Tag: India

India

  • Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে বাড়ছে ভারত-বিদ্বেষ, তা সত্ত্বেও বাংলাদেশে চাল পাঠাচ্ছে ভারত

    Bangladesh Crisis: বাংলাদেশে বাড়ছে ভারত-বিদ্বেষ, তা সত্ত্বেও বাংলাদেশে চাল পাঠাচ্ছে ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-বিরোধী (India) স্লোগানে মুখর হাসিনা-উত্তর বাংলাদেশ (Bangladesh Crisis)। দেশের হাল ধরেছে অন্তর্বর্তী সরকার। এই সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূস। এই সরকারই ভারত থেকে আমদানি করা চালের প্রথম চালান নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। হাসিনা-উত্তর বাংলাদেশ ক্রমেই ঝুঁকছে পাকিস্তানের দিকে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারত বাংলাদেশের পাশে দাঁড়িয়েছিল। স্বাধীন হতে সাহায্য করেছিল বাংলাদেশকে। 

    পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকছে বাংলাদেশ! (Bangladesh Crisis)

    বাংলাদেশ যে ক্রমেই পাকিস্তানের দিকে ঝুঁকছে, তার অন্যতম বড় প্রমাণ বাংলাদেশ সম্প্রতি করাচি বন্দর থেকে আসা দুটি জাহাজকে স্বাগত জানিয়েছে। চলতি বছরের ১৩ নভেম্বর একটি কন্টেনারবাহী জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছায়। বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর প্রথমবার এমন ঘটনা ঘটল। এই পরিবর্তনের মাঝেও, ভারত বাংলাদেশকে সাহায্য করে চলেছে। জানা গিয়েছে, ‘এমভি তানাইস ড্রিম’ নামের একটি জাহাজ ২৬ ডিসেম্বর চৌদ্দগ্রাম বন্দরে ভিড়তে চলেছে। জাহাজটি ২৪,৬৯০ মেট্রিক টন আতপ চাল নিয়ে যাচ্ছে। উন্মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির আওতায় এই চাল আমদানি করা হয়েছে। এই চালানটি বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ ঘাটতি পূরণের জন্য পাঠানো হচ্ছে। কেবল এই সাহায্যই নয়, বৈরিতা সত্ত্বেও আরও বেশ কিছু ক্ষেত্রে বাংলাদেশের সঙ্কটকালে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত (Bangladesh Crisis)। প্রাকৃতিক দুর্যোগ কিংবা অর্থনৈতিক সঙ্কট অথবা রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে ভারত। তার পরেও বাংলাদেশে চলছে সংখ্যালঘু নির্যাতন।

    হিন্দুর ঘরে আগুন

    বিশেষত হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর হচ্ছে ব্যাপক অত্যাচার। কখনও কোনও হিন্দুর ঘরে লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে আগুন, কখনও বা হিন্দু বাড়ির মেয়ে-বউদের তুলে নিয়ে চলে যাচ্ছে মুসলমানরা। ধর্ষণের শিকার হচ্ছেন বহু হিন্দু তরুণী। ভাঙচুর করা হচ্ছে হিন্দুদের মন্দির। লুটতরাজ চালানো হচ্ছে হিন্দুদের দোকানদানিতে। সে দেশের মুসলমানদের অত্যাচারে পূর্ব পুরুষদের (India) ভিটেমাটি ছেড়ে চলে যেতে হচ্ছে অন্যত্র। সেই ভিটে দখল করে নিচ্ছে অত্যাচারীরা। অভিযোগ, এই সব ঘটনার পেছনেও রয়েছে জমি হাঙরদের হাত (Bangladesh Crisis)। চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষের অন্তর্বর্তীকালীন বাজেটে ভারত বাংলাদেশকে ১৩০ কোটি টাকা অনুদান দেওয়ার কথা ঘোষণা করে।

    ৫০ হাজার টন চাল 

    এই আর্থিক সহায়তা বিভিন্ন উন্নয়নমূলক উদ্যোগকে সমর্থন করার জন্য বরাদ্দ করা হয়। যার জেরে বাংলাদেশের উন্নয়নের ধারা থাকে অব্যাহত। ২৩ ডিসেম্বর ইউনূস অভ্যন্তরীণ সঙ্কট মোকাবিলায় জরুরি সাহায্যের জন্য ভারতের কাছে আবেদন জানান। সঙ্গে সঙ্গে ভারত ৫০ হাজার টন চাল পাঠিয়ে দেয়। যার জেরে কঠিন সময়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত হয় বাংলাদেশে (Bangladesh Crisis)। ২০২২ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ভারত বাংলাদেশকে ৯.৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের একটি স্বল্পসুদী ঋণ অনুমোদন করে। ২০২২ সালের মার্চ মাসে রাশিয়া-ইউক্রেন সংঘাত চলাকালীন ভারত অপারেশন গঙ্গার মাধ্যমে আঞ্চলিক সংহতির প্রতি তাদের প্রতিশ্রুতি প্রদর্শন করে। ৯ মার্চ, ২০২২ তারিখে ভারত সরকার যুদ্ধবিধ্বস্ত অঞ্চলে আটকে পড়া নজন বাংলাদেশি নাগরিককে সফলভাবে উদ্ধার করে।

    মুক্তিযুদ্ধ

    করোনা অতিমারীর সময় ভারত বাংলাদেশকে বিপুল পরিমাণ সাহায্য করে। ২ সেপ্টেম্বর, ২০২১ তারিখে আইএনএস সাবিত্রী চট্টগ্রাম বন্দরে ভিড়ে গুরুত্বপূর্ণ মেডিকেল অক্সিজেন প্ল্যান্ট সরবরাহ করে। মহামারির সংকটময় পর্যায়ে বাংলাদেশের স্বাস্থ্য পরিষেবা পরিকাঠামোকে শক্তিশালী করে। ২০২১ সালের ২৭ মার্চ বাংলাদেশের স্বাধীনতার ৫০তম বার্ষিকীতে ভারত বাংলাদেশে পাঠায় ১.২ মিলিয়ন অ্যাস্ট্রাজেনেকা ভ্যাকসিন ডোজ। ওই দিনই ভারত বাংলাদেশকে ১০৯টি জীবনদায়ী অ্যাম্বুলেন্স উপহার দেয়। কেবল এখনই নয়, ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধের সময়, ভারত মুক্তি বাহিনীকে সিদ্ধান্তমূলক সামরিক সহায়তা প্রদান করে, যা বাংলাদেশের স্বাধীনতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিল। ভারতের এই হস্তক্ষেপের ফলে ৯৩ হাজারেরও বেশি পাকিস্তানি সেনা আত্মসমর্পণ করে (Bangladesh Crisis)। ২০০৭ সালের ১৯ নভেম্বর বিধ্বংসী ঘূর্ণঝড়ে বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে বাংলাদেশ। সেই সময়ও ভারত ১ মিলিয়ন ডলারের ত্রাণ প্যাকেজ দেয়। এর মধ্যে ছিল খাবার, ওষুধ, তাঁবু এবং কম্বল-সহ জরুরি জিনিসপত্র।

    আরও পড়ুন: ঠিকাদারের আত্মহত্যা, কাঠগড়ায় কর্নাটকের মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ, কী বলছেন মন্ত্রী?

    এহেন সাহায্যের পরেও ভারত-বিরোধী মনোভাব পোষণ করে চলেছে বাংলাদেশের মৌলবাদীরা। চলছে নিরন্তর হিন্দু নির্যাতন (India)। ২০২৪ সালের ২১শে ডিসেম্বর নাটোর সদর উপজেলার (Bangladesh Crisis) কাশাডাঁপুর শ্মশানঘাটের পাশে ৫৫ বছর বয়সী এক মন্দিরের পুরোহিত তরু কুমার দাসের মৃতদেহ উদ্ধার হয়। পুরোহিতকে হত্যা করার আগে হামলাকারীরা মন্দিরের দানবাক্সগুলি লুট করে। তারই আগের দিন ময়মনসিংহ ও সিলেট জেলায় তিনটি হিন্দু মন্দিরকে টার্গেট করে দুষ্কৃতীরা। ভাঙচুর করে চারটি মূর্তি। ১৮ ডিসেম্বর, ২০২৪ সালে কুষ্টিয়া জেলায় একটি হিন্দু পরিবার প্রাণের ভয়ে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে বাধ্য হয়। ১৪ ডিসেম্বর, ২০২৪-এ সুনামগঞ্জে জনৈক আকাশ দাসের ওপর হামলা করে দুষ্কৃতীরা। ২০২৪ সালের ৬ সেপ্টেম্বর ইস্কনের দুটি মন্দিরে আগুন লাগিয়ে দেয় দুষ্কৃতীরা (Bangladesh Crisis)। হিন্দুদের ওপর এত অত্যাচার সত্ত্বেও পড়শির প্রতি দায়িত্ব পালনে অটল নরেন্দ্র মোদির ভারত (India)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • India vs Australia: মেলবোর্নও মাতাতে পারল না ভারতীয় ব্যাটাররা, ব্যাতিক্রম যশস্বী

    India vs Australia: মেলবোর্নও মাতাতে পারল না ভারতীয় ব্যাটাররা, ব্যাতিক্রম যশস্বী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালের পথ ক্রমশ কঠিন করে তুলছে ভারত। অ্যাডিলেড, ব্রিসবেনের পর মেলবোর্নেও (Melbourne Test) সেভাবে পারফর্ম করতে পারল না ভারতীয় দলের টপ অর্ডার। দ্বিতীয় দিনের শেষে অস্ট্রেলিয়ার ৪৭৪ রানের জবাবে ভারতের স্কোর ১৬৪ রানে ৫ উইকেট। এখনও ভারত (India vs Australia) পিছিয়ে ৩১০ রানে। তৃতীয় দিনে ভারতের প্রথম টার্গেট হলো ফলোঅন সেভ করা।

    অনবদ্য অস্ট্রেলিয়া

    বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে জায়গা পাকা করতে শেষ দুটি টেস্টে জিততেই হবে ভারতীয় দলকে। কিন্তু, বক্সিং ডে টেস্টে সেই সম্ভাবনা খুবই কম। প্রথম দিনের শেষে অস্ট্রেলিয়ার স্কোর ছিল ৩১১ রানে ৬ উইকেট। সেখান থেকে দ্বিতীয় দিনে অস্ট্রেলিয়া ৪৭৪ রানে পৌছে যায়। সৌজন্যে স্টিভ স্মিথের অনবদ্য শতরান ও অধিনায়ক প্যাট কামিন্সের লড়াকু ৪৯ রানের ইনিংস। বোলিংয়ে সর্বোচ্চ ৪টি উইকেট নেন জসপ্রীত বুমরাহ। এছাড়া রবীন্দ্র জাদেজা ৩টি, আকাশ দীপ ২টি ও ওয়াশিংটন সুন্দর একটি উইকেট শিকার করেন।

    ব্যার্থ ভারতীয় ব্যাটাররা

    রান তাড়া করতে নেমে ধাক্কা খায় ভারত। মেলবোর্নে মিডল অর্ডার থেকে উঠে ওপেনিংয়ে ফেরেন রোহিত শর্মা। কিন্তু তিনি ফের ব্যর্থ হন। ৩ রান করে আউট হন ভারত অধিনায়ক। এরপর যশস্বী জয়সওয়াল ও কেএল রাহুল দলকে টানার চেষ্টা করলেও তা বেশিক্ষণ পারেননি। ২৪ রান করে আউট হন কেএল রাহুল। এরপর বিরাট কোহলি ও যশস্বী জয়সওয়ালের পার্টনারশিপ ভারতীয় দলকে ম্যাচে ফেরায়। যশস্বী অর্ধশতরান পূরণ করেন। অন্যদিকে বিরাটও ক্রমশ জমাট হয়ে রান করতে থাকেন। দুই জনে ১০০ রানের পার্টনারশিপও তৈরি করেন। যশস্বী ক্রমেই শতরানের দিকে এগিয়ে চলছিলেন, ঠিক তখনই ঘটল বিরাট ছন্দ পতন। বিরাট কোহলির সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝিতে রান আউট হলেন যশস্বী। যশস্বীর আউকে বিরাট ভুল বললেও কম বলা হবে। ভারতীয় ওপেনার শট মেরে রান নিতে দৌড়ান। কিন্ত কোহলি দৌড় শুরু করে থেমে যান। কিন্ত দ্রুতবেগে তখন উইকেটের অন্য প্রান্ত চলে গিয়েছেন। কামিন্স বল নিয়ে উইকেটরক্ষককে থ্রো করলেই সহজেই যশস্বীকে আউট করে দেন ক্যারি। ফলে ১১৮ বলে ৮২ রানে আউট হলেন তরুণ ওপেনার। তাঁর ইনিংসে ছিল ১১টি চার এবং একটি ছক্কা।

    যশস্বী আউট হতে নামানো হয় নাইট ওয়াচম্যান আকাশ দীপকে। তাঁর দায়িত্ব ছিল দিনের বাকি সময় টুকু ক্রিজে টিকে থাকা। কিন্তু আকাশের আগেই আউট হলেন কোহলি। ৩৬ রান করে বোল্যান্ডের বলে আউট হলেন কোহলি। সেই বাইরের বলেই আউট হলেন কোহলি। এরপরই ভারতীয় শিবিরে শুরু হয়ে যায় উদ্বেগ। গাব্বায় ব্যাট হাতে ফলো-অন বাঁচালেও মেলবোর্নে ব্যর্থ হলেন আকাশ। ১৩ বলে ০ রান করে বোল্যান্ডের বলেই আউট হলেন আকাশ। ২য় দিনের শেষে ক্রিজে আছেন জাদেজা(৪) এবং পন্থ(৬)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Boxing Day Test: কোহলি-কনস্টাস বিতর্ক, মেলবোর্নে প্রথম দিনে চালকের আসনে অস্ট্রেলিয়া

    Boxing Day Test: কোহলি-কনস্টাস বিতর্ক, মেলবোর্নে প্রথম দিনে চালকের আসনে অস্ট্রেলিয়া

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বক্সিং ডে টেস্টে লাল বলের ক্রিকেট দেখতে ঐতিহাসিক মেলবোর্নে ভিড় জমাল ৯০ হাজার দর্শক। ভারত-অস্ট্রেলিয়ার টানটান লড়াইয়ে অন্য মাত্রা দিল কোহলি-কনস্টাসের ‘ধাক্কা’ বিতর্ক। তবে বর্ডার গাওস্কর সিরিজের চতুর্থ টেস্টের প্রথম দিনে আগ্রাসী ব্যাটিং করে অ্য়াডভান্টেজ অস্ট্রেলিয়া। প্রথম দিনের শেষে অজিদের স্কোর ৩১১ রানে ৬ উইকেট। দিনের শেষে ক্রিজে আছেন স্টিভ স্মিথ (৬৮) ও প্যাট কামিন্স (৮)।

    আগ্রাসী ব্যাটিং অস্ট্রেলিয়ার

    মেলবোর্নে টস জিতে ব্যাটিংয়ের সিদ্ধান্ত নেয় অস্ট্রেলিয়া। পিচে ঘাস থাকায় অস্ট্রেলিয়া তার ফায়দা নিতে চেয়েছিল। সেই লক্ষ্যে সফলও হয় তাঁরা। ওপেনিং জুটিতে দুরন্ত শুরু করেন উসমান খোয়াজা ও অভিষেককারী স্যাম কনস্টাস। প্রথম থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে ব্যাটিং করেন কনস্টাস। জসপ্রীত বুমরাকে এক ওভারে ৩টি স্কুপ মেরে নজরও কাড়েন। অভিষেক টেস্টে অর্ধশতরান করেন কনস্টাস। এরপর দলের হয়ে ভালো ব্যাট করেন উসমান খোয়াজা ও মার্নাস লাবুশেন। প্রথম উইকেটে ৮৯ রান তোলার পর দ্বিতীয় উইকেটে ওঠে ৬৫ রান। এই সময় যথেষ্ট চাপে পড়ে যায় ভারত (India)। সেই সময়েই ভারতকে অক্সিজেন দেন জসপ্রীত বুমরা (Jasprit Bumrah)। তিনিই ৫৭ রানে আউট করেন খোয়াজাকে। এরপর লাবুশেনকে আউট করে ওয়াশিংটন সুন্দর। ৭২ রানে প্যাভিলিয়নে ফেরেন তিনি। এরপর ভারতকে স্বস্তি দিয়ে বিপজ্জনক ট্রাভিস হেডকে ফেরান বুমরা। ৭ বল খেলে শূন্য রানে আউট হন তিনি। আকাশদীপের বলে ৩১ রানে আউট হন অ্যালেক্স ক্যারি। পরপর বেশকিছু উইকেট পড়ে যাওয়ায় ম্যাচে ফিরে আসে ভারত। আগামীকাল বড় রান করতে স্মিথের ব্যাটের উপর ভরসা করতে পারে অস্ট্রেলিয়া। দিনের শেষে ভারতীয় দলের সফল বোলার বুমরা। তিনি ৩ টি উইকেট নিয়েছেন। একটি করে উইকেট পেয়েছে রবীন্দ্র জাদেজা, আকাশ দীপ ও ওয়াশিংটন সুন্দর।


    কোহলি-কনস্টাস ধাক্কা বিতর্ক

    ম্যাচের দশম ওভার শেষে দিক পরিবর্তনের সময় স্যাম কনস্টাস ও বিরাট কোহলির মুখোমুখি ধাক্কা লাগে। ধাক্কা লাগার পরই কনস্টাস গিয়ে কোহলিকে কিছু উত্তপ্ত কথা বলেন। পাল্টা দিতে দেরি করেননি বিরাট কোহলি। সেই সয়ম অস্ট্রেলিয়ার অপর ওপেনার উসমান খোয়াজা ও আম্পায়ার এসে পরিস্থিতি ঠান্ডা করে। তবে কোহলি-কনস্টাসের মধ্যে বেশ কিছু উত্তপ্ত বাক্য বিনিময় হয়। এই ঘটনার জন্য দিনের খেলা শেষ হতে না হতেই শাস্তিও পান ভারতীয় তারকা। কোহলির ম্যাচ থেকে প্রাপ্ত বেতনের ২০ শতাংশ কাটা যায়, পাশাপাশি তাঁকে এক ডিমেরিট পয়েন্টও দিয়েছে ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা আইসিসি, এমনটাই একাধিক রিপোর্টে দাবি করা হচ্ছে। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Nepals PM Oli: ভারতে আসতে মুখিয়ে ওলি, ‘পাত্তা’ই দিচ্ছে না দিল্লি, কেন জানেন?

    Nepals PM Oli: ভারতে আসতে মুখিয়ে ওলি, ‘পাত্তা’ই দিচ্ছে না দিল্লি, কেন জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চতুর্থবার প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পর থেকেই ভারতে আসার জন্য মুখিয়ে ছিলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি (Nepals PM Oli)। প্রথাগতভাবে নেপালের প্রধানমন্ত্রীরা প্রথম ভারত সফর করেন (India)। আগস্ট-সেপ্টেম্বরে ভারত সফরের বিষয়ে ওলি আগ্রহী ছিলেন। তাঁর অফিস ও নেপালের বিদেশ মন্ত্রক নয়াদিল্লির কাছে আমন্ত্রণ চেয়ে যোগাযোগও করেছিল। তবে নিউ দিল্লি ওলিকে গ্রহণে তেমন আগ্রহ দেখায়নি।

    ওলিকে এড়াচ্ছে ভারত! (Nepals PM Oli) 

    বেশ কয়েকবার অনুরোধের কোনও উত্তর না পাওয়ায়, ওলি বেজিংয়ের আমন্ত্রণ গ্রহণ করার সিদ্ধান্ত নেন এবং এই মাসের শুরুর দিকে চিন সফর করেন। আশ্চর্যজনকভাবে, ওলির প্রথম সরকারি বিদেশ সফর চিনে নয়, বরং নিউ ইয়র্কে ৭৯তম রাষ্ট্রসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ছিল। ওলির চিন সফরের জেরে নেপালে ব্যাপক বিতর্কের সৃষ্টি হয়। ওলির ভারত সফরের আমন্ত্রণ পেতে আর একটি চেষ্টা করেছিল নেপাল। ওলি যাতে ভারতের আমন্ত্রণ পান, তাই নেপালের বিদেশমন্ত্রী আর্জু রানা দেবুবার গত সপ্তাহে নয়াদিল্লিতে চিকিৎসা করাতে আসেন। সেই সময় তিনি বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে সময় চান (Nepals PM Oli)। জয়শঙ্করের ব্যস্ততার কারণে সেই সাক্ষাৎও হয়নি। তিনি অন্য কোনও প্রবীণ মন্ত্রী বা বিদেশমন্ত্রকের কর্মকর্তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে পারেননি।

    প্রশ্ন

    প্রশ্ন হল, কেন ওলিকে স্বাগত জানাচ্ছে না ভারত? জানা গিয়েছে, ওলি কয়েকটি শর্ত আরোপ করেছিলেন, যা পূরণ করা অসম্ভব বলে মনে করেছিল ভারত। ওলির অফিস জানিয়েছিল, তাঁর সফরের সময় ভারতকে লিম্পিয়াধুরা-কালাপানি-লিপুলেখ ত্রিজংশের বিষয়ে ‘বিবাদ’ সমাধানের প্রক্রিয়া ঘোষণা করতে হবে। নয়াদিল্লির মনে হয়েছিল, ওলি এই বিতর্কটি উত্থাপন করেছিলেন তার নিজের দলের মধ্যেই বাড়তে থাকা অভ্যন্তরীণ বিরোধের মোকাবিলা করতে। তারপর থেকে, ভারতীয় রাজনৈতিক নেতৃত্বের মধ্যে ওলির প্রতি গভীর বিরক্তি এবং সন্দেহ জন্মেছে। ভারতের ধারণা, ওলি বারবার ভারতকে চিনের বিপরীতে দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছেন। ওলি বেজিংয়ের প্রতি অনুগত। তিনি সব সময় চিনের পক্ষে কাজ করবেন। সেই কারণেই ওলির ডাকে (Nepals PM Oli) ভারত সাড়া দেয়নি বলে ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের (India)।

    আরও পড়ুন: ঝুড়ি ঝুড়ি মিথ্যের প্রতিশ্রুতি কেজরি সরকারের, দেখে নিন এক নজরে

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Boxing Day Test: মেলবোর্নে মহারণ! শুরু ভারত অস্ট্রেলিয়া বক্সিং ডে টেস্ট, জানেন কেন এই নাম?

    Boxing Day Test: মেলবোর্নে মহারণ! শুরু ভারত অস্ট্রেলিয়া বক্সিং ডে টেস্ট, জানেন কেন এই নাম?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বড়দিনের পরের দিন অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট ম্যাচ শুরু হলেই তাকে ‘বক্সিং ডে’ টেস্ট (Boxing Day Test) বলে। বৃহস্পতিবার (২৬ ডিসেম্বর) থেকে মেলবোর্নে শুরু হবে সেই ম্যাচ। ঘরের মাঠে অস্ট্রেলিয়া মুখোমুখি হবে ভারতের (India vs Australia)। বর্ডার-গাওস্কর সিরিজের চতুর্থ টেস্ট এটি। এই ম্যাচ দুই দলের কাছেই খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে খেলার জন্য ভারতকে এই ম্যাচ জিততেই হবে। আবার এই ম্যাচ জিতলে এক দশক পর ভারতের বিপক্ষে টেস্ট সিরিজ জয়ের দিকে এক কদম এগিয়ে যেতে পারবেন ব্যাগি গ্রিনরা। সিরিজ এখন ১-১। হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ের আশায় দুই দল। ৯০ হাজারের মেলবোর্নে বৃহস্পতিবার একটিও আসন খালি থাকবে না বলেই অনুমান এমসিজি ক্রিকেট কর্তাদের। ইতিমধ্যেই ৮৬ হাজার টিকিট বিক্রি হয়ে গিয়েছে। 

    বক্সিং ডে কাকে বলে?

    বড়দিনের পরের দিন এই টেস্টের (Boxing Day Test) এই নামকরণের পিছনে দু’টি তত্ত্ব আছে। অনেকে মনে করেন, বড়দিন, অর্থাৎ ২৫ ডিসেম্বর যে সব উপহার পাওয়া যায়, সেগুলি আর সেই দিন দেখার সময় পাওয়া যায় না। তাই উপহারের বাক্স (বক্স) খোলা হয় পরের দিন, অর্থাৎ ২৬ ডিসেম্বর। বক্স খোলা হয় বলে এর নাম হয়েছে ‘বক্সিং ডে’। দ্বিতীয়টি হল, ২৫ ডিসেম্বর অনেকে খেটে কাজ করেন, বিশেষ করে পরিচারকেরা। সেই কাজের জন্য তাঁদের পরের দিন ২৬ ডিসেম্বর পুরস্কারের বাক্স দেওয়া হয়। সেই কারণে এর নাম ‘বক্সিং ডে’।

    বক্সিং ডে টেস্টের শুরু

    অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা, ইংল্যান্ড, নিউ জিল্যান্ডের মতো দেশগুলিতে ২৬ ডিসেম্বর দিনটি ‘বক্সিং ডে’ (Boxing Day Test) নামে পরিচিত। ক্রিকেটে ‘বক্সিং ডে’-র জন্ম অস্ট্রেলিয়ায়। ‘বক্সিং ডে’-র প্রথম হদিস পাওয়া যায় ১৮৬৫ সালে। তবে তখন এই নামকরণ হয়নি। শেফিল্ড শিল্ডে মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে (এমসিজি) ভিক্টোরিয়া এবং নিউ সাউথ ওয়েলসের মধ্যে ম্যাচ ছিল। সেই ম্যাচ যদিও ‘বক্সিং ডে’, অর্থাৎ ২৬ ডিসেম্বর শুরু হওয়ার কথা ছিল না। ম্যাচের মাঝে একটি দিন পড়েছিল ২৬ ডিসেম্বর। কিন্তু পরিবারের সঙ্গে বড়দিনের ছুটি কাটাতে পারবেন না বলে নিউ সাউথ ওয়েলসের ক্রিকেটারেরা মনখারাপ করে বসে থাকেন। তাঁদের দাবি মেনে সেই ম্যাচ বড়দিনের পরের দিন শুরু হয়েছিল। সেই ম্যাচ শেষ হয়ে গিয়েছিল তিন দিনে। ভিক্টোরিয়া ইনিংস ও ২০ রানে জিতে যায়।

    আধুনিক ক্রিকেটে বক্সিং ডে

    ১৯৭৪-৭৫ অ্যাশেজ সিরিজে ছ’টি টেস্ট ছিল। সব ক’টি ম্যাচ নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যাতে শেষ করা যায়, সেই কারণে মেলবোর্নে তৃতীয় টেস্ট দেওয়া হয়েছিল ২৬ ডিসেম্বর থেকে। আধুনিক ‘বক্সিং ডে’ টেস্টের সেটিই শুরু। তবে ১৯৮০ সালে ‘বক্সিং ডে’ টেস্ট (Boxing Day Test) নিয়ে মেলবোর্ন ক্রিকেট ক্লাবের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট বোর্ডের চুক্তি হয়। তার পর থেকে প্রতি বছর নিয়ম করে এমসিজি-তে ২৬ ডিসেম্বর থেকে টেস্ট শুরু হয়। ধারাবাহিকতায় এক বারই ছেদ পড়ে। ১৯৮৯ সালে ‘বক্সিং ডে’-তে টেস্ট ম্যাচের বদলে অস্ট্রেলিয়া এবং শ্রীলঙ্কার মধ্যে একটি এক দিনের ম্যাচ খেলা হয়। ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া জানায়, পরের বছর, অর্থাৎ ২০২০ সাল থেকে প্রতি বছর ‘বক্সিং ডে’ টেস্টের সেরাকে তাদের দেশের প্রাক্তন ক্রিকেটার জনি মুল্লাঘের নামে মুল্লাঘ পদক দেওয়া হবে।

    বক্সিং ডে টেস্টের নানা ঘটনা

    অনেক স্মরণীয় ঘটনার সাক্ষী ‘বক্সিং ডে’ টেস্ট (Boxing Day Test)। ১৯৮৫ সালের অ্যাশেজে ‘বক্সিং ডে’ টেস্টেই অভিষেক হয়েছিল স্টিভ ওয়ের। ১৯৮৮ সালে ম্যালকম মার্শাল ৩০০ টেস্ট উইকেট নিয়েছিলেন। ১৯৯৪ সালে শেন ওয়ার্ন অ্যাশেজে হ্যাটট্রিক করেছিলেন। ১৯৯৫ সালে এই টেস্টেই অস্ট্রেলিয়ার আম্পায়ার ড্যারেল হেয়ার শ্রীলঙ্কার স্পিনার মুথাইয়া মুরলীধরনকে বল ছোড়ার অভিযোগে বার বার ‘নো বল’ ডাকেন। সেই নিয়ে তোলপাড় হয় ক্রিকেটবিশ্ব। ২০০৬ সালে ‘বক্সিং ডে’ টেস্টেই শেন ওয়ার্ন ৭০০ টেস্ট উইকেট নেন। 

    আরও পড়ুন: হিন্দুত্বের রাষ্ট্রনায়ক, ভারতবর্ষের গর্ব অটল বিহারী বাজপেয়ী

    চলতি বছর বক্সিং ডে টেস্টের গুরুত্ব

    বর্ডার-গাওস্কর ট্রফির পাঁচ টেস্টের সিরিজ আপাতত দাঁড়িয়ে ১-১-এ (India vs Australia)। দুই দলেরই লক্ষ্য থাকবে এই টেস্ট জেতা। বিশেষ করে আইসিসি বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনালে ওঠার আশা জিইয়ে রাখতে ভারতকে জিততে হবে মেলবোর্ন ও সিডনিতে। মেলবোর্ন টেস্ট জিতলেই সিরিজ হারার সম্ভাবনা থাকবে না ভারতের। সেক্ষেত্রে রোহিত শর্মারা দখলে রাখতে পারবেন বর্ডার-গাওস্কর ট্রফি। অস্ট্রেলিয়া যদি জেতে তাহলে এক দশক পর ভারতের বিরুদ্ধে টেস্ট সিরিজ জেতার সম্ভাবনা বাড়বে অস্ট্রেলিয়ার। একই সঙ্গে বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের গত দুই বারের ফাইনালিস্ট ভারত ছিটকে যাবে ২০২৬-এর টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপ ফাইনাল থেকে।

    কখন শুরু খেলা: ভারতীয় সময় ভোর ৫টা থেকে খেলা শুরু হবে। টস হবে ভোর সাড়ে চারটেয়।

    ভারতের সম্ভাব্য একাদশ: যশস্বী জয়সওয়াল, লোকেশ রাহুল, শুভমান গিল, বিরাট কোহলি, ঋষভ পন্থ (উইকেটকিপার), রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), রবীন্দ্র জাদেজা, নীতীশ কুমার রেড্ডি বা ওয়াশিংটন সুন্দর, আকাশ দীপ, জসপ্রীত বুমরাহ, মহম্মদ সিরাজ। 

    অস্ট্রেলিয়ার সম্ভাব্য একাদশ: উসমান খোয়াজা, স্যাম কনস্টাস, মার্নাস লাবুশেন, স্টিভ স্মিথ, ট্রাভিস হেড, মিচেল মার্শ, অ্যালেক্স ক্যারি (উইকেটকিপার), প্যাট কামিন্স (অধিনায়ক), মিচেল স্টার্ক, নাথান লিয়ঁ, স্কট বোল্যান্ড।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

     

  • Vinod Kambli: শারীরিক অবস্থার অবনতি, হাসপাতালে ভর্তি বিনোদ কাম্বলি

    Vinod Kambli: শারীরিক অবস্থার অবনতি, হাসপাতালে ভর্তি বিনোদ কাম্বলি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার (Indian Cricketer) বিনোদ কাম্বলির শারীরিক অবস্থার আচমকা অবনতি হয়েছে। শনিবার (২১ ডিসেম্বর) গভীর রাতে তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আপাতত চিকিৎসকদের কড়া নজরদারিতে রয়েছেন তিনি। ইতিমধ্যেই তাঁর শরীরের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা করানো হয়েছে। তাঁর শারীরিক অবস্থা আপাতত স্থিতিশীল হলেও, আশঙ্কা পুরোপুরি কাটেনি বলেই খবর। তবে কাম্বলির (Vinod Kambli) ঠিক কী হয়েছে, তা জানানো হয়নি।

    অসুস্থ কাম্বলি

    সাম্প্রতিক সময়ে কাম্বলির (Vinod Kambli) অসুস্থতা নিয়ে বারবার উদ্বেগ বেড়েছে। অগাস্ট মাসে ছড়িয়ে পড়ে একটি ভিডিও। সেখানে দেখা যায় রীতিমতো টলছেন ভারতের প্রাক্তন ক্রিকেটার (Indian Cricketer)। স্বাভাবিকভাবেই চিন্তায় পড়েন ক্রিকেটভক্তরা। এর মধ্যে ভাইরাল হয় আর একটি ভিডিও। সেখানে দেখা যায়, কোচ রমাকান্ত আচরেকরের স্মৃতিসৌধ উদ্বোধনের অনুষ্ঠানে বন্ধু শচীন তেণ্ডুলকরের হাত ধরে টানছেন কাম্বলি। যা দেখে তাঁর অসুস্থতা নিয়ে আশঙ্কা আরও দৃঢ় হয়। এক মাস আগেও হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয়েছিল কাম্বলিকে। কাম্বলির আর্থিক অবস্থাও ভাল নয়। এই পরিস্থিতিতে তাঁর দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছেন ১৯৮৩ সালের বিশ্বকাপজয়ী দলের সদস্যেরা। কপিল দেব ও সুনীল গাওস্কর জানিয়েছেন, তাঁরা কাম্বলিকে সুস্থ দেখতে চান। তার জন্য আর্থিক সাহায্য করতেও প্রস্তুত। তবে একটি শর্ত দিয়েছেন তাঁরা। কাম্বলিকে সুস্থ হয়ে ওঠার জন্য রিহ্যাবিলিটেশন কেন্দ্রে ভর্তি হতে হবে। যদি কাম্বলি রাজি থাকেন, তবেই সাহায্য করবেন তাঁরা।

    কাম্বলির ক্রিকেট কেরিয়ার 

    ভারতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে বিনোদ কাম্বলি (Vinod Kambli) ১৭টি টেস্ট ম্যাচে মোট ১,০৮৪ রান করেন। টেস্ট কেরিয়ারে তিনি চারটে শতরান এবং তিনটে হাফসেঞ্চুরি করেছেন। এর পাশাপাশি একদিনের ক্রিকেটে তিনি ১০৪টি ম্যাচে মোট ২,৪৭৭ রান করেন। ওয়ান-ডে ক্রিকেটে তিনি জোড়া শতরানের পাশাপাশি ১৪ হাফসেঞ্চুরি করেছেন। কিন্তু, ধারাবাহিক খারাপ পারফরম্যান্সের কারণে তাঁকে শেষপর্যন্ত টিম ইন্ডিয়া থেকে বের করে দেওয়া হয়। ২০০০ সালে ভারতীয় ক্রিকেট দলের হয়ে শেষ ওয়ান-ডে ম্যাচ খেলেছিলেন তিনি।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Bangladesh Crisis: সম্প্রীতি বজায় রাখুন, বাংলাদেশিদের খোলা চিঠি লিখলেন বিশিষ্ট ভারতীয়রা

    Bangladesh Crisis: সম্প্রীতি বজায় রাখুন, বাংলাদেশিদের খোলা চিঠি লিখলেন বিশিষ্ট ভারতীয়রা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের (Bangladesh Crisis) জনগণের কাছে খোলা চিঠি লিখলেন ৬৮৫ জন বিশিষ্ট ভারতীয়। তাঁরা যে চিঠি লিখেছেন, সে খবর প্রকাশ করে মাধ্যম। আজ, সোমবার সকালে বাংলাদেশের হাইকমিশনের হাতে তুলে দেওয়া হয় সেই চিঠি।

    সম্প্রীতি বজায় রাখার আবেদন (Bangladesh Crisis)

    চিঠিতে বাংলাদেশের নাগরিকদের শান্তি ও বন্ধুত্বের পথে চলার অনুরোধ জানানো হয়েছে। সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ, তাঁদের সম্পত্তি, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান এবং তাঁদের দেশ ছেড়ে (Bangladesh) চলে যেতে বাধ্য করার জন্য অবিলম্বে জবরদস্তি বন্ধ করার আহ্বানও জানানো হয়েছে। চিঠিতে যাঁরা স্বাক্ষর করেছেন, তাঁদের মধ্যে রয়েছেন ১৯ জন অবসরপ্রাপ্ত বিচারক, ১৩৯ জন অবসরপ্রাপ্ত আমলা (এর মধ্যে রয়েছেন ৩৪ জন রাষ্ট্রদূত), ৩০০ জন উপাচার্য, ১৯২ জন প্রাক্তন সামরিক অফিসার এবং নাগরিক সমাজের ৩৫ জন গণ্যমান্য ব্যক্তি।

    চিঠিতে উদ্বেগ প্রকাশ

    চিঠিতে বলা হয়েছে, ভারতের জনগণ বাংলাদেশের অবনতিশীল পরিস্থিতিকে ক্রমবর্ধমান শঙ্কার সঙ্গে দেখেন এবং উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বাংলাদেশে একটি নৈরাজ্যের পরিবেশ বিরাজ করছে। সরকারি ও বেসরকারিভাবে দেশ জুড়ে জোরপূর্বক পদত্যাগের একটি প্যাটার্ন অনুসরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে বিচার বিভাগ, নির্বাহী বিভাগ (পুলিশ সহ), শিক্ষা জগৎ এমনকি সংবাদমাধ্যমও। পুলিশ বাহিনী এখনও পূর্ণ শক্তিতে দায়িত্বে ফিরে আসেনি এবং সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্ট্রেসি এবং পুলিশের ক্ষমতা দেওয়া সত্ত্বেও, স্বাভাবিকতা এখনও ফিরে আসেনি। চিঠিতে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর হামলা ভারতে গভীর উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে। কারণ বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে।

    আরও পড়ুন: ভারত-মায়ানমার সীমান্তে ডেমোগ্রাফিক ডেটা তৈরির আহ্বান অমিত শাহের

    বাংলাদেশে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতির সবচেয়ে বেশি ক্ষতির শিকার হচ্ছেন সে দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়। এর (Bangladesh Crisis) মধ্যে হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানের পাশাপাশি রয়েছে শিয়া, আহমদিয়া এবং অন্যান্যরাও। চিঠিতে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে এই বলে যে, বাংলাদেশের অস্থির পরিস্থিতি সীমান্তের ওপারে ছড়িয়ে পড়তে পারে, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতিকে ব্যাহত করতে পারে এবং ভারতে গুরুতর আইন-শৃঙ্খলার সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। চিঠিতে লেখা হয়েছে, আমরা আশা করি যে এটি বাংলাদেশ ও ভারত উভয়ের জনগণকে শান্তি, বন্ধুত্ব এবং বোঝাপড়ার পথে এক সঙ্গে চলতে সাহায্য করবে (Bangladesh), যা বাংলাদেশ সৃষ্টির পর থেকে ৫০ বছরেরও বেশি সময় ধরে আমাদের টিকিয়ে রেখেছে (Bangladesh Crisis)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • India Vietnam: ভারত থেকে ব্রহ্মোস মিসাইল কিনতে চলেছে ভিয়েতনাম

    India Vietnam: ভারত থেকে ব্রহ্মোস মিসাইল কিনতে চলেছে ভিয়েতনাম

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত-ভিয়েতনাম (India Vietnam) সম্পর্কে অগ্রগতি। খুব শীঘ্রই ভারত থেকে ব্রহ্মোস মিসাইল কিনতে চলেছে ভিয়েতনাম। দুই দেশের মধ্যে শীঘ্রই এই নিয়ে চুক্তি স্বাক্ষরিত হতে চলেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই ৭০০ মিলিয়ন ডলার মূল্যের ব্রহ্মোস মিসাইল সিস্টেম চুক্তি সই করার দিকে এগোচ্ছে দুই দেশ। এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে, ফিলিপিন্সের পর ভিয়েতনাম হবে দ্বিতীয় দেশ, যারা ভারত থেকে ব্রহ্মোস সুপারসনিক ক্রুজ মিসাইল কিনবে।  

    চুক্তির খসড়া চূড়ান্ত

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, ইতিমধ্যেই ব্রহ্মোস নিয়ে ভিয়েতনামের (India Vietnam) প্রতিরক্ষা মন্ত্রনালয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে। ভিয়েতনাম দীর্ঘ সময় ধরে চুক্তির চূড়ান্ত খসড়া চেয়ে অপেক্ষা করছে। এই খসড়ায় চুক্তির পরিমাণ, ডেলিভারি সময়সীমা, পেমেন্ট শর্তাবলী ইত্যাদি অন্তর্ভুক্ত থাকবে। ভিয়েতনামের সেনা ও নৌবাহিনী উভয়ই এই মিসাইল কেনার বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছে। ভারত এবং ভিয়েতনামের প্রতিরক্ষা সম্পর্ক ক্রমশ শক্তিশালী হচ্ছে। সম্প্রতি ভিয়েতনাম আন্তর্জাতিক প্রতিরক্ষা এক্সপো ভাইড-২৪-এ ভারতের প্যাভিলিয়ন যৌথভাবে উদ্বোধন করেন ভিয়েতনামের পাবলিক সিকিউরিটি মন্ত্রী, জেনারেল লুং তাম কোয়াং, ভারতের প্রতিরক্ষা উৎপাদন সচিব, সঞ্জীব কুমার, এবং ভারতের ভিয়েতনামে রাষ্ট্রদূত সন্দীপ আর্য।

    আরও পড়ুন: প্রধানমন্ত্রী মোদির ঐতিহাসিক সফর! ভারত কুয়েতের মধ্যে ৪টি মউ চুক্তি স্বাক্ষরিত

    ভাইড-২৪-এ ভারতের প্রদর্শন

    ভাইড-২৪-এ (India Vietnam) বিশ্বব্যাপী প্রতিরক্ষা প্রযুক্তির মধ্যে ভারতীয় প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিও প্রদর্শিত হয়েছিল। ভারতের তরফে ওই মেলায় ব্রহ্মোস অ্যারোস্পেস, ডিআরডিও, হ্যাল, এবং ম্যাগন ডক শিপবিল্ডার্স ছিল। ভারতের সেনাবাহিনীর উপ-মুখ্য সদস্য, লেফটেন্যান্ট জেনারেল এন. এস. রাজা সুব্রহ্মণী ভিয়েতনামে সফর করছেন। তিনি ভাইড-২৪-এ অংশ নিয়েছেন। ভিয়েতনামে অফিসিয়াল সফরের সময়, তিনি হ্যানয়ে জাতীয় কনভেনশন সেন্টারে ভিয়েতনাম পিপলস আর্মির (VPA) ৮০তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন অনুষ্ঠানে অংশ নেন। সেনাবাহিনীর একটি বিবৃতিতে বলা হয়েছে, “এই সফর দুই দেশের সেনাবাহিনীর মধ্যে সহযোগিতা আরও শক্তিশালী করেছে, যা কৌশলগত সহযোগিতা এবং বিশ্বাসের ভিত্তিতে প্রতিষ্ঠিত এবং এটি ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে নিরাপত্তা বৃদ্ধির জন্য গুরুত্বপূর্ণ।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India Kuwait: প্রধানমন্ত্রী মোদির ঐতিহাসিক সফর! ভারত কুয়েতের মধ্যে ৪টি মউ চুক্তি স্বাক্ষরিত

    India Kuwait: প্রধানমন্ত্রী মোদির ঐতিহাসিক সফর! ভারত কুয়েতের মধ্যে ৪টি মউ চুক্তি স্বাক্ষরিত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (PM Modi) দুই দিনের কুয়েত সফরে (India Kuwait) একাধিক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে। এই সময় ভারত এবং কুয়েতের মধ্যে প্রতিরক্ষা, ক্রীড়া এবং সাংস্কৃতিক সহযোগিতা সম্পর্কিত চারটি মউ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। ভারতীয় বিদেশ মন্ত্রকের সচিব অরুণকুমার চট্টোপাধ্যায় এ কথা জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, প্রধানমন্ত্রীর এই ঐতিহাসিক সফর দু’দেশের মধ্যে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

    কী কী চুক্তি স্বাক্ষরিত

    কুয়েতে (India Kuwait) শীর্ষ ব্যবসায়িক অংশীদারদের তালিকায় ভারতের স্থান উপরের দিকে। এ ছাড়াও সে দেশের জনসংখ্যার একটা বড় অংশই প্রবাসী ভারতীয়। প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) এই সফর প্রসঙ্গে অরুণকুমার বলেন, “রবিবার, কুয়েতের সঙ্গে চারটি দ্বিপাক্ষিক চুক্তি সই হয়েছে। প্রথমটি হল প্রতিরক্ষা সহযোগিতার বিষয়ে মেমোরেনডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং, দ্বিতীয়টি ২০২৫-২০২৯ সালের জন্য সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের প্রোগ্রাম, তৃতীয়টি হল ক্রীড়া ক্ষেত্রের জন্য ২০২৫-২০২৮ সালের জন্য এক্সিকিউটিভ প্রোগ্রাম এবং চতুর্থটি হল কুয়েতের আন্তর্জাতিক সৌর জোট (ISA) এর সদস্যপদ।” 

    প্রতিরক্ষা সহযোগিতা: প্রতিরক্ষা সহযোগিতার মেমোরেনডাম অফ আন্ডারস্ট্যান্ডিং দুটি দেশের মধ্যে প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে সহযোগিতাকে প্রতিষ্ঠিত করবে। এতে প্রশিক্ষণ, পেশাদার এবং বিশেষজ্ঞদের বিনিময়, যৌথ মহড়া, প্রতিরক্ষা শিল্পে সহযোগিতা, প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম সরবরাহ এবং গবেষণা ও উন্নয়ন ক্ষেত্রে যৌথ কার্যক্রম অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

    সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান: ২০২৫-২০২৯ সালের জন্য সাংস্কৃতিক আদান-প্রদান প্রোগ্রামটি শিল্প, সঙ্গীত, নৃত্য, সাহিত্য ও নাটক, সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণ, গবেষণা ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে উৎসব আয়োজনের ক্ষেত্রে বড় ধরনের সহযোগিতা বৃদ্ধি করবে।

    ক্রীড়া সহযোগিতা: ২০২৫-২০২৮ সালের জন্য ক্রীড়া ক্ষেত্রের এক্সিকিউটিভ প্রোগ্রামটি ভারত এবং কুয়েতের মধ্যে ক্রীড়া ক্ষেত্রে সহযোগিতা শক্তিশালী করবে। এটি ক্রীড়া নেতা, ক্রীড়া চিকিৎসা, ক্রীড়া ব্যবস্থাপনা, ক্রীড়া মিডিয়া, ক্রীড়া বিজ্ঞান ইত্যাদির ক্ষেত্রে অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং প্রোগ্রাম ও প্রকল্পে অংশগ্রহণের সুযোগ তৈরি করবে।

    কুয়েতের সদস্যপদ: কুয়েত আন্তর্জাতিক সৌর জোটের (ISA) সদস্যপদ লাভ করেছে। আইএসএ সদস্য দেশগুলোর জন্য সৌর শক্তির ব্যবহার বৃদ্ধির জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করবে এবং তাদের কম কার্বন বৃদ্ধি কৌশলগুলো উন্নয়নে সহায়তা করবে।

    আরও পড়ুনঃ মহারাষ্ট্রে মন্ত্রীপরিষদের দফতর ঘোষাণায় শপথ নিলেন আরও ৩৯ জন মন্ত্রী, কে কোন দফতর পেলেন?

    কুয়েতের অর্থনীতিতে ভারতীয়দের অবদান

    কুয়েতের (India Kuwait) শ্রমশক্তির ৩০ শতাংশই ভারতের নাগরিক। ভারতে অপরিশোধিত তেল সরবরাহকারী দেশের তালিকায় কুয়েত ষষ্ঠ স্থানে। দুই দেশ এই কথা স্মরণ করে স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতে নতুন সহযোগিতার ক্ষেত্র তৈরি করছে। দুই পক্ষই কুয়েতের অর্থনীতিতে ভারতীয়দের গুরুত্বপূর্ণ অবদানকে স্বীকার করেছে। রবিবারই কুয়েত সফর শেষে দেশে ফিরে এসেছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • India: ‘‘ভাষা নিয়ে আরও সংযত হোন’’, মানচিত্র বিতর্কে বাংলাদেশকে সতর্ক করল দিল্লি

    India: ‘‘ভাষা নিয়ে আরও সংযত হোন’’, মানচিত্র বিতর্কে বাংলাদেশকে সতর্ক করল দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রমাগত ভারতবিরোধী মন্তব্য ভেসেই আসছে বাংলাদেশের অন্তর্বর্তী সরকারের কাছ থেকে। এ নিয়ে ইউনূস সরকারকে সতর্ক করল ভারত (India)। বাংলাদেশ সরকারের উদ্দেশ্যে ভারতের বার্তা, ‘‘ভাষা নিয়ে আরও সংযত হোন।’’ বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান মহম্মদ ইউনূসের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত মাহফুজ আলমের পোস্ট ঘিরেই শুরু বিতর্ক। বাংলাদেশের মানচিত্র বলে দাবি করে সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি প্রকাশ করেন মাহফুজ আলম (Mahfuj Alam)। অভিযোগ, সেই মানচিত্রে ভারতের বেশ কিছুটা অংশকেও দেখানো হয়েছিল। পশ্চিমবঙ্গ, অসম, ত্রিপুরাকে সেখানে বাংলাদেশের অংশ হিসেবে দেখানো হয়।

    মাহফুজ আলমের  ফেসবুক পোস্ট

    বিজয় দিবসের রাতে একটি দীর্ঘ ফেসবুক পোস্টে করেছিলেন মাহফুজ আলম। সেখানে লেখা ছিল, “বিজয় এসেছে, তবে সামগ্রিক নয় ।মুক্তি এখনও বহুত দূরে।…’’ তাঁর মতে, পশ্চিমবঙ্গের একাংশ এবং উত্তর-পূর্ব ভারত নিয়ে অখণ্ড বাংলাদেশ তৈরি করতে হবে। মাহফুজের দাবি ছিল, এই মানচিত্র না হলে নাকি পূর্ণ স্বাধীনতা লাভ হবে না। এই পোস্টটি তীব্র বিতর্ক সৃষ্টি করে। কারণ, মাহফুজের এই দাবি সরাসরি ভারতের সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ করে। এমনকী, খোদ বাংলাদেশের অন্দরেই মাহফুজের পোস্ট নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়। 

    বিদেশমন্ত্রকের কড়া হুঁশিয়ারি (India)

    ভারতের বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানিয়েছেন, মাহফুজ আলমের ফেসবুক পোস্টের বিষয়টি নিয়ে বাংলাদেশের কাছে কঠোর বার্তা দেওয়া হয়েছে। কঠোর বার্তা পেতেই মাহফুজের পোস্ট ডিলিট করে দেওয়া হয়। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র সাংবাদিক সম্মেলন করে বলেন, ‘‘ওই বিতর্কিত পোস্ট ইতিমধ্যে মুছে ফেলেছে। তবে আমরা সংশ্লিষ্ট পক্ষকে তাঁদের জনসাধারণের মধ্যে প্রকাশ্যে মন্তব্য (ভারতবিরোধী) নিয়ে সচেতন হওয়ার কথা বলতে চাই। ভারত বার বার বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নতির আগ্রহ দেখিয়েছে। কিন্তু এই রকমের মতপ্রকাশের ক্ষেত্রে দায়িত্বজ্ঞান থাকার প্রয়োজন।’’

    মাহফুজকেই ‘বিপ্লবের মাথা’ বলে উদ্ধৃত করেছিলেন ইউনূস

    প্রসঙ্গত, একদা এই মাহফুজকেই ‘বিপ্লবের মাথা’ বলে উদ্ধৃত করেছিলেন ইউনূস নিজে। অন্তর্বর্তী সরকারের এক জন প্রতিনিধি হিসেবে আলমের মন্তব্য ভারত (India) ভালো ভাবে নিচ্ছে না ভারত, সেটা পরিষ্কার করে দেওয়া হয়েছে।  অন্যদিকে, বাংলাদেশে সংখ্যালঘুদের ওপর আক্রমণ এবং মানবাধিকারের ওপর এর প্রভাব নিয়ে আগেই উদ্বেগ প্রকাশ করতে দেখা গিয়েছে মোদি সরকারকে (India)। গত ৯ ডিসেম্বর ভারতের বিদেশসচিব বিক্রম মিস্রির বাংলাদেশ সফরের সময়েও সেই বার্তা দেওয়া হয়েছিল। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবীর রিজভি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, পশ্চিমবঙ্গ থেকে ওড়িশা, বিহার সবটাই দখল করে নেওয়া হবে। এরপর আবার মানচিত্র বিতর্ক সামনে এল।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।  

     

LinkedIn
Share