Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Modi in Assam: “দেশকে নিরাপত্তা ও সংহতির ক্ষেত্রে ভারী মূল্য দিতে হয়েছে”  অসমে কংগ্রেসকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী

    Modi in Assam: “দেশকে নিরাপত্তা ও সংহতির ক্ষেত্রে ভারী মূল্য দিতে হয়েছে” অসমে কংগ্রেসকে বিঁধলেন প্রধানমন্ত্রী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: অনুপ্রবেশ ইস্যুতে ফের কংগ্রেসকে আক্রমণ করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Modi in Assam)। গুয়াহাটিতে কংগ্রেসকে নিশানা করে প্রধানমন্ত্রীর অভিযোগ, নির্বাচন কমিশন এসআইআর প্রক্রিয়া শুরু করেছে, যাতে বেআইনি অনুপ্রবেশকারীদের হাত থেকে ভোটাধিকার কেড়ে নেওয়া যায়। কিন্তু, কিছু ‘দেশবিরোধী’ শক্তি সেই উদ্যোগ বানচাল করে ও দেশের স্বার্থবিরোধী কাজ করে সারা দেশে অনুপ্রবেশকারীদের সুরক্ষা দিতে চেষ্টা চালাচ্ছে। মোদির দু’দিনের অসম সফর দিয়েই বিধানসভা ভোটে বিজেপির প্রচার পর্ব শুরু হল।

    দেশের জমি ও বন অন্যদের দিয়ে দেবে কংগ্রেস

    রবিবার নামরুপে জনসভায় মোদি কংগ্রেসকে (PM Attacks Congress) তিনটি বিষয়ে নিশানা করেন—উন্নয়ন, কল্যাণ ও অনুপ্রবেশ রোধ। আগামী বছরের বিধানসভা নির্বাচনকে সামনে রেখে এগুলিই বিজেপির মূল প্রচার-ইস্যু হবে বলে ইঙ্গিত দেন তিনি। মোদি দাবি করেন, “কংগ্রেস কখনওই অসমের স্বার্থ রক্ষা করবে না, বরং অসমের জমি ও বন অন্যদের দখলে দিয়ে দেবে।” তিনি কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্যের প্রথম মুখ্যমন্ত্রী গোপীনাথ বরদলৈয়ের মূর্তি উদ্বোধন করে বলেন, “কংগ্রেস অসমের পরিচয় ধ্বংস করার চেষ্টা স্বাধীনতার আগে থেকে করছে। ইংরেজ ও মুসলিম লীগের সঙ্গে হাত মিলিয়ে তারা অসমকে পূর্ববঙ্গের অংশ করতে চেয়েছিল। তখন গোপীনাথ বরদলৈ নিজের দলের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়িয়ে তা রোখেন। বরদলৈ কখনও অসমের স্বার্থ ও পরিচয়ের সঙ্গে আপস করেননি। এখন অসমবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কংগ্রেসের ‘ষড়যন্ত্র’ প্রতিহত করতে হবে।”

    অবাধ অনুপ্রবেশকে মদত দেয় কংগ্রেস

    নামরুপে ডিব্রুগড় জেলার অসম ভ্যালি ফার্টিলাইজার অ্যান্ড কেমিক্যাল কোম্পানি লিমিটেডের ₹১০,৬০০ কোটি টাকার অ্যামোনিয়া-ইউরিয়া সার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করে মোদি (Modi in Assam) কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ‘দেশবিরোধী চিন্তাধারা’ প্রচারের অভিযোগ তোলেন। প্রধানমন্ত্রীর (PM Attacks Congress) দাবি, “বাংলা ও অসমে ভোটব্যাঙ্ক বাড়াতে কংগ্রেস অবাধ অনুপ্রবেশকে মদত দিয়েছে। অনুপ্রবেশকারীরা এখানকার জনচরিত্র বদলে দিয়েছে। জঙ্গল ও জমি দখল করে নিয়েছে। হিমন্তের সরকার এখন অসমের সম্পদকে এই সব বেআইনি ও দেশবিরোধী শক্তি থেকে মুক্ত করছে।” তিনি আরও বলেন, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বসতি স্থাপন ও রক্ষার কাজ কংগ্রেসই করেছে, তাই ভোটার তালিকা সংশোধনের বিরোধিতা করছে তারা। ‘তুষ্টিকরণের রাজনীতি’র বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে মোদি বলেন, অসমের পরিচয় ও সম্মান রক্ষায় বিজেপি ‘ইস্পাতের মতো দৃঢ়’।

    কংগ্রেসের ভুলে মূল্য চোকাতে হয় সমগ্র দেশকে

    দেশদ্রোহীরা চেষ্টা করছে অনুপ্রবেশকারীদের রক্ষা করতে। কিন্তু, এসআইআর তা হতে দেবে না। কংগ্রেস যতই অনুপ্রবেশকারীদের বাঁচানোর চেষ্টা করুক, বিশেষ ভোটার তালিকা সংশোধনীতে তাদের দেশ থেকে বের করে দেওয়া হবেই। বিজেপি শাসিত অসমের মাটিতে দাঁড়িয়ে কংগ্রেস সহ বিরোধী ইন্ডিয়া ব্লকের পার্টিগুলিকে হুঁশিয়ারি দেন প্রধানমন্ত্রী। সেই সঙ্গে অনুপ্রবেশকারীদের যারা বাঁচানোর চেষ্টা করছে, তাদের দেশদ্রোহী আখ্যা দেন মোদি (Modi in Assam)। তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন অনুপ্রবেশকারীদের ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেওয়ার কাজ চালাচ্ছে। কিন্তু, দেশদ্রোহীরা তাদের রক্ষা করার চেষ্টা করছে। পূর্বতন কংগ্রেস সরকারকে বিঁধে প্রধানমন্ত্রী বলেন,“অসম ও উত্তর-পূর্ব ভারতকে উন্নয়নের আড়ালে রেখে ওরা যে অপরাধ করেছে, তার মূল্য চোকাতে হয় সমগ্র দেশকে। দেশকে একতা, নিরাপত্তা ও সংহতির ক্ষেত্রে ভারী মূল্য দিতে হয়েছে কংগ্রেসের ভুলে। কংগ্রেসের আমলেই দশকের পর দশক ধরে এই অঞ্চলে হিংসা বজায় ছিল। আর আমরা ১০-১১ বছর ক্ষমতায় এসেই সেই উগ্রবাদকে শেষ করেছি। একদিন যে জেলাগুলি হিংসা উপদ্রুত ছিল, আজ সেখানেই উন্নয়ন চলছে।”

    অসমের মাটির সঙ্গে একাত্ম প্রধানমন্ত্রী

    প্রধানমন্ত্রী মোদির (PM Attacks Congress) এই বক্তব্য রাজ্যে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকারের জুলাই থেকে শুরু হওয়া কড়াকড়ির সঙ্গে সঙ্গতিপূর্ণ। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা জানিয়েছেন, সরকারি ও বনভূমি থেকে উচ্ছেদ অভিযান চলবে। চলমান উচ্ছেদে প্রভাবিতদের বড় অংশই মিয়া সম্প্রদায়ের—বাংলাভাষী মুসলমান, যাদের অনেকের শিকড় তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান, বর্তমান বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্ত। গুয়াহাটিতে মোদি বলেন, রাজ্য সরকার ‘অবৈধ ও দেশবিরোধী দখল’ থেকে সম্পদ মুক্ত করতে কাজ করছে এবং কংগ্রেস ও ইন্ডি জোট অনুপ্রবেশকারীদের পক্ষে আইনি হস্তক্ষেপসহ নানা ভাবে সুরক্ষা দিচ্ছে। রবিবার তিনি স্পষ্ট করে বলেন, অনুপ্রবেশকারীরা বাংলাদেশি। প্রধানমন্ত্রী অসম আন্দোলনের ৮৬০ শহিদের স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানান এবং ব্রহ্মপুত্রের উপর একটি ক্রুজে ২১ জন পড়ুয়ার সঙ্গে ‘পরীক্ষা পে চর্চা’য় অংশ নেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, “অসমের মাটির সঙ্গে আমার আত্মা মিশে আছে। ভালবাসা ও এখানকার মানুষের আবেগ জড়িয়ে আছে। বিশেষ করে অসম ও উত্তর-পূর্ব ভারতের মা-বোনেদের ভালবাসা আমাকে উৎসাহিত করে, অনুপ্রেরণা জোগায়।”

  • Maharashtr: মহারাষ্ট্রের পুরনির্বাচনে বিজেপির ব্যাপক বাজিমাত, মোদি-দেবেন্দ্রের কৃতিত্বে ফের জয় জয়কার

    Maharashtr: মহারাষ্ট্রের পুরনির্বাচনে বিজেপির ব্যাপক বাজিমাত, মোদি-দেবেন্দ্রের কৃতিত্বে ফের জয় জয়কার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের (Maharashtr) পুরসভা নির্বাচনে (Local Body Election) ভারতীয় জনতা পার্টি আবারও বিরোধীদের ধরাশায়ী করে বাজিমাত করেছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশ এবং রাজ্য বিজেপি সভাপতি রবীন্দ্র চবনের নেতৃত্বে, বিজেপির নেতৃত্বাধীন জোট রাজ্যজুড়ে নিজেদের জয়কে অব্যাহত রাখল। সম্প্রতি কেরলেও পুর নির্বাচনে বিজেপির বিরাট জয় রাজনীতির আঙ্গিনায় ব্যাপক শোরগোল ফেলেছে।

    ২১৪টি বেশি পুর সভাপতি পদে জয়

    মহারাষ্ট্রের (Maharashtr) ২৮৮টি পুর পরিষদের মধ্যে, মহাযুতি ২১৪টিরও বেশি পুর সভাপতি পদে জয়লাভ করেছে। রাজ্যের একক বৃহত্তম রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে আত্ম প্রকাশ করেছে বিজেপি। পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড়ের বিধায়ক মহেশ লান্ডগে সমস্ত বিজয়ী (Local Body Election) প্রার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। এই জনাদেশকে বিজেপির শাসন মডেল হিসেবে বিশেষ ভাবে উল্লেখও করেছেন। বিজেপি নেতা লান্ডগে বলেন, “উত্তর পুনে জেলা নির্বাচনের দায়িত্ব পালন করার সময়, দলের সাংগঠনিক শক্তি, পদাধিকারী ও কর্মীদের মধ্যে ঐক্য জয়ের জন্য বিশেষ ভাবে কার্যকারী ছিল। সরকারের উন্নয়নমুখী পরিকল্পনার নানা বিষয়গুলিতে ভোট এবং ফলাফলে ব্যাপক প্রভাব ফলেছে। দলের প্রতিটি স্তরের সামগ্রিক প্রচেষ্টার কারণে নির্বাচনে জয়ের ধারা বজায় রাখতে সুবিধা হয়েছে।”

    ফলাফলের আরেকটি প্রধান আকর্ষণীয় দিক হল আলান্দি পুর নির্বাচনে বিজেপির নির্ণায়ক ফলাফল। এখানে ২১টি আসনের মধ্যে ১৫টি আসন জয়ী হয়েছে বিজেপি। সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে পুরসভার সভাপতি হিসেবে প্রশান্ত পোপট কুড়হাদের জয়কে ঐতিহাসিক মাইলফলক হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।

    স্বচ্ছ প্রশাসনের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছেন জনগণ

    হিন্দুত্ব ও আদর্শের প্রতি বিজেপি সবসময় আনুগত্যশীল থাকে। ভোটারদের স্পষ্ট সমর্থন এবং বিজেপির নীতির প্রতি জনসাধারণের ক্রমবর্ধমান আস্থার প্রতিফলন (Local Body Election) ঘটেছে এই নির্বাচনে। লান্ডগে আরও বলেন, “রাজ্য জুড়ে মানুষ উন্নয়ন, স্থিতিশীলতা এবং স্বচ্ছ প্রশাসনের প্রতি আস্থা প্রকাশ করেছেন। এই রায় আমাদের আরও বেশি বেশি করে কাজ করার শক্তি দেবে। আলান্দি থেকে পিম্পরি-চিঞ্চওয়াড় পর্যন্ত, আমরা সাধারণ নাগরিকদের আকাঙ্ক্ষা পূরণ করতে এবং উন্নয়ন মূলক শাসনব্যবস্থা প্রদানের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”

  • Lagnajita Chakraborty: ‘জয় মা’ গান গেয়ে মুসলিম নেতার হাতে হেনস্তার শিকার লগ্নজিতা! চাপে গ্রফতার অবশেষে

    Lagnajita Chakraborty: ‘জয় মা’ গান গেয়ে মুসলিম নেতার হাতে হেনস্তার শিকার লগ্নজিতা! চাপে গ্রফতার অবশেষে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার রাতে পূর্ব মেদিনীপুরের (East Midnapore) ভগবানপুরের একটি বেসরকারি স্কুলের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে বিশৃঙ্খলার ঘটনায় চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে। কলকাতার বিখ্যাত প্লেব্যাক গায়িকা লগ্নজিতা চক্রবর্তীকে (Lagnajita Chakraborty) ভক্তিমূলক গান পরিবেশনের জন্য হেনস্থা এবং শারীরিকভাবে হয়রানি করা হয়। ঘটনায় মূল অভিযুক্ত তৃণমূলের সংখ্যালঘু নেতা। ওই মুসলিম নেতা লগ্নজিতাকে ভক্তিমূলক গান গাওয়ায় অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করেন। এই ঘটনাটি থেকে তীব্র ভাবে রাজনৈতিক উত্তেজনা ছড়িয়েছে। ভারতে যদি ভক্তিমূলক গান গাইতে না দেওয়া হয়, তাহলে আর কোথায় গাইতে পারবেন শিল্পীরা? এই প্রশ্নই এখন রাজনীতির আঙ্গিনায় ঘুরপাক খাচ্ছে।

    অকথ্য ভাষায় আক্রমণ (Lagnajita Chakraborty)

    বাংলার সঙ্গীত মহলে এক জনপ্রিয় সঙ্গীত শিল্পী হলেন লগ্নজিতা চক্রবর্তী (Lagnajita Chakraborty)। একটি বেসরকারি স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানের পরিবেশনায় আমন্ত্রণ পেয়ে সঙ্গীতানুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন। কিন্তু লগ্নজিতার দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতে জানা গিয়েছে, অনুষ্ঠানমঞ্চে দেবী চৌধুরানী ছবির একটি জনপ্রিয় গান ‘জয় মা’ গাওয়া শুরু করলে সেখান থেকেই ঝামেলা হয়। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মঞ্চে গান শুরু করলে স্কুলের মালিক এবং তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের নেতা মেহেবুব মল্লিক বাধা দেন। এরপর মেহবুব অকথ্য ভাষায় গালিগালাজও করেন। লগ্নজিতা বলেন, “যখন আমি ‘জয় মা’ গান শুরু করি তখন মালিক মেহবুব মল্লিক আমাকে অকথ্য ভাষায় আক্রমণ করেন। হুমকি দিয়ে বলেন, এতো কিছু হেয়েছে এবার ধর্ম নিরপেক্ষ গান করুন। তবে শুধু হট্টগোল নয়, আমাকে শারীরিক ভাবে হেনস্তাও করা হয়।”

    বিভাগীয় তদন্ত ওসির বিরুদ্ধে

    ঘটনার পরেই লগ্নজিতা (Lagnajita Chakraborty) এবং তাঁর বাদকেরা মঞ্চ থেকে নেমে পড়েন। এরপর ভগবানপুর থানায় (East Midnapore) সরাসরি অভিযোগ দায়ের করেন। তবে নির্যাতিতা গায়িকার অভিযোগ গ্রহণ না করে অনেক সময় ধরে থানায় বসিয়ে রাখা হয়েছিল বলেও অভিযোগ তুলেছেন। পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগেও সরব হয়েছেন লগ্নজিতা। ইতিমধ্যে জেলা শাসক মিতুন কুমার দে বিষয়টিকে গুরুত্ব দিয়ে দেখছেন। অভিযোগের ভিত্তিতে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। সেই সঙ্গে স্থানীয় ওসি শাহেনশাহ হকের বিরুদ্ধেও বিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তবে পুলিশ ইতিমধ্যে অভিযযুক্ত মেহবুবকে গ্রেফতার করেছে বলে জানা গিয়েছে।

  • RSS: ব্যক্তি-চরিত্র গঠনই সংঘের কাজ, কলকাতায় বললেন আরএসএস প্রধান

    RSS: ব্যক্তি-চরিত্র গঠনই সংঘের কাজ, কলকাতায় বললেন আরএসএস প্রধান

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (RSS) শতবর্ষ উদযাপন উপলক্ষে দেওয়া ভাষণে সমাজ ও সংগঠন নিয়ে নিজের ভাবনা স্পষ্টভাবে তুলে ধরেন আরএসএস প্রধান মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat)। তিনি বলেন, সম্পূর্ণ সমাজকে আপন করে নেওয়ার অর্থ হলো—জাতি, ভাষা বা প্রান্তের ভেদাভেদ ভুলে সকল মানুষকে নিজের বলে গ্রহণ করা। মোহন ভাগবত বলেন, সমাজে মতভেদ ও ভিন্ন চিন্তাধারা থাকা স্বাভাবিক। কিন্তু সেই ভিন্নতার মধ্যেও মন এক রেখে এগিয়ে চলাই সমাজের প্রকৃত শক্তি। ভিন্ন মত থাকা সত্ত্বেও ঐক্য বজায় রেখে চলতে পারলেই একটি সমাজ পরিণত ও শক্তিশালী হয়ে ওঠে।

    মানুষের চরিত্র গঠনের কাজ করে সংঘ (RSS)

    তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, আমেরিকার মতো বড় রাষ্ট্র বিভিন্ন ধরনের মানুষের সহাবস্থানের মধ্য দিয়েই গড়ে উঠেছে। এমনকি গৃহযুদ্ধের সময়েও সেখানে পারস্পরিক বিশ্বাস সম্পূর্ণ ভেঙে পড়েনি। সংঘপ্রধানের বক্তব্যে উঠে আসে সংঘের কাজের মূল দর্শন। তিনি বলেন, সমাজে ঐক্যের দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করতে হলে প্রথমেই মানুষকে বিতর্ক বা সংঘর্ষে জড়িয়ে দেওয়া উচিত নয়। বরং মানুষের চরিত্রগঠনই সবচেয়ে জরুরি। এই উদ্দেশ্যেই সংঘ মানুষের গঠনমূলক কাজ করে, যাতে ভবিষ্যতে সেই মানুষরাই সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে দায়িত্ব নিতে পারে।

    সংঘের কাজ পরিচালিত হয় বন্ধুত্ব, পারস্পরিক বিশ্বাস ও শুদ্ধ ভালোবাসার ভিত্তিতে

    মোহন ভাগবত (Mohan Bhagwat) জানান, সংঘের (RSS) সঙ্গে যুক্ত বহু প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তি স্বাধীনভাবে কাজ করেন। তাঁদের উপর কোনও রকম সরাসরি নিয়ন্ত্রণ বা রিপোর্টিং সিস্টেম নেই। সংঘের কাজ পরিচালিত হয় বন্ধুত্ব, পারস্পরিক বিশ্বাস ও শুদ্ধ ভালোবাসার ভিত্তিতে। তিনি বলেন, সংঘ সম্পর্কে ‘কন্ট্রোল’, ‘ডিরেকশন’ বা ‘ভ্যাকসিন ড্রাইভিং’-এর মতো শব্দ ব্যবহার করে যে প্রচার চালানো হয়, তা বাস্তবসম্মত নয়। সংঘের দায়িত্বশীল কর্মী ও স্বয়ংসেবকেরা এই ধরনের প্রচার থেকে সচেতনভাবে দূরে থাকেন। সংঘ গঠিত হওয়ার পর কেউ যে ক্ষেত্রে কাজ করেন, সেখানে তিনি সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রের নিয়ম ও শৃঙ্খলা মেনেই কাজ করেন। বহু ক্ষেত্রে প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও স্বয়ংসেবকদের নিরলসভাবে কাজ চালিয়ে যেতে হয়। তিনি স্পষ্ট করেন, সংঘ কোনোভাবেই স্বয়ংসেবক বা তাঁদের পরিবারের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপ করে না। প্রয়োজনে পরামর্শ ও সহায়তা দেওয়া হয়, এবং সমাজকল্যাণমূলক কাজে সংঘ সবসময় পাশে থাকে। সংঘের এই কার্যপদ্ধতির সূচনা হয় ১৯২৫ সালেই। বিভিন্ন স্বভাব, আর্থিক অবস্থা ও ভৌগোলিক পরিবেশের মানুষের মধ্যে কাজ কীভাবে কার্যকরভাবে করা যায়, তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে নানা পরীক্ষা-নিরীক্ষা হয়েছে। মাসে একদিন মিলিত হওয়া থেকে শুরু করে প্রতিদিন মিলিত হওয়ার মতো নানা পদ্ধতি অনুসরণ করে কার্যকর পথ নির্ধারণ করা হয়।

    সমাজকল্যাণমূলক কাজে সংঘ (RSS) সবসময় পাশে থাকে

    সংঘের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় যত বেশি সম্ভব কর্মীকে যুক্ত করা হয় এবং অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে সামষ্টিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সংঘের ইতিহাসে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধিতা, আক্রমণ ও কষ্টের মধ্যেও স্বয়ংসেবকেরা অবিচল থেকে কাজ করে গেছেন। মোহন ভাগবত বলেন, সংঘের মূল লক্ষ্য সম্পূর্ণ সমাজকে একত্রিত করা—কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠীর বিরুদ্ধে বিদ্বেষ তৈরি করা নয়। জাতীয় স্বার্থে কাজ করার সময় শালীন ভাষা, শালীন আচরণ ও আত্মসংযম বজায় রাখার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।

    সংঘ সম্পূর্ণভাবে স্বনির্ভর

    সংঘ সম্পূর্ণভাবে স্বনির্ভর এবং সমাজের সাধারণ মানুষের ছোট ছোট অবদানের উপরেই তার কার্যক্রম চলে। ভবিষ্যতে সংঘের লক্ষ্য হলো সমাজের সর্বস্তরে এমন নেতৃত্ব তৈরি করা, যারা রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে সমাজের ভেতর থেকেই দৃষ্টান্ত স্থাপন করবে। ভাষণে তিনি বলেন, সমাজে নীরবে ও নিঃস্বার্থভাবে কাজ করে যাওয়া সজ্জন শক্তিকে একত্রিত করা এবং তাদের মধ্যে পারস্পরিক সংযোগ গড়ে তোলা অত্যন্ত জরুরি। আচরণগত পরিবর্তন হঠাৎ আসে না; ধীরে ধীরে অভ্যাস ও আচরণ সংশোধনের মাধ্যমেই প্রকৃত পরিবর্তন সম্ভব।

    পরিবর্তনের শুরু করতে হবে নিজের জীবন, পরিবার ও দৈনন্দিন আচরণ থেকে

    এই পরিবর্তনের শুরু করতে হবে নিজের জীবন, পরিবার ও দৈনন্দিন আচরণ থেকে। জাতি, ভাষা, পেশা বা ধর্ম নির্বিশেষে সকলের সঙ্গে ব্যক্তিগত সম্পর্ক ও বন্ধুত্ব গড়ে তোলাই সামাজিক ঐক্যের ভিত্তি। সমাজের ভাঙন সৃষ্টিকারী শক্তিকে রুখতে পারস্পরিক যোগাযোগ, বিশ্বাস ও সহাবস্থানের পরিবেশ গড়ে তোলার উপর জোর দেন সংঘপ্রধান। পাশাপাশি ‘মঙ্গল সংলাপ’-এর মাধ্যমে নিজের জীবন, দেশ ও সমাজের প্রতি দায়িত্ব নিয়ে নিয়মিত আলোচনা ও আত্মসমালোচনার গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি।

  • Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন! এই সপ্তাহে কোথায় কোথায় অত্যাচার?

    Hindus Under Attack: অব্যাহত হিন্দু নির্যাতন! এই সপ্তাহে কোথায় কোথায় অত্যাচার?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারত এবং ভারতের বাইরে বিদেশে হিন্দু ধর্মের (Hindus Under Attack) উপর আক্রমণ অবিরাম গতিতে হয়ে চলছে। আমাদের চোখের সামনেই বিশ্বের অনেক অঞ্চলে হিন্দু ধর্মের নিপীড়ন ধীরে ধীরে গণহত্যার মতো প্রকাশ পাচ্ছে। কয়েক দশক ধরে আন্তর্জাতিক বিশ্ব এই ধারাবাহিক আক্রমণগুলিকে উপেক্ষা করে আসছে। হিন্দু-বিরোধী ধর্মান্ধতা (Hindu Dharma) এবং কট্টরপন্থীদের দৌরাত্ম্য ব্যাপক আকার রূপ নিয়েছে। হিন্দু সম্প্রদায়ের ওপর খুন, জোরপূর্বক ধর্মান্তর, জমি দখল, উৎসবে আক্রমণ, মন্দির ও মূর্তি ভাঙচুর, ঘৃণ্য বক্তব্য এবং যৌন হেনস্থার মতো নানা ঘটনা ঘটে চলছে। প্রাতিষ্ঠানিক ও আইনি বৈষম্যের মতো নানা ঘটনায় হিন্দুরা নিজেদের অস্তিত্বের উপর ক্রমবর্ধমান আক্রমণের সম্মুখীন হচ্ছে। সম্প্রতি বাংলাদেশে ইসালাম বিরোধী গুজব রটিয়ে বাংলাদেশের এক হিন্দু যুবককে নির্মম ভাবে জীবন্ত পুড়িয়ে হত্যা করা হয়েছে।

    চলতি মাসে ১৪ ডিসেম্বর থেকে ২০ ডিসেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত সময়ের জন্য এই সাপ্তাহিক সারসংক্ষেপ এখানে তুলে দেওয়ার চেষ্টা করব। বিশ্বজুড়ে মানবাধিকার সংকট কতটা ভয়াবহরূপ ধারণ করছে এই আলোচনায় উল্লেখ করা হয়েছে।

    দক্ষিণ ভারতে হিন্দু নির্যাতন (Hindus Under Attack)

    হাসান জেলার সাকলেশপুর তালুকের বেলাগোডু হোবলির চিক্কানায়াকানাহল্লি গ্রামে সরকারি ষড়যন্ত্রে জমি দখলের একটি উদ্বেগজনক ঘটনা সামনে এসেছে। শেখ মোহাম্মদ জাল রেকর্ডের মাধ্যমে সিদ্দাম্মা নামে এক তফসিলি জাতির মহিলার সঙ্গে প্রতারণার ঘটনা সামনে এসেছে। তাঁকে জীবিত অবস্থায় মৃত ঘোষণা করে তাঁর জমি বেআইনিভাবে নিজের নামে হস্তান্তর করেছে দুর্বৃত্তরা।

    তিরুপতির শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলিতে হিন্দুদের (Hindus Under Attack) লক্ষ্য করে খ্রিস্টান ধর্মপ্রচারের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ইতিমধ্যে দুটি হাই-প্রোফাইল মামলা হয়েছে। তিরুমালা মন্দিরের কাছাকাছি সরকারি কলেজগুলিতে খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী সদস্যদের দ্বারা ধর্মান্তরিত করার অভিযোগ প্রকাশ্যে এসেছে। শ্রীভেঙ্কটেশ্বর সরকারি পলিটেকনিক কলেজের শিক্ষক প্রভাষক মাধবী এবং শ্রী ভেঙ্কটেশ্বর বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক চ চাঙ্গাইয়া যীশু খ্রিস্টের প্রচারের জন্য শ্রেণীকক্ষকে রীতিমতো ব্যবহার করার অভিযোগ ব্যাপক ভাবে শোরগোল ফেলেছে। হিন্দু ছাত্রদের ধর্মান্তরের (Hindu Dharma) কৌশল থেকে রক্ষা করার জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হিন্দু গোষ্ঠীগুলি ব্যাপক ভাবে প্রতিবাদ জানিয়েছে।

    মহারাষ্ট্রে হিন্দু নির্যাতন

    মহারাষ্ট্রের নান্দেরে একজন নিবেদিতপ্রাণ হিন্দু (Hindus Under Attack) কর্মী হর্ষ ঠাকুর বছরের পর বছর ধরে অবিরাম নির্যাতন সহ্য করেছেন। তিনি নিজে অনলাইনে ভয়াবহ বর্বর শারীরিক অত্যাচারের কথা তুলে ধরেছেন। আবার রূপেশ দুবে মুম্বাইয়ের মীরা-ভায়ন্দর এলাকার একজন সুপরিচিত ব্যক্তি। হিন্দু (Hindu Dharma) অধিকারের পক্ষে দাঁড়ানোর জন্য তিনি এখন ভীম-মিম জোটের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত হয়েছেন। একটি প্রতিবেদন থেকে জানা গিয়েছে পুলিশের একটি অংশ ভীম-মিম জোটের পক্ষে কাজ করছে। ইচ্ছাকৃত ভাবে রূপেশের মতো সমাজকর্মীদের হেনস্থা করা হচ্ছে।

    এই রাজ্যে বেআইনি ধর্মান্তরকরণ এবং ইসলামি কট্টর মৌলবাদী কর্তৃত্বের সংগঠিত আরেকটি মামলায় পুলিশ একজন জাহাদি ধর্মগুরু মৌলভীকে গ্রেফতার করেছে। তিনি গ্রামের এক মহিলাকে প্রলোভন দেখিয়ে জোরপূর্বক ধর্মান্তরিত করে বিয়ে করার মতো অভিযোগে অভিযুক্ত। পুলিশের তদন্তে জানা গিয়েছে, জব্বার ওরফে হাফিজ ওরফে মৌলভী কেবল ধর্মান্তরকরণ নয়, তার বাইরে গিয়ে সরাসরি অবৈধ বিবাহকে সহজ করতে বিশেষ ভূমিকা পালন করেছিলেন। ইতিমধ্যে তাঁর নামেও একটি মামলায় দায়ের করা হয়েছে।

    হরিয়ানা-কর্নাটকে আক্রমণ

    হরিয়ানার যমুনানগরে জাতীয় মহাসড়কের বাহাদুরপুর গ্রামের কাছে একটি জনপ্রিয় নার্সারিতে ২৫ বছর বয়সী এক হিন্দু মহিলার (Hindus Under Attack) মাথাবিহীন এবং অর্ধ-উলঙ্গ দেহ উদ্ধার হয়েছে। এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড পুরো অঞ্চলকে হতবাক করে দিয়েছে। উত্তর প্রদেশের সাহারানপুরের বাসিন্দা উমা নামে ওই মহিলা ১৩ বছর বয়সী এক ছেলের মাও ছিলেন। তবে নিজে খুনির সঙ্গে দুই বছরের লিভ-ইন সম্পর্কের মধ্যে ছিলেন। স্বামী এবং পরিবার অনেক আগেই ত্যাগ করেছিলেন। পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে, সম্পর্কের টানাপোড়েন এবং অভিযুক্তের অন্য মহিলার সঙ্গে আসন্ন বিবাহের কারণে এই নৃশংস হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।

    স্কুলছাত্রীদের যৌন হয়রানির অভিযোগে কর্ণাটকের হাভেরি জেলায় এক উদ্বেগজনক ঘটনা ঘটেছে। প্রাতিষ্ঠানিক সুরক্ষা ব্যবস্থা ব্যর্থ হলে শিশুদের সুরক্ষায় স্থানীয় মানুষের সচেতন ভূমিকা তুলে ধরার দৃষ্টান্ত পাওয়া গিয়েছে। একটি প্রতিবেদন অনুসারে জানা গিয়েছে, সাভানুর শহরে, নাবালিকা মেয়েদের বারবার হয়রানির অভিযোগে অভিযুক্ত একজন সরকারি উর্দু উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলে ব্যাপক বিক্ষোভের ঘটনা ঘটেছে। এলাকার সকল বাসিন্দারা নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে কথা বলেন, সাহস দেন। এরপর ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়।

    পশ্চিমবঙ্গের কুলপি বিধানসভা কেন্দ্রের রামকৃষ্ণপুর এলাকায় সিঙ্গির হাট মোড়ের কাছে বজরঙ্গবলী মন্দিরে শ্রী বজরঙ্গবলীর মূর্তির শিরোচ্ছেদ করার অভিযোগে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছিল। সেই সঙ্গে আক্রমণ করে মন্দিরের আরতির সরঞ্জাম এবং সাউন্ড সিস্টেমও ভাঙচুর করা হয়।

    বাংলাদেশে নির্যাতন

    বাংলাদেশে হিন্দুদের (Hindus Under Attack) উপর আক্রমণ অব্যাহত। ধীরে ধীরে দেশ থেকে ধর্মীয় সংখ্যালঘুদের নির্মূল করার লক্ষ্যে পরিচালিত হচ্ছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক আবুল বারাকাত-এর এক গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পদ্ধতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক নির্যাতনের কারণে ২০৫০ সালের মধ্যে বাংলাদেশে কোনও হিন্দু অবশিষ্ট থাকবে না। মন্দির ভাঙচুর, জমি দখল, মিথ্যা ধর্ম অবমাননার অভিযোগের পর হিন্দু নির্যাতন, নারীদের ধর্ষণ, জোরপূর্বক ধর্মান্তরকরণ এবং ঘৃণামূলক বক্তব্য হিন্দুদের ভয় দেখানোর মতো অজস্র ঘটনা ওই দেশে হিন্দুদের নির্মূল করার পক্ষে ঘটনা।

    ইসলাম ধর্ম অবমাননার মিথ্যা অভিযোগে ময়মনসিংহ জেলার ভালুকা উপজেলায় এক হিন্দু (Hindus Under Attack) যুবককে নির্মমভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয় এবং পরে তাঁর দেহকে গাছে ঝুলিয়ে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করার মন্তব্য ছিল ভুয়ো। পরিকল্পনা করে খুন করা হয়েছে। প্রত্যক্ষদর্শীরা অভিযোগ করে জানিয়েছেন, হত্যার আগে যুবককে লাঠি ও রড দিয়ে নির্মমভাবে আঘাত করা হয়েছে। আক্রমণকারীরা প্রমাণ মুছতে এবং ভয় সৃষ্টি করার জন্য দেহে আগুন ধরিয়ে দেয়।

    হিন্দু-বিরোধী মনোভাবের আরও সূক্ষ্ম রূপ

    বেশিরভাগ ঘৃণামূলক অপরাধই ঘটে হিন্দু-বিরোধী (Hindu Dharma) গোঁড়ামির কারণে। কট্টর মৌলবাদীদের নির্দিষ্ট ধর্মীয় শিক্ষা এবং রাজনৈতিক মতাদর্শের মধ্যে লুকিয়ে আছে এই বিদ্বেষের বীজ। পার্শ্ববর্তী ইসলামিক দেশগুলিতে হিন্দু-বিরোধী ঘৃণা স্পষ্ট। আবার ভারতের মতো আপাতদৃষ্টিতে ধর্মনিরপেক্ষ রাষ্ট্রগুলির প্রতিষ্ঠান এবং জনসাধারণের মধ্যেও হিন্দু-বিরোধী মনোভাবের আরও সূক্ষ্ম রূপ রয়েছে। সরকারি ব্যবস্থার আড়ালে ঘৃণামূলক অপরাধের প্রবণতা অনেক বেশি। প্রচলিত আইন এবং অভিযোগকে সূক্ষ্ম ভাবে বিচার না করলে হামলার মানসিকতা বোঝা সম্ভব নয়।

    আমরা সকল পাঠকদের অনুরোধ করছি যে, এই সময়ে আমরা যেসব হিন্দু-বিরোধী ঘৃণামূলক অপরাধের ঘটনাগুলিক উল্লেখ করতে পারিনি তাঁরা আমাদের কমেন্ট সেকশেনে গিয়ে মতামত এবং ঘটনার কথা উল্লেখ করুন। হিন্দু মানবাধিকার রক্ষায় আমরা সকলেই এক।

  • Chhattisgarh: আদিবাসী ও ধর্মান্তরিত খ্রীস্টানদের সংঘর্ষে উত্তাল ছত্তিশগড়ের কাঙ্কের

    Chhattisgarh: আদিবাসী ও ধর্মান্তরিত খ্রীস্টানদের সংঘর্ষে উত্তাল ছত্তিশগড়ের কাঙ্কের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ছত্তিশগড়ের (Chhattisgarh) কাঙ্কের জেলায় আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্যদের সঙ্গে খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিতদের মধ্যে সমাধি প্রথা নিয়ে ব্যাপক সংঘর্ষ এবং উত্তেজনা তীব্রতর রূপ নিয়েছে। আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্যরা একটি গির্জা ভাঙচুর (Vandalized Church) করে এবং এরপর খ্রিষ্টান সম্প্রদায়ের লোকজন জেলার একটি গ্রামের শীতলা মাতা মন্দিরে অগ্নিসংযোগ ঘটায়। দুই পক্ষের সংঘর্ষে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।

    প্রতিমার মঞ্চ, ধর্মীয় জিনিসপত্রে আগুন (Chhattisgarh)

    স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার, ১৯ ডিসেম্বর, অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তিরা প্রথমে মন্দিরে (Chhattisgarh) প্রবেশ করে এবং এরপর প্রতিমার মঞ্চ, ধর্মীয় জিনিসপত্রে আগুন ধরিয়ে দেয়। পুলিশ ইতিমধ্যে একটি মামলা নথিভুক্ত করেছে এবং তদন্ত শুরু করেছে। তবে যে গ্রামে অগ্নিসংযোগের ঘটনাটি ঘটেছে, সেখানে স্থানীয় ধর্মের লোকজন যে এই কাজের নেতৃত্ব দেননি এই বিষয়টিও স্পষ্ট হয়েছে। যারা হামলা করেছে তাদের মধ্যে খ্রিষ্টান এবং অন্য ধর্মান্তরিতদেরকেই সন্দেহ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে দায়ের করা মামলায় তদন্ত শুরু হয়েছে।

    গত ১৮ ডিসেম্বর, কাঁকের জেলার আমাবেদা (Chhattisgarh) এলাকার অন্তর্গত বাদেতেভদা গ্রামে আদিবাসী সম্প্রদায় এবং ধর্মান্তরিত খ্রিস্টান সম্প্রদায়ের মধ্যে সমাধি প্রথাকে কেন্দ্র করে বিবাদ ব্যাপক হিংসাত্মক রূপ নিয়েছিল। উভয় পক্ষের মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ (Vandalized Church) হয়েছিল। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চামরা রাম সালামের মৃত্যুর পর, পঞ্চায়েত প্রধান রাজমান সালাম, যিনি আবার খ্রিস্টধর্মে ধর্মান্তরিত হয়েছেন, তিনি উপজাতীয় রীতিনীতি উপেক্ষা করে তাঁর বাবাকে সকলের জন্য ব্যবহৃত জমিতে সমাহিত করেন। আর এখানেই বাধে বিরোধ। ভিন্ন ধর্মে ধর্মান্তিরতরা কেন আদিবাসীদের জায়গা দখল করবেন?

    প্রতিমার মঞ্চ, ধর্মীয় জিনিসপত্রে আগুন

    সমাধির খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্যদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এটিকে তাদের ঐতিহ্য এবং সামাজিক রীতিনীতির লঙ্ঘন বলে অভিহিত করা হয়। তারা প্রশাসনের কাছে মৃতদেহটি কবর থেকে তোলার দাবিও জানান। এই দাবিতে দুই দিন ধরে বিক্ষোভ অব্যাহত ছিল, কিন্তু কোনও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ না নেওয়ায় উত্তেজনা আরও বেড়ে যায় এবং আন্দোলন ধীরে ধীরে হিংসাত্মক (Vandalized Church) হয়ে ওঠে।

    গ্রামের একটি গির্জায় (Chhattisgarh) আদিবাসী সম্প্রদায়ের সদস্যরা আগুন ধরিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠলে পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়। ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়ার সাথে সাথে আশেপাশের এলাকা থেকে বিপুল সংখ্যক মানুষ আমাবেদায় জড়ো হন। আনুমানিক ৩,০০০ জনেরও বেশি লোক জড়ো হয়েছিল, যার পরে আমাবেদায় আরেকটি গির্জাও আগুনে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। এই হিংসাত্মক কর্মকাণ্ডে পুলিশ কর্মী সহ ২০ জনেরও বেশি মানুষ আহত হয়েছেন বলে জানা গিয়েছে।

  • RSS: হিন্দুদের সংগঠিত করতেই তৈরি হয় আরএসএস, কলকাতায় বললেন মোহন ভাগবত

    RSS: হিন্দুদের সংগঠিত করতেই তৈরি হয় আরএসএস, কলকাতায় বললেন মোহন ভাগবত

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কলকাতায় আয়োজিত “সংঘের ১০০ বছরের যাত্রা – নতুন দিগন্ত” শীর্ষক বক্তৃতামালার প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের ভূমিকা, উদ্দেশ্য ও ভাবনা স্পষ্টভাবে তুলে ধরলেন সরসংঘচালক ড. মোহন ভাগবত। রবিবার সকাল দশটায় অনুষ্ঠিত এই অধিবেশনে তিনি সংঘকে ঘিরে প্রচলিত নানা ভুল ধারণার জবাব দেন।

    সংঘ কোনও রাজনৈতিক সংগঠন নয়

    ড. ভাগবত বলেন, সংঘের স্বয়ংসেবকেরা (RSS) প্যারেড করেন ঠিকই, কিন্তু তাদের প্যারামিলিটারি সংগঠনের সঙ্গে তুলনা করা সম্পূর্ণ ভুল। তিনি জানান, স্বয়ংসেবকেরা দেশ ও সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সেবামূলক কাজ করেন। তিনি বলেন, সংঘের বহু কর্মী বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে কাজ করেন। কিন্তু তার মানে এই নয় যে সংঘ কোনও রাজনৈতিক সংগঠন। সংঘ কোনও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে শুরু হয়নি। এটি কোনও প্রতিক্রিয়ার ফলও নয়।

    সংঘের (RSS) কোনও শত্রু নেই

    সরসংঘচালকের কথায়, সংঘের কোনও শত্রু নেই। তবে সংঘ বড় হলে যাঁদের স্বার্থে আঘাত লাগে, তাঁরাই বিরোধিতা করেন এবং মিথ্যা প্রচার চালান। সংঘ চায়, মানুষ যেন বাস্তব তথ্যের ভিত্তিতে সংঘকে বিচার করে, ভুল প্রচারের ভিত্তিতে নয়। ড. ভাগবত বলেন, সংঘের প্রতিষ্ঠা হয়েছিল এমন একটি সমাজ গড়ার জন্য, যা ভবিষ্যতে বিশ্বে ভারতের মর্যাদা প্রতিষ্ঠা করতে পারে। ভারত বিশ্বগুরু হবে—এই লক্ষ্যেই সমাজকে প্রস্তুত করার প্রয়াস সংঘের।

    হিন্দু সমাজকে সংগঠিত করার কাজ করে (RSS)

    তিনি স্পষ্ট করে বলেন, সংঘ বিশুদ্ধভাবে হিন্দু সমাজকে সংগঠিত করার জন্য শুরু হয়েছিল। কাউকে ধ্বংস করা বা বিরোধিতা করা সংঘের লক্ষ্য নয়। সম্পূর্ণ হিন্দু সমাজকে ঐক্যবদ্ধ করাই উদ্দেশ্য। ড. ভাগবত জানান, ১৮৫৭ সালের বিপ্লব ব্যর্থ হওয়ার পর একটি বড় প্রশ্ন উঠে আসে—যোগ্য যোদ্ধা, শাসক ও বিদ্বান থাকা সত্ত্বেও কীভাবে অল্প কয়েকজন ইংরেজ ভারত শাসন করল। এই চিন্তা থেকেই সংগঠনের ভাবনা তৈরি হয়।

    হেডগেওয়ারের জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন

    তিনি (Mohan Bhagwat) ড. হেডগেওয়ারের জীবনের নানা দিক তুলে ধরেন। জানান, মাত্র ১১ বছর বয়সে ড. হেডগেওয়ার বাবা-মাকে হারান। তাঁরা প্লেগ রোগীদের সেবা করতে গিয়ে আক্রান্ত হন। চরম দারিদ্র্যের মধ্যেও ড. হেডগেওয়ার মেধাবী ছাত্র ছিলেন। দেশসেবাই ছিল তাঁর জীবনের একমাত্র লক্ষ্য। ড. ভাগবত বলেন, ড. হেডগেওয়ার কখনও ব্রিটিশ শাসন মেনে নেননি। তিনি স্পষ্ট বলেছিলেন, স্বাধীনতা আমাদের জন্মগত অধিকার। তিনি চাকরি করেননি, বিবাহ করেননি। গ্রামে গ্রামে ঘুরে স্বাধীনতা আন্দোলনে অংশ নেন এবং রাজদ্রোহের মামলার মুখোমুখি হন।

    ভারত চিরকাল বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের দেশ

    সরসংঘচালক (Mohan Bhagwat) বলেন, ভারত কোনও নতুন রাষ্ট্র নয়। ইংরেজদের আগেও এই দেশ ছিল। ভারত চিরকাল বৈচিত্র্যের মধ্যে ঐক্যের দেশ। হিন্দু কোনও একক ধর্ম বা উপাসনা পদ্ধতি নয়। হিন্দু একটি স্বভাব। যে এই সংস্কৃতি, এই ভূমিকে মানে, সে-ই হিন্দু। তিনি বলেন, হিন্দু মানে সর্বসমাবেশী চিন্তা। সকলের মঙ্গল ভাবাই হিন্দু স্বভাব। এই বৈচিত্র্যই ভারতের সৌন্দর্য। ড. ভাগবত জানান, সংঘের কাজের পদ্ধতি অনন্য। ব্যক্তি গঠনের মাধ্যমে সমাজকে সংগঠিত করাই লক্ষ্য। সংঘের শাখা মানে প্রতিদিনের ব্যস্ততা ভুলে এক ঘণ্টা দেশের কথা ভাবা। তিনি বলেন, সংঘ সমাজের ভেতরে আলাদা কোনও শক্তিকেন্দ্র গড়তে চায় না। সমাজকেই সংগঠিত করতে চায়। ভালো কাজ যেখানে হচ্ছে, সেখানে নিঃস্বার্থভাবে সহযোগিতা করাই সংঘের নীতি। সবশেষে ড. ভাগবত বলেন, সংঘ থেকে তৈরি হওয়া স্বয়ংসেবকেরা সমাজের সব ক্ষেত্রে কাজ করছেন। দেশের কল্যাণে যে কোনও সৎ উদ্যোগে সংঘ সবসময় পাশে থাকে।

  • Arunachal Pradesh: অরুণাচলে বৌদ্ধ সম্মেলনে আপত্তি চিনের, পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিল্লির

    Arunachal Pradesh: অরুণাচলে বৌদ্ধ সম্মেলনে আপত্তি চিনের, পাল্টা প্রতিক্রিয়া দিল্লির

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি অরুণাচল প্রদেশের (Arunachal Pradesh) তাওয়াং-এ একটি আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ ধর্মীয় সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এই সম্মেলনে ভারত ছাড়াও বিভিন্ন দেশ থেকে বৌদ্ধ ধর্মীয় গুরু, পণ্ডিত ও গবেষকরা অংশ নেন। সম্মেলনের উদ্দেশ্য ছিল বৌদ্ধ দর্শন, সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য নিয়ে আলোচনা। এই সম্মেলনকে কেন্দ্র করেই চিন সরকারের প্রতিক্রিয়া সামনে আসে। সম্মেলন শেষ হওয়ার ঠিক তিন দিন পরে চিনের সরকারি একটি ওয়েবসাইটে কটুক্তিমূলক মন্তব্য প্রকাশ করা হয়। সেখানে অরুণাচল প্রদেশকে আবারও “দক্ষিণ তিব্বত” বলে উল্লেখ করা হয়। চিনের ওই লেখায় সম্মেলনটিকে “একটি হাস্যকর নাটক” বলা হয়। ভারতের উদ্যোগকে খাটো করার চেষ্টা করা হয় । অরুণাচল প্রদেশকে “তথাকথিত অরুণাচল প্রদেশ” বলা হয়। রাজ্যের গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রীকেও “তথাকথিত মুখ্যমন্ত্রী” বলে কটাক্ষ করা হয় (Arunachal Pradesh) ।

    অস্বস্তি চিনের (Arunachal Pradesh)

    এই ধরনের ভাষা থেকেই চিনের বিরক্তি ও অস্বস্তি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। বিশ্লেষকদের মতে, তাওয়াং-এর মতো একটি ঐতিহাসিক বৌদ্ধ কেন্দ্র আন্তর্জাতিক গুরুত্ব পাওয়ায় চিন (China) তার অবস্থান হারানোর আশঙ্কা করছে। চিন আরও দাবি করেছে, ষষ্ঠ দালাই লামা গ্যালওয়া সাঙইয়াং গিয়াতসোর জন্ম অরুণাচল প্রদেশে হওয়ায় ওই এলাকা তাদের অংশ হওয়া উচিত। এই যুক্তি দেখিয়ে চিন বহুদিন ধরেই ভৌগোলিক দাবি জারি রাখছে।

    কী বলল ভারত?

    ভারতের গবেষকদের বড় অংশ এই বক্তব্যকে ইতিহাসের বিকৃতি বলে মনে করছেন। তাঁদের মতে, তাওয়াং (Arunachal Pradesh) বহু শতাব্দী ধরে ভারতের সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় পরিমণ্ডলের অংশ। বৌদ্ধ ধর্ম কোনও এক দেশের একচেটিয়া বিষয় নয়। এর আগেও চিন অরুণাচল প্রদেশের বিভিন্ন জায়গার নাম বদলানোর চেষ্টা করেছে। ভারত প্রতিবারই স্পষ্ট করে জানিয়েছে, নাম বদলালেই বাস্তব বদলায় না। অরুণাচল প্রদেশ ছিল, আছে এবং থাকবে ভারতের অবিচ্ছেদ্য অংশ। এই ঘটনার ফলে আবারও অরুণাচল প্রদেশকে ঘিরে ভারত–চিন (China) রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক টানাপোড়েন সামনে এসেছে। তবে ভারত শান্ত ও দৃঢ় অবস্থান নিয়েছে। ভারত জানিয়েছে, সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে অন্য দেশের আপত্তি গ্রহণযোগ্য নয়।

  • SHANTI Bill 2025: সংসদে পাশ ‘শান্তি’ বিল, মিটবে একশো বছরের শক্তি চাহিদা

    SHANTI Bill 2025: সংসদে পাশ ‘শান্তি’ বিল, মিটবে একশো বছরের শক্তি চাহিদা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শান্তি বিল ২০২৫ ভারতের পরমাণু শক্তি নীতিতে একটি বড় পরিবর্তন আনতে চলেছে। এই বিলের পুরো নাম Sustainable Harnessing and Advancement of Nuclear Energy for Transforming India (SHANTI)। মোদি সরকার মনে করছে, আগামী একশো বছরের শক্তি চাহিদা মেটাতে এই বিল খুব গুরুত্বপূর্ণ। বুধবার লোকসভায় এই বিলটি পাশ করা হয়। প্রসঙ্গত, সোমবার সংসদে এই বিলটি পেশ করেন কেন্দ্রীয় আণবিক শক্তি প্রতিমন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং। বর্তমানে ভারতের মোট পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা প্রায় ৮.৯ গিগাওয়াট। সরকারের লক্ষ্য ২০৩২ সালের মধ্যে এটি ২২ গিগাওয়াট, ২০৩৭ সালে ৪৭ গিগাওয়াট, ২০৪২ সালে ৬৭ গিগাওয়াট এবং ২০৪৭ সালের মধ্যে ১০০ গিগাওয়াটে পৌঁছনো।

    কী পরিবর্তন আনল এই বিল (SHANTI Bill 2025)?

    এখনও পর্যন্ত ভারতের পরমাণু শক্তি খাত মূলত Atomic Energy Act, 1962 এবং Civil Liability for Nuclear Damage Act, 2010 দ্বারা নিয়ন্ত্রিত। এই আইনগুলির ফলে পরমাণু শক্তি প্রায় পুরোপুরি সরকারের হাতে ছিল। বেসরকারি সংস্থার প্রবেশ খুব সীমিত ছিল। শান্তি বিল ২০২৫ সেই ব্যবস্থায় পরিবর্তন আনছে। এই বিল বেসরকারি সংস্থাকে অসামরিক পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদনে অংশ নেওয়ার সুযোগ দিচ্ছে (SHANTI Bill 2025)। তবে নিরাপত্তা, নিয়ন্ত্রণ এবং তদারকি পুরোপুরি সরকারের হাতেই থাকবে।

    এই বিলে liability বা ক্ষতিপূরণ সংক্রান্ত নিয়মও বদলানো হয়েছে। আগে দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে সরবরাহকারী সংস্থার ওপর কঠোর দায় ছিল। এতে বিদেশি ও দেশীয় বিনিয়োগকারীরা পিছিয়ে থাকতেন। নতুন বিল তাঁদের জন্য সহজ ও বাস্তবসম্মত করা হয়েছে। সরকারের যুক্তি হল, পরমাণু শক্তি ২৪ ঘণ্টা নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেয়। সৌর ও বায়ু শক্তি আবহাওয়ার ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু পরমাণু বিদ্যুৎ স্থায়ী ও নির্ভরযোগ্য। পাশাপাশি এটি কার্বন নির্গমনমুক্ত।

    কোন কোন ক্ষেত্রে প্রভাব বাড়বে (India Nuclear Energy)?

    এই বিলের প্রভাব শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনে সীমাবদ্ধ নয়। পরমাণু প্রযুক্তি ক্যান্সার চিকিৎসা, রেডিওথেরাপি, খাদ্য সংরক্ষণ, জল বিশুদ্ধকরণ এবং বৈজ্ঞানিক গবেষণায় ব্যবহৃত হয়। শান্তি বিল এই ক্ষেত্রগুলিতেও উন্নয়নের সুযোগ তৈরি করবে। সরকার মনে করছে, এই বিল কার্যকর হলে ভারত কয়লার ওপর নির্ভরতা কমাতে পারবে। শক্তি ক্ষেত্রে আত্মনির্ভরতা বাড়বে। একই সঙ্গে জলবায়ু পরিবর্তনের মোকাবিলাও সহজ হবে (SHANTI Bill 2025)। সব মিলিয়ে, শান্তি বিল ২০২৫ শুধুমাত্র একটি আইন নয়। এটি ভারতের শক্তি নিরাপত্তা, পরিবেশ রক্ষা এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ।

  • Daily Horoscope 21 December 2025: স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে হবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 21 December 2025: স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে হবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) উচ্চপদ লাভ করতে পারেন।

    ২) কিছু কাজ সম্পন্ন না-হওয়ায় মেজাজ খিটখিটে হবে, সতর্ক থাকুন।

    ৩) মায়ের তরফে ধন লাভ হতে পারে।

    বৃষ

    ১) পরিবারে সুখ-শান্তির পরিবেশ থাকবে।

    ২) পরিবারে শুভ অনুষ্ঠান আয়োজিত হতে পারে।

    ৩) বয়স্ক ব্যক্তির কাছ থেকে ধন লাভ।

    মিথুন

    ১) নিজের সন্তানের কাজ দেখে আনন্দিত হবেন।

    ২) আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    ৩) চাকরি ও ব্যবসায়ে অংশীদার এবং সহকর্মীদের পূর্ণ সহযোগিতা লাভ করবেন।

    কর্কট

    ১) সন্তান সুখ বৃদ্ধি পাবে।

    ২) আত্মীয়দের কাছ থেকে বস্ত্র উপহার পেতে পারেন।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্যে মনের হতাশা সমাপ্ত হবে।

    সিংহ

    ১) স্বাস্থ্যের যত্ন নিতে হবে।

    ২) পেট খারাপ হতে পারে, বদহজমের সম্ভাবনা রয়েছে।

    ৩) খাওয়া-দাওয়ায় নিয়ন্ত্রণ রাখুন।

    কন্যা

    ১) কর্মক্ষেত্রে অতিরিক্ত পরিশ্রম করতে হবে।

    ২) আপনাদের সমস্ত কাজ সম্পন্ন হবে।

    ৩) আয় বৃদ্ধি হওয়ায় আর্থিক পরিস্থিতি মজবুত হবে।

    তুলা

    ১) কঠিন পরিস্থিতির শিকার হবেন।

    ২) আপনার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কোনও কাজ হতে পারে, এর ফলে মন অশান্ত হবে।

    ৩) পরিবারে সমস্ত কিছু ভালো থাকবে, আপনাদের মনোবল বাড়বে।

    বৃশ্চিক

    ১) আপনজনদের সহযোগিতা লাভ করবেন।

    ২) বড় কাজ সম্পন্ন হওয়ার প্রত্যাশা রয়েছে।

    ৩) কোনও অভিজ্ঞ ব্যক্তির সাহায্যে আটকে থাকা টাকা ফিরে পেতে পারেন।

    ধনু

    ১) কর্মক্ষেত্রে কঠিন পরিশ্রম করতে হবে, তখনই সাফল্য লাভ সম্ভব।

    ২) বাণী নিয়ন্ত্রণে রাখুন।

    ৩) সম্পত্তির কারণে বিবাদ হতে পারে।

    মকর

    ১) অর্থ ও যশ বৃদ্ধি পাবে।

    ২) কাজ বাড়বে।

    ৩) শত্রু ধ্বংস হবে।

    কুম্ভ

    ১) সতর্ক থাকলে কাজ সম্পন্ন হবে।

    ২) স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে মতভেদ উৎপন্ন হতে পারে।

    ৩) ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করবেন।

    মীন

    ১) বাড়িতে কোনও বন্ধু বা আত্মীয়ের আগমন হতে পারে।

    ২) সম্পত্তির মাধ্যমে আয়ের নতুন উৎস আসবে।

    ৩) রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের দিনটি ভালো।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

LinkedIn
Share