Tag: Jammu and Kashmir

Jammu and Kashmir

  • Jammu and Kashmir: রবিবার ভোরে দুলে উঠল জম্মু ও কাশ্মীর! রিখটার স্কেলে মাত্রা কত?

    Jammu and Kashmir: রবিবার ভোরে দুলে উঠল জম্মু ও কাশ্মীর! রিখটার স্কেলে মাত্রা কত?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রবিবার সাত সকালে দুলে উঠল জম্মু এবং কাশ্মীর (Jammu and Kashmir)। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজির (National Centre for Seismology) তথ্য অনুসারে, রবিবার ভোর ৫:১৫ নাগাদ ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে জম্মু কাশ্মীরে। কম্পনের গভীরতা ছিল ৫ কিলোমিটার। রিখটার স্কেলে ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল ৪.১। বিশেষ কোনও ক্ষয়ক্ষতি হয়নি বলেই জানা গেছে।

    আরও পড়ুন:‘বিজয়া দশমীর মতো উৎসবে পরিণত হয়েছে মন কি বাত’, বললেন প্রধানমন্ত্রী

    প্রাকৃতিক বিপর্যয় মোকাবিলায় গঠিত হচ্ছে এমারজেন্সি অপারেশন সেন্টার

    জম্মু কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir) প্রশাসনের তরফে আগেই ঘোষণা করা হয়েছে, যে সেখানকার ২০টি জেলা নিয়ে গঠিত হবে এমারজেন্সি অপারেশন সেন্টার। যেকোনও প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে মানুষকে আশ্রয় দিতেই এই প্রকল্প গড়ে উঠছে কেন্দ্র সরকারের বিপর্যয় মোকাবিলা দফতরের সহায়তায়।

    দুদিন আগেও কম্পন অনুভূত হয় জম্মু-কাশ্মীরে

    প্রসঙ্গত, এর আগে ২৮ এপ্রিল মাঝরাতে পর পর দু’বার কেঁপে উঠেছিল জম্মু-কাশ্মীর। ন্যাশনাল সেন্টার ফর সিসমোলজি জানিয়েছিল, সেদিন প্রথম কম্পনের মাত্রা ছিল ৪.৮ এবং দ্বিতীয় কম্পনের মাত্রা ছিল ৫.৯। ভূকম্পনের কেন্দ্রস্থল ছিল নেপালের বাজুরা জেলার দাহাকোট। নেপালের স্থানীয় সময় অনুযায়ী, ওই দিন প্রথম কম্পন অনুভূত হয়েছিল রাত ১২টায়। দ্বিতীয় কম্পন হয় রাত দেড়টা নাগাদ।

    আরও পড়ুুন: রেড রোডে দলের সংখ্যালঘু সেলের সভা থেকে মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধলেন শুভেন্দু! কী বললেন?

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jammu and Kashmir :  কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিকেশ ১ জঙ্গি

    Jammu and Kashmir : কাশ্মীরে নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে নিকেশ ১ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু ও কাশ্মীরে (Jammu and Kashmir) অনুপ্রবেশের সময় জঙ্গি ও নিরাপত্তাবাহিনীর গুলির লড়াইয়ে এক জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। গুরুতর জখম হয়েছে ১ জঙ্গি।

    কী বলল সেনা

    সেনা সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে জম্মু ও কাশ্মীরের (Jammu and Kashmir)  কুপওয়াড়া জেলায় নিয়ন্ত্রণরেখা বরাবর অনুপ্রবেশের চেষ্টা করে তিন জঙ্গি। পাক অধিকৃত কাশ্মীর থেকেই আসছিল তারা। অনুপ্রবেশ রুখতে গুলি চালায় সেনাবাহিনী। পাল্টা গুলি ছুড়তে থাকে জঙ্গিরা। এই গুলির লড়াইয়ে মৃত্যু হয়েছে এক জঙ্গির।

    কাশ্মীরের পুলিশ কী বলছে

    কাশ্মীরের পুলিশ বলছে, পাক অধিকৃত কাশ্মীরের দিক থেকে জঙ্গিদের একটি দল অনুপ্রবেশের চেষ্টা চালাতে পারে গোপন সূত্রে খবর পায় নিরাপত্তাবাহিনী। তারই ভিত্তিতে নজরদারি চালাচ্ছিল সেনা এবং জম্মু ও কাশ্মীর (Jammu and Kashmir)  পুলিশের একটি যৌথ দল। জঙ্গিদের দেখা মাত্রই গুলির লড়াই শুরু হয়। তবে, বাহিনীর কেউ এই ঘটনায় হতাহত হয়নি।

    মৃত জঙ্গির কাছ থেকে কী কী উদ্ধার হল

    মৃত জঙ্গির কাছ থেকে একটি একে ৪৭ রাইফেল উদ্ধার হয়েছে বলে জানা গেছে। এছাড়া গোলাবারুদ এবং গ্রেনেড-ও উদ্ধার করা হয়েছে সেনা সূত্রে খবর।

    কাশ্মীর ফিরছে চেনা ছন্দে, গত ২ বছরে দেড়শোর বেশি ছবির শ্যুটিং

    ২০১৯ সালে ৩৭০ ধারার বিলোপের পর পুরনো ছন্দে ফিরছে কাশ্মীর। জানা গেছে, পর্যটকদের আনাগোনা বাড়ছে, হোটেলগুলিতে ব্যাপক ভিড় লেগেই আছে। ভূস্বর্গে বিভিন্ন ছবির শ্যুটিংও চলছে পুরোদমে। ১৯৯০ সালের ১৯ জানুয়ারি থেকে কাশ্মীরে শুরু হয়েছিল পণ্ডিতদের ওপর ব্যাপক অত্যাচার, নির্যাতন। অসংখ্য পণ্ডিতকে হত্যাও করা হয়। তারপর থেকে কাশ্মীর ছাড়তে থাকেন পণ্ডিতরা। পরবর্তীকালে ২০১৯ সালে মোদি সরকার দ্বিতীয়বার ক্ষমতায় আসার পরই তুলে দেয় ৩৭০ ধারা। ওয়াকিবহাল মহলের মতে কেন্দ্রীয় সরকারের এই সিদ্ধান্তের কারণেই কাশ্মীর ফিরছে চেনা ছন্দে।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook এবং Twitter পেজ।  

     

     

  • Jammu and Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরে ফের পদক্ষেপ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের, জানেন কেন নিষিদ্ধ জেকেএনএফ?

    Jammu and Kashmir: জম্মু-কাশ্মীরে ফের পদক্ষেপ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের, জানেন কেন নিষিদ্ধ জেকেএনএফ?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মু-কাশ্মীরে (Jammu Kashmir) শান্তি ফেরাতে তৎপর কেন্দ্র। উপত্যকাকে বিচ্ছিন্নভাবে না রেখে মূল স্রোতে ফেরানোর চেষ্টা করে যাচ্ছে মোদি সরকার। এর জন্যই লোকসভা ভোটের আগে জম্মু ও কাশ্মীরে নতুন করে ‘তৎপরতা’ শুরু করল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) মন্ত্রকের তরফে ‘বেআইনি কার্যকলাপে’ জড়়িত থাকার অভিযোগে জম্মু-কাশ্মীর ন্যাশনাল ফ্রন্ট (Jammu Kashmir National Front) নামে একটি সংগঠনকে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে।

    কেন নিষিদ্ধ জেকেএনএফ

    নঈম আহমেদ খানের নেতৃত্বাধীন জেকেএনএফ-কে বেআইনি কার্যকলাপ (প্রতিরোধ) আইনের অধীনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের তরফে মঙ্গলবার জানানো হয়েছে, ভারত-বিরোধী জঙ্গি তৎপরতায় জড়িত থাকার কারণেই ওই সংগঠনের বিরুদ্ধে ‘বেআইনি কার্যকলাপ প্রতিরোধ আইন’ (ইউএপিএ) অনুযায়ী এই পদক্ষেপ করা হয়েছে। উপত্যকায় (Jammu Kashmir) আপাতত, জম্মু কাশ্মীর ন্যাশনাল ফ্রণ্ট (JKNF)-কে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা সূত্রে খবর, ওই সংগঠন বেআইনি কর্মকাণ্ডে লিপ্ত। যা দেশের অখণ্ডতা, সার্বভৌমত্ব ও নিরাপত্তার জন্য অনুকূল নয়। 

    এ প্রসঙ্গে এক্স হ্যান্ডেলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah) জানান, ‘মোদি সরকার আজ জম্মু কাশ্মীর ন্যাশনাল ফ্রন্টকে (Jammu Kashmir National Front) বেআইনি সংগঠন হিসেবে ঘোষণা করেছে। এই দল জম্মু ও কাশ্মীরকে ভারত থেকে আলাদা করতে বিচ্ছিন্নতাবাদী কার্যকলাপ চালাচ্ছে এবং সন্ত্রাসবাদকে সমর্থন করে, জাতির সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা এবং অখণ্ডতাকে চ্যালেঞ্জ করছে। আমরা ভারতের জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং সন্ত্রাস বাহিনীকে নির্মূল করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • Jammu and Kashmir: কাটল খরা, তুষারের চাদরে ঢাকল কাশ্মীর, বন্ধ যান চলাচল

    Jammu and Kashmir: কাটল খরা, তুষারের চাদরে ঢাকল কাশ্মীর, বন্ধ যান চলাচল

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শেষমেশ খরা কাটিয়ে তুষারপাত ভূস্বর্গে (Jammu and Kashmir)। বরফের চাদরে ঢাকল উত্তর-কাশ্মীরের বিস্তীর্ণ এলাকা। রাস্তা ঢেকে গিয়েছে মোটা পুরু বরফের চাদরে। বন্ধ হয়ে গিয়েছে যান চলাচল। যেসব রাস্তায় কোনওক্রমে চলছে যানবাহন, সেখানেও গাড়ির গথ এতই শ্লথ যে, যানজট হচ্ছে যত্রতত্র।

    কাশ্মীরে তুষারপাত

    শুক্রবার থেকে তুষারপাত শুরু হয়েছে কাশ্মীরে। গুর্জ এলাকায় ঘরবাড়ি-গাছপালার রং হয়েছে সাদা। গুর্জের পাশাপাশি প্রবল তুষারপাত হয়েছে তুলাইল ও দাওয়ার এলাকায়। চলতি শীতে কাশ্মীরে এটাই প্রথম তুষারপাত। তুষারপাত দেখতে কাশ্মীরে গিয়ে হতাশ হয়েছেন পর্যটকরা। কাশ্মীরে তুষারপাত হচ্ছে না, খবর ছড়িয়ে পড়তেই বহু পর্যটক কাশ্মীর না গিয়ে বেড়াতে চলে যান অন্যত্র। প্রত্যাশিতভাবেই মার খেয়েছে ভূস্বর্গের পর্যটন শিল্প। পর্যটনের ভরা মরশুমেই পর্যটকের আকাল দেখা দেওয়ায় হা-হুতাশ করতে দেখা যায় উপত্যকার পর্যটন শিল্পের সঙ্গে জড়িত মানুষদের।

    ভারী তুষারপাত হতে পারে কাশ্মীরে

    শুক্রবার কাটল (Jammu and Kashmir) সেই খরা। উত্তর কাশ্মীর প্রশাসনের পক্ষে থেকে জানোনো হয়েছে, তুষারপাতের পরিমাণ খুব বেশি নয়। তবে তুষারপাত হয়েছে বিস্তীর্ণ এলাকায়। বরফ জমে যাওয়ায় বিপজ্জনক হয়ে পড়েছে গুর্জ রোডের প্রায় ৮৫ কিলোমিটার এলাকা। বরফ সরিয়ে যান চলাচল স্বাভাবিক করতে ইতিমধ্যেই পথে নেমে পড়েছেন প্রশাসনিক কর্তারা। কয়েকদিনের মধ্যেই ভারী তুষারপাত হতে পারে বলে খবর। হাওয়া অফিস জানিয়েছে, গুলমার্গে চার ইঞ্চি উঁচু বরফ জমে রয়েছে। উপত্যকার যেসব শহরে তুষারপাত হয়েছে, তার মধ্যে রয়েছে পহেলগাঁও, সোনমার্গ, মাচ্ছিল এবং সোপিয়ানও।

    আরও পড়ুুন: “দয়া করে পাকিস্তানে চলে যান”, বললেন ফতোয়া পাওয়া সেই ইমাম

    কাশ্মীরে প্রচণ্ড ঠান্ডা পড়ে ৪০ দিন। এই সময়টাকে চিল্লাই কালান বলে। মূলত এই সময়টাই প্রবল তুষারপাত ও বৃষ্টিপাত হয় কাশ্মীরে। এ বছর এই সময়ের সিংহভাগ সময়টাই হা-তুষার দশা ছিল কাশ্মীরে। শেষতক তুষারপাত হওয়ায় পর্যটকদের পাশাপাশি খুশি কাশ্মীরের বাসিন্দারাও। কাশ্মীরে তুষারপাত না হওয়ায় দিন কয়েক আগেই কাশ্মীরের আবহাওয়া দফতরের ডিরেক্টর মুখতার আহমেদ বলেছিলেন, “শীতের এই সময়টায় বৃষ্টি হয় কাশ্মীরে। তার পরেই তাপমাত্রা নামতে থাকে হিমাঙ্কের নীচে। শুরু হয় চিল্লাই কালান। তুষারপাত দেখতে পর্যটকরা ভূস্বর্গে ভিড় করেন এই (Jammu and Kashmir) সময়টায়।”

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

     

     

  • Tehreek e Hurriyat: ভারত-বিরোধী প্রচার, নিষিদ্ধ করা হল ভূস্বর্গে সক্রিয় তেহরিক-ই-হুরিয়তকে

    Tehreek e Hurriyat: ভারত-বিরোধী প্রচার, নিষিদ্ধ করা হল ভূস্বর্গে সক্রিয় তেহরিক-ই-হুরিয়তকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূস্বর্গে লাগাতার করছিল ভারত-বিরোধী প্রচার। তাই এবার নিষিদ্ধ করা হল তেহরিক-ই-হুরিয়তকে (Tehreek e Hurriyat)। এক সময় এই সংগঠনের মাথায় ছিলেন বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলনের নেতা সঈদ আলি শাহ গিলানি। এর ঠিক চার দিন আগেই নিষিদ্ধ করা হয়েছে মুসলিম লিগ জম্মু ও কাশ্মীরকে।

    কী বললেন শাহ?

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “সন্ত্রাসবাদী কর্মকাণ্ডের কারণে এই সংগঠনকে ইউএপিএ-র অধীনে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।” এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, “তেহরিক-ই-হুরিয়তকে ইউএপিএর অধীনে একটি বেআইনি সংগঠন ঘোষণা করা হয়েছে। এই সংগঠনটি জম্মু ও কাশ্মীরকে ভারত থেকে আলাদা করতে এবং ইসলামিক শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য নিষিদ্ধ কর্মকাণ্ডে জড়িত। এই দলটি জম্মু ও কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদকে প্রশ্রয় দিতে ভারত বিরোধী প্রচার চালাচ্ছে এবং সন্ত্রাসী কার্যকলাপ চালিয়ে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর অধীনে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে মন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জিরো টলারেন্স নীতি যে কোনও ব্যক্তি বা সংস্থাকে ভারতবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত পাওয়া গেলে তাকে অবিলম্বে ব্যর্থ করা হবে।”

    নিষিদ্ধ কাজকর্ম

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর মতে, এই জঙ্গি গোষ্ঠী জম্মু-কাশ্মীরকে ভারত থেকে বিচ্ছিন্ন করতে নিষিদ্ধ কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে। জম্মু-কাশ্মীরে তারা ইসলামিক শাসন জারি করতে চায়। তিনি বলেন, “এই গোষ্ঠীটি ভারত বিরোধী প্রচার চালিয়ে যাচ্ছে। জম্মু-কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদকে প্রশ্রয় দিতে এই গোষ্ঠী সন্ত্রাসী কাজকর্ম চালিয়ে যাচ্ছে।”

    আরও পড়ুুন: আরাবুলের এ কী হাল! নিরাপত্তা চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ দাপুটে এই নেতা

    মাত্র চার দিনের ব্যবধানে দুটি (Tehreek e Hurriyat) সংগঠনকে নিষিদ্ধ করল কেন্দ্র। ২৭ ডিসেম্বর নিষিদ্ধ করা হয়েছিল মুসলিম লিগ জম্মু কাশ্মীর (মাসরত আলম গ্রুপ)। আর বছরের শেষ দিনে নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হল তেহরিক-ই-হুরিয়তকে। ইউএপিএ-র অধীনে পাঁচ বছরের জন্য নিষিদ্ধ করা হয়েছে এই সংগঠনকে।

    তেহরিক-ই-হুরিয়ত সম্পর্কে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ভারত সরকার। তাতে বলা হয়েছে, এটি জম্মু ও কাশ্মীরে বিচ্ছিন্নতাবাদী মতাদর্শ ছড়িয়ে দিচ্ছে। এই সংগঠনের লোকজন সন্ত্রাসবাদীদের শ্রদ্ধা জানায় ও পাথর ছুড়তে উৎসাহিত করে। সংগঠনের লোকজন ভারতীয় আইন মানে না এবং কাশ্মীরকে ভারত থেকে আলাদা মনে করে (Tehreek e Hurriyat)।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Article 370 Verdict: জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিল নিয়ে সুপ্রিম রায় সোমবার 

    Article 370 Verdict: জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিল নিয়ে সুপ্রিম রায় সোমবার 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট উপত্যকা থেকে ৩৭০ ধারা (Article 370 Verdict) বাতিলকে চ্যালেঞ্জ করে সুপ্রিম কোর্টে (Supreme Court) দায়ের করা হয়েছিল একাধিক জনস্বার্থ মামলা। সেই মামলাগুলিকে একত্র করে দীর্ঘ শুনানির পর সোমবার, ১১ ডিসেম্বর রায় দেবে শীর্ষ আদালত। গত ২ জুলাই থেকে প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন সাংবিধানিক বেঞ্চে শুরু হয়েছিল ধারাবাহিক শুনানি। ৫ সেপ্টেম্বর এই বিষয়ে রায়দান স্থগিত রাখে প্রধান বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড়ের নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। এ বার সেই মামলার রায় ঘোষণার চূড়ান্ত দিন ঘোষণা করল সুপ্রিম কোর্ট। 

    সরকারের দাবি

    জম্মু ও কাশ্মীরকে (Jammu and Kashmir) বিশেষ মর্যাদা প্রদানকারী ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করা হয়েছে ২০১৯ সালের ৫ অগাস্ট। পাশাপাশি রাজ্যের মর্যাদা ছিনিয়ে নিয়ে এটিকে পৃথক দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিণত করা হয়েছিল। সরকারের তরফে বলা হয়, ‘৩৭০ ধারা অস্থায়ী ব্যবস্থা ছিল।’ এদিকে মামলাকারীদের আইনজীবী কপিল সিব্বলের দাবি ছিল, ‘১৯৫৭ সালে জম্মু ও কাশ্মীরের প্রথম আইন পরিষদের মেয়াদ শেষের পরই এই ধারা স্থায়ী হয়ে যায়।’ সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্রের হলফনামায় দাবি করা হয়, জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর সেখানে অভাবনীয় উন্নতি হয়েছে। তিন দশকের অশান্তির পর এসেছে স্থিতাবস্থা। ফিরেছে শান্তি। লাগাতার বনধ, পাথর ছোড়া এখন অতীত হয়ে গিয়েছে। জঙ্গিগোষ্ঠীগুলিকে কোণঠাসা করে দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন কেন্দ্রীয় আইনের মাধ্যমে ভূস্বর্গের মানুষকেও বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। যদিও এই হলফনামা রায়দানে প্রভাব ফেলবে না বলে জানিয়েছে শীর্ষ আদালত।

    সুপ্রিম শুনানি

    প্রধান বিচারপতি ডিওয়াই চন্দ্রচূড় নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চে এই মামলাগুলি চলছিল। প্রধান বিচারপতি চন্দ্রচূড় ছাড়াও সাংবিধানিক বেঞ্চে রয়েছেন বিচারপতি সঞ্জয় কিসান কউল, বিচারপতি সঞ্জীব খান্না, বিচারপতি বিআর গাভাই এবং বিচারপতি সূর্য কান্ত। সুপ্রিম কোর্টে শুনানির সময় সরকারের আইনজীবীরা জানান, জম্মু-কাশ্মীরকে পুরোপুরি ভারতের অন্তর্ভুক্ত করতে এই পদক্ষেপের প্রয়োজন ছিল। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলেই সেখানে ভোট হবে। ফেরানো হবে রাজ্যের মর্যাদা। শুনানি চলাকালীন সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ জানিয়েছিল, যে সব প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিশেষ মর্যাদা লোপ করা হয়েছিল তা খতিয়ে দেখবে আদালত। এবার সবদিক খতিয়ে দেখে জম্মু-কাশ্মীর সম্পর্কে দেশের শীর্ষ আদালত কী রায় দেয় তা দেখার অপেক্ষায় দেশবাসী।

     

    দেশের খবরদশের খবরসব খবরসবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের FacebookTwitter এবং Google News পেজ।

  • Jammu and Kashmir: সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে শহিদ দুই জওয়ান, চক্রব্যূহে আটকে ২ জঙ্গি

    Jammu and Kashmir: সেনা-জঙ্গি গুলির লড়াইয়ে শহিদ দুই জওয়ান, চক্রব্যূহে আটকে ২ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদী-নিরাপত্তা বাহিনীর সংঘর্ষে শহিদ এক মেজর সহ দুই জওয়ান। আশঙ্কাজনক অবস্থায় একজনকে ভর্তি করা হয়েছে নিকটবর্তী সেনা হাসপাতালে। বুধবার সকালে কাশ্মীরের রাজৌরি জেলায় শুরু হওয়া ওই সংঘর্ষ চলছে এদিন সন্ধে পর্যন্ত (Jammu and Kashmir)। নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে এক জঙ্গিরও মৃত্যু হয়েছে বলে অনুমান। যদিও এ ব্যাপারে কিছু জানায়নি নিরাপত্তা বাহিনী।

    চিরুনি তল্লাশি জঙ্গির খোঁজে

    জানা গিয়েছে, রাজৌরি জেলার ধর্মশালের বাজিমাল এলাকায় কয়েকজন জঙ্গি আত্মগোপন করে রয়েছে বলে খবর পায় নিরাপত্তা বাহিনী। নিজস্ব গোয়েন্দা মারফত খবর মেলায় এ ব্যাপারে নিশ্চিত ছিলেন বাহিনীর কর্তারা। প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে এদিন সকালে এলাকা ঘিরে ফেলে নিরাপত্তা বাহিনী। তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছিল জম্মু-কাশ্মীর পুলিশের একটি দল। এর পরেই শুরু হয় চিরুনি তল্লাশি (Jammu and Kashmir)। বেগতিক দেখে গুলি ছুঁড়তে শুরু করে জঙ্গিরা। প্রতিরোধ গড়ে তোলে বাহিনী ও পুলিশ।

    তুমুল গুলির লড়াই 

    জঙ্গিদের গুলিতে শহিদ হন বাহিনীর দুই জওয়ান। এঁদের মধ্যে একজন মেজর। বুধবার সন্ধে পর্যন্তও গুলির লড়াই চলছে বলে খবর। নিরাপত্তা বাহিনী জানিয়েছে, ঘটনাস্থলে এখনও আটকে রয়েছে দুই জঙ্গি। অন্ধকারের সুযোগ নিয়ে তারা যাতে পালাতে না পারে, তাই ঘটনাস্থলে পাঠানো হয়েছে বাড়তি বাহিনী। নিরাপত্তা বাহিনীর অনুমান, এই হামলার জন্য দায়ী পাক জঙ্গি সংগঠন লস্কর-ই-তৈবার সহযোগী ‘দ্য রেজিস্ট্যান্স ফ্রন্ট’।

    আরও পড়ুুন: “ডিপফেকের বিপদ সম্পর্কে আমাদের সচেতন হতে হবে”, জি২০-র বৈঠকে বললেন প্রধানমন্ত্রী

    ফি বার শীতকালে প্রবল ঠান্ডার সুযোগ নিয়ে ভারতে জঙ্গি ঢোকানোর চেষ্টা করে পাকিস্তান। বছর কয়েক আগে ভূস্বর্গ থেকে ৩৭০ ধারা রদ করে নরেন্দ্র মোদির সরকার। তার পর থেকে উপত্যকায় কমেছে জঙ্গি উপদ্রব। যদিও ভূস্বর্গে অশান্তি জারি রাখতে বদ্ধপরিকর পাকিস্তান। সেই কারণেই চলছে জঙ্গি অনুপ্রবেশ। যে জঙ্গিদের খতম করতে বদ্ধ পরিকর সেনা। তা করতে গিয়েই এদিন শহিদ হন দুই জওয়ান (Jammu and Kashmir)।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ।

  • Terror Funding Racket: ভূস্বর্গে টেরর ফান্ডিং চক্রের হদিশ, কীভাবে জঙ্গিদের হাতে অর্থ যেত জানেন?

    Terror Funding Racket: ভূস্বর্গে টেরর ফান্ডিং চক্রের হদিশ, কীভাবে জঙ্গিদের হাতে অর্থ যেত জানেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভূস্বর্গে মিলল টেরর ফান্ডিং (Terror Funding Racket) চক্রের হদিশ। এই চক্রের পান্ডারা ৮৫ কোটি টাকা জোগাড় করে জঙ্গিদের হাতে পৌঁছে দিয়েছিল বলে অভিযোগ। এই চক্রে কাশ্মীর পুলিশের এক কর্তা এবং শ্রীনগরের এক ব্যবসায়ী জড়িত বলে অনুমান তদন্তকারীদের। ওই পুলিশ কর্তার বাড়িতেও চালানো হয়েছে তল্লাশি।

    জম্মু-কাশ্মীরে তল্লাশি চালায় এসআইএ

    কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে তল্লাশি চালায় স্টেট ইনভেস্টিগেশন এজেন্সি (এসআইএ)। বুধবার থেকে শুক্রবার পর্যন্ত কেন্দ্রশাসিত জম্মু-কাশ্মীরে তল্লাশি চালায় এসআইএ। তখনই ফাঁস হয় এই টেরর ফান্ডিং চক্রের। এসআইএ সূত্রে খবর, বিভিন্ন গোপন চ্যানেলের মাধ্যমে এই টাকা লেনদেন করা হত। তদন্তকারীদের দাবি, বিপুল পরিমাণ এই টাকা উপত্যকা সহ দেশের অন্যান্য কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলিতে নাশকতার কাজে লাগানোর জন্য সংগ্রহ করা হয়েছিল। সাম্প্রতিক অতীতে এত বড় টেরর ফান্ডিং চক্রের ধরা পড়ার নজির নেই বলেও দাবি তাঁদের। তিন দিনের ওই অভিযানে তল্লাশি চালানো হয়েছিল ভূস্বর্গের ২২টি জায়গায়।

    টেরর ফান্ডিংয়ে দুবাই যোগ!

    এর মধ্যে রয়েছে একজন প্রবীণ পুলিশ আধিকারিক ও একজন ব্যবসায়ীর বাড়িও। শুক্রবার সকালে তল্লাশি চালানো হয় শ্রীনগর, পুলওয়ামা এবং অনন্তনাগ জেলার ১০টি জায়গায়। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে (Terror Funding Racket) প্রচুর পরিমাণ বৈদ্যুতিন যন্ত্র সহ নানা সামগ্রী। তদন্তকারীদের আরও দাবি, টেরর ফান্ডিং এই চক্রের সঙ্গে রয়েছে দুবাই যোগ। এসআইএ জানিয়েছে, সোনার চোরা চালান ও অন্যান্য পথে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচার করা হত। কারা অর্থ সংগ্রহ করত, কোথা থেকে ভারতে জঙ্গি হামলার জন্য অর্থ সরবরাহ করত, তা জানতে শুরু হয়েছে তদন্ত। এই ঘটনায় যারা জড়িত, তাদের কড়া সাজা হবে বলে আশ্বাস এসআইএ-র। তারা জানিয়েছে, ভূস্বর্গ থেকে সন্ত্রাসবাদ নিশ্চিহ্ন করতে বদ্ধ পরিকর তারা।

    আরও পড়ুুন: ‘‘হিন্দুদের জন্যই ভারতবর্ষে গণতন্ত্র রয়েছে’’, মত জাভেদ আখতারের

    একটি বিবৃতি জারি করে এসআইএ জানিয়েছে, “এটি জঙ্গিদের আর্থিক মদত দেওয়ার একটি মামলা। যেখানে ৮৫ কোটি টাকা সংগ্রহ করা হয়েছে এবং গোপন মাধ্যমে সেই টাকা জঙ্গিদের হাতে পৌঁছে দেওয়া হয়েছে। সেই টাকা কাশ্মীরে সন্ত্রাসবাদ ছড়ানোর জন্য ব্যবহার করা হয়েছে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। প্রসঙ্গত, টেরর ফান্ডিংয়ে (Terror Funding Racket) মদত দেওয়ার অভিযোগে অগাস্ট মাসে একটি মামলা দায়ের হয়। তার পরেই তদন্তে নামে এসআইএ। ফাঁস হয় টেরর ফান্ডিংয়ের পর্দা।

     

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

     

  • J&K Encounter: সীমান্তে পাক গুলি, নিহত বিএসএফ জওয়ান, সোপিয়ানে বাহিনীর হাতে নিকেশ জঙ্গি

    J&K Encounter: সীমান্তে পাক গুলি, নিহত বিএসএফ জওয়ান, সোপিয়ানে বাহিনীর হাতে নিকেশ জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: জম্মুর আন্তর্জাতিক সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-র চৌকির উপর ফের হামলা চালাল পাকিস্তান।  পাক হামলায় নিহত হয়েছেন এক জওয়ান। অন্যদিক, উপত্যকায় ফের সাফল্য পেল নিরাপত্তা বাহিনী (Security Force)। জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার ভোর রাতে জম্মু-কাশ্মীরের সোপিয়ানে (Shopian) এনকাউন্টার (Encounter) অভিযান শুরু করে নিরাপত্তা বাহিনী। সংঘর্ষে লস্কর-ই-তৈবার শাখা সংগঠন দ্য রেসিস্টেন্স ফ্রন্টের (The Resistance Front) এক জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। বাকিদের খোঁজে এখনও তল্লাশি অভিযান জারি রয়েছে। 

    রামগড় সেক্টরে পাক বাহিনীর গুলি

    সাম্বা জেলার রামগড় সেক্টরে বুধবার রাত থেকে টানা পাক বাহিনীর গুলিগোলায় এক বিএসএফ জওয়ান নিহত হয়েছেন। বিএসএফের তরফে জানানো হয়েছে, রামগড় সেক্টরে একাধিক সীমান্ত চৌকিতে বুধবার রাত ১২টার পর থেকে বিনা প্ররোচনায় পাক বাহিনী হামলা চালায়। পাকিস্তান রেঞ্জার্স বাহিনীর পাশাপাশি পাক জঙ্গিরাও হামলায় অংশ নিয়েছিল বলে বিএসএফের একটি সূত্রের খবর। বিএসএফের তরফেও পাক গুলির ‘জবাব’ দেওয়া হয়। শীত পড়ার আগে উপত্যকায় জঙ্গি অনুপ্রবেশের সুযোগ করে দিতেই এই হামলা বলে মনে করা হচ্ছে। পাক বাহিনীর গুলিতে গুরুতর জখম এক জওয়ানকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সকালে তাঁর মৃত্যু হয়।

    সোপিয়ানে সেনার সাফল্য

    সেনা সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্যদিকে গোপন সূত্রে জঙ্গিদের খবর পেয়েই জম্মু-কাশ্মীর পুলিশ ও ভারতীয় সেনা বাহিনী সোপিয়ানে যৌথ অভিযান শুরু করে। সোপিয়ানের কাথোহালানে তল্লাশি অভিযান শুরু করতেই হামলা চালায় জঙ্গিরা। শেষ খবর অনুযায়ী, সেনার গুলিতে দ্য় রেসিস্টেন্স ফোর্সের এক জঙ্গি নিহত হয়েছে। তাঁর কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার করা হয়েছে। বাকি জঙ্গিদের খোঁজে এখনও তল্লাশি অভিযান জারি রয়েছে।

    কাশ্মীর জোন পুলিশের তরফে সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে বলা হয়েছে, “সোপিয়ান এনকাউন্টার আপডেট: সন্ত্রাসবাদী সংগঠন টিআরএফের সঙ্গে যুক্ত এক জঙ্গিকে নিকেশ করা হয়েছে। বেশ কিছু অস্ত্রশস্ত্রও উদ্ধার করা হয়েছে। তল্লাশি অভিযান জারি রয়েছে।”

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের , Twitter এবং Google News পেজ।

  • Jammu and Kashmir: সেনা-পুলিশের যৌথ অভিযান! কাশ্মীরে খতম ৫ লস্কর জঙ্গি 

    Jammu and Kashmir: সেনা-পুলিশের যৌথ অভিযান! কাশ্মীরে খতম ৫ লস্কর জঙ্গি 

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতে জঙ্গিদের অনুপ্রবেশ রুখতে জম্মু-কাশ্মীরের কুপওয়ারা জেলার মাচিলে নিয়ন্ত্রণ রেখা বরাবর যৌথ অভিযান চালিয়েছিল পুলিশ এবং সেনাবাহিনী। সেই অভিযানেই বৃহস্পতিবার পাঁচজন লস্কর-ই-তৈবা জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় কাশ্মীর জোন পুলিশ জানিয়েছে, ওই এলাকায় জঙ্গিদের উপস্থিতির বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য দিয়েছিল কুপওয়ারা জেলার পুলিশ। সেই তথ্যের ভিত্তিতে এদিন সকালে অভিযান চালায় যৌথ বাহিনী। তারা এলাকায় পৌঁছতেই বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে গুলি ছুড়তে শুরু করেছিল জঙ্গিরা। বাহিনীও পাল্টা জবাব দেয়। দুই পক্ষের গুলির লড়াইয়ে এখনও পর্যন্ত পাঁচ জঙ্গির মৃত্যু হয়েছে। 

    জঙ্গি দমনে অভিযান

    বৃহস্পতিবার (২৬ অক্টোবর), এদিন সকালে, প্রথমে ২ জঙ্গির মৃত্যুর খবর দিয়েছিল পুলিশ। পরে আরও তিন জঙ্গির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করকা হয়। তারা আরও জানিয়েছে, এই অভিযান এখনও চলছে। ওই এলাকায় আরও জঙ্গি লুকিয়ে থাকতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। পুরো এলাকাটি ঘিরে ফেলে চিরুনি তল্লাশি চালাচ্ছে সেনা ও পুলিশের যৌথ বাহিনী। শ্রীনগরে মোতায়েন ভারতীয় সেনার চিনার কর্পসের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কুপওয়ারা সেক্টর দিয়ে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছিল জঙ্গিরা। কুপওয়ারা পুলিশের কাছে এই বিষয়ে নির্দিষ্ট তথ্য ছিল। এরপরই যৌথ বাহিনী ওই এলাকায় অভিযান চালায়। ঠিক কতজন জঙ্গি ওই এলাকায় লুকিয়ে আছে, তারা কোন জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত – এই বিষয়গুলি এখনও স্পষ্ট নয়। তবে, সেনার অনুমান, নিহত জঙ্গিরা লস্কর-ই-তৈবার সদস্য।

    জম্মু ও কাশ্মীরের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল বিজয় কুমার জানান, এতদিন ভারতীয় সেনা একা এই ধরনের অনুপ্রবেশ বিরোধী অভিযান চালালেও ক্রমশ সেই অভিযানে সামিল করা হচ্ছে পুলিশকেও। চলতি বছরে জম্মু-কাশ্মীরে এখনও পর্যন্ত ৪৬ জন সন্ত্রাসবাদীকে শেষ করেছে সেনা ও পুলিশ। এদের মধ্যে ৩৭ জন পাকিস্তানি জঙ্গি সংগঠনের সদস্য। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক সূত্রে খবর, বর্তমানে এই উপত্যকায় ১৩০ জন জঙ্গি সক্রিয় রয়েছে যাদের মধ্যে অর্ধেকই বিদেশি। তাদের নিকেশ করতে এবার সক্রিয় প্রশাসনও।

    দেশের খবর, দশের খবর, সব খবর, সবার আগে পেতে ফলো করুন আমাদের Facebook, Twitter এবং Google News পেজ। 

LinkedIn
Share