Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • West Bengal Election 2021: ২০২১-এর স্মৃতিতে ফিরল রক্তক্ষয়ী বাংলা, বিজেপি প্রার্থীকে পিটিয়ে খুনের ঘটনায় এবার ন্যায়বিচারের দাবিতে সরব কন্যা

    West Bengal Election 2021: ২০২১-এর স্মৃতিতে ফিরল রক্তক্ষয়ী বাংলা, বিজেপি প্রার্থীকে পিটিয়ে খুনের ঘটনায় এবার ন্যায়বিচারের দাবিতে সরব কন্যা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ২০২১ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2021) সেই রক্তাক্ত স্মৃতি আরও একবার ফিরে এল জনমানসে। ভোট পরবর্তী হিংসার জেরে প্রাণ হারানো এক বিজেপি (BJP Bengal) প্রার্থীর পরিবার দীর্ঘ কয়েক বছরের নীরবতা ভেঙে এবার ন্যায়বিচারের দাবিতে সরব হন। মগরাহাট পশ্চিমের প্রার্থী ছিলেন ধূর্জটি সাহা ওরফে মানস সাহা। তাঁকে ২ মে ২০২১ সালের ভোটের ফল ঘোষণার পর পিটিয়ে হত্যা করেছিল তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীরা। রাজ্যে রাজনৈতিক পরিবর্তন ও বিজেপির সরকার গড়ার প্রেক্ষাপটে নিহতের কন্যা এবার প্রশাসনের কাছে খুনিদের শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট (West Bengal Election 2021)

    ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের (West Bengal Election 2021) সময় রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজনৈতিক হিংসার খবর সামনে এসেছিল। দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট পশ্চিমে সেই সময় নির্বাচনী লড়াইয়ের প্রার্থী মানসকে নৃশংসভাবে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। পরিবারের অভিযোগ (BJP Bengal) ছিল, তৎকালীন শাসকদলের আশ্রিত দুষ্কৃতীরাই এই হত্যাকাণ্ডের নেপথ্যে ছিল। সেই সময় দেশজুড়ে এই ঘটনা নিয়ে তীব্র সমালোচনা হলেও, ন্যায়বিচার অধরাই থেকে গিয়েছিল।

    ভয় ও নীরবতা ভেঙে প্রতিবাদ

    নিহত প্রার্থীর কন্যা সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “বিগত বছরগুলিতে (West Bengal Election 2021) প্রাণের ভয়ে এবং পরিস্থিতির চাপে আমরা মুখ খুলতে পারেননি। কিন্তু বর্তমানে রাজনৈতিক সমীকরণে যে পরিবর্তন লক্ষ্য করা যাচ্ছে, আর তাই আমরা নতুন করে আশার আলো দেখতে পাচ্ছি। আমরা শুধু বিচার চাই। আমার বাবার খুনিরা আজও খোলা আকাশে নীচে ঘুরে বেড়াচ্ছে, এটা মেনে নেওয়া যায় না।”

    ন্যায্য তদন্তের দাবি

    বিজেপি প্রার্থীর (BJP Bengal) পরিবারটির পক্ষ থেকে আরও দাবি করা হয়েছে যে, স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের ওপর তাদের আস্থা নেই। তাই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা বা অন্য কোনও নিরপেক্ষ সংস্থার মাধ্যমে এই হত্যাকাণ্ডের পুনরায় তদন্ত শুরু করা হোক। দোষীদের চিহ্নিত করে তাদের কঠোরতম সাজা দেওয়াই এখন তাদের একমাত্র লক্ষ্য।

    রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন

    রাজ্যের ক্ষমতার অলিন্দে এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে এই ঘটনাটি নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। মানবাধিকার কর্মী এবং বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি এই পরিবারের (BJP Bengal)  পাশে দাঁড়িয়ে দোষীদের গ্রেফতারের দাবি তুলেছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই মামলাটি পুনরায় সামনে আসায় তৎকালীন রাজনৈতিক হিংসার ঘটনাগুলি আবারও আইনি ও প্রশাসনিক স্তরে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    ভোটের রাজনীতিতে (West Bengal Election 2021) মানুষের জীবনের মূল্য ঠিক কতটুকু, সেই প্রশ্নই আবার তুলে দিল এই ঘটনা। ন্যায়বিচারের আশায় থাকা এই পরিবারটির লড়াই এখন শেষ পর্যন্ত কোথায় গিয়ে থামে, সেদিকেই তাকিয়ে ওয়াকিবহাল মহল।

  • Antiquities India: ভারত থেকে পাচার হওয়া ১৪ মিলিয়ন ডলারের প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ফেরাচ্ছে আমেরিকা

    Antiquities India: ভারত থেকে পাচার হওয়া ১৪ মিলিয়ন ডলারের প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ফেরাচ্ছে আমেরিকা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য রক্ষায় বড় পদক্ষেপের কথা জানানো হল আমেরিকার তরফে। নিউ ইয়র্ক (New York) কর্তৃপক্ষ প্রায় ১৪ মিলিয়ন ডলার অর্থাৎ ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১১৬ কোটি টাকা মূল্যের শত শত প্রাচীন প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন (Antiquities India) ভারতকে ফিরিয়ে দিচ্ছেন। এর মধ্যে অনেকগুলিই কুখ্যাত শিল্পদ্রব্য পাচারকারী সুভাষ কাপুরের আন্তর্জাতিক পাচার চক্রের সঙ্গে যুক্ত ছিল। ভারত সরকারের কূটনৈতিক আলাপ-আলোচনার ফলেই এই কাজ সম্ভব হয়েছে বলে ধারণা ওয়াকিবহাল মহলের।

    নিদর্শনের সংখ্যা (Antiquities India)

    নিউ ইয়র্ক থেকে ম্যানহাটন ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অ্যালভিন ব্র্যাগ জুনিয়ার (New York) মোট ৬৫৭টি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ফিরিয়ে দেওয়ার কথা ঘোষণা করেছেন। এর মধ্যে হিন্দু এবং বৌদ্ধ ধর্মের অনেক গুরুত্বপূর্ণ শিল্পকর্ম রয়েছে। তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হল–

    অবলোকিতেশ্বর (Avalokiteshvara)

    ছত্রিশগড়ের সিরপুর থেকে উদ্ধার হওয়া একটি ব্রোঞ্জ মূর্তি, যার আনুমানিক মূল্য ২ মিলিয়ন ডলার। এটি ১৯৮২ সালে চুরি হয়, পাচার করা হয় আমেরিকায়।

    দণ্ডায়মান বুদ্ধ

    উত্তর ভারত থেকে পাচার হওয়া লাল বেলেপাথরের একটি বুদ্ধ মূর্তি, যা ‘অভয় মুদ্রা’য় রয়েছে (Antiquities India)। এর মূল্য প্রায় ৭.৫ মিলিয়ন ডলার। এটি সুভাষ কাপুর নিজের গুদামে লুকিয়ে রেখেছিলেন।

    নৃত্যরত গণেশ

    মধ্যপ্রদেশের একটি মন্দির থেকে চুরি হওয়া বেলেপাথরের একটি গণেশ মূর্তি। এই মূর্তিটিও বহু প্রাচীন। এবার ভারতে ফিরে আসবে। নিউ ইয়র্কে (New York) ভারতের কনস্যুলেট জেনারেল বিনয় প্রধান এই সহযোগিতার জন্য মার্কিন হোমল্যান্ড সিকিউরিটি এবং ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নির অফিসকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। এই ঘটনাটিকে বিশ্বজুড়ে চুরি হওয়া ঐতিহাসিক নিদর্শন ফিরিয়ে দেওয়ার লড়াইয়ে একটি মাইলফলক হিসেবেই দেখা হচ্ছে।

    পাচার চক্রের ভূমিকা

    তদন্তে জানা গিয়েছে, সুভাষ কাপুর এবং ন্যান্সি উইনারের মতো পাচারকারীরা জাল নথিপত্র তৈরি করে ভারতের মন্দির ও মিউজিয়াম থেকে এই মূল্যবান সম্পদগুলি বিদেশে পাচার করেছিলেন।

    কোহিনূর বিতর্ক

    এই অনুষ্ঠানের মাঝেই নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি ব্রিটিশ রাজপরিবারের অধীনে থাকা ১০৫.৬ ক্যারেটের কোহিনূর হীরাটি (Antiquities India) ভারতকে ফিরিয়ে দেওয়ার জন্য ব্রিটেনের ওপর চাপ সৃষ্টি করেন। তিনি পরামর্শ দেন যে, ঐতিহাসিকভাবে বিতর্কিত এই রত্নটির আসল মালিক ভারত। তাই ভারতের কাছেই ফিরে যাওয়া উচিত।

    প্রশাসনের বক্তব্য

    ম্যানহাটন ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি অ্যালভিন ব্র্যাগ জানিয়েছেন, “ভারত থেকে সাংস্কৃতিক সম্পদ (Antiquities India) পাচারের জালটি অত্যন্ত বিস্তৃত। আজকের এই পদক্ষেপ একটি বড় সাফল্য হলেও, চুরি হওয়া বাকি সম্পদগুলি ফিরিয়ে আনতে আমাদের তদন্ত জারি থাকবে।”

  • Maharastra Nasik: নাসিকে ধর্মান্তরণকাণ্ডে অভিযুক্তকে আশ্রয় দিয়েছিলেন, এবার সেই মিম কর্পোরেটরের অবৈধ বাড়িতে বুলডোজার চালানোর নোটিশ প্রশাসনের

    Maharastra Nasik: নাসিকে ধর্মান্তরণকাণ্ডে অভিযুক্তকে আশ্রয় দিয়েছিলেন, এবার সেই মিম কর্পোরেটরের অবৈধ বাড়িতে বুলডোজার চালানোর নোটিশ প্রশাসনের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রের নাসিকে (Maharastra Nasik) টিসিএস (TCS) সংলগ্ন ধর্মান্তরণ মামলার রেশ ধরে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে স্থানীয় রাজনীতি। এই মামলায় প্রধান অভিযুক্ত নিদা খানকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে এআইএমআইএম (AIMIM) কর্পোরেটর মতিন প্যাটেলের বাড়িতে এবার ‘বুলডোজার’ পদক্ষেপ নেওয়ার চূড়ান্ত প্রস্তুতি শুরু করল জেলা প্রশাসন।

    তিন দিনের আল্টিমেটাম (Maharastra Nasik)

    শনিবার নাসিক মিউনিসিপ্যাল কর্পোরেশনের (Maharastra Nasik) আধিকারিকরা নারেগাঁও এলাকায় মতিন প্যাটেলের বাসভবনের বাইরে একটি আইনি নোটিশ (TCS) লটকে দেন। ওই নোটিশে স্পষ্টই জানানো হয়েছে, তিন দিনের মধ্যে মতিন প্যাটেলকে তাঁর বাড়ি ও দোকানের নির্মাণ সংক্রান্ত যাবতীয় বৈধ নথিপত্র জমা দিতে হবে। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তিনি যদি প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পেশ করতে ব্যর্থ হন, তাহলে ওই অবৈধ কাঠামোটি গুঁড়িয়ে দেওয়া হবে।

    ঘটনার প্রেক্ষাপট

    পুলিশ সূত্রে খবর, হিন্দু মহিলাদের ধর্মান্তরিত করার অভিযোগে অভিযুক্ত নিদা খান গত কয়েকদিন ধরে পলাতক ছিলেন। দু’দিন আগে পুলিশ গোপন সূত্রে খবর পেয়ে মতিনের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে নিদাকে গ্রেফতার করে। নিদাকে আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে পুলিশ (Maharastra Nasik) মিম কর্পোরেটর মতিনকেও এই মামলায় পার্টি করে।

    পদ হারানোর সম্ভাবনা

    বিজেপি মেয়র সমীর রাজুরকরের নির্দেশে চলা প্রাথমিক তদন্তে দেখা গিয়েছে, ওই কর্পোরেটরের বাড়িটি অবৈধভাবে নির্মাণ করা হয়েছে। সমস্যা আরও বেড়েছে কারণ মতিন তাঁর নির্বাচনী হলফনামায় দাবি করেছিলেন, তাঁর কোনও অবৈধ নির্মাণ নেই। তদন্তে যদি এই সম্পত্তি অবৈধ প্রমাণিত হয়, তবে আইন অনুযায়ী তিনি তাঁর কর্পোরেটর (TCS)  পদটিও হারাতে পারেন।

    উত্তেজনা তুঙ্গে

    এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে নাসিক এবং সংলগ্ন এলাকায় (Maharastra Nasik) ব্যাপক রাজনৈতিক উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। তৈরি হয়েছে জনরোষও। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে নারেগাঁও এলাকায় জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রশাসনের এই কঠোর অবস্থানে শহরজুড়ে থমথমে পরিবেশ।

  • Suvendu Adhikari: নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক শুক্রবার, একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাস্তবায়নের পথে ডাবল ইঞ্জিন সরকার

    Suvendu Adhikari: নবান্নে প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক শুক্রবার, একাধিক কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বাস্তবায়নের পথে ডাবল ইঞ্জিন সরকার

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে স্বাধীনতার পর বিজেপির প্রথম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন ভবানীপুর ও নন্দীগ্রামের বিধায়ক, জায়ান্ট কিলার শুভেন্দু অধিকারী। শুক্রবার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি (Suvendu Adhikari) করতে চলেছেন নয়া মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠক (Cabinet Meeting)। এই বৈঠককে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে উত্তেজনা তুঙ্গে। এই প্রথম বৈঠকেই বঙ্গবাসীর জন্য বেশ কিছু বড় প্রকল্পের কথা ঘোষণা করা হতে পারে। গত ১৫ বছর ধরে তৃণমূল পরিচালিত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার যে যে কেন্দ্রীয় প্রকল্প থেকে রাজ্যবাসীকে প্রাপ্য সরকারি অধিকার থেকে বঞ্চিত করেছে, সেগুলি দ্রুত বাস্তবায়িত করা হবে।

    সোমবার বিকেল ৫টায় বৈঠক (Suvendu Adhikari)

    বিজেপি সূত্রে খবর, নয়া মুখ্যমন্ত্রী সরকার পরিচালনা করবেন মহাকরণ থেকে। তবে মহাকরণে সংস্কারের কাজ চলায় আপাতত বিধানসভায়ই বসবেন শুভেন্দু (Suvendu Adhikari)। ইতিমধ্যেই বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর নামে বিশেষ ফলকও বাসানো হয়েছে। সোমবার নবান্ন সভাঘরে প্রথম বড় বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী। রাজ্যের ডিজিপি, এডিজি (আইনশৃঙ্খলা) থেকে শুরু করে সব জেলার পুলিশ সুপারদের নিয়ে বৈঠকে বসতে চলেছেন বিজেপির প্রথম মুখ্যমন্ত্রী। সোমবার বিকেল ৫টায় এই বৈঠক হবে। এরপর শুক্রবার নবান্নেই বিজেপি সরকারের প্রথম ক্যাবিনেট (Cabinet Meeting) বৈঠকের সম্ভাবনা। নবান্নেই বসবে নতুন সরকারের প্রথম মন্ত্রিসভার বৈঠক।

    আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প

    দীর্ঘদিন ধরে পশ্চিমবঙ্গ সরকার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রকল্প ‘আয়ুষ্মান ভারত’ চালু করেনি। এই বৈঠকে সবচেয়ে বড় সিদ্ধান্ত হতে পারে রাজ্যে এই কেন্দ্রীয় প্রকল্পের প্রয়োগ নিশ্চিত করা। এর ফলে সাধারণ মানুষ ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত বিনামূল্যে চিকিৎসার সুযোগ পাবেন।

    সরকারি কর্মচারীদের ডিএ (DA)

    বকেয়া মহার্ঘ ভাতা বা ডিএ নিয়ে রাজ্যের সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে দীর্ঘদিনের অসন্তোষ রয়েছে। প্রথম ক্যাবিনেট বৈঠকেই ডিএ নিয়ে কোনও ইতিবাচক ঘোষণা বা কিস্তি মেটানোর পরিকল্পনা করা হতে পারে।

    কৃষক ও যুবকদের জন্য প্রকল্প

    কেন্দ্রীয় প্রকল্প ‘পিএম কিষান নিধি’র সুবিধা রাজ্যের প্রতিটি কৃষকের কাছে পৌঁছে দেওয়া এবং বেকার যুবক-যুবতীদের কর্মসংস্থানের জন্য নতুন কোনও রূপরেখা তৈরি করা হতে পারে।

    প্রশাসনিক রদবদল

    নবান্নের অন্দরে এবং পুলিশ প্রশাসনে বড়সড় রদবদল ঘটিয়ে প্রশাসনকে আরও গতিশীল করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে। ব্রিগেডে শুভেন্দুর (Suvendu Adhikari)  সঙ্গে শপথ নিয়েছেন দিলীপ ঘোষ, অগ্নিমিত্রা পাল, অশোক কীর্তনিয়া, নিশীথ প্রামাণিক এবং ক্ষুদিরাম টুডু। প্রোটেম স্পিকার হিসেবে শপথ নেবেন তাপস রায়। বুধ ও বৃহস্পতিবার শপথ নেবেন বাকি বিধায়করা। শুভেন্দুর নেতৃত্বে এই প্রথম মন্ত্রিসভার (Cabinet Meeting) বৈঠকটি মূলত ‘ডাবল ইঞ্জিন সরকারে’র উন্নয়নমূলক মডেলকে সামনে রেখে পরিচালিত হতে পারে। যেখানে কেন্দ্রের জনকল্যাণমূলক প্রকল্পগুলিকে দ্রুত রাজ্যে কার্যকর করাই হবে নয়া সরকারের প্রধান লক্ষ্য।

  • Suvendu Adhikari: “মায়ের পা থেকে পদ্মফুল হাতে পড়েছিল” কালীঘাটে গিয়েই জেনেছিলেন বিজেপির জয়ের কথা, দাবি শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “মায়ের পা থেকে পদ্মফুল হাতে পড়েছিল” কালীঘাটে গিয়েই জেনেছিলেন বিজেপির জয়ের কথা, দাবি শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় যে বিজেপি সরকার গঠন করছে, তাঁর নির্দেশ নির্বাচনের আগে কালীঘাট মন্দির থেকেই পেয়েছিলেন, দাবি মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari)। শনিবার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন শুভেন্দু। কয়েকঘণ্টা পর ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাসভবনে যান নতুন মুখ্যমন্ত্রী। আর শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাসভবন থেকে বেরিয়ে তিনি বললেন, বিজেপি যে ক্ষমতায় আসতে চলেছে, কালীঘাট মন্দিরে গিয়ে সেই উপলব্ধি হয়েছিল তাঁর।

    মা-কালীর নির্দেশেই পথচলা

    সেদিনের ঘটনা বর্ণনা করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কালীঘাট মায়ের আশীর্বাদ আমার সঙ্গে ছিল। কারণ, আমি যেদিন প্রথম মাকে প্রণাম ও পুজো করতে যাই, সেদিন মায়ের পা থেকে একটি পদ্মফুল আমার হাতে পড়েছিল। আমি সেদিনই বুঝেছিলাম মা কালীর আশীর্বাদ আমার কিংবা আমাদের উপর রয়েছে।” এদিন সন্ধ্যায় কালীঘাট মন্দিরে যান শুভেন্দু। মাথায় পুজোর ডালা নিয়ে সোজা গর্ভগৃহে ঢুকে পড়েন। মা কালীর আশীর্বাদ নিয়েই পথচলা শুরু করবেন বলে জানান শুভেন্দু। একইসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি যেহেতু ভবানীপুরের বিধায়ক, শীতলা মায়ের মন্দিরে যাওয়ারও পরিকল্পনা রয়েছে।”

    রাজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে খোঁজখবর

    মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েই রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালা, স্বরাষ্ট্রসচিব সংঘমিত্রা ঘোষ এবং রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্তের সঙ্গে বৈঠক করলেন শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার ধর্মতলায় পূর্ত দফতরের তাঁবুতে বৈঠকটি হয়। এই বৈঠকে রাজ্যের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে খোঁজখবর নেন শুভেন্দু। অন্য দিকে, সোমবার বিকেল পাঁচটায় নবান্ন সভাঘরে রাজ্য ও কলকাতা পুলিশের শীর্ষ আধিকারিকদের মুখোমুখি হবেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সূত্রের খবর, বৈঠকে উপস্থিত থাকবেন রাজ্য পুলিশের ডিজি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার-সহ রাজ্যের বিভিন্ন জোনের উচ্চপদস্থ আধিকারিকরা।

    মুখ্যমন্ত্রীর উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত

    সদ্যসমাপ্ত পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের সময় বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল সুব্রত গুপ্তকে। দিনদুয়েক আগে তাঁকে সেই দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয় কমিশন। এবার সেই সুব্রতকেই নতুন দায়িত্ব দিল নবান্ন। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ করা হল। শুধু তা-ই নয়, নিয়োগ করা হল মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিবও। মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব করা হল শান্তনু বালাকে। তিনি ২০১৭ ব্যাচের আইএএস। এর আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার অতিরিক্ত জেলাশাসক ছিলেন তিনি। তাঁকে মুখ্যমন্ত্রীর ব্যক্তিগত সচিব হিসাবে নিয়োগ করল নবান্ন। গত বছরের অক্টোবরে রাজ্যে যখন বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর) শুরু হয় সেই সময় সুব্রতকে বিশেষ রোল পর্যবেক্ষক হিসেবে নিযুক্ত করেছিল নির্বাচন কমিশন। এসআইআরের কাজে বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবে সুব্রতের ভূমিকায় কমিশন সন্তুষ্ট হওয়ায় তাঁকে রাজ্যের বিধানসভা ভোটে বিশেষ পর্যবেক্ষক হিসেবেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। নির্বাচনপর্ব মেটার পর গত বৃহস্পতিবার কমিশন সুব্রতকে তাঁর দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়। দু’দিন কাটতে না কাটতেই নতুন সরকারে নতুন ভূমিকায় সুব্রত।

  • Ministers of West Bengal: সঙ্ঘের ছোঁয়া, মহিলা মুখ, আদিবাসী-রাজবংশী-মতুয়ার রসায়ন! শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’

    Ministers of West Bengal: সঙ্ঘের ছোঁয়া, মহিলা মুখ, আদিবাসী-রাজবংশী-মতুয়ার রসায়ন! শুভেন্দুর মন্ত্রিসভায় ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: বাংলায় প্রথম বিজেপি সরকারের মন্ত্রিসভায় ভারসাম্যের ছবি। রয়েছে সঙ্ঘের ছোঁয়া, মহিলা-মুখ, রাজবংশী-মতুয়া-আদিবাসী সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। এই মন্ত্রিসভা প্রমাণ করছে ‘সবকা সাথ সবকা বিকাশ’-ই বাংলয় বিজেপি সরকারের লক্ষ্য। ব্রিগেডে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শনিবার শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। তবে মন্ত্রীদের নামও বিশেষ বিবেচনা করেই বেছে নিয়েছে বিজেপি। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ থেকে শুরু করে উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার মতো একাধিক তাবড় নেতা উপস্থিত রয়েছেন। এদিন সেই বৃহত্তর মঞ্চে একাধিক মন্ত্রীও শপথ নিলেন।

    কারা কারা শপথ নিলেন শনিবার

    দিলীপ ঘোষ: শুভেন্দু অধিকারীর পরই মন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন দিলীপ ঘোষ। সেই দিলীপ ঘোষ, যিনি বঙ্গ বিজেপির নতুন করে উত্থানের অন্যতম কাণ্ডারী বলেই মনে করা হয়। আরএসএস প্রচারক থেকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি, এহেন গ্রাফ হঠাৎ করেই থেমে গিয়েছিল একপ্রকার। বিধানসভা নির্বাচনের আগে মোদীর মঞ্চে দেখা যায় সেই দিলীপ ঘোষকে। ফিরিয়ে দেওয়া হয় পুরনো মাটি। খড়গপুর সদর থেকে নিজেকে প্রমাণ করে এবার দিলীপের স্থান হতে চলেছে বাংলার মন্ত্রিসভায়। এক্ষেত্রে সঙ্ঘ পরিবারের প্রতিনিধি হিসেবে দিলীপকে অধিক গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

    অগ্নিমিত্রা পাল: বাংলার প্রথম মহিলা মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়। সেই দিন শেষ। নতুন মন্ত্রিসভায় কোনও মহিলা মুখ থাকবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছিল। তবে শপথ গ্রহণের অনুষ্ঠানেই স্পষ্ট হয়ে গেল মহিলা মন্ত্রীর নাম। শুভেন্দু ও দিলীপের পরই তৃতীয় নাম অগ্নিমিত্রা পাল। আসানসোল দক্ষিণের বিধায়ক। একসময় ফ্যাশন ডিজাইনার হিসেবে বাংলার জনপ্রিয় মুখ ছিলেন অগ্নিমিত্রা। পরে বিজেপির হাত ধরেই রাজনৈতিক জীবন শুরু। নিজের কেন্দ্র থেকে বিধানসভা, মিটিং-মিছিল-প্রতিবাদে দিনে দিনে নিজের রাজনৈতিক-সত্ত্বাকে চিনিয়েছেন অগ্নিমিত্রা। এবার তিনি মন্ত্রী।

    ক্ষুদিরাম টুডু: প্রথম দিন যে কজন মন্ত্রী শপথ নিলেন, তাঁদের মধ্যে অন্যতম ক্ষুদিরাম টুডু। রাজ্য-রাজনীতিতে খুব পরিচিত মুখ নয়, দাপুটে নেতাও নয়। দিলীপ-অগ্নিমিত্রার পরই তাঁর নাম ঘোষণা হয়। গোটা দেশের তাবড় নেতাদের সামনে শপথ নিলেন আদিবাসী নেতা। শপথ নিলেন অলচিকি ভাষায়। জঙ্গলমহলের প্রতিনিধি, রানিবাঁধের বিধায়ককে পূর্ণমন্ত্রী করল বিজেপি। ক্ষুদিরামের শপথ যে কতটা তাৎপর্যপূর্ণ, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

    অশোক কীর্তনিয়া: মন্ত্রিসভায় চমকের পর চমক। রানিবাঁধের পরই বনগাঁ উত্তর। মন্ত্রী হচ্ছেন অশোক কীর্তনিয়া। মতুয়া সম্প্রদায়ের প্রতিনিধি। তাঁর বিরুদ্ধে নাগরিকত্বের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল তৃণমূল। এবার সেই অশোকই শপথ নিলেন মন্ত্রী হিসেবে। এর পিছনেও বিজেপির বিশেষ বিবেচনা আছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। তৃণমূল থেকে বিজেপি, মতুয়া ভোটব্যাঙ্ক সবার কাছেই বরাবর আলাদা গুরুত্ব রেখেছে। ঠাকুরবাড়ির সদস্য শান্তনু ঠাকুরকে আগেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী করে মতুয়াগড়ের মন পেয়েছে বিজেপি। আর এবার রাজ্যের মন্ত্রিসভায় সেই এলাকারই প্রতিনিধি অশোক।

    নিশীথ প্রামাণিক: শুভেন্দু অধিকারীর মতোই নিশীথও তৃণমূল থেকে আসা বিজেপি নেতা। তবে উত্থান উল্কাগতিতে। উত্তর গড় ধরে রাখতে নিশীথের উপর ভরসা রেখেছে তৃণমূল। ভরসা রেখেছেনও তিনি। তাই উত্তরের প্রতিনিধি হিসেবেই নিশীথকে মন্ত্রিত্ব দেওয়া হল। শপথ নিলেন মাথাভাঙার বিজেপি বিধায়ক নিশীথ প্রামাণিক। বিশ্লেষকরা আরও বলছেন, এ ক্ষেত্রে মর্যাদা দেওয়া হল রাজবংশী সমাজকেও। রাজবংশী সমাজের মধ্যে নিশীথের জনপ্রিয়তা বিজেপির শক্তি বাড়াতে অনেকটাই সাহায্য করে বলে মনে করা হয়। এর আগে অমিত শাহের ডেপুটি হিসেবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভায় জায়গা পেয়েছিলেন তিনি। আর এবার রাজ্যের মন্ত্রী নিশীথ।

    বাকি সদস্যদের শপথগ্রহণ সোমবার

    বিজেপি সূত্রে খবর, শুভেন্দুর মন্ত্রিসভার বাকি সদস্যদের শপথগ্রহণ হবে আগামী সোমবার, ১১ মে। সে দিনই পরিষ্কার হয়ে যাবে কে কোন দফতর সামলাবেন। জানা গিয়েছে, মন্ত্রী হতে পারেন রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। মন্ত্রী হতে পারেন স্বপন দাশগুপ্ত। মন্ত্রী হতে পারেন অজিত কুমার জানা। মন্ত্রী হতে পারেন শঙ্কর ঘোষ। মন্ত্রী হতে পারেন শারদ্বত মুখোপাধ্যায়। মন্ত্রী হতে পারেন ইন্দ্রনীল খাঁ। মন্ত্রী হতে পারেন দিলীপ ঘোষ। মন্ত্রী হতে পারেন দীপাঞ্জন চক্রবর্তী। মন্ত্রী হতে পারেন জুয়েল মুর্মু। মন্ত্রী হতে পারেন নমন রাই। মন্ত্রী হতে পারেন দীপক বর্মন। মন্ত্রী হতে পারেন বঙ্কিম ঘোষ। মন্ত্রী হতে পারেন সজল ঘোষ। মন্ত্রী হতে পারেন রুদ্রনীল ঘোষ। মন্ত্রী হতে পারেন সুব্রত ঠাকুর। মন্ত্রী হতে পারেন রথীন্দ্রনাথ বসু। মন্ত্রী হতে পারেন জগন্নাথ চট্টোপাধ্যায়। এছাড়াও সম্ভাব্য তালিকায় আরও একাধিক বিজেপি বিধায়ক রয়েছেন। সম্ভাব্য মন্ত্রিসভার তালিকায় আরও অনেকের নাম নিয়ে জল্পনা তুঙ্গে। বিজেপি সূত্রে খবর, মন্ত্রিসভার তালিকা তৈরি করার ক্ষেত্রে কিছু জিনিস মাথায় রেখেছে দল। এক, সমস্ত অঞ্চলগুলোর যেন প্রতিনিধিত্ব থাকে। দুই, সমস্ত স্তরে, জনজাতির মানুষদের মধ্যে থেকে যেন মন্ত্রী থাকেন সেই দিকে নজর দেওয়া হচ্ছে। তিন, বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ দফতর আছে, যেগুলো সামাল দেওয়ার জন্য শিক্ষিত মানুষের দরকার, শহরের মানুষের দরকার, সেই রকম কিছু মানুষকে বেছে নেওয়া হচ্ছে। শেষ এবং গুরুত্বপূর্ণ যে দিকটি খেয়াল রাখা হচ্ছে সেটা হল, গোটা রাজ্যের প্রতিনিধিদের যাতে মন্ত্রিসভায় সামিল করা যায়।

    বিধানসভার স্পিকার হতে পারেন তাপস রায়

    আগামী সোমবার লোক ভবনে রাজ্যপাল আরএন রবি নতুন মন্ত্রিসভার সদস্যদের শপথবাক্য পাঠ করাবেন। তার পর মন্ত্রিসভার বৈঠক হবে। মঙ্গলবার রাজভবনে যাবেন মুখ্যমন্ত্রী প্রোটেম স্পিকারের শপথ করাতে। বিধানসভার নতুন স্পিকার হওয়ার সম্ভাবনা তাপস রায়ের। তার পর আগামী বুধবার এবং বৃহস্পতিবার বিজেপির বিধায়কেরা শপথ গ্রহণ করবেন। শনিবারই মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শুভেন্দুর নামফলক বসে গিয়েছে বিধানসভায়। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ২০৭টি আসনে জয়ী বিজেপি। তৃণমূল জয়ী ৮০টি আসনে। রাজ্যের বিধানসভা আসনের সংখ্যা ২৯৪ হলেও ফলতায় পুনর্নির্বাচন হচ্ছে। সে কারণে ২৯৩টি আসনে ভোটগণনা হয়েছে। তার মধ্যে কংগ্রেস দু’টি, সিপিএম একটি, আইএসএফ একটি এবং আমজনতা উন্নয়ন পার্টি (এজেইউপি) দু’টি আসনে জয়ী হয়েছে।

     

     

     

  • Suvendu Adhikari: ‘যারা সমালোচনা করছে করুক, আমরা শুধু এগিয়ে যাব’, শপথের পর জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

    Suvendu Adhikari: ‘যারা সমালোচনা করছে করুক, আমরা শুধু এগিয়ে যাব’, শপথের পর জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পঁচিশে বৈশাখ, শনিবার কবিগুরুর জন্মদিনকেই বাংলায় পরিবর্তনের সূচনা হিসেবে বেছে নিয়েছিল বিজেপি। এদিন ব্রিগেডে শপথগ্রহণের (West Bengal CM 2026 Oath Ceremony) পর সরাসরি জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে গিয়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। কবিগুরুকে প্রণাম করে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কাজ শুরু করলেন তিনি। এদিন শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভার সব কর্মসূচি বাতিল করা হয়েছে। শুভেন্দু অধিকারী এদিন জোড়াসাঁকো, কালীঘাট মন্দির, শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে যাবেন। বুধবার বিধানসভায় আসবেন। ওই দিন বিধায়করা শপথ গ্রহণ করবেন।

    বাংলাকে নবনির্মাণের ডাক

    ঠাকুরবাড়িতে দাঁড়িয়ে এদিন শুভেন্দু জানান, বাংলার অনেক ক্ষতি হয়েছ গিয়েছে। শিক্ষা হারিয়ে গিয়েছে, সংস্কৃতি ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। জোড়াসাঁকোতে দাঁড়িয়ে বাংলাকে নবনির্মাণ করার ডাক দেন শুভেন্দু। তিনি বলেন, “এখন অনেক দায়িত্ব রয়েছে। এখন একে অপরের সমালোচনার সময় নয়। যারা সমালোচনা করতে চাইছে করুক। আমরা এখন শুধু এগিয়ে যাব। চরৈবতি, চরৈবতি।” তাঁর কথায়, “ধুতি-পাঞ্জাবিতে থাকা ডঃ শ্যামপ্রসাদ মুখার্জির আদর্শের ভিত্তিতে যে দল তৈরি হয়েছে তার কোনও সার্টিফিকেট লাগে না। কোনও বিতর্কিত মন্তব্য করব না। আমি মুখ্যমন্ত্রী, আমি এখন সকলের। যারা সমালোচনা করছেন তাঁদের চৈতন্য হোক।”

    বাঙালির চেতনা কবিগুরুর ভাবনায় হবে

    প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ইচ্ছাতেই রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন ব্রিগেডে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয় বলে জানান শুভেন্দু। তাঁর কথা মেনে শপথ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথম সরকারি কর্মসূচিতে যোগদান করেন তিনি। কবিগুরুকে শ্রদ্ধাজ্ঞাপন করে তাঁর বার্তা, বাংলা ও বাঙালির চেতনা কবিগুরুর চেতনা ও ভাবনায় হবে। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী রবিন্দ্রভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গেও দেখা করতে পা যান। তখন পিছন থেকে বিজেপি কর্মীরা ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান তোলেন। তখন একটু বিরক্তি নিয়েই পিছনে তাকান শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন – ‘কবিগুরু লহ প্রণাম’ স্লোগান তুলতে। সঙ্গে সঙ্গে স্লোগান বদলে হয়ে যায় – ‘কবিগুরু লহ প্রণাম’।

    প্রকৃত উন্নয়নের পথে পশ্চিমবঙ্গ

    উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের ভোটের লড়াইতে প্রথম থেকেই বিজেপিকে ‘বহিরাগত’ দল হিসেবে দাগিয়ে দিতে চেয়েছে তৃণমূল। বাঙালি বনাম অবাঙালি বিভাজনের সমীকরণে পশ্চিমবঙ্গের গদি নিজেদের দখলে রাখতে চেয়েছিল তৃণমূল। তবে সে সব সত্ত্বেও বিপুল সংখ্যাগরিষ্ঠতা নিয়ে বিজেপি বাংলায় সরকার গঠন করল। আজ পশ্চিমবঙ্গের নবম মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ করলেন শুভেন্দু অধিকারী। আর তাঁর শপথ উপলক্ষে যে মঞ্চ তৈরি করা হয়, সেই মঞ্চে দুর্গাপুজো থেকে শুরু করে বাঙালি সংস্কৃতি এবং ঐতিহ্যের ছাপ ছিল মঞ্চে। অনুষ্ঠান স্থলে ছৌ নাচ ও বাউল গানের আয়োজন করা হয়েছিল। অন্যান্য বছরেও ২৫শে বৈশাখ জোড়াসাঁকো ঠাকুরবাড়িতে গিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে এই প্রথম ঠাকুরবাড়িতে ঢুকলেন তিনি। রবীন্দ্র জয়ন্তীতে কবিগুরুকে প্রণাম জানিয়ে তিনি বলেন , ‘‘চিত্ত যেথা ভয় শূন্য, উচ্চ যেথা শির…।’’ রাজ্যের নতুন মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এ বার প্রকৃত উন্নয়নের পথে চলবে পশ্চিমবঙ্গ।

  • CM Suvendu Adhikari: মমতার নেমপ্লেট সরিয়ে বিধানসভায় বসল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর নাম, ১৫ বছর পর আমূল বদলের ছবি

    CM Suvendu Adhikari: মমতার নেমপ্লেট সরিয়ে বিধানসভায় বসল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর নাম, ১৫ বছর পর আমূল বদলের ছবি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: শনিবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। এর সঙ্গে বিধানসভাতে (West Bengal Assembly) পরিবর্তন লক্ষ্য করে গেল। যেখানে এতদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নেমপ্লেট ছিল। সেখানে আজ বসানো হল শুভেন্দু অধিকারীর নেমপ্লেট। বাকি ঘরগুলিও খোলা হয়েছে। দফতর নির্ধারিত হওয়ার পরেই সেখানেও নেপপ্লেট বসে যাবে। এখন যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চলছে রাজ্য বিধানসভা চত্বরে। বিধানসভা রং করা থেকে শুরু করে সংস্কারের কাজ চলছে জোরকদমে। বিধানসভাকে মুড়ে ফেলা হচ্ছে গেরুয়া আলোয়৷ ইতিমধ্যেই বসানো হচ্ছে ৩৫০টি আলোর সেট।

    ১৫ বছর পর রাজ্যে পালাবদল…

    ১৫ বছর পর রাজ্যে পালাবদল হয়েছে। বিধানসভার ভেতর ও বাইরের সাজসজ্জাও অনেকটা বদলে গিয়েছে। এ বার আর বিরোধী দলনেতা নয়, মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে বিধানসভায় প্রবেশ করবেন শুভেন্দু। তাঁর বসার ব্যবস্থাও মুখ্যমন্ত্রীর পুরনো ঘরে। প্রথমে ঠিক হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রী বসবেন অ্যানেক্স বিল্ডিংয়ে। কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীদের কথা মাথায় রেখে এবং অন্য কয়েকটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে ঠিক হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীদের জন্য নির্দিষ্ট ঘরেই বসবেন শুভেন্দু। নতুন সরকারের শপথগ্রহণের দিন তোড়জোড় দেখা গেল বিধানসভায়। মুখ্যমন্ত্রীর ঘর নতুন করে সাজানোর পাশাপাশি জিনিসপত্র গোছগাছের কাজ চলছে। শুক্রবার পর্যন্ত বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রীর ঘরে ছিল মমতার নামে নেমপ্লেট। শনিবার, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর, ওই ঘরে বসল শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) নেমপ্লেট। অন্যদিকে, বিরোধী দলনেতা হিসেবে যে ঘরে বসতেন শুভেন্দু, সেখান থেকে তার নাম সরিয়ে ফেলা হয়েছে বলে জানা যাচ্ছে।

    বিধানসভায় আমূল পরিবর্তন…

    বিধানসভায় প্রত্যেক দফতরের মন্ত্রীর জন্য বসার নির্দিষ্ট ঘর রয়েছে। পার্থ চট্টোপাধ্যায়, মলয় ঘটক, শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য এবং ফিরহাদ হাকিমরা যে ঘরগুলিতে বসতেন, সেগুলি পরিস্কার করা হয়েছে। এমনকি নেমপ্লেটও বদল করা হয়েছে। প্রায় চার বছর পর খোলা হল রাজ্যের প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের ঘর। নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় পার্থ গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে ওই ঘরটি তালাবন্ধ অবস্থায় ছিল। শুক্রবার তালা খুলে ঘরটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করা হয়েছে। বিধানসভার সব ফ্লোরেই পরিবর্তন চোখে পড়েছে। প্রাক্তন সরকারি মুখ্য সচেতক নির্মল ঘোষ, প্রাক্তন ডেপুটি চিফ গভর্নমেন্ট হুইপ দেবাশিস কুমার, প্রাক্তন শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসুর নামফলক স্ক্রু ড্রাইভার দিয়ে খোলা হয়। সরকারি প্রটোকল মেনে ঘরগুলি ‘স্যানিটাইজ’ করছে পিডব্লিউডি বা পূর্ত দফতর। নতুন আসবাবপত্র আনা হচ্ছে। সব মিলিয়ে এক আমূল পরিবর্তনের ছবি ধরা পড়ছে বিধানসভার অলিন্দে।

    বিধানসভাতেই তৈরি হবে সিএমও

    এদিকে, বিধানসভাতেই তৈরি হবে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয় (Chief Minister’s Secretariat)। এতদিন নবান্ন থেকে সরকার পরিচালনা করতেন মমতা। ২০১৩ সালে রাজ্যের প্রশাসনিক সদর গঙ্গার ও পারে নবান্নে সরিয়ে নিয়ে যান তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। তিনি জানিয়েছিলেন, বছর দশেকের মধ্যে রাইটার্স বিল্ডিংয়ে সংস্কারের কাজ শেষ হলে আবার সচিবালয় ফিরবে সেখানে। যদিও তিনি ফেরেননি। তবে বিজেপি নেতৃত্ব আগেই জানিয়েছিলেন, ক্ষমতায় এসে নবান্ন নয়, রাজ্য সচিবালয় চলবে রাইটার্স বিল্ডিংস বা মহাকরণ থেকেই। তবে, সেখানে সংস্কারের কাজ ৫০ শতাংশও হয়নি। মহাকরণে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari) জন্য নির্দিষ্ট ঘর এখনও তৈরি হয়নি। ফলে যতদিন না তা তৈরি হচ্ছে, ততদিন বিধানসভার বাইরের প্ল্যাটিনাম জুবলি কক্ষ থেকে মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয় কাজ করবেন তিনি। সূত্রের খবর, মহাকরণে সংস্কারের জন্য আপাতত মাস ছয়েক বিধানসভা থেকে সচিবালয় চালাতে পারেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী। মুখ্যমন্ত্রীর সচিবালয় বা সিএমও-র আধিকারিকরা আপাতত বিধানসভার প্ল্যাটিনাম জয়ন্তী স্মারক ভবনে বসবেন বলেই ঠিক হয়েছে। এই ভবনে দু’টি হল, গ্রন্থাগার ছাড়াও পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে। কোনও দপ্তরের মন্ত্রী বা সচিবের সেখান থেকে অফিসে করতে কোনও সমস্যা হবে না। রাইটার্স বিল্ডিংসের সংস্কারের কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গেলে গোটা সচিবালয় সেখানে উঠে আসার কথা। তবে নবান্নে মুখ্যমন্ত্রী বা গুরুত্বপূর্ণ কোনও মন্ত্রী না–বসলেও কিছু দফতর সেখানে থাকতে পারে।

  • India’s Next CDS: দেশের নতুন সেনা সর্বাধিনায়ক হচ্ছেন এনএস রাজা সুব্রমণি, পরবর্তী নৌসেনা প্রধান কৃষ্ণ স্বামীনাথন

    India’s Next CDS: দেশের নতুন সেনা সর্বাধিনায়ক হচ্ছেন এনএস রাজা সুব্রমণি, পরবর্তী নৌসেনা প্রধান কৃষ্ণ স্বামীনাথন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতের নতুন সেনা সর্বাধিনায়ক বা চিফ অফ ডিফেন্স স্টাফ (CDS) হচ্ছেন লেফটেন্যান্ট জেনারেল এনএস রাজা সুব্রমণি। শনিবার সকালে ওই পদে তাঁকে নিয়োগ করার কথা ঘোষণা করেছে কেন্দ্রীয় সরকার। সেনা সর্বাধিনায়ক (India’s Next CDS) হওয়ার পর স্থলসেনা, নৌসেনা এবং বায়ুসেনা— তিন বাহিনীর প্রধান হিসেবে কাজ করবেন সুব্রমণি। দেশের নতুন নৌসেনা প্রধানকেও নিয়োগ করেছে কেন্দ্র। নৌসেনার ভাইস অ্যাডমিরাল পদমর্যাদার অফিসার কৃষ্ণ স্বামীনাথন চলতি মাসের শেষে নৌসেনা প্রধান হিসেবে দায়িত্ব নেবেন।

    কবে থেকে দায়িত্ব গ্রহণ

    বর্তমানে দেশের সেনা সর্বাধিনায়ক (India’s Next CDS) পদে আছেন জেনারেল অনিল চৌহান। আগামী ৩০ মে তাঁর কার্যকালের মেয়াদ শেষ হচ্ছে। তার পরেই সিডিএস পদে দায়িত্ব নেবেন সুব্রমণি। কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রক একটি বিবৃতিতে জানিয়েছে, সুব্রমণি সিডিএস-এর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের সামরিক বিষয়ক দফতরের সচিব হিসেবেও কাজ করবেন। বর্তমানে নৌসেনার মাথায় আছেন অ্যাডমিরাল দীনেশকুমার ত্রিপাঠী। আগামী ৩১ মে তাঁর কার্যকালের মেয়াদও শেষ হচ্ছে। তারপরই দায়িত্ব নেবেন নৌসেনা প্রধান। পরবর্তী নৌসেনা প্রধান স্বামীনাথন বর্তমানে মুম্বইয়ে পশ্চিম নেভাল কমান্ডের মাথায় রয়েছেন। এর আগে নৌসেনার উপপ্রধানের দায়িত্বও সামলেছেন। ক্ষেপণাস্ত্রবাহী রণতরী আইএনএস বিদ্যুৎ, আইএনএস বিনাশ, ক্ষেপণাস্ত্রবাহী করভেট আইএনএস কুলিশ, ক্ষেপণাস্ত্র ধ্বংসকারী আইএনএস মহীশূর এবং বিমানবাহী রণতরী আইএনএস বিক্রমাদিত্যের কমান্ডার ছিলেন তিনি।

    জাতীয় ডিফেন্স অ্যাকাডেমি থেকে সেনা সর্বাধিনায়ক

    জাতীয় ডিফেন্স অ্যাকাডেমিতে ছিলেন সুব্রমণি (Lt Gen NS Raja Subramani)। সেখান থেকে ১৯৮৫ সালে যান গারওয়াল রাইফেল্‌স-এ। ব্রিটেনে জয়েন্ট সার্ভিসেস কমান্ড স্টাফ কলেজে কয়েক বছরের জন্য যোগ দিয়েছিলেন। দেশে ফেরার পর তাঁকে পর্বত ব্রিগেডের ব্রিগেড মেজর হিসেবে নিয়োগ করা হয়। এর পর ন্যাশনাল ডিফেন্স কলেজেও ছিলেন সুব্রমণি। ৩৫ বছরের দীর্ঘ কর্মজীবনে তিনি একাধিক সংঘাতপ্রবণ এলাকায় সংবেদনশীল পদের দায়িত্ব সামলেছেন। কাজাখাস্তানের ভারতীয় দূতাবাসেও ছিলেন একসময়। সেনাবাহিনীতে নজরকাড়া কাজের জন্য একাধিক সম্মান লাভ করেছেন তিনি। ২০২৩ সালে সুব্রমণি সেন্ট্রাল কমান্ডের কমান্ডিং ইন চিফ জেনারেল অফিসার নিযুক্ত হয়েছিলেন। তার পরের বছরেই দেশের ৪৭তম ভাইস সিডিএস হিসেবে দায়িত্ব নেন। সক্রিয় সামরিক চাকরি থেকে অবসরের পর সুব্রমণি আপাতত জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের সামরিক পরামর্শদাতা হিসেবে কাজ করছিলেন। এ বার তাঁকে তিন বাহিনীর প্রধানের দায়িত্ব দেওয়া হল।

  • Suvedu Adhikari: সমাজমাধ্যমে ‘মুখ্যমন্ত্রী’ জুড়ে নিলেন শুভেন্দু, এখনও ‘প্রাক্তন’ লিখলেন না মমতা! বদলে কী করলেন?

    Suvedu Adhikari: সমাজমাধ্যমে ‘মুখ্যমন্ত্রী’ জুড়ে নিলেন শুভেন্দু, এখনও ‘প্রাক্তন’ লিখলেন না মমতা! বদলে কী করলেন?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: সমাজমাধ্যমে শনিবার নিজের পরিচয় বদলালেন শুভেন্দু অধিকারী (Suvedu Adhikari)। নামের সঙ্গে জুড়লেন ‘মুখ্যমন্ত্রী’ পরিচয়। তবে ভাঙলেন কিন্তু মচকালেন না প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম পেজ বা এক্স হ্যান্ডলে নিজের নামের পাশে এতদিন ‘প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী’ লেখেননি মমতা। শুধু উল্লেখ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তাঁর কার্যকালের মেয়াদ। আজ থেকে সমাজমাধ্যমে মমতার নতুন পরিচয়— ‘সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারপার্সন এবং পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী (পঞ্চদশ, ষোড়শ এবং সপ্তদশ বিধানসভা)’।

    সমাজমাধ্যমে পরিচয় বদল

    অন্য দিকে, শনিবার শপথ নেওয়ার পরে শুভেন্দুর সমাজমাধ্যম-পরিচয় হয়েছে ‘পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী’। গত ৪ মে বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের পরাজয়ের পরেও প্রথা মেনে মুখ্যমন্ত্রী পদে ইস্তফা দেননি মমতা। সাংবিধানিক বিধি অনুযায়ী ৭ মে পর্যন্ত তাঁর সরকারের মেয়াদ ছিল। সেই রাতে পশ্চিমবঙ্গের সপ্তদশ বিধানসভা ভেঙে দেওয়ার বিজ্ঞপ্তি জারি করেন রাজ্যপাল আরএন রবি। অর্থাৎ, বিধানসভার অস্তিত্বও আর নেই। কিন্তু সমাজমাধ্যমে তিনি নিজের পরিচয় পরিবর্তন করেননি। শনিবার সকাল পর্যন্ত সেখানে নিজেকে ‘পশ্চিমবঙ্গের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী’ বলে পরিচিত করছেন তিনি। তাঁর ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রাম পেজ বা এক্স হ্যান্ডল খুললেই সেই পরিচয় দেখা যাচ্ছিল। কিন্তু বেলা গড়াতেই তা বদলে গেল। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের ফলাফল বলছে ২৯৪ (ভোট হয়েছে ২৯৩ আসনে) আসনের মধ্যে ২০৭টি আসন বিজেপি জিতে নিয়েছে। শাসকদল তৃণমূল পেয়েছে ৮০টি আসন। নিজের কেন্দ্র ভবানীপুর থেকে শুভেন্দুর কাছে ১৫ হাজারের বেশি ভোটে পরাজিত হয়েছেন মমতা।

    কলকাতা পুলিশের সোশ্যাল মিডিয়াতে পরিবর্তন

    কলকাতা পুলিশের সোশ্যাল মিডিয়াতেও বড় ধরনের পরিবর্তন ঘটানো হল। ‘আনফলো’ করা হয়েছে সদ্য প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) এবং তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee)। অন্যদিকে ‘ফলো’র তালিকায় যুক্ত হয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের এক্স অ্যাকাউন্ট। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর অফিস অর্থাৎ পিএমও এবং অমিত শাহের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককেও সংযুক্ত করা হয়েছে ‘ফলো’র তালিকায়। আগে থেকেই কলকাতা পুলিশের এক্স হ্যান্ডেলে ফলো’র তালিকায় ছিলেন বিদায়ী বিরোধী দলনেতা তথা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দল এবার ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে তাই শুধু নয়, তিনি নিজেও ভবানীপুরে হেরে গিয়েছেন। ফলে এই মুহূর্তে তিনি লোকসভা এবং বিধানসভার সদস্য নন। তার বিরোধী দলনেতা হওয়ারও কোনও সুযোগ নেই। তিনি এখন শুধুই তৃণমূলের চেয়ারপারসন।

    কেন ফলো করা হতো না প্রধানমন্ত্রী-স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে

    বলাই বাহুল্য কলকাতা পুলিশের এই সিদ্ধান্তের পেছনে নির্বাচনী ফলাফল একটি কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। যদিও এই সিদ্ধান্ত নিয়ে নানা মহলে বিতর্ক আছে। কোনও কোনও মহলের বক্তব্য, সরকারি প্রতিষ্ঠান বিশেষ করে পুলিশের কাজের স্বার্থেই সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মে ফলোর তালিকায় রাজনৈতিক প্রশাসনিক এবং সামাজিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের নাম ফলো’র তালিকায় থাকা বাঞ্ছনীয়। সেই কারণেই প্রশ্ন উঠেছে এতদিন কলকাতা পুলিশের সোশ্যাল মিডিয়া প্লাটফর্মের ফলো’র তালিকায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, পিএমও, হোম মিনিস্ট্রি সহ গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও মন্ত্রকের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেল কেন ফলো করা হতো না?

LinkedIn
Share