়া হতে পারে। জানা গিয়েছে, একবার সংসদের নিরাপত্তা প্রদানের অনুমতি দেওয়া হলে, পুরো দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নেবে সিআইএসএফ (CISF to secure Parliament)। যার মধ্যে যাঁরা প্রবেশ করবেন, তাঁদেরকে তল্লাশি করার ক্ষমতাও সামিল থাকবে। তবে, সংসদের মধ্যে নিরাপত্তার দায়িত্ব আগের মতো লোকসভা সচিবালয়ের হাতেই থাকবে বলে জানা গিয়েছে। 

    সংসদে হানাকাণ্ডে গ্রেফতার ৮

    গত ১৩ ডিসেম্বর, সংসদে ২০০১ জঙ্গি হামলার ২২ তম বর্ষপূর্তির দিনেই সংসদে হানা দেয় কয়েকজন যুবক-যুবতী (Parliament Security Breach)। সংসদের ভেতর ও বাইরে রং-বোমা নিয়ে ধুন্ধুমার কাণ্ড বাঁধিয়ে দেয় তারা। অধিবেশন চলাকালীনই লোকসভার দর্শক গ্যালারি থেকে নিচে লাফিয়ে পড়ে দুজন। স্পিকারের চেয়ারের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা চালায়, রং বোমার ক্যানিস্টার খুলে দেয়। এই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ৮ জনকে গ্রেফতার করেছে দিল্লি পুলিশ। এই ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • NIA Terror Probe: ভূস্বর্গকে ফের আশান্ত করতে তৎপর পাকিস্তান! এনআইএ-র হাতে চাঞ্চল্যকর প্রমাণ

    NIA Terror Probe: ভূস্বর্গকে ফের আশান্ত করতে তৎপর পাকিস্তান! এনআইএ-র হাতে চাঞ্চল্যকর প্রমাণ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূস্বর্গে কি ফের ফিরছে নাশকতার কালো মেঘ (Terrorism in Jammu Kashmir)? প্রশ্নটা উঠছে কারণ সাম্প্রতিককালে বেশ কয়েকটি সে-জঙ্গি এনকউান্টারের ঘটনার সাক্ষী থেকেছে জম্মু কাশ্মীর উপত্যকা। বাহিনী সজাগ থাকায় (NIA Terror Probe) জঙ্গিদের নাশকতার ছক বানচাল হলেও, প্রাণ গিয়েছে একাধিক বীর সেনানীর। অনন্তনাগ হোক বা রাজৌরি— জঙ্গিরা যে ফের সক্রিয় হয়ে উঠেছে এদেশে নাশকতার জাল বিছোতে, তাতে কোনও সন্দেহ নেই। ঠিক যেমন বেশ কিছুদিন চুপ করে থাকার পর ফের কাশ্মীর দিয়ে সীমান্তপার সন্ত্রাস চালাতে তৎপর হয়েছে পাকিস্তান।

    পাকিস্তান থেকে লাগাতার অনুপ্রবেশ

    জঙ্গি-নেতারা যে প্রতিবেশী রাষ্ট্র থেকে কাশ্মীরে লাগাতার অনুপ্রবেশের চেষ্টা (Terrorism in Jammu Kashmir) করে চলেছে এবং সেখান থেকেই যে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ হচ্ছে, এটা আগে তো জানা ছিলই। তবে, এই মর্মে নতুন তথ্যপ্রমাণও হাতে পেয়েছেন এদেশের গোয়েন্দারা (NIA Terror Probe)। চলতি বছরের জানুয়ারিতে রাজৌরির ধাংরি গ্রামে হামলা চালায় জঙ্গিরা। আইইডি বিস্ফোরণে ৭ সাধারণ নাগরিকের মৃত্যু হয়েছিল। এর পর এপ্রিল মাসে পুঞ্চে সেনা কনভয়ে জঙ্গি হামলায় পাঁচ জওয়ান মারা গিয়েছিলেন। কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা তথা অনুসন্ধানকারী সংস্থা এনআইএ জানিয়েছে, এই দুই ঘটনাতেই একই জঙ্গিরা জড়িত ছিল। 

    স্থানীয়দের মদত পেয়েছিল জঙ্গিরা!

    এনআইএ তদন্তে উঠে আসে, জঙ্গিরা স্থানীয়দের মদত পেয়েছিল। হামলার পর তারা আন্ডারগ্রাউন্ড হয়ে যায়। গত সেপ্টেম্বর মাসে নিসার আহমেদ ও মুস্তাক হোসেন নামে দুজনকে পাকড়াও করে এনআইএ। গোয়েন্দাদের অভিযোগ, পুঞ্চের বাসিন্দা এই দুজনই ধাংরি হামলাকারীদের আশ্রয় দেওয়া থেকে শুরু করে যাবতীয় সাহায্য করেছিল। ধৃতদের জেরা করে চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে আসে এনআইএ-র হাতে (NIA Terror Probe)। জানা যায়, নিসারের সঙ্গে লস্কর হ্যান্ডলার আবু কতল ওরফে কতল সিন্ধির নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। নিসারকে আগও গ্রেফতার করা হয়েছিল। ২ বছর জেলে কাটিয়ে ২০১৪ সালে সে ছাড়া পায়। 

    গোয়েন্দারা জানিয়েছেন, জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর থেকে জঙ্গিদের ইনফর্মার হিসেবে নাকি কাজ করত এই নিসার (Terrorism in Jammu Kashmir)। ধাংরিতে হামলার ঘটনায় তাকে ডেকেও পাঠিয়েছিল পুলিশ। এনআইএ-কে নিসার জানিয়েছে, দুই জঙ্গিকে আশ্রয় দেওয়ার জন্য তাঁকে নির্দেশ দিয়েছিল আবু কতল। এর পর মুস্তাক হোসেনকে ৭৫ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল ওই ২ জঙ্গির জন্য গুহার মধ্যে একটি গোপন আস্তানা তৈরি করে দিতে। ওই জঙ্গিদের বাড়িতে তৈরি খাবার দিয়ে আসত নিসার। 

    নির্দেশ দিয়েছিল পাক হ্যান্ডলাররা

    এনআইএ জানিয়েছে (NIA Terror Probe), জেরায় নিসার দাবি করেছে, এপ্রিলে সেনার ওপর হামলার ২ দিন আগে ওই জঙ্গিরা ২২টি রুটি চেয়ে পাঠায়। সেই মতো, সে রুটি পৌঁছে দেয়। এর পর জঙ্গিরা তাকে না জানিয়ে সেখান থেকে চলে যায়। এনআইএ জানিয়েছে, এর পরই পুঞ্চের ভিম্বর গলি-সুরানকোট সড়কের ওপর ভাট্টা দুরিয়াঁর কাছে ঘটা হামলার খবর আসে (Terrorism in Jammu Kashmir)। গোয়েন্দাদের মতে, পাকিস্তান থেকে আসা লস্কর-ই-তৈবা হ্যান্ডলারদের নির্দেশ অনুযায়ী এই হামলাগুলো চালিয়েছিল জঙ্গিরা। তদন্তকারীরা জানিয়েছেন, সইফুল্লাহ ওরফে সাজিদ জট্ট, আবু কতল এবং মহম্মদ কাসিম নামে তিন লস্কর হ্যান্ডলার পাকিস্তান বসে জঙ্গিদের নির্দেশ দিয়েছিল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Rajouri Encounter: রাজৌরিতে জঙ্গিদের সঙ্গে ছিল অবসরপ্রাপ্ত পাক সৈনিকরাও! চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ সেনার

    Rajouri Encounter: রাজৌরিতে জঙ্গিদের সঙ্গে ছিল অবসরপ্রাপ্ত পাক সৈনিকরাও! চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ সেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরের রাজৌরিতে (Rajouri Encounter) গত তিনদিন ধরে সেনা ও জঙ্গিদের মধ্যে ভয়াবহ গুলির লড়াই চলছে। ওই লড়াইয়ে এখনও পর্যন্ত ২ ক্যাপ্টেন পদমর্যাদার অফিসার সহ ভারতীয় সেনার ৫ জওয়ানের মৃত্য হয়েছে। অন্যদিকে, এক লস্কর কমান্ডার সহ ২ জঙ্গি (Pak Terrorists) খতম হয়েছে। শুক্রবার এই অভিযান নিয়ে চাঞ্চল্যকর তথ্য পেশ করলেন সেনা নর্দার্ন কমান্ডের প্রধান লেফটেন্যান্ট জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী। তিনি জানালেন, জঙ্গলে, জঙ্গিদের সঙ্গে মিশে রয়েছে কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত পাক সৈনিকও।

    কী বললেন শীর্ষ সেনা-কর্তা?

    এদিন শহিদ জওয়ানদের শেষ শ্রদ্ধা জানান সেনা কমান্ডার। সেখানেই তিনি জানান, কাশ্মীরি যুবকদের নাশকতা কার্যকলাপে আর প্রলুব্ধ করতে পারছে না পাকিস্তান। তাই বিদেশি জঙ্গিদের (Pak Terrorists) সীমান্ত পার করিয়ে জম্মু ও কাশ্মীরে পাঠাচ্ছে তারা। দ্বিবেদী বলেন, ‘‘আমরা জানতে পেরেছি যে রাজৌরিতে (Rajouri Encounter) হামলা চালানো জঙ্গিদের কয়েকজন অবসরপ্রাপ্ত পাক সৈনিক। যেহেতু এখান থেকে কাউকে নিয়োগ করতে পারছে না, তাই পাকিস্তান ভারতে বিদেশি জঙ্গি ঢোকানোর চেষ্টা চালাচ্ছে। আমরা সবকটাকে খতম করার চেষ্টা চালাচ্ছি।’’

    ফের ‘ব্যাট’-কে সক্রিয় করেছে পাকিস্তান?

    প্রসঙ্গত, এই প্রথম নয় কিন্তু। এর আগেও, জঙ্গি বেশে প্রাক্তন জওয়ানদের ভারতে ঢোকানোর অভিযোগ উঠেছে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। অনেকেরই হয়ত মনে থাকবে, ২০১৭ সালে পুঞ্চে নিয়ন্ত্রণরেখার খুব কাছেই ভারতীয় সেনা জওয়ান নায়েব সুবেদার পরমজিত সিং ও বিএসএফ কনস্টেবল প্রেম সাগরের মুণ্ডহীন দেহ উদ্ধার হয়েছিল। সেই সময় এই নিয়ে প্রচণ্ড শোরগোল উঠেছিল। ভারতীয় গোয়েন্দারা জানিয়েছিলেন, এই ন্যক্করজনক ও কাপুরুষোচিত কাজ করতে বর্ডার অ্যাকশন টিম (ব্যাট) কে ব্যবহার করেছিল পাকিস্তান। বস্তুত, এই জঙ্গি ও অবসরপ্রাপ্ত সৈনিকদের নিয়ে এই বিশেষ বাহিনী গঠন করে পাকিস্তান। লক্ষ্য ভারতে নাশকতামূলক কার্যকলাপ চালানো। তাদের প্রশিক্ষণ দেয় পাকিস্তানের কমান্ডো বাহিনী— স্পেশাল সার্ভিস গ্রুপ। বেশ কিছুদিন ব্যাট-এর কার্যকলাপ বন্ধ থাকার ফের সক্রিয় করে তোলা হয়ে থাকতে পারে (Pak Terrorists)।

    শহিদ পাঁচ বীর সন্তান

    বুধবার থেকে রাজৌরির (Rajouri Encounter) বাজিমল এলাকায় শুরু হওয়া এই সেনা-জঙ্গি সংঘর্ষে ভারতীয় সেনার ৫ জওয়ান শহিদ হয়েছেন। এঁদের মধ্যে ২ জন অফিসারও রয়েছেন। শহিদ পাঁচজন হলেন— কর্নাটকের ম্যাঙ্গালোরের বাসিন্দা ক্যাপ্টেন এমভি প্রাঞ্জল, উত্তরপ্রদেশের আগরার বাসিন্দা ক্যাপ্টেন শুভম গুপ্ত, পুঞ্চের অজোটের বাসিন্দা হাভিলদার আবদুল মজিদ, উত্তরাখণ্ডের নৈনিতালের হলি পদলির বাসিন্দা লান্স নায়েক সঞ্জয় বিস্ত এবং উত্তরপ্রদেশের আলিগড়ের বাসিন্দা প্যারাট্রুপার সচিন লাউর। এদিন রাজৌরির সেনা হাসপাতালে শহিদদের শেষ শ্রদ্ধা জানানো হয় বাহিনীর তরফে।

    খতম গেরিলা-যুদ্ধে পটু লস্কর কমান্ডার

    অন্যদিকে, সেনার গুলিতে খতম হয়েছে লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষ কমান্ডার কারি সহ ২ পাক জঙ্গি (Pak Terrorists)। সেনা জানিয়েছে, গেরিলা যুদ্ধ কৌশলে পটু পাক জঙ্গি-নেতা কারি একইধারে স্নাইপার ও আইইডি বিশেষজ্ঞ। ধাংরি এবং কান্দিতে যে জঙ্গি হামলা হয়েছিল, তার মাস্টারমাইন্ড ছিল এই কারি। চলতি বছরের ১ এবং ২ জানুয়ারি ধংরিতে জঙ্গি হামলা চালানো হয়েছিল। সেখানে হিন্দু সম্প্রদায়ের সাতজনকে নৃশংস ভাবে খুন করা হয়েছিল। এদিকে রাজৌরির কান্দি জঙ্গলে গত ৫ মে সেনা জওয়ানদের ওপর হামলা চালিয়েছিল জঙ্গিরা। সেই হামলায় শহিদ হয়েছিলেন পাঁচজন জওয়ান।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share