Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Election Commission: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিতে কমিশন অত্যন্ত তৎপর, ৯ মার্চ রাজ্যের ফুল বেঞ্চ আসার সম্ভাবনা

    Election Commission: আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতিতে কমিশন অত্যন্ত তৎপর, ৯ মার্চ রাজ্যের ফুল বেঞ্চ আসার সম্ভাবনা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬-এর দামামা কার্যত বেজে গিয়েছে। রাজ্যের রাজনৈতিক উত্তাপের সমান্তরালে প্রশাসনিক তৎপরতাও এখন তুঙ্গে। সম্প্রতি ভোটার তালিকার ‘বিশেষ নিবিড় সংশোধন’ (Special Intensive Revision বা SIR) প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সম্ভাব্য পশ্চিমবঙ্গ সফরকে কেন্দ্র করে জল্পনা তীব্রতর হয়েছে। সুষ্ঠু ও অবাধ নির্বাচন পরিচালনার লক্ষ্যে কমিশন (Election Commission) এখন অন্তিম মুহূর্তের প্রস্তুতি খতিয়ে দেখছে।

    নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চের সফর (Election Commission)

    সূত্রের খবর, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (Election Commission) জ্ঞানেশ কুমারের নেতৃত্বে কমিশনের ফুল বেঞ্চ আগামী ৯ মার্চ দু’দিনের সফরে রাজ্যে আসতে পারে। এই সফর অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ, কারণ সাধারণত কমিশনের শীর্ষ আধিকারিকদের এই ধরনের পরিদর্শনের পরপরই নির্বাচনের নির্ঘণ্ট বা তফসিল ঘোষণা করা হয়। এই সফরে কমিশন রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং জেলাশাসক ও পুলিশ সুপারদের সঙ্গে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করবেন।

    ভোটার তালিকা ও এসআইআর বিতর্ক

    এবারের নির্বাচনের অন্যতম আলোচিত বিষয় হলো ভোটার তালিকার সংশোধন। এসআইআর প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক নাম বাদ পড়া নিয়ে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যে বিতর্ক দানা বেঁধেছে। খসড়া তালিকায় (SIR) ৭ কোটি ৮ লক্ষেরও বেশি নাম থাকলেও, বিভিন্ন কারণে প্রায় ৬৩ লক্ষ ৬৬ হাজার নাম বাদ পড়েছে। বর্তমানে রাজ্যে অনুমোদিত ভোটারের সংখ্যা প্রায় ৬ কোটি ৪৪ লক্ষ। প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটার ‘আন্ডার অ্যাডজুডিকেশন’ বা বিবেচনাধীন পর্যায়ে রয়েছেন। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী, এই নামগুলোর যাচাইকরণ প্রক্রিয়া চলতেই থাকবে এবং যোগ্য প্রমাণিত হলে সম্পূর্ণ তালিকার মাধ্যমে তাদের ভোটাধিকার (Election Commission) নিশ্চিত করা হবে।

    বুথ বিন্যাস ও কেন্দ্রীয় বাহিনী

    ভোটার সংখ্যা নিয়ে অনিশ্চয়তার কারণে কমিশন (Election Commission) এবার নতুন করে বড় আকারের বুথ পুনর্বিন্যাসের পরিকল্পনা থেকে সরে এসেছে। বর্তমানে রাজ্যে বুথের সংখ্যা ৮০,৬৮১টি। তবে নাগরিক সুবিধার কথা মাথায় রেখে বহুতল আবাসনগুলোতে কিছু অতিরিক্ত বুথ করা হতে পারে। নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইতিমধ্যেই রাজ্যে কেন্দ্রীয় বাহিনী (CAPF) আসতে শুরু করেছে। প্রাথমিক পর্যায়ে ৪৮০ কোম্পানি বাহিনী মোতায়েনের পরিকল্পনা রয়েছে, যার বড় অংশই থাকবে উত্তর ২৪ পরগনা ও মুর্শিদাবাদের মতো স্পর্শকাতর জেলাগুলোতে।

    নির্বাচনের সম্ভাব্য নির্ঘণ্ট ও পর্যায়

    ২০২১ সালের নির্বাচন আট দফায় অনুষ্ঠিত হলেও, ২০২৬-সালে কয় দফায় হবে তা নিয়ে জল্পনা চলছে। নিরাপত্তার কড়াকড়ি এবং ভৌগোলিক গুরুত্ব বিবেচনা করে কমিশন সম্ভবত ছয় থেকে সাত দফায় ভোট গ্রহণ করতে পারে। মে মাসের প্রথম সপ্তাহের মধ্যেই নতুন বিধানসভা গঠনের বাধ্যবাধকতা থাকায়, মার্চের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে ভোট ঘোষণার প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে।

    গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় ভোটার তালিকাই (SIR) হলো মূল ভিত্তি। সেই তালিকার স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং প্রতিটি নাগরিকের ভোটাধিকার নিশ্চিত করা নির্বাচন কমিশনের প্রাথমিক দায়িত্ব। আগামী সপ্তাহে কমিশনের ফুল বেঞ্চের সফরের পর বাংলার নির্বাচনী চিত্রটি আরও স্পষ্ট হবে। অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর একটি নির্বাচনের (Election Commisison) প্রত্যাশায় এখন দিন গুনছে গোটা রাজ্য।

  • Nitin Nabin: ইসলামপুরের নাম ‘ঈশ্বরপুর’ পরিবর্তন প্রসঙ্গে সরব বিজেপি নেতা নিতিন নবীন

    Nitin Nabin: ইসলামপুরের নাম ‘ঈশ্বরপুর’ পরিবর্তন প্রসঙ্গে সরব বিজেপি নেতা নিতিন নবীন

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুরের নাম পরিবর্তন করে ‘ঈশ্বরপুর’ রাখার দাবিতে ফের সরব হলেন বিজেপির সর্ব ভারতীয় সভাপতি নিতিন নবীন (Nitin Nabin)। সম্প্রতি উত্তর দিনাজপুরের ইসলামপুর সফরে এসে দলীয় এক সভায় দীর্ঘদিনের দাবিটিকে পুনরায় তুলে ধরেছেন। রবিবার, ১ মার্চ কোচবিহারে পরিবর্তন যাত্রার সূচনা করেছে বিজেপি। তৃণমূলের দুর্নীতি এবং মাত্রা ছাড়া নারী ধর্ষণের বিরুদ্ধে জনমনে সাহস জোগাতে বিশেষ এই যাত্রা বলে দাবি বিজেপির।

    ঐতিহাসিক দাবির পুনরাবৃত্তি (Nitin Nabin)

    নিতিন নবীন (Nitin Nabin) তাঁর ভাষণে উল্লেখ করে বলেন, “ইসলামপুরের প্রাচীন পরিচিতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে ‘ঈশ্বরপুর’ নামটি গভীরভাবে সম্পৃক্ত। রাজনৈতিক পটপরিবর্তন হলে এই নাম পরিবর্তনের বিষয়টি অগ্রাধিকার পাবে। এই মাটির সঙ্গে  জড়িয়ে আছে হিন্দু রাজা লক্ষ্মণ সেন, সমাজসংস্কারক ঠাকুর পঞ্চানন বর্মা এবং বিপ্লবী পূর্ণচন্দ্র দাসের স্মৃতি। ইসলামপুরকে ঈশ্বরপুর করার জন্য বিজেপি-র এই পরিবর্তন যাত্রাকে শঙ্খধ্বনি দিয়ে স্বাগত জানান৷ ইসলামপুর আর থাকবে না, ঈশ্বরপুর হবে৷ আপনাদের স্বপ্ন পূরণ হবে৷ রাজবংশী সম্প্রদায়ের মহান সমাজ সংস্কারক ঠাকুর পঞ্চানন বর্মা, বাংলার শেষ হিন্দু রাজা লক্ষ্মণ সেন এবং স্বাধীনতা সংগ্রামী পূর্ণচন্দ্র দাসের স্মৃতি বিজড়িত এই মাটিকে ঈশ্বরপুর আমরা বানিয়েই ছাড়ব৷”

    তৃণমূলকে আক্রমণ

    নাম পরিবর্তনের দাবিকে কেন্দ্র করে রাজ্য সরকার ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সমালোচনা করে নিতিন নবীন (Nitin Nabin) আরও বলেন, “বর্তমান শাসক দল তুষ্টিকরণের রাজনীতি করছে বলেই সাধারণ মানুষের ভাবাবেগকে গুরুত্ব দিচ্ছে না। বাংলাদেশি রোহিঙ্গাদের জন্য কালো কোর্ট পড়ে সুপ্রিম কোর্টে গিয়েছিলেন, কিন্তু এখানকার মা বোনদের কিছু হলে তখন মুখ্যমন্ত্রী চুপ করে থাকেন। বাংলাদেশি ভোটারদের বাঁচানোর জন্য ধর্নায় বসতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু আমরা আসাম, বিহারে বাংলাদেশী অনুপ্রবেশকারী রোহিঙ্গাদের চিহ্নত করে বাংলাদেশে পাঠিয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি।”

    মনোবল চাঙ্গা করতেই সফর

    নিতিন নবীনের (Nitin Nabin) এই মন্তব্যকে কেন্দ্র করে স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি হয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস এই দাবিকে বিভাজনের রাজনীতি বলে কটাক্ষ করলেও, বিজেপি সমর্থকরা এই দাবিকে স্বাগত জানিয়েছেন। আসন্ন নির্বাচনের আগে উত্তরবঙ্গে দলের সংগঠন মজবুত করতে এবং কর্মীদের মনোবল চাঙ্গা করতেই তাঁর এই সফর। নাম পরিবর্তনের এই আবেগকে তিনি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছেন বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। বিজেপি ক্ষমতায় এলে মানুষের দীর্ঘদিনের এই দাবি পূরণে সচেষ্ট হবে।

  • Suvendu Adhikari: “নাস্তিকতা নিপাত যাক, সেকুলারিজম নিপাত যাক”, ভবানীপুরে হোলির উৎসবে বার্তা শুভেন্দুর

    Suvendu Adhikari: “নাস্তিকতা নিপাত যাক, সেকুলারিজম নিপাত যাক”, ভবানীপুরে হোলির উৎসবে বার্তা শুভেন্দুর

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোলপূর্ণিমা এবং বসন্ত উৎসবের আবহে কলকাতার ভবানীপুর এলাকায় হোলি উদ্‌যাপনে শামিল হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। রাজনৈতিক ব্যস্ততার মাঝেও এদিন তাঁকে স্থানীয় বাসিন্দাদের সঙ্গে রঙের উৎসবে মেতে উঠতে দেখা যায়। ভবানীপুরের (Bhawanipur) হরিশ মুখার্জি রোড সংলগ্ন এলাকায় পৌঁছে শুভেন্দু অধিকারী সাধারণ মানুষের সঙ্গে আবির খেলেন এবং তাঁদের হোলির শুভেচ্ছা জানান।

    অশুভ শক্তির বিনাশ (Suvendu Adhikari)

    দোলের দিনে স্থানীয় বাসিন্দাদের পক্ষ থেকে শুভেন্দুকে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয়। প্রথাগত রঙের উৎসবের পাশাপাশি ভক্তিমূলক গানেও অংশ নেন তিনি। গান ধরেন ‘গোরা গোরা গৌরাঙ্গ, হিন্দু হিন্দু ভাই ভাই’। পরনে ছিল গৈরিক বসন। সঙ্গে ছিলেন বিজেপি সমর্থকরা। হোলির উৎসবে অংশ গ্রহণে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট সাধুসন্তরা। শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বলেন, “নাস্তিকতা নিপাত যাক। সেকুলারিজ়ম নিপাত যাক। হিন্দুরা যাতে পশ্চিমবঙ্গে সুরক্ষিত থাকে এই প্রার্থনা করব।” সংবাদমাধ্যমকে আরও বলেন, “হোলি হল অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সম্প্রীতির প্রতীক। এই উৎসবের রঙ যেন সাধারণ মানুষের জীবনে আনন্দ ও শান্তি বয়ে আনে, সেই কামনাই কামনাই জানাই।

    ভবানীপুর লড়াইয়ে আত্মবিশ্বাসী বিজেপি

    ২০২১ সালে নন্দীগ্রামে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় হেরে যাওয়ার পর ভবানীপুর (Bhawanipur) থেকে পুনরায় নির্বাচিত হয়েছিলেন। তবে গত লোকসভা ভোটে এই এলাকায় তৃণমূলের তুলানয় অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে বিজেপি। আগামী বিধানসভার নির্বাচনে রাজনৈতিকভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই বিধানসভা। কারণ ইতিমধ্যে বিজেপির তরফে বিশেষ ওয়াররুম গঠন করা হয়েছে। এই এলাকায় ইতিমধ্যে এসএইআরে ৬০ হাজার নাম বাদ হয়েছে। ফলে ভোট অঙ্কের সমীকরণে হিন্দু ভোটের পাল্লা ভারি। অপর দিকে আরেক অনুষ্ঠানে মমতাও পাল্টা তোপ দেগে বলেছেন যে ভবানীপুরে তৃণমূলই জিতবে। বিরোধী দলনেতার (Suvendu Adhikari) এই উপস্থিতি ও জনসংযোগ বিশেষ নজর কেড়েছে। তবে এদিন রাজনীতির ঊর্ধ্বে উঠে উৎসবের মেজাজই ছিল প্রধান।

  • Parivartan Yatra: আমতায় রাজনাথ সিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে মমতাকে পুরনো দিনের কথা মনে করালেন শমীক ভট্টাচার্য

    Parivartan Yatra: আমতায় রাজনাথ সিংয়ের পাশে দাঁড়িয়ে মমতাকে পুরনো দিনের কথা মনে করালেন শমীক ভট্টাচার্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আমতার জনসভায় কেন্দ্রীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের উপস্থিতিতেই তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানালেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya)। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে আয়োজিত বিজেপির ‘পরিবর্তন যাত্রা’-র (Parivartan Yatra) মঞ্চ থেকে এদিন তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে তাঁর রাজনৈতিক ইতিহাসের কথা মনে করিয়ে দেন।

    ‘দুর্বল চিত্রনাট্য’ (Parivartan Yatra)

    শমীক ভট্টাচার্য (Shamik Bhattacharya) তাঁর ভাষণে বলেন, “বর্তমানে তৃণমূল কংগ্রেস যে রাজনৈতিক কৌশল গ্রহণ করছে, তা আসলে একটি ‘দুর্বল চিত্রনাট্য’।” একই ভাবে সিঙ্গুর আন্দোলনের সময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্মতলার অনশন মঞ্চের প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, “সে সময় মুখ্যমন্ত্রী যে রাজনৈতিক সঙ্কটের মুখে পড়েছিলেন, সেখান থেকে তাঁকে উদ্ধার করতে এগিয়ে এসেছিলেন আজকের মঞ্চে উপস্থিত রাজনাথ সিং। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেই অটলবিহারী বাজপেয়ী ও লালকৃষ্ণ আদবানির এনডিএ জোটের শরীক ছিলেন এবং বিজেপিকে অসাম্প্রদায়িক দল হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিলেন। অথচ বর্তমানে সেই তৃণমূলের শাসনকালেই বিজেপি কর্মীদের ওপর অত্যাচার (Parivartan Yatra) চালানো হচ্ছে।”

    বাংলার মাটি থেকেই পরিবর্তনের ডাক এসেছে

    শমীক ভট্টাচার্যের (Shamik Bhattacharya) সুরেই সুর মিলিয়ে রাজনাথ সিংও এদিন তৃণমূল সরকারের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি দাবি করে বলেন, “এবার আর এদিক ওদিক হলে হবে না। আর টিএমসির অত‍্যাচার চলবে না। এবার মমতা যাচ্ছেন। বাংলার উৎসাহ তাই বলে দিচ্ছে। বাংলায় পরিবর্তন হলে দারুণ গতিতে উন্নয়ন হবে। বিকাশ আর প্রগতি কেউ আটকাতে পারবে না। বাংলার মানুষ এবার পরিবর্তনের জন্য তৈরি এবং বর্তমান সরকারের দুর্নীতির অবসান ঘটিয়ে বিজেপিই রাজ্যে উন্নয়নের (Parivartan Yatra) জোয়ার আনবে।”

    রাজ্যে একাধিক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী

    রাজ্যে পরিবর্তনের ডাকে বিজেপি একাধিক জেলা থেকে পরিবর্তন সংকল্পের (Parivartan Yatra) ডাক দিয়েছে। ইতিমধ্যে নানা প্রান্ত থেকে যাত্রা শুরু হয়েছে। কেন্দ্রের হেভি ওয়েট নেতারা এই কর্মকাণ্ডে যোগদান করেছেন। মমতার বিরুদ্ধে প্রচারকে আরও জোরদার করতে বিজেপি ভোটের প্রচারকে আরও জোরদার করেছে। রাজ্যের তৃণমূলকে সরিয়ে বিজেপি সরকার গঠন করতে দৃঢ় সংকল্প গ্রহণ করেছে। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ, প্রতিরক্ষা মন্ত্রী রাজনাথ সিং, কৃষি মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান, শিক্ষা মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান সহ অনেক নেতা এখান বঙ্গে পরিবর্তনের ডাক দিয়েছেন। এই পরিবর্তন যাত্রার মূল লক্ষ্য হল মানুষের মনে তৃণমূলের ভয়কে দূরে সরিয়ে দেওয়া।

  • India vs Afghanistan: ভারত সফরে আসছে আফগানিস্তান, ফের জাতীয় দলের জার্সিতে দেখা যাবে রো–কো জুটিকে

    India vs Afghanistan: ভারত সফরে আসছে আফগানিস্তান, ফের জাতীয় দলের জার্সিতে দেখা যাবে রো–কো জুটিকে

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দেশের হয়ে টি–২০ আর টেস্ট খেলেন না বিরাট ও রোহিত। অংশ নেন শুধু একদিনের ক্রিকেটে। তাই এখন খেলা নেই দুই তারকার। টি–২০ বিশ্বকাপে ভারতের ম্যাচ দেখছেন মাঠের বাইরে বসেই। কিন্তু তিন মাস পরেই আবার দেশের জার্সিতে দেখা যাবে দুই তারকাকে। আফগানিস্তানের বিরুদ্ধে ঘরের মাঠে তিন ম্যাচের একদিনের সিরিজ খেলবে টিম ইন্ডিয়া। সেখানে এই জুটিকে ফের দেখতে পাওয়া যাবে ভারতীয় দলের জার্সিতে। বিসিসিআই সোমবার আফগানিস্তান সিরিজের সূচি ঘোষনা করে।

    ভারত সফরে আফগানিস্তান

    জুন মাসে ভারত সফরে আসছে আফগানিস্তান। একটি টেস্ট ও তিনটি একদিনের ম্যাচ খেলবে তারা। সেখানেই খেলবেন রোহিত, কোহলি। প্রথমে টেস্ট ম্যাচ। ৬ জুন থেকে নিউ চণ্ডীগড়ে হবে সেই খেলা। দেশের জার্সিতে ফিরবেন টেস্ট অধিনায়ক শুভমান গিলও। টি–২০ বিশ্বকাপের দলে সুযোগ না পাওয়ায় আপাতত তিনিও মাঠের বাইরে। অর্থাৎ, দুই নয়, তিন তারকার প্রত্যাবর্তন হবে দেশের জার্সিতে। ১৪ জুন প্রথম একদিনের ম্যাচ। খেলা হবে ধর্মশালায়। ১৭ জুন লখনউ ও ২০ জুন চেন্নাইয়ে বাকি দু’টি ম্যাচ হবে। এই তিনটি ম্যাচে খেলবেন রোহিত, কোহলি। সেখানেও অধিনায়ক হিসাবে দেখা যাবে শুভমানকে।

    রো-কো জুটির বিশ্বকাপের প্রস্তুতি

    ভারতের জার্সিতে নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে একদিনের সিরিজ খেলেছিলেন রোহিত ও কোহলি। তার পর পাঁচ মাসের বিরতি পাচ্ছেন তাঁরা। কোহলি লন্ডনে স্ত্রী ও সন্তানদের কাছে ফিরে গিয়েছিলেন। যদিও আইপিএলের প্রস্তুতি নিতে আবার দেশে ফিরেছেন তিনি। রোহিত এবারের টি–২০ বিশ্বকাপে আইসিসির দূত। বিভিন্ন মাঠে দেখা যাচ্ছে তাঁকে। ভারত–পাকিস্তান ম্যাচের আগে সূর্যকুমার যাদবদের ডাগ আউটেও গিয়েছিলেন তিনি। ২০২৭ সালে একদিনের বিশ্বকাপ রয়েছে। রোহিত, কোহলি দু’জনেরই লক্ষ্য সেখানে খেলা। কিন্তু তার জন্য তাঁদের ধারাবাহিকভাবে রান করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। গত কয়েকটি সিরিজে তাঁরা রানও পেয়েছেন। রোহিতের থেকেও কোহলি অনেক বেশি সফল। বেশ কয়েকটি শতরান করেছেন। ফিটনেসেও সমস্যা নেই তাঁদের। বিরাট দারুণ ব্যাট করলেও, রোহিত সেভাবে নিজেকে মেলে ধরতে পারেননি। বিশ্বকাপের আগে ফর্মে ফেরা জরুরী হিটম্যানের। আর সে কারণেই এই সিরিজ খুব গুরুত্বপূর্ণ তাঁর কাছে।

  • Dol Utsav 2026: কোন দেবতার পায়ে দেবেন কোন রঙের আবির? দোল খেলার আগে জেনে নিন রঙ-মাহাত্ম্য

    Dol Utsav 2026: কোন দেবতার পায়ে দেবেন কোন রঙের আবির? দোল খেলার আগে জেনে নিন রঙ-মাহাত্ম্য

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: প্রতি বছর ফাল্গুন মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পালিত হয় দোল উৎসব (Dol Utsav 2026)। সারা বছর এই রঙিন আবির নিয়ে উত্‍সবে মেতে থাকার আনন্দে সামিল হওয়ার জন্য অধীর আগ্রহে বসে থাকেন হিন্দুরা (Hindu Festival)। তবে হোলি মানেই শুধু নানা রঙের খেলা (Holi Colours Significance) নয়, ঈশ্বরের আরাধনা ও মাহাত্ম্য রয়েছে এর মধ্যে। শুধু হোলিকা দহন নয়, রঙের উত্‍সব শুরু হয় ভগবানের চরণ আবির দিয়ে। ছোটবেলায় বড়দের পায়ে আবির দিয়ে, ভগবানের পায়ে আবির দিয়ে তবেই রঙ খেলার অনুমতি পাওয়া যেত। সেই রীতি শুধু সংস্কৃতির জন্য নয়, হিন্দু ধর্মের ঐতিহ্যও বটে। হোলির দিনে কোন দেবতাকে কোন রঙ দিয়ে নিবেদন করা উচিত, তা অনেকেরই অজানা।

    কোন রঙে তুষ্ট কোন দেব-দেবী

    সনাতন ঐতিহ্যে, যে কোনও শুভ কাজ শুরু হয় ভগবান শ্রীগণেশের পুজো দিয়ে। সেই মতো গণেশকেও প্রথমে আবির গিয়ে হোলি উদযাপন করা উচিত। হিন্দু বিশ্বাস অনুসারে, সিঁদুর হল গণপতির খুব প্রিয়। তাই হোলির দিন গণেশ পুজোয় সিঁদুর বা কমলা রঙ ব্যবহার করুন। বৈষ্ণব তে, শ্রীহরি বা বিষ্ণুর ভক্ত হোন তাহলে ভগবান রাম, কৃষ্ণ বা নরসিংহের পুজো করেন তাহলে হোলির দিন দেবতাদের পছন্দের হলুদ রঙের আবির দিয়ে বিশেষ পুজো করে থাকতে পারেন। শিবের ভক্তদের জন্যও রয়েছে নির্দিষ্ট রঙ। হোলির শুরুতে যদি ভোলেনাথকে রঙ দিয়ে পুজো করতে চান তাহলে অবশ্যই লাল বা নীল রঙ ব্যবহার করতে পারেন। সনাতন ধর্ম মতে, শক্তির পুজোয় লাল রঙের কাপড়, ফুল ও রঙ বিশেষভাবে ব্যবহার করা হয়। এর সঙ্গে লাল রঙ ভগবান হনুমানজির সঙ্গেও সম্পর্কিত। এইভাবে, হোলিতে কালী বা হনুমানজির বন্দনা করার সময় অবশ্যই লাল রঙের আবির বা রঙ নিবেদন করুন।

    কোন রঙ কিসের প্রতীক

    • বিশ্বাস করা হয়, হোলিতে দেবী দুর্গা, লক্ষ্মী ও হনুমানজিকে লাল রঙের নিবেদন করলে আশীর্বাদ বর্ষিত হয়। লাল রঙ উর্বরতা, বিবাহ এবং প্রেমের প্রতিনিধিত্ব করে। লাল রঙ দিয়ে দোল খেললে মঙ্গলের কৃপা পাওয়া যায়। এই রঙ মনকে শান্ত করে।
    • হলুদ রঙ তৃপ্তি এবং সুস্থতার প্রতীক। এই রঙ ভগবান বিষ্ণুর প্রিয়। রঙটি জ্ঞান, শিক্ষা, আনন্দ এবং শান্তির সঙ্গেও জড়িত। হলুদ রঙ হল শ্রীকৃষ্ণের প্রিয়। প্রেমিক প্রেমিকারা এই রঙ দোল খেলতে পারেন। যাঁরা সোনা-রুপোর ব্যবসা করেন, তাঁদের জন্যও হলুদ রঙ দিয়ে দোল খেলা শুভ। সৌন্দর্য ও আধ্যাত্মিকতার দিক দিয়েও হলুদ রঙ শুভ।
    • সবুজ রঙ প্রকৃতি এবং এর সৌন্দর্যের প্রতীক। সতেজতা, বীরত্ব, ফসল কাটা এবং নতুন শুরুকে প্রতিনিধিত্ব করে এই রঙ। সবুজ রঙ সমৃদ্ধি ও পজ়িটিভ এনার্জির প্রতীক। এই রঙ দিয়ে দোল খেললে কারোর সঙ্গে ভুল বোঝাবুঝি থাকলে তা কেটে যায়। ব্যবসায়ী, শিক্ষক এবং ছাত্রছাত্রীদের সবুজ রঙ দিয়ে দোল খেলা ভালো। এর ফলে বুধের অবস্থান ভালো হয়।
    • হোলির আরেকটি জনপ্রিয় রঙ হল কমলা। এটি সূর্যের রঙ বলেও মনে করা হয় এবং এটি একটি নতুন দিনের ভোর এবং আলোর বিস্তারের সঙ্গে জড়িত। কমলা রঙ শক্তি ও জ্ঞানের প্রতীক। এই রঙ মনের শক্তি, প্রেম ও সুখ বাড়ায়। মন কোনও কারণে অশান্ত থাকলে কমলা রঙ দিয়ে দোল খেলুন।
    • বেগুনি রঙ আত্মবিশ্বাস ও সমতার প্রতীক। হীনমন্যতা থেকে মুক্তি পেতে এই রঙ দিয়ে দোল খেলা ভালো।
    • আবার, গোলাপী রঙ মনের শক্তি বাড়ায়। এই রঙ প্রেম গাঢ় করতেও সাহায্য করে। অন্যদিকে, নীল রঙ দিয়ে দোল খেললে শনিদেবের কৃপা লাভ করবেন।
  • Dol Utsav 2026: দোলের মিষ্টিমুখ মানেই মট-ফুটকড়াই, জানেন এই মিঠাইয়ের উৎস কোথায়?

    Dol Utsav 2026: দোলের মিষ্টিমুখ মানেই মট-ফুটকড়াই, জানেন এই মিঠাইয়ের উৎস কোথায়?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: কিছু দিন আগ অবধিও দোলের মিষ্টি (Dol Utsav 2026) মানেই ছিল মট। এখন যদিও অনেক রকম মিষ্টির (Dol Utsav Traditional Sweets) সমাগম হয়েছে বাঙালি সংস্কৃতিতে। কিন্তু আগে বাঙালির দোল মট ছাড়া অপূর্ণ থাকত। সঙ্গে থাকত ফুটকড়াই ও তার সঙ্গে সাদা মুড়কি। দেবতার পায়ে ‘আবির’ দিয়ে পরিবারের সকল বয়স্কদের পায়ে আবির মাখিয়ে শুরু হত বাঙালির দোল উৎসব। দুদিন ধরেই চলত সেই দোল।

    মট মূলত পর্তুগিজ মিষ্টি!

    মট আদতে চিনির মণ্ড। চিনিকে গলিয়ে বিভিন্ন ছাঁচে, বিভিন্ন আকার দিয়ে তৈরি হয় এই মিষ্টি। মোমবাতি, ফুল, পাখি-সহ বিভিন্ন আকারের হয়। বিভিন্ন রঙও দেওয়া হয় এই মিষ্টিতে। রঙ খেলার ফাঁকে একে অপরের মুখে মট ও ফুটকড়াই গুঁজে দেওয়া ছিল বাংলার রেওয়াজ। একটি বড় থালায় প্রচুর মট সাজানো থাকত আর পাশে থাকত ফুটকড়াই। দোল খেলার সময়ে এগুলি ছিল আবশ্যিক। কিন্তু জানেন কি, বাঙালি সংস্কৃতির সঙ্গে অঙ্গাঅঙ্গিকভাবে (Dol Utsav 2026) মিশে যাওয়া এই মিষ্টি আদেও বাঙালি সংস্কৃতির অংশই ছিল না। মটের ইতিহাস বেশ পুরনো। মট মূলত পর্তুগিজ মিষ্টি। হুগলির ব্যান্ডেল চার্চে প্রথম এই মিষ্টি প্রভু যিশুর প্রসাদী থালায় দেওয়া হত। পরে বাঙালি ময়রারা মটকে আপন করে নেন। তাকে গোলাপি, হলুদ, লাল নানান রঙে রাঙিয়ে দোলের (Dol Utsav Traditional Sweets) অঙ্গ করে তোলেন।

    কীভাবে তৈরি হয় মট

    চিনির কড়া পাক দিয়ে সেই সান্দ্র তরল কাঠের ছাঁচে (Dol Utsav 2026) জমিয়ে বা ফুটো পাত্রের ভিতর দিয়ে ফোঁটা ফোঁটা ফেলে এই মট প্রস্তুত করা হয়। এটি ৫-৬ সেন্টিমিটার উঁচু একটি শুকনো ও অত্যন্ত পরিচিত মিষ্টি (Dol Utsav Traditional Sweets)। এই মট তৈরির এই ধারা আজও বর্তমান রেখেছেন হাওড়ার উনসানি শিউলি পাড়ার স্বপন মণ্ডল ও তাঁর পরিবার। কিন্তু এখন এই মিষ্টিগুলি শুধুই নস্ট্যালজিয়া। অনেকে জানেনও না মট-ফুটকড়াই-কদমা-সাদা মুড়কির নাম। দোকানে অনেক খুঁজলে তবেই মিলবে নানা আকৃতির মট। অবশ্য স্বাস্থ্যের কথা ভেবেও অনেকে মিষ্টি খান না। যাই হোক বছরের এই একটা দিনে সেই মট, কদমা, ফুটকড়াই দেবতার প্রসাদ হয়ে কোনওক্রমে বেঁচে আছে বাঙালির নসট্যালজিয়ায়।

  • Chandra Grahan 2026: রাতের আকাশে ‘ব্লাড মুন’! দোলে বছরের প্রথম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ, দেখতে পাবেন কলকাতাবাসীও

    Chandra Grahan 2026: রাতের আকাশে ‘ব্লাড মুন’! দোলে বছরের প্রথম পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ, দেখতে পাবেন কলকাতাবাসীও

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: দোল উৎসবে ২০২৬ সালে রয়েছে চন্দ্রগ্রহণের কালো ছায়া। আর এই গ্রহণ এবার ভারত থেকে দেখা যাবে। শুধু তাই নয়। কলকাতার আকাশ থেকেও এই চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, ২০২৬ সালের এই চন্দ্রগ্রহণই হবে বছরের দীর্ঘতম চন্দ্রগ্রহণ। গ্রহণ শুরু হবে দুপুর ৩টা ২০ মিনিটে এবং শেষ হবে সন্ধ্যা ৬টা ৪৭ মিনিটে। মোট ৩ ঘণ্টা ২৭ মিনিট ধরে চলেছে গ্রহণ । পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ শুরু হবে বিকেল ৪টা ৩৪ মিনিটে, যখন চাঁদ সম্পূর্ণভাবে পৃথিবীর ছায়ায় প্রবেশ করবে। আগামী ৩ মার্চ আকাশে দেখা যাবে এক বিরল মহাজাগতিক দৃশ্য।

    কখন কোথায় দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ

    ৩ মার্চ সন্ধ্যায় কলকাতার আকাশ থেকেও দেখা যাবে চন্দ্রগ্রহণ। কলকাতায় সন্ধ্যা ৬ টায় আংশিক চন্দ্রগ্রহণ দেখা যাবে। নয়া দিল্লিতে সন্ধ্যা ৬.২৬ মিনিটে, লখনউতে সন্ধ্যা ৬.১৮ মিনিটে,ভুবনেশ্বরে সন্ধ্যা ৬ টা ০৫ মিনিটে, পাটনায় সন্ধ্যা ৬. ১২ মিনিটে দেখা যাবে গ্রহণ। জয়পুরে দেখা যাবে সন্ধ্যা ৬ টা ২৮ মিনিটে, ভোপালে সন্ধ্যা ৬ টা ২৪ মিনিটে দেখা যাবে গ্রহণ। মুম্বইতে সন্ধ্যা ৬.৩০ মিনিটে, আমেদাবাদে ৬.৩৫ মিনিটে, পুনেতে ৬.৩২ মিনিটে এই গ্রহণ দেখা যাবে। বলা হচ্ছে, উত্তরপূর্বের রাজ্যগুলি থেকে খুব ভালোভাবে দেখা যাবে এই গ্রহণ। গুয়াহাটিতে বিকেল ৫ টা ৪৫ মিনিট, ডিব্রুগড়ে বিকেল ৫ টা ৪০ মিনিট, ইটানগরে বিকেল ৫ টা ৩৫ মিনিট, শিলংয়ে ৫ টা ৪০ মিনিটে দেখা যাবে গ্রহণ।

    ‘ব্লাড মুন’-এর বিরল দৃশ্য

    গ্রহণের সময় উজ্জ্বল সাদা চাঁদ খানিকটা লাল বর্ণ ধারণ করে। অনেকেই একে ‘ব্লাড মুন’ বলে থাকেন। তাও দেখা যাবে আকাশে।

    গ্রহণ শুরু – দুপুর ২:১৬টোয়
    পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ শুরু – বিকেল ৪:৩৪ টেয়
    পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ – বিকেল ৫:০৪ টায়
    পূর্ণ চন্দ্রগ্রহণ শেষ – বিকেল ৫:৩৩ টায়
    গ্রহণ শেষ – সন্ধ্যা ৬:৪৮ টায়

    সূতক-কালে কী করবেন

    জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, এই পূর্ণগ্রাস চন্দ্রগ্রহণ ভারতে সম্পূর্ণরূপে দৃশ্যমান হবে। পরিষ্কার আকাশ থাকলে খালি চোখেই গ্রহণ দেখা যাবে। ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, চন্দ্রগ্রহণের সূতককাল গ্রহণ শুরুর প্রায় ৯ ঘণ্টা আগে শুরু হয়। সেই হিসেবে সূতক শুরু হবে ৩ মার্চ সকাল ৬টা ২০ মিনিটে এবং সন্ধ্যা ৬টা ৪৫ মিনিটে সূতকের সমাপ্তি ঘটবে। যেহেতু এই গ্রহণ ভারতে দেখা যাবে, তাই সূতকের নিয়ম এখানে প্রযোজ্য হবে। সূতক ও গ্রহণের সময় কিছু নিয়ম মানার কথা বলা হয়েছে। এই সময় খাওয়া এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেওয়া হয়, যদিও শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থরা এই নিয়মের বাইরে থাকবেন। সূঁচ, কাঁচি বা ধারালো জিনিস ব্যবহার, নতুন বা শুভ কাজ শুরু, মন্দিরে প্রবেশ ও মূর্তি স্পর্শ নিষিদ্ধ বলে ধরা হয়। পাশাপাশি ঘুমানো, ভ্রমণ ও দাম্পত্য সম্পর্ক থেকেও বিরত থাকার কথা বলা হয়েছে। অন্যদিকে, গ্রহণের সময় ভগবানের নাম জপ করা, যেমন ‘ওম নমঃ শিবায়’ বা ‘মহামৃত্যুঞ্জয় মন্ত্র’ পাঠ করা শুভ বলে মনে করা হয়। খাবারে আগে থেকেই তুলসী পাতা রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়। রামায়ণ, গীতা বা হনুমান চালিসা পাঠ করাও এই সময় পুণ্যদায়ক বলে বিশ্বাস করা হয়। গ্রহণের আগে ও পরে স্নান করার রীতি রয়েছে। গ্রহণ শেষ হওয়ার পরপরই স্নান করে ঘর ও মন্দিরে গঙ্গাজল ছিটিয়ে শুদ্ধিকরণ করা হয়।পাশাপাশি নিজের সামর্থ্য অনুযায়ী অন্ন, বস্ত্র বা অর্থ দান করাও শুভ বলে মনে করা হয়।

  • Holi 2026: বসন্তের রঙিন উৎসবে অসাবধান হলেই বিপদ! কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

    Holi 2026: বসন্তের রঙিন উৎসবে অসাবধান হলেই বিপদ! কীভাবে সুস্থ থাকবেন?

    তানিয়া বন্দ্যোপাধ্যায় পাল

    আজ দোল। কাল হোলি। দুদিন রঙের উৎসব। কচিকাঁচা থেকে বয়স্ক, সকলেই মেতে উঠবেন দোলের উৎসবে। বসন্তের উৎসবে রং লাগানো, আড্ডা, খাওয়া-দাওয়ার মাঝে তাল কাটতে পারে অসাবধানতা। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, দোল উৎসব উদযাপনের সময় কয়েকটি দিকে বিশেষ নজরদারি জরুরি। তবেই সুস্থ ভাবে উৎসব উদযাপন সম্ভব। না হলেই বাড়বে বিপদ। বিশেষত শিশুদের বাড়তি সতর্কতা জরুরি।

    কোন বিপদের আশঙ্কা করছেন চিকিৎসক মহল?

    দোল উৎসবে অসাবধানতা থেকে সবচেয়ে বেশি বিপদ হয় চামড়ার। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, প্রত্যেক বছর দোলের পরে অনেকেই চামড়ায় নানান রকমের লাল দাগ, চুলকানির মতো সমস্যা নিয়ে ভোগেন। অনেকের নানান রকমের অ্যালার্জি হয়‌। তাই রং ব্যবহারের সময় সচেতনতা জরুরি। রং খেলার সময় সবচেয়ে বেশি চোখের যত্ন নেওয়া জরুরি। বিশেষত শিশুরা রং খেলায় অংশ নিলে, কোনো ভাবেই যাতে তাদের চোখে রং না ঢোকে সে দিকে নজর দিতে হবে। চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, চোখে বিশেষত কর্ণিয়ায় রং লাগলে, দীর্ঘমেয়াদি ক্ষত তৈরি করতে পারে। কনজাংটিভাইটিসের মতো চোখের সংক্রামক রোগে আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকিও বাড়ে। রঙের উৎসবে অসাবধানতার জেরে অনেকেই শ্বাসকষ্টে আক্রান্ত হন বলে জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ। তাঁরা জানাচ্ছেন, শুকনো রং নাকে-মুখে ঢুকে অনেক সময়েই হাঁপানির সমস্যা তৈরি করে। রং মেশানো জল কানে ঢুকলে, কানের ভিতরে সংক্রমণ তৈরি হতে পারে। এমনটাই জানাচ্ছেন চিকিৎসকদের একাংশ।

    সুস্থ ভাবে উৎসব উদযাপনের কী পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞ মহল?

    চিকিৎসকদের একাংশ জানাচ্ছেন, উদযাপনের সময় সতর্ক ও সচেতন থাকলেই সমস্ত হয়রানি আটকানো সহজ। তাঁরা জানাচ্ছেন—

    • ● রং কেনার সময় ভেষজ রং কেনা উচিত। ফুলের পাঁপড়ি দিয়ে তৈরি রং অ্যালার্জি এবং অন্যান্য চামড়ার অসুখের ঝুঁকি কমায়‌
    • ● শিশুদের রং খেলার সময় নজরদারি জরুরি। অভিভাবকদের উপস্থিতিতে শিশুরা দোল উৎসব পালন করলে বড় দূর্ঘটনা এড়ানো সহজ হয়।
    • ● এখন দোল উপলক্ষে শিশুদের জন্য নানান মজাদার সানগ্লাস বাজারে দেদার পাওয়া যাচ্ছে। সেগুলো পরে রঙিন উৎসব পালন করলে চোখে রং যাওয়ার ঝুঁকি কমবে।
    • ● রঙ উৎসব পালনের আগে ত্বকে ভালোভাবে ময়েশ্চারাইজার লাগানোর পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞদের একাংশ। তাতে রঙ সহজেই মুছে ফেলা যায়। চামড়ার বড় ক্ষতি হয় না।
    • ● যাদের হাঁপানির সমস্যা রয়েছে, বিশেষত শিশু ও বয়স্কদের, রঙ খেলার সময় বাড়তি যত্ন জরুরি বলেই মত বিশেষজ্ঞদের একাংশের।
  • Daily Horoscope 03 March 2026: অর্শ-জাতীয় রোগ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 03 March 2026: অর্শ-জাতীয় রোগ বাড়তে পারে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

     

     

    মেষ

    ১) ভ্রমণে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা।

    ২) প্রেমের প্রতি ঘৃণা বোধ করতে পারেন।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃষ

    ১) প্রেমের ব্যাপারে অতিরিক্ত আবেগ প্রকাশ থেকে সংযত থাকুন। শরীরে ক্ষয় বৃদ্ধি।

    ২) অর্শ-জাতীয় রোগ বাড়তে পারে।

    ৩) দিনটিতে বিবাদে জড়াবেন না।

    মিথুন

    ১) খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বৈরী মনোভাবের জন্য ব্যবসায় শত্রু বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

     

     

    কর্কট

    ১) আপনার বিষয়ে সমালোচনা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) কাজের ব্যাপারে ভালো যোগাযোগ হতে পারে।

    ৩) সবাই আপনার প্রশংসা করবে।

    সিংহ

    ১) রক্তাল্পতায় ভুগতে হতে পারে।

    ২) বাইরের লোকের জন্য দাম্পত্য কলহ।

    ৩) ধৈর্য্য ধরতে হবে বেশি।

     

     

    কন্যা

    ১) বিলাসিতার কারণে খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বিবাদের জন্য মনঃকষ্ট।

    ৩) সবাইকে বিশ্বাস করবেন না।

    তুলা

    ১) অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তিবোধ।

    ২) সন্তানের জন্য সম্মান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    বৃশ্চিক

    ১) ধর্ম সংক্রান্ত ব্যাপারে তর্কে জড়াতে পারেন।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সামান্য কারণে তর্ক হতে পারে।

    ৩) ধর্মস্থানে যেতে পারেন।

    ধনু

    ১) কর্মস্থানে সহকর্মীদের বিরোধিতা আপনাকে চিন্তায় ফেলবে।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য চাপ বৃদ্ধি।

    ৩) সংযমী হতে হবে। ভেবেচিন্তে কথা বলুন।

    মকর

    ১) ব্যবসায় মুনাফা বৃদ্ধি পাবে।

    ২) ঋণমুক্তির সুযোগ পাবেন।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ।

    কুম্ভ

     

     

    ১) প্রেমে নৈরাশ্য থেকে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর অশান্তির দায় আপনার কাঁধে চাপতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের সাহায্য পাবেন।

    মীন

    ১) সকালের দিকে বন্ধুদের দ্বারা বিব্রত হতে পারেন।

    ২) শরীরে ব্যথাবেদনা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) ভালোই কাটবে দিন।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

LinkedIn
Share