Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Daily Horoscope 08 January 2026: প্রেমের ক্ষেত্রে দিনটি শুভ এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 08 January 2026: প্রেমের ক্ষেত্রে দিনটি শুভ এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) সন্তানদের নিয়ে সংসারে কলহ সৃষ্টি হতে পারে।

    ২) আইনি সমস্যা থেকে মুক্তিলাভ।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) প্রেমে মাত্রাছাড়া আবেগ ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) কর্মক্ষেত্রে জটিলতা কাটতে পারে।

    ৩) সতর্ক থাকবেন সব বিষয়ে।

    মিথুন

    ১) যানবাহন খুব সাবধানে চালাতে হবে, বিপদের আশঙ্কা রয়েছে।

    ২) প্রেমের ক্ষেত্রে দিনটি শুভ।

    ৩) বাণীতে সংযম জরুরি।

    কর্কট

    ১) আগুপিছু না ভেবে উপার্জনের রাস্তায় পা দেবেন না।

    ২) অতিরিক্ত পরিশ্রমে শারীরিক দুর্বলতার যোগ।

    ৩) সবাইকে ভালোভাবে কথা বলুন।

    সিংহ

    ১) কর্মচারীদের জন্য ব্যবসায় বিবাদ হতে পারে।

    ২) ভ্রমণের পক্ষে দিনটি শুভ নয়।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কন্যা

    ১) প্রেমের ক্ষেত্রে সাফল্য লাভ।

    ২) কুটিরশিল্পের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অগ্রগতি হতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    তুলা

    ১) ভালো কথার দ্বারা অন্যকে প্রভাবিত করতে পারবেন।

    ২) দুপুর নাগাদ ব্যবসা ভাল হবে।

    ৩) দিনটি মোটামুটি কাটবে।

    বৃশ্চিক

    ১) প্রিয়জনের কুকর্মের জন্য বাড়িতে বিবাদ।

    ২) ব্যবসায় ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) আশাহত।

    ধনু

    ১) চাকরিতে সুখবর আসতে পারে।

    ২) রক্তচাপ নিয়ে চিন্তা বাড়তে পারে।

    ৩) ধৈর্য ধরতে হবে।

    মকর

    ১) শারীরিক অবস্থা খারাপ থাকায় কর্মে ক্ষতির আশঙ্কা।

    ২) আপনার সহিষ্ণু স্বভাবের জন্য সংসারে শান্তি রক্ষা পাবে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    কুম্ভ

    ১) কাজের চাপে সংসারে সময় না দেওয়ায় বিবাদ হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় কিছু পাওনা আদায় হতে পারে।

    ৩) আশা পূরণ।

    মীন

    ১) সন্তান-স্থান শুভ।

    ২) আজ কোনও সুসংবাদ পাওয়ার জন্য মন চঞ্চল থাকবে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Suvendu Adhikari: “প্রধানমন্ত্রীর উপর ভরসা রাখুন, কোনও মতুয়ার নাম বাদ যাবে না” মতুয়াগড়ে দাঁড়িয়ে আশ্বাস শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “প্রধানমন্ত্রীর উপর ভরসা রাখুন, কোনও মতুয়ার নাম বাদ যাবে না” মতুয়াগড়ে দাঁড়িয়ে আশ্বাস শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভোটার তালিকা থেকে কোনও মতুয়া উদ্বাস্তুর নাম বাদ দিতে দেওয়া হবে না বলে দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজ্যে এসআইআর-এ (SIR In West Bengal)ভোটার তালিকা থেকে নাম বাদ যাওয়া নিয়ে যে আশঙ্কায় রয়েছে মতুয়া সমাজ, তা কিছুটা নিরসন করার চেষ্টা করেন শুভেন্দু। উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ (Bangaon) শহরে আরএস মাঠে মতুয়া ধর্ম মহা সম্মেলনে তাঁর বার্তা – ভোটার তালিকা (Voter List) থেকে কোনও মতুয়ার নাম বাদ দিতে দেব না। তবে রোহিঙ্গা মুসলিমদের (Rohingya Muslim) নাম থাকতেও দেব না। একই সঙ্গে তিনি এ তথ্যও দেন যে, সিএএ-তে (CAA) ইতিমধ্যে ৬০ হাজার মানুষ আবেদন করেছেন। ১ হাজারের বেশি শংসাপত্রও পেয়ে গিয়েছেন।

    প্রধানমন্ত্রীর উপর ভরসা রাখুন

    বিজেপি দাবি করে আসছে, রাজ্যের ভোটার তালিকায় অনুপ্রবেশকারী বাংলাদেশি (Bangladeshi) এবং রোহিঙ্গাদের নাম ভরে গেছে। এসআইআর হলে সেই নাম বাদ যাবে যে সংখ্যাটা হতে পারে ৫০ লক্ষ থেকে ১ কোটি। এই পরিপ্রেক্ষিতেই শান্তনু ঠাকুর মন্তব্য করেছিলেন, ৫০ লক্ষ রোহিঙ্গা মুসলিমের নাম যাওয়ার মধ্যে যদি ১ লক্ষ মতুয়ারা থাকেন তাহলে এটুকু সহ্য করতে হবে। কিন্তু মতুয়াগড়ে সভা করে শুভেন্দুর স্পষ্ট বার্তা – একটি নামও তিনি বাদ দিতে দেবেন না। কিন্তু বুধবার বনগাঁয় দাঁড়িয়ে মতুয়াদের আশ্বস্ত করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। বললেন, “প্রধানমন্ত্রীর উপর ভরসা রাখুন। মতুয়াদের কথা কেন্দ্র সবসময় ভাবে। তাই জন্যই সিএএ সার্টিফিকেট দেওয়া হচ্ছে। কারও কোনও চিন্তা নেই। কোনও মতুয়া উদ্বাস্তুর নাম বাদ যাবে না।”

    ভুল বোঝাচ্ছে তৃণমূল

    শুভেন্দুর বক্তব্যে এদিন ফিরে আসে তৃণমূলের ভুল বোঝানো প্রসঙ্গ। বলেন, এসআইআর নিয়ে মানুষকে লাগাতার ভুল বুঝিয়ে আসছে তৃণমূল, ঠিক যেমন এনআরসি-সিএএ নিয়ে বোঝানোর চেষ্টা করছে। বিরোধী দলনেতার কটাক্ষ, একদিকে সিএএ-র বিরোধিতা করছে সরকার, অন্যদিকে মানুষকে আবেদনও করতে বলছে। এটা দ্বিচারিতা ছাড়া কিছু নয়, আক্রমণ শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)। এসআইআর-এ নাম তোলা নিয়ে এখনও রীতিমতো চিন্তায় রয়েছে পশ্চিমবঙ্গের বিরাট অংশের মতুয়া সমাজ। কারণ তাঁদের মধ্যে অনেকের কাছেই যথাযোগ্য ডকুমেন্টস নেই। এমন পরিস্থিতিতে এসআইআর আতঙ্কে তাঁরা রীতিমতো ভয়ে কাঁটা। এদিন এসআইআর নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “যদি কারও এসআইআর-এ নোটিশ দেওয়া হয়। তবে আপনারা যাবেন, ভয় পাবেন না। ৮৫ বছরের বেশি বয়স্কদের লাইনে দাঁড়ানোর দরকার নেই। তাঁদের বাড়িতে লোক আসবে।”

    রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাত

    প্রসঙ্গত, বুধবারই অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘ (All India Matua Sangha) দেশের রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুর সঙ্গে সাক্ষাৎ করে। কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী শান্তনু ঠাকুরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল যায় রাষ্ট্রপতি ভবনে। মতুয়া মহাসঙ্ঘের পক্ষ থেকে ৬ সদস্যকে নিয়ে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে যান শান্তনু ঠাকুর। বেরিয়ে এসে তিনি বলেন, “বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছি। আমাদের আর্থিক পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেছি। ওনাকে জানিয়েছি, মতুয়ারা নাগরিকত্ব পেতে চলেছে।”

    হিন্দু কেশাগ্র কেউ স্পর্শ করতে পারবেন না

    ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বঙ্গে এসআইআর (SIR in Bengal) নিয়ে শুভেন্দু বলেন, “নাম যদি ইআরও কাটে। আমি অশোক কীর্তনিয়ার কাছে ফরম্যাট পাঠাব। ইও-র কাছে আবেদন করবেন। সেও যদি বাতিল করেন, তাহলে সিইও-র কাছে আবেদন করবেন। আর সিইও অফিসে আবেদনের বিষয় দায়িত্ব নেবে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। হিন্দু কেশাগ্র স্পর্শ করতে কেউ পারবেন না।” এখানেই শেষ নয়, শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, “সিএএ-র সার্টিফিকেট দেওয়ার ক্ষেত্রে মতুয়াবাড়ির সার্টিফিকেট কেন্দ্রীয় সরকার গ্রহণ করছে,করবে। এখনও অবধি ৬০ হাজার মানুষ সিএএ-তে আবেদন করেছেন।”

    মতুয়া সমাজকে ভোটব‍্যাঙ্কের চোখে দেখেন মমতা

    উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ভাবে বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। তিনি বলেন, ‘‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তাঁর সরকার মতুয়া সমাজকে ভোটব‍্যাঙ্কের চোখে দেখেন। তাই তাঁদের মধ্যে নানা ভাবে বিভ্রান্তি তৈরি করার চেষ্টা করেন। মতুয়া ঠাকুরবাড়িতে বিভাজন ঘটানোর চেষ্টাও আমরা দেখেছি। মমতাবালা ঠাকুরকে ব্যবহার করে ঠাকুরবাড়িতে অশান্তি তৈরি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’’শুভেন্দু বলেন, ‘‘সিএএ পাশ হওয়ার পরে গোটা দেশে কোথাও বিরোধিতা হয়নি। কিন্তু এখানে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্যা-ক্যা-ছি-ছি বলে মিছিল করতে নেমেছিলেন। বলেছিলেন সিএএ মানেই এনআরসি। তাঁর ভুল বোঝানোয় সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অনেকে বিভ্রান্ত হন। সিদ্দিকুল্লা চৌধুরীরা তাঁদের রাস্তায় নামান। তার ফলে অনেক অশান্তি হয়, ক্ষয়ক্ষতি হয়। ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে ফাটল ধরে।’’ এনআরসির ভয় দেখিয়ে রাজ্যের সংখ্যালঘু ভোটের পুরোটাই মমতা নিজের ঝুলিতে পুরে ২০২১ সালে ভোটে জিতেছিলেন বলে শুভেন্দু দাবি করেন। তিনি বলেন, ‘‘সিএএ কার্যকর হওয়ার পরে এটা প্রমাণ হয়েছে যে, এটা এনআরসি নয়। কিন্তু আবার একটা ভোট এসেছে। তাই আবার ভয় দেখাতে হবে। এ বার হাতিয়ার করেছেন এসআইআর-কে।’’

    মতুয়াদের নাগরিকত্বের ব্যবস্থা করেছেন মোদি

    প্রমথরঞ্জন ঠাকুরের আমল থেকে মতুয়াদের ভারতীয় নাগরিকত্ব সংক্রান্ত আন্দোলন শুরু হলেও দশকের পর দশক বিষয়টি নিয়ে কোনও সরকার উপযুক্ত পদক্ষেপ করেনি বলে শুভেন্দু অভিযোগ করেন। তিনি মনে করিয়ে দেন, ‘‘২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের সময়ে শান্তনু ঠাকুরের সমর্থনে সভা করতে এসে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি প্রতিশ্রুতি দিয়ে গিয়েছিলেন যে, মতুয়াদের নাগরিকত্বের ব্যবস্থা তিনি করবেন। সিএএ পাশ করিয়ে তিনি কথা রেখেছেন। আর মমতা মিথ‍্যাচার করে, অপপ্রচার করে হিন্দুদের দুর্বল করার চেষ্টা করছেন। ঠাকুরবাডিতে বিভাজন তৈরি করার চেষ্টা করছেন। আমরা এর তীব্র নিন্দা করি।’’

     

     

     

  • Dhurandhar: ৮৩১ কোটিতে ইতিহাস গড়ল ‘ধুরন্ধর’, ভারতের সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী হিন্দি ছবি

    Dhurandhar: ৮৩১ কোটিতে ইতিহাস গড়ল ‘ধুরন্ধর’, ভারতের সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী হিন্দি ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বক্স অফিসে ধারাবাহিক সাফল্যের মাধ্যমে ‘ধুরন্ধর’ হিন্দি চলচ্চিত্র শিল্পে এক ঐতিহাসিক মাইলফলক স্থাপন করল। রণবীর সিং অভিনীত ‘ধুরন্ধর’ একের পর এক রেকর্ড ভেঙে চলেছে বক্স অফিসে। একটি ভাষায় নির্মিত ভারতীয় ছবির মধ্যে সর্বোচ্চ আয় করা ছবির তকমা ছিনিয়ে নিয়েছে এই স্পাই থ্রিলার, টপকে গিয়েছে আল্লু অর্জুনের ‘পুষ্পা ২’-কেও। ৩৩তম দিনের শেষে ছবিটি ভারতে নেট আয় করেছে ৮৩১.৪০ কোটি টাকা, যা একে সর্বকালের সর্বোচ্চ আয়কারী হিন্দি চলচ্চিত্রে পরিণত করেছে।

    এক ভাষায় সর্বকালের সর্বোচ্চ আয় করা ভারতীয় ছবি

    বুধবার নিজেদের অফিসিয়াল ইনস্টাগ্রাম পেজে একটি বিশেষ নোট শেয়ার করে ‘ধুরন্ধর’-এর নির্মাতা আদিত্য ধর এবং জিও স্টুডিওসকে অভিনন্দন জানায় যশ রাজ ফিল্মস। পোস্টে লেখা হয়, “ধুরন্ধর শুধুমাত্র একটি ছবি নয়… এটি ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে এক মাইলস্টোন, যা চিরদিন মনে রাখা হবে। এক ভাষায় সর্বকালের সর্বোচ্চ আয় করা ভারতীয় ছবি হিসেবে ইতিহাস গড়ার জন্য আদিত্য ধর এবং জিও স্টুডিওসকে অভিনন্দন।” উত্তর আমেরিকায় বক্স অফিসে ইতিমধ্যে ইতিহাস গড়েছে ‘ধুরন্ধর’। গত সপ্তাহে ছবিটি শাহরুখ খানের ‘পাঠান’-কে টপকে উত্তর আমেরিকায় সর্বোচ্চ আয় করা বলিউড ছবির তকমা দখল করেছে। স্যাকনিল্কের তথ্য অনুযায়ী, চতুর্থ মঙ্গলবারের শেষে উত্তর আমেরিকায় ‘ধুরন্ধর’-এর আয় পৌঁছেছে ১৭.৫০ মিলিয়ন ডলারে, যেখানে ‘পাঠান’-এর মোট আয় ছিল ১৭.৪৯ মিলিয়ন ডলার।

    বিশ্বজুড়ে ছবিটির মোট আয় পেরিয়েছে ১২০০ কোটি টাকা

    নির্মাতাদের দাবি অনুযায়ী, এক ভাষায় মুক্তিপ্রাপ্ত ভারতীয় ছবির মধ্যে সর্বোচ্চ আয়কারী হিসেবেও ‘ধুরন্ধর’ এখন শীর্ষে। ছবিটি হিন্দি ভাষায় আয় করেছে ৮৩১ কোটি টাকারও বেশি, যা ‘পুষ্পা ২’-এর হিন্দি কালেকশনকে ছাপিয়ে গিয়েছে। যদিও ‘পুষ্পা ২’ অন্যান্য ভাষা অর্থাৎ তেলুগু, তামিল, মালয়ালম ও কন্নড় মিলিয়ে আরও প্রায় ৪০০ কোটি টাকার বেশি আয় করেছিল। আদিত্য ধরের এই স্পাই-অ্যাকশন থ্রিলারটি একটি দুই পর্বের সিরিজের প্রথম ছবি। ‘ধুরন্ধর’-এ রণবীর সিংকে দেখা গেছে হামজা চরিত্রে – এক ভারতীয় গুপ্তচর, যিনি পাকিস্তানের লিয়ারির অপরাধজগত ও রাজনৈতিক আন্ডারওয়ার্ল্ডে অনুপ্রবেশ করেন এক গোপন সন্ত্রাস দমন অভিযানের অংশ হিসেবে। ছবির গল্পে বাস্তব ইতিহাসের ছায়াও স্পষ্ট। ১৯৯৯ সালের আইসি-৮১৪ বিমান হাইজ্যাক, ২০০১ সালের সংসদ হামলা এবং ২০০৮ সালের মুম্বই জঙ্গি হামলার মতো ঘটনাগুলি গল্পের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। ২০২৫ সালের ৫ ডিসেম্বর মুক্তি পাওয়া ছবিটিতে আরও অভিনয় করেছেন সারা অর্জুন, অর্জুন রামপাল, রাকেশ বেদি এবং সঞ্জয় দত্ত। স্যাকনিল্কের রিপোর্ট অনুযায়ী, বিশ্বজুড়ে ছবিটির মোট আয় পেরিয়েছে ১২০০ কোটি টাকা। আর এই বছরের মার্চ মাসেই মুক্তি পাওয়ার কথা ‘ধুরন্ধর’-এর সিক্যুয়েলের।

  • Bangladesh Crisis: নৈরাজ্যের বাংলাদেশে ফের নিশানায় হিন্দু, গণপিটুনি থেকে বাঁচতে খালে ঝাঁপ যুবকের, ডুবে মৃত্যু

    Bangladesh Crisis: নৈরাজ্যের বাংলাদেশে ফের নিশানায় হিন্দু, গণপিটুনি থেকে বাঁচতে খালে ঝাঁপ যুবকের, ডুবে মৃত্যু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে (Bangladesh) হিন্দুদের (Hindu Community) উপর আক্রমণের ঘটনা বেড়েই চলেছে। নৈরাজ্যের বাংলাদেশে আরও একটি মর্মান্তিক ঘটনার খবর সামনে এসেছে। মঙ্গলবার বিকেলে চোর সন্দেহে একদল মানুষের তাড়া খেয়ে প্রাণ বাঁচাতে খালে ঝাঁপ দিয়ে মৃত্যু হয়েছে ২৫ বছর বয়সি এক হিন্দু যুবকের (Hindu Young Man)। মৃতের নাম মিঠুন সরকার। তিনি বাংলাদেশের ভান্ডারপুর গ্রামের বাসিন্দা। পুলিশ খাল থেকে তাঁর দেহ উদ্ধার করে। অভিযোগ, চোর সন্দেহে একদল উন্মুক্ত জনতা তাঁকে তাড়া করে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করেনি বাংলাদেশ পুলিশ প্রশাসন। এমনকী মিঠুনের বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ নিয়েও কিছু জানাতে ব্যর্থ বাংলাদেশ পুলিশ। তাহলে কী সত্যিই সে চোর নাকি শুধু হিন্দু হওয়ার অপরাধেই ফের অকালে ঝড়ে গেল আরও একটি প্রাণ?

    কী ঘটেছিল মিঠুনের সঙ্গে

    পুলিশ এবং প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে, চোর সন্দেহে মঙ্গলবার দুপুরে হাট চকগৌরি বাজার এলাকায় বেশ কিছু যুবক মিঠুনকে ধাওয়া করে। প্রাণে বাঁচতে দৌড় শুরু করেন মিঠুন। জনতার হাত থেকে প্রাণে বাঁচতে রাস্তার পাশে একটি খালে ঝাঁপ দেন। এরপর থেকেই আর মিঠুনের খোঁজ মিলছিল না। বেশ কিছুক্ষণ খোঁজাখুঁজির পরেও তাঁর খোঁজ পাওয়া যায়নি। শেষমেশ রাজশাহী এলাকা থেকে ডুবুরি আনিয়ে শুরু হয় খোঁজ। জানা যায়, বিকেলের দিকে ভেসে ওঠে মিঠুনের নিথর দেহ। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে। মহাদেবপুর উপজেলার নওহাটা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ গোলাম মোস্তাফা জানিয়েছেন, দেহটি উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। তবে চুরির যে অভিযোগ উঠেছে, সে বিষয়ে কিছু বলা যাচ্ছে না। তবে তদন্ত চলছে বলে জানান ওই পুলিশ আধিকারিক।

    বাংলাদেশে হিন্দুদের উপরে নির্যাতনের ছবি ক্রমশ ভয়ংকর

    বছরের শেষদিনে খোকন দাস নামের এক হিন্দু ব্যক্তিকে জ্যান্ত পুড়িয়ে মারার চেষ্টা করে উন্মত্ত জনতা। প্রাণে বাঁচতে পুকুরে ঝাঁপা দেন। কিন্তু মার খেয়ে আধ-মরা হয়ে যান খোকন। দিনদুয়েক পরে হাসপাতালে মৃত্যু হয় তাঁর। এরও আগে ময়মনসিংহের ভালুকায় খুন হন বজেন্দ্র বিশ্বাস। সহকর্মীর গুলিতে তাঁর মৃত্যু হয়। সোমবার যশোর জেলায় অজ্ঞাত হামলাকারীরা এক হিন্দু ব্যবসায়ী ও একটি খবরের কাগজের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদককে মাথায় গুলি করে হত্যা করে। একই দিনে নরসিংদী শহরে ৪০ বছরের এক হিন্দু মুদি দোকানদারকে ধারাল অস্ত্র দিয়ে খুন করা হয়। সবমিলিয়ে গত তিন সপ্তাহে বাংলাদেশে হিংসার শিকার হয়েছেন একাধিক সংখ্যালঘু হিন্দু। বাদ পড়ছেন না মহিলারাও। সম্প্রতি ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে এক বিধবা হিন্দু মহিলাকে গণধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে। এমনকী নারকীয় নির্যাতনের ভিডিও করে তা সোশাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয় দুই অভিযুক্ত। সামগ্রিক ভাবেই সংখ্যালঘুদের উপরে নির্যাতনের ছবিটা ক্রমেই ভয়ংকর হয়ে উঠেছে ইউনূসের ‘নতুন’ বাংলাদেশে।

    মিথ্যা অপবাদ, অসহায় মৃত্যু

    পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, চোর সন্দেহে তাড়া করা হয়েছিল মিঠুন সরকারকে। মারমুখি মানুষের হাত থেকে রক্ষা পেতে পালাচ্ছিলেন তিনি। শেষে বাঁচার তাগিদে খালের জলে ঝাঁপ মেরেছিলেন ২৫ বছর বয়সি যুবক। সেই অবস্থায় প্রবল ঠান্ডায় জলে ডুবে মৃত্যু হয় তাঁর। ঘটনাটি ঘটেছে নওগাঁয়ের মহাদেবপুরে। ঘটনাকে কেন্দ্র করে তীব্র উত্তেজনা ছড়ায়। তবে তিনি চুরি করেছিলেন কি না এই বিষয়ে কোনও প্রমাণ পুলিশ পায়নি বলে জানানো হয়েছে। ফলে এই ঘটনায় ফের একবার প্রশ্নের মুখে ইউনুস সরকার।

    ভোটের আগে সংখ্যালঘুদের আতঙ্কিত করাই উদ্দেশ্যে

    বাংলাদেশের সংখ্যালঘু হিন্দু, বৌদ্ধ ও খ্রিস্টান একতা পরিষদ জানিয়েছে, শুধুমাত্র ডিসেম্বর মাসেই অন্তত ৫১টি লক্ষ্যভিত্তিক সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে রয়েছে ১০টি হত্যাকাণ্ড। এছাড়াও অগ্নিসংযোগ, ধর্ষণ ও লুটপাটের ঘটনা রিপোর্ট করা হয়েছে। ইউনিটি কাউন্সিল একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, এর মধ্যে ১০টি খুন, চুরি ও ডাকাতির ১০টি ঘটনা, বাড়িঘর বা কোনও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠান জবরদখল করার পাশাপাশি মন্দির ও জমি লুটের ২৩টি ঘটনা ঘটেছে ৷ ধর্মের নামে ও ভারতীয় গোয়েন্দা সংস্থা ‘র’-এর চর হওয়ার মিথ্যা অভিযোগে গ্রেফতার ও অত্যাচারের ঘটনা ঘটেছে ৪টি ৷ শুধু তাই নয়, একটি ধর্ষণের চেষ্টা এবং তিনটি শারীরিক নিগ্রহের ঘটনা ঘটেছে ৷ হিংসার এই ধারাবাহিকতা জানুয়ারি মাসের প্রথম সপ্তাহেও বজায় রয়েছে ৷পরিষদের রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই সহিংসতা সম্ভবত ফেব্রুয়ারি ১২-এর ভোটের আগে সংখ্যালঘুদের আতঙ্কিত করার উদ্দেশ্যে সংগঠিত। পরিষদের রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে, “বাংলাদেশ আগেও রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখোমুখি হয়েছে, তবে এই মুহূর্তের পরিস্থিতি বিপজ্জনক, সংস্থা-নির্ভরতা দুর্বল এবং সংখ্যালঘুদের ওপর আঘাতের ঝুঁকি বেড়েছে।”

    আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগ

    একটি প্রতিবেদনে ঐক্য পরিষদ উল্লেখ করেছে, “বাংলাদেশ অতীতেও রাজনৈতিক অস্থিরতার মুখোমুখি হয়েছে, কিন্তু বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রাতিষ্ঠানিক দুর্বলতা ও সাম্প্রদায়িক আতঙ্ক একসঙ্গে বিপজ্জনক রূপ নিচ্ছে।” মানবাধিকার পর্যবেক্ষকদের মতে, সাম্প্রতিক হত্যাকাণ্ডগুলি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং রাষ্ট্র নাগরিকদের সুরক্ষা দিতে ব্যর্থতা সেটাই বারে বারে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। নির্বাচন যত ঘনিয়ে আসছে, ততই হিন্দুদের নিরাপত্তা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলের উদ্বেগ বাড়ছে। এই পরিস্থিতি কবে স্বাভাবিক হবে সেই উত্তর নেই কারও কাছে।

  • T20 World Cup 2026: ‘ভারতেই খেলতে আসতে হবে’, বাংলাদেশকে স্পষ্ট বার্তা আইসিসি’র

    T20 World Cup 2026: ‘ভারতেই খেলতে আসতে হবে’, বাংলাদেশকে স্পষ্ট বার্তা আইসিসি’র

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতেই খেলতে হবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ (T20 World Cup 2026) বাংলাদেশকে স্পষ্ট বলল আইসিসি। ‘ভারতে খেলতে যাব না, পাকিস্তানের মতো আমাদেরও ম্যাচও শ্রীলঙ্কায় দিতে হবে’। এটা ছিল আসন্ন বিশ্বকাপ নিয়ে বাংলাদেশের দাবি। তাদের এই দাবি প্রথমে উড়িয়ে দিয়েছিল বিসিসিআই। এবার একই পথে হাঁটল আইসিসি। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিলের তরফে পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হয়, ভারতে কোনও নিরাপত্তা সমস্যা নেই। আইসিসির স্পষ্ট বার্তা, ‘ভারতেই খেলতে আসতে হবে বাংলাদেশ ক্রিকেট দলকে। আর না আসলে, কাটা যাবে পয়েন্ট।’

    বাংলাদেশের আবেদন নাকচ

    বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারত থেকে স্থানান্তরিত করার দাবিতে গত রবিবার, ৪ জানুয়ারি দুপুরে আইসিসিকে ই-মেল করেছিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড। ৪৮ ঘণ্টা পেরিয়ে গেলেও বাংলাদেশের চিঠির জবাব দেয়নি ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা। শেষ পর্যন্ত মিলল উত্তর। বাংলাদেশের আবেদনকে পাত্তাই দিল না আইসিসি। ফিরিয়ে দিল বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের অনুরোধ। বিশ্বকাপের ম্যাচ খেলতে ভারতেই আসতে হবে বাংলাদেশকে। নাহলে কঠিন শাস্তির মুখে পড়তে হবে তাদের। ভার্চুয়াল বৈঠকে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডকে জানিয়ে দিল আইসিসি। ইতিমধ্যেই বিশ্বকাপের সূচি ঘোষণা হয়ে গিয়েছে। বাংলাদেশ কলকাতা ও মুম্বইয়ে খেলবে। প্রস্তুতি সারা। এই পরিস্থিতিতে ম্যাচ সরে গেলে সবদিক থেকে সমস্যা হবে আয়োজকদের। তাই বিসিবিকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়, বিশ্বকাপ খেলতে হলে তাদের ভারতেই আসতে হবে। যদি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে না আসে, তা হলে পয়েন্ট কাটা যাবে। অর্থাৎ, বিপক্ষকে ওয়াকওভার দেওয়া হবে।

    কী করবে, নিরুপায় বাংলাদেশ

    প্রসঙ্গত, শেখ হাসিনার দেশত্যাগের পর থেকেই বাংলাদেশে চরমে উঠেছে ভারত বিরোধিতা (India-Bangladesh)। সাম্প্রতি হিন্দু যুবক দীপু দাসের নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর আন্তর্জাতিক মহলেও মুখ পোড়ে বাংলাদেশের। তবে তারপরেও হিন্দু নিধন থামেনি। এদিকে বাংলাদেশে একের পর এক ঘটনার প্রতিবাদের রেশ পড়েছে ভারতেও। চলছে কূটনৈতিক টানাপোড়েন। শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়া নিয়েও ভারতের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়েই চলেছেন ওপারের প্রশাসনিক কর্তারা। এরইমধ্যে আবার আইপিএল থেকে বাদ পড়েছেন মুস্তাফিজুর। নিষেধাজ্ঞার কারণে তাঁকে আর নিতে পারছে না কেকেআর। এ নিয়ে চাপানউতোরের মধ্যেই আসন্ন টি-২০ বিশ্বকাপের ম্যাচ ভারত থেকে শ্রীলঙ্কায় সরিয়ে দেওয়ার জন্য আইসিসি-র কাছে দরবার করে বাংলাদেশ। তবে আইসিসি সেই দাবি নাকচ করে দেয়। এই সিদ্ধান্তে ফলে বাংলাদেশের সামনে খোলা রইল দুটো রাস্তা। তাদের খেলতে আসতে হবে। আর যদি না আসে তা হলে তাদের বিপক্ষকে ওয়াকওভার দেওয়া হবে। যদিও আরও একটা কাজ করতে পারে আইসিসি, তারা বাংলাদেশের জায়গায় অন্য দলকে ডাকতে পারে বিশ্বকাপের জন্য।

  • Stealth Underwater Drones: সমুদ্রতলে নীরব বিপ্লব! অক্টোপাসের আদলে ভবিষ্যতের আন্ডারওয়াটার ড্রোন নির্মাণের উদ্যোগ ভারতের

    Stealth Underwater Drones: সমুদ্রতলে নীরব বিপ্লব! অক্টোপাসের আদলে ভবিষ্যতের আন্ডারওয়াটার ড্রোন নির্মাণের উদ্যোগ ভারতের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভবিষ্যতের সমুদ্রযুদ্ধ (Future Undersea Warfare) ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা জোরদার করতে প্রকৃতি থেকে অনুপ্রেরণা নেওয়ার পথে হাঁটছে ভারতীয় নৌসেনা (Indian Navy)। অক্টোপাসের জৈবিক বৈশিষ্ট্যকে (Octopus-Inspired Technology) আদর্শ হিসেবে ধরে উন্নত স্টেলথ আন্ডারওয়াটার ড্রোন (Stealth Underwater Drones) তৈরির লক্ষ্যে বিভিন্ন ডিফেন্স স্টার্টআপ (Defence Startups) ও প্রযুক্তি উদ্ভাবকদের জন্য নতুন গবেষণার উদ্যোগ নিচ্ছে নৌবাহিনী।

    ভারতীয় নৌবাহিনীর নতুন উদ্যোগ

    🔹 কী হচ্ছে?
    অক্টোপাসের জৈবিক বৈশিষ্ট্য থেকে অনুপ্রেরণা নিয়ে আন্ডারওয়াটার ড্রোন তৈরির উদ্যোগ।

    🔹 কেন অক্টোপাস?
    স্টেলথ চলাচল • দ্রুত অভিযোজন • আত্মগোপন ক্ষমতা

    🔹 লক্ষ্য কী?
    আরও গোপন, দ্রুত ও কার্যকর আন্ডারওয়াটার ড্রোন

    🔹 ব্যবহার কোথায়?
    নজরদারি • রিকনেসান্স • আন্ডারসি ওয়ারফেয়ার

    🔹 কারা যুক্ত?
    ডিফেন্স স্টার্টআপ • গবেষণা প্রতিষ্ঠান • প্রযুক্তি উদ্ভাবকরা

    🔹 বড় উদ্দেশ্য
    ভবিষ্যতের সমুদ্রযুদ্ধে ভারতের সামুদ্রিক শক্তি বৃদ্ধি

    অক্টোপাসের রণনীতিতে ভরসা

    বাহিনী জানিয়েছে, অক্টোপাসের স্টেলথ চলাচল, দ্রুত অভিযোজন ক্ষমতা এবং অসাধারণ ফুর্তি ভবিষ্যতের স্বয়ংক্রিয় আন্ডারওয়াটার ড্রোন (Autonomous Underwater Vehicle) ও রোবোটিক সিস্টেম নকশায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে। এই বৈশিষ্ট্যগুলিকে কাজে লাগিয়ে আরও কার্যকর ও স্টেলথ আন্ডারওয়াটার প্ল্যাটফর্ম (Stealth Underwater Drones) তৈরির লক্ষ্য নেওয়া হয়েছে।

    এই উদ্যোগের আওতায় নজরদারি, রিকোনেস্যান্স (রেকি) এবং অন্যান্য নৌ-অভিযানের জন্য ব্যবহৃত আন্ডারওয়াটার ড্রোনগুলির কার্যক্ষমতা, গোপনীয়তা এবং নিয়ন্ত্রণযোগ্যতা বাড়ানোর ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। সমুদ্রের জটিল পরিবেশে অক্টোপাস যেভাবে নিজের রূপ বদলে আত্মগোপন করে এবং দক্ষতার সঙ্গে চলাচল করে, সেই নীতিগুলিই প্রযুক্তিগত নকশায় প্রয়োগ করার কথা ভাবছে নৌবাহিনী।

    অক্টোপাস-অনুপ্রাণিত নকশা

    ভারতীয় নৌবাহিনীর মতে, এই জীববিজ্ঞান-অনুপ্রাণিত পদ্ধতির ফলে বর্তমানে ব্যবহৃত ব্যবস্থার তুলনায় আরও উন্নত এবং প্রযুক্তিগতভাবে আধুনিক আন্ডারওয়াটার ড্রোন (Stealth Underwater Drones) তৈরি করা সম্ভব হবে। ভবিষ্যতের আন্ডারসি ওয়ারফেয়ার (Future Undersea Warfare) এবং সামুদ্রিক নিরাপত্তা (Maritime Security) সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় এই প্রযুক্তি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে বলে আশা করা হচ্ছে।

    এই প্রকল্পে অংশ নিতে প্রতিরক্ষা শিল্পের সংস্থা, গবেষণা প্রতিষ্ঠান এবং স্টার্টআপগুলিকে তাদের প্রযুক্তিগত ধারণা ও প্রস্তাব জমা দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে। নৌবাহিনীর লক্ষ্য, জৈবিক অনুপ্রেরণাকে বাস্তব প্রকৌশল ও রোবোটিক সমাধানে রূপান্তর করে ভারতের সামুদ্রিক শক্তিকে আরও সুদৃঢ় করা।

  • Trump-Modi: ‘‘মোদির মতো জনপ্রিয় নন ট্রাম্প’’, মার্কিন প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ইয়ান ব্রেমারের

    Trump-Modi: ‘‘মোদির মতো জনপ্রিয় নন ট্রাম্প’’, মার্কিন প্রেসিডেন্টের সিদ্ধান্তের কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন ইয়ান ব্রেমারের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কখনও শুল্ক চাপানোর হুমকি। কখনও আবার পাকিস্তানের পক্ষ নিয়ে ভারতবিরোধী মন্তব্য। প্রায় প্রতি দিনই ‘বিতর্কিত’ বিবৃতি দেওয়া মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Trump-Modi) হু-হু করে কমছে জনপ্রিয়তা। অন্যদিকে রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। এমনই অভিমত, ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষক ইয়ান ব্রেমার।

    কেন ট্রাম্পের জনপ্রিয়তায় ভাঁটা

    ইয়ান ব্রেমার বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বহু বিতর্কিত সিদ্ধান্ত নিচ্ছেন— যেমন ভেনেজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেফতারের সামরিক অভিযান— কিন্তু এর দীর্ঘমেয়াদী সুফল তিনি নাও পেতে পারেন। তিনি বলছেন, ট্রাম্পের পদক্ষেপগুলি স্বল্পমেয়াদী রাজনৈতিক লাভ এনে দিতে পারে, কিন্তু ভবিষ্যতে তা বদলে যেতে পারে। তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সাথে ট্রাম্পের তুলনা করে বলেছেন, মোদি দীর্ঘসময় ধরে জনপ্রিয়তার কারণে দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। যা তাঁর সিদ্ধান্তগুলিকে স্থিতিশীল করে তুলেছে। কিন্তু দেশের ভিতরেই ট্রাম্পের বিরোধিতা অনেক বেশি। ট্রাম্পের বয় ৮০ বছর। প্রেসিডেন্ট পদে তাঁর মেয়াদ ২০২৯ পর্যন্ত সীমিত—এবং পরবর্তী কোনও প্রেসিডেন্ট তাঁর অনেক সিদ্ধান্ত বাতিল বা পরিবর্তন করে দিতে পারে। ব্রেমার বলেন, চিনের শি জিনপিং, রাশিয়ার ভ্লাদিমির পুতিন এবং ভারতের মোদির মতো স্থায়ী নেতৃত্ব নেই মার্কিন নেতৃত্বে, যেখানে প্রতি চার বছর পরপর শাসক পরিবর্তন হয় এবং সেই কারণে অনেক নীতি ও পদক্ষেপ কার্যবসিত হয় না।

    ভেনেজুয়েলার তেল, স্থিতিশীলতা ও ভবিষ্যৎ

    ভেনেজুয়েলাতে তেলের বড় মজুদ থাকলেও সেটি কাজে লাগাতে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও বিনিয়োগ-বান্ধব পরিবেশ প্রয়োজন, বলে মনে করেন ব্রেমার। বর্তমানে দেশটি দৈনিক প্রায় ৮ লাখ ব্যারেল তেল উৎপাদন করছে, যা আগের ৩০ লাখ ব্যারেলের তুলনায় অনেক কম। তেলের মতো দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগগুলোতে বিশ্বাস থাকতে হয়— তাই মাত্র কয়েক বছর মেয়াদি একজন প্রেসিডেন্টের পরিকল্পনা তা রূপান্তর করতে সর্বদা যথেষ্ট নয়। ব্রেমার বলেন, “তাই এমন ভাবনা ঠিক নয় যে আমেরিকান কোম্পানিগুলো ভেনেজুয়েলার সব তেল দখল করে নেবে।”

    মোদির জনপ্রিয়তা বেশি

    ব্রেমার মনে করেন বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন রকমের কথা বলে সাধারণ মার্কিন নাগরিকদের মধ্যে সন্দেহ তৈরি করেছেন ট্রাম্প। দ্বিতীয়ত, তাঁর শুল্কনীতির জেরে ক্ষতি হচ্ছে দেশের তাবড় বড় শিল্পপতিদের। তা ছাড়া বর্ষীয়ান রিপাবলিকান নেতার বিদেশনীতি নিয়েও সেখানকার আমজনতার মধ্যে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। তাঁদের একাংশের দাবি, ‘বন্ধু’দের সঙ্গে শত্রুতা তৈরি করছেন ট্রাম্প। আর ‘সুপার পাওয়ার’ থাকার গর্বে আন্তর্জাতিক স্তরে ধীরে ধীরে একা হচ্ছে আমেরিকা। দেশেও ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা কম ও মেয়াদ সীমাবদ্ধ। ফলে তাঁর অনেক সিদ্ধান্ত পরবর্তী প্রেসিডেন্টের সময় বাতিল বা বদলে যেতে পারে। মোদি দীর্ঘদিন ধরে তাঁর কাজের মধ্য দিয়ে দেশে জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করেছেন। ভারতে তাঁর স্থিতিশীলতা ধরে রেখেছেন, যা যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে নেই।

  • Winter Fatigue: শীত বাড়াচ্ছে ক্লান্তিভাব! এই আবহাওয়ায় কোন পাঁচ খাবার বাড়তি এনার্জি জোগান দেবে?

    Winter Fatigue: শীত বাড়াচ্ছে ক্লান্তিভাব! এই আবহাওয়ায় কোন পাঁচ খাবার বাড়তি এনার্জি জোগান দেবে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    তাপমাত্রার পারদ কমছে। রাজ্য জুড়ে শীতের দাপট। বিশেষত বর্ধমান, মেদিনীপুর, বীরভূম, পুরুলিয়ার মতো রাজ্যের একাধিক জেলার মানুষ শীত আর ঘন কুয়াশার দাপটে নাজেহাল। শীতের এই প্রবল দাপট প্রতিদিনের কাজের গতিও কমিয়ে দিচ্ছে। সকালে ঘুম থেকে ওঠা কিংবা সন্ধ্যার পরে বাইরে যাওয়া এখন রীতিমতো চ্যালেঞ্জ। এমনকি ঘরের ভিতরের নিত্যদিনের কাজ এখন শ্লথ! শীত ক্লান্তি বাড়াচ্ছে। শরীরের এনার্জি কমিয়ে দিচ্ছে। বাড়িয়ে দিচ্ছে জবুথবু ভাব। বয়স্কদের পাশপাশি কম বয়সিদের মধ্যেও শীতের দাপটে জবুথবু ভাব দেখা দিচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, এই আবহাওয়াতে শরীরে বাড়তি এনার্জির জোগান জরুরি। সেই কাজে কয়েকটি ঘরোয়া খাবারেই ভরসা রাখছেন বিশেষজ্ঞ মহল।

    কোন খাবার এই শীতে ক্লান্তি কাটাবে?

    সবুজ সব্জি এবং মূল জাতীয় সব্জি করবে বাজিমাত!

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে সুস্থ থাকতে এবং প্রয়োজনীয় এনার্জি সংগ্রহের জন্য সবুজ সব্জি এবং মূল জাতীয় সব্জিতেই তাঁরা ভরসা রাখছেন। তাঁরা জানাচ্ছেন, বিট, গাজর, শাক আলু, মূলোর মতো মূল জাতীয় সব্জি এই আবহাওয়ায় খুব উপকারি। এই ধরনের সব্জিতে প্রচুর পরিমাণে খনিজ পদার্থ এবং ফাইবার থাকে। পটাশিয়াম, সোডিয়াম, ম্যাগনেশিয়াম, ম্যাঙ্গানিজের মতো খনিজ পদার্থ শরীরের ক্লান্তিকে সহজেই দূর করে। তাই এই ধরনের সব্জি খেলে ক্লান্তি বোধ কমে। তাছাড়া, মটরশুঁটি, পালং শাক, সিম কিংবা বাঁধাকপির মতো সবুজ সব্জি খনিজ পদার্থের পাশপাশি ফাইবার ভরপুর। ফাইবার শরীরে এনার্জির জোগান দেয়। তাই শীতকে কাবু করে স্বাভাবিক জীবন যাপনের জন্য সবুজ সব্জি এবং মূল জাতীয় সব্জি নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

    নিয়মিত প্রাণীজ প্রোটিন জরুরি!

    প্রাণীজ প্রোটিন শরীর সুস্থ রাখতে বিশেষ সাহায্য করে। পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রাণীজ প্রোটিন শরীরে এনার্জির চাহিদা সহজেই পূরণ করে। তাই শীতের আবহাওয়ায় নিয়মিত পাতে মাছ, মাংস কিংবা ডিমের মতো প্রাণীজ প্রোটিন রাখলে উপকার হবে। এতে পেশি মজবুত হবে। ক্লান্তি ভাব সহজেই কমবে। তবে তাঁদের পরামর্শ, প্রাণীজ প্রোটিন রান্নার ক্ষেত্রে সতর্কতা জরুরি। অতিরিক্ত তেল ও মশলা দিয়ে নিয়মিত প্রাণীজ প্রোটিন রান্না করলে হজমের সমস্যা হতে পারে। তাতে ক্ষতি বেশি। তাই কম তেল ও মশলা ব্যবহার করে স্যুপ বা স্ট্রু জাতীয় খাবার খাওয়া দরকার।

    সন্ধ্যায় নিয়মিত বাদাম ও বীজ রাতের ঠান্ডা মোকাবিলা করবে!

    পুষ্টিবিদদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতের আবহাওয়ায় নিয়মিত বাদাম ও বীজ জাতীয় খাবার সন্ধ্যার মেনুতে রাখলে শরীরে বাড়তি উপকার হবে। এই আবহাওয়ায় উপকার পাওয়া যাবে। তাঁরা জানাচ্ছেন, কাঠবাদাম, কাজুবাদাম, পেস্তার মতো বাদামে খনিজ পদার্থের পাশপাশি উপকারি ফ্যাট থাকে। যা শরীরের ক্লান্তি দূর করে। এনার্জির জোগান দেয়। পাশপাশি তিল, তিসি, কুমরো কিংবা সূর্যমুখী ফুলের বীজ খাওয়ার অভ্যাস থাকলে বাড়তি উপকার পাওয়া যাবে। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে তাপমাত্রার পারদ পতন শুধু কাজের গতি শ্লথ করে না। পাশপাশি এই আবহাওয়ায় হৃদরোগ সহ একাধিক জটিল সমস্যার দাপট বাড়ে। সন্ধ্যায় নানান ধরনের বীজ খেলে শরীরে সোডিয়াম-পটাশিয়ামের ভারসাম্য বজায় থাকে। হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা স্বাভাবিক থাকে। ফলে শরীর সুস্থ থাকে। স্বাভাবিক কাজ করাও সুবিধা হয়।

    লেবু, আদা এবং রসুন বাড়তি উপকারী!

    বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, শীতে শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত লেবু খাওয়া জরুরি। কমলালেবু, স্ট্রবেরি, ব্লুবেরি, মাল্টা, কিউই এই জাতীয় যেকোনও ধরনের ফল নিয়মিত খেলে শীতে বাড়তি এনার্জি পাওয়া যায়। তাঁরা জানাচ্ছেন, এই ধরনের ফলে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি থাকে। যা শরীরে রোগ প্রতিরোধ শক্তি বাড়িয়ে দেয়। ফলে সর্দি-কাশির ভোগান্তিও কমে। আর ক্লান্তি বোধ দূর হয়। জবুথবু ভাব কমে। ফলের পাশপাশি আদা ও রসুনের মতো মশলা বিশেষ উপকারি। এই মশলা শরীরের নানান ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া নষ্ট করে। বিভিন্ন সংক্রমণের ঝুঁকি কমায়। শরীরে এনার্জি জোগান করে। তাই রান্নায় এই দুই মশলা ব্যবহারের পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • World Largest Shivling: বিহারে নির্মীয়মাণ বিশ্বের বৃহত্তম ‘বিরাট রামায়ণ মন্দির’-এ স্থাপিত হবে বিশ্বের বৃহত্তম শিবলিঙ্গ

    World Largest Shivling: বিহারে নির্মীয়মাণ বিশ্বের বৃহত্তম ‘বিরাট রামায়ণ মন্দির’-এ স্থাপিত হবে বিশ্বের বৃহত্তম শিবলিঙ্গ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: তামিলনাড়ুর মহাবলীপুরমের পট্টিবাডু গ্রামে নির্মিত বিশ্বের বৃহত্তম শিবলিঙ্গটি শীঘ্রই বিহারের (Bihar) কৈথওয়ালিয়াতে নির্মীয়মাণ বৃহত্তম হিন্দু মন্দিরে (World Largest Shivling) স্থাপিত করার জন্য সবরকম প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এই শিবলিঙ্গটি গ্রানাইট পাথরে নির্মিত। যার ২১০ টন ওজন এবং ৩৩ ফুট উচ্চতা। এই শিবলিঙ্গটি একটিমাত্র বৃহৎ গ্রানাইট পাথরকে খোদাই করেই নির্মাণ করা হয়েছে। শৈব ভক্তদের মধ্যে তাকে ঘিরে ব্যাপক উন্মাদনা লক্ষ্য করা গিয়েছে।

    শীঘ্রই কৈথওয়ালিয়াতে পৌঁছে যাবে (World Largest Shivling)

    দক্ষ কারিগরদের দ্বারা কালো গ্রানাইট পাথরকে খোদাই করে এই শিবলিঙ্গটি এক মাস, পনেরো দিনেরও বেশি সময় ধরে অন্ধ্রপ্রদেশ, মহারাষ্ট্র এবং উত্তরপ্রদেশ অতিক্রম করে গত ৫ জানুয়ারি বিহারের গোপালগঞ্জ (Bihar) জেলায় এসে পৌঁছেছে। যাত্রাপথে ভক্তরা এটিকে বিপুল আনন্দ ও ভক্তি সহকারে স্বাগত জানান। শিবলিঙ্গটি (World Largest Shivling) গত ২১ নভেম্বর যাত্রা শুরু করেছিল এবং ২৫০০ কিলোমিটারেরও বেশি পথ অতিক্রম করে খুব শীঘ্রই কৈথওয়ালিয়াতে পৌঁছে যাবে।

    ১০৮টি শিবলিঙ্গ খোদাই করা হয়েছে

    এই শিবলিঙ্গে ১০৮টি লিঙ্গ খোদাই করা রয়েছে। এটি বিরাট রামায়ণ মন্দিরে নির্মীয়মাণ ২২টি মন্দিরের মধ্যে একটি শিব মন্দিরে (World Largest Shivling) স্থাপন করা হবে। কৈলাস মানসরোবর, প্রয়াগরাজ, হরিদ্বার, গঙ্গোত্রী এবং সোনপুর সহ পাঁচটি পবিত্রস্থান থেকে আনা জল দিয়ে এবং বৈদিকমন্ত্র পাঠের মাধ্যমে আগামী ১৭ জানুয়ারি এই লিঙ্গের প্রতিষ্ঠা করা হবে। বিহারের (Bihar) পূর্ব চম্পারণ জেলায় ১২০ একরেরও বেশি এলাকা জুড়ে বিস্তৃত করা হয়েছে রামায়ণ মন্দিরকে। মন্দির সম্পন্ন হলে বিশ্বের বৃহত্তম হিন্দু মন্দির হবে বলে দাবি এলাকাবাসীর। মহাবীর মন্দির ট্রাস্টের তৎকালীন সম্পাদক, প্রয়াত আচার্য কিশোর কুনাল মন্দির নির্মাণের পরিকল্পনা করেছিলেন।

    মূল মন্দির ১০৮০ ফুট লম্বা এবং ৫৪০ ফুট চওড়া

    সম্পূর্ণ ভাবে মন্দিরটি (World Largest Shivling) নির্মিত হওয়ার পর মন্দির চত্বরে ১৮টি চূড়া এবং ২২টি আলাদা আলাদা মন্দির (Bihar) থাকবে। প্রত্যেক মন্দিরে পৃথক পৃথক দেবতাদের জন্য উৎসর্গীকৃত করা থাকবে। প্রধান মন্দিরটির উচ্চতা হবে ২৭০ ফুট। মূল মন্দির ১০৮০ ফুট লম্বা এবং প্রায় ৫৪০ ফুট চওড়া হবে, যার বাইরের দেওয়ালে রামায়ণের দৃশ্য চিত্রিত থাকবে। মন্দিরে ১৮০ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট মোট চারটি চূড়া থাকবে। সেই সঙ্গে আরও আটটি চূড়ার উচ্চতা হবে ১০৮ ফুট করে। তবে বিরাট শিবলিঙ্গটি মন্দির পরিদর্শনে আসা ভক্তদের জন্য প্রধান আকর্ষণীয় কেন্দ্র হবে বলে মনে করছেন স্থানীয় ভক্তরা।

  • Daily Horoscope 07 January 2026: ইচ্ছাপূরণ হওয়ায় আনন্দ লাভ করবেন এই রাশির জাতকরা

    Daily Horoscope 07 January 2026: ইচ্ছাপূরণ হওয়ায় আনন্দ লাভ করবেন এই রাশির জাতকরা

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কোনও কারণে উদ্বেগ বাড়তে পারে।

    ২) সাংসারিক দায়িত্ব বৃদ্ধি।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    বৃষ

    ১) মনঃকষ্ট বাড়তে পারে।

    ২) পিতার সঙ্গে মতান্তর হতে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) অতিরিক্ত উদারতা দেখালে কাজের ক্ষতি হতে পারে।

    ২) হঠাৎ করে কোনও চাকরির যোগ আসতে পারে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কর্কট

    ১) শত্রুর কারণে সকালে মাথাগরম হতে পারে।

    ২) অস্ত্রোপচারের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) নিজেকে সময় দিন।

    সিংহ

    ১) সকালবেলাতেই কিছু দান করার জন্য ইচ্ছা হতে পারে।

    ২) অভিভাবকদের পরামর্শ আপনার জন্য কার্যকর হবে।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কন্যা

    ১) অতিরিক্ত পরিশ্রমের জন্য কাজের প্রতি অনীহা দেখা দিতে পারে।

    ২) উচ্চশিক্ষার যে কোনও কাজ সফল হবে।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    তুলা

    ১) সকালে অহেতুক কোনও অশান্তিতে জড়িয়ে পড়তে পারেন।

    ২)  প্রতিবেশীদের হিংসার কারণে কাজে বাধা আসতে পারে।

    ৩) সমাজের জন্য কাজ করুন।

    বৃশ্চিক

    ১) কোনও প্রভাবশালী ব্যক্তির কাছ থেকে চাপ আসতে পারে।

    ২) কর্মস্থানে মনোমালিন্য সৃষ্টি হতে পারে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    ধনু

    ১) কিছু কেনার জন্য স্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা হতে পারে।

    ২) শত্রুর সঙ্গে আপস করতে হতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মকর

    ১) ইচ্ছাপূরণ হওয়ায় আনন্দ লাভ।

    ২) অভিনেতারা খুব ভালো সুযোগ পেতে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কুম্ভ

    ১) বাড়িতে অশান্তির জন্য পাড়ার লোকের কাছে হাসির পাত্র হবেন।

    ২) চাকরির স্থানে সুনাম বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) প্রেমের ব্যাপারে চিন্তার খবর আসতে পারে।

    ২) বাইরে থেকে অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করতে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

LinkedIn
Share