Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • PM Modi: অযোধ্যায় রাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার বর্ষপূর্তিতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    PM Modi: অযোধ্যায় রাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার বর্ষপূর্তিতে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা প্রধানমন্ত্রীর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম লালার (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠার দ্বিতীয় বার্ষিকীকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) এক ঐশ্বরিক উদযাপন রূপে বর্ণনা করেছেন। কোটি কোটি ভক্তের শত শত বছরের ভক্তি ও আকাঙ্ক্ষা সফল রূপ পেয়েছে রামমন্দিরে। রামা লালার প্রাণপ্রতিষ্ঠা ছিল একটি ভব্য এবং দিব্য উৎসব। ৫০০ বছরের আন্দোলন এবং রামভক্তদের স্বপ্ন প্রতিফলিত হয়েছে। শ্রী রামই ভারতীয় সংস্কৃতির আসল প্রতীক।

    শত শত বছরের আকাঙ্ক্ষার সফল পরিণতি (PM Modi)

    দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Modi) ৩১ ডিসেম্বর অযোধ্যায় রাম লালার (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠার দ্বিতীয় বার্ষিকীতে ভারত এবং বিশ্বজুড়ে হিন্দু সম্প্রদায়কে আন্তরিক শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেন। এই দিন সম্পর্কে বলেন, “আমাদের আস্থা এবং ঐতিহ্যের এক দিব্য উৎসব। শত শত বছরের হিন্দুদের কাছে অত্যন্ত গৌরবের মাহেন্দ্রক্ষণ। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-এ দেওয়া এক বার্তায় প্রধানমন্ত্রী ভগবান শ্রী রামের চরণে প্রণাম জানান। সেই সঙ্গে লিখেছেন, “অযোধ্যায় প্রাণপ্রতিষ্ঠার দিনটির অত্যন্ত গৌরবের এবং আধ্যাত্মিক ভক্তি ভাবুকতায় পরিপূর্ণ। রাম ভক্তদের শত শত বছরের আকাঙ্ক্ষার সফল পরিণতি পেয়েছে। ঐতিহাসিক ভাবে প্রাণ প্রতিষ্ঠার দুই বছর পূর্ণ হয়েছে। আজ অযোধ্যার পবিত্র ভূমিতে রামলালার প্রাণ প্রতিষ্ঠার দ্বিতীয় বার্ষিকী উদযাপিত হচ্ছে। এই বার্ষিকী আমাদের আস্থা এবং ঐতিহ্যের এক দিব্য উৎসব। এই পবিত্র ও পুণ্য তিথিতে দেশে-বিদেশে থাকা সকল রাম ভক্তের পক্ষ থেকে প্রভু শ্রী রামের চরণে আমার কোটি কোটি নমস্কার।”

    রাম আমাদের অনুপ্রেরণা

    প্রধানমন্ত্রী মোদি (PM Modi) এই বছরেই আরেকটি নতুন গুরুত্বপূর্ণ কাজ করেছেন যা হল অযোধ্যার ধর্ম ধ্বজার উত্তোলন। ফলে এই বছরই আবার প্রথমবার নব উত্তোলিত ধর্ম ধ্বজ রাম লালার প্রাণ প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীর সাক্ষী থাকছে। রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) এই ধ্বজ ভারতের আধ্যাত্মিক ঐতিহ্য এবং নৈতিক মূল্যবোধের প্রতীক। তাই মোদি বলেছেন, “আমার সৌভাগ্য যে গত মাসে আমি এই পবিত্র ধ্বজ স্থাপনায় অংশ নেওয়ার শুভ সুযোগ পেয়েছিলাম। শ্রীরামের মর্যাদা পূর্ণ প্রতীকের অনুপ্রেরণা প্রতিটি নাগরিকের হৃদয়ে সেবা, নিষ্ঠা এবং সহানুভূতির অনুভূতিকে আরও গভীর ভাগে জাগিয়ে তুলবে। সমৃদ্ধ ও আত্মনির্ভর ভারত গড়তে শ্রী রাম আমাদের অনুপ্রেরণা।”

    ধর্ম ধ্বজার আনুষ্ঠানিক উত্তোলনকে ধর্মীয় তাৎপর্যের বাইরে গিয়ে ভারতের বৃহত্তর জাতীয় দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে যুক্ত করেছেন মোদি। একই ভাবে দেশবাসীর কাছে তিনি আশা প্রকাশ করেন, ভগবান রাম সবসময় মর্যাদা পুরুষোত্তম হিসেবে পূজিত হন। তাঁর আদর্শগুলি নাগরিকদের মধ্যে সেবা, নিষ্ঠা এবং সহানুভূতির মূল্যবোধকে শক্তিশালী করতে অনুপ্রেরণা যোগাবে।

  • Ayodhya Ram Mandir: কীভাবে ধর্মীয় আধ্যাত্মিকতার শক্তি একটি সনাতন সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করে তার প্রমাণ অযোধ্যার রামমন্দির

    Ayodhya Ram Mandir: কীভাবে ধর্মীয় আধ্যাত্মিকতার শক্তি একটি সনাতন সংস্কৃতিকে পুনরুজ্জীবিত করে তার প্রমাণ অযোধ্যার রামমন্দির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অযোধ্যায় রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠা (Pran Pratishtha Anniversary) বার্ষিকী ভারতের আধুনিক ইতিহাসে অন্যতম সুদূরপ্রসারী বিশেষ মুহূর্ত হিসেবে চিহ্নিত রয়েছে। পৌষ শুক্ল পক্ষের দ্বাদশী, ৩১ ডিসেম্বর পালিত হয় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী হিসেবে। ফলে এই মাহেন্দ্রক্ষণ কেবল একটি ধর্মীয় আচার নয়, এটি একটি যুগান্তকারী ঘটনা, যা বিশ্বাস-আস্থা- ইতিহাস-সংস্কৃতি এবং জাতীয় চেতনাকে একসূত্রে বেঁধে রেখেছে। রামমন্দির ভারতীয় সংস্কৃতির প্রধান পরিচয়।

    অযোধ্যা নগরী ত্রেতা যুগের রাজধানী (Ayodhya Ram Mandir)

    রাম মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) অযোধ্যায় দণ্ডায়মান, যা ভগবান শ্রী রামের (Pran Pratishtha Anniversary) জন্মস্থান হিসেবে পূজিত হয়। শ্রী রাম হিন্দু সভ্যতার এক কেন্দ্রীয় ব্যক্তিত্ব। প্রভু রাম হলেন ধর্ম, ন্যায় ও আদর্শ শাসনের মূর্ত প্রতীক। শতাব্দী ধরে, অযোধ্যা ভারতের আধ্যাত্মিক মানচিত্রে এক পবিত্র স্থান অধিকার করে আছে। রাম ভক্ত, সাধুসন্ত, তীর্থযাত্রী, পণ্ডিতদের আকর্ষণীয় কেন্দ্র। রাম লালা নিজের মহান মানব গুণে ভগবানের পর্যায়ে উন্নীত হয়েছেন। তিনি মর্যাদা পুরুষোত্তম রাম। অযোধ্যানগরী ত্রেতা যুগের রাজধানী। তাই অযোধ্যা ধামকে সনাতন ঐতিহ্যের সাতটি পবিত্র স্থানের মধ্যে অন্যতম হিসেবে ধরা হয়।

    সাংস্কৃতিক আত্মমর্যাদার প্রতীক

    রাম মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) নির্মাণ কয়েক দশক ধরে চলা এক দীর্ঘ ঐতিহাসিক ও আইনি প্রক্রিয়ার ফল। ভক্তরা কয়েক প্রজন্ম ধরে এই বিশ্বাসে ছিলেন রাম জন্মভূমিতে (Pran Pratishtha Anniversary) এক বিশাল মন্দির একদিন গড়ে উঠবে। এই মন্দির বা রাম লালার বিগ্রহ কেবল ভক্তি নয়, সাংস্কৃতিক আত্মমর্যাদারও প্রতীক। সাংবিধানিক উপায়ে এই মন্দির নির্মাণের পরিকল্পনায় ভারতের গণতান্ত্রিক ও বিচার ব্যবস্থার উপর বিশ্বাসকে আরও দৃঢ় করেছে। তাই মন্দিরটি কেবল একটি ধর্মীয় স্থাপনা নয়, সভ্যতার অবিচলতার আরও এক প্রতীক।

    রাম আশ্রয়স্থল

    সনাতন ধর্মে, প্রাণ প্রতিষ্ঠা মন্দির পূজার অন্যতম পবিত্র আচার। শব্দটি আক্ষরিক অর্থে বোঝায় জীবনের সঞ্চার। প্রভু রাম আগে এখানেই ছিলেন। মন্দির পুনঃপ্রতিষ্ঠায় রামলালাকে আরেকবার গর্ভগৃহে স্থাপনা করা হয়েছে। সেই মুহূর্তটিকে নির্দেশ করে যখন আনুষ্ঠানিকভাবে দেবতার ঐশ্বরিক উপস্থিতি মূর্তিতে আহ্বান করা হয়, এটিকে একটি নির্মিত রূপ থেকে পূজার যোগ্য এক জীবন্ত মূর্তিতে রূপান্তরিত করেছে। সমস্ত সনাতন হিন্দু ধর্মের (Pran Pratishtha Anniversary) মানুষের কাছে এই মন্দির (Ayodhya Ram Mandir) সকল আস্থার ভর কেন্দ্র।

    প্রাণ প্রতিষ্ঠা ছিল অনুষ্ঠানটির ছিল বহুমাত্রিক

    ২০২৪ সালে শ্রী রাম মন্দিরে প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠান প্রাচীন শাস্ত্র এবং বৈদিক নির্দেশাবলী কঠোরভাবে পালন করে সম্পন্ন হয়েছিল। ভগবান শ্রী রামকে (Ayodhya Ram Mandir) আনুষ্ঠানিকভাবে গর্ভগৃহে অধিষ্ঠিত করা হয়েছিল। ভক্তদেরকে শ্রী রাম লালার সঙ্গে সরাসরি আধ্যাত্মিক সম্পর্ক স্থাপন করে দেয়। প্রাণ প্রতিষ্ঠার হিন্দুধর্মে গভীর ধর্মতাত্ত্বিক ও দার্শনিক গুরুত্ব রয়েছে। বিশ্বাস করা হয় যে এই আচারের মাধ্যমে মূর্তির মধ্যে ঐশ্বরিক চেতনা জাগ্রত হয়, যা ভক্তদের (Pran Pratishtha Anniversary) আধ্যাত্মিক সংযোগ এবং ঐশ্বরিক কৃপা অনুভব করতে সক্ষম করে।

    শ্রী রাম মন্দিরে (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠা ছিল অনুষ্ঠানটির ছিল বহুমাত্রিক তাৎপর্য:

    • ধর্মীয় তাৎপর্য: এটি মন্দিরের আধ্যাত্মিক ভিত্তি সম্পূর্ণ হয়েছে, সনাতন ঐতিহ্য অনুসারে পূর্ণাঙ্গ পূজা পরিচালনার পথ খুলে দিয়েছে।
    • সাংস্কৃতিক তাৎপর্য: এটি ভারতের প্রাচীন আচার-অনুষ্ঠানগুলিকে পুনরায় প্রতিষ্ঠা করেছে এবং সহস্রাব্দ-প্রাচীন ঐতিহ্যের ধারাবাহিকতা বজায় রেখেছে।
    • সভ্যতার তাৎপর্য: এটি ভারতীয় সভ্যতার সহনশীলতার প্রতীক, যা ঐতিহাসিক প্রতিকূলতা সত্ত্বেও তার বিশ্বাস এবং পরিচয়কে ধরে রেখেছিল।

    ভক্তদের জন্য, প্রাণ প্রতিষ্ঠা প্রতীকী অভিনয় নয়; এটি মানব ও ঐশ্বরিকতার মধ্যে মিলনের এক গভীর মুহূর্ত।

    শুদ্ধিকরণ, অভিষেক, মন্ত্রপাঠ

    রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠা অনুষ্ঠানটি আচারের এক সুচিন্তিতভাবে কাঠামোগত ক্রম অনুসরণ করা হয়েছিল।

    বিগ্রহের শুদ্ধিকরণ: ভগবান শ্রী রামের বিগ্রহকে পবিত্র জল, পঞ্চামৃত (দুধ, দই, ঘি, মধু এবং চিনির মিশ্রণ) এবং বৈদিক মন্ত্র ব্যবহার করে আনুষ্ঠানিকভাবে শুদ্ধ করা হয়েছিল। এই পদক্ষেপটি শারীরিক ও আধ্যাত্মিক পরিশুদ্ধি নির্দেশ করে।

    অভিষেক: দেবতাকে গঙ্গা জল এবং অন্যান্য পবিত্র পদার্থ দিয়ে স্নান করানো হয়েছিল, যা ঐশ্বরিক পবিত্রতা এবং আধ্যাত্মিক জাগরণের (Pran Pratishtha Anniversary) প্রতীক।

    মন্ত্র পাঠ এবং যজ্ঞ: বৈদিক পণ্ডিতরা বিস্তৃত যজ্ঞ সম্পাদন করেছিলেন, ঐশ্বরিক শক্তি এবং আশীর্বাদ আহ্বান করার জন্য শক্তিশালী মন্ত্র জপ করার সময় পবিত্র অগ্নিতে নৈবেদ্য প্রদান করেছিলেন।

    মূল প্রাণ প্রতিষ্ঠা: এই কেন্দ্রীয় আচারটিতে শাস্ত্রীয় পদ্ধতি অনুসারে বিদ্বান পুরোহিত এবং সাধুদের দ্বারা কঠোরভাবে পরিচালিত মূর্তির মধ্যে প্রতীকীভাবে প্রাণ শক্তি সঞ্চালন জড়িত ছিল।

    গর্ভগৃহে স্থাপন: প্রাণ প্রতিষ্ঠার পর, আরতি, ভজন এবং ভক্তিমূলক স্তোত্রের মাধ্যমে বিগ্রহকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্থায়ীভাবে গর্ভগৃহে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল।

    প্রতিটি পদক্ষেপই নিয়ম, পবিত্রতা এবং শ্রদ্ধার উপর জোর দেওয়া হয়েছে। এগুলি আচারের গভীরতা এবং তাৎপর্যকে প্রতিফলিত করে।

    শ্রী রামের প্রাণ প্রতিষ্ঠার (Pran Pratishtha Anniversary) প্রভাব সুদূরপ্রসারী

    • ধর্মীয় প্রভাব: বিশ্বজুড়ে হিন্দুদের জন্য, অনুষ্ঠানটি সম্মিলিত বিশ্বাস এবং ভক্তিকে শক্তিশালী করেছে, ধর্ম এবং আধ্যাত্মিক শৃঙ্খলার উপর আস্থা জোরদার করেছে।
    • সাংস্কৃতিক প্রভাব: এই ঘটনাটি ভারতের জীবন্ত ঐতিহ্যকে তুলে ধরেছে, তরুণ প্রজন্মকে রামায়ণ-ভিত্তিক আচার, মূল্যবোধ এবং সভ্যতার আখ্যানগুলির কথা মনে করিয়ে দিয়েছে।
    • সামাজিক ঐক্য: মন্দিরটি একটি ঐক্যবদ্ধ প্রতীক হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যা অঞ্চল, জাতি এবং ভাষাগত পটভূমি নির্বিশেষে ভক্তদের আকর্ষণ করছে, একীভূত আধ্যাত্মিক পরিচয়কে উৎসাহিত করছে।

    এছাড়াও, অযোধ্যা ধর্মীয় পর্যটন (Ayodhya Ram Mandir), অবকাঠামো উন্নয়ন এবং সাংস্কৃতিক বিনিময়ের পুনর্জাগরণ দেখছে, যা আঞ্চলিক বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক দৃশ্যমানতায় অবদান রাখছে।

    রামরাজ্যের মূল নীতি

    রাম রাজ্যের ধারণা ভারতীয় দার্শনিক চিন্তাধারায় একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান দখল করে আছে। রামায়ণে ন্যায়বিচার, নৈতিক শাসন এবং সম্মিলিত কল্যাণের যুগ হিসাবে বর্ণিত, রাম রাজ্য কোনো ধর্মতান্ত্রিক রাষ্ট্র না হয়ে একটি আদর্শ সামাজিক শৃঙ্খলাকে প্রতিনিধিত্ব করে। রাম রাজ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত মূল নীতিগুলির মধ্যে রয়েছে:

    • ন্যায়বিচার এবং সমতা: সামাজিক অবস্থান নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সাথে ন্যায্য আচরণ।
    • ধর্মের প্রাধান্য: নৈতিক এবং নীতিগত মূল্যবোধ দ্বারা পরিচালিত শাসন।
    • সমৃদ্ধি এবং কল্যাণ: সামাজিক ঐক্যের সাথে অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি।
    • পরিবেশগত ভারসাম্য: প্রকৃতির প্রতি শ্রদ্ধা এবং সুস্থির জীবনযাপন।
    • মানবিক মর্যাদা: ভয়, ক্ষুধা এবং শোষণের অনুপস্থিতি।

    তুলসীদাস, রামচরিতমানসে, এই আদর্শ সমাজকে দুঃখ, ভয়, রোগ এবং বৈষম্যমুক্ত হিসাবে স্পষ্টভাবে বর্ণনা করেছেন—যা একটি ঐতিহাসিক দাবি না হয়ে একটি উচ্চাকাঙ্ক্ষা।

    আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষাকে সামাজিক রূপ

    পরিশেষে, শ্রী রাম মন্দিরের (Ayodhya Ram Mandir) প্রাণ প্রতিষ্ঠা বিচ্ছিন্নতার পরিবর্তে সাংস্কৃতিক ধারাবাহিকতার প্রতিনিধিত্ব করে। প্রাচীন বিশ্বাসকে আধুনিক শাসনের সঙ্গে আধ্যাত্মিক আকাঙ্ক্ষাকে সামাজিক দায়িত্বের সঙ্গে সংযুক্ত করেছে। মূল ভাব ভক্তির মধ্যে নিহিত হলেও, এর বৃহত্তর বার্তাটি নৈতিক জীবনযাপন, ঐক্য এবং সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের প্রতি শ্রদ্ধার মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে।

    অযোধ্যার গর্ভগৃহে ভক্তরা প্রার্থনা করার সময়, মন্দিরের কেবল উপাসনার স্থান হিসাবেই নয়, ভারতীয় সভ্যতার একটি জীবন্ত প্রতীক হিসাবেও কাজ করে। এই যাত্রা ঐতিহ্য এবং আধুনিকতা, বিশ্বাস এবং যুক্তি, ব্যক্তিগত ভক্তি এবং সম্মিলিত কল্যাণের মধ্যে সমন্বয়ের আদর্শে পরিপূর্ণ।

  • Amit Shah: ‘‘ক্ষমতায় এলে রাজ্যে কোনও প্রকল্প বন্ধ হবে না, উল্টে বাড়বে’’, আশ্বাস অমিত শাহর

    Amit Shah: ‘‘ক্ষমতায় এলে রাজ্যে কোনও প্রকল্প বন্ধ হবে না, উল্টে বাড়বে’’, আশ্বাস অমিত শাহর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্ষমতায় এলে রাজ্যের কোনও প্রকল্প বন্ধ হবে না, উল্টে বাড়বে। রাজ্যে এসে স্পষ্ট বার্তা দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। পশ্চিমবঙ্গ সরকার (West Bengal Government) এখন অনেকগুলি জনকল্যাণমূলক (WB Scheme) প্রকল্প চালায়। আর বাংলায় বিজেপি সরকার (BJP) এলেই নাকি সেই সব স্কিম বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে অভিযোগ করে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। যদিও তৃণমূলের এই দাবি উড়িয়ে শাহ জানালেন, “এটা ভুল ধারণা। আমি এখানে বলতে চাই, ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার তৈরির পর একটাও স্কিম বন্ধ হবে না। শুধু তাই নয়, আমাদের ঘোষণাপত্রে যা যা স্কিম থাকবে, সেটাও বাস্তব হবে। এটা আমাদের রেকর্ড (Lakshmir Bhander)।”

    আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প বাংলায়

    আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প নিয়েও তৃণমূল সরকারকে কটাক্ষ করেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit Shah)। তাঁর অভিযোগ, দেশের প্রায় সব রাজ্যেই আয়ুষ্মান ভারত (Ayushman Bharat) স্বাস্থ্য প্রকল্প চালু থাকলেও পশ্চিমবঙ্গে তার বদলে চালু রয়েছে স্বাস্থ্যসাথী— যা তাঁর মতে আরও দুর্বল একটি প্রকল্প। এই প্রসঙ্গে প্রশ্ন তুলে শাহ বলেন, “বাংলার মানুষ কি ভিনরাজ্যে গিয়ে স্বাস্থ্যসাথীর (Swasthya Sathi) সুবিধা পাবেন?” শুধু তাই নয়, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর দাবি, দেশের অন্যান্য রাজ্য আয়ুষ্মান ভারতের আওতায় ৫ লক্ষ টাকার বিমা কভারেজের সঙ্গে নিজেদের তহবিল থেকে অতিরিক্ত আর্থিক সুবিধাও যোগ করেছে। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গে সেই রকম কোনও বাড়তি সুবিধা দেওয়া হয় না বলেও অভিযোগ করেন তিনি। অর্থনীতিবিদরা মেয়েদের হাতে সরকারের এই টাকা দেওয়াকে ‘অপচয়’ বলতে রাজি নন। শাহ জানান মেয়েদের, বিশেষত দরিদ্র, প্রান্তিক মেয়েদের হাতে নগদ টাকা থাকলে তা সংসার ও সন্তানের কাজেই লাগে। বিজেপি-শাসিত কেন্দ্রীয় সরকারও নগদ পাওয়ার এই প্রকল্পে মেয়েদের অন্তর্ভুক্তিকে সক্ষমতার একটি সূচক বলেই দেখে।

    আজ শহরে শাহের সফর

    দরজায় কড়া নাড়ছে বিধানসভা ভোট। চড়ছে রাজনীতির পারদ। আর নতুন বছর শুরুর আগেই রাজ্যে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনদিনের সফরে আজ, বুধবারই শেষ দিন। আজ একাধিক কর্মসূচি রয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর। বিজেপি সূত্রে খবর, হোটেলে দলীয় সাংসদ ও বিধায়কদের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। এর পাশাপাশি দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে সায়েন্স সিটিতে বৈঠক রয়েছে অমিত শাহের। কলকাতার সমস্ত বুথ কর্মীদের নিয়ে বৈঠক করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। বিকেল সাড়ে তিনটে নাগাদ ঠনঠনিয়া কালীবাড়ি মন্দিরে পুজো দিতে যাবেন অমিত শাহ। ইতিমধ্যেই শাহ জানিয়েছেন, আগামী বছর দুই তৃতীয়াংশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে ক্ষমতায় আসবে বিজেপি।

  • India China: তৃতীয় পক্ষের কোনও ভূমিকা নেই, ভারত-পাক সংঘর্ষ থামানো নিয়ে চিনের দাবি ওড়াল ভারত

    India China: তৃতীয় পক্ষের কোনও ভূমিকা নেই, ভারত-পাক সংঘর্ষ থামানো নিয়ে চিনের দাবি ওড়াল ভারত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অপারেশন সিঁদুরের পরবর্তী সময়ে ভারত পাকিস্তান যুদ্ধবিরতিতে মধ্যস্থতার দাবি করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ভারত আগেই তা খারিজ করেছে। এবার পাকিস্তানের সঙ্গে সাম্প্রতিক সামরিক উত্তেজনা প্রশমনে চিনের (India China) মধ্যস্থতা করার দাবিকেও উড়িয়ে দিল ভারত। নয়াদিল্লি ফের জানিয়ে দিল, ভারত–পাকিস্তান সংক্রান্ত দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে কোনও তৃতীয় পক্ষের ভূমিকা নেই এবং যুদ্ধবিরতির সিদ্ধান্ত সরাসরি দুই দেশের সামরিক নেতৃত্বের মধ্যেই গৃহীত হয়েছে।

    বিদেশমন্ত্রকের স্পষ্ট বার্তা

    বুধবার চিনের (India China) বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই-র দাবি স্পষ্ট ভাষায় খারিজ করে ভারত জানাল, সংঘর্ষবিরতিতে তৃতীয় পক্ষের কোনও ভূমিকা নেই। দুই দেশের ‘ডিরেক্টর জেনারেল অফ মিলিটারি অপারেশনস’ (ডিজিএমও)-এর মধ্যে সরাসরি আলোচনার পরই ১০ মে যুদ্ধ স্থগিত করা হয়। সরকারি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম ইন্ডিয়া টুডের প্রতিবেদন অনুযায়ী জানানো হয়েছে, “আমরা এই ধরনের দাবি ইতিমধ্যেই খারিজ করেছি। ভারত ও পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক বিষয়ে তৃতীয় পক্ষের কোনও ভূমিকা নেই। অতিতেও একাধিকবার আমাদের অবস্থান স্পষ্ট করে জানানো হয়েছে যে, ভারত ও পাকিস্তানের ডিজিএমও-দের মধ্যে আলোচনার মাধ্যমেই এই যুদ্ধবিরতি সম্পন্ন হয়েছে।”

    চিনের দাবি ওড়াল ভারত

    সম্প্রতি বেজিংইয়ে আন্তর্জাতিক নীতি সংক্রান্ত এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে ভারত-পাক যুদ্ধবিরতির (India Pakistan Conflict) কৃতিত্ব দাবি করেন চিনা বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই। তিনি বলেন, “দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর কখনও এত ঘন ঘন স্থানীয় যুদ্ধ বা সীমান্ত সংঘাত দেখা যায়নি। যা এই বছর দেখা গিয়েছে। কঠিন এই সময়ে চিন নিরপেক্ষ ও ন্যায় সঙ্গত অবস্থান নিয়ে বিভিন্ন অঞ্চলে শান্তি প্রতিষ্ঠার কাজ করেছে।” উদাহরণ তুলে ধরে একইসঙ্গে তিনি বলেন, “শান্তি প্রতিষ্ঠার সেই লক্ষে চিন উত্তর মায়ানমার, ইরানের পরমাণু ইস্যুকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা, প্যালেস্টাইন-ইজরায়েল যুদ্ধ, কম্বোডিয়া-থাইল্যান্ডের পাশাপাশি ভারত-পাকিস্তানের সংঘর্ষ থামাতেও মধ্যস্থতা করেছে।” ভারত-পাক যুদ্ধবিরতি ইস্যুতে চিনের এহেন দাবি সামনে আসতেই বিতর্ক চরম আকার নেয়। এবার সে দাবি স্পষ্টভাষায় খারিজ করল ভারত।

    কৃতিত্ব নেওয়ার লড়াই এই প্রথম নয়

    এই প্রথম নয়—এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পও একাধিক আন্তর্জাতিক মঞ্চে দাবি করেছিলেন যে তাঁর উদ্যোগেই ভারত-পাকিস্তান সংঘাত থেমেছে। ট্রাম্প দাবি করেন, দুই দেশকে শুল্ক আরোপের হুঁশিয়ারি দিয়ে সংঘর্ষবিরতিতে তিনিই রাজি করিয়েছেন। ভারত সরকার এই দাবি উড়িয়ে দেয় প্রথম থেকেই। নয়াদিল্লি জানিয়েছিল, সামরিক স্তরে ভারত এবং পাকিস্তানের দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমেই সংঘর্ষবিরতি হয়েছে। তৃতীয় কোনও দেশের হস্তক্ষেপ এ ক্ষেত্রে স্বীকার করা হয়নি, হবেও না।

    চিনের দ্বিচারিতা

    বিশেষজ্ঞ মহলের মতে, চিনের সাম্প্রতিক এই দাবি তাদের দ্বিচারিতা তুলে ধরে। কারণ, সংঘাত চলাকালীন বেজিং প্রকাশ্যেই পাকিস্তানের পাশে দাঁড়িয়েছিল এবং সামরিক সহায়তা দেওয়ার অভিযোগও রয়েছে। যদিও ভারতের হামলায় পাকিস্তানের অভ্যন্তরে ১১টি সামরিক ঘাঁটি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় চিনের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার কার্যকারিতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। ভারতীয় সেনাবাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তা লেফটেন্যান্ট জেনারেল রাহুল আর সিং সম্প্রতি জানান, এই সংঘাতকে চিন কার্যত একটি “লাইভ ল্যাব” হিসেবে ব্যবহার করেছে। তাঁর বক্তব্য, “পাকিস্তান ছিল সামনে, আর চিন সব রকম সহায়তা দিচ্ছিল। গত পাঁচ বছরে পাকিস্তানের ৮১ শতাংশ সামরিক সরঞ্জামই চিনের। নিজেদের অস্ত্র অন্য দেশের অস্ত্রের বিরুদ্ধে পরীক্ষা করার সুযোগ পাচ্ছে তারা।”

    কেন এই দাবি চিনের 

    চিনের উপর নতুন বছরের শুরু থেকেই কিছু ইস্পাত পণ্যে ১১-১২ শতাংশ আমদানি শুল্ক চাপাচ্ছে নয়াদিল্লি। তিন বছরের মেয়াদে এই শুল্ক চাপানোর কথা ঘোষণা করেছে অর্থ মন্ত্রক। এই পদক্ষেপে চিন থেকে সস্তায় ইস্পাত আমদানির বাণিজ্যে লাগাম পরানো যাবে বলে অনুমান। সরকারি গেজেট বিজ্ঞপ্তি অনুসারে প্রথম বছরে ১২ শতাংশ, দ্বিতীয় বছরে ১১.৫ শতাংশ ও তৃতীয় ও শেষ বছরে ১১ শতাংশ হারে শুল্ক বসাতে চলেছে ভারত। দেশীয় বাজারকে চাঙ্গা করতে চায় এনডিএ সরকার। কারণ, সস্তায় চিনা ইস্পাতের কারণে দেশের বড় বড় প্রস্তুতকারী সংস্থা ও বহুজাতিক কোম্পানিগুলি ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছে। সে কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে ধারণা করছেন অর্থনীতিবিদরা। এই আবহে ভারতকে কিছুটা চাপে রাখতে হঠাতই পাকিস্তানের সঙ্গে যুদ্ধে মধ্যস্থতার দাবি করল বেজিং। খানিকটা মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের মতোই অযৌক্তিক দাবি করলেন চিনের বিদেশমন্ত্রী ওয়াং ই।

    সংঘাতের পটভূমি

    উল্লেখ্য, গত ২২ এপ্রিল পহেলগাঁও হামলার জবাবে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ‘অপারেশন সিঁদুর’ শুরু করে ভারত। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয় পাকিস্তান এবং পাক অধিকৃত কাশ্মীরের জঙ্গিঘাঁটিগুলি। এরপর সংঘর্ষে জড়ায় দুই দেশ। চারদিন টানা উত্তেজনার পর ভারত ও পাকিস্তান যুদ্ধবিরতির পথে হাঁটে। ভারত ও পাকিস্তানের সংঘর্ষ চলাকালীন একাধিক দেশ উত্তেজনা প্রশমন এবং আঞ্চলিক শান্তির পক্ষে সওয়াল করেছিল। সৌদি আরব, আমেরিকা, রাশিয়া, চিন দুই দেশের সঙ্গেই কথা বলে এবং সংঘর্ষবিরতির আর্জি জানায়। তবে নয়াদিল্লির বক্তব্য, চূড়ান্ত স্তরে সংঘর্ষবিরতি হয়েছে তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই।

  • Winter in Bengal: বছরের শেষ দিনই শীতলতম! নতুন বছরের শুরুতেও কনকনে ঠান্ডার পূর্বাভাস

    Winter in Bengal: বছরের শেষ দিনই শীতলতম! নতুন বছরের শুরুতেও কনকনে ঠান্ডার পূর্বাভাস

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শীতের ঝোড়ো ব্যাটিং চলছে বাংলায়। নেটিজেনদের ভাষায় কলকাতাও হয়ে গিয়েছে ‘কোল্ডকাতা’। বুধবার ভোরে কলকাতায় এক ধাক্কায় পারদ নেমে গেল ১১ ডিগ্রিতে! এখনও পর্যন্ত শহরে এটাই এই মরসুমের শীতলতম দিন (Winter in Bengal)। এর আগে সবচেয়ে কম তাপমাত্রা হয়েছিল মঙ্গলবার। তবে বুধবার তার চেয়েও অনেকটা পারদপতন হয়েছে। পুরু কুয়াশার চাদরে মুড়ে আছে শহরতলির পথঘাট। তার ফলে যান চলাচলে সমস্যা হচ্ছে।

    কনকনে কলকাতা

    আলিপুর আবহাওয়া দফতরের তথ্য অনুযায়ী, মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বুধবার এক ধাক্কায় তা হয়েছে ১১ ডিগ্রি। অর্থাৎ, এক দিনে পতন প্রায় ১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, স্বাভাবিকের চেয়েও তা ২.৮ ডিগ্রি কম। এ ছাড়া মঙ্গলবারের সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও ১৯.৬ ডিগ্রির উপরে ওঠেনি, স্বাভাবিকের চেয়ে যা ৫.৮ ডিগ্রি কম। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বুধবার সকাল থেকে বেলা পর্যন্ত শহরে কমবেশি কুয়াশা থাকবে। দুপুরের পর থেকে আকাশ পরিষ্কার এবং মেঘমুক্ত হবে। গত কয়েক দিনে জাঁকিয়ে শীত পড়েছে শহরে। অনেকেই মনে করতে পারছেন না, শেষ কবে এমন হাড় কাঁপানো ঠান্ডা পড়েছিল। গত বছরের সঙ্গেও চলতি মরসুমের শীতের তুলনা টানা যাচ্ছে না।

    বাংলায় শীতের সুনামি

    শীতের (Winter in Bengal) প্রবল স্রোত বয়ে যাচ্ছে গোটা বাংলা জুড়ে। কলকাতা থেকে শুরু করে জেলা, সর্বত্রই মারকাটারি ঠান্ডায় কাঁপছে বঙ্গবাসী। হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, উত্তুরে হাওয়ার পথে এই মুহূর্তে কোনও বাধা নেই। ফলে রাজ্য জু়ড়ে অবাধে তা প্রবেশ করছে। তার প্রভাবেই শীত বাড়ছে। অর্থাৎ নতুন বছরের শুরুর দিকেও জেলায় জেলায় বইবে শীতের সুনামি। বিশেষ করে পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলি, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, পুরুলিয়া ও বীরভূমে হাড়কাঁপানো ঠান্ডা অনুভূত হতে পারে। এই সব জেলায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা নেমে যেতে পারে ৯ থেকে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। অন্যদিকে উপকূলবর্তী জেলা দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকতে পারে ১২ থেকে ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে।

    কুয়াশায় ঢাকা উত্তরবঙ্গ

    উত্তরবঙ্গে কুয়াশার পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ। কোচবিহার, জলপাইগুড়ির মতো জায়গায় বিকেলের দিকে কুয়াশার কারণে দৃশ্যমানতা প্রায় শূন্যে নেমে যাচ্ছে। দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, জলপাইগুড়ি, দক্ষিণ দিনাজপুর, কোচবিহার, মালদহ, উত্তর দিনাজপুর, মুর্শিদাবাদ এবং নদিয়ায় বুধবার সকালে ঘন কুয়াশার সতর্কতা জারি করা হয়েছে। দৃশ্যমানতা থাকবে ১৯৯ মিটার থেকে ৫০ মিটার পর্যন্ত। আপাতত আগামী ৪৮ ঘণ্টা রাজ্যজুড়ে এই শীতের পরিস্থিতি বজায় থাকবে। তবে আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে, তিন দিন পর থেকে তাপমাত্রা ধীরে ধীরে বাড়তে পারে। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রা বৃদ্ধির সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে উত্তুরে হাওয়ার গতিও কিছুটা কমতে পারে।

  • Daily Horoscope 31 December 2025: নতুন কাজের প্রস্তাব আসতে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 31 December 2025: নতুন কাজের প্রস্তাব আসতে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) নতুন কাজের প্রস্তাব আসতে পারে।

    ২) তাড়াহুড়ো করবেন না কোনও কাজে।

    ৩) ধৈর্য্য ধরুন।

    বৃষ

    ১) কাউকে কটূ কথা বলবেন না।

    ২) বিনিয়োগের জন্য শুভ দিন।

    ৩) শরীরের দিকে নজর দিন।

    মিথুন

    ১) স্বাস্থ্যগত কারণে কাজে বাধা পড়বে।

    ২) নিজের যত্ন নেওয়া আবশ্যক।

    ৩) ডাক্তারের কাছে যেতে হতে পারে।

    কর্কট

    ১) পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মনোমালিন্য এড়িয়ে চলুন।

    ২) নেতিবাচক চিন্তা রাখবেন না।

    ৩) বিরোধীদের থেকে দূরত্ব বজায় রাখতে হবে।

    সিংহ

    ১) কোনও দরকারি সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।

    ২) বিনিয়োগ করা আপনার পক্ষে ভালো হবে।

    ৩) শুভ কাজে অংশ নিতে পারেন।

    কন্যা

    ১)  ভালো ডায়েট চার্ট ফলো করুন।

    ২) পরিবারের লোকেদের কথা শুনে চলুন।

    ৩)  সহকর্মীর কাছে আপনার অনুভূতি প্রকাশ করতে পারেন।

    তুলা

    ১)  শেয়ার বাজারের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের লাভের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) মায়ের চোখ সংক্রান্ত কিছু সমস্যা হতে পারে।

    ৩) শ্বশুরবাড়ির কাছ থেকে আর্থিক সুবিধে পেতে পারেন।

    বৃশ্চিক

    ১) সামাজিক ক্ষেত্রে পরিবেশ অনুকূল থাকবে।

    ২) রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিরা নতুন পদ পেতে পারেন।

    ৩) জীবনের চাহিদার প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দিতে হবে।

    ধনু

    ১) আগামীকাল আধ্যাত্মিক কাজে যুক্ত হতে পারেন।

    ২) ধর্মীয় স্থানে যেতে পারেন।

    ৩) মানসিক শান্তি পাবেন।

    মকর

    ১) দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন।

    ২) মায়ের সঙ্গে মনোমালিন্য।

    ৩) পুরনো বন্ধু অনেকদিন পর দেখা করতে আসতে পারেন।

    কুম্ভ

    ১) আজকের দিনটি ক্ষতিকর হতে পারে।

    ২)  স্বেচ্ছাচারী আচরণের জন্য ক্ষতির আশঙ্কা আছে।

    ৩) কর্মক্ষেত্রে কেউ আপনার বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ করতে পারে।

    মীন

    ১) আনন্দদায়ক পরিবেশ থাকবে বাড়িতে।

    ২) সারপ্রাইজ পার্টির আয়োজন করতে পারেন।

    ৩) স্ত্রীর কাছ থেকে সব বিষয়ে সমর্থন পাবেন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • Narendra Modi: পুতিনের বাসভবনে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ প্রধানমন্ত্রী মোদির

    Narendra Modi: পুতিনের বাসভবনে ইউক্রেনের ড্রোন হামলা, ঘটনায় গভীরভাবে উদ্বেগ প্রকাশ প্রধানমন্ত্রী মোদির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) মঙ্গলবার ৩০ ডিসেম্বর, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের (Vladimir Putin) সরকারি বাসভবনে ইউক্রেনের ড্রোন হামলার খবরে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। তিনি সংঘাত বন্ধ করতে এবং শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য উভয় পক্ষের প্রতিই কূটনৈতিক আলাপ আলোচানার ওপর জোর দেওয়ার জন্য আহ্বান জানিয়েছেন। তবে দীর্ঘদিন ধরে চলা রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের এই উত্তেজনা ফের আরেকবার প্রকাশ্যে চলে আসায় ব্যাপক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে।

    স্থিতিশীল পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য আবেদন (Narendra Modi)

    রাশিয়া সরকারের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী মোদি (Narendra Modi) সতর্ক করে বলেন, কোনও উত্তেজনা সৃষ্টিকারী পদক্ষেপ রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে সংঘাত নিরসনে চলমান আন্তর্জাতিক প্রচেষ্টাকে আরও দুর্বল করতে পারে। সামাজিক মাধ্যম প্ল্যাটফর্ম ‘এক্স’-হ্যান্ডলে দেওয়া একটি পোস্টে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলেন, “আমি রাশিয়ান (Vladimir Putin) ফেডারেশনের প্রেসিডেন্টের বাসভবনে হামলার খবরে ভীষণ ভাবে উদ্বিগ্ন। তিনি সব পক্ষের প্রতি এমন পদক্ষেপ এড়িয়ে চলার আহ্বান জানান যা শান্তি প্রক্রিয়াকে ব্যহত করতে পারে। তাই স্থিতিশীল পরিস্থিতি বজায় রাখার জন্য আবেদন করবো।”

    প্রধানমন্ত্রী মোদির এই মন্তব্যটি এমন সময়ে এলো যখন এর আগের দিন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ অভিযোগ করেন যে ইউক্রেন মস্কো এবং সেন্ট পিটার্সবার্গের মধ্যবর্তী নভগোরোদ অঞ্চলে পুতিনের সরকারি বাসভবনে দূরপাল্লার ৯১টি ড্রোন দিয়ে হামলা চালানোর চেষ্টা করেছে। লাভরভ দাবি করেন, রাশিয়ার বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা সমস্ত ড্রোন প্রতিহত ও ধ্বংস করা হয়েছে এবং এতে কোনো ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের ঘটনা ঘটেনি। তবে, তিনি এই বলেও সতর্ক করেন যে এই হামলার কারণে চলমান শান্তি আলোচনায় রাশিয়ার ভূমিকা বদলে যাবে।”

    ভলোদিমির জেলেনস্কির অস্বীকার

    অন্যদিকে, ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি রাশিয়ার এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানানো বলে অস্বীকার করেছেন। তিনি বলেন, “মস্কো কিয়েভে আক্রমণকে ন্যায় বিচার করুক। আসলে যুক্তরাষ্ট্র-ইউক্রেন শান্তি আলোচনাকে দুর্বল করার জন্য এই মিথ্যা কাহিনী তৈরি করা হচ্ছে।”

    তবে ভারত শুরু থেকেই রাশিয়া-ইউক্রেন (Vladimir Putin) সংঘাতে সংলাপ এবং কূটনীতিকেই শান্তির একমাত্র স্থায়ী পথ হিসেবে উল্লেখ করেছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির (Narendra Modi) এই বিবৃতি সেই অবস্থানকেই পুনর্বার তুলে ধরে, যেখানে তিনি সকল পক্ষের প্রতি এমন পদক্ষেপ এড়াতে আহ্বান জানিয়েছেন যা পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করতে পারে বা চলমান কূটনৈতিক চ্যানেলগুলিকে দুর্বল করতে পারে।

  • Amit shah: ভয়, দুর্নীতি, কুশাসন এবং অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে চরম অসন্তোষ! তৃণমূলকে তোপ আমিত শাহের

    Amit shah: ভয়, দুর্নীতি, কুশাসন এবং অনুপ্রবেশকারী ইস্যুতে চরম অসন্তোষ! তৃণমূলকে তোপ আমিত শাহের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ (Amit shah) মঙ্গলবার বলেছেন, “পশ্চিমবঙ্গের মানুষ আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টি সরকারকে (BJP Government) নির্বাচিত করার সংকল্প গ্রহণ করেছে। বিজেপিই বাংলায় উন্নয়নের পাশাপাশি রাজ্যের ঐতিহ্যকে ফিরিয়ে আনবে এবং গরিব কল্যাণ-এর উপর জোর দেবে। খুব দ্রুত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের কুশাসন মুক্ত হবে পশ্চিমবঙ্গ।”

    ১৫ বছরের শাসনে রাজ্যে ভয় আর দুর্নীতি (Amit shah)

    তৃণমূল সরকার অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের উৎসাহিত করে। এই অভিযোগ করে আমিত শাহ (Amit shah) বলেন, “৩০ ডিসেম্বর ভারতীয়দের জন্য গর্বের দিন, কারণ এই দিনেই ১৯৪৩ সালে বাংলার সুপুত্র সুভাষ চন্দ্র বসু পোর্ট ব্লেয়ারে ভারতের পতাকা উত্তোলন করেছিলেন। আজ থেকে এপ্রিল মাস পর্যন্ত এই সময়টা বাংলার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এই সময়েই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন (BJP Government) অনুষ্ঠিত হবে। বাংলার মানুষ এমন একটি শক্তিশালী সরকার বেছে নেওয়ার সংকল্প করেছে যা ভয়, দুর্নীতি, কুশাসন এবং অনুপ্রবেশের বদলে ঐতিহ্য, উন্নয়ন এবং কল্যাণ নিয়ে আসবে। বাংলায় তৃণমূল কংগ্রেসের গত ১৫ বছরের শাসনে রাজ্যে ভয়, দুর্নীতি, কুশাসন এবং অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের কারণে নাগরিকদের মধ্যে চরম অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।”

    জাতীয় গ্রিড গঠনের ঘোষণা

    আমিত শাহ (Amit shah) পশ্চিমবঙ্গের জনগণকে আশ্বাস দিয়ে বলেন, “বিজেপি ক্ষমতায় এলে রাজ্যের ঐতিহ্য পুনরুদ্ধার করা হবে এবং অন্যান্য রাজ্যে যেমন করা হয়েছে, তেমনি দরিদ্রদের কল্যাণের (BJP Government) ওপর অগ্রাধিকার দিয়ে উন্নয়নে জোর দেওয়া হবে।” অনুপ্রবেশকারীদের সীমান্ত থেকে দূরে রাখার জন্য আমিত শাহ একটি জাতীয় গ্রিড গঠনের ঘোষণা করেন এবং পশ্চিমবঙ্গে অবৈধভাবে বসবাসকারী প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেন। তিনি বলেন, “মানুষ ছেড়ে দিন, একটি পাখিও পা রাখতে পারবে না। আমরা এই ধরনের একটি শক্তিশালী গ্রিড তৈরি করব। আমরা কেবল অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের প্রবেশ বন্ধ করব না। আমরা নিশ্চিত করব যে প্রতিটি অনুপ্রবেশকারীকে দেশ থেকে বহিষ্কার করা হয়।” পশ্চিমবঙ্গে ২০২৬ সালে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

    ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত সুযোগ থাকবে

    তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্বাধীন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার রাজ্যে চলমান ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের কাজের বিরোধিতা করছে। এমন সময়েই অমিত শাহের (Amit shah) এই সফর হলো। নির্বাচন কমিশন অবশ্য জানিয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনের আগে বাংলার উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে ভোটার তালিকা সংশোধন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। ভোটারদের তথ্য যাচাই করার আহ্বান জানিয়ে দাবি ও আপত্তি জানানোর সুযোগ আগামী ১৫ জানুয়ারি, ২০২৬ পর্যন্ত খোলা থাকবে বলেও জানানো হয়েছে।

  • Indian Army: সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে শিথিলতা আনল ভারতীয় সেনা, তবে অব্যাহত রইল কড়া শর্ত

    Indian Army: সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহারে শিথিলতা আনল ভারতীয় সেনা, তবে অব্যাহত রইল কড়া শর্ত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় সেনা (Indian Army) তাদের সোশ্যাল মিডিয়া নীতিতে কিছুটা শিথিলতা এনেছে। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, এখন সেনা জওয়ান ও অফিসাররা ইনস্টাগ্রামসহ বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম শুধুমাত্র দেখার জন্য ব্যবহার করতে পারবেন। তবে কোনও পোস্ট করা, লাইক দেওয়া বা মন্তব্য করার অনুমতি নেই। আগের সব নিরাপত্তা সংক্রান্ত কঠোর নিয়মই বহাল থাকবে। এই নির্দেশিকা সেনার সব ইউনিট ও বিভাগে পাঠানো হয়েছে। মূল উদ্দেশ্য—জওয়ানদের অনলাইনে সচেতন রাখা, প্রয়োজনীয় তথ্য নজরে আনা এবং ভুয়ো বা বিভ্রান্তিকর তথ্য চিহ্নিত করা। এমন তথ্য ধরা পড়লে তা ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাতে পারবেন সেনা সদস্যরা।

    কোন অ্যাপে কী নিয়ম

    দীর্ঘদিন ধরেই নিরাপত্তার স্বার্থে ভারতীয় সেনা সোশ্যাল মিডিয়ার জন্য আলাদা গাইডলাইন জারি করে আসছে। অতীতে বিদেশি গোয়েন্দাদের ‘হানি ট্র্যাপ’-এ পড়ে সংবেদনশীল তথ্য ফাঁসের ঘটনাও ঘটেছে। সাধারণ তথ্য আদান-প্রদান করা যাবে হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম, সিগন্যাল, স্কাইপ-এ। তবে কেবল পরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গেই যোগাযোগ করা যাবে। প্রাপকের পরিচয় নিশ্চিত করার সম্পূর্ণ দায়িত্ব ব্যবহারকারীর। ইউটিউব, এক্স, কোরা, ইনস্টাগ্রাম-এ কেবল তথ্য ও জ্ঞান অর্জনের জন্য ‘প্যাসিভ অংশগ্রহণ’ অনুমোদিত। কোনও ভিডিও, পোস্ট বা ব্যবহারকারী-তৈরি কনটেন্ট আপলোড করা নিষিদ্ধ। লিঙ্কডইন-এ শুধু চাকরি সংক্রান্ত তথ্য জানার জন্য এবং জীবনবৃত্তান্ত আপলোডের অনুমতি রয়েছে।

    সেনাপ্রধানের বার্তা

    সম্প্রতি চাণক্য ডিফেন্স ডায়ালগে সেনাপ্রধান জেনারেল উপেন্দ্র দ্বিবেদী সমাজমাধ্যম বিষয়টি নিয়ে কথা বলেন। তরুণ জেন জি রিক্রুটদের মোবাইল ও সোশ্যাল মিডিয়া নির্ভরতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে সেখানে। জেনারেল দ্বিবেদী বলেন, “রিঅ্যাক্ট করা আর রেসপন্ড করার মধ্যে পার্থক্য আছে।” রিঅ্যাক্ট মানে না ভেবে তৎক্ষণাৎ জবাব দেওয়া, আর রেসপন্ড মানে বিশ্লেষণ করে, পরিকল্পনা করে উত্তর দেওয়া। তাই সেনার নির্দেশ—এক্স বা অন্যান্য প্ল্যাটফর্ম দেখুন, কিন্তু এখনই উত্তর দেবেন না; সেটা অবসরের পরের জন্য তুলে রাখুন। এতে শত্রুপক্ষের কাছেও স্পষ্ট বার্তা যায় যে ভারতীয় সেনা কখনও হঠকারী সিদ্ধান্ত নেয় না।

    অতীত থেকে বর্তমান

    ২০১৭ সালে তৎকালীন প্রতিরক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুভাষ ভামরে সংসদে জানিয়েছিলেন, এই নিয়মগুলির উদ্দেশ্য তথ্যের অপব্যবহার রোধ করা। ২০১৯ পর্যন্ত, সেনা সদস্যদের কোনও সোশ্যাল মিডিয়া গ্রুপে যোগ দেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ ছিল। ২০২০ সালে, অপব্যবহারের ঘটনার পর ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামসহ ৮৯টি অ্যাপ ডিলিট করার নির্দেশ দেওয়া হয়। পরে কঠোর নজরদারির মধ্যে কিছু প্ল্যাটফর্ম ব্যবহারের অনুমতি মেলে—ফেসবুক, ইউটিউব, এক্স, লিঙ্কডইন, কোরা, টেলিগ্রাম ও হোয়াটসঅ্যাপ। নতুন আপডেটে সেনা সদস্যরা খবর পড়া, চাকরির খোঁজ বা রেজিউমে আপলোড করতে পারবেন, তবে প্রতিটি নিরাপত্তা নিয়ম অক্ষরে অক্ষরে মানতে হবে।

    অপারেশন সিঁদুরের উদাহরণ

    অপারেশন সিঁদুর চলাকালীন সেনার অফিসিয়াল সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডলই ছিল নির্ভরযোগ্য তথ্যের একমাত্র উৎস। পাকিস্তানের একাধিক এক্স অ্যাকাউন্ট আগেই বাহাওয়ালপুর ও কোটলিতে অভিযান নিয়ে গুজব ছড়ালেও, ভারতীয় সেনা রাত ১টা ৫১ মিনিটে যাচাই করা তথ্য প্রকাশ করে পরিস্থিতি স্পষ্ট করে দেয়। এই নতুন নীতিতে একদিকে যেমন ডিজিটাল সচেতনতা বাড়বে, তেমনই জাতীয় নিরাপত্তার প্রশ্নে সেনার কঠোর অবস্থানও অটুট থাকছে।

  • Rashtriya e-Pustakalaya: ৬০০০-এর বেশি ই-বুক, রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয়ের বিরাট মাইল ফলক

    Rashtriya e-Pustakalaya: ৬০০০-এর বেশি ই-বুক, রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয়ের বিরাট মাইল ফলক

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শিক্ষা মন্ত্রকের (Minister of Education) বিনামূল্যে ডিজিটাল লাইব্রেরি রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয় (Rashtriya e-Pustakalaya) ৬,০০০-এরও বেশি ই-বুকের গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক অতিক্রম করেছে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন বয়সের শিশু ও যুবকদের জন্য বহুভাষিক সাহিত্যে অফুরন্ত প্রবেশাধিকার নিশ্চিত করা হয়েছে। জাতীয় ডিজিটাল লাইব্রেরি শিক্ষা মন্ত্রকের এক বড় পদক্ষেপ। এটি অন্তর্ভুক্তিমূলক, আনন্দময় এবং ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত শিক্ষার প্রতি ভারত সরকারের প্রতিশ্রুতির প্রমাণ দেয়।

    কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী (Minister of Education) ধর্মেন্দ্র প্রধান কর্তৃক চালু করা রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয় শিক্ষা মন্ত্রকের স্কুল শিক্ষা ও সাক্ষরতা বিভাগের অধীনে তৈরি করা হয়েছে এবং এর মূল লক্ষ্য দেশের শিশু ও যুব সমাজ। এটি কেবল একটি ডিজিটাল ভান্ডার নয়, বরং পড়ার আনন্দকে পুনরায় জাগিয়ে তুলতে, কৌতূহল বাড়াতে এবং ভারতের সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ও সাহিত্যিক ঐতিহ্যের প্রতি গর্ববোধ জাগানোর জন্য একটি জাতীয় আন্দোলন হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।

    অ্যাপে পড়া যায় (Rashtriya e-Pustakalaya)

    ২০২৬ সালের নতুন দিল্লি বিশ্ব বইমেলায় এই প্ল্যাটফর্মটি তার বইয়ের ক্রমবর্ধমান সংগ্রহ প্রদর্শন করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। ইতিমধ্যে রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয়গুলি কল্পনা, আবিষ্কার এবং শেখার প্রবেশদ্বারে রূপান্তরিত করেছে। একটি সাধারণ অ্যাপ ডাউনলোডের মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা এমন এক জগতে প্রবেশ করতে পারে যেখানে গল্প, জ্ঞান এবং সৃজনশীলতা যে কোনো সময়, যে কোনো জায়গায় এবং সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পাওয়া যায়।

    রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয় (Rashtriya e-Pustakalaya) একটি বিরাট ডিজিটাল লাইব্রেরি হিসেবে কাজ করছে। তাতে কল্পকাহিনি, অলৌকিক কাহিনি, কমিকস, ছড়া, ছবির বই এবং শিল্প ও সংস্কৃতি, ভ্রমণ ও অন্বেষণ ইত্যাদি বিষয়ের উপর বিস্তৃত বইগুলিতে সীমাহীন প্রবেশাধিকার সরবরাহ করে। পড়ুয়াদের আগ্রহ এবং পড়ার প্রতি যত্ন সহকারে তৈরি করা এই প্ল্যাটফর্মটি শিক্ষা কেবল শ্রেণীকক্ষের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখে না। প্রতিটি হৃদয়ে প্রসারিত হয়। জাতীয় শিক্ষা নীতি (NEP) ২০২০-এর দৃষ্টিভঙ্গির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে, লাইব্রেরিটি সুচিন্তিতভাবে চারটি বয়স-নির্দিষ্ট বিভাগে সাজানো হয়েছে: ৩-৮ বছর, ৮-১১ বছর, ১১-১৪ বছর এবং ১৪ বছরের বেশি। এটি বয়স-উপযোগী বিষয়বস্তু নিশ্চিত করে যা জ্ঞানীয়, আবেগগত এবং সৃজনশীল বৃদ্ধিতে সহায়তা করে।

    রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয়ের অন্যতম শক্তিশালী ভিত্তি হলো এর গ্রহণ যোগ্যতা। ওয়েব, অ্যান্ড্রয়েড এবং আইওএস প্ল্যাটফর্মে উপলব্ধ এই অ্যাপটিতে ২০০টিরও বেশি নামকরা প্রকাশকের ৫,০০০টিরও বেশি প্রবন্ধ রয়েছে। এগুলি ২২টি ভারতীয় ভাষা এবং ইংরেজিতে বিস্তৃত। ভাষাগত ও ভৌগোলিক সীমানা অতিক্রম করে, রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয় নিশ্চিত করে যে প্রতিটি শিশু, তার অবস্থান বা মাতৃভাষা নির্বিশেষে, মানসম্পন্ন সাহিত্যের আনন্দ উপভোগ করতে পারে।

    জীবনব্যাপী আকাঙ্ক্ষা জাগিয়ে তোলে

    কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রকের (Minister of Education) রাষ্ট্রীয় ই-পুস্তকালয়ের (Rashtriya e-Pustakalaya) মূল উদ্দেশ্য হল, পড়ার প্রতি জীবনব্যাপী আকাঙ্ক্ষা জাগিয়ে তোলা। এই উদ্যোগটি কেবল পাঠক তৈরি করতেই চায় না, বরং তরুণ মনকে সমালোচনামূলকভাবে চিন্তা করতে, অবাধে স্বপ্ন দেখতে এবং অর্থপূর্ণভাবে বেড়ে উঠতে ক্ষমতা দিতে চায়। বিষয়বস্তুকে ভারতের সাংস্কৃতিক বৈচিত্র্যের সঙ্গে যুক্ত রেখে এবং একই সাথে বৈশ্বিক ধারণার দুয়ার খুলে দিয়ে, এই প্ল্যাটফর্মটি বিজ্ঞ, আত্মবিশ্বাসী এবং কল্পনাপ্রবণ ভবিষ্যৎ নাগরিক তৈরি করার লক্ষ্য রাখে।

LinkedIn
Share