Tag: India

India

  • West Bengal: অনুপ্রবেশকারীদের জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার’ স্থাপনের নির্দেশ জেলাশাসকদের

    West Bengal: অনুপ্রবেশকারীদের জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার’ স্থাপনের নির্দেশ জেলাশাসকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অবৈধভাবে ভারতে বসবাস করার অভিযোগে আটক বিদেশি নাগরিক ও মুক্তিপ্রাপ্ত বিদেশি বন্দিদের, যারা দেশে ফেরা কিংবা বহিষ্কারের অপেক্ষায় রয়েছে (West Bengal), তাদের জন্য ‘হোল্ডিং সেন্টার’ স্থাপন করতে হবে (Bangladeshi Rohingya Deportees)। এই মর্মে রাজ্যের সব জেলাশাসককে (DM) নির্দেশ দিয়েছে শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বাধীন পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, রাজ্যের নয়া সরকারের এই নির্দেশ বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশকারীদের বহিষ্কারের প্রক্রিয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত।

    অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে শুভেন্দু সরকারের নীতি (West Bengal)

    মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী জানান, পশ্চিমবঙ্গ সরকার বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে শনাক্তকরণ, ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়া এবং বহিষ্কার নীতি নেবে। তবে সিএএ (CAA) আইনে হিন্দু শরণার্থী এবং অন্যান্য সম্প্রদায়ের ক্ষেত্রে এই নীতি প্রযোজ্য হবে না। ২৩ মে স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের তরফে জারি করা এক নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, “আটক বিদেশি নাগরিক এবং দেশে ফেরা কিংবা বহিষ্কারের অপেক্ষায় থাকা মুক্তিপ্রাপ্ত বিদেশি বন্দিদের জন্য জেলায় হোল্ডিং সেন্টার স্থাপনের (West Bengal) উদ্দেশ্যে উদ্যোগ গ্রহণ ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করা হচ্ছে, যা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের (MHA) নির্দেশিকা অনুযায়ী হবে।”

    সরকারি নির্দেশিকা

    স্বরাষ্ট্র ও পার্বত্য বিষয়ক দফতরের বিদেশি শাখা (SAARC VISA Section) থেকে ২৩ মে জারি করা এক সরকারি নির্দেশিকায় রাজ্য সরকারের সচিব জেলাশাসকদের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের (MHA) নির্দেশিকা অনুসরণ করতে বলেছেন। সেখানে (Bangladeshi Rohingya Deportees) অবৈধভাবে দেশে বসবাসকারী বাংলাদেশি ও রোহিঙ্গাদের শনাক্তকরণ ও বহিষ্কারের জন্য অনুসরণীয় পদ্ধতির (West Bengal) কথাও উল্লেখ করা হয়েছে।

    শুভেন্দুর স্পষ্ট বার্তা

    প্রসঙ্গত, বঙ্গের চালকের আসনে (West Bengal) বসার পরেই পদ্ম-নেতা শুভেন্দু সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, রাজ্যে কোনও অনুপ্রবেশকারী ধরা পড়লে তাদের স্থানীয় থানায় বা প্রশাসনের কাছে না রেখে সরাসরি বিএসএফের হাতে তুলে দিতে হবে। তাঁর স্পষ্ট বার্তা, অনুপ্রবেশকারীদের কোনও ছাড় দেওয়া হবে না। শুধু তা-ই নয়, তাদের জেলে রাখার ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলেও জানিয়েছেন তিনি। নয়া মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “আমাদের কাছে সবার আগে রাষ্ট্র। দেশকে সুরক্ষিত করার কাজ সরকার করবে।” তাঁর অভিযোগ, রাজ্য সরকারের অসহযোগিতার ফলে আগের সরকারের আমলে বিঘ্নিত হয়েছে (Bangladeshi Rohingya Deportees) দেশের নিরাপত্তা।

     

  • India Slams Pakistan: ‘কলঙ্কিত গণহত্যার ইতিহাস’ স্মরণ করিয়ে রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত

    India Slams Pakistan: ‘কলঙ্কিত গণহত্যার ইতিহাস’ স্মরণ করিয়ে রাষ্ট্রসংঘে পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে (UNSC) পাকিস্তানকে ধুয়ে দিল ভারত। বুধবার নয়াদিল্লির প্রতিনিধি সাফ জানিয়ে দেন, পাকিস্তানের ‘দীর্ঘদিনের কলঙ্কিত’ গণহত্যার ইতিহাস প্রমাণ করে যে (India Slams Pakistan) তারা নিজেদের অভ্যন্তরীণ ব্যর্থতা আড়াল করতে দেশীয় ও সীমান্তের বাইরে হিংসার আশ্রয় নেয়। ‘সশস্ত্র সংঘাতে সাধারণ নাগরিকদের সুরক্ষা’ শীর্ষক খোলা বিতর্কে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এই মন্তব্য করেন রাষ্ট্রসংঘে ভারতের স্থায়ী প্রতিনিধি হরিশ পার্বথানেনি (Harish Parvathaneni)। এই বিতর্কে অংশ নিয়েছিলেন পাকিস্তানের প্রতিনিধিও। জম্মু-কাশ্মীরের প্রসঙ্গ তোলেন তিনি। পরে বক্তব্য রাখতে গিয়ে হরিশ বলেন, “এটা অত্যন্ত বিদ্রূপাত্মক যে পাকিস্তান, যার দীর্ঘদিনের গণহত্যামূলক কর্মকাণ্ডের ইতিহাস রয়েছে, তারা ভারতের সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিষয়ে মন্তব্য করছে।”

    বর্বর বিমান হামলা (India Slams Pakistan)

    চলতি বছরের শুরুতে আফগানিস্তানে পাকিস্তানের হামলার প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “বিশ্ব ভুলে যায়নি যে চলতি বছরের মার্চ মাসে, পবিত্র রমজান মাসে—যা শান্তি, আত্মবিশ্লেষণ ও করুণার সময়—পাকিস্তান কাবুলের ওমিড অ্যাডিকশন ট্রিটমেন্ট হসপিটালে (Omid Addiction Treatment Hospital) বর্বর বিমান হামলা চালায়।” রাষ্ট্রসংঘের আফগানিস্তান সহায়তা মিশনের (UNAMA) তথ্য উদ্ধৃত করে ভারতের প্রতিনিধি বলেন, “এই কাপুরুষোচিত ও নৃশংস হামলায় ২৬৯ জন সাধারণ মানুষ নিহত হন। জখম হন ১২২ জন। হাসপাতালের মতো একটি প্রতিষ্ঠানকে কোনওভাবেই সামরিক টার্গেট বলা যায় না।” তিনি বলেন, “পাকিস্তানের পক্ষে আন্তর্জাতিক (India Slams Pakistan) আইনের উচ্চ নীতির কথা বলা ভন্ডামি। কারণ তারা অন্ধকারে নিরীহ সাধারণ মানুষকে টার্গেট করে।”

    রাষ্ট্রসংঘের আফগানিস্তান সহায়তা মিশনের মূল্যায়ন

    প্রসঙ্গত, রাষ্ট্রসংঘের আফগানিস্তান সহায়তা মিশনের তথ্য অনুযায়ী, এই বিমান হামলা তারাবির নামজের পরপরই হয়েছিল, যখন বহু রোগীও মসজিদ থেকে বের হচ্ছিলেন। হরিশ বলেন, “রাষ্ট্রসসংঘের আফগানিস্তান সহায়তা মিশনের মূল্যায়ন অনুযায়ী সীমান্তপারের সশস্ত্র হিংসার কারণে ৯৪,০০০-এরও বেশি মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। পাকিস্তানের এই ধরনের আগ্রাসন আশ্চর্যের কিছু নয়, কারণ এটি এমন একটি দেশ যারা নিজেদের জনগণের ওপর বোমা বর্ষণ করে, চালায় পরিকল্পিত গণহত্যাও।” তাঁর অভিযোগ, ১৯৭১ সালে অপারেশন সার্চলাইট (Operation Searchlight) চালানোর সময় পাক সেনাবাহিনী ৪ লাখ মহিলার ওপর পরিকল্পিত গণধর্ষণ চালায়। এর পরেই ভারত সাফ (UNSC) জানিয়ে দেয়, পাকিস্তানের কাশ্মীর প্রসঙ্গ তোলাটা ভারতের অভ্যন্তরীণ (India Slams Pakistan) বিষয়ে হস্তক্ষেপের নামান্তর। তাই এই গ্রহণযোগ্য নয়।

     

  • India Italy Relation: ‘মেলোডি’-র হাত ধরে ভারত-ইটালির কূটনীতিতে নয়া মোড়! কী হল মোদি-মেলোনি বৈঠকে?

    India Italy Relation: ‘মেলোডি’-র হাত ধরে ভারত-ইটালির কূটনীতিতে নয়া মোড়! কী হল মোদি-মেলোনি বৈঠকে?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কূটনীতিতে চকোলেটের মতো মিষ্টি-মধুর সম্পর্ক তৈরি হল ভারত-ইটালির (India Italy Relation)। ‘মেলোডি’ শুধু দুই ব্যক্তির বন্ধুত্বপূর্ণ রসায়নেই থেমে থাকল না। বুধবার ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিকে পাশে (Modi-Meloni Meet) নিয়ে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে ‘স্পেশাল স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপে’ পরিণত করার ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। জানিয়ে দিলেন বাণিজ্য থেকে প্রতিরক্ষায় কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলবে দুই দেশ। মোদি-মোলোনির বন্ধুত্বের ছাপ পড়ল দুই দেশের সম্পর্কেও। যৌথ প্রেস ব্রিফিংয়ে নয়াদিল্লির সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক আরও বাড়ানোর কথা জানিয়ে জর্জিয়া বলেন, ‘বর্তমানে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ১৪ বিলিয়ন ইউরো। ২০২৯ সালের মধ্যে সেটিকে আমরা ২২ বিলিয়ন ইউরোতে নিয়ে যেতে চাই।’

    মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ফলে বিশাল সুযোগ

    ভারত ও ইউরোপীয় ইউনিয়নের মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির ফলে বিশাল সুযোগ তৈরি হয়েছে বলে মনে করেন ইটালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনি। আর সেটাকেই কাজে লাগাতে চান ‘মেলোডি’। মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির সময়ে ইটালির সমর্থনের জন্য মেলোনিকে ধন্যবাদ জানান মোদি। সোজাসুজি বলে দেন, ‘দুই দেশের ব্যবসায়ীরা যাতে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পান, তার জন্য আমরা একসঙ্গে কাজ করব।’ ২০২৩ সালে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১৪০০ কোটি ইউরো। ২০২৯ সালের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ২০০০ কোটি ইউরোতে (সাড়ে ২ লক্ষ ২৫ হাজার কোটি টাকারও বেশি) পৌঁছোনোর যৌথ লক্ষ্য ঘোষণা করেছেন দুই প্রধানমন্ত্রী। বর্তমানে ভারতে ৮০০-র বেশি ইটালির সংস্থা কাজ করছে।

    ইন্ডিয়া-ইটালি ইনোভেশন সেন্টার

    প্রযুক্তির উপরে সবচেয়ে বেশি জোর দেন মোদি। তিনি বলেন, ‘কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (AI), কোয়ান্টাম প্রযুক্তি, মহাকাশ গবেষণা ও অসামরিক পারমাণবিক শক্তির মতো ক্ষেত্রে ভারত-ইতালির কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করবে।’ দুই দেশের স্টার্টআপ, গবেষণা কেন্দ্র ও শিল্পক্ষেত্রকে যুক্ত করতে একটি ‘ইন্ডিয়া-ইটালি ইনোভেশন সেন্টার’ গড়ে তোলার কথাও ঘোষণা করেন তিনি। প্রতিরক্ষা এবং ক্লিন এনার্জি খাতেও একসঙ্গে কাজ হবে বলে ঘোষণা করেছেন মোদি। প্রতিরক্ষা ও সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলা, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তি এবং জ্বালানি-সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির পাশাপাশি, ক্রমবর্ধমান ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে দ্বিপাক্ষিক কৌশলগত সম্পর্ক নিবিড় করার কথা জানানো হয়েছে যৌথ বিবৃতিতে।

    লজিস্টিকস এবং ব্লু ইকোনমি

    ইউক্রেন যুদ্ধ, ইরান-সহ পশ্চিম এশিয়ায় যুদ্ধ পরিস্থিতি এবং হরমুজ প্রণালীতে সঙ্কটের প্রসঙ্গও এসেছে যৌথ বিবৃতিতে। বৈঠকের পরে মোদি বলেন, “প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন আমাদের অংশীদারির চালিকাশক্তি। এআই, কোয়ান্টাম, মহাকাশ এবং অসামরিক পারমাণু শক্তির মতো অনেক ক্ষেত্রে আমাদের সহযোগিতার বিপুল সম্ভাবনা রয়েছে।” জাহাজ চলাচল, বন্দর আধুনিকীকরণ, লজিস্টিকস এবং ব্লু ইকোনমি আগামী দিনে নয়াদিল্লি-রোম সম্পর্কের অন্যতম ভরকেন্দ্র হবে বলেও জানান মোদি। সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা— ‘‘হেলিকপ্টার, নৌ-প্ল্যাটফর্ম-সহ সমুদ্র-যুদ্ধের উপযোগী অস্ত্র এবং ইলেকট্রনিক যুদ্ধ ব্যবস্থা—সংক্রান্ত অংশীদারিত্ব বাড়ানো হবে।’’

    প্রেসিডেন্ট মাত্তারেল্লার সঙ্গে সাক্ষাৎ মোদির

    ২০ মে রোমের কুইরিনালে প্রাসাদে প্রেসিডেন্ট মাত্তারেল্লার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। বৈঠকে দুই নেতা ভারত-ইটালি সম্পর্কের দ্রুত অগ্রগতিতে সন্তোষ প্রকাশ করেন। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি, প্রতিরক্ষা, মহাকাশ, জ্বালানি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, শিক্ষা, সংস্কৃতি এবং জনগণের পারস্পরিক যোগাযোগের মতো বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়। বিশেষ গুরুত্ব পায় উদীয়মান প্রযুক্তি ও এআই। ভারত-ইউরোপীয় ইউনিয়ন মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি দ্রুত সম্পন্ন করার উপর জোর দেন দুই নেতা। পাশাপাশি পশ্চিম এশিয়া ও ইউরোপের সংঘাত পরিস্থিতি নিয়েও মতবিনিময় হয়। আন্তর্জাতিক আইন, সমুদ্রপথে স্বাধীন চলাচল এবং শান্তিপূর্ণ সমাধানের পক্ষে নিজেদের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেন তাঁরা।

    ভারত-পশ্চিম এশিয়া-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডর

    দুই প্রধানমন্ত্রী ভারত-পশ্চিম এশিয়া-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডর (আইএমইসি)-এ সহযোগিতার কথাও ঘোষণা করেছেন। মেলোনি জানিয়েছেন, বিশেষত ছাত্রছাত্রী, গবেষক ও দক্ষ কর্মীদের যাতায়াত বাড়াতে এবং শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা উন্নয়নে ভবিষ্যতে সহযোগিতার ক্ষেত্র সম্প্রসারিত হবে। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে ত্রাণসামগ্রী নিয়ে গাজায় যাওয়া জাহাজ আটক করা নিয়ে ইজরায়েলের সমালোচনা করেন মেলোনি।

    ভারত-ইটালি নিয়মিত আলোচনা

    মোদি-মেলোনি বৈঠকে স্থির হয়, দুই দেশ প্রতি বছর শীর্ষ নেতৃত্বের বৈঠক করবে এবং নিয়মিত মন্ত্রীস্তর ও প্রাতিষ্ঠানিক আলোচনা চালিয়ে যাবে। সন্ত্রাসবাদ মোকাবিলায় সহযোগিতা আরও জোরদার করার বিষয়েও একমত হয়েছে দুই দেশ। সন্ত্রাসে অর্থ জোগান বন্ধে যৌথ উদ্যোগ বাস্তবায়নের উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এছাড়া গুজরাটের লোথালে ন্যাশনাল মেরিটাইম হেরিটেজ কমপ্লেক্স গড়ে তোলা এবং ভারতীয় নার্স নিয়োগ সংক্রান্ত দুটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়েছে। ভারত ও ইতালি ২০২৭ সালকে সংস্কৃতি এবং পর্যটনের বছর “Year of Culture and Tourism” হিসেবে উদযাপন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

    একে অপরের পরিপূরক

    যৌথ সাংবাদিক সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী মোদি বলেন, ইটালির ডিজাইন ও জিনিস তৈরির দক্ষতা এবং ভারতের উদ্ভাবনী চিন্তা একে অপরের পরিপূরক। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী মেলোনি এই দিনটিকে “ঐতিহাসিক” বলে উল্লেখ করে জানান, ভারত-ইতালি সম্পর্ক এখন এক নতুন ও গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে পৌঁছেছে। সফরের সময় প্রধানমন্ত্রী মোদিকে গার্ড অফ অনার দেওয়া হয়। কূটনৈতিক বৈঠকের বাইরেও নজর কাড়ে মোদি-মেলোনি দুই নেতার ব্যক্তিগত মুহূর্ত। কূটনীতির টেবিলে চুক্তির কালি শুকোতে সময় লাগে। তবে ‘মেলোডি’র মিষ্টি স্বাদ বুঝিয়ে দিয়েছে— ভারত ও ইটালির সম্পর্ক এখন শুধু কাগজে-কলমে নয়, তাতে অন্য রসায়নও দানা বাঁধছে।

     

     

     

  • PM Modi: মোদির মুকুটে নয়া তাজ, পেলেন রাষ্ট্রসংঘের ‘অ্যাগ্রিকোলা মেডেল’, উৎসর্গ করলেন ভারতের কৃষকদের

    PM Modi: মোদির মুকুটে নয়া তাজ, পেলেন রাষ্ট্রসংঘের ‘অ্যাগ্রিকোলা মেডেল’, উৎসর্গ করলেন ভারতের কৃষকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক:  রাষ্ট্রসংঘের অধীনস্থ খাদ্য ও কৃষি সংস্থা সংক্ষেপে ‘ফাও’ (FAO)-এর সর্বোচ্চ সম্মান ‘অ্যাগ্রিকোলা মেডেল’ দেওয়া হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi)। ‘ফাও’ প্রধানকে ধন্যবাদ জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “এই সম্মান শুধু আমার নয়, ১৪০ কোটি ভারতবাসীর। এটি ভারতের কৃষক ও মৎস্যজীবীদের সম্মান (Indian Farmers)। আমি এই পদক ভারতের কৃষকদের উৎসর্গ করছি।” তিনি বলেন, “ভারতে কৃষিই মূলধারা। আমরা আমাদের ভূমিকে পুজো করি।”

    মানুষের কল্যাণে মোদির অবদান (PM Modi)

    রোমে ‘ফাও’-র সদর দফতরের ঐতিহাসিক প্লেনারি হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে সংস্থার মহাসচিব কিউ দংয়ু (Qu Dongyu) এই পদক তুলে দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী হাতে। তিনি বলেন, “মানুষের কল্যাণে তাঁর অবদান ও অঙ্গীকার, কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি, খাদ্য নিরাপত্তা জোরদার এবং কৃষকদের কল্যাণে যুগান্তকারী প্রকল্প চালুর জন্য এই সম্মান প্রদান করা হচ্ছে। এছাড়া ক্ষুধা ও দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে লড়াই, সর্বজনীন খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, রাষ্ট্রসংঘের কৌশলগত উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (SDGs) পূরণ এবং ভারতের জি২০ সভাপতিত্বের সময় আন্তর্জাতিক স্তরে কৃষিকে অগ্রাধিকার দেওয়ার প্রচেষ্টার স্বীকৃতিস্বরূপ তাঁকে এই পদক দেওয়া হয়েছে।”

    প্রধানমন্ত্রীর অসাধারণ নেতৃত্ব ও দূরদৃষ্টির প্রশংসা

    তিনি ভারতের কৃষিক্ষেত্রকে রূপান্তর করতে প্রধানমন্ত্রীর অসাধারণ নেতৃত্ব ও দূরদৃষ্টির প্রশংসা করেন। কৃষক-কেন্দ্রিক, উদ্ভাবনী ও যুগান্তকারী উদ্যোগগুলিরও ভূয়সী প্রশংসা করেন তিনি। ‘ফাও’-র মহাসচিব প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে ভারতের খাদ্য ও কৃষি সংক্রান্ত উদ্যোগগুলির ব্যাপকতা ও প্রভাবের কথাও উল্লেখ করেন। তিনি ভারতের আর্থিক অন্তর্ভুক্তিকরণ কর্মসূচি, করোনা অতিমারির পর থেকে ৮০ কোটি মানুষকে অন্তর্ভুক্ত করা বিশ্বের বৃহত্তম খাদ্যভিত্তিক সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থা, ১১ কোটিরও বেশি কৃষককে সরাসরি আর্থিক সাহায্য দেওয়া, প্রাকৃতিক ও পুনর্জাগরণমূলক কৃষির উন্নয়নে জাতীয় উদ্যোগ এবং ফাও-র সহযোগিতায় আন্তর্জাতিক মিলেট বর্ষ উদযাপনের প্রশংসা করেন (PM Modi)।

    মোদির ক্রেডিট

    তিনি এও বলেন, “ভারতের জি২০ সম্মেলনে সভাপতিত্বের সময় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ডিজিটাল পাবলিক পরিকাঠামোকে বিশ্বজনীন সম্পদ হিসেবে প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ উন্নয়নশীল দেশগুলিতে ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার ও কার্যকর পরিষেবা পৌঁছে দিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছে (Indian Farmers)।” তাঁর মতে, এই ধারাবাহিক প্রচেষ্টার ফলে ভারতে লাখ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার ঊর্ধ্বে উঠে এসেছে (PM Modi)।

  • Modi-Meloni Meet: রোমে ‘মেলোডি’ সন্ধ্যা! কলোসিয়ামে সেলফি, গাড়িতে সফর, নৈশভোজে মোদি-মেলোনির ছবি ভাইরাল

    Modi-Meloni Meet: রোমে ‘মেলোডি’ সন্ধ্যা! কলোসিয়ামে সেলফি, গাড়িতে সফর, নৈশভোজে মোদি-মেলোনির ছবি ভাইরাল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোমে পা দিতেই ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (Narendra Modi) স্বাগত জানালেন ইটালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি (Giorgia Meloni)। সমাজমাধ্যমে লিখলেন, ‘রোমে স্বাগত বন্ধু’। মঙ্গলবার রোমে পৌঁছেই ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনির সঙ্গে নৈশভোজ, গাড়িতে সফর এবং ঐতিহাসিক কলোসিয়ামে সেলফিতে ধরা দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। বুধবারের আনুষ্ঠানিক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকের আগেই দুই নেতার এই অনানুষ্ঠানিক মুহূর্তগুলি সামাজিক মাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

    চার দেশে সফর শেষে ইটালিতে মোদি

    পাঁচ দেশীয় সফরে বেরিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। চার দেশে সফর শেষে ইটালিতে এসে পৌঁছেছেন তিনি। ইটালিতে বসবাসকারী ভারতীয়দের সঙ্গে দেখা করেন প্রধানমন্ত্রী। দু’দেশই যৌথ কৌশলগত পরিকল্পনা করেছে। ২০২৫-’২৯ এই সময়কালকে ধরে বিভিন্ন ক্ষেত্রে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এ বিষয়ে যৌথ নিবন্ধও লিখেছেন মোদি ও মেলোনি। ইটালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনির সঙ্গে মোদির কেমিস্ট্রি বেশ জনপ্রিয়। মোদির সঙ্গে মেলোনির এটি সপ্তম সাক্ষাৎ। আর সেই সাক্ষাতের একের পর এক ছবি প্রকাশ্যে আসতেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল। এদিন নীল কুর্তা পাজামা ও বন্ধগলা কোটে অন্যরকম লুকে ধরা দেন নরেন্দ্র মোদি। অন্যদিকে, কালার কনট্রাস্টে বেবি পিঙ্ক টপ ও সাদা ট্রাইজার পরেছিলেন জর্জিয়া মেলোনি। এর আগেও মোদি-মেলোনির একাধিক সেলফি চর্চার বিষয়বস্তু হয়েছিল।

    মোদি-মেলোনি একই ফ্রেমে

    জর্জিয়া মেলোনি নিজেই প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একটি সেলফি তুলে পোস্ট করেছেন। সেই পোস্টেই মোদিকে ‘বন্ধু’ বলে উল্লেখ করেছেন মেলোনি। যা লক্ষ লক্ষ লাইক ও শেয়ার হয়েছে। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী মোদিও রোম সফরের একাধিক ছবি পোস্ট করেন। সেখানে দেখা যায়, মেলোনির সঙ্গে গাড়িতে সফর করছেন তিনি, পাশাপাশি নৈশভোজ ও অনানুষ্ঠানিক আলোচনাতেও অংশ নেন দুই নেতা। মোদি লেখেন, “রোমে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী মেলোনির সঙ্গে নৈশভোজ ও ঐতিহাসিক কলোসিয়াম পরিদর্শনের সুযোগ হল। বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আমাদের মধ্যে আলোচনা হয়েছে। বুধবারের বৈঠকে ভারত-ইতালি বন্ধুত্ব আরও শক্তিশালী করার উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হবে।” রোমের রাতের আলোয় আলোকিত কলোসিয়ামের সামনে মোদি-মেলোনির ছবি ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় লক্ষাধিক মানুষ সেই ছবি দেখেছেন ও শেয়ার করেছেন। নেটিজেনদের মধ্যে বহুদিন ধরেই জনপ্রিয় “মেলোডি” শব্দবন্ধ— যা ‘মেলোনি’ ও ‘মোদি’-র নাম মিলিয়ে তৈরি। জর্জিয়া মেলোনি নিজেই এই শব্দবন্ধ ব্যবহার করেছিলেন। “মেলোডি”-র উষ্ণ রসায়ন ফের নজর কেড়েছে আন্তর্জাতিক মহলের।

    দুই দেশের কৌশলগত সম্পর্ক

    গত কয়েক বছরে দুই দেশ বাণিজ্য, প্রতিরক্ষা, জ্বালানি ও প্রযুক্তি খাতে সহযোগিতা বাড়িয়েছে। ভারত ও মধ্যপ্রাচ্যের অর্থনৈতিক করিডরের বিষয়টিও মোদি মেলোনির মধ্যে আলোচনার মূল বিষয়বস্তু ছিল। এই করিডোর ভারত, মধ্যপ্রাচ্য ও ইউরোপকে সংযুক্তকারী একটি প্রধান অর্থনৈতিক ও সংযোগ প্রকল্প হিসেবে বিবেচনা করা হয়। প্রধানমন্ত্রী মোদী রোমে খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দফতরেও যাবেন। সেখানে তিনি খাদ্য সুরক্ষা, কৃষি সংস্কার এবং টেকসই উন্নয়নের মতো বিষয়গুলি নিয়ে আলোচনা করবেন। ২০২৪ সালের জুনে জি৭ শীর্ষ সম্মেলনের পর এটাই মোদির ইটালিতে প্রথম সফর। রোমে অবতরণ করার পর পরই এক্স পোস্টে মোদি লেখেন, ‘এই সফরের মূল লক্ষ্য হবে ভারত-ইটালি সহযোগিতা কী ভাবে বৃদ্ধি করা যায়। বিশেষ করে ভারত-পশ্চিম এশিয়া-ইউরোপ অর্থনৈতিক করিডরের উপর আলোকপাত করা হবে।’

    আমেরিকার উপর ভারতের নির্ভরতা কমানোই লক্ষ্য

    পাঁচ দিনের বিদেশ সফরে গিয়েছেন মোদি। নরওয়ে, সুইডেন, নেদারল্যান্ডস, সংযুক্ত আরব আমিরাশাহি ঘুরে শেষ পর্যায়ে এখন রোমে রয়েছেন তিনি। ইটালি থেকেই ভারতে ফিরবেন মোদি। তাঁর এই রোম সফর দু’দেশের সম্পর্ক আরও জোরদার করবে বলে মত কূটনৈতিক মহলের। ইটালির এক প্রশাসনিক কর্তাকে উদ্ধৃত করে সংবাদসংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, দু’দেশই নিজেদের মধ্যে কূটনৈতিক এবং বাণিজ্যিক সম্পর্ক উন্নতি করতে চাইবে। চলতি বছরের শুরুতেই ইউরোপীয় ইউনিয়নের সঙ্গে এক বাণিজ্যচুক্তি করেছে ভারত। এই চুক্তির অন্যতম উদ্দেশ্য ছিল, আমেরিকার উপর ভারতের নির্ভরতা কমানো। সেই চুক্তি স্বাক্ষরের পর এটাই ছিল মোদির প্রথম ইউরোপ সফর।

    মোদি-মেলোনি কী কী নিয়ে আলোচনা

    বুধবার ভিলা ডোরিয়া পামফিলিতে ইটালির প্রধানমন্ত্রী মেলোনির সঙ্গে বৈঠক করবেন মোদি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্তাকে উদ্ধৃত করে রয়টার্স জানিয়েছে, ওই বৈঠকে দুই রাষ্ট্রনেতা দু’দেশের অংশীদারি জোরদার করার জন্য একটি যৌথ ঘোষণাপত্র প্রকাশ করতে পারেন। শুধু তা-ই নয়, দু’দেশের মধ্যে বাণিজ্যের পরিমাণ আরও বৃদ্ধি করার বিষয়ে আলোচনা হতে পারে। ২০২৩ সালে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যের পরিমাণ ছিল ১,৪০০ কোটি ইউরো। ২০২৯ সালে এই বাণিজ্যের পরিমাণ দু’হাজার কোটিতে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে। শুধু দ্বিপাক্ষিক বৈঠক নয়, তার পরে মোদি ও মেলোনি দু’দেশের শিল্পপতিদের সঙ্গে দেখা করবেন। সূত্রের খবর, অর্থনৈতিক, বাণিজ্যিক এবং বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদার করার বিষেয়ে আলোচনা হতে পারে। আবার একাংশের মতে, সামুদ্রিক পরিবহণ, কৃষি, উচ্চশিক্ষা, গুরুত্বপূর্ণ খনিজ সম্পদ, আর্থিক অপরাধ দমনের মতো বিষয়গুলি নিয়ে কোনও চুক্তি স্বাক্ষর হতে পারে। এ ছাডা়ও, পশ্চিম এশিয়া, ইউক্রেন এবং ইন্দো-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের নিরাপত্তা-সহ বেশ কয়েকটি আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে মোদি-মেলোনির মধ্যে। মেলোনি ছাড়াও ইটালির প্রেসিডেন্ট সার্জিও মাত্তারেল্লার (Sergio Mattarella) সঙ্গে একটি বৈঠক করার কথা মোদির। রাষ্ট্রপুঞ্জের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার সদর দফতর পরিদর্শন করার কথা ভারতের প্রধানমন্ত্রীর।

  • Sibi George: নরওয়ের সাংবাদিককে মুখের মতো দিল ভারতের বিদেশমন্ত্রক, কী বললেন সিবি জর্জ?

    Sibi George: নরওয়ের সাংবাদিককে মুখের মতো দিল ভারতের বিদেশমন্ত্রক, কী বললেন সিবি জর্জ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: নরওয়ের রাজধানী অসলোয় সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে আলোচনায় ভারতের গণতান্ত্রিক পরিকাঠামো, সাংবিধানিক মূল্যবোধ এবং বৈচিত্র্যের পক্ষে সওয়াল করল (Sibi George) বিদেশমন্ত্রক (MEA)।   সোমবার এই আলোচনা হয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নরওয়ে সফরের সময়। এই সময় সে দেশের সংবাদমাধ্যমের পক্ষ থেকে প্রশ্ন তোলা হয় ভারতে সংবাদপত্রের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার নিয়ে (Norway Journalist Row)। অসলোয় বিদেশমন্ত্রকের সেক্রেটারি (ওয়েস্ট) সিবি জর্জ নরওয়ের সাংবাদিকের সঙ্গে বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন। নরওয়ের এক সাংবাদিক বারবার ভারতের বিশ্বাসযোগ্যতা ও আন্তর্জাতিক আস্থার প্রসঙ্গ তুলে প্রশ্ন করেন, “আমরা কেন আপনাদের বিশ্বাস করব?”

    কী বললেন জর্জ (Sibi George)?

    এর জবাবে জর্জ বলেন, “আমাদের একটি সংবিধান আছে, যা জনগণের অধিকার এবং মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করে। আমাদের দেশে নারীদের সমান অধিকার রয়েছে, যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ১৯৪৭ সালেই আমরা নারীদের ভোটাধিকার দিয়েছিলাম। আমরা একসঙ্গে স্বাধীনতা অর্জন করেছি, এবং তাঁরাও সেই স্বাধীনতা পেয়েছেন।” তিনি এও বলেন, “অনেক দেশে নারীদের ভোটাধিকার ভারতের বহু দশক পরে এসেছে। কারণ আমরা সমতা ও মানবাধিকারে বিশ্বাস করি। মানবাধিকারের সবচেয়ে বড় উদাহরণ কী? সরকার পরিবর্তনের অধিকার, ভোট দেওয়ার অধিকার। আর সেটাই ভারতে হচ্ছে। এ নিয়ে আমরা গর্বিত।” প্রশ্নোত্তর-পর্বে ওই সাংবাদিক বারবার বাধা দিলে জর্জ দৃঢ়ভাবে বলেন,
    “দয়া করে আমায় উত্তর দিতে দিন, বাধা দেবেন না। আপনি প্রশ্ন করেছেন—এটি আমার প্রেস কনফারেন্স। আপনি জানতে চেয়েছেন কেন একটি দেশ ভারতের ওপর ভরসা করবে, আমায় সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে দিন।”

    ভারতে রয়েছে আইনের শাসন

    ভারতের বহু ভাষাভিত্তিক এবং প্রাণবন্ত সংবাদমাধ্যমের প্রসঙ্গ তুলে জর্জ (Sibi George) বলেন, “আপনারা জানেন প্রতিদিন কত খবর প্রকাশিত হয়? শুধুমাত্র দিল্লিতেই অন্তত ২০০টি টিভি চ্যানেল রয়েছে—ইংরেজি, হিন্দি-সহ একাধিক ভাষায়। মানুষ ভারতের ব্যাপ্তি সম্পর্কে বোঝেন না।” তিনি বলেন, “ভারত এমন একটি দেশ, যে আইনের শাসনে বিশ্বাস করে। আমরা সবসময় নিয়ম মেনে চলেছি। আমরা নিয়ম অনুযায়ী কাজ করি। এটাই ভারতের সুনাম।”

    কোভিড-১৯-পর্বে ভারতের সাহায্য

    কোভিড-১৯-পর্বে ভারতের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার মতো কার্যকলাপ এবং গণিত, সংস্কৃতি ও বিশ্ব ঐতিহ্যে ভারতের অবদানের কথাও উল্লেখ করেন জর্জ। তিনি (Sibi George) বলেন, “চারদিকে তাকালেই আপনি ভারতের সংযোগ দেখতে পাবেন। আপনার ফোনে যে সংখ্যা ব্যবহার করেন, তার উৎপত্তিও ভারতে। ‘শূন্যে’র উৎপত্তিও ভারতে। দাবার উৎপত্তি ভারতে। এই সভ্যতা নিয়ে আমরা গর্বিত (Norway Journalist Row)। আজ বিশ্ব যে যোগব্যায়ামকে সম্মান করে, তারও জন্ম ভারতে। ভারতের মহাকাব্য ও প্রাচীন গ্রন্থ রয়েছে।”

     

  • Sheikh Hasina: “বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে দেশে আবারও অন্ধকার সময় ফিরে আসবে”, বাংলাদেশবাসীকে সতর্ক করলেন হাসিনা

    Sheikh Hasina: “বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে দেশে আবারও অন্ধকার সময় ফিরে আসবে”, বাংলাদেশবাসীকে সতর্ক করলেন হাসিনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “বিএনপি ক্ষমতায় থাকলে দেশে আবারও ২০০১ থেকে ২০০৬ সালের মতো অন্ধকার সময় ফিরে আসবে।” কথাগুলি বললেন বাংলাদেশের (Bangladesh) পদচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। প্রসঙ্গত, ওই সময় বাংলাদেশের রাশ ছিল বিএনপির হাতে। সংবাদ মাধ্যমে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে হাসিনা জানান, তিনি খুব শীঘ্রই বাংলাদেশে ফিরে যাবেন। আওয়ামি লিগের এই নেত্রী ২০২৪ সালে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার পর থেকে রয়েছেন ভারতে।

    জনকল্যাণ নিশ্চিত করা জরুরি (Sheikh Hasina)

    হাসিনা বলেন, “ফিরে আসার বিষয়টি কোনও নির্দিষ্ট তারিখ বা সময়ের ওপর নির্ভর করে না। আমরা বাংলাদেশে একটি গণতান্ত্রিক পরিবেশ, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা, রাজনৈতিক অধিকার এবং আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যাচ্ছি। এটি শুধু আমার ফিরে আসার জন্য নয়, দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা এবং জনগণের সামগ্রিক কল্যাণ নিশ্চিত করার জন্যও জরুরি।” তিনি বলেন, “আমি একটি বিষয় খুব পরিষ্কার করে বলতে চাই। আমার অনুপস্থিতি মানে আমার নীরবতা নয়। আমি প্রতিটি মুহূর্তে দেশের জন্য লড়াই করছি এবং কূটনৈতিক পর্যায়ে, আন্তর্জাতিক আইনগত কাঠামোর মধ্যে এবং বৈশ্বিক গণমাধ্যমের মাধ্যমে সক্রিয়ভাবে কাজ করছি।” চলতি বছর সাধারণ নির্বাচনের পর বাংলাদেশের ক্ষমতায় আসে বিএনপি। তার পরেই দেশটিতে ভারতবিরোধী নানা মন্তব্য করার প্রবণতা বেড়ে গিয়েছে।

    ভারত বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধু

    এ প্রসঙ্গে হাসিনা জানান, ভারত বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধু এবং প্রতিবেশী (Sheikh Hasina)। মুক্তিযুদ্ধের সময় ভারতের সমর্থন ছিল প্রশ্নাতীত। তিনি বলেন, “অবশ্য আমাদের দেশে ভারতবিরোধী বক্তব্য দীর্ঘদিন ধরেই মুক্তিযুদ্ধবিরোধী ও আদর্শগতভাবে দেউলিয়া গোষ্ঠীগুলির অন্যতম প্রধান হাতিয়ার। ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকারও এই চর্চায় যোগ দিয়েছে।” তাঁর অভিযোগ, বিরোধীরা প্রায়ই আওয়ামি লিগের বিরুদ্ধে (Sheikh Hasina) ভারতের কাছে নতি স্বীকার করা এবং জাতীয় স্বার্থবিরোধী চুক্তি করার অভিযোগ তুলত। কিন্তু অন্তর্বর্তী সরকার তাদের ১৮ মাসের শাসন কালে কিংবা বিএনপি—কেউই এমন একটি চুক্তিরও প্রমাণ দিতে পারেনি, যা জাতীয় স্বার্থবিরোধী।

    ফের ভিসা পরিষেবা চালুর পথে দুই দেশ

    বছর দেড়েকের অস্থিরতার পর দুই দেশের সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে ভারত ও বাংলাদেশ পুরো মাত্রায় ফের ভিসা পরিষেবা চালুর পথে এগোচ্ছে (Bangladesh)। বাংলাদেশ ইতিমধ্যেই সব ধরনের ক্যাটাগরিতে ভারতীয় নাগরিকদের জন্য ভিসা চালু করেছে। এদিকে, ভারতও ফের ধীরে ধীরে ভিসা কার্যকলাপ শুরু করার পরিকল্পনা করছে। বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী খলিলুর রহমানের ভারত সফরের এক মাস পরেই এই প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। তাঁর সফরে ভিসা স্বাভাবিকীকরণের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য বিষয়গুলির মধ্যে ছিল। উল্লেখ্য, ভারতে থাকা বাংলাদেশের সব ভিসা কেন্দ্র—নয়াদিল্লির হাইকমিশন এবং কলকাতা, আগরতলা, মুম্বই ও চেন্নাইয়ের কনস্যুলার বিভাগ (Bangladesh), এখন আগের মতোই কাজকর্ম শুরু করেছে (Sheikh Hasina)।

     

  • Russian Oil Imports: ট্রাম্পের চাপে নত নয়! রাশিয়া থেকে কেনা বন্ধ করবে না ভারত, বার্তা মোদি সরকারের

    Russian Oil Imports: ট্রাম্পের চাপে নত নয়! রাশিয়া থেকে কেনা বন্ধ করবে না ভারত, বার্তা মোদি সরকারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাশিয়া থেকে তেল (Russian Oil Imports) কেনা বন্ধ করবে না ভারত, মার্কিন চাপ উড়িয়ে স্পষ্ট জানাল মোদি সরকার। কেন্দ্রের বক্তব্য, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থই সর্বাগ্রে, তাই আমেরিকার ‘ওয়েভার’ থাক বা না থাক, রাশিয়ার কাছ থেকে অপরিশোধিত তেল কেনা চলবে আগের মতোই। সোমবার, ১৮ মে পেট্রোলিয়াম ও প্রাকৃতিক গ্যাস মন্ত্রকের জয়েন্ট সেক্রেটারি (মার্কেটিং ও অয়েল রিফাইনারি) সুজাতা শর্মা বলেন, “আমেরিকার ওয়েভার নিয়ে আমি শুধু এটুকুই বলতে চাই যে, ওয়েভারের আগেও আমরা রাশিয়া থেকে তেল কিনেছি, ওয়েভারের সময়ও কিনেছি, এখনও কিনছি।”

    দেশবাসীর স্বার্থকেই প্রাধান্য

    সুজাতা শর্মা স্পষ্ট করে জানান, ভারতের তেল কেনার সিদ্ধান্ত পুরোপুরি বাণিজ্যিক যুক্তি, অর্থনৈতিক স্থায়িত্ব এবং জাতীয় স্বার্থের ভিত্তিতে নেওয়া হয়। তাঁর কথায়, “অপরিশোধিত তেলের কোনও ঘাটতি নেই। পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে। তাই ওয়েভার থাক বা না থাক, ভারতের জ্বালানি সরবরাহে তার কোনও প্রভাব পড়বে না।” উল্লেখ্য, মার্চ মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন রাশিয়ার সমুদ্রপথে রফতানিকৃত তেল কেনার ক্ষেত্রে ৩০ দিনের একটি লাইসেন্স বা ছাড় দিয়েছিল। পরে সেটির মেয়াদ বাড়ানো হলেও ১৬ মে তা শেষ হয়ে যায়। তবে বাস্তবে ভারত কখনওই রাশিয়ার তেল কেনা বন্ধ করেনি। ২০২২ সালে ইউক্রেন যুদ্ধের পর আন্তর্জাতিক বাজারে ছাড় মূল্যে রুশ তেল পাওয়া শুরু হলে ভারত বড় পরিমাণে সেই তেল আমদানি করতে শুরু করে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতেও ভারতের মোট অপরিশোধিত তেল আমদানির ২০ শতাংশের বেশি এসেছে রাশিয়া থেকে। কেন্দ্র বারবার জানিয়েছে, কোন দেশ থেকে কত তেল কেনা হবে, তা সম্পূর্ণভাবে ভারতের সার্বভৌম সিদ্ধান্ত এবং জাতীয় স্বার্থের ওপর নির্ভরশীল।

    বিশ্ববাজারে সরবরাহ স্থিতিশীল রাখাই লক্ষ্য

    ভারত বর্তমানে তার মোট চাহিদার ৮০ শতাংশেরও বেশি অপরিশোধিত তেল বিদেশ থেকে আমদানি করে। ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে যেখানে তুলনামূলক সস্তায় তেল পাওয়া যাবে, সেখান থেকেই কেনার নীতি নিয়েছে নয়াদিল্লি। মজার বিষয় হল, অতীতে মার্কিন প্রশাসন নিজেই স্বীকার করেছিল যে ভারত রাশিয়ার তেল কিনে চলায় আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখতে সুবিধা হয়েছে। গত বছর ভারতের বিদেশ মন্ত্রকও জানিয়েছিল, আমেরিকা অনানুষ্ঠানিকভাবে ভারতকে রুশ তেল কেনা চালিয়ে যেতে বলেছিল, যাতে বিশ্ববাজারে সরবরাহ স্থিতিশীল থাকে। তবে পরবর্তীতে অবস্থান বদলে রাশিয়ার কাছ থেকে তেল কেনার ইস্যুতে ভারতের উপর অতিরিক্ত ২৫ শতাংশ শুল্ক চাপানোর সিদ্ধান্ত নেয় আমেরিকা। বর্তমান পশ্চিম এশিয়ার অস্থির পরিস্থিতির মধ্যেও ভারত স্পষ্ট করে দিয়েছে, দেশের জ্বালানি নিরাপত্তা এবং অর্থনৈতিক স্বার্থের প্রশ্নে কোনও আপস করা হবে না।

  • PM Modi: “কঠিন সময়ে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছিল নরওয়ে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    PM Modi: “কঠিন সময়ে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের পাশে দাঁড়িয়েছিল নরওয়ে”, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: “কঠিন সময়ে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছিল নরওয়ে। এটি (Terrorism) দুই দেশের শক্তিশালী সম্পর্কের প্রতিফলন।” সোমবার কথাগুলি বললেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi)। নরওয়ের প্রধানমন্ত্রী জোনাস গার স্টোরের সঙ্গে বৈঠকের পর মোদি জানান, ভারত ও নরওয়ে উভয়েই নিয়মভিত্তিক বৈশ্বিক ব্যবস্থায় বিশ্বাস করে। দ্বিপাক্ষিক আলোচনার পরে ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, “সেই কঠিন সময়ে নরওয়ে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ভারতের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়িয়েছিল, যা প্রকৃত বন্ধুত্বের পরিচয়।” প্রধানমন্ত্রী জানান, সামরিক সংঘাতের মাধ্যমে কোনও বিরোধের সমাধান সম্ভব নয়—এই বিশ্বাস দুই দেশেরই।

    বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানগুলির সংস্কার প্রয়োজন (PM Modi)

    তিনি বলেন, “আমরা একমত যে সামরিক সংঘাতের মাধ্যমে কোনও সমস্যার সমাধান সম্ভব নয়।” প্রধানমন্ত্রী জানান, ইউক্রেন ও পশ্চিম এশিয়া-সহ সংঘাতপীড়িত অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাকে সমর্থন করে ভারত ও নরওয়ে। তিনি বলেন, “আমরা ইউক্রেন ও পশ্চিম এশিয়ায় শান্তির দিকে নেওয়া প্রতিটি পদক্ষেপকে সমর্থন করি।” প্রধানমন্ত্রী জানান, উদীয়মান আন্তর্জাতিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানগুলির সংস্কার প্রয়োজন। তিনি বলেন, “ভারত ও নরওয়ের অভিমত হল, গুরুত্বপূর্ণ চ্যালেঞ্জ মোকাবিলার জন্য বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানগুলির সংস্কার হওয়া উচিত।”

    সন্ত্রাসবাদের মূলোৎপাটন

    সন্ত্রাসবাদের বিষয়ে দুই দেশের অভিন্ন অবস্থান তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, সব ধরনের সন্ত্রাসবাদকে শেকড় থেকে নির্মূল করা তাঁদের যৌথ অঙ্গীকার। তিনি বলেন, “সব ধরনের সন্ত্রাসবাদকে শেকড় থেকে নির্মূল করা আমাদের যৌথ প্রতিশ্রুতি।” সুইডেন সফর শেষ করে প্রধানমন্ত্রী দু’দিনের সফরে নরওয়েতে পৌঁছন। বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানান স্টোরে এবং নরওয়ের প্রবীণ নেতারা। প্রসঙ্গত, এই (PM Modi) সফরটি প্রধানমন্ত্রীর প্রথম নরওয়ে সফর এবং চার দশকেরও বেশি সময় পরে এই প্রথম কোনও ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর এই নর্ডিক দেশ সফর।দুই রাষ্ট্রনেতা ১৯ মে অসলোয় অনুষ্ঠিত তৃতীয় নর্ডিক-ইন্ডিয়া সামিটেও যৌথভাবে অংশ নেবেন। এই সম্মেলনে ভারত ও নর্ডিক দেশগুলির নেতারা অংশ নেবেন। এঁদের মধ্যে রয়েছেন ডেনমার্ক, ফিনল্যান্ড, আইসল্যান্ড, সুইডেন এবং নরওয়ের প্রধানরা। এই সফরে প্রধানমন্ত্রী রাজা হেরাল্ড ফাইভ (Harald V) এবং রানি সনজার (Sonja) সঙ্গেও (Terrorism) সাক্ষাৎ করবেন। নরওয়ের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ভারত-নরওয়ে ব্যবসা ও গবেষণা (PM Modi) সম্মেলনেও ভাষণ দেবেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী।

     

  • Kazakhstan: ‘ব্রিকস’ বিদেশমন্ত্রীদের সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে কাজাখস্তান-নাইজেরিয়ার প্রতিনিধিরা

    Kazakhstan: ‘ব্রিকস’ বিদেশমন্ত্রীদের সম্মেলনে যোগ দিতে ভারতে কাজাখস্তান-নাইজেরিয়ার প্রতিনিধিরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ব্রিকস’ বিদেশমন্ত্রীদের সম্মেলনে অংশ নিতে ভারতে পৌঁছলেন কাজাখস্তানের (Kazakhstan) প্রথম উপ-বিদেশমন্ত্রী ইয়েরঝান আশিকবায়েভ এবং নাইজেরিয়ার বিদেশমন্ত্রকের স্থায়ী সচিব দুনোমা উমর আহমেদ। মঙ্গলবার নয়াদিল্লিতে পৌঁছন (Nigeria) তাঁরা। উল্লেখ্য, ১৪ থেকে ১৫ মে নয়াদিল্লিতে হবে ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠক। ভারতের বিদেশমন্ত্রক এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করে অতিথিদের স্বাগত জানিয়েছে। পোস্টে লেখা হয়েছে, “ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে নয়াদিল্লিতে আসা কাজাখস্তানের প্রথম উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী মি ইয়েরঝান আশিকবায়েভকে আন্তরিক শুভেচ্ছা।”

    ভারতের বিদেশমন্ত্রকের পোস্ট (Kazakhstan)

    অন্য এক পোস্টে লেখা হয়েছে, “ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে নয়াদিল্লিতে আসা নাইজেরিয়ার ফেডারেল রিপাবলিকের বিদেশমন্ত্রকের স্থায়ী সচিব রাষ্ট্রদূত দুনোমা উমর আহমেদকে স্বাগত জানাতে পেরে আমরা আনন্দিত।” ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের এই বৈঠকে সদস্য ও অংশীদার দেশগুলির শীর্ষ নেতা ও কূটনীতিকরা অংশ নেবেন। বৈঠকে অর্থনৈতিক সহযোগিতা, বহুপাক্ষিকতা, বৈশ্বিক প্রশাসনিক সংস্কার এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা-সহ গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে। মঙ্গলবারই ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে নয়াদিল্লিতে পৌঁছন ইন্দোনেশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সুগিওনো। এক্স-এ পোস্ট করে বিদেশমন্ত্রক তাঁকেও ‘উষ্ণ অভ্যর্থনা’ জানিয়েছে। পোস্টে বলা হয়েছে, “ব্রিকস বিদেশমন্ত্রীদের বৈঠকে অংশ নিতে নয়াদিল্লিতে আসা ইন্দোনেশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সুগিওনোকে আন্তরিক স্বাগত (Nigeria)।”

    বিশ্ব কূটনীতির গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ভারত

    আগামী কয়েক দিনের জন্য ভারত বিশ্ব কূটনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র হয়ে উঠতে চলেছে। কারণ ব্রিকস সদস্য দেশগুলির বিদেশমন্ত্রীরা ১৪ ও ১৫ মে হতে চলা বৈঠকে যোগ দিতে আসছেন ভারতে। রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রী সের্গেই লাভরভও মঙ্গলবারই ভারতে এসেছেন। আজ, ১৩ মে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের বৈঠক করার কথা তাঁর। আলোচনায় ভারত-রাশিয়া সহযোগিতার অগ্রাধিকারের বিভিন্ন বিষয়গুলি উঠে আসবে (Kazakhstan)। রাশিয়ার বিদেশমন্ত্রকের বিবৃতি অনুযায়ী, দুই মন্ত্রী ডিসেম্বর ২০২৫-এ রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ভারত সফরের সময় হওয়া চুক্তিগুলির বাস্তবায়নের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনা করবেন। রাশিয়ায় আসন্ন শীর্ষ বৈঠক এবং রুশ-ভারত আন্তঃসরকারি বাণিজ্য, অর্থনৈতিক, বৈজ্ঞানিক, প্রযুক্তিগত ও সাংস্কৃতিক সহযোগিতা কমিশনের পরবর্তী বৈঠকের প্রস্তুতিও আলোচ্যসূচিতে থাকবে।

    বহুপাক্ষিক জোটে নেতৃত্ব ভারতের

    ইরানের বিদেশমন্ত্রী সৈয়দ আব্বাস আরাঘচিরও এই বৈঠকে অংশ নিতে ভারতে আসার কথা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, ১৪ ও ১৫ মে নয়াদিল্লি আন্তর্জাতিক কূটনীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠবে। এই গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকটি ২০২৬ সালের জন্য ভারতের ব্রিকস সভাপতিত্বের একটি প্রধান অংশ, যা সম্প্রসারিত বহুপাক্ষিক জোটে ভারতের নেতৃত্বকে তুলে ধরছে। প্রসঙ্গত, চলতি বছরের ১ জানুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে ব্রিকসের সভাপতিত্ব গ্রহণ করে ভারত। ব্রাজিলের কাছ থেকে দায়িত্ব নিয়েছে নরেন্দ্র মোদির দেশ। এর (Nigeria) আগে ২০১২, ২০১৬ এবং ২০২১ সালে ভারত প্রভাবশালী এই গোষ্ঠীর (ব্রিকস) শীর্ষ সম্মেলনের আয়োজন করেছিল (Kazakhstan)।

     

     

LinkedIn
Share