Tag: India

India

  • India: লর্ডসে ইতিহাস গড়ে ইংল্যান্ডকে ২৭০ রানে উড়িয়ে দিল ভারত, শতরানে উজ্জ্বল যাস্তিকা

    India: লর্ডসে ইতিহাস গড়ে ইংল্যান্ডকে ২৭০ রানে উড়িয়ে দিল ভারত, শতরানে উজ্জ্বল যাস্তিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: লর্ডসের ১৪২ বছরের ইতিহাসে এই প্রথমবার অনুষ্ঠিত হওয়া মহিলাদের টেস্ট ম্যাচকে স্মরণীয় করে রাখল ভারত (India)। ঐতিহাসিক এই ম্যাচে ইংল্যান্ডকে ২৭০ রানের বড় ব্যবধানে হারিয়ে একতরফা জয় তুলে নিল হরমনপ্রীত কৌরের দল। ব্যাটিং, বোলিং এবং ফিল্ডিং—তিন বিভাগেই (Womens Test) ইংল্যান্ডকে ছাপিয়ে গিয়ে নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব প্রমাণ করল ভারতের প্রমীলা বাহিনী।

    টেস্ট ক্রিকেটে অটুট ভারতের দাপট (India)

    এই জয়ের ফলে মহিলাদের টেস্ট ক্রিকেটে ভারতের সাম্প্রতিক দাপট আরও স্পষ্ট হয়ে উঠল। শেষ ১১টি টেস্টে ভারতের ঝুলিতে রয়েছে সাতটি জয়, তিনটি ড্র এবং মাত্র একটি হার। পাশাপাশি ইংল্যান্ডের মাটিতে খেলা ১১টি মহিলাদের টেস্টেও এখনও অপরাজিত ভারত।ইংল্যান্ডের সামনে জয়ের জন্য ৪৫৭ রানের কঠিন লক্ষ্য ছুড়ে দিয়েছিল নরেন্দ্র মোদির দেশের ‘দুর্গা’রা। সেই লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে চতুর্থ দিনের খেলায় মাত্র ১৮৬ রানেই গুটিয়ে যায় স্বাগতিকরা। ফলে অনায়াসেই ২৭০ রানের জয় নিশ্চিত করে ভারত। ভারতের এই ঐতিহাসিক জয়ের ভিত গড়ে দেন যাস্তিকা ভাটিয়া। দ্বিতীয় ইনিংসে দুরন্ত শতরান করে তিনি লর্ডসে টেস্টে শতরান করা প্রথম মহিলা ক্রিকেটার হিসেবে ইতিহাসে নাম লেখান। তাঁর অনবদ্য ইনিংসের সুবাদে ভারত দ্বিতীয় ইনিংসে সাত উইকেটে ৩৪১ রান তুলে ইনিংস ঘোষণা করে। প্রথম ইনিংসে ১১৫ রানের লিড থাকায় ভারতের মোট লিড দাঁড়ায় ৪৫৬ রান। স্মৃতি মন্ধনা ৭০ রানের গুরুত্বপূর্ণ ইনিংস খেলেন। রিচা ঘোষ অপরাজিত ৫০ রান করে ইংল্যান্ডের ওপর চাপ আরও বাড়িয়ে দেন।

    ‘অপরাজিতা’…

    এর আগে প্রথম ইনিংসে ভারত ২৮৫ রান তোলে। স্মৃতি মন্ধনা ৮৩, অধিনায়ক হরমনপ্রীত কৌর ৫৮ এবং দীপ্তি শর্মা ৫৭ রানের মূল্যবান ইনিংস খেলেন। জবাবে ইংল্যান্ড মাত্র ১৭০ রানেই অলআউট হয়ে যায়। অভিষেক ম্যাচেই পেসার ক্রান্তি গাউড পাঁচ উইকেট নিয়ে ভারতের প্রথম ইনিংসের লিড নিশ্চিত করতে বড় ভূমিকা নেন (India)। ৪৫৭ রানের বিশাল লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই ধাক্কা খায় ইংল্যান্ড। ট্যামি বিউমন্ট শূন্য রানে প্রথম বলেই আউট হন। অভিজ্ঞ হেদার নাইটও অল্প রান করে ফিরে যান (Womens Test)। এরপর অ্যামি জোনস ও সোফি একলস্টোন কিছুটা প্রতিরোধ গড়ে তোলার চেষ্টা করেন। একলস্টোন ভারতের দ্বিতীয় ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতেও লড়াই করেন। তবে ভারতের বোলিং আক্রমণের সামনে সেই প্রতিরোধ টেকেনি। শেষ দিনে দীপ্তি শর্মা চার উইকেট নিয়ে ইংল্যান্ডের ইনিংস গুটিয়ে দেন এবং ভারতের স্মরণীয় জয় নিশ্চিত করেন। এই জয়ের মাধ্যমে মহিলাদের টেস্ট ক্রিকেটে আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক স্পর্শ করল ভারত। যাস্তিকার ঐতিহাসিক শতরান এবং ক্রান্তির অভিষেকেই পাঁচ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব যেমন ভারতের সাফল্যের অন্যতম ভিত্তি (Womens Test) হয়ে রইল, তেমনই অভিজ্ঞ হেদার নাইট ও ট্যামি বিউমন্টের বিদায়ী টেস্ট ইংল্যান্ডের কাছে (India) হতাশার স্মৃতি হয়ে রইল।

     

  • Global Diplomacy: কূটনৈতিক তৎপরতায় এগিয়ে মোদি, ‘শীতঘুমে’ বেজিং, চিনের হলটা কী?

    Global Diplomacy: কূটনৈতিক তৎপরতায় এগিয়ে মোদি, ‘শীতঘুমে’ বেজিং, চিনের হলটা কী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছাব্বিশের জানুয়ারি থেকে জুলাই পর্যন্ত পর্বে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও চিনের (China) প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের কূটনৈতিক (Global Diplomacy) কার্যকলাপের মধ্যে স্পষ্ট বৈপরীত্য নজর কেড়েছে আন্তর্জাতিক মহলের। ভারতের প্রধানমন্ত্রী যখন আক্ষরিক অর্থেই দিনরাত এক করে এশিয়া, ইউরোপ, পশ্চিম এশিয়া এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের মোট ১৩টি দেশ সফর করে ভারতের কূটনৈতিক উপস্থিতিকে আরও জোরদার করেছেন, তখন ওই একই সময়ে জিনপিং গিয়েছেন মাত্র একবার বিদেশ সফরে। এই অস্বাভাবিক ব্যবধানকে ঘিরে চিনের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি, সামরিক নেতৃত্ব এবং অর্থনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে উঠতে শুরু করেছে হাজারো প্রশ্ন।

    জিনপিংয়ের একমাত্র বিদেশ সফর (Global Diplomacy)

    জানুয়ারি থেকে জুলাই ২০২৬ পর্যন্ত জিনপিংয়ের একমাত্র বিদেশ সফর ছিল ৮ থেকে ১০ জুন, উত্তর কোরিয়ায়। সেখানে তিনি উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে বৈঠক করেন। এর বাইরে তিনি বিদেশ সফরে না গিয়ে বেজিংয়েই ছিলেন, এবং বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রপ্রধান ও উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে বৈঠক করেন। অতীতে বিশ্বজুড়ে সক্রিয় কূটনৈতিক সফরের জন্য পরিচিত জিনপিংয়ের এই অতি-সীমিত বিদেশ সফর জন্ম দিয়েছে নানা জল্পনার। অথচ, ওই সময় পর্বে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কূটনৈতিক ব্যস্ততা ছিল তুঙ্গে। ফেব্রুয়ারি মাসে তিনি মালয়েশিয়া ও ইজরায়েল সফরে গিয়েছিলেন। মে মাসে সফর করেন ইউরোপ ও পশ্চিম এশিয়ার পাঁচ দেশ। জুনে গিয়েছিলেন ফ্রান্স ও স্লোভাকিয়ায়। এই মাসেরই শেষের দিকে সফর করেন সেশেলস। জুলাইয়ে ইন্দোনেশিয়া, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড সফরের মাধ্যমে শেষ হয় তাঁর ইন্দো-প্যাসিফিক সফরসূচি।

    একাধিক চ্যালেঞ্জের মুখে চিন

    এর মধ্যে সব চেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হল, প্রায় চার দশক পরে কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নিউজিল্যান্ড সফর করেন, যা ওই অঞ্চলে ভারতের ক্রমবর্ধমান কৌশলগত গুরুত্বেরই প্রতিফলন বলে ধারণা আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের (China)। বিশ্লেষকদের মতে, এই কূটনৈতিক বৈপরীত্য এমন একটা সময়ে প্রকাশ্যে এসেছে, যখন চিন একইসঙ্গে রাজনৈতিক, সামরিক ও অর্থনৈতিক নানা চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। সবচেয়ে বেশি চর্চায় রয়েছে চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি বা পিএলএতে চলা ব্যাপক শুদ্ধি অভিযান। গত অক্টোবরে চিনের প্রতিরক্ষামন্ত্রক জানিয়েছিল, কমিউনিস্ট পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটি এবং কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের সিদ্ধান্তে শৃঙ্খলাভঙ্গের অভিযোগে ন’জন শীর্ষ সামরিক কর্তাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সরকারের তরফে এই নির্দেশটি দেওয়া হয়, কমিউনিস্ট পার্টির গুরুত্বপূর্ণ চতুর্থ প্লেনামের ঠিক আগে আগে, যেখানে ২০২৬ থেকে ২০৩০ সালের পঞ্চদশ পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনার কাঠামো অনুমোদিত হয়েছিল (Global Diplomacy)।

    গোপন টিউমার

    অপসারিত আধিকারিকদের মধ্যে ছিলেন জেনারেল হে ওয়েইদং, যিনি কেন্দ্রীয় সামরিক কমিশনের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পদে ছিলেন এবং দীর্ঘদিন ধরে জিনপিংয়ের ঘনিষ্ঠ সামরিক সহযোগী হিসেবে পরিচিত ছিলেন। জিনপিং ক্ষমতায় আসার পর দ্রুত উত্থান ঘটে তাঁর। সামরিক সংস্কার বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকাও পালন করেছিলেন তিনি। ২০২৫ সালের মার্চে হে জনসমক্ষে আসা বন্ধ করে দিলে শুরু হয় গুঞ্জন। পরে তাঁকে কমিউনিস্ট পার্টি থেকে বহিষ্কার করা হয় এবং তাঁর বিরুদ্ধে সামরিক আইনি প্রক্রিয়া শুরু হয়। পিএলএর সরকারি মুখপত্রে তাঁকে এবং অন্য অপসারিত কর্তাদের “অবিশ্বস্ত” ও “গোপন টিউমার” বলে উল্লেখ করা হয়। শুদ্ধি অভিযান সেখানেই থেমে থাকেনি। ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আরও ন’জন প্রবীণ সামরিক প্রতিনিধিকে জাতীয় গণ কংগ্রেস থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। চার মাস পরে স্থায়ী কমিটি আরও ছ’জন পদস্থ সামরিক কর্তাকে সরিয়ে দেয়। তাঁদের মধ্যে ছিলেন জেনারেল শু শুয়েচিয়াং, জেনারেল লি ফেংবিয়াও, জেনারেল গো পুশিয়াও, ওয়াং কাংপিং, ঝাং মিংহুয়া এবং ইন হংসিং। বিমানবাহিনী, স্থলবাহিনী, সাইবার বাহিনী, সরঞ্জাম উন্নয়ন বিভাগ এবং পূর্ব ও পশ্চিম থিয়েটার কমান্ড—সব ক্ষেত্রেই এই পরিবর্তনের প্রভাব পড়ে (Global Diplomacy)।

    আস্থার সঙ্কটের ইঙ্গিত!

    উল্লেখযোগ্য বিষয় হল, অপসারিত অনেক কর্তাকেই জিনপিং নিজে পদোন্নতি দিয়েছিলেন। ফলে বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, এই অভিযান কেবল দুর্নীতিবিরোধী পদক্ষেপ নয়, বরং সামরিক নেতৃত্বের ভেতরে আস্থার সঙ্কটের ইঙ্গিতও হতে পারে। তবে এখনও পর্যন্ত জিনপিংয়ের বিরুদ্ধে কোনও অভ্যুত্থান বা ক্ষমতা দখলের প্রচেষ্টার নির্ভরযোগ্য প্রমাণ সামনে আসেনি। যদিও গত কয়েক বছরে একের পর এক উচ্চপদস্থ কর্তার হঠাৎ অন্তর্ধান, বরখাস্ত এবং দুর্নীতির অভিযোগে তদন্ত আন্তর্জাতিক মহলে নানা প্রশ্ন তুলেছে। প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী চিন গ্যাংয়ের অন্তর্ধান, প্রাক্তন প্রতিরক্ষামন্ত্রী লি শাংফুর অপসারণ, রকেট বাহিনীর একাধিক কর্তার বিরুদ্ধে তদন্ত এবং সাম্প্রতিক সামরিক শুদ্ধি অভিযান সেই জল্পনাকে আরও একবার উসকে দিয়েছে (Global Diplomacy)। বিশেষজ্ঞদের মতে, কর্তৃত্ববাদী শাসনব্যবস্থায় রাজনৈতিক মতবিরোধ সাধারণত প্রকাশ্যে আসে না। বরং হঠাৎ পদচ্যুতি, দুর্নীতিবিরোধী অভিযান এবং প্রশাসনিক রদবদলের মাধ্যমেই অভ্যন্তরীণ কোন্দলের ইঙ্গিত মিলতে পারে। গত এক দশকে জিনপিং নিজেই পার্টি, সরকার ও সেনাবাহিনীতে অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ পদে লোকজন নিয়োগ করেছেন। ফলে তাঁর নিজের বেছে নেওয়া কর্তাদের বিরুদ্ধেই ধারাবাহিক ব্যবস্থা নেওয়া রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকদের একটা বড় অংশ (China)।

    নানা সমস্যায় জর্জরিত অর্থনীতি

    এদিকে, চিনের অর্থনীতিও নানা সমস্যা জর্জরিত। একসময় দেশের অর্থনীতির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি ছিল সম্পত্তি খাত। বড় বড় নির্মাণ সংস্থার ধসের পর সেই খাত এখনও সঙ্কট কাটিয়ে উঠতে পারেনি। জমি বিক্রি থেকে স্থানীয় প্রশাসনের আয় কমে যাওয়ার প্রভাব পড়েছে পরিকাঠামো প্রকল্পেও। ভোক্তাদের ব্যয় কমে যাওয়া, তরুণদের বেকারত্ব, বেসরকারি বিনিয়োগে ধীরগতি এবং মূল্যপতনের চাপ চিনের অর্থনীতিকে আরও দুর্বল করেছে। অভ্যন্তরীণ চাহিদা কম থাকায় শিল্প উৎপাদন ধরে রাখতে রফতানির ওপর নির্ভরতা বেড়েছে। একই সঙ্গে উন্নত প্রযুক্তি, সেমিকন্ডাক্টর, এআই (কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা), গুরুত্বপূর্ণ খনিজ এবং সরবরাহ ব্যবস্থাকে ঘিরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে প্রতিযোগিতাও তীব্র হয়েছে (Global Diplomacy)।

    কৌশলগত ভারসাম্যে নয়াদিল্লির গুরুত্ব

    অন্যদিকে, বহু আন্তর্জাতিক সংস্থা উৎপাদনের বিকল্প কেন্দ্র হিসেবে ভারত, ভিয়েতনাম, ইন্দোনেশিয়া-সহ বিভিন্ন দেশে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছে। “চায়না প্লাস ওয়ান” কৌশলের ফলে চিনের উৎপাদনভিত্তিক আধিপত্যও আগের মতো অটুট নেই। পাশাপাশি কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী কমে যাওয়া এবং প্রবীণ মানুষের সংখ্যা দ্রুত বৃদ্ধি পাওয়ায় দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক চাপও বাড়ছে। এই প্রেক্ষাপটে ভারত তার কূটনৈতিক পরিসর আরও বিস্তৃত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির বিদেশ সফর শুধু দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক উন্নয়নের মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিল না। প্রতিরক্ষা সহযোগিতা, স্থিতিশীল সরবরাহ ব্যবস্থা, সেমিকন্ডাক্টর, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ, সামুদ্রিক নিরাপত্তা, জ্বালানি নিরাপত্তা এবং উদীয়মান প্রযুক্তি—এসব ক্ষেত্রেও অংশীদারিত্ব জোরদার করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে (China)। বিশ্লেষকদের মতে, অস্ট্রেলিয়া, ফ্রান্স, সংযুক্ত আরব আমিরশাহি, ইন্দোনেশিয়া এবং নিউজিল্যান্ডের মতো দেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্ক আরও গভীর হওয়া আন্তর্জাতিক কৌশলগত ভারসাম্যে নয়াদিল্লির গুরুত্ব বাড়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে।

    জল্পনা জল্পনাই

    তবে জিনপিংয়ের সীমিত বিদেশ সফরকে কেন্দ্র করে যত জল্পনাই থাকুক না কেন, শুধুমাত্র বিদেশ সফর কম হওয়াকেই তাঁর রাজনৈতিক দুর্বলতার প্রমাণ হিসেবে দেখা যায় না। এখনও পর্যন্ত অভ্যুত্থান বা ক্ষমতা হারানোর কোনও নিশ্চিত তথ্য প্রকাশ্যে আসেনি। তবে সামরিক শুদ্ধি অভিযান, ধারাবাহিক প্রশাসনিক রদবদল, অর্থনৈতিক চাপ এবং সীমিত আন্তর্জাতিক সফর—সব মিলিয়ে চিনের নেতৃত্ব যে একটি জটিল সময়ের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছেন, তা নিয়ে খুব একটা দ্বিমত নেই আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের। একই সময়ে ভারতের সক্রিয় কূটনৈতিক উপস্থিতি বিশ্ব রাজনীতিতে নয়াদিল্লির ক্রমবর্ধমান ভূমিকার (Global Diplomacy) দিকটিকেও স্পষ্টভাবে তুলে ধরছে (China)।

     

  • Jammu Kashmir India: বাংলাদেশের সেমিনারে ভারতের ভুল মানচিত্র প্রদর্শন, প্রকাশ্যেই আপত্তি ভারতীয় কূটনীতিক পূজার

    Jammu Kashmir India: বাংলাদেশের সেমিনারে ভারতের ভুল মানচিত্র প্রদর্শন, প্রকাশ্যেই আপত্তি ভারতীয় কূটনীতিক পূজার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকার একটি নীতিনির্ধারণী সেমিনার থেকে তামাম বিশ্বকে বড় বার্তা দিয়ে খবরের শিরোনামে ভারতীয় কূটনীতিক পূজা কুমারী ঝা (Pooja Kumari Jha)। ভারতের মানচিত্রে জম্মু-কাশ্মীরের (Jammu Kashmir India) ভুল উপস্থাপন নিয়ে আপত্তি জানিয়ে প্রচারের আলোকে চলে এসেছেন তিনি। ঢাকায় বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ইন্টারন্যাশনাল অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজিক স্টাডিজ (বিআইআইএসএস)-এ আয়োজিত “আস্থা পুনর্গঠন, আঞ্চলিক সংহতির নবায়ন: সার্ক পুনরুজ্জীবনের পথ” শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য রাখছিলেন পূজা। সেখান থেকেই দৃঢ় গলায় জানিয়ে দেন জন্মু-কাশ্মীরের ভুল উপস্থাপন নিয়ে তাঁর প্রবল আপত্তির কথা।

    জম্মু-কাশ্মীর ভারতেরই (Jammu Kashmir India)

    জানা গিয়েছে, ঢাকার ওই অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখছিলেন ভারতে বাংলাদেশের প্রাক্তন হাইকমিশনার আহমেদ তারিক করিম। তিনি ২০০৯ থেকে ’১৪ পর্যন্ত ভারতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। বক্তব্যের সময় তাঁর উপস্থাপনায় ভারতের একটি মানচিত্র দেখানো হয়। সেই ম্যাপে জম্মু- কাশ্মীরের সীমানা ভারতের সরকারি অবস্থানের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। উপস্থিত দর্শকদের মধ্যেই ছিলেন ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব পূজা। তিনি সঙ্গে সঙ্গেই বিষয়টি নিয়ে আপত্তি জানান। ভারতীয় এই কূটনীতিক বলেন, “এখানে ভারতের যে মানচিত্রটি দেখানো হচ্ছে, সেটি ঠিকঠাক নয়। জম্মু-কাশ্মীর ভারতেরই অবিচ্ছেদ্য এবং অবিচ্ছিন্ন অংশ।” তাঁর আপত্তির জবাবে আহমেদ তারিক করিম বলেন, “এই মানচিত্রটি কেবল উপস্থাপনার সুবিধার জন্য ব্যবহার করা হয়েছে। এটি প্রকৃত আন্তর্জাতিক সীমানা তুলে ধরার উদ্দেশ্যে প্রদর্শিত হয়নি।” তবে তাঁর এই ব্যাখ্যার পরেও ভারতের সরকারি অবস্থান মনে করিয়ে দেন পূজা। বলেন, “আমি আপনার বক্তব্য বুঝতে পারছি। কিন্তু জম্মু-কাশ্মীর ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ, এবং এখানে সেটাই ভুলভাবে দেখানো হয়েছে। তাই বিষয়টি তুলে ধরা প্রয়োজন বলে মনে করেছি।”

    ঢোক গিলতে হল বাংলাদেশকে!

    এই সময় (Jammu Kashmir India) করিম জানতে চান, তিনি ভারতের প্রতিনিধি কি না। উত্তরে নিজের পরিচয় দিয়ে পূজা জানান, তিনি ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনের দ্বিতীয় সচিব। বাধ্য হয়ে করিম বলেন, “আপনার বক্তব্য নথিভুক্ত করা হল।” এই বলেই তিনি তাঁর বক্তব্য চালিয়ে যেতে থাকেন। দক্ষিণ এশিয়ার রাষ্ট্রগুলির রাজনৈতিক ও ঐতিহাসিক বাস্তবতা তুলে ধরে করিম জানান, ঔপনিবেশিক শাসনের অবসানের পর দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলি আইনি সার্বভৌমত্ব অর্জন করলেও, তাদের পরিচয়, রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠান এবং ভূখণ্ডগত নিরাপত্তা নিয়ে নানা উদ্বেগ রয়ে গিয়েছে। তাঁর মতে, ঔপনিবেশিক শাসন শুধু সীমান্ত নির্ধারণ করেনি, বরং রাজনৈতিক চিন্তাভাবনার ধরনও বদলে দিয়েছিল। এর ফলে প্রতিবেশী রাষ্ট্রগুলিকে অনেক সময় সহযোগী নয়, সম্ভাব্য হুমকি হিসেবে দেখার প্রবণতা তৈরি হয়েছে।

    দেশভাগের জের

    তিনি আরও জানান, ঔপনিবেশিক শাসনের আগে দক্ষিণ এশিয়া কঠোরভাবে বিভক্ত ভূখণ্ড ছিল না। সাম্রাজ্য, দেশীয় রাজ্য, বাণিজ্যপথ, তীর্থযাত্রা, ভাষাগত ধারাবাহিকতা এবং পরিবেশগত সংযোগের মাধ্যমে মানুষ অবাধে চলাচল করত, বাণিজ্য হত, বিবাহ ও সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানের চলও ছিল। দেশভাগের ফলে পরিবার, বাজার, নদী, রেলপথ, বন্দর, স্মৃতি এবং (Jammu Kashmir India) পরিচয় বিভক্ত হয়ে যায়। তাঁর ভাষায়, “দেশভাগ ছিল যেন একটি পরিবারের বাড়িকে ভাগ করে দেওয়ার মতো ঘটনা (Pooja Kumari Jha)।” সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশের বিদেশ প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। অনুষ্ঠানে দক্ষিণ এশিয়ায় আঞ্চলিক সহযোগিতা, পারস্পরিক আস্থা এবং সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করার বিভিন্ন দিক নিয়েও আলোচনা হয়।

    কে এই পূজা?

    এদিকে, ভারতীয় কূটনীতিক পূজার এই প্রতিবাদের একটি ভিডিও ফুটেজ ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়। ভিডিওতে দেখা যায়, মানচিত্রে আপত্তি তুলে ধরে পূজা স্পষ্ট ভাষায় ভারতের অবস্থান তুলে ধরছেন। বিষয়টি নিয়ে বিভিন্ন মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে। পূজা ভারতীয় বিদেশ পরিষেবার ২০২২ ব্যাচের আধিকারিক। ওই বছরই তিনি প্রথমবারের চেষ্টায়ই ইউপিএসসির সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় সর্বভারতীয় ৮২তম স্থান লাভ করেন। তখন তাঁর বয়স ছিল মাত্রই ২৫ বছর। বর্তমানে তিনি ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে দ্বিতীয় সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। ২০২২ সালে এক সাক্ষাৎকারে পূজা জানিয়েছিলেন, তাঁর শৈশব আর্থিক সঙ্কট ও সামাজিক নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়ে কেটেছে। পরিবারের দ্বিতীয় কনিষ্ঠ সন্তান হিসেবে নানা প্রতিকূলতা অতিক্রম করেই তিনি দেশের অন্যতম কঠিন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় সাফল্য অর্জন করেন।

    জম্মু-কাশ্মীর নিয়ে ভারতের অবস্থান

    জম্মু-কাশ্মীর (Jammu Kashmir India) প্রসঙ্গে ভারতের অবস্থান বরাবরই এক। নয়াদিল্লির দাবি, সমগ্র জম্মু ও কাশ্মীর এবং লাদাখ ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। একই সঙ্গে ভারত বরাবরই পাকিস্তান অধিকৃত কাশ্মীর খালি করার দাবি জানিয়ে এসেছে, এবং এই ইস্যুতে কোনও তৃতীয় পক্ষের মধ্যস্থতার প্রস্তাবও প্রত্যাখ্যান করেছে (Pooja Kumari Jha)।ঢাকার এই সাম্প্রতিক ঘটনায়ও ভারতীয় কূটনীতিক পূজা সরকারের সেই অবস্থানই আরও একবার জানিয়ে দিলেন প্রকাশ্যে। উল্লেখ্য, ১৯৭৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বাংলাদেশ সরকার নিয়ন্ত্রিত প্রতিষ্ঠান বিআইআইএসএস। এর লক্ষ্য হল নানা আন্তর্জাতিক, নিরাপত্তা, কৌশলগত ও উন্নয়নমূলক বিষয় নিয়ে গবেষণা ও পর্যালোচনা পরিচালনা করা। এটি বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় থিঙ্ক ট্যাঙ্ক প্রতিষ্ঠান হিসেবেই পরিচিত (Jammu Kashmir India)।

     

  • Sheikh Hasina: মৃত্যুদণ্ডের রায় সত্ত্বেও ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন হাসিনা, জানালেন আদালতে আত্মসমর্পণের কথাও

    Sheikh Hasina: মৃত্যুদণ্ডের রায় সত্ত্বেও ডিসেম্বরে দেশে ফিরবেন হাসিনা, জানালেন আদালতে আত্মসমর্পণের কথাও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ডিসেম্বরেই বাংলাদেশে ফিরছেন পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। তাঁর সঙ্গেই স্বদেশে (Bangladesh) ফিরবেন নিষিদ্ধ আওয়ামি লিগের একাধিক শীর্ষ নেতৃত্ব। বর্তমানে ভারতে রয়েছেন হাসিনা। তিনি জানান, ডিসেম্বরে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। নিজের জীবনের ঝুঁকি রয়েছে জেনেও, বাংলাদেশে ফেরার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বঙ্গবন্ধু-কন্যা।সংবাদসংস্থাকে দেওয়া ঘণ্টাখানেকের টেলিফোনিক সাক্ষাৎকারে আশি ছুঁইছুঁই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী হাসিনা বলেন, “আমি দেশে ফিরব। আমায় গ্রেফতার করা হতে পারে। হত্যা করা হলেও, আমি ফিরব।”

    ‘যদি মৃত্যুই আসে…'(Sheikh Hasina)

    তিনি বলেন, “আমার দলের নেতা-কর্মীদের ওপর ভয়াবহ দমন-পীড়ন চলছে। যদি মৃত্যুই আসে, তবে আমি চাই সেটি আমার নিজের মাটিতেই আসুক, যেখানে আমার বাবা-মা শায়িত আছেন এবং যেখানে তাঁদের রক্ত ঝরেছে।” এটাই প্রথমবার, যখন হাসিনা প্রকাশ্যে দেশে ফেরার সম্ভাব্য সময়সীমা জানালেন। একই সঙ্গে তিনি জানান, আওয়ামি লিগের আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতাও তাঁর সঙ্গে দেশে ফিরে আদালতে আত্মসমর্পণ করবেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও। হাসিনার পাশাপাশি এঁকেও মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে বাংলাদেশের আদালত। ২০২৪ সালের ৫ অগাস্ট ছাত্র-নেতৃত্বাধীন গণআন্দোলনের জেরে টানা কয়েক সপ্তাহের হিংসাত্মক বিক্ষোভের জেরে বাংলাদেশ (Bangladesh) ছেড়ে ভারতে আশ্রয় নেন হাসিনা। সেনাপ্রধানের পরামর্শেই নিরাপত্তার স্বার্থে দেশ ছাড়েন বলে সেই সময় জানা গিয়েছিল। এরপর থেকে হাসিনা রয়েছেন ভারতেই।

    মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত হাসিনা

    গত নভেম্বরে বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল ২০২৪ সালের ছাত্র আন্দোলন দমনে তাঁর ভূমিকার অভিযোগে দেশে না থাকা অবস্থায়ও হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ডে দণ্ডিত করে। যদিও প্রথম থেকেই তাঁর বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন পড়শি দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী (Sheikh Hasina)। বর্তমানে বাংলাদেশ সরকার বারবার হাসিনাকে দেশে ফেরাতে ভারতের কাছে প্রত্যর্পণের আবেদন জানাচ্ছে। এ প্রসঙ্গে হাসিনা বলেন, “ঢাকার কর্তৃপক্ষ আমাকে ফেরাতে ভারতের কাছে বারবার চিঠি পাঠাচ্ছে। কিন্তু আমি নিজেই দেশে ফিরব।” তিনি জানান, দেশে ফেরার বিষয়ে কোনও বিদেশি সরকারের সঙ্গে তিনি আলোচনা করেননি। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘‘গণতন্ত্র, ভোটাধিকার, আওয়ামি লিগের রাজনৈতিক অধিকার কোনও গোপন আলোচনার বিষয় নয়। তাই এ নিয়ে কোনও আলোচনা হয়নি।’’ ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল এর আগে জানিয়েছিলেন, বাংলাদেশের প্রত্যর্পণ-সংক্রান্ত আবেদন আইনি ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। একই সঙ্গে নয়াদিল্লি ঢাকার সঙ্গে গঠনমূলক সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী বলেও জানিয়েছিলেন তিনি।

    রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা

    তাঁর বিরুদ্ধে (Sheikh Hasina) দায়ের হওয়া মামলাগুলিকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে দাবি করে হাসিনা বলেন, “আমি বিচারব্যবস্থার ওপর (Bangladesh) বিশ্বাস রাখি। আদালতে মামলা শুরু হলে মানুষ বুঝতে পারবেন এই বিচার কতটা প্রহসনের।” তিনি বলেন,  ‘‘আমাদের প্রায় সব নেতা এবং কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অধিকাংশই আত্মগোপন করে রয়েছেন। তাই আমি বলেছি, এ বার আমি ঘরে ফিরছি। এক দিন আপনাদের সকলকেই ফিরতে হবে। আমরা সকলে একসঙ্গে আদালতে আত্মসমর্পণ করব। বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হলে আদালতের প্রহসনমূলক চরিত্র প্রকাশিত হয়ে যাবে। আমি সেটাই চাই।’’ মহম্মদ ইউনূসের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের নিষেধাজ্ঞার জেরে গত ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে অংশ নিতে পারেনি আওয়ামি লিগ। হাসিনা চান, তাঁর দলের ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করুক বাংলাদেশের জনগণ। সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, ‘‘আমাদের প্রায় সব নেতা এবং কর্মীর বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। অধিকাংশই আত্মগোপন করে রয়েছেন।

    কারাবাসের ভয় নেই

    তিনি জানান (Sheikh Hasina), কারাবাসের ভয় তাঁর নেই। অতীতেও একাধিকবার তাঁকে জেলে যেতে হয়েছে। বিশেষ করে ২০০৭ সালে, সেনা-সমর্থিত তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে গ্রেফতার করা হয়েছিল তাঁকে। অবশ্য তাঁর কারাবাস দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। কারণ ২০০৮ সালের নির্বাচনে জয়ী হয়ে আবারও ক্ষমতায় ফেরেন আওয়ামি লিগ সুপ্রিমো হাসিনা। হাসিনা এও জানান, নিষিদ্ধ হওয়ার পরেও আওয়ামি লিগকে পুনর্গঠন করতে তিনি অনলাইনে বাংলাদেশের ৩০০টি সংসদীয় আসনের মধ্যে ১২৫টি আসনের নেতা-কর্মীদের নিয়ে ধারাবাহিকভাবে বৈঠক করছেন। তিনি মনে করেন, আওয়ামি লিগকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা উচিত নয়।

    আত্মসমালোচনা হাসিনার

    দীর্ঘ ২০ বছরের রাজপাট নিয়ে আত্মসমালোচনাও করেন হাসিনা। তিনি বলেন, “দীর্ঘ সময় ক্ষমতায় থাকলে ভুল হতেই পারে। কোনও সরকারই ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। তবে একটি সরকারের ভালো-মন্দের বিচার করার অধিকার জনগণের। সেই বিচার আমি জনগণের হাতেই ছেড়ে দিচ্ছি (Sheikh Hasina)।” আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশের মতে, হাসিনা বাংলাদেশে ফিরলে ঢাকা-দিল্লি দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের উন্নতি হতে পারে। হাসিনা ভারত ছেড়ে নিজের দেশে না ফেরায় দুই দেশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরেই টানাপড়েন চলছিল। চলতি বছরেই তিনি যে বাংলাদেশে (Bangladesh) ফিরবেন, তা আগেই জানিয়েছিলেন বাংলাদেশের পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী। তবে এ বার নির্দিষ্ট করে জানিয়ে দিলেন, ডিসেম্বরেই তিনি ফিরছেন বাংলাদেশে (Sheikh Hasina)।

     

  • Canadian Police: “নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারতের যুক্ত থাকার প্রমান মেলেনি”, জানিয়ে দিল কানাডার পুলিশ

    Canadian Police: “নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে ভারতের যুক্ত থাকার প্রমান মেলেনি”, জানিয়ে দিল কানাডার পুলিশ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ ভারতের দাবিকেই মান্যতা দিল কানাডা (Canadian Police)। স্বীকার করে নিল ২০২৩ সালে খালিস্তানপন্থী বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা হরদীপ সিং নিজ্জর হত্যাকাণ্ডে (Nijjar Killing) ভারত সরকারের কোনও আধিকারিকের জড়িত থাকার কোনও প্রমাণ এখনও পর্যন্ত তদন্তে মেলেনি। কানাডার রয়্যাল কানাডিয়ান মাউন্টেড পুলিশ (আরসিএমপি) অবশ্য জানিয়েছে, এই ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে।

    আরসিএমপির ডেপুটি কমিশনারের বক্তব্য (Canadian Police)

    আরসিএমপির ডেপুটি কমিশনারের বক্তব্য ()আরসিএমপির ডেপুটি কমিশনার কানাডার সংবাদমাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে আরসিএমপির ডেপুটি কমিশনার লিসা মোরল্যান্ড বলেন, “এই মামলার তদন্তে ভারত সরকারের কোনও কর্তা অভিযুক্ত নন বা তদন্তে তাঁদের জড়িত থাকার কোনও প্রমাণ মেলেনি। অবশ্য, তদন্ত এখনও চলছে। এখনও পর্যন্ত এমন কোনও তথ্য সামনে আসেনি, যা ভারত সরকারকে এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যুক্ত করে।” বস্তুত, কানাডার এই মন্তব্যটি এমন একটি সময়ে এসেছে, যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র একটি অভিযোগপত্র প্রকাশ করে জানায়, জেলে বন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই এবং তাঁর সহযোগী সতিন্দরজিৎ সিং ওরফে গোল্ডি ব্রার নিজ্জর হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত ছিলেন বলে অভিযোগ।

    অপরাধচক্রকে নিশানা

    মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের লস অ্যাঞ্জেলেসে দাখিল হওয়া ফেডেরাল অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, লরেন্স বিষ্ণোই জেল থেকে চোরাই মোবাইল ফোন ব্যবহার করে এই হত্যার পরিকল্পনা ছকেছিলেন। অন্যদিকে, উত্তর আমেরিকায় পুরো ষড়যন্ত্রের সলতে পাকিয়েছিলেন গোল্ডি। অভিযোগ, হত্যাকাণ্ডের আগে নিজ্জরের একাধিক ছবি ও ঠিকানা এক সহযোগীর হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল, যাতে পরিকল্পনা সফলভাবে কার্যকর করা যায়। তবে লস অ্যাঞ্জেলেসে আয়োজিত সাংবাদিক বৈঠকে মার্কিন কর্তৃপক্ষের কোনও প্রতিনিধি এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে ভারত সরকারের যুক্ত থাকা কিংবা এই হত্যাকাণ্ড সম্পর্কে ভারত সরকারের কাছে আগাম কোনও খবর থাকার অভিযোগ তোলেননি (Canadian Police)। আরসিএমপি এই তথ্য প্রকাশ করে “অপারেশন হার্ড বল” নামে একটি যৌথ অভিযানের কথা ঘোষণা করে। জানা গিয়েছে, কানাডা ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ এই তদন্তে লরেন্স বিষ্ণোই, রবিন্দর সিং ধান্দা এবং জগ্গু ভগবানপুরিয়ার নেতৃত্বাধীন বলে অভিযোগ থাকা সংগঠিত অপরাধচক্রকে নিশানা করা হয়েছে।

    তদন্তকারীদের দাবি

    তদন্তকারীদের দাবি, এই অপরাধচক্রগুলির বিরুদ্ধে চাঁদার জুলুম, মাদক পাচার, অপহরণ এবং একাধিক সহিংস অপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নিজ্জর হত্যাকাণ্ডও। উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বর মাসে কানাডার তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো সংসদে দাবি করেছিলেন, নিজ্জর হত্যার সঙ্গে ভারতীয় সরকারি এজেন্টদের সম্ভাব্য যোগসূত্র নিয়ে ‘বিশ্বাসযোগ্য অভিযোগে’র তদন্ত করছে কানাডা। ভারত সেই অভিযোগ ‘অযৌক্তিক’ বলে খারিজ করে দেয় এবং অভিযোগের পক্ষে প্রমাণ চেয়ে আসছিল। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে ভারত ও কানাডার কূটনৈতিক সম্পর্কের তীব্র অবনতি হয়। দুই দেশই একে অপরের প্রবীণ কূটনীতিকদের বহিষ্কার করে, কূটনৈতিক কর্মীসংখ্যা কমায়, কিছু সময়ের জন্য ভিসা পরিষেবা (Canadian Police) স্থগিত রাখে এবং বাণিজ্য আলোচনা বন্ধ হয়ে যায়। সম্প্রতি কানাডার প্রধানমন্ত্রী মার্ক কার্নির নেতৃত্বে দুই দেশের সম্পর্ক ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হওয়ার ইঙ্গিত মিলছে।

    ‘অপারেশন হার্ড বল’

    এদিকে, ‘অপারেশন হার্ড বলে’র আওতায় সংগঠিত আন্তর্জাতিক অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে বড়সড় অভিযান চালিয়েছে মার্কিন বিচার বিভাগ। তিনটি পৃথক অভিযোগপত্রে মোট ৩৭ জনের বিরুদ্ধে হত্যা, তোলাবাজি, মাদক পাচার এবং অস্ত্র চোরাচালানের অভিযোগ আনা হয়েছে।মার্কিন বিচার বিভাগের দাবি, দীর্ঘদিনের তদন্তের পর ভারতীয় বংশোদ্ভূত সংগঠিত অপরাধচক্রের বিরুদ্ধে এই অভিযান চালানো হয়েছে। আমেরিকা, কানাডা এবং ইউরোপের বিভিন্ন দেশ থেকে ২৪ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। আরও কয়েকজন আগে থেকেই বিভিন্ন মামলায় আটক ছিলেন। অভিযানে প্রায় হাজার কিলোগ্রাম কোকেন, এক কিলোগ্রাম হেরোইন, নগদ ৪০ হাজার ডলার, এবং এক (Nijjar Killing) ডজন আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। এছাড়া, যুক্তরাষ্ট্র, ভারত ও ইউরোপে অবস্থান করছে (Canadian Police) বলে সন্দেহভাজন আরও ১০ জন পলাতকের খোঁজে চলছে।

     

  • Nirav Modi: নীরব মোদির প্রত্যর্পণ কার্যত নিশ্চিত, শেষ আইনি লড়াইয়েও ব্যর্থ পলাতক হিরে ব্যবসায়ী

    Nirav Modi: নীরব মোদির প্রত্যর্পণ কার্যত নিশ্চিত, শেষ আইনি লড়াইয়েও ব্যর্থ পলাতক হিরে ব্যবসায়ী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক জালিয়াতি মামলার অন্যতম অভিযুক্ত এবং পলাতক হিরে ব্যবসায়ী নীরব মোদির (Nirav Modi) ভারতে প্রত্যর্পণের (Extradition) পথ কার্যত পরিষ্কার হয়ে গেল। ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালতে করা তাঁর শেষ আইনি আবেদনও খারিজ হয়ে যাওয়ায় ব্রিটেনের পক্ষ থেকে তাঁকে ভারতে পাঠানোর ক্ষেত্রে আর কোনও আইনি বাধা নেই বলেই কূটনৈতিক সূত্রের দাবি। কিছু প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হলেই তাঁকে ভারতের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে।

    শেষ আইনি ছাতাটাও উড়ে গেল নীরবের (Nirav Modi)

    প্রাপ্ত নথি ও সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নীরব মোদি তাঁর বিরুদ্ধে জারি হওয়া প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া ঠেকাতে যে সব আইনি সুযোগ ছিল, তার সবকটিই ব্যবহার করেছেন। যদিও প্রতিটি ক্ষেত্রেই ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। ফলে দীর্ঘদিন ধরে চলা এই বহুল আলোচিত মামলায় ভারতের জন্য বড় সাফল্য এল বলেই ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের। জানা গিয়েছে, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালতের দ্বারস্থ হন নীরব। ব্রিটেনের আদালতগুলিতে সমস্ত আইনি বিকল্প শেষ হয়ে যাওয়ার পরেই তিনি এই আবেদন করেছিলেন। এর আগে ব্রিটেনের সংশ্লিষ্ট আদালত ভারতের কাছে তাঁকে প্রত্যর্পণের সিদ্ধান্ত বহাল রাখে। তার জেরে প্রয়োজনীয় নথি ভারতীয় কর্তৃপক্ষের হাতে তুলে দেওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হয়। সূত্রের দাবি, ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালতে নীরবের আবেদনটি গোপনীয়তার ভিত্তিতে গ্রহণ করা হয়েছিল। আদালতের নিয়ম অনুযায়ী, বিচারাধীন অবস্থায় এই ধরনের মামলার কোনও তথ্য প্রকাশ করা হয় না। তবে সর্বশেষ সিদ্ধান্তে আদালত তাঁকে কোনও ধরনের (Extradition) অন্তর্বর্তী বা চূড়ান্ত স্বস্তি দেয়নি। তাই প্রত্যর্পণের বিরুদ্ধে তাঁর শেষ আইনি ছাতাটাও উড়ে গেল।

    পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক জালিয়াতি মামলা

    এর আগে ব্রিটেনের উচ্চ আদালত নীরবকে (Nirav Modi) প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত রায়ের বিরুদ্ধে নতুন করে আপিল করার অনুমতি দেয়নি। আদালত জানায়, ভারত সরকার যে কারাগারের পরিবেশ, নিরাপত্তা এবং মানবিক ব্যবহারের বিষয়ে আশ্বাস দিয়েছে, তা যথেষ্ট এবং গ্রহণযোগ্য। সেই কারণে প্রত্যর্পণ স্থগিত রাখার কোনও ভিত্তি আদালত খুঁজে পায়নি। বর্তমানে নীরব লন্ডনের ওয়ান্ডসওয়ার্থ কারাগারে বন্দি রয়েছেন। ২০১৯ সালের মার্চ মাসে তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। তারপর থেকেই তিনি সেখানে রয়েছেন বিচারাধীন বন্দি হিসেবে। সিবিআই এবং প্রয়োগ অধিদফতর পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাঙ্ক জালিয়াতি ও অর্থ পাচারের মামলায় তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত করছে। বহু হাজার কোটি টাকার আর্থিক কেলেঙ্কারির অন্যতম মূল অভিযুক্ত হিসেবে তাঁকে দীর্ঘদিন ধরে খুঁজছে ভারতীয় একাধিক তদন্তকারী সংস্থা। কূটনৈতিক সূত্রের বক্তব্য, আইনি জটিলতা কাটায় এখন ব্রিটেনের প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ প্রত্যর্পণের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। প্রয়োজনীয় সরকারি আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হলেই নীরবকে ভারতে পাঠানো হতে পারে। প্রত্যর্পণের দিনক্ষণ যে কোনও সময় চূড়ান্ত হতে পারে বলেই সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা।

    ব্রিটেনের হাইকোর্টের পর্যবেক্ষণ

    চলতি বছরের মার্চ মাসেও নীরব নতুন করে প্রত্যর্পণ মামলার শুনানি শুরু করার আবেদন জানিয়েছিলেন। লন্ডনের হাইকোর্টের কিংস বেঞ্চ সেই আবেদন খারিজ করে (Nirav Modi) দেয়। তাঁর আইনজীবীরা সঞ্জয় ভান্ডারি মামলার একটি রায়কে ভিত্তি করে নতুন করে শুনানির দাবি (Extradition) তুলেছিলেন। সঞ্জয় ভান্ডারি মামলায় ব্রিটেনের আদালত মানবিক কারণে প্রত্যর্পণ নাকচ করেছিল। সেখানে দাবি করা হয়েছিল, ভারতে ফেরত পাঠানো হলে তাঁর ওপর নির্যাতনের আশঙ্কা রয়েছে। নীরবও একই ধরনের যুক্তি তুলে ধরে আদালতের কাছে আবেদন করেছিলেন। ভারতীয় তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে আদালতে জানানো হয়, নীরবের পরিস্থিতি ওই মামলার সঙ্গে তুলনীয় নয়, এবং তাঁর আশঙ্কার পক্ষে গ্রহণযোগ্য প্রমাণও নেই। শেষ পর্যন্ত ব্রিটেনের হাইকোর্ট পর্যবেক্ষণে জানায়, নীরবের আবেদন কোনও ব্যতিক্রমী পরিস্থিতির ইঙ্গিত দেয় না। তাই প্রত্যর্পণ সংক্রান্ত পুরনো মামলাটি ফের খোলার কোনও যৌক্তিকতা নেই। সেই সিদ্ধান্তের পর ইউরোপীয় মানবাধিকার আদালতেও স্বস্তি না পাওয়ায় নীরবের সামনে আর কোনও কার্যকর আইনি পথ খোলা রইল না। তাই বহু (Extradition) প্রতীক্ষিত এই প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া এখন চূড়ান্ত পর্যায়ে (Nirav Modi) পৌঁছে গিয়েছে বলেই ধারণা বিশেষজ্ঞদের।

     

  • Netanyahu: ‘ভারত থেকে বিপুল সমর্থন পাচ্ছে ইজরায়েল’, ভান্সের মন্তব্যের জবাবে মোদির দেশের প্রশংসায় নেতানিয়াহু

    Netanyahu: ‘ভারত থেকে বিপুল সমর্থন পাচ্ছে ইজরায়েল’, ভান্সের মন্তব্যের জবাবে মোদির দেশের প্রশংসায় নেতানিয়াহু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “ভারতের কাছ থেকে ইজরায়েল অভূতপূর্ব সমর্থন পায়।” মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপরাষ্ট্রপতি জেডি ভান্সের (JD Vance Ally Claim) ‘‘মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রই ইজরায়েলের একমাত্র শক্তিশালী মিত্র’’ মন্তব্যের জবাবে এমনই দাবি করেন ইজরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু (Netanyahu)। সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নেতানিয়াহু জানান, আমেরিকা ছাড়াও ইজরায়েলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ আন্তর্জাতিক অংশীদার রয়েছে। ভারতের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘‘আমাদের আরও কিছু বন্ধু রয়েছে। যেমন, ভারত নামে একটি ছোট দেশ, যার জনসংখ্যা ১৪০ কোটিরও বেশি। আর সেখান থেকে আমরা বিপুল সমর্থন পাই।’’

    নেতানিয়াহুর ভারত-প্রশস্তি (Netanyahu)

    তিনি জানান, ফেসবুকে ভারতীয় ইউজারদের কাছ থেকে তিনি ব্যাপক সমর্থন দেখতে পান। তিনি জানান, গত এক দশকে প্রতিরক্ষা, প্রযুক্তি, কৃষি, উদ্ভাবন এবং বাণিজ্য-সহ একাধিক ক্ষেত্রে ভারত ও ইজরায়েলের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী হয়েছে। চলতি বছরের শুরুতে নেতানিয়াহু ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ‘‘ব্যক্তিগত বন্ধু’’ বলে উল্লেখ করেছিলেন, এবং ভারতকে ‘‘বিশ্বশক্তি’’ আখ্যা দিয়েছিলেন। সম্প্রতি আঞ্চলিক উত্তেজনার মধ্যেই দু’দেশের শীর্ষ নেতৃত্ব কৌশলগত অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। প্রসঙ্গত, নেতানিয়াহুর এই মন্তব্যের একদিন আগেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের উপরাষ্ট্রপতি জেডি ভান্স বলেছিলেন, ‘ইজরায়েলের একমাত্র শক্তিশালী মিত্র হল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র’।

    ভান্সের দাবি

    সাংবাদিক সম্মেলনে ভান্স দাবি করেছিলেন, ‘‘প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পই বর্তমানে এমন বিশ্বনেতা, যিনি ইজরায়েলের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছেন।’’ তিনি এও জানিয়েছিলেন, সাম্প্রতিক সংঘাতের সময় ইজরায়েলের ব্যবহৃত অধিকাংশ সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, করেছে অর্থায়নও। ভান্সের প্রতি সম্মান জানিয়েই নেতানিয়াহু (Netanyahu) বলেন, ‘‘আমি তাঁকে সম্মান করি, কিন্তু তাঁর মূল্যায়নের প্রতিটি বিষয়ে আমি একমত নই।’’

    ইজরায়েলের বৈশ্বিক অংশীদারিত্বের ওপর জোর 

    নেতানিয়াহুর দাবি, বিশ্বের বহু দেশ প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা এবং এআইয়ের মতো ক্ষেত্রে ইজরায়েলের সঙ্গে সহযোগিতা বাড়াতে আগ্রহী। তাঁর কথায়, “সামরিক উদ্ভাবন ও উন্নত প্রযুক্তি নিয়ে সহযোগিতার জন্য বিভিন্ন দেশের নেতারা নিয়মিত ইজরায়েলের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।” নেতানিয়াহুর এই মন্তব্য এমন একটি সময়ে এসেছে, যখন ইরান-ইস্যু এবং বৃহত্তর মধ্যপ্রাচ্য কৌশল নিয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েলের মধ্যে মতপার্থক্য প্রকাশ্যে চলে এসেছে। যদিও বিভিন্ন নীতিগত বিষয়ে সময়ে সময়ে দুই দেশের মধ্যে মতভেদ দেখা যায়, তবুও প্রতিরক্ষা ও কৌশলগত সহযোগিতায় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র (JD Vance Ally Claim) এখনও ইজরায়েলের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ অংশীদার। এর পাশাপাশি ভারত-সহ একাধিক দেশের সঙ্গে কূটনৈতিক এবং কৌশলগত সম্পর্ক বজায় রেখে চলেছে নেতানিয়াহুর (Netanyahu) ইজরায়েল।

     

  • PM Modi: প্রয়াত প্রখ্যাত পাণ্ডবাণী শিল্পী তীজন বাই, শোকস্তব্ধ ভারত, কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী?

    PM Modi: প্রয়াত প্রখ্যাত পাণ্ডবাণী শিল্পী তীজন বাই, শোকস্তব্ধ ভারত, কী লিখলেন প্রধানমন্ত্রী?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রখ্যাত পাণ্ডবাণী শিল্পী তীজন বাইয়ের (Teejan Bai) প্রয়াণে শোকস্তব্ধ ভারত (PM Modi)। দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর আজ, রবিবার রায়পুরের একটি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। পাণ্ডবাণী শিল্পকলার অন্যতম শ্রেষ্ঠ সাধক হিসেবে সুপরিচিত ছিলেন তীজন বাই। ছত্তীসগঢ়ের এই ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্পকে দেশ-বিদেশের দর্শকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে তাঁর অবদান ছিল অনন্য।

    তীজন বাইয়ের প্রয়াণে শোক প্রকাশ প্রধানমন্ত্রীর (PM Modi)

    তীজন বাইয়ের প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সোশ্যাল মিডিয়ায় করা এক বার্তায় তিনি বলেন, “প্রখ্যাত পাণ্ডবাণী শিল্পী তীজন বাইজির প্রয়াণে আমি গভীরভাবে শোকাহত। তাঁর অসাধারণ পরিবেশনার মাধ্যমে ছত্তীসগঢ়ের এই লোকশিল্প বিশ্বজুড়ে স্বতন্ত্র পরিচিতি লাভ করেছে। তাঁর প্রয়াণ শিল্প ও সংস্কৃতির জগতে অপূরণীয় ক্ষতি। এই শোকের মুহূর্তে তাঁর পরিবার ও অসংখ্য অনুরাগীর প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা। ওঁ শান্তি!” ছত্তীসগঢ়ের মুখ্যমন্ত্রী বিষ্ণু দেও সাই বলেন, “তীজন বাইয়ের অবদান রাজ্যকে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্তরে বিশেষ সম্মান এনে দিয়েছে। তাঁর সাফল্য ছত্তীসগঢ়ের সাংস্কৃতিক পরিচিতিকে আরও উজ্জ্বল করেছে এবং নতুন প্রজন্মের শিল্পীদের অনুপ্রাণিত করেছে।” রাজ্যের মন্ত্রী কেদার কাশ্যপ শোকপ্রকাশ করতে গিয়ে বলেন, তাঁর প্রয়াণ শুধু ছত্তীসগঢ় নয়, গোটা দেশের জন্যই বড় ক্ষতি। তিনি রাজ্যের মর্যাদা অক্ষুণ্ণ রেখে দেশের অন্যতম সম্মানিত সাংস্কৃতিক দূত হিসেবে পরিচিতি লাভ করেছিলেন।

    কী এই পাণ্ডবাণী শিল্প?

    শতাব্দীপ্রাচীন পাণ্ডবাণী মহাভারতের বিভিন্ন পর্ব অবলম্বনে গড়ে ওঠা একটি মৌখিক কাহিনি পরিবেশনার ধারা। তীজন বাই তাঁর শক্তিশালী কণ্ঠ, আবেগঘন বর্ণনা ও মঞ্চে অসাধারণ উপস্থিতির মাধ্যমে এই শিল্পকে বিশ্বব্যাপী পরিচিত করে তোলেন। কয়েক দশকের দীর্ঘ কর্মজীবনে (PM Modi) তিনি পদ্মশ্রী, পদ্মভূষণ এবং দেশের অন্যতম সর্বোচ্চ অসামরিক সম্মান পদ্মবিভূষণে ভূষিত হন। তাঁর (Teejan Bai) প্রয়াণে ভারত এক অসামান্য লোকশিল্পীকে হারালেও, পাণ্ডবাণীকে সংরক্ষণ ও জনপ্রিয় করে তোলার তাঁর অবদান আগামী প্রজন্মের কাছে হয়ে (PM Modi) থাকবে চিরস্মরণীয়।

     

  • Khamenei: খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে ভারতের শ্রদ্ধাঞ্জলি, ইরানে গিয়ে কী লিখলেন ভারতের প্রতিনিধিরা?

    Khamenei: খামেনেইয়ের শেষকৃত্যে ভারতের শ্রদ্ধাঞ্জলি, ইরানে গিয়ে কী লিখলেন ভারতের প্রতিনিধিরা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের (Iran) প্রাক্তন সর্বোচ্চ নেতা আয়াতোল্লাহ সৈয়দ আলি খামেনেইয়ের (Khamenei) শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে ভারতের তরফে শ্রদ্ধা জানালেন কেন্দ্রীয় বিদেশ প্রতিমন্ত্রী পবিত্র মার্গেরিটা এবং বিহারের রাজ্যপাল অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল সৈয়দ আতা হাসনাইন। তেহরানে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে তাঁরা ভারত সরকার ও দেশের জনগণের পক্ষ থেকে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তায় মার্গেরিটা জানান, বিহারের রাজ্যপালের সঙ্গে তিনি তেহরানে খামেনেইয়ের শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন। ভারত সরকার ও দেশের জনগণের পক্ষ থেকে তাঁরা শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতি (Khamenei)

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে জারি করা বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের উপস্থিতি ভারত ও ইরানের দীর্ঘদিনের সভ্যতাগত সম্পর্ক এবং জনগণের মধ্যে পারস্পরিক যোগাযোগের গুরুত্ব তুলে ধরে। পাশাপাশি, দুই দেশের রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রেও এটি গুরুত্বপূর্ণ ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে। বিদেশমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তেহরানের ইমাম খোমেনির মোসাল্লা নমাজ প্রাঙ্গণে আজ, ৪ জুলাই থেকে শুরু হয়েছে বিদায়ী অনুষ্ঠান। চলবে ৫ জুলাই পর্যন্ত। ৬ জুলাই তেহরানে বের হবে শোকযাত্রা।

    শোকবইয়ে স্বাক্ষর ভারতের

    ৭ জুলাই ইরানের কোম শহরে আর একটি শোকযাত্রা হবে। ৯ জুলাই মাশহাদে হবে চূড়ান্ত শেষকৃত্য। পরে ইমাম রেজার পবিত্র মাজারে খামেনেইকে সমাহিত করা হবে বলে জানিয়েছে ইরানের সংবাদমাধ্যম তাসনিম (Khamenei)। এর আগে, ৫ মার্চ নয়াদিল্লিতে অবস্থিত ইরানের দূতাবাসে গিয়ে ভারতের বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেন। তিনি ভারতের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে খামেনেইয়ের মৃত্যুতে গভীর শোক প্রকাশ করেন এবং ভারতে নিযুক্ত ইরানের রাষ্ট্রদূত মহম্মদ ফাতালির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে সমবেদনা জানান। ভারতের বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, বিদেশ সচিব বিক্রম মিস্রি ভারতের জনগণ ও সরকারের পক্ষ থেকে ইরানের (Iran) দূতাবাসে গিয়ে শোকবইয়ে স্বাক্ষর করেছেন এবং খামেনেইয়ের মৃত্যুতে গভীর সমবেদনা প্রকাশ করেছেন (Khamenei)।

     

  • VB G RAM G: ভারতের গ্রামীণ শ্রমিকদের জন্য বড় ঘোষণা, ১০ শতাংশের বেশি বাড়ল মজুরি, কত হল জানেন?

    VB G RAM G: ভারতের গ্রামীণ শ্রমিকদের জন্য বড় ঘোষণা, ১০ শতাংশের বেশি বাড়ল মজুরি, কত হল জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের গ্রামীণ শ্রমিকদের জন্য বড় স্বস্তির খবর। বৃহস্পতিবার, ২ জুলাই থেকে কার্যকর হয়েছে ‘বিকশিত ভারত–রোজগার ও আজীবিকা গ্যারান্টি মিশন (গ্রামীণ) আইন, ২০২৫’। নয়া আইনের আওতায় সারা (VB G RAM G) দেশে গ্রামীণ শ্রমিকদের দৈনিক মজুরি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়ানো হয়েছে (Minimum Wage)। পাশাপাশি যোগ্য গ্রামীণ পরিবারগুলিকে বছরে ১২৫ দিনের নিশ্চিত মজুরিভিত্তিক কর্মসংস্থানের আইনি অধিকার দেওয়া হয়েছে।

    বাড়ল গড় দৈনিক মজুরি (VB G RAM G)

    নয়া ব্যবস্থায় জাতীয় স্তরে ঘোষিত গড় দৈনিক মজুরি ২৯৮.৮ টাকা থেকে বেড়ে ৩২৭.৪ টাকায় পৌঁছেছে। অর্থাৎ গড়ে ১০ শতাংশেরও বেশি মজুরি বেড়েছে। কেন্দ্রীয় সরকার জানিয়েছে, দেশের কোনও এলাকায়ই ঘোষিত ন্যূনতম দৈনিক মজুরি ৩০০ টাকার নীচে থাকবে না। সমস্ত রাজ্য, কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং নির্ধারিত মজুরি অঞ্চলের জন্য সংশোধিত মজুরির হার ইতিমধ্যেই ঘোষণা করা হয়েছে। উত্তরপ্রদেশ, বিহার, ঝাড়খণ্ড, পশ্চিমবঙ্গ, অসম, অরুণাচল প্রদেশ এবং হিমাচল প্রদেশে দৈনিক মজুরি ১৫ থেকে ২৫ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানানো হয়েছে। নতুন আইনে গ্রামীণ পরিবারগুলির জন্য নিশ্চিত কর্মসংস্থানের সীমা ১০০ দিন থেকে বাড়িয়ে ১২৫ দিন করা হয়েছে। সরকারের দাবি, এই উদ্যোগের ফলে গ্রামীণ কর্মসংস্থান আরও স্বচ্ছ, কার্যকর এবং ফলপ্রসূ হবে।

    মন্ত্রীর বক্তব্য

    সরকারের মতে, এই কর্মসূচির মাধ্যমে দীর্ঘস্থায়ী গ্রামীণ সম্পদ গড়ে তোলা, প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ, কৃষি উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, জীবিকার সুযোগ সম্প্রসারণ এবং গ্রামে মহিলাদের নেতৃত্বকে আরও শক্তিশালী করার টার্গেট নেওয়া হয়েছে। নতুন আইন নির্বিঘ্নে কার্যকর করতে কেন্দ্র ইতিমধ্যেই রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির জন্য অন্তর্বর্তী বরাদ্দ হিসেবে ৯৫ হাজার ৬৯২ কোটি ৩১ লক্ষ টাকা দিয়ে দিয়েছে। এই অর্থ কর্মসংস্থান অব্যাহত রাখা, সময়মতো মজুরি দেওয়া এবং উন্নয়নমূলক প্রকল্পগুলি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নের কাজে ব্যয় করা হবে। কেন্দ্রীয় গ্রামীণ উন্নয়ন এবং কৃষি ও কৃষক কল্যাণ মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান বলেন, “বিকশিত ভারত–রোজগার ও আজীবিকা গ্যারান্টি মিশন (গ্রামীণ) আইন, ২০২৫ গ্রামীণ ভারতের জন্য এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে এই আইন গ্রামীণ শ্রমিকদের আরও বেশি জীবিকা সুরক্ষা, মর্যাদা এবং আত্মবিশ্বাস জোগাবে (VB G RAM G)।”

    সরকারের অঙ্গীকারের প্রতিফলন

    তিনি বলেন, “১০০ দিনের পরিবর্তে ১২৫ দিনের কর্মসংস্থানের আইনি নিশ্চয়তা গ্রামীণ পরিবারের পাশে থাকার সরকারের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। সরকারের অগ্রাধিকার হল, প্রত্যেক যোগ্য শ্রমিক যাতে প্রয়োজনের সময় কাজ পান, তা নিশ্চিত করা (Minimum Wage)।” মন্ত্রী জানান, নয়া আইন কার্যকর করার জন্য কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকার প্রশাসনিক, আর্থিক ও কারিগরি সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে। তাঁর আশা, এই উদ্যোগের মাধ্যমে আরও বেশি কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে, দীর্ঘস্থায়ী গ্রামীণ সম্পদ গড়ে উঠবে, মহিলাদের ক্ষমতায়ন আরও জোরদার হবে এবং আত্মনির্ভর ও উন্নত গ্রামীণ ভারত গড়ে তোলার লক্ষ্য পূরণে গতি আসবে। একই সঙ্গে তিনি দেশের নাগরিকদের শক্তিশালী ও আত্মনির্ভর গ্রাম গড়ে তোলার কাজে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানান (VB G RAM G)।

    উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে ছিলেন যাঁরা

    এই আইনের জাতীয় সূচনা অনুষ্ঠান হয় বৃহস্পতিবার অন্ধ্রপ্রদেশের তিরুপতি জেলার ওবুলভারিপল্লে মণ্ডলের মুক্কাভারিপল্লে গ্রামে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, অন্ধ্রপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী এন চন্দ্রবাবু নাইডু, উপমুখ্যমন্ত্রী কোনিদেলা পবন কল্যাণ, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী চন্দ্র শেখর পেম্মাসানি, কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী কমলেশ পাসওয়ান-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। অনুষ্ঠানে নতুন কর্মসূচির সূচনা, উপভোক্তাদের গ্রামীণ কর্মসংস্থান গ্যারান্টি কার্ড বিতরণ, নতুন সফটওয়্যার প্ল্যাটফর্ম চালু, বিভিন্ন (Minimum Wage) প্রকাশনা প্রকাশ, উপভোক্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় এবং আইন কার্যকর করতে একাধিক উদ্যোগেরও সূচনা করা হয় (VB G RAM G)।

     

LinkedIn
Share