Tag: Indian Navy

Indian Navy

  • Indian Navy: শত্রুর ঘুম ছোটাতে দেশে তৈরি হবে মানবহীন ডুবোজাহাজ, বরাদ্দ ২,৫০০ কোটি টাকা

    Indian Navy: শত্রুর ঘুম ছোটাতে দেশে তৈরি হবে মানবহীন ডুবোজাহাজ, বরাদ্দ ২,৫০০ কোটি টাকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যত সময় এগোচ্ছে ভারত প্রতিরক্ষা (Defence Ministry) খাতে ততই যেন আরও শক্তিশালী হয়ে উঠছে। অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র, মেশিন, ড্রোন, ট্যাঙ্ক সহ আরও অনেক কিছুর জন্য এখন আর অন্যান্য দেশের ওপর নির্ভর করে থাকতে হয় না ভারতকে। এখন মেক ইন ইন্ডিয়ার আওতায় জিনিসপত্র তৈরি করে নিজেদের অস্ত্রভান্ডারকে আরও জোরদার করছে ভারত। এবার মানবহীন ডুবোজাহাজ বা ডুবোযান (Unmanned Underwater Vessels) তৈরির জন্য ২ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করল কেন্দ্র। নৌবাহিনীর (Indian Navy) এই প্রকল্প বাস্তব রূপ পেলে শত্রুপক্ষের বুক কেঁপে যাবে তা বলাই বাহুল্য।

    কী এই মানবহীন ডুবোজাহাজ

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক (Defence Ministry) সূত্রে খবর, এই মানববিহীন ডুবোযানের মূল উদ্দেশ্য হবে শত্রুদেশের সাবমেরিন বা জাহাজকে ধ্বংস করা। এই ১০০ টনের নয়া ডুবোযানগুলি ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) জন্য জলতলে নজরদারি, মাইন পাতা এবং অস্ত্র ব্যবহারের দক্ষতাকে বাড়িয়ে তুলবে। ২০২৭ সালের মধ্যে ভারতীয় নৌবাহিনীর ভান্ডারে অন্তত ২০০টি বিভিন্ন শ্রেণির যুদ্ধজাহাজ মজুত করার লক্ষ্য নিয়েছে কেন্দ্র। মানবহীন ডুবোযান (Unmanned Underwater Vessels) নির্মাণ তারই অঙ্গ। ড্রোনের ব্যবহার ক্রমবর্ধমান হওয়ায়, প্রতিরক্ষামন্ত্রক সম্প্রতি এক উচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে মানবহীন ডুবোজাহাজ বা ডুবোযান তৈরির সিদ্ধান্ত নেয়।

    কী কী সুবিধা

    এই ডুবোযানগুলি (Unmanned Underwater Vessels) নৌসেনাকে জলের নীচে বিশেষ সুবিধা প্রদান করবে এবং দেশের জলসীমাকে নিশ্ছিদ্র করতে সাহায্য করবে বলে জানিয়েছেন প্রাক্তন নৌসেনা ভাইস চিফ ভাইস অ্যাডমিরাল এস এন ঘোরমাডে। মাইন পাতা ও মাইন পরিষ্কার করা, নজরদারি, এবং অস্ত্র নিক্ষেপের মতো বিভিন্ন কাজে এই ডুবোযানগুলিকে ব্যবহার করার পরিকল্পনা রয়েছে। ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy) আগামী কয়েক মাসের মধ্যে প্রকল্পটির জন্য দরপত্র প্রকাশ করবে। ভারতীয় শিপইয়ার্ডগুলি আত্মনির্ভর ভারতের অধীনে এই প্রকল্পের জন্য বিড করবে, বলেও জানা গিয়েছে। নৌসেনা চায় যে এই মানবহীন ডুবোযানগুলি দীর্ঘ সময় ধরে দূরত্বে জলের তলায় থাকতে সক্ষম হোক, যাতে সন্দেহজনক জাহাজ থেকে শুরু করে শত্রুর বিভিন্ন কাজের ওপর নজর রাখা যায় এবং জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থ রক্ষা করা যায়। ড্রোনের মতোই ওই ডুবো-জলযানের (Unmanned Underwater Vessels) ক্যামেরায় ধরা পড়বে সমুদ্রের জলে ভেসে থাকা বস্তুর ছবিও। এমনকী, সাবমেরিনের গতিবিধিও জানা যেতে পারে। যিনি রিমোটের সাহায্যে জলযানটি পরিচালনা করবেন, চাইলে গুলিও চালাতে পারবেন তিনি (Indian Navy)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • INS Arighat: ভয় পাচ্ছে চিন-পাকিস্তান! পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম দ্বিতীয় ডুবোজাহাজ পেল নৌসেনা

    INS Arighat: ভয় পাচ্ছে চিন-পাকিস্তান! পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম দ্বিতীয় ডুবোজাহাজ পেল নৌসেনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নৌসেনার নতুন সদস্য ‘আইএনএস অরিঘাত’ (INS Arighat)। বৃহস্পতিবার অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনমে নৌসেনার (Indian Navy) নতুন সদস্য হিসাবে যোগ দিল পরমাণু অস্ত্র বহনে সক্ষম এই ডুবোজাহাজ। সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে বানানো হয়েছে এই ডুবোজাহাজ। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক জানিয়েছে, এর ধারণা থেকে নকশা, নির্মাণ এবং একীভূত করা – সবটাই হয়েছে সম্পূর্ণ দেশীয়ভাবে। এটি দেশের দ্বিতীয় পরমাণু শক্তিচালিত ডুবোজাহাজ। এই ডুবোজাহাজ সাধারণ সাবমেরিনের তুলনায় অনেক বেশিক্ষণ জলের নীচে ডুবে থাকতে পারে। ফলে, শত্রুর চোখকে ফাঁকি দিতে এর জুড়ি মেলা ভার।

    ঘুম ছুটবে চিনের

    ভারতের পূর্ব ও পশ্চিমে দুই বিশাল জলসীমা। বঙ্গোপসাগর ও আরব সাগর। দুই সাগর দক্ষিণে এসে মিশেছে ভারত মহাসাগরে। ফলে দেশের পূর্ব-পশ্চিমের দুই জলসীমাই যাতে সমান সুরক্ষিত থাকে সে জন্য নৌসেনার (Indian Navy) চাহিদা ছিল অন্তত ২টি বিমানবাহী রণতরী। আইএনএস বিক্রমাদিত্যর পর আইএনএস বিক্রান্ত এসে যাওয়ায় সে প্রয়োজন মিটেছে। একইভাবে নৌসেনার দাবি ছিল চিনের বিপদের কথা মাথায় রেখে অন্তত ২টো পরমাণু শক্তিচালিত ডুবোজাহাজ চাই-ই চাই। এতদিন ভারতের হাতে ১টা পরমাণু শক্তিচালিত ডুবোজাহাজ ছিল। ২০১৮ সাল থেকে কাজ করছে আইএনএস অরিহন্ত। এবার তার সঙ্গেই নৌ-সেনায় এসে গিয়েছে আইএনএস অরিঘাত (INS Arighat)। পাকিস্তানের একটা বড় অংশ ও চিনের ইউনান প্রদেশ চলে আসছে এর আওতায়।

    নৌসেনার প্রশংসায় রাজনাথ

    অন্তর্ভুক্তির অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। তিনি জানান, দেশের পারমাণবিক প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে এবং ভারত উপমহদেশীয় অঞ্চলে কৌশলগত ভারসাম্য এবং শান্তি প্রতিষ্ঠায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে আইএনএস অরিঘাত। দেশীয় এই সাবমেরিনের অন্তর্ভুক্তির জন্য ভারতীয় নৌবাহিনী এবং ডিআরডিও-র ভূয়সী প্রশংসা করেন রাজনাথ সিং। এ প্রসঙ্গে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘আত্মনির্ভর ভারত’-এর মন্ত্রকে স্মরণ করে রাজনাথ বলেন, “আজকের এই কৃতিত্ব আত্মনির্ভরতার এক জ্বলন্ত দৃষ্টান্ত। ভারত একটি উন্নত দেশে পরিণত হওয়ার দিকে এগিয়ে চলেছে। প্রতিরক্ষা সহ প্রতিটি ক্ষেত্রেই আমাদের দ্রুত এগোতেই হবে। বিশেষ করে বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এটা অপরিহার্য। অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির পাশাপাশি, আমাদের একটা শক্তিশালী সামরিক বাহিনী লাগবে। যাতে আমাদের সৈন্যরা ভারতের মাটিতে তৈরি সেরা মানের অস্ত্র এবং প্ল্যাটফর্মগলি পায়, আমাদের সরকার তার জন্য অভিযানে নেমেছে।”

    অত্যাধুনিক সাবমেরিনে নতুনত্ব

    সূত্রের খবর, ‘আইএনএস অরিঘাত’-এ (INS Arighat) ১২টি কে-১৫ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র থাকবে। যে ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ১,৫০০ কিলোমিটার দূরত্বের লক্ষ্যবস্তুকে অনায়াসে ধ্বংস করে দিতে সক্ষম। পরমাণু শক্তিকে ব্যবহার করে এই জাহাজ সমুদ্রের উপরে ঘণ্টায় ২৮ কিলোমিটার বেগে চলবে। সমুদ্রের নীচে ঘণ্টায় এর গতিবেগ ৪৪ কিলোমিটার। ১১৩ মিটার দৈর্ঘ্যের এই জাহাজ সমুদ্রের ৯৮০ থেকে ১৪০০ ফুট নীচ দিয়ে চলতে পারে। কে-১৫ ক্ষেপণাস্ত্রের পাশাপাশি এই জাহাজে চারটি কে-৪ ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রও রয়েছে। যেগুলি ৩,৫০০ কিমি দূরত্ব অতিক্রম করতে পারে। ক্ষেপনাস্ত্র ছাড়াও ২১ ইঞ্চির চারটি টর্পিডো লঞ্চার টিউব রয়েছে এই ডুবোজাহাজে। নতুন ডুবোজাহাজে দরকারে পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা বাড়ানোও যাবে।

    নৌসেনার পরিকল্পনা

    চিন ও পাকিস্তানকে ঠেকাতে ভারতের নৌসেনার (Indian Navy) পরিকল্পনা এখানেই শেষ নয়। আগামী বছর নৌসেনায় যোগ দেবে আরও একটা পরমাণু শক্তিধর সাবমেরিন। যার নাম ‘আইএনএস অরিদমন’। যাতে থাকবে সাড়ে ৩ হাজার কিলোমিটার পাল্লার পরমাণু ক্ষেপণাস্ত্র। আর দেশে চার নম্বর নিউক্লিয়ার সাবমেরিন তৈরির কাজ এখন চলছে। সূত্রের খবর, এই ৪টি ছাড়া আরও ২টি নিউক্লিয়ার অ্যাটাক সাবমেরিন নির্মাণের পরিকল্পনা এখন কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার নিরাপত্তা সংক্রান্ত কমিটির ছাড়পত্রের অপেক্ষায়। এটা সহজেই অনুমেয়, সবকটা জাহাজ হাতে চলে এলে বঙ্গোপসাগর, আরব সাগর এবং ভারত মহাসাগরে চিনের চোখ রাঙানোর দিন শেষ হয়ে যাবে। তাই এখন থেকেই কিছুটা ব্যাকফুটে খেলতে শুরু করেছে চিন।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chinese Mariner Rescue: ঝড় উপেক্ষা করে চিনা নাবিককে উদ্ধার ভারতীয় নৌসেনার, প্রশংসা বেজিংয়ের

    Chinese Mariner Rescue: ঝড় উপেক্ষা করে চিনা নাবিককে উদ্ধার ভারতীয় নৌসেনার, প্রশংসা বেজিংয়ের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এক চিনা নাবিককে উদ্ধার করল ভারতীয় নৌ-বাহিনী (Indian Navy)। গুরুতর আহত ওই চিনা নাবিকের চিকিৎসা চলছে। মুম্বই মেরিটাইম রেসকিউ কো-অর্ডিনেশন সেন্টার মঙ্গলবার ‘ঝিং শান মেন’ নামে একটি চিনা বাণিজ্যিক জাহাজ থেকে ওই নাবিককে গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার (Chinese Mariner Rescue) করে ভারতীয় নৌসেনা। এই নৌযানের অবস্থান মুম্বই উপকূল থেকে ২০০ (৩৭০ কিলোমিটার) নটিক্যাল মাইল দূরে ছিল।

    বিষম পরিস্থিতে নাবিককে উদ্ধার (Chinese Mariner Rescue)

    জানা গিয়েছে, নৌ-বাহিনীর মেরিটাইম রেসকিউ কো-অর্ডিনেশন সেন্টার এর কাছে একটি জরুরি বার্তা (এসওএস) আসে। তাতে জানানো হয়, ৫১ বছর বয়সি ওই নাবিক আহত হয়েছেন। তাঁর প্রচুর রক্তক্ষরণ হয়েছে। তাঁকে বাঁচানো প্রয়োজন। এরপর ভারতীয় (Indian Navy) নৌবাহিনীর ‘সি কিং’ হেলিকপ্টারকে ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়। আইএনএস শিখরা থেকে হেলিকপ্টার উড়ে গিয়ে ওই নাবিককে উদ্ধার (Chinese Mariner Rescue) করে।  যদিও উদ্ধারের সময় খুব জোরালো ঝড় বইছিল সমুদ্রের উপর দিয়ে। জানা গিয়েছে, ৪৫ নট (৮৩.৩৪ কিমি/ঘণ্টা) গতি ছিল ওই ঝোড়ো হাওয়ার। এই কঠিন পরিস্থিতিতে ওই নাবিককে এয়ার লিফট করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

    আরও পড়ুন: ‘‘ইতিহাস থেকে শেখেনি…’’, কার্গিল বিজয় দিবসে পাকিস্তানকে কড়া বার্তা মোদির

    নাবিককে উদ্ধারের প্রশংসা করলেন চিনা রাষ্ট্রদূত (Indian Navy)

    নাবিককে (Chinese Mariner Rescue) উদ্ধারের ঘটনায় ভারতীয় নৌবাহিনীর (Indian Navy) প্রশংসা করেছেন ভারতে নিযুক্ত চিনা রাষ্ট্রদূত জু ফেইহং। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লেখেন, “একজন চিনা ক্রু সদস্যকে ভারতীয় নৌ-বাহিনী যেভাবে জরুরি পরিষেবা এবং অন্যান্য সাহায্য করেছে আমরা তার প্রশংসা করি। এখন চিনা নাগরিকের ফলো আপ চিকিৎসা চলছে। চিন ও ভারতে মানুষ প্রথম এবং জীবন প্রথম, এটাই দর্শন।

    ভারত ও চিনের বিদেশমন্ত্রীর সাক্ষাৎ

    অন্যদিকে, আসিয়ান বৈঠকের ফাঁকে ভারতের বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর চিনা বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করেন এবং প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা এবং অতীত চুক্তিগুলির প্রতি সম্মান নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। ভারতীয় বিদেশমন্ত্রীর জোর দিয়ে বলেন, “সম্পর্কের স্থিতিশীলতা উভয় দেশের পারস্পরিক স্বার্থ রক্ষা করবে। স্থিতিশীলতায় বিঘ্ন হলে দুই দেশের ক্ষতি হবে।”

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Maldives Islands: চিনের দাদাগিরি রুখতে মলদ্বীপের কাছে সামরিক কার্যকলাপ বাড়াচ্ছে দিল্লি

    Maldives Islands: চিনের দাদাগিরি রুখতে মলদ্বীপের কাছে সামরিক কার্যকলাপ বাড়াচ্ছে দিল্লি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত ও চিনের সীমান্ত রয়েছে প্রায় চার হাজার কিলোমিটারেরও বেশি। দুই দেশের সীমান্ত নিয়ে সমস্যা প্রায়ই খবরের শিরোনামে আসে। পৃথিবীর প্রথম দুই জনবহুল দেশের সংঘাত তবে বর্তমানে আর মাত্র চার হাজার কিলোমিটারের সীমানা জুড়েই সীমাবদ্ধ নেই। বর্তমানে তা মহাসাগর ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতেও (Maldives Islands) ছড়িয়ে পড়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক রুটের দখল নিজেদের কাছেই রাখতে চায় বেজিং। চিনের দাদাগিরি রুখতে সক্রিয় হয়ে উঠেছে দিল্লিও। নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে সামরিক কার্যকলাপও (Indian Armed Forces) বৃদ্ধি করেছে ভারত।

    লাক্ষাদ্বীপের মালিকু দ্বীপে নতুন সামরিক ঘাঁটি গড়ে তুলেছে মোদি সরকার 

    লাক্ষাদ্বীপের মালিকু দ্বীপে নতুন সামরিক ঘাঁটি গড়ে তুলেছে মোদি সরকার। সরকারি সূত্রে খবর, মালিকু দ্বীপের এই সামরিক ঘাঁটিগুলিতে (Indian Armed Forces) নতুন দুটি বিমান ঘাঁটি করা হবে আবার অন্যদিকে আগাত্তি দ্বীপের বর্তমানে যে সামরিক ঘাঁটি রয়েছে সেটিকেও ঢেলে সাজানো হবে বলে জানা গিয়েছে। কূটনৈতিকভাবে এই দুটি দ্বীপের অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। দুটি দ্বীপই আরব সাগরে অবস্থিত এবং বিশ্বের যে প্রধান সামুদ্রিক বাণিজ্যপথ রয়েছে তার অর্ধেক রাস্তাই এই অঞ্চলে অবস্থিত। অর্থাৎ বিশ্বের সামুদ্রিক বাণিজ্য পথে চিনের দাপট রুখতে ভারতের এমন কূটনৈতিক পদক্ষেপ যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ বলেই মনে করছে আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    বিমান ঘাঁটিগুলি বাণিজ্যিক কাজেও ব্যবহার করা হবে

    ভারত সরকারের তরফ জানানো হয়েছে, এই বিমান ঘাঁটিগুলি বাণিজ্যিক কাজেও ব্যবহার করা হবে। দীর্ঘদিন ধরেই বেজিং উদ্যোগ নিয়েছে মধ্যপ্রাচ্য ও আফ্রিকার দেশগুলির সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্থাপন করতে অর্থাৎ যে কোনও মূল্যে এই অঞ্চলগুলিতে নিজেদের আধিপত্য বিস্তার করতে চায় চিন। ঠিক এই কারণেই আফ্রিকা মহাদেশের ও মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলিতে চিনা কোম্পানিগুলির ক্রমবর্ধমান উপস্থিতি নজরে পড়ে। ওই দেশগুলির সেনাবাহিনীর সঙ্গে চিনের সেনা যৌথ মহড়াও করে। সামরিক চুক্তিও সম্পাদন করছে বেজিং। সামরিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় বেজিং ওই দেশগুলির সঙ্গে।

    ভারতকে রুখতে পাকিস্তানের সঙ্গে চিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক

    আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের ধারণা, সাধারণভাবে সারা বিশ্বজুড়ে দুটি দেশের মধ্যে বিবাদ দেখা দিলে তা মেটানোর কাজ করে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সমেত ইউরোপের দেশগুলি। ইজরায়েল-প্যালেস্তাইন যুদ্ধেও তা দেখা গিয়েছে, ঠিক একইভাবে এশিয়া ও আফ্রিকা মহাদেশের বিস্তীর্ণ অঞ্চলে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইউরোপের দেশগুলির এই জায়গাটি নিতে চাইছে চিন। এক্ষেত্রে ভারতই হয়ে উঠছে তাদের প্রধান প্রতিপক্ষ। ভারতকে রুখতে পাকিস্তানের সঙ্গে চিনের ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক সকলেরই জানা। আর্থিক দিক থেকে, সামরিকভাবে পাকিস্তানকে সহযোগিতা করে চলেছে বেজিং। পাক অধিকৃত কাশ্মীরে পরিকাঠামোও নির্মাণ করেছে বেজিং। খুব সহজেই বোঝা যাচ্ছে, এশিয়া মহাদেশে প্রতিপক্ষ হিসেবে চিন ভারতকেই ভাবে।

    চিন ঘনিষ্ঠ মলদ্বীপের (Maldives Islands) ওপরেও কড়া নজর রাখতে চায় ভারত

    গত বছরে মলদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ মুইজ্জু তাঁদের দেশ থেকে ভারতের সেনা সরানোর কথা বলেন। শুধু তাই নয় নির্বাচনে জেতার আগে এটাই ছিল মুইজ্জুর প্রতিশ্রুতি যে তিনি ক্ষমতায় ফিরলে দেশ থেকে ভারতের সেনা সরানো হবে। কূটনৈতিক মহলের একাংশের ধারণা, এমন সিদ্ধান্ত মুইজ্জুর নয়, এর পিছনে রয়েছে বেজিংয়ের কূটনৈতিক কৌশল। তবে মলদ্বীপের (Maldives Islands) খুব কাছেই ভারতের সামরিক কার্যকলাপ বৃদ্ধি বেশ চোখে পড়ছে। ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলে নিজেদের শক্তি আরও বাড়াতে গত মার্চের প্রথম সপ্তাহে নৌ-ঘাঁটি চালু করেছে ভারত। লাক্ষাদ্বীপের মিনিকয় দ্বীপপুঞ্জের এই নৌ-ঘাঁটির (নেভাল স্টেশন) নাম রাখা হয়েছে ‘আইএনএস জটায়ু’। আন্তর্জাতিক রাজনৈতিক মহলের অনুমান চিন ঘনিষ্ঠ মলদ্বীপে কড়া নজর রাখতে চায় ভারত। তাই লাক্ষাদ্বীপে বেড়েই চলেছে ভারতের সামরিক কার্যকলাপ।

    চলতি বছরেই মলদ্বীপে (Maldives Islands) এসেছিল চিনা গুপ্তচর জাহাজ

    চিন-মলদ্বীপ আঁতাঁতের কারণে জলসীমার এই অঞ্চলে নিরন্তর নজরদারি চালানো অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হয়ে পড়েছে। চলতি বছরেই মলদ্বীপে এসেছিল চিনা গুপ্তচর জাহাজ। ফলে, সামগ্রিক দিক দিয়ে ভারতের সার্বভৌমত্ব এবং সীমানাকে সুরক্ষিত রাখতে এই সামরিক ঘাঁটিগুলি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, এই ঘাঁটিগুলি থেকে ভারত মহাসাগরীয় অঞ্চলের যাবতীয় বাণিজ্যিক ও সামরিক গতিবিধির ওপর নজর রাখা সহজ হবে। আর লাক্ষাদ্বীপের অবস্থান মলদ্বীপের (Maldives Islands) ৫০ মাইল ব্যাসার্ধের মধ্যে হওয়ায় ওই রাষ্ট্রের গতিবিধির ওপরও নজর রাখবে ভারত।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • INS Brahmaputra: ভারতীয় নৌবাহিনীর রণতরী আইএনএস ব্রহ্মপুত্রে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিখোঁজ ১ নাবিক

    INS Brahmaputra: ভারতীয় নৌবাহিনীর রণতরী আইএনএস ব্রহ্মপুত্রে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড, নিখোঁজ ১ নাবিক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে পুড়ে গেল ভারতীয় নৌবাহিনীর রণতরী ‘আইএনএস ব্রহ্মপুত্র’ (INS Brahmaputra)। জানা গিয়েছে, রক্ষণাবেক্ষণের সময় আগুন লেগে এই বিপত্তি ঘটে। বিশাল ‘গাইডেড মিসাইল ফ্রিগেট’ যুদ্ধ জাহাজটিতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালিয়ে সোমবার সকালে অবশেষে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে দমকল বাহিনী। আগুন লাগার ঘটনায় উদ্বেগ ছড়িয়ে পড়ে। দুর্ঘটনার জেরে নৌসেনার এক নাবিক (Indian Navy) নিখোঁজ বলে জানা গিয়েছে। তাঁর খোঁজে তল্লাশি চলছে।

    কীভাবে ঘটল এই অঘটন? (INS Brahmaputra)

    নৌবাহিনীর তরফে জানানো হয়েছে, মুম্বইয়ের ডকইয়ার্ডে রক্ষণাবেক্ষণের কাজ চলছিল যুদ্ধ জাহাজটিতে। রবিবার রাতের দিকে কোনও ভাবে আগুন লেগে যায় রণতরীটিতে। সোমবার সকালে আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও দেখা যায় জাহাজটি ব্যাপক ভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দুপুরের দিকে জাহাজটির একদিক হেলতে শুরু করে। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে আরও হেলে যায়। নৌসেনার তরফে জানানো হয়েছে, অগ্নিকাণ্ডের পর জাহাজের সকল নাবিক ও কর্মীদের উদ্ধার করা সম্ভব হলেও একজন অধস্তন নাবিকের খোঁজ এখনও মেলেনি। বর্তমানে ডকে নির্দিষ্ট বার্থে হেলানো অবস্থাতেই রয়েছে আইএনএস ব্রহ্মপুত্র। নৌবাহিনীর তরফে বিবৃতিতে বলা হয়, ”দমকলবাহিনী ও যুদ্ধজাহাজের কর্মীরা আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। এর পর ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ খতিয়ে দেখা হয়। চলে স্যানিটাইজেশনের কাজ।” প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে শর্ট সার্কিটের কারণেই এই অগ্নিকাণ্ড। তবে পিছনে কোনও নাশকতার ষড়যন্ত্র রয়েছে তা জানতে ইতিমধ্যেই তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে ভারতীয় নৌসেনার তরফে। 

    আরও পড়ুন: চালু হচ্ছে মুম্বইয়ের প্রথম আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো! কোথা দিয়ে চলবে?

    একাধিক রুদ্ধশ্বাস অভিযানের সাক্ষী আইএনএস ব্রহ্মপুত্র

    ২০২০ সালে ভারতীয় নৌসেনায় অন্তর্ভুক্ত হয় রণতরী আইএনএস ব্রহ্মপুত্র (INS Brahmaputra)। এই যুদ্ধ জাহাজ সম্পূর্ণ দেশীয় পদ্ধতিতে তৈরি ব্রহ্মপুত্র শ্রেণির প্রথম মিসাইল ফ্রিগেট জাহাজ। এই জাহাজে মোতায়েন থাকেন ৪০ আধিকারিক সহ ৩৩০ জনের নাবিকের দল। স্বল্প থেকে মাঝারি দূরত্বে আক্রমণ চালাতে সক্ষম টর্পেডোর পাশাপাশি বিমান ধ্বংসকারী ক্ষেপণাস্ত্রে সজ্জিত অত্যাধুনিক এই জাহাজ। প্রযুক্তিগত দক্ষতার দিক থেকে শত্রুকে খুঁজে নিকেশ করায় এই জাহাজের জুড়ি মেলা ভার। কলকাতার গার্ডেনরিচে তৈরি হয় ‘আইএনএস ব্রহ্মপুত্র’। ১২৫ মিটার দৈর্ঘ্যের যুদ্ধজাহাজটির ওজন ৫ হাজার ৩০০ টন। গতিবেগ ঘণ্টায় ২৭ নটিক্যাল মাইলের বেশি। এর আগে ইউরোপ, আফ্রিকা উপকূল এবং ভূমধ্যসাগরে একাধিক রুদ্ধশ্বাস অভিযানে নৌবাহিনীর সঙ্গী থেকেছে ব্রহ্মপুত্র (INS Brahmaputra)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Oman Oil Tanker Sinks: ওমান উপকূলে ডুবে যাওয়া তেল ট্যাঙ্কার থেকে আট ভারতীয়কে উদ্ধার নৌসেনার

    Oman Oil Tanker Sinks: ওমান উপকূলে ডুবে যাওয়া তেল ট্যাঙ্কার থেকে আট ভারতীয়কে উদ্ধার নৌসেনার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওমানে মাঝ সমুদ্রে (Oman Oil Tanker Sinks) তেলের ট্যাঙ্কার ডুবে তলিয়ে গিয়েছিলেন ১৩ জন ভারতীয়-সহ মোট ১৬ জন। বুধবার বেশ কয়েক ঘণ্টার প্রচেষ্টায় ন’জনকে উদ্ধার করেছে ভারতের নৌসেনা। আট জন ভারতীয় ছাড়াও তাঁদের মধ্যে রয়েছেন শ্রীলঙ্কার এক নাগরিক। এখনও পাঁচ ভারতীয়-সহ সাত জন নিখোঁজ। একযোগে উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে ভারতীয় নৌসেনা এবং ওমানের সমুদ্র নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা ওএমএসসি৷ 

    কেন দুর্ঘটনা (Oman Oil Tanker Sinks) 

    ওমানের (Oman Oil Tanker Sinks) দুকম বন্দরের কাছে রাস মাদ্রাকার দক্ষিণ-পূর্বের সমুদ্রে তেলের ট্যাঙ্কার ভর্তি জাহাজটি উল্টে যায়। মনে করা হচ্ছে, আবহাওয়াজনিত কারণেই এই দুর্ঘটনা। আবহাওয়ার কারণে উদ্ধারকাজেও সমস্যা হচ্ছে বলে খবর। ওই এলাকায় এখনও সমুদ্র উত্তাল রয়েছে। চলছে ঝোড়ো হাওয়া। নৌবাহিনীর মুখপাত্রের তরফে এক্স হ্যান্ডেলে জানানো হয়, তৈলবাহী ট্যাঙ্কার এমভি প্রেস্টিজ ফ্যালকন জাহাজ ডুবে গিয়েছে৷ উদ্ধারকাজ শুরু করতে ১৬ তারিখ ওমান কর্তৃপক্ষের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়৷ শুরু হয় উদ্ধারকার্য৷ আবহাওয়া সংক্রান্ত প্রতিকূলতা ছাড়াও জাহাজডুবির নেপথ্যে অন্য কোনও কারণ রয়েছে কি না, উদ্ধারকাজ শেষ হলে তা খতিয়ে দেখা হবে, জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট প্রশাসন।

    তৎপর নৌসেনা (Oman Oil Tanker Sinks) 

    ওমানের সমুদ্রে (Oman Oil Tanker Sinks) এই দুর্ঘটনার খবর পেয়ে তৎপর হয়েছে ভারতীয় প্রশাসন। ভারতের তরফে জানানো হয়েছে, ওমান সরকার এবং উপকূলের নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে অনবরত যোগাযোগ রেখেছে দূতাবাস। ভারতীয় নৌসেনাও ওই এলাকায় অভিযান চালাচ্ছে। ভারতীয় নৌসেনার যুদ্ধজাহাজ আইএনএস তেগকে ওমানের ওই অংশের সমুদ্রে তল্লাশি অভিযান চালানোর কাজে নিয়োগ করা হয়েছিল। এ ছাড়াও নৌসেনাকে এই কাজে সাহায্য করছে পি৮আই নামের বিমান। বুধবার নিখোঁজ ১৬ জনের মধ্যে ৯জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৮জন ভারতীয় ও একজন শ্রীলঙ্কার নাগরিক।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Chiefs Of Army Navy: বিরল নজির, ভারতের দুই বাহিনীর প্রধান দুই সহপাঠী  

    Chiefs Of Army Navy: বিরল নজির, ভারতের দুই বাহিনীর প্রধান দুই সহপাঠী  

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: স্কুলে তাঁরা ছিলেন সহপাঠী। বর্তমানে তাঁরা হতে চলেছেন দুই বাহিনীর প্রধান (Chiefs Of Army Navy)। বেনজির এই ঘটনার সাক্ষী হতে চলেছেন তামাম ভারতবাসী। সেনা প্রধান পদে মনোনীত হয়েছেন লেফটেন্যান্ট উপেন্দ্র দ্বিবেদী এবং নৌসেনা প্রধান পদে ইতিমধ্যেই দায়িত্ব নিয়েছেন অ্যাডমিরাল দীনেশ ত্রিপাঠী।

    দুই সহপাঠী দ্বিবেদী ও ত্রিপাঠী

    মধ্যপ্রদেশের রেওয়ায় সৈনিক স্কুলের ছাত্র ছিলেন উপেন্দ্র ও দীনেশ। পঞ্চম শ্রেণির এই দুই পড়ুয়ার সেকশনও ছিল একই – এ। রোল নম্বরও ছিল কাছাকাছি। দ্বিবেদীর ছিল ৯৩১, আর ত্রিপাঠীর ছিল ৯৩৮। স্কুলজীবন থেকেই বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে দু’জনের। সেই বন্ধুত্ব আজও অটুট। দু’জনে দুই বাহিনীতে যোগ দিলেও, যোগাযোগ রয়েছে নিয়মিত (Chiefs Of Army Navy)। এক্স হ্যান্ডেলে প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মুখপাত্র এ ভারত ভূষণ বাবু লিখেছেন, “…দুজন এমন কৃতী পড়ুয়া, যাঁরা পঞ্চাশ বছর পর নিজেদের বাহিনীকে নেতৃত্ব দেবেন, তাঁদের তৈরি করার এমন বিরল কৃতিত্বের অধিকারী মধ্যপ্রদেশের রেওয়ার সৈনিক স্কুল।”

    দ্বিবেদীর অভিজ্ঞতার ঝুলিতে কী রয়েছে জানেন?

    তবে ত্রিপাঠী নৌসেনা প্রধানের দায়িত্বভার গ্রহণ করেছেন পয়লা মে। দ্বিবেদী এখনও দায়িত্ব নেননি। তিনি দায়িত্ব নেবেন পয়লা জুলাই, সোমবার। ঘটনাচক্রে, তাঁর জন্মদিনও পয়লা জুলাই। নর্দান আর্মি কমান্ডার হিসেবে ব্যাপক অভিজ্ঞতা রয়েছে দ্বিবেদীর। পূর্ব লাদাখে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর ‘স্ট্যান্ড অফে’র সময় সেনার যে গতিবিধি চলছিল, তার প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতাও রয়েছে দ্বিবেদীর ঝুলিতে। ১৯৮৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর ভারতীয় সেনার জম্মু-কাশ্মীর রাইফেলসের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল দ্বিবেদীকে। সেই তিনিই এবার হতে যাচ্ছেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান। দ্বিবেদী হবেন সেনাবাহিনীর ৩০তম প্রধান। এমন একটা সময় বাহিনীর দায়িত্ব নিচ্ছেন তিনি, যখন বাহিনীতে চলেছে আধুনিকীকরণের কাজ।

    আর পড়ুন: মধ্যপ্রদেশে ১৪ জন মহিলা সমেত ৩০ জন মুসলিম ফিরলেন হিন্দু ধর্মে

    রেওয়ায় সৈনিক স্কুলের পাঠ শেষে দ্বিবেদী ভর্তি হন ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজে। পরে যান ইউএস আর্মি ওয়ার কলেজে। ডিএসএসসি ওয়েলিংটন এবং এমহাউয়ের আর্মি ওয়ার কলেজের ডিগ্রিও রয়েছে তাঁর ঝুলিতে। রাত পোহালে সেই তিনিই হবেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্রধান (Chiefs Of Army Navy)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  WhatsappFacebookTwitterTelegram এবং Google News পেজ।

  • Rafale Marine Jet Deal: ভারতে এসেছে ফরাসি দল, ২৬টি রাফাল-এম যুদ্ধবিমান নিয়ে আজ শুরু আলোচনা

    Rafale Marine Jet Deal: ভারতে এসেছে ফরাসি দল, ২৬টি রাফাল-এম যুদ্ধবিমান নিয়ে আজ শুরু আলোচনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দীর্ঘ টালবাহানার পর অবশেষে লোকসভা ভোটের মধ্যেই শুরু হতে চলেছে রাফাল মেরিন যুদ্ধবিমান কেনার দর কষাকষি-পর্ব (Rafale Marine Jet Deal)। নৌসেনার (Indian Navy) জন্য ২৬টি রাফাল-এম যুদ্ধবিমান কিনতে মনস্থির করেছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। চুক্তির মূল্য হতে পারে আনুমানিক ৫০ হাজার কোটি টাকা। এবার সেই চুক্তির বিষয়বস্তু নিয়ে কথা বলতে ভারতে এসে পৌঁছেছে ফ্রান্সের উচ্চ-পর্যায়ের প্রতিনিধিদল। সূত্রের খবর, আজই আলোচনা শুরু হওয়ার কথা। খুব শীঘ্রই হয়ত দু’পক্ষের তরফে যৌথ ঘোষণা হতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।

    কারা থাকবেন বৈঠকে?

    সূত্রের খবর, ফরাসি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে চুক্তি-মূল্য ও আনুষাঙ্গিক বিষয় নিয়ে কথা বলবেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কর্তারা (Rafale Marine Jet Deal)। ২৬টি রাফাল-এম যুদ্ধবিমানগুলি ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) দুই বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রমাদিত্য ও আইএনএস বিক্রান্ত-এর ওপর মোতায়েন থাকবে। ২৬টি যুদ্ধবিমানের মধ্যে, ২২টি সিঙ্গেল সিটার বা এক আসন-বিশিষ্ট এবং ৪টি ডবল সিটার (দুই-আসন বিশিষ্ট) বিমান কেনা হবে। প্রশিক্ষণের জন্য ডাবল সিটার জেটগুলি ব্যবহার করা হবে। এর পাশাপাশি থাকবে, বর্তমানে ব্যবহৃত রুশ-নির্মিত মিগ-২৯কে যুদ্ধবিমানগুলিও। যা জানা যাচ্ছে, ফরাসি প্রতিনিধিদলে থাকবেন সেদেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের কর্তারা। বৈঠকে থাকবেন রাফালের উৎপাদনকারী সংস্থা দাসো এভিয়েশন এবং প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম প্রস্তুতকারী সংস্থা তালে-র শীর্ষ আধিকারিকরাও। অন্যদিকে, ভারতীয় প্রতিনিধিদলে থাকবেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের সরঞ্জাম ক্রয় বিভাগ এবং ভারতীয় নৌসেনার শীর্ষ কর্তাব্যক্তিরা।

    চলতি অর্থবর্ষের মধ্যেই চুক্তি স্বাক্ষর?

    প্রতিরক্ষা মন্ত্রক সূত্রে খবর, ফ্রান্সের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে রাফাল-আলোচনায় (Rafale Marine Jet Deal) মূলত তিনটি বিষয় উঠে আসবে। এক, ২৬টি রাফাল মেরিনের দাম। দুই, আনুষাঙ্গিক সরঞ্জাম ও অস্ত্রসম্ভার। তিন, চুক্তি স্বাক্ষর ইস্তক বিমান হস্তান্তরের সময়সীমা। জানা গিয়েছে, চলতি অর্থবর্ষের মধ্যেই চুক্তি স্বাক্ষরের কাজ সম্পন্ন করতে চাইছে ভারত। ভারত মহাসাগর অঞ্চলে চিনের আগ্রাসনের বিষয়টি মাথায় রেখে যত দ্রুত সম্ভব রাফাল-এম যুদ্ধবিমান হাতে পেতে চাইছে ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। চুক্তি হওয়ার পর অন্তত ২ বছরের মধ্যে ২৬টি বিমানের প্রথম ব্যাচ হয়ত ভারতীয় নৌসেনার হাতে আসবে। এমনটাই মত বিশেষজ্ঞদের। দেশের পূর্ব উপকূল ও পশ্চিম উপকূলে একটি করে বিমানবাহীন রণতরী মোতায়েন করতে তৎপর নৌসেনা। সেই লক্ষ্যে, বুড়ো হয়ে যাওয়া মিগ-২৯কে-র পরিবর্তে অত্যাধুনিক রাফাল-এম যুদ্ধবিমানই যে প্রথম পছন্দ, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    গভর্নমেন্ট-টু-গভর্নমেন্ট চুক্তি

    দীর্ঘ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর নৌসেনার (Indian Navy) দুটি বিমানবাহী রণতরীর জন্য ফ্রান্সের রাফাল-এম যুদ্ধবিমান কেনার সিদ্ধান্ত নেয় নয়াদিল্লি। ২০২৩ সালের জুলাই মাসে প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে ভারতের প্রতিরক্ষা অধিগ্রহণ কাউন্সিল ভারতীয় নৌবাহিনীর জন্য ২৬টি রাফাল এম যুদ্ধবিমান কেনার প্রস্তাব অনুমোদন করেছিল। এরপর ফ্রান্সের তরফে প্রস্তাব চেয়ে পাঠোনা হয় (রিকোয়েস্ট ফর প্রোপোজাল)। ফ্রান্স গত ডিসেম্বরে ভারতীয় টেন্ডারে সাড়া দিয়েছিল। ফ্রান্সের পাঠানো প্রস্তাব পর্যালোচনা করার পর তা গৃহীত হলে ভারতের তরফে লেটার অফ অ্যাকসেপটেন্স পাঠানো হয়। যার স্বীকৃতিস্বরূপ জবাবও দেয় মাক্রঁ প্রশাসন। এবার চূড়ান্ত আলোচনায় (Rafale Marine Jet Deal) বসবে দুই পক্ষ। তারপরই চুক্তি সম্পন্ন হবে। জানা গিয়েছে, বায়ুসেনার জন্য কেনা ৩৬টি রাফাল বিমানের মতোই, রাফাল-এম বিমান কিনতে গভর্নমেন্ট-টু-গভর্নমেন্ট চুক্তি হবে। অর্থাৎ, সরাসরি দুই সরকারের মধ্যে চুক্তি হবে। 

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • NIA: নৌবাহিনীতে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে তথ্যপাচার, পাক এজেন্টের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ এনআইএ-র

    NIA: নৌবাহিনীতে হানিট্র্যাপের মাধ্যমে তথ্যপাচার, পাক এজেন্টের বিরুদ্ধে চার্জশিট পেশ এনআইএ-র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মুম্বইয়ে ভারতীয় নৌবাহিনীর আধিকারিকদের হানি ট্র্যাপে ফেলার কাজ করত আমন সালিম শেখ। পাকিস্তানের আইএসআই নিযুক্ত এই গুপ্তচরকে গত বছরের ২০ নভেম্বর গ্রেফতার করে ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি। জানা গিয়েছে, তার কাজ ছিল হানি ট্র্যাপের মাধ্যমে ভারতীয় প্রতিরক্ষা বাহিনীর বিভিন্ন গোপন তথ্য আদায় করে তা পাকিস্তানের হাতে তুলে দেওয়া। গ্রেফতার হওয়া এই পাকিস্তানি গুপ্তচরের বিরুদ্ধে আদালতে শুক্রবার চার্জশিট পেশ করল এনআইএ (NIA)।

    শেখ আমন সালিমের বিরুদ্ধে একাধিক ধারায় অভিযোগ

    জানা গিয়েছে, ধৃতের বিরুদ্ধে সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা করা হয় গত বৃহস্পতিবারই বিশাখাপত্তনমে এনআইয়ের বিশেষ আদালতে। এই চার্জশিটে গ্রেফতার হওয়া শেখ আমন সালিমের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। এর পাশাপাশি তাকে ‘আনলফুল অ্যাক্টিভিটিস প্রিভেনশন অ্যাক্ট’-এর বিভিন্ন ধারাও দেওয়া হয়েছে। এনআইএ-র (NIA) সূত্রে খবর পাওয়া গিয়েছে, পাকিস্তানের গুপ্তচররা যে সিম কার্ড ব্যবহার করত। তা অ্যাকটিভ করার কাজ ছিল সালিমে ওপরেই। অর্থাৎ হানি ট্র্যাপের পাশাপাশি পাকিস্তানের গুপ্তচরদের ফোনের সিমও সাপ্লাই করত সে। তার এই কার্যকলাপ প্রথম সামনে আসে ২০২১ সালেই।, সে সময়ে অর্থাৎ ১২ জানুয়ারি ২০২১ সালে, পাকিস্তানি গুপ্তচরদের এই সিম অ্য়াক্টিভেট কার্যকলাপ ধরা পড়ে যায়। এরপরেই নাম সামনে আসে আমন সালিম শেখের।

    টাকার বিনিময়ে এমন কাজ করত সালিম

    এনআইএ (NIA) সূত্রে আরও তথ্য মিলেছে, টাকার বিনিময়ে এমন কাজ করত সে। পাকিস্তানের আইএসআই তাকে (সালিম) পরিচালনা করত। এর পাশাপাশি পাকিস্তানের আইএসআইয়ের হয়ে কাজ করা আরও কয়েকজন এজেন্টের নাম সামনে এসেছে। যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল মীর বালাজ খান ও অলভিন। প্রসঙ্গত, মীর বালাজ খান একজন পাকিস্তানি নাগরিক। ক্রিপ্টো চ্যানেলের মাধ্যমে পাকিস্তানের আইএসআই তাকে যে কাজ দিত তা সে সম্পন্ন করতো। গত বছরের ৬ নভেম্বর ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি একটি সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিট জমা করে দুজন অভিযুক্তের বিরুদ্ধে। এরা হল মনমোহন সুরেন্দ্র পান্ডা এবং আলভেন। প্রসঙ্গত, মনমোহন সুরেন্দ্র পান্ডাকে আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল পাকিস্তানের গুপ্তচর হওয়ার অপরাধে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

  • Third Aircraft Carrier: তৃতীয় বিমানবাহী রণতরীর নির্মাণ শীঘ্রই, হবে আরও ৫-৬টি, বড় ঘোষণা রাজনাথের

    Third Aircraft Carrier: তৃতীয় বিমানবাহী রণতরীর নির্মাণ শীঘ্রই, হবে আরও ৫-৬টি, বড় ঘোষণা রাজনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: চিনা আগ্রাসন থেকে দেশের জলসীমা এবং সর্বোপরি ভারতের সার্বভৌমত্বকে রক্ষা করতে ভবিষ্যতের পরিকল্পনা খোলসা করলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং (Rajnath Singh)। তিনি জানালেন, শীঘ্রই তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী (Third Aircraft Carrier) নির্মাণের কাজ শুরু হবে। এছাড়া, অদূর ভবিষ্যতে ভারতে আরও ৫-৬টি বিমানবাহী রণতরী নির্মাণ করা হবে বলেও বড় দাবি করলেন তিনি।

    কী বলেছেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী?

    একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে রাজনাথ জানান, খুব শীঘ্রই ভারতের তৃতীয় বিমানবাহী রণতরী নির্মাণের কাজ শুরু হতে চলেছে। এই জাহাজটিও আইএনএস বিক্রান্ত-এর মতো ৪৫ হাজার টনের হবে। তিনি বলেন, ‘‘ভারতের এই মুহূর্তে ২টি বিমানবাহী রণতরী রয়েছে। একটি দেশীয় বিক্রান্ত। অন্যটি ২০১৩ সালে রাশিয়া থেকে কেনা আইএনএস বিক্রমাদিত্য। তৃতীয়টির (Third Aircraft Carrier) উৎপাদন শীঘ্রই শুরু হবে। তবে, আমরা এখানেই থেমে থাকতে রাজি নই। আমরা আরও ৫-৬টি বিমানবাহী রণতরী নির্মাণ করব।’’

    ভারত মহাসাগরে চিনের মোকাবিলা

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, যদি ভারত ৫-৬টি আরও বিমানবাহী রণতরী নির্মাণ করে ফেলে, তাহলে ভবিষ্যতে ভারতীয় জলসীমার কাছে চিবনা আগ্রাসনের মোকাবিলা করা সহজ হবে। ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) শক্তি প্রভূত পরিমাণে বৃদ্ধি পাবে। চিনের চেয়ে বেশি না হলেও, তা চিনের সমকক্ষ হয়ে উঠবে (Third Aircraft Carrier)। প্রসঙ্গত, চিনও জানিয়েছে যে, তারা ৫-৬টি বিমানবাহী রণতরী নির্মাণ করার পরিকল্পনা নিয়েছে। বর্তমানে, চিনের হাতেও দুটি বিমানবাহী রণতরী রয়েছে। একটি সাবেক সোভিয়েত জমানার লিয়াওনিং। অন্যটি দেশে তৈরি শ্যানডং। সম্প্রতি, ৮০ হাজার টনের ফুজিয়ানের সি-ট্রায়াল (সামুদ্রিক পরীক্ষাপর্ব) শেষ হয়েছে। শীঘ্রই তা অন্তর্ভুক্ত করা হবে। 

    দক্ষিণ চিন সাগরে ভারতীয় নৌজাহাজ

    প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞদের মতে, একবার তা সম্পন্ন হলে, চিন একটিকে (বিমানবাহী রণতরী) পাকাপাকিভাবে ভারত মহাসাগরে মোতায়েন করতে পারে। ফলে, ভারতের হাতেও যদি অন্তত তিনটে বিমানবাহী রণতরী (Third Aircraft Carrier) থাকে, তাহলে চিনা আগ্রাসনের চোখে চোখ রেখে মোকাবিলা সহজ হবে। চিনও অতি-সাহসী হয়ে ওঠার আগে দুবার ভাববে। রাজনাথ সিংয়ের (Rajnath Singh) ঘোষণা অনুযায়ী যদি ভারতের হাতে একবার ৫-৬টি বিমানবাহী রণতরী চলে আসে, তাহলে একটিকে পাকাপাকিভাবে দক্ষিণ চিন সাগরে মোতায়েন করে রাখা সম্ভব হবে। 

    দুই জলসীমার সুরক্ষা নিশ্চিতের লক্ষ্যে

    তিনটে বিমানবাহী রণতরীর (Third Aircraft Carrier) দাবি দীর্ঘদিন ধরে করে আসছে ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। বাহিনীর মতে, একসঙ্গে তিনটি এয়ারক্র্যাফট ক্যারিয়ার থাকলে, দেশের দুই জলসীমা — পূর্বে বঙ্গোপসাগর এবং পশ্চিমে আরবসাগরে একইসঙ্গে দুটি মোতায়েন করে জলসীমাকে নিরাপদ রাখা সম্ভব হবে। সেই সময় মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রয়োজনে তৃতীয়টিকে বসানো হলেও, সমস্যা হবে না। 

    কী মনে করছেন প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা

    তবে বিশেষজ্ঞরা এও জানিয়েছেন, একসঙ্গে ৫-৬টি বিমানবাহী রণতরীকে (Third Aircraft Carrier) মোতায়েন করতে হলে, প্রচুর সংখ্যক জাহাজ ও সহযোগী পরিকাঠামোরও প্রয়োজন। তাঁদের মতে, বিমানবাহী রণতরী হল ‘কোহিনূরে’র মতো। তারা কখনও একা যায় না। একটি বিমানবাহী রণতরীর সুরক্ষায় সর্বদা তাকে ঘিরে থাকে একাধিক ডেস্ট্রয়ার, ফ্রিগেট ও করভেট ও জ্বালানি সববরাহকারী ট্যাঙ্কার প্রভৃতি রণতরীর একটা টিম। জলের নীচে থাকে সাবমেরিন। আকাশে চক্কর কাটতে থাকে অ্যাওয়াক্স নজরদারি বিমান। এই সব মিলিয়ে তৈরি হয় একটি বিমানবাহী রণতরীর ‘ক্যারিয়ার ব্যাটল গ্রুপ’ (Carrier Battle Group)। এর জন্য প্রয়োজন বিশাল বিনিয়োগ ও পরিকাঠামো। রাজনাথের (Rajnath Singh) এই দাবিকে বাস্তব করতে হলে, নৌসেনা (Indian Navy) তথা প্রতিরক্ষা খাতে প্রচুর বিনিয়োগ ও বরাদ্দ বৃদ্ধি করতে হবে, বিশেষ করে মূলধন বরাদ্দ প্রভূত পরিমাণে বাড়াতে হবে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের  Whatsapp, FacebookTwitter, Telegram এবং Google News পেজ।

LinkedIn
Share