Tag: India news

India news

  • Chandrayaan 3: সফল পঞ্চম কক্ষপথ বৃদ্ধি প্রক্রিয়া, শেষ বারের মতো পৃথিবীর চক্কর কাটছে ‘চন্দ্রযান ৩’

    Chandrayaan 3: সফল পঞ্চম কক্ষপথ বৃদ্ধি প্রক্রিয়া, শেষ বারের মতো পৃথিবীর চক্কর কাটছে ‘চন্দ্রযান ৩’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পৃথিবীর চারদিকে চক্কর কাটার শেষ ল্যাপে ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3)। শেষ বারের মতো পৃথিবীকে প্রদক্ষিণ করছে মহাকাশযান। এর পর, চিরতরে পৃথিবীর মায়া ছেড়ে চাঁদের দেশে পাড়ি দেবে ‘চন্দ্রযান ৩’। পূর্ব নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, মঙ্গলবার দুপুরে মহাকাশযানের পঞ্চম তথা শেষ অরবিট রেইজিং ম্যানুভার বা কক্ষপথ পরিধি প্রসার প্রক্রিয়া সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে।

    কোথায় রয়েছে ‘চন্দ্রযান ৩’ 

    এদিন ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর তরফে একটি ট্যুইট করে এই খবর জানানো হয়েছে। বলা হয়েছে, বেঙ্গালুরু-স্থিত ইসরোর কমান্ড সেন্টার ‘ইসট্র্যাক’ থেকে সফলভাবে পঞ্চম আর্থ-বাউন্ড ম্যানুভার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়েছে। এদিনের প্রক্রিয়ার ফলে, বর্তমানে পৃথিবী থেকে ১ লক্ষ ২৭ হাজার ৬০৯ কিলোমিটার (অ্যাপোজি বা পৃথিবীর দূরে) X ২৩৬ কিলোমিটার (পেরিজি বা পৃথিবীর নিকট) পরিধির ডিম্বাকৃতি কক্ষপথে প্রতিস্থাপিত হয়েছে ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3)।

    ১ অগাস্ট মধ্যরাতে গুরুত্বপূর্ণ প্রক্রিয়া হতে চলেছে!

    ইসরোর (ISRO Moon Mission) তরফে জানানো হয়েছে, এর পরের ধাপ আসতে চলেছে ১ অগাস্ট। সেটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। কারণ, ওই দিন রাত ১২টা থেকে রাত ১টার মধ্যে একটা বড় লাফ দিতে চলেছে ‘চন্দ্রযান ৩’, যাকে বলা হচ্ছে ট্রান্সলুনার ইঞ্জেকশন। বিশেষ রকেট ফায়ার করানোর মাধ্যমে ‘চন্দ্রযান ৩’-কে পাঠিয়ে দেওয়া হবে চাঁদের কক্ষপথের উদ্দেশে। বিজ্ঞানের পরিভাষায় লুনার ট্রান্সফার ট্যাজেক্টরি। এক কথায়, চাঁদের কক্ষপথের দিকে ঠেলে দেওয়া হবে ‘চন্দ্রযান ৩’-কে। এটা এই কারণে গুরুত্বপূর্ণ কারণ, সেদিনই পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তিকে চিরতরে হারিয়ে ৩ লক্ষ ৮৬ হাজার কিলোমিটার দূরে থাকা চাঁদের দিকে এগিয়ে যাবে ‘চন্দ্রযান ৩’। 

    ৫ থেকে ৬ অগাস্টে চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ

    জানা যাচ্ছে, ৫ থেকে ৬ অগাস্ট চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করবে ‘চন্দ্রযান ৩’। তারপর চাঁদের মাধ্যাকর্ষণ শেষপর্যন্ত ভারতের চন্দ্রযানকে চন্দ্র কক্ষপথে টেনে আনবে। সেখানে একইভাবে বার বার রিভার্স ম্যানুভারিংয়ের মাধ্যমে নিজের কক্ষপথ সঙ্কোচন ও গতি কমানোর প্রক্রিয়া চালাবে ‘চন্দ্রযান ৩’। অবশেষে চাঁদের ১০০ কিলোমিটারের কক্ষপথে পৌঁছে পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহের বুকে চূড়ান্ত অবতরণের প্রক্রিয়া শুরু হবে। ২৩ বা ২৪ তারিখ চাঁদে অবতরণ করার পর সেখান থেকে ছবি পাঠাবে ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3)।

    ধাপে ধাপে কক্ষপথ পরিধি প্রসারণ

    ১৪ জুলাই, অর্থাৎ, গত শুক্রবার শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে ‘চন্দ্রযান ৩’-কে নিয়ে মহাকাশে পাড়ি দিয়েছিল ‘এলভিএম-৩’ রকেট (ISRO Moon Mission)। পৃথিবীর ওপর একটা নির্দিষ্ট কক্ষপথে প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল ‘চন্দ্রযান ৩’-কে। সেই থেকে এখনও পর্যন্ত পৃথিবীর চারদিকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3)। বলা যেতে পারে, এখনও পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ আওতায় রয়েছে ‘চন্দ্রযান ৩’। প্রতি প্রদক্ষিণে নিজের কক্ষপথের আয়তনের সঙ্গে সঙ্গে গতি বৃদ্ধিও করে চলেছে এই মহাকাশযান। এর আগে, ১৫ তারিখে প্রথম, ১৭ তারিখে দ্বিতীয়, ১৮ তারিখে তৃতীয় ও ২০ তারিখে চতুর্থ অরবিট রেইজিং ম্যানুভার সম্পন্ন করেছিল ‘চন্দ্রযান ৩’। প্রতিবার নিজের কক্ষপথের পরিধি বৃদ্ধি করেছে ‘চন্দ্রযান ৩’। মঙ্গলবার অর্থাৎ ২৫ জুলাই সম্পন্ন হল পঞ্চম তথা চূড়ান্ত ম্যানুভার।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: সম্পন্ন হল চতুর্থ কক্ষপথ প্রসারণ প্রক্রিয়া, চাঁদের আরও কাছে ‘চন্দ্রযান ৩’

    Chandrayaan 3: সম্পন্ন হল চতুর্থ কক্ষপথ প্রসারণ প্রক্রিয়া, চাঁদের আরও কাছে ‘চন্দ্রযান ৩’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চাঁদের দিকে চূড়ান্ত যাত্রা শুরু করার আগে আরও একটা গুরুত্বপূর্ণ ধাপ পার করল ‘চন্দ্রযান ৩’। ইসরো জানিয়েছে, এদিন বিকেলে চতুর্থ অরবিট রেইজিং ম্যানুভার বা কক্ষপথ প্রসারণ প্রক্রিয়া সাফল্যের সঙ্গে সম্পন্ন করেছে চন্দ্রযান মডিউল। এবার পঞ্চম দফায় কক্ষপথ প্রসারণ ঘটানোর পর চাঁদের দিকে এগিয়ে যাবে ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3)।

    গতি বৃদ্ধি করে চলেছে ‘চন্দ্রযান ৩’

    ১৮ জুলাই, অর্থাৎ, গত শুক্রবার শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে ‘চন্দ্রযান ৩’-কে নিয়ে মহাকাশে পাড়ি দিয়েছিল ‘এলভিএম-৩’ রকেট (ISRO Moon Mission)। পৃথিবীর ওপর একটা নির্দিষ্ট কক্ষপথে প্রতিস্থাপন করা হয়েছিল ‘চন্দ্রযান ৩’-কে। সেই থেকে এখনও পর্যন্ত পৃথিবীর চারদিকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3)। বলা যেতে পারে, এখনও পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ আওতায় রয়েছে ‘চন্দ্রযান ৩’। প্রতি প্রদক্ষিণে নিজের কক্ষপথের আয়তনের সঙ্গে সঙ্গে গতি বৃদ্ধিও করে চলেছে এই মহাকাশযান।  এর আগে, ১৭ তারিখ দ্বিতীয় ও ২০ তারিখ তৃতীয় অরবিট রেইজিং ম্যানুভার সম্পন্ন করেছিল ‘চন্দ্রযান ৩’।

    ২৫ তারিখ পঞ্চম তথা চূড়ান্ত কক্ষপথ প্রসারণ

    ইসরো জানিয়েছে, আগামী ২৫ তারিখ, দুপুর ২টো থেকে ৩টের মধ্যে পঞ্চম তথা চূড়ান্ত বারের জন্য কক্ষপথ প্রসারণ করবে চন্দ্রযান। বিজ্ঞানের পরিভাষায় যাকে বলা হচ্ছে আর্থ-বাউন্ড ম্যানুভার। এর পরই, মহাকাশযানে লাগানো বিশেষ রেট্রো রকেট ফায়ার করে পৃথিবীর কক্ষপথ ছেড়ে লুনার ট্রান্সফার ট্র্যাজেকটরিতে প্রতিস্থাপিত হবে ‘চন্দ্রযান ৩’। বলা যেতে পারে, পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ কাটিয়ে পৌনে ৪ লক্ষ কিলোমিটার রাস্তা পাড়ি দিয়ে ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3) পৌঁছে যাবে লুনার অরবিট বা চাঁদের কক্ষপথে। 

    ৫ থেকে ৬ অগাস্টে চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ

    জানা যাচ্ছে, ৫ থেকে ৬ অগাস্টে চাঁদের কক্ষপথে প্রবেশ করবে ‘চন্দ্রযান ৩’। সেখানে গিয়ে একইভাবে বার বার রিভার্স ম্যানুভারিংয়ের মাধ্যমে নিজের কক্ষপথ সঙ্কোচন ও গতি কমানোর প্রক্রিয়া চালাবে ‘চন্দ্রযান ৩’। অবশেষে চাঁদের ১০০ কিলোমিটারের কক্ষপথে পৌঁছে পৃথিবীর একমাত্র প্রাকৃতিক উপগ্রহের বুকে চূড়ান্ত অবতরণের প্রক্রিয়া শুরু হবে। ২৩ বা ২৪ তারিখ চাঁদে অবতরণ করার পর সেখান থেকে ছবি পাঠাবে ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3)।

    ‘চন্দ্রযান ৩’-এর স্বাস্থ্য একেবার ঠিক

    বিক্রম সারাভাই স্পেস সেন্টারের ডিরেক্টর এস উন্নিকৃষ্ণণ তিরুঅনন্তপুরম থেকে সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, উৎক্ষেপণের পর থেকে এখনও পর্যন্ত ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3) নির্বিঘ্নেই এগিয়ে চলেছে। পরিকল্পনামাফিক তার অগ্রগতি হচ্ছে। কোনও হেরফের এখনও হয়নি। এই অভিযান (ISRO Moon Mission) সফল হলে মহাকাশ গবেষণায় বিশ্বের অন্যান্য অনেক দেশকে পিছনে ফেলে দেবে ভারত।

  • Bengaluru Terrorists Arrest: শহরজুড়ে বিস্ফোরণ! বেঙ্গালুরুতে বড় হামলার ছক ছিল ধৃত ৫ লস্কর জঙ্গির

    Bengaluru Terrorists Arrest: শহরজুড়ে বিস্ফোরণ! বেঙ্গালুরুতে বড় হামলার ছক ছিল ধৃত ৫ লস্কর জঙ্গির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোটা বেঙ্গালুরু শহর উড়িয়ে দেওয়ার ছক! ছিল ২৬/১১ ধাঁচে তার চেয়েও বড় জঙ্গি হামলার পরিকল্পনা! বেঙ্গালুরুতে গ্রেফতার হওয়া ৫ লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গিকে (Bengaluru Terrorists Arrest) জেরা করে এমনই হাড়হিম করা তথ্য পেল পুলিশ। গোটা ঘটনায় তীব্র চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ধৃতদের পেছনে কোন মাথা রয়েছে, আর কোনও সঙ্গী রয়েছে কিনা বা কোথায় বসে তাদের হ্যান্ডলার, কীভাবে আসত নির্দেশ— এসব তথ্য খুঁজে বের করার চেষ্টায় গোয়েন্দারা।

    বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল

    বুধবার, দেশে বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল (Terror Attack Foiled) করেছে বেঙ্গালুরুর সেন্ট্রাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ পুলিশ। বেঙ্গালুরু থেকে গ্রেফতার (Bengaluru Terrorists Arrest) করা হয় ৫ সন্দেহভাজন লস্কর জঙ্গিকে। ধৃতদের কাছ থেকে প্রচুর পরিমাণ আগ্নেয়াস্ত্র ও বারুদ উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ নিশ্চিত দেশের বুকে বড় নাশকতার ছক কষা হয়েছিল। বেঙ্গালুরুর পুলিশ কমিশনার বি দয়ানন্দ জানান, গোপন সূত্রে খবর পেয়ে বেঙ্গালুরুর আরটি নগর অঞ্চল থেকে গ্রেফতার করা হয়। ধৃত ৫ সন্দেহভাজন জঙ্গির নাম— সইদ সুহেল খান, মহম্মদ ফয়জন রব্বানি, মহম্মদ উমর, মুদ্দাসির পাশা ও জাহিদ তাবরেজ। এরা সকলেই বেঙ্গালুরুর বাসিন্দা।

    লস্কর-ই-তৈবার সঙ্গে প্রত্যক্ষ যোগ

    পুলিশের দাবি, ধৃতদের (Bengaluru Terrorists Arrest) সঙ্গে পাকিস্তানের নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার প্রত্যক্ষ যোগ ছিল। ধৃতদের কাছ থেকে ৭টি পিস্তল, প্রচুর গুলি, একটি ওয়াকি-টকি সহ আরও আগ্নেয়াস্ত্র এবং বিস্ফোরক উদ্ধার হয়েছে। অভিযুক্তদের প্রত্যেকের বয়স ২৫ থেকে ৩৫-এর মধ্যে জানা গিয়েছে। এর মধ্যে, ২০১৭ সালে একটি খুনের মামলায় পাঁচ জন গ্রেফতার হয়েছিল। ২০১৯ সালে তারা জামিন পায়। তখন থেকেই ধৃতরা বেঙ্গালুরু শহরে সিরিয়াল বিস্ফোরণ করার পরিকল্পনা  (Terror Attack Foiled) করেছিল বলে প্রাথমিক অনুমান পুলিশের। কমিশনার জানান, আরও এক সঙ্গীর সন্ধানে তল্লাশি শুরু করেছে পুলিশ।

    মাস্টারমাইন্ড বসে আফগানিস্তানে!

    প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে, ধৃতদের ‘মাস্টারমাইন্ড’-এর নাম মহম্মদ জুনেইদ। তার সঙ্গে লস্করের মাথাদের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে। বর্তমানে সে এখন পাক-সীমান্ত লাগোয়া আফগানিস্তানে রয়েছে বলে জানা গিয়েছে। পুলিশ জানতে পেরেছে, বেঙ্গালুরুর কাছে সুনতানপাল্যা অঞ্চলে ভেড়া কেনাবেচা করত জুনেইদ। ২০১৭ সালে একটি খুনের মামলায় তার জেল হয়। সেখানেই তার সঙ্গে পরিচয় হয় ওই জেলেই বন্দি থাকা ২০০৮ বেঙ্গালুরু বিস্ফোরণকাণ্ডে জড়িত লস্কর জঙ্গি মহম্মদ নাজিরের সঙ্গে। ধৃত পাঁচজনের (Bengaluru Terrorists Arrest) সঙ্গেও সেখানেই পরিচয় হয় জুনেইদের। ২০২১ সালে ছাড়া পেয়ে সে সীমান্ত টপকে পাকিস্তানে যায় জুনেইদ। সেখানে গিয়ে লস্করের থেকে সে প্রশিক্ষণ নেয়। 

    জেলে বসেই নাশকতার পাঠ!

    এখন ইন্টারপোলের সাহায্যে জুনেইদের বর্তমান ঠিকানা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে চাইছেন ভারতীয় গোয়েন্দারা। পাশাপাশি, জেলবন্দি নাজিরকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে চাইছে বেঙ্গালুরু পুলিশ। পুলিশ নিশ্চিত, জেলেই জুনেইদ ও এই ৫ জনের মগজধোলাই করে নাজির। তার নির্দেশেই, জুনেইদ পাকিস্তানে যায়। তার নির্দেশই এই ৫ জন বেঙ্গালুরুতে বড় হামলার ছক কষেছিল। সূত্রের দাবি, পুলিশি জেরায় ধৃতরা স্বীকার করেছে যে, সন্ত্রাস হামলা কী করে করতে হয়, নাজিরই তাদের শিখিয়েছিল। এমনকী, জুনেইদের বিষয়েও বিস্তারিত তথ্য এই পাঁচজনের থেকেই পেয়েছে পুলিশ। ধৃতদের (Bengaluru Terrorists Arrest) জেরা করে গোয়েন্দারা জানতে পেরেছেন, জেলে বসেই তৈরি করা হয়েছিল হামলার ব্লু-প্রিন্ট (Terror Attack Foiled)!

    এনআইএ তদন্তের দাবি বিজেপির

    এদিকে, এই ঘটনাকে বড় ষড়যন্ত্র উল্লেখ করে গোটা তদন্তভার এনআইএ-কে দেওয়ার পক্ষে জোর সওয়াল করেছেন কর্নাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা বাসবরাজ বোম্মাই। তিনি বলেন, “সেখানে একটা বড় ষড়যন্ত্র হচ্ছে। তারা বেঙ্গালুরু শহরে সিরিয়াল বিস্ফোরণ ঘটাতে (Terror Attack Foiled) চেয়েছিল। এই মামলাটি এনআইএ-র হাতে দেওয়া উচিত।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jammu Terrorists Killed: রাতভর ‘অপারেশন ত্রিনেত্র’! ড্রোনের সাহায্যে পুঞ্চে ৪ জঙ্গিকে খতম করল সেনা

    Jammu Terrorists Killed: রাতভর ‘অপারেশন ত্রিনেত্র’! ড্রোনের সাহায্যে পুঞ্চে ৪ জঙ্গিকে খতম করল সেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অমরনাথ যাত্রা চলাকালীন জঙ্গিদমন অভিযানে (Operation Trinetra) বড়সড় সাফল্য পেল নিরাপত্তাবাহিনী। মঙ্গলবার জম্মু-কাশ্মীরের পুঞ্চে ৪ জঙ্গিকে খতম (Jammu Terrorists Killed) করল যৌথবাহিনী। সেনা সূত্রে খবর, সোমবার রাতে পুঞ্চ জেলার সিন্ধরা এলাকায় নিরাপত্তা বাহিনী ও জঙ্গিদের মধ্যে গুলি বিনিময় হয়। রাতভর দুপক্ষের মধ্যে দফায় দফায় গুলি বিনিময় হয়। ড্রোনের সাহায্য নিয়ে ৪ জঙ্গিকে নিকেষ করা হয়।

    রাতভর ‘অপারেশন ত্রিনেত্র’

    সেনার সূত্রে জানা গিয়েছে, সোমবার রাত ১১টা নাগাদ গোপন চ্যানেলে খবর আসে যে পুঞ্চের সিন্ধারা এলাকায় বেশ কয়েক জন জঙ্গি আত্মগোপন করে রয়েছেন। সেই খবর পেয়েই ওই এলাকায় রাত সাড়ে ১১টা নাগাদ তল্লাশি অভিযানে যায় ভারতীয় সেনার বিশেষ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত বাহিনী, রাষ্ট্রীয় রাইফেলস এবং জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের বিশেষ বাহিনীকে নিয়ে গঠিত যৌথবাহিনী। সেনার তরফ থেকে এই অভিযানের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘অপারেশন ত্রিনেত্র’ (Operation Trinetra)।

    জঙ্গিরা কোথায় লুকিয়ে? জানিয়ে দেয় ড্রোন

    সিন্ধারা এলাকা ঘিরে জওয়ানরা তল্লাশি অভিযান শুরু করতেই, জঙ্গলে ভেতর থেকে বাহিনীকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলিবৃষ্টি শুরু করে জঙ্গিরা। বিভিন্ন দিক থেকে ঝাঁকে ঝাঁকে গুলি ধেয়ে আসছিল বাহিনীর দিকে। অন্ধকারে কিছু দেখাও যাচ্ছিল না বলে বাহিনীকে প্রথমে সমস্যায় পড়তে হয়। কিন্তু, এই অভিযানে অত্যাধুনিক নাইট ভিসন ক্যামেরা, গগলসের পাশাপাশি ড্রোন নিয়ে গিয়েছিল সেনা। 
    তাতেই সাফল্য মেলে। সেনা সূত্রে খবর, ড্রোনে থাকা ক্যামেরা থেকে বাহিনী জেনে যায়, জঙ্গলের ঠিক কোন জায়গায় লুকিয়ে রয়েছে জঙ্গিরা (Jammu Terrorists Killed)।

    শুরু হয় সেনার ‘ফাইনাল অ্যাসল্ট’

    ড্রোনের সাহায্যে জঙ্গিদের অবস্থান চলে আসে হাতের মুঠোয়। সেই মতো, পরিকল্পনা করা হয়। তার পরই ‘ফাইনাল অ্যাসল্ট’ শুরু করে সেনা। খুঁজে খুঁজে এক এক করে চার জঙ্গিকে খতম (Jammu Terrorists Killed) করা হয়। বাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, ওই এলাকায় জঙ্গিদের একটি ডেরার হদিশ মিলেছে। জঙ্গিদের ডেরা থেকে প্রচুর অস্ত্র মিলেছে। তিনটি গ্রেনেড ও অন্যান্য সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ওই এলাকায় আর কোনও জঙ্গি লুকিয়ে আছে কি না, তা জানতে চিরুনি-তল্লাশি চালাচ্ছে যৌথবাহিনী। জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের অতিরিক্ত ডিজি মুকেশ সিংহ জানিয়েছেন, এই অভিযানে ড্রোন ব্যবহার করে জঙ্গিদের খুঁজে খুঁজে মারা হয়েছে। প্রযুক্তির সাহায্যে নেওয়ায় জঙ্গিদের সহজেই খুঁজে বার করে সম্ভব হয়েছে।

    বড়সড় নাশকতার ছক বানচাল

    সেনা সূত্রে খবর, যে ৪ জনকে নিকেষ (Jammu Terrorists Killed) করা হয়েছে, তারা প্রত্যেকে বিদেশি। সীমান্তের ওপার থেকেই জঙ্গিদের ওই দলটি ভারতে প্রবেশ করে অশান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছিল বলে জানানো হয় সেনা বাহিনীর তরফে। নিহত জঙ্গিদের পরিচয় এখনও জানা যায়নি। তবে,  সেনার অনুমান, উপত্যকায় বড়সড় নাশকতার ছক ছিল এই জঙ্গিদের। এই নিয়ে গত ২ দিনে পুঞ্চে ৬ জঙ্গিকে খতম করল সেনা। সোমবারও পুঞ্চে নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে কয়েকজন জঙ্গি। তাদের জবাব দেয় ভারতীয় সেনা। সেই অভিযানে নিহত হয় দুই জঙ্গি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • PM Modi In France: বাস্তিল দিবসে প্যারিসের রাজপথে পঞ্জাব রেজিমেন্টের কুচকাওয়াজ, স্যালুট প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi In France: বাস্তিল দিবসে প্যারিসের রাজপথে পঞ্জাব রেজিমেন্টের কুচকাওয়াজ, স্যালুট প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিদেশের মাটিতে ভারতীয় সেনার কুচকাওয়াজ। সামনে থেকে স্যালুট জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ঐতিহাসিক দৃশ্যের সাক্ষী থাকল গোটা বিশ্ব। 

    বাস্তিল দিবসের প্যারেডে প্রধান অতিথি নরেন্দ্র মোদি

    ফ্রান্সের বাস্তিল দিবস (Bastille Day) বা ফরাসি জাতীয় দিবসের কুচকাওয়াজের প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi In France)। দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের পরে, মোদিই হলেন দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী যাঁকে এই সম্মান দেওয়া হয়। প্রতিবছরের মতো এবছরও প্রথামাফিক বাস্তিল দিবসের কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়েছিল ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের রাজপথ শঁজেলিজে-তে। সেই প্যারেডে অংশগ্রহণ করেছিল ভারতীয় সামরিক বাহিনীর তিন শাখা- স্থল, নৌ ও বায়ুসেনার প্রতিনিধি দল। 

    পঞ্জাব রেজিমেন্টকে স্যালুট মোদির (PM Modi In France)

    এদিন কুচকাওয়াজে ভারতীয় বাহিনীর মার্চ পাস্টে সবার আগে ছিল সেনার পঞ্জাব রেজিমেন্ট (Punjab Regiment)। এই রেজিমেন্ট ভারতের অন্যতম পুরনো রেজিমেন্ট। দুই বিশ্বযুদ্ধে ফরাসিদের হয়ে লড়াইয়ে অংশ নিয়েছিল পঞ্জাব রেজিমেন্ট। সেই সময় পরাধীন ভারতের ইংরেজ শাসকের নির্দেশে যুদ্ধে অংশ নিয়েছিল ভারতীয় সেনা। আজও শিখ সেনাদের বীরত্বের কাহিনী ফ্রান্সে অত্যন্ত জনপ্রিয়। যে কারণে, এবারের কুচকাওয়াজে পঞ্জাব রেজিমেন্টকে বিশেষ আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল।

    প্যারেডে ভারতীয় সামরিক বাহিনীর তিন শাখা

    প্যারিসের প্যারেডে ভারতীয় সেনার পাঞ্জাব রেজিমেন্টের সদস্যরা মার্চ পাস্ট করেন। প্যারেডে পাঞ্জাব রেজিমেন্টকে (Punjab Regiment) নেতৃত্ব দিলেন কর্নেল অমন জগতাপ। সেই সময় তাদের ব্যান্ডে বাজছিল ‘সারে জহাঁ সে আচ্ছা…’ গানের কলি। সামনে দিয়ে যেতেই উঠে দাঁড়িয়ে স্যালুট জানালেন নরেন্দ্র মোদি (PM Modi In France)। উঠে দাঁড়িয়ে পঞ্জাব রেজিমেন্টকে সম্মান জানালেন মোদির পাশে বসে থাকা ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাক্রঁ ও তাঁর স্ত্রী তথা ফ্রান্সের ফার্স্ট লেডি ব্রিগিট মাক্রঁ। পঞ্জাব রেজিমেন্টের পাশাপাশি, এদিনের কুচকাওয়াজে অংশ নিয়েছিল ভারতীয় নৌসেনা ও বায়ুসেনাও। মোট ২৬৯ সদস্যের ভারতীয় দলও কুচকাওয়াজে অংশ নেয়। ভারতীয় বায়ুসেনার তিনটি রাফাল যুদ্ধবিমানও ফরাসি জেটের সঙ্গে এই অনুষ্ঠানে ফ্লাইপাস্টে যোগ দেয়।

    আরও পড়ুন: ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ফ্রান্সের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মানে ভূষিত মোদি

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3 Launch: উৎক্ষেপণ সফল, এবার যাত্রা শুরু! চাঁদের দেশে পাড়ি দিল ‘চন্দ্রযান ৩’

    Chandrayaan 3 Launch: উৎক্ষেপণ সফল, এবার যাত্রা শুরু! চাঁদের দেশে পাড়ি দিল ‘চন্দ্রযান ৩’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গন্তব্য চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চল। নির্ধারিত সময়েই মহাকাশে পাড়ি দিলো ভারতের ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3 Launch)। ইতিহাসের পথে এক পা বাড়ালো ভারত। শুক্রবার, ঠিক ২টো ৩৫ মিনিটে শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে সফল উৎক্ষেপণ হলো ‘এলভিএম-৩’ রকেটের। এই রেকেটে চেপেই পৃথিবীর মাধ্যাকর্ষণ শক্তির বাধা টপকে মহাকাশের একটি নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৌঁছল চন্দ্রযান ৩ মহাকাশযান। সেখান থেকে আগামী একমাস বিভিন্ন পদক্ষেপ অবলম্বন করে চাঁদের উদ্দেশে ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটারের পথ পাড়ি দেওয়া শুরু করবে ‘চন্দ্রযান ৩’। উৎক্ষেপণের ৩০ মিনিট পর ইসরোর তরফে ঘোষণা করা হয়, এলভিএম-৩ রকেট সফলভাবে চন্দ্রযান ৩ মহাকাশযান নির্ধারিত কক্ষপথে পৌঁছে দিয়েছে। 

    কোন পদ্ধতিতে চাঁদের দিকে এগোবে চন্দ্রযান ৩?

    উৎক্ষেপণের পর ২৬ মিনিটের মাথায় ‘চন্দ্রযান ৩’ মহাকাশযানকে ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৭০ কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছে দেয় রকেট। সেখানে পেলোড অর্থাৎ ‘চন্দ্রযান ৩’ মডিউলকে ছেড়ে দেওয়া হয়। প্রথমে, ডিম্বাকৃতি কক্ষপথে পৃথিবীর চারপাশে প্রদক্ষিণ করতে শুরু করবে চন্দ্রযান মডিউল। লক্ষ্য গতি সঞ্চয় করা। এইভাবে আগামী কয়েকদিন ধরে ৫ বার কক্ষপথের আয়তন একদিকে স্থির রেথে অন্যদিকে বাড়াতে থাকবে ‘চন্দ্রযান ৩’। ডিম্বাকৃতি কক্ষপথ এমন ভাবে তৈরি হবে যা একদিকে ১৭০ কিলোমিটার (অ্যাপোজি বা পৃথিবী থেকে কাছে) অন্যদিকে ৩৬ হাজার ৫০০ কিলোমিটার (পেরিজি বা পৃথিবী থেকে দূরে)। এর পরের ধাপে, রেট্রো ইঞ্জিন ফায়ার করিয়ে পৃথিবীর কক্ষপথ ছেড়ে চাঁদের কক্ষপথ (লুনার ট্রান্সফার অরবিট) ধরবে ‘চন্দ্রযান ৩’। এর পর ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটারের পথ পাড়ি দেওয়া শুরু করে চাঁদের কক্ষপথে (লুনার অরবিট) প্রবেশ করবে মহাকাশযান। চূড়ান্ত ধাপে, চন্দ্রপৃষ্ঠের ১০০ কিমি ওপরে প্রোপালশন মডিউল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ল্যান্ডার মডিউল অবতরণ শুরু করবে। 

    চন্দ্রযান মহাকাশযানের মোট ওজন ৩,৯০০ কেজি। এতে রয়েছে একটি ল্যান্ডার, একটি রোভার ও একটি প্রোপালশন মডিউল। রোভারটি রয়েছে ল্যান্ডারের পেটে। এই দুটো মিলিয়ে ল্যান্ডার মডিউল। প্রোপালশন মডিউলের কাজ ল্যান্ডার মডিউলকে বহন করা। প্রোপালশন মডিউলের ওজন ২,১৪৮ কেজি, ল্যান্ডারটি ১,৭২৩ কেজি ও রোভারের ওজন ২৬ কেজি। এবারের চন্দ্রযানে মোট ১৩টি ‘থ্রাস্টার’ রয়েছে, যা সফট ল্যান্ডিং করতে সাহায্য করবে। প্রোপালশন মডিউল যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। চন্দ্রযান ২-এর অন্তিম ব্যর্থতার কথা মাথায় রেখে চন্দ্রযান ৩-এর ল্যান্ডারে এবার কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে। ইসরো সূত্রে খবর, এই ল্যান্ডার চাঁদের মাটিতে ১২০ ডিগ্রি কোণে অবতরণ করবে। উলম্ব গতিবেগ থাকবে সেকেন্ডে ২ মিটারেরও কম। 

    এক ঝলকে উৎক্ষেপণ-পরবর্তী প্রক্রিয়া-পর্ব 

    ২টো ৩৫ মিনিটে শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে উৎক্ষেপণ হলো ‘এলভিএম-৩’ রকেট। কাউন্টডাউন শেষ হতেই ‘ইগনিশন’। প্রথমে দুদিকে আটকানো জোড়া এস-২০০ স্ট্র্যাপ বুস্টার ইঞ্জিন ফায়ার করলো। মহাকাশের দিকে উঠল ‘এলভিএম-৩’। এই রকেট বহন করছে ‘চন্দ্রযান ৩’ মহাকাশযানকে।

    উৎক্ষেপণের ১০৮ সেকেন্ড পর জ্বলে উঠলো এল-১১০ ইঞ্জিন, যা মূল রকেটের সঙ্গে যুক্ত। 

    উৎক্ষেপণের ১২৭ সেকেন্ড পর দুধারে আটকে থাকা এক জোড়া স্ট্র্যাপ বুস্টার মূল রকেট থেকে বিচ্ছিন্ন হলো। 

    উৎক্ষেপণের ১৯৫ সেকেন্ড পর পেলোড ফেয়ারিং বিচ্ছিন্ন হলো। 

    উৎক্ষেপণের ৩০৬ সেকেন্ড পর এল-১১০ ইঞ্জিন বিচ্ছিন্ন হলো। 

    আরও পড়ুন: ‘ব্যর্থতা-ভিত্তিক পদ্ধতি’-তেই সফল হবে চন্দ্রযান ৩! দাবি ইসরো প্রধানের, বিষয়টা কী?

    উৎক্ষেপণের ৩০৮ সেকেন্ড পর সি-২৫ ইঞ্জিন জ্বলে উঠলো।

    উৎক্ষেপণের ৯৫৪ সেকেন্ড পর সি-২৫ ইঞ্জিন বন্ধ হলো। 

    উৎক্ষেপণের ৯৬৯ সেকেন্ড পর মূল রকেট থেকে ‘চন্দ্রযান ৩’ মডিউল বিচ্ছিন্ন হলো। 

    উৎক্ষেপণের ২৬ মিনিট পর ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৭০ কিলোমিটার উচ্চতায় নির্ধারিত কক্ষপথে পৌঁছে গেলো ‘চন্দ্রযান ৩’।

    এক মাস পর চন্দ্রপৃষ্ঠে অবতরণ করবে ‘চন্দ্রযান ৩’। ইসরো জানিয়েছে, ২৩ বা ২৪ অগাস্ট, ‘চন্দ্রযান ৩’-এর সম্ভাব্য অবতরণ।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3 Launch: উৎক্ষেপণের অপেক্ষায়! ঠিক দুপুর ২টো ৩৫ মিনিটে মহাকাশে পাড়ি দেবে ‘চন্দ্রযান ৩’

    Chandrayaan 3 Launch: উৎক্ষেপণের অপেক্ষায়! ঠিক দুপুর ২টো ৩৫ মিনিটে মহাকাশে পাড়ি দেবে ‘চন্দ্রযান ৩’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত ঘড়ির কাঁটা বলছে বাকি আর মাত্র তিন ঘণ্টা। তার পরই ইতিহাসের পথে পা বাড়াবে ভারত ও তার মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। চাঁদের দেশে পাড়ি দেবে ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3 Launch)।

    মাহেন্দ্রক্ষণ দুপুর ২টো ৩৫ মিনিট

    শুক্রবার ঠিক দুপুর ২টো ৩৫ মিনিট নাগাদ শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে ভারতের সর্ববৃহৎ এলভিএম-৩ রকেটে চেপে চাঁদের উদ্দেশে রওনা দেবে ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3 Launch)। প্রায় এক মাস পর চাঁদের বুকে অবতরণ করবে ল্যান্ডার ও রোভার। এই অভিযান সফল হলে ভারত চতুর্থ দেশ হবে যদি এই অভিযান সফল হয়। এর আগে চাঁদে সফট ল্যান্ডিংয়ের চেষ্টা করেছিল আমেরিকা, রাশিয়া, চিন এবং ইজরায়েল। ইজরায়েল ছাড়া বাকি দেশগুলি সফল হয়েছে। চন্দ্রযান-৩ সফলভাবে চাঁদে সফট ল্যান্ডিং করলে ভারত চতুর্থ দেশ হবে। এই গোটা মিশনের জন্য খরচ হয়েছে প্রায় ৬১৫ কোটি টাকা। 

    উৎক্ষেপণের লাইভ স্ট্রিমিং

    চন্দ্রযান ৩-এর উৎক্ষেপণের পুরো বিষয়টি অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং ইসরো-র ইউটিউব চ্যানেলেও এই বিষয়টি লাইভে দেখা যাবে৷ পাশাপাশি ডিডি ন্যাশানাল চ্যানেলেও এই উৎক্ষেপণ (Chandrayaan 3 Launch) লাইভ দেখা যাবে৷ অথবা সরাসরি দেখতে এখানে নিচের ভিডিওতে ক্লিক করুন —

    চন্দ্রযানকে মহাকাশে পৌঁছে দেবে ভারতের ‘বাহুবলী’

    ইসরোর এই চন্দ্রযাত্রার কেন্দ্রে রয়েছে ভারতের সবচেয়ে শক্তিশালী ‘বাহুবলী’ রকেট লঞ্চ ভেহিকল মার্ক ৩ (ISRO Chandrayaan 3) বা এলভিএম-৩ রকেট। এই রকেট চন্দ্রযানটিকে শক্তি জোগাবে এবং পৃথিবীর কক্ষপথের বাইরে ঠেলে দেবে। এলভিএম-৩ হল একটি ত্রিস্তরীয় উৎক্ষেপণ যান। এর মধ্যে দু’টি স্তরে কঠিন জ্বালানি এবং একটি স্তরে তরল জ্বালানি রয়েছে। কঠিন জ্বালানি ১২৭ সেকেন্ড ধরে জ্বলে। উৎক্ষেপণের ১০৮ সেকেন্ডের মধ্যে জ্বলতে শুরু করে তরল জ্বালানি। তা ২০৩ সেকেন্ড ধরে রকেটটি চালনা করে। উৎক্ষেপণের সময় রকেটের ওজন প্রায় ৬৪২ টন থাকবে। এর মধ্যে শুধুমাত্র জ্বালানির পরিমাণ ৫৫৩ টনের বেশি। 

    কোন পদ্ধতিতে চাঁদের দিকে এগোবে চন্দ্রযান ৩?

    উৎক্ষেপণের পর ১৬ মিনিটেই চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan 3 Launch) মহাকাশযানকে ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৭৯ কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছে দেবে রকেট। সেখানে পেলোড ছেড়ে দেওয়া হবে। প্রথমে, ডিম্বাকৃতি কক্ষপথে পৃথিবীর চারপাশে প্রদক্ষিণ করতে শুরু করবে চন্দ্রযান মডিউল। লক্ষ্য গতি সঞ্চয় করা। এইভাবে বারে বারে কক্ষপথের আয়তন একদিকে স্থির রেথে অন্যদিকে বাড়াতে থাকবে চন্দ্রযান ৩ (ISRO Chandrayaan 3)। ডিম্বাকৃতি কক্ষপথ এমন ভাবে তৈরি হবে যা একদিকে ১৭০ কিলোমিটার (পৃথিবী থেকে নিকট) অন্যদিকে ৩৬ হাজার ৫০০ কিলোমিটার (পৃথিবী থেকে দূরে)। এর পরের ধাপে, বুস্টার ইঞ্জিন ফায়ার করিয়ে পৃথিবীর কক্ষপথ ছেড়ে চাঁদের উদ্দেশে ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটারের পথ পাড়ি দেওয়া শুরু করবে চন্দ্রযান ৩ মহাকাশযান। চন্দ্রযান মহাকাশযানের মোট ওজন ৩,৯০০ কেজি। এতে রয়েছে একটি ল্যান্ডার, একটি রোভার ও একটি প্রোপালশন মডিউল। রোভারটি রয়েছে ল্যান্ডারের পেটে। এই দুটো মিলিয়ে ল্যান্ডার মডিউল। প্রোপালশন মডিউলের কাজ ল্যান্ডার মডিউলকে বহন করা। প্রোপালশন মডিউলের ওজন ২,১৪৮ কেজি, ল্যান্ডারটি ১,৭২৩ কেজি ও রোভারের ওজন ২৬ কেজি। 

    আরও পড়ুন: ‘ব্যর্থতা-ভিত্তিক পদ্ধতি’-তেই সফল হবে চন্দ্রযান ৩! দাবি ইসরো প্রধানের, বিষয়টা কী?

    সফ্ট ল্যান্ডিংয়ের লক্ষ্যে ল্যান্ডারে পরিবর্তন

    চন্দ্রযান ৩-এর ল্যান্ডারের নকশা এমনভারে করা হয়েছে, যাতে তা চাঁদে সফট ল্যান্ডিং করতে পারে। প্রোপালশন মডিউল ল্যান্ডার মডিউলকে চাঁদের ১০০ কিলোমিটারের মধ্যে পৌঁছে দেবে। চন্দ্রের কক্ষপথে প্রবেশের পর প্রোপালশন মডিউল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে এই চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan 3 Launch) ল্যান্ডার মডিউল। শেষ পর্যায়ে, সেখান থেকে চূড়ান্ত অবতরণ শুরু করবে ল্যান্ডার মডিউল। এবারের চন্দ্রযানে মোট ১৩টি ‘থ্রাস্টার’ রয়েছে, যা সফট ল্যান্ডিং করতে সাহায্য করবে। প্রোপালশন মডিউল যোগাযোগ মাধ্যম হিসেবে কাজ করবে। চন্দ্রযান ২-এর অন্তিম ব্যর্থতার কথা মাথায় রেখে চন্দ্রযান ৩-এর ল্যান্ডারে এবার কিছু পরিবর্তন করা হয়েছে। ইসরো সূত্রে খবর, এই ল্যান্ডার চাঁদের মাটিতে ১২০ ডিগ্রি কোণে অবতরণ করবে। উলম্ব গতিবেগ থাকবে সেকেন্ডে ২ মিটারেরও কম। 

    চাঁদের দক্ষিণ মেরুর অন্ধকার পিঠে নামবে চন্দ্রযান ৩

    চন্দ্রযান ৩ (ISRO Chandrayaan 3) পালকের মতোই সফ্ট ল্যান্ড করবে চাঁদের দক্ষিণ মেরুর অন্ধকার পিঠে। চন্দ্রপৃষ্ঠের গঠন, খনিজ শনাক্তকরণ ও বণ্টনের পরিমাণ, পৃষ্ঠের রাসায়নিক গঠন, চাঁদের উপরের মাটির তাপ-ভৌত বৈশিষ্ট্য, চাঁদের ক্ষীণ বায়ুমণ্ডলের গঠন সম্বন্ধে তথ্য অন্বেষণ করা।  চাঁদের রেগোলিথ, চন্দ্র ভূকম্পন, চন্দ্র পৃষ্ঠের প্লাজমা বায়ুমণ্ডল এবং মৌলিক গঠনের তাপ পদার্থগত বৈশিষ্ট্যগুলি পরীক্ষা করার জন্য বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি বহন করবে চন্দ্রযান ৩-এ থাকা রোভার ‘প্রজ্ঞান’। এই রোভারের আয়ু এক চন্দ্র-দিবস, বা ১৪ দিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3 Launch: শুরু কাউন্টডাউন! অপেক্ষার আর ২৪-ঘণ্টা, শুক্রবার চাঁদে পাড়ি দেবে ‘চন্দ্রযান ৩’

    Chandrayaan 3 Launch: শুরু কাউন্টডাউন! অপেক্ষার আর ২৪-ঘণ্টা, শুক্রবার চাঁদে পাড়ি দেবে ‘চন্দ্রযান ৩’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আর একটা রাতের অপেক্ষা। শুক্রবার দুপুরে চাঁদের দেশে পাড়ি দেবে ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3 Launch)। প্রথামাফিক ২৫ ঘণ্টা আগে, বৃহস্পতিবার দুপুর একটায় শুরু হলো চূড়ান্ত কাউন্টডাউন। তার আগে, এদিন সকালে লে অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি মন্দিরে প্রার্থনা করতে আসেন ইসরোর চেয়ারম্যান বিজ্ঞানী এস সোমনাথ, সচিব শান্তনু ভাতওয়াদেকর-সহ অন্যান্য বিজ্ঞানী। পরে, সোমনাথ সাংবাদিকদের বলেন, ‘‘চন্দ্রযান ৩ কাল যাত্রা শুরু করবে৷ আমরা আশা করছি, সব কিছু ঠিকঠাক হবে৷’’

    শুরু হলো কাউন্টডাউন

    ইসরোর ঘোষণা অনুযায়ী, আগামিকাল দুপুর ২.৩৫ মিনিট নাগাদ শ্রীহরিকোটার সতীশ ধওয়ান স্পেস সেন্টার থেকে জিএসএলভি মার্ক-৩ (অধুনা এলভিএম-৩) রকেটে চেপে মহাকাশে পাড়ি দেবে ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3 Launch)। রকেটের পেলোডে থাকবে চন্দ্রযান মডিউল। যাতে থাকবে প্রপালশন, ল্যান্ডার এবং রোভার। আগের মিশনে পাঠানো অরবিটরটি এখনও চাঁদকে প্রদক্ষিণ করে চলেছে। তাই এ বারের অভিযানে ইসরো আর কোনও অরবিটার পাঠাচ্ছে না চাঁদের কক্ষপথে। ইসরো জানিয়েছে, সব ঠিকঠাক চললে আগামী ২৩ বা ২৪ অগাস্ট চন্দ্রপৃষ্ঠে সফল অবতরণ (বিজ্ঞানের পরিভাষায় সফট-ল্যান্ডিং) করবে ল্যান্ডার ‘বিক্রম’। 

    কতটা পথ পাড়ি দেবে চন্দ্রযান ৩?

    উৎক্ষেপণের সময় রকেটের ওজন প্রায় ৬৪২ টন থাকবে। এর মধ্যে শুধুমাত্র জ্বালানির পরিমাণ ৫৫৩ টনের বেশি। উৎক্ষেপণের পর ১৬ মিনিটেই চন্দ্রযান ৩ মডিউলকে ভূপৃষ্ঠ থেকে ১৭৯ কিলোমিটার উচ্চতায় পৌঁছে দেবে রকেট। সেখানে পেলোড ছেড়ে দেওয়া হবে। এর পরের ধাপে, চাঁদের উদ্দেশে ৩ লক্ষ ৮৪ হাজার কিলোমিটারের পথ পাড়ি দেওয়া শুরু করবে চন্দ্রযান ৩ মডিউল। মডিউলে থাকা তিনটি উপাদানের মধ্যে প্রোপালশন মডিউলের ওজন ২,১৪৮ কেজি, ল্যান্ডারটি ১,৭২৩ কেজি ও রোভারের ওজন ২৬ কেজি। 

    চাঁদে কী কী গবেষণা চালাবে চন্দ্রযান ৩?

    সোমনাথ জানিয়েছেন, চন্দ্রযান ৩-কে (ISRO Chandrayaan 3) পৃথিবী থেকে ৩৬ হাজার ৫০০ কিলোমিটার দূরত্বে নিয়ে যাবে এলভিএম-৩ রকেট। এর পর, চাঁদের কক্ষপথের ১০০ কিমির মধ্যে চন্দ্রযান ৩-কে পৌঁছে দেবে এই চন্দ্রযান প্রোপালশন মডিউল। চন্দ্রের কক্ষপথে প্রবেশের পর প্রোপালশন মডিউল থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে এই চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan 3 Launch)। শেষ পর্যায়ে, সেখান থেকে চূড়ান্ত অবতরণ শুরু করবে ল্যান্ডার বিক্রম। ল্যান্ডিংয়ের পর চাঁদের রেগোলিথ, চন্দ্র ভূকম্পন, চন্দ্র পৃষ্ঠের প্লাজমা বায়ুমণ্ডল এবং মৌলিক গঠনের তাপ পদার্থগত বৈশিষ্ট্যগুলি পরীক্ষা করার জন্য বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাতি বহন করবে চন্দ্রযান ৩-এ থাকা রোভার ‘প্রজ্ঞান’।

    ল্যান্ডিংয়ে বিশেষ গুরুত্ব

    চন্দ্রযান ৩ (Chandrayaan 3 Launch) আদপে হল চন্দ্রযান ২-এর একটি ফলো-আপ মিশন। ২০২৯ সালের সেপ্টেম্বরে উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল চন্দ্রযান ২। কিন্তু, অবতরণের সময় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর, ল্যান্ডারটি চাঁদের বুকে ক্র্যাশ ল্যান্ড করে। ক্ষতিগ্রস্ত হয় রোভার।  সেই ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এবারের মিশনের পরিকল্পনা করা হয়েছে, জানিয়েছেন ইসরো প্রধান এস সোমনাথ। এবারের চন্দ্রযানে (ISRO Chandrayaan 3) মোট ১৩টি ‘থ্রাস্টার’ রয়েছে, যা সফট ল্যান্ডিং করতে সাহায্য করবে। এই রোভারের আয়ু এক চন্দ্র-দিবস, বা ১৪ দিন।

    আরও পড়ুন: ‘ব্যর্থতা-ভিত্তিক পদ্ধতি’-তেই সফল হবে চন্দ্রযান ৩! দাবি ইসরো প্রধানের, বিষয়টা কী?

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Chandrayaan 3: ১৪ জুলাই চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি ‘চন্দ্রযান ৩’-এর! ল্যান্ডিং কবে, জানিয়ে দিল ইসরো

    Chandrayaan 3: ১৪ জুলাই চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি ‘চন্দ্রযান ৩’-এর! ল্যান্ডিং কবে, জানিয়ে দিল ইসরো

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সব ঠিকঠাক চললে আগামী ১৪ জুলাই মহাকাশে পাড়ি দেবে ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3)। ভারতীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরোর (ISRO) তরফে এমনটাই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ইসরো প্রধান এস সোমনাথ জানান, ১৪ তারিখ দুপুর ২টো ৩৫ মিনিট নাগাদ ‘চন্দ্রযান ৩’-কে সঙ্গে নিয়ে চাঁদের দেশে পাড়ি দেবে ভারতের বৃহত্তম রকেট। একইসঙ্গে, চাঁদের মাটিতে কবে অবতরণ করবে ‘চন্দ্রযান ৩’, তাও জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সংস্থার তরফে। 

    কাউন্টডাউন শুরু…

    আর মাত্র সাত দিনের অপেক্ষা। শুরু হয়ে গিয়েছে কাউন্টডাউন। তারপরই ফের চাঁদের মাটি ছোঁয়ার হাতছানি। সময় যত গড়াচ্ছে, ততই বাড়ছে উত্তেজনা। ততই চড়ছে আশার পারদ। ২০১৯ সালে ভারত ‘চন্দ্রযান ২’ উৎক্ষেপণ করেছিল। ল্যান্ডিংয়ের আগে, মিশন কন্ট্রোলের সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায় চন্দ্রযানের। চাঁদের বুকে আছড়ে পড়ে ল্যান্ডার ‘বিক্রম’ ও রোভার ‘প্রজ্ঞান’। তারপর চার-চারটে বছর কেটে গিয়েছে। অতীতের ভুল থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার পুরোদস্তুর প্রস্তুতি নিয়ে নামছে ইসরো। বিশেষ নজর দেওয়া হচ্ছে সফট ল্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে। এস সোমনাথ বলেন, “আমরা চাঁদে সফট ল্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে সক্ষম হব।”

    লক্ষ্য সফট ল্যান্ডিং

    ইতিমধ্যেই, ‘চন্দ্রযান ৩’-কে (Chandrayaan 3) মহাকাশে বহনকারী রকেটের সাথে সংযুক্ত করেছে। গত বুধবার শ্রীহরিকোটার সতীশ ধাওয়ান স্পেস সেন্টারে পুরোদমে প্রস্তুত ‘লঞ্চ ভেহিকল মার্ক ৩’ বা সংক্ষেপে ‘এলভিএম৩’ (LVM3)। প্রসঙ্গত, গত বছর অক্টোবরে ‘জিওসিনক্রোনাস স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল মার্ক ৩’ বা ‘জিএসএলভি মার্ক ৩’ (GSLV Mark 3) রকেটের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘লঞ্চ ভেহিকল মার্ক ৩’। বুধবার, এই রকেটের মাথায় পেলোড সংযুক্ত করা হয়। এই পেলোডের মধ্যে রয়েছে ‘চন্দ্রযান ৩’ মডিউল। মূলত তিনটি জিনিস রয়েছে এই মডিউলে। একটি ল্যান্ডার, একটি রোভার ও একটি প্রোপালসন মডিউল। বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগে এই পেলোড ফেয়ারিংয়ে ভর করে ‘চন্দ্রযান ৩’ মডিউল চাঁদের উপরে ১০০ কিলোমিটার উচ্চতা পর্যন্ত পৌঁছে যাবে। সেখান থেকে চাঁদের বুকে অবতরণ-পর্ব শুরু করবে ল্যান্ডার ও রোভার।

    সবচেয়ে ভারী ও উন্নত রকেট ‘এলভিএম৩’

    ‘এলভিএম৩’ হলো ভারতের সবচেয়ে ভারী ও উন্নত প্রযুক্তির রকেট। রকেটটির ওজন ৬৪০ টন। দৈর্ঘ্য ৪৩.৫ মিটার, প্রস্থ ৪ মিটার। মাথায় অবস্থিত পেলোড ফেয়ারিংটি হলো ৫ মিটার ব্যাসের। লঞ্চ যানটি পৃথিবী পৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত ‘লোয়ার আর্থ অরবিট’-এ (LEO) ৮ টন পর্যন্ত পেলোড বা সরঞ্জাম বহন করতে পারে। কিন্তু যখন ‘জিওস্টেশনারি ট্রান্সফার অরবিট’ (জিটিও)-এর কথা আসে যা পৃথিবী থেকে প্রায় ৩৫ হাজার কিলোমিটার উচ্চতায় অবস্থিত, তখন অনেক কম অর্থাৎ মাত্র চার টন পেলোড বহন করতে পারে ‘এলভিএম৩’। ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3) মোট ওজন ৩ হাজার ৯০০ কেজি। অর্থাৎ, প্রায় ৪ টনের কাছাকাছি। এর মধ্যে, শুধু প্রোপালশান মডিউলটির ওজনই ২ হাজার ১৪৮ কেজি।

    চাঁদে ল্যান্ডিং ২৩ অথবা ২৪ অগাস্ট

    শুধু উৎক্ষেপণ নয়, একেবারে সম্ভাব্য ল্যান্ডিংয়ের দিনক্ষণও ঘোষণা করেছে ইসরো। অর্থাৎ, চাঁদের মাটি কখন ছোঁবে ‘চন্দ্রযান ৩’, তাও জানিয়ে দিয়েছে ইসরো। সংস্থার চেয়ারম্যান এস সোমনাথ জানান, ২৩ অথবা ২৪ অগাস্ট চাঁদের মাটিতে নিরাপদে চন্দ্রযানটিকে অবতরণের চেষ্টা করা হচ্ছে। ইসরো সূত্রে খবর, ‘চন্দ্রযান ২’-এ ল্যান্ডার ও রোভারের যে নাম ছিল, এবারও তাই রাখা হয়েছে। ‘চন্দ্রযান ৩’ (Chandrayaan 3) চাঁদের দক্ষিণ মেরু অঞ্চলে অনুসন্ধান চালাবে। চাঁদের ভূতাত্বিক অনুসন্ধান করা হবে। চাঁদের কিছু বিশেষ জায়গায় থার্মোফিজিক্যাল পদার্থ অনুসন্ধান, ল্যান্ডিং সাইটের আশেপাশে চন্দ্রের ভূমিকম্প, চন্দ্র পৃষ্ঠের প্লাজমা পরিবেশ এবং মৌলিক রচনা সংক্রান্ত কিছু তথ্যের সন্ধানে চলছে এই সাম্প্রতিক অভিযান। সোমনাথ জানান, সব ঠিকঠাক চললে আমরা সফট ল্যান্ডিং করব। রোভারের ৬টি চাকা রয়েছে। আনুমানিক ১৪ দিন পর্যন্ত কাজ করবে প্রজ্ঞান।

    আশায় বুক বাঁধছেন ১৪০ কোটি ভারতবাসী 

    এর আগে চাঁদের মাটি স্পর্শ করতে সক্ষম হয়েছে বিশ্বের তিন দেশের তৈরি চন্দ্রযান। ‘চন্দ্রযান ৩’-এর (Chandrayaan 3) সফল উৎক্ষেপণ হলে সেই তালিকায় জ্বলজ্বল করবে ভারতের নাম। ভারতের কাছে বিশ্ব ইতিহাসের পাতায় নাম তোলার আরও একবার হাতছানি। আশায় বুক বাঁধছে আপামর ভারতবাসী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Share Market Today: প্রথমবার ৬৫ হাজার পেরলো সেনসেক্স, রেকর্ড উচ্চতায় নিফটি-ও

    Share Market Today: প্রথমবার ৬৫ হাজার পেরলো সেনসেক্স, রেকর্ড উচ্চতায় নিফটি-ও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেয়ার মার্কেটের (Share Market Today) দৌড় অব্যাহত। সোমবার, সপ্তাহের প্রথম দিন সর্বকালীন উচ্চতায় (Sensex Nifty All Time High) পৌঁছল সেনসেক্স ও নিফটি। এই প্রথমবার, ৬৫ হাজারের গণ্ডি টপকালো বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক। 

    সর্বকালীন উচ্চতায় সেনসেক্স-নিফটি

    এদিন সেনসেক্স উঠেছে ৪৮৬.৪৯ পয়েন্ট বা ০.৭৫ শতাংশ। বাজার শেষে (Share Market Today) বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জের (বিএসই) সূচক দাঁড়িয়েছে ৬৫ হাজার ২৫০.০৫ পয়েন্টে। এর আগে সেনসেক্স সর্বোচ্চ উঠেছিল ৩০ জুন ২০২৩, হয়েছিল ৬৪, ৭১৮.৫৬ পয়েন্ট। একইভাবে, প্রথমবার ১৯ হাজার ৩০০-র বাধা পেরলো ন্যাশনাল স্টক এক্সচেঞ্জের (এনএসই) সূচকও। এদিন ১৩৩.৫০ পয়েন্ট বা ০.৭০ শতাংশ লাফ দিয়ে নিফটি বন্ধ হয়েছে ১৯, ৩২২.৫৫ পয়েন্ট। নিফটিও এর আগে ৩০ জুন উচ্চতম বিন্দু ছুঁয়ে হয়েছিল ১৯ হাজার ১৮৯.০৫ পয়েন্ট (Sensex Nifty All Time High)। 

    লাভের তালিকায় কারা?

    বম্বে স্টক এক্সচেঞ্জে সপ্তাহের প্রথম দিন (Share Market Today) সেক্টরগুলির মধ্যে লাভের তালিকায় ২.২৮ শতাংশ লাভ করে সবার উপরে অয়েল অ্যান্ড গ্যাস। ২ শতাংশের বেশি লাভ করে দ্বিতীয় স্থানে এনার্জি। এর পরে রয়েছে মেটাল, এফএমসিজি, ফিন্যান্স। বিএসই-তে এদিন সবচেয়ে লাভবান হয়েছে রিলায়্যান্স ইন্ডাস্ট্রিজ, আইটিসি, বাজাজ ফিন্যান্স, স্টেট ব্যাঙ্ক, এইচডিএফসি। অন্যদিকে, এনএসই-তে লাভের তালিকায় সবার উপরে সরকারি ব্যাঙ্ক। ৩.৬১ শতাংশ সম্পদ বৃদ্ধি পেয়েছে এই সেক্টরের। সর্বাধিক লাভ করা সংস্থাগুলির তালিকায় রয়েছে গ্র্যাসিম ইন্ডাস্ট্রিজ, ভারত পেট্রোলিয়াম, আইটিসি, রিলায়্যান্স ইন্ডাস্ট্রিজ, বাজাজ ফিন্যান্স।

    মিড ও স্মলক্যাপেও লাভের মুখ

    শুধুমাত্র মূল বেঞ্চমার্ক (Sensex Nifty All Time High), অর্থাৎ বিএসই এবং নিফটি ৫০ নয়, নিফটি মিডক্যাপ ১০০ এবং নিফটি স্মলক্যাপ ১০০-এর সূচক প্রায় ১.২৩ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। গত কয়েকদিন ধরেই স্মলক্যাপ স্টকগুলির বৃদ্ধির হার ছিল চোখে পড়ার মতো। গত সপ্তাহে তিনশোর বেশি স্মলক্যাপ স্টকে দুই অঙ্কের রিটার্ন মিলেছে। সেই ধারা সোমবারও ছিল অব্যাহত (Share Market Today)। এদিন স্মলক্যাপের সূচক ১ শতাংশ ছাড়িয়ে যাওয়ায় বাজারের মূল বেঞ্চমার্কগুলিও বিশেষভাবে গতি পেয়েছে। তবে, নিফটি অটো, নিফটি আইটি এবং নিফটি ফার্মা-র সূচকে পতন লক্ষ্য করা গিয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share