Tag: madhyom bangla

madhyom bangla

  • Ayatollah Khameneis: আয়াতুল্লাহ খামেইনির মৃত্যুতে ইরানে উল্লাস, স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে রাজপথে নারীরা

    Ayatollah Khameneis: আয়াতুল্লাহ খামেইনির মৃত্যুতে ইরানে উল্লাস, স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে রাজপথে নারীরা

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের সর্বোচ্চ নেতা তথা সুপ্রিম লিডার আয়াতুল্লাহ আলি খামেইনির (Ayatollah Khameneis) মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়ার সঙ্গে সঙ্গে পুরো ইরান জুড়ে এক অভূতপূর্ব উৎসবের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। গত কয়েক দশক ধরে চলা কট্টর মুসলিম শাসনের অবসান ঘটার আশায় হাজার হাজার মানুষ রাজপথে নেমে এসেছেন। বিশেষ করে ইরানের মহিলারা এই পরিবর্তনকে তাঁদের স্বাধীনতার প্রতীক হিসেবে দেখছেন।

    দেশজুড়ে উদযাপন (Ayatollah Khameneis)

    শিয়া ধর্মগুরু খামেইনির (Ayatollah Khameneis) মৃত্যুকে ঘিরে তেহরান-সহ ইরানের প্রধান শহরগুলিতে মানুষ আতশবাজি ফাটিয়ে, মিষ্টি বিলি করে আনন্দ প্রকাশ করছেন। গত শনিবার মার্কিন ও ইজরায়েলি বিমান হামলায় খামেইনির মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হওয়ার পর থেকেই এই উল্লাস শুরু হয়। অনেক জায়গায় মানুষকে তাঁদের বাড়ির ছাদ থেকে “স্বৈরাচারী শাসকের পতন হোক” বলে স্লোগান দিতে শোনা গিয়েছে। ইতিমধ্যে খামেইনির ছবি, মূর্তি ভেঙে ফেলা হয়েছে।

    নারীদের প্রতিবাদ ও জয়

    ইরানের কারাজ, বেসাত, ফুলাদ, বোরাজ্জন, মামাসানিটে ক্ষেপণাস্ত্র এবং সামরিক হামলা হলেও নারীরা পতাকা নিয়ে মেতে উঠেছেন আনন্দে। এই উল্লাস উদযাপনের অগ্রভাগে রয়েছেন ইরানের সাধারণ নারীরা। অনেক নারী জনসমক্ষে তাঁদের হিজাব পুড়িয়ে, চুল কেটে দীর্ঘদিনের দমনমূলক আইনের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ‘নারী, জীবন, স্বাধীনতা’ (Woman, Life, Freedom) স্লোগানটি আবারও তেহরানের রাস্তায় প্রতিধ্বনিত হচ্ছে। তাঁদের মতে, খামেইনির (Ayatollah Khameneis) মৃত্যু মানে কয়েক দশকের লিঙ্গবৈষম্য ও নিপীড়নের সমাপ্তি।

    আর্ন্তজাতিক প্রতিক্রিয়া

    সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া ভিডিওগুলিতে দেখা যাচ্ছে, প্রবাসে থাকা ইরানিরাও লন্ডন, প্যারিস এবং লস অ্যাঞ্জেলেসের রাস্তায় নেমে নেচে-গেয়ে আনন্দ করছেন। তাঁরা একে “ইরানের দ্বিতীয় জন্ম” হিসেবে অভিহিত করছেন।

    নিরাপত্তা বাহিনীর অবস্থান

    আমেরিকা এবং ইজরায়েল অপারেশন রোইয়ারিং লায়ন এবং অপারেশন এপিক ফিউড়ি নামে যৌথ অভিযান চালায়।  যদিও ইরানের রেভল্যুশনারি গার্ডস (IRGC) পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে, তবে অনেক জায়গায় সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত ভিড়ের সামনে তারা পিছু হটতে বাধ্য হচ্ছে। কিছু কিছু সামরিক সদস্য সাধারণ মানুষের মিছিলে যোগ দিচ্ছেন বলেও সূত্রের খবর।

    ভবিষ্যৎ সম্ভাবনা

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, খামেইনির এই আকস্মিক বিদায় ইরানে এক বিশাল ক্ষমতাশূন্যতা তৈরি করেছে। একদিকে যেমন গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা রয়েছে, অন্যদিকে সাধারণ মানুষের এই জোয়ার ইঙ্গিত দিচ্ছে যে ইরান একটি গণতান্ত্রিক ও আধুনিক রাষ্ট্র গঠনের পথে পা বাড়াতে পারে। আয়াতুল্লাহ খামেইনির (Ayatollah Khameneis) মৃত্যু কেবল একটি রাজনৈতিক নেতার প্রস্থান নয়, বরং এটি মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম শক্তিশালী ধর্মতান্ত্রিক শাসনের ভিত নাড়িয়ে দিয়েছে। ইরানের রাজপথ এখন পরিবর্তনের গানে মুখরিত, যেখানে সাধারণ মানুষ একটি নতুন ও মুক্ত ইরানের স্বপ্ন দেখছেন।

  • TMC Rajya Sabha: রাজ্যসভায় তৃণমূলের সমকামী প্রার্থীর মনোনয়ন, এই সিদ্ধান্ত ‘ইসলামি শিক্ষার পরিপন্থী’, বললেন মৌলানা রিজভী

    TMC Rajya Sabha: রাজ্যসভায় তৃণমূলের সমকামী প্রার্থীর মনোনয়ন, এই সিদ্ধান্ত ‘ইসলামি শিক্ষার পরিপন্থী’, বললেন মৌলানা রিজভী

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) আসন্ন রাজ্যসভা (TMC Rajya Sabha) নির্বাচনের জন্য একজন সমকামী (Homosexual) মেনকা গোস্বামীকে মনোনীত করে টিকিট দেওয়ার পর রাজ্যে নতুন করে বিরাট রাজনৈতিক ও ধর্মীয় বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে। এই সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন বিশিষ্ট মুসলিম ধর্মগুরু মৌলানা শাহাবুদ্দিন রিজভী।

    তৃণমূলের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত (TMC Rajya Sabha)

    তৃণমূল কংগ্রেস (TMC Rajya Sabha) সম্প্রতি তাদের রাজ্যসভা প্রার্থীদের নামের তালিকা প্রকাশ করেছে। এতে এমন একজন ব্যক্তিকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে যিনি প্রকাশ্যেই নিজের সমকামী পরিচয়ের কথা স্বীকার করেছিলেন। পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এই প্রথম কোনও প্রধান রাজনৈতিক দল উচ্চকক্ষে পাঠানোর জন্য এমন কোনও প্রার্থীকে বেছে নিল। আর এখানেই মুসলিম নেতাদের তীব্র আপত্তির সূত্রপাত। অল ইন্ডিয়া মুসলিম জামায়াতের সভাপতি মৌলানা শাহাবুদ্দিন রিজভী এই মনোনয়নের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “সমকামিতা  (Homosexual) ইসলামি শরীয়ত এবং নৈতিক শিক্ষার সম্পূর্ণ বিরোধী। একজন সমকামীকে সংসদীয় প্রতিনিধি হিসেবে পাঠানো মুসলিম সমাজের মূল্যবোধে আঘাত করার শামিল। সমকামিতাকে উৎসাহ দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস। মেনকা গোস্বামীর একজন মহিলা সঙ্গীও রয়েছে। ইসলামের দৃষ্টিকোণে এই ভাবনা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।”

    ইসলামি শিক্ষার পরিপন্থী

    মৌলানা রিজভী আরও উল্লেখ করে বলেন, “পবিত্র কুরআন এবং হাদিসে সমকামিতাকে (Homosexual) কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাই আমি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (TMC Rajya Sabha)  কাছে এই সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করার দাবি জানাই। এই পদক্ষেপ মুসলিম ভোটারদের মধ্যে ভুল বার্তা দেবে।”

    রাজনৈতিক মহলে প্রতিক্রিয়া

    এই মনোনয়ন নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির পক্ষ থেকেও কটাক্ষ করা হয়েছে। বিজেপি নেতাদের মতে, তৃণমূল কংগ্রেস (TMC Rajya Sabha) তোষণের রাজনীতি করতে গিয়ে এখন এমন এক জায়গায় পৌঁছেছে যেখানে তারা ধর্মীয় অনুভূতি এবং সামাজিক ঐতিহ্য—উভয়কেই উপেক্ষা করছে। অন্যদিকে, তৃণমূলের দাবি তারা প্রগতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক (inclusive) সমাজ গঠনে বিশ্বাসী।

    তৃণমূলের অবস্থান

    তৃণমূল কংগ্রেসের (TMC Rajya Sabha) শীর্ষ নেতৃত্ব এই বিতর্কের জবাবে জানিয়েছে যে, কোনো ব্যক্তির ব্যক্তিগত জীবন বা যৌন পরিচয় তাঁর রাজনৈতিক যোগ্যতার মাপকাঠি হতে পারে না। দল যোগ্যতার ভিত্তিতেই প্রার্থী নির্বাচন করেছে। দল সব ধরণের বৈষম্যের বিরুদ্ধে।

    সামাজিক উত্তেজনা

    এই মনোনয়নকে কেন্দ্র করে সোশ্যাল মিডিয়ায় দুই ধরণের মত দেখা যাচ্ছে। একদল এই পদক্ষেপকে এলজিবিটিকিউ (LGBTQ+) সম্প্রদায়ের অধিকারের জয় হিসেবে দেখছেন, অন্যদিকে রক্ষণশীল গোষ্ঠীগুলো একে সামাজিক অবক্ষয় হিসেবে চিহ্নিত করছেন। তবে মাওলানা রিজভি নানা সময়ে নানা ভাবে বিতর্কের জড়িয়েছেন। যেমন—২০২৫ সালের মহাকুম্ভের স্থান ওয়াকফ সম্পত্তি, ম্যাচের সময় শামির বিরুদ্ধে রোজ না পালন করায় সমালোচনা করেন। বেরেলির বিশ্বাসকে সমুদ্র আর দেওবন্দীদের শিয়া সম্প্রদায়কে নদী হিসেবে উল্লেখ করেছেন। ২০২৫ সালে নববর্ষ উদযাপনকে হারাম ঘোষণা করেছেন। নিজের গুণে নিজে কুখ্যাত হয়েছেন এই মুসলিম ধর্মগুরু।

    রাজ্যসভা নির্বাচনের প্রাক্কালে তৃণমূলের (TMC Rajya Sabha) এই সিদ্ধান্ত পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে একটি নতুন মেরুকরণ তৈরি করেছে। একদিকে প্রগতিশীল চিন্তাধারা (Homosexual) এবং অন্যদিকে ধর্মীয় অনুভূতির সংঘাত এই বিতর্ককে আরও উস্কে দিয়েছে।

  • Pradhan Mantri Ujjwala Yojana: উত্তরপ্রদেশের ১.৮৬ কোটি পরিবারের জন্য ১৫০০ কোটি টাকার এলপিজি ভর্তুকি ঘোষণা আদিত্যনাথের

    Pradhan Mantri Ujjwala Yojana: উত্তরপ্রদেশের ১.৮৬ কোটি পরিবারের জন্য ১৫০০ কোটি টাকার এলপিজি ভর্তুকি ঘোষণা আদিত্যনাথের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) হোলি উৎসবের প্রাক্কালে রাজ্যের দরিদ্র ও নিম্নবিত্ত পরিবারগুলির জন্য একটি বড় উপহার ঘোষণা করেছেন। প্রধানমন্ত্রী উজ্জ্বলা যোজনার (Pradhan Mantri Ujjwala Yojana) আওতায় থাকা ১.৮৬ কোটিরও বেশি সুবিধাভোগী পরিবারকে বিনামূল্যে রান্নার গ্যাসের সিলিন্ডার দেওয়ার লক্ষ্যে রাজ্য সরকার ১৫০০ কোটি টাকারও বেশি অর্থ বরাদ্দ করেছে। মুখ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণায় রাজ্যের মহিলা মহলে খুশির জোয়ার।

    জনকল্যাণকর পদক্ষেপ

    উত্তরপ্রদেশ সরকার ঘোষণা করেছে, রাজ্যের ১.৮৬ কোটি উজ্জ্বলা যোজনার কার্ডধারী পরিবার এই হোলিতে একটি করে বিনামূল্যে এলপিজি সিলিন্ডার (Pradhan Mantri Ujjwala Yojana) পাবে। এই প্রকল্পের জন্য মোট ১৫৪৭.৪৮ কোটি টাকা সরাসরি সুবিধাভোগীদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরের (DBT) প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। উজ্জ্বলা যোজনার আওতায় ভারতজুড়ে ১০ কোটিরও বেশি পরিবার গ্যাস সংযোগ পেয়েছে, যার মধ্যে কেবল উত্তর প্রদেশের ১.৮৬ কোটি পরিবার রয়েছে।

    মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) বলেন, “মহামারী বহু বছর আগে শেষ হয়ে গেলেও, দেশব্যাপী ৮০ কোটি নাগরিক বিনামূল্যে রেশন সহায়তা পাচ্ছেন, যার মধ্যে উত্তরপ্রদেশে ১৫ কোটি সুবিধাভোগীও রয়েছেন। একইভাবে, আয়ুষ্মান ভারত যোজনার আওতায় যোগ্য পরিবারগুলি বার্ষিক ৫ লক্ষ টাকা পর্যন্ত স্বাস্থ্য কভারেজ পায়। ৭০ বছরের বেশি বয়সী নাগরিক এবং শিক্ষা খাতের কর্মীদের জন্য বর্ধিত সুবিধার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

    নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি পূরণ

    ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনের ইশতেহারে বিজেপি প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল যে, প্রতি বছর হোলি এবং দীপাবলিতে উজ্জ্বলা যোজনার (Pradhan Mantri Ujjwala Yojana) সুবিধাভোগীদের দুটি করে বিনামূল্যে সিলিন্ডার দেওয়া হবে। যোগী (Yogi Adityanath) সরকার সেই প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী এই পদক্ষেপ নিয়েছে।

    সরাসরি সুবিধা প্রদান (DBT)

    সুবিধাভোগীরা প্রথমে সিলিন্ডারটি কিনবেন এবং পরবর্তীতে সেই সিলিন্ডারের সম্পূর্ণ অর্থ সরাসরি তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ফেরত দেওয়া হবে। এর ফলে স্বচ্ছতা বজায় থাকবে এবং মাঝপথে কোনও দুর্নীতির সুযোগ থাকবে না। অন্যদিকে, উপ-মুখ্যমন্ত্রী ব্রজেশ পাঠক ১৪ বছর বয়সী মেয়েদের জন্য রাজ্যব্যাপী জরায়ুমুখ ক্যান্সার টিকাকরণ অভিযান শুরু করেছেন, যার লক্ষ্য প্রতিরোধমূলক স্বাস্থ্যসেবা কভারেজ সম্প্রসারণ করা। মুখ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেছেন যে টিকার খরচ উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস পেয়েছে এবং সুবিধাভোগীদের জন্য বিনামূল্যে টিকা দেওয়ার প্রচেষ্টা চলছে।

    বেটি বাঁচাও বেটি পড়াও, মাতৃ বন্দনা যোজনা, মুখ্যমন্ত্রী কন্যা সুমঙ্গলা যোজনা এবং মুখ্যমন্ত্রী সামাজিক বিবাহ যোজনার মতো স্কিমগুলি বিবাহের মাধ্যমে জন্ম থেকে মেয়ে ও মহিলাদের আর্থিক ও সামাজিক সহায়তা দিয়ে চলেছে৷

    মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য

    মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ (Yogi Adityanath) বলেন, “আমাদের সরকার দরিদ্র মানুষের জীবনের মান উন্নত করতে এবং উৎসবের আনন্দ সবার ঘরে পৌঁছে দিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এই ভর্তুকি (Pradhan Mantri Ujjwala Yojana) কোটি কোটি মায়ের চোখে রান্নার ধোঁয়া থেকে মুক্তি দেবে এবং তাঁদের আর্থিক বোঝা কমাবে।”

    আগের রেকর্ড

    গত বছর দীপাবলির সময়ও যোগী সরকার একইভাবে ১.৭৫ কোটির বেশি পরিবারকে বিনামূল্যে সিলিন্ডার (Pradhan Mantri Ujjwala Yojana) সরবরাহ করেছিল। চলতি বছরে সুবিধাভোগীর সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পাওয়ায় বরাদ্দের পরিমাণও বাড়ানো হয়েছে। যোগী আদিত্যনাথের এই সিদ্ধান্তে উত্তরপ্রদেশের গ্রামীণ এবং পিছিয়ে পড়া অঞ্চলের মানুষের মধ্যে খুশির জোয়ার দেখা দিয়েছে। প্রশাসনিক আধিকারিকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন কোনও যোগ্য পরিবার এই সুবিধা থেকে বঞ্চিত না হয় এবং দ্রুত যেন টাকা অ্যাকাউন্টে পৌঁছে যায়।

  • Ayatollah Khameneis: ট্রাম্পের ঘোষণার পর ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি ঘোষণা করল ইজরায়েল-আমেরিকার হামলায় নিহত আয়াতুল্লাহ খামেইনি

    Ayatollah Khameneis: ট্রাম্পের ঘোষণার পর ইরানের রাষ্ট্রীয় টিভি ঘোষণা করল ইজরায়েল-আমেরিকার হামলায় নিহত আয়াতুল্লাহ খামেইনি

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ইরানের (Iran) সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেইনি (Ayatollah Khameneis) তেহরানে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ বিমান হামলায় নিহত হয়েছেন। ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম আজ রবিবার সকালে খবরটি নিশ্চিত করেছে। খামেইনির মৃত্যুতে ৪০ দিনের রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণা করা হয়েছে। শনিবারের হামলায় খামেইনির পাশাপাশি তাঁর মেয়ে, জামাই এবং নাতিরও মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।

    এরই মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা করেছিলেন যে, খামেইনি নিহত হয়েছেন। ট্রাম্প খামেইনিকে “ইতিহাসের অন্যতম নিষ্ঠুর ব্যক্তি” হিসেবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, “এই ঘটনাটি ইরানি জনগণের জন্য তাদের দেশ ফিরে পাওয়ার সবচেয়ে বড় সুযোগ।”

    হামলার বিবরণ (Ayatollah Khameneis)

    শনিবার ভোরে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইজরায়েল তেহরানে খামেইনির সুরক্ষিত বাসভবন কম্পাউন্ড লক্ষ্য করে জোরালো হামলা চালায়। স্যাটেলাইট চিত্রে খামেইনির দফতরে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি দেখা গিয়েছে। ইরানের (Iran) সংবাদ মাধ্যম জানিয়েছে, খামেইনি (Ayatollah Khameneis) নিজের দফতরে থাকা অবস্থায়ই হামলার শিকার হন।

    ৮৬ বছর বয়সী আয়াতুল্লাহ আলি খামেইনি ১৯৮৯ সাল থেকে ইরান শাসন করে আসছেন। সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে তিনি শিয়া ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সরকারের সকল শাখা, সামরিক বাহিনী এবং বিচার বিভাগের ওপর চূড়ান্ত কর্তৃত্বের অধিকারী ছিলেন। কার্নেগি এনডাওমেন্ট ফর ইন্টারন্যাশনাল পিসের করিম সাদ্দাদপুর সংবাদমাধ্যমে বলেন, খামেইনি ছিলেন ইতিহাসের এক দুর্ঘটনা। যিনি একজন দুর্বল রাষ্ট্রপতি থেকে প্রাথমিকভাবে দুর্বল সর্বোচ্চ নেতা হয়ে গত ১০০ বছরের পাঁচজন শক্তিশালী ইরানির একজন হয়ে উঠেছিলেন।

    ইরানের প্রতিক্রিয়া

    ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ মাধ্যম ‘তাসনিম’ জানিয়েছে, ইসলামি বিপ্লবের নেতা আয়াতুল্লাহ সৈয়দ আলি খামেইনি (Ayatollah Khameneis) শনিবার সকালে আমেরিকা ও ইহুদিবাদী শাসকদের যৌথ হামলায় শহিদ হয়েছেন। ইরান (Iran) এই হামলার প্রতিশোধ হিসেবে ইজরায়েল এবং মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থিত মার্কিন ঘাঁটিগুলির দিকে একের পর এক মিসাইল নিক্ষেপ শুরু করেছে।

    অন্যান্য নেতার মৃত্যু

    ইরানি (Iran) সংবাদ মধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, খামেইনির (Ayatollah Khameneis) পাশাপাশি ইরানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী আমির নাসিরজাদে এবং রেভল্যুশনারি গার্ডসের (IRGC) কমান্ডার মোহাম্মদ পাকপুরও এই হামলায় নিহত হয়েছেন বলে মনে করা হচ্ছে। এছাড়া খামেইনির কয়েকজন নিকটাত্মীয়ও মারা গিয়েছেন বলে খবর।

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের বক্তব্য

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে লেখেন, “খামেইনি (Ayatollah Khameneis) এবং তাঁর সঙ্গে থাকা অন্য নেতারা আমেরিকার উন্নত ট্র্যাকিং সিস্টেম থেকে বাঁচতে পারেননি। এটিই মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি প্রতিষ্ঠার পথে একটি বড় পদক্ষেপ। ইতিহাসের পাতায় অন্যতম কুখ্যাত ব্যক্তি খামেইনি। তাঁর বাহিনীর হাতে যাঁদের অঙ্গহানি বা মৃত্যু হয়েছে তাঁদের প্রতি ন্যায়বিচার হল। শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যেই আরও অন্তত এক সপ্তাহ ইরানে (Iran) বোমাবর্ষণ চলবে!”

    পরবর্তী পরিস্থিতি

    খামেইনির (Ayatollah Khameneis) মৃত্যুর পর ইরানে (Iran) ৪০ দিনের শোক ঘোষণা করা হয়েছে এবং সাত দিনের সরকারি ছুটি দেওয়া হয়েছে। ১৯৮৯ সাল থেকে ক্ষমতায় থাকা খামেইনির কোনও নির্দিষ্ট উত্তরাধিকারী না থাকায় দেশটিতে এখন এক অনিশ্চিত রাজনৈতিক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। বর্তমানে মধ্যপ্রাচ্য জুড়ে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। এহেন আবহে ইরান এই হামলার ভয়াবহ পরিণতি ভোগ করতে হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলকে।

  • P-75I: চেয়েছিল পাকিস্তানও, আগ্রহ দেখায়নি বার্লিন! জার্মানির সঙ্গে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সাবমেরিন চুক্তির পথে ভারত! কী এই ‘প্রজেক্ট ৭৫আই’?

    P-75I: চেয়েছিল পাকিস্তানও, আগ্রহ দেখায়নি বার্লিন! জার্মানির সঙ্গে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল সাবমেরিন চুক্তির পথে ভারত! কী এই ‘প্রজেক্ট ৭৫আই’?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় নৌসেনার (Indian Navy) সাবমেরিন শক্তি বৃদ্ধির লক্ষ্যে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ প্রজেক্ট-৭৫ ইন্ডিয়া (P-75I) প্রকল্পে অবশেষে বড় অগ্রগতি ঘটল। ভারতীয় নৌবাহিনী এবং জার্মান সংস্থা টুসেনক্রপ মারিনা সিস্টেমস্ (TKMS)-এর মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে চলা খরচ সংক্রান্ত আলোচনা শেষ হয়েছে। সূত্রের মতে, আগামী অর্থবছরের শুরুতেই এই বহুচর্চিত চুক্তি স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে।

    প্রকল্পের কৌশলগত গুরুত্ব

    প্রজেক্ট-৭৫ ইন্ডিয়া (P-75I) প্রকল্পের আওতায় ভারতে ছয়টি আধুনিক ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন তৈরি হবে, যেগুলিতে থাকবে এয়ার ইন্ডিপেন্ডেন্ট প্রপালশন (AIP) ব্যবস্থা। এই প্রযুক্তির ফলে সাবমেরিন দীর্ঘ সময় জলের নিচে থাকতে পারবে, যা ভারতীয় নৌবাহিনীর নজরদারি ও প্রতিরোধ ক্ষমতা বহুগুণ বাড়াবে। এই প্রকল্প শুধুমাত্র একটি ডুবোজাহাজ কেনার চুক্তি নয়, বরং প্রযুক্তি হস্তান্তর ও দেশীয় প্রতিরক্ষা শিল্পের সক্ষমতা বৃদ্ধির দিক থেকেও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে। কারণ, চুক্তিটি ‘মেক ইন ইন্ডিয়া’ ও ‘আত্মনির্ভর ভারত’ উদ্যোগের সঙ্গে এটি সরাসরি সংযুক্ত হতে চলেছে।

    খরচ ও দরকষাকষির বাস্তবতা

    প্রকল্পটির চূড়ান্ত মূল্য প্রকাশ না হলেও অনুমান করা হচ্ছে, মোট ব্যয় কমপক্ষে প্রায় ৯ লক্ষ কোটি মার্কিন ডলার (ভারতীয় মুদ্রায় ৮২ হাজার কোটি টাকা)। এটিই হতে চলেছে বিশ্বের সবচেয়ে ব্যয়বহুল প্রচলিত শক্তিচালিত সাবমেরিন চুক্তি। প্রাথমিকভাবে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থা মাঝগাঁও ডকইয়ার্ড লিমিটেড (MDL) ও টুসেনক্রপ-এর দর ছিল ১.২ লক্ষ কোটি টাকার বেশি। ২০১৮ সালে প্রকল্পের ‘অ্যাকসেপ্টেন্স অফ নেসেসিটি’ (AoN) অনুমোদনের সময় ব্যয় ধরা হয়েছিল মাত্র ৪৩,০০০ কোটি টাকা। ফলে ব্যয়ের এই বিপুল বৃদ্ধি নিয়ে প্রতিরক্ষা মহলে প্রশ্ন উঠেছিল। পরে, জার্মান সংস্থার সঙ্গে নতুন করে দর-কষাকষি করে খরচের ভার উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে সক্ষম হয় এমডিএলের নতুন ম্যানেজমেন্ট। নৌসেনার লক্ষ্য ছিল ৬০,০০০–৭০,০০০ কোটি টাকার মধ্যে প্রকল্পটি সম্পন্ন করা। কিন্তু, শেষ পর্যন্ত তা ৮০ থকে ৮২ হাজার কোটি টাকায় গিয়ে ঠেকতে পারে বলে অনুমান।

    কানাডার চুক্তির সঙ্গে তুলনা

    আন্তর্জাতিক প্রেক্ষাপটে ভারতের এই প্রকল্পের খরচকে ব্যতিক্রমী বলেই মনে করা হচ্ছে। কারণ, কানাডা জার্মানির থেকে ১২টি এই একই ‘টাইপ-২১৪’ ডিজেল-ইলেকট্রিক সাবমেরিন কিনছে প্রায় ১২ লক্ষ কোটি ডলারে। অর্থাৎ, প্রতিটি সাবমেরিনের খরচ আনুমানিক ১ লক্ষ কোটি ডলার। অন্যদিকে, ভারতের ক্ষেত্রে এই দর পড়ছে প্রায় দেড়গুণ। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, ভারতের প্রকল্পের ব্যয় বেশি হওয়ার মূল কারণ প্রযুক্তি হস্তান্তর (Technology Transfer) এবং দেশীয় উৎপাদন পরিকাঠামো গড়ে তোলার দায়িত্ব। অন্যদিকে কানাডার ক্ষেত্রে সব সাবমেরিন জার্মানিতেই তৈরি হবে, প্রযুক্তি স্থানান্তরেরও কোনও শর্ত নেই। ফলে, সেই দিক দিয়ে দাম ঠিক আছে।

    প্রক্রিয়াগত বাধা ও সময়সীমা

    সূত্র জানাচ্ছে, খরচ সংক্রান্ত আলোচনা শেষ হলেও এখনও কিছু প্রশাসনিক ধাপ বাকি রয়েছে। ফাইলটি অর্থমন্ত্রক হয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বাধীন নিরাপত্তা-বিষয়ক মন্ত্রিসভার কমিটি (CCS)-এর অনুমোদনের জন্য যাবে। এই প্রক্রিয়ার কারণেই চুক্তি স্বাক্ষর চলতি অর্থবছর থেকে পিছিয়ে পরবর্তী অর্থবছরে যেতে পারে। রিকোয়েস্ট ফর প্রপোজাল (RFP) অনুযায়ী, চুক্তি স্বাক্ষরের সাত বছরের মধ্যে প্রথম সাবমেরিন সরবরাহ করতে হবে, যেখানে ৪৫ শতাংশ দেশীয় উপাদান থাকবে। পরবর্তী বছরগুলিতে একটির পর একটি সাবমেরিন যুক্ত হবে এবং দেশীয়করণের হার ধীরে ধীরে ৬০ শতাংশে উন্নীত করা হবে।

    এই সাবমেরিন পাকিস্তানও চেয়েছিল, পাত্তা দেয়নি জার্মানি

    এই চুক্তির আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ আঞ্চলিক তাৎপর্যও রয়েছে। অতীতে পাকিস্তানও জার্মান সাবমেরিন প্রযুক্তি অর্জনের বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেছিল, যার মধ্যে টাইপ ২১৪ প্ল্যাটফর্মও অন্তর্ভুক্ত ছিল। ইসলামাবাদের সঙ্গে জ্বালানি, জলবায়ু প্রকল্প ও দক্ষতা উন্নয়নের মতো ক্ষেত্রে সহযোগিতা চালায় বার্লিন এবং দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন সহায়তাও প্রদান করে। তবে প্রতিরক্ষা সরঞ্জাম বিক্রির ক্ষেত্রে জার্মানি এত সহজে পাকিস্তানের মতো দেশকে সন্তুষ্ট করবে না। ফলে, বার্লিন এই নিয়ে আগ্রহই দেখায়নি। সেখানে ভারতেই তৈরি হবে এই ৬টি সাবমেরিন। যার জন্য ভারতকে সম্পূর্ণ প্রযুক্তি হস্তান্তর করতেও রাজি বার্লিন। এখানেই তফাত।

    সাবমেরিনের ক্ষেত্রে ভারত-জার্মানি দীর্ঘ সম্পর্ক

    সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সাবমেরিন নির্মাণ ও উন্নত সামুদ্রিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তিতে জার্মানির প্রধান অংশীদার হিসেবে ভারত উঠে এসেছে। এই প্রথম নয় যে, ভারত জার্মানির থেকে সাবমেরিন নিচ্ছে। এর আগে জার্মানি থেকে শিশুমার শ্রেণির ৪টি ডিজেল-বিদ্যুৎ ডুবোজাহাজ কিনেছিল ভারতীয় নৌসেনা। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিবর্তন দক্ষিণ এশিয়ায় সামরিক ভারসাম্যের ক্ষেত্রে একটি কৌশলগত পুনর্গঠনকে নির্দেশ করে। ফলত, জার্মান প্রতিরক্ষা শিল্পের সঙ্গে ভারতের ঘনিষ্ঠ সহযোগিতা কেবল দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককেই মজবুত করছে না, বরং অঞ্চলজুড়ে সাবমেরিন শক্তির সমীকরণেও নতুন মাত্রা যোগ করছে। এই প্রেক্ষাপটে ভারত এখন জার্মানির উন্নত সাবমেরিন প্রযুক্তির প্রধান গ্রাহক ও অংশীদার হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ায় নিজ অবস্থান সুদৃঢ় করছে।

    ভারতের একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ

    প্রজেক্ট-৭৫ ইন্ডিয়া (P-75I) প্রকল্প ভারতের প্রতিরক্ষা প্রস্তুতি ও সামুদ্রিক কৌশলের ক্ষেত্রে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। যদিও এর উচ্চ ব্যয় নিয়ে বিতর্ক রয়েছে, তবু প্রযুক্তি হস্তান্তর ও দেশীয় উৎপাদন সক্ষমতা গড়ে তোলার দিক থেকে এটি দীর্ঘমেয়াদে লাভজনক বিনিয়োগ হিসেবেই বিবেচিত হচ্ছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এই চুক্তি বাস্তবায়িত হলে ভারত শুধু সাবমেরিন শক্তিতে নয়, বরং বৈশ্বিক প্রতিরক্ষা শিল্প মানচিত্রেও একটি শক্তিশালী উৎপাদন কেন্দ্র হিসেবে আত্মপ্রকাশ করবে। ভারত মহাসাগর অঞ্চলে (IOR) ক্রমবর্ধমান সামরিক তৎপরতা ও সাবমেরিন মোতায়েনের প্রেক্ষাপটে ভারতের প্রজেক্ট-৭৫ ইন্ডিয়া (P-75I) প্রকল্পের সাবমেরিন ভারতীয় নৌবাহিনীর সমুদ্রতল যুদ্ধক্ষমতায় একটি কৌশলগত সংযোজন হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য রক্ষা

    বিশেষজ্ঞদের মতে, এই উন্নতমানের সাবমেরিনগুলি কেবল প্রতিরক্ষা শক্তিই বাড়াবে না, বরং আঞ্চলিক শক্তির ভারসাম্য রক্ষায় ভারতের অবস্থানকে আরও দৃঢ় করবে। বিশ্লেষকদের মতে, ভারত মহাসাগর অঞ্চলে অন্যান্য নৌশক্তির দ্রুত সম্প্রসারিত সাবমেরিন বহর ভারতের জন্য একটি নতুন নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে। এই পরিস্থিতিতে প্রজেক্ট-৭৫ ইন্ডিয়া (P-75I) সাবমেরিন যুক্ত হওয়ায় ভারতের দীর্ঘপাল্লার টহল ক্ষমতা যেমন বাড়বে, তেমনি সমুদ্রের গভীরে প্রতিরোধ গড়ে তোলার সক্ষমতাও বহুগুণ বৃদ্ধি পাবে। ভারতীয় নৌবাহিনী অ্যান্টি-অ্যাক্সেস/এরিয়া-ডিনায়াল (A2/AD) কৌশলকে আরও কার্যকরভাবে প্রয়োগ করতে পারবে এবং গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্রপথে নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখতে সক্ষম হবে। সামগ্রিকভাবে, এই প্রকল্পের মাধ্যমে ভারতীয় নৌবাহিনী সমুদ্রতলের ক্ষেত্রে একটি বিশ্বাসযোগ্য শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রাখার পাশাপাশি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও সামুদ্রিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করতে পারবে বলে মনে করা হচ্ছে।

  • Daily Horoscope 01 March 2026: শরীরে ব্যথা-বেদনা বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    Daily Horoscope 01 March 2026: শরীরে ব্যথা-বেদনা বৃদ্ধি পাবে এই রাশির জাতকদের

    চাকরি থেকে ব্যবসা, বন্ধু থেকে ব্যক্তিগত জীবন, ভ্রমণ থেকে স্বাস্থ্য—কী বলছে ভাগ্যরেখা? কেমন কাটতে পারে দিন?

    মেষ

    ১) কাজে ভুল হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

    ২) শত্রু থেকে সাবধান।

    ৩) ভেবেচিন্তে সিদ্ধান্ত নিন।

    বৃষ

    ১) প্রেমে নৈরাশ্য থেকে মানসিক চাপ বৃদ্ধি পেতে পারে।

    ২) প্রতিবেশীর অশান্তির দায় আপনার কাঁধে চাপতে পারে।

    ৩) ভালো-মন্দ মিশিয়ে কাটবে দিনটি।

    মিথুন

    ১) সকালের দিকে বন্ধুদের দ্বারা বিব্রত হতে পারেন।

    ২) শরীরে ব্যথা-বেদনা বৃদ্ধি পাবে।

    ৩) প্রতিকূল কাটবে দিনটি।

    কর্কট

    ১) ভ্রমণে গিয়ে শরীর খারাপ হওয়ার আশঙ্কা।

    ২) প্রেমের ব্যাপারে ঘৃণা জন্মাতে পারে।

    ৩) নিজেকে সময় দিন।

    সিংহ

    ১) প্রেমের ব্যাপারে আবেগ সংযত থাকুন।

    ২) শরীরে ক্ষয় বৃদ্ধি।

    ৩) প্রিয়জনের সঙ্গে সময় কাটান।

    কন্যা

    ১) বাড়তি কিছু খরচ হতে পারে।

    ২) ব্যবসায় শত্রু বৃদ্ধি পাবে এবং তার ফলে ভাল সুযোগ পেয়েও কাজে লাগাতে পারবেন না।

    ৩) ধৈর্য ধরুন।

    তুলা

    ১) আপনার বিষয়ে সমালোচনা হতে পারে।

    ২) সকালের দিকে একই খরচ বার বার হবে।

    ৩) আধ্যাত্মিকতায় মনোনিবেশ করবেন।

    বৃশ্চিক

    ১) রক্তাল্পতায় ভুগতে পারেন।

    ২) কোনও ব্যক্তির জন্য দাম্পত্য কলহ।

    ৩) গুরুজনের পরামর্শ মেনে চলুন।

    ধনু

    ১) বিলাসিতার কারণে খরচ বাড়তে পারে।

    ২) বাড়িতে বিবাদের জন্য মনঃকষ্ট।

    ৩) দিনটি অনুকূল।

    মকর

    ১) অতিরিক্ত কাজের চাপে ক্লান্তিবোধ।

    ২) সন্তানের জন্য সম্মানহানি হওয়ার সম্ভাবনা।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    কুম্ভ

    ১) ধর্ম সংক্রান্ত ব্যাপারে তর্কে জড়াতে পারেন।

    ২) মা-বাবার সঙ্গে সামান্য কারণে তর্ক হতে পারে।

    ৩) বন্ধুদের পাশে পাবেন।

    মীন

    ১) কর্মস্থানে সহকর্মীদের বিরোধিতা আপনাকে চিন্তায় ফেলবে।

    ২) বুদ্ধির ভুলের জন্য চাপ বৃদ্ধি।

    ৩) দিনটি প্রতিকূল।

    DISCLAIMER: এই প্রতিবেদনটি বিশেষজ্ঞদের মতামত অনুযায়ী লেখা। এর সঙ্গে মাধ্যম-এর কোনও সম্পর্ক নেই। মাধ্যম এর কোনও দায় নিচ্ছে না।

  • T20 World Cup 2026: ৯০০ টাকার টিকিট বিকোচ্ছে ৫-৭ হাজার টাকায়! ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে ইডেনে মুখোমুখি ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    T20 World Cup 2026: ৯০০ টাকার টিকিট বিকোচ্ছে ৫-৭ হাজার টাকায়! ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচে ইডেনে মুখোমুখি ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: ক্রিকেট জ্বরে কাঁপছে কলকাতা। এসআইআর লিস্ট নিয়ে আমজনতার আগ্রহ অন্তত শনিবার চোখে পড়েনি। ময়দান চত্বরে একটাই আলোচনা, কীভাবে মিলবে রবিবার ভারত-ওয়েস্ট ইন্ডিজ (India vs West Indies )ম্যাচের টিকিট। রবিবার ইডেনে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে ভারতের ‘কোয়ার্টার ফাইনাল’। এই ম্যাচে যে জিতবে, সে পা রাখবে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের (T20 World Cup 2026) সেমিফাইনালে। ম্যাচের ফলাফল কী হবে, সেটা তো সময়ই বলবে। কিন্তু তা বলে দর্শকদের জন্য বিনোদনের কমতি থাকছে না। এই হাইভোল্টেজ, ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচকে কেন্দ্র করে শহরজুড়ে উত্তেজনার পারদ এখন তুঙ্গে। কিন্তু এই উন্মাদনার সুযোগ নিয়ে সক্রিয় হয়ে উঠেছে টিকিট কালোবাজারি চক্রও। ৯০০ টাকার টিকিট বিকোচ্ছে ৫-৭ হাজার টাকায়।

    ক্রীড়া-বিনোদনের জন্য মুখিয়ে ইডেন

    জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে বড়় জয়ের পরেও নিরাপদ নয় ভারতের সেমিফাইনালে ওঠা। ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিরুদ্ধে অবশ্যই জিততে হবে ভারতকে। সেই ম্যাচ যদি বৃষ্টির কারণে ভেস্তে যায় তাহলে ছিটকে যাবে ভারত। তবে জিতে গেলে সেমিফাইনাল নিশ্চিত ভারতের। লেজার শো থেকে দেশাত্মবোধক গান, রবিবার সবই থাকছে ক্রিকেটের নন্দনকাননে। মাঠে সূর্যকুমার-অভিষেকদের ব্যাট থেকে রানের ফুলঝুরি দেখার জন্য মুখিয়ে ক্রিকেটভক্তরা। কিন্তু ইডেন কোনওভাবেই খালি হাতে ফেরাবে না দর্শকদের। থাকছে লেজার শো। এছাড়া দেশাত্মবোধক গানও থাকছে। যার মধ্যে একটা বাংলা ভাষায়। বাজবে ‘ধুরন্ধর’-এর গান। এখানেই শেষ নয়। দর্শকদের উন্মাদনার জন্য স্লোগান উঠবে ‘বন্দে’। দর্শকরা উত্তর দেবেন ‘মাতরম’।

    টিকিটের দেদার কালোবাজারি

    ইডেনের ম্যাচে টিকিটের দেদার কালোবাজারির অভিযোগ উঠেছে। শুক্রবার লোয়ার টিয়ারের টিকিট বিক্রি হয়েছে ৩০ হাজার টাকায়। শনিবার টাকার অঙ্কটা ৫০ হাজারে চলে যেতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাছাড়াও আপার টিয়ারের টিকিট বিক্রির খবর পাওয়া গিয়েছে ২০-২৫ হাজার টাকায়।

    দু’টি বিশেষ মেট্রো

    ম্যাচ শেষের পর দর্শকদের যাতায়াতের সুবিধার জন্য ব্লু লাইনে দু’টি বিশেষ মেট্রো চালানো হবে। এই পরিষেবাগুলি চলবে এসপ্ল্যানেড–দক্ষিণেশ্বর এবং এসপ্ল্যানেড–শহিদ ক্ষুদিরাম রুটে। দু’টি মেট্রোই রাত ১১টা ১৫ মিনিটে এসপ্ল্যানেড থেকে ছাড়বে এবং পথে সমস্ত স্টেশনে থামবে। বিশেষ এই পরিষেবার ক্ষেত্রে টিকিট কাউন্টার খোলা থাকবে শুধুমাত্র এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশনে। ফলে ম্যাচ শেষে দর্শকরা সেখান থেকেই টিকিট কেটে সহজে মেট্রো ধরতে পারবেন।

    বোলিং ইউনিট নিয়ে চিন্তা

    ওয়েস্ট ইন্ডিজ ম্যাচে ভারতের সবচেয়ে চিন্তার কারণ বরুণ চক্রবর্তী এবং শিবম দুবের অফ ফর্ম। অনেক বিশেষজ্ঞই মনে করছেন, এই বিশ্বকাপে বোলিং ইউনিট নিয়ে চিন্তায় রয়েছে ভারতীয় দল। খোদ সূর্যকুমার নিজেও সেই ইঙ্গিত দিয়েছেন। আসলে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে মাত্র দুই ওভার বল করেছেন শিবম দুবে। দিয়েছেন ৪৭ রান। ওদিকে বরুণ চক্রবর্তী এবং অক্ষর প্যাটেল দুই জনেই ১টি করে উইকেট নিয়েছেন। দিয়েছেন ৩৫ রান। মাথায় রাখতে হবে, অক্ষর প্রথম দিকে দারুণ বল করছিলেন। তবে শেষে গিয়ে তিনিও ভাল রান দেন। আর সূর্যও এই বিষয়টা নিয়ে চিন্তিত। প্রথমে ব্যাট করে তাই স্কোরবোর্ডে বড় রান তোলাই লক্ষ্য ভারতের।

     

     

     

     

  • SIR Final List: মুখ্যমন্ত্রীর ভবানীপুরে ৪৭ হাজার ভোটারের নাম বাদ! ওই কেন্দ্রে দাঁড়াবেন কি মমতা, কী বলছে বিজেপি?

    SIR Final List: মুখ্যমন্ত্রীর ভবানীপুরে ৪৭ হাজার ভোটারের নাম বাদ! ওই কেন্দ্রে দাঁড়াবেন কি মমতা, কী বলছে বিজেপি?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: এসআইআর-র চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নির্বাচনী কেন্দ্র ভবানীপুর বিধানসভায় মোট ৪৭ হাজারের বেশি নাম বাদ পড়েছে। ২০২১ সালের উপনির্বাচনে ওই কেন্দ্র থেকে ৫৮ হাজার ৮৩২ ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়েছিলেন মমতা। সেখানে তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিজেপি-র প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল। বেশ কিছুদিন ধরে বিজেপি হুঙ্কার দিচ্ছে, এই কেন্দ্রে তারা জিতবে। এই আবহে কত নাম বাদ পড়বে, তা নিয়ে জল্পনা চলছিল। শনিবার চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর সংখ্যাটা সামনে এল।

    মোট কত ভোটার বাদ পড়ল ভবানীপুরে

    এসআইআর প্রক্রিয়া শুরুর সময় কমিশন জানিয়েছিল, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে মোটা ভোটারের সংখ্যা ২ লক্ষ ৬ হাজার ২৯৫। গত ১৬ ডিসেম্বর খসড়া তালিকা প্রকাশের পর দেখা যায়, ৪৪ হাজার ৭৮৬ জনের নাম বাদ পড়েছে। এবার চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় আরও ২ হাজার ৩২৪ জনের নাম বাদ পড়ল। সবমিলিয়ে ভবানীপুর কেন্দ্রে বাদ পড়েছে ৪৭ হাজার ৯৪ জনের নাম। শুধু ৪৭ হাজার নাম বাদ নয়, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে আরও ১৪ হাজার ১৫৪ জনের নাম অমীমাংসিত তালিকায় রয়েছে। নথি যাচাইয়ের পর বাদ পড়লে ভবানীপুরে নাম বাদের সংখ্যা আরও বাড়বে। ভবানীপুর কেন্দ্রে বর্তমানে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১,৫৯,২০১ জন।

    ভবানীপুরে দাঁড়াবেন মমতা!

    এই নাম বাদের কোনও প্রভাব কি বিধানসভা নির্বাচনে (West Bengal Assembly Election 2026) পড়বে? উঠছে প্রশ্ন। এদিন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেন, “২ জায়গার ভোটার কিংবা যাঁদের মৃত্যু হয়েছে, তাঁদের নাম বাদ গিয়েছে। আবার এই তালিকা প্রকাশের পরও নাম তোলার সুযোগ রয়েছে। এখনও পর্যন্ত ৪৭ হাজার নাম বাদ গিয়েছে। তবে যাই হোক না কেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবার ভবানীপুরে দাঁড়াতে সাহস পাবেন বলে মনে হয় না।” ছাব্বিশের নির্বাচনের প্রাক্কালে শুভেন্দু অধিকারী, সুকান্ত মজুমদাররা একাধিকবার ভবানীপুরে এসে দাবি করেছেন, এবার বিজেপি এই আসনে জিতবে। শুক্রবার শুভেন্দু বলেছিলেন, “উনি জানেন কাদের ভোটে জিতেছিলেন। ওটা বিজেপির জায়গা। আমি চ্যালেঞ্জ করছি, আপনি দাঁড়ান। পালাবেন না। বাকিটা বুঝে নেব।”

    রাজ্যে কত ভোটারের নাম বাদ পড়ল

    কমিশন সূত্রে খবর, বিশেষ নিবিড় সংশোধন (SIR) প্রক্রিয়ার খসড়া তালিকা প্রকাশের আগেই ৫৮ লক্ষ নাম তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। এরপর নতুন করে আরও ৭ লক্ষ ভোটারের নামের পাশে ‘ডিলিটেড’ (Deleted) বা মুছে ফেলা হয়েছে এমন মন্তব্য লেখা হয়েছে। অর্থাৎ, সংশোধন প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকে এখনও পর্যন্ত মোট ৬৫ লক্ষ নাম তালিকা থেকে বাদ পড়েছে। এর বাইরে, সবচেয়ে উদ্বেগের বিষয় হল, এখনও প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের নাম চূড়ান্ত তালিকায় থাকলেও তার পাশে ‘বিচারাধীন’ লেখা রয়েছে। এই নামগুলি চূড়ান্ত কি না, তা নিয়ে বিচারবিভাগীয় আধিকারিকরা সমস্ত নথিপত্র খতিয়ে দেখে সিদ্ধান্ত নেবেন।

  • SIM-Binding Rule: মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার পদ্ধতিতে বদল! ১ মার্চ থেকে দেশজুড়ে কার্যকর হচ্ছে ‘সিম-বাইন্ডিং’, কী এটা?

    SIM-Binding Rule: মেসেজিং অ্যাপ ব্যবহার পদ্ধতিতে বদল! ১ মার্চ থেকে দেশজুড়ে কার্যকর হচ্ছে ‘সিম-বাইন্ডিং’, কী এটা?

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: আগামী ১ মার্চ থেকে ভারতে জনপ্রিয় মেসেজিং অ্যাপগুলির ব্যবহার পদ্ধতিতে বড় পরিবর্তন আসতে চলেছে। কেন্দ্রীয় টেলিযোগাযোগ দফতর (DoT) নির্দেশ দিয়েছে যে হোয়াটসঅ্যাপ, টেলিগ্রাম, সিগন্যাল, স্ন্যাপচ্যাট, শেয়ারচ্যাট, জিওচ্যাট, আরাট্টাই এবং জোশ-সহ বিভিন্ন অ্যাপকে বাধ্যতামূলকভাবে ব্যবহারকারীর নিবন্ধিত সিম কার্ডের সঙ্গে সংযুক্ত থাকতে হবে। গত ২৮ নভেম্বর টেলিযোগাযোগ দফতর (DoT) আনুষ্ঠানিকভাবে এই নির্দেশ জারি করে। সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলিকে ৯০ দিনের মধ্যে নিয়ম মানার সময়সীমা দেওয়া হয়, যার শেষ দিন ২৮ ফেব্রুয়ারি। পাশাপাশি ১২০ দিনের মধ্যে একটি কমপ্লায়েন্স রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে। ফলে ১ মার্চ থেকেই নতুন নিয়ম কার্যকর হতে চলেছে।

    কীভাবে কাজ করবে ‘সিম-বাইন্ডিং’

    টেলিকম সাইবার সিকিউরিটি (TCS) রুলস, ২০২৪ সংশোধনী অনুযায়ী জারি হওয়া এই নির্দেশে বলা হয়েছে, কোনও মেসেজিং অ্যাপ তখনই কাজ করবে যখন ব্যবহারকারীর যে সিম (SIM binding) দিয়ে অ্যাকাউন্ট রেজিস্টার করা হয়েছে, সেই সিমটি মোবাইল ফোনে সক্রিয় ও উপস্থিত থাকবে। যদি সিম কার্ড খুলে ফেলা হয়, বদলানো হয় বা নিষ্ক্রিয় হয়ে যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট অ্যাপ ওই ডিভাইসে কাজ করা বন্ধ করবে। সঠিক সিম পুনরায় প্রবেশ করিয়ে যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন না করা পর্যন্ত পরিষেবা চালু হবে না। এছাড়া হোয়াটসঅ্যাপ ওয়েব বা টেলিগ্রাম ওয়েবের মতো ওয়েব ও ডেস্কটপ সংস্করণগুলিকেও প্রতি ছয় ঘণ্টা অন্তর স্বয়ংক্রিয়ভাবে লগ-আউট করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পুনরায় লগ-ইন করতে হলে সক্রিয় সিম-যুক্ত মোবাইল থেকে কিউআর কোড স্ক্যান করে অথেনটিকেশন সম্পন্ন করতে হবে।

    ‘সিম-বাইন্ডিং’ কেন আনা হচ্ছে

    সরকারের দাবি, এই পদক্ষেপের মূল উদ্দেশ্য হল সাইবার নিরাপত্তা জোরদার করা এবং প্রতারণা কমানো। অনেক ক্ষেত্রে নিষ্ক্রিয় বা ভুয়ো নম্বর ব্যবহার করে প্রতারণা করা হয়। ‘সিম-বাইন্ডিং’ (SIM binding) চালু হলে অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সক্রিয় নম্বরের সরাসরি সংযোগ থাকবে। এতে অপরাধ শনাক্ত করা সহজ হবে। কেন্দ্রীয় যোগাযোগমন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া জানিয়েছেন, নির্ধারিত সময়সীমা আর বাড়ানো হবে না এবং ডিজিটাল নিরাপত্তা জোরদার করতেই এই পদক্ষেপ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই নিয়ম নিয়ে উদ্বেগও প্রকাশ করেছে প্রযুক্তি শিল্প এবং ডিজিটাল অধিকার বিশেষজ্ঞরা। যাঁরা নিয়মিত ভ্রমণ করেন, সিম বদলান বা একাধিক ডিভাইসে একই অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করেন, তাঁদের অসুবিধা হতে পারে। ছোট ব্যবসা এবং অফিস ব্যবহারকারীদেরও বারবার যাচাই করতে হতে পারে, যা দৈনন্দিন কাজে প্রভাব ফেলতে পারে।

  • Iran Israel War: যুদ্ধ শুরু ইরান-ইজরায়েলের, ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি বিদেশ মন্ত্রকের

    Iran Israel War: যুদ্ধ শুরু ইরান-ইজরায়েলের, ভারতীয় নাগরিকদের জন্য সতর্কতা জারি বিদেশ মন্ত্রকের

    মাধ্যম নিউজ ডেস্ক: যুদ্ধের আশঙ্কায় ভারতীয়দের আগেই ইরান (Iran Israel War) ছাড়তে বলেছিল বিদেশ মন্ত্রক। এই পরিস্থিতিতে শনিবার অতর্কিতে ইরানে হামলা চালাল ইজরায়েল। ইরানের সুপ্রিম লিডার আয়াতোল্লাহ আলি খামেনেইয়ের বাড়ির কাছেই হামলা চালানো হয়েছে বলে খবর। ইজরায়েল ও মধ্যপ্রাচ্যে পাল্টা হামলা চালাতে শুরু করেছে ইরান। তাই ইজরায়েলে বসবাসকারী সকল ভারতীয় নাগরিককে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন এবং সর্বদা সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে ভারতের বিদেশমন্ত্রকের তরফে। পাশাপাশি হেল্পলাইন নম্বর চালু করা হয়েছে।

    প্রত্যাঘাত হানতে পারে ইরান

    যুদ্ধের আশঙ্কা করাই হচ্ছিল। সত্যি সত্যি ইরানে বড়সড় হামলা হল। তবে আমেরিকা নয়, হামলা চালাল ইজরায়েল। শনিবার সকালে ইরানের উপরে বড় হামলা চালায় ইজরায়েল। তেহরানে পরপর বিস্ফোরণ হয়েছে। হামলার পরই রেড অ্যালার্ট জারি করেছে ইরান। তেহরান জুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। সাধারণ মানুষ রাস্তায় ছোটাছুটি করছেন। লম্বা অ্যাম্বুল্যান্সের মিছিল দেখা যাচ্ছে। পাল্টা জবাব দেবে ইরান, তা ধরেই নেওয়া হচ্ছে। ইতিমধ্যেই ইজরায়েলে সাইরেন বাজছে। ইরান নিজেদের এয়ারস্পেস খালি করেছে। হামলার আশঙ্কায় ইজরায়েল সমস্ত স্কুল বন্ধ করে দিয়েছে। যে কোনও মুহূর্তেই প্রত্যাঘাত হানতে পারে ইরান।

    কী কী নির্দেশ বিদেশ মন্ত্রকের?

    ইজরায়েলে বসবাসকারী সকল ভারতীয় নাগরিককে সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন এবং সর্বদা সতর্ক থাকার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। ভারতীয় নাগরিকদের ইজরায়েলি কর্তৃপক্ষ এবং হোম ফ্রন্ট কমান্ডের জারি করা নিরাপত্তা নির্দেশিকা এবং নির্দেশাবলী কঠোরভাবে মেনে চলার জন্য পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। সমস্ত ভারতীয় নাগরিকদের নির্ধারিত আশ্রয়কেন্দ্রের কাছাকাছি থাকতে বলা হয়েছে। তাদের আবাসস্থল বা কর্মক্ষেত্রের নিকটে থাকা সুরক্ষিত স্থানগুলি কোথায় তা জেনে নিতে হবে। এছাডাও, ভারতীয় নাগরিকদের পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত ইজরায়েলের অভ্যন্তরে সমস্ত অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণ এড়াতে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। নাগরিকদের স্থানীয় সংবাদ, সরকারি ঘোষণা এবং জরুরি সতর্কতা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে হবে। যে কোনও জরুরি পরিস্থিতিতে ভারতীয় নাগরিকরা তেল আবিবের ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে হেল্পলাইনের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন।

    হেল্পলাইন নম্বর হল

    টেলিফোন: +৯৭২-৫৪-৭৫২০৭১১
    ই-মেইল: cons1.telaviv@mea.gov.in

    পরমাণু অস্ত্রের আশঙ্কা

    কূটনীতিকদের অনুমান, আমেরিকার নির্দেশেই ইজরায়েল হামলা করেছে তেহরানে। ইরানকে চারপাশ থেকে ঘিরে ফেলা হচ্ছে। পারস্য় উপসাগরে মার্কিন রণতরী অপেক্ষা করছে। এই পারস্য উপসাগরে হরমুজ প্রণালী দিয়েই বিশ্বের চাহিদার ৬০ শতাংশ তেল সরবরাহ করা হয়। ইরান আগেই হুঁশিয়ারি দিয়েছিল যে হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দেবে। তেল সরবরাহ বন্ধ হয়ে যেতে পারে গোটা বিশ্বের। সেই কারণে আগে হরমুজ প্রণালীর পথ খোলা রাখতে চাইছে আমেরিকা। এবারের আক্রমণের পাল্টা জবাবে ইরান পরমাণু অস্ত্র পর্যন্ত ব্যবহার করতে পারে বলেই আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর প্রভাব হতে পারে ভয়াবহ।

LinkedIn
Share