Tag: India news

India news

  • Rajouri Encounter: রাজৌরির জঙ্গিদমন অভিযানে শহিদ ২ ক্যাপ্টেন সহ ৪ সেনা জওয়ান, খতম লস্কর কমান্ডার

    Rajouri Encounter: রাজৌরির জঙ্গিদমন অভিযানে শহিদ ২ ক্যাপ্টেন সহ ৪ সেনা জওয়ান, খতম লস্কর কমান্ডার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দ্বিতীয় দিনে পড়ল রাজৌরির জঙ্গিদমন অভিযান। বুধবার থেকে জম্মু কাশ্মীরের রাজৌরি (Rajouri Encounter) জেলার কালাকোট মহকুমার অন্তর্গত জঙ্গলে ঘেরা বাজিমাল অঞ্চলে চলছে সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াই (Army Terrorist Gunfight)। গতকাল ২ সেনা জওয়ানের মৃত্যুর খবর এসেছিল। এদিন শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত, সেই সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৪। এর মধ্যে সেনার ২ ক্যাপ্টেন পদমর্যাদার অফিসার রয়েছেন। রয়েছেন ২ জওয়ানও। অন্যদিকে, বাহিনীর গুলিতে খতম হয়েছে লস্করের এক শীর্ষস্থানীয় কমান্ডারও।

    কী জানিয়েছে সেনা?

    সেনার ১৬ কোরের (হোয়াইট নাইট) তরফে এক্স (সাবেক ট্যুইটার) হ্যান্ডলে বলা হয়েছে, নির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে রবিবার কালাকোট এলাকার গুলাবগড় জঙ্গলে চিরুনি-তল্লাশি অভিযান শুরু করে সেনা, জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ ও সিআরপিএফ-কে নিয়ে গঠিত যৌথবাহিনী (Rajouri Encounter)। জঙ্গিদের সঙ্গে গুলির লড়াই শুরু হয় বুধবার। সেই থেকে দুপক্ষের মধ্যে ভয়াবহ গুলি বিনিময় হচ্ছে। জঙ্গিদের ঘিরে ফেলা হয়েছে (Army Terrorist Gunfight)। মহিলা ও শিশুদের প্রাণ বাঁচাতে গিয়ে আমাদের সেনা জওয়ানরা শহিদ দিয়েছেন। তাঁদের এই সাহসিকতা ও চরম বলিদানের ফলে অনেকের প্রাণ বেঁচেছে।

    শহিদ চার সেনা কর্মী

    সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত সেনার চার জন শহিদ হয়েছেন। এর মধ্যে ২ জন ক্যাপ্টেন পদমর্যাদার অফিসার এবং বাকি ২ জন হাভিলদার পদমর্যাদার। ২ অফিসারের মধ্যে একজন হলেন ৬৩ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের ক্যাপ্টেন এমভি প্রাঞ্জল। অপরজন ৯ প্যারা স্পেশাল ফোর্সের ক্যাপ্টেন শুভম গুপ্ত। ২ জওয়ানের মধ্যে একজনের নাম হাভিলদার মাজিদ। তিনও ৯ প্যারা স্পেশাল ফোর্স ইউনিটে অঙ্গ ছিলেন (Rajouri Encounter)। দ্বিতীয় জওয়ানের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। এছাড়া, ৯ প্যারা স্পেশাল ফোর্স ইউনিটের এক মেজর পদমর্যাদার অফিসার আহত হয়েছেন। তাঁকে উধমপুরের কমান্ড হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

    খতম লস্কর কমান্ডার

    সেনা সূত্রে খবর, বাহিনীর গুলিতে এক পাক জঙ্গি-নেতা খতম হয়েছে। যা জানা যাচ্ছে, ওই জঙ্গির নাম কুয়ারি। আদতে পাকিস্তানের বাসিন্দা কুয়ারি নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার শীর্ষ কমান্ডার। সেনা গোয়েন্দাদের দাবি, এই জঙ্গি-নেতা দীর্ঘদিন রাজৌরি-পুঞ্চ এলাকায় (Rajouri Encounter) আত্মগোপন করেছিল। তার আগে, পাক-আফগান সীমান্তে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিয়েছিল এই নিহত জঙ্গি (Army Terrorist Gunfight)। আইইডি তৈরিতে পারদর্শী ছিল বলেও জানা গিয়েছে। ধাংরি ও কান্দি হামলার মাস্টারমাইন্ড ছিল এই কুয়ারি। ওই হামলায় ৭ জন মারা গিয়েছিলেন। ১৪ জন আহত হয়েছিলেন। সেনা সূত্রে দাবি, এখনও ওই এলাকায় ২-৩ জন জঙ্গি রয়েছে। ঘন জঙ্গলের মধ্যে লুকিয়ে তারা সেনাকে লক্ষ্য করে গুলি চালিয়ে যাচ্ছে। তবে তাদের ঘিরে ফেলা হয়েছে। 

    এখনও ফিকে হয়নি অনন্তনাগ…

    অনন্তনাগ অভিযানের কথা এখনও টাটকা। প্রায় ২ মাস আগে, অনন্তনাগ জেলার কোকেরনাগ অঞ্চলে সেনা-জঙ্গির ভয়াবহ গুলির লড়াইয়ে শহিদ হয়েছিলেন ২ সেনা অফিসার— ১৯ রাষ্ট্রীয় রাইফেলসের কমান্ডিং অফিসার কর্নেল মনপ্রীত, সেনা মেজর আশিস ধনচোক এবং জম্মু কাশ্মীর পুলিশের ডেপুটি সুপার হুমায়ুন ভাট। খতম হয়েছিল ২ জঙ্গিও। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ। 

  • Pakistan Violates Ceasefire: শীত পড়তেই সীমান্তে গোলাগুলি শুরু পাক সেনার, পাল্টা জবাব ভারতের

    Pakistan Violates Ceasefire: শীত পড়তেই সীমান্তে গোলাগুলি শুরু পাক সেনার, পাল্টা জবাব ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বেশ কিছুদিন চুপ করে থাকার পর ফের সীমান্তে সংঘর্ষবিরতি চুক্তিভঙ্গ (Pakistan Violates Ceasefire) করল পাকিস্তান। বৃহস্পতিবার রাতে আচমকা বিনা প্ররোচনায় জম্মুর (Jammu Kashmir) আরএস পুরা সেক্টরে আন্তর্জাতিক সীমান্তের ওপার থেকে গুলিগোলা বর্ষণ শুরু করে পাক রেঞ্জার্স। তাতে আহত হন বিএসএফ-এর ২ জওয়ান এবং এক গ্রামবাসীও। ভারতের পাল্টা জবাবে নিহত ২ পাক রেঞ্জার্স।

    আহত ২ বিএসএফ জওয়ান সহ ৩

    বিএসএফ জম্মুর জনসংযোগ আধিকারিক জানান, বৃহস্পতিবার রাত থেকে টানা গুলি চালাতে শুরু (Pakistan Violates Ceasefire) করেছে পাকিস্তান। এমনকী, বিএসএফ পোস্টগুলোকে নিশানা করে মর্টার ছুড়েছে পাক রেঞ্জার্স। জম্মুর (Jammu Kashmir) অর্নিয়া-সুচেতগড় সেক্টরে পাঁচটি সীমান্ত চৌকিতে বৃহস্পতিবার রাতে বিনা প্ররোচনায় পাক বাহিনী গোলাবর্ষণ করে। তাতে, ২ বিএসএফ জওয়ান আহত হন বলে খবর। এর পরই, প্রায় ১৯৮ কিমি দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্ত জুড়ে হাই অ্যালার্টে রয়েছে বিএসএফ।

    ভারতের প্রত্যাঘাতে নিহত ২

    পাল্টা জবাব দিতে দেরি করেনি ভারত। বিএসএফের জওয়ানরা যোগ্য জবাব দিতে শুরু করে। গুলি বিনিময় এখনও চলছে। জানা যাচ্ছে, ভারতের প্রত্যাঘাতে ২ পাক রেঞ্জার্সের মৃত্যু হয়েছে। ভারতের গোলায় গুঁড়িয়ে গিয়েছে পাক রেঞ্জার্সের ২টি ওয়াচ টাওয়ার। এদিকে, আচমকা গোলাগুলি চলায় নতুন করে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir) বাসিন্দাদের মধ্যে। উপত্যকায় শান্তি ফিরছিল। ঘরছাড়া মানুষদের অনেকেই গ্রামে ফিরে এসেছিলেন। কিন্তু, বৃহস্পতিবার রাত থেকে ফের গোলাগুলি ছোড়া (Pakistan Violates Ceasefire) শুরু হওয়ায়, সীমান্ত এলাকার বাসিন্দাদের মধ্যে নতুন করে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। গতকাল গোলাগুলি শুরু হতেই পরিযায়ী শ্রমিক, মহিলা-শিশুরা ছোটাছুটি শুরু করে দেয়। 

    ভারতে জঙ্গি ঢোকানোর চেষ্টা

    গত ১০ দিনের মধ্যে, এই নিয়ে আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকায় দ্বিতীয়বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করল পাকিস্তান। এর আগে ১৭ অক্টোবর, বিনা উস্কানিতে বিএসএফ-এর সেনাদের লক্ষ্য করে গুলি চালিয়েছিল পাক রেঞ্জার্সরা। দুই বিএসএফ সদস্য আহত হয়েছিলেন। বিশেষজ্ঞ মহলের ধারণা, পাকিস্তানের এই পরিকল্পিত হামলার নেপথ্যে সুনির্দিষ্ট অভিসন্ধি রয়েছে। মূলত, শীতের শুরুতে সীমান্তে পাক গোলাগুলি বেড়ে যায়। কারণ, এই সময়টাই সীমান্তাঞ্চল দিয়ে (Jammu Kashmir) ভারতে জঙ্গি অনুপ্রবেশ করানোর চেষ্টা চালায় পাকিস্তান। বছরের পর বছর ধরে এই পন্থা (Pakistan Violates Ceasefire) অবলম্বন করে আসছে প্রতিবেশী রাষ্ট্র। যেমনটা করেছিল বুধবার। কিন্তুু, সতর্ক ছিল ভারতও। নিরাপত্তাবাহিনীর গুলিতে খতম হয়েছে ৫ জঙ্গি। এর আগেও, লাগাতার কয়েক সপ্তাহ ধরে উপত্যকায় পর পর জঙ্গি নিকেশ অভিযান ঘটেছে।

    নওয়াজ-শেহবাজ কানেকশন!

    এর পাশাপাশি, এবার আরও একটি ফ্যাক্টর যোগ হয়েছে। দীর্ঘ নির্বাসন-পর্ব কাটিয়ে গত সপ্তাহে পাকিস্তানে ফিরেছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। ফিরেই, তিনি প্রথম সভায় কাশ্মীর প্রসঙ্গ উত্থাপন করেন। তাঁর ভাই তথা বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেহবাজ শরিফ আবার চিন সফর সেরে ফিরেছেন দেশে। তারপরই সীমান্তে পাক গোলাগুলি (Pakistan Violates Ceasefire) শুরু হল। ভারতের বিশেষজ্ঞদের মতে, সবটাই কাকতালীয় নয়। একদিকে, যখন রাশিয়া-ইউক্রেন ও ইজরায়েল-হামাস যুদ্ধ নিয়ে শঙ্কিত বিশ্ব, সেই আবহে কি ভারতকে যুদ্ধের উস্কানি দিচ্ছে পাকিস্তান? 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Qatar: ৮ প্রাক্তন ভারতীয় নৌসেনা কর্মীকে মৃত্যুদণ্ড কাতার আদালতের! সমস্ত আইনি সহায়তার আশ্বাস ভারতের

    Qatar: ৮ প্রাক্তন ভারতীয় নৌসেনা কর্মীকে মৃত্যুদণ্ড কাতার আদালতের! সমস্ত আইনি সহায়তার আশ্বাস ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক অবিশ্বাস্য রায়ে ভারতীয় নৌসেনার ৮ প্রাক্তন কর্মীকে মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনাল কাতারের (Qatar) একটি আদালত। গত এক বছর ধরে তাঁদের আটকে রাখা হয়েছে সেদেশে। এই রায়ে স্তম্ভিত দিল্লি। এই ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বিদেশমন্ত্রকের তরফে ওই ৮ জনকে সমস্ত রকম ‘আইনি সহায়তা’র আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

    ঠিক কী ঘটনা?

    এখনও পর্যন্ত যা জানা গিয়েছে, কাতারে (Qatar) আল দাহরা গ্লোবাল টেকনোলজিস অ্যান্ড কনসালটেন্সি সার্ভিসেস নামের এক বেসরকারি সংস্থায় কর্মরত ছিলেন ওই ৮ প্রাক্তন নৌসেনা কর্মী। এই সংস্থাটি কাতারের প্রতিরক্ষা বাহিনীর স্থানীয় ব্যবসায়িক অংশীদার ছিল। ওই বেসরকারি সংস্থায় মূলত কাতারের সেনা সম্পর্কিত কিছু পরিষেবা সরবরাহ করা হয়, এছাড়াও দেওয়া হয় সেনা সম্পর্কিত ট্রেনিং। ২০২২ সালের অগাস্ট মাসে এই ৮ জনকে আটক করে কাতারের ইন্টালিজেন্স সার্ভিসেস তথা গোয়েন্দা বিভাগ। সেই থেকে এই প্রাক্তন সামরিক কর্মীরা জেলেই রয়েছেন। একাধিকবার তাঁদের জামিনের আবেদন খারিজ করা হয় বলে জানা গিয়েছে। কাতার সরকার কখনই ওই ভারতীয় সেনা অফিসারদের বিরুদ্ধে অভিযোগ নিয়ে খোলসা করে কিছু জানায়নি। তবে স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, ওই ভারতীয় কর্মীদের বিরুদ্ধে গুপ্তচরবৃত্তির অভিযোগ ছিল কাতারের। 

    কী জানিয়েছে বিদেশ মন্ত্রক?

    এদিনের রায়ের প্রেক্ষিতে, গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ভারতের বিদেশ মন্ত্রক। এই খবর পাওয়ার পরই নড়েচড়ে বসেছে দিল্লির বিদেশ মন্ত্রক। কাতারের ভারতীয় দূতাবাসের কাছে বিশদ রিপোর্ট তলব করেছে তারা। এদিন একটি বিবৃতি জারি করে বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে, ‘‘ফাঁসির সাজার খবর শুনে আমরা স্তম্ভিত। পূর্ণাঙ্গ রায়ের জন্য অপেক্ষা করে আছি। এই আট প্রাক্তন নৌসেনা কর্মীর পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখা হচ্ছে। আইনি টিমের সঙ্গেও কথাবার্তা চলছে। সমস্ত আইনি বিতর্কগুলি খতিয়ে দেখা হচ্ছে। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখছি। গোটা ঘটনার উপর নজর রাখা হচ্ছে। সমস্ত আইনি সহায়তা দেওয়া হবে। কাতার (Qatar) কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও যোগাযোগ রাখা হচ্ছে।’’

    সূত্রের খবর, যে ৮ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছে, তাঁরা হলেন— ক্যাপ্টেন নভতেজ সিং গিল, ক্যাপ্টেন বীরেন্দ্র কুমার ভার্মা, ক্যাপ্টেন সৌরভ বশিষ্ট, কামান্ডার অমিত নাগপাল, কমান্ডার পূর্ণেন্দু তিওয়ারি, কমান্ডার সুগুনাকার পাকালা, কমান্ডার সঞ্জীব গুপ্তা ও নাবিক রাগেশ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Dawood Malik: পাকিস্তানে আততায়ীর গুলিতে খতম মাসুদ আজহার ঘনিষ্ঠ লস্কর জঙ্গি দাউদ মালিক

    Dawood Malik: পাকিস্তানে আততায়ীর গুলিতে খতম মাসুদ আজহার ঘনিষ্ঠ লস্কর জঙ্গি দাউদ মালিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তানে ফের অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীর হাতে খুন হল আরেক জঙ্গি-নেতা (Terrorist Killed in Pakistan)। পাক সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী, গত শুক্রবার পাকিস্তানের উত্তর ওয়াজিরিস্তানের মিরালি এলাকায় অজ্ঞাত পরিচয় বন্দুকবাজের গুলিতে খুন হয়েছে লস্কর-ই-জব্বরের প্রতিষ্ঠাতা দাউদ মালিক (Dawood Malik)। দাউদের আরেকটি পরিচয় রয়েছে। নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জয়েশ-ই-মহম্মদের প্রতিষ্ঠাতা মাসুদ আজহারের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত ছিল এই দাউদ। এই নিয়ে পাকিস্তানে সাম্প্রতিককালে দুই শীর্ষ জঙ্গি-নেতার ঘনিষ্ঠ সহযোগী খুন হল। এর আগে, অক্টোবরের গোড়ায় করাচিতে ব্যস্ত রাস্তায় মুম্বই হামলার মূল চক্রী হাফিজ সইদের অন্যতম সহযোগী মুফতি কায়সর ফারুককে খুন করে পালায় অজ্ঞাত পরিচয় আততায়ীরা।

    গুলি করেই চম্পট মুখোশধারী আততায়ীর

    প্রত্যক্ষদর্শীদের উদ্ধৃত করে পাক সংবাদমাধ্যমের দাবি, হত্যাকারী মুখোশ পরে এসেছিল। ফলে তাকে চিহ্নিত করা যায়নি। দিনের বেলা সকলের সামনেই মাসুদ ঘনিষ্ঠ দাউদকে (Dawood Malik) গুলিতে ঝাঁঝরা করে চম্পট দেয় ওই আততায়ী। এখনও পর্যন্ত এই ঘটনায় কেউ ধরা পড়েনি। জানা যাচ্ছে, পাকিস্তানের প্রত্যন্ত ওয়াজিরিস্তানের উত্তরাংশে লোকচক্ষুর অন্তরালে কার্যত গর্তের মধ্যে লুকিয়ে থাকত কট্টর এই জঙ্গি নেতা। কিন্তু, চিকিৎসার জন্য সেদিন একটি ক্লিনিকে গিয়েছিল দাউদ মালিক। সেখানেই তাকে হত্যা করা হয়। দীর্ঘদিন ধরে একাধিক ভারত বিরোধী কার্যকলাপ এবং সন্ত্রাসবাদের সঙ্গে যুক্ত ছিল দাউদ মালিক।  

    ১৯ মাসে পাকিস্তানে খুন ১৭ ভারত-বিরোধী জঙ্গি-নেতা

    সাম্প্রতিককালে, পাকিস্তানে পর পর অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ীর হামলায় খতম হয়ে চলেছে একের পর এক জঙ্গি-নেতা (Terrorist Killed in Pakistan)। পরিসংখ্যান বলছে, গত ১৯ মাসে পাকিস্তানের মাটিতে ১৭ জন ভারত-বিরোধী সন্ত্রাসবাদী নেতা খুন হয়েছে। সপ্তাহ দুয়েক আগে, গত ১১ অক্টোবর, শিয়ালকোটে নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন জয়েশ-ই-মহম্মদের শীর্ষ নেতা তথা পাঠানকোট বায়ুসেনা ঘাঁটিতে হওয়া জঙ্গি হামলার মাস্টারমাইন্ড শাহিদ লতিফকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে খতম করে দুই অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ী। তার আগে, অক্টোবরেই মুম্বই হামলার মূল চক্রী হাফিজ সইদের অন্যতম সহযোগী মুফতি কায়সর ফারুককে খুন করা হয়েছিল পাকিস্তানে। করাচিতে এক অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ী ওই জঙ্গিকে গুলি করে হত্যা করে। 

    গত মাসে, জঙ্গি মহম্মদ রিয়াজকে পাক অধিকৃত কাশ্মীরের রাজধানী মুজাফফরাবাদ থেকে ১৩০ কিলোমিটার দূরে রাওয়ালকোটের একটি মসজিদে খুন করে অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ীরা। আবু কাসিম কাশ্মীরি নামেও পরিচিত ছিল মহম্মদ রিয়াজ। ১২ সেপ্টেম্বর করাচিতে খুন হয় মৌলানা জিয়াউর রহমান। লস্কর-ই-তৈবার এই জঙ্গির বিরুদ্ধে ভারতে একাধিক হামলার ষড়যন্ত্রের অভিযোগ রয়েছে। এর আগে পাক মাটিতে খুন হয় মিস্ত্রি জহুর ইব্রাহিম। পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে তার মাথায় দু’বার গুলি করে আততায়ী। ভারতের আইসি-৮১৪ বিমান হাইজ্যাকিংয়ের সঙ্গে সরাসরি জড়িত ছিল কুখ্যাত এই জঙ্গিনেতা।

    তার আগে, গত ২০ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের রাওয়ালপিন্ডিতে আইএসআই সদর দফতরের সামনেই অজ্ঞাতপরিচয় আততায়ীর গুলিতে হিজবুল মুজাহিদিনের কমান্ডার বশির পীর নিহত হয় (Terrorist Killed in Pakistan)। গত বছর তাকে সন্ত্রাসবিরোধী ঘোষণা করেছিল ভারত। এর ঠিক ২ দিন পর, ২২ ফেব্রুয়ারি ইজাজ আহমেদ আহঙ্গার নামে এক জঙ্গিকে আফগানিস্তানের কাবুলে খতম করা হয়। ইজাজ ভারতে ইসলামিক স্টেট-এর শাখা চালু করতে চাইছিল। এর কিছুদিন পর আল বদর জঙ্গিগোষ্ঠীর কমান্ডার সৈয়দ খালিদ রাজাকে পাকিস্তানের করাচিতে তার বাড়ির বাইরে গুলি করে হত্যা করে এক অজ্ঞাপরিচয় আততায়ী। পরের মাসে ভারতের ওয়ান্টেডের তালিকায় থাকা সৈয়দ নূর শালোবারকে খুন করা হয়। পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া এলাকায় অজ্ঞাত বন্দুকধারীরা তাকে গুলি করে খুন করে। এই তালিকাতেই নবতম সংযোজন জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-জব্বরের প্রতিষ্ঠাতা দাউদ মালিক (Dawood Malik)। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Railway Board DA Hike: দশেরাতেই দীপাবলি উপহার! ৪ শতাংশ ডিএ বাড়াল রেল, কর্মীদের মুখে হাসি

    Railway Board DA Hike: দশেরাতেই দীপাবলি উপহার! ৪ শতাংশ ডিএ বাড়াল রেল, কর্মীদের মুখে হাসি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দশেরাতেই দীপাবলির উপহার পেলেন রেলকর্মীরা! দশেরা ও দীপাবলি উপলক্ষে কর্মচারীদের জন্য সুখবর আনল ভারতীয় রেল। লক্ষাধিক কর্মচারীকে অতিরিক্ত ৪ শতাংশ মহার্ঘভাতা বৃদ্ধি (Railway Board DA Hike) ঘোষণা করেছে ভারতীয় রেল বোর্ড। এই ঘোষণার ফলে, রেল কর্মচারীদের ডিএ বর্তমানের ৪২ শতাংশ থেকে বেড়ে ৪৬ শতাংশ হল। রেল বোর্ডের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, নতুন হার ২০২৩ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে। 

    ডিএ বৃদ্ধিতে খুশি কর্মচারীরা

    এই প্রেক্ষিতে অল ইন্ডিয়া রেলওয়েমেন’স ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক শিব গোপাল মিশ্র জানান, জুলাই থেকে কর্মচারীদের ডিএ বৃদ্ধি আটকে ছিল। এমতাবস্থায় এটা পাওয়া ছিল কর্মচারীদের অধিকার। অবশেষে সেই কর্মচারীরা তাঁদের অধিকার পাচ্ছেন। এদিকে, রেল বোর্ডের এই ঘোষণাকে (Railway Board DA Hike) স্বাগত জানিয়েছে রেলের কর্মচারী ইউনিয়নগুলি। ন্যাশনাল ফেডারেশন অফ ইন্ডিয়ান রেলওয়েম্যানের সাধারণ সম্পাদক এম রাঘভাইয়া জানিয়েছেন, এই সিদ্ধান্ত শুধুমাত্র মুদ্রাস্ফীতির হারের ভিত্তিতে নেওয়া হয়েছে। মুদ্রাস্ফীতির কোনও প্রভাব যাতে কর্মীদের ওপর না পড়ে তাই এই সিদ্ধান্ত।

    আরও পড়ুন: রেল দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরণের অঙ্ক ১০ গুণ বাড়াল মোদি সরকার

    গ্রুপ-সি ও গ্রুপ-ডি কর্মীদেরও বোনাস

    এর আগে, রেলের নন-গ্যাজেটেড অফিসার বা গ্রুপ সি এবং গ্রুপ ডি স্তরের কর্মীদের জন্য দীপাবলি বোনাসের ঘোষণা করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এর ফলে ১১ লাখের বেশি রেলওয়ে কর্মী ৭৮ দিনের অতিরিক্ত বেতন পাচ্ছেন। ষষ্ঠ বেতন কমিশনের ন্যূনতম বেতন বা বেসিক পে-র ওপর ভিত্তি করে এই বোনাস হিসেব করা হয়—যার ঊর্ধ্বসীমা ছিল ৭ হাজার টাকা। সেই হিসেব অনুযায়ী, ৭৮ দিনের হিসেবে এরফলে প্রায় ১৮ হাজার টাকা বোনাস (Railway Board DA Hike) পাবেন রেলওয়ে কর্মচারীরা। এই বোনাসের জন্য মোট ১৫ হাজার কোটি টাকা অনুমোদন করেছে মন্ত্রিসভা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

  • Sikkim Disaster: আরেকটা লেক ফাটার আশঙ্কা! ‘‘সিকিমে এখন আসবেন না’’, পর্যটকদের নির্দেশ প্রশাসনের

    Sikkim Disaster: আরেকটা লেক ফাটার আশঙ্কা! ‘‘সিকিমে এখন আসবেন না’’, পর্যটকদের নির্দেশ প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘একা রামে রক্ষে নেই, সুগ্রীব দোসর’! এক লোনক হ্রদ ফেটে সিকিমে ভয়াবহ অবস্থা (Sikkim Disaster)। তিস্তা নদীতে আসা হড়পা বানে ভেসে গিয়েছে সবকিছু (Sikkim Flood Situation)। তছনছ হয়েছে ছবির মতো সুন্দর উত্তর সিকিম। হড়পা বানে এখনও পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ১৮ জন। নিখোঁজ শতাধিক। সিকিম যখন এই বিপর্যয় মোকাবিলায় ব্যস্ত, ঠিক তখনই আরেকটি বিপর্যয়ের আশঙ্কা ঘনাচ্ছে এই পাহাড়ি-রাজ্যে। 

    সাকো চো হ্রদ ফাটার আশঙ্কা!

    মঙ্গলবার গভীর রাতে মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে উত্তর সিকিমের লোনক হ্রদের হিমবাহ বিস্ফোরিত হয়ে বানভাসী হয়ে যায় চুংথামের বিস্তীর্ণ এলাকা। এর পর বুধবার ভোরে তিস্তা নদীর জল বেড়ে বানভাসী হয় সংলগ্ন এলাকা। প্রায় দোতলা বাড়ি সমান জল উঠে যায়। ভয়াল তিস্তার গ্রাসে তলিয়ে যান শতাধিক মানুষ (Sikkim Disaster)। এরই মধ্যে উত্তর সিকিমে আরেকটি হ্রদ ফাটতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা। জানা যাচ্ছে, সিকিমের মানগান জেলায় রয়েছে সাকো চো হ্রদ। সেই হ্রদ ফেটে বিপর্যয় আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ছাঙ্গু উপত্যকা থেকে ২১ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই হ্রদের দৈর্ঘ্য প্রায় ১.৩ কিলোমিটার। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই আশঙ্কা সত্যি হলে সিকিমের বুকে প্রাকৃতিক দুর্যোগ আরও ভয়াবহ আকার ধারণ করবে।

    আরও পড়ুন: নেপালে ভূমিকম্পের জেরে নড়বড়ে হয়ে গিয়েছিল লোনকের পাড়, তাই কি বিপর্যয় সিকিমে?

    সরানো হচ্ছে স্থানীয়দের

    জানা গিয়েছে, এই হ্রদটিও হিমাবহের জল থেকে তৈরি। গত কয়েক দিনে এই হ্রদেরও জলস্তর বৃদ্ধি পেয়েছে। পাশাপাশি, বৃদ্ধি পেয়েছে জলের তাপমাত্রাও। কোনও রকম ঝুঁকি না নিয়ে আগে থেকেই এই এলাকার বাসিন্দাদের সেখান থেকে সরে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছে জেলা প্রশাসন (Sikkim Flood Situation)। মাইকিং করে বাসিন্দাদের সরানোর হচ্ছে। গ্যাংটক জেলার সিংটামের গোলিতার এলাকা, মানগন জেলার ডিকচু এলাকা, রংপো আইবিএম এলাকা থেকে ইতিমধ্যেই মানুষজনকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত বন্ধ স্কুল-কলেজ

    এই মুহূর্তে ভয়াবহ প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের (Sikkim Disaster) মধ্যে দিয়ে চলছে সিকিম। মেঘভাঙা বৃষ্টি-হ্রদ ফাটা-হড়পা বান— এই সব মিলিয়ে এখন বিধ্বস্ত এই পার্বত্য রাজ্য। তার ওপর, এখনও কয়েকদিনে সিকিমে বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া দফতর। ফলে, এখনই যে নিস্তার মিলছে না, তা একপ্রকার নিশ্চিত। এই পরিস্থিতিতে, যে কোনও প্রাণহানির ঘটনা এড়াতে বিশেষ সতর্ক সিকিম প্রশাসন। বন্য-বিধ্বস্ত চার জেলায় স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটি ঘোষণা করল সিকিমের শিক্ষা দফতর। ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত পাকিয়োং, গ্যাংটক, নামচি ও মঙ্গন জেলার সমস্ত স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    পর্যটকদের আসতে মানা সিকিম প্রশাসনের

    সিকিমের মূল আয়ের উৎস হল পর্যটন। ছবির মতো সুন্দর সিকিমে বছরভর পর্যটকদের যাতায়াত। বিশেষ করে, ছুটি বা পুজোর মরশুমে সিকিমে উপচে পড়ে ভিড়। সিকিমজুড়ে থাকে পর্যটকদের ঢল। কিন্তু, বর্তমান সিকিমের পরিস্থিতি (Sikkim Flood Situation) একেবারে উল্টো। পুরো লন্ডভন্ড। তছনছ। বিধ্বস্ত। এই প্রেক্ষিতে বৃহস্পতিবার সিকিমের পর্যটন দফতরের তরফে পর্যটকদের উদ্দেশে নির্দেশিকা জারি করা হয়। তাতে বলা হয়েছে, এখন যাঁরা সিকিমে বেড়াতে আসার পরিকল্পনা করছেন, তাঁরা যেন তা বাতিল করেন। পর্যটকদের জন্য এখন অনুকূল পরিস্থিতি নেই। ছাঙ্গু এবং নাথু লা যাওয়ার উপরেও অনির্দিষ্টকালের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে (Sikkim Disaster)।

    এখনও সাত হাজার পর্যটক আটকে সিকিমে!

    এদিকে, সিকিমে এখনও আটকে রয়েছেন কয়েক হাজার পর্যটক (Sikkim Flood Situation)। সূত্রে খবর, সিকিমে এখনও মোট সাত হাজার পর্যটক রয়েছেন যার মধ্যে ২ হাজার পর্যটক বাংলার। যোগাযোগের মূল রাস্তা ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের একাংশ তিস্তার করালগ্রাসে তলিয়ে যাওয়ায় ফিরতে বিস্তর সমস্যায় পড়ছেন পর্যটকরা। অনেকে এখন গ্যাংটক থেকে রানিপুল, পেডং, লাভা, গোরুবাথান হয়ে ফিরে আসার চেষ্টা করছেন। তার ওপর উত্তর সিকিমে যাঁরা গিয়েছেন, তাঁরা পুরো বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছেন। যোগাযোগের ব্যবস্থাও ভেঙে পড়েছে। উত্তর সিকিমের লাচেন, লাচুং সহ এলাকায় আটকে পড়া পর্যটকদের কপ্টারের মাধ্যমে উদ্ধারের কাজ শুরু হবে বলে শোনা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে সেখানে সেনা পৌঁছে গেছে (Sikkim Disaster)। 

    আরও পড়ুন: সিকিমের বিপর্যয়ের প্রভাব পড়ল পাহাড়ের পর্যটনেও! হু হু করে বাতিল হচ্ছে বুকিং

    হেল্পলাইন নম্বর চালু পুলিশ-সেনার

    উত্তর সিকিম এখন কার্যত বিচ্ছিন্ন দ্বীপ। সেখানে জল বা বিদ্যুতের সরবরাহ নেই। চরম অসহায় অবস্থায় হোটেলে আটকে রয়েছেন পর্যটকরা। মোবাইলের নেটওয়ার্ক না থাকায় তাঁরা যোগাযোগও করতে পারছেন না। আটকে পড়া পর্যটকদের পরিবার-পরিজনদের জন্য হেল্পলাইন চাল করল সিকিম সরকার (Sikkim Disaster)। সিকিম পুলিশের হেল্পলাইনগুলো হল, ০৩৫৯২-২০২৮৯২, ০৩৫৯২-২২১১৫২ এবং ৮০০১৭৬৩৩৮৩। এছাড়াও ০৩৫৯২-২০২০৪২ নম্বরে ফোন করেও সাহায্য পাওয়া যাবে। একই সঙ্গে হেল্পলাইন চালু করেছে সেনাও। উত্তর সিকিমের বাসিন্দাদের জন্য এই হেল্পলাইন নম্বর হল ৮৭৫০৮৮৭৭৭৪ এবং পূর্ব সিকিমের জন্য হেল্পলাইন নম্বর হল ৮৭৫৬৯৯১৮৯৫।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sanjay Singh Arrested: দিল্লি আবগারি মামলায় আপ সাংসদ সঞ্জয় সিংকে গ্রেফতার করল ইডি

    Sanjay Singh Arrested: দিল্লি আবগারি মামলায় আপ সাংসদ সঞ্জয় সিংকে গ্রেফতার করল ইডি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্ভাবনা ছিল, হলও তাই। দিল্লি আবগারি মামলায় (Delhi Excise Policy) আম আদমি পার্টির সাংসদ সঞ্জয় সিংকে গ্রেফতার (Sanjay Singh Arrested) করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (Enforcement Directorate)। তাঁর বিরুদ্ধে দিল্লি আবগারি দুর্নীতি মামলায় জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। বুধবার সকালে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দলের এই নেতার বাড়িতে হানা দেন ইডি আধিকারিকরা। দিনভর তল্লাশি চলে আপ রাজ্যসভার সাংসদের বাড়িতে। এর পর বিকেলে, সঞ্জয়কে গ্রেফতার করা হয়। 

    তদন্ত শুরু করে ইডি এবং সিবিআই

    বিগত কয়েক বছর ধরে আবগারি মামলায় (Delhi Excise Policy) বেকায়দায় পড়েছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের দল। ২০২১ সালে আবগারি নীতিতে বেসরকারি কিছু প্রতিষ্ঠানকে অর্থের বিনিময়ে বিশেষ সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ ওঠে দিল্লির শাসকদলের বিরুদ্ধে (Sanjay Singh Arrested)। তৎকালীন লেফটেন্যান্ট গভর্নরের নির্দেশেই এই মামলায় তদন্ত শুরু করে ইডি এবং সিবিআই। এর পরে ইডি  (Enforcement Directorate) পিএমএলএ-এর অধীনে একটি মামলা নথিভুক্ত করে।

    আরও পড়ুন: আবগারি নীতি কেলেঙ্কারি মামলায় আপ নেতা সঞ্জয়ের বাড়িতে হানা ইডি-র

    অর্থের বিনিময়ে সুবিধা পাইয়ে দেওয়ার অভিযোগ

    আপ সাংসদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, মদ ব্যবসায়ীদের লাইসেন্স প্রদানের জন্য ২০২১-২২ সালে দিল্লি সরকারের আবগারি নীতি নিয়ম পাল্টে কার্টেলাইজেশনের অনুমতি দিয়েছিল৷ এক্ষেত্রে কিছু ডিলারদের সঙ্গে পক্ষপাত করা হয়েছে বলেও অভিযোগ৷ এর জন্য সংশ্লিষ্ট ডিলারদের থেকে ঘুষ নেওয়া হয়েছিল বলেও কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তরফে অভিযোগ করা হয়৷

    এই নিয়ে গ্রেফতার ৩ আপ নেতা

    প্রসঙ্গত, এখনও পর্যন্ত আম আদমি পার্টির তিন নেতাকে এই দুর্নীতি মামলায় (Delhi Excise Policy) গ্রেফতার করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। এই মামলায় আগে গ্রেফতার হয়েছেন দিল্লির প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া। গ্রেফতার হন সত্যেন্দ্র জৈন। এবার গ্রেফতার হলেন সঞ্জয় সিং (Sanjay Singh Arrested)। এছাড়া, এই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে খোদ মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালকেও। 

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Sikkim Flash Flood: মেঘভাঙা বৃষ্টিতে তিস্তায় হড়পা বান, সিকিমে নিখোঁজ ২৩ সেনা জওয়ান

    Sikkim Flash Flood: মেঘভাঙা বৃষ্টিতে তিস্তায় হড়পা বান, সিকিমে নিখোঁজ ২৩ সেনা জওয়ান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বুধবার ভোরে মেঘভাঙা বৃষ্টির জেরে উত্তর সিকিমের চুংথামে লোনক হ্রদ ফেটে যায়। সেই জল হু-হু করে ঢুকে যায় তিস্তা নদীতে। তাতেই বেধে যায় বিপর্যয়। আচমকা ধেয়ে আসা হড়পা বানে (Sikkim Flash Flood) ভেসে যায় সড়ক। জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে সেনার বহু গাড়ি সহ সেনা ছাউনিও। নিখোঁজ হন ২৩ সেনা জওয়ান (Army Jawans Missing)। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে।

    লোনাক হ্রদে মেঘভাঙা বৃষ্টির ফলে বিপত্তি

    গুয়াহাটিস্থিত সেনার জনসংযোগ আধিকারিক ট্যুইটারে লেখেন, ‘‘উত্তর সিকিমের লোনাক হ্রদে মেঘভাঙা বৃষ্টির ফলে লাচেন উপত্যকার কাছে তিস্তা নদীতে হড়পা বান (Sikkim Flash Flood) আসে। তাতে ২৩ জওয়ান নিখোঁজ (Army Jawans Missing) হয়েছেন।’’ বেশ কয়েকটি জায়গায় ধসও নেমেছে বলে স্থানীয় প্রশাসন সূত্রে খবর। এই ঘটনার জেরে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে চুংথাম। গতরাত থেকেই প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে সিকিমে। মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে গতরাতেই অন্তত সাতজন নিখোঁজ হন। ৬টি সেতু ধুয়ে যায়। আর আজ সকালে হড়পা বানে তলিয়ে গেল সেনার গাড়ি। 

    তলিয়ে গেছে ৪১টি ট্রাক সমেত গোটা সেনা ছাউনি!

    এদিন সকালে সেনার ইস্টার্ন কমান্ডের মুখপাত্র জানান, মেঘভাঙা বৃষ্টিতে উত্তর সিকিমের লাচেন উপত্যকার লোনক হ্রদ উপচে পড়ে। চুংথাম বাঁধ ভেঙে বিপুল পরিমাণ জল চলে আসে তিস্তা নদীতে। এর ফলে মুহূর্তে তিস্তার জলস্তর প্রায় ১৫ থেকে ২০ ফুট বেড়ে যায়। সিংতমের কাছে বরদঙে নদীর ধারে একটি রাস্তায় দাঁড় করানো ছিল বেশ কয়েকটি সেনার গাড়িটি। হড়পা বান (Sikkim Flash Flood) আসায় ট্রাকগুলি তলিয়ে যায় নদীতে (Army Jawans Missing)। সেনা জানিয়েছে, অন্তত ৪১টি ট্রাক তলিয়ে গিয়েছে। ভেসে গিয়েছে ছাউনির প্রায় সমস্ত কিছুই। জলের তলায় চলে গিয়েছে গাড়ি-সহ গোটা সেনা ছাউনি। এর মধ্যে আবার ধস নামতে শুরু হয়েছে। এত বড় ঘটনা সিকিমের বুকে এই প্রথম বলে জানিয়েছে সেনাবাহিনী। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধারকাজ শুরু হয়েছে। 

    ভয়াবহ পরিস্থিতি সিকিমে

    প্রশাসন সূত্রে খবর, সিংথামে তিস্তার উপর একটি ফুটব্রিজ ছিল। নদীর জলস্তর বৃদ্ধি পাওয়ার জেরে সেই সেতুটি ভেঙে পড়েছে। এ ছাড়াও তিস্তার দাপটে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সিকিমের গোটা লাচেন উপত্যকাই। বহু বাড়ি ভেসে গিয়েছে। বহু মানুষও নিখোঁজ হয়েছেন বলে আশঙ্কা (Sikkim Flash Flood)। ২০১৩ সালে উত্তরাখণ্ড বিপর্যয় দেখেছিল গোটা ভারত। এবার সিকিমের এই ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে সকলে। সিকিমে হাই অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। সিকিম রাজ্য প্রশাসন মানুষকে তিস্তা নদী থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছে। সিংথাম ও রংপোয় সরানো হয়েছে বাসিন্দাদের।

    কার্যত বিচ্ছিন্ন সিকিম

    সিকিমের চুংথামে ব্যাপক জলস্ফীতি হয়েছে। সিকিমের উঁচু এলকায় ঢুকে পড়েছে নদীর জল। চুংথাম এলাকা কার্যত সিকিম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। জলের তোড়ে ভেঙেছে ১০ নম্বর জাতীয় সড়ক। বন্ধ হয়ে গিয়েছে সিকিম থেকে দার্জিলিং-শিলিগুড়ির যাতায়াতের রাস্তা (Sikkim Flash Flood)। সামনেই পুজো। পাহাড়ে ঘুরতে যেতে পছন্দ করেন অনেক পর্যটক। হোটেল বুকিংও হয়েছে। শুধু তাই নয়, বহু পর্যটক সিকিমের পাহাড়ি এলাকায় রয়েছেন। তাঁরা কিন্তু এই মুহূর্তে আটকে গিয়েছেন। যাঁরা পুজোয় আসবেন বলে ঠিক করেছেন, তাঁদের কপালে চিন্তার ভাঁজ।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Earthquake in Delhi: উৎস নেপাল, তীব্রতা ৬.২! জোড়া ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দিল্লি, পার্শ্ববর্তী এলাকা

    Earthquake in Delhi: উৎস নেপাল, তীব্রতা ৬.২! জোড়া ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল দিল্লি, পার্শ্ববর্তী এলাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শক্তিশালী জোড়া ভূমিকম্পে ভরদুপুরে কেঁপে উঠল দিল্লি (Earthquake in Delhi)। কম্পন অনুভূত হয়েছে উত্তরপ্রদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলেও।

    কম্পনের উৎসস্থল নেপাল

    ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে, মঙ্গলবার প্রথম ভূমিকম্পটি অনুভূত হয় দুপুর ২টো ২৫ মিনিট নাগাদ। রিখটার স্কেলে কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৬। অর্থাৎ, মাঝারি মানের কম্পন। কিন্তু, ২৬ মিনিট পর, অর্থাৎ ২টো ৫১ মিনিটে দ্বিতীয়বার কেঁপে ওঠে দিল্লি। এবার কম্পনের মাত্রা ছিল ৬.২। অর্থাৎ, দ্বিতীয় কম্পনটা শক্তিশালী ছিল (Earthquake in Delhi)। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছে, ভূমিকম্পের উৎসস্থল নেপালের ভাতেখোলা থেকে দু’কিলোমিটার দূরে, মাটির পাঁচ কিলোমিটার গভীরে। জানা গিয়েছে, ৪০ সেকেন্ড ধরে হয়েছে কম্পন। সে কারণে ভূমিকম্পেরর তীব্রতা এত বেশি।

    আতঙ্কে দিল্লিবাসী নামলেন রাস্তায়

    শক্তিশালী কম্পন হলেও, দিল্লি তথা উত্তর ভারতের কোথাও কোনও ক্ষয়ক্ষতির খবর এখনও মেলেনি। তবে, ভূমিকম্পের ফলে দিল্লিবাসীদের (Earthquake in Delhi) মধ্যে আতঙ্কের সৃষ্টি হয়। বিশেষ বহুতলের বাসিন্দারা অনুভব করেন সবার আগে। তড়িঘড়ি নিচে নেমে আসেন অনেকেই। দিল্লির পুলিশের তরফ থেকে বার্তা দেওয়া হয় সাধারণ মানুষকে। রাস্তায় লোকজনের ভিড় জমে যায়। অনেকেই আবার এই কম্পনের সময়ের নানা ভিডিয়ো সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করেছেন। 

    দিল্লি পুলিশের সাবধানবাণী

    ট্যুইটার (অধুনা এক্স) হ্যান্ডলে দিল্লি পুলিশ লেখে, ‘‘আপনারা বিল্ডিং-এর বাইরে বেরিয়ে আসুন। নিরাপদ জায়গায় যাওয়ার চেষ্টা করুন। অযথা ভয় পাবেন না, লিফট ব্যবহার করবেন না। জরুরি পরিস্থিতে যোগাযোগ করার জন্য নম্বরও দেওয়া হয়েছে দিল্লি পুলিশের তরফে।’’ দিল্লির পাশাপাশি, উত্তরপ্রদেশের লখনউ, হাপুর, আমরোহাতেও কম্পন অনুভূত হয়েছে। কম্পন অনুভব করেন নয়ডা, ফরিদাবাদ, গুরুগ্রাম, গাজিয়াবাদের বাসিন্দারাও।

    আগেও কেঁপেছে দিল্লি

    প্রসঙ্গত, রবিবার রাতে ভূমিকম্পে কেঁপে উঠেছিল দিল্লির (Earthquake in Delhi) প্রতিবেশী রাজ্য হরিয়ানার কিছু অংশে। রাত ১১টা ২৬ মিনিট নাগাদ হয়েছিল ভূমিকম্প। তার কেন্দ্র ছিল রোহতক থেকে সাত কিলোমিটার পূর্ব, দক্ষিণ-পূর্বে। তার আগে, গত অগাস্ট মাসেই কেঁপে উঠেছিল দিল্লিসহ উত্তর ভারতের একাংশ। কম্পন অনুভূত হয়েছিল জম্মু-কাশ্মীরেও। জানা যায়, রাতের ওই ভূমিকম্পটি হয় আফগানিস্তানে। উৎসস্থল ছিল হিন্দুকুশ। রিখটার স্কেলে যার মাত্রা ছিল ৫.৮। তারই প্রভাব পড়ে রাজধানী শহর সহ উত্তর ভারত জুড়ে।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Vande Bharat: লাইনে পাথর, লোহার রড! চালকের তৎপরতায় বড় দুর্ঘটনা এড়াল বন্দে ভারত

    Vande Bharat: লাইনে পাথর, লোহার রড! চালকের তৎপরতায় বড় দুর্ঘটনা এড়াল বন্দে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রায় ৫০ মিটার জুড়ে লাইনের ওপর সারি সারি বসানো ছোট-বড় পাথর। তা দেখেই লোকো পাইলট বুঝতে পেরেছিলেন, কিছু গণ্ডগোল রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে আপৎকালীন ব্রেক কষলেন চালক। সঙ্গে সঙ্গে থেমে যায় উদয়পুর-জয়পুর বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat)। দেখা যায়, শুধু পাথর নয়, ফিশ প্লেটের জায়গায় লাইন বেঁকিয়ে লম্বালম্বি পুঁতে রাখা রয়েছে প্রায় এক ফুট দৈর্ঘ্যের একটি লোহার রড! বুঝতে অসুবিধা হয় না যে, ট্রেন দুর্ঘটনা ঘটাতে কোনও নাশকতামূলক চক্রান্ত ছিল এটা। তবে, কপালজোরে এবং চালকের বুদ্ধিমত্তায় বড়সড় দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা পায় রেল। প্রাণে বেঁচে যান বহু মানুষ। 

    প্রধানমন্ত্রীর সফরের আগে নাশকতার ছক!

    ঘটনাটি সোমবারের। ঘটেছে রাজস্থানের চিতোরগড়ে। ওই দিন সকালে জয়পুর যাওয়ার পথে রেললাইনে পাথর, লোহার রড দেখে সতর্ক হয়ে যান চালক। আপৎকালীন ব্রেক কষে উদয়পুর থেকে জয়পুরগামী বন্দে ভারত (Vande Bharat) থামিয়ে দেন চালক। রেলের কন্ট্রোলে খবর দেন চালক। রেলকর্মীরা এসে লাইনের উপর থেকে পাথর সরিয়ে দেন। রেলের তরফে জানানো হয়েছে, চিতোরগড়ের কাছে গঙ্গরার এবং সোনিয়ানা স্টেশনের মাঝে লাইনে রাখা ছিল পাথর, লোহার রড। আর এই ঘটনা ঘটল এমন এক দিনে, যেদিন সেই শহরেই সভা ছিল খোদ প্রধানমন্ত্রীর (PM Narendra Modi)। 

    রাজস্থান ভোটকে লাইনচ্যুত করতেই কি!

    সামনেই রাজস্থানে বিধানসভা ভোট (Assembly Elections 2023)। সেই প্রেক্ষিতে সোমবারই চিতোরগড়ে নির্বাচনী প্রচার সভা ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির। ঠিক তার কিছুক্ষণ আগে সকালে এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসে। স্বভাবতই প্রশ্ন উঠেছে, প্রধানমন্ত্রীর সফরের মধ্যেই রাজস্থানে বন্দে ভারত লাইনচ্যুত করার ছক কষা হয়েছিল কি? এই মুহূর্তে ভারতীয় রেলের পোস্টার বয় বন্দে ভারত এক্সপ্রেস (Vande Bharat)। স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Narendra Modi) এই ট্রেনের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। কেন্দ্রীয় সরকার বন্দে ভারতকেই ভবিষ্যতে ভারতীয় রেলের প্রধান ট্রেন হিসেবে তুলে ধরেছে। এর আগে, ট্রেন লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয়েছে। কিন্তু, লাইনে এক ফুট লম্বা লোহার রড পোঁতা! এটা কখনও হয়নি।

    উত্তর-পশ্চিম রেলের মুখ্য জনসংযোগ আধিকারিক শশী কিরণ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘‘লাইনে দু’টি এক ফুট লম্বা লোহার রড ছিল। চালকের তৎপরতায় সেগুলি সরানো হয়েছে। এই ঘটনায় মামলা দায়ের হয়েছে। দোষীদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত পদক্ষেপ করা হবে।’’

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share