Tag: India

India

  • Trump Modi: “ট্রাম্পের সঙ্গে মোদির কেমিস্ট্রি খুব ভালো”, বললেন জয়শঙ্কর

    Trump Modi: “ট্রাম্পের সঙ্গে মোদির কেমিস্ট্রি খুব ভালো”, বললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ট্রাম্পের সঙ্গে মোদির কেমিস্ট্রি খুব ভালো।” শনিবার কথাগুলি বললেন ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (S Jaishankar)। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (Trump Modi) আমেরিকা সফর খুব ভালো হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। চলতি মাসেই দুদিনের সফরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী।

    কী বললেন জয়শঙ্কর? (Trump Modi)

    প্রধানমন্ত্রীর এই সফর সম্পর্কে জয়শঙ্কর বলেন, “আমি এটা আমার পুরো জীবন ধরে করে আসছি, তাই আমার কিছু রেফারেন্স পয়েন্ট আছে এবং তুলনামূলক মূল্যায়নের জন্য কিছু অভিজ্ঞতাও রয়েছে। আমি সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতার সঙ্গে বলব, আমার মনে হয়েছে, সফরটি খুব ভালো হয়েছে।” বিদেশমন্ত্রী বলেন, “লোকেরা জানে যে প্রধানমন্ত্রী মোদি একজন খুব শক্তিশালী জাতীয়তাবাদী এবং তিনি সেই জাতীয়তাবোধকে বিকিরণ করেন।”

    ট্রাম্প-প্রশস্তি

    ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সম্পর্কে তিনি বলেন, “ট্রাম্প একজন আমেরিকান জাতীয়তাবাদী। আমার মনে হয় অনেকভাবে জাতীয়তাবাদীরা একে অপরকে সম্মান করেন। তাঁরা খুব স্পষ্ট দৃষ্টিভঙ্গি রাখেন। তাঁরা তাঁদের দেশের জন্য কাজ করেন, ট্রাম্প স্বীকার করেন যে মোদি ভারতের জন্য কাজ করছেন, মোদিও স্বীকার করেন যে ট্রাম্প আমেরিকার জন্য কাজ করছেন (Trump Modi)।” জয়শঙ্কর বলেন, “আমি অনুভব করেছিলাম… রসায়নটি (মোদি-ট্রাম্পের) ভালো ছিল। আবারও, ট্রাম্প কিছুটা অস্বাভাবিক, বিশ্বে অনেক অন্যান্য নেতা রয়েছেন, যাঁদের সঙ্গে তাঁর ইতিবাচক ইতিহাস নেই। কিন্তু মোদিজির ক্ষেত্রে বিষয়টি তা নয়। তিনি (ট্রাম্প) ভারতে দুর্দান্ত একটি সফর করেছিলেন, যা তিনি মনে রেখেছিলেন।”

    জয়শঙ্কর এদিন ট্রাম্পের প্রথম মেয়াদের ওপর একটি ছবির বইয়ের উল্লেখ করেন। বলেন, “তাঁকে জানানো হয়েছিল যে ট্রাম্প নিজেই তাঁর মেয়াদ শেষ হওয়ার পর ছবি বেছে নিয়েছিলেন। বেশিরভাগ ছবিই ছিল ভারত সম্পর্কে।এতে ২০২০ সালে তাঁর সফরের সময় আমেদাবাদের মোতেরা স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিত ‘নমস্তে ট্রাম্প’ ইভেন্টের একটি ছবিও ছিল।” ভারতের বিদেশমন্ত্রী বলেন, “প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মনে হয় আমেরিকার স্বার্থ সম্পর্কে একটি দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে, তিনি কী চান এবং আমাদের সঙ্গে সম্পর্ক থেকে কী চান। আমাদেরও একই ধরনের দৃষ্টিভঙ্গি রয়েছে। আমরাও আমেরিকার সঙ্গে সুযোগ এবং চাহিদা নিয়ে কথা বলছি (S Jaishankar)। তাই আমি মনে করি, এ নিয়ে খুব খোলামেলা আলোচনা হয়েছে এবং আমি বলতেই পারি, এটি খুব ভালো মনোভাব, আন্তরিকতা এবং সৌহার্দ্যের সঙ্গে পরিচালিত হয়েছে (Trump Modi)।”

  • Lahore: লাহোরের মাঠে বাজল জনগণমন অধিনায়ক জয় হে! দর্শকদের চিৎকারে বন্ধ ভারতের জাতীয় সঙ্গীত

    Lahore: লাহোরের মাঠে বাজল জনগণমন অধিনায়ক জয় হে! দর্শকদের চিৎকারে বন্ধ ভারতের জাতীয় সঙ্গীত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবারই ছিল লাহোরে (Lahore) অস্ট্রেলিয়া ও ইংল্যান্ডের ম্যাচ। আইসিসির নিয়ম অনুযায়ী প্রতি ম্যাচ শুরু হওয়ার আগেই দুই দেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজানো হয়। দু’দলের ক্রিকেটারেরা সেই মতো মাঠে হাজির হয়ে যান। প্রথমে বাজে ইংল্যান্ডের জাতীয় সঙ্গীত। এরপর অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটারেরা অপেক্ষা করতে থাকেন জাতীয় সঙ্গীতের জন্য। তখনই চমক। হঠাৎ করে বাজতে থাকরে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত। তা শুনেই চিৎকার শুরু হয়ে যায় লাহোরের মাঠে। অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটাররা এই ঘটনায় হতবাক হয়ে যান। পরে অবশ্য অস্ট্রেলিয়ার জাতীয় সঙ্গীত চালানো হয়। বন্ধ করে দেওয়া হয় ভারতের জাতীয় সঙ্গীত। তবে লাহোরের মাঠে ভারতের জাতীয় সঙ্গীত বাজার ভিডিওটি বেশ ভাইরাল হয়েছে সমাদমাধ্যমে। অন্য দেশের জাতীয় সঙ্গীত বাজার সেই ভিডিও সমাজমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়।

    উঠছে প্রশ্ন (Lahore)

    এই ঘটনার পর অনেকে প্রশ্নই উঠতে শুরু করেছে, প্রথমত, ভারত তো পাকিস্তানে কোনও ম্যাচই খেলবে না। তাই সেখানকার কোনও মাঠেই ভারতের জাতীয় সঙ্গীত থাকার কথা নয়। তা হলে কীভাবে তা বাজল। এর পিছনে কি অন্য কোনও কারণ রয়েছে? এই বিষয়ে অবশ্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড আনুষ্ঠানিকভাবে কোনও মন্তব্য করেনি। তবে এটাই নতুন বা প্রথম নয়। এর আগে ভারতের জাতীয় পতাকা নিয়ে বিতর্ক হয়েছিল পাকিস্তানের স্টেডিয়ামে (Lahore)। গত সপ্তাহের সোমবারই সেই মতো একটি ভিডিও সমাজমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছিল। সেখানে দেখা যায়, লাহোর, করাচির স্টেডিয়ামে বাকি দেশগুলির পতাকা থাকলেও সেখানে নেই ভারতের কোনও পতাকা নেই। তা নিয়ে শুরু হয় বিতর্ক।

    বিতর্কের পরে মাঠে আসে ভারতের পতাকা

    চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে আটটি দেশ খেলে। সেই মতো পাকিস্তানের তিনটি মাঠেই আটটি দেশের পতাকা থাকার কথা। ২০২৩ সালে ভারতে যখন এক দিনের বিশ্বকাপ হয়েছিল, তখনও এমন চিত্র দেখা গিয়েছিল পাকিস্তানের (Lahore) মাঠে। বিতর্কের পর অবশ্য করাচির স্টেডিয়ামে ভারতের পতাকা দেখা যায়। পাকিস্তানের এক ইউটিউবার সমাজমাধ্যমে একটি ছবি পোস্ট করেন। সেখানে অস্ট্রেলিয়া, দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ইংল্যান্ডের পতাকার পাশেই রয়েছে ভারতের পতাকা।

  • Indias Reaction: কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্য তুরস্কের প্রেসিডেন্টের, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    Indias Reaction: কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্য তুরস্কের প্রেসিডেন্টের, কড়া প্রতিক্রিয়া ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাকিস্তান সফরে এসে কাশ্মীর নিয়ে মন্তব্য করে বসলেন তুরস্কের প্রেসিডেন্ট (Turkish President) রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ান। কাশ্মীর ইস্যুতে রাষ্ট্রসংঘের প্রস্তাব অনুসারে সমস্যা সমাধনের আহ্বান জানিয়েছিলেন তিনি। তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের কাছে এই আপত্তিকর মন্তব্যের কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছে ভারত (Indias Reaction)। তুর্কি প্রধানমন্ত্রীর মন্তব্যকে অগ্রহণযোগ্য বলে অভিহিত করেছে ভারতের বিদেশমন্ত্রক। সাফ জানিয়ে দিয়েছে, জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “ভারতের চিরস্থায়ী বিষয়ে এমন আপত্তিকর মন্তব্য আমরা প্রত্যাখ্যান করি। আমরা তুরস্কের রাষ্ট্রদূতের কাছে কড়া প্রতিবাদ জানিয়েছি। ভারতের আঞ্চলিক অখণ্ডতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে এমন অযাচিত মন্তব্য কোনওভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ।”

    তুর্কি প্রেসিডেন্টের বক্তব্য (Indias Reaction)

    সম্প্রতি পাকিস্তান সফরে এসেছিলেন তুর্কি প্রেসিডেন্ট। ১৩ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীকে পাশে নিয়ে তিনি বলেছিলেন, কাশ্মীর সমস্যার সমস্যার সমাধান করা উচিত ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমে। সাংবাদিক সম্মেলনে তিনি বলেছিলেন, “কাশ্মীর সমস্যার সমাধান করা উচিত রাষ্ট্রসংঘের প্রস্তাব অনুযায়ী আলোচনার মাধ্যমে এবং কাশ্মীরের জনগণের আকাঙ্ক্ষাকে গুরুত্ব দিয়ে। অতীতের মতো আজও আমাদের রাষ্ট্র এবং আমাদের জাতি আমাদের কাশ্মীরি ভাইদের সঙ্গে সংহতি প্রকাশ করছে (Indias Reaction )।”

    ভারতের মোক্ষম জবাব

    বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র বলেন, “অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করার পরিবর্তে, জম্মু ও কাশ্মীরের জনগণের জন্য সবচেয়ে বড় হুমকি, ভারতের বিরুদ্ধে সীমান্ত সন্ত্রাসবাদ ব্যবহারের পাকিস্তানের নীতির বিরুদ্ধে কথা বলা হলে ভালো হত।” পাকিস্তানের সংসদ ভারতের প্রতি কাশ্মীরে গণভোট পরিচালনার আহ্বান জানিয়ে একটি প্রস্তাব পাশ করানোর বিষয়ে আর একটি প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন যে, জম্মু ও কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এবং সর্বদা তাই থাকবে। তিনি বলেন, এনিয়ে কোনও সন্দেহ বা বিভ্রান্তির অবকাশ নেই। অন্য একটি প্রশ্নের জবাবে জয়সওয়াল বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার সবাই জানে কোন দেশ এবং কোন কার্যকলাপ সার্ককে বাধাগ্রস্ত করার জন্য দায়ী (Turkish President)। জয়শঙ্কর জানিয়ে দিয়েছেন যে বাংলাদেশের সন্ত্রাসবাদকে স্বাভাবিক করা উচিত নয় (Indias Reaction)।

  • ICC Champions Trophy: ফেবারিট ভারত, মরণ-বাঁচন ম্যাচ পাকিস্তানের! চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে এগিয়ে কোন দল?

    ICC Champions Trophy: ফেবারিট ভারত, মরণ-বাঁচন ম্যাচ পাকিস্তানের! চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে এগিয়ে কোন দল?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সুপার সানডে। আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (ICC Champions Trophy) আাগমী কাল ২৩ ফেব্রুয়ারি ভারত খেলতে নামবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে। প্রথম ম্যাচে ৬ উইকেটে জিতে এগিয়ে রয়েছে ভারত। অন্যদিকে প্রথম ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে হারায় রবিবার মরণ-বাঁচন‌ ম্যাচ পাকিস্তানের। তবে, বাংলাদেশ ম্যাচে জয় পেলেও ভারতীয় দল কিন্তু পয়েন্ট তালিকায় ২ নম্বরে। তাই পাকিস্তানকে হারিয়ে পয়েন্ট টেবিলে শীর্ষ স্থানে ওঠাই লক্ষ্য ভারতের।

    কে কোন ম্যাচে এগিয়ে

    সাম্প্রতিক সময় আইসিসি (ICC Champions Trophy) ইভেন্টে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে দাপট দেখিয়েছে ভারত। ওডিআই বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের বিরুদ্ধে যখনই খেলতে নেমেছে তখনই হারের মুখ দেখেছে পাকিস্তান। কিন্তু আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে আবার এগিয়ে পাকিস্তানই। মিনি বিশ্বকাপে এই দুই দল ৫ বার মুখোমুখি হয়েছে। এরমধ্যে তিনবার জয় পেয়েছে পাকিস্তান, দুবার জিতেছে ভারত। ২০০৪ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে প্রথমবার মুখোমুখি হয়েছিল ভারত ও পাকিস্তান। সেই ম্যাচে পাকিস্তান সহজেই জিতে যায়। ২০০৯ সালে সেঞ্চুরিয়ানে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে দ্বিতীয়বার মুখোমুখি হয় ভারত পাক। শোয়েব মালিকের শতরানে ভর করে সেই ম্যাচেও জয় পায় পাকিস্তান। ২০১৩ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে প্রথমবার পাকিস্তানের বিরুদ্ধে জয়ের মুখ দেখে ভারত। ২০১৭ সালে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে গ্রুপ পর্বের ম্যাচে পাকিস্তানকে হেলায় হারায় ভারত। কিন্তু ফাইনালে পাকিস্তানের কাছে হেরেই ট্রফি জয়ের স্বপ্নভঙ্গ হয় ভারতের।

    চালকের আসনে ভারতই

    চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy) ফলাফল যাই-হোক না কেন গত দেড় দু’দশক ধরে ভারতই পাকিস্তানের উপর কর্তৃত্ব করছে ৷ এবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতের দল পাকিস্তানের থেকেও শক্তিশালী ৷ রবিবার দুবাইয়ে রোহতরাই ফেবারিট হিসেবে মাঠে নামবেন। এই ম্যাচকে ঘিরে গোটা বিশ্ব অপেক্ষা করে রয়েছে। ২২ গজে আরও একবার মুখোমুখি হচ্ছে ভারত ও পাকিস্তান। মেগা ম্যাচ ঘিরে চড়তে শুরু করেছে পারদ। দুই দলের সমর্থকরা ভিড় জমাচ্ছেন। ভারত অধিনায়ক রোহিত শর্মা ইতিমধ্যেই বলেছেন, ‘‘ব্যাটিং অর্ডারে আমাদের প্রথম চার জন অভিজ্ঞ খেলোয়াড়। সেখানে কোনও বদল হবে না। তার মধ্যে অন্তত একজনকে সেঞ্চুরি করতে হবে। বিশ্বকাপে আমরা খুব বেশি সেঞ্চুরি না করেও বড় স্কোর করেছি। প্রত্যেকেই ব্যক্তিগত সাফল্যের দিকে না তাকিয়ে দলগত প্রচেষ্টায় এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছে। এখানেও যদি আমাদের ৭-৮ জন সেই ভাবে চেষ্টাটা চালাতে পারে, তবে আমরা ভালো কিছু করতে পারব।’’

    ভারতীয় দল: রোহিত শর্মা (অধিনায়ক), শুভমন গিল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়স আইয়ার, কেএল রাহুল, ঋষভ পন্ত, হার্দিক পান্ডিয়া, অক্ষর প্যাটেল, ওয়াশিংটন সুন্দর, কুলদীপ যাদব, হর্ষিত রানা, মহম্মদ শামি, আর্শদীপ সিং, রবীন্দ্র জাদেজা, বরুণ চক্রবর্তী।

    পাকিস্তান দল: মহম্মদ রিজওয়ান (অধিনায়ক), বাবর আজম, ইমাম-উল-হক, কামরান গুলাম, সউদ শাকিল, তায়েব তাহির, ফাহিম আশরাফ, খুশদিল শাহ, সলমন আলি আঘা, উসমান খান, আবরার আহমেদ, হ্যারিস রউফ, মহম্মদ হাসনাইন, নাসিম শাহ, শাহিন শাহ আফ্রিদি।

  • India vs Bangladesh: শামির ৫ উইকেট, গিলের শতরান! বাংলাদেশকে হারিয়ে যাত্রা শুরু ভারতের

    India vs Bangladesh: শামির ৫ উইকেট, গিলের শতরান! বাংলাদেশকে হারিয়ে যাত্রা শুরু ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রত্যাশ্যামতোই জয় দিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy 2025) যাত্রা শুরু করল ভারত। বাংলাদেশকে ৬ উইকেটে হারায় রোহিতরা। দুরন্ত শতরান উপহার দেন গিল। তবে প্রথমে ম্যাচ যতটা সহজ হবে ভাবা গিয়েছিল তা হল না। তৌহিদ হৃদয়ের অনবদ্য সেঞ্চুরি আর রোহিতদের বিশ্রী ফিল্ডিংয়ের জন্য। টসে জিতে বৃহস্পতিবার প্রথমে ব্যাট করে বাংলাদেশ ১০ উইকেটে ৪৯.৪ ওভারে তোলে ২২৮ রান। ৩৫ রানে ৫ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশের (India vs Bangladesh) ইনিংসকে টেনে নিয়ে যান তৌহিদ। ১১৪ বলে ৬টি চার এবং ২টি ছয়ের সাহায্যে তিনি সেঞ্চুরি করেন। বুমরা-হীন ভারতীয় বোলিংকে এদিন নেতৃত্ব দিলেন শামিই। ম্যাচে ৫ উইকেট নিয়ে ফের আইসিসি টুর্নামেন্টে নিজের জাত চেনালেন মহম্মদ শামি।

    শামির নজির

    এক দিনের বিশ্বকাপে যেখানে শেষ করেছিলেন, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (ICC Champions Trophy 2025) সেখান থেকেই শুরু করলেন মহম্মদ শামি। আইসিসি প্রতিযোগিতায় ফিরে আবার ছন্দে তিনি। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৫ উইকেট নিয়েছেন তিনি। এক দিনের ক্রিকেটে সবচেয়ে কম বলে এই কীর্তি গড়েছেন ভারতীয় পেসার। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে নামার আগে ১৯৭ উইকেট ছিল শামির। ২০০ উইকেটে পৌঁছতে দরকার ছিল ৩ উইকেট। জাকের আলিকে আউট করে ২০০ উইকেটে পৌঁছে যান শামি। ২০০ উইকেট নিতে ৫১২৬ বল করেছেন শামি। বিশ্বে এত কম বলে কোনও বোলার ২০০ উইকেট নিতে পারেননি। এত দিন এই রেকর্ড ছিল মিচেল স্টার্কের দখলে। অস্ট্রেলিয়ার পেসার ২০০ উইকেট নিতে করেছিলেন ৫২৪০ বল। আইসিসির এক দিনের প্রতিযোগিতায় ভারতীয় বোলারদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি উইকেটও শামির দখলে। ৬০ উইকেট নিয়েছেন তিনি। জাহির খান নিয়েছিলেন ৫৯ উইকেট। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে পাঁচ উইকেট নিয়ে জাহিরকে ছাপিয়ে গেলেন শামি।

    হ্যাটট্রিক হাতছাড়া

    বাংলাদেশের (India vs Bangladesh) ইনিংস শেষ হয়ে যেতে পারত আরও কম রানে। কিন্তু ভারতীয় ফিল্ডারদের একের পর এক ভুলে সহজেই ২২৮ রানে পৌঁছে গেল নাজমুল হোসেন শান্তর দল। ন’ওভারে ৩৫ রানে ৫ উইকেট পড়ে যাওয়ার পর বাংলাদেশ ইনিংসের শেষ ওভার পর্যন্ত ব্যাট করে গেল। ক্যাচ ফস্কানো শুরু করেছিলেন অধিনায়ক রোহিত। বাংলাদেশের ইনিংসের নবম ওভারে বল করতে এসেছিলেন অক্ষর। পর পর দু’বলে তানজিদ হাসান এবং মুশফিকুর রহিমকে আউট করেন তিনি। তার পরের বলেই জাকের আলির দেওয়া সহজ ক্যাচ স্লিপে ফেলে দেন রোহিত শর্মা। নিশ্চিত হ্যাটট্রিকের সুযোগ নষ্ট হওয়ায় হতাশ হন অক্ষর। নিজের ভুল বুঝতে পেরে মাঠেই হাত জোড় করে অক্ষরের কাছে ক্ষমা চান রোহিত। এদিন ক্যাচ ফস্কান হার্দিকও।

    রোহিতের রেকর্ড

    দরকার ছিল ১২ রান। এক দিনের আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ১১ হাজার রান পূর্ণ করতে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ১২ রান দরকার ছিল রোহিত শর্মার। সেই রান করতে ১৪ বল লাগল তাঁর। ২৬১ ইনিংসে ১১ হাজার রান হল রোহিতের। সচিন তেন্ডুলকর ১১ হাজার রান করতে ২৭৬ ইনিংস নিয়েছিলেন। অর্থাৎ, সচিনের চেয়ে ১৫ ইনিংস কম লেগেছে রোহিতের। এই তালিকায় সকলের উপরে রয়েছেন বিরাট কোহলি। এক দিনের ক্রিকেটে মাত্র ২২২ ইনিংসে ১১ হাজার রান করেছিলেন তিনি। তবে এই ম্যাচে শুভমানের প্রশংসা যতই করা যায়, ততই যেন কম বলে মনে হবে। সম্প্রতি ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে শেষ তিনটে ওয়ানডে ম্যাচে তিনি জোড়া হাফসেঞ্চুরি এবং একটি শতরান করেন। এই ম্যাচেও রানের সেই ধারাবাহিকতা তাঁর ব্যাটে দেখতে পাওয়া গেল। সেঞ্চুরি তো করলেনই, সঙ্গে টিম ইন্ডিয়ার ভার কার্যত একা হাতেই বহন করলেন। শেষপর্যন্ত ১০১ রানে অপরাজিত থাকেন গিল।

  • Assam: অসমে অবৈধ বাংলাদেশির সংখ্যা ১.৬৬ লাখ! বহিষ্কারের সংখ্যা নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী?

    Assam: অসমে অবৈধ বাংলাদেশির সংখ্যা ১.৬৬ লাখ! বহিষ্কারের সংখ্যা নিয়ে কী বললেন মন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অসম (Assam) চুক্তির বিধানের অধীনে রাজ্যের ১.৬৬ লাখ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে (Bangladeshi Intruders) অবৈধ অভিবাসী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ইতিমধ্যেই রাজ্য থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে ৩০ হাজার ১০০ এরও বেশি বাংলাদেশিকে। বুধবার অসম বিধানসভায় এ কথা জানান অসম চুক্তি বাস্তবায়ন মন্ত্রী অতুল বরা।

    কী বললেন মন্ত্রী?(Assam)

    কংগ্রেস বিধায়ক আবদুর রহিম আহমেদের লিখিত প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানান, ২০২৪ সালের ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত অসমে মোট ১ লাখ ৬৫ হাজার ৫৩১ জন অভিবাসীকে অবৈধভাবে বসবাসকারী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ৩২ হাজার ৮৭০ জন অসমে প্রবেশ করেছে ১৯৬৬ থেকে ১৯৭১ সালের মধ্যে। আর ১৯৭১ সালের মার্চ মাসের পর অসমে ঢুকেছে ১ লাখ ৩২ হাজার ৬৬১ জন। এটি হচ্ছে নাগরিকত্ব নির্ধারণের জন্য অসম চুক্তির নির্ধারিত সময়সীমা। এর পরেই মন্ত্রী জানান, এ পর্যন্ত অসম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে ৩০ হাজার ১১৫ জনকে অনুপ্রবেশকারীকে।

    অবৈধ অভিবাসন

    ঐতিহাসিকভাবে, অসম প্রতিবেশী বাংলাদেশ থেকে অবৈধ অভিবাসনের সম্মুখীন হয়েছে। এটি দশকের পর দশক ধরে রাজ্যের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করেছে। বাংলাদেশ থেকে ব্যাপক অবৈধ অভিবাসন রাজ্যের একাধিক জেলার জনসংখ্যার গঠনও পরিবর্তন করেছে। প্রসঙ্গত, অসম (Assam) চুক্তি স্বাক্ষরিত হয় ১৯৮৫ সালে, ছ’বছরের অভিবাসনবিরোধী অসম আন্দোলনের পর। অবৈধ অভিবাসীদের শনাক্তকরণ ও বহিষ্কারের মূল ভিত্তি হিসেবে রয়ে গিয়েছে এই চুক্তি।

    চুক্তি অনুযায়ী, ২৪ মার্চ ১৯৭১-এর পরে যারা অসমে প্রবেশ করেছেন, তাঁদের বিদেশি নাগরিক ঘোষণা করে দেশ থেকে বহিষ্কার করা হবে। ১৯৬৬ থেকে ১৯৭১ সালের মধ্যে আগতদের ভোটাধিকার দশ বছরের জন্য কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। তবে ১৯৭১-এর পরে আসা অভিবাসীদের সরাসরি বহিষ্কারের বিধান রয়েছে।

    মন্ত্রী বলেন, “চুক্তি কার্যকর হওয়ার পর থেকে ১.৬৫ লাখেরও বেশি অবৈধ অভিবাসীকে শনাক্ত করা হলেও, বহিষ্কারের সংখ্যা মোট চিহ্নিত অভিবাসীর তুলনায় নগণ্য।” অসমের বিভিন্ন আদি সংগঠন, বিশেষ করে অসম ছাত্র সংস্থা (AASU) মনে করে যে রাজ্যে কয়েক লাখ অবৈধ অভিবাসী বসবাস করছে। এদিকে, রাজ্যের শাসক দল বিজেপি (BJP) অসম চুক্তি বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে (Bangladeshi Intruders)। একে তারা জাতীয় নিরাপত্তা ও সাংস্কৃতিক সংরক্ষণের সঙ্গে যুক্ত করেছে (Assam)।

  • Indian Army: বাংলাদেশ নিয়ে পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি ভারতের, কী বললেন সেনাপ্রধান?

    Indian Army: বাংলাদেশ নিয়ে পাকিস্তানকে হুঁশিয়ারি ভারতের, কী বললেন সেনাপ্রধান?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাসিনা-উত্তর জমানায় অশান্ত হয়েছে বাংলাদেশ। প্রধানমন্ত্রী পদে ইস্তফা দিয়ে আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো শেখ হাসিনা বাংলাদেশ ছাড়ার পরেই বেড়েছে অশান্তির বহর। এহেন আবহে (Indian Army) কখনও বাংলাদেশি সেনার উচ্চ পর্যায়ের দল পাকিস্তানে (Pakistan) গিয়ে দেখা করেছে পাক গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই কর্তাদের সঙ্গে। কখনও আবার আইএসআইয়ের পদস্থ কর্তারা ঢাকার বিলাসবহুল হোটেলে গিয়ে ইউনূস প্রশাসনের কর্তাদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। এই প্রেক্ষিতে, পদ্মাপাড়ে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের সঙ্গে দহরম-মহরম বাড়ানোর চেষ্টা করা পাকিস্তানকে ঘুরিয়ে কড়া বার্তা দিল ভারতীয় সেনা।

    ‘সন্ত্রাসের এপিসেন্টার’ পাকিস্তান

    সাম্প্রতিক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে যে, সদ্য সীমান্তের ‘চিকেনস নেক’ এলাকার কাছে বাংলাদেশের বেশ কিছু এলাকায় পা পড়েছে পাকিস্তানের সেনা কর্তা ও সেদেশের গুপ্তচর বিভাগের সদস্যদের। এলাকায় তাঁরা পরিদর্শন করতে যান বলে ছিল খবর।  পূর্ব ভারতে পাকিস্তানের গতিবিধি প্রসঙ্গে জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, “একটি দেশের (পাকিস্তান) জন্য আমি একটা শব্দ ব্যবহার করেছিলাম, ‘সন্ত্রাসের এপিসেন্টার’। সেনাপ্রধান যোগ করেন, এবার সে দেশের লোকজন অন্য দেশে যাচ্ছেন এবং সেই অন্য দেশটি যদি আমাদের প্রতিবেশী দেশ হয়, যতদূর আমার মনে হচ্ছে, আমার উদ্বেগে থাকারই কথা…যাতে তারা সে দেশের মাটি ব্যবহার করে ভারতে সন্ত্রাসবাদী না পাঠায়, সেটা নিয়েই ভাবনা।”

    ঢাকা-নয়াদিল্লি সম্পর্ক প্রসঙ্গে ভারতের সেনা প্রধান (Indian Army) বলেন, “যে সেট আপ সেখানে রয়েছে, তা প্রশাসনিক, নির্বাচিত সরকার এলে সম্পর্কের বিষয়ে বলা যাবে।” তবে বাংলাদেশের সেনার (Pakistan) সঙ্গে ভারতীয় সেনার সম্পর্ক অত্যন্ত মজবুত বলে তিনি জানান। সেনাপ্রধান বলেন, “যখন দরকার পড়ে, আমরা নোট আদানপ্রদান করে নিই। এভাবেই চলে আসছে।”

    ভারতীয় সেনার কড়া জবাব (Indian Army)

    এরই মধ্যে আবার কাশ্মীরে পাকিস্তান সম্প্রতি সংঘর্ষ বিরতি চুক্তি লঙ্ঘন করেছে। তার যোগ্য জবাব দিয়েছে ভারতীয় সেনা। এহেন আবহে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা দিলেন ভারতীয় সেনাপ্রধান উপেন্দ্র দ্বিবেদী। তিনি বলেন, “২০১৪ সাল থেকে উভয় পক্ষই জানে যে আমরা কাজে বিশ্বাসী। আমরা আমাদের বার্তা খুব স্পষ্টভাবে দিয়ে থাকি। প্রয়োজন পড়লে আমরা আগ্রাসীও হতে পারি। আমাদের যদি কেউ বাধ্য করে, তাহলে আমরা আমাদের বার্তা পৌঁছে দিতে আগ্রাসী হব।” ভূস্বর্গে সন্ত্রাস প্রশ্নে সেনাপ্রধান (Indian Army) বলেন, “স্থানীয় জঙ্গির সংখ্যা এখন অনেক কমে গিয়েছে। ২০১৯ সালের অগাস্ট মাস থেকে কাশ্মীরে আমাদের উদ্দেশ্য সম্পর্কে স্পষ্ট বার্তা গিয়েছে। কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এবং তা নিয়ে কোনওভাবে আমরা কোনও আপোস করব না। আর এখন কাশ্মীরে সব নিরাপত্তা বাহিনী সাধারণ মানুষকে সাহায্য করতে হাতে হাত মিলিয়েছে।”

  • Donald Trump: ভারতের ভোটে টাকা ঢেলে মোদিকে হারাতে চেয়েছিলেন বাইডেন! হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন ট্রাম্প

    Donald Trump: ভারতের ভোটে টাকা ঢেলে মোদিকে হারাতে চেয়েছিলেন বাইডেন! হাটে হাঁড়ি ভাঙলেন ট্রাম্প

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বন্ধুত্বের অছিলায় ভারতের বুকে ছুরি মারতে চেয়েছিল আমেরিকা? ভারতে (India) ২১ মিলিয়ন ডলার সাহায্য করে কি ভোটের ফল প্রভাবিত করতে চেয়েছিল বাইডেন প্রশাসন? এমনই প্রশ্ন তুলছেন বিজেপি নেতারা। পদ্ম-পার্টির নেতাদের আশঙ্কা যে অমূলক নয়, প্রকারান্তরে তা স্বীকার করে নিলেন ৪৭তম মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)।

    ইউএসএইডের মাধ্যমে আমেরিকার খরচ (Donald Trump)

    সাম্প্রতিক এক রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে, ভারতের নির্বাচনে ভোটদানের হার বাড়াতে ইউএসএইডের মাধ্যমে আমেরিকা খরচ করেছে ২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার। ইলন মাস্কের নেতৃত্বাধীন ডিপার্টমেন্ট অফ গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সি (সংক্ষেপে ডোগে) এমনতর দাবি করেছিল সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে। এই আবহে আমেরিকার করদাতাদের এই টাকা খরচ বন্ধ করা হবে বলে জানিয়ে দিয়েছিলেন মাস্ক। এমন পরিস্থিতিতে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসের তরফে প্রকাশিত ট্রাম্পের এক ভাষণের ভিডিওতে মার্কিন প্রেসিডেন্টকে বলতে শোনা গিয়েছে, “ভারতে ভোটের হার বৃদ্ধি করতে আমাদের কেন ২১ মিলিয়ন ডলার খরচ করতে হবে? আমার মনে হয় ওরা (বাইডেন প্রশাসন— যারা অর্থায়ন করেছিল) অন্য কাউকে ভোটে জেতাতে চাইছিল। আমাদের এই বিষয়টি ভারত সরকারকে জানাতে হবে। এটা বিশাল বড় ব্রেকথ্রু। রাশিয়া আমাদের দেশের নির্বাচনের সময় ২ হাজার মার্কিন ডলার খরচ করেছিল বিজ্ঞাপনে। সেটাই তো কত বড় ইস্যু হয়ে গিয়েছিল। আর এটা তো ২১ মিলিয়ন ডলার!”

    অমিত মালব্যর পোস্ট

    প্রসঙ্গত, বিজেপি নেতা অমিত মালব্য এই ইস্যুতে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে লিখেছিলেন, “ভোটের হার বৃদ্ধি করতে ২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার খরচ? এটা নিশ্চিতভাবে ভারতের নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় বিদেশি হস্তক্ষেপ। এর থেকে কারা লাভবান হচ্ছে? নিশ্চিতভাবে শাসক দল তো নয়।” পদ্ম-সাংসদ মহেশ জেঠমালানির দাবি (India), প্রাক্তন মার্কিন রাষ্ট্রদূত এরিক গারসেট্টির সঙ্গে এ নিয়ে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতেন ইউএসএইডের প্রাক্তন ভারতীয় প্রধান বীণা রেড্ডি। এ নিয়ে নাকি যাবতীয় নির্দেশও দিতেন প্রাক্তন মার্কিন বিদেশসচিব অ্যান্টনি ব্লিনকেন। ফরাসি সংবাদ মাধ্যম মিডিয়াপার্টের রিপোর্ট উদ্ধৃত করে বিজেপি আগেই অভিযোগ করেছিল, ওপেন সোস্যাইটি, হিউম্যান রাইটস ওয়াচ, ওসিসিআরপির মতো প্রক্সির মাধ্যমে (Donald Trump) ভারত নিয়ে ভুয়ো প্রচার করছিলেন জর্জ সরোস। এনিয়ে বাইডেন জমানায় বিজেপি একটি দীর্ঘ সোশ্যাল মিডিয়া পোস্টে মার্কিন স্টেট ডিপার্টমেন্টকে নিশানা করেছিল গেরুয়া শিবির।

    কী বললেন ট্রাম্প

    বুধবার রাতে সৌদি আরবের উদ্যোগে মায়ামিতে অনুষ্ঠিত এফআইআই প্রায়োরিটি সম্মেলনে যোগ দিয়েছিলেন ট্রাম্প। সেখানেই তিনি বলেন, “কী প্রয়োজন ছিল ভারতীয় ভোটারদের উৎসাহ দিতে ২১ মিলিয়ন ডলার খরচ করার? আমার সন্দেহ বাইডেন প্রশাসন ভারতের লোকসভা নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করতে চেয়েছিল। তারা হয়তো চেয়েছিল অন্য কেউ ভোটে জিতুক। এই বিষয়টি আমরা ভারত সরকারকেও জানাব।” দ্বিতীয়বার আমেরিকার মসনদে বসে সরকারের অপব্যয় কমাতে উদ্যোগী হন ট্রাম্প। তিনি ডিপার্টমেন্ট অফ গভর্নমেন্ট এফিসিয়েন্সি নামে একটি নয়া দফতর খুলেছেন। এই দফতরেরই মাথায় বসানো হয়েছে টেসলা কর্তা ইলন মাস্ককে। গত ১৬ ফেব্রুয়ারি সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি জানিয়ে দেন, ভারতীয়দের নির্বাচনে উৎসাহিত করতে ২১ মিলিয়ন ডলার খরচ করত আমেরিকা। ভারতীয় মুদ্রায় এই অঙ্কটা প্রায় ১৮২ কোটি টাকা। কিন্তু এবার থেকে সেই টাকা আর দেওয়া হবে না।

    ‘ভারতের প্রতি আমার যথেষ্ট শ্রদ্ধা’

    ভারতের পাশাপাশি অনুদান বন্ধ করা হবে অন্যান্য দেশেরও। এর সমর্থনেই নয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেছিলেন, “ভারতের প্রতি আমার যথেষ্ট শ্রদ্ধা রয়েছে। কিন্তু আমাদের দেশের করদাতাদের ২১ মিলিয়ন ডলার কেন আমরা ভারতকে দেব?” সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট অনুযায়ী (India), বিশ্বের নানা প্রান্তে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়াকে শক্তিশালী করতে ৪৮৬ মিলিয়ন ডলার বরাদ্দ করেছিল বাইডেন প্রশাসন। এর মধ্যে ভারতের জন্য বরাদ্দ ছিল ২১ মিলিয়ন ডলার। কেবল ভারত নয়, বাংলাদেশকেও দেওয়া হত ২ কোটি ৯০ লাখ মার্কিন ডলার। সেই অর্থও বন্ধ করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন মাস্ক। কেবল ভারত বা বাংলাদেশই নয়, মোজাম্বিক, মালি, নেপাল, সার্বিয়া, কম্বোডিয়ার মতো নানা দেশকে নানা খাতে দেওয়া অনুদানের অর্থও বন্ধ করার কথাও জানিয়েছেন মাস্ক।

    ভারতের অর্থনৈতিক বৃদ্ধি ও চড়া শুল্কের কথা উল্লেখ করে ট্রাম্প বলেন, “মার্কিন করদাতাদের টাকা ভারতের ভোট করানোর জন্য বরাদ্দ হওয়া উচিত নয়। কারণ, ভারতের প্রচুর টাকা আছে। আর বিশ্বের অন্যতম চড়া শুল্কের দেশ ভারত।” ট্রাম্প আরও বলেন, “ভারতের জন্য আমার প্রচুর শ্রদ্ধা আছে। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর প্রতিও আমার শ্রদ্ধা আছে। দুদিন আগেই তিনি এদেশে সফর করে গিয়েছেন। কিন্তু তারপরেও, ভারতে ভোট করাতে ২১ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অনুদান অযৌক্তিক বলেই মনে হয় (India)! তাই আর নয় (Donald Trump)।”

  • India vs Bangladesh: আজ ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচে বৃষ্টির সম্ভাবনা! কখন, কোথায় দেখবেন লড়াই?

    India vs Bangladesh: আজ ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচে বৃষ্টির সম্ভাবনা! কখন, কোথায় দেখবেন লড়াই?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: হাইব্রিড মডেলে, চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy 2025) সবকটি ম্যাচ দুবাইয়ে খেলবে ভারত। বাংলাদেশের (India vs Bangladesh) বিরুদ্ধে এ বারের মিনি বিশ্বকাপে যাত্রা শুরু করবেন রোহিত-বিরাটরা। বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের মতোই ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচও সমান গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। ভারতীয় দল সদ্য ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ানডে সিরিজ খেলেছে। উল্টোদিকে বাংলাদেশ এই ফরম্যাটে শেষ ম্যাচ খেলেছে গত বছরের শেষে। তবে বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা সদ্য দেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট লিগে খেলে এসেছেন। তাই ভাল ম্যাচ দেখার আশায় ক্রিকেটপ্রেমীরা।

    পাকিস্তানের পরাজয়

    ভারতীয় সময় অনুযায়ী, বুধ-দুপুরে বোধন হয়েছে আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy 2025)। আট টিমের এই টুর্নামেন্টকে ক্রিকেট মহলে মিনি বিশ্বকাপও বলা হয়। প্রতিটা দলের কাছেই সবকটি ম্যাচ ডু অর ডাই। জিতলে ট্রফির দৌড়ে থাকবে কোনও টিম। আর হারলেই খাদের কিনারায় পৌঁছে যাবে। উদ্বোধনী ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল পাকিস্তান ও নিউজিল্যান্ড। প্রায় তিন দশক পর আইসিসির টুর্নামেন্ট আয়োজন করছে পাকিস্তান। তবে, উদ্বোধনী ম্যাচে নিউজিল্যান্ডের কাছে ৬০ রানের বিশাল ব্যবধানে হার মেনেছে পাকিস্তান।

    প্রস্তুত ভারত

    চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির জন্য প্রস্তত ভারত (India vs Bangladesh)। সদ্য ঘরের মাঠে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দাপটে একদিনের সিরিজ জিতেছে রোহিতরা। ওপেনিংয়ে শুভমন গিল ধারাবাহিকতা দেখিয়েছেন। রোহিত সেঞ্চুরি করেছেন। বিরাট কোহলি এক ম্যাচে হাফসেঞ্চুরি করেছেন। তবে মিডল অর্ডারে ভারতের ভরসা হয়ে দেখিয়েছেন শ্রেয়স আইয়ার। ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিন ম্যাচেই দুর্দান্ত এবং কার্যকরী ইনিংস খেলেছেন। মিডল ওভারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন শ্রেয়সই। ভারতীয় পেস বোলিং কম্বিনেশনে হর্ষিত রানার একটা সম্ভাবনা থাকলেও পরিস্থিতি বলছে মহম্মদ শামির সঙ্গে স্পেশালিস্ট পেসার হিসেবে দেখা যাবে অর্শদীপ সিংকে। বুমরাকে ছাড়া বড় টুর্নামেন্ট ভারতের কাছে চ্যালেঞ্জ। বোলিংয়ে নেতৃত্ব দেবেন শামিই।

    পিচ কেমন

    দুবাইয়ে দুটি নতুন পিচ প্রস্তুত রাখা হয়েছে। বাংলাদেশের বিপক্ষে কোনটি ব্যবহার করা হবে এবং পিচ কেমন আচরণ করবে তা নিয়ে কিছুটা অনিশ্চয়তা আছে। ম্যাচের আগের দিন সেন্টার উইকেটে দুটি পিচের ছবি উঠে এসেছে। তার মধ্যে ডানদিকের পিচটাকে বেশি রোলিং করতে দেখা গিয়েছে। কিন্তু কেমন হবে পিচ, ভারতীয় দল পাঁচ স্পিনার আছে, পাণ্ডিয়াকে নিয়ে চার পেসার আছে। ফলে স্পিনাররা পিচ থেকে সুবিধা না পেলে সমস্যা হতে পারে ভারতের।

    বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা

    ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচে (India vs Bangladesh) বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা আছে। আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুসারে, বৃহস্পতিবার ভারত বনাম বাংলাদেশ ম্যাচের দিন ৩৫ শতাংশ বৃষ্টিপাতের সম্ভবনা আছে। দুবাইয়ে তাপমাত্রা থাকতে পারে ২৪ ডিগ্রির আশে পাশে। আপেক্ষিক আদ্রর্তা ৪৮ শতাংশ থাকতে পারে। ফলে বৃষ্টি কিন্তু ভারত বমাম বাংলাদেশের মধ্যে মেগা ম্যাচে ছন্দ নষ্ট করতে পারে।

    ভারতের সম্ভাব্য একাদশ: রোহিত শর্মা, শুভমন গিল, বিরাট কোহলি, শ্রেয়স আইয়ার, অক্ষর প্য়াটেল, লোকেশ রাহুল, হার্দিক পান্ডিয়া, রবীন্দ্র জাডেজা, কুলদীপ যাদব/বরুণ চক্রবর্তী, মহম্মদ সামি, অর্শদীপ সিং/হর্ষিত রানা।

    ম্যাচ শুরু: আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারত বনাম বাংলাদেশের ম্যাচটি ভারতীয় সময় অনুযায়ী শুরু হবে দুপুর ২.৩০ মিনিটে। ম্যাচের আগে ২টো নাগাদ টস হবে।

    ম্যাচের লাইভ স্ট্রিমিং: আইসিসি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারত বনাম বাংলাদেশের ম্যাচটির লাইভ স্ট্রিমিং (Live streaming) দেখা যাবে টিভিতে স্টার স্পোর্টস ২ ও স্পোর্টস ১৮-১ এবং স্পোর্টস ১৯-খেল চ্যানেলে। এ ছাড়া মোবাইলে দেখা যাবে জিওহটস্টার অ্যাপ্লিকেশনে।

  • ICC Champions Trophy 2025: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ ঘিরে চড়ছে পারদ, কে এগিয়ে?

    ICC Champions Trophy 2025: চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ ঘিরে চড়ছে পারদ, কে এগিয়ে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বার বার ২২ গজের লড়াইয়ের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে রাজনীতি। বুধবার থেকে শুরু হওয়া চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও তার ব্যতিক্রম নয়। ভারত-পাকিস্তান ম্যাচে তো বরাবর রাজনীতির রঙ লাগে। এবার নয়া সংস্করণ ভারত-বাংলাদেশ ম্যাচ। কারণ বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে (ICC Champions Trophy 2025) বৃহস্পতিবার দুই দেশ মুখোমুখি হবে। রবিবারের ভারত-পাকিস্তান ম্যাচের থেকেও এই ম্যাচ নিয়ে উন্মাদনা বেশি।

    পরিবর্তিত পরিস্থিতি

    বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের ক্রিকেট সম্পর্ক একটা সময় পর্যন্ত ছিল দাদা-ভাইয়ের মত। ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিসিআই) প্রাক্তন সভাপতি জগমোহন ডালমিয়ার উদ্যোগে ২০০০ সালে টেস্ট খেলার মর্যাদা পায় বাংলাদেশ। তার পরও বিভিন্ন সময় বাংলাদেশের ক্রিকেটের উন্নতিতে পাশে থেকেছে বিসিসিআই। গত কয়েক দশক ভারত-বাংলাদেশ ক্রিকেট আবহে মৈত্রী, সৌজন্যের অভাব হয়নি। পরিস্থিতি বদলাতে শুরু করেছে কিছু দিন ধরে, গত অগাস্টে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পরিবর্তনের পর থেকে। সাধারণ মানুষের বিদ্রোহের মুখে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদত্যাগ করেছেন। আশ্রয় পেয়েছেন ভারতে। বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতির আঁচ সীমান্ত পেরিয়ে এ দেশে এসেছে। হাসিনাকে ভারত রাজনৈতিক আশ্রয় দেওয়ায় বাংলাদেশের মানুষের একাংশ ক্ষুব্ধ। বাইশ গজে রোহিতদের হারিয়ে তার জবাব দিতে চাইছে তারা।

    এগিয়ে ভারত

    যশপ্রীত বুমরাহ-র অনুপস্থিতি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভারতকে ভোগাবে বলেই মনে করেন অনেকে। তবে সম্প্রতি হর্ষিত রানার পারফরম্যান্স দলকে ভরসা জুগিয়েছে। গত এমার্জিং এশিয়া কাপের ম্যাচে বাংলাদেশের সৌম্যর সঙ্গে বিবাদে জড়িয়েছিলেন হর্ষিত রানা। আম্পায়ারদের হস্তক্ষেপ করতে হয়েছিল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে। তাঁরা দু’জনেই রয়েছেন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির (ICC Champions Trophy 2025) দলে। ভারত-বাংলাদেশের ক্রিকেটারদের বাগ্‌যুদ্ধ নতুন নয়। ২০০৭ সালে এক দিনের বিশ্বকাপে বাংলাদেশের কাছে হেরে ছিটকে গিয়েছিল ভারত। তাই সতর্ক রোহিতরাও। তবে, ২০১৭ সালে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল নিউজিল্যান্ডকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির সেমিফাইনালে উঠেছিল। কিন্তু, শেষ চারের লড়াইয়ে তারা ভারতের কাছে ৯ উইকেটে হেরে গিয়েছিল। ভারত-বাংলাদেশ ওডিআই দ্বৈরথে ৪১টি ম্যাচের ৩২টিতেই জিতেছে ভারত। ৮টিতে বাংলাদেশ, একটি পরিত্যক্ত। দুই দলের দ্বৈরথে সর্বাধিক দলগত স্কোর ভারতের। ২০২২ সালে চট্টগ্রামে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ভারত তুলেছিল ৮ উইকেটে ৪০৯।

LinkedIn
Share