Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Bengal Elections 2026: “মা কাঁদছেন, মাটি অনুপ্রবেশকারীদের দখলে আর মানুষ আতঙ্কিত!”, বাংলায় এসে মমতা সরকারকে তীব্র আক্রমণ মোদির

    Bengal Elections 2026: “মা কাঁদছেন, মাটি অনুপ্রবেশকারীদের দখলে আর মানুষ আতঙ্কিত!”, বাংলায় এসে মমতা সরকারকে তীব্র আক্রমণ মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২৬-এর পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (Bengal Elections 2026) প্রচার তুঙ্গে। রবিবার উত্তর ২৪ পরগনার ঠাকুর নাগরে এক জনসভা থেকে তৃণমূল কংগ্রেস এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তীব্র আক্রমণ শানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi Election Rally)। তৃণমূলের ‘মা-মাটি-মানুষ’ স্লোগানকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “আজ বাংলার মা-মাটি-মানুষের অবস্থা অত্যন্ত শোচনীয়।”

    কাঁদছেন ‘মা’ (Bengal Elections 2026)

    প্রধানমন্ত্রী মোদি (Bengal Elections 2026) বলেন, “তৃণমূলের শাসনে বাংলার মায়েরা সুরক্ষিত নন। সন্দেশখালি থেকে শুরু করে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে মা-বোনেদের ওপর যে অত্যাচার হয়েছে, তাতে আজ ‘মা’ কাঁদছেন। তৃণমূল কেবল ভোটের জন্য নারীবন্দনা করে, কিন্তু বাস্তবে তাঁদের সম্মান রক্ষা করতে ব্যর্থ।”

    অনুপ্রবেশকারীদের দখলে ‘মাটি’

    বাংলার ‘মাটি’ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে মোদি (Bengal Elections 2026) বলেন, “আজ বাংলার মাটি বিদেশি অনুপ্রবেশকারীদের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়েছে। ভোটব্যাঙ্কের রাজনীতির জন্য তৃণমূল সীমান্ত খুলে দিয়েছে, যার ফলে বাংলার জনবিন্যাস কাঠামো বদলে যাচ্ছে এবং প্রকৃত ভূমিপুত্ররা নিজেদের অধিকার হারাচ্ছেন।”

    আতঙ্কিত ‘মানুষ’

    রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার অবনতি নিয়ে সরব হয়ে প্রধানমন্ত্রী (PM Modi Election Rally)  বলেন, “বাংলার সাধারণ মানুষ আজ আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন। এখানে সিন্ডিকেট রাজ এবং তোলাবাজিই শেষ কথা। মানুষ নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে ভয় পাচ্ছেন। কিন্তু এই নির্বাচন সেই ভয়কে জয় করার নির্বাচন।”

    দুর্নীতি ও উন্নয়ন নিয়ে তোপ

    প্রধানমন্ত্রী (Bengal Elections 2026) তাঁর ভাষণে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি এবং রেশন দুর্নীতির প্রসঙ্গও টেনে আনেন। তিনি বলেন, “বাংলার যুবকদের ভবিষ্যৎ তৃণমূল বিক্রি করে দিয়েছে। কেন্দ্রের পাঠানো উন্নয়নের টাকা এখানে দুর্নীতির পকেটে চলে যাচ্ছে।” তিনি (PM Modi Election Rally) জনগণকে আশ্বস্ত করেন যে, বিজেপি ক্ষমতায় এলে বাংলা আবার তার হারানো গৌরব ফিরে পাবে এবং ‘সোনার বাংলা’ গড়ে তোলা হবে।

    রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট

    ২০২৬-এর নির্বাচনকে (Bengal Elections 2026) কেন্দ্র করে বাংলার রাজনীতি এখন তপ্ত। প্রধানমন্ত্রীর এই আক্রমণাত্মক মেজাজ ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, বিজেপি এবার দুর্নীতি এবং আইনশৃঙ্খলা—এই দুটি ইস্যুকে হাতিয়ার করেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দুর্গকে চ্যালেঞ্জ জানাতে চাইছে। পালটা তৃণমূলের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর এই ভাষণকে ‘মিথ্যাচারের ঝুলি’ বলে অভিহিত করা হয়েছে। তারা দাবি করেছে, বাংলার মানুষ বহিরাগতদের নয়, নিজেদের মেয়েকেই বেছে নেবে।

  • Bangladesh Air Force: বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ জঙ্গিদের যোগসূত্র! গোপন অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার একাধিক জঙ্গি

    Bangladesh Air Force: বাংলাদেশ বিমান বাহিনীতে ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ জঙ্গিদের যোগসূত্র! গোপন অভিযান চালিয়ে গ্রেফতার একাধিক জঙ্গি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর (Bangladesh Air Force) অভ্যন্তরে একটি শক্তিশালী পাক জঙ্গি (Pakistani Taliban Network) নেটওয়ার্কের উপস্থিতির প্রমাণ পাওয়ার পর দেশজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। গোপন সূত্রে গোয়েন্দাদের তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযানে পাকিস্তান-ভিত্তিক নিষিদ্ধ জঙ্গি সংগঠন ‘তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান’ (TTP)-এর সঙ্গে যুক্ত থাকার অভিযোগে বিমান বাহিনীর বেশ কয়েকজন সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

    রবিবার (২৬শে এপ্রিল, ২০২৬) প্রকাশিত বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে দাবি করা হয়েছে যে, বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর অন্তত তিনটি গুরুত্বপূর্ণ ঘাঁটিতে গোপন অভিযান চালানো হয়েছে।

    ওয়ারেন্ট অফিসার-কে ঘিরে তদন্ত শুরু (Pakistani Taliban Network)

    তদন্তের সূত্রপাত হয় দুই মাস আগে নিখোঁজ হওয়া জনৈক ‘ওয়ারেন্ট অফিসার’-কে ঘিরে। ওই অফিসার কর্মস্থল থেকে পালিয়ে পাকিস্তানের খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের একটি টিটিপি (TTP) আস্তানায় আশ্রয় নিয়েছিলেন। সেখানে পাকিস্তানি নিরাপত্তা বাহিনীর (Pakistani Taliban Network) হাতে ধরা পড়ার পর জেরায় তিনি বাংলাদেশে বিমান বাহিনীর (Bangladesh Air Force) ভেতরে টিটিপি-র রিক্রুটমেন্ট বা সদস্য সংগ্রহের কথা স্বীকার করেন।

    গ্রেফতার ও আটক

    গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে গত ২০ এপ্রিল থেকে ঢাকার কুর্মিটোলা, তেজগাঁও এবং চট্টগ্রামের জহুরুল হক ঘাঁটিতে চিরুনি তাল্লাশি অভিযান চালানো হয়। এই অভিযানে অন্তত দুই জন স্কোয়াড্রন লিডার, দশ জন জুনিয়র কমিশনড অফিসার (JCO) এবং বেশ কয়েকজন বিমান সেনাকে গ্রেফতার (Pakistani Taliban Network) করা হয়েছে। এছাড়া জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আরও অন্তত ডজনখানেক সদস্যকে আটক রাখা হয়েছে।

    পালিয়ে যাওয়া সদস্য

    তদন্তের আগেই অন্তত চার থেকে ছয় জন বিমান সেনা তুরস্ক, পাকিস্তান, পর্তুগাল ও নিউজিল্যান্ডে পালিয়ে গেছে বলে মনে করা হচ্ছে। গোয়েন্দাদের সন্দেহ, এই জহুরুল হক ঘাঁটির মসজিদের জনৈক ইমাম এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার মূল সমন্বয়ক হিসেবে কাজ করছিলেন। ঘটনার গুরুত্ব বিবেচনা করে আক্রান্ত বিমান ঘাঁটিগুলোতে বেসামরিক (Bangladesh Air Force) কর্মকর্তাদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। এমনকি নিম্নপদস্থ কর্মীদের মোবাইল ফোন জব্দ করে কড়া নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    উদ্বেগ ও প্রতিক্রিয়া

    প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, টিটিপি-র এই অনুপ্রবেশ মূলত স্পর্শকাতর ইউনিট যেমন রাডার অপারেশন এবং প্রশিক্ষণ কেন্দ্রগুলোকে লক্ষ্য করে চালানো হচ্ছিল। কক্সবাজারের উখিয়া অঞ্চলে টিটিপি-র প্রশিক্ষণ কেন্দ্র খোলার একটি পরিকল্পনাও গোয়েন্দাদের নজরে এসেছে।

    যদিও বাংলাদেশ বিমান বাহিনী সদর দফতর থেকে পাকজঙ্গি (Pakistani Taliban Network) প্রসঙ্গে আনুষ্ঠানিকভাবে এই অভিযান বা গ্রেফতার নিয়ে কোনও প্রকাশ্য বিবৃতি দেওয়া হয়নি, তবে গোয়েন্দা তৎপরতা এবং নিরাপত্তা তল্লাশি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনাটি বাংলাদেশের (Bangladesh Air Force) সশস্ত্র বাহিনীর ভেতরে উগ্রবাদী অনুপ্রবেশ এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগের সৃষ্টি করেছে।

  • Raghu Rai: প্রয়াত কিংবদন্তি ফটোগ্রাফার সাংবাদিক রঘু রাই, ৮৩ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন

    Raghu Rai: প্রয়াত কিংবদন্তি ফটোগ্রাফার সাংবাদিক রঘু রাই, ৮৩ বছর বয়সে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করলেন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের কিংবদন্তী চিত্র সাংবাদিক (Legendary Photographer) রঘু রাই (Raghu Rai) আর নেই। রবিবার ২৬শে এপ্রিল, ২০২৬ সকালে ৮৩ বছর বয়সে তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। তাঁর প্রয়াণে ভারতীয় সংবাদচিত্র ও আলোকচিত্র জগতের একটি দীর্ঘ অধ্যায়ের অবসান ঘটল। বিগত পাঁচ দশক ধরে রঘু রাই তাঁর ক্যামেরার লেন্সের মাধ্যমে ভারতের ইতিহাস, রাজনীতি, সাধারণ মানুষের জীবন এবং সংঘাতের মুহূর্তগুলিকে জীবন্ত করে তুলেছিলেন। তাঁর চলে যাওয়া সাংবাদিক মহলে অপূরণীয় ক্ষতি।

    কর্মজীবন (Raghu Rai)

    ১৯৪২ সালে ব্রিটিশ ভারতের ঝং যা বর্তমানে পাকিস্তানে, সেখানেই জন্মগ্রহণ করেন রঘু রাই (Raghu Rai)। একজন সিভিল ইঞ্জিনিয়ার হওয়া সত্ত্বেও তিনি ঘটনাচক্রে আলোকচিত্র শিল্পী হয়ে ওঠেন। ১৯৬৬ সালে তিনি ‘দ্য স্টেটসম্যানে’ (The Statesman) চিফ ফটোগ্রাফার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তী কালে তিনি কলকাতার বিখ্যাত সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন ‘সানডে’ এবং ‘ইন্ডিয়া টুডে’-তে পিকচার এডিটর ও ফটোগ্রাফার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৭ সালে বিশ্বখ্যাত চিত্র সাংবাদিক (Legendary Photographer) অঁরি কার্তিয়ে-ব্রেসঁ (Henri Cartier-Bresson) তাঁকে বিখ্যাত ‘ম্যাগনাম ফটোস’ (Magnum Photos)-এ সদস্য হওয়ার জন্য মনোনীত করেছিলেন।

    তাঁর ঐতিহাসিক কাজসমূহ

    রঘু রাইয়ের (Raghu Rai) লেন্স কখনও রাজনীতির চাণক্যদের বন্দি করেছে, আবার কখনও সাধারণ মানুষের চোখের জলকে তুলে এনেছে বিশ্বের দরবারে। তাঁর উল্লেখযোগ্য কাজগুলোর মধ্যে রয়েছে-

    ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনা (১৯৮৪)

    তাঁর তোলা এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনার ছবিগুলো (Legendary Photographer) বিশ্বজুড়ে শিহরণ জাগিয়েছিল এবং এই ট্র্যাজেডির ভয়াবহতা সবার সামনে ফুটিয়ে তুলেছিল।

    বাংলাদেশ লিবারেশন ওয়ার (১৯৭১)

    মুক্তিযুদ্ধের উত্তাল দিনগুলির ছবি তুলে তিনি (Raghu Rai) ইতিহাসে জায়গা করে নিয়েছেন।

    মাদার টেরেসা ও ইন্দিরা গান্ধী

    রঘু রাইয়ের তোলা মাদার তেরেসা এবং ভারতের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর পোর্ট্রেটগুলি আজও অমলিন।

    শ্রদ্ধা ও সম্মান

    ১৯৭২ সালে ভারত সরকার রঘু রাই (Raghu Rai) ‘পদ্মশ্রী’ সম্মানে ভূষিত করেছে ভারত সরকার। তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খাড়গে, শশী থারুর এবং অন্যান্য বিশিষ্ট রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব। পারিবারিক সূত্রে জানানো হয়েছে, রবিবার বিকেল ৪ টের সময় লোদি রোড শ্মশানে তাঁর শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। তিনি স্ত্রী এবং চার সন্তানকে রেখে গিয়েছেন। রঘু রাই (Legendary Photographer) বলতেন, “ক্যামেরা ছাড়া আমি আমার অভিজ্ঞতার প্রতি সৎ থাকতে পারি না।” তাঁর সেই সত্যনিষ্ঠ দৃষ্টি আজ ভারতের অমূল্য সম্পদ হয়ে রয়ে গেল।

  • Assembly Election 2026: “দিদির খেলা শেষ, সিন্ডিকেটরাজ বঙ্গোপসাগরে ছুড়ে ফেলব”, বর্ধমানে বিস্ফোরক ভাষণে তোপ দাগলেন শাহ

    Assembly Election 2026: “দিদির খেলা শেষ, সিন্ডিকেটরাজ বঙ্গোপসাগরে ছুড়ে ফেলব”, বর্ধমানে বিস্ফোরক ভাষণে তোপ দাগলেন শাহ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বর্ধমানের জামালপুর থেকে শাহি আশ্বাস দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। জানালেন বাংলায় এবার পদ্মফুল ফুটছেই। একইসঙ্গে তিনি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে ৪ মে বর্ধমানের সীতাভোগ খাইয়ে মিষ্টিমুখ করাবেন বলেও জানান। তিনি বলেন, ‘‘প্রথম দফায় (Assembly Election 2026) বিজেপি ১১০ আসন জিতবে দিদির খেলা শেষ করে দেবে। সব সরকারি কর্মচারীকে সপ্তম বেতন কমিশনের আওতায় আনা হবে। মা বোনেদের প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা করে দেওয়া হবে। বেকার যুবকদেরও প্রতি মাসে ৩০০০ টাকা ভাতা দেওয়া হবে। মা-বোনেদের সরকারি বাসে কোনও টিকিট কাটতে হবে না। আলুর দাম কম হতে দেওয়া যাবে না। কৃষকদের ধানের দাম দেওয়া হবে। ৫ তারিখে বিজেপির সরকার বানিয়ে দিন, ৬ তারিখে সব সিন্ডিকেটরাজ বঙ্গোপসাগরে ছুড়ে ফেলব।’’

    সন্ত্রাস হয়েছে মা-বোনেদের উপর

    মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনামলে গত ১৫ বছরে মহিলাদের ওপর সবচেয়ে বেশি অত্যাচার হয়েছে বলে অভিযোগ করেন শাহ। তাঁর কথায়, দেশের ২০টি রাজ্যে বিজেপি সরকার রয়েছে, কিন্তু কোথাও কোনও মুখ্যমন্ত্রী মহিলাদের সময় বেঁধে দেননি। শাহ বলেন, ‘‘১৫ বছরে মমতাদিদির জমানায় সবচেয়ে বেশি সন্ত্রাস হয়েছে মা-বোনেদের উপর। আরজি কর, সন্দেশখালি প্রতি জায়গায় মা-বোনেদের উপর অত্যাচার হয়েছে। কিন্তু দিদি বলেন, মা-বোনেরা সন্ধ্যা ৭টা পর বাড়ি থেকে বেরোবেন না। কিন্তু আমি বলে যাচ্ছি, বিজেপি সরকার এলে মাঝরাতেও মা-বোনেরা বেরোতে পারবেন। দেশের ২০ রাজ্যে বিজেপির সরকার আছে। কোনও মুখ্যমন্ত্রী এ কথা বলেননি মহিলারা ৭টার পর ঘরের বাইরে বেরোবেন না। লজ্জা করুন দিদি, মহিলাদেরর আপনি সুরক্ষা দিতে পারেননি। কিন্তু বিজেপির সরকার এলে কোনও গুন্ডা মা-বোনেদের দিকে চোখ তুলে তাকালে জেলের হাওয়া খাওয়াব।’’

    মতুয়াদের ভয় দেখানো হচ্ছে

    বাংলা থেকে গুন্ডা-রাজ সরানোর প্রতিশ্রুতি দিয়ে শাহ বলেন,‘‘প্রতি বার ভোটের সময় দিদির গুন্ডারা ঝামেলা করে। দিদির গুন্ডাদের তাই বলে যাচ্ছি, ২৯ তারিখে ঘরের বাইরে যেন না দেখতে পাই। যদি বার হয়, তা হলে ৫ তারিখের পর উল্টো করে ঝোলাব। দিদি আমার উপর ক্ষেপে যাচ্ছে যে, অমিত ভাই গুন্ডাদের ধমকাচ্ছেন। এখন তো শুধু ধমকাচ্ছি, শুধরে যাও। না হলে জেলে ভরব।’’ মতুয়া সমাজকে নিয়ে আতঙ্ক ছড়ানোর অভিযোগও তোলেন তিনি। তাঁর কথায়, ‘‘দিদি মতুয়াদের ভয় দেখাচ্ছেন, যদি বিজেপি আসে তা হলে আপনাদের ভোট চলে যাবে। কিন্তু দিদি, এই মতুয়া সমাজ আমাদের প্রাণ। ওদের কেউ ছুঁতে পারবে না। মতুয়া সমাজ, নমশূদ্র সমাজের ব্যক্তিদের ভয় পাওয়ার কোনও কারণ নেই। সিএএ করতে দিচ্ছে না দিদি। আপনারা বিজেপির সরকার বানিয়ে দিন, ৫ তারিখের পর মতুয়া সমাজের সব ভাই-বোনদের নাগরিকত্ব দেবে বিজেপি। টিএমসি সব সময় এসসি সমাজের অপমান করেছে। আর বিজেপি সম্মান করেছে। এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজ করেছে। মতুয়া আর শূদ্র সমাজকে বলে দিয়ে যাচ্ছি, বিজেপির প্রাণ বাংলার মতুয়া সমাজ। বাংলায় কারও চারটে বিয়ে করা উচিত? ৫ তারিখের পর আমরা ইউসিসি (অভিন্ন দেওয়াবিধা বিধি) আনব। কেউ চারটে বিয়ে করতে পারবে না।’’

    স্থানীয় স্তরে উন্নয়নের অঙ্গীকার

    স্থানীয় উন্নয়ন নিয়েও প্রশ্ন তোলেন শাহ। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘‘কেন্দ্র সরকার গরিবদের পাকাবাড়ি, পরিশ্রুত পানীয় জল, শিক্ষার জন্য টাকা পাঠিয়েছে। কিন্তু এই কোথায় গেল? এই সব টাকা টিএমসি-র সিন্ডিকেট আর ভাইপো-ট্যাক্সে চলে গিয়েছে। গোটা বাংলায় বেকারত্ব বাড়িয়েছে দিদির সরকার। ৭ হাজার কারখানা বাংলা ছেড়ে চলে গিয়েছে। আমরা ২ বছরে সব কারখানা আবার বাংলায় ফিরিয়ে নিয়ে আসব। যুব সম্প্রদায়ের চাকরির রাস্তা খুলবে।’’

  • BJP: বাংলায় কি ঘুরছে হাওয়া! বিজেপির অন্দরমহলে আত্মবিশ্বাসের ঢেউ, সামনে দ্বিতীয় দফা, কী পরিকল্পনা দলের?

    BJP: বাংলায় কি ঘুরছে হাওয়া! বিজেপির অন্দরমহলে আত্মবিশ্বাসের ঢেউ, সামনে দ্বিতীয় দফা, কী পরিকল্পনা দলের?

    সুশান্ত দাস

    প্রথম দফার ভোট মিটতেই পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি শিবিরে যেন এক নতুন আত্মবিশ্বাসের সঞ্চার হয়েছে। ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণের পর দলের অন্দরমহলে আশাবাদের সুর ক্রমশ জোরাল হচ্ছে। এই আবহেই কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের (Amit Shah) বক্তব্য— প্রথম দফাতেই ১১০-র বেশি আসন জয়ের সম্ভাবনা— দলের কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা তৈরি করেছে।

    শাহের বক্তব্যে স্পষ্ট আত্মবিশ্বাসের ছাপ

    কলকাতায় সাংবাদিকদের সামনে দাঁড়িয়ে শাহের বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল আত্মবিশ্বাসের ছাপ। তাঁর মতে, এবারের ভোট শুধু আসনসংখ্যা বাড়ানোর লড়াই নয়, বরং ব্যবধান বাড়ানোর লড়াইও। ভোটের আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে যে জনসমাগম দেখা গিয়েছে, সেটিকেই তিনি বিজেপির পক্ষে জনমতের ইঙ্গিত হিসেবে তুলে ধরেছেন। বিশেষ করে মধ্যমগ্রামের রোড শো-এর অভিজ্ঞতা উল্লেখ করে তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, মানুষের মধ্যে পরিবর্তনের আকাঙ্ক্ষা কতটা তীব্র।

    ‘এই লড়াই জেতা সম্ভব’

    বিজেপির অন্দরে এই মুহূর্তে যে বার্তা ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, তা হল— ‘এই লড়াই জেতা সম্ভব।’ দলের নেতাদের দাবি, গত কয়েক বছরে রাজ্যে শাসকবিরোধী মনোভাব বেড়েছে, আর সেই ক্ষোভই এবার ভোটে প্রতিফলিত হচ্ছে। নারী সুরক্ষা, দুর্নীতি এবং প্রশাসনিক স্বচ্ছতার মতো ইস্যুগুলিকে সামনে রেখে বিজেপি নিজেদের বিকল্প শক্তি হিসেবে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করছে।

    “ভয়মুক্ত ভোট”-এর বার্তা

    একই সঙ্গে বিজেপির প্রচারে একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল “ভয়মুক্ত ভোট”-এর বার্তা। অমিত শাহের অভিযোগ, অতীতে অনেক ক্ষেত্রে বিজেপি সমর্থকরা ভয়ের কারণে স্বাধীনভাবে ভোট দিতে পারেননি। এবার সেই পরিস্থিতির পরিবর্তন হয়েছে বলেই দলের বিশ্বাস। এই বক্তব্যের মাধ্যমে বিজেপি একদিকে নিজেদের সমর্থকদের আরও সক্রিয় করতে চাইছে, অন্যদিকে নিরপেক্ষ ভোটারদের মধ্যেও আস্থা তৈরি করার চেষ্টা করছে।

    সংগঠন আরও মজবুত করায় নজর

    দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে বিজেপি এখন সংগঠন আরও মজবুত করার দিকে জোর দিচ্ছে। বিশেষ করে যেসব এলাকায় তৃণমূলের শক্তি বেশি বলে ধরা হয়, সেখানেই বাড়তি নজর দিচ্ছে দল। দমদমের জনসভায় শাহের আক্রমণাত্মক ভাষণ সেই প্রস্তুতিরই অংশ। তিনি সরাসরি তৃণমূলকে নিশানা করে অভিযোগ করেন, ভোটারদের ভয় দেখানোর চেষ্টা চলছে—আর সেই অভিযোগের জবাব দিতেই বিজেপি নেতৃত্ব আরও কড়া অবস্থান নিচ্ছে।

    ভবিষ্যতের রূপরেখাও স্পষ্ট

    প্রচারের পাশাপাশি ভবিষ্যতের রূপরেখাও স্পষ্ট করতে চাইছে বিজেপি। নারী সুরক্ষায় কড়া পদক্ষেপ, কৃষকদের জন্য গবেষণা কেন্দ্র, এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর তদন্ত— এই প্রতিশ্রুতিগুলিকে সামনে এনে দল বোঝাতে চাইছে, তারা শুধু ক্ষমতায় আসতে চায় না, বরং প্রশাসনিক পরিবর্তন আনতেও প্রস্তুত।

    বিজেপি শিবিরে বার্তা একটাই…

    সব মিলিয়ে, প্রথম দফার ভোটের পর বিজেপির প্রচারে যে আত্মবিশ্বাস দেখা যাচ্ছে, তা নিছক রাজনৈতিক বক্তব্যের বাইরে গিয়ে এক ধরনের মনস্তাত্ত্বিক লড়াইও তৈরি করছে। এই আত্মবিশ্বাস কতটা বাস্তবে রূপ নেবে, তা অবশ্য নির্ভর করবে পরবর্তী দফার ভোট এবং চূড়ান্ত ফলাফলের উপর। তবে আপাতত বিজেপি শিবিরে বার্তা একটাই— এই লড়াইয়ে তারা পিছিয়ে নেই, বরং এগিয়ে থাকার বিশ্বাস নিয়েই পরবর্তী পর্যায়ে ঝাঁপাচ্ছে।

  • Assembly Election 2026: কড়া নিরাপত্তা! দ্বিতীয় দফার ভোটে আরও ১১ পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন

    Assembly Election 2026: কড়া নিরাপত্তা! দ্বিতীয় দফার ভোটে আরও ১১ পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করল নির্বাচন কমিশন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বিক্ষিপ্ত ঘটনা ছাড়া রাজ্যে প্রথম দফার নির্বাচন (Assembly Election 2026) হয়েছে শান্তিতেই। দ্বিতীয় দফার ভোট একেবারে ‘ঘটনাবিহীন’ করতে রাজ্যে পুলিশ পর্যবেক্ষকের সংখ্যা বাড়াল নির্বাচন কমিশন। পশ্চিমবঙ্গে আরও ১১ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হল। আগামী ২৯ এপ্রিল ভোটে নজরদারি আরও আঁটোসাঁটো করার উদ্দেশ্যেই এই পদক্ষেপ। কমিশন সূত্রে খবর, প্রথম দফার ভোটে যেটুকু অশান্তি হয়েছে, দ্বিতীয় দফায় তার সম্ভাবনাও দূর করতে চাইছে কমিশন। সেই কারণে পুলিশ পর্যবেক্ষকের সংখ্যা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

    মোট ৯৫ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক

    এ বারের নির্বাচনের জন্য পশ্চিমবঙ্গে ৮৪ জন পুলিশ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করেছিল কমিশন, যা অন্যান্য বারের তুলনায় বেশি। দ্বিতীয় দফায় সংখ্যা আরও বাড়ানো হল। এখন মোট ৯৫ জন পুলিশ পর্যবেক্ষককে স্পর্শকাতর এলাকাগুলি চিহ্নিত করে বাড়তি নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই নতুন পুলিশ পর্যবেক্ষকেরা প্রত্যেকেই ভিন্‌রাজ্য থেকে আসছেন। তাঁদের নিরাপত্তার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে রাজ্য পুলিশকেই। বহু দিন পর পশ্চিমবঙ্গে দুই দফায় ভোট হচ্ছে। কমিশন ভোট ঘোষণার দিনই জানিয়েছিল, দফা কমানো হলেও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সবরকম পদক্ষেপ করা হবে। সেই মতো এবার কার্যত নজিরবিহীন ভাবে রাজ্যের ২৯৪টি কেন্দ্রের জন্য আলাদা আলাদা সাধারণ পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে। পুলিশ পর্যবেক্ষকের সংখ্যাও বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।

    বাড়তি ঝুঁকি নিতে নারাজ কমিশন

    প্রথম দফার নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হলেও দ্বিতীয় দফায় কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনে বাড়তি ঝুঁকি নিতে নারাজ কমিশন (Election Commission)। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী-সহ অধিকাংশ গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী বা বিভিন্ন দলের হেভিওয়েট প্রার্থী এই দফার নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। শহর কলকাতা (Kolkata) ছাড়াও ভাঙড়-সহ উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, নদিয়া, হাওড়া (Howrah), হুগলি ও পূর্ব বর্ধমানের বেশ কিছু অতি-উত্তেজনাপ্রবণ বুথ (Sensitive Booths) বা এলাকা রয়েছে, যেখানে আরও বেশি পরিকল্পনামাফিক কেন্দ্রীয় বাহিনী ও কলকাতা বা রাজ্যের পুলিশ অথবা ভিন রাজ্যের পুলিশ বাহিনীকে কাজে লাগাতে চায় কমিশন।

    দ্বিতীয় দফায় বাহিনী বাড়ছে না

    পর্যবেক্ষকের সংখ্যা বাড়লেও দ্বিতীয় দফায় বাহিনী বাড়ার কোনও সম্ভাবনা নেই। রাজ্যে যে ২৫৫০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী (Central Forces) রয়েছে, তাদের মধ্যে একাংশকে প্রথম দফা নির্বাচনী কেন্দ্রগুলির স্ট্রংরুমের নিরাপত্তায় রাখা হচ্ছে। বাকি বাহিনীকে দ্বিতীয় দফার ৮ নির্বাচনী জেলায় নিরাপত্তা রক্ষার কাজে লাগানো হবে। শুক্রবার থেকেই সিইও দপ্তরে রাজ্যের দ্বিতীয় দফার নির্বাচন নিয়ে দফায় দফায় নিরাপত্তা সংক্রান্ত বৈঠক, ভিডিয়ো কনফারেন্স হয়েছে। সিইও ছাড়াও বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিশেষ পুলিশ পর্যবেক্ষক এন কে মিশ্র, ওড়িশা পুলিশের আইজি তথা পুলিশ পর্যবেক্ষক হীরালাল, সিআরপিএফ কর্তা থেকে ভিন রাজ্যের পুলিশ কর্তারাও। সব মিলিয়ে ভোটের বুথ এবং বুথের ১০০ মিটারের মধ্যে বা বুথ সন্নিহিত এলাকাকে শান্তিপূর্ণ রেখে বঙ্গের দ্বিতীয় দফার নির্বাচনেও রেকর্ড ভোটদানের নজির অক্ষুণ্ণ রাখতে বদ্ধপরিকর নির্বাচন কমিশন।

  • Bengaluru CET Row: বেঙ্গালুরু পরীক্ষা কেন্দ্রে পৈতে খুলতে বাধ্য করার অভিযোগে ৩ শিক্ষক সাসপেন্ড

    Bengaluru CET Row: বেঙ্গালুরু পরীক্ষা কেন্দ্রে পৈতে খুলতে বাধ্য করার অভিযোগে ৩ শিক্ষক সাসপেন্ড

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কর্নাটকের বেঙ্গালুরুতে সেট (Common Entrance Test) পরীক্ষাকেন্দ্রে পাঁচজন ব্রাহ্মণ ছাত্রকে তাঁদের পবিত্র সুতো (যজ্ঞোপবীত বা পৈতে) খুলতে বাধ্য করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে পরীক্ষার প্রথম দিনেই। এই ঘটনাকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলে উল্লেখ করেছেন কর্নাটকের উচ্চশিক্ষামন্ত্রী এমসি সুধাকর। তদন্তের (Bengaluru CET Row) নির্দেশ দেওয়ার পাশাপাশি সাসপেন্ড করা হয়েছে ওই কলেজের তিন অধ্যাপককে। তাতেও বিতর্কে লাগাম টানা যায়নি। এই ঘটনায় ধর্মীয় স্বাধীনতা এবং মানবাধিকার লঙ্ঘিত হয়েছে বলে দাবি বিজেপি এবং বিরোধী দলগুলির। এই ঘটনায় কড়া পদক্ষেপ করার দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

    কেন পবিত্র সুতো খুলতে হবে?

    একজন ছাত্র জানিয়েছেন, “পরীক্ষাকেন্দ্রে ঢোকার সময় আমার কানের দুল খুলতে বলা হয়, সেটা মেনে নিয়েছিলাম কারণ ধাতব জিনিস নিষিদ্ধ। কিন্তু আমাকে শরীর থেকে পবিত্র সুতো খুলতেও বাধ্য করা হয়।” পরিস্থিতির চাপে ওই ছাত্র নির্দেশ মানতে বাধ্য হয় বলে জানা গিয়েছে। অভিযোগ, শুধু পৈতে নয়, অনেক ছাত্রের হাতে বাঁধা লাল-হলুদ ‘মৌলি’ বা ‘কলাভা’ও খুলতে বলা হয়। ঘটনার পর অভিভাবকরা পরীক্ষাকেন্দ্রে পৌঁছে কর্তৃপক্ষের কাছে এর কারণ জানতে চান। তাঁদের দাবি, পবিত্র সুতো না খুলতে পূর্বেই নির্দেশিকা জারি ছিল। উল্লেখ্য, গত বছরও একই ধরনের বিতর্ক তৈরি হলে সরকার জানিয়েছিল যে সেট পরীক্ষায় পবিত্র সুতো খুলতে হবে না।

     ঘটনাটি “দুর্ভাগ্যজনক”

    কর্নাটকের উচ্চশিক্ষা মন্ত্রী এম সি সুধাকর ঘটনাটিকে “দুর্ভাগ্যজনক” বলে উল্লেখ করেছেন। তিনি জানান, “প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে তিনজনকে বরখাস্ত করার বিষয়ে আমাকে জানানো হয়েছে। আমি বিষয়টিকে অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে দেখছি এবং ইতিমধ্যে দফতরের আধিকারিকদের প্রয়োজনীয় নির্দেশ দিয়েছি।” তিনি আরও বলেন, “আগামী বছর থেকে এই ধরনের বিষয় সম্পর্কে আগেভাগেই স্পষ্ট নির্দেশিকা দিতে হবে এবং আইনি কাঠামোর মধ্যে কী শাস্তি হতে পারে, সেটাও সকলকে জানাতে হবে।”অন্যদিকে, কর্নাটক বিধানসভার বিরোধী দলনেতা আর অশোক এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কংগ্রেস সরকারের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, “কংগ্রেস সরকারের ‘হিন্দু-বিরোধী’ কার্যকলাপ অব্যাহত রয়েছে। গত বছরও পরীক্ষায় মঙ্গলসূত্র ও পৈতে খুলতে বাধ্য করা হয়েছিল, এ বছরও সেই একই ঘটনা ঘটছে।” সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি নষ্ট করার অভিযোগে ভারতীয় ন্যায় সংহিতার (BNS) একাধিক ধারায় এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ।

  • Suvendu Adhikari: ‘‘১০ হাজার কোটির রেশন দুর্নীতির ৭৫ শতাংশ টাকা জ্যোতিপ্রিয় পাঠিয়েছেন মমতার বাড়িতে’’, ভবানীপুরে আক্রমণ শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: ‘‘১০ হাজার কোটির রেশন দুর্নীতির ৭৫ শতাংশ টাকা জ্যোতিপ্রিয় পাঠিয়েছেন মমতার বাড়িতে’’, ভবানীপুরে আক্রমণ শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটের (Bengal Elections 2026) মধ্যে রেশন বণ্টন দুর্নীতি মামলাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের শাসকদলের বিরুদ্ধে ফের সরব হলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবার এক জনসভা থেকে তিনি দাবি করেন, “হাবরার প্রার্থী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক ১০ হাজার কোটি টাকার রেশন দুর্নীতি করেছেন। তার থেকে ৭৫ শতাংশ মমতার বাড়িতে পাঠিয়েছেন।” এই দুর্নীতির মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের একটি বিশাল অংশ সরাসরি শীর্ষ নেতৃত্বের কাছে পৌঁছেছে। তাঁর নিশানায় ছিলেন রাজ্যের প্রাক্তন খাদ্যমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এবং মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

    ভোট আবহে রেশন দুর্নীতিতে তদন্ত

    শনিবার সকাল থেকেই সক্রিয় ইডি। রেশন দুর্নীতি মামলায় একাধিক এলাকায় চলছে তল্লাশি অভিযান। ইডি-র কলকাতা জোনাল অফিস আজ প্রিভেনশন অব মানি লন্ডারিং অ্যাক্ট ২০০২ (পিএমএলএ) আইনকে মাথায় রেখে কলকাতা, বর্ধমান এবং হাবড়ার মোট ১৭টি ঠিকানায় তল্লাশি চালাচ্ছে। এই অভিযান নিরঞ্জন চন্দ্র সাহা ও অন্যান্যদের সঙ্গে যুক্তদের বিরুদ্ধে তদন্ত চলছে। এই এফআইআর বসিরহাট পুলিশ স্টেশনে দায়ের করেছিলেন ডেপুটি কমিশনার অফ কাস্টমস্ ঘোজাডাঙ্গা এলসিএস। তাতে বলা হয়েছিল, জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের জন্য নির্ধারিত পাবলিক ডিস্ট্রিবিউশন সিস্টেম বা রেশনের গম পাচার হয়েছে। সেই নিয়েই শুরু হয় তদন্ত। সেই মামলাতেই শনিবার এই অভিযান। এর মধ্যেই তৃণমূলকে তোপ দেগেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

    ৭৫ শতাংশ অংশ টাকা গিয়েছে প্রভাবশালীদের কাছে (Suvendu Adhikari)

    শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “রেশন দুর্নীতির মাধ্যমে সংগৃহীত অর্থের অন্তত ৭৫ শতাংশ অংশ নির্দিষ্টভাবে প্রভাবশালী মহলে প্রেরণ করা হয়েছিল। মমতার বাড়িতে টাকা পৌঁছেছে । জেলখাটা প্রাক্তন মন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক এই প্রক্রিয়ার সঙ্গে সরাসরি যুক্ত ছিলেন। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলি সঠিক পথে তদন্ত এগিয়ে নিয়ে গেলেই এই আর্থিক লেনদেনের সমস্ত তথ্য জনসমক্ষে আসবে।”

    নির্বাচনী মরসুমে এই অভিযোগ ঘিরে নতুন করে রাজনৈতিক উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী আরও দাবি করেন, “এই বিপুল পরিমাণ অর্থ কেবল ব্যক্তিগত লাভের জন্য নয়, বরং রাজনৈতিক প্রভাব বিস্তারেও ব্যবহার করা হয়েছে।”

    তদন্তের বর্তমান পরিস্থিতি

    উল্লেখ্য, রেশন দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যেই জ্যোতিপ্রিয় মল্লিকসহ একাধিক ব্যক্তি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)-এর রেডারে রয়েছেন। বিরোধী শিবিরের এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে শাসকদলের পক্ষ থেকে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি, তবে তৃণমূল কংগ্রেস সাধারণত এই ধরণের অভিযোগকে ‘রাজনৈতিক প্রতিহিংসা’ হিসেবেই অভিহিত করে আসছে। তবে রেশন দুর্নীতি (Bengal Elections 2026) ভোটে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে।

    ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়ায় প্রচার শুভেন্দুর

    অপর দিকে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা উপনির্বাচনকে (Bengal Elections 2026)  কেন্দ্র করে ভবানীপুর কেন্দ্রের রাজনৈতিক পারদ ক্রমশ চড়ছে। এই আবহে আজ সকালে এক ভিন্নধর্মী প্রচার কৌশলে অংশ নিলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবার ভোরে ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল চত্বরে প্রাতঃভ্রমণকারীদের সঙ্গে আলাপচারিতা ও জনসংযোগের মাধ্যমে নিজের প্রচার কর্মসূচি শুরু করেন।

    সকাল থেকেই ভিক্টোরিয়া মেমোরিয়াল ও সংলগ্ন এলাকায় সাধারণ মানুষের ভিড় লক্ষ্য করা যায়। শুভেন্দু অধিকারী সেখানে পৌঁছে প্রাতঃভ্রমণকারীদের সঙ্গে সৌজন্য বিনিময় করেন এবং এলাকার বিভিন্ন সমস্যা ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনায় অংশ নেন। কোনও বড় মাপের সভা বা মিছিলের পরিবর্তে সরাসরি সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোই ছিল আজকের এই কর্মসূচির মূল লক্ষ্য।

    অভাব-অভিযোগ শুনলেন শুভেন্দু

    জনসংযোগ চলাকালীন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিরোধী দলনেতা (Suvendu Adhikari) বলেন, “ভবানীপুর কেন্দ্রটি রাজ্যের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণ মানুষের অভাব-অভিযোগ শোনা এবং তাঁদের সঙ্গে সরাসরি মতবিনিময় করা গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ারই অংশ।” তিনি দাবি করেন, “এলাকার সাধারণ ভোটাররা বর্তমান প্রশাসনিক ব্যবস্থায় পরিবর্তন চাইছেন এবং তার প্রতিফলন ভোটবাক্সে দেখা যাবে।”

    রাজনৈতিক গুরুত্ব

    ভবানীপুর কেন্দ্রে জয়ের বিষয়ে আশাবাদী বিজেপি শিবির। শুভেন্দু অধিকারীর এই সকালের জনসংযোগ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ লক্ষ্য করা গেছে। নির্বাচন কমিশনের বিধি মেনেই এই শান্ত ও সুশৃঙ্খল প্রচার চালানো হয়েছে বলে দলের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছ।

  • Satellite Image of Green India: ‘শস্যশ্যামলাং মাতরম’ মহাকাশ থেকে ঝলমলে সবুজ ভারতের ছবি, নজর কাড়ছে বিশ্বের

    Satellite Image of Green India: ‘শস্যশ্যামলাং মাতরম’ মহাকাশ থেকে ঝলমলে সবুজ ভারতের ছবি, নজর কাড়ছে বিশ্বের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ‘ধনধান্যে পুষ্পে ভরা…সকল দেশের সেরা’ ভারতের ছবি ধরা পড়ল রাশিয়ার উপগ্রহে। রসকসমসের (Roscosmos) ইলেকট্রো-এল হাইড্রোমেটারোলজিক্যাল স্যাটেলাইটের (Electro-L satellite) তোলা এই ছবি ইতিমধ্যেই ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। রাশিয়ার এই কৃত্রিম উপগ্রহ গোটা পৃথিবীর আবহাওয়ার হিসেব রাখে। এটি পৃথিবীর বিষুবরেখা থেকে প্রায় ৩৬,০০০ কিলোমিটার উঁচুতে একটি নির্দিষ্ট বিন্দুতে স্থির হয়ে ভেসে থাকে এবং ঠিক পৃথিবীর আবর্তনের সমান গতিতে চলাচল করে। আর সেই উপগ্রহের তোলা ছবিতে ধরা পড়েছে সবুজ ভারতের ছবি।

    কী এই ইলেকট্রো-এল স্যাটেলাইট?

    ইলেকট্রো-এল একটি জিওস্টেশনারি কক্ষপথে অবস্থানকারী আবহাওয়া উপগ্রহ। সাবাবছর নিরবচ্ছিন্নভাবে পৃথিবীর উপর নজর রাখে এই উপগ্রহ। এই উপগ্রহে রয়েছে মাল্টিস্পেকট্রাল স্ক্যানিং ডিভাইস, যা একসঙ্গে বিভিন্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যের আলো ধরতে পারে। এর মাধ্যমে ভারত মহাসাগর, ইউরেশিয়া, আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া ও অ্যান্টার্কটিকার বিস্তীর্ণ অঞ্চল ধরা পড়ে। ইলেকট্রো-এল (Electro-L) মোট ১০টি স্পেকট্রাল ব্যান্ডে ছবি তোলে। যার মধ্যে দুটি দৃশ্যমান (সবুজ ও নীল) এবং বাকি ইনফ্রারেড রেঞ্জে। ইনফ্রারেড প্রযুক্তির সাহায্যে তাপমাত্রা, আর্দ্রতা এবং মেঘের গতিবিধি নির্ভুলভাবে পর্যবেক্ষণ করা যায়। উপগ্রহ থেকে প্রাপ্ত তথ্য পাঠানো হয় রাশিয়ার আবহাওয়া দফতরে। এছাড়া বিশ্বের একাধিক আবহাওয়া বিভাগ এই তথ্য বিশ্লেষণ করে আবহাওয়ার পূর্বাভাস তৈরি ও দুর্যোগ পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে। শুধু তাই নয়, এই উপগ্রহ আন্তর্জাতিক স্যাটেলাইট উদ্ধার ব্যবস্থা কসপাস সারস্যাট (COSPAS-SARSAT)-এর সংকেতও রিলে করে, যা বিপদগ্রস্ত অবস্থায় উদ্ধার কাজে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    সবচেয়ে ঝলমলে সবুজ ভারত

    রাশিয়ার মোট ১৫৫৯টি কৃত্রিম উপগ্রহ রয়েছে। এর মধ্যে বহু উপগ্রহ রুশ সেনার সিস্টেম মেনে কাজ করে। আলোচ্য উপগ্রহটি এই বছরেরর ফেব্রুয়ারিতেই উৎক্ষেপণ করা হয়েছিল। সম্প্রতি এর পাঠানো ছবিগুলির মধ্যে অন্যতম একটি ছবি, কালো অন্তরীক্ষের প্রেক্ষাপটে নীল রঙের ঝলমলে পৃথিবী। যার মধ্যে সবচেয়ে ঝলমলে রঙিন সবুজ ভারত। মহাকাশযানের জানালা দিয়ে তোলা আরেকটি চমৎকার ছবিতে প্রশান্ত মহাসাগর ও মেঘমালার ঘূর্ণায়মান নীল ও সাদা বিন্যাসের এক উচ্চ-রেজোলিউশনে পৃথিবীকে দেখা গিয়েছে। হয়তো যা দেখে মহাকাশচারীদের মনে পড়ছিল মাত্র কয়েক দিন আগেই পেছনে ফেলে আসা নিজেদের গ্রহটাকে!

  • NDA in Rajya Sabha: মাত্র ১৭ আসন দূরে, রাজ্যসভায় দুই-তৃতীয়াংশের পথে এগোল এনডিএ

    NDA in Rajya Sabha: মাত্র ১৭ আসন দূরে, রাজ্যসভায় দুই-তৃতীয়াংশের পথে এগোল এনডিএ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এনডিএ (NDA in Rajya Sabha)। আম আদমি পার্টি (আপ)-র সাতজন সাংসদের দলবদলের পর লক্ষ্যের আরও কাছাকাছি পৌঁছল ন্যাশনাল ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স (NDA)। তবে এখনও সেই ‘ম্যাজিক সংখ্যা’ ছুঁতে শাসক জোটের ১৭টি আসন কম রয়েছে। শুক্রবার আপের সাতজন সাংসদ দল পরিবর্তন করায় রাজ্যসভায় এনডিএ-র সমর্থন বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪৫ জনে। ২৪৪ সদস্যের এই সদনে দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ১৬৩ জন সদস্যের সমর্থন।

    দুই-তৃতীয়াংশের পথে

    এনডিএ-র নেতৃত্বে থাকা ভারতীয় জনতা পার্টিও (BJP), রাজ্যসভায় সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেতে ১০টি আসন পিছিয়ে রয়েছে। সূত্রের খবর, রাজ্যসভার চেয়ারম্যান সি পি রাধাকৃষ্ণন যদি আপের সংসদীয় দলের বিজেপিতে মিশে যাওয়ার অনুমোদন দেন, তাহলে বিজেপির সদস্য সংখ্যা বেড়ে ১১৩-তে পৌঁছবে (বর্তমানে ১০৬)। এছাড়া, বিজেপি সাতজন মনোনীত সদস্য এবং দুইজন নির্দল সাংসদের সমর্থন পেতে পারে বলেও জানা যাচ্ছে। সেক্ষেত্রে তাদের সমর্থন সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ১২২—যা কার্যত অর্ধেকের সমান। সূত্রের মতে, আপের যে সাতজন সাংসদ দলত্যাগ করেছেন, তারা দলটির রাজ্যসভা সংসদীয় দলের দুই-তৃতীয়াংশের বেশি হওয়ায় এই মিশে যাওয়ার প্রক্রিয়া অনুমোদন পাওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

    সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলে লাভ

    রাজ্যসভায় দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেলে সংবিধান সংশোধনীসহ গুরুত্বপূর্ণ বিল পাশ করাতে এনডিএ-র আর বড় বাধা থাকবে না। লোকসভাতে এনডিএ-র সাধারণ সংখ্যাগরিষ্ঠতা রয়েছে। নিম্নকক্ষে বিশেষ সংখ্যাগরিষ্ঠতার জন্য প্রয়োজন ৩৬৩ জন সাংসদের সমর্থন। উল্লেখ্য, গত ১৭ এপ্রিল লোকসভায় সংবিধানের ১৩১তম সংশোধনী বিল—যার মাধ্যমে ২০২৯ সাল থেকে আইনসভায় ৩৩% মহিলা সংরক্ষণ এবং লোকসভার আসন সংখ্যা ৮১৬-তে বাড়ানোর প্রস্তাব ছিল—এনডিএ প্রয়োজনীয় সমর্থন না পাওয়ায় খারিজ হয়ে যায়। বর্তমান এনডিএ সরকার তাদের এই মেয়াদে প্রথম কোনও সংবিধান সংশোধনী বিল সংখ্যার অভাবে পাস করতে ব্যর্থ হয়। যদি রাজ্যসভাতে এনডিএ দুই-তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা পেয়ে যায়, তাহলে তাদের আর বিল পাশ নিয়ে ভাবতে হবে না।

     

LinkedIn
Share