Tag: Indian Navy

Indian Navy

  • Indian Air Force: চিন্তিত চিন-পাক! ভারতীয় বায়ুসেনা, নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত হল ‘র‌্যাম্পেজ’ মিসাইল, কী বিশেষত্ব?

    Indian Air Force: চিন্তিত চিন-পাক! ভারতীয় বায়ুসেনা, নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত হল ‘র‌্যাম্পেজ’ মিসাইল, কী বিশেষত্ব?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষেপণাস্ত্রের সম্ভারে আরও শক্তিবৃদ্ধি হল ভারতীয় বায়ুসেনা (Indian Air Force) ও নৌসেনার। ভারতের হাতে চলে এল দূরপাল্লার আকাশ থেকে ভূমিতে নিক্ষেপযোগ্য সুপারসনিক ‘র‌্যাম্পেজ’ মিসাইল (Rampage Missile)। সদ্য এই মিসাইল ব্যবহারের উদাহরণ রেখেছে ইজরায়েলি বায়ুসেনা। ইরানের টার্গেটে তাক করার সময় এই ব়্যাম্পেজ মিসাইলকে তারা ব্যবহার করেছে। এবার সেই ক্ষেপণাস্ত্র ভারতের হাতেও। 

    এই মিসাইলের বিশেষত্ব হল…

    র‌্যাম্পেজ মিসাইলটি তৈরি করেছে ইজরায়েল অ্যারোস্পেস ইন্ডাস্ট্রিজ এবং ইজরায়েলি মিলিটারি ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেড। মার্ক-২ প্রজন্মের ২৫০ কিলোমিটার পাল্লার এই ক্ষেপণাস্ত্রটি একদিকে যেমন উচ্চগতি সম্পন্ন, ঠিক তেমনভাবে কাজেও অত্যন্ত পারদর্শী (Rampage Missile)। সামরিক পরিভাষায় একে বলা হয়— ‘হাই-স্পিড লো ড্র্যাগ’। এই মিসাইলের বিশেষত্ব হল— এটি জিপিএস/আইএনএস নেভিগেশন সিস্টেম অনুসরণ করতে সক্ষম। অত্যাধুনিক প্রযুক্তি থাকায় শত্রুর জ্যামারেও এর কোনও ক্ষতি হয় না। ক্ষেপণাস্ত্রটি নিজের লক্ষ্যে অবিচল থাকে। সর্বোপরি, যে কোনও প্রতিকূল আবহাওয়ায় এটি সমান কার্যকর।

    আরও শক্তিশালী সুখোই-৩০, মিগ-২৯

    বায়ুসেনা (Indian Air Force) সূত্রে খবর, বাহিনীর প্রধান রুশ-নির্মিত সুখোই-৩০এমকেআই যুদ্ধবিমানে এই অত্যাধুনিক মিসাইলকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। এর পাশাপাশি, বায়ুসেনার মিগ-২৯ ও জাগুয়ার যুদ্ধবিমানেও এই ক্ষেপণাস্ত্রের অন্তর্ভুক্তিকরণ প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়েছে। একইভাবে, নৌসেনায় ব্যবহৃত মিগ-২৯কে যুদ্ধবিমানেও এই মিসাইল (Rampage Missile) ফিট করে দেওয়া হয়ে গিয়েছে। এর ফলে, এখন থেকে কমিউনিকেশন সেন্টার (সামরিক তথ্যের আদানপ্রদান কেন্দ্র), রেডার স্টেশন, বায়ুসেনা ঘাঁটি সহ শত্রুর গুরুত্বপূর্ণ জায়গাগুলিকে অতি সহজেই টার্গেট করতে পারবে ভারতীয় যুদ্ধবিমানগুলি।

    জরুরি ভিত্তিতে কেনা হয়েছে ইজরায়েলি ক্ষেপণাস্ত্র

    ২০২০ সালে চিনের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘাতের পর— অত্যাবশ্যকীয়, অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং সংবেদনশীল অস্ত্র-সরঞ্জাম কেনার ক্ষেত্রে সামরিক বাহিনীকে জরুরি ক্ষমতা প্রদান করেছিল প্রতিরক্ষামন্ত্রক। তার ওপর ভিত্তি করেই এই র‌্যাম্পেজ মিসাইলগুলি কিনেছে বায়ুসেনা (Indian Air Force) ও নৌসেনার এভিয়েশন বিভাগ। সূত্রের খবর, বর্তমানে ব্যবহৃত ‘স্পাইস-২০০০’ ক্ষেপণাস্ত্রের তুলনায় অধিক দূরের লক্ষ্যবস্তুকে নিশানা করতে সক্ষম র‌্যাম্পেজ (Rampage Missile)। এখানে বলে রাখা প্রয়োজন, ২০১৯ সালে বালাকোট এয়ার স্ট্রাইকের সময় স্পাইস-২০০০ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছিল ভারতীয় বায়ুসেনা।

    ব্রহ্মসের নতুন জুড়িদার…

    সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানগুলির আধুনিকীকরণ প্রক্রিয়া বেশ কিছুদিন ধরেই শুরু করেছে বায়ুসেনা (Indian Air Force)। এই প্রক্রিয়ার অন্তর্গত রুশ-নির্মিত এই যুদ্ধবিমানগুলির অস্ত্রসম্ভার ও বহন করার ক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি, অত্যাধুনিক যন্ত্রাংশ এই যুদ্ধবিমানে মোতায়েন করে এর জীবনকাল ও ক্ষিপ্রতা এবং মারণক্ষমতা — সব উন্নত করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ার অন্তর্গত সুখোই-৩০ যুদ্ধবিমানে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে বিশ্বের সেরা ৪০০ কিমি পাল্লার ব্রহ্মস সুপারসনিক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রও। এটিও আকাশ থেকে ভূমি ক্ষেপণাস্ত্র। এবার তার জুড়ি হিসেবে যোগ দিল র‌্যাম্পেজ (Rampage Missile)। পাশাপাশি, ভবিষ্যতে ভারতেও যাতে এই ক্ষেপণাস্ত্রের উৎপাদন করা যায়, তার সম্ভাবনাও রয়েছে। 

    নতুন ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা আন্দামানেও

    অন্যদিকে, র‌্যাম্পেজ মিসাইল (Rampage Missile) কেনার পাশাপাশি ভারত নিজস্ব সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসম্পন্ন ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা-নিরীক্ষাও চালিয়ে যাচ্ছে। সাম্প্রতিককালে, আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে ‘রক্স’ (ক্রিস্টাল মেজ-২) নামের এমনই একটি নতুন-প্রজন্মের ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালায় বায়ুসেনা (Indian Air Force)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Navy: ফের হুথিদের খপ্পর থেকে ২২ ভারতীয় সহ ৩০ জনকে উদ্ধার করল নৌসেনা

    Indian Navy: ফের হুথিদের খপ্পর থেকে ২২ ভারতীয় সহ ৩০ জনকে উদ্ধার করল নৌসেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাগরে ফের ভারতীয় নৌবাহিনীর (INS Kochi) সাফল্য। পানামার (Panama) পতাকা সম্বলিত সেচেলেসের (Scychelles) জাহাজ থেকে ৩০ জনকে উদ্ধার করল নৌসেনা (Indian Navy)। এর মধ্যে ২২ জন ভারতীয় ছিলেন। হুতি সংগঠনের জঙ্গিরা এই জাহাজে হামলা চালিয়েছিল। ভারতীয় নৌসেনার এই রক্ষা অভিযানের কথা স্বীকার করেছে মার্কিন নৌসেনা।

    ঠিক কী হয়েছিল (Indian Navy)

    জানা গিয়েছে, লাল সাগরে ওই মার্চেন্ট ভেসেল অ্যান্ড্রোমেডা স্টার (Andromeda Star) কাঁচা তেল নিয়ে ফিরছিল। হুতি জঙ্গিরা আক্রমণ শানালে সাহায্যের জন্য ছাড়ে ডিস্ট্রেস ম্যাসেজ ছাড়ে জাহাজের ক্যাপ্টেন। সাহায্যের আবেদন পেয়ে তড়িঘড়ি এগিয়ে যায় ভারতীয় নৌবাহিনী (Indian Navy) আইএনএস কোচি (INS Kochi)। কোচির আগমনেই পালায় হুতি জঙ্গি। নৌবাহিনী জানিয়েছে জাহাজের সকল সদস্য সুরক্ষিত আছে। জাহাজের সামান্য ক্ষতি হয়েছে।

    আইএনএস কোচিকে মিশনে বাছা হয়

    নৌবাহিনী (Indian Navy) জানিয়েছে হুতি জঙ্গিতে কাছে মিসাইল ড্রোন জাতীয় অত্যাধুনিক সরঞ্জাম থাকায় আইএনএস কোচিকে (INS Kochi) এই মিশনের জন্য বেছে নেওয়া হয়। এটি বিধংসী জাহাজ। শুক্রবার এই অভিযান চালানো হয়। আইএনএস কোচিকে সাহায্য করে একটি হেলিকপ্টার, কমান্ডো বাহিনী এবং এক্সক্লুসিভ অর্ডিন্যান্স ডিসপোজাল টিম। এই বিধ্বংসক জাহাজে রয়েছে গাইডেড মিসাইল সিস্টেম, অ্যান্টি মিসাইল সিস্টেম, টরপিডো, র‍্যাডার ও আরো অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র। ইজরায়েল হামাস যুদ্ধের পর লাল সাগর,  গালফ অফ এডেন, মধ্য ও উত্তর আরব সাগরে দুষ্কৃতি দৌতাত্ম্য বেড়েছে। জলদস্যু ছাড়াও বেশ কয়েকটি ইসলামিক উগ্রপন্থী সংগঠন জাহাজ ছিনতাই ও জাহাজের কর্মীকে বন্ধক বানিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা শুরু করেছে। যার জন্য ভারতীয় এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনে নিরাপত্তা বৃদ্ধি করতে হয়েছে ভারতীয় নৌসেনাকে। এছাড়াও মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিক লাগোয়া সাগরে বাহিনীকে সাম্প্রতিক সময়ে বেশ কয়েকটি অপারেশন করতে হয়েছে।

    নৌসেনার তৎপরতা

    এক্সক্লুসিভ ইকোনমিক জোনে (Excluisive Economic Zone) কোস্ট গার্ডকে সঙ্গী করে নজরদারি বৃদ্ধি করেছে ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। সাম্প্রতিক সময়ে এমভি রুয়েনের উপর জঙ্গি হামলা এবং এমভি কেম প্লুটোর উপর ড্রোন আক্রমণের পর চিন্তা বেড়েছে বভিন্ন দেশের বাহিনীর। ইন্ডিয়ান এক্সক্লুসিভ ইকনমিক জোন ছাড়া অন্য অঞ্চলেও তৎপরতা বৃদ্ধি পেয়েছে ভারতীয় নৌসেনার (INS Kochi)।

    আরও পড়ুনঃ কসবায় বিজেপির মহিলা মণ্ডল সভাপতির উপর হামলা, গ্রেফতার আসরাফ সহ ২

    নৌসেনার বক্তব্য

    নৌসেনা (Indian Navy) জানিয়েছে তারা আরব সাগর, গালফ অফ এডেন, লালসাগর এবং ভারত মহাসাগর অঞ্চলের নিরাপত্তা দিতে তৎপর এবং যে কোনও ধরনের ছোট বড় সমস্যার মোকাবিলায় সক্ষম। সাম্প্রতিক অতীতে ভারত, পাকিস্তান এবং বাংলাদেশের নাবিকদের উদ্ধার করেছে নৌসেনা। যে কোন দেশের তরফে এই অঞ্চলে নিরাপত্তা চাওয়া হলে ভারতীয় নৌসেনা (INS Kochi) যথাসম্ভব প্রচেষ্টা করছে এবং আগামীদিনেও করবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Navy Chief: নৌসেনার পরবর্তী প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল দীনেশ ত্রিপাঠি, নাম ঘোষণা কেন্দ্রের

    Indian Navy Chief: নৌসেনার পরবর্তী প্রধান ভাইস অ্যাডমিরাল দীনেশ ত্রিপাঠি, নাম ঘোষণা কেন্দ্রের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নৌবাহিনীর পরবর্তী প্রধান (Indian Navy Chief) হিসেবে ভাইস অ্যাডমিরাল দীনেশ ত্রিপাঠির (Vice Admiral Dinesh Tripathi) নাম ঘোষণা করল কেন্দ্র। বর্তমানে, নৌসেনার উপ-প্রধানের দায়িত্বে রয়েছেন দীনেশ। আগামী ৩০ এপ্রিল অবসর নিতে চলেছেন নৌসেনার বর্তমান প্রধান অ্যাডমিরান আর হরি কুমার। সেদিনই তাঁর স্থলাভিষিক্ত হবেন দীনেশ ত্রিপাঠী। 

    ৪ দশক ধরে নৌসেনায় যুক্ত

    নৌসেনায় প্রায় ৪০ বছরের যুক্ত রয়েছেন দীনেশ (Vice Admiral Dinesh Tripathi)। বিভিন্ন সময়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেছেন। নৌসেনার পশ্চিমাঞ্চলের প্রধান — ফ্ল্যাগ অফিসার কমান্ডিং-ইন-চিফ ও কেরলের এড়িমালায় অবস্থিত ইন্ডিয়ান নেভাল অ্যাকাডেমির কমান্ডান্ট সহ দায়িত্বপূর্ণ পদে আসীন হয়েছেন। ৪ দশকের কেরিয়ারে তিনি একাধিক রণতরীর কমান্ডার ছিলেন— আইএনএস বিনাশ, আইএনএস কির্চ, আইএনএস ত্রিশূল — যার মধ্যে অন্যতম। বেশ কিছুদিন ধরেই তিনি নৌসেনার উপ-প্রধানের দায়িত্ব পালন করে চলেছেন। এবার তাঁকে নৌসেনার ভাবী প্রধান (Indian Navy Chief) হিসেবে ঘোষণা করল কেন্দ্র।

    ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমির প্রাক্তনী

    রেওয়া সৈনিক স্কুল এবং ন্যাশনাল ডিফেন্স অ্যাকাডেমির প্রাক্তনী দীনেশ ত্রিপাঠি (Vice Admiral Dinesh Tripathi) নৌসেনায় অফিসার হিসেবে যোগ দেন ১৯৮৫ সালে। ওয়েলিংটনে অবস্থিত ডিফেন্স সার্ভিস স্টাফ কলেজ থেকে স্নাতক হন। পরবর্তীকালে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নেভাল ওয়ার কলেজ থেকেও পড়াশোনা করেন। নৌসেনায় কর্তব্যপরায়ণতা এবং দায়িত্ববোধের জন্য তিনি পরম বিশিষ্ট সেবা মেডেল (PVSM), অতি বিশিষ্ট সেবা মেডেল (AVSM) এবং নৌসেনা মেডেল (NM) সহ একাধিক পুরস্কার অর্জন করেছেন (Indian Navy Chief)।

    একজন সামরিক অফিসার হওয়ার পাশাপাশি, ভাইস অ্যাডমিরাল দীনেশ ত্রিপাঠি (Vice Admiral Dinesh Tripathi) একজন ক্রীড়াপ্রেমীও। টেনিস, ব্যাডমিন্টন ও ক্রিকেটে তাঁর আগ্রহ রয়েছে। তাঁর স্ত্রী শশী ত্রিপাঠি একজন শিল্পী তথা গৃহবধূ। তাঁদের একমাত্র ছেলে পেশায় আইনজীবী। পুত্রবধূ নীতি-নির্ধারণকারী ক্ষেত্রে কর্মরত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Indian Navy: বিপদের দিনে পাশে ভারত, উদ্ধার হওয়া পাক নাবিকদের মুখে ‘ইন্ডিয়া জিন্দাবাদ’ স্লোগান

    Indian Navy: বিপদের দিনে পাশে ভারত, উদ্ধার হওয়া পাক নাবিকদের মুখে ‘ইন্ডিয়া জিন্দাবাদ’ স্লোগান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপদের দিনে পাশে দাঁড়িয়েছে ভারত (Indian Navy)। তাই পাকিস্তানিরাও দিল ‘ইন্ডিয়া জিন্দাবাদ’ স্লোগান। প্রসঙ্গত, সোমালির জলদস্যুদের হাত থেকে ২৩ পাকিস্তানিকে বাঁচাতে সক্ষম হয়েছে ভারতীয় নৌসেনা। আরব সাগরে এক দুঃসাহসিক অভিযানের মাধ্যমে জলদস্যুদের হাত থেকে পাক নাগরিকদের উদ্ধার করে নৌসেনা। ভারত তাঁদের জীবনদান করেছে, এই উপকারে কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তাই পাকিস্তানিরা স্লোগান তুললেন ‘ইন্ডিয়া জিন্দাবাদ’।

    কী ভাবে উদ্ধার?

    ভারতীয় নৌসেনার তরফে বিবৃতিতে জানানো হয়, গত ২৮ মার্চ আল-কাম্বার নামক ইরানের একটি মাছ ধরার (Indian Navy) ভেসেলে আক্রমণ চালায় সোমালি জলদস্যুরা। এর ঠিক একদিন পরেই ভারতের দুটি জাহাজ (আইএনএস সুমেধা ও আইএনএস ত্রিশূল) অভিযান শুরু করে। ২৯ মার্চ আরব সাগরে সোকোত্রা থেকে ৯০ নটিক্যাল দক্ষিণ-পশ্চিমে হদিশ মেলের ভেসেলটির। সেখানে দেখা যায়, সোমালিয়ার ৯ জন সশস্ত্র জলদস্যু নৌকাটিকে অপহরণ করে রেখেছে। বন্দি বানিয়ে রাখা হয় ভেসেলে থাকা ২৩জন পাকিস্তানী মৎসজীবীকে। ১২ ঘণ্টার লড়াই চলার পর ভারতীয় নৌসেনার কাছে আত্মসমর্পণ করে সোমালি জলদস্যুরা। উদ্ধার করা হয় ২৩ জন পাকিস্তানী নাগরিককে। তারাই ভারতীয় নৌ সেনাকে (Indian Navy) ধন্যবাদ জানিয়ে ‘ইন্ডিয়া জিন্দাবাদ’ বলে স্লোগান দেন।

    সক্রিয় ভারতীয় নৌসেনা

    প্রসঙ্গত, এক সময় সোমালিয়ার জলদস্যুদের আতঙ্কে সিঁটিয়ে থাকতেন আন্তর্জাতিক সমুদ্র বাণিজ্যের কারবারিরা। মূলত জাহাজ ছিনতাই করে মুক্তিপণ আদায় করে তারা। মাঝের কয়েক বছর উপদ্রব কিছুটা কমলেও গত কয়েক মাসে ফের জলদস্যুদের তৎপরতা নজরে এসেছে। ভারত মহাসাগর অঞ্চলের একাধিক জায়গায় তাই ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে। গত ২৩ মার্চেই ভারতীয় নৌসেনার প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার জানান যে, ভারত মহাসাগর অঞ্চলকে সুরক্ষিত রাখতে ‘ইতিবাচক পদক্ষেপ’ করে যেতে থাকবে নৌসেনা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Indian Navy: সোমালি দস্যুদের কবল থেকে ২৩ জন পাক নাবিককে উদ্ধার করল ভারতীয় নৌসেনা

    Indian Navy: সোমালি দস্যুদের কবল থেকে ২৩ জন পাক নাবিককে উদ্ধার করল ভারতীয় নৌসেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আরব সাগরে জলদস্যুদের হাত থেকে ২৩ পাকিস্তানি নাবিককে উদ্ধার করল ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। প্রায় ১২ ঘণ্টার অভিযান শেষে সোমালি জলদস্যুদের (Somali Pirates) কবল থেকে ইরানের পতাকাবাহী মাছ ধরার নৌকা ‘আল-কাম্বার ৭৮৬’কে মুক্ত করে সেনা। শুক্রবার আরব সাগরে এই অভিযানে। আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয়েছে সোমালিয়ার জলদস্যুরা। 

    দুর্ধর্ষ অভিযান

    নৌসেনার (Indian Navy) এক আধিকারিক জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার বিকেলে আরব সাগরের সোকোত্রা লেট থেকে ৯০ নটিক্যাল মাইল দক্ষিণ-পশ্চিমে এই নৌকাটি অপহরণ করার উদ্দেশ্যে তাতে উঠে পড়েন ন’জন সশস্ত্র জলদস্যু। অপহরণের খবর পেয়ে নৌসেনার টহলদারি জাহাজ ‘আইএনএস সুমেধা’ শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছয়। কিছু ক্ষণ পরেই সেখানে পৌঁছয় যুদ্ধাজাহাজ ‘আইএনএস ত্রিশূল’। প্রায় ১২ ঘণ্টার অভিযানের পর তাঁদের আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য করা হয়। ওই আধিকারিক আরও জানিয়েছেন, জাহাজের ২৩ জন পাকিস্তানি কর্মীকেও উদ্ধার করা হয়েছে। নৌকাটিকে ভাল করে পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর সেটিকে নিরাপদ স্থানে ফিরিয়ে নিয়ে এসে তার স্বাভাবিক কাজে ফিরিয়ে দেওয়া হবে।

    সক্রিয় ভারতীয় নৌসেনা

    প্রসঙ্গত, এক সময় সোমালিয়ার জলদস্যুদের আতঙ্কে সিঁটিয়ে থাকতেন আন্তর্জাতিক সমুদ্র বাণিজ্যের কারবারিরা। মূলত জাহাজ ছিনতাই করে মুক্তিপণ আদায় করে তারা। মাঝের কয়েক বছর উপদ্রব কিছুটা কমলেও গত কয়েক মাসে ফের জলদস্যুদের তৎপরতা নজরে এসেছে। ভারত মহাসাগর অঞ্চলের একাধিক জায়গায় তাই ভারতীয় যুদ্ধজাহাজ মোতায়েন করা হয়েছে। গত ২৩ মার্চেই ভারতীয় নৌসেনার প্রধান অ্যাডমিরাল আর হরি কুমার জানান যে, ভারত মহাসাগর অঞ্চলকে সুরক্ষিত রাখতে ‘ইতিবাচক পদক্ষেপ’ করে যেতে থাকবে নৌসেনা।

    আরও পড়ুন: সিবিআইয়ের পর শাহজাহানকে জেরা করতে চায় ইডি-ও, কোর্টে আবেদন আজই?

    ‘অপারেশন সংকল্প’-র আওতায় আগের ১০০ দিনে কীভাবে ভারত জলদস্যুদের ঘুম কেড়ে নিয়েছে, তাও জানান তিনি। ১০০ দিনে ‘অপারেশন সংকল্প’-র আওতায় জলদস্যুদের কবল থেকে মোট ১১০ জনকে উদ্ধার করেছে ভারতীয় নৌসেনা। তাঁদের মধ্যে ৬৫ জন বিদেশি নাগরিক। এর আগেও জানুয়ারি মাসে আরব সাগরে সোমালিয়ার জলদস্যুদের কবলে পড়েছিল ইরানের পতাকাবাহী মাছধরার একটি নৌকা। সেই নৌকা থেকেও ১৯ জন পাকিস্তানিকে উদ্ধার করে ভারতের নৌসেনা (Indian Navy)। এবারও আন্তর্জাতিক সমস্ত নিয়ম মেনেই জলদস্যুদের মোকাবিলা করে পাক নাবিকদের উদ্ধার করল ভারত। 

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Largest Drug Bust: গুজরাট উপকূলে বাজেয়াপ্ত ২২ হাজার কোটির মাদক! গ্রেফতার পাঁচ পাকিস্তানি

    Largest Drug Bust: গুজরাট উপকূলে বাজেয়াপ্ত ২২ হাজার কোটির মাদক! গ্রেফতার পাঁচ পাকিস্তানি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার (Largest Drug Bust) গুজরাট উপকূলে, যার আনুমানিক মূল্য ২২ হাজার কোটি টাকা। ভারতীয় নৌবাহিনী এবং নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো বা এনসিবির যৌথ অভিযানে গুজরাটের সমুদ্র উপকূলে ৩,৩০০ কেজির মাদক বাজেয়াপ্ত হল। এই অভিযানে সামিল ছিল গুজরাট পুলিশও। জানা গিয়েছে উদ্ধার হওয়া ওই মাদকের মধ্যে ৩,০৮৯ কেজি চরস রয়েছে। এছাড়া ১৫৮ গ্রাম মেথামফেটামিন এবং ২৫ কেজির মরফিন রয়েছে। মাদক বোঝাই নৌকাটিকে ইতিমধ্যে বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে এবং সওয়ারী পাঁচজনকে গ্রেফতারও করেছে ভারতীয় নৌসেনা। ধৃতরা প্রত্যেকেই পাকিস্তানের বাসিন্দা বলে জানা গিয়েছে। এদিন আরব সাগরে নজরদারি চালানো একটি এয়ারক্রাফট বিষয়টি প্রথমে জানায় নৌ সেনাকে। তারপর সেই খবর পৌঁছায় নৌসেনার যুদ্ধ জাহাজের কাছে (Largest Drug Bust)। এবং পরে সন্দেহজনক ওই ছোট জাহাজটিকে আটক করে নৌসেনা।

    এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট অমিত শাহের

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ লেখেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী মাদক-মুক্ত ভারত গড়তে চান। আর সেই লক্ষ্যকে সামনে রেখে আমাদের এজেন্সিগুলি আজ উপকূলে মাদক বাজেয়াপ্ত করে বিশাল সাফল্য পেয়েছে। এনসিবি, নৌসেনা, গুজরাত পুলিশ একসঙ্গে অভিযান চালিয়ে ৩ হাজার ১৩২ কেজি মাদক বাজেয়াপ্ত করেছে। আমাদের সরকার যে মাদক-মুক্ত (Largest Drug Bust) দেশ গড়তে চায়, সেই দায়বদ্ধতাকেই মান্যতা দিয়েছে এই ঐতিহাসিক সাফল্য। এই সাফল্যে আমি এনসিবি, নৌসেনা এবং গুজরাত পুলিশকে শুভেচ্ছা জানাই।’’

    নৌসেনার বিবৃতি

    ভারতীয় নৌবাহিনী একটি বিবৃতিতে বলেছে, ‘‘এনসিবি এবং ভারতীয় নৌবাহিনীর যৌথ অভিযানে ওই ছোট জাহাজ থেকে মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। এর আগে এত পরিমাণ মাদক একসঙ্গে উদ্ধার (Largest Drug Bust) হয়নি। আটক করা নৌকা, মাদক এবং ধৃতদের ভারতীয় বন্দরে আইন প্রয়োগকারী এক সংস্থার হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Pirates of Somalia: ভারতীয় নৌসেনার বিরাট সাফল্য, সোমালি জলদস্যুদের কবল থেকে উদ্ধার এক নাবিক

    Pirates of Somalia: ভারতীয় নৌসেনার বিরাট সাফল্য, সোমালি জলদস্যুদের কবল থেকে উদ্ধার এক নাবিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমালি জলদস্যুদের (Pirates of Somalia) হাতে অপহরণের শিকার হয়েছেন জাহাজের নাবিকরা, রীতিমতো লড়াই করে আহতও হয়েছেন। পরে তাঁদের মধ্যে একজন নাবিককে উদ্ধার করেছে ভারতীয় নৌসেনা। তাদের এই সাফল্যে শোরগোল পড়েছে দেশে। গত ১৪ ডিসেম্বর এমভি রুয়েন নামক একটি জাহাজ থেকে সাহায্যের জন্য বার্তা পাঠানো হয় ভারতীয় নৌসেনার কাছে। সেখানে বলা হয়, ছ’জন জলদস্যু অবৈধ ভাবে দখল করেছে জাহাজকে। এরপর ভারতীয় নৌসেনার পক্ষ থেকে ওই নাবিককে উদ্ধার করা হয় বলে জানা গিয়েছে।

    কী ঘটেছিল ঘটনা (Pirates of Somalia)?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, আরব সাগরে সোমালিয়া জলদস্যুদের (Pirates of Somalia) কবলে আটকে পড়া পণ্যবাহী জাহাজ উদ্ধারে কাজ করে চলেছে ভারতীয় নৌসেনা। এমভি রুয়েন নামে ওই মালটার পণ্যবাহী জাহাজটি অপহরণের শিকার হয়েছিল। তাতে ১৮ জন নাবিক ছিলেন। এর মধ্যে একজনকে উদ্ধার করেছে ভারতীয় নৌসেনা। একটি হেলিকপ্টার দিয়ে উদ্ধার করে তাঁকে বর্তমানে ওমানের একটি হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

    কীভাবে উদ্ধার করা হল?

    সূত্রে জানা গিয়েছে, গত শুক্রবার অপহরণের পর জলদস্যুরা (Pirates of Somalia) জাহাজটিকে সোমালিয়ার তটের দিকে নিয়ে যাচ্ছিল। এমন সময় খবর পেয়ে এডেন উপসাগরে টহলরত ভারতের নৌসেনার যুদ্ধজাহাজ এবং একটি বিমান সেখানে পৌঁছে যায়। ভারতের সরকারি একটি সূত্রে বলা হয়, জলদস্যুরা মিলে জাহাজকে সোমালিয়ার সীমানার দিকে নিয়ে যেতেই ভারতীয় নৌবাহিনী আটকে দেওয়ার চেষ্টা করে। এরপর শুরু হয় দস্যুদের সঙ্গে ব্যাপক সংঘর্ষ। সংঘর্ষে বেকায়দায় পরে দস্যুরা এক আহত নাবিককে মুক্তি দিতে সম্মত হয়।

    উল্লেখ্য, জলদস্যুদের কারণে আন্তর্জাতিক সমুদ্র বাণিজ্যে ব্যাপক আতঙ্কের সৃষ্টি হয়েছে। এই ক্ষেত্রে দস্যুরা জাহাজ অপহরণ করে মুক্তিপণ আদায় করে বলে অভিযোগ উঠে আসে। বিগত কয়েক বছর ধরে এই জলদস্যুদের প্রভাব কম থাকলেও বর্তমানে তারা বেশ সক্রিয় বলে জানা গিয়েছে। ঘটনায় ভারতের উপকূলগুলিতে সমুদ্র সীমান্তে সুরক্ষা এবং নিরাপত্তা বিষয়ে সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • MiG 29K Fighter Jet Crash: মাঝসমুদ্রে ভেঙে পড়ল নৌসেনার মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান, প্রাণে বাঁচলেন পাইলট

    MiG 29K Fighter Jet Crash: মাঝসমুদ্রে ভেঙে পড়ল নৌসেনার মিগ-২৯ যুদ্ধবিমান, প্রাণে বাঁচলেন পাইলট

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গোয়ার (GOa) সমুদ্রের উপর ভেঙে পড়ল ভারতীয় নৌ সেনার মিগ২৯-কে যুদ্ধ বিমানটি (MiG 29K Fighter Jet Crash)। কোনওমতে প্রাণে বাঁচলেন বিমানচালক। জানা গিয়েছে, প্রযুক্তিগত ত্রুটির কারণেই বিমানটি ভেঙে পড়ে। তবে ভেঙে পড়ার মুহূর্তে বিমান থেকে বেরতে সক্ষম হয়েছেন সেই পাইলট। দুর্ঘটনার পরই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে নৌ সেনা (Indian Navy)।

    আরও পড়ুন: এনসিবি, এটিএসের বড় সাফল্য, প্রায় ১৫০০ কোটি টাকার মাদক উদ্ধার

    নৌ সেনার তরফে ট্যুইট করে জানানো হয়েছে, গোয়ার সমুদ্রের উপর দিয়ে একটি মিগ ২৯-কে নিয়মিত যাত্রা করছিল। তখন বিমানটি নৌ সেনা ঘাঁটিতে ফিরে আসার সময় তাতে হঠাৎ যান্ত্রিক গোলযোগ দেখা দিলে এটি ভেঙে পড়ে। পাইলট নিরাপদে বের হয়ে গেছে এবং দ্রুত SAR অপারেশনে তাঁকে উদ্ধার করা হয়েছে। পাইলটের অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গেছে। বোর্ড অফ এনকোয়ারি-এর তরফে এই ঘটনার কারণ তদন্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নৌ সেনা সূত্রে খবর, বিমান বিধ্বস্তের কারণ অনুসন্ধানে একটি তদন্ত বোর্ড গঠন করা হয়েছে।

    প্রসঙ্গত, মিগ২৯-কে একটি অত্যাধুনিক, এয়ার ডমিনেন্স ফাইটার ও সবরকম আবহাওয়াতেই চলতে পারে, এমন একটি যুদ্ধ বিমান। এর সর্বোচ্চ গতি শব্দের গতির দ্বিগুণেরও বেশি। আর এটি ৬৫০০০ ফুটেরও বেশি উচ্চতায় উড়তে পারে। তবে আজ ফাইটার জেটে কিছু যান্ত্রিক গোলযোগের কারণেই এই দুর্ঘটনাটি ঘটে।

    প্রসঙ্গত, এর আগেও ২০২০ সালে, মিগ২৯-কে আরব সাগরের উপর যাওয়ার সময় হঠাৎ ভেঙে পড়ায় নিশান্ত সিং নামে এক ভারতীয় নৌ সেনার পাইলট মারা যান। এই ঘটনার আগে, ২০১৯ সালে ২৩ ফেব্রুয়ারি এবং ১৯ নভেম্বর, দুটি মিগ২৯ ভেঙে পড়ার খবর প্রকাশ্যে এসেছিল। আবার ২০১৮ সালেও একটি ভারতীয় মিগ২৯-কে মাঝ পথে ভেঙে পড়েছিল।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

  • PM Modi: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে কৃতজ্ঞতা বুলগেরিয়ার প্রেসিডেন্টের, “বন্ধুরা এর জন্যই”, বললেন জয়শঙ্কর

    PM Modi: প্রধানমন্ত্রী মোদিকে কৃতজ্ঞতা বুলগেরিয়ার প্রেসিডেন্টের, “বন্ধুরা এর জন্যই”, বললেন জয়শঙ্কর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সোমালিয়ার জলদস্যুদের বিরুদ্ধে লড়াই করে অপহৃত জাহাজ উদ্ধারের জন্য ভারতকে ধন্যবাদ জানালেন বুলগেরিয়ার (Bulgeria) প্রেসিডেন্ট রুমেন রাদেভ। আরব সাগরে টানা ৪০ ঘণ্টা রুদ্ধশ্বাস অভিযান চালিয়েছে ভারতীয় নৌসেনা। দীর্ঘ তিন মাস ধরে সোমালিয়ার জলদস্যুদের হাতে আটক থাকা জাহাজ ও তার কর্মীদের উদ্ধার করেছে আইএনএস কলকাতা। ওই জাহাজে বুলগেরিয়ার ৭ নাগরিক ছিলেন। তাঁদের জীবন বাঁচানোর জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে  (PM Modi) ধন্যবাদ জানালেন বুলগেরিয়ার প্রেসিডেন্ট। 

    মোদিকে ধন্যবাদ 

    বুলগেরিয়ান (Bulgeria) জাহাজটিকে উদ্ধারে ভারতীয় নৌবাহিনীর সাহসী পদক্ষেপের জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে (PM Modi) আন্তরিক কৃতজ্ঞতা জানান সেখানকার রাষ্ট্রপতি রুমেন রাদেভ। এই সফল অভিযানের জন্য ভারতকে উষ্ণ অভিনন্দন জানান, বুলগেরিয়ার উপ-প্রধানমন্ত্রী  মারিয়া গ্যাব্রিয়েলও। তিনি বলেন, “আমি সফল অপারেশনের জন্য ভারতীয় নৌবাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। ছিনতাইকৃত জাহাজ রুয়েন ও তার ক্রু সদস্যরা এখন মুক্ত। এদের মধ্যে ৭ জন বুলগেরিয়ার নাগরিক ছিলেন। ভারতের এই সমর্থন এবং মহান প্রয়াসের জন্য ধন্যবাদ। আমরা ক্রুদের জীবন রক্ষার জন্য একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যাচ্ছি।”

    আরও পড়ুন: রুদ্ধশ্বাস অভিযান ভারতীয় নৌসেনার, সোমালিয়ার জলদস্যুদের হারিয়ে উদ্ধার জাহাজ

    জয়শঙ্করের বার্তা

    বুলগেরিয়ার (Bulgeria) এই অভিনন্দন বার্তার প্রত্যুত্তরে ভারতের পক্ষ থেকে বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর (Dr S Jaishankar) বলেন, “বন্ধুরা এর জন্যই।” সম্প্রতি হুথি আক্রমণ প্রতিরোধের জন্য আরব সাগরে নিরাপত্তা বাড়িয়েছে ভারতীয় নৌসেনা। এই আবহে ওই জলসীমায় প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সবসময় বন্ধু দেশগুলির প্রতি সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়াই ভারতের নীতি বলে জানিয়েছেন বিদেশমন্ত্রী।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • INS Kolkata: রুদ্ধশ্বাস অভিযান ভারতীয় নৌসেনার, সোমালিয়ার জলদস্যুদের হারিয়ে উদ্ধার জাহাজ

    INS Kolkata: রুদ্ধশ্বাস অভিযান ভারতীয় নৌসেনার, সোমালিয়ার জলদস্যুদের হারিয়ে উদ্ধার জাহাজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রোমহর্ষক অভিযান ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy)। সোমালিয়ার জলদস্যুদের বিরুদ্ধে লড়াই করে অপহৃত জাহাজ উদ্ধার করল আইএনএস কলকাতা (INS Kolkata)। ৪০ ঘণ্টার লড়াই শেষে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হল ৩৫ জন জলদস্যু। পণ্যবাহী জাহাজ থেকে উদ্ধার করা হয় ১৭ জন কর্মীকে। আটক করা ওই জাহাজ থেকে বিপুল পরিমাণ বেআইনি অস্ত্রশস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করা হয়েছে। ভারতের উপকূল থেকে প্রায় ২৬০০ কিমি দূরে গভীর সমুদ্রে এই অভিযান চালিয়েছিল আইএনএস কলকাতা। 

    দুর্ধর্ষ অভিযান

    ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) মুকুটে জুড়ল আরও একটি সাফল্যের পালক। ভারতীয় নৌসেনার তরফে এক বিবৃতিতে জানানো হয়, এম ভি রুয়েন নামক মাল্টার একটি পণ্যবাহী জাহাজকে ২০২৩ সালের ডিসেম্বর মাসে অপহরণ করেছিল সোমালিয়ার জলদস্যুরা।  সেই জাহাজকে ব্যবহার করেই অন্য জাহাজের উপরে হামলা করত দস্যুরা। গত বৃহস্পতিবারও ওই জাহাজ থেকেই বাংলাদেশের একটি পণ্যবাহী জাহাজের উপরে হামলা করার চেষ্টা করে জলদস্যুরা। সাহায্যের বার্তা পেয়েই এগিয়ে যায় ভারতীয় নৌসেনা। শুরু হয় অভিযান। নৌসেনা জাহাজ আটকাতে, গুলি চালাতে শুরু করে জলদস্যুরা। নৌসেনার তরফে বারংবার তাদের আত্মসমর্পণ করতে বলা হলেও, অপহৃত জাহাজ নিয়ে এগিয়ে যেতে থাকে তারা। পাল্টা জবাব দেয় নৌসেনাও। 

    আটক ৩৫ জলদস্যু

    মাঝ সমুদ্রে টানা ৪০ ঘণ্টা ধরে অভিযান চালিয়েছে আইএনএস কলকাতা (INS Kolkata)। ভারতীয় নৌসেনার ড্রোন, হেলিকপ্টারের সাহায্যে ওই জাহাজে বন্দি হয়ে থাকা ১৭ জন ক্রু সদস্যকে উদ্ধার করা হয়। আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হয় ৩৫ জন জলদস্যু। নৌসেনা (Indian Navy) সূত্রে খবর, আন্তর্জাতিক আইন মেনে খুব কম বলপ্রয়োগ করেই জলদস্যুদের আটক করা হয়েছে। এই জাহাজটিকে উদ্ধার করার অপারেশনে আইএনএস কলকাতা ছাড়াও যুক্ত ছিল প্যাট্রল ভেসেল আইএনএস সুভদ্রা, পি৮আই নজরদারি বিমান। এছাড়াও বায়ুসেনার সি-১৭ বিমানের থেকে মেরিন কমান্ডোদের (মার্কোস) ‘এয়ার ড্রপ’ করা হয়েছিল। জানা গিয়েছে, ভারতের পশ্চিম উপকূলের উদ্দেশে এমভি রুয়েনকে নিয়ে রওনা হয়েছে আইএনএস কলকাতা। 

     

    আরও পড়ুন: সপ্তাহের প্রথম দিনেই ভিজল কলকাতা, দিনভর কেমন থাকবে আবহাওয়া?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share