Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Republic Day Parade 2026: প্রথমবার দিল্লির কর্তব্য পথে বাস্তব যুদ্ধের প্রদর্শন! প্রজাতন্ত্র দিবসের মূল ভাবনা ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর

    Republic Day Parade 2026: প্রথমবার দিল্লির কর্তব্য পথে বাস্তব যুদ্ধের প্রদর্শন! প্রজাতন্ত্র দিবসের মূল ভাবনা ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সাল ২০২৬! অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) পর এই প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবস। দিল্লিতে প্রজাতন্ত্র দিবসের (Republic Day Parade 2026) বিশেষ কুচকাওয়াজের আয়োজন করা হচ্ছে প্রতিবারের মতোই। তবে এই বছর থাকবে বিশেষ অস্ত্র প্রদর্শন। সঙ্গে বাস্তব যুদ্ধের পটভূমি। সঙ্গে বাজবে বন্দে মাতরম-এর সুর। ২০২৬ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসের উদ্‌যাপন ঘিরে বিশেষ পরিকল্পনার কথা ঘোষণা করল প্রতিরক্ষা মন্ত্রক। আগামী ২৬ জানুয়ারি দিল্লির কর্তব্য পথ (Kartavya Path)-এ অনুষ্ঠিত রিপাবলিক ডে প্যারেডের মূল থিম হবে জাতীয় গান ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর পূর্তি (150 years of Vande Mataram)। সামরিক শক্তি ও ভারতের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের মেলবন্ধনই থাকবে এবারের কুচকাওয়াজের কেন্দ্রে।

    ‘বন্দে মাতরম’-এর ১৫০ বছর: মূল থিম

    ‘১৫০ ইয়ার্স অব বন্দে মাতরম’ (150 years of Vande Mataram) থিমটি কুচকাওয়াজের ভিজ্যুয়াল, ট্যাবলো, সঙ্গীত, সাজসজ্জা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনায় ফুটে উঠবে। ১৯২৩ সালে শিল্পী তেজেন্দ্র কুমার মিত্রের আঁকা ‘বন্দে মাতরম’-এর বিভিন্ন স্তবকভিত্তিক চিত্রকর্ম কর্তব্য পথের পাশে প্রদর্শিত হবে। কুচকাওয়াজের শেষে ‘বন্দে মাতরম’ লেখা একটি বিশাল ব্যানার উন্মোচন করা হবে এবং রবার বেলুন ওড়ানো হবে। ১৯ থেকে ২৬ জানুয়ারি পর্যন্ত সারা দেশে সেনা, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, কোস্ট গার্ড ও বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর উদ্যোগে ‘বন্দে মাতরম’ থিমে ব্যান্ড পারফরম্যান্স অনুষ্ঠিত হবে।

    প্রথমবার ভিভিআইপি তকমার ইতি

    প্রচলিত রীতিনীতি থেকে সরে এসে প্যারেড ভেন্যুর এনক্লোজারগুলির জন্য আগে ব্যবহৃত ‘ভিভিআইপি’ ও অন্যান্য তকমা আর ব্যবহার করা হবে না। তার পরিবর্তে, সব এনক্লোজারের নামকরণ করা হয়েছে ভারতের বিভিন্ন নদীর নামে— প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের শীর্ষ আধিকারিকরা এ কথা জানান। এই নদীগুলির মধ্যে রয়েছে—বিয়াস, ব্রহ্মপুত্র, চম্বল, চেনাব, গান্ডক, গঙ্গা, ঘাঘরা, গোদাবরী, সিন্ধু, ঝিলম, কাবেরী, কোসি, কৃষ্ণা, মহানদী, নর্মদা, পেন্নার, পেরিয়ার, রবি, সোন, সুতলজ, তিস্তা, বৈগাই এবং যমুনা। একইভাবে, ২৯ জানুয়ারি অনুষ্ঠিত বিটিং রিট্রিট অনুষ্ঠানের জন্য এনক্লোজারগুলির নামকরণ করা হবে ভারতের বিভিন্ন বাদ্যযন্ত্রের নামে। এর মধ্যে থাকবে—বাঁশি (বাঁশুরি), ডমরু, একতারা, এসরাজ, মৃদঙ্গম, নাগাড়া, পাখাওয়াজ, সন্তুর, সারঙ্গি, সারিন্দা, সরোদ, শেহনাই, সেতার, সুরবাহার, তবলা ও বীণা।

    অপারেশন সিঁদুর- এর পর প্রথম

    অপারেশন সিঁদুরের (Operation Sindoor) পর এই ২৬ জানুয়ারির (Republic Day Parade 2026) প্যারেডে ভারতের সামরিক শক্তি ধরা দেবে একেবারে বাস্তব যুদ্ধের ছকে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর (Indian Army)–র কুচকাওয়াজে এ বার আর শুধু আলাদা আলাদা বাহিনী নয়—দেখানো হবে কী ভাবে ধাপে ধাপে যুদ্ধক্ষেত্রে এগোয় সেনা। কর্তব্য পথে সেই দৃশ্যই প্রথমবার প্রকাশ্যে দেখতে পাবেন সাধারণ মানুষ। সূত্রের খবর, কুচকাওয়াজ শুরু হবে রেকনেসেন্স বা নজরদারি পর্ব দিয়ে। উচ্চগতির রেকনেসেন্স যান, ড্রোন, অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক মিসাইল—সব মিলিয়ে যুদ্ধ শুরুর মুহূর্তের প্রস্তুতিই তুলে ধরা হবে। এর পর ধাপে ধাপে যুক্ত হবে লজিস্টিকস, সাপোর্ট ইউনিট এবং ব্যাটল গিয়ারে সজ্জিত সেনা। এই প্রথম রিপাবলিক ডে প্যারেডে ভারতীয় সেনা ‘ফেজড ব্যাটল অ্যারে’ ফরম্যাটে নিজেদের সামরিক সক্ষমতা প্রদর্শন করবে। এর পাশাপাশি থাকবে ৬১ ক্যাভালরির মাউন্টেড কলাম এবং সাতটি মার্চিং কনটিনজেন্ট।

    নজরদারি থেকে বায়ু সেনা—যুদ্ধের পূর্ণ ছবি

    প্রথমেই দেখা যাবে হাই-মোবিলিটি রেকনেসেন্স ভেহিকল, যেগুলিতে থাকবে সার্ভিলেন্স ড্রোন ও ব্যাটলফিল্ড সার্ভিনেন্স রেডার। আকাশে গর্জন তুলবে ‘অ্যাপাচে’ (Apache) এবং লাইট কমব্যাট হেলিকপ্টার ‘প্রচণ্ড’ (Light Combat Helicopter Prachand)। এর পর একে একে নামবে ভারী অস্ত্রশস্ত্র—টি-৯০ ট্যাঙ্ক, অর্জুন মেইন ব্যাটল ট্যাঙ্ক, বিএমপি-২, নাগ মিসাইল সিস্টেম, আর্টিলারি গান, এয়ার ডিফেন্স প্ল্যাটফর্ম ও ক্ষেপণাস্ত্র। থাকবে রোবোটিক ডগ, আনম্যানড গ্রাউন্ড ভেহিক্যল, অল-টেরেন ভেহিক্যল এবং রোবোটিক মিউল। ফ্লাইপাস্টে অংশ নেবে রাফাল (Rafale), সু-৩০ (Su-30), পি-৮১ (P-8I), সি-২৯৫ (C-295), মিগ-২৯ ( MiG-29), ও বিভিন্ন ফর্মেশনে এমআই -১৭ ( Mi-17) কপ্টার।

    নতুন কমান্ডো ইউনিট

    এ বছরের কুচকাওয়াজে বিশেষ আকর্ষণ সেনার প্রাণী বাহিনী—জানস্কার পোনি, ব্যাকট্রিয়ান উট এবং প্রশিক্ষিত কুকুর। ‘উঁচা কদম তাল’-এ পাশাপাশি প্রথমবার আত্মপ্রকাশ করবে নতুন গঠিত ভৈরব লাইট কমান্ডো ব্যাটালিয়ন (Bhairav light commando battalion)। প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের বক্তব্য অনুযায়ী, মোট ১৮টি মার্চিং কন্টিনজেন্ট ও ১৩টি ব্যান্ড অংশ নেবে। পুরো যুদ্ধছকভিত্তিক প্রদর্শন চলবে প্রায় ১৫ মিনিট।

    মেক-ইন ইন্ডিয়ার অস্ত্র

    ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সামনে তুলে ধরা হবে ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’-র যাবতীয় অস্ত্রশস্ত্র। এখানেই শেষ নয়, সৈনিকরা প্রত্যেক বারের মতো বিভিন্ন ফরমেশন তৈরি করে রাজপথে চমক লাগিয়ে দেবে দর্শকদের। সব মিলিয়ে, অপারেশন সিঁদুর–পরবর্তী প্রথম প্রজাতন্ত্র দিবসে ভারতের বার্তা স্পষ্ট—যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত সেনা শুধু শক্তিশালীই নয়, সম্পূর্ণ আধুনিক।

    ৩০টি ট্যাবলো

    এবার কর্তব্য পথে শোভাযাত্রায় অংশ নেবে মোট ৩০টি ট্যাবলো—এর মধ্যে ১৭টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল থেকে এবং ১৩টি বিভিন্ন মন্ত্রক ও দফতরের। স্বাধীনতা, আত্মনির্ভরতা, উদ্ভাবন, সংস্কৃতি, ঐতিহ্য ও জাতীয় উন্নয়নের নানা দিক তুলে ধরা হবে। এগুলি বিভিন্ন প্রদেশ থেকে দিল্লির রাজপথে চলবে এবং তুলে ধরবে বিভিন্ন প্রদেশের সংস্কৃতিকে। ভারতীয় বিমানবাহিনীর পক্ষ থেকে প্রাক্তন সেনাকর্মীদের অবদান তুলে ধরতে একটি বিশেষ ভেটেরান্স ট্যাবলোও থাকবে। ট্যাবলোগুলির মূল ভাবনা হবে— ‘স্বাধীনতার মন্ত্র – বন্দে মাতরম’ এবং ‘সমৃদ্ধির মন্ত্র – আত্মনির্ভর ভারত’।

    উপস্থিত ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা

    ৭৭তম প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day Parade 2026) উপলক্ষ্যে ভারতে আসছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা। সংবাদসংস্থা আইএএনএস সূত্রে খবর, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট অ্যান্টোনিও কোস্টা এবং ইউরোপীয় কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডের লিয়েন (Ursula von der Leyen) ২৫, ২৬, ২৭ জানুয়ারি তিনদিনের সফরে ভারতে আসছেন। ২৬ জানুয়ারি ভারতের প্রজাতন্ত্র দিবসে তাঁরা প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। প্রজাতন্ত্র দিবস উপলক্ষ্যে যে উদযাপন হতে চলেছে, সেই উৎসবে যোগ দিতেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আমন্ত্রণে ভারতে আসছেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের নেতারা।

    সমাজের নানা স্তর থেকে বিশেষ অতিথি

    প্রায় ১০,০০০ বিশেষ অতিথি কুচকাওয়াজ প্রত্যক্ষ করবেন। তাঁদের মধ্যে থাকবেন কৃষক, কারিগর, বিজ্ঞানী, উদ্ভাবক, উদ্যোগপতি, মহিলা স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্য, স্টার্ট-আপ প্রতিষ্ঠাতা, ক্রীড়াবিদ, ছাত্রছাত্রী, আদিবাসী প্রতিনিধি, সাফাইকর্মী এবং বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের উপভোক্তারা। বিদেশি প্রতিনিধি ও যুব বিনিময় কর্মসূচিতেও অংশগ্রহণকারীরা থাকবেন।

    সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান

    প্রায় ২,৫০০ শিল্পী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে অংশ নেবেন। ‘বন্দে মাতরম’ ও ‘আত্মনির্ভর ভারত’—এই দুই থিমকে কেন্দ্র করেই পরিবেশনা সাজানো হবে। সৃজনশীল দলের নেতৃত্বে থাকছেন সঙ্গীত পরিচালক এম.এম. কীরাবানি, গীতিকার সুভাষ সেহগল, কোরিওগ্রাফার সন্তোষ নায়ার। অনুষ্ঠানের পরিচালনায় থাকবেন অনুপম খের। তত্ত্বাবধানে রয়েছেন ড. সন্ধ্যা পুরেচা।

    সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণ ও সুবিধা

    জনসাধারণের জন্য আসনসংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। অনলাইন ও অফলাইনে টিকিট মিলবে। টিকিটধারীদের জন্য বিনামূল্যে মেট্রো যাত্রা ও পার্ক-অ্যান্ড-রাইড সুবিধা থাকবে। সব গ্যালারি থাকবে দিব্যাঙ্গ-বান্ধব। প্যারেডের পরে NCC ক্যাডেট ও স্বেচ্ছাসেবকদের নিয়ে স্বচ্ছতা অভিযানও চালানো হবে। প্রজাতন্ত্র দিবসের পর ২৬ থেকে ৩১ জানুয়ারি পর্যন্ত লালকেল্লায় অনুষ্ঠিত হবে ভারত পর্ব, যেখানে ট্যাবলো, আঞ্চলিক খাবার, হস্তশিল্প ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান দেখা যাবে। ২৮ জানুয়ারি কারিয়াপ্পা প্যারেড গ্রাউন্ডে হবে প্রধানমন্ত্রীর এনসিসি র‍্যালি।

    বাংলার জন্য বিশষ ভাবনা

    এই বছর প্রজাতন্ত্র দিবস (Republic Day Parade 2026) বাংলার কাছেও বিশেষ। বন্দে মাতরম-এর ১৫০ বছর উপলক্ষে (150 years of Vande Mataram) পশ্চিমবঙ্গের বঙ্কিম ভবন—ঋষি বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের পৈতৃক বাড়িতেও বিশেষ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হচ্ছে কেন্দ্রীয় সরকারের তরফে। খুশির জোয়ার জঙ্গলমহলের প্রত্যন্ত গ্রামেও। রাষ্ট্রপতি ভবনে প্রজাতন্ত্র দিবসের প্যারেডে বিশেষ আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত হওয়ার ডাক পেয়েছেন জঙ্গলমহলের বাসিন্দা মৌসুমি ঘোষ। সারা দেশ থেকে মোট ১০০ জনকে ডাকা হয়েছে এই প্যারেডের অনুষ্ঠানে। তাঁদের মধ্যেই রয়েছেন মৌসুমি। জঙ্গলমহলের সিমলাপালের প্রত্যন্ত গ্রাম কড়াকানালী। এই এলাকায় বাস বহু কৃষক পরিবারের। তেমনই এক কৃষক পরিবারের সন্তান মৌসুমি। বাঁকুড়া সম্মিলনী কলেজের প্রাণীবিদ্যা বিভাগের ছাত্রী তিনি। পড়াশোনার পাশাপাশি নিজেকে নিয়োজিত করেছেন সেবার কাজে। জাতীয় সেবা প্রকল্পে অংশ নেন তিনি। সেখানেই বিশেষ কৃতিত্বের জন্য মৌসুমিকে রাষ্ট্রপতি ভবনে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

  • Daily Horoscope 19 January 2026: পরিবারে বিবাদের যোগ রয়েছে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 19 January 2026: পরিবারে বিবাদের যোগ রয়েছে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) আজ চাকরি ও ব্যবসাতে উন্নতিযোগ।

    ২) আপনার শত্রুপক্ষ প্রবল হবে।

    ৩) দুশ্চিন্তা ত্যাগ করতে হবে।

    বৃষ

    ১) কেনাকাটায় সময় ব্যয় করবেন আজ।

    ২) অধিক অর্থ ব্যয় হতে পারে।

    ৩) পরিবারে বিবাদের যোগ রয়েছে।

    মিথুন

    ১) নিজের কাজে মনোনিবেশ করুন ।

    ২) সমাজসেবামূলক কাজের জন্য প্রশংসা লাভ করবেন।

    ৩) ব্যবসায়ে স্ত্রীর সহযোগিতা লাভ করবেন।

    কর্কট

    ১) সামাজিক ও রাজনৈতিক ক্ষেত্রে আপনার অগ্রগতি হবে।

    ২) সন্ধ্যাবেলায় পরিবারের সঙ্গে আনন্দে সময় কাটাবেন।

    ৩) মানসিক অবসাদ থাকবে দিনের বেলায়।

    সিংহ

    ১) কর্মক্ষেত্রে নিজের সহকর্মীদের সঙ্গে মন খুলে কথা বলুন।

    ২) ধৈর্য ধরতে হবে আজ।

    ৩) চাকরিজীবীদের জন্য দিনটি খুবই ভালো।

    কন্যা

    ১) কর্মক্ষেত্রে আকস্মিক পরিবর্তন দেখতে পাবেন আজ।

    ২) মহিলা সহকর্মীদের পূর্ণ সহযোগিতা পাবেন।

    ৩) বাণীতে নম্রতা রাখুন।

    তুলা

    ১) অভিজ্ঞ ব্যক্তিদের সঙ্গে মেলামেশা করবেন আজ।

    ২) কর্মক্ষেত্রে ওঠাপড়ার কারণে চিন্তিত হবেন না।

    ৩) বাড়ির আটকে থাকা কাজ করতে পারবেন আজ।

    বৃশ্চিক

    ১) বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটাবেন।

    ২) বাড়ি বা কর্মক্ষেত্রের সমস্ত দায়িত্ব সাফল্যের সঙ্গে পূর্ণ করবেন।

    ৩) সন্তানের কাছে সন্তোষজনক সংবাদ শুনতে পাবেন।

    ধনু

    ১) কোনও দায়িত্ব থেকে মুক্তি পাবেন।

    ২) কর্মক্ষেত্রে সকলে আপনার পরামর্শ মেনে নেবে, আপনার গুরুত্ব বাড়বে।

    ৩) কেনাকাটা করে দিন কাটবে আজ।

    মকর

    ১) ভাই-বোনের বিবাহ বিষয়ে আলোচনা হতে পারে আজ।

    ২) পুরনো বন্ধু বা আত্মীয় আসতে পারেন বাড়িতে।

    ৩) কাউকে টাকা ধার দেবেন না।

    কুম্ভ

    ১) সক্রিয় রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়বেন।

    ২) ধর্মীয় কাজে আগ্রহ বাড়বে।

    ৩) অর্থ ব্যয় হবে প্রচুর।

    মীন

    ১) হারিয়ে যাওয়া বা আটকে থাকা অর্থ আজ ফিরে পাবেন।

    ২) অন্যের সমস্যার সমাধান করতে পারবেন।

    ৩) পরিবারের প্রতি নিজের দায়িত্ব পূরণে সফল হবেন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Odisha: ওড়িশার রেডহাখোল-এ ১০,০০০ বছরের প্রাচীন জনপদের হদিশ, প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধানে নেমেছে এএসআই

    Odisha: ওড়িশার রেডহাখোল-এ ১০,০০০ বছরের প্রাচীন জনপদের হদিশ, প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধানে নেমেছে এএসআই

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ওড়িশার (Odisha) সম্বলপুর জেলার রেডহাখোলে মাটির নীচে চাপা পড়ে থাকা প্রায় ১০,০০০ বছরের পুরনো (10000 Year Old City) এক প্রাচীন মানব বসতির সন্ধান মিলেছে। এই আবিষ্কারের গুরুত্ব বিবেচনা করে ভারতীয় প্রত্নতাত্ত্বিক বিভাগ (ASI) ইতিমধ্যে বিশেষ অনুসন্ধান শুরু করেছে। সুপ্রাচীন কালের পাথরের খোদাই করা নিদর্শন সহ একাধিক গুরুত্বপূর্ণ উপাদান উদ্ধার হয়েছে। এই বিরাট ধ্বংসাবশেষের সঠিক উৎস ও ঐতিহাসিক তাৎপর্য নির্ধারণের জন্য গত বৃহস্পতিবার থেকে পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ বিভাগ এএসআই একটি বিস্তৃত সমীক্ষা অভিযান শুরু করেছে।

    আগামী প্রায় দু’মাস ধরে চলবে অনুসন্ধান (Odisha)

    সম্বলপুরের রাইরাখোল (Odisha) এলাকার ভীমা মণ্ডলী, রাইলা, ল্যান্ডিমাল এবং লোহাপানকা পঞ্চায়েত-সহ ছাতাডগা ও ব্রহ্মাণীর সংরক্ষিত বনাঞ্চলের মোট ৪২টি স্থানে প্রাগৈতিহাসিক শৈলচিত্র ও প্রত্নবস্তুর সন্ধান পাওয়া গিয়েছে। এই পাথুরে খোদাইগুলিতে মূলত বিভিন্ন পশুপাখির প্রতিকৃতি ফুটে উঠেছে, যা আদিম মানুষের শৈল্পিক চেতনার বহিঃপ্রকাশ বলে অনুমান। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, এই শিল্পকর্মগুলি অন্তত ১০,০০০ বছরের পুরোনো (10000 Year Old City)।

    এই আবিষ্কারগুলি নিয়ে নিবিড় গবেষণার লক্ষ্যে এএসআই একটি পূর্ণাঙ্গ প্রত্নতাত্ত্বিক অনুসন্ধান শুরু করেছে। অভিযানের প্রথম পর্যায়ে ঐতিহাসিক ‘ভীমা মণ্ডলী’ গুহায় কাজ শুরু করেছে। একটি বিশেষজ্ঞ দল আগামী প্রায় দুই মাস এখানে থেকে নিবিড় সমীক্ষা এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা চালাবে।

    ১৫ সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল কাজ করবে

    এই সমীক্ষা পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন এএসআইয়ের সুপারিনটেন্ডিং আর্কিওলজিস্ট ডিবি গড়নায়ক এবং তাঁর ১৫ সদস্যের বিশেষজ্ঞ দল। প্রাচীন এই ঐতিহ্যের সঠিক সংরক্ষণ ও বিশ্লেষণের জন্য প্রতিটি পদক্ষেপ উন্নত ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে নথিভুক্ত করা হচ্ছে।

    ডিবি গড়নায়ক বলেছেন, “আমরা অত্যন্ত নিখুঁতভাবে এই জরিপ সম্পন্ন করার চেষ্টা করছি। এএসআই পুরো প্রক্রিয়াটি ডিজিটাল পদ্ধতিতে নথিবদ্ধ করবে। এই অনুসন্ধান সফল হলে অঞ্চলটি বিশ্ব মানচিত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহাসিক স্থান হিসেবে স্বীকৃত হতে পারে। প্রত্নতাত্ত্বিক উপাদানগুলি পাহাড় ও বনাঞ্চল-সহ (Odisha) একটি বিস্তীর্ণ এলাকায় ছড়িয়ে রয়েছে।” এ প্রসঙ্গে তিনি এও বলেন, “সমীক্ষাটি (10000 Year Old City) শেষ হতে ঠিক কতদিন সময় লাগবে, তা এখনই বলা সম্ভব নয়, তবে কাজ শেষ হতে অন্তত দু’মাস বা তারও বেশি সময় লাগতে পারে।”

  • Donald Trump: আমেরিকার ডালের ওপর ৩০ শতাংশ শুল্ক আরোপ ভারতের, মোদির সঙ্গে কথা বলতে ট্রাম্পকে চাপ মার্কিন কৃষকদের

    Donald Trump: আমেরিকার ডালের ওপর ৩০ শতাংশ শুল্ক আরোপ ভারতের, মোদির সঙ্গে কথা বলতে ট্রাম্পকে চাপ মার্কিন কৃষকদের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ১ নভেম্বর, ২০২৫ থেকে ভারত মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদিত হলুদ মটরের ওপর ৩০% শুল্ক আরোপের পর, মার্কিন সেনেটররা তাঁদের রাষ্ট্রপতির কাছে উত্তর ডাকোটা এবং মন্টানার ডাল চাষিদের পক্ষে আলোচনার জন্য চিঠি লিখেছেন। ১৬ জানুয়ারি ডোনাল্ড ট্রাম্পকে (Donald Trump) লেখা একটি চিঠিতে, সেনেটর কেভিন ক্র্যামার এবং স্টিভ ডেইনস তাঁদের রাষ্ট্রপতির কাছে আবেদন করে বলেন, “ভারতের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে (PM Modi) মার্কিন সরকার স্বাক্ষরিত যে কোনও চুক্তিতে ডাল ফসলের ক্ষেত্রে শুল্কের বিষয়ে যেন গঠনমূলক আলোচনা হয়।”

    বিশ্বের মোট ডালের ২৭% আমদানি করে ভারত (Donald Trump)

    চিঠিতে আরও উল্লেখ করে বলা হয়, “উত্তর ডাকোটা এবং মন্টানা হল ডাল ফসলের সবচেয়ে বেশি উৎপাদক কেন্দ্র। আর এই ডালে ভারত বিশ্বের বৃহত্তম ভোক্তা। পরিসংখ্যান অনুযায়ী বলা হয়েছে বিশ্বের মোট ডালের ২৭% এরও বেশি ব্যবহার করে ভারত। তবে ভারত গত বছরের ৩০ অক্টোবর ঘোষণা করেছে যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি করা হলুদ মটরের উপর ৩০% শুল্ক আরোপ করবে। এই শুল্ক ১ নভেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে এবং ফলে উত্তর ডাকোটা এবং মন্টানার কৃষকরা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।”

    ক্র্যামার এবং ডেইনস আরও অনুরোধ করেন, “ট্রাম্পের (Donald Trump) উচিত ডাল ফসলের শুল্কের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Modi) সঙ্গে আলোচনা করা, যাতে মার্কিন কৃষকরা প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা অর্জন করতে পারে। চিঠিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে যে ২০২৩ সালে, ভারত মার্কিন ডালের ওপর কিছু ছাড় দিয়েছিল, কিন্তু সাম্প্রতিক মার্কিন শুল্ক সেই সুবিধা বাতিল করে দিয়েছে এবং মার্কিন ফসলের ওপর ভারতের শুল্ক মার্কিন কৃষকদের ওপর প্রভাব ফেলছে।

    সেনেটরদের চিঠিটি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল

    বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ভারতের ১ নভেম্বরে শুল্ক আরোপ করার কারণ হল ২০২৫ সালের অগাস্টে রাশিয়া থেকে তেল আমদানি অব্যাহত রাখার জন্য ডোনাল্ড ট্রাম্প ভারতের ওপর ৫০% শুল্ক আরোপ করেছিলেন। ফলে ক্রিয়ার প্রতিক্রিয়া হল ভারতের পাল্টা শুল্ক আরোপ।

    মার্কিন মটরের ওপর ভারতের ৩০% সংশোধনমূলক শুল্ক দেশীয় সংবাদ মাধ্যমের নজর এড়িয়ে গেলেও। সেনেটরদের এই চিঠিটি এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বাণিজ্য আলোচনা কতটা প্রয়োজন তা আরও একবার স্পষ্ট হয়েছে। ট্রাম্পের (Donald Trump) আরোপিত অন্যায্য শুল্কের প্রতিক্রিয়া স্বরূপ মার্কিন কৃষকরা যে চাপের মুখে ফেলেছেন তা আরও একবার প্রমাণিত।

  • Bangladesh: রাজবাড়িতে হিন্দু যুবককে গাড়ির চাকায় পিষে হত্যা, ইউনূস রাজত্বে অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন

    Bangladesh: রাজবাড়িতে হিন্দু যুবককে গাড়ির চাকায় পিষে হত্যা, ইউনূস রাজত্বে অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে এবার এক হিন্দু ব্যক্তিকে গাড়িতে পিষে হত্যা করা হয়েছে। পেট্রোল পাম্প থেকে জ্বালানির দাম না দিয়ে চলে যাচ্ছিল একটি গাড়ি। চলন্ত গাড়িকে আটকাতে গেলে চাপা দেওয়া হয় হিন্দু যুবককে (Hindu Man Death)। পুলিশ জানিয়েছে, শুক্রবার ১৬ জানুয়ারি, ঘটনাটি ঘটেছে রাজবাড়ী জেলায়। এই ঘটনায় আরও একবার প্রমাণ হল বাংলাদেশে হিন্দুদের (Hindu Man Death) কীভাবে টার্গেট করা হচ্ছে। নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে হিন্দু নিধন ততই মারাত্মক হচ্ছে।

    ঘটনা ঘটেছে ভোর ৪:৩০ নাগাদ (Hindu Man Death)

    পুলিশ কর্তাদের বক্তব্যের সূত্রে শনিবার দ্য ডেইলি স্টার পত্রিকা জানিয়েছে, নিহত ব্যক্তির নাম রিপন সাহা। তিনি ছিলেন পেট্রোল পাম্পের কর্মী। ঘটনার সময় তিনি গোয়ালন্দ মোড়ের করিম ফিলিং স্টেশনে কর্মরত ছিলেন। রাজবাড়ী সদর থানার ওসি খোন্দকার জিয়াউর রহমানকে উদ্ধৃত করে নিউজ পোর্টাল বিডি নিউজ ২৪.কম-কে বলেছে, “আমরা খুনের মামলা (Hindu Man Death) দায়ের করব। পেট্রোলের জন্য টাকা দিতে অস্বীকার করে প্রথমে। এরপর গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে আটকাতে যায় রিপন সাহা। তখনই তাঁকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যায় দুষ্কৃতীরা।” প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, শুক্রবার ভোর ৪:৩০ নাগাদ একটি কালো এসইউভি ফিলিং স্টেশনে আসে এবং প্রায় ৫,০০০ টাকা মূল্যের জ্বালানি নিয়ে যায়। চালক যখন টাকা না দিয়ে চলে যাওয়ার চেষ্টা করেন, তখন রিপন গাড়িটি আটকানোর চেষ্টা করেন। গাড়িটি তাঁকে ধাক্কা দিয়ে দ্রুত পালিয়ে যায়। চাকায় পিষে গিয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু রিপনের (Hindu Man Death)। পরে অবশ্য পুলিশ গাড়িটি বাজেয়াপ্ত করেছে এবং মালিক আবুল হাসেম ওরফে সুজন (৫৫) এবং তার চালক কামাল হোসেন (৪৩)-কে গ্রেফতার করেছে।

    ৭.৯৫% হিন্দু বাংলাদেশে

    ২০২২ সালের আদমশুমারি অনুযায়ী, বাংলাদেশে হিন্দু (Hindu Man Death) জনসংখ্যা প্রায় ১ কোটি ৩১ লক্ষ, যা দেশের মোট জনসংখ্যার প্রায় ৭.৯৫%। জানুয়ারি মাসের শুরুতে, বাংলাদেশ হিন্দু বৌদ্ধ খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদ (BHBCUC) এক বিবৃতিতে অভিযোগ করেছিল যে সাধারণ নির্বাচনের দিন যত ঘনিয়ে আসছে, দেশে সাম্প্রদায়িক হিংসা ততইতা উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। ১২ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।

    পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিতে পরিকল্পিত আতঙ্ক

    ফোরামের অভিযোগ, সংখ্যালঘু ভোটারদের তাদের পছন্দের প্রার্থীদের ভোট দিতে বাধা দেওয়ার জন্যই হিন্দুদের ওপর আক্রমণ চালানো হচ্ছে। কাউন্সিল জানিয়েছে যে তারা শুধুমাত্র ২০২৫ সালের ডিসেম্বরেই ৫১টি সাম্প্রদায়িক হিংসার (Hindu Man Death)  ঘটনা রেকর্ড করেছে।

    ১> ২ ডিসেম্বর নরসিংদীর একটি স্কুল মাঠে দুর্বৃত্তদের গুলিতে প্রাণ হারান বছর বিয়াল্লিশের এক জুয়েলারি, যার নাম প্রান্তোষ সরকার (Hindu Man Death)।

    ২> ১৮ ডিসেম্বর ময়মনসিংহ শহরে ধর্ম অবমাননার অভিযোগে ২৫ বছর বয়সী এক পোশাক কারখানার শ্রমিক দীপু চন্দ্র দাসকে পিটিয়ে হত্যা করে জনতা। এরপর তার দেহে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

    ৩> ২৪শে ডিসেম্বর রাজবাড়ী শহরের পাংশা উপজেলায় তোলাবাজির অভিযোগে অমৃত মণ্ডল নামে আর এক হিন্দু ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়।

    ৪> ৩১ ডিসেম্বর রাতে দোকান বন্ধ করে বাড়ি ফেরার পথে ৫০ বছর বয়সী খোকন চন্দ্র দাসকে দুর্বৃত্তরা নৃশংসভাবে আক্রমণ করে, কুপিয়ে এবং আগুন ধরিয়ে দেয়। তিন দিন পর ৩ জানুয়ারি হাসপাতালে তাঁর মৃত্যু হয়।

    ৫> ৫ জানুয়ারি রাতে পলাশ উপজেলার চরসিন্ধুর বাজারে অজ্ঞাত দুর্বৃত্তরা ৪০ বছর বয়সী মুদি দোকানের মালিক মনি চক্রবর্তীকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।

    ৬> ৩৮ বছর বয়সী বরফ তৈরির কারখানার মালিক রানা প্রতাপ বৈরাগী, যিনি নড়াইল থেকে প্রকাশিত “দৈনিক বিডি খবর” নামে একটি সংবাদপত্রের ভারপ্রাপ্ত সম্পাদকও ছিলেন, ৫ জানুয়ারি খুন হন। যশোর জেলায় দুর্বৃত্তরা তাঁর মাথায় গুলি করে। ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর।

    ৭> ৬ জানুয়ারি নওগাঁ জেলায় চুরির অভিযোগে অভিযুক্ত জনতার হাত থেকে বাঁচতে খালে ঝাঁপ দিয়ে মারা যান মিঠুন সরকার নামে বছর পঁচিশের এক যুবক।

    ৮> ৭ ডিসেম্বর রংপুরের তারাগঞ্জ এলাকায় মুক্তিযুদ্ধের সৈনিক এবং অবসরপ্রাপ্ত প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক যোগেশ চন্দ্র রায় (৭০) এবং তাঁর স্ত্রী সুবর্ণা রায়কে (Hindu Man Death) হত্যা করা হয়। তাদের বাড়ির রান্নাঘরের মেঝেতে তাঁদের রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়।

  • Al Falah University: ভুয়ো রোগী, কাগজে কলমে ডাক্তার! আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিস্ফোরক তথ্য

    Al Falah University: ভুয়ো রোগী, কাগজে কলমে ডাক্তার! আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয়ে বিস্ফোরক তথ্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: গত ১০ নভেম্বর লালকেল্লা (Delhi Red Fort Blast) এলাকায় বিস্ফোরণের পর কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার নজরে এসেছে হরিয়ানার আল ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় (Al Falah University)। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের জমির মূল্য প্রায় ১৪০ কোটি টাকা। এই সম্পত্তি এখন বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই আল ফালাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান জাওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকী এবং তাঁর দাতব্য ট্রাস্টের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

    ধারা ৫০ এর জবানবন্দিতে স্বীকার (Al Falah University)

    ১২ নভেম্বর ২০২৫ তারিখের ন্যাক শো-কজ নোটিশের পরে ইউজসি ১২বি স্বীকৃতি এবং ন্যাক সম্পর্কিত মিথ্যা তথ্য সমানে এসেছে। ইডির কাছে ধারা ৫০ এর জবানবন্দিতে স্বীকার করা হয়েছে, কাগজ কলমে কেবল ডাক্তার ছিলেন, রেকর্ড অনুসারে, বিশ্ববিদ্যালয় বা কলেজের (Al Falah University) বেতনভুক্ত, কিন্তু বাস্তবে তাঁরা নিয়মিত কলেজে যেতেন না, ক্লাস নেন না বা হাসপাতালে রোগীদের সেবা দেন না। ভুয়ো ডাক্তার নিয়োগের তথ্য দিয়ে সিদ্দিকী এবং আল ফালাহ হরিয়ানা সরকারের কাছ থেকে প্রয়োজনীয় শংসাপত্র জোগাড় করেছিলেন। পরবর্তীকালে সেটিই পিজি কোর্সের জন্য এনএমসি অনুমতির জন্য ব্যবহার করা হয়েছিল।

    ন্যাক এবং ইউজিসি স্বীকৃতি বিভ্রান্তিকর

    তদন্তকারী সংস্থা ইডি নভেম্বর মাসে সিদ্দিকীকে তাঁর ট্রাস্ট পরিচালিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে প্রতারণার সঙ্গে যুক্ত অর্থ পাচারের অভিযোগে গ্রেফতার করেছিল। আল ফালাহ ট্রাস্ট এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের চেয়ারম্যানের (Al Falah University) বিরুদ্ধে ভুয়া রোগী ভর্তি, জাতীয় মূল্যায়ন, স্বীকৃতি কাউন্সিল ন্যাক এবং ইউজিসি স্বীকৃতির বিভ্রান্তিকর অভিযোগ রয়েছে।

    আর্থিক অপরাধ তদন্তকারী সংস্থা ইডি জানিয়েছে, লালকেল্লা বিস্ফোরণের (Delhi Red Fort Blast) প্রধান অভিযুক্ত উমর উন নবী এবং অন্য অভিযুক্ত ডাক্তারদের নিয়োগ বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবসম্পদ বিভাগের প্রধান ডক্টর জামিল খানের সুপারিশে হয়েছিল এবং অবশেষে চেয়ারম্যান জাওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকী কর্তৃকও অনুমোদিত হয়েছিল। আল ফালাহর আইটি বিভাগের একজন কর্মকর্তা ফারদিন বেগের বক্তব্য উল্লেখ  করে বলা হয়েছে মেডিকেল কলেজ এবং হাসপাতালে ভুয়ো রোগী ভর্তি করার চক্র চলত।

    বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে যে ভুয়ো রোগীদের বিস্তারিত রেকর্ড এবং অর্থপ্রদানের বিবরণ আল ফালাহর জনসংযোগ কর্মকর্তা কামরান আলমই করতেন। চেয়ারম্যান জাওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকী নিজেই যাচাই-বাছাই করে অনুমোদন দিতেন। তাছাড়া, নিয়মিত অনুশীলনের অংশ হিসেবে ভুয়ো রোগীদের ভাউচারের বিপরীতে নগদ অর্থ প্রদান করার তথ্যও পাওয়া গিয়েছে।

    ইডি আরও বলেছে, আল-ফালাহ বিশ্ববিদ্যালয় এবং এর মেডিকেল কলেজের ওয়েবসাইট আপডেটগুলি জাওয়াদ আহমেদ সিদ্দিকীর নির্দেশ অনুসারেই বেসরকারি বিক্রেতা দ্বারা পরিচালিত হত।

  • Postpartum Depression: দেশের ২২ শতাংশ মা পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশনের শিকার! কেন এই সমস্যা দেখা দিচ্ছে?

    Postpartum Depression: দেশের ২২ শতাংশ মা পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশনের শিকার! কেন এই সমস্যা দেখা দিচ্ছে?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    সন্তানের জন্ম দেওয়ার পরেই নিঃশব্দে হানা দিচ্ছে। চারপাশের আনন্দের মাঝেও মায়ের মনের গভীরে ক্ষত তৈরি করছে। আর বেশিরভাগ সময়েই সেই রোগের টের পাওয়া যাচ্ছে না। অসচেতনতার জেরেই সমস্যা আরও জটিল হচ্ছে। রোগ সম্পর্কে অবগত হওয়া এবং রোগের চিকিৎসা না করলে পরবর্তীতে মা, সন্তান ও পরিবারের জন্য বড় সঙ্কট হয়ে উঠতে পারে। এমনটাই জানালেন স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ। দেশজুড়ে পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশন (Postpartum Depression) বা প্রসবোত্তর অবসাদ বা মাতৃত্বকালীন বিষণ্ণতায় আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় সেই রকম তথ্য উঠে এসেছে। জানুয়ারি মাসে ম্যাটারনাল মেন্টাল হেলথ অ্যাওয়ারনেস (Maternal Mental Health Awareness) মাস পালন করা হয়। আর চিকিৎসকেরা জানাচ্ছেন, মায়েদের এই সমস্যা নিঃশব্দে ‘মহামারি’-র আকার ধারণ করছে‌।

    কী বলছে সাম্প্রতিক তথ্য? কোন রাজ্যে সমস্যা বেশি?

    সম্প্রতি এক সর্বভারতীয় সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ভারতের ২২ শতাংশ মা পোস্টপার্টাম অবসাদের (Depression in New Mothers) শিকার হন।‌ তামিলনাড়ু, অন্ধ্রপ্রদেশে, কর্নাটকের মতো রাজ্যে এই অবসাদে আক্রান্তের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি। উত্তর ভারতের তুলনায় দক্ষিণ ভারতের রাজ্যগুলোতে মাতৃত্বকালীন অবসাদে আক্রান্তের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে বেশি। উত্তর ভারতে ১৫ শতাংশ মা পোস্টপার্টাম ডিপ্রেশনের শিকার হন।‌ দক্ষিণের রাজ্যগুলোতে সেই আক্রান্তের সংখ্যা ২৬ শতাংশ। বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, আধুনিক শহুরে জীবন, ব্যক্তিকেন্দ্রিক ছোটো পরিবার এবং কাজ-পরিবার ব্যালেন্সের চাপ এই ধরনের অবসাদের অন্যতম কারণ হয়ে উঠছে। অত্যাধিক সামাজিক প্রত্যাশা মায়েদের মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য বাড়তি বিপদ তৈরি করছে।

    কেন পোস্টপার্টাম অবসাদ হয়?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, মা হওয়ার পরবর্তী কালে এই অবসাদ খুবই স্বাভাবিক একটি সমস্যা। বহু নতুন মা এই ধরনের সমস্যায় ভোগেন। সন্তানের জন্ম দেওয়ায় পরে মায়ের শরীরে একাধিক হরমোনের পরিবর্তন ঘটে। এই পরিবর্তন মানসিক স্বাস্থ্যের উপরেও‌ গভীর প্রভাব পড়ে। তাছাড়া সামাজিক পরিবর্তন মায়েদের মানসিক স্বাস্থ্যের উপরে প্রভাব ফেলে। এই ধরনের অবসাদে আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার পিছনে এই সামাজিক কারণকেও দায়ী করছেন বিশেষজ্ঞরা। তাঁরা জানাচ্ছেন, অধিকাংশ মহিলা এখন কর্মজীবী। পরিবার ও কাজের মধ্যে ব্যালেন্স করা অনেক সময়েই কঠিন হয়ে পড়ে। সন্তান জন্মের পরে মায়েদের পরিবারে অনেকটাই দায়িত্ব বেড়ে যায়। অনেক সময়েই সেই দায়িত্ব পালনে নানান ত্রুটি হয়। যা তাকে সামাজিক হেনস্থার শিকার করে। ফলে নতুন মায়ের মধ্যে হতাশা জন্মায়। স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, পোর্টপার্টাম অবসাদের নেপথ্যে থাকে ‘ভালো মা’ হয়ে ওঠার প্রতিযোগিতা।

    কেন‌ পোস্টপার্টাম অবসাদ উদ্বেগ বাড়াচ্ছে?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতে পোস্টপার্টাম অবসাদের চিকিৎসায় সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা হলো এই রোগ সম্পর্কে অবহেলা এবং অসচেতনতা। সন্তানের জন্মের পরে নবজাতকের মতো নতুন মায়ের যত্ন প্রয়োজন। শারীরিক যত্নের পাশপাশি তার মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেওয়া জরুরি এই সম্পর্কে সচেতনতা খুব কম। অধিকাংশ ক্ষেত্রে নতুন‌ মা অবসাদের শিকার হলে তাকে নানান কটুক্তির শিকার হতে হয়। যা তার জন্য মারাত্মক ক্ষতিকারক হয়ে ওঠে। পোস্টপার্টাম অবসাদ দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতার কারণ হয়ে উঠতে পারে।‌ এর ফলে মায়ের স্নায়ু ও হৃদপিণ্ডের কার্যকারিতা কমতে পারে। স্মৃতিশক্তি হ্রাসের ঝুঁকি বেড়ে‌ যায়। এমনকি মাতৃত্ব পরবর্তীতে আত্মহত্যার অন্যতম কারণ পোর্স্টপার্টোম অবসাদ‌ বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞদের একাংশ জানাচ্ছেন, ভারতের পাশপাশি আমেরিকা সহ বিশ্বের একাধিক উন্নত দেশেও সম্প্রতি এই অবসাদ উল্লেখযোগ্য ভাবে বেড়েছে। আমেরিকান কলেজ অফ গাইনোকোলজি (ACOG) তরফ থেকে জানানো হয়েছে, পোস্টপার্টাম অবসাদ সম্পর্কে সচেতনতা বাড়ালে নতুন মায়েদের ৬০ শতাংশ মৃত্যু হার কমানো‌ যাবে। তাই ২৩ জানুয়ারি বিশ্ব জুড়ে এই নিয়ে সচেতনতা কর্মসূচি পালনের কথাও ঘোষণা করা হয়েছে।

    কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, রোগ সম্পর্কে সচেতন হওয়া গেলে তবেই রোগ নির্ণয় সম্ভব। সন্তান জন্মের পরে সন্তানের দেখভালের সবটুকু মায়ের দায়িত্ব বলে ছেড়ে দেওয়া উচিত নয়। তাঁদের পরামর্শ, সন্তানের দায়িত্ব মা ও বাবা ভাগ করে নেওয়া জরুরি। পরিবারের অন্যান্যদের মায়ের যত্ন নেওয়া দরকার। নতুন মায়ের পর্যাপ্ত ঘুম হচ্ছে কিনা সেদিকে খেয়াল রাখা জরুরি। মা ঠিকমতো বিশ্রাম নিতে না পারলে তার মানসিক চাপ তৈরি হবে। তাই নবজাতকের পাশপাশি মায়ের যত্ন নেওয়া প্রয়োজন। তাছাড়া নতুন মা ছোটো ছোটো কারণে অতিরিক্ত রেগে গেলে, বিরক্ত হলে, একা থাকতে চাইলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন বলেই মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের। কারণ পোস্টপার্টাম অবসাদের রুখতে প্রয়োজনীয় থেরাপি প্রয়োজন। নির্দিষ্ট সময়ে রোগ নির্ণয় করে চিকিৎসা শুরু করলে সেই অবসাদ দীর্ঘমেয়াদি হবে না।

     

     

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না। এখানে বলা যে কোনও উপদেশ পালন করার আগে অবশ্যই কোনও চিকিৎসক বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।

  • Daily Horoscope 18 January 2026: বুদ্ধির ভুলে ক্ষতি হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 18 January 2026: বুদ্ধির ভুলে ক্ষতি হতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) বাড়তি ব্যবসা থাকলে বিনিয়োগ করবেন না।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে  বিশেষ আলোচনা হতে পারে।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    বৃষ

    ১) বুদ্ধির ভুলে ক্ষতি হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় কর্মচারীর সঙ্গে বিবাদে যাবেন না।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মিথুন

    ১) মনের মতো স্থানে ভ্রমণের জন্য আনন্দ লাভ।

    ২) মিথ্যা বদনাম থেকে সাবধান।

    ৩) সাবধানতা অবলম্বন করুন।

    কর্কট

    ১) কর্মক্ষেত্রে উন্নতি শেষ মুহূর্তে গিয়ে আটকে যাওয়ায় মানসিক চাপ বৃদ্ধি।

    ২) সকাল থেকে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাদ হতে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    সিংহ

    ১) খরচ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) সপরিবার ভ্রমণে বাধা।

    ৩) সংযম রাখুন।

    কন্যা

    ১) কোনও নিকটাত্মীয়ের চক্রান্তে সংসারে বিবাদ।

    ২) ব্যবসায় লাভ বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটি ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে।

    তুলা

    ১) দুর্বুদ্ধির উদয় হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় শত্রুর দ্বারা ক্ষতি হতে পারে।

    ৩) পরিস্থিতি বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

    বৃশ্চিক

    ১) ব্যবসার ক্ষেত্রে তর্ক ক্ষতি ডেকে আনতে পারে।

    ২) আর্থিক সুবিধা পেতে পারেন।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    ধনু

    ১) কর্মক্ষেত্র পরিবর্তনের সুযোগ।

    ২) আর্থিক উন্নতির জন্য খুব ভালো সময়।

    ৩) বাণীতে সংযম রাখুন।

    মকর

    ১) বিষয়সম্পত্তি কেনাবেচা নিয়ে গুরুজনের সঙ্গে মনোমালিন্য হতে পারে।

    ২) কোনও মহিলার জন্য পরিবারে আনন্দ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ৩) দিনটি কম বেশি ভালোই কাটবে।

    কুম্ভ

    ১) সকালের দিকে পেটের ব্যথায় কষ্ট পেতে পারেন।

    ২) কিছু কেনার জন্য খরচ বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    মীন

    ১) সপরিবার ভ্রমণে যাওয়ার আলোচনা এখন বন্ধ রাখাই ভালো।

    ২) সম্মান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ের বিজাপুর জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে দুই মাওবাদী নিহত

    Chhattisgarh: ছত্তিশগড়ের বিজাপুর জেলায় নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে দুই মাওবাদী নিহত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) বিজাপুর জেলায় নিরাপত্তা বাহিনী এবং মাওবাদী সংগঠনের সদস্যদের মধ্যে এক সংঘর্ষে অন্তত দুই মাওবাদী (Two Maoists Kill) নিহত হয়েছে। শনিবার, ১৭ জানুয়ারি ভোরে বিজাপুর জেলার ন্যাশনাল পার্ক এলাকায় মাওবাদীদের উপস্থিতিতে নির্দিষ্ট গোপন খবরের ভিত্তিতে নিরাপত্তা বাহিনী একটি যৌথ অভিযান শুরু করলে সশস্ত্র সংঘর্ষে শুরু হয়। এরপর পরস্পর গুলি বিনিময়ে দুই মাওবাদীর মৃত্যু হয়।

    মাঝেমধ্যে গোলাগুলি চলছে (Chhattisgarh)

    স্থানীয় প্রতিবেদন সূত্র অনুযায়ী জানা গিয়েছে, সংঘর্ষে এখনও পর্যন্ত দুই মাওবাদীর (Two Maoists Kill) মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। এনকাউন্টার স্থলে এখনও মাঝেমধ্যে গোলাগুলি চলছে বলে জানা গেছে। নিরাপত্তা বাহিনী ঘটনাস্থল থেকে অস্ত্রশস্ত্রও উদ্ধার করেছে। পরবর্তীতে এই অভিযান সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্যের কথা আরও জানা যাবে বলে অপেক্ষা করা হচ্ছে।

    ১,৫০০-এর বেশি মাওবাদী অস্ত্র ত্যাগ করে

    কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের বেঁধে দেওয়া সময়সীমার মধ্যে সশস্ত্র মাওবাদী ক্যাডারদের নির্মূল করার লক্ষ্যে রাজ্যজুড়ে মাওবাদী-বিরোধী অভিযান পুরোদমে চলছে। ২০২৫ সালে শুরু হওয়া বিদ্রোহ-বিরোধী অভিযানগুলোর ফলে মাওবাদী সংগঠনের তৎকালীন সাধারণ সম্পাদক নাম্বালা কেশব রাও ওরফে বাসবরাজু সহ বেশ কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় নেতা নিহত হয়েছে। কোটি কোটি টাকার মাথার দামে অভিযুক্ত বহু শীর্ষ মাওবাদী নেতাদের খতম করা হয়েছে। আবার বহু মাওবাদী নেতা আত্মসমর্পণ করে মূল ধারায় ফিরে এসেছেন।

    বস্তার (Chhattisgarh) অঞ্চলে মাওবাদীদের বিরুদ্ধে এই জোরালো অভিযানের ফলে বিপুল সংখ্যক মাওবাদী সদস্য আত্মসমর্পণও করেছে। রাজ্য সরকারের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, কেবল ২০২৫ সালেই রাজ্যে ১,৫০০-এর বেশি মাওবাদী অস্ত্র ত্যাগ করেছে। উল্লেখ্য, কেন্দ্রীয় সরকার ২০২৬ সালের মার্চের মধ্যে দেশ থেকে মাওবাদী বিদ্রোহ সম্পূর্ণ নির্মূল করার ঘোষণা করেছে।

  • Modi in Malda: বিজেপি এলেই রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ, মালদা থেকে হুঁশিয়ারি মোদির

    Modi in Malda: বিজেপি এলেই রাজ্যে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ, মালদা থেকে হুঁশিয়ারি মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হল অনুপ্রবেশ। সেই কারণেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত অশান্ত হচ্ছে। আর রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস তাতে মদত দিচ্ছে। শনিবার মালদায় পরিবর্তন সংকল্প সভার মঞ্চ থেকেই অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে তৃণমূলকে তীব্র আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi in Malda)। বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের উদ্বোধনের পরপরই দলীয় কর্মসূচিতে যোগ দেন মোদি। তিনি বলেন, অনুপ্রবেশ বাংলার একটি বড় সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই সমস্যার জেরে শুধু সামাজিক অস্থিরতাই নয়, কর্মক্ষেত্র, নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক পরিবেশও বিপর্যস্ত হচ্ছে রাজ্যের একাধিক জেলায়।

    অনুপ্রবেশ সমস্যা তৃণমূলের মদত

    প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, বিশ্বের উন্নত দেশগুলিও অনুপ্রবেশকারীদের নিজেদের দেশ থেকে বের করে দিচ্ছে। অথচ তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় থাকলে বাংলা থেকে অনুপ্রবেশকারীদের বের করা কার্যত অসম্ভব। মোদি বলেন, ‘‘বাংলার সামনে বড় চ্যালেঞ্জ হল অনুপ্রবেশ। দুনিয়ার সমৃদ্ধ দেশ, যেখানে টাকার অভাব নেই, তারাও অনুপ্রবেশকারীদের বার করে দিচ্ছে। ওদের বাইরে পাঠানো উচিত কি না? কিন্তু তৃণমূল সরকার থাকতে তা কি সম্ভব? ওরা কি করবে? আপনাদের অধিকার কি রক্ষা করবে? আপনাদের জমি, বোন-মেয়েদের কি রক্ষা করবে? অনুপ্রবেশকারীদের কে বার করবে? তৃণমূলের সিন্ডিকেট বহু বছর ধরে অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার করার খেলা করছে। ওরা গরিবদের অধিকার ছিনিয়ে নেয়। যুবকদের কাজ ছিনিয়ে নেয়। বোনদের উপর অত্যাচার করেছে। দেশে সন্ত্রাস, হিংসা আনছে। জনসংখ্যার ভারসাম্য নষ্ট হচ্ছে। ভাষার ফারাক আসছে কিছু জায়গায়। মালদা, মুর্শিদাবাদের অনেক জায়গায় হিংসা বাড়ছে। অনুপ্রবেশকারী এবং সত্ত্বাধারীদের জোট ভাঙতে হবে। বিজেপি সরকার হলে অনুপ্রবেশকারীদের বিরুদ্ধে বড় পদক্ষেপ হবে।’’

    মতুয়াদের উদ্দেশে বার্তা

    এ দিনের সভা থেকে মতুয়া সম্প্রদায়কে উদ্দেশ করে আলাদা বার্তা দেন মোদি। তিনি বলেন, ‘‘মোদির গ্যারান্টি, মতুয়া, যাঁরা প্রতিবেশী দেশে ধর্মের কারণে হিংসার শিকার হয়ে এখানে এসেছেন, তাঁরা ভয় পাবেন না। মোদি সিএএ-র মাধ্যমে শরণার্থীদের সুরক্ষা দিয়েছে। এখানে যে বিজেপি সরকার হবে, তারা মতুয়া, নমশূদ্র শরণার্থীদের বিকাশের কাজে গতি আনবে। বাংলায় পরিবর্তন আনার দায়িত্ব রয়েছে মা-বোন, যুবকদের।’’

    নারী নির্যাতন নিত্যদিন

    মোদি (Modi talks on Infiltration) বলেন, ‘‘বাংলায় এখন নারী নির্যাতন রোজ-কার ঘটনা। কাল দেখলাম মহিলা সাংবাদিক নিগৃহীত। কত অভদ্রতা করা হয়েছে। তৃণমূলরাজে স্কুল, কলেজেও মহিলারা সুরক্ষিত নয়। নির্মমতা এতটাই যে মহিলাদের কথা শোনা হয় না। নির্যাতিতাদের কোর্টে যেতে হয়। এই পরিস্থিতি বদলাতে হবে। এই কাজ কে করবে? আপনাদের একটা ভোট করবে। আপনাদের ভোট পশ্চিমবঙ্গের পুরনো গৌরব ফেরাবে। তৃণমূলের গুণ্ডাগিরি বেশিদিন চলবে না। এর শেষ হবে। গরিবদের নিপীড়ন শেষ হবে।’’ বন্দে মাতরমের ১৫০ বছর পূর্তিতেই বঙ্গবাসীর কাছে বাংলাকে বিকাশের পথে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান মোদি।

LinkedIn
Share